হাদিস নং: ৩২৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، وابو بكر بندار قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن زياد بن اسماعيل، عن محمد بن عباد بن جعفر المخزومي، عن ابي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي صلى الله عليه وسلم في القدر فنزلت : ( يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * انا كل شيء خلقناه بقدر ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৯০. আবূ কুরায়ব ও আবূ বকর বুন্দার (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুশরিক কুরায়শরা একবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তাকদীর সম্পর্কে বিতন্ডা করতে এল। এই প্রসঙ্গে নাযিল হয়ঃ
يومَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ * إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَ
যে দিন এদেরকে উপুড় করে টেনে নেওয়া হবে জাহান্নামের দিকে সে দিন এদেরকে বলা হবে জাহান্নামের যন্ত্র্রণা আস্বাদন কর। আমি তো প্রতিটি জিনিস সৃষ্টি করেছি তাকদীর অনুসারে (সূরা কামার ৫৪ঃ ৪৮-৪৯)।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৮৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
يومَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ * إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَ
যে দিন এদেরকে উপুড় করে টেনে নেওয়া হবে জাহান্নামের দিকে সে দিন এদেরকে বলা হবে জাহান্নামের যন্ত্র্রণা আস্বাদন কর। আমি তো প্রতিটি জিনিস সৃষ্টি করেছি তাকদীর অনুসারে (সূরা কামার ৫৪ঃ ৪৮-৪৯)।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৮৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৯১
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد الرحمن بن واقد ابو مسلم السعدي، حدثنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، رضى الله عنه قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم على اصحابه فقرا عليهم سورة الرحمن من اولها الى اخرها فسكتوا فقال " لقد قراتها على الجن ليلة الجن فكانوا احسن مردودا منكم كنت كلما اتيت على قوله : (فباى الاء ربكما تكذبان) قالوا لا بشيء من نعمك ربنا نكذب فلك الحمد " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث الوليد بن مسلم عن زهير بن محمد . قال احمد بن حنبل كان زهير بن محمد الذي وقع بالشام ليس هو الذي يروى عنه بالعراق كانه رجل اخر قلبوا اسمه يعني لما يروون عنه من المناكير . وسمعت محمد بن اسماعيل البخاري يقول اهل الشام يروون عن زهير بن محمد مناكير واهل العراق يروون عنه احاديث مقاربة .
৩২৯১. আবদুর রহমান ইবন ওয়াকদ আবূ মুসলিম (রহঃ) ....... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের কাছে বের হয়ে এলেন। তাঁদের কাছে তিনি সূরা আর-রাহমান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন। তাঁর সকলেই চুপ করে শুনলেন। তিনি শেষে বললেনঃ জিন-রজনীতেও আমি এই সূরা জিনদেরকে তিলাওয়াত করে শুনিয়াছিলাম। তোমাদের তুলনায় উত্তম প্রতিউত্তর দাতা ছিল তারা। যখনই আমি, (فبأَىِّ آلاَءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ) ’’সুতরাং তোমরা উভয় সম্প্রদায় তোমাদের রবের কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করব?’’ এ আয়াত তিলাওয়াত করতাম। তখনই তার বলতঃ (لاَ بِشَيْءٍ مِنْ نِعَمِكَ رَبَّنَا نُكَذِّبُ فَلَكَ الْحَمْدُ) ’’তোমরা নিয়ামতের কোন কিছুই আমরা অস্বীকার করি না হে আমাদের প্রভু। সব তারীফ তো তোমারই।’’
হাসান, সহীহাহ ২১৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ওয়ালীদ ইবন মুসলিম-যুহায়র ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীস ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) বলেছেনঃ যে মুহাম্মাদ ইবন যুহায়র শামে ছিলেন তিনি যেন সেই যুহায়র নন, যাঁর বরাতে ইরাকে রিওয়ায়ত বর্ণনা করা হয়ে থাকে। বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করতে দেখে তাঁর নাম বদলে ফেলেছে। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি শামবাসীরা যুহায়র ইবন মুহাম্মাদ-এর রবাতে বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করে থাকে। ইরাকবাসীরা তাঁর বরাতে সহীহ হাদীস বর্ণনা করেন।
হাসান, সহীহাহ ২১৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ওয়ালীদ ইবন মুসলিম-যুহায়র ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীস ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) বলেছেনঃ যে মুহাম্মাদ ইবন যুহায়র শামে ছিলেন তিনি যেন সেই যুহায়র নন, যাঁর বরাতে ইরাকে রিওয়ায়ত বর্ণনা করা হয়ে থাকে। বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করতে দেখে তাঁর নাম বদলে ফেলেছে। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি শামবাসীরা যুহায়র ইবন মুহাম্মাদ-এর রবাতে বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করে থাকে। ইরাকবাসীরা তাঁর বরাতে সহীহ হাদীস বর্ণনা করেন।
হাদিস নং: ৩২৯২
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا ابو سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله اعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رات ولا اذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا ان شىتم : ( وما تعلم نفس ما اخفي لهم من قرة اعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها ماىة عام لا يقطعها واقرءوا ان شىتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا ان شىتم : ( فمن زحزح عن النار وادخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا الا متاع الغرور ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৯২. আবু কুরায়ব ...... আবু আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন সব জিনিস তৈরী করে রেখেছি কোন চোখ যা দেখেনি কোন কান যা শুনেনি, কোন মানুষের হৃদয়ে যা উদয়ও হয়নি, তোমরা এর সমর্থনে ইচ্ছা করলে তেলাওয়াত করতে পারঃ (فلا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَا أُخْفِيَ لَهُمْ مِنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ) - কেউ জানেনা তাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর কী লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদেও কৃত কর্মেও পুরস্কার স্বরূপ। (সূরা সাজদা ৩২ঃ ১৭)
জান্নাতে একশটি বৃক্ষ আছে। কোন আশ্বারোহী এর ছায়ায় শতবর্ষ চলেও তা আতিক্রম করতে পারবে না। ইচ্ছা করলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ (وظِلٍّ مَمْدُودٍ) - দীর্ঘ সম্প্রসারিত ছায়া। (সূরা ওয়াকি’আ ৫৬ঃ ৩০)
জান্নাতের এশটি চাবুক পরিমান স্থানও পৃথিবী এবং এর সব কিছুহতে উত্তম। আচ্ছা হলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ (فمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ) - যাকে জাহান্নাম থেকে রাখাহবে দুওে এবং দাখিল করা হবে জান্নাতে,সে-ই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন তো ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। (সূরা আল-ইমরান ৩ঃ ১৮৫)।
হাসান সহীহ, সহিহ হাদিস সিরিজ হাঃ ১৯৭৮, বুখারি "اقْرَءُوا" (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যাতিত বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
জান্নাতে একশটি বৃক্ষ আছে। কোন আশ্বারোহী এর ছায়ায় শতবর্ষ চলেও তা আতিক্রম করতে পারবে না। ইচ্ছা করলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ (وظِلٍّ مَمْدُودٍ) - দীর্ঘ সম্প্রসারিত ছায়া। (সূরা ওয়াকি’আ ৫৬ঃ ৩০)
জান্নাতের এশটি চাবুক পরিমান স্থানও পৃথিবী এবং এর সব কিছুহতে উত্তম। আচ্ছা হলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ (فمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ) - যাকে জাহান্নাম থেকে রাখাহবে দুওে এবং দাখিল করা হবে জান্নাতে,সে-ই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন তো ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। (সূরা আল-ইমরান ৩ঃ ১৮৫)।
হাসান সহীহ, সহিহ হাদিস সিরিজ হাঃ ১৯৭৮, বুখারি "اقْرَءُوا" (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যাতিত বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها ماىة عام لا يقطعها وان شىتم فاقرءوا : ( وظل ممدود * وماء مسكوب ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفي الباب عن ابي سعيد .
৩২৯৩. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জান্নাতে একটি বৃক্ষ আছে। এর ছায়ায় কোন আশ্বারহী শতবর্ষ চলবে, তবুও সে তা অতিক্রম করতে পারবে না ইচ্ছা করলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ (وَظِلٍّ مَمْدُودٍ * وَمَاءٍ مَسْكُوبٍ) - (জান্নাতে) সম্প্রসারিত দীর্ঘ ছায়া আর সাদা প্রাবহমান পানি। (সূরা ওয়াকি’আ ৫৬ঃ ৩০-৩১)।
সহীহ, বুখারি ৪৮৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, বুখারি ৪৮৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩২৯৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن عمرو بن الحارث، عن دراج، عن ابي الهيثم، عن ابي سعيد الخدري، رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وفرش مرفوعة ) قال " ارتفاعها كما بين السماء والارض ومسيرة ما بينهما خمسماىة عام " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث رشدين .
৩২৯৪. আবু কুরায়ব (রহঃ) ...... আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত (وفُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ) (জান্নাতে) সমুচ্চ লাভা সমূহ (সূরা ওয়াকি’আ ৫৬ঃ ৩৪) আয়াত প্রসঙ্গে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এর উচ্চতা যমীন থেকে আসমানের উচ্চতার সমান। আর এতদুভয়ের মাঝে হল পাঁচশ বছরের পথ।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৪/২৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। রিশদ্বীন (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৪/২৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। রিশদ্বীন (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩২৯৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا اسراىيل، عن عبد الاعلى، عن ابي عبد الرحمن، عن علي، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " : (اتجعلون رزقكم انكم تكذبون ) قال شكركم تقولون مطرنا بنوء كذا وكذا وبنجم كذا وكذا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه مرفوعا الا من حديث اسراىيل .
ورواه سفيان الثوري عن عبد الاعلى، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن علي، نحوه ولم يرفعه
ورواه سفيان الثوري عن عبد الاعلى، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن علي، نحوه ولم يرفعه
৩২৯৫. আহমাদ ইবন মানী (রহঃ) ...... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত। তিনি বলেন রাসূল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ (وتَجْعَلُونَ رِزْقَكُمْ أَنَّكُمْ تُكَذِّبُونَ) তোমরা আস্বীকারকেই তোমাদের রিযক বানিয়ানিয়েছ। (সূরা ওয়াকি’আ ৫৬ঃ ৮২) আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেনঃ (আল্লাহ কে স্বীকার করে রিযক প্রদানের জন্য তার শোকর আদায় করার স্থলে) বলে থাক যে, তোমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের স্বরূপ হচ্ছে এই যে, তোমরা বলে থাক অমুক রাশিচক্রের কারনে বা অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে। (অথচ উচিত ছিল সব কিছুকে আল্লাহর অনুগ্রহ দানের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং তাঁর উপর ঈমান এনে তাঁর শোকর করা)।
হাদীসটি হাসান-গারীব। ইসরাঈলের হাদীস ছাড়া মারফু রূপে আমরা আর কিছু জানি না। সুফিয়ার (রহঃ) হাদীসটি আবদুল আ’লা (রহঃ) এর বারাতে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এটি মারফু করেনি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। ইসরাঈলের হাদীস ছাড়া মারফু রূপে আমরা আর কিছু জানি না। সুফিয়ার (রহঃ) হাদীসটি আবদুল আ’লা (রহঃ) এর বারাতে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এটি মারফু করেনি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৯৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث الخزاعي المروزي، حدثنا وكيع، عن موسى بن عبيدة، عن يزيد بن ابان، عن انس، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : (انا انشاناهن انشاء ) قال " ان من المنشات اللاىي كن في الدنيا عجاىز عمشا رمصا " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا الا من حديث موسى بن عبيدة وموسى بن عبيدة ويزيد بن ابان الرقاشي يضعفان في الحديث .
৩২৯৬. আবু আম্মান হুসাইন ইবন হুরায়ছ খুযাই মারওয়াযী (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হইতে বর্ণিত তিনি বলেন (إنا أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءً) তাদের (জান্নাতের নারীদের) আমি সৃষ্টি করেছি বিশেষ রূপে (সূরা ওয়াকি’আ ৫৬ঃ ৩৫) আয়াতটি প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে সব নারী দুনিয়ায় ছিল জ্বারাগ্রস্থ চোখ দিয়ে পুজ পড়ত, চোখের কোনে ময়লা জমে থাকতো, তাদের তিনি জান্নাতে বিশেষ ভাবে সৃষ্টি করবেন।
হাদীসটি গারীব। মুসা ইবন উবায়দার সূত্র ছাড়া এটি মারফু’ রূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। মুসা ইবন উবায়দা এবং ইয়াযীদ ইবন আবান রাকাশী উভয়েই হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে যঈফ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। মুসা ইবন উবায়দার সূত্র ছাড়া এটি মারফু’ রূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। মুসা ইবন উবায়দা এবং ইয়াযীদ ইবন আবান রাকাশী উভয়েই হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে যঈফ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن شيبان، عن ابي اسحاق، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال ابو بكر رضى الله عنه يا رسول الله قد شبت . قال " شيبتني هود والواقعة والمرسلات و عم يتساءلون واذا الشمس كورت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث ابن عباس الا من هذا الوجه . وروى علي بن صالح هذا الحديث عن ابي اسحاق عن ابي جحيفة نحو هذا . وروي عن ابي اسحاق عن ابي ميسرة شيء من هذا مرسلا .
وروى ابو بكر بن عياش، عن ابي اسحاق، عن عكرمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث شيبان عن ابي اسحاق ولم يذكر فيه عن ابن عباس حدثنا بذلك هاشم بن الوليد الهروي حدثنا ابو بكر بن عياش .
وروى ابو بكر بن عياش، عن ابي اسحاق، عن عكرمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث شيبان عن ابي اسحاق ولم يذكر فيه عن ابن عباس حدثنا بذلك هاشم بن الوليد الهروي حدثنا ابو بكر بن عياش .
৩২৯৭. আবু কুরায়ব (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন বললেনঃ ইয়া রাসাল্লাহ! আপনি বৃদ্ধ হয়ে গেলেন। তিনি বললেনঃ আমাকে হুদ, ওয়াকি’আ, মুরসালাত, আম্মা-ইয়াতাসা আলুন-ই এবং ইযাশ-শামসু কুওবিরাত-এই সূরাগুলো বৃদ্ধ কওে ফেলেছে।
সহীহ, সহিহ হাদিস সিরিজ ৯৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এ সূত্র ছাড়া ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর রিওয়ায়াত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানানেই। আলী ইবন আবি সালিহ (রহঃ) এ হাদীসটি আবু ইসহাক ... আবু জুহাইফা (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক ... আবু মায়সারা (রহঃ) সুত্রেও মুরসাল রূপে এরূপ কিছু বিষয় বর্ণিত আছে।
সহীহ, সহিহ হাদিস সিরিজ ৯৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এ সূত্র ছাড়া ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর রিওয়ায়াত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানানেই। আলী ইবন আবি সালিহ (রহঃ) এ হাদীসটি আবু ইসহাক ... আবু জুহাইফা (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক ... আবু মায়সারা (রহঃ) সুত্রেও মুরসাল রূপে এরূপ কিছু বিষয় বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩২৯৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، وغير، واحد، - المعنى واحد قالوا حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان بن عبد الرحمن، عن قتادة، حدثنا الحسن، عن ابي هريرة، قال بينما نبي الله صلى الله عليه وسلم جالس واصحابه اذ اتى عليهم سحاب فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " هل تدرون ما هذا " . فقالوا الله ورسوله اعلم . قال " هذا العنان هذه روايا الارض يسوقه الله تبارك وتعالى الى قوم لا يشكرونه ولا يدعونه " . ثم قال " هل تدرون ما فوقكم " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فانها الرقيع سقف محفوظ وموج مكفوف " . ثم قال " هل تدرون كم بينكم وبينها " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " بينكم وبينها مسيرة خمسماىة سنة " . ثم قال " هل تدرون ما فوق ذلك " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فان فوق ذلك سماءين وما بينهما مسيرة خمسماىة عام " . حتى عد سبع سموات ما بين كل سماءين كما بين السماء والارض . ثم قال " هل تدرون ما فوق ذلك " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فان فوق ذلك العرش وبينه وبين السماء بعد ما بين السماءين " . ثم قال " هل تدرون ما الذي تحتكم " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فانها الارض " . ثم قال " هل تدرون ما الذي تحت ذلك " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فان تحتها الارض الاخرى بينهما مسيرة خمسماىة سنة " . حتى عد سبع ارضين بين كل ارضين مسيرة خمسماىة سنة ثم قال " والذي نفس محمد بيده لو انكم دليتم رجلا بحبل الى الارض السفلى لهبط على الله " . ثم قرا ( هو الاول والاخر والظاهر والباطن وهو بكل شيء عليم ) . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . قال ويروى عن ايوب ويونس بن عبيد وعلي بن زيد قالوا لم يسمع الحسن من ابي هريرة . وفسر بعض اهل العلم هذا الحديث فقالوا انما هبط على علم الله وقدرته وسلطانه . علم الله وقدرته وسلطانه في كل مكان وهو على العرش كما وصف في كتابه .
