হাদিস নং: ২৯০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، انبانا شعبة، اخبرني علقمة بن مرثد، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان بن عفان، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خيركم من تعلم القران وعلمه " . قال ابو عبد الرحمن فذاك الذي اقعدني مقعدي هذا . وعلم القران في زمن عثمان حتى بلغ الحجاج بن يوسف . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
২৯০৭. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সে ব্যক্তি যে কুরআন শিখে এবং তা শিখায়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটিই আমাকে এই স্থানে বসিয়ে রেখেছে। তিনি উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সময় থেকে নিয়ে হাজ্জাজ ইবন ইউসূফ-এর সময় পর্যন্ত কুরআনের তা’লীম দিয়েছেন। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২১১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটিই আমাকে এই স্থানে বসিয়ে রেখেছে। তিনি উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সময় থেকে নিয়ে হাজ্জাজ ইবন ইউসূফ-এর সময় পর্যন্ত কুরআনের তা’লীম দিয়েছেন। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا بشر بن السري، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خيركم - او افضلكم - من تعلم القران وعلمه " . هذا حديث حسن صحيح . وهكذا روى عبد الرحمن بن مهدي وغير واحد عن سفيان الثوري عن علقمة بن مرثد عن ابي عبد الرحمن عن عثمان عن النبي صلى الله عليه وسلم وسفيان لا يذكر فيه عن سعد بن عبيدة .
وقد روى يحيى بن سعيد القطان، هذا الحديث عن سفيان، وشعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم حدثنا بذلك، محمد بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، وشعبة، . قال محمد بن بشار وهكذا ذكره يحيى بن سعيد عن سفيان، وشعبة، غير مرة عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال محمد بن بشار واصحاب سفيان لا يذكرون فيه عن سفيان عن سعد بن عبيدة . قال محمد بن بشار وهو اصح . قال ابو عيسى وقد زاد شعبة في اسناد هذا الحديث سعد بن عبيدة وكان حديث سفيان اصح . قال علي بن عبد الله قال يحيى بن سعيد ما احد يعدل عندي شعبة واذا خالفه سفيان اخذت بقول سفيان . قال ابو عيسى سمعت ابا عمار يذكر عن وكيع قال قال شعبة سفيان احفظ مني وما حدثني سفيان عن احد بشيء فسالته الا وجدته كما حدثني . وفي الباب عن علي وسعد .
وقد روى يحيى بن سعيد القطان، هذا الحديث عن سفيان، وشعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم حدثنا بذلك، محمد بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، وشعبة، . قال محمد بن بشار وهكذا ذكره يحيى بن سعيد عن سفيان، وشعبة، غير مرة عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال محمد بن بشار واصحاب سفيان لا يذكرون فيه عن سفيان عن سعد بن عبيدة . قال محمد بن بشار وهو اصح . قال ابو عيسى وقد زاد شعبة في اسناد هذا الحديث سعد بن عبيدة وكان حديث سفيان اصح . قال علي بن عبد الله قال يحيى بن سعيد ما احد يعدل عندي شعبة واذا خالفه سفيان اخذت بقول سفيان . قال ابو عيسى سمعت ابا عمار يذكر عن وكيع قال قال شعبة سفيان احفظ مني وما حدثني سفيان عن احد بشيء فسالته الا وجدته كما حدثني . وفي الباب عن علي وسعد .
২৯০৮. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিখে এবং কুরআন শিক্ষা দেয়। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী প্রমুখ (রহঃ) সুফইয়ান ছাওরী ... আলকামা ইবন মারছাদ ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটি রিওয়ায়ত করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ) এই সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি।
ইয়াইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) এই হাদীসটি সুফইয়ান ও শু’বা ... আলকামা ইবন মারছাদ সা’দ ইবন উবায়দা ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) এর শাগরিদ এতে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন এটিই অধিক সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, শু’বা (রহঃ) এই হাদীসটির সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ)-এর নাম অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ)-এর রিওয়ায়তটিই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। আলী ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেছেন, আমার কাছে শু’বার সমান কেউ নেই। কিন্তু কোন রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে সুফইয়ান (রহঃ) এর সঙ্গে তার মতপার্থক্য হলে আমি সুফইয়ান (রহঃ) এর বক্তব্যকে গ্রহণ করি।
আবূ আম্মার (রহঃ)-কে ওয়াকী (রহঃ) এর বরাতে বলতে শুনেছি যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেনঃ সুফইয়ান আমার চেয়েও বেশি স্মরণ শক্তি সম্পন্ন ও সংরক্ষক। সুফইয়ান কারো বরাতে যখন আমাকে কিছু রিওয়ায়ত করেছেন আমি তখন ঐ ব্যক্তিকেও সেটি জিজ্ঞাসা করে দেখিছি। সুফইয়ান (রহঃ) যেমন রিওয়ায়ত করেছেন সে রকমই আমি তা পেয়েছি।
এই বিষয়ে আলী ও সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী প্রমুখ (রহঃ) সুফইয়ান ছাওরী ... আলকামা ইবন মারছাদ ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসটি রিওয়ায়ত করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ) এই সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি।
ইয়াইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) এই হাদীসটি সুফইয়ান ও শু’বা ... আলকামা ইবন মারছাদ সা’দ ইবন উবায়দা ... আবূ আবদুর রহমান ... উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) এর শাগরিদ এতে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ) এর উল্লেখ করেননি। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) বলেন এটিই অধিক সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, শু’বা (রহঃ) এই হাদীসটির সনদে সা’দ ইবন উবায়দা (রহঃ)-এর নাম অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। সুফইয়ান (রহঃ)-এর রিওয়ায়তটিই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। আলী ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলেছেন, আমার কাছে শু’বার সমান কেউ নেই। কিন্তু কোন রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে সুফইয়ান (রহঃ) এর সঙ্গে তার মতপার্থক্য হলে আমি সুফইয়ান (রহঃ) এর বক্তব্যকে গ্রহণ করি।
আবূ আম্মার (রহঃ)-কে ওয়াকী (রহঃ) এর বরাতে বলতে শুনেছি যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেনঃ সুফইয়ান আমার চেয়েও বেশি স্মরণ শক্তি সম্পন্ন ও সংরক্ষক। সুফইয়ান কারো বরাতে যখন আমাকে কিছু রিওয়ায়ত করেছেন আমি তখন ঐ ব্যক্তিকেও সেটি জিজ্ঞাসা করে দেখিছি। সুফইয়ান (রহঃ) যেমন রিওয়ায়ত করেছেন সে রকমই আমি তা পেয়েছি।
এই বিষয়ে আলী ও সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي بن ابي طالب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خيركم من تعلم القران وعلمه " . وهذا حديث لا نعرفه من حديث علي عن النبي صلى الله عليه وسلم الا من حديث عبد الرحمن بن اسحاق .
২৯০৯. কুতায়বা (রহঃ) ...... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিখে এবং তা শিখায়।
পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এই হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রিওয়ায়ত হিসাবে আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এই হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৯১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو بكر الحنفي، حدثنا الضحاك بن عثمان، عن ايوب بن موسى، قال سمعت محمد بن كعب القرظي، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قرا حرفا من كتاب الله فله به حسنة والحسنة بعشر امثالها لا اقول الم حرف ولكن الف حرف ولام حرف وميم حرف " . ويروى هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابن مسعود ورواه ابو الاحوص عن ابن مسعود رفعه بعضهم ووقفه بعضهم عن ابن مسعود . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . سمعت قتيبة بن سعيد يقول بلغني ان محمد بن كعب القرظي ولد في حياة النبي صلى الله عليه وسلم ومحمد بن كعب القرظي يكنى ابا حمزة .
২৯১০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করবে তার নেকী হবে। আর নেকী হয় দশ গুণ হিসাবে। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম মিলে একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, এবং মীম আরেকটি হরফ।
সহীহ, তাখরিজুল তাহাবিয়া ১৩৯, মিশকাত ২১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ-গারীব। কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার কাছে তথ্য আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশাতেই মুহাম্মাদ ইবন কুরাযী (রহঃ) এর জন্ম হয়েছে।
এই হাদীসটি অন্যভাবেও ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত আছে। আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়ত করেছেন। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোন কোন রাবী এটি মারফূ’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন আর কোন কোন রাবী মাওকূফ রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন কা’ব কুরাযী (রহঃ) এর কুনিয়ত হল আবূ হামযা।
সহীহ, তাখরিজুল তাহাবিয়া ১৩৯, মিশকাত ২১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ-গারীব। কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার কাছে তথ্য আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশাতেই মুহাম্মাদ ইবন কুরাযী (রহঃ) এর জন্ম হয়েছে।
এই হাদীসটি অন্যভাবেও ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত আছে। আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়ত করেছেন। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোন কোন রাবী এটি মারফূ’রূপে রিওয়ায়ত করেছেন আর কোন কোন রাবী মাওকূফ রূপে রিওয়ায়ত করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন কা’ব কুরাযী (রহঃ) এর কুনিয়ত হল আবূ হামযা।
হাদিস নং: ২৯১১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو النضر، حدثنا بكر بن خنيس، عن ليث بن ابي سليم، عن زيد بن ارطاة، عن ابي امامة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ما اذن الله لعبد في شيء افضل من ركعتين يصليهما وان البر ليذر على راس العبد ما دام في صلاته وما تقرب العباد الى الله بمثل ما خرج منه " . قال ابو النضر يعني القران . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . وبكر بن خنيس قد تكلم فيه ابن المبارك وتركه في اخر امره .
وقد روي هذا الحديث، عن زيد بن ارطاة، عن جبير بن نفير، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل .
وقد روي هذا الحديث، عن زيد بن ارطاة، عن جبير بن نفير، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل .
২৯১১. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’রাকআত সালাত (নামায) অপেক্ষা আর কিছুতে আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার প্রতি অধিক মুতাওজ্জিহ হন না। বান্দা যতক্ষণ সালাতে থাকে ততক্ষণ তার মাথার উপর নেকী বর্ষিত হয়। আল্লাহর নিজের থেকে যা বহির্গত সেই বস্তু আবূ নযর বলেন, অর্থাৎ কুরআনের মত আর কিছুর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর এত নৈকট্য লাভ করতে পারে না।
যঈফ, মিশকাত ১৩৩২, যঈফা ১৯৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইবন মুবারক (রহঃ) বকর ইবন খুনায়স-এর সমালোচনা করেছেন এবং শেষে তাকে বর্জন করেছেন। যায়দ ইবন আরতাত ... জুবায়র ইবন নুফায়র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।
যঈফ, মিশকাত ১৩৩২, যঈফা ১৯৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইবন মুবারক (রহঃ) বকর ইবন খুনায়স-এর সমালোচনা করেছেন এবং শেষে তাকে বর্জন করেছেন। যায়দ ইবন আরতাত ... জুবায়র ইবন নুফায়র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে এই হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯১২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا بذلك، اسحاق بن منصور حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن معاوية، عن العلاء بن الحارث، عن زيد بن ارطاة، عن جبير بن نفير، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " انكم لن ترجعوا الى الله بافضل مما خرج منه " . يعني القران
২৯১২. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) .... জুবায়র ইবন নুফায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিজের থেকে উদ্ভূত যে জিনিস অর্থাৎ কুরআন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কোন জিনিস নিয়ে তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যার্পণ করতে পারবে না।
যঈফ, যঈফা, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
যঈফ, যঈফা, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯১৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا جرير، عن قابوس بن ابي ظبيان، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الذي ليس في جوفه شيء من القران كالبيت الخرب " . قال هذا حديث حسن صحيح .
২৯১৩. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার ভিতরে কুরআনের কিছু নেই সে বিরান ঘরের মত।
যঈফ, মিশকাত ২১৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যঈফ, মিশকাত ২১৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯১৪
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الحفري، وابو نعيم عن سفيان، عن عاصم بن ابي النجود، عن زر، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يقال لصاحب القران اقرا وارتق ورتل كما كنت ترتل في الدنيا فان منزلتك عند اخر اية تقرا بها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عاصم، بهذا الاسناد نحوه .
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عاصم، بهذا الاسناد نحوه .
২৯১৪. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনের শিক্ষা লাভকারীকে বলা হবে, পড়, আরোহণ কর আর দুনিয়াতে যেভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করতে সেভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করে যাও। অতএব যে আয়াতে তোমার পাঠ শেষ হবে সেখানে হবে তোমার মনযিল।
হাসান, মিশকাত ২১৩৪, তা’লীকুর রাগীব ২/২০৮, সহিহ আবু দাউদ ১৩১৭, সহীহাহ ২২৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। বুন্দার (রহঃ) আসিম (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনূরূপ বর্ণনা করেন।
হাসান, মিশকাত ২১৩৪, তা’লীকুর রাগীব ২/২০৮, সহিহ আবু দাউদ ১৩১৭, সহীহাহ ২২৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। বুন্দার (রহঃ) আসিম (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনূরূপ বর্ণনা করেন।
হাদিস নং: ২৯১৫
হাসান (Hasan)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، اخبرنا شعبة، عن عاصم، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يجيء القران يوم القيامة فيقول يا رب حله فيلبس تاج الكرامة ثم يقول يا رب زده فيلبس حلة الكرامة ثم يقول يا رب ارض عنه فيرضى عنه فيقال له اقرا وارق وتزاد بكل اية حسنة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عاصم بن بهدلة، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، نحوه ولم يرفعه . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث عبد الصمد عن شعبة .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عاصم بن بهدلة، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، نحوه ولم يرفعه . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث عبد الصمد عن شعبة .
২৯১৫. নাসর ইবন আলী জাহযামী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন কুরআন অধিকারী ব্যক্তি এসে বলবেঃ হে পরওয়ারদিগার অলংকৃত করুন। তখন তাকে সম্মানের তাজ পরান হবে। সে আবার বলবেঃ হে পরওয়ারদিগার আরো দিন।
তাকে তখন সম্মানের পোষাক পরানো হবে। সে আবার বলবেঃ হে পরওয়ারদিগার তার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। তখন তিনি সন্তুষ্ট হবেন। তখন বলা হবেঃ পড় আর উপরে আরোহণ করতে থাক। এক একটি আয়াতের বদলায় এক একটি নেকী (মর্যাদা) বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে।
হাসান, তা’লীকুর রাগীব ২/২০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এটি মারফূ’রূপে বর্ণনা করা হয়নি। আমাদের মতে আবদুস সামাদ ... শু’বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়তটি অধিক সহীহ।
তাকে তখন সম্মানের পোষাক পরানো হবে। সে আবার বলবেঃ হে পরওয়ারদিগার তার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। তখন তিনি সন্তুষ্ট হবেন। তখন বলা হবেঃ পড় আর উপরে আরোহণ করতে থাক। এক একটি আয়াতের বদলায় এক একটি নেকী (মর্যাদা) বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে।
হাসান, তা’লীকুর রাগীব ২/২০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এটি মারফূ’রূপে বর্ণনা করা হয়নি। আমাদের মতে আবদুস সামাদ ... শু’বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়তটি অধিক সহীহ।
হাদিস নং: ২৯১৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد الوهاب بن الحكم الوراق البغدادي، حدثنا عبد المجيد بن عبد العزيز، عن ابن جريج، عن المطلب بن عبد الله بن حنطب، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عرضت على اجور امتي حتى القذاة يخرجها الرجل من المسجد وعرضت على ذنوب امتي فلم ار ذنبا اعظم من سورة من القران او اية اوتيها رجل ثم نسيها " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . قال وذاكرت به محمد بن اسماعيل فلم يعرفه واستغربه . قال محمد ولا اعرف للمطلب بن عبد الله بن حنطب سماعا من احد من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم الا قوله حدثني من شهد خطبة النبي صلى الله عليه وسلم . قال وسمعت عبد الله بن عبد الرحمن يقول لا نعرف للمطلب سماعا من احد من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم . قال عبد الله وانكر علي بن المديني ان يكون المطلب سمع من انس .
২৯১৬. আবদুল ওয়াহহাব ইবন হাকাম ওয়াররাক বাগদাদী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের ছওয়াবসমূহ আমার সামনে পেশ করা হয়। এমনকি সমজিদ থেকে যে খড় খুটাটুকুও যে ব্যক্তি বের করেছে তাও আমার সামনে উপস্থাপিত করা হয়। আমার উম্মতের গুনাহসমূহও আমার সামনে পেশ করা হয়। কুরআনের কোন সূরা বা আয়াত তাকে প্রদান করার পরও যে ব্যক্তি তা ভূলে যায় তদপেক্ষা বড় গুনাহ্ আর কিছুই আমি দেখিনি।
যঈফ, মিশকাত ৭২০, রাওযুন নাযীর ৭২, যইফা, আবু দাউদ ৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের আর কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসামাঈল বুখারী (রহঃ) এর সঙ্গে আমি এ হাদীসটি সম্পর্কে আলোচনা করলে তিনি এটি চিনলেন না এবং এটিকে গারীব বলে মনে করেছেন। মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের কারো নিকট থেকে মুত্তালিব ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন হানতাব সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমি জানি না। তবে তাঁর নিম্নের এই বক্তব্যটির কথা ভিন্নঃ
তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খুতবায় যিনি হাযির ছিলেন এমন একজন আমাকে বর্ণনা করেছেন।
আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, কোন সাহাবী থেকে মুত্তালিব (রহঃ) সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমরা জানি না। আবদুল্লহ্ (রহঃ) আরো বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মুত্তালিব (রহঃ) এর সরাসরি হাদীস শ্রবণের বিষয়টি আলী ইবন মাদীনী (রহঃ) প্রত্যাখ্যান করেছেন।
যঈফ, মিশকাত ৭২০, রাওযুন নাযীর ৭২, যইফা, আবু দাউদ ৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের আর কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসামাঈল বুখারী (রহঃ) এর সঙ্গে আমি এ হাদীসটি সম্পর্কে আলোচনা করলে তিনি এটি চিনলেন না এবং এটিকে গারীব বলে মনে করেছেন। মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের কারো নিকট থেকে মুত্তালিব ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন হানতাব সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমি জানি না। তবে তাঁর নিম্নের এই বক্তব্যটির কথা ভিন্নঃ
তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খুতবায় যিনি হাযির ছিলেন এমন একজন আমাকে বর্ণনা করেছেন।
আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, কোন সাহাবী থেকে মুত্তালিব (রহঃ) সরাসরি কিছু শুনেছেন বলে আমরা জানি না। আবদুল্লহ্ (রহঃ) আরো বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মুত্তালিব (রহঃ) এর সরাসরি হাদীস শ্রবণের বিষয়টি আলী ইবন মাদীনী (রহঃ) প্রত্যাখ্যান করেছেন।
হাদিস নং: ২৯১৭
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن خيثمة، عن الحسن، عن عمران بن حصين، انه مر على قاص يقرا ثم سال فاسترجع ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قرا القران فليسال الله به فانه سيجيء اقوام يقرءون القران يسالون به الناس " . وقال محمود وهذا خيثمة البصري الذي روى عنه جابر الجعفي وليس هو خيثمة بن عبد الرحمن وخيثمة هذا شيخ بصري يكنى ابا نصر قد روى عن انس بن مالك احاديث وقد روى جابر الجعفي عن خيثمة هذا ايضا احاديث .
২৯১৭. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একদা তিনি এক কুরআন পাঠকারীর পাশ দিয়ে পথ অতিক্রম করছিলেনঃ সে কুরআন পড়ে পড়ে মানুষের কাছে ভিক্ষা করছিল। তা দেখে তিনি ইন্না লিল্লাহ্... পড়লেন। পরে বললেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি কুরআন পড়বে সে যেন আল্লাহর কাছেই কেবল যাঞ্চা করে। অচিরেই এমন একদল লোকের আবির্ভব ঘটবে যারা কুরআন পড়বে এবং এর ওয়াসীলা দিয়ে মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইবে।
হাসান, সহীহাহ ২৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মাহমূদ (রহঃ) বলেনঃ খায়ছামা বাসরী-যার বরাতে জাবির জু’ফী হাদীস রিওয়ায়ত করেছেন তিনি খায়ছামা ইবন আবদুর রহমান নন। এই হাদীসটি হাসান, এই খায়ছামা (রহঃ) হলেন একজন বাসরী শায়খ। তাঁর কুনিয়াত হল আবূ নাসর। তিনি আনাস ইবন মালিক, রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে একাধীক হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই খায়ছামা (রহঃ) থেকে জাবির জু’ফীও হাদীস রিওয়ায়ত করেছেন।
হাসান, সহীহাহ ২৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মাহমূদ (রহঃ) বলেনঃ খায়ছামা বাসরী-যার বরাতে জাবির জু’ফী হাদীস রিওয়ায়ত করেছেন তিনি খায়ছামা ইবন আবদুর রহমান নন। এই হাদীসটি হাসান, এই খায়ছামা (রহঃ) হলেন একজন বাসরী শায়খ। তাঁর কুনিয়াত হল আবূ নাসর। তিনি আনাস ইবন মালিক, রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে একাধীক হাদীস বর্ণনা করেছেন। এই খায়ছামা (রহঃ) থেকে জাবির জু’ফীও হাদীস রিওয়ায়ত করেছেন।
হাদিস নং: ২৯১৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن اسماعيل الواسطي، حدثنا وكيع، حدثنا ابو فروة، يزيد بن سنان عن ابي المبارك، عن صهيب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما امن بالقران من استحل محارمه " . قال ابو عيسى هذا حديث ليس اسناده بالقوي وقد خولف وكيع في روايته . وقال محمد ابو فروة يزيد بن سنان الرهاوي ليس بحديثه باس الا رواية ابنه محمد عنه فانه يروي عنه مناكير . قال ابو عيسى وقد روى محمد بن يزيد بن سنان عن ابيه هذا الحديث فزاد في هذا الاسناد عن مجاهد عن سعيد بن المسيب عن صهيب ولا يتابع محمد بن يزيد على روايته وهو ضعيف وابو المبارك رجل مجهول .
২৯১৮. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... সুহায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআনে উদ্ধৃত হারাম কাজকে হালাল মনে করে সে কুরআনের উপর ঈমান আনেনি।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াযীদ ইবন সিনান (রহঃ) তাঁর পিতা সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এই সনদে তিনি মুজাহিদ-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-এর উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়তের সমার্থক কোন রিওয়ায়ত নেই। ইনি যঈফ। আবুল মুবারক (রহঃ) হলেন অজ্ঞাত। এই হাদীসটির সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। ওয়াকী’-এর রিওয়ায়তের বিরোধিতা রয়েছে।
মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আবূ ফারওয়া ইয়াযীদ ইবন সিনান রাহবী-এর হাদীস বর্ণনায় কোন অসুবিধা নেই। তবে তাঁর পুত্র মুহাম্মাদ তার বরাতে যে রিওয়ায়ত করেছেন সেগুলোর কথা ভিন্ন। কেননা তিনি তার বরাতে বহু মুনকার রিওয়ায়ত করেছেন।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২২০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াযীদ ইবন সিনান (রহঃ) তাঁর পিতা সূত্রে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এই সনদে তিনি মুজাহিদ-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-এর উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়তের সমার্থক কোন রিওয়ায়ত নেই। ইনি যঈফ। আবুল মুবারক (রহঃ) হলেন অজ্ঞাত। এই হাদীসটির সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। ওয়াকী’-এর রিওয়ায়তের বিরোধিতা রয়েছে।
মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ আবূ ফারওয়া ইয়াযীদ ইবন সিনান রাহবী-এর হাদীস বর্ণনায় কোন অসুবিধা নেই। তবে তাঁর পুত্র মুহাম্মাদ তার বরাতে যে রিওয়ায়ত করেছেন সেগুলোর কথা ভিন্ন। কেননা তিনি তার বরাতে বহু মুনকার রিওয়ায়ত করেছেন।
হাদিস নং: ২৯১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا اسماعيل بن عياش، عن بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، عن كثير بن مرة الحضرمي، عن عقبة بن عامر، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الجاهر بالقران كالجاهر بالصدقة والمسر بالقران كالمسر بالصدقة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . ومعنى هذا الحديث ان الذي يسر بقراءة القران افضل من الذي يجهر بقراءة القران لان صدقة السر افضل عند اهل العلم من صدقة العلانية وانما معنى هذا عند اهل العلم لكى يامن الرجل من العجب لان الذي يسر العمل لا يخاف عليه العجب ما يخاف عليه من علانيته .
২৯১৯. হাসান ইবন আরাফা (রহঃ) ...... উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, প্রকাশ্যে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে সাদাকা প্রদানকারীর মত। আর গোপনে কুরআন পাঠকারী গোপনে সদাকা প্রদানকারীর মত।
সহীহ, মিশকাত তাহকিক ছানী ২২০২, সহীহ আবু দাউদ ১২০৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। হাদীসটির মর্ম হল, প্রকাশ্যে কুরআন তিলাওয়াতকারী অপেক্ষা গোপনে কুরআন তিলাওয়াকারী উত্তম। কেননা আলিমগণের মতে প্রকাশ্যে সাদাকা প্রদান অপেক্ষা গোপনে সাদাকা করা উত্তম।
আলিমগণের মতে এর হিকমত হল, পাঠক যেন অহংকার থেকে বেঁচে থাকে সে জন্য এই কথা বলা হয়েছে। কেননা প্রকাশ্যে আমলকারীর ক্ষেত্রে অহংকারের যতটা আশংকা থাকে গোপনে আমলকারীর ক্ষেত্রে ততটা আশংকা থাকে না।
সহীহ, মিশকাত তাহকিক ছানী ২২০২, সহীহ আবু দাউদ ১২০৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। হাদীসটির মর্ম হল, প্রকাশ্যে কুরআন তিলাওয়াতকারী অপেক্ষা গোপনে কুরআন তিলাওয়াকারী উত্তম। কেননা আলিমগণের মতে প্রকাশ্যে সাদাকা প্রদান অপেক্ষা গোপনে সাদাকা করা উত্তম।
আলিমগণের মতে এর হিকমত হল, পাঠক যেন অহংকার থেকে বেঁচে থাকে সে জন্য এই কথা বলা হয়েছে। কেননা প্রকাশ্যে আমলকারীর ক্ষেত্রে অহংকারের যতটা আশংকা থাকে গোপনে আমলকারীর ক্ষেত্রে ততটা আশংকা থাকে না।
হাদিস নং: ২৯২০
সহিহ (Sahih)
حدثنا صالح بن عبد الله، حدثنا حماد بن زيد، عن ابي لبابة، قال قالت عاىشة كان النبي صلى الله عليه وسلم لا ينام على فراشه حتى يقرا بني اسراىيل والزمر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وابو لبابة شيخ بصري قد روى عنه حماد بن زيد غير حديث ويقال اسمه مروان . اخبرني بذلك محمد بن اسماعيل في كتاب التاريخ .
২৯২০. সালিহ ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূরা বনী ইসরাঈল এবং যুমার তিলাওয়াত না করা পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমাতেন না।
সহীহ, সহিহাহ ৬৪১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। আবূ লুবাবা (রহঃ) হলেন বাসরাবাসী শায়খ। তাঁর বরাতে হাম্মাদ ইবন যায়দ (রহঃ) একাধিক হাদীস রিওয়ায়ত করেছেন। কথিত আছে, তাঁর নাম হল মারওয়ান। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) উক্ত বিষয়টি তাঁর কিতাবুত তারীখে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, সহিহাহ ৬৪১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। আবূ লুবাবা (রহঃ) হলেন বাসরাবাসী শায়খ। তাঁর বরাতে হাম্মাদ ইবন যায়দ (রহঃ) একাধিক হাদীস রিওয়ায়ত করেছেন। কথিত আছে, তাঁর নাম হল মারওয়ান। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) উক্ত বিষয়টি তাঁর কিতাবুত তারীখে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৯২১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا بقية بن الوليد، عن بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، عن عبد الله بن ابي بلال، عن عرباض بن سارية، انه حدثه ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرا المسبحات قبل ان يرقد ويقول " ان فيهن اية خير من الف اية " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৯২১. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ..... ইরবায ইবন সারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিদ্রাগমনের পূর্বে মুসাব্বিহাত সূরাসমূহ পাঠ করতেন। এগুলোর মাঝে এমন একটি আয়াত আছে, যে আয়াতটি এক হাজার আয়াত অপেক্ষা উত্তম।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ১/২১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ১/২১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৯২২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا خالد بن طهمان ابو العلاء الخفاف، حدثني نافع بن ابي نافع، عن معقل بن يسار، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح ثلاث مرات اعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم وقرا ثلاث ايات من اخر سورة الحشر وكل الله به سبعين الف ملك يصلون عليه حتى يمسي وان مات في ذلك اليوم مات شهيدا ومن قالها حين يمسي كان بتلك المنزلة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه .
২৯২২. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... মা’কিল ইবন ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে তিনবার পাঠ করবেঃ
أَعُوذُ بِاللهِ السَّمِيعِ العَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
এরপর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা নিযুক্ত করে দেন। যাঁরা বিকাল পর্যন্ত তার জন্য রহমতের দু’আ করতে থাকেন। এই দিন যদি সে মারা যায় তবে তার শহীদী মৃত্যু হয়। আর যদি বিকালে পাঠ করে তবুও ঐ ফযীলতই হবে।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ২/২৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
أَعُوذُ بِاللهِ السَّمِيعِ العَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
এরপর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা নিযুক্ত করে দেন। যাঁরা বিকাল পর্যন্ত তার জন্য রহমতের দু’আ করতে থাকেন। এই দিন যদি সে মারা যায় তবে তার শহীদী মৃত্যু হয়। আর যদি বিকালে পাঠ করে তবুও ঐ ফযীলতই হবে।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ২/২৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯২৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن عبد الله بن عبيد الله بن ابي مليكة، عن يعلى بن مملك، انه سال ام سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن قراءة النبي صلى الله عليه وسلم وصلاته فقالت ما لكم وصلاته كان يصلي ثم ينام قدر ما صلى ثم يصلي قدر ما نام ثم ينام قدر ما صلى حتى يصبح ثم نعتت قراءته فاذا هي تنعت قراءة مفسرة حرفا حرفا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه الا من حديث ليث بن سعد عن ابن ابي مليكة عن يعلى بن مملك عن ام سلمة . وقد روى ابن جريج هذا الحديث عن ابن ابي مليكة عن ام سلمة ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقطع قراءته . وحديث ليث اصح .
২৯২৩. কুতায়বা (রহঃ) .... ইয়া’লা ইবন মামলাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (রাতের) সালাত (নামায) ও কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তখন তিনি বললেনঃ তাঁর সালাত (নামায) জেনে তোমরা কি করবে? তিনি সালাত (নামায) আদায় করতেন পরে যতক্ষণ সালাতে থাকতেন সেই পরিমাণ সময় ঘুমাতেন। এরপর ঘুমে থাকা সময় পরিমাণ সালাত (নামায) আদায় করতেন। এরপর পুনরায় যে পরিমাণ সময় সালাতে ব্যয় করতেন সেই পরিমাণ সময়ই তিনি ঘুমাতেন, যতক্ষণ না সকাল হতো। তারপর উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর কিরাআতের বিবরণ দিলেন এবং বললেন যে, তাঁর কিরআত ছিল পরিষ্কার, এক এক অক্ষর সুস্পষ্ট।
যঈফ, যঈফ আবু দাউদ ২৬০, মিশকাত, তাহকিক ছানী ১২১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। লায়ছ ইবন সা’দ-ইবন আবু মুলায়কা-ইয়া’লা ইবন মামলাক উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইবন জুরায়জ (রহঃ) এই হাদীসটিকে ইবন আবূ মুলায়কা-উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কিরাআত পাঠ করতেন বিচ্ছিন্ন (প্রত্যেক হরফ আলাদা আলাদা) করে।
লায়ছ (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি (২৯২৩) অধিক সহীহ।
যঈফ, যঈফ আবু দাউদ ২৬০, মিশকাত, তাহকিক ছানী ১২১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। লায়ছ ইবন সা’দ-ইবন আবু মুলায়কা-ইয়া’লা ইবন মামলাক উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইবন জুরায়জ (রহঃ) এই হাদীসটিকে ইবন আবূ মুলায়কা-উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কিরাআত পাঠ করতেন বিচ্ছিন্ন (প্রত্যেক হরফ আলাদা আলাদা) করে।
লায়ছ (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি (২৯২৩) অধিক সহীহ।
হাদিস নং: ২৯২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن معاوية بن صالح، عن عبد الله بن ابي قيس، هو رجل بصري قال سالت عاىشة عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف كان يوتر من اول الليل او من اخره فقالت كل ذلك قد كان يصنع ربما اوتر من اول الليل وربما اوتر من اخره . فقلت الحمد لله الذي جعل في الامر سعة فقلت كيف كانت قراءته اكان يسر بالقراءة ام يجهر قالت كل ذلك قد كان يفعل قد كان ربما اسر وربما جهر قال فقلت الحمد لله الذي جعل في الامر سعة قلت فكيف كان يصنع في الجنابة اكان يغتسل قبل ان ينام او ينام قبل ان يغتسل قالت كل ذلك قد كان يفعل فربما اغتسل فنام وربما توضا فنام قلت الحمد لله الذي جعل في الامر سعة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
২৯২৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তিনি কেমন করে বিতরের সালাত (নামায) আদায় করতেন? রাতের প্রথম ভাগে আদায় করতেন না শেষ ভাগে?
তিনি বললেন, সব রকমেই তিনি তা করতেন। কখনও রাতের প্রথম ভাগে বিতর পড়ে নিতেন, আবার কখনও রাতের শেষ ভাগে।
আমি বললামঃ আল্লাহর শোকর যে, তিনি এ ব্যাপরে সুযোগ রেখেছেন।
আমি, বললামঃ তাঁর কিরআত কেমন ছিল? তিনি তা উচ্চঃস্বরে পঠ করতে না চুপি চুপি পাঠ করতেন? তিনি বললেনঃ সব রকমেই তিনি করতেন। কোন কোন সময় চুপি চুপি পাঠ করতেন আবার কোন কোন সময় উচ্চঃস্বরে পাঠ করতেন।
আমি বললামঃ আল্লাহর শোকর যে, তিনি এ ব্যাপারে অবকাশ রেখেছেন।
আমি বললামঃ জানাবাতের গোসলের ক্ষেত্রে কেমন করতেন? তিনি নিদ্রাগমনের পূর্বেই এই গোসল করে নিতেন, না গোসল না করেই ঘুমাতেন?
তিনি বললেনঃ সব রকমেই তিনি করতেন। কোন কোন সময় গোসল করে ঘুমিয়েছেন আবার অনেক সময় কেবল উযু করেই ঘুমিয়েছেন।
আমি বললামঃ আল্লাহর শোকর যে, তিনি এ ব্যাপারে অবকাশ রেখেছেন।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২২২-১২৯১, মুসলিম, বুখারি শুধু বিতর সংক্রান্ত বিষয়ে আরো পূর্ণভাবে বর্ণিত হয়েছে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব।
তিনি বললেন, সব রকমেই তিনি তা করতেন। কখনও রাতের প্রথম ভাগে বিতর পড়ে নিতেন, আবার কখনও রাতের শেষ ভাগে।
আমি বললামঃ আল্লাহর শোকর যে, তিনি এ ব্যাপরে সুযোগ রেখেছেন।
আমি, বললামঃ তাঁর কিরআত কেমন ছিল? তিনি তা উচ্চঃস্বরে পঠ করতে না চুপি চুপি পাঠ করতেন? তিনি বললেনঃ সব রকমেই তিনি করতেন। কোন কোন সময় চুপি চুপি পাঠ করতেন আবার কোন কোন সময় উচ্চঃস্বরে পাঠ করতেন।
আমি বললামঃ আল্লাহর শোকর যে, তিনি এ ব্যাপারে অবকাশ রেখেছেন।
আমি বললামঃ জানাবাতের গোসলের ক্ষেত্রে কেমন করতেন? তিনি নিদ্রাগমনের পূর্বেই এই গোসল করে নিতেন, না গোসল না করেই ঘুমাতেন?
তিনি বললেনঃ সব রকমেই তিনি করতেন। কোন কোন সময় গোসল করে ঘুমিয়েছেন আবার অনেক সময় কেবল উযু করেই ঘুমিয়েছেন।
আমি বললামঃ আল্লাহর শোকর যে, তিনি এ ব্যাপারে অবকাশ রেখেছেন।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২২২-১২৯১, মুসলিম, বুখারি শুধু বিতর সংক্রান্ত বিষয়ে আরো পূর্ণভাবে বর্ণিত হয়েছে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৯২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن اسماعيل، قال حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا اسراىيل، حدثنا عثمان بن المغيرة، عن سالم بن ابي الجعد، عن جابر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعرض نفسه بالموقف فقال " الا رجل يحملني الى قومه فان قريشا قد منعوني ان ابلغ كلام ربي " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب صحيح .
২৯২৫. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ..... জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরতের পূর্বে) নিজেকে হজ্জের মওসুমে বিভিন্ন গোত্রের কাছে পেশ করে বলতেনঃ এমন কোন ব্যক্তি আছে কি যে আমাকে তার সম্প্রদায়ে নিয়ে যাবে? কেননা কুরায়শরা তো আমর রবের কালাম ও পায়গাম পৌছাতে আমাকে বাধা দিচ্ছে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৯২৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا شهاب بن عباد العبدي، حدثنا محمد بن الحسن بن ابي يزيد الهمداني، عن عمرو بن قيس، عن عطية، عن ابي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الرب عز وجل من شغله القران وذكري عن مسالتي اعطيته افضل ما اعطي الساىلين وفضل كلام الله على ساىر الكلام كفضل الله على خلقه " . قال هذا حديث حسن غريب .
২৯২৬. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান ও বরকতময় রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন, কুরআন নিয়ে ব্যস্ততা যাকে আমার যিকর এবং আমার কাছে প্রার্থনা করা থেকে বিরত রাখে আমি তাকে (প্রার্থনাকারীদেরকে) যা দিয়ে থাকি তদপেক্ষা উত্তম প্রতিদান দিব। সব কালামের উপর আল্লাহর কালামের মর্যাদা সেরূপ যেরূপ সকল সৃষ্টি উপর আল্লাহর মর্যাদা বিদ্যামান।
যঈফ, মিশকাত ২১৩৬, যঈফা ১৩৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গারীব।
যঈফ, মিশকাত ২১৩৬, যঈফা ১৩৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গারীব।