হাদিস নং: ২১২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن منصور، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عاىشة، انها ارادت ان تشتري، بريرة فاشترطوا الولاء فقال النبي صلى الله عليه وسلم " الولاء لمن اعطى الثمن او لمن ولي النعمة " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن عمر وابي هريرة . وهذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم .
২১২৮. বুনদার (রহঃ) ... আইশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বারীরা (রাঃ)-কে কিনতে চাইলেন কিন্তু তার মালিক পক্ষ নিজেদের জন্য ওয়ালা স্বত্বের শর্তারোপ করে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে মূল্য দিবে তারই হবে ওয়ালা স্বত্ব (অথবা বলেছেন) যে আযাদ করার নিয়ামতের অভিভাবক হবে তারই হবে ওয়ালা স্বত্ব।
সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৫৮৯, বুখারী ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু উমার ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগনের এতদনুসারে আমল রয়েছে।
সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৫৮৯, বুখারী ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু উমার ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগনের এতদনুসারে আমল রয়েছে।
হাদিস নং: ২১২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا عبد الله بن دينار، سمع عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وعن هبته . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه الا من حديث عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم انه نهى عن بيع الولاء وعن هبته وقد رواه شعبة وسفيان الثوري ومالك بن انس عن عبد الله بن دينار . ويروى عن شعبة قال لوددت ان عبد الله بن دينار حين حدث بهذا الحديث اذن لي حتى كنت اقوم اليه فاقبل راسه . وروى يحيى بن سليم هذا الحديث عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم وهو وهم وهم فيه يحيى بن سليم والصحيح عن عبيد الله بن عمر عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . هكذا رواه غير واحد عن عبيد الله بن عمر . قال ابو عيسى وتفرد عبد الله بن دينار بهذا الحديث .
২১২৯. ইবন আবূ উমার (রহঃ) ....... আবদুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ালা স্বত্ব বিক্রি করা ও হেবা করা নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৭৪৭, ২৭৪৮, বুখারী, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সনদ ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। শু’বা, সুফইয়ান ছাওরী এবং মালিক ইবন আনাস (রহঃ)-ও এটিকে আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ)-এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। শু’বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) যখন হাদীসটি রিওয়য়াত করেছিলেন তখন আমার মন চাইছিলো তিনি যদি অনুমতি দিতেন তবে তার কাছে উঠে গিয়ে তাঁর মাথায় চুমু খেতাম। ইয়াহইয়া ইবন সালিম এ হাদীসটি উবায়দুল্লাহ ইবন উমার-নাফি-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে বিভ্রন্তি রয়েছে। ইয়াহইয়া ইবন সালিম এতে বিভ্রান্তি ঘটিয়েছেন। সহীহ সনদ হল উবায়দুল্লাহ ইবন উমার-আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একাধিক রাবী উবায়দুল্লাহ ইবন উমার (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবন দীনার এ হাদীসটির রিওয়ায়াত ক্ষেত্রে একা ছিলেন।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সনদ ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। শু’বা, সুফইয়ান ছাওরী এবং মালিক ইবন আনাস (রহঃ)-ও এটিকে আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ)-এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। শু’বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) যখন হাদীসটি রিওয়য়াত করেছিলেন তখন আমার মন চাইছিলো তিনি যদি অনুমতি দিতেন তবে তার কাছে উঠে গিয়ে তাঁর মাথায় চুমু খেতাম। ইয়াহইয়া ইবন সালিম এ হাদীসটি উবায়দুল্লাহ ইবন উমার-নাফি-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে বিভ্রন্তি রয়েছে। ইয়াহইয়া ইবন সালিম এতে বিভ্রান্তি ঘটিয়েছেন। সহীহ সনদ হল উবায়দুল্লাহ ইবন উমার-আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। একাধিক রাবী উবায়দুল্লাহ ইবন উমার (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবন দীনার এ হাদীসটির রিওয়ায়াত ক্ষেত্রে একা ছিলেন।
হাদিস নং: ২১৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابراهيم التيمي، عن ابيه، قال خطبنا علي فقال من زعم ان عندنا شيىا نقروه الا كتاب الله وهذه الصحيفة صحيفة فيها اسنان الابل واشياء من الجراحات فقد كذب وقال فيها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المدينة حرام ما بين عير الى ثور فمن احدث فيها حدثا او اوى محدثا فعليه لعنة الله والملاىكة والناس اجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا ومن ادعى الى غير ابيه او تولى غير مواليه فعليه لعنة الله والملاىكة والناس اجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل وذمة المسلمين واحدة يسعى بها ادناهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن علي عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى وروى بعضهم عن الاعمش عن ابراهيم التيمي عن الحارث بن سويد عن علي نحوه .
قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن علي عن النبي صلى الله عليه وسلم
قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن علي عن النبي صلى الله عليه وسلم
২১৩০. হান্নাদ (রহঃ) ...... ইবরাহীম তায়মী তার পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহর কিতাব এবং উটের বয়স বিবরণী ও জখম সম্পর্কিত বিভিন্ন আহকাম সম্বলিত এই পুস্তিকাটি ছাড়া আরো কিছু আমার কাছে আছে যা আমি পাঠ করি এমন কথা যদি কেউ বলে তবে সে অবশ্যই মিথ্যা বলছে।
তিনি আরো বলেনঃ এতে (পুস্তিকাটিতে) আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আয়র ও ছায়রের মধ্যবর্তী স্থানটুকু মদীনার হারাম হিসাবে গণ্য। এখানে যে ব্যক্তি কোন বিদায়াত কর্ম সংঘটিত করবে বা কোন বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা’নত। আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার ফরয ও নফল কোন ইবাদতই কবুল করবেন না। কেউ যদি পিতা ছাড়া অন্য কারো দিকে কারো প্রতি পিতৃত্বের দাবী করে বা স্বীয় মাওলা ছাড়া অন্য কারো প্রতি ওয়ালার সম্পর্ক আরোপ করে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার ফরয বা নফল কোন ইবাদতই কবুল করা হবে না। মুসলিমদের যিম্মা প্রদান এক বরাবর। সবচেয়ে নিকৃষ্ট জনের প্রদত্ত যিম্মা রক্ষায়ও প্রয়াস চালানো হবে। সহীহ, ইরওয়া ১০৫৮, নকদুল কাত্তানী ৪২, সহীহ আবু দাউদ ১৭৭৩-১৭৭৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক রাবী এটিকে আ’মাশ-ইবরাহীম তায়মী-হারিছ ইবন সুয়ায়াদ- আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে একাধিক সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত আছে।
তিনি আরো বলেনঃ এতে (পুস্তিকাটিতে) আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আয়র ও ছায়রের মধ্যবর্তী স্থানটুকু মদীনার হারাম হিসাবে গণ্য। এখানে যে ব্যক্তি কোন বিদায়াত কর্ম সংঘটিত করবে বা কোন বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা’নত। আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার ফরয ও নফল কোন ইবাদতই কবুল করবেন না। কেউ যদি পিতা ছাড়া অন্য কারো দিকে কারো প্রতি পিতৃত্বের দাবী করে বা স্বীয় মাওলা ছাড়া অন্য কারো প্রতি ওয়ালার সম্পর্ক আরোপ করে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা’নত। তার ফরয বা নফল কোন ইবাদতই কবুল করা হবে না। মুসলিমদের যিম্মা প্রদান এক বরাবর। সবচেয়ে নিকৃষ্ট জনের প্রদত্ত যিম্মা রক্ষায়ও প্রয়াস চালানো হবে। সহীহ, ইরওয়া ১০৫৮, নকদুল কাত্তানী ৪২, সহীহ আবু দাউদ ১৭৭৩-১৭৭৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক রাবী এটিকে আ’মাশ-ইবরাহীম তায়মী-হারিছ ইবন সুয়ায়াদ- আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে একাধিক সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الجبار بن العلاء بن عبد الجبار العطار، وسعيد بن عبد الرحمن المخزومي، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، قال جاء رجل من بني فزارة الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ان امراتي ولدت غلاما اسود . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هل لك من ابل " . قال نعم . قال " فما الوانها " . قال حمر . قال " فهل فيها اورق " . قال نعم ان فيها لورقا . قال " انى اتاها ذلك " . قال لعل عرقا نزعها . قال " فهذا لعل عرقا نزعه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৩১. আবদুল জাব্বার ইবনুল আলা আত্তার এবং সাঈদ ইবন আবদুর রহমান মাখযূমী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাযারা গোত্রের জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার স্ত্রী একটি কাল বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললঃ হ্যাঁ, তিনি বললেনঃ এগুলোর রং কি? সে বললঃ লাল। তিনি বললেনঃ এগুলোর মাঝে কোনটি মেটে কাল মিশ্রিত রঙ্গের আছে কি? সে বললঃ হ্যাঁ, এতে মেটে কাল রঙ্গের তো আছে। তিনি বললেনঃ কোত্থেকে তা এলো? সে বললঃ রগের টানে হয়তো এসেছে। তিনি বললেনঃ তোমার ছেলেটিরও হয়ত রগের টানে এ রঙ্গ এসেছে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১০২, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها مسرورا تبرق اسارير وجهه فقال " الم ترى ان مجززا نظر انفا الى زيد بن حارثة واسامة بن زيد فقال هذه الاقدام بعضها من بعض " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
وقد روى ابن عيينة، هذا الحديث عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، وزاد، فيه " الم ترى ان مجززا مر على زيد بن حارثة واسامة بن زيد قد غطيا رءوسهما وبدت اقدامهما فقال ان هذه الاقدام بعضها من بعض " . وهكذا حدثنا سعيد بن عبد الرحمن وغير واحد عن سفيان بن عيينة هذا الحديث عن الزهري عن عروة عن عاىشة . وهذا حديث حسن صحيح . وقد احتج بعض اهل العلم بهذا الحديث في اقامة امر القافة .
وقد روى ابن عيينة، هذا الحديث عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، وزاد، فيه " الم ترى ان مجززا مر على زيد بن حارثة واسامة بن زيد قد غطيا رءوسهما وبدت اقدامهما فقال ان هذه الاقدام بعضها من بعض " . وهكذا حدثنا سعيد بن عبد الرحمن وغير واحد عن سفيان بن عيينة هذا الحديث عن الزهري عن عروة عن عاىشة . وهذا حديث حسن صحيح . وقد احتج بعض اهل العلم بهذا الحديث في اقامة امر القافة .
২১৩২. কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর কাছে অত্যন্ত খুশী হয়ে এলেন। আনন্দে তার চেহারার রেখাগুলো জ্বল জ্বল করছিল। বললেনঃ মুজায্যিয এই মাত্র যায়দ ইবন হারিছা এবং উসামা ইবন যায়দ-এর দিকে তাকিয়ে বলছে, এ পা গুলো একটি থেকে আরেকটি উদগত হয়েছে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৩৪৯, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সুফইয়ান ইবন উয়ায়না এই হাদীসটিকে যুহরী-উরওয়া-আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আরো আছে যে, তুমি লক্ষ্য করনি, মুজায্যিয যায়দ ইবন হারিছা এবং উসামা ইবন যায়দ-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের উভয়ের মাথা ঢাকা ছিল আর পা গুলি খোলা ছিল। সে বললঃ এ পা গুলি অবশ্যই একটি আরেকটি থেকে এসেছে।
সাঈদ ইবন আবদুর রহমান এবং আরো একাধিক রাবী সুফইয়ান ইবন ’উয়ায়না-যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। লক্ষণ দেখে কোন বিষয় প্রমাণের স্বপেক্ষে কতক আলিম এ হাদীসটিকে দলীল হিসাবে পেশ করেন।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সুফইয়ান ইবন উয়ায়না এই হাদীসটিকে যুহরী-উরওয়া-আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আরো আছে যে, তুমি লক্ষ্য করনি, মুজায্যিয যায়দ ইবন হারিছা এবং উসামা ইবন যায়দ-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের উভয়ের মাথা ঢাকা ছিল আর পা গুলি খোলা ছিল। সে বললঃ এ পা গুলি অবশ্যই একটি আরেকটি থেকে এসেছে।
সাঈদ ইবন আবদুর রহমান এবং আরো একাধিক রাবী সুফইয়ান ইবন ’উয়ায়না-যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। লক্ষণ দেখে কোন বিষয় প্রমাণের স্বপেক্ষে কতক আলিম এ হাদীসটিকে দলীল হিসাবে পেশ করেন।
হাদিস নং: ২১৩৩
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا ازهر بن مروان البصري، حدثنا محمد بن سواء، حدثنا ابو معشر، عن سعيد، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تهادوا فان الهدية تذهب وحر الصدر ولا تحقرن جارة لجارتها ولو شق فرسن شاة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . وابو معشر اسمه نجيح مولى بني هاشم وقد تكلم فيه بعض اهل العلم من قبل حفظه .
২১৩৩. আযহার ইবন মারওয়ান বাসরী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পরস্পর হাদিয়া দিবে। কেননা, হাদিয়া অন্তরের ময়লা বিদূরিত করে। বকরীর খুরের একটি টুকরা হলেও সেটিকে কোন প্রতিবেশীনী তার অপর প্রতিবেশীনীর জন্য হাদিয়া প্রদানে হেয় মনে করবে না। যইফ, মিশকাত ৩০২৮, হাদিসের ২য় অংশ সহিহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই সূত্রে হাদিসটি গারীব। আবূ মা’শারের নাম হল নাজীহ (রহঃ) ইনি বানূ হাশিমের আযাদকৃত দাস ছিলেন। তার স্মরণ শক্তির ব্যাপারে কতক হাদীস বিশেষজ্ঞ তার সমালোচনা করেছেন।
এই সূত্রে হাদিসটি গারীব। আবূ মা’শারের নাম হল নাজীহ (রহঃ) ইনি বানূ হাশিমের আযাদকৃত দাস ছিলেন। তার স্মরণ শক্তির ব্যাপারে কতক হাদীস বিশেষজ্ঞ তার সমালোচনা করেছেন।
হাদিস নং: ২১৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسحاق بن يوسف الازرق، حدثنا حسين المكتب، عن عمرو بن شعيب، عن طاوس، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يعطي العطية ثم يرجع فيها كالكلب اكل حتى اذا شبع قاء ثم عاد فرجع في قيىه " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن عباس وعبد الله بن عمرو .
২১৩৪. আহমাদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কিছু দিয়ে তা প্রত্যাহার করে তার উদাহরণ হল কুকুরের মত; সে খায়, যখন পেট ভরে যায় তখন বমি করে, পরে আবার ফিরে আসে এবং পুনরায় নিজের বমিই খায়। সহীহ, ইরওয়া ৬/৩৬৯, বুখারি, মুসলিম সংক্ষিপ্ত ভাবে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবন আব্বাস ও আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ বিষয়ে ইবন আব্বাস ও আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، عن حسين المعلم، عن عمرو بن شعيب، حدثني طاوس، عن ابن عمر، وابن، عباس يرفعان الحديث قال " لا يحل للرجل ان يعطي عطية ثم يرجع فيها الا الوالد فيما يعطي ولده ومثل الذي يعطي العطية ثم يرجع فيها كمثل الكلب اكل حتى اذا شبع قاء ثم عاد في قيىه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال الشافعي لا يحل لمن وهب هبة ان يرجع فيها الا الوالد فله ان يرجع فيما اعطى ولده . واحتج بهذا الحديث .
২১৩৫. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ........ ইবন উমার ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে মারফুরূপে বর্ণিত আছে যে, পিতা যতি তার সন্তানকে কিছু দেয় সে ক্ষেত্র ছাড়া যদি কোন কিছু দান করে তার পরে আবার প্রত্যাহার করে সেটা তার জন্য হালাল নয়। যে ব্যক্তি কাউকে কিছু দিয়ে তা আবার ফিরিয়ে নেয় সে হল কুকুরের মত; সে খায়, যখন পেট ভরে যায় তখন বমি করে, পরে আবার ফিরে আসে এবং পুনরায় নিজের বমিই খায়। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ কাউকে কিছু দিয়ে তা প্রত্যাহার করা কারো জন্য হালাল নয়। তবে পিতা তার সন্তানকে কিছু দিলে তা তিনি প্রত্যাহার করতে পারেন। এ হাদীসটিকে শাফিঈ (রহঃ) প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ কাউকে কিছু দিয়ে তা প্রত্যাহার করা কারো জন্য হালাল নয়। তবে পিতা তার সন্তানকে কিছু দিলে তা তিনি প্রত্যাহার করতে পারেন। এ হাদীসটিকে শাফিঈ (রহঃ) প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন।