অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সুনান আত তিরমিজী
তিনটি কারনের কোন একটি ছাড়া মুসলিম ব্যক্তির খুন হালাল নয়।
মোট ১১২ টি হাদিস
হাদিস নং: ২২৬১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، انبانا شعبة، عن الاعمش، وحماد، وعاصم بن بهدلة، سمعوا ابا واىل، عن حذيفة، قال قال عمر ايكم يحفظ ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الفتنة فقال حذيفة انا . قال حذيفة فتنة الرجل في اهله وماله وولده وجاره يكفرها الصلاة والصوم والصدقة والامر بالمعروف والنهى عن المنكر . فقال عمر لست عن هذا اسالك ولكن عن الفتنة التي تموج كموج البحر قال يا امير المومنين ان بينك وبينها بابا مغلقا . قال عمر ايفتح ام يكسر قال بل يكسر . قال اذا لا يغلق الى يوم القيامة . قال ابو واىل في حديث حماد فقلت لمسروق سل حذيفة عن الباب فساله فقال عمر . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
২২৬১. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন বললেনঃ ফিতনা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলে গিয়েছিলেন সে বিষযে তোমাদের কার বেশী মনে আছে?
হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমার। কোন ব্যক্তির পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি ও প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে যে ফিতনা অর্থাৎ ত্রুটি-বিচ্যুতি হয় সে সবগুলোর তো সালাত (নামায), সাওম, সাদাকা, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ (ইত্যাদি নেক আমল) দ্বারা কাফফারা হয়ে যায়।
’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এ বিষয়ে আপনার কাছে আমি জানতে চাচ্ছি না। আমি তো জানতে চাই সে ফিতনা সম্পর্কে যা সমুদ্রের তরঙ্গের ন্যায় তরঙ্গ তুলে আসবে।
তিনি বললেনঃ হে আমীরুল মু’মিনীন, আপনার এবং ঐ ফিতনার মাঝে একটি রুদ্ধ কপাট আছে।
’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তা কি খোলা হবে, না ভাঙ্গা হবে?
তিনি বললেনঃ না, তা ভাঙ্গা হবে।
’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তাহলে তো কিয়ামত পর্যন্ত আর তা বন্ধ হবে না।
হাম্মাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছে যে, আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেন, আমি মাসরূককে বললাম, হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে কপাটটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন, তিনি তখন হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তা হল স্বয়ং ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৫৫, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ।
হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আমার। কোন ব্যক্তির পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি ও প্রতিবেশীর ক্ষেত্রে যে ফিতনা অর্থাৎ ত্রুটি-বিচ্যুতি হয় সে সবগুলোর তো সালাত (নামায), সাওম, সাদাকা, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ (ইত্যাদি নেক আমল) দ্বারা কাফফারা হয়ে যায়।
’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এ বিষয়ে আপনার কাছে আমি জানতে চাচ্ছি না। আমি তো জানতে চাই সে ফিতনা সম্পর্কে যা সমুদ্রের তরঙ্গের ন্যায় তরঙ্গ তুলে আসবে।
তিনি বললেনঃ হে আমীরুল মু’মিনীন, আপনার এবং ঐ ফিতনার মাঝে একটি রুদ্ধ কপাট আছে।
’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তা কি খোলা হবে, না ভাঙ্গা হবে?
তিনি বললেনঃ না, তা ভাঙ্গা হবে।
’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তাহলে তো কিয়ামত পর্যন্ত আর তা বন্ধ হবে না।
হাম্মাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছে যে, আবূ ওয়াইল (রহঃ) বলেন, আমি মাসরূককে বললাম, হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে কপাটটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন, তিনি তখন হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তা হল স্বয়ং ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৫৫, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২২৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثني محمد بن عبد الوهاب، عن مسعر، عن ابي حصين، عن الشعبي، عن عاصم العدوي، عن كعب بن عجرة، قال خرج الينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن تسعة خمسة واربعة احد العددين من العرب والاخر من العجم فقال " اسمعوا هل سمعتم انه سيكون بعدي امراء فمن دخل عليهم فصدقهم بكذبهم واعانهم على ظلمهم فليس مني ولست منه وليس بوارد على الحوض ومن لم يدخل عليهم ولم يعنهم على ظلمهم ولم يصدقهم بكذبهم فهو مني وانا منه وهو وارد على الحوض " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح غريب لا نعرفه من حديث مسعر الا من هذا الوجه .
قال هارون فحدثني محمد بن عبد الوهاب، عن سفيان، عن ابي حصين، عن الشعبي، عن عاصم العدوي، عن كعب بن عجرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
قال هارون وحدثني محمد، عن سفيان، عن زبيد، عن ابراهيم، وليس، بالنخعي عن كعب بن عجرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث مسعر . قال وفي الباب عن حذيفة .
قال هارون فحدثني محمد بن عبد الوهاب، عن سفيان، عن ابي حصين، عن الشعبي، عن عاصم العدوي، عن كعب بن عجرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
قال هارون وحدثني محمد، عن سفيان، عن زبيد، عن ابراهيم، وليس، بالنخعي عن كعب بن عجرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث مسعر . قال وفي الباب عن حذيفة .
২২৬২. হারূন ইবন ইসহাক হামদানী (রহঃ) ....... কা’ব ইবন উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুজরা থেকে আমাদের কাছে বের হয়ে এলেন। আমরা সেখানে ছিলাম নয় জন। পাঁচজন আরব আর চারজন আনারব (বা এর বিপরীত)। তিনি বললেনঃ তোমরা শোন, তোমরা কি শুনেছ যে আমার মৃত্যুর পরে অচিরেই এমন কিছু শাসক হবে, যারা তাদের কাছে যাবে এবং তাদের মিথ্যাচারকে সমর্থন করবে আর তাদের যুলুমে তাদের সহযোগীতা করবে তারা আমার নয় এবং আমিও তাদের নই। তারা হাওযে কাওছারে আমার কাছে পৌছাতে পারবে না। কিন্তু যারা তাদের কাছে যাবে না, তাদের যুলুমের ক্ষেত্রে তাদের সহযোগীতা করবে না এবং তাদের মিথ্যাচারের সমর্থন করবেনা তারা আমার আর আমিও তাদের, তারা হাওযে কাওছারে আমার কাছে আসতে পারবে। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি সহীহ-গারীব। মিসআর (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি এ সূত্র ছাড়া আমাদের কিছু জানা নেই। হারূন (রহঃ) বলেনঃ মুহাম্মদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব-সুফইয়ান-আবূ হুসায়ন-শা’বী-আসীম আদাবী-কা’ব ইবন উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হারূন (রহঃ) বলেন, মুহাম্মদ (রহঃ) এটিকে সুফইয়ান-যুবায়দ-ইবরাহীম, ইনি নাখঈ নন-কা’ব ইবন উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মিসআর (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের (২২৬০ নং) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে হুযাইফা ও ইবন ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি সহীহ-গারীব। মিসআর (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি এ সূত্র ছাড়া আমাদের কিছু জানা নেই। হারূন (রহঃ) বলেনঃ মুহাম্মদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব-সুফইয়ান-আবূ হুসায়ন-শা’বী-আসীম আদাবী-কা’ব ইবন উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হারূন (রহঃ) বলেন, মুহাম্মদ (রহঃ) এটিকে সুফইয়ান-যুবায়দ-ইবরাহীম, ইনি নাখঈ নন-কা’ব ইবন উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মিসআর (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের (২২৬০ নং) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে হুযাইফা ও ইবন ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২২৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسماعيل بن موسى الفزاري ابن بنت السدي الكوفي، حدثنا عمر بن شاكر، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ياتي على الناس زمان الصابر فيهم على دينه كالقابض على الجمر " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . وعمر بن شاكر شيخ بصري قد روى عنه غير واحد من اهل العلم .
২২৬৩. ইসমাঈল ইবন মূসা ফাযারী ইবন বিনত কুফী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মানুষের এমন এক যামানা আসবে যে যামানায় দীনের উপর সুদৃঢ় ব্যক্তির অবস্থা হবে জ্বলন্ত অংগার মুষ্টিতে ধারণকারী ব্যক্তির মত।
সহীহ, সহিহাহ ৯৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। একাধিক হাদীস বিশেষজ্ঞ আলিম ’উমার ইবন শাকিব (রহঃ)-এর বরাতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইনি হলেন একজ বসরাবাসী মুহাদ্দিস।
সহীহ, সহিহাহ ৯৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। একাধিক হাদীস বিশেষজ্ঞ আলিম ’উমার ইবন শাকিব (রহঃ)-এর বরাতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইনি হলেন একজ বসরাবাসী মুহাদ্দিস।
হাদিস নং: ২২৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا موسى بن عبد الرحمن الكندي الكوفي، حدثنا زيد بن حباب، اخبرني موسى بن عبيدة، حدثني عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا مشت امتي المطيطياء وخدمها ابناء الملوك ابناء فارس والروم سلط شرارها على خيارها " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وقد رواه ابو معاوية عن يحيى بن سعيد الانصاري .
