হাদিস নং: ৮৬৭
যঈফ (Dai'f)
يحيى بن يمان، عن شريك، عن ابي اسحاق، عن عبد الله بن سعيد بن جبير، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من طاف بالبيت خمسين مرة خرج من ذنوبه كيوم ولدته امه " . قال وفي الباب عن انس وابن عمر . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث غريب . سالت محمدا عن هذا الحديث فقال انما يروى هذا عن ابن عباس قوله .
৮৬৭. সুফিয়ান ইবনু ওয়াকী (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি পঞ্চাশবার বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করে সে তার মার পেট থেকে ভুমিষ্ট হওয়ার দিনের মত নিষ্পাপ হয়ে যাবে। - যইফা ৫১০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস ও ইবনু উমার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আমি মুহাম্মদ (রহঃ) কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন, এটি ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে তার উক্তি হিসাবে বর্ণিত হয়ে থাকে।
এই বিষয়ে আনাস ও ইবনু উমার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আমি মুহাম্মদ (রহঃ) কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন, এটি ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে তার উক্তি হিসাবে বর্ণিত হয়ে থাকে।
হাদিস নং: ৮৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر حدثنا سفيان بن عيينة عن ايوب السختياني قال كانوا يعدون عبد الله بن سعيد بن جبير افضل من ابيه . ولعبد الله اخ يقال له عبد الملك بن سعيد بن جبير وقد روى عنه ايضا .
৮৬৮. ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আইউব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাদীস বিশারদগণ আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ ইবনু জুবায়রকে তার পিতা সাঈদ ইবনু জুবায়র থেকেও উত্তম মনে করতেন। তার এক ভাই ছিল। তার নাম ছিল আবদুল মালিক ইবনু সাঈদ ইবনু জুবায়র। তার থেকেও রিওয়ায়াত রয়েছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عمار، وعلي بن خشرم، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزبير، عن عبد الله بن باباه، عن جبير بن مطعم، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يا بني عبد مناف لا تمنعوا احدا طاف بهذا البيت وصلى اية ساعة شاء من ليل او نهار " . وفي الباب عن ابن عباس وابي ذر . قال ابو عيسى حديث جبير بن مطعم حديث حسن صحيح . وقد رواه عبد الله بن ابي نجيح عن عبد الله بن باباه ايضا . وقد اختلف اهل العلم في الصلاة بعد العصر وبعد الصبح بمكة فقال بعضهم لا باس بالصلاة والطواف بعد العصر وبعد الصبح . وهو قول الشافعي واحمد واسحاق واحتجوا بحديث النبي صلى الله عليه وسلم هذا . وقال بعضهم اذا طاف بعد العصر لم يصل حتى تغرب الشمس وكذلك ان طاف بعد صلاة الصبح لم يصل حتى تطلع الشمس . واحتجوا بحديث عمر انه طاف بعد صلاة الصبح فلم يصل وخرج من مكة حتى نزل بذي طوى فصلى بعد ما طلعت الشمس . وهو قول سفيان الثوري ومالك بن انس .
৮৬৯. আবূ উম্মার ও আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু মুতঈম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে বানূ আবদ মানাফ! রাত ও দিনের যে সময় ইচ্ছা বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতে এবং সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে কাউকে তোমরা বাধা দিওনা। - সহিহ ইবনু মাজাহ ১২৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও আবূ যার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু মুতঈম (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ নাজীহ এই রিওয়ায়াত আবদুল্লাহ ইবনু বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন। মক্কা শরীফে বাদ আসর ও বাদ ফজর সালাত আদায় সম্পর্কে ইমামদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কিছু সংখ্যক আলিম বলেন, আসর ও ফজরের পরে সালাত ও তাওয়াফে কোন দোষ নেই। এ হলো ইমাম শাফেঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই হাদীসটি প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন। অপর কিছু সংখ্যক আলিম বলেন, কেউ যদি আসরের পরে তাওয়াফ করে তবে সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত সে সালাতুল তাওয়াফ আদায় করবে না। এমনিভাবে যদি কেউ ফজরের পর তাওয়াফ করে তবে সূর্যদয় না হওয়া পর্যন্ত সে সালাতুল তাওয়াফ আদায় করবে না। তারা উমার (রাঃ) এর একটি ঘটনা দ্বারা এর দলীল পেশ করেন। একদিন তিনি ফজরের সালাতের পর তাওয়াফ করলেন। কিন্তু সালাত আদায় করলেন না। মক্কা থেকে যী তুওয়া নামক স্থানে গিয়ে সেখানে নেমে সূর্যোদয়ের পর সালাতুত তাওয়াফ আদায় করেন। এ হল ইমাম সুফিয়ান সাওরী ও মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর অভিমত।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও আবূ যার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু মুতঈম (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ নাজীহ এই রিওয়ায়াত আবদুল্লাহ ইবনু বাবা থেকে বর্ণনা করেছেন। মক্কা শরীফে বাদ আসর ও বাদ ফজর সালাত আদায় সম্পর্কে ইমামদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কিছু সংখ্যক আলিম বলেন, আসর ও ফজরের পরে সালাত ও তাওয়াফে কোন দোষ নেই। এ হলো ইমাম শাফেঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই হাদীসটি প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন। অপর কিছু সংখ্যক আলিম বলেন, কেউ যদি আসরের পরে তাওয়াফ করে তবে সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত সে সালাতুল তাওয়াফ আদায় করবে না। এমনিভাবে যদি কেউ ফজরের পর তাওয়াফ করে তবে সূর্যদয় না হওয়া পর্যন্ত সে সালাতুল তাওয়াফ আদায় করবে না। তারা উমার (রাঃ) এর একটি ঘটনা দ্বারা এর দলীল পেশ করেন। একদিন তিনি ফজরের সালাতের পর তাওয়াফ করলেন। কিন্তু সালাত আদায় করলেন না। মক্কা থেকে যী তুওয়া নামক স্থানে গিয়ে সেখানে নেমে সূর্যোদয়ের পর সালাতুত তাওয়াফ আদায় করেন। এ হল ইমাম সুফিয়ান সাওরী ও মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৮৭০
সহিহ (Sahih)
اخبرنا ابو مصعب المدني، قراءة عن عبد العزيز بن عمران، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قرا في ركعتى الطواف بسورتى الاخلاص : ( قل يا ايها الكافرون ) و ( قل هو الله احد ).
৮৭০. আবূ মুসআব (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুত তাওয়াফের দুরাকআতে দুটি সুরাতুল ইখলাস তিলাওয়াত করেন - (قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ এবংقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ) - ইবনু মাজাহ ৩০৭৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، انه كان يستحب ان يقرا، في ركعتى الطواف بـ ( قل يا ايها الكافرون ) و ( قل هو الله احد ) . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث عبد العزيز بن عمران وحديث جعفر بن محمد عن ابيه في هذا اصح من حديث جعفر بن محمد عن ابيه عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وعبد العزيز بن عمران ضعيف في الحديث .
৮৭১. হান্নাদ (রহঃ) ..... জাফর ইবনু মুহাম্মদ তৎপিতা মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাওয়াফের দুরাকআত সালাতেقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ এবং قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ তিলাওয়াত করতে পছন্দ করতেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই রিওয়ায়াতটি আবদুল আযীয ইবনু ইমরান এর রিওয়ায়াত থেকে অধিকতর সহীহ। জাফর ইবনু মুহাম্মদ তার পিতা মুহাম্মদের বরাতে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি এই বিষয়ে জাফর ইবনু মুহাম্মদ তৎপিতা মুহাম্মদ জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি থেকে অধিকতর সহীহ। রাবী আবদুল আযীয ইবনু ইমরান হাদীসের বর্ণনায় যঈফ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই রিওয়ায়াতটি আবদুল আযীয ইবনু ইমরান এর রিওয়ায়াত থেকে অধিকতর সহীহ। জাফর ইবনু মুহাম্মদ তার পিতা মুহাম্মদের বরাতে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি এই বিষয়ে জাফর ইবনু মুহাম্মদ তৎপিতা মুহাম্মদ জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি থেকে অধিকতর সহীহ। রাবী আবদুল আযীয ইবনু ইমরান হাদীসের বর্ণনায় যঈফ।
হাদিস নং: ৮৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا سفيان بن عيينة، عن ابي اسحاق، عن زيد بن اثيع، قال سالت عليا باى شيء بعثت قال باربع لا يدخل الجنة الا نفس مسلمة ولا يطوف بالبيت عريان ولا يجتمع المسلمون والمشركون بعد عامهم هذا ومن كان بينه وبين النبي صلى الله عليه وسلم عهد فعهده الى مدته ومن لا مدة له فاربعة اشهر . قال وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى حديث علي حديث حسن .
৮৭২. আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু উছায (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনাকে কি বিষয়ে প্রেরণ করা হয়েছিল? তিনি বলেন, চারটি বিষয়ে (ঘোষণা প্রদানের জন্য) মুসলিম ছাড়া আর কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না; উলঙ্গ ব্যক্তি বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না; এই বছরে পর আর মুসলিম ও মুশরিকগণ এই খানে একত্রিত হবে না, যাদের সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন মেয়াদী চুক্তি আছে তাদের চুক্তি নির্দিষ্ট মিয়াদ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে আর যাদের চুক্তিতে কোন মিয়াদের উল্লেখ নাই তাদের জন্য চার মাস সময় নির্ধারণ করে দেওয়া গেল। - ইরওয়া ১১০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৮৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، ونصر بن علي، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي اسحاق، نحوه وقالا زيد بن يثيع . وهذا اصح . قال ابو عيسى وشعبة وهم فيه فقال زيد بن اثيل .
