হাদিস নং: ২৮৯৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عقبة بن مكرم العمي البصري، حدثنا ابن ابي فديك، اخبرنا سلمة بن وردان، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل من اصحابه " هل تزوجت يا فلان " . قال لا والله يا رسول الله ولا عندي ما اتزوج به . قال " اليس معك (قل هو الله احد ) " . قال بلى . قال " ثلث القران " . قال " اليس معك ( اذا جاء نصر الله والفتح ) " . قال بلى . قال " ربع القران " . قال " اليس معك قل يا ايها الكافرون " . قال بلى قال " ربع القران " . قال " اليس معك (اذا زلزلت الارض ) " . قال بلى . قال " ربع القران " . قال " تزوج تزوج " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৮৯৫. উকবা ইবন মুকাররাম আম্মী বাসরী (রহঃ) .... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক সাহাবী বললেনঃ হে অমুক, তুমি কি বিয়ে করেছ? লোকটি বললঃ না, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আল্লাহর কসম, আমার কাছে বিয়ে করার মত কিছু নেই। তিনি বললেনঃ তোমার সাথে কি কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ নেই? লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ।
তোমার সঙ্গে কি ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি ওয়াল ফাতহ্ সূরাটি নেই? লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-চতুর্থাংশ।
তোমার সঙ্গে কি কুল ইয়া আয়্যূহাল কাফিরূন সূরাটি নেই?
লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-চতুর্থাংশ।
তোমার সঙ্গে কি ইযা যুল যিলাতিল আরদু সূরাটি নেই?
লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-চতুর্থাংশ।
বিয়ে করে নাও। বিয়ে করে নাও।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ২/২২৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
তোমার সঙ্গে কি ইযা জা-আ নাসরুল্লাহি ওয়াল ফাতহ্ সূরাটি নেই? লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-চতুর্থাংশ।
তোমার সঙ্গে কি কুল ইয়া আয়্যূহাল কাফিরূন সূরাটি নেই?
লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-চতুর্থাংশ।
তোমার সঙ্গে কি ইযা যুল যিলাতিল আরদু সূরাটি নেই?
লোকটি বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুরআনের এক-চতুর্থাংশ।
বিয়ে করে নাও। বিয়ে করে নাও।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ২/২২৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৮৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا زاىدة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن ربيع بن خثيم، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن امراة، وهي امراة ابي ايوب عن ابي ايوب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ايعجز احدكم ان يقرا في ليلة ثلث القران من قرا الله الواحد الصمد فقد قرا ثلث القران " . وفي الباب عن ابي الدرداء وابي سعيد وقتادة بن النعمان وابي هريرة وانس وابن عمر وابي مسعود . قال ابو عيسى هذا حديث حسن ولا نعرف احدا روى هذا الحديث احسن من رواية زاىدة وتابعه على روايته اسراىيل والفضيل بن عياض وقد روى شعبة وغير واحد من الثقات هذا الحديث عن منصور واضطربوا فيه .
২৮৯৬. কুতায়বা ও মুহা্ম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে তোমাদের একজন অক্ষম না কি? যে ব্যক্তি আল্লাহুল ওয়াহিদুস সামাদ তিলাওয়াত করল সে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করল।
সহীহ, তা’লীকুর রাগীব ২/২২৫, মুসলিম- আবূদ দারাদা হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবুদ দারদা, আবূ দাঊদ, কাতাদা ইবনুন নু’মান, আবূ হুরায়রা, আনাস, ইবন উমর এবং আবূ মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান। কেউ যাইদা (রহঃ)-এর রিওয়ায়তের চাইতে সুন্দরভাবে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। ইসরাঈল ও ফুয়ায়ল ইবন আয়াস (রহঃ) এটির সমর্থনে রিওয়ায়ত করেছেন। শু’বা (রহঃ) সহ একাধিক ছিকাহ রাবী এই হাদীসটি মানসূর (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে তাঁদের ইযতিরাব বিদ্যমান।
সহীহ, তা’লীকুর রাগীব ২/২২৫, মুসলিম- আবূদ দারাদা হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবুদ দারদা, আবূ দাঊদ, কাতাদা ইবনুন নু’মান, আবূ হুরায়রা, আনাস, ইবন উমর এবং আবূ মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান। কেউ যাইদা (রহঃ)-এর রিওয়ায়তের চাইতে সুন্দরভাবে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। ইসরাঈল ও ফুয়ায়ল ইবন আয়াস (রহঃ) এটির সমর্থনে রিওয়ায়ত করেছেন। শু’বা (রহঃ) সহ একাধিক ছিকাহ রাবী এই হাদীসটি মানসূর (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে তাঁদের ইযতিরাব বিদ্যমান।
হাদিস নং: ২৮৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا اسحاق بن سليمان، عن مالك بن انس، عن عبيد الله بن عبد الرحمن، عن ابن حنين، مولى لال زيد بن الخطاب او مولى زيد بن الخطاب عن ابي هريرة، قال اقبلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمع رجلا يقرا (قل هو الله احد * الله الصمد ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وجبت " . قلت وما وجبت قال " الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه الا من حديث مالك بن انس وابن حنين هو عبيد بن حنين .
২৮৯৭. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আসছিলাম। তখন তিনি শুনতে পেলেন এক ব্যক্তি ’কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ আল্লাহুস সামাদ’ পড়ছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে ওয়াজিব করে নিল। আমি বললামঃ কি ওয়াজিব করে নিল? তিনি বললেনঃ জান্নাত।
সহীহ, আত-তা’লীক ২/২২৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই। রাবী ইবন হুনায়ন (রহঃ) বলেন উবায়দ ইবন হুনায়ন।
সহীহ, আত-তা’লীক ২/২২৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই। রাবী ইবন হুনায়ন (রহঃ) বলেন উবায়দ ইবন হুনায়ন।
হাদিস নং: ২৮৯৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن مرزوق البصري، حدثنا حاتم بن ميمون ابو سهل، عن ثابت البناني، عن انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قرا كل يوم ماىتى مرة (قل هو الله احد ) محي عنه ذنوب خمسين سنة الا ان يكون عليه دين " .
وبهذا الاسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اراد ان ينام على فراشه فنام على يمينه ثم قرا (قل هو الله احد ) ماىة مرة اذا كان يوم القيامة يقول له الرب يا عبدي ادخل على يمينك الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث ثابت عن انس وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه ايضا عن ثابت .
وبهذا الاسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اراد ان ينام على فراشه فنام على يمينه ثم قرا (قل هو الله احد ) ماىة مرة اذا كان يوم القيامة يقول له الرب يا عبدي ادخل على يمينك الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث ثابت عن انس وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه ايضا عن ثابت .
২৮৯৮. মুহাম্মাদ ইবন মারযূক আল-বাসরী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন দুই’শ বার ’কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ পড়বে তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহ্ বিলীন করে দেওয়া হবে। তবে তার উপর ঋণ থেকে থাকলে তা ছাড়া।
যঈফ, যঈফা ৩০০, মিশকাত ২১৫৮।
এই সনদেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বললেনঃ কেউ যখন বিছানায় শুইতে ইচ্ছা করবে সে যেন তার ডান পার্শ্বে শোয়ার পর একশ’ বার কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি পাঠ করে। কিয়ামতের দিন মহান পরওয়াদিগার তাকে বলবেনঃ হে আমার বন্দা। তুমি তোমার ডান পাশ দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ কর।
যঈফ, মিশকাত ২১৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ছাবিত ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এই হাদীসটি গারীব। এই হাদীসটি ছাবিত (রহঃ) এর বরাতে অন্যভাবে বর্ণিত আছে।
যঈফ, যঈফা ৩০০, মিশকাত ২১৫৮।
এই সনদেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বললেনঃ কেউ যখন বিছানায় শুইতে ইচ্ছা করবে সে যেন তার ডান পার্শ্বে শোয়ার পর একশ’ বার কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি পাঠ করে। কিয়ামতের দিন মহান পরওয়াদিগার তাকে বলবেনঃ হে আমার বন্দা। তুমি তোমার ডান পাশ দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ কর।
যঈফ, মিশকাত ২১৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ছাবিত ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এই হাদীসটি গারীব। এই হাদীসটি ছাবিত (রহঃ) এর বরাতে অন্যভাবে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৮৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا العباس بن محمد الدوري، حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا سليمان بن بلال، حدثنا سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم (قل هو الله احد ) تعدل ثلث القران " . هذا حديث حسن صحيح .
২৮৯৯. আব্বাস ইবন মুহাম্মাদ দূরী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭৮৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭৮৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا يزيد بن كيسان، حدثنا ابو حازم، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احشدوا فاني ساقرا عليكم ثلث القران " . قال فحشد من حشد ثم خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم فقرا (قل هو الله احد ) ثم دخل فقال بعضنا لبعض قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فاني ساقرا عليكم ثلث القران " . اني لارى هذا خبرا جاءه من السماء ثم خرج نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال " اني قلت ساقرا عليكم ثلث القران الا وانها تعدل ثلث القران " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وابو حازم الاشجعي اسمه سلمان .
