হাদিস নং: ২০৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن حصين، عن الشعبي، عن عمران بن حصين، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا رقية الا من عين او حمة " . قال ابو عيسى وروى شعبة هذا الحديث عن حصين عن الشعبي عن بريدة عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
২০৬৩। ইবন আবূ উমার (রহঃ) ..... ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বদ নযর অথবা জ্বর ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে ঝাড়-ফুঁক নেই। সহীহ, মিশকাত ৪৫৫৭, বুখারী মাওকুফরূপে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
শুবা (রহঃ) এই হাদীসটিকে শা’বী-বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছন।
শুবা (রহঃ) এই হাদীসটিকে শা’বী-বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছন।
হাদিস নং: ২০৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا هشام بن يونس الكوفي، حدثنا القاسم بن مالك المزني، عن الجريري، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ من الجان وعين الانسان حتى نزلت المعوذتان فلما نزلتا اخذ بهما وترك ما سواهما . قال ابو عيسى وفي الباب عن انس . وهذا حديث حسن غريب .
২০৬৪। হিশাম ইবন ইউনুস কুফী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআওওযাতাইন নাযিল না হওয়া পর্যন্ত জীন এবং বদ নযর থেকে পানাহ চাইতেন। পরে সুরাদ্বয় নাযিল হওয়ার পর এই দু’টিকেই গ্রহণ করেন তা ছাড়া অন্য সব ছড়ে দেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ, ৩৫১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি হাসান-গারীব।
এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২০৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عروة، وهو ابو حاتم بن عامر عن عبيد بن رفاعة الزرقي، ان اسماء بنت عميس، قالت يا رسول الله ان ولد جعفر تسرع اليهم العين افاسترقي لهم فقال " نعم فانه لو كان شيء سابق القدر لسبقته العين " . قال ابو عيسى وفي الباب عن عمران بن حصين وبريدة . وهذا حديث حسن صحيح .
وقد روي هذا، عن ايوب، عن عمرو بن دينار، عن عروة بن عامر، عن عبيد بن رفاعة، عن اسماء بنت عميس، عن النبي صلى الله عليه وسلم . حدثنا بذلك الحسن بن علي الخلال، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ايوب، بهذا .
وقد روي هذا، عن ايوب، عن عمرو بن دينار، عن عروة بن عامر، عن عبيد بن رفاعة، عن اسماء بنت عميس، عن النبي صلى الله عليه وسلم . حدثنا بذلك الحسن بن علي الخلال، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ايوب، بهذا .
২০৬৫। ইবন আবূ উমার (রহঃ) ..... উবায়দ ইবন রিফাআ আয-যুরাকী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আসমা বিনত উমায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, জা’ফরের সন্তানদের খুব তাড়াতাড়ি নজর লাগে। আমি কি তাদের ঝাড়-ফুঁক করাতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কোন জিনিস যদি তকদীরকে অতিক্রম করার মত হত তবে বদ নযর তা অবশ্যই অতিক্রম করতে পারত। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইমরান ইবন হুসায়ন ও বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ। আইয়ূবআমর ইবন দীনার উরওয়া ইবন আমিরউবায়দ ইবন রিফা’ আঃআসমা বিনত উমায়স রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। হাসান ইবন আলী খাল্লাল (রহঃ) এটিকে আবদুর রাযযাকমা’মার আইয়ূব (রহঃ) থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে ইমরান ইবন হুসায়ন ও বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ। আইয়ূবআমর ইবন দীনার উরওয়া ইবন আমিরউবায়দ ইবন রিফা’ আঃআসমা বিনত উমায়স রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। হাসান ইবন আলী খাল্লাল (রহঃ) এটিকে আবদুর রাযযাকমা’মার আইয়ূব (রহঃ) থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২০৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، ويعلى، عن سفيان، عن منصور، عن المنهال بن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعوذ الحسن والحسين يقول " اعيذكما بكلمات الله التامة من كل شيطان وهامة ومن كل عين لامة " . ويقول " هكذا كان ابراهيم يعوذ اسحاق واسماعيل عليهم السلام " . حدثنا الحسن بن علي الخلال حدثنا يزيد بن هارون وعبد الرزاق عن سفيان عن منصور نحوه بمعناه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২০৬৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুসায়ন ও হাসানের জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। বলতেনঃ আল্লাহ তা’আলার পরিপূর্ণ যাত ও সিফাতের ওয়াসীলায় আমি তোমাদের উভয়ের জন্য আশ্যয় প্রার্থনা করছি প্রত্যেক শয়তান, জীবন নাশ কর বিষ, এবং প্রত্যেক ধরণের আপতিত বদ নযর থেকে। ইবরাহীম (আঃ)-ও (তাঁর পুত্র দ্বয়) ইসহাক ও ইসমাঈলের জন্য অনুরূপ আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ-৩৫২৫, বুখারী, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাসান ইবন আলী খাল্লাল (রহঃ) মানসুর (রহঃ) সূত্রে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাসান ইবন আলী খাল্লাল (রহঃ) মানসুর (রহঃ) সূত্রে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২০৬৭
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا ابو حفص، عمرو بن علي حدثنا يحيى بن كثير ابو غسان العنبري، حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى بن ابي كثير، حدثني حية بن حابس التميمي، حدثني ابي انه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا شىء في الهام والعين حق " .
২০৬৭. আবূ হাফস আমর ইবন আলী (রহঃ) ..... হায়্যা ইবন হাবিস তামীমী তার পিতা হাবিস তামীমী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ হাম* বলতে কিছু নাই। বদ নযর সত্য।
যঈফ, যঈফাহ ৪৮০৪, "বদ নযর সত্য" অংশটুকু সহীহ। সহীহাহ ১২৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
যঈফ, যঈফাহ ৪৮০৪, "বদ নযর সত্য" অংশটুকু সহীহ। সহীহাহ ১২৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
নোট: * হাম - পেঁচা। জাহেলী যুগের লোকদের ধারণা ছিল যে, মৃত ব্যক্তির আত্মা পেঁচার আকার ধারণ করে। পেঁচা সম্পর্কে তাদের নানাহ ধরণের কুসংস্কার ছিল।
হাদিস নং: ২০৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن الحسن بن خراش البغدادي، حدثنا احمد بن اسحاق الحضرمي، حدثنا وهيب، عن ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كان شيء سابق القدر لسبقته العين واذا استغسلتم فاغسلوا " . قال ابو عيسى وفي الباب عن عبد الله بن عمرو . وهذا حديث حسن صحيح غريب . وحديث حية بن حابس حديث غريب . وروى شيبان عن يحيى بن ابي كثير عن حية بن حابس عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم . وعلي بن المبارك وحرب بن شداد لا يذكران فيه عن ابي هريرة .
২০৬৮। আহমাদ ইবন হাসান ইবন খিরাশ আল-বাগদাদী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন জিনিস যদি তাকদীরকে পরাভূত করতে পারত তবে অবশ্যই বদ নযর তা পরাভূত করত। এই বিষয়ে কেউ যদি তোমাদের গোসল করাতে চায় তবে তোমরা গোসল করতে রাযী হয়ে যেও। সহিহ, সহিহাহ ১২৫১-১২৫২, আল কালিমুত তাইয়িব ২৪২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ আমর ইবন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদসটি হাসান-সহীহ-গারীব। হায়্যা ইবন হাবিস বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (২০৬৭ নং) গারীব। ইয়াহইয়া ইবন আবূ কাছীর ... হায়্যা ইবন হাবিস-তার পিতা হাবিস-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শায়বান (রহঃ)-ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন কিন্তু আলী ইবন মুবারক এবং হারব ইবন শাদ্দাদ এতে আবূ হুরয়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ আমর ইবন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদসটি হাসান-সহীহ-গারীব। হায়্যা ইবন হাবিস বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (২০৬৭ নং) গারীব। ইয়াহইয়া ইবন আবূ কাছীর ... হায়্যা ইবন হাবিস-তার পিতা হাবিস-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শায়বান (রহঃ)-ও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন কিন্তু আলী ইবন মুবারক এবং হারব ইবন শাদ্দাদ এতে আবূ হুরয়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ২০৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن جعفر بن اياس، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد الخدري، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فنزلنا بقوم فسالناهم القرى فلم يقرونا فلدغ سيدهم فاتونا فقالوا هل فيكم من يرقي من العقرب قلت نعم انا ولكن لا ارقيه حتى تعطونا غنما . قالوا فانا نعطيكم ثلاثين شاة . فقبلنا فقرات عليه (الحمد لله ) سبع مرات فبرا وقبضنا الغنم . قال فعرض في انفسنا منها شيء فقلنا لا تعجلوا حتى تاتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال فلما قدمنا عليه ذكرت له الذي صنعت قال " وما علمت انها رقية اقبضوا الغنم واضربوا لي معكم بسهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو نضرة اسمه المنذر بن مالك بن قطعة . ورخص الشافعي للمعلم ان ياخذ على تعليم القران اجرا ويرى له ان يشترط على ذلك . واحتج بهذا الحديث . وروى شعبة وابو عوانة وغير واحد عن ابي بشر هذا الحديث عن ابي المتوكل عن ابي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم .
২০৬৯. হান্নাদ (রহঃ) .... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে পাঠিয়েছিলেন। অনন্তর আমরা এক সম্প্রদায়ের এখানে মনযিল করলাম এবং তাদের নিকট আতিথ্য প্রার্থনা করলাম। কিন্তু তারা আমাদের মেহমানদারী করল না। পরে তাদের সর্দারকে বিচ্ছু দংশন করে। তখন তারা আমাদের কাছে এসে বললঃ তোমাদের কেউ কি বিচ্ছু কাটার মন্ত্র জানে? আমি বললামঃ হ্যাঁ, আমি জানি কিন্তু আমাদেরকে অনেক বকরী না দেওয়া পর্যন্ত আমি ঝাড়বনা। তারা বললঃ আমরা তোমাদেরকে ত্রিশটি বকরী দিব। অনন্তর আমরা রাযী হয়ে গেলাম। সাতবার আলহামদু লিল্লাহ সূরাটি পড়ে তাকে ঝাড়লাম। ফলে লোকটি ভাল হয়ে গেল এবং বকরী গুলোও আমাদের কবযায় নিয়ে এলাম।
আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের মনে কিছু সন্দেহের উদ্রেক হয়। তাইামরা বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা কেউ এগুলোর বিষয়ে ব্যস্ততা করবে না। পরে আমরা যখন তাঁর কাছে আসলাম তখন আমি যা করেছিলাম সব কিছু তাঁকে বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি কেমন করে জানলে যে এটিও ঝাড়-ফুঁকের বিষয়? বকরীগুলো নিয়ে নাও। আর তোমাদের সাথে আমাকেও একটি হিস্যা দিও। - সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১৫৬, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ নাযরা (রহঃ) এর নাম হল মুনযির ইবন মালিক ইবন কাতাআ। কুরআনের তালিম দিয়ে শিক্ষক পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারবেন বলে ইমাম শাফিঈ অনুমতি দিয়েছেন। শিক্ষক এ ক্ষেত্রে শর্তও করতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন। এই হাদীসকে তিনি দলীল হিসাবে পেশ করেন। শু’বা, আবূ আওয়ানা প্রমুখ হাদীসটিকে আবুল মুতাওয়াক্কিল - আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের মনে কিছু সন্দেহের উদ্রেক হয়। তাইামরা বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা কেউ এগুলোর বিষয়ে ব্যস্ততা করবে না। পরে আমরা যখন তাঁর কাছে আসলাম তখন আমি যা করেছিলাম সব কিছু তাঁকে বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি কেমন করে জানলে যে এটিও ঝাড়-ফুঁকের বিষয়? বকরীগুলো নিয়ে নাও। আর তোমাদের সাথে আমাকেও একটি হিস্যা দিও। - সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১৫৬, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ নাযরা (রহঃ) এর নাম হল মুনযির ইবন মালিক ইবন কাতাআ। কুরআনের তালিম দিয়ে শিক্ষক পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারবেন বলে ইমাম শাফিঈ অনুমতি দিয়েছেন। শিক্ষক এ ক্ষেত্রে শর্তও করতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন। এই হাদীসকে তিনি দলীল হিসাবে পেশ করেন। শু’বা, আবূ আওয়ানা প্রমুখ হাদীসটিকে আবুল মুতাওয়াক্কিল - আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২০৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو موسى، محمد بن المثنى حدثني عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا شعبة، حدثنا ابو بشر، قال سمعت ابا المتوكل، يحدث عن ابي سعيد، ان ناسا، من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم مروا بحى من العرب فلم يقروهم ولم يضيفوهم فاشتكى سيدهم فاتونا فقالوا هل عندكم دواء قلنا نعم ولكن لم تقرونا ولم