হাদিস নং: ৩৩৩০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرني شبابة، عن اسراىيل، عن ثوير، قال سمعت ابن عمر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان ادنى اهل الجنة منزلة لمن ينظر الى جنانه وازواجه وخدمه وسرره مسيرة الف سنة واكرمهم على الله من ينظر الى وجهه غدوة وعشية " . ثم قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم : (وجوه يومىذ ناضرة * الى ربها ناظرة ) . قال ابو عيسى هذا حديث غريب قد رواه غير واحد عن اسراىيل مثل هذا مرفوعا . وروى عبد الملك بن ابجر عن ثوير عن ابن عمر قوله ولم يرفعه .
وروى الاشجعي، عن سفيان، عن ثوير، عن مجاهد، عن ابن عمر، قوله ولم يرفعه ولا نعلم احدا ذكر فيه عن مجاهد غير الثوري .
وروى الاشجعي، عن سفيان، عن ثوير، عن مجاهد، عن ابن عمر، قوله ولم يرفعه ولا نعلم احدا ذكر فيه عن مجاهد غير الثوري .
৩৩৩০. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সবচেয়ে কম দরজার জান্নাতী যে, সেও যখন তার উদ্যান, সঙ্গিণী ও চাকর-নফরদের এবং আনন্দ সুখের দিকে লক্ষ করবে, তখন তাও পাবে হাজার বছরের পথ জুড়ে বিস্তৃত। আল্লাহ তা’আলার নিকট যে জান্নাতী সবচেয়ে সন্মানিত হবে, সে সকাল ও সন্ধ্যা তাঁর চেহারার দীদার লাভ করবে। এর পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেলাওয়াত করলেনঃ (وجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ * إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ) - সে দিন বহু চেহারা হবে উজ্জ্বল,তারা তাকিয়ে থাকবে তাদের রবেবর দিকে। (সূরা কিয়ামা ৭৪ঃ ২২-২৩)
যঈফ, যঈফা ১৯৮৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এটি ইসরাঈল (রহঃ) এর বারাতে একাধিক রাবী মারফু’রূপে বর্ণনা করেছেন। আবদুল মালিক ইবন জাবির (রহঃ) এটি ছুওয়ায়র ... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফু’ করেননি। আশজাঈ (রহঃ) এটি সুফয়ান-ছুওয়ায়র-মুজাহিদ ... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফু’ করেননি। ছাওরী (রহঃ) ছাড়া আর কেউ এই সনদে মুজাহিদ (রহঃ) এর উল্লেখ করেছেন বলে আমরা জানি না।
যঈফ, যঈফা ১৯৮৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এটি ইসরাঈল (রহঃ) এর বারাতে একাধিক রাবী মারফু’রূপে বর্ণনা করেছেন। আবদুল মালিক ইবন জাবির (রহঃ) এটি ছুওয়ায়র ... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফু’ করেননি। আশজাঈ (রহঃ) এটি সুফয়ান-ছুওয়ায়র-মুজাহিদ ... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফু’ করেননি। ছাওরী (রহঃ) ছাড়া আর কেউ এই সনদে মুজাহিদ (রহঃ) এর উল্লেখ করেছেন বলে আমরা জানি না।
হাদিস নং: ৩৩৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الاموي، حدثني ابي قال، هذا ما عرضنا على هشام بن عروة عن ابيه، عن عاىشة، قالت انزل : ( عبس وتولى ) في ابن ام مكتوم الاعمى اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يقول يا رسول الله ارشدني وعند رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل من عظماء المشركين فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يعرض عنه ويقبل على الاخر ويقول اترى بما اقول باسا فيقال لا . ففي هذا انزل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وروى بعضهم هذا الحديث عن هشام بن عروة عن ابيه قال انزل : ( عبس وتولى ) في ابن ام مكتوم . ولم يذكر فيه عن عاىشة .
৩৩৩১. সাঈদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল উমাবী (রহঃ) .... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ ’আবাসা’ সূরাটি ইবন উম্ম মাকতুম রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছিল। তিনি একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলতে লাগলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে সত্যপথের সঠিক পথ-নির্দেশ করুন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কয়েকজন মুশরিক অধিপতি ছিল। তাই তিনি তাকে উপেক্ষা করে অন্য একজনের দিকে মনোযোগী হয়ে লোকটিকে বলেছিলেনঃ আপনি আমার বক্তব্যে দোষের কিছু দেখেছেন কি? লোকটি বলেছিলঃ না। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সূরাটি নাযিল হয়।
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী এ হাদীসটিকে হিশাম ইবন উরওয়া তার পিতা উরওয়া (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেনঃ আবাসা ওয়াতাওয়াল্লা সূরাটি ইবন উম্ম মাকতুমের ঘটনায় নাযিল হয়েছে। এই সনদে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর উল্লেখ নেই।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী এ হাদীসটিকে হিশাম ইবন উরওয়া তার পিতা উরওয়া (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেনঃ আবাসা ওয়াতাওয়াল্লা সূরাটি ইবন উম্ম মাকতুমের ঘটনায় নাযিল হয়েছে। এই সনদে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর উল্লেখ নেই।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৩২
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن الفضل، حدثنا ثابت بن يزيد، عن هلال بن خباب، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تحشرون حفاة عراة غرلا " . فقالت امراة ايبصر او يرى بعضنا عورة بعض قال " يا فلانة: (لكل امرى منهم يومىذ شان يغنيه ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح قد روي من غير وجه عن ابن عباس
৩৩৩২. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেনঃ খালি পা, বিবস্ত্র এবং খতনাহীন আবস্থায় তোমাদের হাশর হবে। তিনি বললেনঃ হে অমুক! (لكلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُغْنِيهِ) - সেদিন প্রত্যেকেরই এমন গুরত্বর অবস্থা হবে যা তাকে সম্পূর্ণরূপে (নিজের ব্যাপারে) ব্যস্ত করে রাখবে। (সূরা আবাসা ৮০ঃ ৩৭)।
হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবন আব্বাস থেকে এটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইবন আব্বাস থেকে এটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا عبد الله بن بحير، عن عبد الرحمن، وهو ابن يزيد الصنعاني قال سمعت ابن عمر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سره ان ينظر الى يوم القيامة كانه راى عين فليقرا ( اذا الشمس كورت ) و (اذا السماء انفطرت ) و (اذا السماء انشقت ) " .
