হাদিস নং: ২৮১৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، عن شعبة، عن عطاء بن الساىب، قال سمعت ابا حفص بن عمر، يحدث عن يعلى بن مرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم ابصر رجلا متخلقا قال " اذهب فاغسله ثم اغسله ثم لا تعد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد اختلف بعضهم في هذا الاسناد عن عطاء بن الساىب . قال علي قال يحيى بن سعيد من سمع من عطاء بن الساىب قديما فسماعه صحيح وسماع شعبة وسفيان من عطاء بن الساىب صحيح الا حديثين عن عطاء بن الساىب عن زاذان قال شعبة سمعتهما منه باخرة . قال ابو عيسى يقال ان عطاء بن الساىب كان في اخر امره قد ساء حفظه . وفي الباب عن عمار وابي موسى وانس وابو حفص هو ابو حفص بن عمر .
২৮১৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... ইয়া’লা ইবন মুররা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক ব্যক্তিকে জাফরান মিশ্রিত হলদে-লাল রঙে রঞ্জিত দেখলেন। তিনি তাকে বললেনঃ যাও, এটি ধোও, আবার ধোও এর পূরণরাবৃত্তি কখনও করবে না।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীসের সনদে আতা ইবন সাইব (রহঃ) থেকে শ্রবণের বিষয়ে হাদীস বিশারদগণের মত পার্থক্য রয়েছে আলী (রহঃ) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেছেনঃ যারা আতা ইবন সাইব (রহঃ) থেকে পূর্বের হাদীস শুনেছেন তাদের এই শ্রবণ সঠিক। আতা ইবন সাইব-যাযান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত দু’টো হাদীস ছাড়া তার বরাতে শু’বা ও সুফইয়ান (রহঃ) এর হাদীস শ্রবণ সহীহ। শু’বা (রহঃ) বলেনঃ আতা ইবন সাইব-যাযান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত দু’টো হাদীস আমি আতা (রহঃ)-এর শেষ বয়সে শুনেছি। বলা হয়, শেষ বয়সে আতা ইবন সাইব (রহঃ) এর স্মরণ শক্তি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এ বিষয়ে আম্মার, আবূ মসা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীসের সনদে আতা ইবন সাইব (রহঃ) থেকে শ্রবণের বিষয়ে হাদীস বিশারদগণের মত পার্থক্য রয়েছে আলী (রহঃ) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেছেনঃ যারা আতা ইবন সাইব (রহঃ) থেকে পূর্বের হাদীস শুনেছেন তাদের এই শ্রবণ সঠিক। আতা ইবন সাইব-যাযান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত দু’টো হাদীস ছাড়া তার বরাতে শু’বা ও সুফইয়ান (রহঃ) এর হাদীস শ্রবণ সহীহ। শু’বা (রহঃ) বলেনঃ আতা ইবন সাইব-যাযান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত দু’টো হাদীস আমি আতা (রহঃ)-এর শেষ বয়সে শুনেছি। বলা হয়, শেষ বয়সে আতা ইবন সাইব (রহঃ) এর স্মরণ শক্তি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এ বিষয়ে আম্মার, আবূ মসা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৮১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسحاق بن يوسف الازرق، حدثنا عبد الملك بن ابي سليمان، حدثني مولى، اسماء عن ابن عمر، قال سمعت عمر، يذكر ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه في الاخرة " . وفي الباب عن علي وحذيفة وانس وغير واحد وقد ذكرناه في كتاب اللباس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح قد روي من غير وجه عن عمر . ومولى اسماء بنت ابي بكر الصديق اسمه عبد الله ويكنى ابا عمر وقد روى عنه عطاء بن ابي رباح وعمرو بن دينار .
২৮১৭ আহমদ ইবন মানী (রহঃ) ..... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে আলোচনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশম পরিধান করবে আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না।
সহীহ, গায়াতুল মারাম ৭৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আলী, হুযাইফা, আনাস এবং আরো একাধিক সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে, যাঁদের কথা পরিচ্ছদ অধ্যায়ে উল্লেখ করে এসেছি। হাদীসটি হাসান-সহীহ। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটির রিওয়ায়ত আছে। আসমা বিনতে আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর আযাদকৃত এই দাসের নাম হল আবদুল্লাহ্। উপনাম হল আবূ উমর। তাঁর বরাতে আতা ইবন রাবাহ্ এবং আমর ইবন দীনার (রহঃ)-ও হাদিস বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, গায়াতুল মারাম ৭৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আলী, হুযাইফা, আনাস এবং আরো একাধিক সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে, যাঁদের কথা পরিচ্ছদ অধ্যায়ে উল্লেখ করে এসেছি। হাদীসটি হাসান-সহীহ। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটির রিওয়ায়ত আছে। আসমা বিনতে আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর আযাদকৃত এই দাসের নাম হল আবদুল্লাহ্। উপনাম হল আবূ উমর। তাঁর বরাতে আতা ইবন রাবাহ্ এবং আমর ইবন দীনার (রহঃ)-ও হাদিস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৮১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن ابي مليكة، عن المسور بن مخرمة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قسم اقبية ولم يعط مخرمة شيىا فقال مخرمة يا بنى انطلق بنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فانطلقت معه قال ادخل فادعه لي فدعوته له فخرج النبي صلى الله عليه وسلم وعليه قباء منها فقال " خبات لك هذا " . قال فنظر اليه فقال " رضي مخرمة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابن ابي مليكة اسمه عبد الله بن عبيد الله بن ابي مليكة .
২৮১৮. কুতায়বা (রহঃ) ..... মিসওয়ার ইবন মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, যে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিছু কাবা (এক জাতীয় পোষাক) বন্টন করলেন। কিন্তু মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে এর কছিুই দেননি। তখন মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেনঃ হে প্রিয় বৎস, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে নিয়ে চল। মিসওয়ার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি তাঁর সঙ্গে গেলাম। তিনি বললেনঃ (নবীজীর ঘরে যেয়ে) প্রবেশ কর এবং তাঁকে আমার কথা বলে ডেকে নিয়ে এস। অনন্তর আমি তাঁকে ডেকে নিয়ে আসলাম। তিনি ঐ কাবাসমূহের একটি কাবা নিয়ে বের হয়ে আসলেন এবং বললেনঃ তোমার জন্য লুকিয়ে রেখেছিলাম। মিসওয়ার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ মাখরামা এটির দিকে তাকালেন। পরে বললেনঃ মাখরামা সন্তুষ্ট। সহীহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ) এর পূর্ণ নাম হল আবদুল্লাহ্ ইবন উবায়দুল্লাহ্ ইবন আবূ মুলায়কা।
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবন আবূ মুলায়কা (রহঃ) এর পূর্ণ নাম হল আবদুল্লাহ্ ইবন উবায়দুল্লাহ্ ইবন আবূ মুলায়কা।
হাদিস নং: ২৮১৯
হাসান (Hasan)
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا همام، عن قتادة، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله يحب ان يرى اثر نعمته على عبده " . وفي الباب عن ابي الاحوص عن ابيه وعمران بن حصين وابن مسعود . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৮১৯. হাসান ইবন মুহাম্মাদ যা’ফরানী (রহঃ) ..... আমর ইবন শু’আয়ব তার পিতা তার পিতামহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার উপর তাঁর নিয়ামতের আলামত দেখতে ভালবাসেন। হাসান, গায়াতুল মারাম ৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবুল আহওয়াস তার পিতা থেকে এবং ইমরান ইবন হুসায়ন ও ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান।
এ বিষয়ে আবুল আহওয়াস তার পিতা থেকে এবং ইমরান ইবন হুসায়ন ও ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৮২০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن دلهم بن صالح، عن حجير بن عبد الله، عن ابن بريدة، عن ابيه، ان النجاشي، اهدى الى النبي صلى الله عليه وسلم خفين اسودين ساذجين فلبسهما ثم توضا ومسح عليهما . قال هذا حديث حسن انما نعرفه من حديث دلهم وقد رواه محمد بن ربيعة عن دلهم .
