হাদিস নং: ৭৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا دعي احدكم وهو صاىم فليقل اني صاىم " . قال ابو عيسى وكلا الحديثين في هذا الباب عن ابي هريرة حسن صحيح .
৭৭৯. নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি তোমাদের কাউকে সাওম অবস্থায় দাওয়াত করা হয় তবে সে যেন বলে আমি সায়িম। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত উভয় হাদিসটি হাসান -সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত উভয় হাদিসটি হাসান -সহীহ্।
হাদিস নং: ৭৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، ونصر بن علي، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تصوم المراة وزوجها شاهد يوما من غير شهر رمضان الا باذنه " . قال وفي الباب عن ابن عباس وابي سعيد . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وقد روي هذا الحديث عن ابي الزناد عن موسى بن ابي عثمان عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৭৮০. কুতায়বা ও নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রামাযান মাসের বাইরে স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা যেন সিয়াম পালন না করে। - ইবনু মাজাহ ১৭৬১, নাসাঈ - রামাযানের উল্লেখ ব্যাতিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। হাদিসটি আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকেও মূসা ইবনু আবূ উসমান তৎপিতা আবূ উসমান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। হাদিসটি আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকেও মূসা ইবনু আবূ উসমান তৎপিতা আবূ উসমান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৭৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن اسماعيل السدي، عن عبد الله البهي، عن عاىشة، قالت ما كنت اقضي ما يكون على من رمضان الا في شعبان حتى توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال وقد روى يحيى بن سعيد الانصاري عن ابي سلمة عن عاىشة نحو هذا .
৭৮১. কুতায়বা (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তেকাল পর্যন্ত রামাযানের যে সব সিয়াম আমার কাযা হত সেগুলো শাবান ছাড়া আদায় করতে পারতাম না। - ইরওয়া ৯৪৪, রাওযুন নাযীর ৭৬৩, সহিহ আবু দাউদ ২০৭৬, তামামুল মিন্নাহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান-সহীহ্। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আনসারী (রহঃ) হাদিসটিকে আবূ সালামা-আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান-সহীহ্। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আনসারী (রহঃ) হাদিসটিকে আবূ সালামা-আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৮২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن حبيب بن زيد، عن ليلى، عن مولاتها، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الصاىم اذا اكل عنده المفاطير صلت عليه الملاىكة " . قال ابو عيسى وروى شعبة هذا الحديث عن حبيب بن زيد عن ليلى عن جدته ام عمارة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
৭৮২. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... লায়লা সুত্রে তাঁর আযাদকারিনী মহিলা (উম্মু উমারা) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিন বলেন, সিয়াম পালন করছেন এমন ব্যাক্তিরা যদি সিয়াম পালনরত কোন ব্যাক্তির কাছে আহার করে তবে ফিরিশতাগণ তাঁর (সিয়াম পালনরত ব্যাক্তির) জন্য দু’আ করেন। - ইবনু মাজাহ ১৭৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, শু’বা এই হাদিসটিকে হাবিব ইবনু যায়িদ তৎ পিতামহী উম্মু উমারা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, শু’বা এই হাদিসটিকে হাবিব ইবনু যায়িদ তৎ পিতামহী উম্মু উমারা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৮৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، اخبرنا شعبة، عن حبيب بن زيد، قال سمعت مولاة، لنا يقال لها ليلى تحدث عن جدته ام عمارة بنت كعب الانصارية، ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها فقدمت اليه طعاما فقال " كلي " . فقالت اني صاىمة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الصاىم تصلي عليه الملاىكة اذا اكل عنده حتى يفرغوا " . وربما قال " حتى يشبعوا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وهو اصح من حديث شريك .