৩৩৩৩. আব্বাস ইবন আবদুল আযীয আল-আম্বারী (রহঃ) .... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেয়ামত দিবসের দৃশ্য চাক্ষুস দেখার মত দেখতে পছন্দ করে সে যেন (إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ) এবং (إِذَا السَّمَاءُ انْفَطَرَتْ) আর (إذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ) সূরাগুলো পাঠ করে।
সহীহ, সহীহ হাদিস সিরিজ ১০৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সহীহ, সহীহ হাদিস সিরিজ ১০৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৩৪
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان العبد اذا اخطا خطيىة نكتت في قلبه نكتة سوداء فاذا هو نزع واستغفر وتاب سقل قلبه وان عاد زيد فيها حتى تعلو قلبه وهو الران الذي ذكر الله : (كلا بل ران على قلوبهم ما كانوا يكسبون) " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৩৪. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দা যখন কোন গুনাহ করে তখন তার হৃদয়ে একটি কাল দাগ পড়ে। পরে যখন সে গুনাহ থেকে বিরত হয় এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে ও তাওবা করে তখন তার হৃদয় উজ্জ্বল হয়ে যায়। কিন্তু সে যদি পুনরাবৃত্তি করে তবে কাল দাগ বৃদ্ধি পায়। এমনকি তার হৃদয়ের উপর তা প্রবল হয়ে উঠে। এই আবস্থাটিকেই আল্লাহ তা’আলা রা’ন (মরচে পড়া) বলে উল্লেখ করেছেনঃ (كلاَّ بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ) - কখনও নয়, বরং এদের কৃতকর্মেও দরুন এদের হৃদয়ে জং ধরেছে। (সূরা মুতাফফিফীন ৮৩ঃ ১৪)।
হাসান, আত তা’লীকুর রাগীব ২/২৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাসান, আত তা’লীকুর রাগীব ২/২৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن درست، - بصري - حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال حماد هو عندنا مرفوع : (يوم يقوم الناس لرب العالمين ) قال يقومون في الرشح الى انصاف اذانهم .
৩৩৩৫. ইয়হইয়া ইবন দুরস্ত বাসরী (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণীঃ (يوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ) - যে দিন সব মানুষ রাব্বুল আলামীনের সম্মুখে দাঁড়াবে (সূরা মুতাফফিফীন ৮৩ঃ ৬) এ প্রসঙ্গে তিনি বলেনঃ কানের অর্ধক পর্যন্ত ঘামের মাঝে তারা এক একজন দাঁড়িয়ে থাকবে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
বর্ণনাকারী হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি আমাদের কাছে মারফু।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
বর্ণনাকারী হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি আমাদের কাছে মারফু।
হাদিস নং: ৩৩৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عيسى بن يونس، عن ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم : ( يوم يقوم الناس لرب العالمين ) قال " يقوم احدهم في الرشح الى انصاف اذنيه " . قال هذا حديث حسن صحيح . وفيه عن ابي هريرة .
৩৩৩৬. হান্নাদ (রহঃ) .... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণী (يومَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ) - যে দিন সব মানুষ রাব্বুল আলামীনের সন্মুখে দাঁড়াবে (৮৩ঃ ৪) প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কানের আর্ধক পর্যন্ত ঘামের মাঝে এরা দাঁড়িয়ে থকবে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৩৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الاسود، عن ابن ابي مليكة، عن عاىشة، قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " من نوقش الحساب هلك " . قلت يا رسول الله ان الله يقول : (فاما من اوتي كتابه بيمينه ) الى قوله : ( خبيرا ) قال " ذلك العرض " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عثمان بن الاسود، بهذا الاسناد نحوه .
حدثنا محمد بن ابان، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن ايوب، عن ابن ابي مليكة، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عثمان بن الاسود، بهذا الاسناد نحوه .
حدثنا محمد بن ابان، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن ايوب، عن ابن ابي مليكة، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
৩৩৩৭. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যার হিসাবের ব্যাপারে কড়াকড়ি করা হবে, সে ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ তা’আলা তো বলেছেনঃ (فأمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ إِلَى قَوْلِهِ : ىسيرًا) - যার আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে, তার হিসাব হবে আতি সহজ। (৮৪ঃ ৭-৮)। তিনি বললেনঃ এ হবে পেশ করা মাত্র।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান- সহীহ। সুয়াইদ ইবন নসর (রহঃ) ... উসমান ইবন আসওয়াদ (রহঃ) একই সূত্রে আনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন আবান প্রমুখ (রহঃ) আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান- সহীহ। সুয়াইদ ইবন নসর (রহঃ) ... উসমান ইবন আসওয়াদ (রহঃ) একই সূত্রে আনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন আবান প্রমুখ (রহঃ) আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৩৩৮
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن عبيد الهمداني، حدثنا علي بن ابي بكر، عن همام، عن قتادة، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حوسب عذب " . قال وهذا حديث غريب لا نعرفه من حديث قتادة عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم الا من هذا الوجه .
৩৩৩৮. মুহাম্মদ ইবন উবায়দ হামদানী (রহঃ) .... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার হিসাবে কড়াকড়ি করা হবে, তাকে আযাব দেওয়া হবে।
কাতাদা-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুসূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া কাতাদা (রহঃ) এর বরাতের আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কাতাদা-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুসূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া কাতাদা (রহঃ) এর বরাতের আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৩৯
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، وعبيد الله بن موسى، عن موسى بن عبيدة، عن ايوب بن خالد، عن عبد الله بن رافع، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اليوم الموعود يوم القيامة واليوم المشهود يوم عرفة والشاهد يوم الجمعة وما طلعت الشمس ولا غربت على يوم افضل منه فيه ساعة لا يوافقها عبد مومن يدعو الله بخير الا استجاب الله له ولا يستعيذ من شر الا اعاذه الله منه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث موسى بن عبيدة . وموسى بن عبيدة يضعف في الحديث ضعفه يحيى بن سعيد وغيره
৩৩৩৯. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (الْيَوْمُ الْمَوْعُود) প্রতিশ্রুত দিন হল কেয়ামতের দিন। (الْيَوْمُ الْمَشْهُودُ) হল আরাফা দিবস এবং (الشَّاهِد) হল জুম’আর দিন।
তিনি আরো বলেনঃ এই (জুম’আর) দিনের চেয়ে উত্তম কোন দিন নাই যার উপর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয়। এ দিনের মাঝে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোন মুমি’ন বান্দা সে মুহূর্তে আল্লাহর কাছে কোন কল্যাণ কামনা করে তবে আল্লাহ তা’আলা তা কবুল করেন। কোন বিষয় যদি সে আল্লাহর কাছে পানাহ চায় তবে তিনি তা থেকে তাক পানাহ দেন।
হাসান, মিশকাত, তাহকিক ছানী ১৩৬২, সহীহ হাদিস সিরিজ ১৫০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মূসা ইবন উবায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্র ছাড়া এ হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মূসা ইবন উবায়দা (রহঃ) হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে যঈফ। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ প্রমুখ (রহঃ) তার স্মরণশক্তির ক্ষেত্রে তাঁকে যঈফ বলেছেন। শু’বা, সুফওয়ান ছাওরী ও আরো অনেক হাদীসের ইমাম মূসা ইবন উবায়দা (রহঃ) এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... মূসা ইবন উবায়দা (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। মুসা ইবন উবায়দা আর রাযী (রহঃ) এর উপনাম হল আবদুল আযীয। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ কাত্তান প্রমুখ তার স্মরণশক্তির ব্যাপারে তাঁর সমালোচনা করেছেন।
তিনি আরো বলেনঃ এই (জুম’আর) দিনের চেয়ে উত্তম কোন দিন নাই যার উপর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয়। এ দিনের মাঝে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোন মুমি’ন বান্দা সে মুহূর্তে আল্লাহর কাছে কোন কল্যাণ কামনা করে তবে আল্লাহ তা’আলা তা কবুল করেন। কোন বিষয় যদি সে আল্লাহর কাছে পানাহ চায় তবে তিনি তা থেকে তাক পানাহ দেন।
হাসান, মিশকাত, তাহকিক ছানী ১৩৬২, সহীহ হাদিস সিরিজ ১৫০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মূসা ইবন উবায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্র ছাড়া এ হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মূসা ইবন উবায়দা (রহঃ) হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে যঈফ। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ প্রমুখ (রহঃ) তার স্মরণশক্তির ক্ষেত্রে তাঁকে যঈফ বলেছেন। শু’বা, সুফওয়ান ছাওরী ও আরো অনেক হাদীসের ইমাম মূসা ইবন উবায়দা (রহঃ) এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... মূসা ইবন উবায়দা (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। মুসা ইবন উবায়দা আর রাযী (রহঃ) এর উপনাম হল আবদুল আযীয। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ কাত্তান প্রমুখ তার স্মরণশক্তির ব্যাপারে তাঁর সমালোচনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩৩৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، وعبد بن حميد، - المعنى واحد قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ثابت البناني، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن صهيب، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا صلى العصر همس - والهمس في قول بعضهم تحرك شفتيه كانه يتكلم فقيل له انك يا رسول الله اذا صليت العصر همست قال . " ان نبيا من الانبياء كان اعجب بامته فقال من يقول لهولاء فاوحى الله اليه ان خيرهم بين ان انتقم منهم وبين ان اسلط عليهم عدوهم فاختار النقمة فسلط عليهم الموت فمات منهم في يوم سبعون الفا " . قال وكان اذا حدث بهذا الحديث حدث بهذا الحديث الاخر . قال " كان ملك من الملوك وكان لذلك الملك كاهن يكهن له فقال الكاهن انظروا لي غلاما فهما او قال فطنا لقنا فاعلمه علمي هذا فاني اخاف ان اموت فينقطع منكم هذا العلم ولا يكون فيكم من يعلمه . قال فنظروا له على ما وصف فامره ان يحضر ذلك الكاهن وان يختلف اليه فجعل يختلف اليه وكان على طريق الغلام راهب في صومعة " . قال معمر احسب ان اصحاب الصوامع كانوا يومىذ مسلمين قال " فجعل الغلام يسال ذلك الراهب كلما مر به فلم يزل به حتى اخبره فقال انما اعبد الله " . قال " فجعل الغلام يمكث عند الراهب ويبطى على الكاهن فارسل الكاهن الى اهل الغلام انه لا يكاد يحضرني فاخبر الغلام الراهب بذلك فقال له الراهب اذا قال لك الكاهن اين كنت فقل عند اهلي . واذا قال لك اهلك اين كنت فاخبرهم انك كنت عند الكاهن " . قال " فبينما الغلام على ذلك اذ مر بجماعة من الناس كثير قد حبستهم دابة " . فقال بعضهم ان تلك الدابة كانت اسدا قال " فاخذ الغلام حجرا قال اللهم ان كان ما يقول الراهب حقا فاسالك ان اقتلها . قال ثم رمى فقتل الدابة . فقال الناس من قتلها قالوا الغلام ففزع الناس وقالوا لقد علم هذا الغلام علما لم يعلمه احد . قال فسمع به اعمى فقال له ان انت رددت بصري فلك كذا وكذا . قال له لا اريد منك هذا ولكن ارايت ان رجع اليك بصرك اتومن بالذي رده عليك قال نعم . قال فدعا الله فرد عليه بصره فامن الاعمى فبلغ الملك امرهم فبعث اليهم فاتي بهم فقال لاقتلن كل واحد منكم قتلة لا اقتل بها صاحبه فامر بالراهب والرجل الذي كان اعمى فوضع المنشار على مفرق احدهما فقتله وقتل الاخر بقتلة اخرى . ثم امر بالغلام فقال انطلقوا به الى جبل كذا وكذا فالقوه من راسه فانطلقوا به الى ذلك الجبل فلما انتهوا به الى ذلك المكان الذي ارادوا ان يلقوه منه جعلوا يتهافتون من ذلك الجبل ويتردون حتى لم يبق منهم الا الغلام " . قال " ثم رجع فامر به الملك ان ينطلقوا به الى البحر فيلقونه فيه فانطلق به الى البحر فغرق الله الذين كانوا معه وانجاه فقال الغلام للملك انك لا تقتلني حتى تصلبني وترميني وتقول اذا رميتني بسم الله رب هذا الغلام . قال فامر به فصلب ثم رماه فقال بسم الله رب هذا الغلام . قال فوضع الغلام يده على صدغه حين رمي ثم مات . فقال اناس لقد علم هذا الغلام علما ما علمه احد فانا نومن برب هذا الغلام . قال فقيل للملك اجزعت ان خالفك ثلاثة فهذا العالم كلهم قد خالفوك . قال فخد اخدودا ثم القى فيها الحطب والنار ثم جمع الناس فقال من رجع عن دينه تركناه ومن لم يرجع القيناه في هذه النار فجعل يلقيهم في تلك الاخدود . قال يقول الله تعالى : (قتل اصحاب الاخدود * النار ذات الوقود ) حتى بلغ : (العزيز الحميد ) " . قال " فاما الغلام فانه دفن " . قال فيذكر انه اخرج في زمن عمر بن الخطاب واصبعه على صدغه كما وضعها حين قتل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৩৩৪০. মুহাম্মদ ইবন গায়লান ও আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত (নামায) আদায় করে ঠোঁট নাড়াচড়া করতেন। তিনি যেন কথা বলছেন। তাঁকে বলা হল ইয়া রাসুলাল্লাহ! আসরের সালাত (নামায) শেষে আপনি যেন চুপে চুপে কথা বলেন?
তিনি বললেন নবীগণের কোন একজন তাঁর উম্মত নিয়ে গৌরববোধ করছিলেন। বলেছিলেনঃ এদের মুকাবিলায় কে দাঁড়াতে পারবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা তার নিকট ওয়াহী পাঠালেনঃ আমি তাদের শাস্তি দিব বা তাদের উপর শত্রু চাপিয়ে দিব। এ দুয়ের একটি গ্রহন করার জন্য তাদের ইখতিয়ার দিন। তারা শাস্তিকেই গ্রহণ করে নিল। সে মতে আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর মৃত্যু চাপিয়ে দিলেন। ফলে একদিনেই তাদের সত্তর হাজার লোকের মৃত্যু হল।
এ হাদীসটি বর্ণনার সাথে তিনি পরবর্তী এ হাদীসটি বর্ণনা করতেন। তিনি বলেনঃ কোন এক বাদশা ছিল। তার ছিল একজন গনক। সে তার জন্য ভবিষ্যৎ গণনা করত। একবার তাকে ঐ গণক বললঃ একটি বুদ্ধিমান শক্তি সম্পন্ন বালক তালাশ করুন। আমি তাকে আমার এ জ্ঞান শিক্ষা দিব। কারণ আমার আশংকা হয় যদি আমি মারা যাই তবে আপনাদের থেকে এ জ্ঞান শেষ হয়ে যাবে। এই জ্ঞানের আধিকারী আপনাদের মধ্যে কেউ থাকবে না। তাদের বর্ণনানুযায়ি এক বালক তারা তালাশ করে বের করল। তারা তাকে গনকের কাছে হাযির হতে নির্দেশ দিল এবং তার কাছে আসা-যওয়া করতে বলল। সে মতে বালকটি তার কাছে আসা-যাওয়া করলে লাগল। আসা-যাওয়ার পথে এক গীর্জায় এক জন পাদ্রী থাকত। (বর্ণনাকারী মা’মার (রহঃ) বলেন, তৎকালে গীর্জার উপাসনাকারিগণ সত্য দ্বীন বিশ্বাসী ছিলেন)। বালকটি যখনই সেখান দিয়ে যেত সে পাদ্রীকে তার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করত। শেষে পাদদ্রী তাকে জানালঃ আমি আল্লাহর ইবাদত করি।
বালকটি পাদ্রীর কাছে সময় দিতে লাগল এবং উক্ত গনকের কাছে যেতে দেরী করতে লাগল। এতে গণক বালকটির পরিবার পরিজনকে খবর পাঠায় যে সে প্রায়ই হাজির হয় না। বালকটি পাদ্রীকে এ বিষয়ে অবহিত করে। পাদ্রী তাকে বললঃ গণক যদি তোমাকে জিজ্ঞাসা করে যে, তুমি কোথায় ছিলে, তবে তুমি বলবে যে, তুমি তোমার পরিবারের লোকদের কাছেই ছিলে। আর তোমার পরিবারের লোকরা যখন জিজ্ঞাসা করবে তখন বলবে গণকের কাছে ছিলে।
এভাবেই চলছিল। একদিন বালকটি মানুষের এক বিরাট ভিড়ের নিকট দিয়ে পথ অতিক্রম করছিল। লোকদেরকে একটা হিংস্র জন্তু পথ আটকে রেখেছিল। কোন কোন রাবী বলেছেন। এ জন্তুটি ছিল একটা সিংহ। বালকটি একটা পাথর হাতে নিয়ে বললঃ হে আল্লাহ! পাদ্রী যা বলে তা যদি সত্য হয়ে থাকে তবে তোমার কাছে প্রার্থনা করছি যে, আমি যেন জন্তুটিকে হত্যা করতে পারি। এরপর সে পাথরটি ছুড়ে মারল এবং জন্তুটি মারা গেল। লোকেরা বলতে লাগল কে এ জন্তুটি হত্যা করেছে? অন্যরা বলল এ বালকটি। মানুষের মাঝে এতে আলোড়নের সৃষ্টি হয়। তারা বলাবলি করতে থাকে যে, এই বালকটি এমন কিছু জ্ঞান শিখেছে যা অন্যরা শিখেনি। এক অন্ধও বালকটির কথা শুনতে পায়। সে তাকে বললঃ তুমি যদি আমার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে পার তবে তুমি অমুক অমুক জিনিস পাবে।
বালকটি বললঃ আমি তোমার কাছে এই আর্থ চাই না। কিন্তু তুমি যদি তোমার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাও তবে কি তুমি সেই সত্তার উপর ঈমান আনবে যিনি তোমার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিবেন? সে বললঃ হ্যাঁ। তখন বালকটি আল্লাহর কাছে দু’আ করল। আল্লাহ এ অন্ধের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিলেন। তারপর এ অন্ধ ঈমান গ্রহণ করল।
সেই বাদশাহর কাছে তাদের এ ঘটনার সংবাদ পৌঁছল। সে তখন লোক পাঠিয়ে তাদের ধরে আনল। বললঃ তোমাদের প্রত্যেককে আমি এমন ভাবে হত্যা করব যে, কাউকে এমনভাবে আমি আর হত্যা করিনি। তার নির্দেশে পাদ্রী এবং অন্ধ লোকটির একজনকে মাথার সিথি থেকে করাত দিয়ে চিরে শহীদ করে দেওয়া হল এবং আন্যজনকে অন্য একভাবে হত্যা করা হল।
পরে বালকটি সম্পর্কে সে নির্দেশ দিয়ে বলরঃ তাকে নিয়ে অমুক পাহাড়ে যাও এবং চূড়া থেকে তাকে ফেলে দিবে। লোকেরা তাকে পাহাড়ে নিয়ে গেল। যে স্থান থেকে তাকে ফেলে দেওয়ার ইচ্ছা করছিল। সে স্থানে তারা পৌছার পর নিজেরাই গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল। বালকটি ছাড়া আর কেউ তাদের বাকী রইল না। শেষে বালকটি ফিরে এল। বাদশাহ তাকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করে মেরে ফেলার নির্দেশ দেয়। তদনুসারে তাকে সাগরে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু যারা সঙ্গে গিয়েছিল তাদেরকে আল্লাহ ডুবিয়ে দিলেন আর বালকটিকে বাঁচিয়ে দিলেন।
শেষে বালকটি বাদশাহকে বললঃ শূলীতে ঝুলিয়ে তীর নিক্ষেপ করে মারা ভিন্ন তুমি আমাকে হত্যা করতে পারবে না। আর যখন তীর নিক্ষেপ করবে তখন বলবেঃ ’’এই বালকটির প্রতিপালক আল্লাহর নামে’’। যা হোক, বাদশা উক্ত মর্মে নির্দেশ জারি করে এবং বালকটিকে শূলীতে ঝুলিয়ে ’এই বালকটির রব আল্লাহর নামে’ বলে তাকে তীর ছোড়া হল। তীর নিক্ষেপের সময় বালকটি তার হাত কানপট্রিতে স্থাপন করে রেখেছিল।
লোকেরা বললঃ এ বালকটি এমন এক জ্ঞানর অধিকারী - যা আর কেউ জানে না। এই বালকের রবের উপর আমরা ঈমান আনলাম। বাদশাহকে বালা হল মাত্র তিন ব্যাক্তি তোমার বিরোধিতা করায় তুমি ঘাবড়িয়ে গিয়েছিলে আর এখন পৃথিবীর সবাই তোমার বিরোধী হয়ে উঠেছে।
তারপর এই বাদশা আনেকগুলো গর্ত খনন করে এবং এতে লাকড়ি ফেলে আগুন জ্বালায়। পরে সে লোকদের একত্রিত করে বললঃ যে এই ধর্ম থেকে ফিরে আসবে তাকে ছেড়ে দিব আর যে ব্যক্তি ফিরে আসবে না তাকে এই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করব। অতপর সে মু’মিনদেও অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করতে শুরু করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
قتِلَ أَصْحَابُ الأُخْدُودِ * النَّارِ ذَاتِ الْوَقُودِ - (العَزِيزِ الْحَمِيدِ)
ধ্বংস হয়েছে কুন্ড অধিপতিরা। ইন্ধনপূর্ণ যে কুন্ডে ছিল অগ্নি ...... যিনি পরাক্রমশালী এবং প্রশংসিত। (সূরা বুরুজ ৮৫ঃ ৪-৮)
বালকটিকে পরে দাফন করা হয়। বর্ণনা করা হয় যে, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর খিলাফত আমলে তার লাশ বের করা হয়। শহীদ হওয়ার সময় তার আঙুলগুলি যে কানপট্রিতে রাখা ছিল, তখনও ঠিক তেমনই ছিল।
সহীহ, মুসলিম ৮/২২৯-২৩১ (আয়াতের উল্লেখ ব্যাতিত), তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- গারীব।
পরিচ্ছেদ সূরা আল-গাশিয়া
তিনি বললেন নবীগণের কোন একজন তাঁর উম্মত নিয়ে গৌরববোধ করছিলেন। বলেছিলেনঃ এদের মুকাবিলায় কে দাঁড়াতে পারবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা তার নিকট ওয়াহী পাঠালেনঃ আমি তাদের শাস্তি দিব বা তাদের উপর শত্রু চাপিয়ে দিব। এ দুয়ের একটি গ্রহন করার জন্য তাদের ইখতিয়ার দিন। তারা শাস্তিকেই গ্রহণ করে নিল। সে মতে আল্লাহ তা’আলা তাদের উপর মৃত্যু চাপিয়ে দিলেন। ফলে একদিনেই তাদের সত্তর হাজার লোকের মৃত্যু হল।
এ হাদীসটি বর্ণনার সাথে তিনি পরবর্তী এ হাদীসটি বর্ণনা করতেন। তিনি বলেনঃ কোন এক বাদশা ছিল। তার ছিল একজন গনক। সে তার জন্য ভবিষ্যৎ গণনা করত। একবার তাকে ঐ গণক বললঃ একটি বুদ্ধিমান শক্তি সম্পন্ন বালক তালাশ করুন। আমি তাকে আমার এ জ্ঞান শিক্ষা দিব। কারণ আমার আশংকা হয় যদি আমি মারা যাই তবে আপনাদের থেকে এ জ্ঞান শেষ হয়ে যাবে। এই জ্ঞানের আধিকারী আপনাদের মধ্যে কেউ থাকবে না। তাদের বর্ণনানুযায়ি এক বালক তারা তালাশ করে বের করল। তারা তাকে গনকের কাছে হাযির হতে নির্দেশ দিল এবং তার কাছে আসা-যওয়া করতে বলল। সে মতে বালকটি তার কাছে আসা-যাওয়া করলে লাগল। আসা-যাওয়ার পথে এক গীর্জায় এক জন পাদ্রী থাকত। (বর্ণনাকারী মা’মার (রহঃ) বলেন, তৎকালে গীর্জার উপাসনাকারিগণ সত্য দ্বীন বিশ্বাসী ছিলেন)। বালকটি যখনই সেখান দিয়ে যেত সে পাদ্রীকে তার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করত। শেষে পাদদ্রী তাকে জানালঃ আমি আল্লাহর ইবাদত করি।
বালকটি পাদ্রীর কাছে সময় দিতে লাগল এবং উক্ত গনকের কাছে যেতে দেরী করতে লাগল। এতে গণক বালকটির পরিবার পরিজনকে খবর পাঠায় যে সে প্রায়ই হাজির হয় না। বালকটি পাদ্রীকে এ বিষয়ে অবহিত করে। পাদ্রী তাকে বললঃ গণক যদি তোমাকে জিজ্ঞাসা করে যে, তুমি কোথায় ছিলে, তবে তুমি বলবে যে, তুমি তোমার পরিবারের লোকদের কাছেই ছিলে। আর তোমার পরিবারের লোকরা যখন জিজ্ঞাসা করবে তখন বলবে গণকের কাছে ছিলে।
এভাবেই চলছিল। একদিন বালকটি মানুষের এক বিরাট ভিড়ের নিকট দিয়ে পথ অতিক্রম করছিল। লোকদেরকে একটা হিংস্র জন্তু পথ আটকে রেখেছিল। কোন কোন রাবী বলেছেন। এ জন্তুটি ছিল একটা সিংহ। বালকটি একটা পাথর হাতে নিয়ে বললঃ হে আল্লাহ! পাদ্রী যা বলে তা যদি সত্য হয়ে থাকে তবে তোমার কাছে প্রার্থনা করছি যে, আমি যেন জন্তুটিকে হত্যা করতে পারি। এরপর সে পাথরটি ছুড়ে মারল এবং জন্তুটি মারা গেল। লোকেরা বলতে লাগল কে এ জন্তুটি হত্যা করেছে? অন্যরা বলল এ বালকটি। মানুষের মাঝে এতে আলোড়নের সৃষ্টি হয়। তারা বলাবলি করতে থাকে যে, এই বালকটি এমন কিছু জ্ঞান শিখেছে যা অন্যরা শিখেনি। এক অন্ধও বালকটির কথা শুনতে পায়। সে তাকে বললঃ তুমি যদি আমার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে পার তবে তুমি অমুক অমুক জিনিস পাবে।
বালকটি বললঃ আমি তোমার কাছে এই আর্থ চাই না। কিন্তু তুমি যদি তোমার দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাও তবে কি তুমি সেই সত্তার উপর ঈমান আনবে যিনি তোমার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিবেন? সে বললঃ হ্যাঁ। তখন বালকটি আল্লাহর কাছে দু’আ করল। আল্লাহ এ অন্ধের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিলেন। তারপর এ অন্ধ ঈমান গ্রহণ করল।
সেই বাদশাহর কাছে তাদের এ ঘটনার সংবাদ পৌঁছল। সে তখন লোক পাঠিয়ে তাদের ধরে আনল। বললঃ তোমাদের প্রত্যেককে আমি এমন ভাবে হত্যা করব যে, কাউকে এমনভাবে আমি আর হত্যা করিনি। তার নির্দেশে পাদ্রী এবং অন্ধ লোকটির একজনকে মাথার সিথি থেকে করাত দিয়ে চিরে শহীদ করে দেওয়া হল এবং আন্যজনকে অন্য একভাবে হত্যা করা হল।
পরে বালকটি সম্পর্কে সে নির্দেশ দিয়ে বলরঃ তাকে নিয়ে অমুক পাহাড়ে যাও এবং চূড়া থেকে তাকে ফেলে দিবে। লোকেরা তাকে পাহাড়ে নিয়ে গেল। যে স্থান থেকে তাকে ফেলে দেওয়ার ইচ্ছা করছিল। সে স্থানে তারা পৌছার পর নিজেরাই গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল। বালকটি ছাড়া আর কেউ তাদের বাকী রইল না। শেষে বালকটি ফিরে এল। বাদশাহ তাকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করে মেরে ফেলার নির্দেশ দেয়। তদনুসারে তাকে সাগরে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু যারা সঙ্গে গিয়েছিল তাদেরকে আল্লাহ ডুবিয়ে দিলেন আর বালকটিকে বাঁচিয়ে দিলেন।
শেষে বালকটি বাদশাহকে বললঃ শূলীতে ঝুলিয়ে তীর নিক্ষেপ করে মারা ভিন্ন তুমি আমাকে হত্যা করতে পারবে না। আর যখন তীর নিক্ষেপ করবে তখন বলবেঃ ’’এই বালকটির প্রতিপালক আল্লাহর নামে’’। যা হোক, বাদশা উক্ত মর্মে নির্দেশ জারি করে এবং বালকটিকে শূলীতে ঝুলিয়ে ’এই বালকটির রব আল্লাহর নামে’ বলে তাকে তীর ছোড়া হল। তীর নিক্ষেপের সময় বালকটি তার হাত কানপট্রিতে স্থাপন করে রেখেছিল।
লোকেরা বললঃ এ বালকটি এমন এক জ্ঞানর অধিকারী - যা আর কেউ জানে না। এই বালকের রবের উপর আমরা ঈমান আনলাম। বাদশাহকে বালা হল মাত্র তিন ব্যাক্তি তোমার বিরোধিতা করায় তুমি ঘাবড়িয়ে গিয়েছিলে আর এখন পৃথিবীর সবাই তোমার বিরোধী হয়ে উঠেছে।
তারপর এই বাদশা আনেকগুলো গর্ত খনন করে এবং এতে লাকড়ি ফেলে আগুন জ্বালায়। পরে সে লোকদের একত্রিত করে বললঃ যে এই ধর্ম থেকে ফিরে আসবে তাকে ছেড়ে দিব আর যে ব্যক্তি ফিরে আসবে না তাকে এই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করব। অতপর সে মু’মিনদেও অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করতে শুরু করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
قتِلَ أَصْحَابُ الأُخْدُودِ * النَّارِ ذَاتِ الْوَقُودِ - (العَزِيزِ الْحَمِيدِ)
ধ্বংস হয়েছে কুন্ড অধিপতিরা। ইন্ধনপূর্ণ যে কুন্ডে ছিল অগ্নি ...... যিনি পরাক্রমশালী এবং প্রশংসিত। (সূরা বুরুজ ৮৫ঃ ৪-৮)
বালকটিকে পরে দাফন করা হয়। বর্ণনা করা হয় যে, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর খিলাফত আমলে তার লাশ বের করা হয়। শহীদ হওয়ার সময় তার আঙুলগুলি যে কানপট্রিতে রাখা ছিল, তখনও ঠিক তেমনই ছিল।
সহীহ, মুসলিম ৮/২২৯-২৩১ (আয়াতের উল্লেখ ব্যাতিত), তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- গারীব।
পরিচ্ছেদ সূরা আল-গাশিয়া
হাদিস নং: ৩৩৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن ابي الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امرت ان اقاتل الناس حتى يقولوا لا اله الا الله فاذا قالوها عصموا مني دماءهم واموالهم الا بحقها وحسابهم على الله " . ثم قرا : ( انما انت مذكر * لست عليهم بمسيطر ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৪১. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ’লা’ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর স্বীকৃতি প্রদান না করা পর্যন্ত আমি লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে নির্দেশিত হয়েছি। যখন তারা এই কথার স্বীকৃতি দিবে তখন আমার থেকে তাদের রক্ত এবং সম্পদ নিরাপদ হয়ে যাবে। কিন্তু হকের দাবী স্বতন্ত্র। আর তাদের হিসাব আল্লাহর উপর ন্যস্ত। এরপর তিনি পাঠ করলেন। (إنَّمَا أَنْتَ مُذَكِّرٌ * لَسْتَ عَلَيْهِمْ بِمُسَيْطِرٍ) - আপনি তো একজন উপদেশদাতা আপনি এদের কর্ম নিয়ন্ত্রক নন। (সূরা গাশিয়া ৮৮ঃ ২১-২২)।*
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
নোট: * এটি মুতাওয়াতির হাদিস।
হাদিস নং: ৩৩৪২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو حفص، عمرو بن علي حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، وابو داود قالا حدثنا همام، عن قتادة، عن عمران بن عصام، عن رجل، من اهل البصرة عن عمران بن حصين، ان النبي صلى الله عليه وسلم سىل عن الشفع والوتر فقال " هي الصلاة بعضها شفع وبعضها وتر " . قال هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث قتادة . وقد رواه خالد بن قيس الحداني عن قتادة ايضا .
৩৩৪২. আবু হাফস আমর ইবন আলী (রহঃ) .... ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে (الشَّفْعِ وَالْوَتْرِ) জোড় ও বেজোড়ের কসম (সূরা ফাজর ৮৯ঃ ৩) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেনঃ এ হল সালাত (নামায) এর কিছু তো জোড় আর কিছু বেজোড়।
হাদীসটি গারীব। কতাদা (রহঃ) এর রেওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। খালিদ ইবন কায়স (রহঃ) এটিকে কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। কতাদা (রহঃ) এর রেওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। খালিদ ইবন কায়স (রহঃ) এটিকে কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عبد الله بن زمعة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يوما يذكر الناقة والذي عقرها فقال " : (اذ انبعث اشقاها ) انبعث لها رجل عارم عزيز منيع في رهطه مثل ابي زمعة " . ثم سمعته يذكر النساء فقال " الام يعمد احدكم فيجلد امراته جلد العبد ولعله ان يضاجعها من اخر يومه " . قال ثم وعظهم في ضحكهم من الضرطة فقال " الام يضحك احدكم مما يفعل " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৪৩. হারুন ইবন ইসহাক হামদানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন যাম’আ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি একদিন [সালিহ (আঃ) এর] উষ্ট্রী এবং এর হত্যাকারী সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ (إذ انْبَعَثَ أَشْقَاهَا) যখন (উষ্ট্রীকে বধ করার জন্য) সবচেয়ে হতভাগ্য লোকটি উঠল (সূরা আশ-শামস ৯১ঃ ১২) কঠিন হৃদয় কঠোর এবং আবু যামআর মত স্বীয় গোষ্ঠীর মাঝে প্রতিপত্তিশালী এক ব্যক্তি এর জন্য তৎপর হয়ে উঠে দাঁড়ায়। এরপর তাকে আমি মহিলাদের প্রতি সদ্ব্যবহার প্রসঙ্গে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কেউ এ কি ধরণের আচরণে উদ্যত হয়? গোলামের মত স্ত্রীদের মারতে শুরু করে দেয় অথচ এই দিনের শেষ ভাগেই হয়ত সে তার সাথে সঙ্গত হবে। আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারো বাৎকর্মের দরুন হাসার বিষয়ে তাদের নসীহত করলেন। বললেনঃ কি বিষয়ে তোমাদের লোকেরা হাসে! অথচ নেজেই তো এটা করে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৯৮৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৯৮৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا زاىدة بن قدامة، عن منصور بن المعتمر، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن علي، رضى الله عنه قال كنا في جنازة في البقيع فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فجلس وجلسنا معه ومعه عود ينكت به في الارض فرفع راسه الى السماء فقال " ما من نفس منفوسة الا قد كتب مدخلها " . فقال القوم يا رسول الله افلا نتكل على كتابنا فمن كان من اهل السعادة فانه يعمل للسعادة ومن كان من اهل الشقاء فانه يعمل للشقاء قال " بل اعملوا فكل ميسر اما من كان من اهل السعادة فانه ييسر لعمل السعادة واما من كان من اهل الشقاء فانه ييسر لعمل الشقاء " . ثم قرا : (فاما من اعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * واما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৪৪. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমরা বাকীতে এক জানাযার সাথে ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন। তিনি বসলেন। আমরাও তার সঙ্গে বসলাম। তার সঙ্গে একটি গাছের ডাল ছিল। সেটি দিয়ে তিনি মাটি ঠোকাচ্ছিলেন। অনন্তর আসমানের দিকে তিনি তার মাথা তুললেন এবং বললেনঃ এমন কোন প্রাণ নেই যার প্রবেশস্থল লিখে না রাখা হয়েছে। উপস্থিত লোকেরা বললঃ হে আল্লাহর রাসূল তবে কি আমরা আমাদের ভাগ্যলিপির উপরই নির্ভর করব? যে ব্যক্তি সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভূক্ত, তার জন্য সৌভাগ্যজনক অনায়াসসাধ্য কর্ম হবে আর যে হতভাগ্যদের অন্তর্ভূক্ত, তার জন্য তা আয়াসসাধ্য কর্ম হবে?
তিনি বলেনঃ তোমরা আমল করতে থাক। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই সহজসাধ্য করে দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি সৌভাগ্যের অধিকারী হবে, তার জন্য সৌভাগ্যের আমল সহজসাধ্য করে দেওয়া হয়েছে। আর যে দুর্ভোগ্যের অধিকারী তার জন্য দুর্ভাগ্যের কাজ সহজসাধ্য করে দেওয়া হবে। তারপর তিনি তিলওয়াত করলেনঃ
فأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى * وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى * فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى * وَأَمَّا مَنْ بَخِلَ وَاسْتَغْنَى * وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى * فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى
সুতরাং যে দান করে, মুত্তাকী হয় এবং যা উত্তম তা সত্য বলে গ্রহণ কওে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর যে কার্পণ্য করে, নিজেকে মুখাপেক্ষীহীন মনে করে এবং যা উত্তম তা অস্বীকার করে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পরিনামের পথ। (সূরা ওয়া-লায়ল ৯২ঃ ৫-১০)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
তিনি বলেনঃ তোমরা আমল করতে থাক। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই সহজসাধ্য করে দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তি সৌভাগ্যের অধিকারী হবে, তার জন্য সৌভাগ্যের আমল সহজসাধ্য করে দেওয়া হয়েছে। আর যে দুর্ভোগ্যের অধিকারী তার জন্য দুর্ভাগ্যের কাজ সহজসাধ্য করে দেওয়া হবে। তারপর তিনি তিলওয়াত করলেনঃ
فأَمَّا مَنْ أَعْطَى وَاتَّقَى * وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى * فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى * وَأَمَّا مَنْ بَخِلَ وَاسْتَغْنَى * وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى * فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى
সুতরাং যে দান করে, মুত্তাকী হয় এবং যা উত্তম তা সত্য বলে গ্রহণ কওে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর যে কার্পণ্য করে, নিজেকে মুখাপেক্ষীহীন মনে করে এবং যা উত্তম তা অস্বীকার করে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পরিনামের পথ। (সূরা ওয়া-লায়ল ৯২ঃ ৫-১০)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الاسود بن قيس، عن جندب البجلي، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في غار فدميت اصبعه فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هل انت الا اصبع دميت وفي سبيل الله ما لقيت " . قال وابطا عليه جبريل عليه السلام فقال المشركون قد ودع محمد فانزل الله تعالى : ( ما ودعك ربك وما قلى ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد رواه شعبة والثوري عن الاسود بن قيس .
৩৩৪৫. ইবন আবু উমার (রহঃ) .... জুন্দুব বাজালী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক অভিযানে ছিলাম। এমন সময় তার একটি আঙুল যখমী হলে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুই তো একটি আঙুলই মাত্র; রক্তাক্ত হয়েছে আজ, আল্লাহর পথেই তো তোর এ মসীবত।
বর্ণনাকারী বলেনঃ একবার তাঁর কাছে জিরবীল (আঃ) আসতে দেরী করেন। তখন মুশরিকরা বললঃ মুহাম্মদকে (তার প্রভু) ছেড়ে দিয়েছে। তারপর আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেনঃ (ما وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَى) - তোমার রব তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি বিরূপও হননি। (৯৩ঃ ৩)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
শু’বা ও ছাওরী (রহঃ) এটিকে আসওয়াদ ইবন কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণনা কওেছেন।
বর্ণনাকারী বলেনঃ একবার তাঁর কাছে জিরবীল (আঃ) আসতে দেরী করেন। তখন মুশরিকরা বললঃ মুহাম্মদকে (তার প্রভু) ছেড়ে দিয়েছে। তারপর আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেনঃ (ما وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَى) - তোমার রব তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি বিরূপও হননি। (৯৩ঃ ৩)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
শু’বা ও ছাওরী (রহঃ) এটিকে আসওয়াদ ইবন কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণনা কওেছেন।
হাদিস নং: ৩৩৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وابن ابي عدي، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن انس بن مالك، عن مالك بن صعصعة، رجل من قومه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " بينما انا عند البيت بين الناىم واليقظان اذ سمعت قاىلا يقول احد بين الثلاثة فاتيت بطست من ذهب فيها ماء زمزم فشرح صدري الى كذا وكذا " . قال قتادة قلت يعني قلت لانس بن مالك ما يعني قال " الى اسفل بطني فاستخرج قلبي فغسل قلبي بماء زمزم ثم اعيد مكانه ثم حشي ايمانا وحكمة " . وفي الحديث قصة طويلة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد رواه هشام الدستواىي وهمام عن قتادة . وفيه عن ابي ذر .
৩৩৪৬. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তাঁর স্বগোত্রীয় ব্যক্তি মালিক ইবনা সা’সা’ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি বায়তুল্লাহর কাছে ঘুম ও জাগরণের মাঝামাঝি আবস্থায় ছিলাম। হঠাৎ শুনি কেউ একজন বলছে তিনজনের মাঝে একজন ...... তারপর সোনার একটি খাঞ্চা আমার কাছে আনা হল। এতে ছিল যমযমের পানি। এখান থেকে ওখান পর্যন্ত আমার বক্ষ বিদীর্ণ করা হল। কাতাদা (রহঃ) বলেছেনঃ আমি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললামঃ ওখান পর্যন্ত বলতে কি বুঝিয়েছেন? তিনি বললেনঃ পেটের নিচ পর্যন্ত।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তারপর আমার হৃদয় বের করে আনা হয় এবং তা যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করে পুনরায় স্ব-স্থানে স্থাপন করা হয়। আর ঈমান ও হিকমত দ্বারা তা ভরে দেওয়া হয়। হাদীসটিতে আরো দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান- সহীহ। এ বিষয়ে আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তারপর আমার হৃদয় বের করে আনা হয় এবং তা যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করে পুনরায় স্ব-স্থানে স্থাপন করা হয়। আর ঈমান ও হিকমত দ্বারা তা ভরে দেওয়া হয়। হাদীসটিতে আরো দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান- সহীহ। এ বিষয়ে আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৩৪৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن اسماعيل بن امية، قال سمعت رجلا، بدويا اعرابيا يقول سمعت ابا هريرة، يرويه يقول من قرا : (والتين والزيتون ) فقرا : ( اليس الله باحكم الحاكمين ) فليقل بلى وانا على ذلك من الشاهدين . قال ابو عيسى هذا حديث انما يروى بهذا الاسناد عن هذا الاعرابي عن ابي هريرة ولا يسمى .
৩৩৪৭. ইবন আবু উমার (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ওয়াত-তাীন ওয়ায যায়তুন তিলাওয়াত করতে গিয়ে, (ألََيْسَ اللَّهُ بِأَحْكَمِ الْحَاكِمِينَ) - আল্লাহ কি সব বিচারকের মাঝে শ্রেষ্ঠ বিচারক নন? (সূরা ত্বীন ৯৫ঃ ৮) তিলাওয়াত করে তখন যেন সে বলে (بَلَى وَأَنَا عَلَى ذَلِكَ مِنَ الشَّاهِدِينَ) - অবশ্যই আমি এর অন্যতম সাক্ষী।
যঈফ, যঈফ আবু দাউদ ১৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি এ সনদে এ মরুবাসী ... আবু হুরায়রা সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। এই মরুবাসী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয় নি।
যঈফ, যঈফ আবু দাউদ ১৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি এ সনদে এ মরুবাসী ... আবু হুরায়রা সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। এই মরুবাসী ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয় নি।
হাদিস নং: ৩৩৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، عن معمر، عن عبد الكريم الجزري، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما : ( سندع الزبانية ) قال قال ابو جهل لىن رايت محمدا يصلي لاطان على عنقه . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لو فعل لاخذته الملاىكة عيانا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩৩৪৮. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে (سنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ) আমরাও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীগণকে (সূরা আলাক ৯৬ঃ ১৮) এ প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে তিনি বলেনঃ আবু জাহল বললঃ মুহাম্মদকে সালাত (নামায) আদায় করতে যদি দেখি, তবে অবশ্যই তার গর্দানে পা মাড়িয়ে ধরব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনে বললেনঃ সে যদি এমন করে তবে ফিরিশতারা অবশ্যই তাকে প্রকাশ্যে পাকড়াও করবে।
সহীহ, বুখারি ৪৯৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব।
সহীহ, বুখারি ৪৯৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩৩৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن سعيد ابو سعيد الاشج، حدثنا ابو خالد الاحمر، عن داود بن ابي هند، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي فجاء ابو جهل فقال الم انهك عن هذا الم انهك عن هذا الم انهك عن هذا فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم فزبره فقال ابو جهل انك لتعلم ما بها ناد اكثر مني فانزل الله : ( فليدع ناديه * سندع الزبانية ) فقال ابن عباس فوالله لو دعا ناديه لاخذته زبانية الله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . وفيه عن ابي هريرة رضى الله عنه .
৩৩৪৯. আবদুল্লাহ ইবন সাঈদ আশাজ্জা (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায) আদায় করছিলেন। এমন সময় আবু জাহল এল। বললঃ আমি কি তোমাকে এই কাজ থেকে নিষেধ করিনি? তোমাকে আমি এ বিষয়ে নিষেধ করিনি? আমি কি তোমাকে এরূপ করতে নিষেধ করিনি?
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায) শেষে ফিরে তাকালেন এবং তাকে শাসালেন। আবু জাহল বললঃ তুমি অবশ্যই জান আমার চেয়ে বেশী লোক এই শহরে আর কারো নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ (فلْيَدْعُ نَادِيَهُ * سَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ) - সে তার পার্শ্বচরদেও আহবান করুক। আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে। (সূরা আলাক ৯৬ঃ ১৭-১৮) ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ সে যদি তার পার্শ্বচরদের আহবান করত তবে অবশ্যই তাকে আল্লাহর প্রহরী ফিরিশতারা পাকড়াও করত।
হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব। এ বিষয়ে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায) শেষে ফিরে তাকালেন এবং তাকে শাসালেন। আবু জাহল বললঃ তুমি অবশ্যই জান আমার চেয়ে বেশী লোক এই শহরে আর কারো নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ (فلْيَدْعُ نَادِيَهُ * سَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ) - সে তার পার্শ্বচরদেও আহবান করুক। আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে। (সূরা আলাক ৯৬ঃ ১৭-১৮) ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ সে যদি তার পার্শ্বচরদের আহবান করত তবে অবশ্যই তাকে আল্লাহর প্রহরী ফিরিশতারা পাকড়াও করত।
হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব। এ বিষয়ে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]