হাদিস নং: ৩২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
৩২৯. ইবনু আবী উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يزال احدكم في صلاة ما دام ينتظرها ولا تزال الملاىكة تصلي على احدكم ما دام في المسجد اللهم اغفر له اللهم ارحمه ما لم يحدث " . فقال رجل من حضرموت وما الحدث يا ابا هريرة قال فساء او ضراط . قال وفي الباب عن علي وابي سعيد وانس وعبد الله بن مسعود وسهل بن سعد . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح .
৩৩০. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ সালাতেন অপেক্ষায় থাকবে ততক্ষণ সালাতেই রত বলে গণ্য হবে। কেউ মসজিদে বসে থাকলে হাদাস (উযু নষ্ট) না হওয়া পর্যন্ত তার জন্য ফেরেশতারা দু’আ করতে থাকেনঃ হে আল্লাহ! তাকে মাফ করে দিন, হে আল্লাহ! তাকে রহম করুন। হাযরামাওতের অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি তখন বললঃ হে আবূ হুরায়রা, হদাস কি? তিনি বললেনঃ আস্তে বা সশব্দে বায়ূ নির্গমন। - ইবনু মাজাহ ৭৯৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, আবূ সাঈদ, আনাস, আবদু্ল্লাহ ইবনু মাসউদ ও সাহল ইবনু সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান।
এই বিষয়ে আলী, আবূ সাঈদ, আনাস, আবদু্ল্লাহ ইবনু মাসউদ ও সাহল ইবনু সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩৩১
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على الخمرة . قال وفي الباب عن ام حبيبة وابن عمر وام سليم وعاىشة وميمونة وام كلثوم بنت ابي سلمة بن عبد الاسد ولم تسمع من النبي صلى الله عليه وسلم وام سلمة . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . وبه يقول بعض اهل العلم . وقال احمد واسحاق قد ثبت عن النبي صلى الله عليه وسلم الصلاة على الخمرة . قال ابو عيسى والخمرة هو حصير قصير .
৩৩১. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুমরা বা চাটাই-এর উপর সালাত আদায় করতেন। - ইবনু মাজাহ, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উম্মু হাবীবা, ইবনু উমর, উম্মু সুলায়ম, আয়িশা, মায়মূনা, উম্মু কলসুম বিনত আবী সালামা ইবনু আবদিল আসাদ ও উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহআ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। তবে উম্মু কুলসুম (রহঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বরাসরি কোন হাদীস শোনেন নি। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণের অনেকেই এই হাদীস অনুসারে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাটাই-এর উপর সালাত পড়েছেন বলে প্রমাণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ’খুমরা’ অর্থ হল ছোট চাটাই।
এই বিষয়ে উম্মু হাবীবা, ইবনু উমর, উম্মু সুলায়ম, আয়িশা, মায়মূনা, উম্মু কলসুম বিনত আবী সালামা ইবনু আবদিল আসাদ ও উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহআ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। তবে উম্মু কুলসুম (রহঃ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বরাসরি কোন হাদীস শোনেন নি। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণের অনেকেই এই হাদীস অনুসারে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাটাই-এর উপর সালাত পড়েছেন বলে প্রমাণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ’খুমরা’ অর্থ হল ছোট চাটাই।
হাদিস নং: ৩৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، حدثنا عيسى بن يونس، عن الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، عن ابي سعيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى على حصير . قال وفي الباب عن انس والمغيرة بن شعبة . قال ابو عيسى وحديث ابي سعيد حديث حسن . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم . الا ان قوما من اهل العلم اختاروا الصلاة على الارض استحبابا . وابو سفيان اسمه طلحة بن نافع .
৩৩২. নাসর ইবনু আলী (রহঃ) .... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসীর বা বড় চাটাই-এর উপর সালাত আদায় করেছেন। - ইবনু মাজাহ ১০২৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস এবং মুগীরা ইবনু শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। অধিকাংশ আলিম ও ফকীহ এই মত গ্রহণ করেছেন। তবে এক দল আলিম যমীনের উপর সালাত আদায় করা মুস্তাহাব বলে মত পোষণ করেন। রাবী আবূ সুফইয়ান (রহঃ) এর নাম হল তালহা ইবনু নাফি’।
এই বিষয়ে আনাস এবং মুগীরা ইবনু শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। অধিকাংশ আলিম ও ফকীহ এই মত গ্রহণ করেছেন। তবে এক দল আলিম যমীনের উপর সালাত আদায় করা মুস্তাহাব বলে মত পোষণ করেন। রাবী আবূ সুফইয়ান (রহঃ) এর নাম হল তালহা ইবনু নাফি’।
হাদিস নং: ৩৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن ابي التياح الضبعي، قال سمعت انس بن مالك، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخالطنا حتى ان كان يقول لاخ لي صغير " يا ابا عمير ما فعل النغير " . قال ونضح بساط لنا فصلى عليه . قال وفي الباب عن ابن عباس . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم لم يروا بالصلاة على البساط والطنفسة باسا . وبه يقول احمد واسحاق . واسم ابي التياح يزيد بن حميد .
৩৩৩. হান্নাদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সঙ্গে খুবই মিশতেন। এমনকি আমার এক ছোট ভাইকে তিনি (কৌতুক করে) বলতেনঃ হে আবূ উমায়র! তোমার নুগায়র পাখির কি হল? আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বলেনঃ একদিন আমাদের একটি বিছানা তাঁর জন্য পেতে দেয়া হল। তখন তিনি এর উপর সালাত আদায় করেন। - ইবনু মাজাহ ৩৭২০,৩৭৪০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহবী এবং তৎপরবর্তী ফকীহ ও আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁর বিছানা ও ডোরাকাটা চাঁদরে সালাত আদায়ে কোন সুবিধা আছে বলে মনে করেন না। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। রাবী আবূত্-তায়্যাহ-এর নাম হল ইয়াযীদ ইবনু হুমায়দ।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহবী এবং তৎপরবর্তী ফকীহ ও আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁর বিছানা ও ডোরাকাটা চাঁদরে সালাত আদায়ে কোন সুবিধা আছে বলে মনে করেন না। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। রাবী আবূত্-তায়্যাহ-এর নাম হল ইয়াযীদ ইবনু হুমায়দ।
হাদিস নং: ৩৩৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، حدثنا الحسن بن ابي جعفر، عن ابي الزبير، عن ابي الطفيل، عن معاذ بن جبل، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يستحب الصلاة في الحيطان . قال ابو داود يعني البساتين . قال ابو عيسى حديث معاذ حديث غريب لا نعرفه الا من حديث الحسن بن ابي جعفر . والحسن بن ابي جعفر قد ضعفه يحيى بن سعيد وغيره وابو الزبير اسمه محمد بن مسلم بن تدرس وابو الطفيل اسمه عامر بن واثلة .
৩৩৪. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... মু’আয ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্যানের ভিতর (নফল) সালাত আদায় করতে পছন্দ করতেন। - যইফা ৪২৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ দাউদ (রহঃ) বলেনঃ হাদীসোক্ত শব্দ الحيطن অর্থ বাগান। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মু’আয রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। হাসান ইবনু আবী জা’ফর ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে এটি বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) প্রমুখ হাদীস বিশারদ হাসান ইবনু আবী জা’ফর কে যঈফ বলে চিহ্নত করেছেন। রাবী আবূয্-যুবায়র-এর নাম হল মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু তাদরুস। আর আবূত-তুফায়লের নাম হল আমির ইবনু ওয়াসিলা।
আবূ দাউদ (রহঃ) বলেনঃ হাদীসোক্ত শব্দ الحيطن অর্থ বাগান। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ মু’আয রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। হাসান ইবনু আবী জা’ফর ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে এটি বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) প্রমুখ হাদীস বিশারদ হাসান ইবনু আবী জা’ফর কে যঈফ বলে চিহ্নত করেছেন। রাবী আবূয্-যুবায়র-এর নাম হল মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম ইবনু তাদরুস। আর আবূত-তুফায়লের নাম হল আমির ইবনু ওয়াসিলা।
হাদিস নং: ৩৩৫
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، وهناد، قالا حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن موسى بن طلحة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا وضع احدكم بين يديه مثل موخرة الرحل فليصل ولا يبالي من مر وراء ذلك " . قال وفي الباب عن ابي هريرة وسهل بن ابي حثمة وابن عمر وسبرة بن معبد الجهني وابي جحيفة وعاىشة . قال ابو عيسى حديث طلحة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وقالوا سترة الامام سترة لمن خلفه .
৩৩৫. কুতায়বা ও হান্নাদ (রহঃ) .... তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ উটের পিঠের কাষ্ঠাসনের অনুরূপ কিছু যদি মুসল্লির সামনে থাকে, তবে এর বাইরে দিয়ে কারো যাতায়াতে পরওয়া করার কিছু নেই। - ইবনু মাজাহ ৯৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, সাহল ইবনু আবী হাসমা, ইবনু উমর, সাবার ইবনু মা’বাদ আল-জুহানী, আবূ জুহায়ফা ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহআ থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেন। তারা বলেনঃ ইমামের সুতরা মুক্তাদীর সুতরা বলেও গন্য হবে।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, সাহল ইবনু আবী হাসমা, ইবনু উমর, সাবার ইবনু মা’বাদ আল-জুহানী, আবূ জুহায়ফা ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহআ থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেন। তারা বলেনঃ ইমামের সুতরা মুক্তাদীর সুতরা বলেও গন্য হবে।
হাদিস নং: ৩৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن انس، عن ابي النضر، عن بسر بن سعيد، ان زيد بن خالد الجهني، ارسله الى ابي جهيم يساله ماذا سمع من، رسول الله صلى الله عليه وسلم في المار بين يدى المصلي فقال ابو جهيم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو يعلم المار بين يدى المصلي ماذا عليه لكان ان يقف اربعين خير له من ان يمر بين يديه " . قال ابو النضر لا ادري قال اربعين يوما او شهرا او سنة قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي سعيد الخدري وابي هريرة وابن عمر وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى وحديث ابي جهيم حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لان يقف احدكم ماىة عام خير له من ان يمر بين يدى اخيه وهو يصلي " . والعمل عليه عند اهل العلم كرهوا المرور بين يدى المصلي ولم يروا ان ذلك يقطع صلاة الرجل . واسم ابي النضر سالم مولى عمر بن عبيد الله المديني .
৩৩৬. ইসহাক ইবনু মূসা আল-আনসারী (রহঃ) ..... বুসর ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, মুসল্লির সামনে দিয়ে যাতায়াত করা সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ জুহায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু কি জেনেছেন সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার জন্য তাঁর কাছে যায়দ ইবনু খালিদ আল-জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক ব্যক্তিকে পাঠান। আবূ জুহায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ মুসল্লির সামনে দিয়ে যাতায়াতকারী যদি জানত যে, এতে কি শাস্তি নিহিত, তাহলে মুসল্লির সামনে দিয়ে যাতায়াত করার চেয়ে ’চল্লিশ’ বছর দাঁড়িয়ে থাকাও তার জন্য ভাল (মনে) হতো। রাবী আবূন্-নাযর বলেনঃ তিনি চল্লিশ দিন, না চল্লিশ মাস, না চল্লিশ বছর বলেছেন তা আমি জানি না। - ইবনু মাজাহ ৯৪৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ খুদরী, আবূ হুরায়রা, ইবনু উমর, আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ জুহায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ সালাতরত কোন ভাইয়ের সামনে দিয়ে যাতায়াত করা অপেক্ষা একশ বছর দাঁড়িয়ে থাকতে হলেও তা উত্তম। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। মুসল্লির সামনে দিয়ে যাতায়াত করা নিন্দনীয় বলে তাঁরা অভিমত দিয়েছেন। তবে এই কারণে সালাতরত ব্যক্তির সালাত নষ্ট হবে না বলেও তাঁরা মত প্রকাশ করেছেন।
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ খুদরী, আবূ হুরায়রা, ইবনু উমর, আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ জুহায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেনঃ সালাতরত কোন ভাইয়ের সামনে দিয়ে যাতায়াত করা অপেক্ষা একশ বছর দাঁড়িয়ে থাকতে হলেও তা উত্তম। আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। মুসল্লির সামনে দিয়ে যাতায়াত করা নিন্দনীয় বলে তাঁরা অভিমত দিয়েছেন। তবে এই কারণে সালাতরত ব্যক্তির সালাত নষ্ট হবে না বলেও তাঁরা মত প্রকাশ করেছেন।
হাদিস নং: ৩৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، قال كنت رديف الفضل على اتان فجىنا والنبي صلى الله عليه وسلم يصلي باصحابه بمنى . قال فنزلنا عنها فوصلنا الصف فمرت بين ايديهم فلم تقطع صلاتهم . قال ابو عيسى وفي الباب عن عاىشة والفضل بن عباس وابن عمر . قال ابو عيسى وحديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم من التابعين قالوا لا يقطع الصلاة شيء . وبه يقول سفيان الثوري والشافعي .
৩৩৭. মুহাম্মদ ইবনু আবদিল মালিক ইবনু আবিশ শাওয়ারিব (রহঃ) .... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি একদিন ফযলের পিছনে একটি মাদী গর্দভের উপর আরোহণ করে (মিনায়) আসলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তাঁর সাহাবীদের নিয়ে মিনায় সালাত আদায় করছিলেন। আমরা গর্দভটি থেকে নামলাম এবং সালাতের কাতারে শামিল হয়ে গেলাম। গর্দভটি মুসল্লিদের সামনে দিয়ে চলে গেল কিন্তু এতে তাদের কারো সালাত বিনষ্ট হয়নি। - ইবনু মাজাহ ৯৪৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, ফযল ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও তাবিঈ আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেনঃ কোন জিনিসই সালাত বিনষ্ট করতে পারে না। ইমাম সুফইয়ান সাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)-ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে আয়িশা, ফযল ইবনু আব্বাস ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও তাবিঈ আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেনঃ কোন জিনিসই সালাত বিনষ্ট করতে পারে না। ইমাম সুফইয়ান সাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)-ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا يونس بن عبيد، ومنصور بن زاذان، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، قال سمعت ابا ذر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا صلى الرجل وليس بين يديه كاخرة الرحل او كواسطة الرحل قطع صلاته الكلب الاسود والمراة والحمار " . فقلت لابي ذر ما بال الاسود من الاحمر من الابيض فقال يا ابن اخي سالتني كما سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " الكلب الاسود شيطان " . قال وفي الباب عن ابي سعيد والحكم بن عمرو الغفاري وابي هريرة وانس . قال ابو عيسى حديث ابي ذر حديث حسن صحيح . وقد ذهب بعض اهل العلم اليه قالوا يقطع الصلاة الحمار والمراة والكلب الاسود . قال احمد الذي لا اشك فيه ان الكلب الاسود يقطع الصلاة وفي نفسي من الحمار والمراة شيء . قال اسحاق لا يقطعها شيء الا الكلب الاسود .
৩৩৮. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) .... আবূ যর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ সালাত আদায়ের সময় যদি মুসুল্লীর সামনে উটের পিঠের কাষ্ঠাসনের মত কিছু না থাকে তবে কাল কুকুর, স্ত্রীলোক এবং গর্দভ সালাত বিনষ্ট করে দিবে। আবদুল্লাহ ইবনু সামিত (রহঃ) বলেনঃ আমি আবূ যর্ রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ লাল বা সাদা কুকুর বাদ দিয়ে কাল কুকুরের কথা উল্লেখ করার বিষয় কি? তিনি বললেনঃ হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি যেমন আমাকে প্রশ্ন করছ, আমিও তেমনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি তখন বলেছিলেনঃ কালো কুকুর হল শয়তান। - ইবনু মাজাহ ৯৫২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ, হাকাম ইবনু আমর আল-গিফারী, আবূ হুরায়রা এবং আনাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ যর্ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমদের কেউ কেউ এই মত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেনঃ গাধা, স্ত্রীলোক ও কাল কুকুর সালাত বিনষ্ট করে দেয়। ইমাম আহমদ (রহঃ) বলেনঃ কাল কুকুর সালাত বিনষ্ট করে, এই বিষয়ে আমার সন্দেহ নেই। তবে গর্দভ ও স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে আমার প্রশ্ন রয়েছে। ইমাম ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ কাল কুকুর ছাড়া আর কিছুই সালাত বিনষ্ট করে না।
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ, হাকাম ইবনু আমর আল-গিফারী, আবূ হুরায়রা এবং আনাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ যর্ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমদের কেউ কেউ এই মত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেনঃ গাধা, স্ত্রীলোক ও কাল কুকুর সালাত বিনষ্ট করে দেয়। ইমাম আহমদ (রহঃ) বলেনঃ কাল কুকুর সালাত বিনষ্ট করে, এই বিষয়ে আমার সন্দেহ নেই। তবে গর্দভ ও স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে আমার প্রশ্ন রয়েছে। ইমাম ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ কাল কুকুর ছাড়া আর কিছুই সালাত বিনষ্ট করে না।
হাদিস নং: ৩৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عمر بن ابي سلمة، انه راى رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في بيت ام سلمة مشتملا في ثوب واحد . قال وفي الباب عن ابي هريرة وجابر وسلمة بن الاكوع وانس وعمرو بن ابي اسيد وعبادة بن الصامت وابي سعيد وكيسان وابن عباس وعاىشة وام هانى وعمار بن ياسر وطلق بن علي وصامت الانصاري . قال ابو عيسى حديث عمر بن ابي سلمة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم من التابعين وغيرهم قالوا لا باس بالصلاة في الثوب الواحد . وقد قال بعض اهل العلم يصلي الرجل في ثوبين .
৩৩৯. কুতায়বা (রহঃ) .... উমর ইবনু আবী সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এক কাপড়ে উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর ঘরে সালাত আদায় করতে দেখেছেন। - ইবনু মাজাহ ১০৪৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, জাবির, সালামা ইবনুল আকওয়া, আনাস, আমর ইবনু আবী আসীদ, উবাদা ইবনুস সামিত, আবূ সাঈদ, কায়সান, ইবনু আব্বাস, আয়িশা, উম্মু হানী, আম্মার ইবনু ইয়াসির এবং তালক ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবনু আবী সালামা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী, তৎপরবর্তী তাবিঈ ও আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেনঃ এক কাপড়ে সালাত আদায় করায় কোন দোষ নেই। আলিমদের কেউ কেউ বলেনঃ মুসল্লিকে দুই কাপড়ে সালাত আদায় করতে হবে।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, জাবির, সালামা ইবনুল আকওয়া, আনাস, আমর ইবনু আবী আসীদ, উবাদা ইবনুস সামিত, আবূ সাঈদ, কায়সান, ইবনু আব্বাস, আয়িশা, উম্মু হানী, আম্মার ইবনু ইয়াসির এবং তালক ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবনু আবী সালামা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী, তৎপরবর্তী তাবিঈ ও আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেনঃ এক কাপড়ে সালাত আদায় করায় কোন দোষ নেই। আলিমদের কেউ কেউ বলেনঃ মুসল্লিকে দুই কাপড়ে সালাত আদায় করতে হবে।
হাদিস নং: ৩৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، عن البراء بن عازب، قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة صلى نحو بيت المقدس ستة او سبعة عشر شهرا وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب ان يوجه الى الكعبة فانزل الله تعالى: (قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام) فوجه نحو الكعبة وكان يحب ذلك فصلى رجل معه العصر ثم مر على قوم من الانصار وهم ركوع في صلاة العصر نحو بيت المقدس فقال هو يشهد انه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وانه قد وجه الى الكعبة . قال فانحرفوا وهم ركوع . قال وفي الباب عن ابن عمر وابن عباس وعمارة بن اوس وعمرو بن عوف المزني وانس . قال ابو عيسى وحديث البراء حديث حسن صحيح . وقد رواه سفيان الثوري عن ابي اسحاق .