حدثنا بذلك، محمد بن اسماعيل الواسطي حدثنا ابو معاوية، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . ولا يعرف لحديث ابي معاوية عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر اصل انما المعروف حديث موسى بن عبيدة . وقد روى مالك بن انس هذا الحديث عن يحيى بن سعيد مرسلا ولم يذكر فيه عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر .
حدثنا بذلك، محمد بن اسماعيل الواسطي حدثنا ابو معاوية، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . ولا يعرف لحديث ابي معاوية عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر اصل انما المعروف حديث موسى بن عبيدة . وقد روى مالك بن انس هذا الحديث عن يحيى بن سعيد مرسلا ولم يذكر فيه عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر .
২২৬৪. মূসা ইবন আবদুর রাহমান কিন্দী (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাত যখন দর্পভরে হাটবে এবং বাদশাহযাদারা অর্থাৎ ইরান ও রোম সম্রাটের বংশধররা তাদের খেদমতে নিয়োজিত হবে তখন তাদের উত্তম লোকদের উপর দুষ্টু লোকদের কর্তৃত্ব চাপিয়ে দেওয়া হবে।
সহীহ, সহিহাহ ৯৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। আবূ মুআবিয়া (রহঃ) এটি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর করাতে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ওয়াসিতী (রহঃ) ইবন’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
আবূ মুআবিয়া-ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ-আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটির মূল সম্পর্কে কিছু জানা নাই। মূসা ইবন উবায়দা-এর রিওয়ায়াতটি (২২৬৪ নং) হল প্রসিদ্ধ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) এর বরাতে মূরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। এ সনদে তিনি আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
সহীহ, সহিহাহ ৯৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। আবূ মুআবিয়া (রহঃ) এটি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর করাতে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ওয়াসিতী (রহঃ) ইবন’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
আবূ মুআবিয়া-ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ-আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটির মূল সম্পর্কে কিছু জানা নাই। মূসা ইবন উবায়দা-এর রিওয়ায়াতটি (২২৬৪ নং) হল প্রসিদ্ধ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) এর বরাতে মূরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। এ সনদে তিনি আবদুল্লাহ ইবন দীনার-ইবন ’উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ২২৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا حميد الطويل، عن الحسن، عن ابي بكرة، قال عصمني الله بشيء سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم لما هلك كسرى قال " من استخلفوا " . قالوا ابنته . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لن يفلح قوم ولوا امرهم امراة " . قال فلما قدمت عاىشة يعني البصرة ذكرت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فعصمني الله به . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
২২৬৫. মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ...... আবু বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এমন একটি বিষয় আমি শুনেছিলাম যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাকে রক্ষা করেছিলেন। কিসরা নিহত হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের জিজ্ঞাসা করলেন যে, তারা কাকে উত্তরাধিকারী নিযুক্ত করেছে? লোকেরা বললঃ তার কন্যাকে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে সম্প্রদায় নারীকে কর্তৃত্বাধিকারী বানায় সে সম্প্রদায়ের কখনো কল্যাণ হতে পারে না।
এরপর আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন (আলী (রাঃ) এর বিরুদ্ধে সেনাদল নিয়ে) বসরা আগমন করেন তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঐ বানী স্মরণ করলাম। তারপর এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাকে (আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বিরুদ্ধ করা থেকে) বাঁচিয়ে নিলেন। সহীহ, ইরওয়া ২৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এরপর আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন (আলী (রাঃ) এর বিরুদ্ধে সেনাদল নিয়ে) বসরা আগমন করেন তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঐ বানী স্মরণ করলাম। তারপর এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাকে (আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বিরুদ্ধ করা থেকে) বাঁচিয়ে নিলেন। সহীহ, ইরওয়া ২৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২২৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم وقف على اناس جلوس فقال " الا اخبركم بخيركم من شركم " . قال فسكتوا فقال ذلك ثلاث مرات فقال رجل بلى يا رسول الله اخبرنا بخيرنا من شرنا . قال " خيركم من يرجى خيره ويومن شره وشركم من لا يرجى خيره ولا يومن شره " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২২৬৬. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিছু সংখ্যক উপবিষ্ট লোকের মাঝে এসে দাঁড়ালেন। বললেনঃ তোমাদের মাঝে সবচেয়ে মন্দ এবং সবচেয়ে ভাল কে সে সম্পর্কে তোমাদে অবহিত করব কি? তিনি এরূপ তিনবার বললেন। শেষে একজন বললেনঃ অবশ্যই ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের অবহিত করুন আমাদের সবচেয়ে উত্তম কে এবং সবচেয়ে মন্দ কে? তিনি বললেনঃ তোমাদের মাঝে উত্তম হল সেই ব্যক্তি যার কল্যাণের আশা করা হয় এবং যার অনিষ্ট থেকে সকলেই নিরাপদ থাকে। আর তোমাদের মাঝে মন্দ হল সেই ব্যক্তি যার থেকে কল্যাণের কোন আশা করা যায় না এবং যার অনিষ্ট থেকে কেউ নিরাপদ বোধ করে না।
সহীহ, মিশকাত ৪৯৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, মিশকাত ৪৯৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২২৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا محمد بن ابي حميد، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، عن عمر بن الخطاب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الا اخبركم بخيار امراىكم وشرارهم خيارهم الذين تحبونهم ويحبونكم وتدعون لهم ويدعون لكم وشرار امراىكم الذين تبغضونهم ويبغضونكم وتلعنونهم ويلعنونكم " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث محمد بن ابي حميد . ومحمد يضعف من قبل حفظه .
২২৬৭. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... উমার ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের সবচেয়ে ভাল শাসক এবং মন্দ শাসক সম্পর্কে তোমাদের অবহিত করব কি? সবচেয়ে ভাল আমীর হলেন তারা যাদের তোমরা ভালবাস এবং যারা তোমাদেরকেও ভালবাসে, যাদের জন্য তোমরা দুআ কর এবং যারা তোমাদের জন্য দুআ করে। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট আমীর হল তারা যাদের তোমরা ঘৃণা কর এবং যারা তোমাদের ঘৃণা করে। যাদের তোমরা লা’নত কর এবং যারা তোমাদের লা’নত করে।
সহীহ, সহিহাহ ৯০৭, মুসলিম প্রশ্নের উল্লেখ ব্যতীত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন আবূ হুমায়দ (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আর মুহাম্মদ তাঁর স্মরণ শক্তির দিক থেকে যঈফ বলে বিবেচ্য।
সহীহ, সহিহাহ ৯০৭, মুসলিম প্রশ্নের উল্লেখ ব্যতীত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন আবূ হুমায়দ (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আর মুহাম্মদ তাঁর স্মরণ শক্তির দিক থেকে যঈফ বলে বিবেচ্য।
হাদিস নং: ২২৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا هشام بن حسان، عن الحسن، عن ضبة بن محصن، عن ام سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انه سيكون عليكم اىمة تعرفون وتنكرون فمن انكر فقد برى ومن كره فقد سلم ولكن من رضي وتابع " . فقيل يا رسول الله افلا نقاتلهم قال " لا ما صلوا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২২৬৮. হাসান ইবন আলী খাল্লাল (রহঃ) ... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই তোমাদের এমন কিছু শাসক হবে যাদের কাছে কিছু আমল তো হবে ভাল এবং তাদের কিছু আমল হবে মন্দ। যে ব্যক্তি মন্দ কাজের প্রতিবাদ করবে সে মুক্তি পেয়ে যাবে, যে ব্যক্তি তাদের ঘৃণা করবে সেও বেঁচে যাবে কিন্তু যে ব্যক্তি তার উপর সন্তুষ্ট হবে এবং তার অনুসরণ করবে (তারা মুক্তি পাবে না)। বলা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না তিনি বললেনঃ না, যতদিন তারা সালাত (নামায) আদায় করবে। সহীহ, মুসলিম ৬/২৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২২৬৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن سعيد الاشقر، حدثنا يونس بن محمد، وهاشم بن القاسم، قالا حدثنا صالح المري، عن سعيد الجريري، عن ابي عثمان النهدي، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا كان امراوكم خياركم واغنياوكم سمحاءكم واموركم شورى بينكم فظهر الارض خير لكم من بطنها واذا كان امراوكم شراركم واغنياوكم بخلاءكم واموركم الى نساىكم فبطن الارض خير لكم من ظهرها " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث صالح المري . وصالح المري في حديثه غراىب ينفرد بها لا يتابع عليها وهو رجل صالح .