৩২৯৮. আবদ ইবন হুমায়দ প্রমুখ (রহঃ) ...... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীরা এক স্থানে বসা ছিলেন। এমন সময় একটি মেঘ উড়ে এল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাকি জান এটি কি? তাঁরা বললেন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এ হল এক খন্ড মেঘ পৃথিবীর জন্য পানিবাহক। আল্লাহ তায়ালা এটি এমন কাওমের দিকেও হাঁকিয়ে নিয়ে যান যারা তার প্রতি কৃতজ্ঞ নয়। যারা তাকে ডাকে না।
এরপর বললেনঃ তোমরাকি জান তোমাদের উপর কি আছে? সাহাবীরা বললেনঃ আল্লাহ ও তারা রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এ হল ’রাকী’ পৃথিবীর আকাশ। সুরক্ষিত ছাদ ও রুদ্ধ ঊর্মীমালা। তোমরা কি জানো তোমাদের এবং এর মাঝে দুরত্ব কত?
সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর মাঝে আর তোমাদের মাঝে দুরত্ব হল পাঁচশ বছরের। এর উপর কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন।
তারপর নবীজী বললেনঃ এর উপর রয়েছে আরো দুই অসমান। এতদুভয়ের মাঝেও রয়েছে পাঁচশ বছর সফরের ব্যবধান। এভাবে সাত আসমানের কথা তিনি উল্লেখ করলেন। প্রতি দুই আসমানের মাঝে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর মাঝের মত দুরত্ব।
তারপর নবীজী বললেনঃ এরও ঊর্ধ্বে কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর ঊর্ধ্বে হল আরশ। এর এবং আকাশের মাঝে দুরত্ব হল দুই আসমানের দুরত্বের সমান। এরপর তিনি বললেন, তোমাদের নিচে কি আছে তা কি তোমরা জান?
সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তার রাষূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন নিচে হল যমীন। এর পর কি আছে তাকি তোমরা জান। সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর নিছে আরো এশটি পৃথিবী আছে। এতদুভয়ের মাঝে পাঁচশ বছর সফরের দুরত্ব।
তার পর তিনি বললেনঃ সেই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ তোমরা যদি একটি দড়ি সর্বনিম্ন পৃথিবীর দিকে লটকে ধর তবে তা আল্লাহর জ্ঞানানুসারে কোন স্থানে যেয়ে পৌছবে (যা আমাদের জানা নেই)। এর পর তিনি পাঠ করলেনঃ (هو الأَوَّلُ وَالآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ) - তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি ব্যক্তি, তিনি গুপ্ত এবং তিনিই সব বিষয় সম্যক অবহিত। (সূরা হাদীদ ৫৭ঃ ৩)।
যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ ৫৭৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে গারীব। আয়্যুব, ইউনুস ইবন উবায়দ ও আলী ইবন যায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তারা বলেছেনঃ হাসান (রহঃ) আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে সরাসরি কিছু শুনেন নি। কোন কোন আলিম এই হাদীসটির ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ ’’আল্লাহরই জ্ঞান মতে পৌঁচবে’’ অর্থ হল আল্লাহর ইলম, তার কুদরত এবং তারই কতৃত্বাধীন স্থানে যেয়ে তা পৌঁছবে। আল্লাহর ইলম, তার কুদরত ও কর্তৃত্ব তো সবখানে। তিনি আরশে সমাসীন আছেন সেই ভাবে, যে ভাবে তার কিতাবে এর উল্লেখ আছে।
এরপর বললেনঃ তোমরাকি জান তোমাদের উপর কি আছে? সাহাবীরা বললেনঃ আল্লাহ ও তারা রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এ হল ’রাকী’ পৃথিবীর আকাশ। সুরক্ষিত ছাদ ও রুদ্ধ ঊর্মীমালা। তোমরা কি জানো তোমাদের এবং এর মাঝে দুরত্ব কত?
সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর মাঝে আর তোমাদের মাঝে দুরত্ব হল পাঁচশ বছরের। এর উপর কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন।
তারপর নবীজী বললেনঃ এর উপর রয়েছে আরো দুই অসমান। এতদুভয়ের মাঝেও রয়েছে পাঁচশ বছর সফরের ব্যবধান। এভাবে সাত আসমানের কথা তিনি উল্লেখ করলেন। প্রতি দুই আসমানের মাঝে রয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর মাঝের মত দুরত্ব।
তারপর নবীজী বললেনঃ এরও ঊর্ধ্বে কি আছে তা কি তোমরা জান? সাহাবীরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর ঊর্ধ্বে হল আরশ। এর এবং আকাশের মাঝে দুরত্ব হল দুই আসমানের দুরত্বের সমান। এরপর তিনি বললেন, তোমাদের নিচে কি আছে তা কি তোমরা জান?
সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তার রাষূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন নিচে হল যমীন। এর পর কি আছে তাকি তোমরা জান। সাহাবীরা বললেন আল্লাহ এবং তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন এর নিছে আরো এশটি পৃথিবী আছে। এতদুভয়ের মাঝে পাঁচশ বছর সফরের দুরত্ব।
তার পর তিনি বললেনঃ সেই সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ তোমরা যদি একটি দড়ি সর্বনিম্ন পৃথিবীর দিকে লটকে ধর তবে তা আল্লাহর জ্ঞানানুসারে কোন স্থানে যেয়ে পৌছবে (যা আমাদের জানা নেই)। এর পর তিনি পাঠ করলেনঃ (هو الأَوَّلُ وَالآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ) - তিনি আদি, তিনি অন্ত, তিনি ব্যক্তি, তিনি গুপ্ত এবং তিনিই সব বিষয় সম্যক অবহিত। (সূরা হাদীদ ৫৭ঃ ৩)।
যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ ৫৭৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে গারীব। আয়্যুব, ইউনুস ইবন উবায়দ ও আলী ইবন যায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তারা বলেছেনঃ হাসান (রহঃ) আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে সরাসরি কিছু শুনেন নি। কোন কোন আলিম এই হাদীসটির ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ ’’আল্লাহরই জ্ঞান মতে পৌঁচবে’’ অর্থ হল আল্লাহর ইলম, তার কুদরত এবং তারই কতৃত্বাধীন স্থানে যেয়ে তা পৌঁছবে। আল্লাহর ইলম, তার কুদরত ও কর্তৃত্ব তো সবখানে। তিনি আরশে সমাসীন আছেন সেই ভাবে, যে ভাবে তার কিতাবে এর উল্লেখ আছে।
হাদিস নং: ৩২৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، والحسن بن علي الحلواني، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا محمد بن اسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سليمان بن يسار، عن سلمة بن صخر الانصاري، قال كنت رجلا قد اوتيت من جماع النساء ما لم يوت غيري فلما دخل رمضان تظاهرت من امراتي حتى ينسلخ رمضان فرقا من ان اصيب منها في ليلتي فاتتابع في ذلك الى ان يدركني النهار وانا لا اقدر ان انزع فبينما هي تخدمني ذات ليلة اذ تكشف لي منها شيء فوثبت عليها فلما اصبحت غدوت على قومي فاخبرتهم خبري فقلت انطلقوا معي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره بامري . فقالوا لا والله لا نفعل نتخوف ان ينزل فينا قران او يقول فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالة يبقى علينا عارها ولكن اذهب انت فاصنع ما بدا لك . قال فخرجت فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبرته خبري . فقال " انت بذاك " . قلت انا بذاك . قال " انت بذاك " . قلت انا بذاك . قال " انت بذاك " . قلت انا بذاك وها انا ذا فامض في حكم الله فاني صابر لذلك . قال " اعتق رقبة " . قال فضربت صفحة عنقي بيدي فقلت لا والذي بعثك بالحق ما اصبحت املك غيرها . قال " صم شهرين " . قلت يا رسول الله وهل اصابني ما اصابني الا في الصيام . قال " فاطعم ستين مسكينا " . قلت والذي بعثك بالحق لقد بتنا ليلتنا هذه وحشى ما لنا عشاء . قال " اذهب الى صاحب صدقة بني زريق فقل له فليدفعها اليك فاطعم عنك منها وسقا ستين مسكينا ثم استعن بساىره عليك وعلى عيالك " . قال فرجعت الى قومي فقلت وجدت عندكم الضيق وسوء الراى ووجدت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم السعة والبركة امر لي بصدقتكم فادفعوها الى فدفعوها الى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . قال محمد سليمان بن يسار لم يسمع عندي من سلمة بن صخر . قال ويقال سلمة بن صخر وسلمان بن صخر . وفي الباب عن خولة بنت ثعلبة وهي امراة اوس بن الصامت .
৩২৯৯. আবদ ইবন হুমায়দ ও হাসান ইবন আলী হুলওয়ানী (রহঃ) .... সালামা ইবন সাখর আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এমন এক পুরুষ যাকে এত রতি শক্তি দেওয়া হয়েছে যা আর অন্য কাউকে দেওয়া হয়নি। রমযান মাস আসলে তা আতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত সময়ের জন্য আমি আমার স্ত্রী সঙ্গে যিহার করে। কেননা আমার আশংকা হয় যে, কোন রাত্রে যদি স্ত্রী সঙ্গত হয়ে পড়ি, তবে হয়তো দিনের আগমন পর্যন্ত তা চলতে থাকবে আর এদিকে আমি আমাকে স্ত্রী থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারব না। একদিন রাতে আমার স্ত্রী আমাকে খেদমত করছিল। হঠাৎ তার শরীরের এমন কিছু আমার সামনে উদ্ভাসিত হয়ে পড়ে যে, (আর ধৈর্য ধারণ করতে পারলাম না) আমি তার উপর চেপে বসি। সকাল হয়ে এলে আমি ভোরেই আমার কাওমের লোকদের কাছে যাই এবং তাদেরকে আমার বিষয়ে আবহিত করে বলি, তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আমাকে নিয়ে চল এবং তাকে আমার বিষয়টি অবহিত কর।
তারা বললঃ না, আল্লাহর কসম, আমরা তা করবোনা। আমাদের আশংকা হয় আমাদের বিষয় হয়তো কুরআনের কোন আয়াত নাযিল হয়ে যাবে বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয়তো আমাদের বিষয়ে এমন কোন কথা বলে বসবেন যার লজ্বা সবসময়ের জন্য আমাদের উপর থেকে যাবে। বরং তুমি নিজেই তার কাছে যাও এবং তোমার যা ভাল মনে হয় তা কর।
সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এর পর আমি নিজেই বেরিয়ে গেলাম এবং নবীজীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে আমার বিষয়টি তাকে অবহিত করলাম।
তিনি বললেনঃ তুমিই সে কাজ করেছ?
আমি বললামঃ আমিই সে অপরাধী।
তিনি বললেনঃ তুমি সে কাজ করেছঃ
আমি বললামঃ আমিই সে অপরাধী।
তিনি আবার বললেনঃ তুমিই সে কাজ করেছ?
আমি বললামঃ আমিই সে অপরাধী। আমি এইত আমি এখানে হাযির। আমার বিষয় আপনি আল্লাহর বিধান জারী করুন। আমি সে বিষয় ধৈর্য্য ধরব।
তিনি বললেনঃ একটা গোলাম আযাদ কর।
আমি আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে তাপ্পড় মেরে বললামঃ সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করছেন, আমার এ গর্দানটি ছাড়া আমি আর কারো গর্দানের মালিক নই।
তিনি বললেনঃ দুই মাস সিয়াম পালন কর।
আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! যে মুসীবতে পড়লাম তাকি সিয়াম ছাড়া আন্য আর কোন কারণে ছিল?
তিনি বললেনঃ ষাট জন মিসকীনকে খাদ্য দাও।
আমি বললামঃ কসম সে সত্তার, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন, আজকের এরাতটিও তো আমরা ভুখা কাটিয়েছি। রাতের খাবার বলতেও কিছু ছিল না আমাদের।
তিনি বললেনঃ বানু যুরায়কের সদকা প্রধানকারীর কাছে যাও এবং তাকে বল, তোমাকে সেই সাদকা দিয়ে দিতে তা থেকে তুমি এক ওয়াসাক (ষাট সা’) খাদ্য ষাট জন মিসকীনকে তোমার পক্ষ থেকে আহার করাও। আর বাকীটা তুমি ও তোমার পরিবারের আহার্যের ব্যাবস্থা কর।
সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এর পর আমি আমার কওমে ফিরে এলাম। তাদের বললামঃ তোমাদের কাছে তো কেবল সংকীর্ণতা ও খারাফ পরামর্শই পেলাম আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পেলাম উদারতা এবং বরকত ও শুভাশীষ। তোমাদের সাদকা সমূহ আমার কাছে দিয়ে দিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এর পর তারা আমার কাছে তা দিয়েদিল।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২০৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে সুলায়মান ইবন ইয়াসার কোন হাদীস সরাসরি সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে শুনেন নি। তিনি আরো বলেনঃ সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু সালামান ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামেও কথিত। এ বিষয়ে খাওলা বিনত ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। খাওলা রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন আওস ইবন সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু এর স্ত্রী।
তারা বললঃ না, আল্লাহর কসম, আমরা তা করবোনা। আমাদের আশংকা হয় আমাদের বিষয় হয়তো কুরআনের কোন আয়াত নাযিল হয়ে যাবে বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয়তো আমাদের বিষয়ে এমন কোন কথা বলে বসবেন যার লজ্বা সবসময়ের জন্য আমাদের উপর থেকে যাবে। বরং তুমি নিজেই তার কাছে যাও এবং তোমার যা ভাল মনে হয় তা কর।
সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এর পর আমি নিজেই বেরিয়ে গেলাম এবং নবীজীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে আমার বিষয়টি তাকে অবহিত করলাম।
তিনি বললেনঃ তুমিই সে কাজ করেছ?
আমি বললামঃ আমিই সে অপরাধী।
তিনি বললেনঃ তুমি সে কাজ করেছঃ
আমি বললামঃ আমিই সে অপরাধী।
তিনি আবার বললেনঃ তুমিই সে কাজ করেছ?
আমি বললামঃ আমিই সে অপরাধী। আমি এইত আমি এখানে হাযির। আমার বিষয় আপনি আল্লাহর বিধান জারী করুন। আমি সে বিষয় ধৈর্য্য ধরব।
তিনি বললেনঃ একটা গোলাম আযাদ কর।
আমি আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে তাপ্পড় মেরে বললামঃ সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করছেন, আমার এ গর্দানটি ছাড়া আমি আর কারো গর্দানের মালিক নই।
তিনি বললেনঃ দুই মাস সিয়াম পালন কর।
আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! যে মুসীবতে পড়লাম তাকি সিয়াম ছাড়া আন্য আর কোন কারণে ছিল?
তিনি বললেনঃ ষাট জন মিসকীনকে খাদ্য দাও।
আমি বললামঃ কসম সে সত্তার, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন, আজকের এরাতটিও তো আমরা ভুখা কাটিয়েছি। রাতের খাবার বলতেও কিছু ছিল না আমাদের।
তিনি বললেনঃ বানু যুরায়কের সদকা প্রধানকারীর কাছে যাও এবং তাকে বল, তোমাকে সেই সাদকা দিয়ে দিতে তা থেকে তুমি এক ওয়াসাক (ষাট সা’) খাদ্য ষাট জন মিসকীনকে তোমার পক্ষ থেকে আহার করাও। আর বাকীটা তুমি ও তোমার পরিবারের আহার্যের ব্যাবস্থা কর।
সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এর পর আমি আমার কওমে ফিরে এলাম। তাদের বললামঃ তোমাদের কাছে তো কেবল সংকীর্ণতা ও খারাফ পরামর্শই পেলাম আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পেলাম উদারতা এবং বরকত ও শুভাশীষ। তোমাদের সাদকা সমূহ আমার কাছে দিয়ে দিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এর পর তারা আমার কাছে তা দিয়েদিল।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২০৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে সুলায়মান ইবন ইয়াসার কোন হাদীস সরাসরি সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে শুনেন নি। তিনি আরো বলেনঃ সালামা ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু সালামান ইবন সাখর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামেও কথিত। এ বিষয়ে খাওলা বিনত ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। খাওলা রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন আওস ইবন সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু এর স্ত্রী।
হাদিস নং: ৩৩০০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا عبيد الله الاشجعي، عن الثوري، عن عثمان بن المغيرة الثقفي، عن سالم بن ابي الجعد، عن علي بن علقمة الانماري، عن علي بن ابي طالب، قال لما نزلت : (يا ايها الذين امنوا اذا ناجيتم الرسول فقدموا بين يدى نجواكم صدقة ) . قال لي النبي صلى الله عليه وسلم " ما ترى دينارا " . قلت لا يطيقونه . قال " فنصف دينار " . قلت لا يطيقونه . قال " فكم " . قلت شعيرة . قال " انك لزهيد " . قال فنزلت : (ااشفقتم ان تقدموا بين يدى نجواكم صدقات ) الاية . قال فبي خفف الله عن هذه الامة . قال هذا حديث حسن غريب انما نعرفه من هذا الوجه . ومعنى قوله شعيرة يعني وزن شعيرة من ذهب وابو الجعد اسمه رافع .
