হাদিস নং: ৮২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، انه اهل فانطلق يهل فيقول لبيك اللهم لبيك لبيك لا شريك لك لبيك ان الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك . قال وكان عبد الله بن عمر يقول هذه تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم . وكان يزيد من عنده في اثر تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم لبيك لبيك وسعديك والخير في يديك لبيك والرغباء اليك والعمل . قال هذا حديث حسن صحيح .
৮২৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি যখন ইহরাম বাঁধতেন তখন উচ্চস্বরে বলতেনঃ
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ
রাবী বলেন যে, আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলতেন, এ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তালবিয়া। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর তালবিয়ার শেষে নিজে থেকে এই দোয়া পড়তেনঃ
لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ
বান্দা হাযির, বান্দা হাযির, আমি ভাগ্যবান এবং সকল কল্যাণ তোমারই হাতে, বান্দা হাযির, সব কুরবানী তোমার জন্যই, আমল তোমার জন্যই। - বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ্।
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ
রাবী বলেন যে, আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলতেন, এ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তালবিয়া। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর তালবিয়ার শেষে নিজে থেকে এই দোয়া পড়তেনঃ
لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ
বান্দা হাযির, বান্দা হাযির, আমি ভাগ্যবান এবং সকল কল্যাণ তোমারই হাতে, বান্দা হাযির, সব কুরবানী তোমার জন্যই, আমল তোমার জন্যই। - বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ্।
হাদিস নং: ৮২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن ابي فديك، ح وحدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا ابن ابي فديك، عن الضحاك بن عثمان، عن محمد بن المنكدر، عن عبد الرحمن بن يربوع، عن ابي بكر الصديق، ان النبي صلى الله عليه وسلم سىل اى الحج افضل قال " العج والثج " .
৮২৮. মুহাম্মদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, কোন ধরণের হজ্জ সবচে উত্তম? তিনি বললেনঃ "আল - আজ্জু ওয়াচ্ছাজ্জু’’ উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ আর উট কুরবানী দেওয়া। - ইবনু মাজাহ ২৯২৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا اسماعيل بن عياش، عن عمارة بن غزية، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من مسلم يلبي الا لبى من عن يمينه او عن شماله من حجر او شجر او مدر حتى تنقطع الارض من ها هنا وها هنا " .
৮২৯. হানানদ (রহঃ) ...... সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বির্ণত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম যখন তালবিয়া পাঠ করে তখন তার ডানে ও বামের যত পাথর, গাছ, মাটি, সবকিছুই তার সাথে তালবিয়াত পাঠ করে। এমনকি পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে যেয়ে তা শেষ হয়। - মিশকাত ২৫৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৮ এর প্রথমাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، وعبد الرحمن بن الاسود ابو عمرو البصري، قالا حدثنا عبيدة بن حميد، عن عمارة بن غزية، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث اسماعيل بن عياش . قال وفي الباب عن ابن عمر وجابر . قال ابو عيسى حديث ابي بكر حديث غريب لا نعرفه الا من حديث ابن ابي فديك عن الضحاك بن عثمان . ومحمد بن المنكدر لم يسمع من عبد الرحمن بن يربوع وقد روى محمد بن المنكدر عن سعيد بن عبد الرحمن بن يربوع عن ابيه غير هذا الحديث . وروى ابو نعيم الطحان ضرار بن صرد هذا الحديث عن ابن ابي فديك عن الضحاك بن عثمان عن محمد بن المنكدر عن سعيد بن عبد الرحمن بن يربوع عن ابيه عن ابي بكر عن النبي صلى الله عليه وسلم . واخطا فيه ضرار . قال ابو عيسى سمعت احمد بن الحسن يقول قال احمد بن حنبل من قال في هذا الحديث عن محمد بن المنكدر عن ابن عبد الرحمن بن يربوع عن ابيه فقد اخطا . قال وسمعت محمدا يقول وذكرت له حديث ضرار بن صرد عن ابن ابي فديك فقال هو خطا . فقلت قد رواه غيره عن ابن ابي فديك ايضا مثل روايته . فقال لا شىء انما رووه عن ابن ابي فديك ولم يذكروا فيه عن سعيد بن عبد الرحمن . ورايته يضعف ضرار بن صرد . والعج هو رفع الصوت بالتلبية . والثج هو نحر البدن .