تضيفونا فلا نفعل حتى تجعلوا لنا جعلا . فجعلوا على ذلك قطيعا من الغنم . قال فجعل رجل منا يقرا عليه بفاتحة الكتاب فبرا فلما اتينا النبي صلى الله عليه وسلم ذكرنا ذلك له قال " وما يدريك انها رقية " . ولم يذكر نهيا منه وقال " كلوا واضربوا لي معكم بسهم " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح وهذا اصح من حديث الاعمش عن جعفر بن اياس . وهكذا روى غير واحد هذا الحديث عن ابي بشر جعفر بن ابي وحشية عن ابي المتوكل عن ابي سعيد . وجعفر بن اياس هو جعفر بن ابي وحشية .
২০৭০ আবূ মূসা মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) .... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদরে এক দল এক আরব কবীলার পাশ দিয়ে যচ্ছিলেন। কিন্তু তারা তাদের কোনরূপ মেহমানদারী বা আতিথ্য করল না। পরে তাদের সর্দার অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাবী বলেন, তখন তারা আমাদের কাছে এসে বললঃ তোমাদের কাছে কোন প্রতিষেধক আছে কি? আমরা বললামঃ হ্যাঁ আছে। কিন্তু তোমরা কোনরূপ মেহমানদারী বা আতিথ্য করনি। সুতরাং আমাদেরকে পারিশ্রমিক না দিলে আমরা চিকিৎসা করব না। তারা এক পাল বকরী এর পারিশ্রমিক নির্ধারন করল। তখন আমাদের একজন সূরা-ফাতিয়া পড়ে তাকে ঝাঢ়ল। ফলে লোকটি সুস্থ হয়ে গেল। পরে আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ফিরে এলাম তখন তাঁর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম তিনি বললেন, এ দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা যায় তা কি করে জানলে! কিন্তু তার পক্ষ থেকে তিনি এই বিষয়ে কোন নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ করেননি। বরং বললেনঃ তোমরা তা ভোগ কর এবং তোমাদের সাথে আমার জন্য একটি হিস্যা রেখ। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি সহীহ। আমাশ-জা’ফার ইবন ইয়াস বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (২০৬৯ নং) থেকে এটি অধিক সহীহ। একাধিক রাবী হাদীসটি আবূ বিশর জাফার ইবন আবূ ওয়াইশিয়া-আবুল মুতাওয়াককিল-আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। জা’ফার ইবন ইয়াস (রহঃ)-ই হলেন জা’ফার ইবন আবী ওয়াহশিয়া।
হাদীসটি সহীহ। আমাশ-জা’ফার ইবন ইয়াস বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (২০৬৯ নং) থেকে এটি অধিক সহীহ। একাধিক রাবী হাদীসটি আবূ বিশর জাফার ইবন আবূ ওয়াইশিয়া-আবুল মুতাওয়াককিল-আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। জা’ফার ইবন ইয়াস (রহঃ)-ই হলেন জা’ফার ইবন আবী ওয়াহশিয়া।
হাদিস নং: ২০৭১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن ابي خزامة، عن ابيه، قال سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ارايت رقى نسترقيها ودواء نتداوى به وتقاة نتقيها هل ترد من قدر الله شيىا قال " هي من قدر الله " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن ابن ابي خزامة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . وهذا حديث حسن صحيح . وقد روي عن ابن عيينة كلتا الروايتين وقال بعضهم عن ابي خزامة عن ابيه وقال بعضهم عن ابن ابي خزامة عن ابيه وقال بعضهم عن ابي خزامة وقد روى غير ابن عيينة هذا الحديث عن الزهري عن ابي خزامة عن ابيه وهذا اصح ولا نعرف لابي خزامة عن ابيه غير هذا الحديث .
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن ابن ابي خزامة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . وهذا حديث حسن صحيح . وقد روي عن ابن عيينة كلتا الروايتين وقال بعضهم عن ابي خزامة عن ابيه وقال بعضهم عن ابن ابي خزامة عن ابيه وقال بعضهم عن ابي خزامة وقد روى غير ابن عيينة هذا الحديث عن الزهري عن ابي خزامة عن ابيه وهذا اصح ولا نعرف لابي خزامة عن ابيه غير هذا الحديث .
২০৭১। ইবন আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ খিযামা তার পিতা ইয়ামুর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লা! এই যে ঝাড়-ফুঁক আমরা করি, ঔষধাদি দিয়ে আমরা চিকিৎসা করি, এবং বিভিন্ন প্রকার সাবধানতা অবলম্বন করে থাকি এই গুলি কি আল্লাহর নির্ধারিত তাকদীরকে রদ করতে পারে? তিনি বললেনঃ এইগুলিও আল্লাহর নির্ধারিত তাকদীরের অন্তর্ভুক্ত। যইফ, ইবনু মাজাহ ৩৪৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
সাঈদ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ... ইবন আবূ খিযামা তার পিতা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ কর্ণনা করেন।
ইবন উয়ায়না (রহঃ) বরাতে উভয় রিওয়ায়াতই বর্ণিত আছে। কোন কোন রাবী আবূ খিযামা তার পিতা কথাটি উল্লেখ করেছেন আর কেউ কেউ ইবন আবূ খিযামা তার পিতা কথাটির উল্লেখ করেছেন। ইবন উয়ায়না (রহঃ) ব্যতীত অন্যান্য রাবী হাদীসটি যুহরী-আবূ খিযামা তার পিতা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটিই অধিক সহীহ। এটি ছাড়া আবূ খিযামা কোন হাদীস রিওয়ায়াত আছে বলে আমরা জানি না।
আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
সাঈদ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ... ইবন আবূ খিযামা তার পিতা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ কর্ণনা করেন।
ইবন উয়ায়না (রহঃ) বরাতে উভয় রিওয়ায়াতই বর্ণিত আছে। কোন কোন রাবী আবূ খিযামা তার পিতা কথাটি উল্লেখ করেছেন আর কেউ কেউ ইবন আবূ খিযামা তার পিতা কথাটির উল্লেখ করেছেন। ইবন উয়ায়না (রহঃ) ব্যতীত অন্যান্য রাবী হাদীসটি যুহরী-আবূ খিযামা তার পিতা সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটিই অধিক সহীহ। এটি ছাড়া আবূ খিযামা কোন হাদীস রিওয়ায়াত আছে বলে আমরা জানি না।
হাদিস নং: ২০৭২
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو عبيدة، احمد بن عبد الله الهمداني وهو ابن ابي السفر ومحمود بن غيلان قالا حدثنا سعيد بن عامر، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " العجوة من الجنة وفيها شفاء من السم والكماة من المن وماوها شفاء للعين " . قال ابو عيسى وفي الباب عن سعيد بن زيد وابي سعيد وجابر وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ولا نعرفه الا من حديث سعيد بن عامر عن محمد بن عمرو .
