হাদিস নং: ৩৪৯০
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا ابو كريب، حدثنا محمد بن فضيل، عن محمد بن سعد الانصاري، عن عبد الله بن ربيعة الدمشقي، حدثنا عاىذ الله ابو ادريس الخولاني، عن ابي الدرداء، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كان من دعاء داود يقول اللهم اني اسالك حبك وحب من يحبك والعمل الذي يبلغني حبك اللهم اجعل حبك احب الى من نفسي واهلي ومن الماء البارد " . قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا ذكر داود يحدث عنه قال " كان اعبد البشر " . قال هذا حديث حسن غريب .
৩৪৯০. আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাউদ (আঃ) এর অন্যতম দু’আ ছিল এই যে, তিনি বলতেনঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَالْعَمَلَ الَّذِي يُبَلِّغُنِي حُبَّكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ نَفْسِي وَأَهْلِي وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ
হে আল্লাহ! আমি যাঞ্চা করি তোমার মুহাব্বত, যারা তোমাকে মুহাব্বত করে, তাদের মুহাব্বত আর চাই সেই আমল যা আমাকে পৌছিয়ে দেয় তোমার ভালবাসা। হে আল্লাহ! কর তোমার মুহাব্বত আমার কাছে আধিক প্রিয় আমার প্রাণ থেকে, আমার পরিজন থেকে এবং শীতল পানি থেকেও।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দাউদ (আঃ) এর আলোচনা করতেন তখন বলতেনঃ তিনি ছিলেন মানব জাতীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইবাদতকারী।
كَانَ أَعْبَدَ الْبَشَرِ এই অংশটুকু মুসলিমে ইবনু উমার হতে বর্ণিত আছে। বাকি অংশ যঈফ, সহীহাহ ৭০৭, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৪৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- গারীব।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَالْعَمَلَ الَّذِي يُبَلِّغُنِي حُبَّكَ اللَّهُمَّ اجْعَلْ حُبَّكَ أَحَبَّ إِلَىَّ مِنْ نَفْسِي وَأَهْلِي وَمِنَ الْمَاءِ الْبَارِدِ
হে আল্লাহ! আমি যাঞ্চা করি তোমার মুহাব্বত, যারা তোমাকে মুহাব্বত করে, তাদের মুহাব্বত আর চাই সেই আমল যা আমাকে পৌছিয়ে দেয় তোমার ভালবাসা। হে আল্লাহ! কর তোমার মুহাব্বত আমার কাছে আধিক প্রিয় আমার প্রাণ থেকে, আমার পরিজন থেকে এবং শীতল পানি থেকেও।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দাউদ (আঃ) এর আলোচনা করতেন তখন বলতেনঃ তিনি ছিলেন মানব জাতীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ইবাদতকারী।
كَانَ أَعْبَدَ الْبَشَرِ এই অংশটুকু মুসলিমে ইবনু উমার হতে বর্ণিত আছে। বাকি অংশ যঈফ, সহীহাহ ৭০৭, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৪৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- গারীব।
হাদিস নং: ৩৪৯১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابن ابي عدي، عن حماد بن سلمة، عن ابي جعفر الخطمي، عن محمد بن كعب القرظي، عن عبد الله بن يزيد الخطمي الانصاري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه كان يقول في دعاىه " اللهم ارزقني حبك وحب من ينفعني حبه عندك اللهم ما رزقتني مما احب فاجعله قوة لي فيما تحب اللهم وما زويت عني مما احب فاجعله لي فراغا فيما تحب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب وابو جعفر الخطمي اسمه عمير بن يزيد بن خماشة .
৩৪৯১. সুফয়ান ইবন ওয়াকী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ খাতমী আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দু’আয় বলতেনঃ
اللَّهُمَّ مَا رَزَقْتَنِي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِي فِيمَا تُحِبُّ اللَّهُمَّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ لِي فَرَاغًا فِيمَا تُحِبُّ
হে আল্লাহ! আমাকে সৌভাগ্যবান কর তোমার মুহাব্বাত দ্বারা এবং তাদের মুহাব্বাত দ্বারা যাদের মুহাব্বাত তোমার কাছে আমার উপকারে আসবে। হে আল্লাহ! আমি যা পছন্দ করি তার যা তুমি দিয়েছ আমাকে তা তুমি যা পছন্দ কর তাতে ব্যবহারের শক্তি দাও। আর আমার পছন্দনীয় যা তুমি আমার থেকে সরিয়ে রেখেছ এ সরিয়ে রাখাকে তুমি যা ভালবাস তাতে নিয়োজিত থাকার অবকাশ স্বরূপ বানিয়ে দাও।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৪৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। আবু জা’ফার খাতমী (রহঃ) এর নাম উমায়র ইবন ইয়াযীদ ইবন খুমাশা।
اللَّهُمَّ مَا رَزَقْتَنِي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِي فِيمَا تُحِبُّ اللَّهُمَّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّي مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ لِي فَرَاغًا فِيمَا تُحِبُّ
হে আল্লাহ! আমাকে সৌভাগ্যবান কর তোমার মুহাব্বাত দ্বারা এবং তাদের মুহাব্বাত দ্বারা যাদের মুহাব্বাত তোমার কাছে আমার উপকারে আসবে। হে আল্লাহ! আমি যা পছন্দ করি তার যা তুমি দিয়েছ আমাকে তা তুমি যা পছন্দ কর তাতে ব্যবহারের শক্তি দাও। আর আমার পছন্দনীয় যা তুমি আমার থেকে সরিয়ে রেখেছ এ সরিয়ে রাখাকে তুমি যা ভালবাস তাতে নিয়োজিত থাকার অবকাশ স্বরূপ বানিয়ে দাও।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৪৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। আবু জা’ফার খাতমী (রহঃ) এর নাম উমায়র ইবন ইয়াযীদ ইবন খুমাশা।
হাদিস নং: ৩৪৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سعد بن اوس، عن بلال بن يحيى العبسي، عن شتير بن شكل، عن ابيه، شكل بن حميد قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله علمني تعوذا اتعوذ به . قال فاخذ بكتفي فقال " قل اللهم اني اعوذ بك من شر سمعي ومن شر بصري ومن شر لساني ومن شر قلبي ومن شر منيي " . يعني فرجه . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث سعد بن اوس عن بلال بن يحيى .
৩৪৯২. আহমাদ ইবন মানী (রহঃ) ...... শাকল ইবন হুমায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি আমাকে পানাহ চাওয়ার একটি দু’আ শিখিয়ে দিন যদ্বারা আমি পানাহ চাইব। তিনি তখন আমার হাত ধরে বললেন, বলঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي
হে আল্লাহ! আমি পানাহ চাই তোমার কাছে আমার কানের অনিষ্ট থেকে, চোখের অনিষ্ট থেকে, জিহ্বার অনিষ্ট থেকে, আমার হৃদয়ের অনিষ্ট থেকে এবং বীর্যের অনিষ্ট থেকে।
সহীহ, মিশকাত ২৪৭২, সহীহ আবু দাউদ ১৩৮৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান গারীব। সা’দ ইবন আওস বিলাল ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণিত রিওয়ায়াত হিসাবে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي
হে আল্লাহ! আমি পানাহ চাই তোমার কাছে আমার কানের অনিষ্ট থেকে, চোখের অনিষ্ট থেকে, জিহ্বার অনিষ্ট থেকে, আমার হৃদয়ের অনিষ্ট থেকে এবং বীর্যের অনিষ্ট থেকে।
সহীহ, মিশকাত ২৪৭২, সহীহ আবু দাউদ ১৩৮৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান গারীব। সা’দ ইবন আওস বিলাল ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণিত রিওয়ায়াত হিসাবে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩৪৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن ابراهيم التيمي، ان عاىشة، قالت كنت ناىمة الى جنب رسول الله صلى الله عليه وسلم ففقدته من الليل فلمسته فوقعت يدي على قدميه وهو ساجد وهو يقول " اعوذ برضاك من سخطك وبمعافاتك من عقوبتك لا احصي ثناء عليك انت كما اثنيت على نفسك " . قال هذا حديث حسن قد روي من غير وجه عن عاىشة .
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد نحوه . وزاد فيه " واعوذ بك منك لا احصي ثناء عليك " .
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد نحوه . وزاد فيه " واعوذ بك منك لا احصي ثناء عليك " .
৩৪৯৩. আনসারী (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পার্শ্বে ঘুমিয়ে ছিলাম। কোন এক রাতে আমি তাকে পাচ্ছিলাম না। আমি হাতড়িয়ে তালাশ করতে লাগলাম। আমার হাত তার পায়ের তলায় লাগল। তিনি তখন সিজদারত অবস্থায় বলছিলেনঃ
أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ لاَ أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ
(হে আল্লাহ) আমি পানাহ চাই তোমার সন্তুষ্টির ওয়াসীলায় তোমার ক্রোধ থেকে, তোমার হেফাজতের ওয়াসীলায় তোমার শাস্তি থেকে। তোমার প্রশংসা করে শেষ করতে পারছি না তুমি তেমই যেমন তোমার নিজের তারীফ করেছ তুমি।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৪১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। কুতায়বা (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে অতিরিক্ত আছঃ (وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لاَ أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ)
أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ لاَ أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ
(হে আল্লাহ) আমি পানাহ চাই তোমার সন্তুষ্টির ওয়াসীলায় তোমার ক্রোধ থেকে, তোমার হেফাজতের ওয়াসীলায় তোমার শাস্তি থেকে। তোমার প্রশংসা করে শেষ করতে পারছি না তুমি তেমই যেমন তোমার নিজের তারীফ করেছ তুমি।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৪১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। কুতায়বা (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে অতিরিক্ত আছঃ (وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لاَ أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ)
হাদিস নং: ৩৪৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابي الزبير المكي، عن طاوس اليماني، عن عبد الله بن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمهم هذا الدعاء كما يعلمهم السورة من القران " اللهم اني اعوذ بك من عذاب جهنم ومن عذاب القبر واعوذ بك من فتنة المسيح الدجال واعوذ بك من فتنة المحيا والممات " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح [غريب] .
৩৪৯৪. আনসারী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ভাবে এ দু’আটি শিক্ষা দিতেন যে ভাবে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেনঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
হে আল্লাহ! আমি পানাহ চাই তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে, কবরের আযাব থেকে, পানাহ চাই তোমার কাছে দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং পানাহ চাই তোমার কাছে জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৪০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ
হে আল্লাহ! আমি পানাহ চাই তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে, কবরের আযাব থেকে, পানাহ চাই তোমার কাছে দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং পানাহ চাই তোমার কাছে জীবন ও মরণের ফিতনা থেকে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৪০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩৪৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بهولاء الكلمات " اللهم اني اعوذ بك من فتنة النار وعذاب النار وعذاب القبر وفتنة القبر ومن شر فتنة الغنى ومن شر فتنة الفقر ومن شر فتنة المسيح الدجال اللهم اغسل خطاياى بماء الثلج والبرد وانق قلبي من الخطايا كما انقيت الثوب الابيض من الدنس وباعد بيني وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم اني اعوذ بك من الكسل والهرم والماثم والمغرم " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩৪৯৫. হারুন ইবন ইসহাক হামদানী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেন এই কালিমাসমূহ দ্বারাঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَاىَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَأَنْقِ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا أَنْقَيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَاىَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَأَنْقِ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا أَنْقَيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৪৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن عاىشة، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول عند وفاته " اللهم اغفر لي وارحمني والحقني بالرفيق الاعلى " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩৪৯৬. হারুন (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ইন্তেকালের সময় বলতে শুনেছিঃ (اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الأَعْلَى)
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৪৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يقول احدكم اللهم اغفر لي ان شىت اللهم ارحمني ان شىت ليعزم المسالة فانه لا مكره له " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩৪৯৭. আনসারী (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ এ কখা বলবে না যে, হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে আমাকে মাফ করে দাও। হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে আমার উপর রহম কর। বরং সে যেন দৃঢ়তার সাথে চায় কেননা তাকে বাধ্য করার কেউ নেই।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৫৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৫৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৪৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن ابي عبد الله الاغر، وعن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ينزل ربنا كل ليلة الى السماء الدنيا حين يبقى ثلث الليل الاخر فيقول من يدعوني فاستجيب له ومن يسالني فاعطيه ومن يستغفرني فاغفر له " . قال هذا حديث حسن صحيح . وابو عبد الله الاغر اسمه سلمان . قال وفي الباب عن علي وعبد الله بن مسعود وابي سعيد وجبير بن مطعم ورفاعة الجهني وابي الدرداء وعثمان بن ابي العاصي .
৩৪৯৮. আনসারী (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতি রাতেই শেষ রাতের এক তৃতীয়াংশ বাকী থাকতে আমাদের পরওয়ারদিগার দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন। এরপর তিনি বলেনঃ কে আছে আমাকে ডাকার আমি তার ডাক কবুল করব। কে আছে আমার কাছে চাইবার আমি তাকে তা দান করব, কে আছে আমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার আমি তাকে ক্ষমা করে দিব।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে আলী, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ, আবু সাঈদ, জুবায়র ইবন মুতইম, রিফাআ জুহানী, আবুদ দারদা ও উছমান ইবন আবুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে আলী, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ, আবু সাঈদ, জুবায়র ইবন মুতইম, রিফাআ জুহানী, আবুদ দারদা ও উছমান ইবন আবুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৪৯৯
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن يحيى الثقفي المروزي، حدثنا حفص بن غياث، عن ابن جريج، عن عبد الرحمن بن سابط، عن ابي امامة، قال قيل يا رسول الله اى الدعاء اسمع قال " جوف الليل الاخر ودبر الصلوات المكتوبات " . قال هذا حديث حسن . وقد روي عن ابي ذر وابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " جوف الليل الاخر الدعاء فيه افضل او ارجى " . او نحو هذا .
৩৪৯৯. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া (রহঃ) .... আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কোন দু’আ বেশী কবুল হয়? তিনি বললেনঃ শেষ রাতের মাঝে আর ফরয সালাতের পরে।
হাসান, তা’ লীকুর রাগীব ২/২৭৬, আল কালিমুত তাইয়্যিব ১১৩/৭০, তাহকিক ছানী, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। আবু যর ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ রাতের মাঝে দু’আ করা সর্বোত্তম ও আশাব্যঞ্জক।
হাসান, তা’ লীকুর রাগীব ২/২৭৬, আল কালিমুত তাইয়্যিব ১১৩/৭০, তাহকিক ছানী, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। আবু যর ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ রাতের মাঝে দু’আ করা সর্বোত্তম ও আশাব্যঞ্জক।
হাদিস নং: ৩৫০০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا عبد الحميد بن عمر الهلالي، عن سعيد بن اياس الجريري، عن ابي السليل، عن ابي هريرة، ان رجلا، قال يا رسول الله سمعت دعاءك الليلة فكان الذي وصل الى منه انك تقول " اللهم اغفر لي ذنبي ووسع لي في رزقي وبارك لي فيما رزقتني " . قال " فهل تراهن تركن شيىا " . قال هذا حديث غريب .
৩৫০০. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি এসে বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার রাতের দু’আ আমি শুনেছি। এ থেকে যে সব শব্দ আমার কাছে এসে পৌছেছে, তাতে ছিল যে আপনি বলেছিলেনঃ
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعْ لِي فِي رِزْقِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي
হে আল্লাহ! মাফ করে দাও আমার গুনাহ, প্রশস্ত করে দাও আমার ঘর, বরকত দাও আমাকে যে রিযক দিয়েছ তাতে। তিনি বললেনঃ এতে কি কিছু ছুটেছে বলে দেখতে পাচ্ছে?
যঈফ, দু’আটি হাসান, রাওযুন নাযীর ১১৬৭, গায়াতুল মারাম ১১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবুস সালীল (রহঃ) এর নাম হল যুরায়ব ইবন নুফায়র। ইবন নুফায়র বলেও কথিত আছে। হাদীসটি গারীর।
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعْ لِي فِي رِزْقِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي
হে আল্লাহ! মাফ করে দাও আমার গুনাহ, প্রশস্ত করে দাও আমার ঘর, বরকত দাও আমাকে যে রিযক দিয়েছ তাতে। তিনি বললেনঃ এতে কি কিছু ছুটেছে বলে দেখতে পাচ্ছে?
যঈফ, দু’আটি হাসান, রাওযুন নাযীর ১১৬৭, গায়াতুল মারাম ১১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবুস সালীল (রহঃ) এর নাম হল যুরায়ব ইবন নুফায়র। ইবন নুফায়র বলেও কথিত আছে। হাদীসটি গারীর।
হাদিস নং: ৩৫০১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا حيوة بن شريح، وهو ابن يزيد الحمصي عن بقية بن الوليد، عن مسلم بن زياد، قال سمعت انسا، يقول ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح اللهم اصبحنا نشهدك ونشهد حملة عرشك وملاىكتك وجميع خلقك بانك الله لا اله الا انت وحدك لا شريك لك وان محمدا عبدك ورسولك . الا غفر الله له ما اصاب في يومه ذلك وان قالها حين يمسي غفر الله له ما اصاب في تلك الليلة من ذنب " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب .
৩৫০১. আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি এই দু’আঃ
اللَّهُمَّ أَصْبَحْنَا نُشْهِدُكَ وَنُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ وَمَلاَئِكَتَكَ وَجَمِيعَ خَلْقِكَ بِأَنَّكَ الله لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ
অর্থঃ হে আল্লাহ্! আমাদের ভোর বেলা সাক্ষী করছি তোমাকে এবং সাক্ষী করছি তোমার আরশ বহণকারীদের, তোমার ফিরিশতাদের এবং তোমার সমস্ত সৃষ্টিকে যে তুমি আল্লাহ, নেই মাবুদ তুমি ব্যতীত, তুমি একক, তোমার অংশীদার নেই, আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার বান্দা ও তোমার রাসূল।
সকলে পাঠ করে তবে তার ঐদিনের গুনাহ সমূহ আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দেন আর যদি সন্ধ্যায় পাঠ করে তবে তার ঐ রাতের গুনাহ সমূহ আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিবেন।
যঈফ, আল কালিমুত তাইয়্যিব ২৫, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৩৯৮, যঈফা ১০৪১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গারীব।
اللَّهُمَّ أَصْبَحْنَا نُشْهِدُكَ وَنُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ وَمَلاَئِكَتَكَ وَجَمِيعَ خَلْقِكَ بِأَنَّكَ الله لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ
অর্থঃ হে আল্লাহ্! আমাদের ভোর বেলা সাক্ষী করছি তোমাকে এবং সাক্ষী করছি তোমার আরশ বহণকারীদের, তোমার ফিরিশতাদের এবং তোমার সমস্ত সৃষ্টিকে যে তুমি আল্লাহ, নেই মাবুদ তুমি ব্যতীত, তুমি একক, তোমার অংশীদার নেই, আর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার বান্দা ও তোমার রাসূল।
সকলে পাঠ করে তবে তার ঐদিনের গুনাহ সমূহ আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দেন আর যদি সন্ধ্যায় পাঠ করে তবে তার ঐ রাতের গুনাহ সমূহ আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিবেন।
যঈফ, আল কালিমুত তাইয়্যিব ২৫, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৩৯৮, যঈফা ১০৪১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গারীব।
হাদিস নং: ৩৫০২
হাসান (Hasan)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا ابن المبارك، اخبرنا يحيى بن ايوب، عن عبيد الله بن زحر، عن خالد بن ابي عمران، ان ابن عمر، قال قلما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوم من مجلس حتى يدعو بهولاء الكلمات لاصحابه " اللهم اقسم لنا من خشيتك ما يحول بيننا وبين معاصيك ومن طاعتك ما تبلغنا به جنتك ومن اليقين ما تهون به علينا مصيبات الدنيا ومتعنا باسماعنا وابصارنا وقوتنا ما احييتنا واجعله الوارث منا واجعل ثارنا على من ظلمنا وانصرنا على من عادانا ولا تجعل مصيبتنا في ديننا ولا تجعل الدنيا اكبر همنا ولا مبلغ علمنا ولا تسلط علينا من لا يرحمنا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقد روى بعضهم هذا الحديث عن خالد بن ابي عمران عن نافع عن ابن عمر .
৩৫০২. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নিম্নের এই কালিমাসমূহে সাহাবীদের জন্য দু’আ না করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মজলিস থেকে খুব কমই উঠেছেন। কালিমা গুলো হলঃ
اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُولُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِينِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلاَ تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلاَ تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلاَ مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلاَ تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لاَ يَرْحَمُنَا
হে আল্লাহ! তুমি আমাদের জন্য বণ্টন কর তোমার ততটুকু ভয় যতটুকু আমাদের মাঝে এবং তোমার নফরমানীর মাঝে যেন আমাদের জন্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়, তোমার ততটুকু ফরমাবরদারী দাও যতটুকু আমাদের পৌছে দেবে তোমার জান্নাতে। ততটুকু ইয়াকীন দাও যতটুকু দ্বারা সহজ হয়ে যায় আমাদের জন্য দুনিয়ার বিপদাপদ। উপভোগর অবকাশ দাও আমাদের শ্রবন শক্তির, আমাদের দৃষ্টির, আমাদের শক্তির। যতদিন তুমি আমাদের জীবিত রাখবে ততদিন এগুলো তুমি বজায় রেখো। যারা আমাদর উপর যুলম করেছে তাদের উপর বদলা তুমিই নিও, যারা আমাদের শত্রুতা করে তাদের মুকাবিলায় তুমিই আমাদের সাহায্য করো। আমাদের দ্বীনের ক্ষেত্রে আমাদেরকে বিপদাপন্ন করো না। দুনিয়ার চিন্তাই তুমি আমাদের বড় চিন্তায় পরিণত করো না। এটিকেই তুমি আমাদের জ্ঞনের চুড়ান্ত বানিও না, আর যারা আমাদের দয়া করবে না তাদেরকে তুমি আমাদের উপর আধিপত্য দিও না।
হাসান, আল কালিমুত তাইয়্যিব ২২৫/১৬৯, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৪৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী এই হাদীসটি খালিদ ইবন আবু ইমরান-নাফি-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন।
اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُولُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِينِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلاَ تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلاَ تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلاَ مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلاَ تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لاَ يَرْحَمُنَا
হে আল্লাহ! তুমি আমাদের জন্য বণ্টন কর তোমার ততটুকু ভয় যতটুকু আমাদের মাঝে এবং তোমার নফরমানীর মাঝে যেন আমাদের জন্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়, তোমার ততটুকু ফরমাবরদারী দাও যতটুকু আমাদের পৌছে দেবে তোমার জান্নাতে। ততটুকু ইয়াকীন দাও যতটুকু দ্বারা সহজ হয়ে যায় আমাদের জন্য দুনিয়ার বিপদাপদ। উপভোগর অবকাশ দাও আমাদের শ্রবন শক্তির, আমাদের দৃষ্টির, আমাদের শক্তির। যতদিন তুমি আমাদের জীবিত রাখবে ততদিন এগুলো তুমি বজায় রেখো। যারা আমাদর উপর যুলম করেছে তাদের উপর বদলা তুমিই নিও, যারা আমাদের শত্রুতা করে তাদের মুকাবিলায় তুমিই আমাদের সাহায্য করো। আমাদের দ্বীনের ক্ষেত্রে আমাদেরকে বিপদাপন্ন করো না। দুনিয়ার চিন্তাই তুমি আমাদের বড় চিন্তায় পরিণত করো না। এটিকেই তুমি আমাদের জ্ঞনের চুড়ান্ত বানিও না, আর যারা আমাদের দয়া করবে না তাদেরকে তুমি আমাদের উপর আধিপত্য দিও না।
হাসান, আল কালিমুত তাইয়্যিব ২২৫/১৬৯, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৪৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী এই হাদীসটি খালিদ ইবন আবু ইমরান-নাফি-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৫০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عاصم، حدثنا عثمان الشحام، حدثني مسلم بن ابي بكرة، قال سمعني ابي، وانا اقول اللهم، اني اعوذ بك من الهم والكسل وعذاب القبر . قال يا بنى ممن سمعت هذا قال قلت سمعتك تقولهن . قال الزمهن فاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولهن . قال هذا حديث حسن [صحيح][غريب] .
৩৫০৩. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... মুসলিম ইবন আবু বাকরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমার পিতা আমাকে বলতে শুনলেনঃ (اللَّهُمَّ، إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْكَسَلِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ) - হে আল্লাহ! আমি পানাহ চাই তোমার কাছে দুশ্চিন্তা, অলসতা ও কবরের আযাব থেকে।
তিনি বললেনঃ হে প্রিয় বৎস! এই দু’আ কার কাছ থেকে শুনেছ? আমি বললামঃ আপনাকে এগুলো বলতে শুনেছি। তিনি বললেনঃ সব সময়ের জন্য এগুলো ধারণ করে নাও। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এগুলো বলতে শুনেছি।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান গারীব।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
তিনি বললেনঃ হে প্রিয় বৎস! এই দু’আ কার কাছ থেকে শুনেছ? আমি বললামঃ আপনাকে এগুলো বলতে শুনেছি। তিনি বললেনঃ সব সময়ের জন্য এগুলো ধারণ করে নাও। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এগুলো বলতে শুনেছি।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান গারীব।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৫০৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا الفضل بن موسى، عن الحسين بن واقد، عن ابي اسحاق، عن الحارث، عن علي، رضى الله عنه قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا اعلمك كلمات اذا قلتهن غفر الله لك وان كنت مغفورا لك " . قال " قل لا اله الا الله العلي العظيم لا اله الا الله الحليم الكريم لا اله الا الله سبحان الله رب العرش العظيم " .
قال علي بن خشرم واخبرنا علي بن الحسين بن واقد، عن ابيه، بمثل ذلك الا انه قال في اخرها " الحمد لله رب العالمين " . قال هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث ابي اسحاق عن الحارث عن علي .
قال علي بن خشرم واخبرنا علي بن الحسين بن واقد، عن ابيه، بمثل ذلك الا انه قال في اخرها " الحمد لله رب العالمين " . قال هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث ابي اسحاق عن الحارث عن علي .
৩৫০৪. আলী ইবন খাশরাম (রহঃ) ...... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাকে একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাকে কি এমন কতক কালিমা শিখিয়ে দিব না যেগুলো পাঠ করলে আল্লাহ তোমাকে মাফ করে দিবেন আর তুমি হয়ে যাবে ক্ষমা প্রাপ্ত। তুমি বলবেঃ
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
আলী ইবন খাশরাম রহঃ ...... আলী ইবন হুসাইন ইবন ওয়াকিদ (রহঃ) তার পিতা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এর শেষে الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ বলেছেন।
যঈফ, রাওযুন নাযীর ৬৭৯-৭১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
আলী ইবন খাশরাম রহঃ ...... আলী ইবন হুসাইন ইবন ওয়াকিদ (রহঃ) তার পিতা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এর শেষে الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ বলেছেন।
যঈফ, রাওযুন নাযীর ৬৭৯-৭১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৫০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا يونس بن ابي اسحاق، عن ابراهيم بن محمد بن سعد، عن ابيه، عن سعد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " دعوة ذي النون اذ دعا وهو في بطن الحوت لا اله الا انت سبحانك اني كنت من الظالمين . فانه لم يدع بها رجل مسلم في شيء قط الا استجاب الله له " .
قال محمد بن يحيى قال محمد بن يوسف مرة عن ابراهيم بن محمد بن سعد، عن سعد، . قال ابو عيسى وقد روى غير، واحد، هذا الحديث عن يونس بن ابي اسحاق، عن ابراهيم بن محمد بن سعد، عن سعد، ولم يذكروا فيه عن ابيه، .
قال محمد بن يحيى قال محمد بن يوسف مرة عن ابراهيم بن محمد بن سعد، عن سعد، . قال ابو عيسى وقد روى غير، واحد، هذا الحديث عن يونس بن ابي اسحاق، عن ابراهيم بن محمد بن سعد، عن سعد، ولم يذكروا فيه عن ابيه، .
৩৫০৫. মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ...... সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুননুন (মাছ ওয়ালা) ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে দু’আ করেছিলেনঃ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যালিমীন। কোন মুসলিম যখনই এই দু’আ করে, আল্লাহ্ অবশ্যই তার দু’আ কবুল করে থাকেন।
সহীহ, আল কালিমুত তাইয়্যিব ১২২/৭৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৭৫, ৩/৪৩, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) কোন কোন সময় ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রের কথা বলেছেন। একাধিক রাবী এই হাদিসটি ইউনুস ইবন আবু ইসহাক - ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন সা’দ - সা’দ (রাঃ) সুত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে তারা ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদের পিতা মুহাম্মাদ (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি।
কতক রাবী এবং আবূ আহমাদ যুবাইরী (রহঃ)-ও এটিকে ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন সা’দ ... তাঁর পিতা মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, আল কালিমুত তাইয়্যিব ১২২/৭৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৭৫, ৩/৪৩, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) কোন কোন সময় ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রের কথা বলেছেন। একাধিক রাবী এই হাদিসটি ইউনুস ইবন আবু ইসহাক - ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন সা’দ - সা’দ (রাঃ) সুত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে তারা ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদের পিতা মুহাম্মাদ (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি।
কতক রাবী এবং আবূ আহমাদ যুবাইরী (রহঃ)-ও এটিকে ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন ইব্রাহীম ইবন মুহাম্মাদ ইবন সা’দ ... তাঁর পিতা মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩৫০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن حماد البصري، حدثنا عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن ابي رافع، عن ابي هريرة، رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان لله تسعة وتسعين اسما ماىة غير واحد من احصاها دخل الجنة " .
قال يوسف وحدثنا عبد الاعلى، عن هشام بن حسان، عن محمد، عن ابي هريرة، رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم . هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
قال يوسف وحدثنا عبد الاعلى، عن هشام بن حسان، عن محمد، عن ابي هريرة، رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم . هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم.
৩৫০৬. ইউসুফ ইবন হাম্মাদ বাসরী (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিরানব্বই অর্থাৎ এক কম একশ’ নাম রয়েছে। যে ব্যাক্তি সেগুলো পাঠ করবে সে জান্নাতে দাখিল হবে।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২৮৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইউসুফ (রহঃ) এটিকে আবদুল আ’লা-হিশাম ইবন হাসসান-মুহাম্মাদ ইবন সীরীন-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিভিন্ন সূত্রেও এটি বর্ণিত হয়েছে।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২৮৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইউসুফ (রহঃ) এটিকে আবদুল আ’লা-হিশাম ইবন হাসসান-মুহাম্মাদ ইবন সীরীন-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিভিন্ন সূত্রেও এটি বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস নং: ৩৫০৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابراهيم بن يعقوب الجوزجاني، حدثني صفوان بن صالح، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا شعيب بن ابي حمزة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان لله تعالى تسعة وتسعين اسما ماىة غير واحدة من احصاها دخل الجنة هو الله الذي لا اله الا هو الرحمن الرحيم الملك القدوس السلام المومن المهيمن العزيز الجبار المتكبر الخالق البارى المصور الغفار القهار الوهاب الرزاق الفتاح العليم القابض الباسط الخافض الرافع المعز المذل السميع البصير الحكم العدل اللطيف الخبير الحليم العظيم الغفور الشكور العلي الكبير الحفيظ المقيت الحسيب الجليل الكريم الرقيب المجيب الواسع الحكيم الودود المجيد الباعث الشهيد الحق الوكيل القوي المتين الولي الحميد المحصي المبدى المعيد المحيي المميت الحى القيوم الواجد الماجد الواحد الصمد القادر المقتدر المقدم الموخر الاول الاخر الظاهر الباطن الوالي المتعالي البر التواب المنتقم العفو الرءوف مالك الملك ذو الجلال والاكرام المقسط الجامع الغني المغني المانع الضار النافع النور الهادي البديع الباقي الوارث الرشيد الصبور " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب حدثنا به غير واحد عن صفوان بن صالح . ولا نعرفه الا من حديث صفوان بن صالح وهو ثقة عند اهل الحديث . وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ولا نعلم - في كبير شيء من الروايات له اسناد صحيح ذكر الاسماء الا في هذا الحديث . وقد روى ادم بن ابي اياس هذا الحديث باسناد غير هذا عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وذكر فيه الاسماء وليس له اسناد صحيح .
৩৫০৭. ইবরাহীব ইবনে ইয়াকূব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিরানব্বইটি, অর্থাৎ এক কম একশটি’ নাম রয়েছে। যে সেগুলি পাঠ করবে সে জান্নাতে দাখিল হবে। সেগুলো হলঃ আল্লহ, তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আর-রাহমান-দয়াময়, আর-রহিম-দয়ালু, আল-মালিক-অধিপতি, আল-কুদ্দুস-নিষ্কলুষ, আস-সালাম-শান্তিময়, আল-মু’মিন-নিরাপত্তাবিধায়ক, আল-মুহায়মিন-রক্ষাব্যাবস্থাকারী, আল-আযীয-প্রবল, আল-জাব্বার-পরাক্রমশালী, আল-মুতাকাব্বির-অহংকারের অধিকারী, আল-খালিল-সৃষ্টিকর্তা, আল-বারী-উন্মেষকারী, আল-মুসাওবির-রূপদানকারী, আল-গাফফার-মহাক্ষমাশীল, আল-কাহহার-মহাপরাক্রান্ত, আল-ওয়াহহাব-মহাবদান্য, আর-রাযযাক-জীবিকাদাতা, আল-ফাততাহ-মহাবিজয়ী, আল-আলিম-মহাজ্ঞানী, আল-কাবিয-সংকোচনকারী, আল-বাসিত-সম্প্রসারণকারী, আল-খাফিয-অবলম্বনকারী, আর-রাফি-উন্নয়নকারী, আল-মুইয্য-সম্মানদাতা, আল-মুযিল্ল-অপমানকারী, আস-সামী-সর্বশ্রোতা, আল-বাসীর-সর্বদ্রষ্টা, আল-হাকাম-মিমাংসাকারী, আল-আদাল-ন্যায়নিষ্ঠ, আল-লাতীফ-সূক্ষ্ম দক্ষতাসম্পন্ন, আল-খাবীর-সর্বজ্ঞ, আল-হালীম-সহিষ্ণু, আল-আযীম-মহিমাময়, আল-গাফুর-ক্ষমাশীল, আশ-শাকূর-গুনগ্রাহী, আল-আলি-অতুচ্চে, আল-কাবীর-মহত, আল-হাফীয-মহারক্ষক, আল-মুকিত-আহার্যদাতা, আল-হাসীব-মহাপরিক্ষক, আল-জালীল-প্রতাপশালী, আল-কারীম-মহামান্য, আর-রাকীব-নিরীক্ষনকারী, আল-মুজীব-প্রতুত্তরদাতা, আল-ওয়াসি-সর্বদানী, আল-হাকীম-বিচক্ষন, আল-ওয়াদূদ-প্রেমময়, আল-মাজীদ-গৌরবময়, আল-বাইছ-পুনরুত্থানকারী, আশ-শাহীদ-প্রত্যক্ষকারী, আল-হাক্ক-সত্য,
আল-ওয়াকীল-তত্বাবধায়ক, আল-কাবী-শক্তিশালী, আল-মাতীন-দৃঢ়তাসম্পন্ন, আল-ওয়ালী-অভিভাবক, আল-হামীদ-প্রশংসিত, আল-মুহসী-হিসাব গ্রহনকারী, আল-মুবদী-আদি স্রষ্টা, আল-মুঈদ-পুনঃসৃষ্টিকারী, আল-মুহঈ-জীবদাতা, আল-মুমীত-মরণদাতা, আল-হায়্যু-চিরঞ্জীব, আল-কায়্যুম-স্বয়ং স্থিতিশীল, আল-ওয়াজিদ-অবধায়ক, আল-মাজিদ-মহান, আল-ওয়াহিদ-একক, আস-সামাদ-অভাবমুক্ত, আল-কাদির-ক্ষমতাশালী, আল-মুকতাদির-প্রবল, আল-মুকাদ্দিম-অগ্রবর্তীকারী, আল-মুয়াখখির-পশ্চাৎকারী, আল-আওয়াল-অনাদি, আল-আখির-অনন্ত, আয-যাহির-প্রকাশ্য, আল-বাতিন-গুপ্ত, আল-ওয়ালী-কার্যনির্বাহক, আল-মুতাআলি-সুউচ্চ, আল-বারর-ন্যায়বান, আত-তাওওয়াব-তাওবা কবূলকারী, আল-মুন্তাকিমু-প্রতিশোধ গ্রহনকারী, আল-আফুউ-ক্ষমাকারী, আর-রাউফ-কোমল হৃদয়, মালিকুল মূলক-রাজ্যের মালিক, যুলজালালি ওয়াল ইকরাম-মহামান্বিত, মহাত্বপূর্ণ, আল-মুকসিত-ন্যায়পরায়ণ, আল-জামি-একত্রীয়ণকারী, আল-গানী-অভাবমুক্ত, আল-মুগনী-অভাবমোচনকারী, আল-মানিউ-প্রতিরোধকারী, আয-যার-অকল্যানকর্তা, আন-নাফি-কল্যানকর্তা, আন-নূর-জ্যোতি, আল-হাদী-পথপ্রদর্শক, আল-বাদী-অভিনব সৃষ্টিকারী, আল-বাকী-চিরস্থায়ী, আল-ওয়ারিছ-উত্তরধিকারী, আর-রাসীদ-সত্যদর্শী, আস-সাবূর-ধৈর্যশীল।
হাদীসটি গরীব। একাধিক রাবী এটিকে সাফওয়ান ইবন সালিহ (রহঃ)-এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।সাফওয়ান ইবন সালিহ (রহঃ)–এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। তিনি হাদীস বিশেষজ্ঞগণের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য। এই হাদীসটি সূত্রে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। এটি ছাড়া আরো বেশী রিওয়াতে এই নামসমূহের উল্লেখ আছে বলে আমাদের জানা নেই। আদম ইবন আবূ ইয়াস অপর এক সনদে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে আসমাউল হুসনা-এর উল্লেখ আছে। তবে এর কোন সহীহ সনদ নেই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আল-ওয়াকীল-তত্বাবধায়ক, আল-কাবী-শক্তিশালী, আল-মাতীন-দৃঢ়তাসম্পন্ন, আল-ওয়ালী-অভিভাবক, আল-হামীদ-প্রশংসিত, আল-মুহসী-হিসাব গ্রহনকারী, আল-মুবদী-আদি স্রষ্টা, আল-মুঈদ-পুনঃসৃষ্টিকারী, আল-মুহঈ-জীবদাতা, আল-মুমীত-মরণদাতা, আল-হায়্যু-চিরঞ্জীব, আল-কায়্যুম-স্বয়ং স্থিতিশীল, আল-ওয়াজিদ-অবধায়ক, আল-মাজিদ-মহান, আল-ওয়াহিদ-একক, আস-সামাদ-অভাবমুক্ত, আল-কাদির-ক্ষমতাশালী, আল-মুকতাদির-প্রবল, আল-মুকাদ্দিম-অগ্রবর্তীকারী, আল-মুয়াখখির-পশ্চাৎকারী, আল-আওয়াল-অনাদি, আল-আখির-অনন্ত, আয-যাহির-প্রকাশ্য, আল-বাতিন-গুপ্ত, আল-ওয়ালী-কার্যনির্বাহক, আল-মুতাআলি-সুউচ্চ, আল-বারর-ন্যায়বান, আত-তাওওয়াব-তাওবা কবূলকারী, আল-মুন্তাকিমু-প্রতিশোধ গ্রহনকারী, আল-আফুউ-ক্ষমাকারী, আর-রাউফ-কোমল হৃদয়, মালিকুল মূলক-রাজ্যের মালিক, যুলজালালি ওয়াল ইকরাম-মহামান্বিত, মহাত্বপূর্ণ, আল-মুকসিত-ন্যায়পরায়ণ, আল-জামি-একত্রীয়ণকারী, আল-গানী-অভাবমুক্ত, আল-মুগনী-অভাবমোচনকারী, আল-মানিউ-প্রতিরোধকারী, আয-যার-অকল্যানকর্তা, আন-নাফি-কল্যানকর্তা, আন-নূর-জ্যোতি, আল-হাদী-পথপ্রদর্শক, আল-বাদী-অভিনব সৃষ্টিকারী, আল-বাকী-চিরস্থায়ী, আল-ওয়ারিছ-উত্তরধিকারী, আর-রাসীদ-সত্যদর্শী, আস-সাবূর-ধৈর্যশীল।
হাদীসটি গরীব। একাধিক রাবী এটিকে সাফওয়ান ইবন সালিহ (রহঃ)-এর বরাতে বর্ণনা করেছেন।সাফওয়ান ইবন সালিহ (রহঃ)–এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। তিনি হাদীস বিশেষজ্ঞগণের দৃষ্টিতে নির্ভরযোগ্য। এই হাদীসটি সূত্রে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। এটি ছাড়া আরো বেশী রিওয়াতে এই নামসমূহের উল্লেখ আছে বলে আমাদের জানা নেই। আদম ইবন আবূ ইয়াস অপর এক সনদে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যাতে আসমাউল হুসনা-এর উল্লেখ আছে। তবে এর কোন সহীহ সনদ নেই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৫০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان لله تسعة وتسعين اسما من احصاها دخل الجنة " . قال وليس في هذا الحديث ذكر الاسماء . قال وهذا حديث حسن صحيح . رواه ابو اليمان عن شعيب بن ابي حمزة عن ابي الزناد ولم يذكر فيه الاسماء .
৩৫০৮. ইবন আবূ উমার (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম রয়েছে। যে ব্যাক্তি এইগুলো আবৃত্তি করবে, সে জান্নাতে দাখিল হবে।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটিতে নামসমূহের উল্লেখ নেই। হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবুল ইয়ামান (রহঃ) ... আবূ যিনাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। কিন্তু সেখানে নাম সমূহের উল্লেখ নেই।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটিতে নামসমূহের উল্লেখ নেই। হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবুল ইয়ামান (রহঃ) ... আবূ যিনাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। কিন্তু সেখানে নাম সমূহের উল্লেখ নেই।
হাদিস নং: ৩৫০৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابراهيم بن يعقوب، حدثنا زيد بن حباب، ان حميدا المكي، مولى ابن علقمة حدثه ان عطاء بن ابي رباح حدثه عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا مررتم برياض الجنة فارتعوا " . قلت يا رسول الله وما رياض الجنة قال " المساجد " . قلت وما الرتع يا رسول الله قال " سبحان الله والحمد لله ولا اله الا الله والله اكبر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৩৫০৯. ইবরহীম ইবন ইয়াকূব (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা জান্নাতের বাগান দিয়ে পথ অতিক্রম করবে তখন তাতে বিচরণ করে নিও। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! জান্নাতের বাগান কি? তিনি বললেনঃ মসজিদসমূহ। আমি বললামঃ এতে বিচরণ করার মানে কি ইয়া রাসূল্লাহ! তিনি বললেনঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।
যঈফ, যঈফা ১১৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গরীব।
যঈফ, যঈফা ১১৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গরীব।