৮৩০. হাসান ইবনু মুহাম্মদ যা’ফরানী ও আবদুর রহমান ইবনু আসওয়াদ আবূ আমর বাসরী (রহঃ) .... সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) সূত্রে ইসমাঈল ইবনু আয়্যাশের রিওয়ায়াতের অনুরূপ (৮২৯নং) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন আবূ বকর (রাঃ) বর্ণিত হাদিস টি (৮২৮নং) গারীব। ইবনু আবূ ফুদায়ক যাহ্হাক ইবনু উসমান এর সূত্র ছাড়া এটি বর্ণিত আছে বলে আমার জানা নাই। আর আবদুর রহমান ইবনু উয়ারবূ’ থেকে রাবী মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির কোন রিওয়ায়াত শেনেননি। মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির অন্য হাদিস সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়ারবূ’ তার পিতা সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ নুআয়ম তাহ্হাস যিরার ইবনু সুরাদ এই হাদিসটিকে ইবনু আবূ ফুদায়ক যাহ্হাক ইবনু উসমান মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবন ইয়ারবূ’ তার পিতার সূত্রে আবূ বকর (রাঃ) সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে যিরার ভুল করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, আহমাদ ইবনু হাসানকে আমি বলতে শুনেছি যে, আহমদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) বলেছেন যে, রাবী মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়ারবূ তার পিতা আবদুর রহমান এইভাবে যিনি হাদিসটির সূত্র উল্লেখ করেছেন তিনি ভূল করেছেন। আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আমি যিরার ইবনু সুরাদ ইবনু আবূ ফুদায়ক সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি মুহাম্মদ আল-বুখারী (রহঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, এটি ভুল। আমি বললাম, যিরার ছাড়াও অন্যান্য রাবী ইবনু আবূ ফুদায়ক থেকে অনূরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বললেন, এগুলো কিছু নয়। এরা ইবনু আবূ ফুদায়ক থেকে অনূরূপ রিওয়ায়াত করেছেন অথচ এতে সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান -এর উল্লেখ করেননি। আমি দেখেছি যে, মুহাম্মদ আল- বুখারী (রহঃ) যিরার ইবনু সুরাদকে যাঈফ সাব্যস্ত করেছেন। হাদীছে উল্লেখিতالْعَجُّ অর্থ হল উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করাالثَّجُّ অর্থ পশু করবানী করা। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৮ এর প্রথমাংশের পর থেকে শেষ পর্যন্ত [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন আবূ বকর (রাঃ) বর্ণিত হাদিস টি (৮২৮নং) গারীব। ইবনু আবূ ফুদায়ক যাহ্হাক ইবনু উসমান এর সূত্র ছাড়া এটি বর্ণিত আছে বলে আমার জানা নাই। আর আবদুর রহমান ইবনু উয়ারবূ’ থেকে রাবী মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির কোন রিওয়ায়াত শেনেননি। মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির অন্য হাদিস সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়ারবূ’ তার পিতা সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ নুআয়ম তাহ্হাস যিরার ইবনু সুরাদ এই হাদিসটিকে ইবনু আবূ ফুদায়ক যাহ্হাক ইবনু উসমান মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান ইবন ইয়ারবূ’ তার পিতার সূত্রে আবূ বকর (রাঃ) সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে যিরার ভুল করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, আহমাদ ইবনু হাসানকে আমি বলতে শুনেছি যে, আহমদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) বলেছেন যে, রাবী মুহাম্মদ ইবনু মুনকাদির ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়ারবূ তার পিতা আবদুর রহমান এইভাবে যিনি হাদিসটির সূত্র উল্লেখ করেছেন তিনি ভূল করেছেন। আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আমি যিরার ইবনু সুরাদ ইবনু আবূ ফুদায়ক সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি মুহাম্মদ আল-বুখারী (রহঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, এটি ভুল। আমি বললাম, যিরার ছাড়াও অন্যান্য রাবী ইবনু আবূ ফুদায়ক থেকে অনূরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বললেন, এগুলো কিছু নয়। এরা ইবনু আবূ ফুদায়ক থেকে অনূরূপ রিওয়ায়াত করেছেন অথচ এতে সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান -এর উল্লেখ করেননি। আমি দেখেছি যে, মুহাম্মদ আল- বুখারী (রহঃ) যিরার ইবনু সুরাদকে যাঈফ সাব্যস্ত করেছেন। হাদীছে উল্লেখিতالْعَجُّ অর্থ হল উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করাالثَّجُّ অর্থ পশু করবানী করা। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৮ এর প্রথমাংশের পর থেকে শেষ পর্যন্ত [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد الله بن ابي بكر، وهو ابن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن خلاد بن الساىب بن خلاد، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتاني جبريل فامرني ان امر اصحابي ان يرفعوا اصواتهم بالاهلال والتلبية " . قال وفي الباب عن زيد بن خالد وابي هريرة وابن عباس . قال ابو عيسى حديث خلاد عن ابيه حديث حسن صحيح . وروى بعضهم هذا الحديث عن خلاد بن الساىب عن زيد بن خالد عن النبي صلى الله عليه وسلم . ولا يصح والصحيح هو عن خلاد بن الساىب عن ابيه . وهو خلاد بن الساىب بن خلاد بن سويد الانصاري عن ابيه.
৮৩১. আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ..... খাল্লাদ ইবনু সাঈব ইবনু খাল্লাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, আমার কাছে জিবরীল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এসে বললেন যে, আমি যেন আমার সাহাবীদের উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠের নির্দেশ দান করি। - ইবনু মাজাহ ২৯২২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, খাল্লাদ তাঁর পিতার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি সাহীহ্ নয়। খাল্লাদ, আবূ হুরায়রা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, খাল্লাদ তাঁর পিতার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি সাহীহ্ নয়। খাল্লাদ, আবূ হুরায়রা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৮৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن ابي زياد، حدثنا عبد الله بن يعقوب المدني، عن ابن ابي الزناد، عن ابيه، عن خارجة بن زيد بن ثابت، عن ابيه، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم تجرد لاهلاله واغتسل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقد استحب قوم من اهل العلم الاغتسال عند الاحرام وبه يقول الشافعي .
৮৩২. আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যিয়াদ (রহঃ) ..... যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি দেখেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরামের উদ্দেশ্যে (সিলাই করা) পোশাক খুলে ফেলেছেন ও গোসল করেছেন। - তা’লীকাতুল জিয়াদ, মিশকাত তাহকিক ছানী, আল হাজ্জুল কাবীর ২৫৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গারীব। কোন কোন আলিম ইহরামের সময় গোসল করা মুস্তাহাব বলে অভিমত দিয়েছেন। এ হল ইমাম শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গারীব। কোন কোন আলিম ইহরামের সময় গোসল করা মুস্তাহাব বলে অভিমত দিয়েছেন। এ হল ইমাম শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ৮৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، ان رجلا، قال من اين نهل يا رسول الله فقال " يهل اهل المدينة من ذي الحليفة واهل الشام من الجحفة واهل نجد من قرن " . قال ويقولون واهل اليمن من يلملم . قال وفي الباب عن ابن عباس وجابر بن عبد الله وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم .
৮৩৩. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কোথা থেকে ইহরাম বাঁধব? তিনি বললেনঃ মদীনাবাসীরা যুলহুলায়ফা থেকে, শামবাসীরা জূহ্ফা থেকে, নাজদ বাসীরা কারন্ থেকে। তিনি আরো বললেন, ইয়ামান বাসীরা ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে। - ইবনু মাজাহ ২৯১৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বললেন ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সাহীহ্। আলিমগণ এতদনুসারে আমলের অভিমত গ্রহন করেছেন।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বললেন ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সাহীহ্। আলিমগণ এতদনুসারে আমলের অভিমত গ্রহন করেছেন।
হাদিস নং: ৮৩৪
মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن يزيد بن ابي زياد، عن محمد بن علي، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم وقت لاهل المشرق العقيق . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ومحمد بن علي هو ابو جعفر محمد بن علي بن حسين بن علي بن ابي طالب .
৮৩৪. আবূ কুয়ায়ব (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুর্বাঞ্চলের লোকদের জন্য (যাতু ইরাকের নিকটবর্তী) আকীক নামক স্থানকে মীকাত হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। - ইরওয়া ১০০২, যইফ আবু দাউদ ৩০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান।
হাদিস নং: ৮৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، انه قال قام رجل فقال يا رسول الله ماذا تامرنا ان نلبس من الثياب في الحرم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تلبسوا القمص ولا السراويلات ولا البرانس ولا العماىم ولا الخفاف الا ان يكون احد ليست له نعلان فليلبس الخفين وليقطعهما ما اسفل من الكعبين ولا تلبسوا شيىا من الثياب مسه الزعفران ولا الورس ولا تنتقب المراة الحرام ولا تلبس القفازين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اهل العلم .
৮৩৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলনে জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনি ইহরাম অবস্থায় কি ধরণের পোশাক পরিধান করতে নির্দেশ দেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জামা, পায়জামা টুপী, পাগড়ী এবং মোজা পরিধান করবে না, তবে তবে কারো যদি চপ্পল না থাকে তবে সে পায়ে এমন দু’টি চামড়ার মোজা পরিধান করবে যা পায়ের পাতার উপরের উঁচু হাড়ের নীচে থাকে। জাফরান এবং ওয়াবাস রং - এ রঞ্জিত কোন পোশাক পরতে পারবে না। মুহরিম মহিলারা মুখ ঢাকবে না এবং হাতে মোজা পরিধান করবে না। - ইরওয়া, সহিহ আবু দাউদ ১৬০০-১৬০৬, আল হাজ্জুল কাবীর, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সাহীহ্। আলিমগণ এতদনুসারে আমলের অভিমত গ্রহণ করছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সাহীহ্। আলিমগণ এতদনুসারে আমলের অভিমত গ্রহণ করছেন।
হাদিস নং: ৮৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي البصري، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا ايوب، حدثنا عمرو بن دينار، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " المحرم اذا لم يجد الازار فليلبس السراويل واذا لم يجد النعلين فليلبس الخفين " .
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو، نحوه . قال وفي الباب عن ابن عمر، وجابر، . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم قالوا اذا لم يجد المحرم الازار لبس السراويل واذا لم يجد النعلين لبس الخفين . وهو قول احمد . وقال بعضهم على حديث ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم " اذا لم يجد نعلين فليلبس الخفين وليقطعهما اسفل من الكعبين " . وهو قول سفيان الثوري والشافعي وبه يقول مالك .
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو، نحوه . قال وفي الباب عن ابن عمر، وجابر، . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم قالوا اذا لم يجد المحرم الازار لبس السراويل واذا لم يجد النعلين لبس الخفين . وهو قول احمد . وقال بعضهم على حديث ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم " اذا لم يجد نعلين فليلبس الخفين وليقطعهما اسفل من الكعبين " . وهو قول سفيان الثوري والشافعي وبه يقول مالك .
৮৩৬. আহমাদ ইবনু আয্ যাবয়ী আলু বাসরী (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- কে বলতে শুনেছি যে, ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি যদি তহবন্দ যোগাড় করতে না পারে তবে সে পায়জামাই পরিধান করবে, আর যদি সে চপ্পল যোগাড় করতে না পারে তবে চামড়ার মোজা পরিধান করবে। - ইবনু মাজাহ ২৯৩১, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কুতায়বা (রহঃ) আমর (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এই হাদীস অনুসারে আমলের অভিমত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি যদি তহবন্দ যোগাড় করতে না পারে তবে পায়জামাই পরিধান করবে আর যদি সে চপ্পল যোগাড় করতে না পারে তবে চামড়ার মোজা পরিধান করবে। এ হলো ইমাম আহমাদ (রহঃ) এর বক্তব্য। আর কতক আলিম ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদীস অনুসারে বলেন, চপ্পল না পেলে সে চামড়ার মোজা পরতে পারবে তবে সে যেন মোজা দু’টি পায়ের পাতার উপরের উঁচু হাড়ের নীচ পর্যন্ত রাখে। এ হলো ইমাম সুফিয়ান সাওরী, শাফেঈ ও ইমাম মালিক (রহঃ) এর অভিমত।
কুতায়বা (রহঃ) আমর (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এই হাদীস অনুসারে আমলের অভিমত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি যদি তহবন্দ যোগাড় করতে না পারে তবে পায়জামাই পরিধান করবে আর যদি সে চপ্পল যোগাড় করতে না পারে তবে চামড়ার মোজা পরিধান করবে। এ হলো ইমাম আহমাদ (রহঃ) এর বক্তব্য। আর কতক আলিম ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদীস অনুসারে বলেন, চপ্পল না পেলে সে চামড়ার মোজা পরতে পারবে তবে সে যেন মোজা দু’টি পায়ের পাতার উপরের উঁচু হাড়ের নীচ পর্যন্ত রাখে। এ হলো ইমাম সুফিয়ান সাওরী, শাফেঈ ও ইমাম মালিক (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৮৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن عبد الملك بن ابي سليمان، عن عطاء، عن يعلى بن امية، قال راى النبي صلى الله عليه وسلم اعرابيا قد احرم وعليه جبة فامره ان ينزعها .
৮৩৭. কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ...... ইয়ালা ইবনু উমায়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক বেদুঈনকে ইহরাম অবস্থায় জুব্বা পরিহিত দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাকে এটি খুলে ফেলতে নির্দেশ দিলেন। - সহিহ আবু দাউদ ১৫৯৬, ১৫৯৯, মুসলিম পূর্ণরূপে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن صفوان بن يعلى، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه . وهذا اصح وفي الحديث قصة . قال ابو عيسى هكذا رواه قتادة والحجاج بن ارطاة وغير واحد عن عطاء عن يعلى بن امية . والصحيح ما روى عمرو بن دينار وابن جريج عن عطاء عن صفوان بن يعلى عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৮৩৮. ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ...... ইয়ালা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর থেকে অনুরূপ মর্মে হাদীস বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি অধিকতর সহীহ। এই হাদীসটি সম্পর্কে একটি কাহিনীও রয়েছে। কাতাদা হাজ্জাজ ইবনু আরতাত প্রমুখ আতা ইয়ালা ইবনু জুরায়জ আতা উমায়্যা (রাঃ) সূত্রে এইরূপই রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু আমর ইবনু দ্বীনার ইবনু জুরায়জ আতা সাফওয়ান ইবনু ইয়ালা তৎপিতা ইয়ালা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি হল সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি অধিকতর সহীহ। এই হাদীসটি সম্পর্কে একটি কাহিনীও রয়েছে। কাতাদা হাজ্জাজ ইবনু আরতাত প্রমুখ আতা ইয়ালা ইবনু জুরায়জ আতা উমায়্যা (রাঃ) সূত্রে এইরূপই রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু আমর ইবনু দ্বীনার ইবনু জুরায়জ আতা সাফওয়ান ইবনু ইয়ালা তৎপিতা ইয়ালা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি হল সহীহ।
হাদিস নং: ৮৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خمس فواسق يقتلن في الحرم الفارة والعقرب والغراب والحديا والكلب العقور " . قال وفي الباب عن ابن مسعود وابن عمر وابي هريرة وابي سعيد وابن عباس . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح .
৮৩৯. মুহাম্মদ ইবনু আবদুল মালিক ইবনু আবূশ শাওয়ারির (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পাঁচটি অনিষ্টকারী প্রাণী হারামের ভিতরেও হত্যা করা যায়- ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল, হিংস্র কুকুর। - ইবনু মাজাহ ৩০৮৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, ইবনু উমার, আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, ইবনু উমার, আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৮৪০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا يزيد بن ابي زياد، عن ابن ابي نعم، عن ابي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يقتل المحرم السبع العادي والكلب العقور والفارة والعقرب والحداة والغراب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . والعمل على هذا عند اهل العلم . قالوا المحرم يقتل السبع العادي . وهو قول سفيان الثوري والشافعي . وقال الشافعي كل سبع عدا على الناس او على دوابهم فللمحرم قتله .
৮৪০. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি হিংস্র প্রাণী, কুকুর, ইঁদুর, বিচ্ছু, চিল ও কাক হত্যা করতে পারে। - ইবনু মাজাহ ৩০৮৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহণের অভিমত দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি হিংস্র প্রাণী ও কুকুর হত্যা করতে পারে। ইমাম সুফিয়ান সাওরী ও শাফেঈ (রহঃ) এর অভিমত। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, যে কোন হিংস্র প্রাণী যদি তা মানুষ বা তার পশুর উপর হামলা করে তবে সেটিকে ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি হত্যা করতে পারবে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহণের অভিমত দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি হিংস্র প্রাণী ও কুকুর হত্যা করতে পারে। ইমাম সুফিয়ান সাওরী ও শাফেঈ (রহঃ) এর অভিমত। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন, যে কোন হিংস্র প্রাণী যদি তা মানুষ বা তার পশুর উপর হামলা করে তবে সেটিকে ইহরাম পালনকারী ব্যক্তি হত্যা করতে পারবে।
হাদিস নং: ৮৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، وعطاء، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم . قال وفي الباب عن انس وعبد الله ابن بحينة وجابر . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . وقد رخص قوم من اهل العلم في الحجامة للمحرم وقالوا لا يحلق شعرا . وقال مالك لا يحتجم المحرم الا من ضرورة . وقال سفيان الثوري والشافعي لا باس ان يحتجم المحرم ولا ينزع شعرا .
৮৪১. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়েছেন। - ইবনু মাজাহ ১৬৮২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়না ও জাবির (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমদের এক দল ইহরাম পালনকারীর জন্য সিঙ্গা লাগানোর অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, এ অবস্থায় কোন চুল কামাবে না। ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন, প্রয়োজন ছাড়া ইহরাম পালনকারী সিঙ্গা লাগাবে না। সুফিয়ান সাওরী ও শাফেঈ (রহঃ) বলেন, মুহরিম বা ইহরাম পালনকারী ব্যক্তির জন্য সিঙ্গা লাগানোতে কোন দোষ নাই। তবে চুল কামাবে না।
এই বিষয়ে আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়না ও জাবির (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমদের এক দল ইহরাম পালনকারীর জন্য সিঙ্গা লাগানোর অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, এ অবস্থায় কোন চুল কামাবে না। ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন, প্রয়োজন ছাড়া ইহরাম পালনকারী সিঙ্গা লাগাবে না। সুফিয়ান সাওরী ও শাফেঈ (রহঃ) বলেন, মুহরিম বা ইহরাম পালনকারী ব্যক্তির জন্য সিঙ্গা লাগানোতে কোন দোষ নাই। তবে চুল কামাবে না।
হাদিস নং: ৮৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل ابن علية، حدثنا ايوب، عن نافع، عن نبيه بن وهب، قال اراد ابن معمر ان ينكح، ابنه فبعثني الى ابان بن عثمان وهو امير الموسم بمكة فاتيته فقلت ان اخاك يريد ان ينكح ابنه فاحب ان يشهدك ذلك . قال لا اراه الا اعرابيا جافيا ان المحرم لا ينكح ولا ينكح . او كما قال ثم حدث عن عثمان مثله يرفعه . وفي الباب عن ابي رافع وميمونة . قال ابو عيسى حديث عثمان حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم عمر بن الخطاب وعلي بن ابي طالب وابن عمر وهو قول بعض فقهاء التابعين وبه يقول مالك والشافعي واحمد واسحاق لا يرون ان يتزوج المحرم قالوا فان نكح فنكاحه باطل .