৭৮৩. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... হাবীব ইবনু যায়িদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের জনৈকা আযাদকৃত দাসী লায়লাকে উম্মু উমারা বিনত কা’ব আল আনসারিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর বাড়ি এলেন। তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে খাবার পেশ করলেন। নবিজী তাকে বললেন, তুমি খাও। তিনি বললেন আমি তো সায়িম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সায়িমের নিকট যদি কেউ খায় তবে খাবার শেষ না করা পর্যন্ত ফিরিশতাগন সায়িমের জন্য দু’আ করতে থাকেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সময়حَتَّى يَفْرُغُوا এর স্থলেحَتَّى يَشْبَعُوا বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।
হাদিস নং: ৭৮৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حبيب بن زيد، عن مولاة، لهم يقال لها ليلى عن جدته ام عمارة بنت كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ولم يذكر فيه " حتى يفرغوا او يشبعوا " . قال ابو عيسى وام عمارة هي جدة حبيب بن زيد الانصاري .
৭৮৪. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... উম্মু উমারা বিনত কা’ব (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। তবে এই রিওয়ায়াতে حتى يفرغوا اويشبعوا শব্দসমূহের উল্লেখ নাই। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্মু উমারা (রাঃ) হলেন হাবীব ইবনু যায়িদ আল-আনসারী (রহঃ)-এর পিতামহী।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্মু উমারা (রাঃ) হলেন হাবীব ইবনু যায়িদ আল-আনসারী (রহঃ)-এর পিতামহী।
হাদিস নং: ৭৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا علي بن مسهر، عن عبيدة، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عاىشة، قالت كنا نحيض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم نطهر فيامرنا بقضاء الصيام ولا يامرنا بقضاء الصلاة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روي عن معاذة عن عاىشة ايضا . والعمل على هذا عند اهل العلم لا نعلم بينهم اختلافا ان الحاىض تقضي الصيام ولا تقضي الصلاة . قال ابو عيسى وعبيدة هو ابن معتب الضبي الكوفي يكنى ابا عبد الكريم .
৭৮৫. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা হায়য এর পর যখন পবিত্র হতাম তখন তিনি আমাদের সিয়াম কাযা পালন করতে নির্দেশ দিতেন। সালাত (নামায/নামাজ) কাযা করতে বলতেন না। - ইবনু মাজাহ ৬৩১, মুসলিম, বুখারিতে নামাযের কথা উল্লেখ নেই, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান। এটি মুআযা আয়িশা (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত আছে। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁদের মাঝে এই বিষয়ে কোন মতিবিরোধ আছে বলে আমরা জানি না যে, হায়েয বিশিষ্ট মহিলা কাযা পালন করবে; সালাত (নামায/নামাজ) কাযা করবে না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, রাবী উবায়দা হলেন, ইবনু মুআততির আয-যাববী আল- কুফী। তাঁর উপনাম হল আবূ আব্দুল করীম।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান। এটি মুআযা আয়িশা (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত আছে। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁদের মাঝে এই বিষয়ে কোন মতিবিরোধ আছে বলে আমরা জানি না যে, হায়েয বিশিষ্ট মহিলা কাযা পালন করবে; সালাত (নামায/নামাজ) কাযা করবে না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, রাবী উবায়দা হলেন, ইবনু মুআততির আয-যাববী আল- কুফী। তাঁর উপনাম হল আবূ আব্দুল করীম।
হাদিস নং: ৭৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الوهاب بن عبد الحكم البغدادي الوراق، وابو عمار الحسين بن حريث قالا حدثنا يحيى بن سليم، حدثني اسماعيل بن كثير، قال سمعت عاصم بن لقيط بن صبرة، عن ابيه، قال قلت يا رسول الله اخبرني عن الوضوء، . قال " اسبغ الوضوء وخلل بين الاصابع وبالغ في الاستنشاق الا ان تكون صاىما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد كره اهل العلم السعوط للصاىم وراوا ان ذلك يفطره وفي الحديث ما يقوي قولهم .
৭৮৬. আব্দুল ওয়াহ্হাব ইবনু আব্দুল হাকাম বাগদাদী আল-ওয়াররাক ও আবূ আম্মার হুসাইন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ........ লাকীত ইবনু সাবরা তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অযু সম্পর্কে জ্ঞাত করুন। তিনি বললেন, অযু পরিপূর্ণভাবে করবে। আঙ্গুলসমূহের মাঝে খিলাল করবে। খুব উত্তমরূপে নাকে পানি ব্যবহার করবে, তবে সিয়ামরত থাকলে ভিন্ন কথা। - ইবনু মাজাহ ৪০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্। আলিমগণ সিয়াম পালনকারীর জন্য নাক দিয়ে ঔষধ টানা নিষেধ করেছেন। তাঁদের মতে এতে সাওম ভঙ্গ হয়ে যাবে। হাদীছের বিষয়বস্তু তাঁদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্। আলিমগণ সিয়াম পালনকারীর জন্য নাক দিয়ে ঔষধ টানা নিষেধ করেছেন। তাঁদের মতে এতে সাওম ভঙ্গ হয়ে যাবে। হাদীছের বিষয়বস্তু তাঁদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে।
হাদিস নং: ৭৮৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا بشر بن معاذ العقدي البصري، حدثنا ايوب بن واقد الكوفي، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نزل على قوم فلا يصومن تطوعا الا باذنهم " . قال ابو عيسى هذا حديث منكر لا نعرف احدا من الثقات روى هذا الحديث عن هشام بن عروة . وقد روى موسى بن داود عن ابي بكر المديني عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوا من هذا . قال ابو عيسى وهذا حديث ضعيف ايضا . وابو بكر ضعيف عند اهل الحديث وابو بكر المدني الذي روى عن جابر بن عبد الله اسمه الفضل بن مبشر وهو اوثق من هذا واقدم .
৭৮৭. বিশর ইবনু মুআয আকদী বাসরী (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন কাওমের মেহমান হয়, তবে সে যেন তাদের অনুমতি ব্যতিরেকে (নফল) সিয়াম পালন না করে। - ইবনু মাজাহ ১৭৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মুনকার। হিশাম ইবনু উরওয়া (রহঃ) থেকে এই হাদীসটি রিওয়ায়াত কোন নির্ভরযোগ্য রাবী বলেছেন বলে আমরা জানিনা। মূসা ইবনু দাঊদ আবূ বকর মাদানী হিশাম ইবনু উরওয়া তৎপিতা উরওয়া আয়িশা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরুপ এক রেওয়ায়াত বর্ণনা করেছেন। এই রেওয়ায়াতটিও যঈফ। আবূ বকরের হাদীসটি বিশেষজ্ঞদের কাছে দুর্বল। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে আবূ বকর আল-মাদানী উপনামের যে রাবী হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তাঁর নাম হল আল-ফাযল ইবনু মুবাশশির। তিনি এই আবূ বকর আল-মাদানী থেকে অধিক নির্ভরযোগ্য ও অগ্রগণ্য।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মুনকার। হিশাম ইবনু উরওয়া (রহঃ) থেকে এই হাদীসটি রিওয়ায়াত কোন নির্ভরযোগ্য রাবী বলেছেন বলে আমরা জানিনা। মূসা ইবনু দাঊদ আবূ বকর মাদানী হিশাম ইবনু উরওয়া তৎপিতা উরওয়া আয়িশা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরুপ এক রেওয়ায়াত বর্ণনা করেছেন। এই রেওয়ায়াতটিও যঈফ। আবূ বকরের হাদীসটি বিশেষজ্ঞদের কাছে দুর্বল। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে আবূ বকর আল-মাদানী উপনামের যে রাবী হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তাঁর নাম হল আল-ফাযল ইবনু মুবাশশির। তিনি এই আবূ বকর আল-মাদানী থেকে অধিক নির্ভরযোগ্য ও অগ্রগণ্য।
হাদিস নং: ৭৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، وعروة، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يعتكف العشر الاواخر من رمضان حتى قبضه الله . قال وفي الباب عن ابى بن كعب وابي ليلى وابي سعيد وانس وابن عمر . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة وعاىشة حديث حسن صحيح .
৭৮৮. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা ও আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত রামাযানের শেষ দশদিন ই’তিকাফ করতেন। - ইরওয়া ৯৬৬, সহিহ আবু দাউদ ২১২৫, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উবাই ইবনু কা’বা, আবূ লায়লা, আবূ সাঈদ, আনাস ও ইবনু উমার থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা ও আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে উবাই ইবনু কা’বা, আবূ লায়লা, আবূ সাঈদ, আনাস ও ইবনু উমার থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা ও আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৭৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اراد ان يعتكف صلى الفجر ثم دخل في معتكفه . قال ابو عيسى وقد روي هذا الحديث عن يحيى بن سعيد عن عمرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا . رواه مالك وغير واحد عن يحيى بن سعيد عن عمرة مرسلا . ورواه الاوزاعي وسفيان الثوري وغير واحد عن يحيى بن سعيد عن عمرة عن عاىشة . والعمل على هذا الحديث عند بعض اهل العلم يقولون اذا اراد الرجل ان يعتكف صلى الفجر ثم دخل في معتكفه . وهو قول احمد بن حنبل واسحاق بن ابراهيم . وقال بعضهم اذا اراد ان يعتكف فلتغب له الشمس من الليلة التي يريد ان يعتكف فيها من الغد وقد قعد في معتكفه . وهو قول سفيان الثوري ومالك بن انس .
৭৮৯. হান্নাদ (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফের ইচ্ছা করতেন তখন ফযরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে পরে ই’তিকাফ স্থলে প্রবেশ করতেন। - ইবনু মাজাহ ১৭৭১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আমরা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসালরূপে রেওয়ায়েত করেছেন। আর এই হাদীসটি আওযায়ী ও সুফিয়ান সাওরী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ - আমরা আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস অনুসারে কোন কোন আলিমের আমল রয়েছে। তাঁরা বলেন, যখন কেউ ইতিকাফের ইচ্ছা করে, তখন সে ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের পর যেন ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করে। ইতিকাফ করতে চাইলে, যে দিন থেকে ইতিকাফ আরম্ভ করতে ইচ্ছুক তার আগের তার আগের রাত্রির সন্ধ্যার সূর্য ডোবার আগে যে সে অবস্থান গ্রহণ করে নেয়। এ হলো সুফিয়ান সাওরী ও মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর বক্তব্য।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আমরা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসালরূপে রেওয়ায়েত করেছেন। আর এই হাদীসটি আওযায়ী ও সুফিয়ান সাওরী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ - আমরা আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস অনুসারে কোন কোন আলিমের আমল রয়েছে। তাঁরা বলেন, যখন কেউ ইতিকাফের ইচ্ছা করে, তখন সে ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের পর যেন ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করে। ইতিকাফ করতে চাইলে, যে দিন থেকে ইতিকাফ আরম্ভ করতে ইচ্ছুক তার আগের তার আগের রাত্রির সন্ধ্যার সূর্য ডোবার আগে যে সে অবস্থান গ্রহণ করে নেয়। এ হলো সুফিয়ান সাওরী ও মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর বক্তব্য।
হাদিস নং: ৭৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجاور في العشر الاواخر من رمضان ويقول " تحروا ليلة القدر في العشر الاواخر من رمضان " . وفي الباب عن عمر وابى وجابر بن سمرة وجابر بن عبد الله وابن عمر والفلتان بن عاصم وانس وابي سعيد وعبد الله بن انيس وابي بكرة وابن عباس وبلال وعبادة بن الصامت . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح . وقولها يجاور يعني يعتكف . واكثر الروايات عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " التمسوها في العشر الاواخر في كل وتر " . وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم في ليلة القدر انها ليلة احدى وعشرين وليلة ثلاث وعشرين وخمس وعشرين وسبع وعشرين وتسع وعشرين واخر ليلة من رمضان " . قال ابو عيسى قال الشافعي كان هذا عندي والله اعلم ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يجيب على نحو ما يسال عنه يقال له نلتمسها في ليلة كذا فيقول التمسوها في ليلة كذا . قال الشافعي واقوى الروايات عندي فيها ليلة احدى وعشرين . قال ابو عيسى وقد روي عن ابى بن كعب انه كان يحلف انها ليلة سبع وعشرين . ويقول اخبرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعلامتها فعددنا وحفظنا . وروي عن ابي قلابة انه قال ليلة القدر تنتقل في العشر الاواخر . حدثنا بذلك عبد بن حميد اخبرنا عبد الرزاق عن معمر عن ايوب عن ابي قلابة بهذا .
৭৯০. হারূন ইবনু ইসহাক হামদানী (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রামাযানের শেষ দশদিন মসজিদে অবস্থান করতেন। বলতেন, তোমরা রামাযানের শেষ দশদিন লায়লাতুল ক্বাদর অনুসন্ধান করে। - বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, উবাই ইবনু কাব, জাবির ইবনু সামুরা, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, ইবনু উমার, ফালাতান ইবনু আসিম, আনাস, আবূ সাঈদ, আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স, আবূ বকরা, ইবনু আব্বাস, বিলাল ও উবাদা ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। তাঁর এই রিওয়ায়াতে উল্লেখিত শব্দ يحاور অর্থ তিনি ই’তিকাফ করতেন। এই ক্ষেত্রে অধিকাংশ রিওয়ায়াতের শব্দ হল, তোমরা শেষ দশ দিনের প্রত্যেক বেজোড় রাতে লায়লাতুল ক্বদর তালাশ করো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে লায়লাতুল ক্বাদর সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তা হল একুশ, তেইশ, পঁচিশ, সাতাশ, ঊনত্রিশ এবং রামাযানের শেষ রাত।
ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, আমার মতে এই ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে ভাবেই উত্তর দিয়েছেন যে ভাবে তার নিকট জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। যেমন হয়ত কেউ তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছে, আমরা কি অমুক তারিখে তা অন্বেষন করবো? তিনি উত্তরে বলেছেন, তা অমুক তারিখে তোমরা তালাশ কর। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন বলেন, এই বিষয়ে আমার কাছে সব চাইতে শক্তিশালী রিওয়ায়াত হল একুশ তারিখ সম্পর্কিত রিওয়ায়াতটি। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উবাই ইবনু কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি কসম করে বলতেন যে, এ হল সাতাশ তারিখের রাত; এবং তিনি বলতেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এর আলামত জানিয়েছেন। তা আমরা গণনা করে দেখেছি এবং স্মরণ রেখেছি। আবূ কিলাবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, শেষ দশকের মাঝে লায়লাতুল ক্বাদর আবর্তিত হতে থাকে। এই বক্তব্যটি আব্দুর রাযযাক-মামার-আইউব আবূ কিলাবা (রাঃ) থেকে আবদ ইবনু হুমায়দ বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে উমার, উবাই ইবনু কাব, জাবির ইবনু সামুরা, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, ইবনু উমার, ফালাতান ইবনু আসিম, আনাস, আবূ সাঈদ, আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স, আবূ বকরা, ইবনু আব্বাস, বিলাল ও উবাদা ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। তাঁর এই রিওয়ায়াতে উল্লেখিত শব্দ يحاور অর্থ তিনি ই’তিকাফ করতেন। এই ক্ষেত্রে অধিকাংশ রিওয়ায়াতের শব্দ হল, তোমরা শেষ দশ দিনের প্রত্যেক বেজোড় রাতে লায়লাতুল ক্বদর তালাশ করো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে লায়লাতুল ক্বাদর সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তা হল একুশ, তেইশ, পঁচিশ, সাতাশ, ঊনত্রিশ এবং রামাযানের শেষ রাত।
ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, আমার মতে এই ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে ভাবেই উত্তর দিয়েছেন যে ভাবে তার নিকট জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। যেমন হয়ত কেউ তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছে, আমরা কি অমুক তারিখে তা অন্বেষন করবো? তিনি উত্তরে বলেছেন, তা অমুক তারিখে তোমরা তালাশ কর। ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন বলেন, এই বিষয়ে আমার কাছে সব চাইতে শক্তিশালী রিওয়ায়াত হল একুশ তারিখ সম্পর্কিত রিওয়ায়াতটি। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উবাই ইবনু কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি কসম করে বলতেন যে, এ হল সাতাশ তারিখের রাত; এবং তিনি বলতেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের এর আলামত জানিয়েছেন। তা আমরা গণনা করে দেখেছি এবং স্মরণ রেখেছি। আবূ কিলাবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, শেষ দশকের মাঝে লায়লাতুল ক্বাদর আবর্তিত হতে থাকে। এই বক্তব্যটি আব্দুর রাযযাক-মামার-আইউব আবূ কিলাবা (রাঃ) থেকে আবদ ইবনু হুমায়দ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا واصل بن عبد الاعلى الكوفي، حدثنا ابو بكر بن عياش، عن عاصم، عن زر، قال قلت لابى بن كعب انى علمت ابا المنذر انها ليلة سبع وعشرين قال بلى اخبرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " انها ليلة صبيحتها تطلع الشمس ليس لها شعاع " . فعددنا وحفظنا والله لقد علم ابن مسعود انها في رمضان وانها ليلة سبع وعشرين ولكن كره ان يخبركم فتتكلوا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৭৯১. ওয়াসিল ইবনু আবদুল আ’লা কূফী (রহঃ) .... যির (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি উবাই ইবনু কাব (রাঃ) কে বললাম, হে আবূ মুনযির! এ যে সাতাশের রাত এ কথা আপনি কোথা থেকে জানলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ অবশ্যই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটি হল এমন রাত যার পরবর্তী সকালে সূর্য উদিত হয় এমনভাবে যে তার আলোকরশ্মি থাকে না। তা আমরা গণনা করে রেখেছি এবং স্মরণও রেখেছি। আল্লাহর কসম! ইবনু মাসঊদ (রাঃ) একথা জানেন যে, রাতটি হল রামাযানের এবং তা সাতাশেরই রাত। কিন্তু তিনি তোমাদের তা জানাতে পছন্দ করেননি, পাছে তোমরা এর উপর ভরসা করে বসে থাকে। - সহিহ আবু দাউদ ১২৪৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৭৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا عيينة بن عبد الرحمن، قال حدثني ابي قال، ذكرت ليلة القدر عند ابي بكرة فقال ما انا بملتمسها، لشيء سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم الا في العشر الاواخر فاني سمعته يقول " التمسوها في تسع يبقين او في سبع يبقين او في خمس يبقين او في ثلاث او اخر ليلة " . قال وكان ابو بكرة يصلي في العشرين من رمضان كصلاته في ساىر السنة فاذا دخل العشر اجتهد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৭৯২. হুমায়দা ইবনু মাসআদা (রহঃ) ..... আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ বকরা (রাঃ) এর কাছে একবার লায়লাতুল ক্বাদর সম্পর্কে আলোচনা হল। তিনি বললেন, আমি লায়লাতুল ক্বাদর রামাযানের শেষ দশ দিন ছাড়া অন্য কোন রাতে অনুসন্ধান করব না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে একটি বাণী শোনার কারণে তাকে বলতে শুনেছি যে, তোমরা এ রাতটিকে রামাযানের নয় দিন বাকী থাকতে বা সাতদিন বাকী থাকতে বা পাঁচ দিন বাকী থাকতে, তিন দিন বাকী থাকতে বা এর শেষ রাতে অণ্বেষন কর। রাবী বলেন, আবূ বকরা (রাঃ) রামাযানের বিশ দিন পর্যন্ত অন্যান্য সুন্নাতের মতই সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন। কিন্তু শেষ দশ দিনের ক্ষেত্রে খুবই প্রয়াস চালাতেন। - মিশকাত তাহকীক ছানী ২০৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৭৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن هبيرة بن يريم، عن علي، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يوقظ اهله في العشر الاواخر من رمضان . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৭৯৩. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের লোকদেরকে রামাযানের শেষ দশ দিন জাগাতেন। - ইবনু মাজাহ ১৭৬৮, বুখারি, মুসলিম - আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৭৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن الحسن بن عبيد الله، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجتهد في العشر الاواخر ما لا يجتهد في غيرها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৭৯৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রামাযানের শেষ দশ দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ প্রচেষ্টা চালাতেন অন্যান্য সময়ে সেরূপ প্রচেষ্টা চালাতেন না। - ইবনু মাজাহ ১৭৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৭৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن نمير بن عريب، عن عامر بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الغنيمة الباردة الصوم في الشتاء " . قال ابو عيسى هذا حديث مرسل . عامر بن مسعود لم يدرك النبي صلى الله عليه وسلم وهو والد ابراهيم بن عامر القرشي الذي روى عنه شعبة والثوري .
৭৯৫. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আমির ইবনু মাসঊদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শীতকালের সিয়াম হল অনায়াশলব্ধ গণীমত সম্পদের মত। - সহিহাহ ১৯২২, আর রাওয ৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মুরসাল। কারণ, আমির ইবনু মাসঊদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ ঘটেনি। তিনি হলেন ইবরাহীম ইবনু আমির আল-কুরাশীর পিতা। যার থেকে শু’বা ও সাওরী (রহঃ) রিওয়ায়াত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মুরসাল। কারণ, আমির ইবনু মাসঊদের রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ ঘটেনি। তিনি হলেন ইবরাহীম ইবনু আমির আল-কুরাশীর পিতা। যার থেকে শু’বা ও সাওরী (রহঃ) রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ৭৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا بكر بن مضر، عن عمرو بن الحارث، عن بكير بن عبد الله بن الاشج، عن يزيد، مولى سلمة بن الاكوع عن سلمة بن الاكوع، قال لما نزلت : (وعلى الذين يطيقونه فدية طعام مسكين ) كان من اراد منا ان يفطر ويفتدي حتى نزلت الاية التي بعدها فنسختها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب . ويزيد هو ابن ابي عبيد مولى سلمة بن الاكوع .
৭৯৬. কুতায়বা (রহঃ) .... সালামা ইবনু আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ - যারা সিয়াম পালনে অক্ষম তারা একজন মিসকীনের আহার দিবে ফিদয়া হিসাবে যখন উক্ত আয়াতটি নাযিল হল তখন আমাদের যার ইচ্ছা সিয়াম পালন না করে ফিদয়া দিয়ে দিত। শেষে এর পরবর্তী আয়াতفَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ এর অর্থ হল- তোমাদের যে জন রামাযানের এই মাস পায় সে যেন সিয়াম পালন করে নাযিল হলে উপরোক্ত আয়াতের বিধান রহিত হয়ে যায়। - ইরওয়া ৪/২২, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। রাবী ইয়াযীদ হলেন, ইবনু আবূ উবায়দ সালামা ইবনু আকওয়া (রাঃ) এর আযাদকৃত দাস।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। রাবী ইয়াযীদ হলেন, ইবনু আবূ উবায়দ সালামা ইবনু আকওয়া (রাঃ) এর আযাদকৃত দাস।
হাদিস নং: ৭৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الله بن جعفر، عن زيد بن اسلم، عن محمد بن المنكدر، عن محمد بن كعب، انه قال اتيت انس بن مالك في رمضان وهو يريد سفرا وقد رحلت له راحلته ولبس ثياب السفر فدعا بطعام فاكل فقلت له سنة قال سنة . ثم ركب .
