হাদিস নং: ৫৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن محمد، حدثنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا خالد بن عبد الرحمن، قال حدثني غالب القطان، عن بكر بن عبد الله المزني، عن انس بن مالك، قال كنا اذا صلينا خلف النبي صلى الله عليه وسلم بالظهاىر سجدنا على ثيابنا اتقاء الحر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال وفي الباب عن جابر بن عبد الله وابن عباس . وقد روى وكيع هذا الحديث عن خالد بن عبد الرحمن .
৫৮৪. আহমদ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমরা যখন দুপুরের প্রচন্ড গরমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে যোহরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতাম, তখন গরমের তাপ থেকে বাঁচার উদ্দেশ্যে আমাদের কাপড়ের উপর সিজদা করতাম। - ইবনু মাজাহ ১০৩৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে জাবির ইবন আবদিল্লাহ ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ওয়াকী (রহঃ) হাদীসটি খালিদ ইবনু আবদির রহমান সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে জাবির ইবন আবদিল্লাহ ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ওয়াকী (রহঃ) হাদীসটি খালিদ ইবনু আবদির রহমান সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৫৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا صلى الفجر قعد في مصلاه حتى تطلع الشمس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৫৮৫. কুতায়বা (রহঃ) ...... জাবির ইবনু সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত তাঁর মুসল্লায় বসে থাকতেন। - সহিহ আবু দাউদ ১১৭১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৫৮৬
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي البصري، حدثنا عبد العزيز بن مسلم، حدثنا ابو ظلال، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى الغداة في جماعة ثم قعد يذكر الله حتى تطلع الشمس ثم صلى ركعتين كانت له كاجر حجة وعمرة " . قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تامة تامة تامة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . قال وسالت محمد بن اسماعيل عن ابي ظلال فقال هو مقارب الحديث . قال محمد واسمه هلال .
৫৮৬. আবদুল্লাহ ইবনু মু’আবিয়া আল-জুমহী আল-বসরী (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত সেখানে বসে আল্লাহর যিকর করবে এবং এরপর দু’রাকআত সালাত আদায় করবে, তার জন্য একটি হজ্জ ও উমরা পালনের সওয়াব হবে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ ব্যক্তির জন্য হজ্জ ও উমরার পরিপূর্ণ সওয়াব হবে, পরিপূর্ণ সওয়াব হবে, পরিপূর্ণ সওয়াব হবে। - তা’লীকুর রাগীব ১/১৬৪, ১৬৫, মিশকাত ৯৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ) কে রাবী আবূ যিলাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ ইনি হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যের নিকটবর্তী। তিনি আরো বলেনঃ এর নাম হ’ল হিলাল।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ) কে রাবী আবূ যিলাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ ইনি হাদীসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যের নিকটবর্তী। তিনি আরো বলেনঃ এর নাম হ’ল হিলাল।
হাদিস নং: ৫৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، وغير، واحد، قالوا حدثنا الفضل بن موسى، عن عبد الله بن سعيد بن ابي هند، عن ثور بن زيد، عن عكرمة، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يلحظ في الصلاة يمينا وشمالا ولا يلوي عنقه خلف ظهره . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وقد خالف وكيع الفضل بن موسى في روايته .
৫৮৭. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) এবং আরো অনেকে ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে ডানে-বামে চোখ ঘুরিয়ে দেখতেন। তবে তিনি পিছনের দিকে ঘাড় ঘুরাতেন না। - মিশকাত ৯৯৮,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। ওয়াকী (রহঃ) এটির রিওয়ায়াতের ক্ষেত্রে রাবী ফয্ল ইবনু মূসার খেলাফ করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। ওয়াকী (রহঃ) এটির রিওয়ায়াতের ক্ষেত্রে রাবী ফয্ল ইবনু মূসার খেলাফ করেছেন।
হাদিস নং: ৫৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، عن عبد الله بن سعيد بن ابي هند، عن بعض، اصحاب عكرمة ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يلحظ في الصلاة . فذكر نحوه . قال وفي الباب عن انس وعاىشة .
৫৮৮. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... ইকরামা (রহঃ) এর জনৈক শাগরিদ থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে চোখ ঘুরিয়ে দেখতেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহআ থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে আনাস ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহআ থেকে হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৫৮৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو حاتم، مسلم بن حاتم البصري حدثنا محمد بن عبد الله الانصاري، عن ابيه، عن علي بن زيد، عن سعيد بن المسيب، قال قال انس بن مالك قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا بنى اياك والالتفات في الصلاة فان الالتفات في الصلاة هلكة فان كان لا بد ففي التطوع لا في الفريضة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৫৮৯. আবূ হাতিম মুসলিম ইবনু হাতিম আল-বসরী (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ প্রিয় বৎস, সালাতে এদিক দেখা থেকে বেঁচে থাক। কারণ সালাতে এদিক সেদিক দেখা ধ্বংসের কারণ। যদি (বিশেষ কোন প্রয়োজনে) এরূপ করতেই হয় তবে তা নফলের ক্ষেত্রে করবে, ফরযের ক্ষেত্রে নয়। - তা’লিকাতুল জিয়াদ, তা’লিকুর রাগীব ১/১৯১, মিশকাত ৯৯৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৫৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا صالح بن عبد الله، حدثنا ابو الاحوص، عن اشعث بن ابي الشعثاء، عن ابيه، عن مسروق، عن عاىشة، قالت سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الالتفات في الصلاة قال " هو اختلاس يختلسه الشيطان من صلاة الرجل " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৫৯০. সালিহ ইবনু আবদিল্লাহ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাতে এদিক সেদিক তাকান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ এ হ’ল এক ধরনের ছোঁ মারা। এতে শয়তান একজনের সালাত (নামায/নামাজ) থেকে কিছু ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। - ইরওয়া ৩৭০, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৫৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هشام بن يونس الكوفي، حدثنا المحاربي، عن الحجاج بن ارطاة، عن ابي اسحاق، عن هبيرة بن يريم، عن علي، وعن عمرو بن مرة، عن ابن ابي ليلى، عن معاذ بن جبل، قالا قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا اتى احدكم الصلاة والامام على حال فليصنع كما يصنع الامام " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعلم احدا اسنده الا ما روي من هذا الوجه . والعمل على هذا عند اهل العلم . قالوا اذا جاء الرجل والامام ساجد فليسجد ولا تجزىه تلك الركعة اذا فاته الركوع مع الامام واختار عبد الله بن المبارك ان يسجد مع الامام وذكر عن بعضهم فقال لعله لا يرفع راسه في تلك السجدة حتى يغفر له .
৫৯১. হিশাম ইবনু ইউনস আল-কূফী (রহঃ) ..... মু’আয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি সালাতে শরীক হতে আসে এবং ইমাম যদি (সালাতের) কোন এক অবস্থায় থাকেন তবে সে ইমাম যা করছেন তাই করবে। - সহিহ আবু দাউদ ৫২২, সহিহাহ ১১৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই সনদ ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এটি মুসনাদরূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নাই। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহণের অভিমত দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, ইমামের সিজদার অবস্থায় যদি কেউ জামাআতে শরীক হতে আসে, তবে সেও সিজদায় শরীক হয়ে যাবে। তবে ইমামের সাথে রুকূ না পাওয়ায় বর্তমান রাকআত পাওয়ার ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে না। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহঃ) এই রকম ক্ষেত্রে সে ইমামের সঙ্গে সিজদায় শরীক হওয়ার কথা গ্রহণ করেছেন। জনৈক রাবী থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ হয়ত এই সিজদা থেকে মাথা উঠানোর সাথে সাথে তাকে মাফ করে দেওয়া হবে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি গারীব। এই সনদ ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এটি মুসনাদরূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নাই। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহণের অভিমত দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, ইমামের সিজদার অবস্থায় যদি কেউ জামাআতে শরীক হতে আসে, তবে সেও সিজদায় শরীক হয়ে যাবে। তবে ইমামের সাথে রুকূ না পাওয়ায় বর্তমান রাকআত পাওয়ার ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে না। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহঃ) এই রকম ক্ষেত্রে সে ইমামের সঙ্গে সিজদায় শরীক হওয়ার কথা গ্রহণ করেছেন। জনৈক রাবী থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ হয়ত এই সিজদা থেকে মাথা উঠানোর সাথে সাথে তাকে মাফ করে দেওয়া হবে।
হাদিস নং: ৫৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن محمد، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا معمر، عن يحيى بن ابي كثير، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اقيمت الصلاة فلا تقوموا حتى تروني خرجت " . قال وفي الباب عن انس وحديث انس غير محفوظ . قال ابو عيسى حديث ابي قتادة حديث حسن صحيح . وقد كره قوم من اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ان ينتظر الناس الامام وهم قيام . وقال بعضهم اذا كان الامام في المسجد فاقيمت الصلاة فانما يقومون اذا قال الموذن قد قامت الصلاة قد قامت الصلاة . وهو قول ابن المبارك .
৫৯২. আহমদ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ....... আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ সালাতের ইকামত যখন হয় তখন আমাকে বের হতে না দেখা পর্যন্ত তোমরা দাঁড়াবে না। - সহিহ আবু দাউদ ৫৫০, আর রাউজুন নাযীর ১৮৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। তবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি মাহফূয (সংরক্ষেত) নয়। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। একদল সাহাবী ও আলিম দাঁড়িয়ে ইমামের ইন্তিজার (অপেক্ষা) করা মাকরূহ বলে মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলেনঃ ইমাম মসজিদে অবস্থানরত থাকা অবস্থায় যদি সালাতের ইকামত হয় তবে মুয়াজ্জ্বীন যখন قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ বলবে, তখন মুসল্লিরা দাঁড়াবে। এ হ’ল ইবনু মুবারক (রহঃ)-এর অভিমত।
এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। তবে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি মাহফূয (সংরক্ষেত) নয়। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ কাতাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। একদল সাহাবী ও আলিম দাঁড়িয়ে ইমামের ইন্তিজার (অপেক্ষা) করা মাকরূহ বলে মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলেনঃ ইমাম মসজিদে অবস্থানরত থাকা অবস্থায় যদি সালাতের ইকামত হয় তবে মুয়াজ্জ্বীন যখন قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ বলবে, তখন মুসল্লিরা দাঁড়াবে। এ হ’ল ইবনু মুবারক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ৫৯৩
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا ابو بكر بن عياش، عن عاصم، عن زر، عن عبد الله، قال كنت اصلي والنبي صلى الله عليه وسلم وابو بكر وعمر معه فلما جلست بدات بالثناء على الله ثم الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم ثم دعوت لنفسي فقال النبي صلى الله عليه وسلم " سل تعطه سل تعطه " . قال وفي الباب عن فضالة بن عبيد . قال ابو عيسى حديث عبد الله بن مسعود حديث حسن صحيح . قال ابو عيسى هذا الحديث رواه احمد بن حنبل عن يحيى بن ادم مختصرا .
৫৯৩. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছিলাম, আবূ বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তখন সেখানে ছিলেন। যা হোক, সালাত শেষে যখন বসলাম তখন প্রথমে আল্লাহর সানা-সিফাত (গুণকীর্তন) করলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য সালাম পাঠ করলাম, এরপর আমার নিজের জন্য দু’আ করলাম। এই সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রার্থনা কর, তোমাকে তা দেওয়া হবে, প্রার্থনা কর, তোমাকে তা দেওয়া হবে। - সিফাতুস সালাত, তাখরীজুল মুখতারাহ ২৫৫, মিশকাত ৯৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ফাযালা ইবনু উবায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবদু্ল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) এই হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু আদম (রহঃ) সূত্রে সংক্ষিপ্ত করে বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে ফাযালা ইবনু উবায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবদু্ল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) এই হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু আদম (রহঃ) সূত্রে সংক্ষিপ্ত করে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৫৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن حاتم المودب البغدادي البصري، حدثنا عامر بن صالح الزبيري، هو من ولد الزبير حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت امر رسول الله صلى الله عليه وسلم ببناء المساجد في الدور وان تنظف وتطيب .
৫৯৪. মুহাম্মদ ইবনু হাতিম আল-মুতাদ্দাব আল-বাগদাদী আল-বাসরী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গৃহে মসজিদ বানাতে এবং তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ও তাতে সুগন্ধি লাগাতে নির্দেশ দিয়েছেন। - ইবনু মাজাহ ৭৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৫৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، ووكيع، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم امر فذكر نحوه . قال ابو عيسى وهذا اصح من الحديث الاول .
