হাদিস নং: ১৭৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، ح وحدثنا قتيبة، عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا انتعل احدكم فليبدا باليمين واذا نزع فليبدا بالشمال فلتكن اليمنى اولهما تنعل واخرهما تنزع " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৭৮৬। আনসারী ও কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন জুতা পরবে তখন ডান দিক থেকে শুরু করবে। আর যখন খুলবে তখন বাম দিক থেকে শুরু করবে। অর্থাৎ জুতা পরতে গিয়ে যেন ডান পায়ে প্রথম পরা হয় আর খুলতে গিয়ে যেন তা পরে হয়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৬১৬, বুখারী ও মুসলিমও একই অর্থে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৬১৬, বুখারী ও মুসলিমও একই অর্থে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৭৮৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا سعيد بن محمد الوراق، وابو يحيى الحماني قالا حدثنا صالح بن حسان، عن عروة، عن عاىشة، قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اردت اللحوق بي فليكفيك من الدنيا كزاد الراكب واياك ومجالسة الاغنياء ولا تستخلقي ثوبا حتى ترقعيه " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث صالح بن حسان . قال وسمعت محمدا يقول صالح بن حسان منكر الحديث وصالح بن ابي حسان الذي روى عنه ابن ابي ذىب ثقة . قال ابو عيسى ومعنى قوله " واياك ومجالسة الاغنياء " . هو نحو ما روي عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " من راى من فضل عليه في الخلق والرزق فلينظر الى من هو اسفل منه ممن فضل هو عليه فانه اجدر ان لا يزدري نعمة الله عليه " . ويروى عن عون بن عبد الله بن عتبة قال صحبت الاغنياء فلم ار احدا اكثر هما مني ارى دابة خيرا من دابتي وثوبا خيرا من ثوبي وصحبت الفقراء فاسترحت .
১৭৮৭। ইয়াহইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেন, তুমি যদি আমার সঙ্গে মিলিত হতে চাও তবে তোমার জন্য দুনিয়ার মাঝে একজন মুসাফিরের পাথেয় পরিমাণ যেন যথেষ্ট হয়। আর তুমি ধনীদের সঙ্গে উঠা-বসা থেকে বেঁচে থাকবে। কাপড় যতক্ষণ তালি না লাগাও ততক্ষণ তা পুরান হয়েছে বলে ছেড়ে দিবে না। খুবই দুর্বল, যঈফাহ ১২৯৪, তা’লীকুর রাগীব ৪/৯৮, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৪৩৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। সালিহ ইবনু হাসসান-এর সূত্র ছাড়া অন্য কোন ভাবে এটি সম্পর্কে আমরা জানি না। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সালিহ ইবনু হাসসান হলেন, হাদীস বর্ণনায় মুনকার। আর সালিহ ইবনু আবূ হাসসান যার নিকট থেকে ইবনু আবূ যি’ব রিওয়ায়াত করেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য রাবী।
إِيَّاكِ وَمُجَالَسَةَ الأَغْنِيَاءِ (ধনীদের সঙ্গে উঠা-বসা থেকে বেঁচে থাকবে) বাক্যটির তাৎপর্য এই হাদীসটির অনুরূপ যা আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গঠন প্রকৃতি ও রিযকের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এমন কাউকে যদি কেউ দেখতে পায় তবে সে যেন এই ক্ষেত্রে তার চেয়ে নিম্নস্থ যারা, যাদের উপর তাকে প্রাধান্য প্রদান করা হয়েছে, তাদের দিকে তাকায়। কেননা এতে (নিজের উপর) আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামত সমূহকে সে হেয় মনে করবে না।
আওন ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি ধনীদের সাহচর্য লাভ করি। তখন আমার চেয়ে আর কাউকে অধিক বিষন্ন মনে করিনি। আমি আমার বাহনের চেয়ে উত্তম বাহন তাদের দেখি। আমার পোষাক অপেক্ষা তাদের ভাল পোষাক দেখি। আর যখন আমি দরিদ্রদের সাহচর্যে যাই তখন শান্তি পাই।
এই হাদীসটি গারীব। সালিহ ইবনু হাসসান-এর সূত্র ছাড়া অন্য কোন ভাবে এটি সম্পর্কে আমরা জানি না। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, সালিহ ইবনু হাসসান হলেন, হাদীস বর্ণনায় মুনকার। আর সালিহ ইবনু আবূ হাসসান যার নিকট থেকে ইবনু আবূ যি’ব রিওয়ায়াত করেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য রাবী।
إِيَّاكِ وَمُجَالَسَةَ الأَغْنِيَاءِ (ধনীদের সঙ্গে উঠা-বসা থেকে বেঁচে থাকবে) বাক্যটির তাৎপর্য এই হাদীসটির অনুরূপ যা আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গঠন প্রকৃতি ও রিযকের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এমন কাউকে যদি কেউ দেখতে পায় তবে সে যেন এই ক্ষেত্রে তার চেয়ে নিম্নস্থ যারা, যাদের উপর তাকে প্রাধান্য প্রদান করা হয়েছে, তাদের দিকে তাকায়। কেননা এতে (নিজের উপর) আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামত সমূহকে সে হেয় মনে করবে না।
আওন ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি ধনীদের সাহচর্য লাভ করি। তখন আমার চেয়ে আর কাউকে অধিক বিষন্ন মনে করিনি। আমি আমার বাহনের চেয়ে উত্তম বাহন তাদের দেখি। আমার পোষাক অপেক্ষা তাদের ভাল পোষাক দেখি। আর যখন আমি দরিদ্রদের সাহচর্যে যাই তখন শান্তি পাই।
হাদিস নং: ১৭৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثني ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ام هانى، قالت قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة وله اربع غداىر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . قال محمد لا اعرف لمجاهد سماعا من ام هانى .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا ابراهيم بن نافع المكي، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ام هانى، قالت قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة وله اربع ضفاىر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وعبد الله بن ابي نجيح مكي ابو نجيح اسمه يسار .