৭৯৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... মুহাম্মদ ইবনু কা’ব (রহঃ) বলেন, আমি এক রামাযানে আনাস (রাঃ) এর কাছে এলাম। তিনি তখন সফরের ইচ্ছা করছিলেন। আমি তাঁর সফরের উটটিকে হাওদা বেঁধে দিলাম। তিনি সফরের পোশাক পরে নিলেন এবং খাবার নিয়ে আসতে বললেন। অনন্তর তিনি তা আহার করলেন। আমি বললাম, এ কি সুন্নাত? তিনি বললেন, সুন্নাত। এরপর সাওয়ার হয়ে গেলেন। - তাসহীহ হাদিসে ইফতারিস সা-ইমি কাবলা সাফারিহি বা’দাল ফাজরি পৃঃ ১৩-২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৭৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا سعيد بن ابي مريم، حدثنا محمد بن جعفر، قال حدثني زيد بن اسلم، قال حدثني محمد بن المنكدر، عن محمد بن كعب، قال اتيت انس بن مالك في رمضان فذكر نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ومحمد بن جعفر هو ابن ابي كثير هو مديني ثقة وهو اخو اسماعيل بن جعفر . وعبد الله بن جعفر هو ابن نجيح والد علي بن عبد الله المديني وكان يحيى بن معين يضعفه . وقد ذهب بعض اهل العلم الى هذا الحديث وقالوا للمسافر ان يفطر في بيته قبل ان يخرج وليس له ان يقصر الصلاة حتى يخرج من جدار المدينة او القرية . وهو قول اسحاق بن ابراهيم الحنظلي .
৭৯৮. মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ...... মুহাম্মদ ইবনু কাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) এর কাছে রামাযানে এলাম। এরপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। রাবী মুহাম্মদ ইবনু জাফর হলেন, ইবনু আবূ কাসীর মাদীনী নির্ভরযোগ্য রাবী। তিনি ইসমাঈল ইবনু জাফর (রহঃ) এর ভাই। আর আবদুল্লাহ ইবনু জাফর হলেন ইবনু নাজীহ; আলী ইবনু মাদীনী (রহঃ) এর পিতা। ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন (রহঃ) তাকে যঈফ বলেছেন। কোন কোন আলিম এই হাদীস অনুসারে মত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন মূসাফির ব্যক্তি সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পূর্বে সিয়াম ভঙ্গ করতে পারবে। তবে যতক্ষণ সে তার গ্রাম বা নগর প্রাচীর অতিক্রম না করেছে ততক্ষণ সালাত (নামায/নামাজ) কসর করতে পারবে না। এ হল ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালীর বক্তব্য।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। রাবী মুহাম্মদ ইবনু জাফর হলেন, ইবনু আবূ কাসীর মাদীনী নির্ভরযোগ্য রাবী। তিনি ইসমাঈল ইবনু জাফর (রহঃ) এর ভাই। আর আবদুল্লাহ ইবনু জাফর হলেন ইবনু নাজীহ; আলী ইবনু মাদীনী (রহঃ) এর পিতা। ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন (রহঃ) তাকে যঈফ বলেছেন। কোন কোন আলিম এই হাদীস অনুসারে মত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা বলেন মূসাফির ব্যক্তি সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হওয়ার পূর্বে সিয়াম ভঙ্গ করতে পারবে। তবে যতক্ষণ সে তার গ্রাম বা নগর প্রাচীর অতিক্রম না করেছে ততক্ষণ সালাত (নামায/নামাজ) কসর করতে পারবে না। এ হল ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালীর বক্তব্য।