হাদিস নং: ২৭০৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن حميد، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان في بيته فاطلع عليه رجل فاهوى اليه بمشقص فتاخر الرجل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭০৮. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন তাঁর ঘরে। এমন সময় এক ব্যক্তি তাঁর প্রতি উঁকি দেয়। তখন তিনি তীরের ফলা দিয়ে তার দিকে তাক করলেন। লোকটি তখন সরে গেল। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سهل بن سعد الساعدي، ان رجلا، اطلع على رسول الله صلى الله عليه وسلم من جحر في حجرة النبي صلى الله عليه وسلم ومع النبي صلى الله عليه وسلم مدراة يحك بها راسه فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لو علمت انك تنظر لطعنت بها في عينك انما جعل الاستىذان من اجل البصر " . وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭০৯. ইবন আবূ উমর ...... সাহল ইবন সা’দ সাঈদী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হুজরার একটি ছিদ্র দিয়ে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে উঁকি দেয়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে ছিল একটি চুলের কাঠি। তা দিয়ে তিনি তাঁর মাথা চুলকাচ্ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ আমি যদি জানতাম যে, তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছ তবে অবশ্যই এটি দিয়ে তোমার চোখে আঘাত করতাম। চোখের জন্যই তো অনুমতি গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে। সহীহ, সহীহুত তারগীব ৩/২৭৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا روح بن عبادة، عن ابن جريج، اخبرني عمرو بن ابي سفيان، ان عمرو بن عبد الله بن صفوان، اخبره ان كلدة بن حنبل اخبره ان صفوان بن امية بعثه بلبن ولبا وضغابيس الى النبي صلى الله عليه وسلم والنبي صلى الله عليه وسلم باعلى الوادي قال فدخلت عليه ولم اسلم ولم استاذن فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ارجع فقل السلام عليكم اادخل " . وذلك بعد ما اسلم صفوان . قال عمرو واخبرني بهذا الحديث امية بن صفوان ولم يقل سمعته من كلدة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ابن جريج ورواه ابو عاصم ايضا عن ابن جريج مثل هذا . وضغابيس هو حشيش يوكل .
২৭১০. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী (রহঃ) ...... কালাদা ইবন হাম্বল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার সাফওয়ান ইবন উমায়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রথম দোহন করা কিছু দুধ, কিছু ছানা ও কিছু কাঁকুড়সহ তাকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে প্রেরণ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মক্কা উপত্যকার উঁচু দিকে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেনঃ আমি অনুমতি না নিয়েই এবং সালাম না করেই তাঁর কাছে প্রবেশ করলাম। তিনি তখন বললেনঃ ফিরে যাও। বল, আসসালামু আলাইকুম। আমি কি প্রবেশ করতে পারি? এ ঘটনাটি ছিল সাফওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর ইসলাম গ্রহণের পরবর্তী সময়ের। সহীহ, সহিহাহ ৮১৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবন জুরায়জ (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবূ আসিম (রহঃ)-ও এটি ইবন জুরায়জ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছে।
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবন জুরায়জ (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবূ আসিম (রহঃ)-ও এটি ইবন জুরায়জ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছে।
হাদিস নং: ২৭১১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا ابن المبارك، انبانا شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، قال استاذنت على النبي صلى الله عليه وسلم في دين كان على ابي فقال " من هذا " . فقلت انا . فقال " انا انا " . كانه كره ذلك . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭১১. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ....... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার পিতার কিছু ঋণের ব্যাপারে (আলোচনার জন্য) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেনঃ কে? আমি বললামঃ আমি। তিনি উত্তরে বললেনঃ আমি, আমি, যেন এ কথাটি তিনি অপছন্দ করলেন।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদিসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদিসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭১২
সহিহ (Sahih)
اخبرنا احمد بن منيع، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الاسود بن قيس، عن نبيح العنزي، عن جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهاهم ان يطرقوا النساء ليلا . وفي الباب عن انس وابن عمر وابن عباس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم . - وقد روي عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم نهاهم ان يطرقوا النساء ليلا قال فطرق رجلان بعد نهى النبي صلى الله عليه وسلم فوجد كل واحد منهما مع امراته رجلا .
২৭১২. আহমদ ইবন মানী (রহঃ) ..... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর থেকে ফিরে (খবর না দিয়ে) রাতে স্ত্রীর কাছে প্রবেশ করতে তাদের নিষেধ করেছেন। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস, ইবন উমর ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর থেকে ফিরে বিনা খবরে রাতে স্ত্রীর কাছে প্রবেশ করতে তাদের নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই নিষেধের পর দুই ব্যক্তি সফর থেকে ফিরে বিনা খবরেই রাতে তাদের স্ত্রীদের ঘরে যায়। আর প্রত্যেকেই তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষকে দেখতে পায়।
এই বিষয়ে আনাস, ইবন উমর ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর থেকে ফিরে বিনা খবরে রাতে স্ত্রীর কাছে প্রবেশ করতে তাদের নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই নিষেধের পর দুই ব্যক্তি সফর থেকে ফিরে বিনা খবরেই রাতে তাদের স্ত্রীদের ঘরে যায়। আর প্রত্যেকেই তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষকে দেখতে পায়।
হাদিস নং: ২৭১৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا شبابة، عن حمزة، عن ابي الزبير، عن جابر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا كتب احدكم كتابا فليتربه فانه انجح للحاجة " . قال ابو عيسى هذا حديث منكر لا نعرفه عن ابي الزبير الا من هذا الوجه . قال وحمزة هو عندي ابن عمرو النصيبي هو ضعيف في الحديث .
২৭১৩. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন কিছু লিখবে তবে তাতে কিছু মাটি ছিটিয়ে দিবে। কেননা তা উদ্দেশ্য সাফল্য লাভে অধিকতর সহায়ক। যঈফ, মিশকাত ৫৬৫৭, যইফা ১৭৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি মুনকার। এই সূত্র ছাড়া আবূয-যুবায়র (রহঃ) থেকে এতদসম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। হামযা (রহঃ) হলেন ইবন আমর নুসায়রী। তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ।
হাদীসটি মুনকার। এই সূত্র ছাড়া আবূয-যুবায়র (রহঃ) থেকে এতদসম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। হামযা (রহঃ) হলেন ইবন আমর নুসায়রী। তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ।
হাদিস নং: ২৭১৪
জাল (Fake)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبيد الله بن الحارث، عن عنبسة، عن محمد بن زاذان، عن ام سعد، عن زيد بن ثابت، قال دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين يديه كاتب فسمعته يقول " ضع القلم على اذنك فانه اذكر للمملي " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه وهو اسناد ضعيف . وعنبسة بن عبد الرحمن ومحمد بن زاذان يضعفان في الحديث .
২৭১৪. কুতায়বা (রহঃ) ....... যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম। তাঁর সামনে তখন এক লেখক ছিল। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলামঃ তোমার কলম তোমার কানের উপর রাখ। কেননা তা লেখককে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য অধিকতর সহায়ক।
মাওযূ, যঈফা ৮৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই সূত্র ছাড়া হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। এই সনদটি যঈফ। মুহাম্মাদ যায়দ এবং আম্বাসা ইবন আবদুর রহমান উভয়ই যঈফ বলে আখ্যায়িত।
মাওযূ, যঈফা ৮৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই সূত্র ছাড়া হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। এই সনদটি যঈফ। মুহাম্মাদ যায়দ এবং আম্বাসা ইবন আবদুর রহমান উভয়ই যঈফ বলে আখ্যায়িত।
হাদিস নং: ২৭১৫
হাসান (Hasan)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا عبد الرحمن بن ابي الزناد، عن ابيه، عن خارجة بن زيد بن ثابت، عن ابيه، زيد بن ثابت قال امرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اتعلم له كلمات كتاب يهود . قال " اني والله ما امن يهود على كتاب " . قال فما مر بي نصف شهر حتى تعلمته له قال فلما تعلمته كان اذا كتب الى يهود كتبت اليهم واذا كتبوا اليه قرات له كتابهم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير هذا الوجه عن زيد بن ثابت رواه الاعمش عن ثابت بن عبيد الانصاري عن زيد بن ثابت قال امرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اتعلم السريانية .
২৭১৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য আমাকে ইয়াহূদীদের কিতাবের ভাষা শিখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেনঃ আমার পত্রাদির ব্যাপারে কোন ইয়াহূদীর উপর আমি আস্থা রাখতে পারি না। যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ অর্ধ মাস অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই আমি তাঁর জন্য সে ভাষা শিখে ফেললাম। তিনি আরো বলেনঃ আমার সেই ভাষা শেখার পর তিনি যখন ইয়াহূদীদের কাছে কোন কিছু লিখতেন তখন আমিই তা লিখে দিতাম। আর তারা যখন তাঁর কাছে কিছু লিখত তখন আমি তাদের লেখা তাঁকে পাঠ করে শোনাতাম। হাসান সহীহ, মিশকাত ৪৬৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। আর আ’মাশ (রহঃ) এটি ছাবত ইবন উবায়দ-যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সুরয়ানী ভাষা শিক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। আর আ’মাশ (রহঃ) এটি ছাবত ইবন উবায়দ-যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সুরয়ানী ভাষা শিক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
হাদিস নং: ২৭১৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن حماد البصري، حدثنا عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب قبل موته الى كسرى والى قيصر والى النجاشي والى كل جبار يدعوهم الى الله وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
২৭১৬. ইউুফ ইবন হাম্মাদ বাসরী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ইনতিকালের পূর্বে কিসরা (পারস্য সম্রাট) কায়সার (রোম সম্রাট) নাজাশী (আবিসিনীয় সম্রাট) সহ অন্যান্য পরাক্রমশালী সম্রাটদের আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিয়ে পত্র লিখেছিলেন। তবে এই নাজাশী ঐ নাজাশী নন যার সালাতুল জানাযা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদায় করেছিলেন। সহীহ, মুসলিম ৫/১৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৭১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، انبانا عبد الله بن المبارك، انبانا يونس، عن الزهري، اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، انه اخبره ان ابا سفيان بن حرب اخبره ان هرقل ارسل اليه في نفر من قريش وكانوا تجارا بالشام فاتوه فذكر الحديث قال ثم دعا بكتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرى فاذا فيه بسم الله الرحمن الرحيم من محمد عبد الله ورسوله الى هرقل عظيم الروم السلام على من اتبع الهدى اما بعد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وابو سفيان اسمه صخر بن حرب .
২৭১৭. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আবূ সুফইয়ান ইবন হারব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বলেছেনঃ একদল কুরায়শ সহ তাঁকে ডেকে আনতে হিরাক্লিয়াস লোক পাঠিয়েছিলেন। তারা তখন ব্যবসা ব্যাপদেশে শামে অবস্থান করছিলেন। তারা তাঁর নিকট আসলেন। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ তারপর হিরাক্লিয়াস রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্রটি আনালেন। সেটি পাঠ করা হল। এতে ছিলঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল মুহাম্মাদের পক্ষ থেকে রোম প্রধান হিরাক্লিয়াসের বরাবর, সালাম তার উপর যে হেদায়াত অনুসরণ করেছে। আম্মাবাদ...।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ সূফইয়ান (রহঃ) -এর নাম হল সাখর ইবন হারব।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ সূফইয়ান (রহঃ) -এর নাম হল সাখর ইবন হারব।
হাদিস নং: ২৭১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن انس بن مالك، قال لما اراد نبي الله صلى الله عليه وسلم ان يكتب الى العجم قيل له ان العجم لا يقبلون الا كتابا عليه خاتم فاصطنع خاتما . قال فكاني انظر الى بياضه في كفه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭১৮. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অনারবদের (নেতাদের) কাছে পত্র লিখতে ইচ্ছা করলেন তখন তাঁকে বলা হল, মোহর ছাড়া চিঠি অনারবরা গ্রহণ করে না। তাই তিনি একটিআংটি তৈরি করেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি যেন আংটিটির শুভ্রতা এখনও প্রত্যক্ষ করছি। সহীহ, মুখতাসার শামাইল ৭৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا سليمان بن المغيرة، حدثنا ثابت البناني، حدثنا ابن ابي ليلى، عن المقداد بن الاسود، قال اقبلت انا وصاحبان، لي قد ذهبت اسماعنا وابصارنا من الجهد فجعلنا نعرض انفسنا على اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فليس احد يقبلنا فاتينا النبي صلى الله عليه وسلم فاتى بنا اهله فاذا ثلاثة اعنز فقال النبي صلى الله عليه وسلم " احتلبوا هذا اللبن بيننا " . فكنا نحتلبه فيشرب كل انسان نصيبه ونرفع لرسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبه فيجيء رسول الله صلى الله عليه وسلم من الليل فيسلم علينا تسليما لا يوقظ الناىم ويسمع اليقظان ثم ياتي المسجد فيصلي ثم ياتي شرابه فيشربه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭১৯. সুওয়ায়দ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবন আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার দুই সঙ্গী এমন অবস্থায় আসলাম যে, ক্ষুধার কষ্টে আমাদের কান ও চোখ প্রায় অকেজো হয়ে গিয়েছিল। আমরা আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের সামনে পেশ করতে লাগলাম। কিন্তু একজনও আমাদের গ্রহণ করলেন না। শেষে আমারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি আমাদের নিয়ে তাঁর ঘরে আসলেন। সেখানে ছিল তিনটি বকরী। তিনি বললেনঃ এগুলোর দুধ দোহন কর। আমরা দুধ দোহন করতাম এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ হিস্যা পান করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হিস্যা তুলে রেখে দিতাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অনেক সময়) রাতে আসতেন এবং এমনভাবে সালাম করতেন যে, নিদ্রিতরা যেন জেগে না উঠে, আর জাগ্রতরা শুনতে পায়। এরপর তিনি মসজিদে আসতেন এবং (নফল) সালাত (নামায) আদায় করতেন। তারপর তাঁর জন্য রাখা দুধ নিয়ে তা পান করতেন। সহীহ, আদাবুয যিফা-ফ নতুন সংস্করণ ১৬৭-১৯৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭২০
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، ونصر بن علي، قالا حدثنا ابو احمد، عن سفيان، عن الضحاك بن عثمان، عن نافع، عن ابن عمر، ان رجلا، سلم على النبي صلى الله عليه وسلم وهو يبول فلم يرد عليه يعني السلام .
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الضحاك بن عثمان، بهذا الاسناد نحوه . وفي الباب عن علقمة بن الفغواء، وجابر، والبراء، والمهاجر بن قنفذ، . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الضحاك بن عثمان، بهذا الاسناد نحوه . وفي الباب عن علقمة بن الفغواء، وجابر، والبراء، والمهاجر بن قنفذ، . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭২০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার ও নাসর ইবন আলী (রহঃ) ..... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব করছিলেন। এমতাবস্থায় এক লোক তাঁকে সালাম করল। তিনি তার সালামের জওয়াব দেননি। হাসান সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া নায়সাবূরী (রহঃ) যাহহাক ইবন উছমান (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আলকামা ইবনুল ফাগওয়া, জাবির, বারা এবং মুহাজির ইবন কুনফুয রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া নায়সাবূরী (রহঃ) যাহহাক ইবন উছমান (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আলকামা ইবনুল ফাগওয়া, জাবির, বারা এবং মুহাজির ইবন কুনফুয রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا خالد الحذاء، عن ابي تميمة الهجيمي، عن رجل، من قومه قال طلبت النبي صلى الله عليه وسلم فلم اقدر عليه فجلست فاذا نفر هو فيهم ولا اعرفه وهو يصلح بينهم فلما فرغ قام معه بعضهم فقالوا يا رسول الله . فلما رايت ذلك قلت عليك السلام يا رسول الله عليك السلام يا رسول الله عليك السلام يا رسول الله . قال " ان عليك السلام تحية الميت ان عليك السلام تحية الميت " . ثلاثا ثم اقبل على فقال " اذا لقي الرجل اخاه المسلم فليقل السلام عليكم ورحمة الله " . ثم رد على النبي صلى الله عليه وسلم قال " وعليك ورحمة الله وعليك ورحمة الله وعليك ورحمة الله " .
قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث ابو غفار، عن ابي تميمة الهجيمي، عن ابي جرى، جابر بن سليم الهجيمي قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث . وابو تميمة اسمه طريف بن مجالد
قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث ابو غفار، عن ابي تميمة الهجيمي، عن ابي جرى، جابر بن سليم الهجيمي قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث . وابو تميمة اسمه طريف بن مجالد
২৭২১. সুওয়ায়দ (রহঃ) ..... আবূ তামীমা হুজায়মী তাঁর সম্প্রদায়ের জনৈক ব্যক্তি সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তালাশ করতে লাগলাম কিন্তু তাঁকে পেলাম না। তাই বসে থাকলাম, হঠাৎ দেখি তিনি একদল লোকের মাঝে উপবিষ্ট, অথচ আমি তাঁকে চিনতে পারি না, তাদের তিনি ইসলাহ করছিলেন। কাজ সমাধা হলে তাঁর সঙ্গে কয়েকজন উঠে দাঁড়ালেন এবং এক প্রসঙ্গে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এই দেখে আমি বললামঃ ’আলায়কাস সালাম ইয়া রাসূলাল্লাহ্!’ আলায়কাস সালাম ইয়া রাসূলাল্লাহ্!
তিনি বললেনঃ ’আলায়াকাস সালাম তো মুর্দাদের অভিবাদন। এরপর তিনি আমার দিকে এগিয়ে এলেন এবং বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার মুসলিম ভ্রাতার কাছে যাবে তখন সে যেন বলে, ’আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্ ওয়া’ আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্। সহীহ, সহিহাহ ১৪০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ গিফারী (রহঃ) এই হাদীসটিকে আবূ তামীমা হুজায়মী ... আবূ জুরায় জাবির ইবন সুলায়ম হুজায়মী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম ...। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আবূ তামীমা (রহঃ) এর নাম হল তারীফ ইবন মুজালিদ।
তিনি বললেনঃ ’আলায়াকাস সালাম তো মুর্দাদের অভিবাদন। এরপর তিনি আমার দিকে এগিয়ে এলেন এবং বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার মুসলিম ভ্রাতার কাছে যাবে তখন সে যেন বলে, ’আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্ ওয়া’ আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্। সহীহ, সহিহাহ ১৪০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ গিফারী (রহঃ) এই হাদীসটিকে আবূ তামীমা হুজায়মী ... আবূ জুরায় জাবির ইবন সুলায়ম হুজায়মী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম ...। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আবূ তামীমা (রহঃ) এর নাম হল তারীফ ইবন মুজালিদ।
হাদিস নং: ২৭২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا بذلك الحسن بن علي الخلال حدثنا ابو اسامة عن ابي غفار المثنى بن سعيد الطاىي عن ابي تميمة الهجيمي عن جابر بن سليم قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت عليك السلام . فقال " لا تقل عليك السلام ولكن قل السلام عليك " . وذكر قصة طويلة وهذا حديث حسن صحيح .
২৭২২. হাসান ইবন আলী (রহঃ) ..... জাবির ইবন সুলায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। বললামঃ ’আলায়কাস সালাম’। তিনি বললেনঃ ’আলায়কাস সালাম’ বলবে না বরং বলবে’ আসসালামু ’আলাইকুম’। এরপর তিনি দীর্ঘ ঘটনাটি বর্ণনা করলেন।
সহীহ,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২২ [আল মাদানী প্রকাশনী] দেখুন পূর্বের হাদিস।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২২ [আল মাদানী প্রকাশনী] দেখুন পূর্বের হাদিস।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭২৩
হাসান (Hasan)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عبد الله بن المثنى، حدثنا ثمامة بن عبد الله بن انس بن مالك، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا سلم سلم ثلاثا واذا تكلم بكلمة اعادها ثلاثا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
২৭২৩. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার সালাম দিতেন আর যখন কথা বলতেন তখন সেই কথাটি তিনবার পূনর্ব্যক্ত করতেন। হাসান, মুখতাসার শামাইল ১৯২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদিসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদিসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৭২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن ابي مرة، مولى عقيل بن ابي طالب عن ابي واقد الليثي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بينما هو جالس في المسجد والناس معه اذ اقبل ثلاثة نفر فاقبل اثنان الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وذهب واحد فلما وقفا على رسول الله صلى الله عليه وسلم سلما فاما احدهما فراى فرجة في الحلقة فجلس فيها واما الاخر فجلس خلفهم واما الاخر فادبر ذاهبا فلما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الا اخبركم عن النفر الثلاثة اما احدهم فاوى الى الله فاواه الله واما الاخر فاستحيا فاستحيا الله منه واما الاخر فاعرض فاعرض الله عنه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو واقد الليثي اسمه الحارث بن عوف وابو مرة مولى ام هانى بنت ابي طالب واسمه يزيد ويقال مولى عقيل بن ابي طالب .
২৭২৪. আনসারী (রহঃ) ...... আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার মসজিদে বসা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরো লোকজন ছিল। এমন সময় তিন ব্যক্তি এল। দু’জন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে এগিয়ে এল। আরেকজন চলে গেল। সে দু’জন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দাঁড়িয়ে সালাম করল। একজন উপবিষ্ট লোকদের মাঝে একস্থানে ফাঁক পেয়ে সেখানে বসে পড়ল। অপরজন লোকদের পেছনে বসল। আরেকজন তো পেছনে ফিরে চলেই গিয়েছিল।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কথা শেষ করে বললেনঃ তোমাদের কি আমি তিনজন লোকের বিষয়ে অবহিত করব? একজন তো আল্লাহর দিকে এসে ঠিকানা নিয়েছে। সুতরাং আল্লাহ্ তা’আলাও তাকে ঠিকানা দিয়েছেন। আরেকজন (চলে যেতে) লজ্জা করেছে তাই আল্লাহত তার বিষয়ে লজ্জা করেছেন (এবং নিজে রহমত থেকে তাকে বঞ্চিত করেননি)। অন্য একজন তো মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে আল্লাহ্ও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল হারিছ ইবন আওফ। আবূ মুররা (রহঃ) হলেন উম্মু হানী বিনত আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মওলা বা আযাদকৃত গোলাম। তাকে আকীল ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাওলাও বলা হয়।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কথা শেষ করে বললেনঃ তোমাদের কি আমি তিনজন লোকের বিষয়ে অবহিত করব? একজন তো আল্লাহর দিকে এসে ঠিকানা নিয়েছে। সুতরাং আল্লাহ্ তা’আলাও তাকে ঠিকানা দিয়েছেন। আরেকজন (চলে যেতে) লজ্জা করেছে তাই আল্লাহত তার বিষয়ে লজ্জা করেছেন (এবং নিজে রহমত থেকে তাকে বঞ্চিত করেননি)। অন্য একজন তো মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে আল্লাহ্ও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল হারিছ ইবন আওফ। আবূ মুররা (রহঃ) হলেন উম্মু হানী বিনত আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মওলা বা আযাদকৃত গোলাম। তাকে আকীল ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাওলাও বলা হয়।
হাদিস নং: ২৭২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال كنا اذا اتينا النبي صلى الله عليه وسلم جلس احدنا حيث ينتهي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب . وقد رواه زهير بن معاوية عن سماك ايضا .
২৭২৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসতাম তখন মজলিসের যেখানে যেখানে শেষ হত সেখানেই আমাদের এক একজন বসে পড়ত।
সহীহ, সহীহাহ ৩৩০, তাখরীজুল ইলম লি আবী খাইসামাহ ১০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদিসটি হাসান গরীব। যুহায়র ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-ও এটি সিমাক (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, সহীহাহ ৩৩০, তাখরীজুল ইলম লি আবী খাইসামাহ ১০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদিসটি হাসান গরীব। যুহায়র ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-ও এটি সিমাক (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৭২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن البراء، ولم يسمعه منه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بناس من الانصار وهم جلوس في الطريق فقال " ان كنتم لا بد فاعلين فردوا السلام واعينوا المظلوم واهدوا السبيل " . وفي الباب عن ابي هريرة وابي شريح الخزاعي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৭২৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... আবূ ইসহাক সূত্রে বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, অবশ্য রাবী আবূ ইসহাক (রহঃ) সরাসরি বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি শোনেননি, একবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় আনসারী লোকের পাশে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা পথের পাশে বসা ছিল। তিনি তাদের বললেনঃ তোমাদের যদি পথের পাশে বসতেই হয় তবে সালামের জওয়াব দিবে। মজলুমের সাহায্য করবে। (পথহারাকে) পথ দেখিয়ে দিবে। মতন সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবূ শুরায়হ খুযাঈ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবূ শুরায়হ খুযাঈ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৭২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سفيان بن وكيع، واسحاق بن منصور، قالا حدثنا عبد الله بن نمير، عن الاجلح، عن ابي اسحاق، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من مسلمين يلتقيان فيتصافحان الا غفر لهما قبل ان يفترقا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث ابي اسحاق عن البراء . وقد روي هذا الحديث عن البراء من غير وجه والاجلح هو ابن عبد الله بن حجية بن عدي الكندي .
২৭২৭. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী ও ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ), .... বারা ইবন আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুই মুসালিমের যখন সাক্ষাৎ হয় আর তারা পরস্পর মুসাফাহা করে তখন তাদের বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই আল্লাহ্ তা’আলা তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান; আবূ ইসহাক-বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে গারীব। বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই হাদীসটি একাধিকবার বর্ণিত আছে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান; আবূ ইসহাক-বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে গারীব। বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই হাদীসটি একাধিকবার বর্ণিত আছে।