৩৩০০. সুফয়ান ইবন ওয়াকী (রহঃ) .... আলী ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বললেনঃ যখন নাযিল হলঃ
يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نَاجَيْتُمُ الرَّسُولَ فَقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَىْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَةً
হে মুমিনগণ! তোমরা রাসূলের সঙ্গে চুপি চুপি কথা বলতে চাইলে সাদকা প্রধান করবে (সূরা মুজাদালা ৫৮ঃ ১২)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কি ভাবছ? এক দিনার করে দিতে পারবে? আমি বললামঃ এর ক্ষমতা নেই আমার।
তিনি বললেন তা হলে অর্ধ দীনার। আমি বললাম তাতেও আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন তবে কত পার? আমি বললাম একটা যব পরিমান পারি। তিনি বললেন তুমি তো খুব গরীব। তখন নাযিল হলঃ (أأَشْفَقْتُمْ أَنْ تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَىْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَاتٍ) - তোমরা কি চুপি চুপি কথা বলার পূর্বে সদকা প্রধানকে কষ্ট কর মনে কর? তোমরা যখন সাদকা দিতে পারলে না আর আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করে দিলেন। সুতারং তোমরা সালাত (নামায) আদায় কর। যাকাত দাও এবং আল্লাহ এবং তার রাসুলের অনুগত্য কর। তোমরা যা কর আল্লাহ তা সম্যক অবগত। (সূরা মুজাদালা ৫৮ঃ ১৩) আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমার কারনে আল্লাহ তায়ারা এই উম্মতকে এই বিধান সহজ করে দিলেন।
হাদীসটি হাসান-গরীব। এই সুত্রেই কেবল আমরা এই হাদীসটি জানি। ’’একটি যবের দানা’’ অর্থ হল যবের দানা পরিমান স্বর্ণ সদকা প্রধান করতে পারি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نَاجَيْتُمُ الرَّسُولَ فَقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَىْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَةً
হে মুমিনগণ! তোমরা রাসূলের সঙ্গে চুপি চুপি কথা বলতে চাইলে সাদকা প্রধান করবে (সূরা মুজাদালা ৫৮ঃ ১২)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কি ভাবছ? এক দিনার করে দিতে পারবে? আমি বললামঃ এর ক্ষমতা নেই আমার।
তিনি বললেন তা হলে অর্ধ দীনার। আমি বললাম তাতেও আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন তবে কত পার? আমি বললাম একটা যব পরিমান পারি। তিনি বললেন তুমি তো খুব গরীব। তখন নাযিল হলঃ (أأَشْفَقْتُمْ أَنْ تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَىْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَاتٍ) - তোমরা কি চুপি চুপি কথা বলার পূর্বে সদকা প্রধানকে কষ্ট কর মনে কর? তোমরা যখন সাদকা দিতে পারলে না আর আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করে দিলেন। সুতারং তোমরা সালাত (নামায) আদায় কর। যাকাত দাও এবং আল্লাহ এবং তার রাসুলের অনুগত্য কর। তোমরা যা কর আল্লাহ তা সম্যক অবগত। (সূরা মুজাদালা ৫৮ঃ ১৩) আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমার কারনে আল্লাহ তায়ারা এই উম্মতকে এই বিধান সহজ করে দিলেন।
হাদীসটি হাসান-গরীব। এই সুত্রেই কেবল আমরা এই হাদীসটি জানি। ’’একটি যবের দানা’’ অর্থ হল যবের দানা পরিমান স্বর্ণ সদকা প্রধান করতে পারি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس، عن شيبان، عن قتادة، حدثنا انس بن مالك، ان يهوديا، اتى على النبي صلى الله عليه وسلم واصحابه فقال السام عليكم فرد عليه القوم فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " هل تدرون ما قال هذا " . قالوا الله ورسوله اعلم سلم يا نبي الله . قال " لا ولكنه قال كذا وكذا ردوه على " . فردوه قال " قلت السام عليكم " . قال نعم . قال نبي الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك " اذا سلم عليكم احد من اهل الكتاب فقولوا عليك " . قال " عليك ما قلت " . قال : (واذا جاءوك حيوك بما لم يحيك به الله ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩০১. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক বার এক ইয়াহুদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীদের কছে এসে বললঃ আসসামু আলাইকুম (আস-সাম অর্থ মৃত্যু, ধ্বংস। কিন্তু ইহুদীটি এমন ভাবে এর উচ্ছারণ করলো যে, সাহাবীগন মনে করলেন সে বুঝি আসসালামু বলেছে) তারা এর জবাব দিলেন। নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ কি বলেছে তোমরা কি তা বুঝতে পেরেছ?
সাহাবীরা বলল আল্লাহ এবং তার রাসুলই ভাল জানেন। হে আল্লাহর নবী! এত সালাম করেছে। তিনি বললেন না সে ত অমুক কথা বলেছে। ইহুদীটিকে ফিরিয়ে নিয়ে এস। সাহাবীরা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুকি আমাদেরকে আসসামু আলাইকুম বলেছিলে?
সে বলল হ্যাঁ। তখন নবীজী (সঃ) বললেনঃ কোন কিতাবী ব্যক্তি (ইহুদী বা খৃষ্টান) যদি তোমাদের সালাম দেয় তবে তোমরা এর উত্তরে বলবেঃ ’আলাইকা মা কুলতাু’ তুমি যা বলেছ তাই তোমার উপর আপতিত হোক। আনন্তর তিনি পাঠ করলেনঃ
وإِذَا جَاءُوكَ حَيَّوْكَ بِمَا لَمْ يُحَيِّكَ بِهِ اللَّهُ
এরা যখন তোমাদের নিকট আসে তখন তারা তোমাকে এমন কথা দ্বারা আভিবাধন করে যাদ্বারা আল্লাহ তোমাকে আভিবাদন করেননি। তারা মনে মনে বলে আমরা যা বলি এর জন্য আল্লাহ আমাদের না জানি শাস্তি দিয়ে দেন। জাহান্নামই এদের যথাযোগ্য শাস্তি। যেখানে তারা প্রবেশ করবে। কত নিকৃষ্ট সেই আবাস। (সুরা মুজাদালা ৫৮ঃ ৮)।
সহীহ, ইরওয়া ৫/১১৭, মুসলিম আয়াতের উল্লেখ ব্যাতিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সাহাবীরা বলল আল্লাহ এবং তার রাসুলই ভাল জানেন। হে আল্লাহর নবী! এত সালাম করেছে। তিনি বললেন না সে ত অমুক কথা বলেছে। ইহুদীটিকে ফিরিয়ে নিয়ে এস। সাহাবীরা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুকি আমাদেরকে আসসামু আলাইকুম বলেছিলে?
