হাদিস নং: ২৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا يعقوب بن ابراهيم الدورقي، حدثنا عبيد الله الاشجعي، عن سفيان الثوري، عن ابي اسحاق، عن الاسود بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال علمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قعدنا في الركعتين ان نقول التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك ايها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين اشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله . قال وفي الباب عن ابن عمر وجابر وابي موسى وعاىشة . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود قد روي عنه من غير وجه . وهو اصح حديث روي عن النبي صلى الله عليه وسلم في التشهد . والعمل عليه عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم من التابعين . وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك واحمد واسحاق . حدثنا احمد بن محمد بن موسى اخبرنا عبد الله بن المبارك عن معمر عن خصيف قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم في المنام فقلت يا رسول الله ان الناس قد اختلفوا في التشهد فقال " عليك بتشهد ابن مسعود " .
২৮৯. ইয়াকূব ইবনু ইবরাহীম আদ-দাওরাকী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ দুই রাকআত পর বসার মাঝে আমাদেরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দু’আ বলতে শিখিয়েছেনঃ
’’সব তাযীম ভক্তি-শ্রদ্ধা, নামায, সব পবিত্র ইবাদত-বন্দেগী আল্লাহর জন্য, আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার উপর সালাম এবং আপনার উপর আল্লাহ তা’আলার অসীম রহমত ও বরকত। আমাদের জন্য এবং আল্লাহর অন্যান্য সব নেক বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি অবতীর্ণ হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, এক আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।’’ - ইরওয়া ৩৩৬, ইবনু মাজাহ ৮৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর, জাবির, আবূ মূসা ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। তাশাহ্হুদ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীসমূহের মধ্যে এটই সর্বাধিক সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও পরবর্তী যুগের তাবিঈ আলিমগণ এই হাদীস অনুসারেই আমল করেছেন। ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আহমদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মূসা (রহঃ) ... খুসায়ফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ একবার আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্বপ্নে দর্শন লাভ করি। তখন আমি আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকেরা তো তাশাহ্হুদের বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত। তিনি বললেন, তুমি অবশ্যই ইবনু মাসঊদ বর্ণিত তাশাহ্হুদটি অবলম্বন কর।
’’সব তাযীম ভক্তি-শ্রদ্ধা, নামায, সব পবিত্র ইবাদত-বন্দেগী আল্লাহর জন্য, আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার উপর সালাম এবং আপনার উপর আল্লাহ তা’আলার অসীম রহমত ও বরকত। আমাদের জন্য এবং আল্লাহর অন্যান্য সব নেক বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি অবতীর্ণ হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, এক আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।’’ - ইরওয়া ৩৩৬, ইবনু মাজাহ ৮৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর, জাবির, আবূ মূসা ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। তাশাহ্হুদ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীসমূহের মধ্যে এটই সর্বাধিক সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও পরবর্তী যুগের তাবিঈ আলিমগণ এই হাদীস অনুসারেই আমল করেছেন। ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আহমদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মূসা (রহঃ) ... খুসায়ফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ একবার আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্বপ্নে দর্শন লাভ করি। তখন আমি আরয করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকেরা তো তাশাহ্হুদের বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত। তিনি বললেন, তুমি অবশ্যই ইবনু মাসঊদ বর্ণিত তাশাহ্হুদটি অবলম্বন কর।
হাদিস নং: ২৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابي الزبير، عن سعيد بن جبير، وطاوس، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد كما يعلمنا القران فكان يقول " التحيات المباركات الصلوات الطيبات لله سلام عليك ايها النبي ورحمة الله وبركاته سلام علينا وعلى عباد الله الصالحين اشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا رسول الله " . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن غريب صحيح . وقد روى عبد الرحمن بن حميد الرواسي هذا الحديث عن ابي الزبير نحو حديث الليث بن سعد . وروى ايمن بن نابل المكي هذا الحديث عن ابي الزبير عن جابر وهو غير محفوظ . وذهب الشافعي الى حديث ابن عباس في التشهد .
২৯০. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে কুরআন শিখিয়েছেন সেভাবে তাশাহ্হুদও শিখিয়েছেন। তিনি (তাশাহ্হুদে) বলতেনঃ
’’সব তাযীম ভক্তি-শ্রদ্ধা, নামায, সব পবিত্র ইবাদত-বন্দেগী আল্লাহর জন্য, আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার উপর সালাম এবং আপনার উপর আল্লাহ তা’আলার অসীম রহমত ও বরকত। আমাদের জন্য এবং আল্লাহর অন্যান্য নেক বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি অবতীর্ন হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, এক আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল।’’ - ইবনু মাজাহ ৯০০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। আবদুর রহমান ইবনু হুমায়দ আর-রুওয়াসী এই হাদীসটি আবূয যুবায়র (রহঃ) থেকে লায়স ইবনু সা’দ-এর অনুরূপ রিওয়াত করেছেন। আয়মান ইবনু নাবিল আল-মাক্কীও এই হাদীসটি আবূয যুবায়র জাবির (রহঃ) জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে এটি মাহফূয বা সংরক্ষিত নয়। ইমাম শাফিঈ তাশাহ্হুদের ক্ষেত্রে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
’’সব তাযীম ভক্তি-শ্রদ্ধা, নামায, সব পবিত্র ইবাদত-বন্দেগী আল্লাহর জন্য, আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার উপর সালাম এবং আপনার উপর আল্লাহ তা’আলার অসীম রহমত ও বরকত। আমাদের জন্য এবং আল্লাহর অন্যান্য নেক বান্দার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি অবতীর্ন হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, এক আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল।’’ - ইবনু মাজাহ ৯০০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। আবদুর রহমান ইবনু হুমায়দ আর-রুওয়াসী এই হাদীসটি আবূয যুবায়র (রহঃ) থেকে লায়স ইবনু সা’দ-এর অনুরূপ রিওয়াত করেছেন। আয়মান ইবনু নাবিল আল-মাক্কীও এই হাদীসটি আবূয যুবায়র জাবির (রহঃ) জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে এটি মাহফূয বা সংরক্ষিত নয়। ইমাম শাফিঈ তাশাহ্হুদের ক্ষেত্রে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
হাদিস নং: ২৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن اسحاق، عن عبد الرحمن بن الاسود، عن ابيه، عن عبد الله بن مسعود، قال من السنة ان يخفي، التشهد . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود حديث حسن غريب . والعمل عليه عند اهل العلم .
২৯১. আবূ সাঈদ আল-আশাজ্জ (রহঃ) .... ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ তাশাহ্হুদ নিঃশব্দে পাঠ করা হল সুন্নাতের অন্তর্ভূক্ত। - সহিহ আবু দাউদ ৯০৬, সিফাতুস সালাত ১৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
হাদিস নং: ২৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبد الله بن ادريس، حدثنا عاصم بن كليب الجرمي، عن ابيه، عن واىل بن حجر، قال قدمت المدينة قلت لانظرن الى صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما جلس - يعني - للتشهد افترش رجله اليسرى ووضع يده اليسرى يعني على فخذه اليسرى ونصب رجله اليمنى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اكثر اهل العلم وهو قول سفيان الثوري واهل الكوفة وابن المبارك .
২৯২. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ওয়াইল ইবনু হুজর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, মদীনায় এসে আমি মনে মনে ভাবলাম, অবশ্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত লক্ষ্য করে দেখব। লক্ষ্য করে দেখলাম, তিনি তাশাহ্হুদের জন্য যখন বসলেন তখন বাম পা বিছিয়ে দিলেন এবং বাম উরুতে তাঁর বাম হাত রাখলেন আর ডান পা’টি (অর্থাৎ পায়ের পাতটি) খাড়া করে রাখলেন। - সহিহ আবু দাউদ ৭১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক এবং কূফাবাসী আলিমদের অভিমত এ-ই।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক এবং কূফাবাসী আলিমদের অভিমত এ-ই।
হাদিস নং: ২৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، محمد بن بشار حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا فليح بن سليمان المدني، حدثني عباس بن سهل الساعدي، قال اجتمع ابو حميد وابو اسيد وسهل بن سعد ومحمد بن مسلمة فذكروا صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال ابو حميد انا اعلمكم بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم جلس - يعني - للتشهد فافترش رجله اليسرى واقبل بصدر اليمنى على قبلته ووضع كفه اليمنى على ركبته اليمنى وكفه اليسرى على ركبته اليسرى واشار باصبعه يعني السبابة . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح . وبه يقول بعض اهل العلم وهو قول الشافعي واحمد واسحاق قالوا يقعد في التشهد الاخر على وركه واحتجوا بحديث ابي حميد وقالوا يقعد في التشهد الاول على رجله اليسرى وينصب اليمنى .
২৯৩. বুন্দার মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ....... আব্বাস ইবনু সাহল আস-সায়িদী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বললেন, একবার আবূ হুমায়দ, আবূ উসায়দ, সাহল ইবনু সা’দ এবং মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা একত্রিত হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তখন আবূ হুমায়দ বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে আমি সবচেয়ে ভাল জ্ঞাত আছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাশাহ্হুদের জন্য বসেছিলেন তখন বাম পা বিছিয়ে দিয়েছিলেন এবং ডান পায়ের অগ্রভাগ (আঙ্গুলিসমূহ) কিবলার দিকে স্থাপন করেছিলেন। ডান হাতের তালু ডান হাঁটুতে এবং বাম হাতের তালু বাম হাঁটুতে স্থাপন করেছিলেন আর শাহাদাত আঙ্গুলির মাধ্যমে ইশারা করেছিলেন। - সহিহ আবু দাউদ ৭২৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। আলিমদের কেউ কেউ এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমতও এ-ই। তাঁরা বলেনঃ শেষ বৈঠকে নিতম্বের উপর বসবে। তাঁরা তাদের সপক্ষে আবূ হুমায়দ (রহঃ)-এর হাদীসটি (২৯৩ নং) পেশ করেন। তাঁরা আরো বলেনঃ প্রথম তাশাহ্হুদে (বৈঠকে) বাম পায়ের উপর বসবে এবং ডান পা খাড়া করে রাখবে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। আলিমদের কেউ কেউ এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমতও এ-ই। তাঁরা বলেনঃ শেষ বৈঠকে নিতম্বের উপর বসবে। তাঁরা তাদের সপক্ষে আবূ হুমায়দ (রহঃ)-এর হাদীসটি (২৯৩ নং) পেশ করেন। তাঁরা আরো বলেনঃ প্রথম তাশাহ্হুদে (বৈঠকে) বাম পায়ের উপর বসবে এবং ডান পা খাড়া করে রাখবে।
হাদিস নং: ২৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، ويحيى بن موسى، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا جلس في الصلاة وضع يده اليمنى على ركبته ورفع اصبعه التي تلي الابهام اليمنى يدعو بها ويده اليسرى على ركبته باسطها عليه . قال وفي الباب عن عبد الله بن الزبير ونمير الخزاعي وابي هريرة وابي حميد وواىل بن حجر . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث عبيد الله بن عمر الا من هذا الوجه . والعمل عليه عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم والتابعين يختارون الاشارة في التشهد وهو قول اصحابنا .
২৯৪. মাহমুদ ইবনু গায়লান ও ইয়াহইয়া ইবনু মূসা প্রমুখ (রহঃ) ..... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতের মাঝে বসতেন তখন ডান হাত হাঁটুতে রাখতেন এবং বৃদ্ধাঙ্গুলির পার্শ্ববর্তী অঙ্গুলিটি উঠিয়ে ইশারা করতেন আর তাঁর বাম হাতটি (বাম) হাঁটুতে বিছিয়ে রাখতেন। - ইবনু মাজাহ ৯১৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনুয্ যুবায়র, নুমায়র খুযাঈ, আবূ হুরায়রা, আবূ হুমায়দ, ওয়ায়ল ইবনু হুজর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। রাবী উবায়দু্ল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এটি বর্ণিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। সাহাবী ও তাবিঈদের কতক আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন এবং তাশাহ্হুদের ক্ষেত্রে ’ইশারা’ প্রদান পছন্দ করেছেন। আমাদের উস্তাদগণের অভিমতও এ-ই।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনুয্ যুবায়র, নুমায়র খুযাঈ, আবূ হুরায়রা, আবূ হুমায়দ, ওয়ায়ল ইবনু হুজর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। রাবী উবায়দু্ল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এটি বর্ণিত হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। সাহাবী ও তাবিঈদের কতক আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন এবং তাশাহ্হুদের ক্ষেত্রে ’ইশারা’ প্রদান পছন্দ করেছেন। আমাদের উস্তাদগণের অভিমতও এ-ই।
হাদিস নং: ২৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن ابي الاحوص، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يسلم عن يمينه وعن يساره " السلام عليكم ورحمة الله السلام عليكم ورحمة الله " . قال وفي الباب عن سعد بن ابي وقاص وابن عمر وجابر بن سمرة والبراء وابي سعيد وعمار وواىل بن حجر وعدي بن عميرة وجابر بن عبد الله . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك واحمد واسحاق .
২৯৫. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডানে ও বামে সালাম ফিরাতেন এবং বলতেনঃ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। - ইবনু মাজাহ ৯১৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস, ইবনু ঊমর, জাবির ইবনু সামূরা, বারা, আবূ সাঈদ, আম্মার, ওয়ায়ল ইবনু হুজর, আদী ইবনু আমীর, জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও পরবর্তী যুগের আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ)-ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস, ইবনু ঊমর, জাবির ইবনু সামূরা, বারা, আবূ সাঈদ, আম্মার, ওয়ায়ল ইবনু হুজর, আদী ইবনু আমীর, জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও পরবর্তী যুগের আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ)-ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ২৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا عمرو بن ابي سلمة ابو حفص التنيسي، عن زهير بن محمد، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسلم في الصلاة تسليمة واحدة تلقاء وجهه يميل الى الشق الايمن شيىا . قال وفي الباب عن سهل بن سعد . قال ابو عيسى وحديث عاىشة لا نعرفه مرفوعا الا من هذا الوجه . قال محمد بن اسماعيل زهير بن محمد اهل الشام يروون عنه مناكير ورواية اهل العراق عنه اشبه واصح . قال محمد وقال احمد بن حنبل كان زهير بن محمد الذي كان وقع عندهم ليس هو هذا الذي يروى عنه بالعراق كانه رجل اخر قلبوا اسمه . قال ابو عيسى وقد قال به بعض اهل العلم في التسليم في الصلاة واصح الروايات عن النبي صلى الله عليه وسلم تسليمتان وعليه اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم والتابعين ومن بعدهم . وراى قوم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم تسليمة واحدة في المكتوبة . قال الشافعي ان شاء سلم تسليمة واحدة وان شاء سلم تسليمتين .
২৯৬. মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া নীসাবূরী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে সামনের দিকে একবার মাত্র সালাম দিতেন পরে ডানদিকে সামান্য একটু ফিরতেন। - ইবনু মাজাহ ৯১৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সাহল ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই সূত্রটি ছাড়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি অন্য কোন সূত্রে ’মারফূ’ রূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটির অন্যতম রাবী যুহায়র ইবনু মুহাম্মদ থেকে শামবাসীরা বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বরাতে ইরাকবাসীদের রিওয়ায়াত সাদৃশ্যপূর্ণ ও সহীহ।
মুহাম্মদ আল-বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) বলেছেন যে, যুহায়র ইবনু মুহাম্মাদ সম্পর্কে হাদীস বিশারদগণ সমালোচনা করেছেন, ইনি সেই যুহায়র নন যার বরাতে ইরাকবাসীগণ হাদীস বর্ণনা করেন; বরং তিনি অন্য একজন। তারা তার নাম বদলে ফেলেছে। আলিমদের কেউ কেউ সালাতে একবার সালাম ফিরানোর অভিমত গ্রহণ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ রিওয়ায়াত হল দুই সালামের। অধিকাংশ সাহাবী, তাবিঈ ও পরবর্তী যুগের আলিমগণ এই রিওয়ায়াতটই গ্রহণ করেছেন। কতিপয় সাহাবী ও তাবিঈ ফরয সালাতের ক্ষেত্রে এক সালামের অভিমত দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ কেউ চাইলে এক সালামও দিতে পারে, আর চাইলে দুই সালামও দিতে পারে।
এই বিষয়ে সাহল ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই সূত্রটি ছাড়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি অন্য কোন সূত্রে ’মারফূ’ রূপে বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটির অন্যতম রাবী যুহায়র ইবনু মুহাম্মদ থেকে শামবাসীরা বহু মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বরাতে ইরাকবাসীদের রিওয়ায়াত সাদৃশ্যপূর্ণ ও সহীহ।
মুহাম্মদ আল-বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) বলেছেন যে, যুহায়র ইবনু মুহাম্মাদ সম্পর্কে হাদীস বিশারদগণ সমালোচনা করেছেন, ইনি সেই যুহায়র নন যার বরাতে ইরাকবাসীগণ হাদীস বর্ণনা করেন; বরং তিনি অন্য একজন। তারা তার নাম বদলে ফেলেছে। আলিমদের কেউ কেউ সালাতে একবার সালাম ফিরানোর অভিমত গ্রহণ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ রিওয়ায়াত হল দুই সালামের। অধিকাংশ সাহাবী, তাবিঈ ও পরবর্তী যুগের আলিমগণ এই রিওয়ায়াতটই গ্রহণ করেছেন। কতিপয় সাহাবী ও তাবিঈ ফরয সালাতের ক্ষেত্রে এক সালামের অভিমত দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ কেউ চাইলে এক সালামও দিতে পারে, আর চাইলে দুই সালামও দিতে পারে।
হাদিস নং: ২৯৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، وهقل بن زياد، عن الاوزاعي، عن قرة بن عبد الرحمن، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال حذف السلام سنة . قال علي بن حجر قال عبد الله بن المبارك يعني ان لا تمده مدا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وهو الذي يستحبه اهل العلم وروي عن ابراهيم النخعي انه قال التكبير جزم والسلام جزم . وهقل يقال كان كاتب الاوزاعي .
২৯৭. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ সালামে ’হযফ’ ছোট করা সুন্নাত। - যইফ আবু দাউদ ১৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
রাবী আলী ইবনু হুজর (রহঃ) বলেন, ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেছেনঃ হযফ করা অর্থ হল অতি দীর্ঘ না করা। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এই বিষয়টিকে পছন্দনীয় বলেছেন। ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ তাকবীরের শেষে ’জযম’ হবে এবং সালামের শেষেও ’জযম’হবে। রাবী হিকল সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি ছিলেন ইমাম আওযাঈ (রহঃ)-এর লিপিকার।
রাবী আলী ইবনু হুজর (রহঃ) বলেন, ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেছেনঃ হযফ করা অর্থ হল অতি দীর্ঘ না করা। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এই বিষয়টিকে পছন্দনীয় বলেছেন। ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ তাকবীরের শেষে ’জযম’ হবে এবং সালামের শেষেও ’জযম’হবে। রাবী হিকল সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি ছিলেন ইমাম আওযাঈ (রহঃ)-এর লিপিকার।
হাদিস নং: ২৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو معاوية، عن عاصم الاحول، عن عبد الله بن الحارث، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا سلم لا يقعد الا مقدار ما يقول " اللهم انت السلام ومنك السلام تباركت ذا الجلال والاكرام " .
২৯৮. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামের পর নিম্নোক্ত দু’আটি পড়তে যতক্ষণ লাগে এর বেশি বসতেন না। (اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ) - ’’হে আল্লাহ আপনি শান্তিময়, আপনার থেকে ই আসে শান্তি, আপনি বরকতময় হে পরাক্রমশালী ও মর্যাদাশীল সত্তা’’ - ইবনু মাজাহ ৯২৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد بن السري، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، وابو معاوية عن عاصم الاحول، بهذا الاسناد نحوه وقال " تباركت يا ذا الجلال والاكرام " . قال وفي الباب عن ثوبان وابن عمر وابن عباس وابي سعيد وابي هريرة . والمغيرة بن شعبة . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح . وقد روى خالد الحذاء هذا الحديث من حديث عاىشة عن عبد الله بن الحارث نحو حديث عاصم . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يقول بعد التسليم " لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت وهو على كل شيء قدير اللهم لا مانع لما اعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد " . وروي عنه انه كان يقول " سبحان ربك رب العزة عما يصفون وسلام على المرسلين والحمد لله رب العالمين " .
২৯৯. হান্নাদ (রহঃ) ..... আসিম আল আহওয়াল (রহঃ)-এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণনায় تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَام এই কথার উল্লেখ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সাওবান, ইবনু উমর, ইবনু আব্বাস, আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা, মুগীরা ইবনু শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, সালামের পর তিনি এই দু’আ করতেনঃ ’’আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই, সাম্রাজ্য এবং প্রশংসা একমাত্র তাঁরই, তিনই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দেন। তিনি সব কিছুর উপরই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। হে আল্লাহ! আপনি যা দান করেন তা থেকে বাঁধা দেওয়ার নেই।’’
আরো বর্ণিত আছে যে, তিনি বলতেনঃ ’’তোমার প্রতিপালক তারা যা আরোপ করে তা থেকে পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী। শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের প্রতি। প্রশংসা জগতমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।’’
এই বিষয়ে সাওবান, ইবনু উমর, ইবনু আব্বাস, আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা, মুগীরা ইবনু শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, সালামের পর তিনি এই দু’আ করতেনঃ ’’আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই, সাম্রাজ্য এবং প্রশংসা একমাত্র তাঁরই, তিনই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দেন। তিনি সব কিছুর উপরই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। হে আল্লাহ! আপনি যা দান করেন তা থেকে বাঁধা দেওয়ার নেই।’’
আরো বর্ণিত আছে যে, তিনি বলতেনঃ ’’তোমার প্রতিপালক তারা যা আরোপ করে তা থেকে পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী। শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের প্রতি। প্রশংসা জগতমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।’’
হাদিস নং: ৩০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن محمد بن موسى، حدثنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا الاوزاعي، حدثني شداد ابو عمار، حدثني ابو اسماء الرحبي، قال حدثني ثوبان، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اراد ان ينصرف من صلاته استغفر الله ثلاث مرات ثم قال " اللهم انت السلام ومنك السلام تباركت يا ذا الجلال والاكرام " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو عمار اسمه شداد بن عبد الله .
৩০০. আহমদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মূসা (রহঃ) ...... রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত দাস সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত অন্তে যখন ফিরতেন তখন তিনি তিনবার ইস্তিগফার করতেন ও পরে বলতেনঃ ’’হে আল্লাহ! আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই শান্তি আগমন করে। হে আল্লাহ! আপনি মঙ্গলময়, আপনি অতি মহান হে প্রতাপশালী ও করুণার সাগর।’’ - ইবনু মাজাহ ৯২৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ আম্মারের নাম হল শাদ্দাদ ইবনু আবদিল্লাহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ আম্মারের নাম হল শাদ্দাদ ইবনু আবদিল্লাহ।
হাদিস নং: ৩০১
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن قبيصة بن هلب، عن ابيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يومنا فينصرف على جانبيه جميعا على يمينه وعلى شماله . وفي الباب عن عبد الله بن مسعود وانس وعبد الله بن عمرو وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث هلب حديث حسن . وعليه العمل عند اهل العلم انه ينصرف على اى جانبيه شاء ان شاء عن يمينه وان شاء عن يساره . وقد صح الامران عن النبي صلى الله عليه وسلم . ويروى عن علي بن ابي طالب انه قال ان كانت حاجته عن يمينه اخذ عن يمينه وان كانت حاجته عن يساره اخذ عن يساره .
৩০১. কুতায়বা (রহঃ) ..... হুলব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ইমামতি করতেন। আর তিনি (সালাত শেষে) ডান ও বাম দিকেই ফিরতেন। এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। - ইবনু মাজাহ ৯২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হুলব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, ডানে বা বামে যেদিকে ইচ্ছা একজন সালাত থেকে ফিরতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে উভয় বিষয়টই বিশুদ্ধ সনদে প্রমাণিত আছে। আলী ইবনু আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেনঃ ডানদিকে প্রয়োজন থাকলে সেদিকে আর বামদিকে প্রয়োজন থাকলে সেদিকেই তিনি ফিরতেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হুলব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, ডানে বা বামে যেদিকে ইচ্ছা একজন সালাত থেকে ফিরতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে উভয় বিষয়টই বিশুদ্ধ সনদে প্রমাণিত আছে। আলী ইবনু আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেনঃ ডানদিকে প্রয়োজন থাকলে সেদিকে আর বামদিকে প্রয়োজন থাকলে সেদিকেই তিনি ফিরতেন।
হাদিস নং: ৩০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا اسماعيل بن جعفر، عن يحيى بن علي بن يحيى بن خلاد بن رافع الزرقي، عن جده، عن رفاعة بن رافع، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بينما هو جالس في المسجد يوما قال رفاعة ونحن معه اذ جاءه رجل كالبدوي فصلى فاخف صلاته ثم انصرف فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " وعليك فارجع فصل فانك لم تصل " . فرجع فصلى ثم جاء فسلم عليه فقال " وعليك فارجع فصل فانك لم تصل " . ففعل ذلك مرتين او ثلاثا كل ذلك ياتي النبي صلى الله عليه وسلم فيسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فيقول النبي صلى الله عليه وسلم " وعليك فارجع فصل فانك لم تصل " . فخاف الناس وكبر عليهم ان يكون من اخف صلاته لم يصل فقال الرجل في اخر ذلك فارني وعلمني فانما انا بشر اصيب واخطى . فقال " اجل اذا قمت الى الصلاة فتوضا كما امرك الله ثم تشهد واقم فان كان معك قران فاقرا والا فاحمد الله وكبره وهلله ثم اركع فاطمىن راكعا ثم اعتدل قاىما ثم اسجد فاعتدل ساجدا ثم اجلس فاطمىن جالسا ثم قم فاذا فعلت ذلك فقد تمت صلاتك وان انتقصت منه شيىا انتقصت من صلاتك " . قال وكان هذا اهون عليهم من الاول انه من انتقص من ذلك شيىا انتقص من صلاته ولم تذهب كلها . قال وفي الباب عن ابي هريرة وعمار بن ياسر . قال ابو عيسى حديث رفاعة بن رافع حديث حسن . وقد روي عن رفاعة هذا الحديث من غير وجه .
৩০২ আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... রিফাআ ইবনু রাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা যে, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসা ছিলেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে বসা ছিলাম। এমন সময় বেদুঈনের মত দেখতে এক ব্যক্তি আসল। সে হালকাভাবে সালাত আদায় করল এবং তা শেষ করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এসে সালাম জানাল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ওয়া আলাইকা জানিয়ে বললেনঃ ফিরে যাও, আবার সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি তো সালাত আদায় করনি। লোকটি ফিরে গেল। সালাত আদায় করে আবার এসে সালাম জানাল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ওয়া আলাইকা জানালেন এবং বললেনঃ ফিরে যাও, আবার সালাত আদায় কর। তুমি তো সালাত আদায় করনি। এইরূপ দুই বা তিনবার ঘটল। প্রত্যেকবারই লোকটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে সালাম জানাচ্ছিল আর তিনি তাকে ওয়া আলাইকা জানিয়ে বলেছিলেনঃ ফিরে যাও, আবার সালাত আদায় কর। কারণ, তুমি তো সালাত আদায় করনি।
উপস্থিত লোকেরা বিষয়টিকে খুবই ভীষণ মনে করল। কেউ হালকা সালাত পড়লে তার সালাতই হবে না- এই বিষয়টি তাদের জন্য খুবই মারাত্মক লাগল। যা হোক, শেষে ঐ লোকটি বললঃ আমাকে শিখিয়ে দিন, আমাকে দেখিয়ে দিন। আমি তো একজন মানুষ। অনেক সময় ঠিকও করি, ভুলও করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, শোন,
সালাতের জন্য যখন দাঁড়াবে এর আগে আল্লাহর নির্দেশমত উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে নিবে। এরপর আযান দিবে, ইকামতও দিবে। পরে কুরআনের কিছু যদি মুখস্থ থাকে তবে তা পড়বে। তা না থাকলে আলহামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করবে। অতঃপর রুকূ করবে এবং খুব ধীর স্থিরভাবে রুকূ করবে, পরে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, পরে সিজদা করবে এবং তাতে ই’তিদাল বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করবে। পরে ধীর স্থিরভাবে উঠে বসবে। পরে উঠে দাঁড়াবে। এইরূপ করতে পারলে তবে তোমার সালাত পূর্ণ হবে। এতে যদি কিছু ক্রটি হয় তবে তোমার সালাতও ততটুকু ক্রটিপূর্ণ হবে।
রিফাআ বলেনঃ ’’এতে যতটুকু ক্রটি হবে সালাতও ততটুকু ক্রটিপূর্ন হবে’’-এই কথা উপস্থিত লোকদের নিকট প্রথম কথার তুলনায় অনেকটা সহজ মনে হল। কারণ, এই ক্ষেত্রে তো আগের মত পুরো সালাত বাতিল বলে গণ্য হবে না। - মিশকাত ৮০৪, সিফাতুস সালাত (মূল), সহিহ আবু দাউদ ৮০৩-৮০৭, ইরওয়া ১/৩২১,৩২২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা এবং আম্মার ইবনু ইয়াসর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ রিফআ ইবনে রাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হদীসটি হাসান। রিফাআ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।
উপস্থিত লোকেরা বিষয়টিকে খুবই ভীষণ মনে করল। কেউ হালকা সালাত পড়লে তার সালাতই হবে না- এই বিষয়টি তাদের জন্য খুবই মারাত্মক লাগল। যা হোক, শেষে ঐ লোকটি বললঃ আমাকে শিখিয়ে দিন, আমাকে দেখিয়ে দিন। আমি তো একজন মানুষ। অনেক সময় ঠিকও করি, ভুলও করি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, শোন,
সালাতের জন্য যখন দাঁড়াবে এর আগে আল্লাহর নির্দেশমত উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে নিবে। এরপর আযান দিবে, ইকামতও দিবে। পরে কুরআনের কিছু যদি মুখস্থ থাকে তবে তা পড়বে। তা না থাকলে আলহামদু লিল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করবে। অতঃপর রুকূ করবে এবং খুব ধীর স্থিরভাবে রুকূ করবে, পরে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, পরে সিজদা করবে এবং তাতে ই’তিদাল বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করবে। পরে ধীর স্থিরভাবে উঠে বসবে। পরে উঠে দাঁড়াবে। এইরূপ করতে পারলে তবে তোমার সালাত পূর্ণ হবে। এতে যদি কিছু ক্রটি হয় তবে তোমার সালাতও ততটুকু ক্রটিপূর্ণ হবে।
রিফাআ বলেনঃ ’’এতে যতটুকু ক্রটি হবে সালাতও ততটুকু ক্রটিপূর্ন হবে’’-এই কথা উপস্থিত লোকদের নিকট প্রথম কথার তুলনায় অনেকটা সহজ মনে হল। কারণ, এই ক্ষেত্রে তো আগের মত পুরো সালাত বাতিল বলে গণ্য হবে না। - মিশকাত ৮০৪, সিফাতুস সালাত (মূল), সহিহ আবু দাউদ ৮০৩-৮০৭, ইরওয়া ১/৩২১,৩২২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা এবং আম্মার ইবনু ইয়াসর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ রিফআ ইবনে রাফি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হদীসটি হাসান। রিফাআ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا عبيد الله بن عمر، اخبرني سعيد بن ابي سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فدخل رجل فصلى ثم جاء فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فرد عليه السلام فقال " ارجع فصل فانك لم تصل " . فرجع الرجل فصلى كما كان صلى ثم جاء الى النبي صلى الله عليه وسلم فسلم عليه فرد عليه السلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ارجع فصل فانك لم تصل " . حتى فعل ذلك ثلاث مرار فقال له الرجل والذي بعثك بالحق ما احسن غير هذا فعلمني . فقال " اذا قمت الى الصلاة فكبر ثم اقرا بما تيسر معك من القران ثم اركع حتى تطمىن راكعا ثم ارفع حتى تعتدل قاىما ثم اسجد حتى تطمىن ساجدا ثم ارفع حتى تطمىن جالسا وافعل ذلك في صلاتك كلها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال وقد روى ابن نمير هذا الحديث عن عبيد الله بن عمر عن سعيد المقبري عن ابي هريرة ولم يذكر فيه عن ابيه عن ابي هريرة . ورواية يحيى بن سعيد عن عبيد الله بن عمر اصح . وسعيد المقبري قد سمع من ابي هريرة وروى عن ابيه عن ابي هريرة وابو سعيد المقبري اسمه كيسان وسعيد المقبري يكنى ابا سعد وكيسان عبد كان مكاتبا لبعضهم .
৩০৩. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন মসজিদে এসে প্রবেশ করলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এল এবং সালাত আদায় করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাম জানাল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামের উত্তর দিলেন, বললেনঃ ফিরে যাও, তুমি পুনরায় সালাত আদায় কর, কারণ তুমি তো সালাত আদায় করনি। লোকটি ফিরে গেল এবং আগে যে ধরনের সালাত পড়েছিল সে ধরনের সালাত পড়ল। পরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এসে সালাম জানাল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালামের উত্তর দিলেন, বললেনঃ ফিরে যাও, আবার সালাত আদায় কর, কারণ তুমি তো সালাত আদায় করনি। তিনবার এমন ঘটল। শেষে লোকটি বললঃ যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন সেই সত্তার কসম, আমি তো এর চেয়ে ভাল জানি না। আমাকে আপনি শিখিয়ে দিন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন সালাতে দাঁড়াবে প্রথমে তাকবীর বলবে। পরে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। এর পর সিজদায় যাবে এবং ধীর-স্থিরভাবে সিজদা করবে। পরে উঠে ধীর-স্থির হয়ে বসবে। তোমার সম্পূর্ণ সালাতেই এইরূপ করবে। - ইবনু মাজাহ ১০৬০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইবনু নুমায়র (রহঃ) এই হাদীসটি উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর ... সাঈদ আল মাকবুরী ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর সনদে সাঈদ আল মাকবুরীর পিতা আবূ সাঈদ এর বরাত উল্লেখ করেননি। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর (রহঃ) এই সনদটি অধিকতর সহীহ। সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ) সরাসরি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস শুনেছেন। আবার অনেক সময় তাঁর পিতা আবূ সাঈদ-এর বরাতেও তিনি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ)-এর নাম হল কায়সান। আর সাঈদ আল-মাকবুরীর উপনাম হল আবূ সা’দ। কায়সান ছিলেন দাস। পরে তিনি ’মুকাতাব’ বা বিনিময় চুক্তিতে স্বীয় স্বাধীনতা ক্রয় করেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন সালাতে দাঁড়াবে প্রথমে তাকবীর বলবে। পরে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। এর পর সিজদায় যাবে এবং ধীর-স্থিরভাবে সিজদা করবে। পরে উঠে ধীর-স্থির হয়ে বসবে। তোমার সম্পূর্ণ সালাতেই এইরূপ করবে। - ইবনু মাজাহ ১০৬০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। ইবনু নুমায়র (রহঃ) এই হাদীসটি উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর ... সাঈদ আল মাকবুরী ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর সনদে সাঈদ আল মাকবুরীর পিতা আবূ সাঈদ এর বরাত উল্লেখ করেননি। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর (রহঃ) এই সনদটি অধিকতর সহীহ। সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ) সরাসরি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস শুনেছেন। আবার অনেক সময় তাঁর পিতা আবূ সাঈদ-এর বরাতেও তিনি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ)-এর নাম হল কায়সান। আর সাঈদ আল-মাকবুরীর উপনাম হল আবূ সা’দ। কায়সান ছিলেন দাস। পরে তিনি ’মুকাতাব’ বা বিনিময় চুক্তিতে স্বীয় স্বাধীনতা ক্রয় করেন।
হাদিস নং: ৩০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، حدثنا محمد بن عمرو بن عطاء، عن ابي حميد الساعدي، قال سمعته وهو، في عشرة من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم احدهم ابو قتادة بن ربعي يقول انا اعلمكم بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم . قالوا ما كنت اقدمنا له صحبة ولا اكثرنا له اتيانا قال بلى . قالوا فاعرض . فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قام الى الصلاة اعتدل قاىما ورفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه فاذا اراد ان يركع رفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ثم قال " الله اكبر " . وركع ثم اعتدل فلم يصوب راسه ولم يقنع ووضع يديه على ركبتيه ثم قال " سمع الله لمن حمده " . ورفع يديه واعتدل حتى يرجع كل عظم في موضعه معتدلا ثم اهوى الى الارض ساجدا ثم قال " الله اكبر " . ثم جافى عضديه عن ابطيه وفتخ اصابع رجليه ثم ثنى رجله اليسرى وقعد عليها ثم اعتدل حتى يرجع كل عظم في موضعه معتدلا ثم اهوى ساجدا ثم قال " الله اكبر " . ثم ثنى رجله وقعد واعتدل حتى يرجع كل عظم في موضعه ثم نهض ثم صنع في الركعة الثانية مثل ذلك حتى اذا قام من السجدتين كبر ورفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه كما صنع حين افتتح الصلاة ثم صنع كذلك حتى كانت الركعة التي تنقضي فيها صلاته اخر رجله اليسرى وقعد على شقه متوركا ثم سلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال ومعنى قوله ورفع يديه اذا قام من السجدتين يعني قام من الركعتين .
৩০৪. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার এবং মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আতা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ আবূ কাতাদা ইবনু রিবঈও ছিলেন যাঁদের মধ্যে উপস্থিত, সেই ধরনের দশজন সাহাবীর এক সমাবেশে আমি আবূ হুমায়দ আস-সায়িদীকে বলতে শুনেছিঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত সম্পর্কে তোমাদের মধ্যে আমি অধিক অবহিত। উপস্থিত সাহাবীরা বললেনঃ আপনি তো আমাদের তুলনায় প্রবীণ নন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে আমাদের চেয়ে বেশি আসা-যাওয়া করেননি। আবূ হুমায়দ (রহঃ) বললেনঃ হ্যাঁ, আমি অধিক পরিজ্ঞত। সাহাবীরা বললেনঃ আচ্ছা, এই কথা উপেক্ষা করুন।
আবূ হুমায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতের উদ্দেশ্যে দাঁড়াতেন তখন সোজা হয়ে দাঁড়াতেন এবং কাঁধ বরাবর দুই হাত তুলতেন। পরে যখন রুকূতে যেতে চাইতেন তখন কাঁধ বরাবর তাঁর দুই হাত তুলতেন এবং ’’আল্লাহু আকবার’’ বলে রুকূ করতেন। পিঠ স্থির ও সোজা করে রাখতেন, মাথা নিচে ঝুঁকিয়ে রাখতেন না এবং উপরে তুলেও রাখতেন না। রুকূতে দুই হাত রাখতেন দুই হাঁটুর উপর।
পরে ’’সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’’ বলে দুই হাত তুলতেন এবং এমনভাবে স্থির হয়ে দাঁড়াতেন যে, প্রতিটি অঙ্গ স্ব স্ব স্থানে ফিরে আসত। এরপর সিজদার উদ্দেশ্যে ভূমিতে অবনত হতেন এবং বলতেন, ’’আল্লাহু আকবার’’। তাঁর দুই বাহু বগল থেকে সরিয়ে রাখতেন। পায়ের আঙ্গুলি (সামনের দিকে) ভাঁজ করে রাখতেন। পরে বাম পা ঘুরিয়ে তার উপর এমনভাবে স্থির হয়ে বসতেন যে, প্রতিটি অঙ্গ স্ব স্ব স্থানে ফিরে আসত। পরে আবার সিজদার জন্য ঝুঁকতেন এবং ’’আল্লাহু আকবার’’ বলতেন। এরপর পা ঘুরিয়ে তার উপর এমনভাবে স্থির হয়ে বসতেন যে, প্রতিটি অঙ্গ স্ব স্ব স্থানে ফিরে আসত। এরপর উঠে দাঁড়াতেন।
পরে দ্বিতীয় রাকআতেও অনুরূপ আমল করতেন। দুই রাকআত শেষ করে যখন দাঁড়াতেন তখনও কাঁধ বরাবর দুই হাত তুলতেন সালাতের শুরুতে যেমন কাঁধ বরাবর দুই হাত তুলতেন। সব রাকআতে এভাবেই আমল করতেন। পরে যে রাকআতে সালাত শেষ হতো তাতে বাম পাটি বের করে নিতম্বের উপর বসতেন। এরপর সালাম ফিরাতেন। - ইবনু মাজাহ ১০৬১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ হুমায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতের উদ্দেশ্যে দাঁড়াতেন তখন সোজা হয়ে দাঁড়াতেন এবং কাঁধ বরাবর দুই হাত তুলতেন। পরে যখন রুকূতে যেতে চাইতেন তখন কাঁধ বরাবর তাঁর দুই হাত তুলতেন এবং ’’আল্লাহু আকবার’’ বলে রুকূ করতেন। পিঠ স্থির ও সোজা করে রাখতেন, মাথা নিচে ঝুঁকিয়ে রাখতেন না এবং উপরে তুলেও রাখতেন না। রুকূতে দুই হাত রাখতেন দুই হাঁটুর উপর।
পরে ’’সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’’ বলে দুই হাত তুলতেন এবং এমনভাবে স্থির হয়ে দাঁড়াতেন যে, প্রতিটি অঙ্গ স্ব স্ব স্থানে ফিরে আসত। এরপর সিজদার উদ্দেশ্যে ভূমিতে অবনত হতেন এবং বলতেন, ’’আল্লাহু আকবার’’। তাঁর দুই বাহু বগল থেকে সরিয়ে রাখতেন। পায়ের আঙ্গুলি (সামনের দিকে) ভাঁজ করে রাখতেন। পরে বাম পা ঘুরিয়ে তার উপর এমনভাবে স্থির হয়ে বসতেন যে, প্রতিটি অঙ্গ স্ব স্ব স্থানে ফিরে আসত। পরে আবার সিজদার জন্য ঝুঁকতেন এবং ’’আল্লাহু আকবার’’ বলতেন। এরপর পা ঘুরিয়ে তার উপর এমনভাবে স্থির হয়ে বসতেন যে, প্রতিটি অঙ্গ স্ব স্ব স্থানে ফিরে আসত। এরপর উঠে দাঁড়াতেন।
পরে দ্বিতীয় রাকআতেও অনুরূপ আমল করতেন। দুই রাকআত শেষ করে যখন দাঁড়াতেন তখনও কাঁধ বরাবর দুই হাত তুলতেন সালাতের শুরুতে যেমন কাঁধ বরাবর দুই হাত তুলতেন। সব রাকআতে এভাবেই আমল করতেন। পরে যে রাকআতে সালাত শেষ হতো তাতে বাম পাটি বের করে নিতম্বের উপর বসতেন। এরপর সালাম ফিরাতেন। - ইবনু মাজাহ ১০৬১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، والحسن بن علي الخلال الحلواني، وسلمة بن شبيب، وغير، واحد، قالوا حدثنا ابو عاصم النبيل، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، حدثنا محمد بن عمرو بن عطاء، قال سمعت ابا حميد الساعدي، في عشرة من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم ابو قتادة بن ربعي فذكر نحو حديث يحيى بن سعيد بمعناه وزاد فيه ابو عاصم عن عبد الحميد بن جعفر هذا الحرف قالوا صدقت هكذا صلى النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى زاد ابو عاصم الضحاك بن مخلد في هذا الحديث عن عبد الحميد بن جعفر هذا الحرف قالوا صدقت هكذا صلى النبي صلى الله عليه وسلم .
৩০৫. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার, হাসান ইবনু আলী আল-হুলওয়ানী প্রমুখ রাবী (রহঃ) আবূ হুমায়দ আস সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে আবূ আসিম .... আবদুল হামিদ ইবনু জা’ফরের সনদে নিম্নের বাক্যটি অতিরিক্ত আছেঃ উপস্থিত সাহাবীগণ বললেনঃ তুমি সত্য বলেছ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এইরূপ সালাতই আদায় করতেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن مسعر، وسفيان، عن زياد بن علاقة، عن عمه، قطبة بن مالك قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا في الفجر : (والنخل باسقات ) في الركعة الاولى . قال وفي الباب عن عمرو بن حريث وجابر بن سمرة وعبد الله بن الساىب وابي برزة وام سلمة . قال ابو عيسى حديث قطبة بن مالك حديث حسن صحيح . وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قرا في الصبح بالواقعة . وروي عنه انه كان يقرا في الفجر من ستين اية الى ماىة . وروي عنه انه قرا : (اذا الشمس كورت ) . وروي عن عمر انه كتب الى ابي موسى ان اقرا في الصبح بطوال المفصل . قال ابو عيسى وعلى هذا العمل عند اهل العلم وبه قال سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي .
৩০৬. হান্নাদ (রহঃ) ...... কুতবা ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফজরের প্রথম রাকআতে ’’ওয়ান্ নাখলা বাসিকাত’’ [ কাফ ৫০:১০] তিলাওয়াত করতে শুনেছি। - ইবনু মাজাহ ৮১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আমর ইবনু হুরায়স, জাবির ইবনু সামূরা, আবদুল্লাহ ইবনুু’স-সাইব, আবূ বারযা ও উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ কুতায়বা ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। ফজরের সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা আল-ওয়াকিআ পড়েছেন বলেও বর্ণিত আছে। আরো বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশত আয়াত তিলাওয়াত করতেন। তিনিإِذََا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ তিলাওয়াত করেছেন বলেও রিওয়ায়াত আছে। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি আবূ মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে ফজরের সালাতে তিওয়াল-মুফাসসাল* থেকে তিলাওয়াত করতে লিখেছিলেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আলিমগণ এতদনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক এবং শাফিঈ (রহঃ)-ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে আমর ইবনু হুরায়স, জাবির ইবনু সামূরা, আবদুল্লাহ ইবনুু’স-সাইব, আবূ বারযা ও উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ কুতায়বা ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। ফজরের সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা আল-ওয়াকিআ পড়েছেন বলেও বর্ণিত আছে। আরো বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশত আয়াত তিলাওয়াত করতেন। তিনিإِذََا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ তিলাওয়াত করেছেন বলেও রিওয়ায়াত আছে। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি আবূ মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে ফজরের সালাতে তিওয়াল-মুফাসসাল* থেকে তিলাওয়াত করতে লিখেছিলেন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আলিমগণ এতদনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। সুফইয়ান সাওরী, ইবনু মুবারক এবং শাফিঈ (রহঃ)-ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
নোট: *সূরা হুজরাত থেকে সূরা বুরূজের শেষ পর্যন্ত।
হাদিস নং: ৩০৭
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا حماد بن سلمة، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرا في الظهر والعصر بالسماء ذات البروج والسماء والطارق وشبههما . قال وفي الباب عن خباب وابي سعيد وابي قتادة وزيد بن ثابت والبراء بن عازب . قال ابو عيسى حديث جابر بن سمرة حديث حسن . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قرا في الظهر قدر تنزيل السجدة . وروي عنه انه كان يقرا في الركعة الاولى من الظهر قدر ثلاثين اية وفي الركعة الثانية قدر خمس عشرة اية . وروي عن عمر انه كتب الى ابي موسى ان اقرا في الظهر باوساط المفصل . وراى بعض اهل العلم ان القراءة في صلاة العصر كنحو القراءة في صلاة المغرب يقرا بقصار المفصل . وروي عن ابراهيم النخعي انه قال تعدل صلاة العصر بصلاة المغرب في القراءة . وقال ابراهيم تضاعف صلاة الظهر على صلاة العصر في القراءة اربع مرار .
৩০৭. আহমদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর ও আসরের সালাতে ওয়াস-সামায়ি যাতি’ল বুরূজ, ওয়াস-সামায়ি ওয়াত-তারিক এবং এই ধরনের সূরা তিলাওয়াত করতেন। - সিফাতুস সালাত ৯৪, সহিহ আবু দাউদ ৭৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে খাব্বাব, আবূ সাঈদ, আবূ কাতাদা, যায়াদ ইবনু সাবিত ও বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ জাবির ইবনু সামূরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আরো বর্ণিত আছে যে, তিনি যোহরের সালাত সূরা ’তানযীল আস-সাজদা’ পরিমান তিলাওয়াত করতেন। আরো বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের প্রথম রাকআতে ত্রিশ আয়াত পরিমাণ এবং দ্বিতীয় রাকআতে পনর আয়াত পরিমণ তিলাওয়াত করতেন।
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি যোহরের সালাতে আওসাতে মুফসসাল [১] থেকে তিলাওয়াত করতে আবূ মূসা আশয়ারী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে লিখেছিলেন। কতক আলিম বলেছেনঃ আসরের কিরআত মাগরিবের কিরাআতের মত, এতেও কিসার মুফাসসাল থেকে তিলাওয়াত করবে। ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেনঃ কিরাআতের ক্ষেত্রে আসর ও মাগরিব এক বরাবর। ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ কিরআতের ক্ষেত্রে আসরের তুলনায় যোহরে চারগুণ বেশি পড়া উচিত।
এই বিষয়ে খাব্বাব, আবূ সাঈদ, আবূ কাতাদা, যায়াদ ইবনু সাবিত ও বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ জাবির ইবনু সামূরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আরো বর্ণিত আছে যে, তিনি যোহরের সালাত সূরা ’তানযীল আস-সাজদা’ পরিমান তিলাওয়াত করতেন। আরো বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের প্রথম রাকআতে ত্রিশ আয়াত পরিমাণ এবং দ্বিতীয় রাকআতে পনর আয়াত পরিমণ তিলাওয়াত করতেন।
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি যোহরের সালাতে আওসাতে মুফসসাল [১] থেকে তিলাওয়াত করতে আবূ মূসা আশয়ারী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে লিখেছিলেন। কতক আলিম বলেছেনঃ আসরের কিরআত মাগরিবের কিরাআতের মত, এতেও কিসার মুফাসসাল থেকে তিলাওয়াত করবে। ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেনঃ কিরাআতের ক্ষেত্রে আসর ও মাগরিব এক বরাবর। ইবরাহীম (রহঃ) বলেনঃ কিরআতের ক্ষেত্রে আসরের তুলনায় যোহরে চারগুণ বেশি পড়া উচিত।
হাদিস নং: ৩০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن محمد بن اسحاق، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، عن امه ام الفضل، قالت خرج الينا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عاصب راسه في مرضه فصلى المغرب فقرا بالمرسلات قالت فما صلاها بعد حتى لقي الله . قال وفي الباب عن جبير بن مطعم وابن عمر وابي ايوب وزيد بن ثابت . قال ابو عيسى حديث ام الفضل حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قرا في المغرب بالاعراف في الركعتين كلتيهما . وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قرا في المغرب بالطور . وروي عن عمر انه كتب الى ابي موسى ان اقرا في المغرب بقصار المفصل . وروي عن ابي بكر الصديق انه قرا في المغرب بقصار المفصل . قال وعلى هذا العمل عند اهل العلم وبه يقول ابن المبارك واحمد واسحاق . وقال الشافعي وذكر عن مالك انه كره ان يقرا في صلاة المغرب بالسور الطول نحو الطور والمرسلات قال الشافعي لا اكره ذلك بل استحب ان يقرا بهذه السور في صلاة المغرب .
৩০৮. হান্নাদ (রহঃ) ..... উম্মুল ফাদল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর শেষ রোগ-শয্যায় ছিলেন। একদিন অসুস্থতার কারণে মাথায় পট্রি বেঁধে আমাদের কাছে বেরিয়ে আসলেন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এতে তিনি সূরা আল-মুরসালাত তিলাওয়াত করেছিলেন। এরপর মৃত্যু পর্যন্ত আর কোন সালাত তিনি পড়তে পারেন নি। - ইবনু মাজাহ ৮৩১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জুবায়র ইবনু মুতইম, ইবনু উমর, আবূ আয়্যূব, ও যায়দ ইবনু সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উম্মুল ফাদল রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের দুই রাকআতে সূরা আল-আ’রাফ তিলাওয়াত করেছেন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের সালাত ’কিসার মুফাসসাল’ থেকে তিলাওয়াত করতে আবূ মূসা আশয়ারী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে লিখেছিলেন। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের সালাতে ’কিসার মুফাসসাল’ থেকে তিলাওয়াত করতেন।
ফকীহ আলিমগণ এই আমল করেছেন। ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ ইমাম মালিক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের সালাতে ’তিওয়াল মুফাসসাল’ সূরাসমূহ যেমন সূরা তূর, সূরা আল-মুরসালাত-এর মত সূরা তিলাওয়াত করা মাকরূহ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ আমি তা মাকরূহ বলে মনে করি না; বরং এই ধরনের সূরা মাগরিবে তিলাওয়াত করা মুস্তাহাব।
এই বিষয়ে জুবায়র ইবনু মুতইম, ইবনু উমর, আবূ আয়্যূব, ও যায়দ ইবনু সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উম্মুল ফাদল রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামথেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের দুই রাকআতে সূরা আল-আ’রাফ তিলাওয়াত করেছেন। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের সালাত ’কিসার মুফাসসাল’ থেকে তিলাওয়াত করতে আবূ মূসা আশয়ারী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে লিখেছিলেন। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের সালাতে ’কিসার মুফাসসাল’ থেকে তিলাওয়াত করতেন।
ফকীহ আলিমগণ এই আমল করেছেন। ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ ইমাম মালিক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি মাগরিবের সালাতে ’তিওয়াল মুফাসসাল’ সূরাসমূহ যেমন সূরা তূর, সূরা আল-মুরসালাত-এর মত সূরা তিলাওয়াত করা মাকরূহ বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেনঃ আমি তা মাকরূহ বলে মনে করি না; বরং এই ধরনের সূরা মাগরিবে তিলাওয়াত করা মুস্তাহাব।