হাদিস নং: ৭৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن انس بن مالك، انه سىل عن صوم النبي، صلى الله عليه وسلم قال كان يصوم من الشهر حتى نرى انه لا يريد ان يفطر منه ويفطر حتى نرى انه لا يريد ان يصوم منه شيىا وكنت لا تشاء ان تراه من الليل مصليا الا رايته مصليا ولا ناىما الا رايته ناىما . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৭৬৭. আলী ইবনু হুজুর (রাঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তাকে একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাওম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, প্রতি মাসে তিনি যখন সাওম পালন করতে থাকতেন তখন মনে হত যে বুঝি আর সাওম ছাড়ার কোন ইচ্ছা নাই। এভাবে যখন তিনি সাওম ছাড়তেন তখন মনে হত তাঁর বুঝি আর এই মাসের সাওম পালনের ইচ্ছা নাই। তাকে যদি তুমি রাত্রে সালাত (নামায/নামাজ) রত অবস্থায় ছাড়া দেখতে না চাইতে তবে সে অবস্থায়ই দেখতে পেতে আর যদি নিদ্রারত অবস্থায় ছাড়া দেখতে না চাইতে তবে সে অবস্থায়ই দেখতে পেতে। - বুখারি ১৯৭২, মুসলিম ৩/১৬২, সালাতের বাক্যাংশ বাদে সংক্ষিপ্তভাবে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন,এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন,এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৭৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن مسعر، وسفيان، عن حبيب بن ابي ثابت، عن ابي العباس، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افضل الصوم صوم اخي داود كان يصوم يوما ويفطر يوما ولا يفر اذا لاقى " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو العباس هو الشاعر المكي الاعمى واسمه الساىب بن فروخ . قال بعض اهل العلم افضل الصيام ان تصوم يوما وتفطر يوما . ويقال هذا هو اشد الصيام .
৭৬৮. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সর্বোত্তম সাওম হলো আমার ভাই দাঊদ (আঃ) এর সাওম। তিনি একদিন সাওম পালন করতেন এবং একদিন তা ছাড়তেন। আর (যুদ্ধে শত্রুর) সম্মুখীন হলে তিনি যেখান থেকে পলায়ন করতেন না। - বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূল আব্বাস ছিলেন মক্কার কবি ও অন্ধ ব্যক্তি। তাঁর নাম হলো সাঈদ ইবনু ফাররুখ। কতক আলিম বলেন, সর্বোত্তম সাওম হলো একদিন সাওম পালন করা এবং একদিন তা ছেড়ে দেওয়া। বলা হয় এই ধরণের সিয়াম হলো কঠিন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূল আব্বাস ছিলেন মক্কার কবি ও অন্ধ ব্যক্তি। তাঁর নাম হলো সাঈদ ইবনু ফাররুখ। কতক আলিম বলেন, সর্বোত্তম সাওম হলো একদিন সাওম পালন করা এবং একদিন তা ছেড়ে দেওয়া। বলা হয় এই ধরণের সিয়াম হলো কঠিন।
হাদিস নং: ৭৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا معمر، عن الزهري، عن ابي عبيد، مولى عبد الرحمن بن عوف قال شهدت عمر بن الخطاب في يوم النحر بدا بالصلاة قبل الخطبة ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن صوم هذين اليومين اما يوم الفطر ففطركم من صومكم وعيد للمسلمين واما يوم الاضحى فكلوا من لحوم نسككم . قال هذا حديث صحيح . وابو عبيد مولى عبد الرحمن بن عوف اسمه سعد ويقال له مولى عبد الرحمن بن ازهر ايضا وعبد الرحمن بن ازهر هو ابن عم عبد الرحمن بن عوف .
৭৬৯. মুহাম্মদ আবদুল মালিক ইবনু আবূশ শাওয়াবির (রহঃ) .... আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ) এর আযাদকৃত দাস আবূ উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিন আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কে দেখেছি যে, তিনি খুতবা প্রদানের আগে প্রথমে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। এরপর বললেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এই দুই ঈদের দিন সাওম পালন নিষেধ করতে শুনেছি। ঈদুল ফিতরের দিন হল তো তোমাদের সিয়াম ভঙ্গের দিন এবং মুসলিমের ঈদের দিন। ইহা আযহার দিন সেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর মাংস আহার করবে। - ইবনু মাজাহ ১৭২২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি সহীহ। আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) এর মাওলা বা আযাদকৃত দাস আবূ ওবায়দের নাম হলো সা’দ। তাকে আবদুর রহমান আযহার এ মাওলাও বলা হয়। আব্দুর রহমান ইবনু আযহার হলেন, আব্দুর রহমান আওফ (রাঃ) এর চাচাত ভাই।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি সহীহ। আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) এর মাওলা বা আযাদকৃত দাস আবূ ওবায়দের নাম হলো সা’দ। তাকে আবদুর রহমান আযহার এ মাওলাও বলা হয়। আব্দুর রহমান ইবনু আযহার হলেন, আব্দুর রহমান আওফ (রাঃ) এর চাচাত ভাই।
হাদিস নং: ৭৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن ابي سعيد الخدري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامين يوم الاضحى ويوم الفطر . قال وفي الباب عن عمر وعلي وعاىشة وابي هريرة وعقبة بن عامر وانس . قال ابو عيسى حديث ابي سعيد حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند اهل العلم . قال ابو عيسى وعمرو بن يحيى هو ابن عمارة بن ابي الحسن المازني المدني وهو ثقة روى عنه سفيان الثوري وشعبة ومالك بن انس .
৭৭০. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, দুই দিনের সাওম থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিন। - ইবনু মাজাহ ১৭২১, বুখারি, ইরওয়া ৯৬২, আর রাওয ৬৪৩, সহিহ আবু দাউদ ২০৮৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, আলী, আয়িশা, আবূ হুরায়রা, উকবা ইবনু আমির ও আনাস (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বারী আমর ইবনু ইয়াহইয়া হলেন ইবনু উমারা ইবনু আবূল হাসান আল-মাযীনী। তিনি ছিকাহ। তার থেকে সুফিয়ান সাওরী ও শু’বা (রহঃ) ও মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে উমার, আলী, আয়িশা, আবূ হুরায়রা, উকবা ইবনু আমির ও আনাস (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বারী আমর ইবনু ইয়াহইয়া হলেন ইবনু উমারা ইবনু আবূল হাসান আল-মাযীনী। তিনি ছিকাহ। তার থেকে সুফিয়ান সাওরী ও শু’বা (রহঃ) ও মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن موسى بن على، عن ابيه، عن عقبة بن عامر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوم عرفة ويوم النحر وايام التشريق عيدنا اهل الاسلام وهي ايام اكل وشرب " . قال وفي الباب عن علي وسعد وابي هريرة وجابر ونبيشة وبشر بن سحيم وعبد الله بن حذافة وانس وحمزة بن عمرو الاسلمي وكعب بن مالك وعاىشة وعمرو بن العاص وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى وحديث عقبة بن عامر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم يكرهون الصيام ايام التشريق الا ان قوما من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم رخصوا للمتمتع اذا لم يجد هديا ولم يصم في العشر ان يصوم ايام التشريق . وبه يقول مالك بن انس والشافعي واحمد واسحاق . قال ابو عيسى واهل العراق يقولون موسى بن علي بن رباح واهل مصر يقولون موسى بن على . وقال سمعت قتيبة يقول سمعت الليث بن سعد يقول قال موسى بن علي لا اجعل احدا في حل صغر اسم ابي .
৭৭১. হান্নাদ (রহঃ) ..... উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আরাফার দিন, কুরবানীর দিন এবং আয়্যামা তাশরীক হলো আমরা মুসলিম জনগণের ঈদের দিন। এ দিনগুলো হলো পানাহারের দিন। - সহিহ আবু দাউদ ২০৯০, ইরওয়া ৪/১৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, সা’দ, আবূ হুরায়রা, জাবির, নুবায়শা বিশর ইবনু সুহায়ম, আবদুল্লাহ ইবনু হুযায়ফা, আনাস, হামযা ইবনু আমর আল-আসলামী, কাব ইবনু মালিক, আয়িশা, আমর ইবনু আস ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উকবা ইবনু আমির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা আয়্যামে তাশরীকের সিয়াম হারাম বলে মনে করেন। কিন্তু সাহাবী ও অন্যান্য আলিমগণের তামাত্তু হজ্জ পালনকারীর জন্য এই দিনগুলোর সিয়াম পালনের অবকাশ দিয়েছেন। শর্ত হয় যদি সে হাদী না পায় এবং প্রথম দশ দিনের মধ্যে সে যদি সাওম পালন করতে না পেরে থাকে তবে তাদের মতে সে আয়্যামে তাশরীকে ঐ সাওম পালন করতে পারবে। ইমাম মালিক ইবনু আনাস, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এই মত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইরাকবাসী মুহাদ্দীছগণ বলেন, মূসা ইবনু আলী ইবনু রাবাহ। মিসরবাসীগণ বলেন, মূসা ইবনু আলী এবং আবূ ঈসা (রহঃ) আরও বলেন, আমি কুতায়বাকে বলতে শুনেছি তিনি বলতে শুনেছেন যে, মূসা ইবনু আলী বলেছেন, আমার পিতার নাম তাসগীর রূপে উচ্চারণ কারো হালাল মনে করি না।
এই বিষয়ে আলী, সা’দ, আবূ হুরায়রা, জাবির, নুবায়শা বিশর ইবনু সুহায়ম, আবদুল্লাহ ইবনু হুযায়ফা, আনাস, হামযা ইবনু আমর আল-আসলামী, কাব ইবনু মালিক, আয়িশা, আমর ইবনু আস ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উকবা ইবনু আমির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা আয়্যামে তাশরীকের সিয়াম হারাম বলে মনে করেন। কিন্তু সাহাবী ও অন্যান্য আলিমগণের তামাত্তু হজ্জ পালনকারীর জন্য এই দিনগুলোর সিয়াম পালনের অবকাশ দিয়েছেন। শর্ত হয় যদি সে হাদী না পায় এবং প্রথম দশ দিনের মধ্যে সে যদি সাওম পালন করতে না পেরে থাকে তবে তাদের মতে সে আয়্যামে তাশরীকে ঐ সাওম পালন করতে পারবে। ইমাম মালিক ইবনু আনাস, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এই মত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইরাকবাসী মুহাদ্দীছগণ বলেন, মূসা ইবনু আলী ইবনু রাবাহ। মিসরবাসীগণ বলেন, মূসা ইবনু আলী এবং আবূ ঈসা (রহঃ) আরও বলেন, আমি কুতায়বাকে বলতে শুনেছি তিনি বলতে শুনেছেন যে, মূসা ইবনু আলী বলেছেন, আমার পিতার নাম তাসগীর রূপে উচ্চারণ কারো হালাল মনে করি না।
হাদিস নং: ৭৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى، ومحمد بن رافع النيسابوري، ومحمود بن غيلان، ويحيى بن موسى، قالوا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابراهيم بن عبد الله بن قارظ، عن الساىب بن يزيد، عن رافع بن خديج، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " افطر الحاجم والمحجوم " . قال ابو عيسى وفي الباب عن علي وسعد وشداد بن اوس وثوبان واسامة بن زيد وعاىشة ومعقل بن سنان ويقال ابن يسار وابي هريرة وابن عباس وابي موسى وبلال . قال ابو عيسى وحديث رافع بن خديج حديث حسن . وذكر عن احمد بن حنبل انه قال اصح شيء في هذا الباب حديث رافع بن خديج . وذكر عن علي بن عبد الله انه قال اصح شيء في هذا الباب حديث ثوبان وشداد بن اوس لان يحيى بن ابي كثير روى عن ابي قلابة الحديثين جميعا حديث ثوبان وحديث شداد بن اوس . وقد كره قوم من اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم الحجامة للصاىم حتى ان بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم احتجم بالليل منهم ابو موسى الاشعري وابن عمر وبهذا يقول ابن المبارك . قال ابو عيسى سمعت اسحاق بن منصور يقول قال عبد الرحمن بن مهدي من احتجم وهو صاىم فعليه القضاء . قال اسحاق بن منصور وهكذا قال احمد بن حنبل واسحاق بن ابراهيم . وقال ابو عيسى واخبرني الحسن بن محمد الزعفراني قال قال الشافعي قد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه احتجم وهو صاىم وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " افطر الحاجم والمحجوم " . ولا اعلم واحدا من هذين الحديثين ثابتا ولو توقى رجل الحجامة وهو صاىم كان احب الى ولو احتجم صاىم لم ار ذلك ان يفطره . قال ابو عيسى هكذا كان قول الشافعي ببغداد واما بمصر فمال الى الرخصة ولم ير بالحجامة للصاىم باسا واحتج بان النبي صلى الله عليه وسلم احتجم في حجة الوداع وهو محرم صاىم .
৭৭২. মুহাম্মদ ইবনু রাফি আন-নায়সাবূরী, মাহমুদ ইবনু গায়লান ও ইয়াহইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) .... রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি শিংগা লাগায় এবং যাকে শিংগা লাগানো হয় উভয়ের সাওমই বিনষ্ট হয়ে গেল। - ইবনু মাজাহ ১৬৭৯-১৬৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সা’দ, আলী, শাদ্দাদ ইবনু আওস, সাওবান, উসামা ইবনু যায়িদ, আয়িশা, মাকিল ইবনু ইয়াসার, আবূ হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, আবূ মূসা ও বিলাল (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, এই বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ হাদীস আল রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) বর্ণিত হাদীস এবং আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীস। তিনি বলেন, সাওবান ও শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ) কর্তৃক এ বিষয়ে বর্ণিত হাদীসটি অধিকতর সহীহ।
ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) আবূ কিলাবা (রাঃ) থেকে দুটো হাদীসই রিওয়ায়াত করেছেন। আর এই উভয়টই হল সাওবান ও শাদ্দাদ ইবনু আওসের দুটো হাদীস। সাহাবী ও পরবর্তী আলিমদর একদল সিয়াম পালনকারীর জন্য শিংগা লাগান মাকরূহ বলে মনে করেন। এমন কি কতক সাহাবী যেমন আবূ মূসা আল-আশআরী ও ইবনু উমার (রাঃ) রাত্রিতে শিংগা লাগাতেন। ইবনু মুবারক ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি ইসহাক ইবনু মনসুরকে বলতে শুনেছি যে, আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী বলেছেন, সিয়ামরত অবস্থায় যদি কেউ শিংগা লাগায় তবে তাকে তা কাযা করতে হবে। ইসহাক ইবনু মানসুর বলেন, আহমাদ ইবনু হাম্বাল, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায়ও শিংগা লাগিয়েছেন, আর তাঁর থেকে এ-ও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি শিংগা লাগায় এবং যাকে শিংগা লাগানো হয় তাদের উভয়ের সাওমই বিনষ্ট হয়ে গেল। এই রিওয়াতদ্বয়ের একটিও সঠিক বলে আমার জানা নাই। সিয়াম অবস্থায় কেউ যদি শিংগা পালন থেকে বেঁচে থাকে তবে তা আমার মতে অধিক পছন্দনীয়। আর কেউ যদি শিংগা লাগায় তবে এতে তার সিয়াম ভেঙ্গে গেল বলে আমি মনে করি না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ ছিল বাগদাদ থাকা অবস্থায় ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর বক্তব্য। কিন্তু মিসরে গমনের পর তিনি এই বিষয়ে অনুমতি প্রদানের অভিমতের প্রতি ঝুঁকে পড়েন এবং সিয়াম অবস্থায় শিংগা লাগানোতে কোনরূপ দোষ আছে বলে আর তিনি মনে করেননি। এ বিষয়ে তিনি দলীল হিসাবে বলেন যে, বিদায় হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম এবং ইহরাম অবস্থায় শিংগা লাগিয়েছেন।
এই বিষয়ে সা’দ, আলী, শাদ্দাদ ইবনু আওস, সাওবান, উসামা ইবনু যায়িদ, আয়িশা, মাকিল ইবনু ইয়াসার, আবূ হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, আবূ মূসা ও বিলাল (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, এই বিষয়ে সবচেয়ে সহীহ হাদীস আল রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) বর্ণিত হাদীস এবং আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীস। তিনি বলেন, সাওবান ও শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ) কর্তৃক এ বিষয়ে বর্ণিত হাদীসটি অধিকতর সহীহ।
ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর (রহঃ) আবূ কিলাবা (রাঃ) থেকে দুটো হাদীসই রিওয়ায়াত করেছেন। আর এই উভয়টই হল সাওবান ও শাদ্দাদ ইবনু আওসের দুটো হাদীস। সাহাবী ও পরবর্তী আলিমদর একদল সিয়াম পালনকারীর জন্য শিংগা লাগান মাকরূহ বলে মনে করেন। এমন কি কতক সাহাবী যেমন আবূ মূসা আল-আশআরী ও ইবনু উমার (রাঃ) রাত্রিতে শিংগা লাগাতেন। ইবনু মুবারক ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি ইসহাক ইবনু মনসুরকে বলতে শুনেছি যে, আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী বলেছেন, সিয়ামরত অবস্থায় যদি কেউ শিংগা লাগায় তবে তাকে তা কাযা করতে হবে। ইসহাক ইবনু মানসুর বলেন, আহমাদ ইবনু হাম্বাল, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ও এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায়ও শিংগা লাগিয়েছেন, আর তাঁর থেকে এ-ও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি শিংগা লাগায় এবং যাকে শিংগা লাগানো হয় তাদের উভয়ের সাওমই বিনষ্ট হয়ে গেল। এই রিওয়াতদ্বয়ের একটিও সঠিক বলে আমার জানা নাই। সিয়াম অবস্থায় কেউ যদি শিংগা পালন থেকে বেঁচে থাকে তবে তা আমার মতে অধিক পছন্দনীয়। আর কেউ যদি শিংগা লাগায় তবে এতে তার সিয়াম ভেঙ্গে গেল বলে আমি মনে করি না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ ছিল বাগদাদ থাকা অবস্থায় ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর বক্তব্য। কিন্তু মিসরে গমনের পর তিনি এই বিষয়ে অনুমতি প্রদানের অভিমতের প্রতি ঝুঁকে পড়েন এবং সিয়াম অবস্থায় শিংগা লাগানোতে কোনরূপ দোষ আছে বলে আর তিনি মনে করেননি। এ বিষয়ে তিনি দলীল হিসাবে বলেন যে, বিদায় হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম এবং ইহরাম অবস্থায় শিংগা লাগিয়েছেন।
হাদিস নং: ৭৭৩
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا بشر بن هلال البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال احتجم رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو محرم صاىم . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . وهكذا روى وهيب نحو رواية عبد الوارث . وروى اسماعيل بن ابراهيم عن ايوب عن عكرمة مرسلا ولم يذكر فيه عن ابن عباس .
৭৭৩. বিশর ইবনু হিলাল আল-বাসরী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম এবং সিয়াম অবস্থায়ও শিংগা লাগিয়েছেন। - সহিহ এই অর্থে "সিয়াম অবস্থায়ও তিনি শিংগা লাগিয়েছেন", বুখারি, ইবনু মাজাহ ১৬৮২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ৭৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو موسى، محمد بن المثنى حدثنا محمد بن عبد الله الانصاري، عن حبيب بن الشهيد، عن ميمون بن مهران، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم احتجم وهو صاىم . هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
৭৭৪. আবূ মূসা মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম অবস্থায় শিংগা লাগিয়েছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই সনদে হাদীসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই সনদে হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৭৭৫
মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن يزيد بن ابي زياد، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم احتجم فيما بين مكة والمدينة وهو محرم صاىم . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي سعيد وجابر وانس . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . وقد ذهب بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم الى هذا الحديث ولم يروا بالحجامة للصاىم باسا . وهو قول سفيان الثوري ومالك بن انس والشافعي .
৭৭৫. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা ও মদীনার মাঝে ইহরাম এবং সিয়াম অবস্থায় শিংগা লাগিয়েছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ, জাবির ও আনাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক সাহাবী ও আলিম এই হাদীস অনুসারে অভিমত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা সাওম পালনকারীর জন্য শিংগা লাগানোতে কোন দোষ আছে বলে মনে করেন না। এ হল ইমাম সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস ও শাফেঈ (রহঃ) এর অভিমত।
এই বিষয়ে আবূ সাঈদ, জাবির ও আনাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক সাহাবী ও আলিম এই হাদীস অনুসারে অভিমত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা সাওম পালনকারীর জন্য শিংগা লাগানোতে কোন দোষ আছে বলে মনে করেন না। এ হল ইমাম সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস ও শাফেঈ (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৭৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، حدثنا بشر بن المفضل، وخالد بن الحارث، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن انس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تواصلوا " . قالوا فانك تواصل يا رسول الله . قال " اني لست كاحدكم ان ربي يطعمني ويسقيني " . قال وفي الباب عن علي وابي هريرة وعاىشة وابن عمر وجابر وابي سعيد وبشير ابن الخصاصية . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم كرهوا الوصال في الصيام . وروي عن عبد الله بن الزبير انه كان يواصل الايام ولا يفطر .
৭৭৬. নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ..... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তোমরা সাওমে বিসাল করবে না। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি তো সাওমে বিসাল পালন করেন। তিনি বললেন, আমি তো তোমাদের কারো মত নই। আমার রব আমাকে আহার দেন এবং আপনাকে পান করান। - বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, আবূ হুরায়রা, আয়িশা, ইবনু উমার, জাবির, আবূ সাঈদ এবং বাশীর ইবনু খাসাসিয়্যা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহন করেছেন। তারা সাওমে বিসাল অপছন্দনীয় বলে মত ব্যক্ত করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি একাধিক দিন সাওম বিসাল করতেন; মাঝে ইফতার করতেন না।
এই বিষয়ে আলী, আবূ হুরায়রা, আয়িশা, ইবনু উমার, জাবির, আবূ সাঈদ এবং বাশীর ইবনু খাসাসিয়্যা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল গ্রহন করেছেন। তারা সাওমে বিসাল অপছন্দনীয় বলে মত ব্যক্ত করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি একাধিক দিন সাওম বিসাল করতেন; মাঝে ইফতার করতেন না।
হাদিস নং: ৭৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، قال اخبرتني عاىشة، وام سلمة زوجا النبي صلى الله عليه وسلم ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يدركه الفجر وهو جنب من اهله ثم يغتسل فيصوم . قال ابو عيسى حديث عاىشة وام سلمة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول سفيان والشافعي واحمد واسحاق . وقد قال قوم من التابعين اذا اصبح جنبا يقضي ذلك اليوم . والقول الاول اصح .
৭৭৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ বকর ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহধর্মীনী আয়িশা ও উম্মু সালামা (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন। কোন কোন সময় জুনুবী অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফজর হয়ে যেত। এরপর তিনি গোসল করতেন এবং সিয়াম পালন করতেন। - ইবনু মাজাহ ১৭০৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা ও উম্মু সালামা (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। এ হল সুফিয়ান, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তাবিঈগণের একদল বলেন, জুনুবী অবস্থায় যদি ফজর হয়ে যায় তবে তাকে এই দিনের কাযা করতে হবে। তবে প্রথমোক্ত অভিমতটই অধিকতর বিশুদ্ধ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা ও উম্মু সালামা (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। এ হল সুফিয়ান, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তাবিঈগণের একদল বলেন, জুনুবী অবস্থায় যদি ফজর হয়ে যায় তবে তাকে এই দিনের কাযা করতে হবে। তবে প্রথমোক্ত অভিমতটই অধিকতর বিশুদ্ধ।
হাদিস নং: ৭৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ازهر بن مروان البصري، حدثنا محمد بن سواء، حدثنا سعيد بن ابي عروبة، عن ايوب، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا دعي احدكم الى طعام فليجب فان كان صاىما فليصل " . يعني الدعاء .
৭৭৮. আযহার ইবনু মারওয়ান আল-বাসরী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি তোমাদের কাউকে আহারের দাওয়াত দেওয়া হয় তবে সে যেন তা কবুল করে। যদি সাওম পালনকারী হয় তবে সে (দাওয়াতকারীর জন্য) দু’আ করবে। - ইবনু মাজাহ ১৭৫০, মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৭৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا دعي احدكم وهو صاىم فليقل اني صاىم " . قال ابو عيسى وكلا الحديثين في هذا الباب عن ابي هريرة حسن صحيح .
৭৭৯. নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি তোমাদের কাউকে সাওম অবস্থায় দাওয়াত করা হয় তবে সে যেন বলে আমি সায়িম। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত উভয় হাদিসটি হাসান -সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত উভয় হাদিসটি হাসান -সহীহ্।
হাদিস নং: ৭৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، ونصر بن علي، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تصوم المراة وزوجها شاهد يوما من غير شهر رمضان الا باذنه " . قال وفي الباب عن ابن عباس وابي سعيد . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وقد روي هذا الحديث عن ابي الزناد عن موسى بن ابي عثمان عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৭৮০. কুতায়বা ও নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রামাযান মাসের বাইরে স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া কোন মহিলা যেন সিয়াম পালন না করে। - ইবনু মাজাহ ১৭৬১, নাসাঈ - রামাযানের উল্লেখ ব্যাতিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। হাদিসটি আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকেও মূসা ইবনু আবূ উসমান তৎপিতা আবূ উসমান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। হাদিসটি আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকেও মূসা ইবনু আবূ উসমান তৎপিতা আবূ উসমান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৭৮১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن اسماعيل السدي، عن عبد الله البهي، عن عاىشة، قالت ما كنت اقضي ما يكون على من رمضان الا في شعبان حتى توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال وقد روى يحيى بن سعيد الانصاري عن ابي سلمة عن عاىشة نحو هذا .
৭৮১. কুতায়বা (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তেকাল পর্যন্ত রামাযানের যে সব সিয়াম আমার কাযা হত সেগুলো শাবান ছাড়া আদায় করতে পারতাম না। - ইরওয়া ৯৪৪, রাওযুন নাযীর ৭৬৩, সহিহ আবু দাউদ ২০৭৬, তামামুল মিন্নাহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান-সহীহ্। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আনসারী (রহঃ) হাদিসটিকে আবূ সালামা-আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান-সহীহ্। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আনসারী (রহঃ) হাদিসটিকে আবূ সালামা-আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৮২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن حبيب بن زيد، عن ليلى، عن مولاتها، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الصاىم اذا اكل عنده المفاطير صلت عليه الملاىكة " . قال ابو عيسى وروى شعبة هذا الحديث عن حبيب بن زيد عن ليلى عن جدته ام عمارة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
৭৮২. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... লায়লা সুত্রে তাঁর আযাদকারিনী মহিলা (উম্মু উমারা) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিন বলেন, সিয়াম পালন করছেন এমন ব্যাক্তিরা যদি সিয়াম পালনরত কোন ব্যাক্তির কাছে আহার করে তবে ফিরিশতাগণ তাঁর (সিয়াম পালনরত ব্যাক্তির) জন্য দু’আ করেন। - ইবনু মাজাহ ১৭৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, শু’বা এই হাদিসটিকে হাবিব ইবনু যায়িদ তৎ পিতামহী উম্মু উমারা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, শু’বা এই হাদিসটিকে হাবিব ইবনু যায়িদ তৎ পিতামহী উম্মু উমারা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৮৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، اخبرنا شعبة، عن حبيب بن زيد، قال سمعت مولاة، لنا يقال لها ليلى تحدث عن جدته ام عمارة بنت كعب الانصارية، ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها فقدمت اليه طعاما فقال " كلي " . فقالت اني صاىمة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الصاىم تصلي عليه الملاىكة اذا اكل عنده حتى يفرغوا " . وربما قال " حتى يشبعوا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وهو اصح من حديث شريك .
৭৮৩. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... হাবীব ইবনু যায়িদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের জনৈকা আযাদকৃত দাসী লায়লাকে উম্মু উমারা বিনত কা’ব আল আনসারিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাঁর বাড়ি এলেন। তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে খাবার পেশ করলেন। নবিজী তাকে বললেন, তুমি খাও। তিনি বললেন আমি তো সায়িম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সায়িমের নিকট যদি কেউ খায় তবে খাবার শেষ না করা পর্যন্ত ফিরিশতাগন সায়িমের জন্য দু’আ করতে থাকেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সময়حَتَّى يَفْرُغُوا এর স্থলেحَتَّى يَشْبَعُوا বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।
হাদিস নং: ৭৮৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حبيب بن زيد، عن مولاة، لهم يقال لها ليلى عن جدته ام عمارة بنت كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ولم يذكر فيه " حتى يفرغوا او يشبعوا " . قال ابو عيسى وام عمارة هي جدة حبيب بن زيد الانصاري .
