হাদিস নং: ৬০৪
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابراهيم بن ابي الوزير البصري، ثقة حدثنا محمد بن موسى، عن سعد بن اسحاق بن كعب بن عجرة، عن ابيه، عن جده، قال صلى النبي صلى الله عليه وسلم في مسجد بني عبد الاشهل المغرب فقام ناس يتنفلون فقال النبي صلى الله عليه وسلم " عليكم بهذه الصلاة في البيوت " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث كعب بن عجرة لا نعرفه الا من هذا الوجه . والصحيح ما روي عن ابن عمر قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الركعتين بعد المغرب في بيته . قال ابو عيسى وقد روي عن حذيفة ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى المغرب فما زال يصلي في المسجد حتى صلى العشاء الاخرة . ففي هذا الحديث دلالة ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى الركعتين بعد المغرب في المسجد .
৬০৪. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... কা’ব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বনূ আবদিল আশহাল মসজিদে মাগরিবের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন। অনন্তর লোকেরা (সেখানেই) নফল আদায় করতে দাঁড়িয়ে গেল। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই সালাত (নফল) তোমাদের ঘরেই আদায় করা উচিত। - ইবনু মাজাহ ১১৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। সহীহ রিওয়ায়াত হল সেটি, যেটি উবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর গৃহে বাদ মাগরিব দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের সালাত আদায় করলেন এবং পরে এশার সালাত পর্যন্ত সমজিদেই (নফল) সালাত আদায় করতে থাকলেন। এই হাদীসটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদ মাগরিব মসজিদে দুই রাকআত (সুন্নাত) আদায় করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। সহীহ রিওয়ায়াত হল সেটি, যেটি উবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর গৃহে বাদ মাগরিব দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের সালাত আদায় করলেন এবং পরে এশার সালাত পর্যন্ত সমজিদেই (নফল) সালাত আদায় করতে থাকলেন। এই হাদীসটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদ মাগরিব মসজিদে দুই রাকআত (সুন্নাত) আদায় করেছেন।
হাদিস নং: ৬০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن الاغر بن الصباح، عن خليفة بن حصين، عن قيس بن عاصم، انه اسلم فامره النبي صلى الله عليه وسلم ان يغتسل بماء وسدر . قال وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن لا نعرفه الا من هذا الوجه . والعمل عليه عند اهل العلم يستحبون للرجل اذا اسلم ان يغتسل ويغسل ثيابه .
৬০৫. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... কায়স ইবনু আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে পানি ও বদরী পত্র দিয়ে গোসল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। - তাখরীজুল মিশকাত ৫৪৩, সহিহ আবু দাউদ ৩৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে ফতওয়া গ্রহণ করেছেন। তারা ইসলাম গ্রহণের সময় গোসল করা ও কাপড় ধৌত করা মুস্তাহাব বলে মনে করেন।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে ফতওয়া গ্রহণ করেছেন। তারা ইসলাম গ্রহণের সময় গোসল করা ও কাপড় ধৌত করা মুস্তাহাব বলে মনে করেন।
হাদিস নং: ৬০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا الحكم بن بشير بن سلمان، حدثنا خلاد الصفار، عن الحكم بن عبد الله النصري، عن ابي اسحاق، عن ابي جحيفة، عن علي بن ابي طالب، رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ستر ما بين اعين الجن وعورات بني ادم اذا دخل احدهم الخلاء ان يقول بسم الله " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه واسناده ليس بذاك القوي . وقد روي عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم اشياء في هذا .
৬০৬. মুহাম্মাদ ইবনু হুমায়দ আর-রাযী (রহঃ) .... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ জ্বীনদের চোখ ও আদম সন্তানের লজ্জাস্থানের মাঝে পর্দা হল এই যে, কেউ যখন শৌচাগারে প্রবেশ করবে, তখন সে বলবে ’’বিসমিল্লাহ্’’। - ইবনু মাজাহ ২৯৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। এর সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে কিছু বর্ণনা আছে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। এর সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে কিছু বর্ণনা আছে।
হাদিস নং: ৬০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الوليد، احمد بن بكار الدمشقي حدثنا الوليد بن مسلم، قال قال صفوان بن عمرو اخبرني يزيد بن خمير، عن عبد الله بن بسر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " امتي يوم القيامة غر من السجود محجلون من الوضوء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث عبد الله بن بسر .
৬০৭. আবূল ওয়ালীদ আদ্-দিমাশকী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু বুসর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ কিয়ামতের দিন সিজদার কারণে আমার উম্মত উজ্জ্বল চেহারাবিশিষ্ট এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু)র কারণে উজ্জ্বল হাত-পা বিশিষ্ট হবে। - সহিহাহ ২৮৩৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু বুসর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস হিসাবে এই সনদে এটি গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুল্লাহ ইবনু বুসর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস হিসাবে এই সনদে এটি গারীব।
হাদিস নং: ৬০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن اشعث بن ابي الشعثاء، عن ابيه، عن مسروق، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يحب التيمن في طهوره اذا تطهر وفي ترجله اذا ترجل وفي انتعاله اذا انتعل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو الشعثاء اسمه سليم بن اسود المحاربي .
৬০৮. হান্নাদ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডান দিক অবলম্বন করা ভালবাসতেন- যখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতেন তখন উযূর ক্ষেত্রে, যখন চিরুনী বরতেন তখন চিরুনী করার ক্ষেত্রে, যখন জুতা পরতেন তখন জুতা পরার ক্ষেত্রে (তা পছন্দ করতেন)। - ইবনু মাজাহ ৪০১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূশ-শা’সা (রহঃ)-এর নাম হল সুলায়ম ইবনু আসওয়দ আল-মুহারিবী।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূশ-শা’সা (রহঃ)-এর নাম হল সুলায়ম ইবনু আসওয়দ আল-মুহারিবী।
হাদিস নং: ৬০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن شريك، عن عبد الله بن عيسى، عن ابن جبر، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يجزى في الوضوء رطلان من ماء " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث شريك على هذا اللفظ . وروى شعبة عن عبد الله بن عبد الله بن جبر عن انس بن مالك ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يتوضا بالمكوك ويغتسل بخمسة مكاكي . وروي عن سفيان الثوري عن عبد الله بن عيسى عن عبد الله بن جبر عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يتوضا بالمد ويغتسل بالصاع . وهذا اصح من حديث شريك .
৬০৯. হান্নাদ (রহঃ) .... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ উযূর জন্য দুই রতল* পরিমাণ পানই যথেষ্ট। - ইবনু মাজাহ ২৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই শব্দে রাবী শারীক ছাড়া অন্য কোন সনদে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। শু’বা (রহঃ) আব্দিল্লাহ ইবনু আব্দিল্লাহ ইবনু জাব্র সূত্রে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাককূক* পরিমাণ পানি দিযে উযূ (ওজু/অজু/অযু) এবং পাঁচ মাককূক পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করতেন। সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মুদ্ পরিমাণ পানি দিয়ে উযূ এবং এক সা’ পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করতেন। এই হাদীসটি শারীক-এর হাদীস অপেক্ষা অধিকতর সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই শব্দে রাবী শারীক ছাড়া অন্য কোন সনদে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। শু’বা (রহঃ) আব্দিল্লাহ ইবনু আব্দিল্লাহ ইবনু জাব্র সূত্রে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাককূক* পরিমাণ পানি দিযে উযূ (ওজু/অজু/অযু) এবং পাঁচ মাককূক পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করতেন। সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মুদ্ পরিমাণ পানি দিয়ে উযূ এবং এক সা’ পরিমাণ পানি দিয়ে গোসল করতেন। এই হাদীসটি শারীক-এর হাদীস অপেক্ষা অধিকতর সহীহ।
নোট: *রতল - হল ২৫৬৪ গ্রাম।
*মাককূক- একধরনের পাত্র। এতে বর্ণনাভেদে এক সা’ বা অর্ধ সা’ পরিমাণ বস্তু ধরে।
*মাককূক- একধরনের পাত্র। এতে বর্ণনাভেদে এক সা’ বা অর্ধ সা’ পরিমাণ বস্তু ধরে।
হাদিস নং: ৬১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن ابي حرب بن ابي الاسود، عن ابيه، عن علي بن ابي طالب، رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في بول الغلام الرضيع " ينضح بول الغلام ويغسل بول الجارية " . قال قتادة وهذا ما لم يطعما فاذا طعما غسلا جميعا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . رفع هشام الدستواىي هذا الحديث عن قتادة واوقفه سعيد بن ابي عروبة عن قتادة ولم يرفعه .
৬১০. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুগ্ধপোষ্য শিশুর প্রস্রাব (পাক করা) সম্পর্কে বলেছেনঃ ছেলে শিশুর প্রস্রাবে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হবে আর মেয়ে শিশুদের প্রস্রাব ধুতে হবে। কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেনঃ এই পার্থক্য বিবেচ্য হবে যতদিন তারা (প্রচলিত) খাদ্য প্রহণের উপযুক্ত না হবে, ততদিন। আর যখন তারা খাদ্য গ্রহণযোগ্য হয়ে যাবে, তখন উভয়ের প্রস্রাবই ধুতে হবে। - ইবনু মাজাহ ৫২৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কাতাদা (রহঃ) সূত্রে রাবী হিশাম আদ্-দাস্তাওয়াঈ এটিকে মারফূ’ হিসাবে এবং তাঁরই সুত্রে সাঈদ ইবনু আবী আরূবা মওকূফ হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন। পরবর্তীজন মারফূ’রূপে বর্ণনা করেননি।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কাতাদা (রহঃ) সূত্রে রাবী হিশাম আদ্-দাস্তাওয়াঈ এটিকে মারফূ’ হিসাবে এবং তাঁরই সুত্রে সাঈদ ইবনু আবী আরূবা মওকূফ হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন। পরবর্তীজন মারফূ’রূপে বর্ণনা করেননি।
হাদিস নং: ৬১১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا قبيصة، عن حماد بن سلمة، عن عطاء الخراساني، عن يحيى بن يعمر، عن عمار، ان النبي صلى الله عليه وسلم رخص للجنب اذا اراد ان ياكل او يشرب او ينام ان يتوضا وضوءه للصلاة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৬১১. হান্নাদ (রহঃ) ..... আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুনুবী (যার উপর গোসল ফরয) ব্যক্তির জন্য অবকাশ দিয়েছেন। সে যদি আহার করতে বা পান করতে বা নিদ্রাগমন করতে চায়, তবে সে সালাতের উযূ (ওজু/অজু/অযু)র মত উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে নিবে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৬১২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن ابي زياد القطواني الكوفي، حدثنا عبيد الله بن موسى، حدثنا غالب ابو بشر، عن ايوب بن عاىذ الطاىي، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن كعب بن عجرة، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعيذك بالله يا كعب بن عجرة من امراء يكونون من بعدي فمن غشي ابوابهم فصدقهم في كذبهم واعانهم على ظلمهم فليس مني ولست منه ولا يرد على الحوض ومن غشي ابوابهم او لم يغش فلم يصدقهم في كذبهم ولم يعنهم على ظلمهم فهو مني وانا منه وسيرد على الحوض يا كعب بن عجرة الصلاة برهان والصوم جنة حصينة والصدقة تطفى الخطيىة كما يطفى الماء النار . يا كعب بن عجرة انه لا يربو لحم نبت من سحت الا كانت النار اولى به " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه لا نعرفه الا من حديث عبيد الله بن موسى . وايوب بن عاىذ الطاىي يضعف ويقال كان يرى راى الارجاء . وسالت محمدا عن هذا الحديث فلم يعرفه الا من حديث عبيد الله بن موسى واستغربه جدا .
৬১২. আবদুল্লাহ ইবনু আবী যিয়াদ (রহঃ) ..... কা’ব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমাকে একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে কা’ব ইবনু উজরা, আমার পরে কিছু আমীর হবে তাদের (অমঙ্গল) থেকে আমি তোমাকে আল্লাহর আশ্রয়ে দিচ্ছি। যে ব্যক্তি তাদের দরজায় যাবে এবং তাদের মিথ্যাচারে তাদের সমর্থন দিবে, তাদের যুলুমে তাদের সহযোগিতা করবে, তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমার সঙ্গেও তার কোন সম্পর্ক নেই। সে হাওযে কাওসারে পানি পান করতে আমার নিকট আসতে পারবে না। আর যে ব্যক্তি তাদের দরজায় যাবে না এবং তাদের মিথ্যাচারে তাদের সমর্থন করবে না, তাদের যুলমে তাদের সহযোগিতা করবে না, সে আমার এবং আমি তার। অবশ্যই সে হাওযে কাওসারে পানি পান করতে আমার নিকট আসবে। হে কা’ব ইবনু উজরা, সালাত (নামায/নামাজ) হল দলীল, সাওম হল রক্ষাকারী বর্ম, পানি যেমন আগুন নিভিয়ে দেয়, তেমনি দান-সদকাও গুনাহসমূহ দূরীভূত করে দেয়। হে কা’ব ইবনু উজরা, হারাম খেয়ে যে মাংসের বৃদ্ধি ঘটেছে, জাহান্নামাগ্নই হল তার যোগ্য। - তা’লীকুর রাগীব ৩/১৫, ১৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। রাবী আইয়ূব ইবনু আয়েব যঈফ। তিনি মুরজি’আ-পন্থি ছিলেন বলেও কেউ কেউ বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুহাম্মাদ আল-বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে কিছু জানেন না। তিনি এই সনদটি অত্যন্ত গারীব বলে অভিহিত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। রাবী আইয়ূব ইবনু আয়েব যঈফ। তিনি মুরজি’আ-পন্থি ছিলেন বলেও কেউ কেউ বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুহাম্মাদ আল-বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে কিছু জানেন না। তিনি এই সনদটি অত্যন্ত গারীব বলে অভিহিত করেছেন।
হাদিস নং: ৬১৩
সহিহ (Sahih)
وقال محمد حدثنا ابن نمير، عن عبيد الله بن موسى، عن غالب، بهذا .
৬১৩. মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ ইবনু নুমায়র উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা গালিব সূত্রে এটি আমার নিকট বর্ণিত হয়েছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৬১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن عبد الرحمن الكندي الكوفي، حدثنا زيد بن الحباب، اخبرنا معاوية بن صالح، حدثني سليم بن عامر، قال سمعت ابا امامة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب في حجة الوداع فقال " اتقوا الله ربكم وصلوا خمسكم وصوموا شهركم وادوا زكاة اموالكم واطيعوا ذا امركم تدخلوا جنة ربكم " . قال فقلت لابي امامة منذ كم سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم هذا الحديث قال سمعته وانا ابن ثلاثين سنة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৬১৪. মূসা ইবনু আবদি্র রহমান আল-কূফী (রহঃ) ...... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বিদায় হজ্জের খুতবায় বলতে শুনেছিঃ তোমরা আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তো তোমাদের রব। তোমরা পাঁচ ওয়ক্ত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবে, তোমরা রমযান মাসের সিয়াম পালন করবে, তোমাদের সম্পদের যাকাত দিবে, তোমাদের শাসনকর্তাদের আনুগত্য করবে, তা হলে তোমরা তোমাদের প্রভুর জান্নাতে দাখিল হতে পারবে। রাবী বলেনঃ আমি আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললামঃ কতদিন আগে আপনি এই হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেনঃ আমার বয়স যখন ত্রিশ বছর তখন আমি এই হাদীসটি শুনেছিলাম। - সহিহাহ ৮৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।