২৮২০. হান্নাদ (রহঃ) ...... ইবন বুরায়দা তার পিতা বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নাজাশী (আবিসিনীয় সম্রাট) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পশমহীন দু’টো কাল চামড়ার মোজা হাদিয়া দিয়েছিলেন। তিনি এ দু’টো পরেছেন পরে (প্রয়োজনে) উযূ করেছেন এবং তার উপর মাসাহ করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৫৪৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান, দালহাম (রহঃ) -এর রিওয়ায়ত হিসাবেই এটি সম্পর্কে আমরা জানি। মুহাম্মাদ ইবন রাবীআ এটিকে দালহাম (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৫৪৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান, দালহাম (রহঃ) -এর রিওয়ায়ত হিসাবেই এটি সম্পর্কে আমরা জানি। মুহাম্মাদ ইবন রাবীআ এটিকে দালহাম (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৮২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة، عن محمد بن اسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن نتف الشيب وقال " انه نور المسلم " . قال هذا حديث حسن قد روي عن عبد الرحمن بن الحارث وغير واحد عن عمرو بن شعيب .
২৮২১. হারূন ইবন ইসহাক হামদানী (রহঃ) ..... আমর ইবন শু’আয়ব তার পিতা তার পিতামহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাকা চুল উপড়ানো নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ এ হলো মুসলিমের নূর।
সহীহ, মিশকাত ৪৪৫৮, সহিহাহ ১২৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদিসটি হাসান। আবদুর রহমান ইবন হারিছ প্রমুখ (রহঃ) ও এটি আমর ইবন শুআয়ব তার পিতা তার পিতামহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, মিশকাত ৪৪৫৮, সহিহাহ ১২৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদিসটি হাসান। আবদুর রহমান ইবন হারিছ প্রমুখ (রহঃ) ও এটি আমর ইবন শুআয়ব তার পিতা তার পিতামহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৮২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، عن عبد الملك بن عمير، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المستشار موتمن " . قال هذا حديث حسن . وقد روى غير واحد عن شيبان بن عبد الرحمن النحوي وشيبان هو صاحب كتاب وهو صحيح الحديث ويكنى ابا معاوية . حدثنا عبد الجبار بن العلاء العطار عن سفيان بن عيينة قال قال عبد الملك بن عمير اني لاحدث الحديث فما ادع منه حرفا .
২৮২২. আহমদ ইবন মানী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কাছে পরামর্শ চাওয়া হয় সে আমানতদার। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী এ হাদীসটিকে শায়বান ইবন আবদুর রহমান নাহবী (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়ত করেছেন। শায়বান (রহঃ) হলেন গ্রন্থ রচয়িতা, তাঁর হাদীস সহীহ। তাঁর উপনাম হল আবূ মুআবিয়া। আবদুল জব্বার ইবন আলা আল-আত্তার (রহঃ) ... আবদুল মালিক ইবন উমায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি যখন হাদীস বর্ণনা করি তখন তাতে কোনরূপ ক্রটি করি না।
একাধিক রাবী এ হাদীসটিকে শায়বান ইবন আবদুর রহমান নাহবী (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়ত করেছেন। শায়বান (রহঃ) হলেন গ্রন্থ রচয়িতা, তাঁর হাদীস সহীহ। তাঁর উপনাম হল আবূ মুআবিয়া। আবদুল জব্বার ইবন আলা আল-আত্তার (রহঃ) ... আবদুল মালিক ইবন উমায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি যখন হাদীস বর্ণনা করি তখন তাতে কোনরূপ ক্রটি করি না।
হাদিস নং: ২৮২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن داود بن ابي عبد الله، عن ابن جدعان، عن جدته، عن ام سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المستشار موتمن " . وفي الباب عن ابن مسعود وابي هريرة وابن عمر . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث ام سلمة .