৮৪২. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... নুবায়হ ইবনু ওয়াহব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু মা’মার তাঁর পুত্রকে বিবাহ করাতে ইচ্ছা করলেন। তাই তিনি আমীরুল হজ্জ আবান ইবনু উসমানের নিকট আমাকে পাঠালেন। আমি তাঁর কাছে এসে বললাম, আপনার ভ্রাতা তার পুত্রকে বিবাহ করাতে ইচ্ছা করেছেন এবং এই বিষয়ে তিনি আপনাকে সাক্ষী রাখতে চাচ্ছেন। তিনি বললেন, একে তো আমি মুর্খ বেদুঈনের মত দেখতে পাচ্ছি। ইহরাম পালনকারী তো বিবাহ করতেও পারেনা করাতেও পারেনা অথবা অনুরূপ বলেছেন। নুবায়হ বলেন, এরপর তিনি উসমান (রাঃ) এর বরাতে হাদীসকে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। - ইবনু মাজাহ ১৯৬৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ রাফি ও মায়মুনা (রাঃ) থেকেও বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উসমান বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই হাদীস অনুসারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতক সাহাবী আমলের অভিমত দিয়েছেন। যেমন উমার ইবনু খাত্তাব, আলী ইবনু আবী তালিব, ইবনু উমার (রাঃ)। কতক তাবিঈ ফিকহবিদ এর বক্তব্যও এই। ইমাম মালিক, শাফেঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমতও এ-ই। কেউ মুহরিম অবস্থায় বিবাহ করতে পারে বলে তারা মনে করেননা। তাঁরা বলেন, কোন মুহরিম যদি বিবাহ করে তবে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
এই বিষয়ে আবূ রাফি ও মায়মুনা (রাঃ) থেকেও বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উসমান বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই হাদীস অনুসারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতক সাহাবী আমলের অভিমত দিয়েছেন। যেমন উমার ইবনু খাত্তাব, আলী ইবনু আবী তালিব, ইবনু উমার (রাঃ)। কতক তাবিঈ ফিকহবিদ এর বক্তব্যও এই। ইমাম মালিক, শাফেঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমতও এ-ই। কেউ মুহরিম অবস্থায় বিবাহ করতে পারে বলে তারা মনে করেননা। তাঁরা বলেন, কোন মুহরিম যদি বিবাহ করে তবে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
হাদিস নং: ৮৪৩
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا قتيبة، اخبرنا حماد بن زيد، عن مطر الوراق، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن سليمان بن يسار، عن ابي رافع، قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم ميمونة وهو حلال وبنى بها وهو حلال وكنت انا الرسول فيما بينهما . قال ابو عيسى هذا حديث حسن ولا نعلم احدا اسنده غير حماد بن زيد عن مطر الوراق عن ربيعة . وروى مالك بن انس عن ربيعة عن سليمان بن يسار ان النبي صلى الله عليه وسلم تزوج ميمونة وهو حلال . رواه مالك مرسلا . قال ورواه ايضا سليمان بن بلال عن ربيعة مرسلا . قال ابو عيسى وروي عن يزيد بن الاصم عن ميمونة قالت تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو حلال . ويزيد بن الاصم هو ابن اخت ميمونة .