৭৮৪. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... উম্মু উমারা বিনত কা’ব (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। তবে এই রিওয়ায়াতে حتى يفرغوا اويشبعوا শব্দসমূহের উল্লেখ নাই। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্মু উমারা (রাঃ) হলেন হাবীব ইবনু যায়িদ আল-আনসারী (রহঃ)-এর পিতামহী।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্মু উমারা (রাঃ) হলেন হাবীব ইবনু যায়িদ আল-আনসারী (রহঃ)-এর পিতামহী।
হাদিস নং: ৭৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا علي بن مسهر، عن عبيدة، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عاىشة، قالت كنا نحيض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم نطهر فيامرنا بقضاء الصيام ولا يامرنا بقضاء الصلاة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روي عن معاذة عن عاىشة ايضا . والعمل على هذا عند اهل العلم لا نعلم بينهم اختلافا ان الحاىض تقضي الصيام ولا تقضي الصلاة . قال ابو عيسى وعبيدة هو ابن معتب الضبي الكوفي يكنى ابا عبد الكريم .
৭৮৫. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা হায়য এর পর যখন পবিত্র হতাম তখন তিনি আমাদের সিয়াম কাযা পালন করতে নির্দেশ দিতেন। সালাত (নামায/নামাজ) কাযা করতে বলতেন না। - ইবনু মাজাহ ৬৩১, মুসলিম, বুখারিতে নামাযের কথা উল্লেখ নেই, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান। এটি মুআযা আয়িশা (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত আছে। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁদের মাঝে এই বিষয়ে কোন মতিবিরোধ আছে বলে আমরা জানি না যে, হায়েয বিশিষ্ট মহিলা কাযা পালন করবে; সালাত (নামায/নামাজ) কাযা করবে না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, রাবী উবায়দা হলেন, ইবনু মুআততির আয-যাববী আল- কুফী। তাঁর উপনাম হল আবূ আব্দুল করীম।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিস হাসান। এটি মুআযা আয়িশা (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত আছে। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁদের মাঝে এই বিষয়ে কোন মতিবিরোধ আছে বলে আমরা জানি না যে, হায়েয বিশিষ্ট মহিলা কাযা পালন করবে; সালাত (নামায/নামাজ) কাযা করবে না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, রাবী উবায়দা হলেন, ইবনু মুআততির আয-যাববী আল- কুফী। তাঁর উপনাম হল আবূ আব্দুল করীম।
হাদিস নং: ৭৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الوهاب بن عبد الحكم البغدادي الوراق، وابو عمار الحسين بن حريث قالا حدثنا يحيى بن سليم، حدثني اسماعيل بن كثير، قال سمعت عاصم بن لقيط بن صبرة، عن ابيه، قال قلت يا رسول الله اخبرني عن الوضوء، . قال " اسبغ الوضوء وخلل بين الاصابع وبالغ في الاستنشاق الا ان تكون صاىما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد كره اهل العلم السعوط للصاىم وراوا ان ذلك يفطره وفي الحديث ما يقوي قولهم .
৭৮৬. আব্দুল ওয়াহ্হাব ইবনু আব্দুল হাকাম বাগদাদী আল-ওয়াররাক ও আবূ আম্মার হুসাইন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ........ লাকীত ইবনু সাবরা তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অযু সম্পর্কে জ্ঞাত করুন। তিনি বললেন, অযু পরিপূর্ণভাবে করবে। আঙ্গুলসমূহের মাঝে খিলাল করবে। খুব উত্তমরূপে নাকে পানি ব্যবহার করবে, তবে সিয়ামরত থাকলে ভিন্ন কথা। - ইবনু মাজাহ ৪০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্। আলিমগণ সিয়াম পালনকারীর জন্য নাক দিয়ে ঔষধ টানা নিষেধ করেছেন। তাঁদের মতে এতে সাওম ভঙ্গ হয়ে যাবে। হাদীছের বিষয়বস্তু তাঁদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্। আলিমগণ সিয়াম পালনকারীর জন্য নাক দিয়ে ঔষধ টানা নিষেধ করেছেন। তাঁদের মতে এতে সাওম ভঙ্গ হয়ে যাবে। হাদীছের বিষয়বস্তু তাঁদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে।