হাদিস নং: ৩২৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا عبد الله بن جعفر، حدثنا عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس يوم فتح مكة فقال " يا ايها الناس ان الله قد اذهب عنكم عبية الجاهلية وتعاظمها باباىها فالناس رجلان رجل بر تقي كريم على الله وفاجر شقي هين على الله والناس بنو ادم وخلق الله ادم من تراب " . قال الله : ( يا ايها الناس انا خلقناكم من ذكر وانثى وجعلناكم شعوبا وقباىل لتعارفوا ان اكرمكم عند الله اتقاكم ان الله عليم خبير ) . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث عبد الله بن دينار عن ابن عمر الا من هذا الوجه . وعبد الله بن جعفر يضعف ضعفه يحيى بن معين وغيره وعبد الله بن جعفر هو والد علي بن المديني . قال وفي الباب عن ابي هريرة وعبد الله بن عباس .
৩২৭০. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। বললেনঃ হে লোক সকল! আল্লাহ্ তা’আলা জাহিলী যুগের অন্ধ অহমিকা এবং পিতৃপুরুষদের নিয়ে গর্ব করার প্রথা ধূলিসাৎ করে দিয়েছেন। মানুষ হল দু’ধরনের। এক প্রকার হল সৎ, পরহেযগার এবং আল্লাহর নিকট মর্যাদাবান। আরেক প্রকার হল অসৎ, বদবখত এবং আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট। মানুষ হল আদম-এর সন্তান। আল্লাহ্ তা’আলা আদমকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ
يا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ
হে মানুষ, আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে, পরে তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে। যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট অধিক মর্যাদাবান যে অধিক মুত্তাকী। আল্লাহ্ সবকিছু জানেন। সব খবর রাখেন (সূরা হুজুরাত ৪৮ঃ ১৩)।
সহীহ, সহীহাহ ২৭০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার-ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সনদে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবদুল্লাহ্ ইবন জা’ফর যঈফ। ইয়াহ্ইয়া ইবন মাঈন প্রমুখ (রহঃ) তাকে যঈফ বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইনি হলেন আলী ইবন মাদীনী (রহঃ)-এর পিতা। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
يا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ
হে মানুষ, আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে, পরে তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে। যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট অধিক মর্যাদাবান যে অধিক মুত্তাকী। আল্লাহ্ সবকিছু জানেন। সব খবর রাখেন (সূরা হুজুরাত ৪৮ঃ ১৩)।
সহীহ, সহীহাহ ২৭০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার-ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সনদে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবদুল্লাহ্ ইবন জা’ফর যঈফ। ইয়াহ্ইয়া ইবন মাঈন প্রমুখ (রহঃ) তাকে যঈফ বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইনি হলেন আলী ইবন মাদীনী (রহঃ)-এর পিতা। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩২৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا الفضل بن سهل الاعرج البغدادي، وغير، واحد، قالوا حدثنا يونس بن محمد، عن سلام بن ابي مطيع، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الحسب المال والكرم التقوى " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من حديث سمرة . لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث سلام بن ابي مطيع وهو ثقة .
৩২৭১. ফাযল ইবন সাহল বাগদাদী আ’রাজ প্রমুখ (রহঃ) ...... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কুলীনত্ব হল বিত্ত-বৈভবের নাম আর মান-মর্যাদা হল তাকওয়ার নাম।
সহীহ, ইরওয়া ১৮৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সামূরা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ। সাল্লাম ইবন আবূ মুতী (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
সহীহ, ইরওয়া ১৮৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সামূরা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ। সাল্লাম ইবন আবূ মুতী (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩২৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، حدثنا انس بن مالك، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تزال جهنم تقول هل من مزيد حتى يضع فيها رب العزة قدمه فتقول قط قط وعزتك ويزوى بعضها الى بعض " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وفيه عن ابي هريرة .
৩২৭২. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নাম বলতে থাকবে, আরো আছে কি? শেষে সুমহান রব তাঁর পা তাতে স্থাপন করবেন। সে তখন বলবেঃ কাত্ কাত্, হয়েছে হয়েছে। তোমার ইযযতের কসম, হয়েছে। তার একাংশ অন্যাংশের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যাবে।
সহীহ, যিলালুল জান্নত ৫৩১,৫৩৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই সূত্রে গারীব। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, যিলালুল জান্নত ৫৩১,৫৩৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই সূত্রে গারীব। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩২৭৩
হাসান (Hasan)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سلام، عن عاصم بن ابي النجود، عن ابي واىل، عن رجل، من ربيعة قال قدمت المدينة فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت عنده وافد عاد فقلت اعوذ بالله ان اكون مثل وافد عاد . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما وافد عاد " . قال فقلت على الخبير سقطت ان عادا لما اقحطت بعثت قيلا فنزل على بكر بن معاوية فسقاه الخمر وغنته الجرادتان ثم خرج يريد جبال مهرة فقال اللهم اني لم اتك لمريض فاداويه ولا لاسير فافاديه فاسق عبدك ما كنت مسقيه واسق معه بكر بن معاوية . يشكر له الخمر الذي سقاه فرفع له سحابات فقيل له اختر احداهن فاختار السوداء منهن فقيل له خذها رمادا رمددا لا تذر من عاد احدا وذكر انه لم يرسل عليهم من الريح الا قدر هذه الحلقة يعني حلقة الخاتم . ثم قرا : (اذ ارسلنا عليهم الريح العقيم * ما تذر من شيء اتت عليه الا جعلته كالرميم ) الاية . قال ابو عيسى وقد روى غير واحد هذا الحديث عن سلام ابي المنذر عن عاصم بن ابي النجود عن ابي واىل عن الحارث بن حسان ويقال له الحارث بن يزيد .
৩২৭৩. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ...... রাবীআ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তাঁর কাছে আদ জাতির প্রতিনিধির কথা আলোচনা করা হয়। আমি বললামঃ আদ প্রতিনিধির মত হওয়া থেকে আমি আল্লাহর পানাহ চাই। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আদ প্রতিনিধির বিষয়টি কি?
আমি বললামঃ অবহিত একজনের কাছেই জিজ্ঞাসা করেছেন। আদ জাতি যখন অনাবৃষ্টিতে নিপতিত হল তখন তারা কায়লকে তাদের প্রতিনিধি হিসাবে (মক্কায় প্রার্থনার জন্য) প্রেরণ করে। সে মক্কার বকর ইবন মুআবিয়ার আতিথ্য গ্রহণ করে। বকর তাকে মদ পান করায় এবং জারাদা নমের দুই গায়িকা তাদের গান গেয়ে শোনায়। পরে সে মাহরা পাহাড়ের দিকে রওয়ানা দেয় সেখানে গিয়ে সে বললঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কোন অসুস্থ ব্যক্তির বিষয়ে আসিনি যে তাকে চিকিৎসা করাব, কোন বন্দীর বিষয়ে আসিনি যে তার মুক্তপণের ব্যবস্থা করব। আপনার বান্দাদের পানি বর্ষণ করুন, যাদের আপনি পানি সিঞ্চন করছেন না।
মদ্য পান করানোর জন্য বকর ইবন ওয়াইলের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বললঃ এতদসঙ্গে বকর ইবন ওয়াইলের জন্যও পানি বর্ণন করুন। আকাশে বহু মেঘ দেখা দিল। বলা হলঃ এগুলোর একটিকে গ্রহণ কর। সে নিকষ কাল একটি মেঘ গ্রহণ করল। বলা হলঃ বিচূর্ণ ভস্ম নাও। আদ জাতির আর কাউকে ছাড়বে না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখ করেছেন যে, এই আংটিটির পরিমাণ বায়ূ তাদের বিরুদ্ধে প্রেরিত হয়েছিল। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ
إذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيحَ الْعَقِيمَ * مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلاَّ جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ
যখন আমি তাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করলাম অকল্যাণকর বায়ূ। যা কিছুর উপর দিয়ে তা প্রবাহিত হল তা সব কিছূই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল (সূরা যারিয়াত ৫১ঃ৪১-৪২)।
হাসান, যঈফ হাদিস সিরিজ হাঃ ১২২৮ এর একাংশ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী এই হাদীসটিকে সালাম আবুল মুনযির-আসিম ইবন আবূ নাজুদ-আবূ ওয়াইল-হারিস ইবন হাসসান (হারিছ ইবন ইয়াযীদ নামেও কথিত) রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
আমি বললামঃ অবহিত একজনের কাছেই জিজ্ঞাসা করেছেন। আদ জাতি যখন অনাবৃষ্টিতে নিপতিত হল তখন তারা কায়লকে তাদের প্রতিনিধি হিসাবে (মক্কায় প্রার্থনার জন্য) প্রেরণ করে। সে মক্কার বকর ইবন মুআবিয়ার আতিথ্য গ্রহণ করে। বকর তাকে মদ পান করায় এবং জারাদা নমের দুই গায়িকা তাদের গান গেয়ে শোনায়। পরে সে মাহরা পাহাড়ের দিকে রওয়ানা দেয় সেখানে গিয়ে সে বললঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কোন অসুস্থ ব্যক্তির বিষয়ে আসিনি যে তাকে চিকিৎসা করাব, কোন বন্দীর বিষয়ে আসিনি যে তার মুক্তপণের ব্যবস্থা করব। আপনার বান্দাদের পানি বর্ষণ করুন, যাদের আপনি পানি সিঞ্চন করছেন না।
মদ্য পান করানোর জন্য বকর ইবন ওয়াইলের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বললঃ এতদসঙ্গে বকর ইবন ওয়াইলের জন্যও পানি বর্ণন করুন। আকাশে বহু মেঘ দেখা দিল। বলা হলঃ এগুলোর একটিকে গ্রহণ কর। সে নিকষ কাল একটি মেঘ গ্রহণ করল। বলা হলঃ বিচূর্ণ ভস্ম নাও। আদ জাতির আর কাউকে ছাড়বে না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখ করেছেন যে, এই আংটিটির পরিমাণ বায়ূ তাদের বিরুদ্ধে প্রেরিত হয়েছিল। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ
إذْ أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الرِّيحَ الْعَقِيمَ * مَا تَذَرُ مِنْ شَيْءٍ أَتَتْ عَلَيْهِ إِلاَّ جَعَلَتْهُ كَالرَّمِيمِ
যখন আমি তাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করলাম অকল্যাণকর বায়ূ। যা কিছুর উপর দিয়ে তা প্রবাহিত হল তা সব কিছূই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল (সূরা যারিয়াত ৫১ঃ৪১-৪২)।
হাসান, যঈফ হাদিস সিরিজ হাঃ ১২২৮ এর একাংশ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী এই হাদীসটিকে সালাম আবুল মুনযির-আসিম ইবন আবূ নাজুদ-আবূ ওয়াইল-হারিস ইবন হাসসান (হারিছ ইবন ইয়াযীদ নামেও কথিত) রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩২৭৪
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا زيد بن حباب، حدثنا سلام بن سليمان النحوي ابو المنذر، حدثنا عاصم بن ابي النجود، عن ابي واىل، عن الحارث بن يزيد البكري، قال قدمت المدينة فدخلت المسجد فاذا هو غاص بالناس واذا رايات سود تخفق واذا بلال متقلد السيف بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت ما شان الناس قالوا يريد ان يبعث عمرو بن العاص وجها فذكر الحديث بطوله نحوا من حديث سفيان بن عيينة بمعناه . قال ويقال له الحارث بن حسان ايضا .
৩২৭৪. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... হারিছ ইবন ইয়াযীদ বাকরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনায় এসে মসজিদে নববীতে গেলাম। দেখলাম মসজিদটি লোকে পরিপূর্ণ। কাল রঙ্গের বহু পতাকা পত পত করছে। বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু-কেও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে তরবারি সজ্জিত দেখতে পেলাম। আমি বললামঃ লোকদের কি বিষয়? লোকেরা বললঃ নবীজী আমর ইবন আসকে এক অভিযানে প্রেরণের ইচ্ছা করেছেন। এরপর রাবী সুফইয়ান ইবন উয়ায়না (রহঃ) বর্ণিত হাদীছের মর্মে (৩২৭৩ নং) পূর্ণ হাদীটির উল্লেখ করেন।
(আবু ঈসা বলেন)হারিছ ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হারিছ ইবন হাসসান নামেও কথিত আছেন।
হাসান, দেখুন পূর্বের হাদীস, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ [আল মাদানী প্রকাশনী],
(আবু ঈসা বলেন)হারিছ ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হারিছ ইবন হাসসান নামেও কথিত আছেন।
হাসান, দেখুন পূর্বের হাদীস, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ [আল মাদানী প্রকাশনী],
হাদিস নং: ৩২৭৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو هشام الرفاعي، حدثنا محمد بن فضيل، عن رشدين بن كريب، عن ابيه، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ادبار النجوم الركعتان قبل الفجر وادبار السجود الركعتان بعد المغرب " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا الا من هذا الوجه من حديث محمد بن فضيل عن رشدين بن كريب . قال ابو عيسى وسالت محمد بن اسماعيل عن محمد ورشدين ابنى كريب ايهما اوثق قال ما اقربهما ومحمد عندي ارجح . قال وسالت عبد الله بن عبد الرحمن عن هذا فقال ما اقربهما عندي ورشدين بن كريب ارجحهما عندي . قال والقول عندي ما قال ابو محمد ورشدين ارجح من محمد واقدم وقد ادرك رشدين ابن عباس وراه .
৩২৭৫. আবূ হিশাম রিফাঈ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
إِدْبَارُ النُّجُومِ الرَّكْعَتَانِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَإِدْبَارُ السُّجُودِ الرَّكْعَتَانِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ
তার পবিত্রতা ঘোষণা কর রাত্রিকালে এবং তারকার অস্তগমনের পরও (সূরা তূর ৫২ঃ ৪৯) হল ফজরের পূর্বের দু’রাকআত সুন্নাত। আর ...... সালাতের পরও (সূরা কাফ ৫০ঃ ৪০) হল বাদ মাগরিব দু’রাকআত সুন্নাত।
যঈফ, যঈফা ২১৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। মুহাম্মাদ ইবন ফুযায়ল-রিশদ্বীন ইবন কুরায়ব (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি মারফূ’ বলে আমাদের জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কুরায়ব-এর দুই পুত্র মুহাম্মাদ এবং রিশদীনের মাঝে অধিকতর আস্থাযোগ্য কোনজন?
তিনি বললেনঃ এরা কতই না পরস্পর সন্নিকট, তবে আমার মতে মুহাম্মাদ অধিক নির্ভরযোগ্য। এই বিষয়ে আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ)-কেও আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ এরা পরস্পর কতই না সন্নিকট। তবে আমার দৃষ্টিতে তাদের মাঝে রিশদ্বীন ইবন কুরায়ব (রহঃ) অধিকতর নির্ভরযোগ্য।
আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আবূ মুহাম্মাদ দারিমী যে মত ব্যক্ত করেছে সেটিই ঠিক। মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর তুলনায় রিশদ্বীন (রহঃ) অধিকতর আস্থাযোগ্য। রিশদ্বীন (রহঃ) ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে পেয়েছেন এবং তাকে দেখেছেন।
إِدْبَارُ النُّجُومِ الرَّكْعَتَانِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَإِدْبَارُ السُّجُودِ الرَّكْعَتَانِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ
তার পবিত্রতা ঘোষণা কর রাত্রিকালে এবং তারকার অস্তগমনের পরও (সূরা তূর ৫২ঃ ৪৯) হল ফজরের পূর্বের দু’রাকআত সুন্নাত। আর ...... সালাতের পরও (সূরা কাফ ৫০ঃ ৪০) হল বাদ মাগরিব দু’রাকআত সুন্নাত।
যঈফ, যঈফা ২১৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। মুহাম্মাদ ইবন ফুযায়ল-রিশদ্বীন ইবন কুরায়ব (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি মারফূ’ বলে আমাদের জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কুরায়ব-এর দুই পুত্র মুহাম্মাদ এবং রিশদীনের মাঝে অধিকতর আস্থাযোগ্য কোনজন?
তিনি বললেনঃ এরা কতই না পরস্পর সন্নিকট, তবে আমার মতে মুহাম্মাদ অধিক নির্ভরযোগ্য। এই বিষয়ে আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ)-কেও আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ এরা পরস্পর কতই না সন্নিকট। তবে আমার দৃষ্টিতে তাদের মাঝে রিশদ্বীন ইবন কুরায়ব (রহঃ) অধিকতর নির্ভরযোগ্য।
আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আবূ মুহাম্মাদ দারিমী যে মত ব্যক্ত করেছে সেটিই ঠিক। মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর তুলনায় রিশদ্বীন (রহঃ) অধিকতর আস্থাযোগ্য। রিশদ্বীন (রহঃ) ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে পেয়েছেন এবং তাকে দেখেছেন।
হাদিস নং: ৩২৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن مرة، عن عبد الله، قال لما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم سدرة المنتهى قال " انتهى اليها ما يعرج من الارض وما ينزل من فوق . قال فاعطاه الله عندها ثلاثا لم يعطهن نبيا كان قبله فرضت عليه الصلاة خمسا واعطي خواتم سورة البقرة وغفر لامته المقحمات ما لم يشركوا بالله شيىا " . قال ابن مسعود : ( اذ يغشى السدرة ما يغشى ) قال السدرة في السماء السادسة . قال سفيان فراش من ذهب واشار سفيان بيده فارعدها وقال غير مالك بن مغول اليها ينتهي علم الخلق لا علم لهم بما فوق ذلك . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৭৬. ইবন আবু উমর (রহঃ) ...... ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মি’রাজের সময়) সিদরাতুল মুন্তাহায় গিয়ে পৌছলে তাঁকে আল্লাহ্ তা’আলা সেখানে এমন তিনটি জিনিস দান করলেন যা তাঁর পূর্বের আর কোন নবীকে তিনি দেননি। সিদরাতুল মুন্তাহা হল এমন একটি স্থান যেখানে পৃথিবীর যা কিছু আছে তা সেখানে উত্থিত হয় আর ঊর্ধলোকে যা আছে তা অবতারিত হয় সে তিনটি জিনিস হলঃ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায) ফরয করা হল, সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলো দেওয়া হল তাঁকে আর আল্লাহর সঙ্গে শিরক না করা পর্যন্ত তাঁর উম্মতের বড় বড় গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হল। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু (إذْ يَغْشَى السِّدْرَةَ مَا يَغْشَى) - যখন বৃক্ষটি যদ্ধারা আচ্ছদিত হওয়ার তদ্বারা ছিল আচ্ছাদিত ( সূরা নাজম ৫৩ঃ ১৬) প্রসঙ্গে বলেনঃ সিদরা বৃক্ষটি হল ষষ্ঠ আকাশে।