قال ابو عيسى هذا حديث غريب وعبد الله بن ابي نجيح مكي
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا ابراهيم بن نافع المكي، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ام هانى، قالت قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة وله اربع ضفاىر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وعبد الله بن ابي نجيح مكي ابو نجيح اسمه يسار .
قال ابو عيسى هذا حديث غريب وعبد الله بن ابي نجيح مكي
১৭৮৮। ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আগমন করেন অর্থাৎ মক্কায়, তখন তাঁর মাথায় চারটি বেনী ছিল। এই হাদীস গারীব। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৬৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় এলেন। তখন তাঁর মাথায় চারটি বেনী ছিল। এই হাদীসটি হাসান। বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু আবূ নাজীহ (রহঃ) হলেন মক্কী। আবূ নাজীহ-এর নাম হল ইয়াসার। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ) বলেন, মুজাহিদ (রহঃ) উম্মি হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমি জানি না।
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় এলেন। তখন তাঁর মাথায় চারটি বেনী ছিল। এই হাদীসটি হাসান। বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু আবূ নাজীহ (রহঃ) হলেন মক্কী। আবূ নাজীহ-এর নাম হল ইয়াসার। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ) বলেন, মুজাহিদ (রহঃ) উম্মি হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমি জানি না।
হাদিস নং: ১৭৮৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا محمد بن حمران، عن ابي سعيد، وهو عبد الله بن بسر قال سمعت ابا كبشة الانماري، يقول كانت كمام اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم بطحا . قال ابو عيسى هذا حديث منكر . وعبد الله بن بسر بصري هو ضعيف عند اهل الحديث ضعفه يحيى بن سعيد وغيره . وبطح يعني واسعة .
১৭৮৯। হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ... আবূ কাবাশা আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের টুপি ছিল মাথাজোড়া বিস্তৃত। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৪৩৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি মুনকার। বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু বুসর বাসরী হাদীস বিশারদগণের দৃষ্টিতে যঈফ। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ও অন্যান্যরা তাকে যঈফ বলেছেন।
بُطْحٌ অর্থঃ বিস্তৃত।
এই হাদীসটি মুনকার। বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু বুসর বাসরী হাদীস বিশারদগণের দৃষ্টিতে যঈফ। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ও অন্যান্যরা তাকে যঈফ বলেছেন।
بُطْحٌ অর্থঃ বিস্তৃত।
হাদিস নং: ১৭৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن مسلم بن نذير، عن حذيفة، قال اخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم بعضلة ساقي او ساقه فقال " هذا موضع الازار فان ابيت فاسفل فان ابيت فلا حق للازار في الكعبين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . رواه الثوري وشعبة عن ابي اسحاق .
১৭৯০। কুতায়বা (রহঃ) ... হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জংঘার গোছা, অথবা তাঁর স্বীয় জংঘার গোছা ধরলেন এবং বললেন, এতটুকু হল লুঙ্গী পরার সীমা। যদি তা না হয় মান তবে আরো একটু নীচ পর্যন্ত তা পরতে পার। তা-ও যদি না হয় মান তবে গোড়ালীর এই হাড্ডীতে লুঙ্গী পরার কোন হক নেই।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। শ’বা এবং ছাওরী (রহঃ) ও এটিকে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। শ’বা এবং ছাওরী (রহঃ) ও এটিকে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ১৭৯১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا محمد بن ربيعة، عن ابي الحسن العسقلاني، عن ابي جعفر بن محمد بن ركانة، عن ابيه، ان ركانة، صارع النبي صلى الله عليه وسلم فصرعه النبي صلى الله عليه وسلم قال ركانة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان فرق ما بيننا وبين المشركين العماىم على القلانس " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب واسناده ليس بالقاىم . ولا نعرف ابا الحسن العسقلاني ولا ابن ركانة .
১৭৯১। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ জাফর ইবনু মুহাম্মদ ইবনু রুকানা তাঁর পিতা মুহাম্মদ ইবনু রুকানা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রুকানা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কুস্তি লড়েছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে আছড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। রুকানা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমাদের এবং মুশরিকদের মাঝে পার্থক্য হলো টুপির উপর পাগড়ী পরিধান করা। যঈফ, মিশকাত ৪৩৪০, ইরওয়া ১৫০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। এর সনদটি সঠিক নয়। রাবী আবূল হাসান আসকালানীকে আমরা চিনি না ইবনু রুকানাকেও না।
এই হাদীসটি গারীব। এর সনদটি সঠিক নয়। রাবী আবূল হাসান আসকালানীকে আমরা চিনি না ইবনু রুকানাকেও না।
হাদিস নং: ১৭৯২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن حميد، حدثنا زيد بن حباب، وابو تميلة يحيى بن واضح عن عبد الله بن مسلم، عن عبد الله بن بريدة، عن ابيه، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم وعليه خاتم من حديد فقال " ما لي ارى عليك حلية اهل النار " . ثم جاءه وعليه خاتم من صفر فقال " ما لي اجد منك ريح الاصنام " . ثم اتاه وعليه خاتم من ذهب فقال " ما لي ارى عليك حلية اهل الجنة " . قال من اى شيء اتخذه قال " من ورق ولا تتمه مثقالا " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وفي الباب عن عبد الله بن عمرو . وعبد الله بن مسلم يكنى ابا طيبة وهو مروزي .
১৭৯২। মুহাম্মদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। তার হাতে একটি লোহার আংটি ছিল। তখন তিনি বললেন, আমার কি হলো, তোমার পরনে জাহান্নাবাসীদের অলংকার দেখছি? পরে লোকটি আবার তাঁর কাছে এল। এবার তার হাতে ছিল পিতলের একটি আংটি। তখন তিনি বললেন, আমার কি হলো, তোমার থেকে মূর্তির গন্ধ পাচ্ছি। তারপর লোকটি আবার তাঁর কাছে এল। তার হাতে ছিল সোনার আংটি। তিনি বললেন, আমার কী হল, তোমার হাতে জান্নাতীদের অলংকার দেখছি? লোকটি বলল কিসের আংটি আমি বানাবো? তিনি বললেন, রূপা দিয়ে বানাবে। তবে পূর্ণ এক মিছকাল পরিমাণ যেন না হয়।
যঈফ, মিশকাত ৪৩৯৬, আদাবুয যিফাফ ১২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। আবদুল্লাহ ইবনু মুসলিম-এর কুনিয়াত হল আবূ তায়বা। তিনি হলেন মওরওয়াযী।
যঈফ, মিশকাত ৪৩৯৬, আদাবুয যিফাফ ১২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। আবদুল্লাহ ইবনু মুসলিম-এর কুনিয়াত হল আবূ তায়বা। তিনি হলেন মওরওয়াযী।
হাদিস নং: ১৭৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عاصم بن كليب، عن ابن ابي موسى، قال سمعت عليا، يقول نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القسي والميثرة الحمراء وان البس خاتمي في هذه وفي هذه . واشار الى السبابة والوسطى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابن ابي موسى هو ابو بردة بن ابي موسى واسمه عامر بن عبد الله بن قيس .
১৭৯৩। ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন রেশম, জিনের লাল গদী এবং এই আঙ্গুল এবং এই আঙ্গুলে আংটি ব্যবহার করতে। এই বলে তিনি তর্জণী ও মধ্যমার দিকে ইঙ্গিত করলেন। "এই অথবা এই আঙ্গুলে" শব্দে হাদিসটি সহীহ, বর্ণনাকারী আসিম সন্দেহ করেছেন। যঈফাহ ৫৪৯৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবনু আবূ মূসা (রহঃ) হলেন আবূ বুরদা ইবনু আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু। তাঁর নাম হল ’আমের ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কায়স।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবনু আবূ মূসা (রহঃ) হলেন আবূ বুরদা ইবনু আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু। তাঁর নাম হল ’আমের ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু কায়স।
হাদিস নং: ১৭৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن انس، قال كان احب الثياب الى رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبسها الحبرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
১৭৯৪। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব পোষাক পরিধান করতেন এর মধ্যে তাঁর নিকট সবচেয়ে প্রিয় পোষাক ছিল হিবারা বা ডুরিদার ইয়ামানী চাদর। সহীহ, মুখতাসার শামাইল মুহাম্মাদিয়া ৫১, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৭৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।