সে বলল হ্যাঁ। তখন নবীজী (সঃ) বললেনঃ কোন কিতাবী ব্যক্তি (ইহুদী বা খৃষ্টান) যদি তোমাদের সালাম দেয় তবে তোমরা এর উত্তরে বলবেঃ ’আলাইকা মা কুলতাু’ তুমি যা বলেছ তাই তোমার উপর আপতিত হোক। আনন্তর তিনি পাঠ করলেনঃ
وإِذَا جَاءُوكَ حَيَّوْكَ بِمَا لَمْ يُحَيِّكَ بِهِ اللَّهُ
এরা যখন তোমাদের নিকট আসে তখন তারা তোমাকে এমন কথা দ্বারা আভিবাধন করে যাদ্বারা আল্লাহ তোমাকে আভিবাদন করেননি। তারা মনে মনে বলে আমরা যা বলি এর জন্য আল্লাহ আমাদের না জানি শাস্তি দিয়ে দেন। জাহান্নামই এদের যথাযোগ্য শাস্তি। যেখানে তারা প্রবেশ করবে। কত নিকৃষ্ট সেই আবাস। (সুরা মুজাদালা ৫৮ঃ ৮)।
সহীহ, ইরওয়া ৫/১১৭, মুসলিম আয়াতের উল্লেখ ব্যাতিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير وقطع وهي البويرة فانزل الله : (ما قطعتم من لينة او تركتموها قاىمة على اصولها فباذن الله وليخزي الفاسقين ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩০২. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানু নাযীর গোত্রের খর্জুর বাগানসমূহ কেটে ফেলেছিলেন এবং তা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। সে স্থানটি ছিল বুওয়ায়রা। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা নাযিল করেনঃ
ما قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللَّهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ
তোমরা যে খেজুর গাছগুলো কেটেছ এবং যে গুলো কান্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; তা এই জন্য যে,আল্লাহ পাপাচারীদেও লাঞ্চিত করেন। (সূরা হাশর ৫৯ঃ ৫)
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৪৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ما قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللَّهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ
তোমরা যে খেজুর গাছগুলো কেটেছ এবং যে গুলো কান্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; তা এই জন্য যে,আল্লাহ পাপাচারীদেও লাঞ্চিত করেন। (সূরা হাশর ৫৯ঃ ৫)
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৪৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا حبيب بن ابي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قول الله عز وجل : (ما قطعتم من لينة او تركتموها قاىمة على اصولها ) . قال اللينة النخلةيخزي الفاسقين ) قال استنزلوهم من حصونهم قال وامروا بقطع النخل فحك في صدورهم . فقال المسلمون قد قطعنا بعضا وتركنا بعضا فلنسالن رسول الله صلى الله عليه وسلم هل لنا فيما قطعنا من اجر وهل علينا فيما تركنا من وزر فانزل الله تعالى : (ما قطعتم من لينة او تركتموها قاىمة على اصولها ) . الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
وروى بعضهم، هذا الحديث عن حفص بن غياث، عن حبيب بن ابي عمرة، عن سعيد بن جبير، مرسلا ولم يذكر فيه عن ابن عباس، . حدثني بذلك عبد الله بن عبد الرحمن، حدثنا هارون بن معاوية، عن حفص بن غياث، عن حبيب بن ابي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا .
وروى بعضهم، هذا الحديث عن حفص بن غياث، عن حبيب بن ابي عمرة، عن سعيد بن جبير، مرسلا ولم يذكر فيه عن ابن عباس، . حدثني بذلك عبد الله بن عبد الرحمن، حدثنا هارون بن معاوية، عن حفص بن غياث، عن حبيب بن ابي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا .
৩৩০৩. হাসান ইবন মুহাম্মদ যা’ফরানী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেঃ (ما قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا) - তোমরা যে খেজুর বাগান গুলো কেটে ফেলেছ এবং যে গুলো কান্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ (সূরা হাশর ৫৯ঃ ৫) আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ (لِينَةٍ) অর্থ খেজুর গাছ। তা এ জন্য যে, আল্লাহ পাপাচারীদেও লাঞ্ছিত করবেন। (সূরা হাশর ৫৯ঃ ৫)
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তাদের (বনু নাযীর গোত্রের ইয়াহুদীদের) কেল্লা থেকে নেমে আসতে এবং আত্মসমর্পন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এতদুদ্দেশ্যে তাদের খেজুর গাছ গুলো কেটে ফেলতেও সাহাবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে তাদের মাঝে কিছু দ্বিধা সন্দেহের উদ্রেক হয়। সাহাবীগণের কেউ কেউ বললেনঃ আমরাতো কিছু খেজুর গাছ কেটে ফেলেছি আর কিছু রেখে দিয়েছি। এই বিষয়ে অবশ্যই রাসসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করব যে আমরা যেগুলো কেটেছি তাতে কি কোন ছাওয়াব পাব আর যেগুলো ছেড়ে রেখে দিয়েছি সেগুলোর জন্য কি আমাদেও কোন গুনাহ হবে? এতদপ্রসঙ্গে আল্লাহ তা’য়ালা নাযিল করলেনঃ
ما قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী এ হাদীসটি হাফস ইবন গিয়াছ ... হাবীব ইবন আবু আমরা ... সাঈদ ইবন জুবায়র (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। এতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উল্লেখ নেই। আবুদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) ... সাঈদ ইবন জুবায়র (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) এই হাদীসটি আমার নিকট থেকে শুনেছেন।
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তাদের (বনু নাযীর গোত্রের ইয়াহুদীদের) কেল্লা থেকে নেমে আসতে এবং আত্মসমর্পন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এতদুদ্দেশ্যে তাদের খেজুর গাছ গুলো কেটে ফেলতেও সাহাবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে তাদের মাঝে কিছু দ্বিধা সন্দেহের উদ্রেক হয়। সাহাবীগণের কেউ কেউ বললেনঃ আমরাতো কিছু খেজুর গাছ কেটে ফেলেছি আর কিছু রেখে দিয়েছি। এই বিষয়ে অবশ্যই রাসসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করব যে আমরা যেগুলো কেটেছি তাতে কি কোন ছাওয়াব পাব আর যেগুলো ছেড়ে রেখে দিয়েছি সেগুলোর জন্য কি আমাদেও কোন গুনাহ হবে? এতদপ্রসঙ্গে আল্লাহ তা’য়ালা নাযিল করলেনঃ
ما قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী এ হাদীসটি হাফস ইবন গিয়াছ ... হাবীব ইবন আবু আমরা ... সাঈদ ইবন জুবায়র (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। এতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উল্লেখ নেই। আবুদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) ... সাঈদ ইবন জুবায়র (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) এই হাদীসটি আমার নিকট থেকে শুনেছেন।
হাদিস নং: ৩৩০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن فضيل بن غزوان، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، ان رجلا، من الانصار بات به ضيف فلم يكن عنده الا قوته وقوت صبيانه فقال لامراته نومي الصبية واطفىي السراج وقربي للضيف ما عندك فنزلت هذه الاية : ( ويوثرون على انفسهم ولو كان بهم خصاصة ) هذا حديث حسن صحيح .
৩৩০৪. আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, জৈনক আনসারী ব্যক্তি রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কাছে এক বার এক মেহমান রাত কাটায়। আনসারী সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর কাছে নিজের এবং বাচ্চাদের ক্ষুন্নি নিবৃত্তির পরিমান খাদ্য ছাড়া আহার করার মত আর কিছু ছিল না। তাই তিনি তার স্ত্রীকে বললেন শিশুদের ঘুম পাড়িয়ে দাও বাতি নিভিয়ে তোমার কাছে যা আছে, মেহমানের সামনে হাজির করে দাও। এতদপ্রসঙ্গে আয়াত নাযিল হলঃ (ويؤْثِرُونَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ) - তারা নিজেদের উপর (আন্যের) প্রধান্য দেয় যদিও নিজেরা অভাবগ্রস্ত (সূরা হাশর ৫৯ঃ ৯)।
সহীহ, সহীহ হাদিস সিরিজ ৩২৭২, বুখারি ও মুসলিম আরো পুর্নাঙ্গরূপে বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, সহীহ হাদিস সিরিজ ৩২৭২, বুখারি ও মুসলিম আরো পুর্নাঙ্গরূপে বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن الحسن بن محمد، هو ابن الحنفية عن عبيد الله بن ابي رافع، قال سمعت علي بن ابي طالب، يقول بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم انا والزبير والمقداد بن الاسود فقال " انطلقوا حتى تاتوا روضة خاخ فان بها ظعينة معها كتاب فخذوه منها فاىتوني به " . فخرجنا تتعادى بنا خيلنا حتى اتينا الروضة فاذا نحن بالظعينة فقلنا اخرجي الكتاب . فقالت ما معي من كتاب . فقلنا لتخرجن الكتاب او لتلقين الثياب . قال فاخرجته من عقاصها . قال فاتينا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذا هو من حاطب بن ابي بلتعة الى ناس من المشركين بمكة يخبرهم ببعض امر النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ما هذا يا حاطب " . قال لا تعجل على يا رسول الله اني كنت امرا ملصقا في قريش ولم اكن من انفسها وكان من معك من المهاجرين لهم قرابات يحمون بها اهليهم واموالهم بمكة فاحببت اذ فاتني ذلك من نسب فيهم ان اتخذ فيهم يدا يحمون بها قرابتي وما فعلت ذلك كفرا ولا ارتدادا عن ديني ولا رضا بالكفر بعد الاسلام . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " صدق " . فقال عمر بن الخطاب رضى الله عنه دعني يا رسول الله اضرب عنق هذا المنافق . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " انه قد شهد بدرا فما يدريك لعل الله اطلع على اهل بدر فقال اعملوا ما شىتم فقد غفرت لكم " . قال وفيه انزلت هذه السورة : (يا ايها الذين امنوا لا تتخذوا عدوي وعدوكم اولياء ) السورة . قال عمرو وقد رايت ابن ابي رافع وكان كاتبا لعلي بن ابي طالب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفيه عن عمر وجابر بن عبد الله . وروى غير واحد عن سفيان بن عيينة هذا الحديث نحو هذا وذكروا هذا الحرف فقالوا لتخرجن الكتاب او لتلقين الثياب . وقد روي ايضا عن ابي عبد الرحمن السلمي عن علي نحو هذا الحديث . وذكر بعضهم فيه فقال لتخرجن الكتاب او لنجردنك .