২২৬৯. আহমাদ ইবন সাঈদ আশকার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের সর্বোত্তম লোকরা হবে তোমাদের আমীর, ধনীরা হবে দানশীল, তোমাদের বিষয়াদি হবে পরামর্শ ভিত্তিক তখন যমীনের ভূ-পৃষ্ঠ তোমাদের জন্য উত্তম হবে তার ভূতল থেকে। আর যখন তোমাদের মন্দ লোকেরা হবে তোমাদের আমীর, ধনীরা হবে কৃপন আর বিষয়াদি হবে মেয়েদের হাতে ন্যাস্ত তখন যমীনের উদর হবে তোমাদের জন্য এর উপরিভাগ থেকে উত্তম। যঈফ, মিশকাত ৫৩৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। সালিহ মুররী (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। সালিহ-এর রিওয়ায়াত বহু গারীব, যার কোন সমর্থন পাওয়া যায় না। তবে তিনি একজন সৎ ব্যক্তি।
এ হাদীসটি গারীব। সালিহ মুররী (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। সালিহ-এর রিওয়ায়াত বহু গারীব, যার কোন সমর্থন পাওয়া যায় না। তবে তিনি একজন সৎ ব্যক্তি।
হাদিস নং: ২২৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابراهيم بن يعقوب الجوزجاني، حدثنا نعيم بن حماد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انكم في زمان من ترك منكم عشر ما امر به هلك ثم ياتي زمان من عمل منهم بعشر ما امر به نجا " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث نعيم بن حماد عن سفيان بن عيينة . قال وفي الباب عن ابي ذر وابي سعيد .
২২৭০. ইবরাহীম ইবন ইয়াকুব জুযাজানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা এমন এক যুগে আছ যে, তোমাদের কেউ যদি নির্দেশিত বিষয়ের এক দশমাংশও চেড়ে দেয় তবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। এরপর এমন এক যুগ আসছে যে, কেউ যদি নির্দেশিত বিষয়ের এক দশমাংশ আমল করে তবুও সে নাজাত পেয়ে যাবে। সহীহ, সহিহাহ ২৫১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। নু’আয়ম ইবন হাম্মাদ-সুফইয়ান ইবন উয়ায়না (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। এ বিষয়ে আবূ যার ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে্
এ হাদীসটি গারীব। নু’আয়ম ইবন হাম্মাদ-সুফইয়ান ইবন উয়ায়না (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। এ বিষয়ে আবূ যার ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে্
হাদিস নং: ২২৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال " ها هنا ارض الفتن واشار الى المشرق حيث يطلع جذل الشيطان " . او قال " قرن الشيطان " . هذا حديث حسن صحيح .
২২৭১. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে দাঁড়িয়ে পূর্বে দিকে ইশারা করে বললেনঃ ঐ দিকেই হল ফিতনার এলাকা যেখান থেকে শয়তানের শিং (কিংবা বলেছেন) সূর্যের কিনারার উদয় হয়। সহীহ, তাখরিজ ফাজা-ইলুশশাম হা/৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ২২৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২২৭২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا رشدين بن سعد، عن يونس، عن ابن شهاب الزهري، عن قبيصة بن ذويب، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تخرج من خراسان رايات سود لا يردها شيء حتى تنصب بايلياء " . هذا حديث غريب .
২২৭২. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খুরাসান থেকে (মাহদী (আঃ)-এর সমর্থনে) কৃষ্ণ বর্ণের পতাকাবাহী সৈন্যদল বের হবে। অবশেষে তা বায়তুল মুকাদ্দাসে স্থাপিত করা হবে। কোন কিছুই তা প্রতিহত করতে পারবে না। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি গারীব।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি গারীব।