৩৪০. হান্নাদ (রহঃ) .... বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদীনা আগমনের পর বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে ফিরে তিনি ষোল কি সতের মাস সালাত আদায় করেন। কিন্তু কা’বার দিকে ফিরে সালাত আদায় করার প্রতই ছিল তাঁর আকর্ষণ। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেনঃ
قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ
’’আকাশের দিকে তোমার বার বার তাকান আমি অবশ্য লক্ষ্য করি, সুতরাং তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিচ্ছি যা তুমি পছন্দ কর। অতএব তুমি মাসজিদুল হারাম (কা’বা)-এর দিকে মুখ ফিরাও।’’ [ সূরা বাকারা ২: ১৪৪]
অনন্তর তিনি বায়তুল্লাহর (কা’বার) দিকে ফিরে সালাত আদায় করেন। আর সেটিই তিনি ভালবাসতেন। জনৈক সাহাবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আসরের সালাত আদায় করে একদল আনসারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা তখন বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে ফিরে আসরের সালাতে রুকু করছিলেন। ঐ সাহাবী সাক্ষ্যদান করে বললেন যে, তিনি এইমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করে এসেছেন। রাসূূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কা’বার দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে রুকূ অবস্থায়ই তারা কা’বার দিকে ফিরে গেলেন। - সিফাতুস সালাত ৫৬, ইরওয়া ২৯০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর, ইবনু আব্বাস, উমারা ইবনু আওস, আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ বারা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান সাওরীও আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ
’’আকাশের দিকে তোমার বার বার তাকান আমি অবশ্য লক্ষ্য করি, সুতরাং তোমাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিচ্ছি যা তুমি পছন্দ কর। অতএব তুমি মাসজিদুল হারাম (কা’বা)-এর দিকে মুখ ফিরাও।’’ [ সূরা বাকারা ২: ১৪৪]
অনন্তর তিনি বায়তুল্লাহর (কা’বার) দিকে ফিরে সালাত আদায় করেন। আর সেটিই তিনি ভালবাসতেন। জনৈক সাহাবী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আসরের সালাত আদায় করে একদল আনসারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা তখন বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে ফিরে আসরের সালাতে রুকু করছিলেন। ঐ সাহাবী সাক্ষ্যদান করে বললেন যে, তিনি এইমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায় করে এসেছেন। রাসূূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কা’বার দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে রুকূ অবস্থায়ই তারা কা’বার দিকে ফিরে গেলেন। - সিফাতুস সালাত ৫৬, ইরওয়া ২৯০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর, ইবনু আব্বাস, উমারা ইবনু আওস, আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ বারা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান সাওরীও আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال كانوا ركوعا في صلاة الصبح . قال ابو عيسى وحديث ابن عمر حديث صحيح .
৩৪১. হান্নাদ (রহঃ) ...... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ তারা তখন ফজরের সালাতে রুকূরত ছিলেন। - সিফাতুস সালাত ৫৭, ইরওয়া ২৯০, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন : ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু -এর বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন : ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু -এর বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن ابي معشر، حدثنا ابي، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما بين المشرق والمغرب قبلة " .
৩৪২. মুহাম্মাদ ইবনু আবী মা’শার (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে হল কিবলা। - ইবনু মাজাহ ১০১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا محمد بن ابي معشر، مثله . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة قد روي عنه، من غير هذا الوجه . وقد تكلم بعض اهل العلم في ابي معشر من قبل حفظه واسمه نجيح مولى بني هاشم . قال محمد لا اروي عنه شيىا وقد روى عنه الناس . قال محمد وحديث عبد الله بن جعفر المخرمي عن عثمان بن محمد الاخنسي عن سعيد المقبري عن ابي هريرة اقوى من حديث ابي معشر واصح .
৩৪৩. ইয়াহইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আবী মা’শার (রহঃ) সূত্রেও হাদীসটি অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত আছে। হাদীস বিশারদগণের কেউ কেউ রাবী আবূ মা’শারের স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন। তাঁর নাম হল নাজীহ। তিনি বনূ হাশিমের মাওলা বা আযাদকৃত দাস ছিলেন। ইমাম মুহাম্মাদ আল-বুখারী (রহঃ) বলেনঃ তাঁর বরাতে আমি কোন কিছু বর্ণনা করি না। তবে লোকেরা তাঁর থেকে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি আরও বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর আল-মাখরামী (রহঃ) আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসটি আবূ মা’শার-এর হাদীসের তুলনায় (সনদের দিক থেকে) অধিক শক্তিশালী ও সহীহ। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن بكر المروزي، حدثنا المعلى بن منصور، حدثنا عبد الله بن جعفر المخرمي، عن عثمان بن محمد الاخنسي، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما بين المشرق والمغرب قبلة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وانما قيل عبد الله بن جعفر المخرمي لانه من ولد المسور بن مخرمة . وقد روي عن غير واحد من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم " ما بين المشرق والمغرب قبلة " . منهم عمر بن الخطاب وعلي بن ابي طالب وابن عباس . وقال ابن عمر اذا جعلت المغرب عن يمينك والمشرق عن يسارك فما بينهما قبلة اذا استقبلت القبلة . وقال ابن المبارك " ما بين المشرق والمغرب قبلة " . هذا لاهل المشرق . واختار عبد الله بن المبارك التياسر لاهل مرو .
৩৪৪. হাসান ইবনু আবী বাকর আল-মারওয়াযী (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে হল কিবলা। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন : এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। মিসওয়ার ইবনু মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বংশের সন্তান বলে আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফরকে আল-মাখরামী বলা হয়। উমর ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনু আবী তালিব, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম সহ একাধিক সাহাবী থেকে এই কথা বর্ণিত আছে যে, তাঁরা বলেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে হল কিবলা। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন : কিবলামুখী হওয়ার সময় পশ্চিম যদি আপনার ডানপার্শ্বে আর পূর্ব যদি আপনার বাম পার্শ্বে হয়, তবে পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে হল আপনার কিবলা। ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন : পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে হল কিবলা। আর একথা আহলে মাশরিক অর্থৎ ইরাকবাসীদের বেলায় প্রযোজ্য। মারভবাসীদের বেলায় কিছুটা বামদিকে ঘুরে কিবলা নির্ধারণ করতে তিনি মত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন : এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। মিসওয়ার ইবনু মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বংশের সন্তান বলে আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফরকে আল-মাখরামী বলা হয়। উমর ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনু আবী তালিব, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম সহ একাধিক সাহাবী থেকে এই কথা বর্ণিত আছে যে, তাঁরা বলেনঃ পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে হল কিবলা। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন : কিবলামুখী হওয়ার সময় পশ্চিম যদি আপনার ডানপার্শ্বে আর পূর্ব যদি আপনার বাম পার্শ্বে হয়, তবে পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝখানে হল আপনার কিবলা। ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন : পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে হল কিবলা। আর একথা আহলে মাশরিক অর্থৎ ইরাকবাসীদের বেলায় প্রযোজ্য। মারভবাসীদের বেলায় কিছুটা বামদিকে ঘুরে কিবলা নির্ধারণ করতে তিনি মত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৪৫
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا اشعث بن سعيد السمان، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر بن ربيعة، عن ابيه، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر في ليلة مظلمة فلم ندر اين القبلة فصلى كل رجل منا على حياله فلما اصبحنا ذكرنا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزل: (فاينما تولوا فثم وجه الله) . قال ابو عيسى هذا حديث ليس اسناده بذاك لا نعرفه الا من حديث اشعث السمان . واشعث بن سعيد ابو الربيع السمان يضعف في الحديث . وقد ذهب اكثر اهل العلم الى هذا . قالوا اذا صلى في الغيم لغير القبلة ثم استبان له بعد ما صلى انه صلى لغير القبلة فان صلاته جاىزة . وبه يقول سفيان الثوري وابن المبارك واحمد واسحاق .
৩৪৫. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আমির ইবনু রাবীআ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ এক আঁধার রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। কিবলা কোন দিকে তা আমাদের জানা ছিল না। তাই আমরা যে যেদিকে পারলাম সালাত আদায় করে নিলাম। সকালে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কথা জানালে তখন নাযিল হয়। فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ ’’যেদিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন, সেদিকেই আল্লাহর চেহারা।’’ [সূরা বাকারা ২ঃ১১৫ ] - ইবনু মাজাহ ১০২০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটির সনদ শক্তিশালী নয়। আশআস আস্-সাম্মান ব্যতীত আর কারও সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে বলে আমরা জানি না। আশআস ইবনু সাঈদ আবূর-রাবী’ আস্-সাম্মান হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে দুর্বল। অধিকাংশ আলিম এই মত গ্রহণ করেছেন। মেঘের কারণে কেউ যদি অন্যদিকে ফিরে সালাত আদায় করার পর জানতে পারে যে, সে কিবলা ছাড়া অন্যদিকে ফিরে সালাত আদায় করেছে, তবে তার সালাত হয়ে যাবে। ইমাম সুফইয়ান সাওরী ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটির সনদ শক্তিশালী নয়। আশআস আস্-সাম্মান ব্যতীত আর কারও সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে বলে আমরা জানি না। আশআস ইবনু সাঈদ আবূর-রাবী’ আস্-সাম্মান হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে দুর্বল। অধিকাংশ আলিম এই মত গ্রহণ করেছেন। মেঘের কারণে কেউ যদি অন্যদিকে ফিরে সালাত আদায় করার পর জানতে পারে যে, সে কিবলা ছাড়া অন্যদিকে ফিরে সালাত আদায় করেছে, তবে তার সালাত হয়ে যাবে। ইমাম সুফইয়ান সাওরী ইবনু মুবারক, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৪৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا المقرى، حدثنا يحيى بن ايوب، عن زيد بن جبيرة، عن داود بن الحصين، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان يصلى في سبعة مواطن في المزبلة والمجزرة والمقبرة وقارعة الطريق وفي الحمام وفي معاطن الابل وفوق ظهر بيت الله " .
৩৪৬. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) .... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাত জায়গায় সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেনঃ ময়লা ফেলার স্থানে, যবেহ করার স্থানে, কবরস্থানে, চলাচলের পথে, হাম্মামখানায়, উটশালায় এবং বায়তুল্লাহ শরীফের ছাদে। - ইবনু মাজাহ ৭৪৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৪৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا سويد بن عبد العزيز، عن زيد بن جبيرة، عن داود بن حصين، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه . قال وفي الباب عن ابي مرثد وجابر وانس . ابو مرثد اسمه كناز بن حصين . قال ابو عيسى وحديث ابن عمر اسناده ليس بذاك القوي . وقد تكلم في زيد بن جبيرة من قبل حفظه . قال ابو عيسى وزيد بن جبير الكوفي اثبت من هذا واقدم وقد سمع من ابن عمر . وقد روى الليث بن سعد هذا الحديث عن عبد الله بن عمر العمري عن نافع عن ابن عمر عن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . وحديث داود عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم اشبه واصح من حديث الليث بن سعد . وعبد الله بن عمر العمري ضعفه بعض اهل الحديث من قبل حفظه منهم يحيى بن سعيد القطان .
৩৪৭. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
এই বিষয়ে আবূ মারসা’দ, জাবির ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। সাহাবী আবূ মারসা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল কান্নায ইবনুল হুসায়ন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসটির সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। রাবী যায়দ ইবনু জাবীরার স্মরণশক্তির সমালোচনা হয়েছে। লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) ও আবদুল্লাহ ইবনু উমর আল-উমারী রাদিয়াল্লাহু আনহু ... নাফি ... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। যায়দ ইবনু জাবীরার সূত্রে বর্ণিত ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসটি লায়স ইবনু সা’দের সুত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত অধিক সহীহ। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান সহ কতক হাদীস বিশারদ আবদুল্লাহ ইবনু উমর আল-উমারীকে স্মরণশক্তির দিক দিয়ে দুর্বল বলে অভিমত দিয়েছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ মারসা’দ, জাবির ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। সাহাবী আবূ মারসা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল কান্নায ইবনুল হুসায়ন। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসটির সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। রাবী যায়দ ইবনু জাবীরার স্মরণশক্তির সমালোচনা হয়েছে। লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) ও আবদুল্লাহ ইবনু উমর আল-উমারী রাদিয়াল্লাহু আনহু ... নাফি ... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। যায়দ ইবনু জাবীরার সূত্রে বর্ণিত ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসটি লায়স ইবনু সা’দের সুত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত অধিক সহীহ। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান সহ কতক হাদীস বিশারদ আবদুল্লাহ ইবনু উমর আল-উমারীকে স্মরণশক্তির দিক দিয়ে দুর্বল বলে অভিমত দিয়েছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا يحيى بن ادم، عن ابي بكر بن عياش، عن هشام، عن ابن سيرين، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلوا في مرابض الغنم ولا تصلوا في اعطان الابل " .
৩৪৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ ছাগল রাখার ঘরে সালাত আদায় করতে পার, তবে উট রাখার স্থানে সালাত আদায় করবে না। - ইবনু মাজাহ ৭৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]