২০৭২. আবূ উবায়দা ইবন আবূ সাফার ও মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আজওয়া হলো জান্নাতী খেজুর। এতে আছে বিষের প্রতিষেধক, মাসরুম হলো মান্নের অন্তর্ভুক্ত। এর পানি হলো চক্ষু রোগের প্রতিষেধক।
হাসান সহীহ, তাহকিক মিশকাত ছানী ৪২৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই বিষয়ে সাঈ ইবন যায়দ, আবূ সাঈদ ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব। সাঈদ ইবন আমির (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া মুহাম্মদ ইবন আমরের রিওয়ায়াত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাসান সহীহ, তাহকিক মিশকাত ছানী ৪২৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই বিষয়ে সাঈ ইবন যায়দ, আবূ সাঈদ ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব। সাঈদ ইবন আমির (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া মুহাম্মদ ইবন আমরের রিওয়ায়াত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২০৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عمر بن عبيد الطنافسي، عن عبد الملك بن عمير، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن عمرو بن حريث، عن سعيد بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الكماة من المن وماوها شفاء للعين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২০৭৩. আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) .... সাঈদ ইবন যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, মাসরুম মান্নের অন্তর্ভুক্ত। এর পানি চক্ষু রোগের প্রতিষেধক। সহিহ, রাওযুন নাযীর ৪৪৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২০৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا ابي، عن قتادة، عن شهر بن حوشب، عن ابي هريرة، ان ناسا، من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قالوا الكماة جدري الارض فقال النبي صلى الله عليه وسلم " الكماة من المن وماوها شفاء للعين والعجوة من الجنة وهي شفاء من السم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২০৭৪. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। কতক সাহাবী বললেনঃ মাসরুম হলো যমীনের গুটি বসন্ত স্বরূপ, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মাসরুম মান্নের অন্তর্ভুক্ত। এর পানি চক্ষু রোগের প্রতিষেধক। আজওয়া হলো জান্নাতী খেজুর আর এতে আছে বিষের প্রতিষেধক। হাদীসটি হাসান। পূর্বের হাদিসের সহায়তায় সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২০৭৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ، حدثنا ابي، عن قتادة، قال حدثت ان ابا هريرة قال اخذت ثلاثة اكمى او خمسا او سبعا فعصرتهن فجعلت ماءهن في قارورة فكحلت به جارية لي فبرات .
২০৭৫. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমি তিনটি বা পাঁচটি বা সাতটি মাসরুম নিলাম এবং এগুলি চিপে একটি বোতলে এর রস রাখলাম পরে আমার জনৈকা দাসীর চোখে তা ব্যবহার করলাম। ফলে তার চোখ ভাল হয়ে গেল। যঈফ, মাওকূফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২০৭৬
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا ابي، عن قتادة، قال حدثت ان ابا هريرة قال الشونيز دواء من كل داء الا السام . قال قتادة ياخذ كل يوم احدى وعشرين حبة فيجعلهن في خرقة فلينقعه فيتسعط به كل يوم في منخره الايمن قطرتين وفي الايسر قطرة والثاني في الايسر قطرتين وفي الايمن قطرة والثالث في الايمن قطرتين وفي الايسر قطرة .
২০৭৬. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কালজিরা হল মৃত্যু ছাড়া সব রোগে ঔষধ।
সনদ দুর্বল
কাতাদা (রহঃ) বলেনঃ প্রতিদিন একুশটি কালজিরার দানা নিবে। একটি কাপড়ের টুকরায় তা রেখে পানিতে ভেজাবে এবং প্রতিদিন নাকের ছিদ্র পথ দিয়ে তা ব্যবহার করবে। প্রথম দিন নাকের ডান ছিদ্রে দুই ফোটা এবং বাম ছিদ্রে এক ফোটা, দ্বিতীয় দিন বাম ছিদ্রে দুই ফোটা এবং ডান ছিদ্রে এক ফোটা, তৃতীয় দিন ডান ছিদ্রে দুই ফোটা এবং বাম ছিদ্রে এক ফোটা করে ব্যাবহার করবে।
-সনদ দুর্বল, মাওকুফ, "ইয়া খুজু" এই শব্দ বাদে সহীহ মারফূ হাদিস রয়েছে, সহিহা ১৯০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সনদ দুর্বল
কাতাদা (রহঃ) বলেনঃ প্রতিদিন একুশটি কালজিরার দানা নিবে। একটি কাপড়ের টুকরায় তা রেখে পানিতে ভেজাবে এবং প্রতিদিন নাকের ছিদ্র পথ দিয়ে তা ব্যবহার করবে। প্রথম দিন নাকের ডান ছিদ্রে দুই ফোটা এবং বাম ছিদ্রে এক ফোটা, দ্বিতীয় দিন বাম ছিদ্রে দুই ফোটা এবং ডান ছিদ্রে এক ফোটা, তৃতীয় দিন ডান ছিদ্রে দুই ফোটা এবং বাম ছিদ্রে এক ফোটা করে ব্যাবহার করবে।
