হাদিস নং: ২৭২৮
হাসান (Hasan)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا حنظلة بن عبيد الله، عن انس بن مالك، قال قال رجل يا رسول الله الرجل منا يلقى اخاه او صديقه اينحني له قال " لا " . قال افيلتزمه ويقبله قال " لا " . قال افياخذ بيده ويصافحه قال " نعم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৭২৮. সুওয়ায়দ (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমাদের কারো যদি তার ভাই বা তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ হয় তবে কি সে তার অভিবাদন এর জন্য মাথা ঝুঁকাবে? তিনি বললেনঃ না। লোকটি বললঃ তা হলে কি তাকে লেপটে ধরবে এবং চুমা দিবে? তিনি বললেনঃ না। লোকটি বললঃ তা হলে কি তাকে লেপটে ধরবে এবং তার সাথে মুসাফাহা করবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৭০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৭২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا همام، عن قتادة، قال قلت لانس بن مالك هل كانت المصافحة في اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭২৯. সুওয়ায়দ (রহঃ) .... কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের মধ্যে কি মুসাফাহার প্রচলন ছিল? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সহীহ, বুখারি ৬২৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭৩০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا يحيى بن سليم الطاىفي، عن سفيان، عن منصور، عن خيثمة، عن رجل، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من تمام التحية الاخذ باليد " . وفي الباب عن البراء وابن عمر . قال ابو عيسى هذا حديث غريب ولا نعرفه الا من حديث يحيى بن سليم عن سفيان . قال سالت محمد بن اسماعيل عن هذا الحديث فلم يعده محفوظا وقال انما اراد عندي حديث سفيان عن منصور عن خيثمة عمن سمع ابن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا سمر الا لمصل او مسافر " . قال محمد وانما يروى عن منصور عن ابي اسحاق عن عبد الرحمن بن يزيد او غيره قال من تمام التحية الاخذ باليد .
২৭৩০. আহমদ ইবন আবদা যাববী (রহঃ) ....... ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিবাদনের পূর্ণতা হল হাতে ধরা (মুসাফাহা)। যঈফ, যঈফা ২৬৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ইয়াহ্ইয়া ইবন সুলায়ম সুফইয়ান (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি এটিকে মাহফূজ বা সংরক্ষিত বলে গণ্য করেননি। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণিত ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, যে তিনি শুনেছেন, মুসল্লি বা মুসাফির ছাড়া (ইশার পর) রাতে আলাপ করার অনুমতি নেই, এইটি উদ্দেশ্য করেছেন।
মুহাম্মাদ [বুখারী (রহঃ)] আরো বলেনঃ মানসূর-আবূ ইসহাক আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ প্রমুখ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, হাত ধরায় অভিবাদনের পূর্ণতা সাধিত হয়।
হাদীসটি গারীব। ইয়াহ্ইয়া ইবন সুলায়ম সুফইয়ান (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি এটিকে মাহফূজ বা সংরক্ষিত বলে গণ্য করেননি। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে সুফইয়ান (রহঃ) বর্ণিত ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, যে তিনি শুনেছেন, মুসল্লি বা মুসাফির ছাড়া (ইশার পর) রাতে আলাপ করার অনুমতি নেই, এইটি উদ্দেশ্য করেছেন।
মুহাম্মাদ [বুখারী (রহঃ)] আরো বলেনঃ মানসূর-আবূ ইসহাক আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ প্রমুখ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে যে, হাত ধরায় অভিবাদনের পূর্ণতা সাধিত হয়।
হাদিস নং: ২৭৩১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يحيى بن ايوب، عن عبيد الله بن زحر، عن علي بن يزيد، عن القاسم ابي عبد الرحمن، عن ابي امامة، رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تمام عيادة المريض ان يضع احدكم يده على جبهته او قال على يده فيساله كيف هو وتمام تحياتكم بينكم المصافحة " . قال ابو عيسى هذا اسناد ليس بالقوي . قال محمد وعبيد الله بن زحر ثقة وعلي بن يزيد ضعيف والقاسم بن عبد الرحمن يكنى ابا عبد الرحمن وهو مولى عبد الرحمن بن خالد بن يزيد بن معاوية وهو ثقة والقاسم شامي .
২৭৩১. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) .... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার পূর্ণতা হল তার মাথায় বা (তিনি বলেছেন) হাতে হাত রাখা এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা যে, সে কেমন আছে। আর অভিবাদনের পূর্ণতা হল তোমাদের মুসাফাহা করার মাঝে।
যঈফ, যঈফা ১২৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য নয়।
মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ উবায়দুল্লাহ্ ইবন যাহর (রহঃ) রাবী হিসাবে ছিকাহ বা নির্ভরযোগ্য কিন্তু আলী ইবন ইয়াযীদ হলেন যঈফ। রাবী কাসিম (রহঃ) হলেন ইবন আবদুর রহমান। তাঁর কুনিয়াত হল আবূ আবদুর রহমান। ইনি ছিকাহ। ইনি আবদুর রহমান ইবন খালিদ ইবন ইয়াযীদ ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-এর মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম। কাসিম হলেন শামী বা শাম অধিবাসী।
যঈফ, যঈফা ১২৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এই হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য নয়।
মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ উবায়দুল্লাহ্ ইবন যাহর (রহঃ) রাবী হিসাবে ছিকাহ বা নির্ভরযোগ্য কিন্তু আলী ইবন ইয়াযীদ হলেন যঈফ। রাবী কাসিম (রহঃ) হলেন ইবন আবদুর রহমান। তাঁর কুনিয়াত হল আবূ আবদুর রহমান। ইনি ছিকাহ। ইনি আবদুর রহমান ইবন খালিদ ইবন ইয়াযীদ ইবন মুআবিয়া (রহঃ)-এর মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম। কাসিম হলেন শামী বা শাম অধিবাসী।
হাদিস নং: ২৭৩২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا ابراهيم بن يحيى بن محمد بن عباد المدني، حدثني ابو يحيى بن محمد، عن محمد بن اسحاق، عن محمد بن مسلم الزهري، عن عروة بن الزبير، عن عاىشة، قالت قدم زيد بن حارثة المدينة ورسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي فاتاه فقرع الباب فقام اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم عريانا يجر ثوبه والله ما رايته عريانا قبله ولا بعده فاعتنقه وقبله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث الزهري الا من هذا الوجه .
২৭৩২. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, যায়দ ইবন হারিছা (কোন এক সফর থেকে) মদীনায় এলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমার ঘরে ছিলেন। তিনি এসে দরজার কড়া নাড়লেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়ের কাপড় টানতে টানতে খালি গায়েই তাঁর দিকে এগিয়ে গেলেন, আল্লাহর কসম, আমি এর আগে বা পরে কখনও আর তাঁকে খালি গায়ে দেখিনি। তিনি যায়দকে বুকে চেপে ধরলেন এবং তাকে চুমু দিলেন।
যঈফ, মিশকাত ৪৬৮২, রিয়াযুস সালিহিন এর মুকাদ্দামা (ওয়ও/৫), নাকদুল কাত্তানী ১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া যুহরীর রিওয়ায়ত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
যঈফ, মিশকাত ৪৬৮২, রিয়াযুস সালিহিন এর মুকাদ্দামা (ওয়ও/৫), নাকদুল কাত্তানী ১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া যুহরীর রিওয়ায়ত হিসাবে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৭৩৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبد الله بن ادريس، وابو اسامة عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن صفوان بن عسال، قال قال يهودي لصاحبه اذهب بنا الى هذا النبي . فقال صاحبه لا تقل نبي انه لو سمعك كان له اربعة اعين . فاتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالاه عن تسع ايات بينات . فقال لهم " لا تشركوا بالله شيىا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا النفس التي حرم الله الا بالحق ولا تمشوا ببريء الى ذي سلطان ليقتله ولا تسحروا ولا تاكلوا الربا ولا تقذفوا محصنة ولا تولوا الفرار يوم الزحف وعليكم خاصة اليهود ان لا تعتدوا في السبت " . قال فقبلوا يده ورجله فقالا نشهد انك نبي . قال " فما يمنعكم ان تتبعوني " . قالوا ان داود دعا ربه ان لا يزال في ذريته نبي وانا نخاف ان تبعناك ان تقتلنا اليهود . وفي الباب عن يزيد بن الاسود وابن عمر وكعب بن مالك . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৭৩৩. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ....... সাফওয়ান ইবন আসসাল রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ইয়াহূদী তার এক সঙ্গীকে বলল, আমাকে এই নবীর কাছে নিয়ে চল। সঙ্গীটি বললঃ নবী বলবে না। তিনি যদি তা শুনতে পান তবে তো তার চক্ষু (খুশীতে) আটখানা হয়ে পড়বে। তারা উভয়েই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল এবং তাঁকে নয়টি সুস্পষ্ট নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল।
তিনি তাদের বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে কিছুর শরীক করবে না। চুরি করবে না, যিনা করবে না, যে প্রাণ হত্যা করা অল্লাহ্ হারাম করেছেন কোন হক ব্যতিরেকে সে প্রাণকে হত্যা করবে না, হত্যার উদ্দেশ্যে কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে ক্ষমতাসীনের কাছে নিয়ে যাবে না, যাদু টোনা করবে না, সুদ খাবে না, নিষ্পাপ মহিলাকে অপবাদ দিবে না, যুদ্ধের ময়দান থেকে পিঠ ফিরায়ে পলায়ন করবে না। আর হে ইয়াহূদীগণ! বিশেষ করে তোমাদের জন্য কথা হল, তোমরা শনিবারের ক্ষেত্রে সীমালংঘন করবে না।
সাফওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’হাত ও দু’পায়ে চুম্বন করে বললঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি সত্যই নবী। তিনি বললেনঃ তা হলে আমার অনুসরণ করতে তোমাদেরকে কিসে বাধা দিচ্ছে?
তারা বললঃ দাউদ (আঃ) তার রবের নিকট দু’আ করেছিলেন তার বংশেই যেন সব সময় নবীর আগমন হয়। আমাদের আশঙ্কা হয় যদি আমরা আপানার অনুসরণ করি তা হলে ইয়াহুদিরা আমাদের হত্যা করে ফেলবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইয়াযীদ ইবন আসওয়াদ। ইবন উমর ও কা’ব ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
তিনি তাদের বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে কিছুর শরীক করবে না। চুরি করবে না, যিনা করবে না, যে প্রাণ হত্যা করা অল্লাহ্ হারাম করেছেন কোন হক ব্যতিরেকে সে প্রাণকে হত্যা করবে না, হত্যার উদ্দেশ্যে কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে ক্ষমতাসীনের কাছে নিয়ে যাবে না, যাদু টোনা করবে না, সুদ খাবে না, নিষ্পাপ মহিলাকে অপবাদ দিবে না, যুদ্ধের ময়দান থেকে পিঠ ফিরায়ে পলায়ন করবে না। আর হে ইয়াহূদীগণ! বিশেষ করে তোমাদের জন্য কথা হল, তোমরা শনিবারের ক্ষেত্রে সীমালংঘন করবে না।
সাফওয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’হাত ও দু’পায়ে চুম্বন করে বললঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি সত্যই নবী। তিনি বললেনঃ তা হলে আমার অনুসরণ করতে তোমাদেরকে কিসে বাধা দিচ্ছে?
তারা বললঃ দাউদ (আঃ) তার রবের নিকট দু’আ করেছিলেন তার বংশেই যেন সব সময় নবীর আগমন হয়। আমাদের আশঙ্কা হয় যদি আমরা আপানার অনুসরণ করি তা হলে ইয়াহুদিরা আমাদের হত্যা করে ফেলবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩৭০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইয়াযীদ ইবন আসওয়াদ। ইবন উমর ও কা’ব ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৭৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابي النضر، ان ابا مرة، مولى ام هانى بنت ابي طالب اخبره انه، سمع ام هانى، تقول ذهبت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة تستره بثوب قالت فسلمت فقال " من هذه " . قلت انا ام هانى فقال " مرحبا بام هانى " . قال فذكر في الحديث قصة طويلة هذا حديث حسن صحيح .
২৭৩৪. ইসহাক ইবন মূসা আনসারী (রহঃ) ...... উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মক্কা বিজয়ের সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তখন আমি তাঁকে গোসল করতে পেলাম। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা একটি কাপড় দিয়ে তাঁকে পর্দা করছিলেন। উম্মু হানী রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ এই মহিলা কে? আমি বললামঃ আমি উম্মে হানী। তিনি বললেনঃ মারহাবা, উম্মু হানী! তারপর বর্ণনাকারী হাদীসটির পরবর্তী ঘটনা বর্ণনা করেন।
সহীহ, বুখারি ৩৫৭, মুসলিম ২/১৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৩৫৭, মুসলিম ২/১৫৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৭৩৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا حدثنا موسى بن مسعود ابو حذيفة، عن سفيان، عن ابي اسحاق، عن مصعب بن سعد، عن عكرمة بن ابي جهل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم جىته " مرحبا بالراكب المهاجر " . وفي الباب عن بريدة وابن عباس وابي جحيفة . قال ابو عيسى هذا حديث ليس اسناده بصحيح لا نعرفه مثل هذا الا من هذا الوجه من حديث موسى بن مسعود عن سفيان . وموسى بن مسعود ضعيف في الحديث . وروى هذا الحديث عبد الرحمن بن مهدي عن سفيان عن ابي اسحاق مرسلا ولم يذكر فيه عن مصعب بن سعد . وهذا اصح . قال سمعت محمد بن بشار يقول موسى بن مسعود ضعيف في الحديث . قال محمد بن بشار وكتبت كثيرا عن موسى بن مسعود ثم تركته . كمل كتاب الاستىذان ويتلوه كتاب الادب
২৭৩৫. আবদ ইবন হুমায়দ প্রমুখ (রহঃ) ..... ইকরিমা ইবন আবু জাহল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম তিনি আমাকে (লক্ষ্য করে) বললেনঃ মারহাবা! এই মুহাজির আরোহীর প্রতি। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে বুরায়দা, ইবনু আব্বাস ও আবু জুহায়ফা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। এই হাদিসটির সনদ সহীহ নয়। মূসা ইবন মাসঊদ সূত্রে সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত এই হাদীস ছাড়া কিছু আমরা জানি না। মূসা ইবন মাসঊদ হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) এটি সুফইয়ান-আবূ ইসহাক (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি মুসআব ইবন সা’দ (রহঃ)-এর উল্লেখ করেননি। এটিই অধিক সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে মূসা ইবন মাসঊদ যঈফ। তিনি আরো বলেন, মূসা ইবন মাসউদ থেকে বহু হাদীস আমি লিখেছিলাম। কিন্তু পরে তা পরিত্যাগ করেছি।
এই বিষয়ে বুরায়দা, ইবনু আব্বাস ও আবু জুহায়ফা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। এই হাদিসটির সনদ সহীহ নয়। মূসা ইবন মাসঊদ সূত্রে সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত এই হাদীস ছাড়া কিছু আমরা জানি না। মূসা ইবন মাসঊদ হাদীছের ক্ষেত্রে যঈফ। আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) এটি সুফইয়ান-আবূ ইসহাক (রহঃ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি মুসআব ইবন সা’দ (রহঃ)-এর উল্লেখ করেননি। এটিই অধিক সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে মূসা ইবন মাসঊদ যঈফ। তিনি আরো বলেন, মূসা ইবন মাসউদ থেকে বহু হাদীস আমি লিখেছিলাম। কিন্তু পরে তা পরিত্যাগ করেছি।