সুফইয়ান (রহঃ) তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে তা নাড়িয়ে বললেনঃ (বৃক্ষটিকে আচ্ছাদিত করে আছে) স্বর্ণ পতঙ্গ। রাবী মালিক ইবন মিগওয়াল (রহঃ) ব্যতীত অন্যান্যরা বলেনঃ সিদরা পর্যন্ত গিয়েই শেষ হয়ে যায় সৃষ্টির জ্ঞান। এর ঊর্ধলোকের জ্ঞান তাদের নেই।
সহীহ, মুসলিম ১/১০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সুফইয়ান (রহঃ) তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে তা নাড়িয়ে বললেনঃ (বৃক্ষটিকে আচ্ছাদিত করে আছে) স্বর্ণ পতঙ্গ। রাবী মালিক ইবন মিগওয়াল (রহঃ) ব্যতীত অন্যান্যরা বলেনঃ সিদরা পর্যন্ত গিয়েই শেষ হয়ে যায় সৃষ্টির জ্ঞান। এর ঊর্ধলোকের জ্ঞান তাদের নেই।
সহীহ, মুসলিম ১/১০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৭৭
সহিহ (Sahih)
اخبرنا احمد بن منيع، حدثنا عباد بن العوام، حدثنا الشيباني، قال سالت زر بن حبيش عن قوله : (فكان قاب قوسين او ادنى ) فقال اخبرني ابن مسعود، ان النبي صلى الله عليه وسلم راى جبريل وله ستماىة جناح . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح .
৩২৭৭. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... শায়বানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (فكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى) - তাদের মাঝে দুই ধনুকের ব্যবধান রইল বা আরো কম (সূরা নাজম ৫৩ঃ ৮) আয়াতটি প্রসঙ্গে যিরর ইবন হুবায়শ (রহঃ)-কে জিজ্ঞসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে অবহিত করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন। তাঁর পাখা হল ছয়শ’।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩২৭৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن مجالد، عن الشعبي، قال لقي ابن عباس كعبا بعرفة فساله عن شيء، فكبر حتى جاوبته الجبال فقال ابن عباس انا بنو هاشم . فقال كعب ان الله قسم رويته وكلامه بين محمد وموسى فكلم موسى مرتين وراه محمد مرتين . قال مسروق فدخلت على عاىشة فقلت هل راى محمد ربه فقالت لقد تكلمت بشيء قف له شعري قلت رويدا ثم قرات : (لقد راى من ايات ربه الكبرى ) قالت اين يذهب بك انما هو جبريل من اخبرك ان محمدا راى ربه او كتم شيىا مما امر به او يعلم الخمس التي قال الله تعالى : ( ان الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ) فقد اعظم الفرية ولكنه راى جبريل لم يره في صورته الا مرتين مرة عند سدرة المنتهى ومرة في جياد له ستماىة جناح قد سد الافق . قال ابو عيسى وقد روى داود بن ابي هند عن الشعبي عن مسروق عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث وحديث داود اقصر من حديث مجالد .
৩২৭৮. ইবন আবূ উমর (রহঃ)..... শাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আরাফায় ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে কা’ব আহবার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ হয়। তিনি কা’বকে একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলে কা’ব (এত জোরে) তাকবীর ধ্বনি দেন যে, পাহাড়ে পাহাড়ে তা প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠে। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমরা বানূ হাশিম।
কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর দর্শন ও কথন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মূসা (আঃ)-এর মাঝে বন্টন করে দিয়েছেন। মূসা (আঃ) তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন দু’বার আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দেখেছেন দু’বার।
মাসরূক (রহঃ) বলেনঃ আমি পরে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর কাছে গেলাম। তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাঁর রবকে দেখেছেন?
তিনি বললেনঃ তুমি এমন এক কথা উচ্চারণ করেছ যে ভয়ে আমার লোম খাড়া হয়ে গেছে। আমি বললামঃ একটু ধীরে আম্মাজান। এরপর আমি পাঠ করলামঃ (لقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى) তিনি তো তাঁর রবের মহান নিদর্শনাবলী দেখেছেন (সূরা আন-নাজম ৫৩ঃ ১৮)। তিনি বললেনঃ (আসল মর্ম ফেলে) কোথায় নিয়ে চলল তোমাকে? (তিনি যাঁকে দেখেছেন) ইতি তো হলেন জিবরীল। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রবকে দেখেছেন বা তাঁকে যে সব বিষয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সে সবের কোন কিছু গোপন করে রেখেছেন বা (إنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ) আল্লাহর কাছেই রয়েছে কিয়ামতের জ্ঞান (সূরা লুকমান ৩১ঃ ৩৪)। আয়াতে যে পাঁচটি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে সে পাঁচটি বিষয় তিনি জানেন বলে কেউ যদি তোমাকে খবর দেয় তবে সে আল্লাহর উপর ভীষণ অপবাদ দিল। আসলে তিনি জিবরীলকে দেখেছেন। কেবল মাত্র দু’বারই তিনি তাঁকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেছিলেন। একবার সিদরাতুল মুন্তাহার কাছে। আরেকবার (মক্কার) জিয়াদ উপত্যকায়। ছয় শ, পাখা আছে তাঁর। দিগন্ত ভরাট হয়ে গিয়েছিল তখন।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
দাঊদ ইবন আবূ হিন্দ (রহঃ) শা’বী-মাসরূক ... আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটির অনুরূপ মর্মে রিওয়ায়ত করেছেন। দাঊদ (রহঃ) বর্ণিত হাদিসটি মুজালিদ (রহঃ) বর্ণিত অপেক্ষা সংক্ষিপ্ততর।
কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর দর্শন ও কথন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মূসা (আঃ)-এর মাঝে বন্টন করে দিয়েছেন। মূসা (আঃ) তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন দু’বার আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে দেখেছেন দু’বার।
মাসরূক (রহঃ) বলেনঃ আমি পরে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর কাছে গেলাম। তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাঁর রবকে দেখেছেন?
তিনি বললেনঃ তুমি এমন এক কথা উচ্চারণ করেছ যে ভয়ে আমার লোম খাড়া হয়ে গেছে। আমি বললামঃ একটু ধীরে আম্মাজান। এরপর আমি পাঠ করলামঃ (لقَدْ رَأَى مِنْ آيَاتِ رَبِّهِ الْكُبْرَى) তিনি তো তাঁর রবের মহান নিদর্শনাবলী দেখেছেন (সূরা আন-নাজম ৫৩ঃ ১৮)। তিনি বললেনঃ (আসল মর্ম ফেলে) কোথায় নিয়ে চলল তোমাকে? (তিনি যাঁকে দেখেছেন) ইতি তো হলেন জিবরীল। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রবকে দেখেছেন বা তাঁকে যে সব বিষয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সে সবের কোন কিছু গোপন করে রেখেছেন বা (إنَّ اللَّهَ عِنْدَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ) আল্লাহর কাছেই রয়েছে কিয়ামতের জ্ঞান (সূরা লুকমান ৩১ঃ ৩৪)। আয়াতে যে পাঁচটি বিষয়ের কথা বলা হয়েছে সে পাঁচটি বিষয় তিনি জানেন বলে কেউ যদি তোমাকে খবর দেয় তবে সে আল্লাহর উপর ভীষণ অপবাদ দিল। আসলে তিনি জিবরীলকে দেখেছেন। কেবল মাত্র দু’বারই তিনি তাঁকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেছিলেন। একবার সিদরাতুল মুন্তাহার কাছে। আরেকবার (মক্কার) জিয়াদ উপত্যকায়। ছয় শ, পাখা আছে তাঁর। দিগন্ত ভরাট হয়ে গিয়েছিল তখন।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
দাঊদ ইবন আবূ হিন্দ (রহঃ) শা’বী-মাসরূক ... আইশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটির অনুরূপ মর্মে রিওয়ায়ত করেছেন। দাঊদ (রহঃ) বর্ণিত হাদিসটি মুজালিদ (রহঃ) বর্ণিত অপেক্ষা সংক্ষিপ্ততর।
নোট: [হাদিসটি কা'ব ইবনু আব্বাসের ঘটনা ব্যাতিত নাসায়ী সংখিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।]
হাদিস নং: ৩২৭৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن عمرو بن نبهان بن صفوان البصري الثقفي، حدثنا يحيى بن كثير العنبري ابو غسان، حدثنا سلم بن جعفر، عن الحكم بن ابان، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال راى محمد ربه . قلت اليس الله يقول : ( لا تدركه الابصار وهو يدرك الابصار ) قال ويحك ذاك اذا تجلى بنوره الذي هو نوره وقد راى محمد ربه مرتين . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
৩২৭৯. মুহাম্মাদ ইবন আমর ইবন নাবহান ইবন সাফওয়ান ছাকাফী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রবকে দেখেছেন। আমি বললামঃ আল্লাহ্ তা’আলা কি বলেন নি যে, (لا تُدْرِكُهُ الأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الأَبْصَارَ) তিনি দৃষ্টির অধিগম্য নন কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তার অধিগত(সূরা আনআম ৬ঃ ১০৩)। তিনি বললেনঃ বিনাশ হোক, এ অবস্থা হল তো তখন যখন তিনি তাঁর আসল নূরে তাজাল্লী করেন। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রবকে দু’বার দেখেছেন।
যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ ১৯০/৪৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ ১৯০/৪৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৩২৮০
হাসান (Hasan)
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الاموي، حدثنا ابي، حدثنا محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد راه نزلة * اخرى عند سدرة المنتهى ) ( فاوحى الى عبده ما اوحى ) (فكان قاب قوسين او ادنى ) . قال ابن عباس قد راه النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৩২৮০. সাঈদ ইবন ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ উমাবী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে,
ولَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً * أُخْرَى عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى ** فأوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى ** فكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى
নিশ্চিয় তিনি তাঁকে আরেকবার দেখেছিলেন। প্রান্তবর্তী বদরী বৃক্ষে নিকট (সূরা নাজম ৫৩ঃ ১৩-১৪)। এবং ফলে তাদের মধ্যে ব্যবধান রইল দুই ধনুকের বা আরো কম। তখন আল্লাহ্ তার বান্দার প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন (সূরা নাজম ৫৩ঃ ৯-১০) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (আল্লাহকে) অবশ্যই দেখেছেন।
হাসান, আয-যিলাল ১৯১, ৪৩৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
ولَقَدْ رَآهُ نَزْلَةً * أُخْرَى عِنْدَ سِدْرَةِ الْمُنْتَهَى ** فأوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى ** فكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى
নিশ্চিয় তিনি তাঁকে আরেকবার দেখেছিলেন। প্রান্তবর্তী বদরী বৃক্ষে নিকট (সূরা নাজম ৫৩ঃ ১৩-১৪)। এবং ফলে তাদের মধ্যে ব্যবধান রইল দুই ধনুকের বা আরো কম। তখন আল্লাহ্ তার বান্দার প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন (সূরা নাজম ৫৩ঃ ৯-১০) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (আল্লাহকে) অবশ্যই দেখেছেন।
হাসান, আয-যিলাল ১৯১, ৪৩৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩২৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، وابن ابي رزمة، وابو نعيم عن اسراىيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس ( ما كذب الفواد ما راى ) قال راه بقلبه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৩২৮১. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, (ما كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى) যা তিনি দেখেছেন তাঁর অন্তঃকরণ তা অস্বীকার করেনি (সূরা নাজম ৫৩ঃ ১১) প্রসঙ্গে তিনি বলেছেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে তাঁর হৃদয়ে অবলোকন করেছেন।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩২৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، ويزيد بن هارون، عن يزيد بن ابراهيم التستري، عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لابي ذر لو ادركت النبي صلى الله عليه وسلم فسالته . فقال عما كنت تساله قلت كنت اساله هل راى محمد ربه فقال قد سالته فقال " نور انى اراه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৩২৮২. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) .... আবদুল্লাহ্ ইবন শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে যদি পেতাম তবে একটি বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করতাম। তিনি বললেনঃ কি বিষয়ে তাঁকে তুমি জিজ্ঞাসা করতে? আমি বললামঃ তাঁকে জিজ্ঞাসা করতাম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাঁর রবকে দেখেছেন? তিনি বললেনঃ (نُورٌ أَنَّى أَرَاهُ) - তিনি (আল্লাহ) তো জ্যোতির্ময় নূর। কেমন করে দেখব আমি তাঁকে।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩২৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، وابن ابي رزمة، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله (ما كذب الفواد ما راى ) قال راى رسول الله صلى الله عليه وسلم جبريل في حلة من رفرف قد ملا ما بين السماء والارض . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৮৩. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, (ما كَذَبَ الْفُؤَادُ مَا رَأَى) তিনি যা দেখেছেন তাঁর অন্তঃকরণ তা অস্বীকার করেনি (সূরা নাজম ৫৩ঃ ১১) প্রসঙ্গে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেনঃ সূক্ষ্ম রেশমী হুল্লা পরিহিত অবস্থায় দেখেছেন। আকাশ ও যমীন ভরাট করে ফেলেছিলেন তিনি।
সহীহ, বুখারি ৪৮৫৮, সংক্ষেপিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৪৮৫৮, সংক্ষেপিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عثمان ابو عثمان البصري، حدثنا ابو عاصم، عن زكريا بن اسحاق، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن ابن عباس : (الذين يجتنبون كباىر الاثم والفواحش الا اللمم ) قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان تغفر اللهم تغفر جما واى عبد لك لا الما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه الا من حديث زكريا بن اسحاق .
৩২৮৪. আহমদ ইবন উছমান আবূ উছমান আল বাসরী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, (الَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَائِرَ الإِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ إِلاَّ اللَّمَمَ) - ছোট-খাট ত্রুটি করলেও যারা বিরত থাকে কবীরা গুনাহ ও অশ্লীল কাজ থেকে (সূরা নাজম ৩২ঃ ৩২) প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আল্লাহ্, মাফ করবে যদি তবে বড় সব গুনাহ্ই মাফ করে দাও তুমি। এমন বান্দা কে আছে তোমার ছোট ছোট ত্রুটি যে নিপতিত হয় নি?
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী হাঃ ২৩৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। যাকারিয়া ইবন ইসহাক (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী হাঃ ২৩৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। যাকারিয়া ইবন ইসহাক (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩২৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا علي بن مسهر، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن ابي معمر، عن ابن مسعود، رضي الله عنه قال بينما نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى فانشق القمر فلقتين فلقة من وراء الجبل وفلقة دونه فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . يعني : (اقتربت الساعة وانشق القمر ) قال هذا حديث حسن صحيح .
৩২৮৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ..... ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে মিনায় ছিলাম। এমন সময় চাঁদ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ল- একটি অংশ পাহাড়ের ওদিকে অপর অংশটি এদিকে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেনঃ (قتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ) - কিয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হল (সূরা কামার ৫৪ঃ ১) আয়াতটির মর্ম এই।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن انس، قال سال اهل مكة النبي صلى الله عليه وسلم اية فانشق القمر بمكة مرتين فنزلت : (اقتربت الساعة وانشق القمر ) الى قوله : (سحر مستمر ) يقول ذاهب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৮৬. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ....... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কাবাসীরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তাঁর নবুওয়াতের নিদর্শন দেখতে চাইল। তখন মক্কায় দু’বার চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয়ঃ (اقتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ) - কিয়ামত আসন্ন, চন্দ্র হল বিদীর্ণ। এরা কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলেঃ এতো চিরাচরিত যাদু (সূরা কামার ৫৪ঃ ১-২)। (سحْرٌ مُسْتَمِرٌّ) যা বিলীন হয়ে যায়।
সহীহ, বুখারি ৩৬৩৭, ৪৮৬৭, ৪৮৬৮, মুসলিম হাঃ ৮/১৩৩; তবে এতে "নাযালাত" (অতঃপর নাযিল হল) শব্দের উল্লেখ নাই। বুখারির বর্ণনায় "মাররাতাইন" (দুই বার) এর স্থলে "ফিরকাতাইন" (দুই টুকরা) শব্দের উল্লেখ আছে। "মাররাতাইন" (দুইবার) শব্দ মুসলিমের বর্ণনায় আছে। তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৩৬৩৭, ৪৮৬৭, ৪৮৬৮, মুসলিম হাঃ ৮/১৩৩; তবে এতে "নাযালাত" (অতঃপর নাযিল হল) শব্দের উল্লেখ নাই। বুখারির বর্ণনায় "মাররাতাইন" (দুই বার) এর স্থলে "ফিরকাতাইন" (দুই টুকরা) শব্দের উল্লেখ আছে। "মাররাতাইন" (দুইবার) শব্দ মুসলিমের বর্ণনায় আছে। তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ابي معمر، عن ابن مسعود، قال انشق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لنا النبي صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৮৭. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ...... ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে চন্দ্র বিদীর্ণ হয়। তখন তিনি আমাদের বলেছিলেনঃ তোমরা লক্ষ্য করে দেখ (তোমরা সাক্ষী থাক)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، عن شعبة، عن الاعمش، عن مجاهد، عن ابن عمر، قال انفلق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩২৮৮. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) .... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে চন্দ্র বিদীর্ন হয় তখন তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা দেখে রাখ (তোমরা সাক্ষী থাক)।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حصين، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن ابيه، قال انشق القمر على عهد النبي صلى الله عليه وسلم حتى صار فرقتين على هذا الجبل وعلى هذا الجبل فقالوا سحرنا محمد فقال بعضهم لىن كان سحرنا ما يستطيع ان يسحر الناس كلهم . قال ابو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن حصين عن جبير بن محمد بن جبير بن مطعم عن ابيه عن جده جبير بن مطعم نحوه .
৩২৮৯. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ....... জুবায়র ইবন মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে চন্দ্র বিদীর্ণ হয় এমন কি তা দু’টুকরা হয়ে যায়-এক টুকরা এই পাহাড়ে, আরেক টুকরা ঐ পাহাড়ে।
কাফিররা বললঃ মুহাম্মাদ আমাদের যাদু করেছে। তাদের কেউ কেউ বললঃ সে আমাদের যাদু করতে পারলেও সব মানুষকেই তো আর যাদু করতে পারবে না।
কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে হুসায়ন-জুবায়র ইবন মুহাম্মাদ ইবন জুবায়র ইবন মুত’ইম-তার পিতা-তার পিতামহ জুবায়র ইবন মুত’ইম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কাফিররা বললঃ মুহাম্মাদ আমাদের যাদু করেছে। তাদের কেউ কেউ বললঃ সে আমাদের যাদু করতে পারলেও সব মানুষকেই তো আর যাদু করতে পারবে না।
কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে হুসায়ন-জুবায়র ইবন মুহাম্মাদ ইবন জুবায়র ইবন মুত’ইম-তার পিতা-তার পিতামহ জুবায়র ইবন মুত’ইম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]