-সনদ দুর্বল, মাওকুফ, "ইয়া খুজু" এই শব্দ বাদে সহীহ মারফূ হাদিস রয়েছে, সহিহা ১৯০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২০৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابي بكر بن عبد الرحمن، عن ابي مسعود الانصاري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২০৭৭. কুতায়বা (রহঃ) .... আবূ মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুর বিক্রয়ের মূল্য, ব্যভিচারীনীর উপার্জন এবং গণকের কামাই নিষিদ্ধ করেছেন। সহিহ, ইবনু মাজাহ ২১৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস নং: ২০৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن مدويه، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن محمد بن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن عيسى، اخيه قال دخلت على عبد الله بن عكيم ابي معبد الجهني اعوده وبه حمرة فقلنا الا تعلق شيىا قال الموت اقرب من ذلك قال النبي صلى الله عليه وسلم " من تعلق شيىا وكل اليه " . قال ابو عيسى وحديث عبد الله بن عكيم انما نعرفه من حديث محمد بن عبد الرحمن بن ابي ليلى . وعبد الله بن عكيم لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم وكان في زمن النبي صلى الله عليه وسلم يقول كتب الينا رسول الله صلى الله عليه وسلم .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن ابي ليلى، نحوه بمعناه . قال ابو عيسى وفي الباب عن عقبة بن عامر، .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن ابي ليلى، نحوه بمعناه . قال ابو عيسى وفي الباب عن عقبة بن عامر، .
২০৭৮. মুহাম্মদ ইবন মাদ্দুওয়াহ (রহঃ) ... ঈসা, ইনি হলেন ইবন আবদুর রহমান ইবন আবী লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন উকায়ম আবূ মা’বাদ জুহানী (রহঃ)-কে দেখতে গেলাম। তিনি বিষাক্ত ফোঁড়ায় আক্রান্ত ছিলেন। বললামঃ কোন তাবীয লটকিয়ে নিলেন না? বললামঃ কিছু ঝুলাচ্ছেন না কেন? তিনি বললেনঃ মৃত্যু তো এর চেয়েও নিকটে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি কিছু লটকায় তবে তাকে সে দিকেই সোপর্দ করে দেওয়া হয়। সহিহ, গায়াতুল মারাম (২৯৭), তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবন আবূ লায়রা (রহঃ)-এর বরাতেই কেবল আবদুল্লাহ ইবন উকায়মের এই রিওয়ায়াতটি সম্পর্কে আমরা জানি। মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ইবন আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণত আছে। এই বিষয়ে উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
ইবন আবূ লায়রা (রহঃ)-এর বরাতেই কেবল আবদুল্লাহ ইবন উকায়মের এই রিওয়ায়াতটি সম্পর্কে আমরা জানি। মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ইবন আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণত আছে। এই বিষয়ে উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২০৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة، عن جده، رافع بن خديج عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الحمى فور من النار فابردوها بالماء " . قال ابو عيسى وفي الباب عن اسماء بنت ابي بكر وابن عمر وامراة الزبير وعاىشة وابن عباس .
২০৭৯. হান্নাদ (রহঃ) ..... রাফি ইবন খাদীজ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জ্বর হল জাহান্নামাগ্নির হলকা (উত্তাপ), সুতরাং পানি দিয়ে তা শীতল কর। সহিহ, ইবনু মাজাহ ৩৪৭৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আসমা বিনত আবূ বকর, ইবন উমার, ইবন আব্বাস, যুবায়রের স্ত্রী এবং আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে আসমা বিনত আবূ বকর, ইবন উমার, ইবন আব্বাস, যুবায়রের স্ত্রী এবং আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২০৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء " .
حدثنا هارون بن اسحاق، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن فاطمة بنت المنذر، عن اسماء بنت ابي بكر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . قال ابو عيسى وفي حديث اسماء كلام اكثر من هذا وكلا الحديثين صحيح .
حدثنا هارون بن اسحاق، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن فاطمة بنت المنذر، عن اسماء بنت ابي بكر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . قال ابو عيسى وفي حديث اسماء كلام اكثر من هذا وكلا الحديثين صحيح .
২০৮০. হারূন ইবন ইসহাক হামদানী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জ্বর হল জাহান্নামাগ্নির হলকা, সুতরাং পানি দিয়ে তা শীতল কর। বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হারূন ইবন ইসহাক (রহঃ) ... আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত এই হাদীসটিতে আরো কথা আছে। এই দু’টি হাদীসই সহীহ।
হারূন ইবন ইসহাক (রহঃ) ... আসমা বিনত আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত এই হাদীসটিতে আরো কথা আছে। এই দু’টি হাদীসই সহীহ।
হাদিস নং: ২০৮১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا ابراهيم بن اسماعيل بن ابي حبيبة، عن داود بن حصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يعلمهم من الحمى ومن الاوجاع كلها ان يقول " بسم الله الكبير اعوذ بالله العظيم من شر كل عرق نعار ومن شر حر النار " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث ابراهيم بن اسماعيل بن ابي حبيبة . وابراهيم يضعف في الحديث . ويروى " عرق يعار " .
২০৮১. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জ্বর এবং সব ধরণের বেদনার ক্ষেত্রে এই বলতে শিখেয়েছেনঃ
بِسْمِ اللَّهِ الْكَبِيرِ أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ مِنْ شَرِّ كُلِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ
অর্থঃ আল্লাহর নামে যিনি মহান; আমি মহামহিম আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি রক্ত চাপের আক্রমন থেকে এবং জাহান্নামাগ্নি উত্তাপ থেকে।
যঈফ, মিশকাত ১৫৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ইব্রাহিম ইবন ইসমাঈল ইবন আবূ হাবীবা-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। ইবরাহীম হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ।
عِرْقٍ نَعَّار -এর স্থলেعِرْقٍ يَعَّار -ও বর্ণিত আছে।
بِسْمِ اللَّهِ الْكَبِيرِ أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ مِنْ شَرِّ كُلِّ عِرْقٍ نَعَّارٍ وَمِنْ شَرِّ حَرِّ النَّارِ
অর্থঃ আল্লাহর নামে যিনি মহান; আমি মহামহিম আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি রক্ত চাপের আক্রমন থেকে এবং জাহান্নামাগ্নি উত্তাপ থেকে।
যঈফ, মিশকাত ১৫৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ইব্রাহিম ইবন ইসমাঈল ইবন আবূ হাবীবা-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। ইবরাহীম হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ।
عِرْقٍ نَعَّار -এর স্থলেعِرْقٍ يَعَّار -ও বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২০৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يحيى بن اسحاق، حدثنا يحيى بن ايوب، عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل، عن عروة، عن عاىشة، عن ابنة وهب، وهي جدامة - قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اردت ان انهى عن الغيال فاذا فارس والروم يفعلون ولا يقتلون اولادهم " . قال ابو عيسى وفي الباب عن اسماء بنت يزيد . وهذا حديث حسن صحيح . وقد رواه مالك عن ابي الاسود عن عروة عن عاىشة عن جدامة بنت وهب عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال مالك والغيال ان يطا الرجل امراته وهي ترضع .
২০৮২. আহমাদ ইবন মানী (রহঃ) ..... বিনত ওয়াহব, ইনি হলেন জুদামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ দুগ্ধ দাত্রী স্ত্রীর সাথে সঙ্গ হওয়া থেকে নিষেধ করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ফারেস ও রোমবাসীরা করে থাকে। অথচ তারা তাদের সন্তানদের হত্যা করে না। সহিহ, ইবনু মাজাহ ২০১১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি সহীহ। মালিক (রহঃ) এটিকে আবুল আসওয়াদ-উরওয়া-আয়িশা-জুদামা বিনত ওয়াহব সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অর্থ হল দুগ্ধ দাত্রী স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হওয়া।
এই বিষয়ে আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি সহীহ। মালিক (রহঃ) এটিকে আবুল আসওয়াদ-উরওয়া-আয়িশা-জুদামা বিনত ওয়াহব সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অর্থ হল দুগ্ধ দাত্রী স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হওয়া।