২৯০০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা একত্র হও আমি তোমাদের কাছে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে যাচ্ছি। তখন যাদের একত্র হওয়ার তাঁরা একত্র হলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুজরা থেকে বের হয়ে এলেন এবং ’কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ তিলাওয়াত করলেন। পরে হুজরায় চলে গেলেন।
আমাদের একজন আরেকজনকে বলতে লাগল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, ’আমি তোমাদের নিকট কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করব।’ মনে হয়, এখন আসমান থেকে তাঁর কাছে (এই বিষয়ে) খবর এসেছে (তাই তিনি হুজরায় চলে গেলেন)। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বের হয়ে আসলেন। বললেনঃ আমি বলেছিলাম, তোমাদের কাছে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করব। শোন, এই সূরাটি হল কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমপরিমাণ।
সহীহ, তা’লীকুর রাগীব ২/২২৪, সিফাতুস সালাত ৮৫, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ; এই সূত্রে গারীব। আবূ হাযিম আশজাঈ (রহঃ) এর নাম হল সালমান।
আমাদের একজন আরেকজনকে বলতে লাগল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, ’আমি তোমাদের নিকট কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করব।’ মনে হয়, এখন আসমান থেকে তাঁর কাছে (এই বিষয়ে) খবর এসেছে (তাই তিনি হুজরায় চলে গেলেন)। পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বের হয়ে আসলেন। বললেনঃ আমি বলেছিলাম, তোমাদের কাছে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করব। শোন, এই সূরাটি হল কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমপরিমাণ।
সহীহ, তা’লীকুর রাগীব ২/২২৪, সিফাতুস সালাত ৮৫, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ; এই সূত্রে গারীব। আবূ হাযিম আশজাঈ (রহঃ) এর নাম হল সালমান।
হাদিস নং: ২৯০১
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عبيد الله بن عمر، عن ثابت البناني، عن انس بن مالك، قال كان رجل من الانصار يومهم في مسجد قباء فكان كلما افتتح سورة يقرا لهم في الصلاة فقرا بها افتتح بـ (قل هو الله احد ) حتى يفرغ منها ثم يقرا بسورة اخرى معها وكان يصنع ذلك في كل ركعة فكلمه اصحابه فقالوا انك تقرا بهذه السورة ثم لا ترى انها تجزيك حتى تقرا بسورة اخرى فاما ان تقرا بها واما ان تدعها وتقرا بسورة اخرى . قال ما انا بتاركها ان احببتم ان اومكم بها فعلت وان كرهتم تركتكم . وكانوا يرونه افضلهم وكرهوا ان يومهم غيره فلما اتاهم النبي صلى الله عليه وسلم اخبروه الخبر فقال " يا فلان ما يمنعك مما يامر به اصحابك وما يحملك ان تقرا هذه السورة في كل ركعة " . فقال يا رسول الله اني احبها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان حبها ادخلك الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح من هذا الوجه من حديث عبيد الله بن عمر عن ثابت .
وروى مبارك بن فضالة، عن ثابت، عن انس، ان رجلا، قال يا رسول الله اني احب هذه السورة (قل هو الله احد ) فقال " ان حبك اياها يدخلك الجنة " . حدثنا بذلك ابو داود سليمان بن الاشعث حدثنا ابو الوليد حدثنا مبارك بن فضالة بهذا .
وروى مبارك بن فضالة، عن ثابت، عن انس، ان رجلا، قال يا رسول الله اني احب هذه السورة (قل هو الله احد ) فقال " ان حبك اياها يدخلك الجنة " . حدثنا بذلك ابو داود سليمان بن الاشعث حدثنا ابو الوليد حدثنا مبارك بن فضالة بهذا .
২৯০১. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ জনৈক আনছারী কুবা মসজিদের ইমামতি করতেন। তিনি সালাতে যখনই কিরাআত শুরু করতেন তখনই কুল হুওয়াল্লাহু পাঠের মাধ্যমে তা শুরু করতেন। এটি পাঠ করে ফারিগ হওয়ার পর এর সঙ্গে অন্য কোন সূরা মিলাতেন। প্রত্যেক রাকআতেই তিনি এই আচরণ করতেন। অনন্তর তাঁর সঙ্গীরা এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করলেন। বললেনঃ আপনি এই সূরাটি পড়েন। পড়ে আবার নিজেই ভাবেন যে, এটি আপনার জন্য যথেষ্ট হয়নি। ফলে এর সঙ্গে অন্য সূরাও পাঠ করেন। সুতরাং আপনি এই সূরাটি পড়বেন, নয়ত এটি ছেড়ে অন্য কোন সূরা পড়বেন।
তিনি বললেনঃ আমি তো এটি ছাড়তে পারব না। যদি তোমরা পছন্দ কর যে, এই নিয়েই আমি তোমাদের ইমামতি করি, তবে তা করতে পারি। আর যদি পছন্দ না কর তবে তোমাদের (এই দায়িত্ব) ছেড়ে দিতে পারি। কিন্তু তারা তাকেই নিজেদের মধ্যে সর্বোত্তম বলে মনে করেন। আর তিনি ছাড়া অন্য কেউ তাঁদের ইমামত করবে তাও তারা না পছন্দ করেন। পরে যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের কাছে এলেন, তখন তাঁরা ব্যাপারটি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন। তিনি (তাকে লক্ষ্য করে) বললেনঃ হে অমুক, তোমার সঙ্গীরা যে বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছে তা পালন করতে তোমাকে কিসে বারণ করছে? আর প্রত্যেক রাকআতে এই সূরা পড়তে কিসে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করে?
তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমি এটি ভালবাসি। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর প্রতি তোমার ভালবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।
হাসান, তা’ লীকুর রাগীব ২/২২৪, সিফাতুস সালাত ৮৫, বুখারি মু’আল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
উবায়দুল্লাহ্ ইবন উমর ছাবিত বুনানী (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে এই সনদে হাদীসটি হাসান-গারীব সহীহ। মুবারক ইবন ফাযালা (রহঃ) ... ছাবিত আল বুনানী (রহঃ) এর বরাতে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমি এই কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি পছন্দ করি। তিনি বললেনঃ এর প্রতি তোমার ভালবাসাটাই তোমাকে জান্নাতে দাখিল করাবে।
তিনি বললেনঃ আমি তো এটি ছাড়তে পারব না। যদি তোমরা পছন্দ কর যে, এই নিয়েই আমি তোমাদের ইমামতি করি, তবে তা করতে পারি। আর যদি পছন্দ না কর তবে তোমাদের (এই দায়িত্ব) ছেড়ে দিতে পারি। কিন্তু তারা তাকেই নিজেদের মধ্যে সর্বোত্তম বলে মনে করেন। আর তিনি ছাড়া অন্য কেউ তাঁদের ইমামত করবে তাও তারা না পছন্দ করেন। পরে যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের কাছে এলেন, তখন তাঁরা ব্যাপারটি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন। তিনি (তাকে লক্ষ্য করে) বললেনঃ হে অমুক, তোমার সঙ্গীরা যে বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছে তা পালন করতে তোমাকে কিসে বারণ করছে? আর প্রত্যেক রাকআতে এই সূরা পড়তে কিসে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করে?
তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমি এটি ভালবাসি। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর প্রতি তোমার ভালবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।
হাসান, তা’ লীকুর রাগীব ২/২২৪, সিফাতুস সালাত ৮৫, বুখারি মু’আল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
উবায়দুল্লাহ্ ইবন উমর ছাবিত বুনানী (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে এই সনদে হাদীসটি হাসান-গারীব সহীহ। মুবারক ইবন ফাযালা (রহঃ) ... ছাবিত আল বুনানী (রহঃ) এর বরাতে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমি এই কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি পছন্দ করি। তিনি বললেনঃ এর প্রতি তোমার ভালবাসাটাই তোমাকে জান্নাতে দাখিল করাবে।
হাদিস নং: ২৯০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا اسماعيل بن ابي خالد، اخبرني قيس بن ابي حازم، عن عقبة بن عامر الجهني، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قد انزل الله على ايات لم ير مثلهن (قل اعوذ برب الناس ) الى اخر السورة و (قل اعوذ برب الفلق ) الى اخر السورة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৯০২. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... উকবা ইবন আমির জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আমার উপর এমন কিছু আয়াত নাযিল করেছেন, যেগুলোর নযীর দেখা যায় না; কুল আউযু বিরাব্বিন নাস সূরার শেষ পর্যন্ত এবং কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক সূরার শেষ পর্যন্ত।
সহীহ, মুসলিম ২/২০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, মুসলিম ২/২০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابن لهيعة، عن يزيد بن ابي حبيب، عن على بن رباح، عن عقبة بن عامر، قال امرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اقرا بالمعوذتين في دبر كل صلاة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৯০৩. কুতায়বা (রহঃ) ..... উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ প্রত্যেক সালাতের পর মু’আওওয়াযাতায়ন (সুরা ফালাক ও নাস) পাঠ করতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সহীহ, সহীহাহ ১৫১৪, সহীহ আবু দাউদ ১৩৬৩, তা’লীক আলা ইবনে খুযাইমাহ ৭৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
সহীহ, সহীহাহ ১৫১৪, সহীহ আবু দাউদ ১৩৬৩, তা’লীক আলা ইবনে খুযাইমাহ ৭৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৯০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، حدثنا شعبة، وهشام، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن سعد بن هشام، عن عاىشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الذي يقرا القران وهو ماهر به مع السفرة الكرام البررة والذي يقروه قال هشام وهو شديد عليه قال شعبة وهو عليه شاق فله اجران " . قال هذا حديث حسن صحيح .
২৯০৪. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে এবং সে এই বিষয়ে দক্ষ, সে (আখিরাতে) নেককার সম্মানিত লিপিকর ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে। আর যে ব্যক্তি তা তিলাওয়াত করে, হিশাম বলেন, আর তা তার জন্য কষ্টকর হয়, শু’বা বলেন, সে ব্যক্তির জন্য রয়েছে দ্বিগুণ প্রতিদান।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩০৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩০৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯০৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا حفص بن سليمان، عن كثير بن زاذان، عن عاصم بن ضمرة، عن علي بن ابي طالب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قرا القران واستظهره فاحل حلاله وحرم حرامه ادخله الله به الجنة وشفعه في عشرة من اهل بيته كلهم وجبت له النار " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه وليس اسناده بصحيح . وحفص بن سليمان يضعف في الحديث .