৩৩০৫. ইবন আবু উমর (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবন আবু রাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি আলী ইবন আবু তালিবকে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এবং যুবায়র ও মিকদাদ ইবন আসওয়াদকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন। তিনি বললেন তোমরা "রওযা এ খাখ" নামক স্থানে যবে। সেখানে এক উষ্ট্রারহীনী মহীলা পাবে। তার কাছে একটি (গোপন) পত্র আছে। তা তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে আমার নিকট নিয়ে আসবে। আমরা বের হয়ে পড়লাম। এবং আমাদের ঘোড়া দ্রুত ছুটিয়ে রাওযা-এ-খাখে এসে সেখানে এক উষ্ট্রারহীনী মহিলা পেলাম। আমরা বললাম পত্রটি বের কর।
সে বলল আমার সাথে কোন চিঠি নেই। আমরা বললামঃ পত্রটি বের কর নয়তো কাপড় খুলে ফেলা হবে।
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ সে তার চুলের বেনীর ভিতর থেকে পত্রটি বের করে দিল। আমরা সেটি নিয়ে রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। দেখা গেল যে হাতিব ইবন আবূ বালতা’আ এর পক্ষ থেকে মক্কার কতিপয় মুশরিকের কাছে এটি লেখা হয়েছে এবং এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু বিশেষ বিষয় (মক্কা অভিযান) সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন হে হাতিব! এটা কি?
হাতিব বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার ক্ষেত্রে (ফায়সালা দিতে) ত্বরা করবেন না। আমি মূলত কুরায়শী নই। তাদের সঙ্গে সংযুক্ত এক ব্যক্তি মাত্র। আপনার সঙ্গে যে সকল মুহাজির রয়েছেন, তাদের সবারই কুরায়শদের নিকট আত্মিয়তার সম্পর্ক আছে। এ কারণে কুরায়শরা তাদের মক্কাস্থিত পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের হেফাজত করে থাকে। আমি চাইলাম তাদের সঙ্গে উক্ত সম্পর্ক না থাকায় যখন ঐ সুযোগ আমার নেই, তখন তাদের উপর একটা ইহসান ও দয়ার ব্যাবহার করে রাখি যাতে আমার আত্মীয়-পরিজনদের তারা হেফাযত করে। এ কাজটি আমি কুফরী এবং আমার ধর্মচ্যুতি কুফরীর প্রতি সন্তুষ্টির কারণে করিনি।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য কথা বলেছে। উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন আমাকে ছেড়ে (অনুমতি) দিন ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই মুনাফিকটির গর্দান উড়িয়ে দেই।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ (হাতিব) তো বদরে হাযির ছিল। তোমার কি জানা আছে সম্ভবত আল্লাহ তা’আলা বদরীদেও প্রতি নজর দিবেন এবং বলে দিবেন তোমরা যা ইচ্ছা করতে পার; তোমাদের আমি মাফ করে দিলাম। এ প্রসঙ্গে এ সূরাটি নাযিল হয়ঃ
يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ
হে মুমিনগণ! আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের বন্ধুরুপে গ্রহণ করবে না। (সূরা মুমতাহানা ৬০ঃ ১) বর্ণনানাকারী আমর (রহঃ) বলেনঃ আমি ইবন আবু রাফি’ (রহঃ)-কে দেখেছি। তিনি ছিলেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর লিপিকার।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৩৮১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয় উমার ও জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। একাধিক রাবী এই হাদীসটি সুফয়ান ইবন উরয়ায়না (রহঃ) এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তারা তাতে এ বাক্যটিরও উল্লেখ করেছেন (لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ) এটি আবু আবদুর রাজ্জাক সুলামী (রহঃ) সূত্রে আলী ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কোন রাবী এতে উল্লেখ করেছেনঃ (لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنُجَرِّدَنَّكِ)।
সে বলল আমার সাথে কোন চিঠি নেই। আমরা বললামঃ পত্রটি বের কর নয়তো কাপড় খুলে ফেলা হবে।
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ সে তার চুলের বেনীর ভিতর থেকে পত্রটি বের করে দিল। আমরা সেটি নিয়ে রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। দেখা গেল যে হাতিব ইবন আবূ বালতা’আ এর পক্ষ থেকে মক্কার কতিপয় মুশরিকের কাছে এটি লেখা হয়েছে এবং এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু বিশেষ বিষয় (মক্কা অভিযান) সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন হে হাতিব! এটা কি?
হাতিব বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার ক্ষেত্রে (ফায়সালা দিতে) ত্বরা করবেন না। আমি মূলত কুরায়শী নই। তাদের সঙ্গে সংযুক্ত এক ব্যক্তি মাত্র। আপনার সঙ্গে যে সকল মুহাজির রয়েছেন, তাদের সবারই কুরায়শদের নিকট আত্মিয়তার সম্পর্ক আছে। এ কারণে কুরায়শরা তাদের মক্কাস্থিত পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের হেফাজত করে থাকে। আমি চাইলাম তাদের সঙ্গে উক্ত সম্পর্ক না থাকায় যখন ঐ সুযোগ আমার নেই, তখন তাদের উপর একটা ইহসান ও দয়ার ব্যাবহার করে রাখি যাতে আমার আত্মীয়-পরিজনদের তারা হেফাযত করে। এ কাজটি আমি কুফরী এবং আমার ধর্মচ্যুতি কুফরীর প্রতি সন্তুষ্টির কারণে করিনি।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য কথা বলেছে। উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন আমাকে ছেড়ে (অনুমতি) দিন ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই মুনাফিকটির গর্দান উড়িয়ে দেই।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ (হাতিব) তো বদরে হাযির ছিল। তোমার কি জানা আছে সম্ভবত আল্লাহ তা’আলা বদরীদেও প্রতি নজর দিবেন এবং বলে দিবেন তোমরা যা ইচ্ছা করতে পার; তোমাদের আমি মাফ করে দিলাম। এ প্রসঙ্গে এ সূরাটি নাযিল হয়ঃ
يا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ
হে মুমিনগণ! আমার শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের বন্ধুরুপে গ্রহণ করবে না। (সূরা মুমতাহানা ৬০ঃ ১) বর্ণনানাকারী আমর (রহঃ) বলেনঃ আমি ইবন আবু রাফি’ (রহঃ)-কে দেখেছি। তিনি ছিলেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর লিপিকার।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৩৮১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয় উমার ও জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। একাধিক রাবী এই হাদীসটি সুফয়ান ইবন উরয়ায়না (রহঃ) এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তারা তাতে এ বাক্যটিরও উল্লেখ করেছেন (لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَتُلْقِيَنَّ الثِّيَابَ) এটি আবু আবদুর রাজ্জাক সুলামী (রহঃ) সূত্রে আলী ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কোন রাবী এতে উল্লেখ করেছেনঃ (لَتُخْرِجِنَّ الْكِتَابَ أَوْ لَنُجَرِّدَنَّكِ)।
হাদিস নং: ৩৩০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، قالت ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يمتحن الا بالاية التي قال الله : (اذا جاءك المومنات يبايعنك ) الاية .
قال معمر فاخبرني ابن طاوس، عن ابيه، قال ما مست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يد امراة الا امراة يملكها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
قال معمر فاخبرني ابن طاوس، عن ابيه، قال ما مست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يد امراة الا امراة يملكها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩০৬. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ (إذَا جَاءَكَ الْمُؤْمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ) যখন মুমিন নারীগণ আপনার কাছে বায়াত হতে আসে (সূরা মুমতাহানা ৬০ঃ ১২) আয়াতের বক্তব্যানুসারেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিক্ষা করতেন।
মা’মার (রহঃ) বলেনঃ আমাকে ইবন তাউস তার পিতা তাউস (রহঃ) এর বারাতে আবহিত করেছেন যে, নিজ কর্তৃত্বাধীন মহিলাদের ছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাত অন্য কোন মহিলার হাত স্পর্শ করে নি।
সহীহ, বুখারি ৪৮৯১, মুসলিম ৬/২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
মা’মার (রহঃ) বলেনঃ আমাকে ইবন তাউস তার পিতা তাউস (রহঃ) এর বারাতে আবহিত করেছেন যে, নিজ কর্তৃত্বাধীন মহিলাদের ছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাত অন্য কোন মহিলার হাত স্পর্শ করে নি।
সহীহ, বুখারি ৪৮৯১, মুসলিম ৬/২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩০৭
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا ابو نعيم، حدثنا يزيد بن عبد الله الشيباني، قال سمعت شهر بن حوشب، قال حدثتنا ام سلمة الانصارية، قالت قالت امراة من النسوة ما هذا المعروف الذي لا ينبغي لنا ان نعصيك فيه قال " لا تنحن " . قلت يا رسول الله ان بني فلان قد اسعدوني على عمي ولا بد لي من قضاىهن فابى على فعاتبته مرارا فاذن لي في قضاىهن فلم انح بعد على قضاىهن ولا غيره حتى الساعة ولم يبق من النسوة امراة الا وقد ناحت غيري . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وفيه عن ام عطية رضى الله عنها . قال عبد بن حميد ام سلمة الانصارية هي اسماء بنت يزيد بن السكن .
