হাদিস নং: ২৪৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن ثلاثماىة نحمل زادنا على رقابنا ففني زادنا حتى ان كان يكون للرجل منا كل يوم تمرة . فقيل له يا ابا عبد الله واين كانت تقع التمرة من الرجل فقال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها واتينا البحر فاذا نحن بحوت قد قذفه البحر فاكلنا منه ثمانية عشر يوما ما احببنا . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح وقد روي من غير وجه عن جابر بن عبد الله . ورواه مالك بن انس عن وهب بن كيسان اتم من هذا واطول .
২৪৭৮. হান্নাদ (রহঃ) ...... জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন। আমরা ছিলাম তিনশত জন। আমাদের পাথেয় আমাদের কাঁধেই ছিল। এক পর্যায়ে আমাদের পাথেয় শেষ হয়ে যায়। এমনকি সারাদিনে আমাদের এক এক জনের জন্য এক একটা করে খেজুর বরাদ্দ হয়। তাঁকে তখন জিজ্ঞাসা করা হল, হে আবূ আবদুল্লাহ! একজনের জন্য একটি করে খেজুর কেমন করে যথেষ্ট হত? তিনি বললেনঃ এ-ও যখন শেষ হয়ে যায় তখন একটি খেজুর না পাওয়ার কি ক্ষতি তা আমরা টের পেয়েছিলাম। সেখানে আমরা হঠাৎ একটা মাছ পেলাম। সাগর তা নিক্ষেপ করছিল। আমরা ইচ্ছা মতো আঠারো দিন পর্যন্ত তা আহার করলাম।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪১৫৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি সহীহ। অন্য সূত্রে জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি বর্ণিত আছে। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে ওয়াহব ইবন কায়সাস (রহঃ) সূত্রে আরো পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘরূপে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪১৫৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি সহীহ। অন্য সূত্রে জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি বর্ণিত আছে। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে ওয়াহব ইবন কায়সাস (রহঃ) সূত্রে আরো পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘরূপে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৪৭৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن اسحاق، حدثني يزيد بن زياد، عن محمد بن كعب القرظي، حدثني من، سمع علي بن ابي طالب، يقول انا لجلوس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد اذ طلع علينا مصعب بن عمير ما عليه الا بردة له مرقوعة بفرو فلما راه رسول الله صلى الله عليه وسلم بكى للذي كان فيه من النعمة والذي هو اليوم فيه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف بكم اذا غدا احدكم في حلة وراح في حلة ووضعت بين يديه صحفة ورفعت اخرى وسترتم بيوتكم كما تستر الكعبة " . قالوا يا رسول الله نحن يومىذ خير منا اليوم نتفرغ للعبادة ونكفى المونة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لانتم اليوم خير منكم يومىذ " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ويزيد بن زياد هو ابن ميسرة وهو مدني وقد روى عنه مالك بن انس وغير واحد من اهل العلم ويزيد بن زياد الدمشقي الذي روى عن الزهري روى عنه وكيع ومروان بن معاوية ويزيد بن ابي زياد كوفي روى عنه سفيان وشعبة وابن عيينة وغير واحد من الاىمة .
২৪৭৯. হান্নাদ (রহঃ) ..... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে একদিন মসজিদে বসা ছিলাম। এমন সময় মুসআব ইবন উমায়র এলেন। তাঁর গাঁয়ে চামড়ার তালি লাগানো একটি চাদর ছাড়া কিছুই ছিল না। তিনি একদিন যে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জীবনে ছিলেন আর বর্তমানে যে অবস্থায় তিনি রয়েছেন সে জন্য তাকে দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেঁদে দিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ সেদিন কেমন হবে যেদিন তোমাদের একজন সকালে এক জোড়া কাপড় পরবে এবং বিকালে পরবে আরেক জোড়া, তার সামনে (খাদ্যের) একটা পেয়ালা রাখা হবে আরেকটি তোলা হবে। কা’বা ঘরকে যেভাবে গিলাফ দিয়ে আবৃত রাখা হয় সে ভাবে তোমরা তোমাদের ঘর আবৃত করবে।
সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আজকের তুলনায় সে দিন আমরা ভাল থাকব। কারণ আমরা ইবাদতের জন্য অবসর পাব এবং জীবিকার চিন্তা থেকে মুক্ত থাকব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, সে দিনের তুলনায় তোমরা আজ অনেক ভাল আছ। যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৫৩৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান। এ ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ হলেন ইবন মায়সারা, মাদীনী। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) সহ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ তার বরাতে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন, আর যিনি যুহরী থেকে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তার থেকে ওয়াকী’ ও মারওয়ান ইবন মুআবিয়া (রহঃ) হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তিনি হলেন ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ দিমাশকী। অপর পক্ষে সুফইয়ান, শু’বা, ইবন উয়ায়না প্রমুখ হাদীস বিশেষজ্ঞ ইমামগণ যার থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ইনি হলেন ইয়াযীদ ইবন আবূ যিয়াদ কুফী।
সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আজকের তুলনায় সে দিন আমরা ভাল থাকব। কারণ আমরা ইবাদতের জন্য অবসর পাব এবং জীবিকার চিন্তা থেকে মুক্ত থাকব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, সে দিনের তুলনায় তোমরা আজ অনেক ভাল আছ। যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৫৩৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান। এ ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ হলেন ইবন মায়সারা, মাদীনী। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) সহ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ তার বরাতে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন, আর যিনি যুহরী থেকে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তার থেকে ওয়াকী’ ও মারওয়ান ইবন মুআবিয়া (রহঃ) হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তিনি হলেন ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ দিমাশকী। অপর পক্ষে সুফইয়ান, শু’বা, ইবন উয়ায়না প্রমুখ হাদীস বিশেষজ্ঞ ইমামগণ যার থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ইনি হলেন ইয়াযীদ ইবন আবূ যিয়াদ কুফী।
হাদিস নং: ২৪৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، حدثني عمر بن ذر، حدثنا مجاهد، عن ابي هريرة، قال كان اهل الصفة اضياف اهل الاسلام لا ياوون على اهل ولا مال والله الذي لا اله الا هو ان كنت لاعتمد بكبدي على الارض من الجوع واشد الحجر على بطني من الجوع ولقد قعدت يوما على طريقهم الذي يخرجون فيه فمر بي ابو بكر فسالته عن اية من كتاب الله ما سالته الا ليستتبعني فمر ولم يفعل ثم مر بي عمر فسالته عن اية من كتاب الله ما اساله الا ليستتبعني فمر ولم يفعل ثم مر بي ابو القاسم صلى الله عليه وسلم فتبسم حين راني وقال " ابا هريرة " . قلت لبيك يا رسول الله . قال " الحق " . ومضى فاتبعته ودخل منزله فاستاذنت فاذن لي فوجد قدحا من لبن فقال " من اين هذا اللبن لكم " . قيل اهداه لنا فلان . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابا هريرة " . قلت لبيك . فقال " الحق الى اهل الصفة فادعهم " . وهم اضياف اهل الاسلام لا ياوون على اهل ولا مال اذا اتته صدقة بعث بها اليهم ولم يتناول منها شيىا واذا اتته هدية ارسل اليهم فاصاب منها واشركهم فيها فساءني ذلك وقلت ما هذا القدح بين اهل الصفة وانا رسوله اليهم فسيامرني ان اديره عليهم فما عسى ان يصيبني منه وقد كنت ارجو ان اصيب منه ما يغنيني ولم يكن بد من طاعة الله وطاعة رسوله فاتيتهم فدعوتهم فلما دخلوا عليه فاخذوا مجالسهم فقال " ابا هريرة خذ القدح واعطهم " . فاخذت القدح فجعلت اناوله الرجل فيشرب حتى يروى ثم يرده فاناوله الاخر حتى انتهيت به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد روي القوم كلهم فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم القدح فوضعه على يديه ثم رفع راسه فتبسم فقال " ابا هريرة اشرب " . فشربت ثم قال " اشرب " . فلم ازل اشرب ويقول " اشرب " . حتى قلت والذي بعثك بالحق ما اجد له مسلكا فاخذ القدح فحمد الله وسمى ثم شرب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৪৮০. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুফফাবাসী সাহাবীগণ ছিলেন মুসলিমদের মেহমান। তাদের কোন ঘর-সংসার বা ধন-সম্পদ ছিল না। আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই, ক্ষুধার জ্বালায় আমি আমার পেট মাটিতে চেপে ধরতাম; এমনিভাবে ক্ষুধার তাড়নায় আমার পেটে পাথর বাঁধতাম। সাহাবীরা যে পথ দিয়ে (মসজিদের উদ্দেশ্যে) বের হতেন তাদের সে পথে একদিন আমি বসে গেলাম। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার পাশ দিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি তাঁর সঙ্গে (তার ঘরে) আমাকে নিয়ে যাবেন এই আশা নিয়েই কেবল আমি এই আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কিন্তু তিনি চলে গেলেন। আমাকে সাথে নিয়ে গেলেন না। এরপর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এই পথ দিয়ে গেলেন। তাঁকেও আমি আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি যেন আমাকে (তাঁর ঘরে) সঙ্গে নিয়ে যান এই আশা নিয়েই আমি প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি চলে গেলেন কিন্তু আমাকে সাথে নিলেন না। পরে আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমাকে দেখেই মুচকি হাসলেন। বললেনঃ আবূ হুরায়রা!
আমি বললামঃ লাব্বাইকা, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ সঙ্গে চল। এরপর তিনি চলতে লাগলেন। আমিও তাঁর পেছনে পেছনে যেতে লাগলাম। তিনি তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও প্রবেশ অনুমতি চাইলাম। আমাকেও প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হল। তিনি ঘরে একটি দুধের পেয়ালা পেলেন। বললেনঃ তোমাদের জন্য এই দুধ কোথা থেকে এসেছে? বলা হল অমুক ব্যক্তি আমাদের জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ আবূ হুরায়রা! আমি বললামঃ লাব্বায়কা। তিনি বললেনঃ সুফফাবাসীদের কাছে যাও এবং তাদের ডেকে নিয়ে এস।
এরা ছিলেন মুসলিমদের মেহমান। এদের কোন ঘর-সংসার বা ধন-সম্পদ ছিল না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কিছু সাদাকা আসলে তিনি তা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন, এর থেকে নিজে কিছু গ্রহণ করতেন না। আর যদি তাঁর কাছে কিছু হাদিয়া আসত তবে তিনি তাদের কাছে পাঠাতেন এবং নিজেও তা থেকে কিছু গ্রহণ করতেন এবং এতে তাদেরকেও শরীক করতেন।
এতে আমি মনক্ষুন্ন হলাম। মনে মনে বললাম সুফফাবাসীদের মাঝে এই এক পেয়ালায় কি হবে? আর আমি তাদের মাঝে সংবাদ বাহক হচ্ছি। সুতরাং নবীজীতো আমাকেই তাদের সামনে তা পরিবেশন করতে হুকুম দিবেন। হয়ত আমার ভাগ্যে কিছু নাও জুটতে পাপরে।
অথচ আমি আশা করেছিলাম যে ক্ষুধা নিবারণের মত অংশ পাব। কিন্তু আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূলের আনুগত্য ছাড়া কোন উপায় নেই, তাই আমি তাদের কাছে গেলাম এবং তাদেরকে ডেকে নিয়ে এলাম। তারা এসে নিজ নিজ স্থানে বসে গেল তিনি বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পেয়ালাটি নাও এবং তাদের পরিবেশন কর।
আমি পিয়ালাটি নিলাম এবং এক একজনকে তা পরিবেশন করতে লাগলাম, তিনি তা থেকে পরিতৃপ্তির সাথে পান করছিলেন এবং আমাকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছেলেন। আমি তখন তা অপর জনকে দিচ্ছিলাম শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা নিয়ে পৌঁছলাম। ইতি মধ্যে উপস্থিত পুরা সম্প্রদায় পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালাটি নিয়ে হাতে রাখলেন এবং এরপর মাথা তুলে মুচকি হাসলেন। বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পান কর। আমি তা পান করলাম। তিনি পুনরায় বললেনঃ আরো পান কর। আমি পান করতে থাকলাম তিনি বলতে থাকলেন ’’তুমি পান কর’’। শেষে আমি বললাম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন সেই সত্তার কসম, আমি আর এ জন্য কোন পথ পাচ্ছি না। তিনি তখন পেয়ালাটি নিলেন, আল্লাহর হামদ করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে তা পান করে নিলেন। সহীহ, বুখারি ৬৪৫২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আমি বললামঃ লাব্বাইকা, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ সঙ্গে চল। এরপর তিনি চলতে লাগলেন। আমিও তাঁর পেছনে পেছনে যেতে লাগলাম। তিনি তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও প্রবেশ অনুমতি চাইলাম। আমাকেও প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হল। তিনি ঘরে একটি দুধের পেয়ালা পেলেন। বললেনঃ তোমাদের জন্য এই দুধ কোথা থেকে এসেছে? বলা হল অমুক ব্যক্তি আমাদের জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ আবূ হুরায়রা! আমি বললামঃ লাব্বায়কা। তিনি বললেনঃ সুফফাবাসীদের কাছে যাও এবং তাদের ডেকে নিয়ে এস।
এরা ছিলেন মুসলিমদের মেহমান। এদের কোন ঘর-সংসার বা ধন-সম্পদ ছিল না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কিছু সাদাকা আসলে তিনি তা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন, এর থেকে নিজে কিছু গ্রহণ করতেন না। আর যদি তাঁর কাছে কিছু হাদিয়া আসত তবে তিনি তাদের কাছে পাঠাতেন এবং নিজেও তা থেকে কিছু গ্রহণ করতেন এবং এতে তাদেরকেও শরীক করতেন।
এতে আমি মনক্ষুন্ন হলাম। মনে মনে বললাম সুফফাবাসীদের মাঝে এই এক পেয়ালায় কি হবে? আর আমি তাদের মাঝে সংবাদ বাহক হচ্ছি। সুতরাং নবীজীতো আমাকেই তাদের সামনে তা পরিবেশন করতে হুকুম দিবেন। হয়ত আমার ভাগ্যে কিছু নাও জুটতে পাপরে।
অথচ আমি আশা করেছিলাম যে ক্ষুধা নিবারণের মত অংশ পাব। কিন্তু আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূলের আনুগত্য ছাড়া কোন উপায় নেই, তাই আমি তাদের কাছে গেলাম এবং তাদেরকে ডেকে নিয়ে এলাম। তারা এসে নিজ নিজ স্থানে বসে গেল তিনি বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পেয়ালাটি নাও এবং তাদের পরিবেশন কর।
আমি পিয়ালাটি নিলাম এবং এক একজনকে তা পরিবেশন করতে লাগলাম, তিনি তা থেকে পরিতৃপ্তির সাথে পান করছিলেন এবং আমাকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছেলেন। আমি তখন তা অপর জনকে দিচ্ছিলাম শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা নিয়ে পৌঁছলাম। ইতি মধ্যে উপস্থিত পুরা সম্প্রদায় পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালাটি নিয়ে হাতে রাখলেন এবং এরপর মাথা তুলে মুচকি হাসলেন। বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পান কর। আমি তা পান করলাম। তিনি পুনরায় বললেনঃ আরো পান কর। আমি পান করতে থাকলাম তিনি বলতে থাকলেন ’’তুমি পান কর’’। শেষে আমি বললাম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন সেই সত্তার কসম, আমি আর এ জন্য কোন পথ পাচ্ছি না। তিনি তখন পেয়ালাটি নিলেন, আল্লাহর হামদ করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে তা পান করে নিলেন। সহীহ, বুখারি ৬৪৫২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৮১
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا عبد العزيز بن عبد الله القرشي، حدثنا يحيى البكاء، عن ابن عمر، قال تجشا رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " كف عنا جشاءك فان اكثرهم شبعا في الدنيا اطولهم جوعا يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . وفي الباب عن ابي جحيفة .
২৪৮১. মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ রাযী (রহঃ) ...... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ঢেকুর তুলল। তিনি বললেনঃ আমাদের থেকে তোমার ঢেকুর ফিরিয়ে রাখ। কেননা যারা দুনিয়াতে অধিক পরিতৃপ্ত হবে তারা কিয়ামতের দিন অধিক ক্ষুধার্ত হবে। হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৩৫০-৩৩৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান; এ সূত্রে গারীব। এ বিষয়ে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান; এ সূত্রে গারীব। এ বিষয়ে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن ابي بردة بن ابي موسى، عن ابيه، قال يا بنى لو رايتنا ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم واصابتنا السماء لحسبت ان ريحنا ريح الضان . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . ومعنى هذا الحديث انه كان ثيابهم الصوف فكان اذا اصابهم المطر يجيء من ثيابهم ريح الضان .
২৪৮২. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ বুরদা ইবন আবূ মূসা তার পিতা আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি তার পুত্রকে বলেছিলেনঃ হে বৎস, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বৃষ্টি ভেজা অবস্থায় যদি তুমি আমাদের দেখতে তবে অবশ্যই তুমি আমাদের শরীরের গন্ধকে ভেড়ার গন্ধ বলে মনে করতে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ। হাদীসটির মর্ম হল, তাঁদের কাপড়-চোপড় ছিল পশমের। বৃষ্টিতে ভিজলে তা থেকে ভেড়ার গন্ধ আসত।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ। হাদীসটির মর্ম হল, তাঁদের কাপড়-চোপড় ছিল পশমের। বৃষ্টিতে ভিজলে তা থেকে ভেড়ার গন্ধ আসত।
হাদিস নং: ২৪৮৩
হাসান (Hasan)
حدثنا عباس بن محمد الدوري، حدثنا عبد الله بن يزيد المقرى، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، عن ابي مرحوم عبد الرحيم بن ميمون، عن سهل بن معاذ بن انس الجهني، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ترك اللباس تواضعا لله وهو يقدر عليه دعاه الله يوم القيامة على رءوس الخلاىق حتى يخيره من اى حلل الايمان شاء يلبسها " . هذا حديث حسن . ومعنى قوله " حلل الايمان " . يعني ما يعطى اهل الايمان من حلل الجنة .
২৪৮৩. আব্বাস ইবন মুহাম্মদ দূরী (রহঃ) ...... সাহল ইবন মুআয ইবন আনাস যুহানী তার পিতা মুআয ইবন আনাস যুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সামর্থ থাকা সত্বেও যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিনয়ে মূল্যবান পোষাক পরা পরিত্যাগ করবে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন সকল সৃষ্টির সমক্ষে তাকে ডাকবেন এবং ঈমানদারদের যে কোন লেবাস তিনি পরিধান করতে চান তাকে পরিধান করার ইখতিয়ার দেওয়া হবে। হাসান, সহীহাহ ৭১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৪৮৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا زافر بن سليمان، عن اسراىيل، عن شبيب بن بشير، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " النفقة كلها في سبيل الله الا البناء فلا خير فيه " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . هكذا قال محمد بن حميد شبيب بن بشير وانما هو شبيب بن بشر .
২৪৮৪. মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ রাযী (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমারতের নির্মাণের ব্যয় ছাড়া বাকী সব ব্যয় আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় বলে গণ্য। ইমারত নির্মাণে কোন কল্যাণ নেই। যঈফ, যঈফা ১০৬১, তা’লিকুর রাগীব ২/১৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) তাঁর সনদে রাবীর নাম শাবীব ইবন বাশীর বলে উল্লেখৈ করেছেন। অথচ ইনি হলেন, শাবীব ইবন বিশর (রহঃ)।
এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) তাঁর সনদে রাবীর নাম শাবীব ইবন বাশীর বলে উল্লেখৈ করেছেন। অথচ ইনি হলেন, শাবীব ইবন বিশর (রহঃ)।
হাদিস নং: ২৪৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن ابي اسحاق، عن حارثة بن مضرب، قال اتينا خبابا نعوده وقد اكتوى سبع كيات فقال لقد تطاول مرضي ولولا اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تمنوا الموت " . لتمنيت وقال " يوجر الرجل في نفقته كلها الا التراب او قال في البناء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৪৮৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ..... হারিছা ইবন মুযাররিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমরা খাব্বাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর অসুস্থতার সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসলাম। তখন তিনি তাঁর শরীরে লোহার সাতটি দাগ লাগিয়ে রেখেছিলেন। তিনি বললেন অনেকদিন থেকে আমি পীড়িত। ’’তোমরা মৃত্যু কামনা করবে না’’ - নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্ত বাণীটি যদি আমি না শুনতাম তবে আজ অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম। রাসূলু্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ নির্মাণ কাজ ব্যতীত অন্যান্য ব্যয়ে ব্যক্তিকে ছওয়াব দেওয়া হয়। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৮৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا خالد بن طهمان ابو العلاء، حدثنا حصين، قال جاء ساىل فسال ابن عباس فقال ابن عباس للساىل اتشهد ان لا، اله الا الله قال نعم . قال اتشهد ان محمدا رسول الله قال نعم . قال وتصوم رمضان قال نعم . قال سالت وللساىل حق انه لحق علينا ان نصلك . فاعطاه ثوبا ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من مسلم كسا مسلما ثوبا الا كان في حفظ الله ما دام منه عليه خرقة " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
২৪৮৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ কোন এক ভিক্ষুক ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে কিছু ছওয়াল করল। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই? সে বললঃ হ্যাঁ।
তিনি বললেনঃ মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, তুমি কি এরও সাক্ষ্য দাও? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ রমাযানের সিয়াম পালন কর? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি আমার কাছে কিছু চেয়েছ। সওয়ালকারীর অবশ্যই হক রয়েছে। তোমাকে কিছু দান করা অবশ্যই আমাদের উপর কর্তব্য।
এরপর তিনি তাকে একটি কাপড় দিলেন। পরে বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কোন মুসলিম যদি অপর কোন মুসলিমকে বস্ত্র পরিধান করায় তবে যতদিন পর্যন্ত এর একটি টুকরাও বাকী থাকবে সেই (দাতা) ব্যক্তি আল্লাহর হিফাযতে থাকবে। যঈফ, মিশকাত ১৯২০, তা’লীকুর রাগীব ৩/১১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান এবং এ সূত্রে গারীব।
তিনি বললেনঃ মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, তুমি কি এরও সাক্ষ্য দাও? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ রমাযানের সিয়াম পালন কর? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি আমার কাছে কিছু চেয়েছ। সওয়ালকারীর অবশ্যই হক রয়েছে। তোমাকে কিছু দান করা অবশ্যই আমাদের উপর কর্তব্য।
এরপর তিনি তাকে একটি কাপড় দিলেন। পরে বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কোন মুসলিম যদি অপর কোন মুসলিমকে বস্ত্র পরিধান করায় তবে যতদিন পর্যন্ত এর একটি টুকরাও বাকী থাকবে সেই (দাতা) ব্যক্তি আল্লাহর হিফাযতে থাকবে। যঈফ, মিশকাত ১৯২০, তা’লীকুর রাগীব ৩/১১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান এবং এ সূত্রে গারীব।
হাদিস নং: ২৪৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، ومحمد بن جعفر، وابن ابي عدي، ويحيى بن سعيد، عن عوف بن ابي جميلة الاعرابي، عن زرارة بن اوفى، عن عبد الله بن سلام، قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة انجفل الناس اليه وقيل قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فجىت في الناس لانظر اليه فلما استبنت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم عرفت ان وجهه ليس بوجه كذاب وكان اول شيء تكلم به ان قال " ايها الناس افشوا السلام واطعموا الطعام وصلوا والناس نيام تدخلون الجنة بسلام " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
২৪৮৭. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবন সালাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় এলেন তখন লোকেরা দ্রুত তাঁর দিকে ছুটে গেল। বলাবলি হতে লাগল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন। লোকদের মধ্যে আমিও তাঁকে দেখতে গেলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা যখন আমার সামনে প্রতিভাত হল আমি চিনে ফেললাম যে, এ চেহারা কোন মিথ্যাবাদীর চেহারা নয়। তিনি প্রথম যে কথা উচ্চারণ করলেন তা হলঃ হে লোক সকল, তোমরা সালামের প্রসার ঘটাবে, লোকদের খাদ্য দিবে, মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকবে (শেষ রাতে) তখন তাহাজ্জুদের সালাত (নামায) আদায় করবে। তাহলে তোমরা শান্তি ও নিরাপদে জান্নাতে দাখেল হতে পারবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৩৩৪,৩২৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا محمد بن معن المدني الغفاري، حدثني ابي، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الطاعم الشاكر بمنزلة الصاىم الصابر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৪৮৮. ইসহাক ইবন মূসা আনসারী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শুকরগুযার আহারকারীর মর্যাদা হল ধৈর্যশীল সাওম পালনকারীর মত। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৭৬৪, ১৭৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسين بن الحسن المروزي، بمكة حدثنا ابن ابي عدي، حدثنا حميد، عن انس، قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة اتاه المهاجرون فقالوا يا رسول الله ما راينا قوما ابذل من كثير ولا احسن مواساة من قليل من قوم نزلنا بين اظهرهم لقد كفونا المونة واشركونا في المهنا حتى خفنا ان يذهبوا بالاجر كله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا ما دعوتم الله لهم واثنيتم عليهم " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح حسن غريب من هذا الوجه .
২৪৮৯. হুসায়ন ইবন হাসান মারওয়াযী (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় এলেন তখন মুহাজিরগণ তাঁর কাছে এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যে জাতির কাছে এসেছি তাদের মত প্রাচুর্যের অবস্থায় এবং অপ্রাচুর্যের অবস্থায় (আল্লাহর পথে) এত ব্যয় করতে এবং এত উত্তম সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে আর কাউকে আমরা দেখিনি। তারা আমাদের সকল প্রয়োজনে যথেষ্ট ছিলেন এবং তাদের শ্রমলব্ধ সম্পদে আমাদের অংশীদার বানিয়েছেন। এমনকি আমাদের আশংকা হচ্ছে যে সব ছাওয়াব তারাই নিয়ে যাবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ শোন যতদিন তোমরা তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করবে এবং তাদের প্রশংসা করবে (ততদিন তোমাদেরও ছওয়াব হতে থাকবে)। সহীহ, মিশকাত ৩২০৬, তা’লীকুর রাগীব ২/৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৪৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن موسى بن عقبة، عن عبد الله بن عمرو الاودي، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا اخبركم بمن يحرم على النار او بمن تحرم عليه النار على كل قريب هين لين سهل " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৪৯০. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কে জাহান্নামের জন্য হারাম এবং কার জন্য জাহান্নাম হারাম সে খবর তোমাদের দিব কি? সে হল যে মানুষের নিকটবর্তী এবং সহজ-সরল ও কোমল। সহীহ, সহিহাহ ৯৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৪৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن الحكم، عن ابراهيم، عن الاسود بن يزيد، قال قلت لعاىشة اى شيء كان النبي صلى الله عليه وسلم يصنع اذا دخل بيته قالت كان يكون في مهنة اهله فاذا حضرت الصلاة قام فصلى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৪৯১. হান্নাদ (রহঃ) ... আসওয়াদ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আইশা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ঘরে আসতেন তখন কি করতেন? তিনি বললেন, পরিজনের কাজে থাকতেন। সালাতের সময় হলে উঠে যেতেন এবং সালাত আদায় করতেন। সহীহ, মুখতাসার শামাইল ২৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৯২
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عمران بن زيد التغلبي، عن زيد العمي، عن انس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا استقبله الرجل فصافحه لا ينزع يده من يده حتى يكون الرجل الذي ينزع ولا يصرف وجهه عن وجهه حتى يكون الرجل هو الذي يصرفه ولم ير مقدما ركبتيه بين يدى جليس له . قال هذا حديث غريب .
২৪৯২. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যখন কারো সাক্ষাৎ হত এবং সে তার সঙ্গে মুসাফাহা করত তখন ঐ ব্যক্তি নিজে তার হাত টেনে না নেওয়া পর্যন্ত তিনি তার হাত ঐ ব্যক্তির হাত থেকে টেনে নিতেন না, ঐ ব্যক্তি নিজে তার চেহারা ফিরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত তিনি তাঁর চেহারা ঐ ব্যক্তির চেহারা থেকে ফিরিয়ে নিতেন না, তিনি তাঁর সামনে বসা লোকদের দিকে কখনও পা বাড়িয়ে বসতেন না। দুর্বল; তবে মুসাফার অংশটুকু সহিহ, ইবনু মাজাহ ৩৭১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি গারীব।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি গারীব।
হাদিস নং: ২৪৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن عطاء بن الساىب، عن ابيه، عن عبد الله بن عمرو، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خرج رجل ممن كان قبلكم في حلة له يختال فيها فامر الله الارض فاخذته فهو يتجلجل فيها او قال يتلجلج فيها الى يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
২৪৯৩. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী যুগের জনৈক ব্যক্তি তার মুল্যবান এক জোড়া পোষাক পরে গর্বিত বেশে বের হলে আল্লাহ তা’আলা যমীনকে নির্দেশ দিলেন ফলে যমীন তাকে গ্রাস করে নেয়, সে কিয়ামত পর্যন্ত এতে প্রোথিত হথে থাকবে।
সহীহ, আস-সহিহ আল জামি’ ৩২১৭, বুখারী, মুসলিম আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি সহীহ।
সহীহ, আস-সহিহ আল জামি’ ৩২১৭, বুখারী, মুসলিম আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৯৪
হাসান (Hasan)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن محمد بن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يحشر المتكبرون يوم القيامة امثال الذر في صور الرجال يغشاهم الذل من كل مكان فيساقون الى سجن في جهنم يسمى بولس تعلوهم نار الانيار يسقون من عصارة اهل النار طينة الخبال " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৪৯৪. সুয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ..... আমর ইবন শু’আয়ব তার পিতা তার পিতামহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন অহংকারীদিগকে মানুষের সূরতে পিপীলিকার ন্যায় একত্রিত করা হবে। সব দিক থেকে লাঞ্চনা তাদেরকে আচ্ছাদিত করে ফেলবে। জাহান্নামের বূলাছ নামীয় বন্দীখানায় তাদের হাকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কঠিন অগ্নি তাদের গ্রাস নিবে। জাহান্নামীদের পূতি গন্ধময় পূজ রক্ত ইত্যাদি তাদের পান করান হবে। হাসান, মিশকাত তাহকিক ছানী ৫১১২, তা’লিকুর রাগীব ৪/১৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৯৫
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، وعباس بن محمد الدوري، قالا حدثنا عبد الله بن يزيد المقرى، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، حدثني ابو مرحوم عبد الرحيم بن ميمون، عن سهل بن معاذ بن انس، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من كظم غيظا وهو يقدر على ان ينفذه دعاه الله على رءوس الخلاىق يوم القيامة حتى يخيره في اى الحور شاء " . قال هذا حديث حسن غريب .
২৪৯৫. আবদ ইবন হুমায়দ ও আব্বাস ইবন মুহাম্মদী দূরী (রহঃ) ..... সাহল ইবন মুআয ইবন আনাস তার পিতা মুআয ইবন আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্রোধ কার্যকরী করার ক্ষমতা থাকা সত্বেও যদি তার ক্রোধ সংবরণ করে তবে আল্লাহ তা’আলা সকল মানুষের সমক্ষে তাকে ডাকবেন এবং যে কোন হূরকে সে চায় তা গ্রহণের তাকে ইখতিয়ার দিবেন। হাসান, রওযুন নাযীর ৪৮১, ৮৫৪, তা’লিকুর রাগীব ৩/২৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৯৬
জাল (Fake)
حدثنا سلمة بن شبيب، حدثنا عبد الله بن ابراهيم الغفاري المدني، حدثني ابي، عن ابي بكر بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ثلاث من كن فيه نشر الله عليه كنفه وادخله جنته رفق بالضعيف وشفقة على الوالدين واحسان الى المملوك " قال هذا حديث حسن غريب . وابو بكر بن المنكدر هو اخو محمد بن المنكدر .
২৪৯৬. সালমা ইবন শাবীব (রহঃ) ....... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মাঝে এই তিনটি গুন আছে আল্লাহ তা’আলা তার মাঝে স্বীয় রহমতের বাজু প্রসারিত করবেন এবং তাকে জান্নাতে দাখেল করবেন। গুনগুলো হলঃ দুর্বলদের সাথে নরম ব্যবহার, পিতা-মাতার উপর মায়া প্রদর্শন এবং দাসদের প্রতি সদ্ব্যহার। মাওযূ, যঈফা ৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৪৯৭
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن ليث، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن ابي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله تعالى يا عبادي كلكم ضال الا من هديته فسلوني الهدى اهدكم وكلكم فقير الا من اغنيت فسلوني ارزقكم وكلكم مذنب الا من عافيت فمن علم منكم اني ذو قدرة على المغفرة فاستغفرني غفرت له ولا ابالي ولو ان اولكم واخركم وحيكم وميتكم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا على اتقى قلب عبد من عبادي ما زاد ذلك في ملكي جناح بعوضة ولو ان اولكم واخركم وحيكم وميتكم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا على اشقى قلب عبد من عبادي ما نقص ذلك من ملكي جناح بعوضة ولو ان اولكم واخركم وحيكم وميتكم ورطبكم ويابسكم اجتمعوا في صعيد واحد فسال كل انسان منكم ما بلغت امنيته فاعطيت كل ساىل منكم ما سال ما نقص ذلك من ملكي الا كما لو ان احدكم مر بالبحر فغمس فيه ابرة ثم رفعها اليه ذلك باني جواد ماجد افعل ما اريد عطاىي كلام وعذابي كلام انما امري لشيء اذا اردته ان اقول له كن فيكون " . قال هذا حديث حسن . وروى بعضهم هذا الحديث عن شهر بن حوشب عن معديكرب عن ابي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
২৪৯৭ হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ
হে আমার বান্দাগণ, তোমরা তো সবাই পথ হারা যাকে আমি হেদায়েত করি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে হেদায়েত চাও তোমাদের আমি হেদায়েত করব। তোমরা তো সবাই অভাবী আমি যাকে ধনবান করেছি সে ছাড়া। তোমরা আমার কাছেই প্রার্থনা কর আমি তোমাদের রিযক দান করব। তোমরা তো সবাই গুনাহগার যাকে আমি রক্ষা করি, সে ছাড়া। সুতরাং তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি এই কথা জানে আমি ক্ষমার শক্তি রাখি এবং যে আমার কাছেই ক্ষমা চায়, আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।
আর আমি পরওয়া করি না। যদি তোমাদের প্রথম এবং শেষ জন, জীবীত ও মৃত, স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল সকলেই মিলে আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী তাকওয়ার অধিকারী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয় যায় তা একটি মশার পাখনা পরিমাণও আমার রাজ্যে বৃদ্ধি ঘটাবে না। আর তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি, স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল, জীবীত ও মৃত সকলেই মিলে যদি আমার বান্দাদের সবচেয়ে নিকৃষ্ট হৃদয়াধিকারী ব্যক্তির মত হয়ে যায় তবে তা একটি মশার পাখনা পরিমাণও আমার রাজ্যে হ্রাস ঘটাবে না।
তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি, স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল, জীবীত ও মৃত সকলেই মিলে যদি একই ময়দানে একত্রিত হয় আর প্রত্যেকেই যদি তার কামনা-বাসনার চুড়ান্ত মত আমার কাছে প্রার্থনা করে আর আমি প্রত্যেককেই তার প্রার্থনানুসারে দেই তবে তা আমার রাজ্যের কিছুই কমাতে পারবে না। কেবল ততটুকুই পারবে তোমাদের কেউ যদি সমুদ্র অতিক্রম করে আর তাতে একটি সুচ ঢুকায় এরপর তা উঠিয়ে নেয় তবে যতটুকু সমুদ্রের পানিতে হ্রাস ঘটবে। কারণ আমি তো দানশীল, অভাবমুক্ত ও মহান। যা ইচ্ছা তা করি। আমার দান হল আমার কথা, আমার আযাব হল নির্দেশ। আমার ব্যাপার তো হল যখন কিছুর ইরাদা করি তখন বলি ’’হও’’ আর তা হয়ে যায়।
এই বর্ণনাটি যঈফ, তবে হাদিসের অধিকাংশই সহিহ, মুসলিম, ইবনু মজাহ ৪২৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান। কোন কোন রাবী এ হাদীসটিকে শাহর ইবন হাওশাব ... মা’দীকারিব ... আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছন।
হে আমার বান্দাগণ, তোমরা তো সবাই পথ হারা যাকে আমি হেদায়েত করি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে হেদায়েত চাও তোমাদের আমি হেদায়েত করব। তোমরা তো সবাই অভাবী আমি যাকে ধনবান করেছি সে ছাড়া। তোমরা আমার কাছেই প্রার্থনা কর আমি তোমাদের রিযক দান করব। তোমরা তো সবাই গুনাহগার যাকে আমি রক্ষা করি, সে ছাড়া। সুতরাং তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি এই কথা জানে আমি ক্ষমার শক্তি রাখি এবং যে আমার কাছেই ক্ষমা চায়, আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।
আর আমি পরওয়া করি না। যদি তোমাদের প্রথম এবং শেষ জন, জীবীত ও মৃত, স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল সকলেই মিলে আমার বান্দাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী তাকওয়ার অধিকারী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয় যায় তা একটি মশার পাখনা পরিমাণও আমার রাজ্যে বৃদ্ধি ঘটাবে না। আর তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি, স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল, জীবীত ও মৃত সকলেই মিলে যদি আমার বান্দাদের সবচেয়ে নিকৃষ্ট হৃদয়াধিকারী ব্যক্তির মত হয়ে যায় তবে তা একটি মশার পাখনা পরিমাণও আমার রাজ্যে হ্রাস ঘটাবে না।
তোমাদের প্রথম ও শেষ ব্যক্তি, স্বচ্ছল ও অস্বচ্ছল, জীবীত ও মৃত সকলেই মিলে যদি একই ময়দানে একত্রিত হয় আর প্রত্যেকেই যদি তার কামনা-বাসনার চুড়ান্ত মত আমার কাছে প্রার্থনা করে আর আমি প্রত্যেককেই তার প্রার্থনানুসারে দেই তবে তা আমার রাজ্যের কিছুই কমাতে পারবে না। কেবল ততটুকুই পারবে তোমাদের কেউ যদি সমুদ্র অতিক্রম করে আর তাতে একটি সুচ ঢুকায় এরপর তা উঠিয়ে নেয় তবে যতটুকু সমুদ্রের পানিতে হ্রাস ঘটবে। কারণ আমি তো দানশীল, অভাবমুক্ত ও মহান। যা ইচ্ছা তা করি। আমার দান হল আমার কথা, আমার আযাব হল নির্দেশ। আমার ব্যাপার তো হল যখন কিছুর ইরাদা করি তখন বলি ’’হও’’ আর তা হয়ে যায়।
এই বর্ণনাটি যঈফ, তবে হাদিসের অধিকাংশই সহিহ, মুসলিম, ইবনু মজাহ ৪২৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান। কোন কোন রাবী এ হাদীসটিকে শাহর ইবন হাওশাব ... মা’দীকারিব ... আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছন।