হাদিস নং: ২৭১৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن حماد البصري، حدثنا عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب قبل موته الى كسرى والى قيصر والى النجاشي والى كل جبار يدعوهم الى الله وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
২৭১৬. ইউুফ ইবন হাম্মাদ বাসরী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ইনতিকালের পূর্বে কিসরা (পারস্য সম্রাট) কায়সার (রোম সম্রাট) নাজাশী (আবিসিনীয় সম্রাট) সহ অন্যান্য পরাক্রমশালী সম্রাটদের আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিয়ে পত্র লিখেছিলেন। তবে এই নাজাশী ঐ নাজাশী নন যার সালাতুল জানাযা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদায় করেছিলেন। সহীহ, মুসলিম ৫/১৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৭১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، انبانا عبد الله بن المبارك، انبانا يونس، عن الزهري، اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، انه اخبره ان ابا سفيان بن حرب اخبره ان هرقل ارسل اليه في نفر من قريش وكانوا تجارا بالشام فاتوه فذكر الحديث قال ثم دعا بكتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرى فاذا فيه بسم الله الرحمن الرحيم من محمد عبد الله ورسوله الى هرقل عظيم الروم السلام على من اتبع الهدى اما بعد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وابو سفيان اسمه صخر بن حرب .
২৭১৭. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আবূ সুফইয়ান ইবন হারব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বলেছেনঃ একদল কুরায়শ সহ তাঁকে ডেকে আনতে হিরাক্লিয়াস লোক পাঠিয়েছিলেন। তারা তখন ব্যবসা ব্যাপদেশে শামে অবস্থান করছিলেন। তারা তাঁর নিকট আসলেন। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ তারপর হিরাক্লিয়াস রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পত্রটি আনালেন। সেটি পাঠ করা হল। এতে ছিলঃ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল মুহাম্মাদের পক্ষ থেকে রোম প্রধান হিরাক্লিয়াসের বরাবর, সালাম তার উপর যে হেদায়াত অনুসরণ করেছে। আম্মাবাদ...।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ সূফইয়ান (রহঃ) -এর নাম হল সাখর ইবন হারব।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ সূফইয়ান (রহঃ) -এর নাম হল সাখর ইবন হারব।
হাদিস নং: ২৭১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن انس بن مالك، قال لما اراد نبي الله صلى الله عليه وسلم ان يكتب الى العجم قيل له ان العجم لا يقبلون الا كتابا عليه خاتم فاصطنع خاتما . قال فكاني انظر الى بياضه في كفه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭১৮. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অনারবদের (নেতাদের) কাছে পত্র লিখতে ইচ্ছা করলেন তখন তাঁকে বলা হল, মোহর ছাড়া চিঠি অনারবরা গ্রহণ করে না। তাই তিনি একটিআংটি তৈরি করেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি যেন আংটিটির শুভ্রতা এখনও প্রত্যক্ষ করছি। সহীহ, মুখতাসার শামাইল ৭৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا سليمان بن المغيرة، حدثنا ثابت البناني، حدثنا ابن ابي ليلى، عن المقداد بن الاسود، قال اقبلت انا وصاحبان، لي قد ذهبت اسماعنا وابصارنا من الجهد فجعلنا نعرض انفسنا على اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فليس احد يقبلنا فاتينا النبي صلى الله عليه وسلم فاتى بنا اهله فاذا ثلاثة اعنز فقال النبي صلى الله عليه وسلم " احتلبوا هذا اللبن بيننا " . فكنا نحتلبه فيشرب كل انسان نصيبه ونرفع لرسول الله صلى الله عليه وسلم نصيبه فيجيء رسول الله صلى الله عليه وسلم من الليل فيسلم علينا تسليما لا يوقظ الناىم ويسمع اليقظان ثم ياتي المسجد فيصلي ثم ياتي شرابه فيشربه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭১৯. সুওয়ায়দ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবন আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার দুই সঙ্গী এমন অবস্থায় আসলাম যে, ক্ষুধার কষ্টে আমাদের কান ও চোখ প্রায় অকেজো হয়ে গিয়েছিল। আমরা আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের সামনে পেশ করতে লাগলাম। কিন্তু একজনও আমাদের গ্রহণ করলেন না। শেষে আমারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি আমাদের নিয়ে তাঁর ঘরে আসলেন। সেখানে ছিল তিনটি বকরী। তিনি বললেনঃ এগুলোর দুধ দোহন কর। আমরা দুধ দোহন করতাম এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ হিস্যা পান করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হিস্যা তুলে রেখে দিতাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অনেক সময়) রাতে আসতেন এবং এমনভাবে সালাম করতেন যে, নিদ্রিতরা যেন জেগে না উঠে, আর জাগ্রতরা শুনতে পায়। এরপর তিনি মসজিদে আসতেন এবং (নফল) সালাত (নামায) আদায় করতেন। তারপর তাঁর জন্য রাখা দুধ নিয়ে তা পান করতেন। সহীহ, আদাবুয যিফা-ফ নতুন সংস্করণ ১৬৭-১৯৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭২০
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، ونصر بن علي، قالا حدثنا ابو احمد، عن سفيان، عن الضحاك بن عثمان، عن نافع، عن ابن عمر، ان رجلا، سلم على النبي صلى الله عليه وسلم وهو يبول فلم يرد عليه يعني السلام .
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الضحاك بن عثمان، بهذا الاسناد نحوه . وفي الباب عن علقمة بن الفغواء، وجابر، والبراء، والمهاجر بن قنفذ، . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الضحاك بن عثمان، بهذا الاسناد نحوه . وفي الباب عن علقمة بن الفغواء، وجابر، والبراء، والمهاجر بن قنفذ، . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭২০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার ও নাসর ইবন আলী (রহঃ) ..... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব করছিলেন। এমতাবস্থায় এক লোক তাঁকে সালাম করল। তিনি তার সালামের জওয়াব দেননি। হাসান সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া নায়সাবূরী (রহঃ) যাহহাক ইবন উছমান (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আলকামা ইবনুল ফাগওয়া, জাবির, বারা এবং মুহাজির ইবন কুনফুয রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া নায়সাবূরী (রহঃ) যাহহাক ইবন উছমান (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বিষয়ে আলকামা ইবনুল ফাগওয়া, জাবির, বারা এবং মুহাজির ইবন কুনফুয রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا خالد الحذاء، عن ابي تميمة الهجيمي، عن رجل، من قومه قال طلبت النبي صلى الله عليه وسلم فلم اقدر عليه فجلست فاذا نفر هو فيهم ولا اعرفه وهو يصلح بينهم فلما فرغ قام معه بعضهم فقالوا يا رسول الله . فلما رايت ذلك قلت عليك السلام يا رسول الله عليك السلام يا رسول الله عليك السلام يا رسول الله . قال " ان عليك السلام تحية الميت ان عليك السلام تحية الميت " . ثلاثا ثم اقبل على فقال " اذا لقي الرجل اخاه المسلم فليقل السلام عليكم ورحمة الله " . ثم رد على النبي صلى الله عليه وسلم قال " وعليك ورحمة الله وعليك ورحمة الله وعليك ورحمة الله " .
قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث ابو غفار، عن ابي تميمة الهجيمي، عن ابي جرى، جابر بن سليم الهجيمي قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث . وابو تميمة اسمه طريف بن مجالد
قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث ابو غفار، عن ابي تميمة الهجيمي، عن ابي جرى، جابر بن سليم الهجيمي قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث . وابو تميمة اسمه طريف بن مجالد
২৭২১. সুওয়ায়দ (রহঃ) ..... আবূ তামীমা হুজায়মী তাঁর সম্প্রদায়ের জনৈক ব্যক্তি সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তালাশ করতে লাগলাম কিন্তু তাঁকে পেলাম না। তাই বসে থাকলাম, হঠাৎ দেখি তিনি একদল লোকের মাঝে উপবিষ্ট, অথচ আমি তাঁকে চিনতে পারি না, তাদের তিনি ইসলাহ করছিলেন। কাজ সমাধা হলে তাঁর সঙ্গে কয়েকজন উঠে দাঁড়ালেন এবং এক প্রসঙ্গে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এই দেখে আমি বললামঃ ’আলায়কাস সালাম ইয়া রাসূলাল্লাহ্!’ আলায়কাস সালাম ইয়া রাসূলাল্লাহ্!
তিনি বললেনঃ ’আলায়াকাস সালাম তো মুর্দাদের অভিবাদন। এরপর তিনি আমার দিকে এগিয়ে এলেন এবং বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার মুসলিম ভ্রাতার কাছে যাবে তখন সে যেন বলে, ’আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্ ওয়া’ আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্। সহীহ, সহিহাহ ১৪০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ গিফারী (রহঃ) এই হাদীসটিকে আবূ তামীমা হুজায়মী ... আবূ জুরায় জাবির ইবন সুলায়ম হুজায়মী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম ...। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আবূ তামীমা (রহঃ) এর নাম হল তারীফ ইবন মুজালিদ।
তিনি বললেনঃ ’আলায়াকাস সালাম তো মুর্দাদের অভিবাদন। এরপর তিনি আমার দিকে এগিয়ে এলেন এবং বললেনঃ যখন কোন ব্যক্তি তার মুসলিম ভ্রাতার কাছে যাবে তখন সে যেন বলে, ’আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া’আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্ ওয়া’ আলায়কা ওয়া রহমাতুল্লাহ্। সহীহ, সহিহাহ ১৪০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ গিফারী (রহঃ) এই হাদীসটিকে আবূ তামীমা হুজায়মী ... আবূ জুরায় জাবির ইবন সুলায়ম হুজায়মী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম ...। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আবূ তামীমা (রহঃ) এর নাম হল তারীফ ইবন মুজালিদ।
হাদিস নং: ২৭২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا بذلك الحسن بن علي الخلال حدثنا ابو اسامة عن ابي غفار المثنى بن سعيد الطاىي عن ابي تميمة الهجيمي عن جابر بن سليم قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت عليك السلام . فقال " لا تقل عليك السلام ولكن قل السلام عليك " . وذكر قصة طويلة وهذا حديث حسن صحيح .
২৭২২. হাসান ইবন আলী (রহঃ) ..... জাবির ইবন সুলায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। বললামঃ ’আলায়কাস সালাম’। তিনি বললেনঃ ’আলায়কাস সালাম’ বলবে না বরং বলবে’ আসসালামু ’আলাইকুম’। এরপর তিনি দীর্ঘ ঘটনাটি বর্ণনা করলেন।
সহীহ,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২২ [আল মাদানী প্রকাশনী] দেখুন পূর্বের হাদিস।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২২ [আল মাদানী প্রকাশনী] দেখুন পূর্বের হাদিস।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭২৩
হাসান (Hasan)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عبد الله بن المثنى، حدثنا ثمامة بن عبد الله بن انس بن مالك، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا سلم سلم ثلاثا واذا تكلم بكلمة اعادها ثلاثا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
২৭২৩. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনবার সালাম দিতেন আর যখন কথা বলতেন তখন সেই কথাটি তিনবার পূনর্ব্যক্ত করতেন। হাসান, মুখতাসার শামাইল ১৯২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদিসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদিসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৭২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن ابي مرة، مولى عقيل بن ابي طالب عن ابي واقد الليثي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بينما هو جالس في المسجد والناس معه اذ اقبل ثلاثة نفر فاقبل اثنان الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وذهب واحد فلما وقفا على رسول الله صلى الله عليه وسلم سلما فاما احدهما فراى فرجة في الحلقة فجلس فيها واما الاخر فجلس خلفهم واما الاخر فادبر ذاهبا فلما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الا اخبركم عن النفر الثلاثة اما احدهم فاوى الى الله فاواه الله واما الاخر فاستحيا فاستحيا الله منه واما الاخر فاعرض فاعرض الله عنه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو واقد الليثي اسمه الحارث بن عوف وابو مرة مولى ام هانى بنت ابي طالب واسمه يزيد ويقال مولى عقيل بن ابي طالب .
২৭২৪. আনসারী (রহঃ) ...... আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার মসজিদে বসা ছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরো লোকজন ছিল। এমন সময় তিন ব্যক্তি এল। দু’জন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিকে এগিয়ে এল। আরেকজন চলে গেল। সে দু’জন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দাঁড়িয়ে সালাম করল। একজন উপবিষ্ট লোকদের মাঝে একস্থানে ফাঁক পেয়ে সেখানে বসে পড়ল। অপরজন লোকদের পেছনে বসল। আরেকজন তো পেছনে ফিরে চলেই গিয়েছিল।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কথা শেষ করে বললেনঃ তোমাদের কি আমি তিনজন লোকের বিষয়ে অবহিত করব? একজন তো আল্লাহর দিকে এসে ঠিকানা নিয়েছে। সুতরাং আল্লাহ্ তা’আলাও তাকে ঠিকানা দিয়েছেন। আরেকজন (চলে যেতে) লজ্জা করেছে তাই আল্লাহত তার বিষয়ে লজ্জা করেছেন (এবং নিজে রহমত থেকে তাকে বঞ্চিত করেননি)। অন্য একজন তো মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে আল্লাহ্ও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল হারিছ ইবন আওফ। আবূ মুররা (রহঃ) হলেন উম্মু হানী বিনত আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মওলা বা আযাদকৃত গোলাম। তাকে আকীল ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাওলাও বলা হয়।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কথা শেষ করে বললেনঃ তোমাদের কি আমি তিনজন লোকের বিষয়ে অবহিত করব? একজন তো আল্লাহর দিকে এসে ঠিকানা নিয়েছে। সুতরাং আল্লাহ্ তা’আলাও তাকে ঠিকানা দিয়েছেন। আরেকজন (চলে যেতে) লজ্জা করেছে তাই আল্লাহত তার বিষয়ে লজ্জা করেছেন (এবং নিজে রহমত থেকে তাকে বঞ্চিত করেননি)। অন্য একজন তো মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে আল্লাহ্ও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল হারিছ ইবন আওফ। আবূ মুররা (রহঃ) হলেন উম্মু হানী বিনত আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মওলা বা আযাদকৃত গোলাম। তাকে আকীল ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাওলাও বলা হয়।
হাদিস নং: ২৭২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال كنا اذا اتينا النبي صلى الله عليه وسلم جلس احدنا حيث ينتهي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب . وقد رواه زهير بن معاوية عن سماك ايضا .
২৭২৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... জাবির ইবন সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসতাম তখন মজলিসের যেখানে যেখানে শেষ হত সেখানেই আমাদের এক একজন বসে পড়ত।
সহীহ, সহীহাহ ৩৩০, তাখরীজুল ইলম লি আবী খাইসামাহ ১০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদিসটি হাসান গরীব। যুহায়র ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-ও এটি সিমাক (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, সহীহাহ ৩৩০, তাখরীজুল ইলম লি আবী খাইসামাহ ১০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদিসটি হাসান গরীব। যুহায়র ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-ও এটি সিমাক (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৭২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن البراء، ولم يسمعه منه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بناس من الانصار وهم جلوس في الطريق فقال " ان كنتم لا بد فاعلين فردوا السلام واعينوا المظلوم واهدوا السبيل " . وفي الباب عن ابي هريرة وابي شريح الخزاعي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৭২৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... আবূ ইসহাক সূত্রে বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, অবশ্য রাবী আবূ ইসহাক (রহঃ) সরাসরি বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি শোনেননি, একবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতিপয় আনসারী লোকের পাশে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা পথের পাশে বসা ছিল। তিনি তাদের বললেনঃ তোমাদের যদি পথের পাশে বসতেই হয় তবে সালামের জওয়াব দিবে। মজলুমের সাহায্য করবে। (পথহারাকে) পথ দেখিয়ে দিবে। মতন সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবূ শুরায়হ খুযাঈ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবূ শুরায়হ খুযাঈ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৭২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سفيان بن وكيع، واسحاق بن منصور، قالا حدثنا عبد الله بن نمير، عن الاجلح، عن ابي اسحاق، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من مسلمين يلتقيان فيتصافحان الا غفر لهما قبل ان يفترقا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث ابي اسحاق عن البراء . وقد روي هذا الحديث عن البراء من غير وجه والاجلح هو ابن عبد الله بن حجية بن عدي الكندي .
২৭২৭. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী ও ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ), .... বারা ইবন আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুই মুসালিমের যখন সাক্ষাৎ হয় আর তারা পরস্পর মুসাফাহা করে তখন তাদের বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই আল্লাহ্ তা’আলা তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান; আবূ ইসহাক-বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে গারীব। বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই হাদীসটি একাধিকবার বর্ণিত আছে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান; আবূ ইসহাক-বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে গারীব। বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই হাদীসটি একাধিকবার বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৭২৮
হাসান (Hasan)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا حنظلة بن عبيد الله، عن انس بن مالك، قال قال رجل يا رسول الله الرجل منا يلقى اخاه او صديقه اينحني له قال " لا " . قال افيلتزمه ويقبله قال " لا " . قال افياخذ بيده ويصافحه قال " نعم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৭২৮. সুওয়ায়দ (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমাদের কারো যদি তার ভাই বা তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ হয় তবে কি সে তার অভিবাদন এর জন্য মাথা ঝুঁকাবে? তিনি বললেনঃ না। লোকটি বললঃ তা হলে কি তাকে লেপটে ধরবে এবং চুমা দিবে? তিনি বললেনঃ না। লোকটি বললঃ তা হলে কি তাকে লেপটে ধরবে এবং তার সাথে মুসাফাহা করবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৭০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৭২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا همام، عن قتادة، قال قلت لانس بن مالك هل كانت المصافحة في اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭২৯. সুওয়ায়দ (রহঃ) .... কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের মধ্যে কি মুসাফাহার প্রচলন ছিল? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সহীহ, বুখারি ৬২৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭৩০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا يحيى بن سليم الطاىفي، عن سفيان، عن منصور، عن خيثمة، عن رجل، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من تمام التحية الاخذ باليد " . وفي الباب عن البراء وابن عمر . قال ابو عيسى هذا حديث غريب ولا نعرفه الا من حديث يحيى بن سليم عن سفيان . قال سالت محمد بن اسماعيل عن هذا الحديث فلم يعده محفوظا وقال انما اراد عندي حديث سفيان عن منصور عن خيثمة عمن سمع ابن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا سمر الا لمصل او مسافر " . قال محمد وانما يروى عن منصور عن ابي اسحاق عن عبد الرحمن بن يزيد او غيره قال من تمام التحية الاخذ باليد .
২৭৩০. আহমদ ইবন আবদা যাববী (রহঃ) ....... ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিবাদনের পূর্ণতা হল হাতে ধরা (মুসাফাহা)। যঈফ, যঈফা ২৬৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ইয়াহ্ইয়া ইবন সুলায়ম সুফইয়ান (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি এটিকে মাহফূজ বা সংরক্ষিত বলে গণ্য করেননি। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণিত ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, যে তিনি শুনেছেন, মুসল্লি বা মুসাফির ছাড়া (ইশার পর) রাতে আলাপ করার অনুমতি নেই, এইটি উদ্দেশ্য করেছেন।
মুহাম্মাদ [বুখারী (রহঃ)] আরো বলেনঃ মানসূর-আবূ ইসহাক আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ প্রমুখ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, হাত ধরায় অভিবাদনের পূর্ণতা সাধিত হয়।
হাদীসটি গারীব। ইয়াহ্ইয়া ইবন সুলায়ম সুফইয়ান (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি এটিকে মাহফূজ বা সংরক্ষিত বলে গণ্য করেননি। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণিত ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, যে তিনি শুনেছেন, মুসল্লি বা মুসাফির ছাড়া (ইশার পর) রাতে আলাপ করার অনুমতি নেই, এইটি উদ্দেশ্য করেছেন।
মুহাম্মাদ [বুখারী (রহঃ)] আরো বলেনঃ মানসূর-আবূ ইসহাক আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ প্রমুখ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, হাত ধরায় অভিবাদনের পূর্ণতা সাধিত হয়।
হাদিস নং: ২৭৩১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يحيى بن ايوب، عن عبيد الله بن زحر، عن علي بن يزيد، عن القاسم ابي عبد الرحمن، عن ابي امامة، رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تمام عيادة المريض ان يضع احدكم يده على جبهته او قال على يده فيساله كيف هو وتمام تحياتكم بينكم المصافحة " . قال ابو عيسى هذا اسناد ليس بالقوي . قال محمد وعبيد الله بن زحر ثقة وعلي بن يزيد ضعيف والقاسم بن عبد الرحمن يكنى ابا عبد الرحمن وهو مولى عبد الرحمن بن خالد بن يزيد بن معاوية وهو ثقة والقاسم شامي .
২৭৩১. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) .... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার পূর্ণতা হল তার মাথায় বা (তিনি বলেছেন) হাতে হাত রাখা এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা যে, সে কেমন আছে। আর অভিবাদনের পূর্ণতা হল তোমাদের মুসাফাহা করার মাঝে।
যঈফ, যঈফা ১২৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য নয়।
মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ উবায়দুল্লাহ্ ইবন যাহর (রহঃ) রাবী হিসাবে ছিকাহ বা নির্ভরযোগ্য কিন্তু আলী ইবন ইয়াযীদ হলেন যঈফ। রাবী কাসিম (রহঃ) হলেন ইবন আবদুর রহমান। তাঁর কুনিয়াত হল আবূ আবদুর রহমান। ইনি ছিকাহ। ইনি আবদুর রহমান ইবন খালিদ ইবন ইয়াযীদ ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-এর মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম। কাসিম হলেন শামী বা শাম অধিবাসী।
যঈফ, যঈফা ১২৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য নয়।
মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ উবায়দুল্লাহ্ ইবন যাহর (রহঃ) রাবী হিসাবে ছিকাহ বা নির্ভরযোগ্য কিন্তু আলী ইবন ইয়াযীদ হলেন যঈফ। রাবী কাসিম (রহঃ) হলেন ইবন আবদুর রহমান। তাঁর কুনিয়াত হল আবূ আবদুর রহমান। ইনি ছিকাহ। ইনি আবদুর রহমান ইবন খালিদ ইবন ইয়াযীদ ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-এর মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম। কাসিম হলেন শামী বা শাম অধিবাসী।
হাদিস নং: ২৭৩২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا ابراهيم بن يحيى بن محمد بن عباد المدني، حدثني ابو يحيى بن محمد، عن محمد بن اسحاق، عن محمد بن مسلم الزهري، عن عروة بن الزبير، عن عاىشة، قالت قدم زيد بن حارثة المدينة ورسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي فاتاه فقرع الباب فقام اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم عريانا يجر ثوبه والله ما رايته عريانا قبله ولا بعده فاعتنقه وقبله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث الزهري الا من هذا الوجه .
২৭৩২. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, যায়দ ইবন হারিছা (কোন এক সফর থেকে) মদীনায় এলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমার ঘরে ছিলেন। তিনি এসে দরজার কড়া নাড়লেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়ের কাপড় টানতে টানতে খালি গায়েই তাঁর দিকে এগিয়ে গেলেন, আল্লাহর কসম, আমি এর আগে বা পরে কখনও আর তাঁকে খালি গায়ে দেখিনি। তিনি যায়দকে বুকে চেপে ধরলেন এবং তাকে চুমু দিলেন।
যঈফ, মিশকাত ৪৬৮২, রিয়াযুস সালিহিন এর মুকাদ্দামা (ওয়ও/৫), নাকদুল কাত্তানী ১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া যুহরীর রিওয়ায়ত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
যঈফ, মিশকাত ৪৬৮২, রিয়াযুস সালিহিন এর মুকাদ্দামা (ওয়ও/৫), নাকদুল কাত্তানী ১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া যুহরীর রিওয়ায়ত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৭৩৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبد الله بن ادريس، وابو اسامة عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن صفوان بن عسال، قال قال يهودي لصاحبه اذهب بنا الى هذا النبي . فقال صاحبه لا تقل نبي انه لو سمعك كان له اربعة اعين . فاتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالاه عن تسع ايات بينات . فقال لهم " لا تشركوا بالله شيىا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا النفس التي حرم الله الا بالحق ولا تمشوا ببريء الى ذي سلطان ليقتله ولا تسحروا ولا تاكلوا الربا ولا تقذفوا محصنة ولا تولوا الفرار يوم الزحف وعليكم خاصة اليهود ان لا تعتدوا في السبت " . قال فقبلوا يده ورجله فقالا نشهد انك نبي . قال " فما يمنعكم ان تتبعوني " . قالوا ان داود دعا ربه ان لا يزال في ذريته نبي وانا نخاف ان تبعناك ان تقتلنا اليهود . وفي الباب عن يزيد بن الاسود وابن عمر وكعب بن مالك . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭৩৩. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ....... সাফওয়ান ইবন আসসাল রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ইয়াহূদী তার এক সঙ্গীকে বলল, আমাকে এই নবীর কাছে নিয়ে চল। সঙ্গীটি বললঃ নবী বলবে না। তিনি যদি তা শুনতে পান তবে তো তার চক্ষু (খুশীতে) আটখানা হয়ে পড়বে। তারা উভয়েই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল এবং তাঁকে নয়টি সুস্পষ্ট নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল।
তিনি তাদের বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে কিছুর শরীক করবে না। চুরি করবে না, যিনা করবে না, যে প্রাণ হত্যা করা অল্লাহ্ হারাম করেছেন কোন হক ব্যতিরেকে সে প্রাণকে হত্যা করবে না, হত্যার উদ্দেশ্যে কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে ক্ষমতাসীনের কাছে নিয়ে যাবে না, যাদু টোনা করবে না, সুদ খাবে না, নিষ্পাপ মহিলাকে অপবাদ দিবে না, যুদ্ধের ময়দান থেকে পিঠ ফিরায়ে পলায়ন করবে না। আর হে ইয়াহূদীগণ! বিশেষ করে তোমাদের জন্য কথা হল, তোমরা শনিবারের ক্ষেত্রে সীমালংঘন করবে না।
সাফওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’হাত ও দু’পায়ে চুম্বন করে বললঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি সত্যই নবী। তিনি বললেনঃ তা হলে আমার অনুসরণ করতে তোমাদেরকে কিসে বাধা দিচ্ছে?
তারা বললঃ দাউদ (আঃ) তার রবের নিকট দু’আ করেছিলেন তার বংশেই যেন সব সময় নবীর আগমন হয়। আমাদের আশঙ্কা হয় যদি আমরা আপানার অনুসরণ করি তা হলে ইয়াহুদিরা আমাদের হত্যা করে ফেলবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইয়াযীদ ইবন আসওয়াদ। ইবন উমর ও কা’ব ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
তিনি তাদের বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে কিছুর শরীক করবে না। চুরি করবে না, যিনা করবে না, যে প্রাণ হত্যা করা অল্লাহ্ হারাম করেছেন কোন হক ব্যতিরেকে সে প্রাণকে হত্যা করবে না, হত্যার উদ্দেশ্যে কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে ক্ষমতাসীনের কাছে নিয়ে যাবে না, যাদু টোনা করবে না, সুদ খাবে না, নিষ্পাপ মহিলাকে অপবাদ দিবে না, যুদ্ধের ময়দান থেকে পিঠ ফিরায়ে পলায়ন করবে না। আর হে ইয়াহূদীগণ! বিশেষ করে তোমাদের জন্য কথা হল, তোমরা শনিবারের ক্ষেত্রে সীমালংঘন করবে না।
সাফওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’হাত ও দু’পায়ে চুম্বন করে বললঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি সত্যই নবী। তিনি বললেনঃ তা হলে আমার অনুসরণ করতে তোমাদেরকে কিসে বাধা দিচ্ছে?
তারা বললঃ দাউদ (আঃ) তার রবের নিকট দু’আ করেছিলেন তার বংশেই যেন সব সময় নবীর আগমন হয়। আমাদের আশঙ্কা হয় যদি আমরা আপানার অনুসরণ করি তা হলে ইয়াহুদিরা আমাদের হত্যা করে ফেলবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইয়াযীদ ইবন আসওয়াদ। ইবন উমর ও কা’ব ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابي النضر، ان ابا مرة، مولى ام هانى بنت ابي طالب اخبره انه، سمع ام هانى، تقول ذهبت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة تستره بثوب قالت فسلمت فقال " من هذه " . قلت انا ام هانى فقال " مرحبا بام هانى " . قال فذكر في الحديث قصة طويلة هذا حديث حسن صحيح .
২৭৩৪. ইসহাক ইবন মূসা আনসারী (রহঃ) ...... উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মক্কা বিজয়ের সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তখন আমি তাঁকে গোসল করতে পেলাম। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা একটি কাপড় দিয়ে তাঁকে পর্দা করছিলেন। উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ এই মহিলা কে? আমি বললামঃ আমি উম্মে হানী। তিনি বললেনঃ মারহাবা, উম্মু হানী! তারপর বর্ণনাকারী হাদীসটির পরবর্তী ঘটনা বর্ণনা করেন।
সহীহ, বুখারি ৩৫৭, মুসলিম ২/১৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৩৫৭, মুসলিম ২/১৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৭৩৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا حدثنا موسى بن مسعود ابو حذيفة، عن سفيان، عن ابي اسحاق، عن مصعب بن سعد، عن عكرمة بن ابي جهل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم جىته " مرحبا بالراكب المهاجر " . وفي الباب عن بريدة وابن عباس وابي جحيفة . قال ابو عيسى هذا حديث ليس اسناده بصحيح لا نعرفه مثل هذا الا من هذا الوجه من حديث موسى بن مسعود عن سفيان . وموسى بن مسعود ضعيف في الحديث . وروى هذا الحديث عبد الرحمن بن مهدي عن سفيان عن ابي اسحاق مرسلا ولم يذكر فيه عن مصعب بن سعد . وهذا اصح . قال سمعت محمد بن بشار يقول موسى بن مسعود ضعيف في الحديث . قال محمد بن بشار وكتبت كثيرا عن موسى بن مسعود ثم تركته . كمل كتاب الاستىذان ويتلوه كتاب الادب
২৭৩৫. আবদ ইবন হুমায়দ প্রমুখ (রহঃ) ..... ইকরিমা ইবন আবু জাহল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম তিনি আমাকে (লক্ষ্য করে) বললেনঃ মারহাবা! এই মুহাজির আরোহীর প্রতি। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে বুরায়দা, ইবনু আব্বাস ও আবু জুহায়ফা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। এই হাদিসটির সনদ সহীহ নয়। মূসা ইবন মাসঊদ সূত্রে সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত এই হাদীস ছাড়া কিছু আমরা জানি না। মূসা ইবন মাসঊদ হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) এটি সুফইয়ান-আবূ ইসহাক (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি মুসআব ইবন সা’দ (রহঃ)-এর উল্লেখ করেননি। এটিই অধিক সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে মূসা ইবন মাসঊদ যঈফ। তিনি আরো বলেন, মূসা ইবন মাসউদ থেকে বহু হাদীস আমি লিখেছিলাম। কিন্তু পরে তা পরিত্যাগ করেছি।
এই বিষয়ে বুরায়দা, ইবনু আব্বাস ও আবু জুহায়ফা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। এই হাদিসটির সনদ সহীহ নয়। মূসা ইবন মাসঊদ সূত্রে সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত এই হাদীস ছাড়া কিছু আমরা জানি না। মূসা ইবন মাসঊদ হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) এটি সুফইয়ান-আবূ ইসহাক (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি মুসআব ইবন সা’দ (রহঃ)-এর উল্লেখ করেননি। এটিই অধিক সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে মূসা ইবন মাসঊদ যঈফ। তিনি আরো বলেন, মূসা ইবন মাসউদ থেকে বহু হাদীস আমি লিখেছিলাম। কিন্তু পরে তা পরিত্যাগ করেছি।