২৯০৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে এবং তা হিফজ করেছে, এর হালালকে হালাল বলে মেনেছে এবং হারামকে হারাম বলে গ্রহণ করেছে, আল্লাহ্ তা’আলা এর কারণে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং সে তার পরিবারের এমন দশ জনকে সুপারিশ করতে পারবে যাদের প্রত্যেকের উপর জাহান্নাম অবশ্যম্ভাবী।
খুবই দুর্বল, ইবনু মাজাহ ২১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের আর কিছু জানা নেই। এর সনদ সহীহ নয়, হাফস ইবন সুলায়মান হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ।
খুবই দুর্বল, ইবনু মাজাহ ২১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের আর কিছু জানা নেই। এর সনদ সহীহ নয়, হাফস ইবন সুলায়মান হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ।
হাদিস নং: ২৯০৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين بن علي الجعفي، قال سمعت حمزة الزيات، عن ابي المختار الطاىي، عن ابن اخي الحارث الاعور، عن الحارث، قال مررت في المسجد فاذا الناس يخوضون في الاحاديث فدخلت على علي فقلت يا امير المومنين الا ترى ان الناس قد خاضوا في الاحاديث . قال وقد فعلوها قلت نعم . قال اما اني قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الا انها ستكون فتنة " . فقلت ما المخرج منها يا رسول الله قال " كتاب الله فيه نبا ما كان قبلكم وخبر ما بعدكم وحكم ما بينكم هو الفصل ليس بالهزل من تركه من جبار قصمه الله ومن ابتغى الهدى في غيره اضله الله وهو حبل الله المتين وهو الذكر الحكيم وهو الصراط المستقيم هو الذي لا تزيغ به الاهواء ولا تلتبس به الالسنة ولا يشبع منه العلماء ولا يخلق على كثرة الرد ولا تنقضي عجاىبه هو الذي لم تنته الجن اذ سمعته حتى قالوا (انا سمعنا قرانا عجبا * يهدي الى الرشد ) من قال به صدق ومن عمل به اجر ومن حكم به عدل ومن دعا اليه هدي الى صراط مستقيم " . خذها اليك يا اعور . قال ابو عيسى هذا حديث لا نعرفه الا من هذا الوجه واسناده مجهول . وفي الحارث مقال .
২৯০৬. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... হারিছ আওয়ার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি একদিন মসজিদে গিয়ে দেখি লোকেরা আলাপ আলোচনায় রত। পরে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট গেলাম। বললামঃ হে আমীরুল মু’মিনীন, দেখছেন না লোকেরা নানা কর্থাবার্তায় মত্ত? তিনি বললেনঃ এরা কি তাই করছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ।
তিনি বলেনঃ শোন, আমি তো রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, সাবধান, অচিরেই ফিতনা ফাসাদ দেখা দিবে। আমি বললামঃ তা থেকে বাঁচার উপায় কি, ইয়া রাসূলাল্লাহ্?
তিনি বললেনঃ আল্লাহর কিতাব। তাতে আছে তোমাদেও পূর্ববর্তীদেও সংবাদ এবং পরবর্তীদের খবর। আর তোমাদের জন্য ফয়সালা-বিধান। এ হল (সত্য ও মিথ্যার) পার্থক্যকারী। এ নিরর্থক নয়। যে ব্যক্তি অহংকার বশে তা পরিত্যাগ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার গর্দান ভেঙ্গে দিবেন। একে বাদ দিয়ে যে ব্যক্তি হেদায়াত তালাশ করবে তাকে আল্লাহ্ তা’আলা গুমরাহ করে দিবেন।
এ হল আল্লাহ্ তা’আলার সুদৃঢ় রজ্জু। এ হল হিকমত পূর্ণ নসীহত। এই হল সরল সঠিক পথ। এর অনুসরণে মানুষের চিন্তাধারা বক্র হয় না। এতে যবান জড়তার শিকার হয় না। আলিমগণ এর থেকে কখনো পরিতৃপ্ত হয় না। বার বার পাঠেও তা কখনো পুরনো হয় না। এর বিস্বয়ের অন্ত নেই। এটি ঐ গ্রন্থ যা শোনার পর জিনরা এই কথা না বলে থাকতে পারে নি যে, ’’আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করেছি যা সঠিক পথ-নির্দেশ করে। সুতরাং আমরা তাতে ঈমান এনেছি।’’ (জিন্ ৭২ঃ ১-২)
যে ব্যক্তি এর অনুসরণে কথা বলে সে সত্য বলে, যে এতদানুযায়ী আমল করে সে প্রতিদান প্রাপ্ত হয়, যে ব্যক্তি এতদানুসারে ফায়সালা দেয় সে ইনসাফ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে আর যে ব্যক্তি এর দিকে আহবান জানায় সে সিরাতে মুস্তাকীমের হেদায়ত পায়। হে আ’ওয়ার, তোমার প্রতি এই কথাগুলোকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২১৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। হামযা আয-যাইয়াত-এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। এর সনদ মাজহূল বা অজ্ঞাত। হারিছের রিওয়ায়াত সম্পর্কে সামালোচনা রয়েছে।
তিনি বলেনঃ শোন, আমি তো রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, সাবধান, অচিরেই ফিতনা ফাসাদ দেখা দিবে। আমি বললামঃ তা থেকে বাঁচার উপায় কি, ইয়া রাসূলাল্লাহ্?
তিনি বললেনঃ আল্লাহর কিতাব। তাতে আছে তোমাদেও পূর্ববর্তীদেও সংবাদ এবং পরবর্তীদের খবর। আর তোমাদের জন্য ফয়সালা-বিধান। এ হল (সত্য ও মিথ্যার) পার্থক্যকারী। এ নিরর্থক নয়। যে ব্যক্তি অহংকার বশে তা পরিত্যাগ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার গর্দান ভেঙ্গে দিবেন। একে বাদ দিয়ে যে ব্যক্তি হেদায়াত তালাশ করবে তাকে আল্লাহ্ তা’আলা গুমরাহ করে দিবেন।
এ হল আল্লাহ্ তা’আলার সুদৃঢ় রজ্জু। এ হল হিকমত পূর্ণ নসীহত। এই হল সরল সঠিক পথ। এর অনুসরণে মানুষের চিন্তাধারা বক্র হয় না। এতে যবান জড়তার শিকার হয় না। আলিমগণ এর থেকে কখনো পরিতৃপ্ত হয় না। বার বার পাঠেও তা কখনো পুরনো হয় না। এর বিস্বয়ের অন্ত নেই। এটি ঐ গ্রন্থ যা শোনার পর জিনরা এই কথা না বলে থাকতে পারে নি যে, ’’আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শ্রবণ করেছি যা সঠিক পথ-নির্দেশ করে। সুতরাং আমরা তাতে ঈমান এনেছি।’’ (জিন্ ৭২ঃ ১-২)
যে ব্যক্তি এর অনুসরণে কথা বলে সে সত্য বলে, যে এতদানুযায়ী আমল করে সে প্রতিদান প্রাপ্ত হয়, যে ব্যক্তি এতদানুসারে ফায়সালা দেয় সে ইনসাফ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে আর যে ব্যক্তি এর দিকে আহবান জানায় সে সিরাতে মুস্তাকীমের হেদায়ত পায়। হে আ’ওয়ার, তোমার প্রতি এই কথাগুলোকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২১৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। হামযা আয-যাইয়াত-এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। এর সনদ মাজহূল বা অজ্ঞাত। হারিছের রিওয়ায়াত সম্পর্কে সামালোচনা রয়েছে।
হাদিস নং: ২৯০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، انبانا شعبة، اخبرني علقمة بن مرثد، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان بن عفان، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خيركم من تعلم القران وعلمه " . قال ابو عبد الرحمن فذاك الذي اقعدني مقعدي هذا . وعلم القران في زمن عثمان حتى بلغ الحجاج بن يوسف . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
২৯০৭. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সে ব্যক্তি যে কুরআন শিখে এবং তা শিখায়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটিই আমাকে এই স্থানে বসিয়ে রেখেছে। তিনি উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সময় থেকে নিয়ে হাজ্জাজ ইবন ইউসূফ-এর সময় পর্যন্ত কুরআনের তা’লীম দিয়েছেন। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটিই আমাকে এই স্থানে বসিয়ে রেখেছে। তিনি উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সময় থেকে নিয়ে হাজ্জাজ ইবন ইউসূফ-এর সময় পর্যন্ত কুরআনের তা’লীম দিয়েছেন। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا بشر بن السري، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خيركم - او افضلكم - من تعلم القران وعلمه " . هذا حديث حسن صحيح . وهكذا روى عبد الرحمن بن مهدي وغير واحد عن سفيان الثوري عن علقمة بن مرثد عن ابي عبد الرحمن عن عثمان عن النبي صلى الله عليه وسلم وسفيان لا يذكر فيه عن سعد بن عبيدة .
وقد روى يحيى بن سعيد القطان، هذا الحديث عن سفيان، وشعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم حدثنا بذلك، محمد بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، وشعبة، . قال محمد بن بشار وهكذا ذكره يحيى بن سعيد عن سفيان، وشعبة، غير مرة عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال محمد بن بشار واصحاب سفيان لا يذكرون فيه عن سفيان عن سعد بن عبيدة . قال محمد بن بشار وهو اصح . قال ابو عيسى وقد زاد شعبة في اسناد هذا الحديث سعد بن عبيدة وكان حديث سفيان اصح . قال علي بن عبد الله قال يحيى بن سعيد ما احد يعدل عندي شعبة واذا خالفه سفيان اخذت بقول سفيان . قال ابو عيسى سمعت ابا عمار يذكر عن وكيع قال قال شعبة سفيان احفظ مني وما حدثني سفيان عن احد بشيء فسالته الا وجدته كما حدثني . وفي الباب عن علي وسعد .
وقد روى يحيى بن سعيد القطان، هذا الحديث عن سفيان، وشعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم حدثنا بذلك، محمد بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، وشعبة، . قال محمد بن بشار وهكذا ذكره يحيى بن سعيد عن سفيان، وشعبة، غير مرة عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال محمد بن بشار واصحاب سفيان لا يذكرون فيه عن سفيان عن سعد بن عبيدة . قال محمد بن بشار وهو اصح . قال ابو عيسى وقد زاد شعبة في اسناد هذا الحديث سعد بن عبيدة وكان حديث سفيان اصح . قال علي بن عبد الله قال يحيى بن سعيد ما احد يعدل عندي شعبة واذا خالفه سفيان اخذت بقول سفيان . قال ابو عيسى سمعت ابا عمار يذكر عن وكيع قال قال شعبة سفيان احفظ مني وما حدثني سفيان عن احد بشيء فسالته الا وجدته كما حدثني . وفي الباب عن علي وسعد .
২৯০৮. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিখে এবং কুরআন শিক্ষা দেয়। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী প্রমুখ (রহঃ) সুফইয়ান ছাওরী ... আলকামা ইবন মারছাদ ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটি রিওয়ায়ত করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ) এই সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি।
ইয়াইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) এই হাদীসটি সুফইয়ান ও শু’বা ... আলকামা ইবন মারছাদ সা’দ ইবন উবায়দা ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) এর শাগরিদ এতে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন এটিই অধিক সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, শু’বা (রহঃ) এই হাদীসটির সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ)-এর নাম অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ)-এর রিওয়ায়তটিই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। আলী ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেছেন, আমার কাছে শু’বার সমান কেউ নেই। কিন্তু কোন রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে সুফইয়ান (রহঃ) এর সঙ্গে তার মতপার্থক্য হলে আমি সুফইয়ান (রহঃ) এর বক্তব্যকে গ্রহণ করি।
আবূ আম্মার (রহঃ)-কে ওয়াকী (রহঃ) এর বরাতে বলতে শুনেছি যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেনঃ সুফইয়ান আমার চেয়েও বেশি স্মরণ শক্তি সম্পন্ন ও সংরক্ষক। সুফইয়ান কারো বরাতে যখন আমাকে কিছু রিওয়ায়ত করেছেন আমি তখন ঐ ব্যক্তিকেও সেটি জিজ্ঞাসা করে দেখিছি। সুফইয়ান (রহঃ) যেমন রিওয়ায়ত করেছেন সে রকমই আমি তা পেয়েছি।
এই বিষয়ে আলী ও সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী প্রমুখ (রহঃ) সুফইয়ান ছাওরী ... আলকামা ইবন মারছাদ ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটি রিওয়ায়ত করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ) এই সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি।
ইয়াইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) এই হাদীসটি সুফইয়ান ও শু’বা ... আলকামা ইবন মারছাদ সা’দ ইবন উবায়দা ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) এর শাগরিদ এতে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন এটিই অধিক সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, শু’বা (রহঃ) এই হাদীসটির সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ)-এর নাম অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ)-এর রিওয়ায়তটিই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। আলী ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেছেন, আমার কাছে শু’বার সমান কেউ নেই। কিন্তু কোন রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে সুফইয়ান (রহঃ) এর সঙ্গে তার মতপার্থক্য হলে আমি সুফইয়ান (রহঃ) এর বক্তব্যকে গ্রহণ করি।
আবূ আম্মার (রহঃ)-কে ওয়াকী (রহঃ) এর বরাতে বলতে শুনেছি যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেনঃ সুফইয়ান আমার চেয়েও বেশি স্মরণ শক্তি সম্পন্ন ও সংরক্ষক। সুফইয়ান কারো বরাতে যখন আমাকে কিছু রিওয়ায়ত করেছেন আমি তখন ঐ ব্যক্তিকেও সেটি জিজ্ঞাসা করে দেখিছি। সুফইয়ান (রহঃ) যেমন রিওয়ায়ত করেছেন সে রকমই আমি তা পেয়েছি।
এই বিষয়ে আলী ও সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي بن ابي طالب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خيركم من تعلم القران وعلمه " . وهذا حديث لا نعرفه من حديث علي عن النبي صلى الله عليه وسلم الا من حديث عبد الرحمن بن اسحاق .
২৯০৯. কুতায়বা (রহঃ) ...... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিখে এবং তা শিখায়।
পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এই হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এই হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৯১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو بكر الحنفي، حدثنا الضحاك بن عثمان، عن ايوب بن موسى، قال سمعت محمد بن كعب القرظي، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قرا حرفا من كتاب الله فله به حسنة والحسنة بعشر امثالها لا اقول الم حرف ولكن الف حرف ولام حرف وميم حرف " . ويروى هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابن مسعود ورواه ابو الاحوص عن ابن مسعود رفعه بعضهم ووقفه بعضهم عن ابن مسعود . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . سمعت قتيبة بن سعيد يقول بلغني ان محمد بن كعب القرظي ولد في حياة النبي صلى الله عليه وسلم ومحمد بن كعب القرظي يكنى ابا حمزة .
২৯১০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করবে তার নেকী হবে। আর নেকী হয় দশ গুণ হিসাবে। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম মিলে একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, এবং মীম আরেকটি হরফ।
সহীহ, তাখরিজুল তাহাবিয়া ১৩৯, মিশকাত ২১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ-গারীব। কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার কাছে তথ্য আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশাতেই মুহাম্মাদ ইবন কুরাযী (রহঃ) এর জন্ম হয়েছে।
এই হাদীসটি অন্যভাবেও ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত আছে। আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়ত করেছেন। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোন কোন রাবী এটি মারফূ’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন আর কোন কোন রাবী মাওকূফ রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন কা’ব কুরাযী (রহঃ) এর কুনিয়ত হল আবূ হামযা।
সহীহ, তাখরিজুল তাহাবিয়া ১৩৯, মিশকাত ২১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ-গারীব। কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার কাছে তথ্য আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশাতেই মুহাম্মাদ ইবন কুরাযী (রহঃ) এর জন্ম হয়েছে।
এই হাদীসটি অন্যভাবেও ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত আছে। আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়ত করেছেন। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোন কোন রাবী এটি মারফূ’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন আর কোন কোন রাবী মাওকূফ রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন কা’ব কুরাযী (রহঃ) এর কুনিয়ত হল আবূ হামযা।
হাদিস নং: ২৯১১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو النضر، حدثنا بكر بن خنيس، عن ليث بن ابي سليم، عن زيد بن ارطاة، عن ابي امامة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ما اذن الله لعبد في شيء افضل من ركعتين يصليهما وان البر ليذر على راس العبد ما دام في صلاته وما تقرب العباد الى الله بمثل ما خرج منه " . قال ابو النضر يعني القران . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . وبكر بن خنيس قد تكلم فيه ابن المبارك وتركه في اخر امره .
وقد روي هذا الحديث، عن زيد بن ارطاة، عن جبير بن نفير، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل .
وقد روي هذا الحديث، عن زيد بن ارطاة، عن جبير بن نفير، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل .
২৯১১. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’রাকআত সালাত (নামায) অপেক্ষা আর কিছুতে আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার প্রতি অধিক মুতাওজ্জিহ হন না। বান্দা যতক্ষণ সালাতে থাকে ততক্ষণ তার মাথার উপর নেকী বর্ষিত হয়। আল্লাহর নিজের থেকে যা বহির্গত সেই বস্তু আবূ নযর বলেন, অর্থাৎ কুরআনের মত আর কিছুর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর এত নৈকট্য লাভ করতে পারে না।
যঈফ, মিশকাত ১৩৩২, যঈফা ১৯৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইবন মুবারক (রহঃ) বকর ইবন খুনায়স-এর সমালোচনা করেছেন এবং শেষে তাকে বর্জন করেছেন। যায়দ ইবন আরতাত ... জুবায়র ইবন নুফায়র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।
যঈফ, মিশকাত ১৩৩২, যঈফা ১৯৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইবন মুবারক (রহঃ) বকর ইবন খুনায়স-এর সমালোচনা করেছেন এবং শেষে তাকে বর্জন করেছেন। যায়দ ইবন আরতাত ... জুবায়র ইবন নুফায়র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯১২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا بذلك، اسحاق بن منصور حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن معاوية، عن العلاء بن الحارث، عن زيد بن ارطاة، عن جبير بن نفير، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " انكم لن ترجعوا الى الله بافضل مما خرج منه " . يعني القران
২৯১২. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) .... জুবায়র ইবন নুফায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিজের থেকে উদ্ভূত যে জিনিস অর্থাৎ কুরআন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কোন জিনিস নিয়ে তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যার্পণ করতে পারবে না।
যঈফ, যঈফা, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
যঈফ, যঈফা, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯১৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا جرير، عن قابوس بن ابي ظبيان، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الذي ليس في جوفه شيء من القران كالبيت الخرب " . قال هذا حديث حسن صحيح .
২৯১৩. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার ভিতরে কুরআনের কিছু নেই সে বিরান ঘরের মত।
যঈফ, মিশকাত ২১৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যঈফ, মিশকাত ২১৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯১৪
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الحفري، وابو نعيم عن سفيان، عن عاصم بن ابي النجود، عن زر، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يقال لصاحب القران اقرا وارتق ورتل كما كنت ترتل في الدنيا فان منزلتك عند اخر اية تقرا بها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عاصم، بهذا الاسناد نحوه .
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عاصم، بهذا الاسناد نحوه .
২৯১৪. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনের শিক্ষা লাভকারীকে বলা হবে, পড়, আরোহণ কর আর দুনিয়াতে যেভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করতে সেভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করে যাও। অতএব যে আয়াতে তোমার পাঠ শেষ হবে সেখানে হবে তোমার মনযিল।
হাসান, মিশকাত ২১৩৪, তা’লীকুর রাগীব ২/২০৮, সহিহ আবু দাউদ ১৩১৭, সহীহাহ ২২৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। বুন্দার (রহঃ) আসিম (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনূরূপ বর্ণনা করেন।
হাসান, মিশকাত ২১৩৪, তা’লীকুর রাগীব ২/২০৮, সহিহ আবু দাউদ ১৩১৭, সহীহাহ ২২৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। বুন্দার (রহঃ) আসিম (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনূরূপ বর্ণনা করেন।