৩৩০৭. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) .... উম্মু সালামা আনসারীয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ জনৈকা মহিলা বললঃ আমাদের নাফরমানী করা উচিত নয় বলে যে সৎকাজ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সেই সৎকাজটি কি? নবীজী বললেনঃ তোমরা (মৃতের জন্য) বিলাপ করবে না।
আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! উমুক! গোত্রের মেয়েরা আমার চাচার (বিলাপের) ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করেছিল। আমাকেও তো তাদের এ কাজের বদলা দিতে হবে। কিন্তু নবীজী আমাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলেন। আমি বার বার তাকে অনুরোধ করতে থাকলে শেষে তিনি আমাকে এর বদলা দিতে অনুমতি দেন। সেই ব্যক্তির বদলা হয়ে যাওয়ার পর থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমি কারো জন্য আর বিলাপ করিনি। ঐ মহিলাদের মধ্যে আমি ছাড়া এমন কেউ ছিল না যে বিলাপ করেনি।
হাসান, তা’লীক আলা ইবনু মাজাহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এ বিষয়ে উম্মে আতিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে ও হাদীস বর্ণিত আছে। উম্মু সালামা আনসারীয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন আসমা বিনত ইয়াযীদ ইবন সাকান।
আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! উমুক! গোত্রের মেয়েরা আমার চাচার (বিলাপের) ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করেছিল। আমাকেও তো তাদের এ কাজের বদলা দিতে হবে। কিন্তু নবীজী আমাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলেন। আমি বার বার তাকে অনুরোধ করতে থাকলে শেষে তিনি আমাকে এর বদলা দিতে অনুমতি দেন। সেই ব্যক্তির বদলা হয়ে যাওয়ার পর থেকে এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমি কারো জন্য আর বিলাপ করিনি। ঐ মহিলাদের মধ্যে আমি ছাড়া এমন কেউ ছিল না যে বিলাপ করেনি।
হাসান, তা’লীক আলা ইবনু মাজাহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এ বিষয়ে উম্মে আতিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে ও হাদীস বর্ণিত আছে। উম্মু সালামা আনসারীয়্যাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন আসমা বিনত ইয়াযীদ ইবন সাকান।
হাদিস নং: ৩৩০৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سلمة بن شبيب، حدثنا محمد بن يوسف الفريابي، حدثنا قيس بن الربيع، عن الاغر بن الصباح، عن خليفة بن حصين، عن ابي نصر، عن ابن عباس، في قوله تعالى : ( اذا جاءكم المومنات مهاجرات فامتحنوهن ) قال كانت المراة اذا جاءت النبي صلى الله عليه وسلم لتسلم حلفها بالله ما خرجت من بغض زوجي ما خرجت الا حبا لله ولرسوله . قال ابو عيسى هذا حديث غريب .
৩৩০৮. সালামা ইবন শাবীর (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহ তা’য়ালার বাণীঃ (إذَا جَاءَكُمُ الْمُؤْمِنَاتُ مُهَاجِرَاتٍ فَامْتَحِنُوهُنَّ) - প্রসঙ্গে বলেনঃ ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশ্যে যে সকল মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসতেন, তিনি তাদের আল্লাহর নামে শপথ করাতেন যে, আমি আমার স্বামীর প্রতি বিদ্বেষবশতঃ বের হইনি। আমি আল্লাহ ও তার রাসূলের প্রতি ভালবাসা ব্যতীত আর কোন উদ্দেশ্যে বের হইনি।
যঈফ, বিচ্ছিন্ন, ইতহাফুল খাইরাহ আল মাহরাহ ৮/১৭৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গারীব।
যঈফ, বিচ্ছিন্ন, ইতহাফুল খাইরাহ আল মাহরাহ ৮/১৭৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গারীব।
হাদিস নং: ৩৩০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا محمد بن كثير، عن الاوزاعي، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن عبد الله بن سلام، قال قعدنا نفر من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فتذاكرنا فقلنا لو نعلم اى الاعمال احب الى الله لعملناه فانزل الله تعالى : ( سبح لله ما في السموات وما في الارض وهو العزيز الحكيم * يا ايها الذين امنوا لم تقولون ما لا تفعلون ) قال عبد الله بن سلام فقراها علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ابو سلمة فقراها علينا ابن سلام . قال يحيى فقراها علينا ابو سلمة . قال ابن كثير فقراها علينا الاوزاعي . قال عبد الله فقراها علينا ابن كثير . قال ابو عيسى وقد خولف محمد بن كثير في اسناد هذا الحديث عن الاوزاعي . وروى ابن المبارك عن الاوزاعي عن يحيى بن ابي كثير عن هلال بن ابي ميمونة عن عطاء بن يسار عن عبد الله بن سلام او عن ابي سلمة عن عبد الله بن سلام . وروى الوليد بن مسلم هذا الحديث عن الاوزاعي نحو رواية محمد بن كثير .
৩৩০৯. আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতিপয় সাহাবী একবার এক সঙ্গে বসে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করলাম। আমরা বললাম আল্লহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কোনটি তা যদি জানতে পারতাম তবে তা আমরা করতাম। তখন আল্লাহ তা’য়ালা নাযিল করেনঃ
سبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ * يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لاَ تَفْعَلُونَ
আকাশমন্ডলি ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর প্রবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। হে মু’মিনগন তোমরা যা করো না, তা তোমরা বলো কেন? (সূরা সাফফ ৬১ঃ ১-২)
আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়াতগুলো আমাদের পাঠ করে শুনান। আবু সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন আবু সালামা (রহঃ) আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। ইবন আছির (রহঃ) বলেন আওযাঈ (রহঃ) আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন কাছীর (রহঃ) আমাদের তা পাঠ করে শুনিয়েছেন।
আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে এই হাদীসটির সনদে মুহাম্মদ ইবন কাছীরের বৈপরীত্য রয়েছে। আওযাঈ ইয়াহইয়া ইবন আবু কাছীর-হিলাল ইবন মায়মুনা-আতা ইবন ইয়াসার কিংবা আবু সালামা আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে ইবন মুবারক বর্ণনা করেছেন। ওয়ালীদ ইবন মুসলিম (রহঃ) এই হাদীসটি আওযাঈ (রহঃ) এর বারাতে মুহাম্মদ ইবন কাছীর (রহঃ) এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
سبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ * يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لاَ تَفْعَلُونَ
আকাশমন্ডলি ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর প্রবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। হে মু’মিনগন তোমরা যা করো না, তা তোমরা বলো কেন? (সূরা সাফফ ৬১ঃ ১-২)
আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়াতগুলো আমাদের পাঠ করে শুনান। আবু সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন আবু সালামা (রহঃ) আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। ইবন আছির (রহঃ) বলেন আওযাঈ (রহঃ) আমাদেরকে তা পাঠ করে শুনিয়েছেন। আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন কাছীর (রহঃ) আমাদের তা পাঠ করে শুনিয়েছেন।
আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে এই হাদীসটির সনদে মুহাম্মদ ইবন কাছীরের বৈপরীত্য রয়েছে। আওযাঈ ইয়াহইয়া ইবন আবু কাছীর-হিলাল ইবন মায়মুনা-আতা ইবন ইয়াসার কিংবা আবু সালামা আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে ইবন মুবারক বর্ণনা করেছেন। ওয়ালীদ ইবন মুসলিম (রহঃ) এই হাদীসটি আওযাঈ (রহঃ) এর বারাতে মুহাম্মদ ইবন কাছীর (রহঃ) এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]