৫৯৫. হান্নাদ (রহঃ) .... উরওয়া (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই রিওয়ায়াতটি প্রথমটির তুলনায় অধিকতর সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই রিওয়ায়াতটি প্রথমটির তুলনায় অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ৫৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم امر فذكر نحوه . قال سفيان قوله " ببناء المساجد في الدور " . يعني القباىل .
৫৯৬. ইবনু আবী উমর (রহঃ) ..... উরওয়া (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সুফইয়ান (রহঃ) বলেনঃ স্ব স্ব গৃহে মসজিদ নির্মাণ করার অর্থ হল স্ব স্ব কবীলায় মসজিদ নির্মান করা।
সুফইয়ান (রহঃ) বলেনঃ স্ব স্ব গৃহে মসজিদ নির্মাণ করার অর্থ হল স্ব স্ব কবীলায় মসজিদ নির্মান করা।
হাদিস নং: ৫৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، عن علي الازدي، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الليل والنهار مثنى مثنى " . قال ابو عيسى اختلف اصحاب شعبة في حديث ابن عمر فرفعه بعضهم واوقفه بعضهم . وروي عن عبد الله العمري عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا . والصحيح ما روي عن ابن عمر ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الليل مثنى مثنى " . وروى الثقات عن عبد الله بن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم ولم يذكروا فيه صلاة النهار . وقد روي عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر انه كان يصلي بالليل مثنى مثنى وبالنهار اربعا . وقد اختلف اهل العلم في ذلك فراى بعضهم ان صلاة الليل والنهار مثنى مثنى . وهو قول الشافعي واحمد . وقال بعضهم صلاة الليل مثنى مثنى وراوا صلاة التطوع بالنهار اربعا مثل الاربع قبل الظهر وغيرها من صلاة التطوع . وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك واسحاق .
৫৯৭. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ রাত ও দিনের (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) হল দুই দুই রাকআত করে। - ইবনু মাজাহ ১৩২২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটির সনদে শু’বা-এর শাগরিদদের মতবিরোধ রয়েছে। এটিকে কেউ কেউ মারফূ হিসাবে আর কেউ কেউ মওকূফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ আল-উমারী নাফি ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ’’রাতের সালাত হল দুই দুই রাকআত করে’’ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর এই মর্মে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি হল সহীহ রিওয়ায়াত। একাধিক সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য রাবী ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এই হাদীসটির রিওয়ায়াত করেছেন কিন্তু তাঁরা ’’দিনের সালাত’’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
উবায়দুল্লাহ নাফি (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাতে দুই রাকআত করে আর দিনে চার রাকআত করে (নফল) সালাত আদায় করতেন। এই বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। কেউ কেউ বলেনঃ রাত ও দিনের (নফল) সালাত হল দুই দুই রাকআত করে। এ হ’ল ইমাম শাফিঈ ও আহমদ (রহঃ)-এর অভিমত। আর কতক আলিম বলেনঃ রাতে সালাত দুই দুই রাকআত করে আর দিনের নফল সালাত হল চার রাকআত করে। যেমন যোহরের পূর্বে চার রাকআত এবং অন্যান্য নফল সালাত। এ হ’ল সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটির সনদে শু’বা-এর শাগরিদদের মতবিরোধ রয়েছে। এটিকে কেউ কেউ মারফূ হিসাবে আর কেউ কেউ মওকূফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ আল-উমারী নাফি ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ’’রাতের সালাত হল দুই দুই রাকআত করে’’ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর এই মর্মে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি হল সহীহ রিওয়ায়াত। একাধিক সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য রাবী ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এই হাদীসটির রিওয়ায়াত করেছেন কিন্তু তাঁরা ’’দিনের সালাত’’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
উবায়দুল্লাহ নাফি (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রাতে দুই রাকআত করে আর দিনে চার রাকআত করে (নফল) সালাত আদায় করতেন। এই বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। কেউ কেউ বলেনঃ রাত ও দিনের (নফল) সালাত হল দুই দুই রাকআত করে। এ হ’ল ইমাম শাফিঈ ও আহমদ (রহঃ)-এর অভিমত। আর কতক আলিম বলেনঃ রাতে সালাত দুই দুই রাকআত করে আর দিনের নফল সালাত হল চার রাকআত করে। যেমন যোহরের পূর্বে চার রাকআত এবং অন্যান্য নফল সালাত। এ হ’ল সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ৫৯৮
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن عاصم بن ضمرة، قال سالنا عليا عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم من النهار فقال انكم لا تطيقون ذاك . فقلنا من اطاق ذاك منا . فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا كانت الشمس من ها هنا كهيىتها من ها هنا عند العصر صلى ركعتين واذا كانت الشمس من ها هنا كهيىتها من ها هنا عند الظهر صلى اربعا وصلى اربعا قبل الظهر وبعدها ركعتين وقبل العصر اربعا يفصل بين كل ركعتين بالتسليم على الملاىكة المقربين والنبيين والمرسلين ومن تبعهم من المومنين والمسلمين .
৫৯৮. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) .... আসিম ইবনু দামরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেনঃ আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিনের সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা তা পারবে না। আমরা বললামঃ আমাদের মধ্যে যে তা পারবে (সে তা অবলম্বন করবে)। তিনি বললেনঃ সূর্য যখন (পূর্বদিকে) সেইখানে উঠে আসে, যেইখানে আসরের ওয়াক্তে (পশ্চিমদিকে) থাকে, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকআত (সালাতুল ইশরাক) আদায় করতেন। আর সূর্য যখন (পূর্বদিকে) সেইখানে উঠে আসে। যেইখানে যোহরের ওয়াক্তে (পশ্চিমদিকে) থাকে, তখন তিনি চার রাকআত (সালাতুয্-যুহা) আদায় করতেন। তিনি যোহরের পূর্বে চার রাকআত, পরে দু’রাকআত এবং আসরের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাত) সালাত আদায় করতেন। আর প্রতি দু’রাকআতের মাঝে আল্লাহর নিকটবর্তী ফেরেশতা, নবী, রাসূল ও তাঁদের অনুসরণকারী মুমিন মুসলিমদের প্রতি সালাম প্রেরণের মাধ্যমে (অর্থাৎ তাশাহ্হুদের মাধ্যমে) ব্যবধান করতেন। - ইবনু মাজাহ ১১৬১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৫৯৯
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقال اسحاق بن ابراهيم احسن شيء روي في تطوع النبي صلى الله عليه وسلم في النهار هذا . وروي عن عبد الله بن المبارك انه كان يضعف هذا الحديث . وانما ضعفه عندنا والله اعلم لانه لا يروى مثل هذا عن النبي صلى الله عليه وسلم الا من هذا الوجه عن عاصم بن ضمرة عن علي . وعاصم بن ضمرة هو ثقة عند بعض اهل العلم . قال علي بن المديني قال يحيى بن سعيد القطان قال سفيان كنا نعرف فضل حديث عاصم بن ضمرة على حديث الحارث .
৫৯৯. মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না (রহঃ) ..... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিনের নফল সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে বর্ণিত রিওয়ায়াতসমূহের মধ্যে এই রিওয়ায়াতটই সবচেয়ে উত্তম। ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি এই রিওয়ায়াতটিকে যঈফ বলে আখ্যায়িত করতেন। আমাদের মতে তাঁর যঈফ বলার কারণ হল এই যে, আসিম ইবনু যামরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ব্যতীত আর কোন সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইদৃশ রিওয়ায়াত বর্ণিত নাই, আল্লাহু আ’লাম (আল্লাহই মূল সত্য সম্পর্কে অবহিত)। আসিম ইবনু যামরা কোন কোন হাদীস বিশারদের মতে সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য। আলী ইবনুল মাদীনী বলেনঃ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) বলেছেন হারিস-এর রিওয়ায়াতের উপর আসিম ইবনু যামরা-এর রিওয়ায়াতের মর্যাদা আমরা স্বীকার করতাম।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিনের নফল সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে বর্ণিত রিওয়ায়াতসমূহের মধ্যে এই রিওয়ায়াতটই সবচেয়ে উত্তম। ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি এই রিওয়ায়াতটিকে যঈফ বলে আখ্যায়িত করতেন। আমাদের মতে তাঁর যঈফ বলার কারণ হল এই যে, আসিম ইবনু যামরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ব্যতীত আর কোন সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইদৃশ রিওয়ায়াত বর্ণিত নাই, আল্লাহু আ’লাম (আল্লাহই মূল সত্য সম্পর্কে অবহিত)। আসিম ইবনু যামরা কোন কোন হাদীস বিশারদের মতে সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য। আলী ইবনুল মাদীনী বলেনঃ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) বলেছেন হারিস-এর রিওয়ায়াতের উপর আসিম ইবনু যামরা-এর রিওয়ায়াতের মর্যাদা আমরা স্বীকার করতাম।
হাদিস নং: ৬০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى، حدثنا خالد بن الحارث، عن اشعث، وهو ابن عبد الملك عن محمد بن سيرين، عن عبد الله بن شقيق، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصلي في لحف نساىه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم رخصة في ذلك .
৬০০. মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল আ’লা (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সহধর্মিনীগণের চাঁদরে (সাধারণত) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন না। - আবু দাউদ ৩৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুমতি প্রদানের রিওয়ায়াতও রয়েছে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুমতি প্রদানের রিওয়ায়াতও রয়েছে।
হাদিস নং: ৬০১
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا بشر بن المفضل، عن برد بن سنان، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، قالت جىت ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في البيت والباب عليه مغلق فمشى حتى فتح لي ثم رجع الى مكانه . ووصفت الباب في القبلة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৬০১. আবূ সালামা ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ একবার আমি আসলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন ঘরে (নফল) সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছিলেন আর দরজা ছিল বন্ধ। সুতরাং তিনি সামনে কিছু হেঁটে এসে আমার জন্য দরজা খুলে দিলেন, এরপর আবার স্বস্থানে ফিরে গেলেন। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেনঃ দরজাটি ছিল কিবলার দিকে। - সহিহ আবু দাউদ ৮৫৫, মিশকাত ১০০৫, আল ইরওয়া ৩৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৬০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، عن الاعمش، قال سمعت ابا واىل، قال سال رجل عبد الله عن هذا الحرف (غير اسن) او ياسن قال كل القران قرات غير هذا الحرف قال نعم . قال ان قوما يقرءونه ينثرونه نثر الدقل لا يجاوز تراقيهم اني لاعرف السور النظاىر التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرن بينهن . قال فامرنا علقمة فساله فقال عشرون سورة من المفصل كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرن بين كل سورتين في ركعة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৬০২. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... আবূ ওয়াইল (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন জনৈক ব্যক্তি একবার আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ শব্দটি غَيْرِ آسِنٍ না يَاسِنٍ? তিনি বললেনঃ এটি ছাড়া কুরআনের সব কিছু কি তুমি পড়ে ফেলেছ? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কোন কোন সম্প্রদায় কুরআন পড়ে এবং রদ্দী খেজুরের মতো ছুঁড়ে ফেলে দেয়। তাদের কণ্ঠ অতিক্রম করে না তা। আমি তো সেই সা’দৃশ্যপূর্ণ সূরাগুলি সম্পর্কে জানি, যেগুলিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একত্রিত (পাঠ) করতেন। আবূ ওয়ায়ল বলেনঃ আমরা আলাকামা (রহঃ)-কে ঐগুলি সম্পর্কে ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট জিজ্ঞাসা করতে বললাম। তিনি সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এ হল মুফাসসাল পর্যায়ের বিশটি সূরা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাকআতে এই সূরাসমূহের দুটি দুটি সূরা করে একত্রিত (পাঠ) করতেন। - সহিহ আবু দাউদ ১২৬২, সিফাতুস সালাত, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৬০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، عن الاعمش، سمع ذكوان، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا توضا الرجل فاحسن الوضوء ثم خرج الى الصلاة لا يخرجه او قال لا ينهزه الا اياها لم يخط خطوة الا رفعه الله بها درجة او حط عنه بها خطيىة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৬০৩. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ কেউ যদি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে এবং ভাল করে তা করে, এরপর সালাতের জন্য বের হয়ে যায়, এ ছাড়া তার বের হওয়ার অন্য কোন উদ্দেশ্য না থাকে, তবে এমন কোন কদম সে তুলে না যার মাধ্যমে আল্লাহ্ তা’আলা তার দরজা বুলন্দ করেন না বা তার কোন গুনাহ মাফ করেন না। - ইবনু মাজাহ ৭৭৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।