হাদিস নং: ২৫৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا ابي، عن عامر الاحول، عن ابي الصديق الناجي، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المومن اذا اشتهى الولد في الجنة كان حمله ووضعه وسنه في ساعة كما يشتهي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقد اختلف اهل العلم في هذا فقال بعضهم في الجنة جماع ولا يكون ولد . هكذا روي عن طاوس ومجاهد وابراهيم النخعي . وقال محمد قال اسحاق بن ابراهيم في حديث النبي صلى الله عليه وسلم " اذا اشتهى المومن الولد في الجنة كان في ساعة واحدة كما يشتهي " . ولكن لا يشتهي . قال محمد وقد روي عن ابي رزين العقيلي عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان اهل الجنة لا يكون لهم فيها ولد " . وابو الصديق الناجي اسمه بكر بن عمرو ويقال بكر بن قيس ايضا .
২৫৬৫. বুনদার (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেঃ কোন মু’মিন যদি জান্নাতে সন্তান কামনা করে তাবে তার কামনা অনুসারে সন্তানের গর্ভ, জন্ম ও বয়সের পূর্ণতা প্রাপ্তি সবকিছু এক মুহূর্তেই সংঘটিত হবে। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীস হাসান-গারীব। আলিমগণের এই বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। কোন কোন আলিম বলেন, জান্নাতে স্ত্রীসঙ্গম হবে বটে কিন্তু কোন সন্তান হবে না। তাঊস, মুজাহিদ ও ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) থেকেও এইরূপ মত বর্ণিত আছে।
মুহাম্মাদ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেছেনঃ ’’মুমিন যখন জান্নাতে সন্তান কামনা করবে তখন তার কামনা হিসেবে এক মুহূর্তে তা ঘটবে’’ - এই হাদীসটির প্রসঙ্গে ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) বলেছেনঃ তবে মু’মিন এই ধরনের কিছু কামনা করবে না। মুহাম্মাদ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেনঃ আবূ রাযীন উকায়লী সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, জান্নাতে জান্নাতবাসীদের কোন সন্তান হবে না।
রাবী আবূ সিদ্দীক নাজী (রহঃ) এর নাম হল বকর ইবন আমর। বলা হয় বকর ইবন কায়স।
হাদীস হাসান-গারীব। আলিমগণের এই বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। কোন কোন আলিম বলেন, জান্নাতে স্ত্রীসঙ্গম হবে বটে কিন্তু কোন সন্তান হবে না। তাঊস, মুজাহিদ ও ইবরাহীম নাখঈ (রহঃ) থেকেও এইরূপ মত বর্ণিত আছে।
মুহাম্মাদ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেছেনঃ ’’মুমিন যখন জান্নাতে সন্তান কামনা করবে তখন তার কামনা হিসেবে এক মুহূর্তে তা ঘটবে’’ - এই হাদীসটির প্রসঙ্গে ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) বলেছেনঃ তবে মু’মিন এই ধরনের কিছু কামনা করবে না। মুহাম্মাদ [ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেনঃ আবূ রাযীন উকায়লী সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, জান্নাতে জান্নাতবাসীদের কোন সন্তান হবে না।
রাবী আবূ সিদ্দীক নাজী (রহঃ) এর নাম হল বকর ইবন আমর। বলা হয় বকর ইবন কায়স।
হাদিস নং: ২৫৬৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، واحمد بن منيع، قالا حدثنا ابو معاوية، قال حدثنا عبد الرحمن بن اسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان في الجنة لمجتمعا للحور العين يرفعن باصوات لم يسمع الخلاىق مثلها قال يقلن نحن الخالدات فلا نبيد ونحن الناعمات فلا نباس ونحن الراضيات فلا نسخط طوبى لمن كان لنا وكنا له " . وفي الباب عن ابي هريرة وابي سعيد وانس . قال ابو عيسى حديث علي حديث غريب .
২৫৬৬. হান্নাদ ও আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে আয়তলোচনা হূরদের একটি সম্মেলন গৃহ রয়েছে। সেখানে তারা এমন সুরে গান গায় যে, সৃষ্টির কেউ কখনও এমন সুর শুনেনি। তারা বলেঃ আমরা অনন্ত সঙ্গিনী আমাদের ধ্বংস নেই; আমরা সুখ-সম্পদশালীনী, অভাব নেই আমাদের; আমরা (আমাদের মালিকদের প্রতি) তুষ্ট, অসন্তুষ্টি নেই আমাদের; মুবারক সেই ব্যক্তি যারা আমাদের এবং আমরা যাদের। যঈফ, যঈফা ১৯৮২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ ও আনাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি গারীব।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ ও আনাস (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটি গারীব।
হাদিস নং: ২৫৬৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ابي اليقظان، عن زاذان، عن عبد الله بن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ثلاثة على كثبان المسك - اراه قال يوم القيامة يغبطهم الاولون والاخرون رجل ينادي بالصلوات الخمس في كل يوم وليلة ورجل يوم قوما وهم به راضون وعبد ادى حق الله وحق مواليه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث سفيان الثوري . وابو اليقظان اسمه عثمان بن عمير ويقال ابن قيس .
২৫৬৭. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ধরনের লোক কিয়ামতের দিন মিশকে আম্বরের টিলার উপর অবস্থান করবে। প্রথম এবং শেষ সব যুগের মানুষই তাদের অবস্থা দেখে ঈর্ষা পোষণ করবে। একজন হল যে ব্যক্তি প্রতিটি রাত দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের জন্য আহ্বান করে। (অপরজন হল) যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করে এবং তারা তার উপর সন্তুষ্ট। (তৃতীয় জন হল) যে গোলাম আল্লাহর হকও সম্পাদন করে এবং তার মালিকের হকও সম্পাদন করে। যঈফ, মিশকাত ৬৬৬, নাকদুত তাজ ১৮৪, তা’লীকুর রাগীব ১/১১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গরীব। সুফইয়ান ছাওরী (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবুল ইয়াকযান (রহঃ) এর নাম হল উছমান ইবন উমায়র। ইবন কায়স বলেও কথিত আছে।
হাদীসটি হাসান-গরীব। সুফইয়ান ছাওরী (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবুল ইয়াকযান (রহঃ) এর নাম হল উছমান ইবন উমায়র। ইবন কায়স বলেও কথিত আছে।
হাদিস নং: ২৫৬৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا يحيى بن ادم، عن ابي بكر بن عياش، عن الاعمش، عن منصور، عن ربعي بن حراش، عن عبد الله بن مسعود، يرفعه قال " ثلاثة يحبهم الله رجل قام من الليل يتلو كتاب الله ورجل تصدق صدقة بيمينه يخفيها اراه قال من شماله ورجل كان في سرية فانهزم اصحابه فاستقبل العدو " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه وهو غير محفوظ . والصحيح ما روى شعبة وغيره عن منصور عن ربعي بن حراش عن زيد بن ظبيان عن ابي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وابو بكر بن عياش كثير الغلط .
২৫৬৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে মারফু’রূপে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন ব্যক্তি এমন যাদেরকে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা’আলা ভালবাসেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, যে ব্যক্তি (এমন) গোপনে আল্লাহর পথে ডান হাতে দান-খয়রাত করে যে, বাম হাতও তা টের পায় না এবং যে ব্যক্তি কোন যুদ্ধভিযান দলে শরীক হয় আর তার সঙ্গী-সাথীরা হেরে যাওয়ার পরও সে শুক্র সম্মুখে অগ্রসর হয়। যঈফ, মিশকাত - তাহকিক ছানী ১৯২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্রে এটি সংরক্ষেত নয়। সহীহ রিওয়ায়ত হল যেটি শু’বা (রহঃ) প্রমূখ মানসূর-রিবঈ ইবন খিরাশ-যায়দ ইবন যাবয়ান-আবূ যাবর (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। রাবী আবূ বকর ইবন আয়্যাশ রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে অনেক ভুল করে থাকেন।
হাদীসটি গারীব। এই সূত্রে এটি সংরক্ষেত নয়। সহীহ রিওয়ায়ত হল যেটি শু’বা (রহঃ) প্রমূখ মানসূর-রিবঈ ইবন খিরাশ-যায়দ ইবন যাবয়ান-আবূ যাবর (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। রাবী আবূ বকর ইবন আয়্যাশ রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে অনেক ভুল করে থাকেন।
হাদিস নং: ২৫৬৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور بن المعتمر، قال سمعت ربعي بن حراش، يحدث عن زيد بن ظبيان، يرفعه الى ابي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ثلاثة يحبهم الله وثلاثة يبغضهم الله فاما الذين يحبهم الله فرجل اتى قوما فسالهم بالله ولم يسالهم بقرابة بينه وبينهم فمنعوه فتخلف رجل باعقابهم فاعطاه سرا لا يعلم بعطيته الا الله والذي اعطاه وقوم ساروا ليلتهم حتى اذا كان النوم احب اليهم مما يعدل به نزلوا فوضعوا رءوسهم فقام احدهم يتملقني ويتلو اياتي ورجل كان في سرية فلقي العدو فهزموا واقبل بصدره حتى يقتل او يفتح له . والثلاثة الذين يبغضهم الله الشيخ الزاني والفقير المختال والغني الظلوم " .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا النضر بن شميل، عن شعبة، نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . وهكذا روى شيبان، عن منصور، نحو هذا وهذا اصح من حديث ابي بكر بن عياش .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا النضر بن شميل، عن شعبة، نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . وهكذا روى شيبان، عن منصور، نحو هذا وهذا اصح من حديث ابي بكر بن عياش .
২৫৬৯. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার, মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ যার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিন ব্যক্তি এমন যাদেরকে আল্লাহ্ তা’আলা ভালবাসেন আর তিন ব্যাক্তি যে কোন সম্প্রদায়ের নিকট এসে কোন আত্মীয়তার ওসীলায় নয় বরং আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু প্রার্থনা করে কিন্তু তারা তাকে ফিরিয়ে দেয় তখন তাদের মাঝ থেকে এক ব্যক্তি তাদের পেছনে ফেলে উঠে দাঁড়ায় এবং ঐ প্রার্থী ব্যক্তিকে এমন গোপনে কিছু দান করে যে আল্লাহ্ তা’আলা এবং যাকে দিয়েছে সে ছাড়া আর কেউ এই দান সম্পর্কে কিছু জানে না। (অপর এক ব্যক্তি হল) এক সম্প্রদায় রাতের সফরে চলেছে। শেষে নিদ্রা যখন তাদের সবচে প্রিয় বস্তু হয়ে দাঁড়ায় আর তারা (বালিশে) তাদের মাথা রেখে দেয় তখন এক ব্যক্তি সালাতে দাঁড়ায় এবং আমার হুযুরে (সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য) কাকুতি-মিনতি ও রোনাযারী করে আর আমার আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করে। (আরেক জন হল) এক ব্যক্তি কোন এক যুদ্ধাভিযানে শরীক হয়ে শত্রুর সম্মুখীন হয় এবং হেরে যায়। কিন্তু এমতাবস্তায়ও সেই ব্যক্তি শহীদ বা বিজয় লাভ না হওয়া পর্যন্ত বুক পেতে সামনে অগ্রসর হতে থাকে। পক্ষান্তরে যে তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা’আলা ঘৃণা করেন তারা হলঃ বৃদ্ধ ব্যভিচারী, অহঙ্কারী ভিক্ষুক ও অত্যাচারী ধনী। যঈফ, মিশকাত ১৯২২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... শু’বা (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি সহীহ। শায়বান (রহঃ) মনসূর (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এটি আবূ বকর ইবন আয়্যাশ (রহঃ)-এর রিওয়ায়ত থেকে অধিক সহীহ।
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... শু’বা (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। হাদীসটি সহীহ। শায়বান (রহঃ) মনসূর (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এটি আবূ বকর ইবন আয়্যাশ (রহঃ)-এর রিওয়ায়ত থেকে অধিক সহীহ।
হাদিস নং: ২৫৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا عقبة بن خالد، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن جده، حفص بن عاصم عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوشك الفرات يحسر عن كنز من ذهب فمن حضره فلا ياخذ منه شيىا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৫৭০. আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই ফুরাত নদী তার গোপন স্বর্ণ-ভন্ডার পানি অপসৃত করে প্রকাশ করে দিবে। যে ব্যক্তি তখন সেখানে হাযির থাকবে সে যেন তা থেকে কিছুই গ্রহণ না করে।
বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটি হাসান-সহীহ।
বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৫৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا عقبة بن خالد، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله الا انه قال " يحسر عن جبل من ذهب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৫৭১. আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... আবূ হুরারয়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এতেإِلاَّ أَنَّهُ এর স্থলে’ جَبَلٍ مِنْ ذَهَبٍ (স্বর্ণের পাহাড়) উল্লেখ হয়েছে। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৫৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا الجريري، عن حكيم بن معاوية، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان في الجنة بحر الماء وبحر العسل وبحر اللبن وبحر الخمر ثم تشقق الانهار بعد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وحكيم بن معاوية هو والد بهز بن حكيم والجريري يكنى ابا مسعود واسمه سعيد بن اياس .
২৫৭২. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... মুআবিয়া (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জান্নাতে পানির সাগর, মধুর সাগর, দুধের সাগর ও শরাবের সাগর রয়েছে। এগুলো থেকে পরে আরো নহরের শাখা-প্রশাখা বের হবে। সহীহ, মিশকাত তাহকিক ছানী ৫৬৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। হাকীম ইবন মুআবিয়া হলেন বাহয ইবন হাকীম (রহঃ) এর পিতা।
হাদীসটি হাসান-সহীহ। হাকীম ইবন মুআবিয়া হলেন বাহয ইবন হাকীম (রহঃ) এর পিতা।
হাদিস নং: ২৫৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن بريد بن ابي مريم، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سال الله الجنة ثلاث مرات قالت الجنة اللهم ادخله الجنة . ومن استجار من النار ثلاث مرات قالت النار اللهم اجره من النار " . قال هكذا روى يونس بن ابي اسحاق عن ابي اسحاق هذا الحديث عن بريد بن ابي مريم عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وقد روي عن ابي اسحاق عن بريد بن ابي مريم عن انس بن مالك موقوفا ايضا .
২৫৭৩. হান্নাদ (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর কাছে তিনবার জান্নাতের দু’আ করে তবে জান্নাত তখন বলে, ’হে আল্লাহ্! একে জান্নাতে দাখিল করে দাও।’ আর কোন ব্যক্তি যদি জাহান্নাম থেকে তিনবার পানাহ চায় তবে জাহান্নাম বলে, ’হে আল্লাহ্! একে জাহান্নাম থেকে পানাহ দিয়ে দাও।’ সহীহ, মিশকাত তাহকিক ছানী ২৪৭৮, তা’লীকুর রাগীব ৪/২২২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৫৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইউনুস (রহঃ) এ হাদীসটিকে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বুরায়দ ইবন আবূ মারয়াম-আনাস (রাঃ) সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ ইসহাক-বুরায়দ ইবন আবূ মারয়াম-আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে তাঁর উক্তি হিসাবেও এটি বর্ণিত আছে।
ইউনুস (রহঃ) এ হাদীসটিকে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বুরায়দ ইবন আবূ মারয়াম-আনাস (রাঃ) সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ ইসহাক-বুরায়দ ইবন আবূ মারয়াম-আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে তাঁর উক্তি হিসাবেও এটি বর্ণিত আছে।