৮৪৩. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মূনা (রাঃ) কে হালাল অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন এবং হালাল অবস্থায়ই তাঁর সাথে বাসর হয়েছিল। আমিই তাদের মাঝে মাধ্যম হিসাবে ছিলাম। - [হাদিসের প্রথম অংশ সহিহ] ইরওয়া ১৮৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। হাম্মাদ ইবনু যায়িদ মাতার আল-ওয়াররাক রাবীআ (রহঃ) ছাড়া আর কেউ এটিকে মুরসাল হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমাদের জানা নাই। মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) রাবীআ সুলায়মান ইবনু ইয়াসার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মুনা (রাঃ) কে হালাল অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন। এই রিওয়ায়াত মালিক মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এটিকে সুলায়মান ইবনু বিলাল ও রাবীআ থেকে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু আ’সাম মায়মুনা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হালাল অবস্থায় আমাকে বিবাহ করেন। কতক রাবী ইয়াযীদ ইবনু আসাম থেকে এই কথা বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু আসাম (রাঃ) হলেন, মায়মূনা (রাঃ) এর ভগ্নী-পুত্র।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। হাম্মাদ ইবনু যায়িদ মাতার আল-ওয়াররাক রাবীআ (রহঃ) ছাড়া আর কেউ এটিকে মুরসাল হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমাদের জানা নাই। মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) রাবীআ সুলায়মান ইবনু ইয়াসার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মুনা (রাঃ) কে হালাল অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন। এই রিওয়ায়াত মালিক মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এটিকে সুলায়মান ইবনু বিলাল ও রাবীআ থেকে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু আ’সাম মায়মুনা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হালাল অবস্থায় আমাকে বিবাহ করেন। কতক রাবী ইয়াযীদ ইবনু আসাম থেকে এই কথা বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু আসাম (রাঃ) হলেন, মায়মূনা (রাঃ) এর ভগ্নী-পুত্র।
হাদিস নং: ৮৪৪
শা'জ
حدثنا حميد بن مسعدة البصري، حدثنا سفيان بن حبيب، عن هشام بن حسان، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم تزوج ميمونة وهو محرم . قال وفي الباب عن عاىشة . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وبه يقول سفيان الثوري واهل الكوفة .
৮৪৪. হুমায়দা ইবনু মাসআদা (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মুনা (রাঃ) কে ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করেন। - ইবনু মাজাহ ১৯৬৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এতদনুসারে আমলের অভিমত গ্রহণ করেছেন। ইমাম সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের অভিমত এ-ই।
এই বিষয়ে আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এতদনুসারে আমলের অভিমত গ্রহণ করেছেন। ইমাম সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের অভিমত এ-ই।
হাদিস নং: ৮৪৫
শা'জ
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم تزوج ميمونة وهو محرم .
৮৪৫. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মুনা (রাঃ) কে ইহরামরত অবস্থায় বিবাহ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا داود بن عبد الرحمن العطار، عن عمرو بن دينار، قال سمعت ابا الشعثاء، يحدث عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم تزوج ميمونة وهو محرم . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . وابو الشعثاء اسمه جابر بن زيد . واختلفوا في تزويج النبي صلى الله عليه وسلم ميمونة لان النبي صلى الله عليه وسلم تزوجها في طريق مكة فقال بعضهم تزوجها حلالا وظهر امر تزويجها وهو محرم ثم بنى بها وهو حلال بسرف في طريق مكة وماتت ميمونة بسرف حيث بنى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفنت بسرف .
৮৪৬. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূশ শা’ছা ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়মূনা (রাঃ) কে ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি সহীহ। রাবী আবূশ শা’ছা এর নাম হল জাবির ইবনু যায়দ। মায়মুনা (রাঃ) কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক বিবাহের বিষয়ে রাবীদের এই মতবিরোধের কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মক্কার পথে বিবাহ করেছিলেন। কেউ কেউ বলেন, তিনি মায়মুনা (রাঃ) কে হালাল অবস্থায়ই বিবাহ করেছিলেন কিন্তু তার এই বিবাহের বিষয়টি যখন জানাজানি হয় তখন তিনি ছিলেন মুহরিম। এরপর মক্কার পথে সারিফ নামক স্থানে হালাল অবস্থায় বাসর হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মায়মুনা (রাঃ) এর যেখানে বাসর শয্যা হয়েছিল পরবর্তীতে সেই সারিফ নামক স্থানেই তার ইন্তেকাল হয় এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৪৪ এর শেষাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]