২৮২৩. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার কাছে পরামর্শ চাওয়া হবে সে (পরামর্শ বিষয়ের) আমানতদার। পূর্বের হাদিসের সহায়তায় সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবন মাসঊদ, আবূ হুরায়রা ও ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি গারীব।
এ বিষয়ে ইবন মাসঊদ, আবূ হুরায়রা ও ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি গারীব।
হাদিস নং: ২৮২৪
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، وحمزة، ابنى عبد الله بن عمر عن ابيهما، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الشوم في ثلاثة في المراة والمسكن والدابة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وبعض اصحاب الزهري لا يذكرون فيه عن حمزة انما يقولون عن سالم عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروى مالك بن انس هذا الحديث عن الزهري فقال عن سالم وحمزة ابنى عبد الله بن عمر عن ابيهما وهكذا روى لنا ابن ابي عمر هذا الحديث عن سفيان بن عيينة عن الزهري عن سالم وحمزة ابنى عبد الله بن عمر عن ابيهما عن النبي صلى الله عليه وسلم .
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ولم يذكر فيه سعيد بن عبد الرحمن عن حمزة، ورواية، سعيد اصح لان علي بن المديني والحميدي رويا عن سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، وذكرا، عن سفيان، قال لم يرو لنا الزهري هذا الحديث الا عن سالم عن ابن عمر . وروى مالك بن انس هذا الحديث عن الزهري وقال عن سالم وحمزة ابنى عبد الله بن عمر عن ابيهما . وفي الباب عن سهل بن سعد وعاىشة وانس . - وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " ان كان الشوم في شيء ففي المراة والدابة والمسكن " .
وقد روي عن حكيم بن معاوية، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا شوم وقد يكون اليمن في الدار والمراة والفرس " . حدثنا بذلك علي بن حجر حدثنا اسماعيل بن عياش عن سليمان بن سليم عن يحيى بن جابر الطاىي عن معاوية بن حكيم عن عمه حكيم بن معاوية عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا .
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ولم يذكر فيه سعيد بن عبد الرحمن عن حمزة، ورواية، سعيد اصح لان علي بن المديني والحميدي رويا عن سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، وذكرا، عن سفيان، قال لم يرو لنا الزهري هذا الحديث الا عن سالم عن ابن عمر . وروى مالك بن انس هذا الحديث عن الزهري وقال عن سالم وحمزة ابنى عبد الله بن عمر عن ابيهما . وفي الباب عن سهل بن سعد وعاىشة وانس . - وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " ان كان الشوم في شيء ففي المراة والدابة والمسكن " .
وقد روي عن حكيم بن معاوية، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا شوم وقد يكون اليمن في الدار والمراة والفرس " . حدثنا بذلك علي بن حجر حدثنا اسماعيل بن عياش عن سليمان بن سليم عن يحيى بن جابر الطاىي عن معاوية بن حكيم عن عمه حكيم بن معاوية عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا .
২৮২৪. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অকল্যাণ তিনটি জিনিসের মধ্যে থাকতে পারে নারী, বাড়ি, বাহন। [এ বাক্যে হাদিসটি শায]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যুহরী (রহঃ) এর কোন কোন শাগরিদ এ সনদে হামযা-এর উল্লেখ করেননি। তাঁরা সালিম-তার পিতা (ইবন উমর) ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইবন আবূ উমর (রহঃ) আমাদেরকে সুফইয়ান ইবন উয়ায়না-যুহরী-আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা - উভয়ের পিতা আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন।
সাঈদ ইবন আবদুর রহমান মাখযূমী (রহঃ) ... সালিম তার পিতা (ইবন উমর) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে সাঈদ ইবন আবদুর রহমান-হামযা (রহঃ) এর উল্লেখ নেই। সাঈদ (রহঃ) এর রিওয়ায়তটি অধিক সহীহ। কেননা আলী ইবন মাদীনী এবং হুমায়দী (রহঃ) উভয়েই এটি সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। যুহরী (রহঃ) এই হাদীসটি সালিম-ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রই কেবল বর্ণনা করেছেন। অথচ মালিক ইবন আনাস (রহঃ)-ও এ হাদীসটি যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এতে আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা - উভয়ের পিতা (ইবন উমর) সূত্রের উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে সাহল ইবন সা’দ, আয়িশা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ যদি অকল্যাণ কোথাও হতো তবে তা নারী, বাহন ও বাড়িতে হত।
হাকীম ইবন মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, অপয়া বলতে কিছু নাই, তবে বাড়ি, নারী ও ঘোড়া কখনও বরকতের হয়। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৯৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আলী ইবন হুজর (রহঃ) হাকীম ইবন মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যুহরী (রহঃ) এর কোন কোন শাগরিদ এ সনদে হামযা-এর উল্লেখ করেননি। তাঁরা সালিম-তার পিতা (ইবন উমর) ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইবন আবূ উমর (রহঃ) আমাদেরকে সুফইয়ান ইবন উয়ায়না-যুহরী-আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা - উভয়ের পিতা আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রের উল্লেখ করেছেন।
সাঈদ ইবন আবদুর রহমান মাখযূমী (রহঃ) ... সালিম তার পিতা (ইবন উমর) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে সাঈদ ইবন আবদুর রহমান-হামযা (রহঃ) এর উল্লেখ নেই। সাঈদ (রহঃ) এর রিওয়ায়তটি অধিক সহীহ। কেননা আলী ইবন মাদীনী এবং হুমায়দী (রহঃ) উভয়েই এটি সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। যুহরী (রহঃ) এই হাদীসটি সালিম-ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রই কেবল বর্ণনা করেছেন। অথচ মালিক ইবন আনাস (রহঃ)-ও এ হাদীসটি যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এতে আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পুত্রদ্বয় সালিম ও হামযা - উভয়ের পিতা (ইবন উমর) সূত্রের উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে সাহল ইবন সা’দ, আয়িশা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ যদি অকল্যাণ কোথাও হতো তবে তা নারী, বাহন ও বাড়িতে হত।
হাকীম ইবন মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, অপয়া বলতে কিছু নাই, তবে বাড়ি, নারী ও ঘোড়া কখনও বরকতের হয়। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৯৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আলী ইবন হুজর (রহঃ) হাকীম ইবন মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৮২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، قال حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، ح قال وحدثني ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا كنتم ثلاثة فلا يتناجى اثنان دون صاحبهما " . وقال سفيان في حديثه " لا يتناجى اثنان دون الثالث فان ذلك يحزنه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . - وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لا يتناجى اثنان دون واحد فان ذلك يوذي المومن والله عز وجل يكره اذى المومن " . وفي الباب عن ابن عمر وابي هريرة وابن عباس .
২৮২৫. হান্নাদ ও ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন তিনজন থাকবে তখন এক সঙ্গীকে বাদ দিয়ে দুইজনে চুপে চুপে কথা বলবে না। সুফইয়ান (রহঃ) তাঁর রিওয়ায়ত বলেছেনঃ তৃতীয়জনকে বাদ দিয়ে দুইজনে চুপে চুপে কথা বলবে না। কেননা এ জিনিস তাকে চিন্তিত করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭৭৫, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একজনকে বাদ দিয়ে দুইজনে চুপে চুপে কথা বলবে না। কেননা এ বিষয় মুমিনকে কষ্ট দেয়। আর আল্লাহ্ তা’আলা মুমিনের কষ্ট পছন্দ করেন না। এ বিষয়ে ইবন উমর আবূ হুরায়রা ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একজনকে বাদ দিয়ে দুইজনে চুপে চুপে কথা বলবে না। কেননা এ বিষয় মুমিনকে কষ্ট দেয়। আর আল্লাহ্ তা’আলা মুমিনের কষ্ট পছন্দ করেন না। এ বিষয়ে ইবন উমর আবূ হুরায়রা ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৮২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا واصل بن عبد الاعلى الكوفي، حدثنا محمد بن فضيل، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن ابي جحيفة، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم ابيض قد شاب وكان الحسن بن علي يشبهه وامر لنا بثلاثة عشر قلوصا فذهبنا نقبضها فاتانا موته فلم يعطونا شيىا فلما قام ابو بكر قال من كانت له عند رسول الله صلى الله عليه وسلم عدة فليجى . فقمت اليه فاخبرته فامر لنا بها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى مروان بن معاوية هذا الحديث باسناد له عن ابي جحيفة نحو هذا . وقد روى غير واحد عن اسماعيل بن ابي خالد عن ابي جحيفة قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم وكان الحسن بن علي يشبهه ولم يزيدوا على هذا .
২৮২৬. ওয়াসিল ইবন আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (রক্তিমাভ) সাদা বর্ণের দেখেছি। তাঁর কিছু চুল সাদা হয়ে পড়েছিল। হাসান ইবন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন তাঁর সাদৃশ্য। তিনি আমাদের জন্য তেরটি জওয়ান উটনি দিতে বলেছিলেন। আমরা যখন সেগুলো গ্রহণ করতে গেলাম তখন তাঁর ওফাতের সংবাদ আমাদের কাছে পৌছঁল। সুতরাং আমাদের তা দেওয়া হল না। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন (খলীফা নিযুক্ত হয়ে) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন। তাতে তখন এই কথাও বললেনঃ আমি দাঁড়িয়ে আমাদের বিষয়টি তাঁকে অবহিত করলাম। তখন তিনি আমাদের তা প্রদানের নির্দেশ দিলেন।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান। মারওয়ান ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-ও স্বীয় সনদে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এ হাদীসটি অনূরূপ বর্ণনা করেছেন। একাধিক রাবী ইসমাঈল ইবন আবূ খালিদ সূত্রে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি। হাসান ইবন আলীরাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন তাঁর সাদৃশ্য। এরা এ রিওয়ায়তে এর বেশী কিছু উল্লেখ করেননি।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান। মারওয়ান ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-ও স্বীয় সনদে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এ হাদীসটি অনূরূপ বর্ণনা করেছেন। একাধিক রাবী ইসমাঈল ইবন আবূ খালিদ সূত্রে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি। হাসান ইবন আলীরাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন তাঁর সাদৃশ্য। এরা এ রিওয়ায়তে এর বেশী কিছু উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ২৮২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن اسماعيل بن ابي خالد، حدثنا ابو جحيفة، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم وكان الحسن بن علي يشبهه . قال ابو عيسى وهكذا روى غير واحد عن اسماعيل بن ابي خالد نحو هذا . وفي الباب عن جابر . وابو جحيفة اسمه وهب السواىي .
২৮২৭. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি। হাসান ইবন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন তাঁর সাদৃশ্য। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী ইসমাঈল ইবন আবূ খালিদ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন ওয়াহব সুআঈ।
একাধিক রাবী ইসমাঈল ইবন আবূ খালিদ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন ওয়াহব সুআঈ।
হাদিস নং: ২৮২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن سعيد الجوهري، حدثنا سفيان بن عيينة، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، عن علي، قال ما سمعت النبي صلى الله عليه وسلم جمع ابويه لاحد غير سعد بن ابي وقاص .