৮৭৩. ইবনু আবূ উমার ও নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ....... সুফিয়ান আবূ ইসহাক (রহঃ) এর বরাতে উক্ত রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তারা উভয়ে যায়দ ইবনু উছায় (اثىع) এর বুছায় (بثىع) উল্লেখ করেছেন; এটি অধিকতর সহীহ। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই ক্ষেত্রে শু’বা (রহঃ) এর বিভ্রান্তি হয়েছে তিনি যায়দ ইবনু উছায়ল রূপে এই নামটি উল্লেখ করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই ক্ষেত্রে শু’বা (রহঃ) এর বিভ্রান্তি হয়েছে তিনি যায়দ ইবনু উছায়ল রূপে এই নামটি উল্লেখ করেছেন।
হাদিস নং: ৮৭৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا وكيع، عن اسماعيل بن عبد الملك، عن ابن ابي مليكة، عن عاىشة، قالت خرج النبي صلى الله عليه وسلم من عندي وهو قرير العين طيب النفس فرجع الى وهو حزين فقلت له فقال " اني دخلت الكعبة ووددت اني لم اكن فعلت اني اخاف ان اكون اتعبت امتي من بعدي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৮৭৪. ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমার নিকট থেকে বের হয়ে গেলেন তখন খুবই উৎফুল্ল ও আনন্দিত চিত্তে ছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষন পর যখন ফিরে এলেন তখন তাকে খুবই বিষন্ন দেখাচ্ছিল। আমি তাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি কা’বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলাম। কিন্তু আমার মন চাচ্ছে আমি যদি এরূপ না করতাম। আমার আশংকা হচ্ছে আমার পরবর্তীতে আমার উম্মতদেরকে হয়ত কষ্টে ফেলে দিলাম। - ইবনু মাজাহ ৩০৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৮৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن ابن عمر، عن بلال، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى في جوف الكعبة . قال ابن عباس لم يصل ولكنه كبر . قال وفي الباب عن اسامة بن زيد والفضل بن عباس وعثمان بن طلحة وشيبة بن عثمان . قال ابو عيسى حديث بلال حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اكثر اهل العلم لا يرون بالصلاة في الكعبة باسا . وقال مالك بن انس لا باس بالصلاة النافلة في الكعبة . وكره ان تصلى المكتوبة في الكعبة . وقال الشافعي لا باس ان تصلى المكتوبة والتطوع في الكعبة لان حكم النافلة والمكتوبة في الطهارة والقبلة سواء .
৮৭৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... বিলাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাবার অভ্যন্তরে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছিলেন। - ইবনু মাজাহ ৩০৬৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি সালাত আদায় করেননি, তবে সেখানে তাকবীর বলেছিলেন।
এই বিষয়ে উসামা ইবনু যায়দ, ফাযল ইবনু আব্বাস, উসমান, ইবনু তালহা ও শায়বা ইবনু উসমান (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা বলেন, বিলাল (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এই হাদীস অনুসারে অভিমত দিয়েছেন। তারা কাবা শরীফের অভ্যন্তরে সা্লাত আদায়ে কোন দোষ আছে বলে মনে করেন না। ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেন, কাবা শরীফের ভিতরে নফল সালাত আদায়ে কোন দোষ নাই; তবে ফরয সালাত আদায় করা মাকরূহ। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, ফরয হোক বা নফল যে কোন সালাতই কাবা শরীফের ভিতরে আদায় করায় দোষ নাই। কেননা কিবলামুখী হওয়া, তাহারাত অর্জন করা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ফরয ও নফলের হুকুম-আহকাম একই রকমের।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি সালাত আদায় করেননি, তবে সেখানে তাকবীর বলেছিলেন।
এই বিষয়ে উসামা ইবনু যায়দ, ফাযল ইবনু আব্বাস, উসমান, ইবনু তালহা ও শায়বা ইবনু উসমান (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা বলেন, বিলাল (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এই হাদীস অনুসারে অভিমত দিয়েছেন। তারা কাবা শরীফের অভ্যন্তরে সা্লাত আদায়ে কোন দোষ আছে বলে মনে করেন না। ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেন, কাবা শরীফের ভিতরে নফল সালাত আদায়ে কোন দোষ নাই; তবে ফরয সালাত আদায় করা মাকরূহ। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, ফরয হোক বা নফল যে কোন সালাতই কাবা শরীফের ভিতরে আদায় করায় দোষ নাই। কেননা কিবলামুখী হওয়া, তাহারাত অর্জন করা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ফরয ও নফলের হুকুম-আহকাম একই রকমের।
হাদিস নং: ৮৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، عن شعبة، عن ابي اسحاق، عن الاسود بن يزيد، ان ابن الزبير، قال له حدثني بما، كانت تفضي اليك ام المومنين يعني عاىشة فقال حدثتني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لها " لولا ان قومك حديثو عهد بالجاهلية لهدمت الكعبة وجعلت لها بابين " . قال فلما ملك ابن الزبير هدمها وجعل لها بابين . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৮৭৬. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু যুবায়র (রাঃ) তাকে বললেন, উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ) তোমাকে গোপনে কি বলেছিলেন, আমার কাছে তুমি তা বর্ণনা কর। আসওয়াদ বললেন, তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছিলেন, তোমার কাওম যদি জাহিলী যুগের এত কাছাকাছি এবং ইসলাম গ্রহণের ক্ষেত্রে এত নয়া না হত তবে আমি কাবা ঘরকে ভেঙ্গে (পুনঃনির্মান করে) এর দুটো দরজা বানাতাম। পরে ইবনু জুবায়র যখন ক্ষমতাধিকারী হন তখন সেটিকে ভেঙ্গে এর দুটো দরজা রেখেছিলেন। - ইবনু মাজাহ ৮৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৮৭৭
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن علقمة بن ابي علقمة، عن امه، عن عاىشة، قالت كنت احب ان ادخل، البيت فاصلي فيه فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدي فادخلني الحجر فقال " صلي في الحجر ان اردت دخول البيت فانما هو قطعة من البيت ولكن قومك استقصروه حين بنوا الكعبة فاخرجوه من البيت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وعلقمة بن ابي علقمة هو علقمة بن بلال .
৮৭৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহর ভিতর প্রবেশ করে সেখানে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে আমার খুব আকাংখা হত। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার হাত ধরে হিজর এ প্রবেশ করিয়ে আমাকে বললেন, তুমি যদি বায়তুল্লাহ প্রবেশের ইচ্ছা রেখে থাকে তবে এই হিজরেই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে নাও। কেননা ওটিও বায়তুল্লাহর অংশ। কিন্তু তোমার কাওম যখন বায়তুল্লাহ পুনঃনির্মান করছিল তখন অর্থাভাবে এই স্থানটিকে বায়তুল্লাহর বাইরে রেখে দেয়। - সহিহ আবু দাউদ ১৭৬৯, সহিহাহ ৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আলকামা ইবনু আবূ আলকামা হলেন আলকামা ইবনু বিলাল।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আলকামা ইবনু আবূ আলকামা হলেন আলকামা ইবনু বিলাল।
হাদিস নং: ৮৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن عطاء بن الساىب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نزل الحجر الاسود من الجنة وهو اشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني ادم " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح .
৮৭৮. কুতায়বা (রহঃ) ....... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হাজরে আসওয়াদ জান্নাত থেকে অবতীর্ন হয়েছিল তখন সেটি ছিল দুধ থেকেও শুভ্র। মানুষের গুণাহ- খাতা এটিকে এমন কালো করে দিয়েছে। - মিশকাত ২৫৭৭, তা’লীকুর রাগীব ২/১২৩, আল হাজ্জুল কাবীর, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৮৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا يزيد بن زريع، عن رجاء ابي يحيى، قال سمعت مسافعا الحاجب، قال سمعت عبد الله بن عمرو، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان الركن والمقام ياقوتتان من ياقوت الجنة طمس الله نورهما ولو لم يطمس نورهما لاضاءتا ما بين المشرق والمغرب " . قال ابو عيسى هذا يروى عن عبد الله بن عمرو موقوفا قوله . وفيه عن انس ايضا وهو حديث غريب .
৮৭৯. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহীম হচ্ছে জান্নাতের ইয়াকুত পাথর থেকে দুটো ইয়াকুত পাথর। এ দুটির নূর আল্লাহ তা’আলা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। যদি এ দুটির নূর নির্ধারিত করে দেওয়া না হতো তবে তা পূর্ব-পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে সব আলোকিত করে দিত। - মিশকাত ২৫৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) এর এই বক্তব্য মাওকুফ হিসাবেও বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আনাস (রহঃ) থেকেও রিওয়ায়াত আছে। তবে এটি গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) এর এই বক্তব্য মাওকুফ হিসাবেও বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আনাস (রহঃ) থেকেও রিওয়ায়াত আছে। তবে এটি গারীব।
হাদিস নং: ৮৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا عبد الله بن الاجلح، عن اسماعيل بن مسلم، عن عطاء، عن ابن عباس، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى الظهر والعصر والمغرب والعشاء والفجر ثم غدا الى عرفات . قال ابو عيسى واسماعيل بن مسلم قد تكلموا فيه من قبل حفظه .
৮৮০. আবূ সাঈদ আল–আশাজ্জ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে মিনায়, যুহর, আসর, মাগরিব,এশা ও ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন এবং এর পরে ভোরে আরাফাতের দিকে যাত্রা করেন। - হাজ্জাতুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫৫/৬৯, মুসলিম - জাবির (রাঃ) হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন রাবী ইসসাঈল ইবনু মুসলিম সর্ম্পকে সমালোচনা রয়েছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন রাবী ইসসাঈল ইবনু মুসলিম সর্ম্পকে সমালোচনা রয়েছে।
হাদিস নং: ৮৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا عبد الله بن الاجلح، عن الاعمش، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى بمنى الظهر والفجر ثم غدا الى عرفات . قال وفي الباب عن عبد الله بن الزبير وانس . قال ابو عيسى حديث مقسم عن ابن عباس قال علي بن المديني قال يحيى قال شعبة لم يسمع الحكم من مقسم الا خمسة اشياء . وعدها وليس هذا الحديث فيما عد شعبة .
৮৮১. আবূ সাঈদ আল- আশাজ্জ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিনায় যুহর ও ফজর সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন এবং এরপর ভোরে আরাফাতের দিকে যাত্রা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিযয়ে আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র ও আনাস (রাঃ) থেকে হাদিস বর্ণীত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মিকসাম-ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটির বিযয়ে কথা হলো যে, আলী ইবনুল মাদীনী (রহঃ) ইয়াহইয়া- এর সনদে প্রখ্যাত হাদিস বিশেজ্ঞ শু’বা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, মিকসাম থেকে হাকাম মাত্র পাঁচটি রিওয়াতই শুনেছেন। এরপর তিনি এই পাঁচটির বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এগুলোর মাঝে বক্ষমান হাদিসটি ছিলো না।
এই বিযয়ে আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র ও আনাস (রাঃ) থেকে হাদিস বর্ণীত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মিকসাম-ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটির বিযয়ে কথা হলো যে, আলী ইবনুল মাদীনী (রহঃ) ইয়াহইয়া- এর সনদে প্রখ্যাত হাদিস বিশেজ্ঞ শু’বা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, মিকসাম থেকে হাকাম মাত্র পাঁচটি রিওয়াতই শুনেছেন। এরপর তিনি এই পাঁচটির বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এগুলোর মাঝে বক্ষমান হাদিসটি ছিলো না।
হাদিস নং: ৮৮২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا يوسف بن عيسى، ومحمد بن ابان، قالا حدثنا وكيع، عن اسراىيل، عن ابراهيم بن مهاجر، عن يوسف بن ماهك، عن امه، مسيكة عن عاىشة، قالت قلنا يا رسول الله الا نبني لك بيتا يظلك بمنى قال " لا منى مناخ من سبق " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৮৮২. ইউসুফ ইবনু ঈসা ও মুহাম্মদ ইবনু আবান (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! আমরা মিনায় আপনার জন্য কি একটি ঘর বানিয়ে দেব যাতে আপনি ছায়া গ্রহন করবেন। তিনি বললেন, না। যিনি মিনায় যে স্থানে আগে পৌছবে সেটিই হবে তার অবস্থানস্থল। - ইবনু মাজাহ ৩০০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
হাদিস নং: ৮৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن حارثة بن وهب، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم بمنى امن ما كان الناس واكثره ركعتين . قال وفي الباب عن ابن مسعود وابن عمر وانس . قال ابو عيسى حديث حارثة بن وهب حديث حسن صحيح . وروي عن ابن مسعود انه قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم بمنى ركعتين ومع ابي بكر ومع عمر ومع عثمان ركعتين صدرا من امارته . وقد اختلف اهل العلم في تقصير الصلاة بمنى لاهل مكة فقال بعض اهل العلم ليس لاهل مكة ان يقصروا الصلاة بمنى الا من كان بمنى مسافرا . وهو قول ابن جريج وسفيان الثوري ويحيى بن سعيد القطان والشافعي واحمد واسحاق . وقال بعضهم لا باس لاهل مكة ان يقصروا الصلاة بمنى . وهو قول الاوزاعي ومالك وسفيان بن عيينة وعبد الرحمن بن مهدي .
৮৮৩. কুতায়বা (রহঃ) .... হারিসা ইবনু ওয়াহব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একজন লোক যতটুকু নিরাপত্তায় থাকতে পারে ততটুক নিরাপত্তাকালে এবং সর্বাধিক সংখ্যক লোকসহ মিনায় দু’ রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছি। - সহিহ আবু দাউদ ১৭১৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু মাসউদ, ইবনু উমর ও আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হারিসা ইবনু ওয়াহব (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান -সহীহ্। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মিনায় দু’ রাকআত সালাত আদায় করেছি। আবূ বকর, উমার ও উছমানের খিলাফতের প্রথম দিকেও এখানে দু’ রাকাত সালাত আদায় করেছি। মক্কাবাসীদের জন্য মিনায় সালাত কসর করা সম্পর্কে ইমামদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কতক আলিম বলেন, যদি কেউ মিনায় মূসাফির অবস্থায় থাকে তবে সে ছাড়া আর কোন মক্কাবাসী সেখানে কসর করবে না। এ হলো ইবনু জুরায়জ, সুফিয়ান ছাওরী, ইয়াহ্ ইয়া ইবনু সাঈদ আল- কাওান, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। কতিপয় আলিম বলেন, মক্কাবাসীর জন্য মিনায় কসর করতে কোন অসুবিধা নাই। এ হলো অওয়াঈ, মালিক সুফিয়ান ইবনু উআয়না ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ) -এর অভিমত।
এই বিষয়ে ইবনু মাসউদ, ইবনু উমর ও আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হারিসা ইবনু ওয়াহব (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান -সহীহ্। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মিনায় দু’ রাকআত সালাত আদায় করেছি। আবূ বকর, উমার ও উছমানের খিলাফতের প্রথম দিকেও এখানে দু’ রাকাত সালাত আদায় করেছি। মক্কাবাসীদের জন্য মিনায় সালাত কসর করা সম্পর্কে ইমামদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কতক আলিম বলেন, যদি কেউ মিনায় মূসাফির অবস্থায় থাকে তবে সে ছাড়া আর কোন মক্কাবাসী সেখানে কসর করবে না। এ হলো ইবনু জুরায়জ, সুফিয়ান ছাওরী, ইয়াহ্ ইয়া ইবনু সাঈদ আল- কাওান, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। কতিপয় আলিম বলেন, মক্কাবাসীর জন্য মিনায় কসর করতে কোন অসুবিধা নাই। এ হলো অওয়াঈ, মালিক সুফিয়ান ইবনু উআয়না ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ) -এর অভিমত।
হাদিস নং: ৮৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عمرو بن عبد الله بن صفوان، عن يزيد بن شيبان، قال اتانا ابن مربع الانصاري ونحن وقوف بالموقف مكانا يباعده عمرو - فقال اني رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم اليكم يقول " كونوا على مشاعركم فانكم على ارث من ارث ابراهيم " . قال وفي الباب عن علي وعاىشة وجبير بن مطعم والشريد بن سويد الثقفي . قال ابو عيسى حديث ابن مربع الانصاري حديث حسن لا نعرفه الا من حديث ابن عيينة عن عمرو بن دينار . وابن مربع اسمه يزيد بن مربع الانصاري وانما يعرف له هذا الحديث الواحد .
৮৮৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইয়াযীদ ইবনু শায়বান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কাছে মিরবা আনসারী (রাঃ) এলেন। তখন আমরা আরাফাতের এমন এক জায়গায় অবস্থান করেছিলাম যে, জায়গাটি আমর বহু দুর বলে মনে করছিলেন। ইবনু মিরবা আনসারী (রাঃ) বললেন আমি তোমাদের কাছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দূত হিসাবে এসেছি। তিনি বলেন তোমরা হজ্জের নির্ধারিত স্থানে থাকবে। কারণ তোমরা হলে ইবরাহীম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ওয়ারাসাতের ওয়ারিস। - ইবনু মাজাহ ৩০১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিযয়ে আলী আয়শা জুবায়ের ইবনু মু’তইম শারীদ ইবনু সুওয়ায়দ সাকাফী (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু মিরবা বর্ণিত হাদিসটি হাসান। ইবনু উআয়না- আমর ইবনু দ্বীনার (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। ইবনু মিরবা -এর নাম হল ইয়াযীদ ইবনু মিরবা আনসারী। তাঁর এই হাদিসই বর্ণিত আছে বলে জানা যায়।
এই বিযয়ে আলী আয়শা জুবায়ের ইবনু মু’তইম শারীদ ইবনু সুওয়ায়দ সাকাফী (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু মিরবা বর্ণিত হাদিসটি হাসান। ইবনু উআয়না- আমর ইবনু দ্বীনার (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। ইবনু মিরবা -এর নাম হল ইয়াযীদ ইবনু মিরবা আনসারী। তাঁর এই হাদিসই বর্ণিত আছে বলে জানা যায়।
হাদিস নং: ৮৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى الصنعاني البصري، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت كانت قريش ومن كان على دينها وهم الحمس يقفون بالمزدلفة يقولون نحن قطين الله . وكان من سواهم يقفون بعرفة فانزل الله تعالى : (ثم افيضوا من حيث افاض الناس ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال ومعنى هذا الحديث ان اهل مكة كانوا لا يخرجون من الحرم وعرفة خارج من الحرم واهل مكة كانوا يقفون بالمزدلفة ويقولون نحن قطين الله يعني سكان الله ومن سوى اهل مكة كانوا يقفون بعرفات . فانزل الله تعالى: (ثم افيضوا من حيث افاض الناس ) . والحمس هم اهل الحرم .
৮৮৫. মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা সানআনী বাসরী (রহঃ) ....... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরায়শ এবং যারা তাদের অনুসারী ছিল তাদের বলা হত হুমুস। এরা মুযদালিফায় উকূফ করত এবং বলত যে, আমরা কাতীনুল্লাহ’ বা আল্লাহর ঘরের অধিবাসী। এরা ছাড়া বাকী মানুষ আরাফায় উকুফ করত। এই বিষয়ে আল্লাহ্ ত’ তাআলা নাযিল করেনঃثُمَّ أَفِيضُوا مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ (এরপর লোকেরা যেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে তোমরাও যেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করবে।) (সূরা বাকারাঃ১৯৯)। - ইবনু মাজাহ ৩০১৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্। হাদিসটির মর্ম হল, মক্কবাসীরা হারাম শরীফ থেকে বের হতনা। আরাফা হারাম শরীফের বাইরে অবস্থিত। তাই মক্কাবাসীরা মুযদালিফায় উকুফ করত। আর নিজদেরকে কাতীনুল্লাহ্ বা আল্লাহর ঘরের অধিবাসী বলে (গর্ব করে) পরিচয় দিত। মক্কবাসীরা ছাড়া অন্যান্য লোক আরাফায় উকহফ করত। এতদ্বিষয়ে আল্লাহ্ তা’ বলেন নাযিল করেনঃ (ثُمَّ أَفِيضُوا مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ) -
(الْحُمْسُ) হল হারামবাসী। -
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্। হাদিসটির মর্ম হল, মক্কবাসীরা হারাম শরীফ থেকে বের হতনা। আরাফা হারাম শরীফের বাইরে অবস্থিত। তাই মক্কাবাসীরা মুযদালিফায় উকুফ করত। আর নিজদেরকে কাতীনুল্লাহ্ বা আল্লাহর ঘরের অধিবাসী বলে (গর্ব করে) পরিচয় দিত। মক্কবাসীরা ছাড়া অন্যান্য লোক আরাফায় উকহফ করত। এতদ্বিষয়ে আল্লাহ্ তা’ বলেন নাযিল করেনঃ (ثُمَّ أَفِيضُوا مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ) -
(الْحُمْسُ) হল হারামবাসী। -
হাদিস নং: ৮৮৬
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن الحارث بن عياش بن ابي ربيعة، عن زيد بن علي، عن ابيه، عن عبيد الله بن ابي رافع، عن علي بن ابي طالب، رضى الله عنه قال وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرفة فقال " هذه عرفة وهذا هو الموقف وعرفة كلها موقف " . ثم افاض حين غربت الشمس واردف اسامة بن زيد وجعل يشير بيده على هيىته والناس يضربون يمينا وشمالا يلتفت اليهم ويقول " يا ايها الناس عليكم السكينة " . ثم اتى جمعا فصلى بهم الصلاتين جميعا فلما اصبح اتى قزح فوقف عليه وقال " هذا قزح وهو الموقف وجمع كلها موقف " . ثم افاض حتى انتهى الى وادي محسر فقرع ناقته فخبت حتى جاوز الوادي فوقف واردف الفضل ثم اتى الجمرة فرماها ثم اتى المنحر فقال " هذا المنحر ومنى كلها منحر " . واستفتته جارية شابة من خثعم فقالت ان ابي شيخ كبير قد ادركته فريضة الله في الحج افيجزى ان احج عنه قال " حجي عن ابيك " . قال ولوى عنق الفضل فقال العباس يا رسول الله لم لويت عنق ابن عمك قال " رايت شابا وشابة فلم امن الشيطان عليهما " . ثم اتاه رجل فقال يا رسول الله اني افضت قبل ان احلق . قال " احلق او قصر ولا حرج " . قال وجاء اخر فقال يا رسول الله اني ذبحت قبل ان ارمي . قال " ارم ولا حرج " . قال ثم اتى البيت فطاف به ثم اتى زمزم فقال " يا بني عبد المطلب لولا ان يغلبكم الناس عنه لنزعت " . قال وفي الباب عن جابر . قال ابو عيسى حديث علي حديث حسن صحيح لا نعرفه من حديث علي الا من هذا الوجه من حديث عبد الرحمن بن الحارث بن عياش . وقد رواه غير واحد عن الثوري مثل هذا . والعمل على هذا عند اهل العلم راوا ان يجمع بين الظهر والعصر بعرفة في وقت الظهر . وقال بعض اهل العلم اذا صلى الرجل في رحله ولم يشهد الصلاة مع الامام ان شاء جمع هو بين الصلاتين مثل ما صنع الامام . قال وزيد بن علي هو ابن حسين بن علي بن ابي طالب عليه السلام .
৮৮৬. মুহামামদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে উকূফ করলেন। পরে বললেনঃ এ হলো আরাফা, এ হলো উকুফ স্থল। আর গোটা আরাফাতই উকূফ স্থল। এরপর তিনি সূর্য অস্ত গেলে সেখানে থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং উসামা ইবনু যায়দ কে তাঁর বাহনের পিছনে বসালেন। তিনি স্বীয় অবস্থান থেকে হাত ইশারা করছিলেন। লোকজন ডানে বামে তাদের উটগুলো হাঁকাচ্ছিল। তিনি মুযদালিফায় এলেন, এখানে তিনি তাদেরকে নিয়ে উভয় ওয়াক্ত (মাগরিব ও এশা) সালাত (নামায/নামাজ) এক সঙ্গে আদায় করলেন।, ভোরে তিনি ’কাযাহ্’ নামক স্থানে এসে অবস্থান করলেন এবং বললেন, এ হলো কাযাহ্; এ-ও উকূফ স্থল, আর মুযদালিফা সারাটাই উকূফের জায়গা।
এরপর তিনি ওয়াদী মুহাসসারে এসে পৌছেলেন। তিনি তাঁর উটটিকে বেত দিয়ে মারলেন। ফলে সেটি খুব দ্রুত দৌড়ে সেটি এই উপত্যকাটি অতিক্রম করে গেল, পরে তিনি থামলেন এবং তাঁর পিছনে (ইবনু আব্বাস) ফায্ল কে বসালেন। এরপর তিনি জামরায় আসলেন এবং এখানে কংকর মারলেন। পরে কুরবানীর জায়গায় আসলেন এবং বললেন, এ হলো, কুরবানী করার স্থান। আর গোটা মিনাই হলো কুরবানী করার স্থান, এই সময় খাছআম গোত্রের এক যুবতী মহিলা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলো যে, আমার পিতা অতি বৃদ্ধ। তার উপর আল্লাহর নির্ধারিত হজ্জ ফরয হয়েছে। আমি তার পক্ষ থেকে হজ্জ করলে তা কি আদায় হয়ে যাবে? তিনি বললেন, তোমার পিতার পক্ষ থেকে একটি হজ্জ আদায় করে নাও।
আলী (রাঃ) বলেন, এই সময় তিনি ফাযলের ঘাড় কেন ঘুরিয়ে দিলেন? তিনি বললেন, আমি দেখলাম এরা দু’জন হল যুবক-যুবতী। সুতারাং আমি তাদেরকে শয়তান থেকে নিরাপদ মনে করিনি। এরপর একজন লোক এসে তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যে শাথা মুন্ডনের পূর্বেই তাওয়াফে ইফায়া করে ফেলেছি। তিনি বললেন, মাথা মুন্ডন করে নাও, কোন অসুবিধা নেই। (অথবা বললেন চুল ছেটে নাও কোন অসুবিধা নেই) রাবী বললেন, আরেক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কংকর মারার আগে আমি যবেহ করে ফেলেছি। তিনি বললেন কংকর মেরে নাও, কোন অসুবিধা নেই। আলী (রাঃ) বলেন, এরূপ তিনি বায়তুল্লাহ্ এসে তাওয়াফ করলেন। পরে যমযম কূপের কাছে এসে বললেন, হে বানূ আবদুল মুত্তালিব! এই বিষয়ে মানুষ তোমাদের উপর প্রবল হয়ে উঠবে এই আশংকা যদি না হত তবে আমি অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে পানি টেনে তুলতাম। - হিযাবুল মারআ, আল হাজ্জুল কাবীর ২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয় জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু আয়াশ - এর সূ্ত্র ছাড়া আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি অন্য কোন সূত্রে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। একাধিক রাবী ছাওরী (রাঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। আলিমগণ এতদনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। তারা বলেন, আরাফায় যুহরের ওয়াক্তে যুহর ও আসর একসঙ্গে আদায় করতে হবে। কতক আলিম বলেন। যদি কোন ব্যক্তি নিজের অবস্থান স্থলেই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, ইমামের সঙ্গে সালাতে হাযির না হয় তবে সে ইচ্ছা করলে ইমামের মত দুই সালাত (নামায/নামাজ) এক সঙ্গে আদায় করতে পারে। রাবী যায়দ ইবনু আলী যায়দ ইবনু আলী ইবনু আলী ইবনু আবূ তালিব।
এরপর তিনি ওয়াদী মুহাসসারে এসে পৌছেলেন। তিনি তাঁর উটটিকে বেত দিয়ে মারলেন। ফলে সেটি খুব দ্রুত দৌড়ে সেটি এই উপত্যকাটি অতিক্রম করে গেল, পরে তিনি থামলেন এবং তাঁর পিছনে (ইবনু আব্বাস) ফায্ল কে বসালেন। এরপর তিনি জামরায় আসলেন এবং এখানে কংকর মারলেন। পরে কুরবানীর জায়গায় আসলেন এবং বললেন, এ হলো, কুরবানী করার স্থান। আর গোটা মিনাই হলো কুরবানী করার স্থান, এই সময় খাছআম গোত্রের এক যুবতী মহিলা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলো যে, আমার পিতা অতি বৃদ্ধ। তার উপর আল্লাহর নির্ধারিত হজ্জ ফরয হয়েছে। আমি তার পক্ষ থেকে হজ্জ করলে তা কি আদায় হয়ে যাবে? তিনি বললেন, তোমার পিতার পক্ষ থেকে একটি হজ্জ আদায় করে নাও।
আলী (রাঃ) বলেন, এই সময় তিনি ফাযলের ঘাড় কেন ঘুরিয়ে দিলেন? তিনি বললেন, আমি দেখলাম এরা দু’জন হল যুবক-যুবতী। সুতারাং আমি তাদেরকে শয়তান থেকে নিরাপদ মনে করিনি। এরপর একজন লোক এসে তাঁকে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি যে শাথা মুন্ডনের পূর্বেই তাওয়াফে ইফায়া করে ফেলেছি। তিনি বললেন, মাথা মুন্ডন করে নাও, কোন অসুবিধা নেই। (অথবা বললেন চুল ছেটে নাও কোন অসুবিধা নেই) রাবী বললেন, আরেক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কংকর মারার আগে আমি যবেহ করে ফেলেছি। তিনি বললেন কংকর মেরে নাও, কোন অসুবিধা নেই। আলী (রাঃ) বলেন, এরূপ তিনি বায়তুল্লাহ্ এসে তাওয়াফ করলেন। পরে যমযম কূপের কাছে এসে বললেন, হে বানূ আবদুল মুত্তালিব! এই বিষয়ে মানুষ তোমাদের উপর প্রবল হয়ে উঠবে এই আশংকা যদি না হত তবে আমি অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে পানি টেনে তুলতাম। - হিযাবুল মারআ, আল হাজ্জুল কাবীর ২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয় জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু আয়াশ - এর সূ্ত্র ছাড়া আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি অন্য কোন সূত্রে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। একাধিক রাবী ছাওরী (রাঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। আলিমগণ এতদনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। তারা বলেন, আরাফায় যুহরের ওয়াক্তে যুহর ও আসর একসঙ্গে আদায় করতে হবে। কতক আলিম বলেন। যদি কোন ব্যক্তি নিজের অবস্থান স্থলেই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, ইমামের সঙ্গে সালাতে হাযির না হয় তবে সে ইচ্ছা করলে ইমামের মত দুই সালাত (নামায/নামাজ) এক সঙ্গে আদায় করতে পারে। রাবী যায়দ ইবনু আলী যায়দ ইবনু আলী ইবনু আলী ইবনু আবূ তালিব।