হাদিস নং: ৪২৯
হাসান (Hasan)
حدثنا بندار، محمد بن بشار حدثنا ابو عامر، هو العقدي عبد الملك بن عمرو حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي قبل العصر اربع ركعات يفصل بينهن بالتسليم على الملاىكة المقربين ومن تبعهم من المسلمين والمومنين . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن عمر وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى حديث علي حديث حسن . واختار اسحاق بن ابراهيم ان لا يفصل في الاربع قبل العصر واحتج بهذا الحديث . وقال اسحاق ومعنى انه يفصل بينهن بالتسليم يعني التشهد . وراى الشافعي واحمد صلاة الليل والنهار مثنى مثنى يختاران الفصل في الاربع قبل العصر .
৪২৯. বুনদার মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাত) আদায় করতেন। মাঝে (তাশাহহুদ পাঠকালে) আল্লাহর মুকাররাব ফেরেশতা ও তাঁদের অনুসারী মুসলিম ও মুমিনদের উপর সালাম পেশ করতেন। - ইবনু মাজাহ ১১৬১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আসরের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাত দু’রাকআত করে) আলাদা আলাদা না করার বিষয়টিকে গ্রহণ করেছেন। তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন। এই হাদীসে উলেস্নখিত ’’সালাম দ্বারা এর মাঝে ব্যবধান করতেন’’ কথাটির মর্ম হল তিনি দু’রাকআত-এর মাঝে তাশাহ্হুদ পাঠ করতেন। ইমাম শফিঈ ও আহমদ (রহঃ)-এর অভিমত হ’ল, রাত ও দিনের (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) হবে দুই-দুই রাকআত করে। সুতরাং তারা আসরের পূর্বেও এই ক্ষেত্রে দু’রাকআত করে আলাদা আলাদা আদায় করা পছন্দ করেন।
এই বিষয়ে ইবনু উমর ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আসরের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাত দু’রাকআত করে) আলাদা আলাদা না করার বিষয়টিকে গ্রহণ করেছেন। তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন। এই হাদীসে উলেস্নখিত ’’সালাম দ্বারা এর মাঝে ব্যবধান করতেন’’ কথাটির মর্ম হল তিনি দু’রাকআত-এর মাঝে তাশাহ্হুদ পাঠ করতেন। ইমাম শফিঈ ও আহমদ (রহঃ)-এর অভিমত হ’ল, রাত ও দিনের (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) হবে দুই-দুই রাকআত করে। সুতরাং তারা আসরের পূর্বেও এই ক্ষেত্রে দু’রাকআত করে আলাদা আলাদা আদায় করা পছন্দ করেন।
নোট: এটা পূর্বে বর্ণিত ৪২৫ নং হাদিসের বাকী অংশ।
হাদিস নং: ৪৩০
হাসান (Hasan)
حدثنا يحيى بن موسى، ومحمود بن غيلان، واحمد بن ابراهيم الدورقي، وغير، واحد، قالوا حدثنا ابو داود الطيالسي، حدثنا محمد بن مسلم بن مهران، سمع جده، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " رحم الله امرا صلى قبل العصر اربعا " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب حسن .
৪৩০. ইয়াহ্ইয়া ইবনু মূসা, আহমদ ইবরাহীম, মাহমূদ ইবনু গায়লান প্রমুখ (রহঃ) .... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ আল্লাহ তা’আলা সেই ব্যক্তির উপর রহম করুন যে ব্যক্তি আসরের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাত) আদায় করে। - মিশকাত ১১৭০, সহিহ আবু দাউদ ১১৫৪, তা’লীকুর রাগীব ১/২০৪, তা’লীক আলা ইবনু খুজাইমাহ ১১৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৪৩১
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو موسى، محمد بن المثنى حدثنا بدل بن المحبر، حدثنا عبد الملك بن معدان، عن عاصم بن بهدلة، عن ابي واىل، عن عبد الله بن مسعود، انه قال ما احصي ما سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا في الركعتين بعد المغرب وفي الركعتين قبل صلاة الفجر بـ :(قل يا ايها الكافرون ) و (قل هو الله احد ) . قال وفي الباب عن ابن عمر . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود حديث غريب من حديث ابن مسعود لا نعرفه الا من حديث عبد الملك بن معدان عن عاصم .
৪৩১. আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না ...... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি কতবার যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পাঠ করতে শুনেছি তা গুনতে পারব না, তবে আমি অসংখ্যবার শুনেছি তিনি মাগরিবের পর দু’রাকআত সুন্নাতে পাঠ করতেন। قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ এবং قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ - ইবনু মাজাহ ১১৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আবদুল মালিক ইবনু মা’দান আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
এই বিষয়ে ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আবদুল মালিক ইবনু মা’দান আসিম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
হাদিস নং: ৪৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم ركعتين بعد المغرب في بيته . قال وفي الباب عن رافع بن خديج وكعب بن عجرة . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح .
৪৩২. আহমদ ইবনু মানী’ .... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তাঁর ঘরে মাগরিবের পর দু’রাকআত (সুন্নাত) আদায় করেছি। - সহিহ আবু দাউদ ১১৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে রাফি ইবনু খাদীজ ও কা’ব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে রাফি ইবনু খাদীজ ও কা’ব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৪৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني الخلال، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال حفظت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم عشر ركعات كان يصليها بالليل والنهار ركعتين قبل الظهر وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب وركعتين بعد العشاء الاخرة . قال وحدثتني حفصة انه كان يصلي قبل الفجر ركعتين . هذا حديث حسن صحيح .
৪৩৩. হাসান ইবনু আলী আল-হুলওয়ালী (রহঃ) ...... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে-দিনে দশ রাকআত (ফরয ব্যতীত) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন বলে আমার স্মৃতিতে সংরক্ষিত রেখেছি... যোহরের পূর্বে দু’রাকআত, এর পরে দু’রাকআত, মাগরিবের পর দু’রাকআত, এশার পর দু’রাকআত আর উম্মুল মু’মিনীন হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের পূর্বে দু’রাকআত আদায় করতেন। - ইরওয়া ৪৪০, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৪৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৪৩৪. হাসান ইবনু আলী (রহঃ) .... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৪৩৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، - يعني محمد بن العلاء الهمداني حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا عمر بن ابي خثعم، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى بعد المغرب ست ركعات لم يتكلم فيما بينهن بسوء عدلن له بعبادة ثنتى عشرة سنة " . قال ابو عيسى وقد روي عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من صلى بعد المغرب عشرين ركعة بنى الله له بيتا في الجنة " . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث غريب لا نعرفه الا من حديث زيد بن الحباب عن عمر بن ابي خثعم . قال وسمعت محمد بن اسماعيل يقول عمر بن عبد الله بن ابي خثعم منكر الحديث . وضعفه جدا .
৪৩৫. আবূ কুরায়ব অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনুল আলা আল-হামদানী আল-কূফী (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ কেউ যদি মাগরিবের পর ছয় রাকআত (নফল) আদায় করে এবং এর মাঝে সে যদি কোন মন্দ কথা না বলে, তবে তাকে বার বছর ইবাদত করার সমপরিমাণ সওয়াব দেওয়া হয়। [খুবই দুর্বল] - ইবনু মাজাহ ১১৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি ইরশাদ করেনঃ মাগরিবের পর কেউ যদি বিশ রাকআত (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, আল্লাহ তাঁর জন্য জান্নাতে ঘর বানাবেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। যায়দ ইবনুল হুবাব উমর ইবনু আবী খাসআম সূত্র ছাড়া এটি বর্ণিত আছে বলে আমরা জানি না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, উমর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবী খাসআম মুনকারুল হাদীস (তাঁর হাদীস প্রত্যাখ্যাত)। তিনি তাকে খুবই যঈফ বলে মন্তব্য করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি ইরশাদ করেনঃ মাগরিবের পর কেউ যদি বিশ রাকআত (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, আল্লাহ তাঁর জন্য জান্নাতে ঘর বানাবেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। যায়দ ইবনুল হুবাব উমর ইবনু আবী খাসআম সূত্র ছাড়া এটি বর্ণিত আছে বলে আমরা জানি না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, উমর ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবী খাসআম মুনকারুল হাদীস (তাঁর হাদীস প্রত্যাখ্যাত)। তিনি তাকে খুবই যঈফ বলে মন্তব্য করেছেন।
হাদিস নং: ৪৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا بشر بن المفضل، عن خالد الحذاء، عن عبد الله بن شقيق، قال سالت عاىشة عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يصلي قبل الظهر ركعتين وبعدها ركعتين وبعد المغرب ثنتين وبعد العشاء ركعتين وقبل الفجر ثنتين . قال وفي الباب عن علي وابن عمر . قال ابو عيسى حديث عبد الله بن شقيق عن عاىشة حديث حسن صحيح .
৪৩৬. আবূ সালামা ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বলেছেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের পূর্বে দু’রাকআত, এরপর দু’রাকআত, মাগরিবের পর দু’রাকআত, এশার পর দু’রাকআত এবং ফজরের পূর্বে দু’রাকআত (সুন্নাত) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। - মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে আলী ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৪৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " صلاة الليل مثنى مثنى فاذا خفت الصبح فاوتر بواحدة واجعل اخر صلاتك وترا " . قال ابو عيسى وفي الباب عن عمرو بن عبسة . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم ان صلاة الليل مثنى مثنى . وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي . واحمد واسحاق .
৪৩৭. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ রাতের সালাত (নামায/নামাজ) হ’ল দু’রাকআত করে। তবে ভোর হয়ে যাওয়ার যদি আশংকা হয় তবে এক রাকআত যোগ করে বিতর পড়ে নিবে। বিতরকে তুমি তোমার শেষ সালাত বানাবে। - ইবনু মাজাহ ১৩১৯, ১৩২০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আমর ইবনু আবাসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। রাতের সালাত (নামায/নামাজ) হ’ল দু’রাকআত করে। এ হ’ল সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আমর ইবনু আবাসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। রাতের সালাত (নামায/নামাজ) হ’ল দু’রাকআত করে। এ হ’ল সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৪৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن حميد بن عبد الرحمن الحميري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افضل الصيام بعد شهر رمضان شهر الله المحرم وافضل الصلاة بعد الفريضة صلاة الليل " . قال وفي الباب عن جابر وبلال وابي امامة . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . قال ابو عيسى وابو بشر اسمه جعفر بن ابي وحشية واسم ابي وحشية اياس .
৪৩৮. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ রমযান মাসের পর আল্লাহর মাস মুহররমের রোযা হ’ল সবচেয়ে আফযাল (উত্তম) আর ফরযের পর সবচেয়ে ফযীলতের হ’ল রাতের সালাত (নামায/নামাজ)। - ইবনু মাজাহ ১৭৪২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির, বিলাল ও আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ বিশর-এর নাম হ’ল জা’ফর ইবনু ইয়াস। ইনই হলেন জা’ফর ইবনু ওয়াহ্শিয়্যা।
এই বিষয়ে জাবির, বিলাল ও আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ বিশর-এর নাম হ’ল জা’ফর ইবনু ইয়াস। ইনই হলেন জা’ফর ইবনু ওয়াহ্শিয়্যা।
হাদিস নং: ৪৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابي سلمة، انه اخبره انه، سال عاىشة كيف كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالليل في رمضان فقالت ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يزيد في رمضان ولا في غيره على احدى عشرة ركعة يصلي اربعا فلا تسال عن حسنهن وطولهن ثم يصلي اربعا فلا تسال عن حسنهن وطولهن ثم يصلي ثلاثا . فقالت عاىشة فقلت يا رسول الله اتنام قبل ان توتر فقال " يا عاىشة ان عينى تنامان ولا ينام قلبي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৪৩৯. ইসহাক ইবনু মূসা আল-আনসারী (রহঃ) ...... আবূ সালামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে জিজ্ঞেস করেছিলেন রমযানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত (নামায/নামাজ) ছিল কেমন? উত্তরে তিনি বললেনঃ রমযান বা অন্যান্য মাসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এগার রাকআতের বেশি সালাত আদায় করতেন না। (প্রথম) চার রাকআত সালাত আদায় করতেন। এ যে কত সুন্দর ছিল এবং কত যে তা দীর্ঘ হতো সে সম্পর্কে তোমরা আমায় জিজ্ঞেস করো না। তারপর তিনি তিন রাকআত (বিতর) আদায় করতেন। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বিতর আদায় না করে শুয়ে পড়েন? তিনি বললেনঃ হে আয়িশা! আমার দু’চোখ ঘুমায় আমার হৃদয় ঘুমায় না। - সালাতুত তারাবীহ, সহিহ আবু দাউদ ১২১২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন: এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন: এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৪৪০
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن بن عيسى، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي من الليل احدى عشرة ركعة يوتر منها بواحدة فاذا فرغ منها اضطجع على شقه الايمن .
৪৪০. ইসহাক ইবনু মূসা আল-আনসারী (রহঃ) .... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে এগার রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। এর মধ্যে এক রাকআত বিতর হিসাবে করতেন। এই সালাত (নামায/নামাজ) সম্পাদনের পর ডান কাতে শুয়ে থাকতেন। [এই হাদিসে শু’বার বর্ণনাটি শাজ, সহিহ আবু দাউদ ১২০৬, সঠিক কথা হচ্ছে- শুবার বর্ণনা ফজরের সুন্নতের পড়ে - বুখারি] - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৪৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৪৪১. কুতায়বা (রহঃ) .... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৪৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، قال حدثنا وكيع، عن شعبة، عن ابي جمرة الضبعي، عن ابن عباس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل ثلاث عشرة ركعة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو جمرة الضبعي اسمه نصر بن عمران الضبعي .
৪৪২. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে তের রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। - সহিহ আবু দাউদ ১২০৫, বুখারি ও মুসলিম আরো পূর্ণরূপে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ জামরা আয-যুবাঈ-এর নাম হলো নাসর ইবনু ইমরান আয-যুবাঈ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ জামরা আয-যুবাঈ-এর নাম হলো নাসর ইবনু ইমরান আয-যুবাঈ।
হাদিস নং: ৪৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود بن يزيد، عن عاىشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل تسع ركعات . قال وفي الباب عن ابي هريرة وزيد بن خالد والفضل بن عباس . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن غريب من هذا الوجه .
৪৪৩. হান্নাদ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নয় রাকআত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। - সহিহ আবু দাউদ ১২১৩, মুসলিম আরো পূর্ণরূপে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, যায়দ ইবনু খালিদ ও ফযল ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্নিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি এই সনদে হাসান-সহীহ-গারীব।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, যায়দ ইবনু খালিদ ও ফযল ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্নিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি এই সনদে হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৪৪৪
সহিহ (Sahih)
ورواه سفيان الثوري عن الاعمش، نحو هذا حدثنا بذلك، محمود بن غيلان حدثنا يحيى بن ادم، عن سفيان، عن الاعمش، . قال ابو عيسى واكثر ما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم في صلاة الليل ثلاث عشرة ركعة مع الوتر واقل ما وصف من صلاته بالليل تسع ركعات .
৪৪৪. সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) .... আমাশ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবু ঈসা বলেনঃ সালাতুল লায়ল সম্পর্কে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত সর্বাধিক হল বিতরসহ তের রাকআত আর সর্বনিম্ন পরিমান হল নয় রাকআত।
ইমাম আবু ঈসা বলেনঃ সালাতুল লায়ল সম্পর্কে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত সর্বাধিক হল বিতরসহ তের রাকআত আর সর্বনিম্ন পরিমান হল নয় রাকআত।
হাদিস নং: ৪৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن سعد بن هشام، عن عاىشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا لم يصل من الليل - منعه من ذلك النوم او غلبته عيناه صلى من النهار ثنتى عشرة ركعة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال ابو عيسى وسعد بن هشام هو ابن عامر الانصاري وهشام بن عامر هو من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم . حدثنا عباس هو ابن عبد العظيم العنبري حدثنا عتاب بن المثنى عن بهز بن حكيم قال كان زرارة بن اوفى قاضي البصرة وكان يوم في بني قشير فقرا يوما في صلاة الصبح: (فاذا نقر في الناقور * فذلك يومىذ يوم عسير ) فخر ميتا فكنت فيمن احتمله الى داره .
৪৪৫. কুতায়বা (রহঃ) .... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি ঘুম বা তন্দ্রার কারণে রাতের সালাত (নামায/নামাজ) পুরা না করতে পারতেন তবে দিনে বার রাকআত আদায় করতেন। - মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এইা হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ রাবী সা’দ হলেন ইবনু হিশাম ইবনু আমির আল-আনসারী। হিশাম ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী। আব্বাস ইবনু আবদিল আযীম আল-আম্বারী (রহঃ) বাহয ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, যুরারা ইবনু আওফা (রহঃ) ছিলেন বসরার কাযী। তিনি বনূ কুশায়র-এ ইমামতি করতেন। একদিন তিনি ফজরের সালাতে নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন এবং তখনই ইন্তেকাল করেনঃ ’’যে দিন ফুৎকার দেওয়া হবে শিঙ্গায়, সেই দিন হবে এক সংকটময় দিন’’ (৭৪: ৮) যারা তাঁর লাশ তাঁর ঘাড়ে বহন করে নিয়ে গিয়েছিল, আমি তাদের একজন ছিলাম।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এইা হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ রাবী সা’দ হলেন ইবনু হিশাম ইবনু আমির আল-আনসারী। হিশাম ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী। আব্বাস ইবনু আবদিল আযীম আল-আম্বারী (রহঃ) বাহয ইবনু হাকীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, যুরারা ইবনু আওফা (রহঃ) ছিলেন বসরার কাযী। তিনি বনূ কুশায়র-এ ইমামতি করতেন। একদিন তিনি ফজরের সালাতে নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন এবং তখনই ইন্তেকাল করেনঃ ’’যে দিন ফুৎকার দেওয়া হবে শিঙ্গায়, সেই দিন হবে এক সংকটময় দিন’’ (৭৪: ৮) যারা তাঁর লাশ তাঁর ঘাড়ে বহন করে নিয়ে গিয়েছিল, আমি তাদের একজন ছিলাম।
হাদিস নং: ৪৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن الاسكندراني، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ينزل الله الى السماء الدنيا كل ليلة حين يمضي ثلث الليل الاول فيقول انا الملك من ذا الذي يدعوني فاستجيب له من ذا الذي يسالني فاعطيه من ذا الذي يستغفرني فاغفر له فلا يزال كذلك حتى يضيء الفجر " . قال وفي الباب عن علي بن ابي طالب وابي سعيد ورفاعة الجهني وجبير بن مطعم وابن مسعود وابي الدرداء وعثمان بن ابي العاص . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وقد روي هذا الحديث من اوجه كثيرة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروي عنه انه قال " ينزل الله عز وجل حين يبقى ثلث الليل الاخر " . وهو اصح الروايات .
৪৪৬. কুতায়বা (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ রাতের প্রথম এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হলে প্রত্যেক রাতেই আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলেনঃ আমিই রাজধিরাক, যে আমাকে ডাকে আমি তার ডাককে কবূল করি, যে আমার কাছে যাঞ্ছা করে আমি তাকে দেই, যে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই। ফজরের আলো উদ্ভাসিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে। - ইবনু মাজাহ ১৩৬৬, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী ইবনু আবূ তালিব, আবূ সাঈদ, রিফাআ আল-জুহানী, জুবায়র ইবনু মুতঈম, ইবনু মাসঊদ, আবূদ্ দারদা এবং উসমান ইবনু আবিল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বহু সূত্রে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ রাতের শেষ তৃতীয়াংশ যখন অবশিষ্ট থাকে, তখন আল্লাহ তা’আলা নেমে আসেন এই রিওয়ায়াতটই সবচেয়ে সহীহ।
এই বিষয়ে আলী ইবনু আবূ তালিব, আবূ সাঈদ, রিফাআ আল-জুহানী, জুবায়র ইবনু মুতঈম, ইবনু মাসঊদ, আবূদ্ দারদা এবং উসমান ইবনু আবিল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বহু সূত্রে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ রাতের শেষ তৃতীয়াংশ যখন অবশিষ্ট থাকে, তখন আল্লাহ তা’আলা নেমে আসেন এই রিওয়ায়াতটই সবচেয়ে সহীহ।
হাদিস নং: ৪৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا يحيى بن اسحاق، هو السالحيني حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن عبد الله بن رباح الانصاري، عن ابي قتادة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لابي بكر " مررت بك وانت تقرا وانت تخفض من صوتك " . فقال اني اسمعت من ناجيت . قال " ارفع قليلا " . وقال لعمر " مررت بك وانت تقرا وانت ترفع صوتك " . قال اني اوقظ الوسنان واطرد الشيطان قال " اخفض قليلا " . قال وفي الباب عن عاىشة وام هانى وانس وام سلمة وابن عباس . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وانما اسنده يحيى بن اسحاق عن حماد بن سلمة واكثر الناس انما رووا هذا الحديث عن ثابت عن عبد الله بن رباح مرسلا .
৪৪৭. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... আব কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেনঃ আমি আপনার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম, আপনি তখন তিলাওয়াত করছিলেন। তবে আপনার স্বর খুবই নীচু ছিল। তিনি বললেনঃ আপনার আওয়াজকে আরেকটু উঁচু করবেন। পরে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেনঃ আমি আপনার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। আপনি তখন তিলাওয়াত করছিলেন। কিন্তু আপনার স্বর অত্যন্ত উঁচু ছিল। তিনি বললেনঃ আমি নিদ্রাতুরদেরকে জাগাচ্ছিলাম আর শয়তানকে বিতাড়িত করছিলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আপনি আপনার আওয়াজ আরেকটু নীচু করবেন। - সহিহ আবু দাউদ ১২০০, মিশকাত ১২০৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, উম্মু হানী, আনাস, উম্মু সালামা ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি (৪৪৭ নং) গারীব। এটিকে কেবল ইয়াহইয়া ইবনু ইসহাক (রহঃ) হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) থেকে মুসনাদ হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ রাবী এই হাদীসটিকে সাবিত আবদুল্লাহ ইবনু রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে আয়িশা, উম্মু হানী, আনাস, উম্মু সালামা ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি (৪৪৭ নং) গারীব। এটিকে কেবল ইয়াহইয়া ইবনু ইসহাক (রহঃ) হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) থেকে মুসনাদ হিসাবে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু অধিকাংশ রাবী এই হাদীসটিকে সাবিত আবদুল্লাহ ইবনু রাবাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৪৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو بكر، محمد بن نافع البصري حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، عن اسماعيل بن مسلم العبدي، عن ابي المتوكل الناجي، عن عاىشة، قالت قام النبي صلى الله عليه وسلم باية من القران ليلة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
৪৪৮. আবূ বকর মুহাম্মদ ইবনু নাফি আল-বাসরী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়িয়ে কুরআনের একটি আয়াতেই রাত কাটিয়ে দিলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব।