হাদিস নং: ২৯৯০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن اسراىيل، عن السدي، قال حدثني من، سمع عليا، يقول لما نزلت هذه الاية : (ان تبدوا ما في انفسكم او تخفوه يحاسبكم به الله فيغفر لمن يشاء ويعذب من يشاء ) الاية احزنتنا قال قلنا يحدث احدنا نفسه فيحاسب به لا ندري ما يغفر منه ولا ما لا يغفر فنزلت هذه الاية بعدها فنسختها ( لا يكلف الله نفسا الا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ).
২৯৯০. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ فَيَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ
তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর বা গোপন রাখ আল্লাহ্ এর হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন। তারপর যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন এবং যাকে খুশি শাস্তি দিবেন (২ঃ ২৮৪)
এই আয়াত নাযিল হলে আমাদের তা খুবই চিন্তিত করে তোলে। আমরা বললাম, আমাদের কেউ মনে মনেও যে কথা বলবে তারও হিসাব হবে। এরপর জানি না কি ক্ষমা করা হবে কি ক্ষমা করা হবে না। এরপর এর পরবর্তী আয়াত নাযিল হয় এবং এই আয়াতের বক্তব্য রহিত করে দেওয়া হয় ইরশাদ হচ্ছেঃ
لاَ يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ
আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত বস্তর দায়িত্ব অর্পন করেন না। সে ভাল যা উপার্জন করে তা তারই আর মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই (২ঃ ২৮৬)।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ فَيَغْفِرُ لِمَنْ يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَنْ يَشَاءُ
তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর বা গোপন রাখ আল্লাহ্ এর হিসাব তোমাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবেন। তারপর যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন এবং যাকে খুশি শাস্তি দিবেন (২ঃ ২৮৪)
এই আয়াত নাযিল হলে আমাদের তা খুবই চিন্তিত করে তোলে। আমরা বললাম, আমাদের কেউ মনে মনেও যে কথা বলবে তারও হিসাব হবে। এরপর জানি না কি ক্ষমা করা হবে কি ক্ষমা করা হবে না। এরপর এর পরবর্তী আয়াত নাযিল হয় এবং এই আয়াতের বক্তব্য রহিত করে দেওয়া হয় ইরশাদ হচ্ছেঃ
لاَ يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ
আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত বস্তর দায়িত্ব অর্পন করেন না। সে ভাল যা উপার্জন করে তা তারই আর মন্দ যা উপার্জন করে তাও তারই (২ঃ ২৮৬)।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯৯১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى، وروح بن عبادة، عن حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن امية، انها سالت عاىشة عن قول الله تعالى : (ان تبدوا ما في انفسكم او تخفوه يحاسبكم به الله) وعن قوله : (من يعمل سوءا يجز به ) فقالت ما سالني عنها احد منذ سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " هذه معاتبة الله العبد فيما يصيبه من الحمى والنكبة حتى البضاعة يضعها في كم قميصه فيفقدها فيفزع لها حتى ان العبد ليخرج من ذنوبه كما يخرج التبر الاحمر من الكير " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث عاىشة لا نعرفه الا من حديث حماد بن سلمة .
২৯৯১. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) .... উমায়্যা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে আল্লাহ্ তা’আলার এই ইরশাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেনঃ
إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ
তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর বা গোপন কর আল্লাহ্ তোমাদের থেকে এর হিসাব নিবেন (مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ) (২ঃ ২৮৪) এবং ............... যে কেউ মন্দ কাজ করলে তার প্রতিফল সে পাবে। (৪ঃ ১২৩)।
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেনঃ এই বিষয়ে রাসুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করার পর আজ পর্যন্ত আর কেউ আমাকে এই প্রশ্ন করে নি। রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা জ্বর-জারি, আপদ-বিপদের মাধ্যমে বান্দাকে যে শাস্তি দেন এ হল তা। এমনকি যে সামান্য জিনিস-পত্র সে জামার হাতার মধ্যে রাখে তা হারিয়ে গেলে যে পেরেশানী তার হয় তাও। (তাতেও তার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়)। অবশেষে লাল সোনা যেমন হাঁপর থেকে (আগুনে পুড়ে) নির্মল হয়ে বেরিয়ে আসে তেমনি বান্দাও তার গুনাহ্ সমূহ থেকে (নির্মল হয়ে) বেরিয়ে আসে।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি হাসান-গারীব। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ
তোমাদের মনে যা আছে তা প্রকাশ কর বা গোপন কর আল্লাহ্ তোমাদের থেকে এর হিসাব নিবেন (مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ) (২ঃ ২৮৪) এবং ............... যে কেউ মন্দ কাজ করলে তার প্রতিফল সে পাবে। (৪ঃ ১২৩)।
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেনঃ এই বিষয়ে রাসুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করার পর আজ পর্যন্ত আর কেউ আমাকে এই প্রশ্ন করে নি। রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা জ্বর-জারি, আপদ-বিপদের মাধ্যমে বান্দাকে যে শাস্তি দেন এ হল তা। এমনকি যে সামান্য জিনিস-পত্র সে জামার হাতার মধ্যে রাখে তা হারিয়ে গেলে যে পেরেশানী তার হয় তাও। (তাতেও তার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়)। অবশেষে লাল সোনা যেমন হাঁপর থেকে (আগুনে পুড়ে) নির্মল হয়ে বেরিয়ে আসে তেমনি বান্দাও তার গুনাহ্ সমূহ থেকে (নির্মল হয়ে) বেরিয়ে আসে।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি হাসান-গারীব। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
হাদিস নং: ২৯৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن ادم بن سليمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الاية : (ان تبدوا ما في انفسكم او تخفوه يحاسبكم به الله ) قال دخل قلوبهم منه شيء لم يدخل من شيء فقالوا للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " قولوا سمعنا واطعنا " . فالقى الله الايمان في قلوبهم فانزل الله : (امن الرسول بما انزل اليه من ربه والمومنون ) الاية : ( لا يكلف الله نفسا الا وسعها لها ما كسبت وعليها ما اكتسبت ربنا لا تواخذنا ان نسينا او اخطانا ) قال " قد فعلت " (ربنا ولا تحمل علينا اصرا كما حملته على الذين من قبلنا ) قال " قد فعلت " . (ربنا ولا تحملنا ما لا طاقة لنا به واعف عنا واغفر لنا وارحمنا ) الاية قال " قد فعلت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن وقد روي هذا من غير هذا الوجه عن ابن عباس وادم بن سليمان هو والد يحيى بن ادم . وفي الباب عن ابي هريرة رضى الله عنه .
২৯৯২ মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ
(২ঃ ২৮৪) আয়াতটি নাযিল হলে সাহবীদের অন্তরে এত চিন্তার উদ্রেক হল যে, আর কোন বিষয়ে তাদের এত চিন্তা কখনও হয় নি। তাঁরা বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উল্লেখ করলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা বল, আমরা শুনলাম এবং আমরা আনুগত্য স্বীকার করলাম। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁদের হৃদয়ে ঈমান ঢেলে দিলেন। তারপর নাযিল করলেনঃ
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ
’’রাসূল তাঁর প্রতি তার রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল হয়েছে তাতে ইমান এনেছেন এবং মু’মিনগণও (২ঃ ২৮৬ )।
আল্লাহ্ বললেনঃ এটি কবুল করলাম।
হে রব, আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যেমন শুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করো না (২ঃ ২৮৬)।
আল্লাহ্ বললেনঃ কবুল করলাম।
’’হে রব, আমাদের উপর এমন বোঝা দিয়ো না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের পাপ মুছে দাও। আমাদের মাফ কর। আমাদের উপর রহম কর। তুমিই তো আমাদের মালিক। সুতরাং কাফির কওমের উপর আমাদের বিজয় দাও (২ঃ ২৮৬)।’’
সহীহ, মুসলিম ১/৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
কথিত আছে যে, আদম ইবন সুলায়মান (রহঃ) হলেন ইয়াহ্ইয়া ইবন আদম (রহঃ) এর পিতা।
إِنْ تُبْدُوا مَا فِي أَنْفُسِكُمْ أَوْ تُخْفُوهُ يُحَاسِبْكُمْ بِهِ اللَّهُ
(২ঃ ২৮৪) আয়াতটি নাযিল হলে সাহবীদের অন্তরে এত চিন্তার উদ্রেক হল যে, আর কোন বিষয়ে তাদের এত চিন্তা কখনও হয় নি। তাঁরা বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উল্লেখ করলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা বল, আমরা শুনলাম এবং আমরা আনুগত্য স্বীকার করলাম। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁদের হৃদয়ে ঈমান ঢেলে দিলেন। তারপর নাযিল করলেনঃ
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ
’’রাসূল তাঁর প্রতি তার রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল হয়েছে তাতে ইমান এনেছেন এবং মু’মিনগণও (২ঃ ২৮৬ )।
আল্লাহ্ বললেনঃ এটি কবুল করলাম।
হে রব, আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যেমন শুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করো না (২ঃ ২৮৬)।
আল্লাহ্ বললেনঃ কবুল করলাম।
’’হে রব, আমাদের উপর এমন বোঝা দিয়ো না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের পাপ মুছে দাও। আমাদের মাফ কর। আমাদের উপর রহম কর। তুমিই তো আমাদের মালিক। সুতরাং কাফির কওমের উপর আমাদের বিজয় দাও (২ঃ ২৮৬)।’’
সহীহ, মুসলিম ১/৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
কথিত আছে যে, আদম ইবন সুলায়মান (রহঃ) হলেন ইয়াহ্ইয়া ইবন আদম (রহঃ) এর পিতা।
হাদিস নং: ২৯৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو داود الطيالسي، حدثنا ابو عامر، وهو الخزاز ويزيد بن ابراهيم كلاهما عن ابن ابي مليكة، قال يزيد عن ابن ابي مليكة، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، ولم يذكر ابو عامر القاسم قالت سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قوله : ( فاما الذين في قلوبهم زيع فيتبعون ما تشابه منه ابتغاء الفتنة وابتغاء تاويله ) قال " فاذا رايتيهم فاعرفيهم " . وقال يزيد فاذا رايتموهم فاعرفوهم . قالها مرتين او ثلاثا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৯৯৩. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْعٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ
যাদের অন্তরে আছে বক্রতা শুধু তারাই ফেতনা-ফাসাদ ও ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করে (৩ঃ ৭) আয়াতটি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেছেন: এদের যখন দেখবে তখন এদের চিনে রাখবে। ইয়াযীদ (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা তিনবার বলেছিলেন।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
فَأَمَّا الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمْ زَيْعٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهِ
যাদের অন্তরে আছে বক্রতা শুধু তারাই ফেতনা-ফাসাদ ও ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করে (৩ঃ ৭) আয়াতটি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেছেন: এদের যখন দেখবে তখন এদের চিনে রাখবে। ইয়াযীদ (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা তিনবার বলেছিলেন।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا ابو داود الطيالسي، حدثنا يزيد بن ابراهيم، حدثنا ابن ابي مليكة، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، قالت سىل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن هذه الاية : ( هو الذي انزل عليك الكتاب منه ايات محكمات ) الى اخر الاية . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا رايتم الذين يتبعون ما تشابه منه فاولىك الذين سماهم الله فاحذروهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وروي عن ايوب عن ابن ابي مليكة عن عاىشة هكذا روى غير واحد هذا الحديث عن ابن ابي مليكة عن عاىشة ولم يذكروا فيه عن القاسم بن محمد وانما ذكر يزيد بن ابراهيم التستري عن القاسم في هذا الحديث . وابن ابي مليكة هو عبد الله بن عبيد الله بن ابي مليكة سمع من عاىشة ايضا .
২৯৯৪. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলঃ
هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ
তিনিই আপনার কাছে এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার কতক তো মুহকামাত-দ্ব্যার্থহীন সুস্পষ্ট এইগুলোই কিতাবের মূল। আর কতক হল মুতাশাবিহাত রূপক (৩ঃ ৭)
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা যখন ঐ সব লোকদের দেখবে যারা মুতাশাবিহাত আয়াতসমূহের অনুসরণ করছে তখন জানবে এরাই তারা যাদের সম্বন্ধে আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (৩ঃ ৭ আয়াত দ্রষ্টব্য) উল্লেখ করেছেন। সুতরাং তাদের থেকে তোমরা বেঁচে যাবে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়্যূব ... ইবন আবূ মূলায়কা সূত্রেও এই হাদীসটি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত আছে। ইবন আবূ মূলায়কা ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে একাধিক রাবী এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের সনদে কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর উল্লেখ নেই। এই হাদীসে ইয়াযীদ ইবন ইবরাহীম (রহঃ)-ই কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর উল্লেখ করেছেন। ইবন আবূ মূলায়কা (রহঃ) হলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ মূলায়কা। তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও সরাসরি হাদীস শুনেছেন।
هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُحْكَمَاتٌ
তিনিই আপনার কাছে এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যার কতক তো মুহকামাত-দ্ব্যার্থহীন সুস্পষ্ট এইগুলোই কিতাবের মূল। আর কতক হল মুতাশাবিহাত রূপক (৩ঃ ৭)
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা যখন ঐ সব লোকদের দেখবে যারা মুতাশাবিহাত আয়াতসমূহের অনুসরণ করছে তখন জানবে এরাই তারা যাদের সম্বন্ধে আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (৩ঃ ৭ আয়াত দ্রষ্টব্য) উল্লেখ করেছেন। সুতরাং তাদের থেকে তোমরা বেঁচে যাবে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়্যূব ... ইবন আবূ মূলায়কা সূত্রেও এই হাদীসটি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত আছে। ইবন আবূ মূলায়কা ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে একাধিক রাবী এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাদের সনদে কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর উল্লেখ নেই। এই হাদীসে ইয়াযীদ ইবন ইবরাহীম (রহঃ)-ই কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর উল্লেখ করেছেন। ইবন আবূ মূলায়কা (রহঃ) হলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ মূলায়কা। তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও সরাসরি হাদীস শুনেছেন।
হাদিস নং: ২৯৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد، حدثنا سفيان، عن ابيه، عن ابي الضحى، عن مسروق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان لكل نبي ولاة من النبيين وان وليي ابي وخليل ربي " . ثم قرا : (ان اولى الناس بابراهيم للذين اتبعوه وهذا النبي والذين امنوا والله ولي المومنين ).
حدثنا محمود، حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن ابيه، عن ابي الضحى، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ولم يقل فيه عن مسروق . قال ابو عيسى هذا اصح من حديث ابي الضحى عن مسروق وابو الضحى اسمه مسلم بن صبيح .
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ابيه، عن ابي الضحى، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث ابي نعيم وليس فيه عن مسروق .
حدثنا محمود، حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن ابيه، عن ابي الضحى، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ولم يقل فيه عن مسروق . قال ابو عيسى هذا اصح من حديث ابي الضحى عن مسروق وابو الضحى اسمه مسلم بن صبيح .
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ابيه، عن ابي الضحى، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث ابي نعيم وليس فيه عن مسروق .
২৯৯৫. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্যই নবীদের থেকে একজন অভিভাবক থাকেন। আমার অভিভাবক হলেন আমার পিতা এবং পরওয়ারদিগারের খালীল ইবরাহীম। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ
إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُوهُ وَهَذَا النَّبِيُّ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَاللَّهُ وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ
মানুষের মধ্যে ইবরাহীমের ঘনিষ্ঠতম হল তারা যারা ইবরাহীমের অনুসরণ করেছে এবং এই নবী ও যারা ঈমান এনেছে। আর আল্লাহ্ই মুমিনদের অভিভাবর (৩ঃ৬৮)।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৫৭৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মাহমূদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে মাসরূক (রহঃ)-এর উল্লেখ নেই। আবুয যুহা মাসরুক সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়ত অপেক্ষা এটি অধিক সহীহ। আবুয যুহা (রহঃ) এর নাম হল মুসলিম ইবন সুবায়হ।
আবূ কুরায়ব (রহঃ) আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ নুআয়ম (রহঃ) এর হাদীছের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে মাসরূকের উল্লেখ নেই।
إِنَّ أَوْلَى النَّاسِ بِإِبْرَاهِيمَ لَلَّذِينَ اتَّبَعُوهُ وَهَذَا النَّبِيُّ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَاللَّهُ وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ
মানুষের মধ্যে ইবরাহীমের ঘনিষ্ঠতম হল তারা যারা ইবরাহীমের অনুসরণ করেছে এবং এই নবী ও যারা ঈমান এনেছে। আর আল্লাহ্ই মুমিনদের অভিভাবর (৩ঃ৬৮)।
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৫৭৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মাহমূদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে মাসরূক (রহঃ)-এর উল্লেখ নেই। আবুয যুহা মাসরুক সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়ত অপেক্ষা এটি অধিক সহীহ। আবুয যুহা (রহঃ) এর নাম হল মুসলিম ইবন সুবায়হ।
আবূ কুরায়ব (রহঃ) আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ নুআয়ম (রহঃ) এর হাদীছের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে মাসরূকের উল্লেখ নেই।
হাদিস নং: ২৯৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن شقيق بن سلمة، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف على يمين هو فيها فاجر ليقتطع بها مال امرى مسلم لقي الله وهو عليه غضبان " . فقال الاشعث بن قيس في والله كان ذلك كان بيني وبين رجل من اليهود ارض فجحدني فقدمته الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " الك بينة " . فقلت لا . فقال لليهودي " احلف " . فقلت يا رسول الله اذا يحلف فيذهب بمالي فانزل الله تبارك وتعالى: ( ان الذين يشترون بعهد الله وايمانهم ثمنا قليلا ) الى اخر الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفي الباب عن ابن ابي اوفى .
২৯৯৬. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিমের সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কেউ যদি মিথ্যা কসম করে তবে আল্লাহর সঙ্গে এমনভাবে সাক্ষাৎ করবে যে, তিনি তার উপর রাগাম্বিত থাকবেন।
আশআছ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আল্লাহর কসম, আমার বিষয়েই এটি নাযিল হয়েছিল। আমার ও এক ইয়াহূদীর মাঝে একটা যমীন ছিল। কিন্তু সে ব্যক্তি আমার হিস্যা অস্বীকার করে। তখন আমি বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলাম, তিনি বললেনঃ তোমার কোন সাক্ষী আছে কি? আমি বললামঃ না।
তিনি ইয়াহূদীটিকে বললেনঃ তুমি কসম করে বল। আমি বললামঃ তা হলে তো সে কসম করে ফেলবে। আর মাল নিয়ে যাবে। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করলেনঃ
إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً
যারা আল্লাহ্ সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে এরা তারা পরকালে যাদের কোন অংশ নেই। (৩ঃ ৭৭)।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৩২৩, বুখারি ৪৫৫০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে ইবন আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
আশআছ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আল্লাহর কসম, আমার বিষয়েই এটি নাযিল হয়েছিল। আমার ও এক ইয়াহূদীর মাঝে একটা যমীন ছিল। কিন্তু সে ব্যক্তি আমার হিস্যা অস্বীকার করে। তখন আমি বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলাম, তিনি বললেনঃ তোমার কোন সাক্ষী আছে কি? আমি বললামঃ না।
তিনি ইয়াহূদীটিকে বললেনঃ তুমি কসম করে বল। আমি বললামঃ তা হলে তো সে কসম করে ফেলবে। আর মাল নিয়ে যাবে। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করলেনঃ
إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً
যারা আল্লাহ্ সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে এরা তারা পরকালে যাদের কোন অংশ নেই। (৩ঃ ৭৭)।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৩২৩, বুখারি ৪৫৫০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এই বিষয়ে ইবন আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الله بن بكر السهمي، حدثنا حميد، عن انس، قال لما نزلت هذه الاية : (لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون) او : (من ذا الذي يقرض الله قرضا حسنا) قال ابو طلحة وكان له حاىط فقال يا رسول الله حاىطي لله ولو استطعت ان اسره لم اعلنه . فقال " اجعله في قرابتك او اقربيك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد رواه مالك بن انس عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة عن انس بن مالك .
২৯৯৭. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তালহার একটি বাগান ছিলঃ
(لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ) أَوْ : (مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا)
’তোমরা যা ভালবাস তা থেকে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনও পূণ্য লাভ করতে পারবে না’ (৩ঃ ৯২) অথবা কে সে যে আল্লাহ কে উত্তম ঋণ প্রদান করবে? (২ঃ ২৪৫) আয়াতটি নাযিল হলে আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমার এই বাগানটি আল্লাহর জন্য দান করলাম। গোপনে এটি আল্লাহর পথে দিতে পারলে সে কথা প্রকাশ করতাম না। তিনি বললেনঃ তোমার নিকট-আত্মীয়দের দিয়ে দাও। অথবা বললেন, অধিক নিকট-আত্মীয়দের দিয়ে দাও।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৪৮২, বুখারি ৪৫৫৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে ইসহাক ইবন আবদুল্লাহ্ আবূ তালহা-আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বণানা করেছেন।
(لَنْ تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ) أَوْ : (مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا)
’তোমরা যা ভালবাস তা থেকে ব্যয় না করা পর্যন্ত তোমরা কখনও পূণ্য লাভ করতে পারবে না’ (৩ঃ ৯২) অথবা কে সে যে আল্লাহ কে উত্তম ঋণ প্রদান করবে? (২ঃ ২৪৫) আয়াতটি নাযিল হলে আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমার এই বাগানটি আল্লাহর জন্য দান করলাম। গোপনে এটি আল্লাহর পথে দিতে পারলে সে কথা প্রকাশ করতাম না। তিনি বললেনঃ তোমার নিকট-আত্মীয়দের দিয়ে দাও। অথবা বললেন, অধিক নিকট-আত্মীয়দের দিয়ে দাও।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৪৮২, বুখারি ৪৫৫৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে ইসহাক ইবন আবদুল্লাহ্ আবূ তালহা-আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বণানা করেছেন।
হাদিস নং: ২৯৯৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا ابراهيم بن يزيد، قال سمعت محمد بن عباد بن جعفر المخزومي، يحدث عن ابن عمر، قال قام رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال من الحاج يا رسول الله قال " الشعث التفل " . فقام رجل اخر فقال اى الحج افضل قال " العج والثج " . فقام رجل اخر فقال ما السبيل يا رسول الله قال " الزاد والراحلة " . قال ابو عيسى هذا حديث لا نعرفه من حديث ابن عمر الا من حديث ابراهيم بن يزيد الخوزي المكي . وقد تكلم بعض اهل الحديث في ابراهيم بن يزيد من قبل حفظه .
২৯৯৮. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে দাঁড়িয়ে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! প্রকৃত হাজী কে? তিনি বললেনঃ যে ধুলি ধূসর আলু থালু কেশধারী ও অপরিচ্ছন্ন লোক। আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! হজ্জের কোন হজ্জটি উত্তম? তিনি বললেনঃ তালবিয়্যার উচ্ছস্বর এবং কুরবানীর রক্ত প্রবাহ। অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সাবীল - রাস্তা (এর সামর্থ্য) কি? তিনি বললেনঃ (মক্কা পর্যন্ত আসা-যাওয়ার মত) পাথেয় এবং বাহন।
খুবই দুর্বল তবে "তালবিয়্যার উচ্ছস্বর এবং কুরবানীর রক্ত প্রবাহ" এই অংশটুকু সহিহ। ইবনু মাজাহ ২৮৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবরাহীম ইবন ইয়াযীদ খওযী মক্কী (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। কোন কোন হাদীসবিদ স্মরণ শক্তির দিক দিয়ে ইবরাহীম ইবন ইয়াযীদের সমালোচনা করেছেন।
খুবই দুর্বল তবে "তালবিয়্যার উচ্ছস্বর এবং কুরবানীর রক্ত প্রবাহ" এই অংশটুকু সহিহ। ইবনু মাজাহ ২৮৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবরাহীম ইবন ইয়াযীদ খওযী মক্কী (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। কোন কোন হাদীসবিদ স্মরণ শক্তির দিক দিয়ে ইবরাহীম ইবন ইয়াযীদের সমালোচনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৯৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن بكير بن مسمار، هو مدني ثقة عن عامر بن سعد بن ابي وقاص، عن ابيه، قال لما انزل الله هذه الاية : ( ندع ابناءنا وابناءكم ) دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا وفاطمة وحسنا وحسينا فقال " اللهم هولاء اهلي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح .
২৯৯৯. কুতায়বা (রহঃ) ..... আমির ইবন সা’দ তার পিতা সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, (نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ) ’আমরা আহবান করি আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের আমাদের নারীদের এবং তোমাদের নারীদের (৩ঃ ৬১), আয়াত নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসায়নকে ডাকলেন এবং বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! এরা আমার পরিজন।
হাদীসটি হাসান-সহীহ গারীব।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ গারীব।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০০০
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن الربيع بن صبيح، وحماد بن سلمة، عن ابي غالب، قال راى ابو امامة رءوسا منصوبة على درج مسجد دمشق فقال ابو امامة " كلاب النار شر قتلى تحت اديم السماء خير قتلى من قتلوه " . ثم قرا : ( يوم تبيض وجوه وتسود وجوه ) الى اخر الاية قلت لابي امامة انت سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لو لم اسمعه الا مرة او مرتين او ثلاثا او اربعا حتى عد سبعا ما حدثتكموه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن وابو غالب يقال اسمه حزور وابو امامة الباهلي اسمه صدى بن عجلان وهو سيد باهلة .
৩০০০. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবূ গালিব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু দামেশকের সিঁড়িতে (খারিজীদের কর্তিত) কিছু মাথা রক্ষিত দেখত পেলেন। তিনি বললেনঃ এরা হল জাহান্নামের কুকুর। এরা আসমানের নীচে সবচেয়ে নিকৃষ্ট নিহত ব্যক্তি। আর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিহত ব্যক্তি হল যাদের এরা হত্যা করেছে। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ
يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ
সেদিন (কিয়ামতের দিন) কতক মুখ হবে উজ্জ্বল আর কতক মুখ হবে কাল (৩ঃ ১০৬) আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
আমি আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহ কে বললাম, আপনি কি নিজে তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি যদি তা একবার, দু’বার, তিনবার, চারবার এরূপ সাতবার গণনা করলেন-রাসূলুল্লাহ্ থেকে না শুনতাম তবে তোমাদের কাছে তা বর্ণনা করতাম না।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৭৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। আবূ গালিব (রহঃ) এর নাম হল হাযাওয়ার। আবূ উমাম বাহিলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল সুদায়া ইবন আজলান। তিনি ছিলেন বাহিলা গোত্রের সরদার।
يَوْمَ تَبْيَضُّ وُجُوهٌ وَتَسْوَدُّ وُجُوهٌ
সেদিন (কিয়ামতের দিন) কতক মুখ হবে উজ্জ্বল আর কতক মুখ হবে কাল (৩ঃ ১০৬) আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
আমি আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহ কে বললাম, আপনি কি নিজে তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি যদি তা একবার, দু’বার, তিনবার, চারবার এরূপ সাতবার গণনা করলেন-রাসূলুল্লাহ্ থেকে না শুনতাম তবে তোমাদের কাছে তা বর্ণনা করতাম না।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৭৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। আবূ গালিব (রহঃ) এর নাম হল হাযাওয়ার। আবূ উমাম বাহিলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল সুদায়া ইবন আজলান। তিনি ছিলেন বাহিলা গোত্রের সরদার।
হাদিস নং: ৩০০১
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن بهز بن حكيم، عن ابيه، عن جده، انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول في قوله : (كنتم خير امة اخرجت للناس) قال " انكم تتمون سبعين امة انتم خيرها واكرمها على الله " . هذا حديث حسن . وقد روى غير واحد هذا الحديث عن بهز بن حكيم نحو هذا ولم يذكروا فيه ( كنتم خير امة اخرجت للناس ) .
৩০০১. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... বাহয ইবন হাকীম তার পিতা তার পিতামহ থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর বাণীঃ (كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ) তোমরা শ্রেষ্ঠ উম্মত মানুষের কল্যাণে তোমাদের আবির্ভাব (৩ঃ ১১০)’ প্রসঙ্গে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা হলে সত্তর উম্মত পূর্ণকারী। তোমরা হলে এর মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মর্যাদাবান।
হাসান, ইবনু মাজাহ ৪২৮৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। একাধিক রাবীূ বাহয ইবন হাকীম (রহঃ) এর সূত্রে এই হাদীসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তারা এতে (كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ) আয়াতটির উল্লেখ করেননি।
হাসান, ইবনু মাজাহ ৪২৮৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। একাধিক রাবীূ বাহয ইবন হাকীম (রহঃ) এর সূত্রে এই হাদীসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তারা এতে (كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ) আয়াতটির উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ৩০০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا حميد، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم كسرت رباعيته يوم احد وشج وجهه شجة في جبهته حتى سال الدم على وجهه فقال " كيف يفلح قوم فعلوا هذا بنبيهم وهو يدعوهم الى الله " . فنزلت : ( ليس لك من الامر شيء او يتوب عليهم او يعذبهم ) الى اخرها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০০২. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উহুদ যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনের চারটি দাঁত শহীদ হয়ে যায় এবং তাঁর চেহারার কপালে আঘাত লাগে। এমনকি তাঁর চেহারায় রক্ত প্রবাহিত হয়। তখন তিনি বললেনঃ এই সম্প্রদায় কিভাবে সফলতা লাভ করবে, যারা তাদের নবীর সঙ্গে এই আচরণ করে! অথচ নবী তাদের আল্লাহর দিকে আহবান জানাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ
এ ব্যাপারে আপনাকে কোন কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি। আল্লাহ্ তাদের তওবার সযোগে দিবেন বা তাদের শাস্তি দিবেন ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১২৮)
সহীহ, মুসলিম ৫/১৭৯, বুখারি মু’আল্লাকরূপে ৭/৩৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ
এ ব্যাপারে আপনাকে কোন কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি। আল্লাহ্ তাদের তওবার সযোগে দিবেন বা তাদের শাস্তি দিবেন ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১২৮)
সহীহ, মুসলিম ৫/১৭৯, বুখারি মু’আল্লাকরূপে ৭/৩৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، وعبد بن حميد، قالا حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا حميد، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم شج في وجهه وكسرت رباعيته ورمي رمية على كتفه فجعل الدم يسيل على وجهه وهو يمسحه ويقول " كيف تفلح امة فعلوا هذا بنبيهم وهو يدعوهم الى الله " . فانزل الله تعالى : (ليس لك من الامر شيء او يتوب عليهم او يعذبهم فانهم ظالمون ) . سمعت عبد بن حميد يقول غلط يزيد بن هارون في هذا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০০৩. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা (উহুদের দিন) যখমী হয়ে যায়, তাঁর সামনের দাঁত ভেঙ্গে যায় এবং তাঁর কাঁধে তীরের আঘাত লাগে। এতে তাঁর চেহারায় রক্ত প্রবাহিত হতে লাগল। তিনি তা মুছতে ছিলেন এবং বলছিলেনঃ কিভাবে এই সম্প্রদায় সফল হবে যারা তাদের নবীর সঙ্গে এই আচরণ করল! অথচ তিনি তাদের আল্লাহর দিকে ডাকছেন। আল্লাহ্ তা’আলা তখন এই আয়াত নাযিল করেনঃ
لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
’এ ব্যাপারে আপনাকে কোন কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি। আল্লাহ্ তাঁদের তওবার সুযোগ দিবেন কিংবা তাদের শাস্তি দিবেন, কেননা তারা জালিম।’ (৩ঃ ১২৮)
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
’এ ব্যাপারে আপনাকে কোন কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি। আল্লাহ্ তাঁদের তওবার সুযোগ দিবেন কিংবা তাদের শাস্তি দিবেন, কেননা তারা জালিম।’ (৩ঃ ১২৮)
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو الساىب، سلم بن جنادة بن سلم الكوفي حدثنا احمد بن بشير، عن عمر بن حمزة، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم احد " اللهم العن ابا سفيان اللهم العن الحارث بن هشام اللهم العن صفوان بن امية " . قال فنزلت : (ليس لك من الامر شيء او يتوب عليهم او يعذبهم ) فتاب الله عليهم فاسلموا فحسن اسلامهم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب يستغرب من حديث عمر بن حمزة عن سالم عن ابيه .
৩০০৪. আবূ সাইব সালম ইবন জুনাদা ইবন সালম কূফী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণির্ত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ যুদ্ধের দিন বলেছিলেনঃ আয় আল্লাহ্! আবূ সুফইয়ানকে লানত কর, হারিছ ইবন হিশামকে লানত কর, সাফওয়ান ইবন উমাইয়াকে লানত কর। তখন এই আয়াত (৩ঃ ১২৮) لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ নাযিল হয়ঃ (৩ঃ১২৮)
পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের তওবার তাওফীক দেন এবং তাঁরা ইসলাম গ্রহণ করেন। তাদের ইসলামী জীবন ছিল চমৎকার।
সহীহ, বুখারি ৪০৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। উমর ইবন হামযা-সালিম সূত্রের হাদীসটিকে গারীব গণ্য কার হয়। যুহরী (রহঃ)-ও সালিম-তাঁর পিতা ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন।
পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের তওবার তাওফীক দেন এবং তাঁরা ইসলাম গ্রহণ করেন। তাদের ইসলামী জীবন ছিল চমৎকার।
সহীহ, বুখারি ৪০৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। উমর ইবন হামযা-সালিম সূত্রের হাদীসটিকে গারীব গণ্য কার হয়। যুহরী (রহঃ)-ও সালিম-তাঁর পিতা ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩০০৫
হাসান (Hasan)
حدثنا يحيى بن حبيب بن عربي البصري، حدثنا خالد بن الحارث، عن محمد بن عجلان، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو على اربعة نفر فانزل الله : (ليس لك من الامر شيء او يتوب عليهم او يعذبهم فانهم ظالمون ) فهداهم الله للاسلام . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح يستغرب من هذا الوجه من حديث نافع عن ابن عمر ورواه يحيى بن ايوب عن ابن عجلان .
৩০০৫. ইয়াহ্ইয়া ইবন হাবীব ইবন আরাবী বাসরী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারজনের জন্য বদ দু’আ করেছিলেন। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ (لَيْسَ لَكَ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ) (৩ঃ১২৮)।
অনন্তর আল্লাহ্ তা’আলা তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে হিদায়াত দান করেন।
হাসান সহীহ, বুখারি ৪০৬৯, ৪০৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। নাফি’ ... ইবন উমর সনদে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে এটিকে গারীব গণ্য করা হয়। ইয়াহ্ইয়া ইবন আয়্যূব (রহঃ) এটি ইবন আজলান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
অনন্তর আল্লাহ্ তা’আলা তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে হিদায়াত দান করেন।
হাসান সহীহ, বুখারি ৪০৬৯, ৪০৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। নাফি’ ... ইবন উমর সনদে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে এটিকে গারীব গণ্য করা হয়। ইয়াহ্ইয়া ইবন আয়্যূব (রহঃ) এটি ইবন আজলান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩০০৬
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن عثمان بن المغيرة، عن علي بن ربيعة، عن اسماء بن الحكم الفزاري، قال سمعت عليا، يقول اني كنت رجلا اذا سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا نفعني الله منه بما شاء ان ينفعني واذا حدثني رجل من اصحابه استحلفته فاذا حلف لي صدقته وانه حدثني ابو بكر وصدق ابو بكر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما من رجل يذنب ذنبا ثم يقوم فيتطهر ثم يصلي ثم يستغفر الله الا غفر له " . ثم قرا هذه الاية : (والذين اذا فعلوا فاحشة او ظلموا انفسهم ذكروا الله فاستغفروا ) الى اخر الاية . قال ابو عيسى هذا حديث قد رواه شعبة وغير واحد عن عثمان بن المغيرة فرفعوه ورواه مسعر وسفيان عن عثمان بن المغيرة فلم يرفعاه وقد رواه بعضهم عن مسعر فاوقفه ورفعه بعضهم ورواه سفيان الثوري عن عثمان بن المغيرة فاوقفه ولا نعرف لاسماء بن الحكم حديثا الا هذا .
৩০০৬. কুতায়বা (রহঃ) ..... আসমা ইবন হাকাম ফাযারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছি যে, আমি এমন ব্যক্তি ছিলাম যে, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোন হাদীস শুনতাম, তখন এর দ্বারা আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে যে উপকার পৌঁছাতে ইচ্ছা করতেন, সে উপকার আমি লাভ করতাম। আর যদি তাঁর সাহাবীদের কেউ আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করত তবে আমি তার কাছ থেকে হলফ নিতাম। সে হলফ করলে আমি তাকে বিশ্বাস করতাম। আর আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার কাছে একটি হাদীস বর্ণনা করেন এবং আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তো ছিলেন সত্যবাদী। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কোন ব্যক্তি যদি গুনাহ্ করে ফেলে, এরপর সে উঠে তাহারাত হাসিল করে এর পরে সালাত (নামায) আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ্ তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেন। এরপর তিনি এই আয়াত পাঠ করলেনঃ
وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا
’এবং যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা নিজের প্রতি জুলম প্রতি জুলম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে’ আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৩৫)।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৩৯৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
শু’বা প্রমুখ (রহঃ) এই হাদীসটি উছমান ইবনুল মুগীরা সূত্রে মারফু’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। মিসআর এবং সুফইয়ান (রহঃ) এটি উছমান ইবন মুগীরা সূত্রে রিওয়ায়ত করেছেন। কিন্তু তাঁর মারফূ’ রূপে বর্ণনা করেননি। এই হাদীসটি ছাড়া আসমা (রহঃ) এর আর কোন হাদীস আমাদের জানা নেই।
وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا
’এবং যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা নিজের প্রতি জুলম প্রতি জুলম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে’ আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৩৫)।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৩৯৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
শু’বা প্রমুখ (রহঃ) এই হাদীসটি উছমান ইবনুল মুগীরা সূত্রে মারফু’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। মিসআর এবং সুফইয়ান (রহঃ) এটি উছমান ইবন মুগীরা সূত্রে রিওয়ায়ত করেছেন। কিন্তু তাঁর মারফূ’ রূপে বর্ণনা করেননি। এই হাদীসটি ছাড়া আসমা (রহঃ) এর আর কোন হাদীস আমাদের জানা নেই।
হাদিস নং: ৩০০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس، عن ابي طلحة، قال رفعت راسي يوم احد فجعلت انظر وما منهم يومىذ احد الا يميد تحت حجفته من النعاس فذلك قوله عز وجل : (فانزل عليكم من بعد الغم امنة نعاسا ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن حماد بن سلمة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن الزبير، مثله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن حماد بن سلمة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن الزبير، مثله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০০৭. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উহুদের দিন আমি মাথা তুলে তাকাতে লাগলাম। ঐ দিন এমন কেউ ছিল না, যে তার ঢালের আড়ালে তন্দ্রায় ঝিমুচ্ছিল না। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ (ثم انزل عَلَيْكُمْ مِنْ بَعْدِ الْغَمِّ أَمَنَةً نُعَاسًا) আর দুশ্চিন্তার পর আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের উপর নাযিল করলেন প্রশান্তি তন্দ্রারূপে (৩ঃ ১৫৪)।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ... যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ... যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن حماد، حدثنا عبد الاعلى بن عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن انس، ان ابا طلحة، قال غشينا ونحن في مصافنا يوم احد حدث انه كان فيمن غشيه النعاس يومىذ قال فجعل سيفي يسقط من يدي واخذه ويسقط من يدي واخذه والطاىفة الاخرى المنافقون ليس لهم هم الا انفسهم اجبن قوم وارعبه واخذله للحق . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০০৮. ইউসুফ ইবন হাম্মাদ (রহঃ) ..... আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা উহুদের দিন যুদ্ধের ময়দানেই তন্দ্রাভিভূত হয়ে পড়েছিলাম। তিনি আরো বলেনঃ ঐ দিন তন্দ্রা যাদের আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল তিনি তাদের অন্যতম ছিলেন। তিনি বলেন, আমার তরবারী হাত থেকে পড়ে যায়। আমি তা তুলে নেই। আবার হাত থেকে পড়ে যায় আবার তা তুলে নেই। আরেক দল ছিল মুনাফিকদের। তাদের নিজেদের ছাড়া আর কোন চিন্তা ছিল না। এরা ছিল সবচেয়ে ভীরু। সবচেয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষ পরিত্যাগকারী সম্প্রদায়।
সহীহ, বুখারি ৪০৮৬, ৪৫৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৪০৮৬, ৪৫৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن خصيف، حدثنا مقسم، قال قال ابن عباس نزلت هذه الاية : ( وما كان لنبي ان يغل ) في قطيفة حمراء افتقدت يوم بدر . فقال بعض الناس لعل رسول الله صلى الله عليه وسلم اخذها فانزل الله كان لنبي ان يغل ) الى اخر الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روى عبد السلام بن حرب عن خصيف نحو هذا وروى بعضهم هذا الحديث عن خصيف عن مقسم ولم يذكر فيه عن ابن عباس .
৩০০৯. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এই আয়াতটি নাযিল হয়ঃ (مَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَغُلَّ) ’গোপনে খেয়ানত করা নবীর দ্বারা সংঘটিত হতে পারে না (৩ঃ ১৬১)।’ একটি লাল চাদরের বিষয়ে। বদরের দিন এই চাদরটি হারিয়ে যায়। কিছু লোক বলতে লাগল যে, হয়ত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটি নিয়েছেন। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ (مَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَغُلَّ) আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
সহীহ, সহীহাহ ২৭৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। আবদুস সালাম ইবন হারব (রহঃ) খুসায়ফ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে খুসায়ফ ... মিকসাম (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
সহীহ, সহীহাহ ২৭৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। আবদুস সালাম ইবন হারব (রহঃ) খুসায়ফ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে খুসায়ফ ... মিকসাম (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।