২৮২৮. ইবরাহীম ইবন সাঈদ জাওহারী (রহঃ) ..... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস ছাড়া আর কারো জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান’- এ কথা বলতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে আমি শুনি নি। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৩০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৮২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن الصباح البزار، حدثنا سفيان، عن ابن جدعان، ويحيى بن سعيد، سمعا سعيد بن المسيب، يقول قال علي ما جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم اباه وامه لاحد الا لسعد بن ابي وقاص قال له يوم احد " ارم فداك ابي وامي " . وقال له " ارم ايها الغلام الحزور " . وفي الباب عن الزبير وجابر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن علي .
وقد روى غير، واحد، هذا الحديث عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، عن سعد بن ابي وقاص، قال جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ابويه يوم احد قال " ارم فداك ابي وامي " .
وقد روى غير، واحد، هذا الحديث عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، عن سعد بن ابي وقاص، قال جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ابويه يوم احد قال " ارم فداك ابي وامي " .
২৮২৯. হাসান ইবন সাব্বাহ বাযযার (রহঃ) ...... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস ছাড়া আর কারো জন্য রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিতা-মাতা কুরবান- এ কথা বলেন নি। তিনি উহূদ যুদ্ধের দিন তাকে বলেছিলেন, তীর নিক্ষেপ কর তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান, আরো বলেছিলেন, তীর নিক্ষেপ কর, হে শক্তিশালী যুবক।
"হে শক্তিশালী যুবক" এর উল্লেখ মুনকার, বুখারি ও মুসলিম এই অতিরিক্ত অংশ ব্যাতিত বর্ণনা করেছেন। তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে যুবায়র ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাধীসটি হাসান-সহীহ। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। একাধিক রাবী এ হাদীসটি ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব-সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের দিন আমার জন্য একত্র করে তাঁর ’পিতা-মাত কুরবান’- এ কথা বলেছেন।
"হে শক্তিশালী যুবক" এর উল্লেখ মুনকার, বুখারি ও মুসলিম এই অতিরিক্ত অংশ ব্যাতিত বর্ণনা করেছেন। তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে যুবায়র ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাধীসটি হাসান-সহীহ। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। একাধিক রাবী এ হাদীসটি ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব-সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের দিন আমার জন্য একত্র করে তাঁর ’পিতা-মাত কুরবান’- এ কথা বলেছেন।
হাদিস নং: ২৮৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا بذلك قتيبة حدثنا الليث بن سعد وعبد العزيز بن محمد عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب عن سعد بن ابي وقاص قال جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ابويه يوم احد . وهذا حديث حسن صحيح
২৮৩০. কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) ..... সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতা উভয় কুরবান এ কথা বলেছেন। সহীহ, বুখারি ৩৭২৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৮৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا ابو عوانة، حدثنا ابو عثمان، شيخ له عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال له " يا بنى " . وفي الباب عن المغيرة وعمر بن ابي سلمة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وقد روي من غير هذا الوجه عن انس . وابو عثمان هذا شيخ ثقة وهو الجعد بن عثمان ويقال ابن دينار وهو بصري وقد روى عنه يونس بن عبيد وغير واحد من الاىمة .
২৮৩১. মুহাম্মাদ ইবন আবদুল মালিক ইবন আবূশ শাওয়ারিব (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেনঃ হে বৎস!
সহীহ, সহীহাহ ২৯৫৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে মুগরা ও উমর ইবন আবূ সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ সূত্রে গারীব। একাধিক সূত্রে এটি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে। আবূ উছমান (রহঃ) হলেন নির্ভরযোগ্য শায়খ। তিনি হলেন জা’দ ইবন উছমান। তাকে ইবন দীনারও বলা হয়। তিনি হলেন বাসরা অধিবাসী (বাসরী)। ইউনুস ইবন উবায়দ ও শু’বা (রহঃ) এবং আরো অনেক হাদীসের ইমাম তাঁর থেকে রিওয়ায়ত করেছেন।
সহীহ, সহীহাহ ২৯৫৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে মুগরা ও উমর ইবন আবূ সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ সূত্রে গারীব। একাধিক সূত্রে এটি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে। আবূ উছমান (রহঃ) হলেন নির্ভরযোগ্য শায়খ। তিনি হলেন জা’দ ইবন উছমান। তাকে ইবন দীনারও বলা হয়। তিনি হলেন বাসরা অধিবাসী (বাসরী)। ইউনুস ইবন উবায়দ ও শু’বা (রহঃ) এবং আরো অনেক হাদীসের ইমাম তাঁর থেকে রিওয়ায়ত করেছেন।
হাদিস নং: ২৮৩২
হাসান (Hasan)
حدثنا عبيد الله بن سعد بن ابراهيم بن سعد بن ابراهيم بن عبد الرحمن بن عوف، حدثني عمي، يعقوب بن ابراهيم بن سعد حدثنا شريك، عن محمد بن اسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان النبي صلى الله عليه وسلم امر بتسمية المولود يوم سابعه ووضع الاذى عنه والعق . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৮৩২. উবায়দুল্লাহ্ ইবন সা’দ ইবন ইবরাহীম ইবন আবদুর রহমান ইবন আওফ ... আমর ইবন শুআয়ব তার পিতা তার পিতামহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সপ্তম দিনে তার নাম রাখতে, মাথা মুন্ডন করতে এবং ’আকীকা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
হাসান, ইরওয়া ৪/৩৯৯-৪০০, তাহকিক ছানী, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাসান, ইরওয়া ৪/৩৯৯-৪০০, তাহকিক ছানী, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৮৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الرحمن بن الاسود ابو عمرو الوراق البصري، حدثنا معمر بن سليمان الرقي، عن علي بن صالح المكي، عن عبد الله بن عثمان، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " احب الاسماء الى الله عز وجل عبد الله وعبد الرحمن " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
২৮৩৩. আবদুর রহমান ইবন আসওয়াদ আবূ আমর ওয়াররাক (রহঃ) ..... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় নাম হল আবদুল্লাহ্ এবং আবদুর রহমান।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭২৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান, এ সূত্রে গারীব।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭২৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান, এ সূত্রে গারীব।
হাদিস নং: ২৮৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عقبة بن مكرم العمي البصري، حدثنا ابو عاصم، عن عبد الله بن عمر العمري، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان احب الاسماء الى الله عبد الله وعبد الرحمن " . هذا حديث غريب من هذا الوجه .
২৮৩৪. উকবা ইবন মুকাররাম আম্মী বাসরী (রহঃ) ...... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় নাম হল’ আবদুল্লাহ্ ও আবদুর রহমান। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি এ সূত্রে গারীব।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি এ সূত্রে গারীব।
হাদিস নং: ২৮৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو احمد، حدثنا سفيان، عن ابي الزبير، عن جابر، عن عمر بن الخطاب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لانهين ان يسمى رافع وبركة ويسار " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . هكذا رواه ابو احمد عن سفيان عن ابي الزبير عن جابر عن عمر ورواه غيره عن سفيان عن ابي الزبير عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وابو احمد ثقة حافظ والمشهور عند الناس هذا الحديث عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم وليس فيه عن عمر .
২৮৩৫. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাফি’, বারাকা, ইয়াসার নাম রাখতে আমি নিষেধ করছি। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮২৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। আবূ আহমদ (রহঃ) এটি সুফইয়ান-আবূ যুবায়র-জাবির-উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবূ আহমদ ছিকাহ এবং হাফিযুল হাদীস। লোকদের কাছে এ হাদীসটি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে প্রসিদ্ধ। এতে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই।
এ হাদীসটি গারীব। আবূ আহমদ (রহঃ) এটি সুফইয়ান-আবূ যুবায়র-জাবির-উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবূ আহমদ ছিকাহ এবং হাফিযুল হাদীস। লোকদের কাছে এ হাদীসটি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে প্রসিদ্ধ। এতে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই।