হাদিস নং: ২৪৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن معمر، ويونس، عن الزهري، ان عروة بن الزبير، اخبره ان المسور بن مخرمة اخبره ان عمرو بن عوف وهو حليف بني عامر بن لوى وكان شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم - اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث ابا عبيدة بن الجراح فقدم بمال من البحرين وسمعت الانصار بقدوم ابي عبيدة فوافوا صلاة الفجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف فتعرضوا له فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم حين راهم ثم قال " اظنكم سمعتم ان ابا عبيدة قدم بشيء " . قالوا اجل يا رسول الله . قال " فابشروا واملوا ما يسركم فوالله ما الفقر اخشى عليكم ولكني اخشى ان تبسط الدنيا عليكم كما بسطت على من قبلكم فتنافسوها كما تنافسوها فتهلككم كما اهلكتهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৪৬৫. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এবং আমির ইবন লুওয়াই গোত্রের হালীফ আমর ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ উবায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে (বাহরাইনের দিক) প্রেরণ করেন। পরে তিনি বাহরাইন থেকে মাল নিয়ে ফিরে আসেন। আনসারী সাহাবীরা আবূ উবায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর আগমনের সংবাদ পেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ফজরের সালাতে এসে শামিল হলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের পর যখন ঘুরে বসলেন তখন তারা সবাই তাঁর সামনে এসে গেলেন। তাদের দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামান্য হাসলেন। বললেনঃ আমার মনে হয় আবূ উবায়দা কিছু নিয়ে এসেছেন বলে তোমরা শুনেছ? তাঁরা বললেনঃ হ্যাঁ আল্লাহর রাসুল।
তিনি বললেনঃ তোমরা খোশ খবরী গ্রহণ কর, তোমাদের যা আনন্দিত করবে এমন বিষয়ের আশা পোষণ কর। আমি তোমাদের দারিদ্রের আশা করি না। আমি তো আশংকা করি যে, তোমাদের পূর্ববর্তীতের জন্য যেমন দুনিয়া প্রশস্ত করে দেওয়া হয়েছিল তোমাদের জন্য তেমনি ভাবে দুনিয়া বিস্তৃত করে দেওয়া হবে। অনন্তর তারা যেমন এর প্রতিযোগীতায় মত্ত হয়েছিল তোমরাও সেভাবে এর প্রতিযোগীতায় মত্ত হবে। শেষে এ যেমন তাদের ধ্বংস করেছিল তেমনি তা তোমাদেরও ধ্বংস করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৯৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
তিনি বললেনঃ তোমরা খোশ খবরী গ্রহণ কর, তোমাদের যা আনন্দিত করবে এমন বিষয়ের আশা পোষণ কর। আমি তোমাদের দারিদ্রের আশা করি না। আমি তো আশংকা করি যে, তোমাদের পূর্ববর্তীতের জন্য যেমন দুনিয়া প্রশস্ত করে দেওয়া হয়েছিল তোমাদের জন্য তেমনি ভাবে দুনিয়া বিস্তৃত করে দেওয়া হবে। অনন্তর তারা যেমন এর প্রতিযোগীতায় মত্ত হয়েছিল তোমরাও সেভাবে এর প্রতিযোগীতায় মত্ত হবে। শেষে এ যেমন তাদের ধ্বংস করেছিল তেমনি তা তোমাদেরও ধ্বংস করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৯৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وابن المسيب، ان حكيم بن حزام، قال سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعطاني ثم سالته فاعطاني ثم سالته فاعطاني ثم قال " يا حكيم ان هذا المال خضرة حلوة فمن اخذه بسخاوة نفس بورك له فيه ومن اخذه باشراف نفس لم يبارك له فيه وكان كالذي ياكل ولا يشبع واليد العليا خير من اليد السفلى " . فقال حكيم فقلت يا رسول الله والذي بعثك بالحق لا ارزا احدا بعدك شيىا حتى افارق الدنيا . فكان ابو بكر يدعو حكيما الى العطاء فيابى ان يقبله ثم ان عمر دعاه ليعطيه فابى ان يقبل منه شيىا فقال عمر اني اشهدكم يا معشر المسلمين على حكيم اني اعرض عليه حقه من هذا الفىء فيابى ان ياخذه . فلم يرزا حكيم احدا من الناس شيىا بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توفي . قال هذا حديث صحيح .
২৪৬৬. সুওয়ায়দ (রহঃ) ..... হাকিম ইবন হিযাম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রালুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (কিছু মাল) চাইলাম। তিনি আমাকে তা দিলেন। পরে আবার চাইলাম। তখনও তিনি তা আমাকে দিলেন। তারপর অবার চাইলাম। এবারও তিনি আমাকে তা দিলেন। এরপর বললেনঃ হে হাকিম, এ সম্পদ তো সবুজ-শ্যামল ও লোভনীয়। কেউ যদি তা হৃদয়ের বদান্যতার সাথে গ্রহণ করে তার জন্য তা বরকতময় করে দেওয়া হয়। আর কেউ যদি তা মনের লোভে গ্রহণ করে তবে এতে তার জন্য কোন বরকত হয় না। ঐ ব্যক্তির মত অবস্থা হয় যে ব্যক্তি খায় কিন্তু পেট ভরে না। আর উপরের হাত (দানের হাত) নীচের হাত (গ্রহীতার হাত) থেকে উত্তম।
হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, এ দুনিয়া যতদিন ত্যাগ করে না গেছি ততদিন আপনার আর কাউকে কিছু চেয়ে তার সম্পদ হ্রস ঘটাব না। পরে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে কিছু দিতে ডেকেছিলেন কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এরপর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুও তাকে কিছু দিতে ডেকেছিলেন। কিন্তু তিনি কিছু নিতে অস্বীকার করেন। তখন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হে মুসলিম সম্প্রদায়, হাকীমরে বিষয়ে আমি তোমাদিগকে সাক্ষী রাখছি যে, ফাঈ সম্পদ থেকে তার প্রাপ্য হক আমি তার কাছে পেশ করেছিলাম কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। যা হোক, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পর মৃত্যু পর্যন্তও হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহু আর কারো কাছে কিছু গ্রহণ করেননি। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ।
হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, এ দুনিয়া যতদিন ত্যাগ করে না গেছি ততদিন আপনার আর কাউকে কিছু চেয়ে তার সম্পদ হ্রস ঘটাব না। পরে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে কিছু দিতে ডেকেছিলেন কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এরপর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুও তাকে কিছু দিতে ডেকেছিলেন। কিন্তু তিনি কিছু নিতে অস্বীকার করেন। তখন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হে মুসলিম সম্প্রদায়, হাকীমরে বিষয়ে আমি তোমাদিগকে সাক্ষী রাখছি যে, ফাঈ সম্পদ থেকে তার প্রাপ্য হক আমি তার কাছে পেশ করেছিলাম কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। যা হোক, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পর মৃত্যু পর্যন্তও হাকীম রাদিয়াল্লাহু আনহু আর কারো কাছে কিছু গ্রহণ করেননি। সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو صفوان، عن يونس، عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن عبد الرحمن بن عوف، قال ابتلينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالضراء فصبرنا ثم ابتلينا بالسراء بعده فلم نصبر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৪৬৭. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে অনেক কষ্ট ও বিপদ-আপদের দ্বারা পরীক্ষিত হয়েছি কিন্তু আমরা তাতে ধৈর্যধারণ করতে পেরেছিলাম। অতপর তাঁর ইন্তিকালের পর সুখ-স্বাচ্চন্দের পরীক্ষায় পড়েছি কিন্তু এতে আমরা সবর করতে পারিনি।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৪৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن الربيع بن صبيح، عن يزيد بن ابان، وهو الرقاشي عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من كانت الاخرة همه جعل الله غناه في قلبه وجمع له شمله واتته الدنيا وهي راغمة ومن كانت الدنيا همه جعل الله فقره بين عينيه وفرق عليه شمله ولم ياته من الدنيا الا ما قدر له " .
২৪৬৮. হান্নাদ (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আখিরাত যার একমাত্র চিন্তা ও লক্ষ্য আল্লাহ তা’আলা তার হৃদয়কে অভাবমুক্ত করে দেন এবং বিক্ষিপ্ত বিষয়াবলীকে সমাধান করে দেন এবং তার কাছে দুনিয়া তুচ্ছ হয়ে আসে। পক্ষান্তরে যার চিন্তা ও লক্ষ্য হয় দুনিয়া আল্লাহ তা’আলা তার দু’ চোখের সামনে অভাব তুলে ধরেন, তার সমস্যাগুলোকে বিক্ষিপ্ত করে দেন আর যতটুকু তার জন্য নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে এর অতিরিক্ত দুনিয়া সে পায় না।
সহীহ, সহিহা ৯৪৯-৯৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সহীহ, সহিহা ৯৪৯-৯৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৪৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عيسى بن يونس، عن عمران بن زاىدة بن نشيط، عن ابيه، عن ابي خالد الوالبي، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الله تعالى يقول يا ابن ادم تفرغ لعبادتي املا صدرك غنى واسد فقرك والا تفعل ملات يديك شغلا ولم اسد فقرك " . قال هذا حديث حسن غريب . وابو خالد الوالبي اسمه هرمز .
২৪৬৯. আলী ইবন খাশরাম (রহঃ) ....... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য তুমি নিজেকে ফারেগ করে নাও আমি তোমার হৃদয়কে অভাব মুক্ততা দ্বারা পরিপূর্ণ করে দিব এবং তোমার অভাব বন্ধ করে দিব। আর তা যদি না কর তবে তোমার দু’ হাত আমি ব্যস্ততা দিয়ে ভরে দিব আর তোমার অভাব দূর করব না। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪১০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। বর্ণনাকারী আবূ খালিদ ওয়ালিবী (রহঃ) এর নাম হল হুরমুয।
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। বর্ণনাকারী আবূ খালিদ ওয়ালিবী (রহঃ) এর নাম হল হুরমুয।
হাদিস নং: ২৪৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندنا شطر من شعير فاكلنا منه ما شاء الله ثم قلت للجارية كيليه فكالته فلم يلبث ان فني . قالت فلو كنا تركناه لاكلنا منه اكثر من ذلك . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . ومعنى قولها شطر تعني شيىا .
২৪৭০. হান্নাদ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইন্তিকাল করেন তখন আমাদের ঘরে সামান্য মাত্র যব ছিল। তা থেকে আল্লাহ যতদিন চাইলেন আমরা আহার করতে থাকলাম। পরে একদিন পরিচারিকা (দাসী) মেয়েটিকে বললামঃ মেপে দেখ তো? সে তা মাপল। এরপর আর বেশী দিন তা রইল না বরং তা শেষ হয়ে গেল। তিনি (আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা) বললেনঃ আমরা যদি না মেপে এমনিই ছেড়ে রাখতাম তবে আরো বহুদিন তা খেতে পারতাম। সহীহ, বুখারি ৬৪৫১, মুসলিম ৮/২১৮ সংক্ষেপিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ।
شَطْرٌ অর্থ সামান্য কিছু যব।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ।
شَطْرٌ অর্থ সামান্য কিছু যব।
হাদিস নং: ২৪৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن داود بن ابي هند، عن عزرة، عن حميد بن عبد الرحمن الحميري، عن سعد بن هشام، عن عاىشة، قالت كان لنا قرام ستر فيه تماثيل على بابي فراه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " انزعيه فانه يذكرني الدنيا " . قالت وكان لنا سمل قطيفة علمها من حرير كنا نلبسها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه .
২৪৭১. হান্নাদ (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার দরজায় একটি রঙ্গীন পাতলা পর্দা ছিল। এতে কিছু চিত্র আঁকা ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি খুলে ফেল, কারণ এটি আমাকে দুনিয়া স্মরণ করিয়ে দেয়। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আরো বললেনঃ আমাদের একটি পুরানো চাঁদর ছিল। এতে আলামত হিসাবে সামান্য রেশম ছিল। আমরা তা পরিধান করতাম। সহীহ, গায়াতুল মারাম ১৩৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ২৪৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت كانت وسادة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي يضطجع عليها من ادم حشوها ليف . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
২৪৭২. হান্নাদ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিছানাটিতে শুইতেন সেটি ছিল চামড়ার আর ভিতরে ছিল খেজুর গাছের ছাল। সহীহ, মুখতাসার শামাইল ২৮২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদিসটি সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) হাদিসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، عن ابي اسحاق، عن ابي ميسرة، عن عاىشة، انهم ذبحوا شاة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ما بقي منها " . قالت ما بقي منها الا كتفها . قال " بقي كلها غير كتفها " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . وابو ميسرة هو الهمداني اسمه عمرو بن شرحبيل .
২৪৭৩. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, সাহাবীরা একটি বকরী যবাহ করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর কি অবশিষ্ট আছে? আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেনঃ এর কাঁধের অংশ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নাই। (সবকিছুই দান করে দেওয়া হয়েছে।) তিনি বললেনঃ কাঁধের অংশ ছাড়া আর সবকিছুই বাকী আছে। সহীহ, সহিহা ২৫৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ। রাবী আবূ মায়সারা (রহঃ) হলেন হামাদানী। তাঁর নাম হল ইবন শুরাহবীল।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ। রাবী আবূ মায়সারা (রহঃ) হলেন হামাদানী। তাঁর নাম হল ইবন শুরাহবীল।
হাদিস নং: ২৪৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت ان كنا ال محمد نمكث شهرا ما نستوقد بنار ان هو الا الماء والتمر . قال هذا حديث صحيح .
২৪৭৪. হারূন ইবন ইসহাক হামদানী (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবারের লোকেরা এক মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতাম এ অবস্থায় যে, আমরা আগুন জ্বালাতাম না। আমাদের আহারের জন্য পানি আর খেজুর ছাড়া কিছুই থাকত না। সহীহ, মুখতাসার শামাইল ১১১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، حدثنا روح بن اسلم ابو حاتم البصري، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن انس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقد اخفت في الله وما يخاف احد ولقد اوذيت في الله وما يوذى احد ولقد اتت على ثلاثون من بين يوم وليلة وما لي ولبلال طعام ياكله ذو كبد الا شيء يواريه ابط بلال " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . - ومعنى هذا الحديث حين خرج النبي صلى الله عليه وسلم فارا من مكة ومعه بلال انما كان مع بلال من الطعام ما يحمله تحت ابطه .
২৪৭৫. আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পথে আমাকে এত ভয় প্রদর্শন করা হয়েছে যে, আল্লাহর জন্য আমাকে এত যাতনা দেওয়া হয়েছে যে, আর কাউকে এত যাতনা দেওয়া হয় নি। এক নাগাড়ে ত্রিশটি দিন ও রাত্র এমনও অতিবাহিত হয়েছে যে বিলালের বগলের তলে রক্ষিত সামান্য খাদ্য ছাড়া আমার ও বিলালের জন্য এতটুকু খাদ্যও ছিল না যা কোন প্রাণী খেতে পারে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদিসটি হাসান-সহীহ। এটি হল সেই সময়কার কথা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে সঙ্গে নিয়ে মক্কা ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন, ঐ সময় বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথে কেবল এতটুকুই খাদ্য ছিল যতটুকু তিনি বগলের নীচে করে নিতে সক্ষম ছিলেন।
(আবু ঈসা বলেন) হাদিসটি হাসান-সহীহ। এটি হল সেই সময়কার কথা যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে সঙ্গে নিয়ে মক্কা ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন, ঐ সময় বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথে কেবল এতটুকুই খাদ্য ছিল যতটুকু তিনি বগলের নীচে করে নিতে সক্ষম ছিলেন।
হাদিস নং: ২৪৭৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن اسحاق، حدثنا يزيد بن زياد، عن محمد بن كعب القرظي، حدثني من، سمع علي بن ابي طالب، يقول خرجت في يوم شات من بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد اخذت اهابا معطونا فحولت وسطه فادخلته عنقي وشددت وسطي فحزمته بخوص النخل واني لشديد الجوع ولو كان في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم طعام لطعمت منه فخرجت التمس شيىا فمررت بيهودي في مال له وهو يسقي ببكرة له فاطلعت عليه من ثلمة في الحاىط فقال ما لك يا اعرابي هل لك في كل دلو بتمرة قلت نعم فافتح الباب حتى ادخل ففتح فدخلت فاعطاني دلوه فكلما نزعت دلوا اعطاني تمرة حتى اذا امتلات كفي ارسلت دلوه وقلت حسبي فاكلتها ثم جرعت من الماء فشربت ثم جىت المسجد فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৪৭৬. হান্নাদ (রহঃ) ..... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক শীতের দিনে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘর থেকে বের হলাম। লবণ লাগানো একটি কাঁচা চামড়া নিয়ে এর মাঝে এটিকে ছিদ্র করে এটিকে গলার ভিতর ঢুকিয়ে দিলাম এবং খেজুরের একটি পাতা দিয়ে কোমরের মাঝে তা বেধে দিলাম। আমি তখন অত্যন্ত ক্ষুধার্ত ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘরে যদি সামান্যতম খাদ্যও থাকত তবে অবশ্য তা থেকে আমি কিছু খেতে পেতাম। তাই আমি কিছু খাদ্যের তালাশে বের হয়ে পড়লাম। একটি ইয়াহুদীর বাগানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি সে কাঠের একটা গোলপাত্র দিয়ে তার বাগানে পানি দিচ্ছে। বাগানের দেয়ালের ছিদ্র দিয়ে আমি তাকে দেখলাম, সে বলল, হে বেদুঈন, কি চাও! একেকটি খেজুরের বিনিময়ে এক এক বালতি পানি সেচ করতে প্রস্তুত আছ?
আমি বললামঃ হ্যাঁ, দরজাটি খোল আমি যাতে ভেতরে আসতে পারি। সে দরজা খুলল, আমি ভেতরে আসলাম। সে তার বালতিটি আমাকে দিল। একেক বালতি পানি তোলার সাথে সাথে সে আমাকে একটি করে খেজুর দিতে লাগল। যখন খেজুর আমার দুই হাত ভরতি হয়ে গেল আমি তার বালতি ছেড়ে দিলাম। বললামঃ এই আমার জন্য যথেষ্ট। এরপর আমি তা খেলাম। তারপর কয়েক ঢোক পানি পান করলাম। পরে মসজিদে আসলাম। সেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পেলাম। যঈফ, তা’লীকুর রাগিব ৩/১০৯,১১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গারীব।
আমি বললামঃ হ্যাঁ, দরজাটি খোল আমি যাতে ভেতরে আসতে পারি। সে দরজা খুলল, আমি ভেতরে আসলাম। সে তার বালতিটি আমাকে দিল। একেক বালতি পানি তোলার সাথে সাথে সে আমাকে একটি করে খেজুর দিতে লাগল। যখন খেজুর আমার দুই হাত ভরতি হয়ে গেল আমি তার বালতি ছেড়ে দিলাম। বললামঃ এই আমার জন্য যথেষ্ট। এরপর আমি তা খেলাম। তারপর কয়েক ঢোক পানি পান করলাম। পরে মসজিদে আসলাম। সেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পেলাম। যঈফ, তা’লীকুর রাগিব ৩/১০৯,১১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২৪৭৭
শা'জ
حدثنا ابو حفص، عمرو بن علي حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عباس الجريري، قال سمعت ابا عثمان النهدي، يحدث عن ابي هريرة، انه اصابهم جوع فاعطاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم تمرة تمرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৪৭৭. আবূ হাফস আমর ইবন আলী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একবার তাঁদের ক্ষুধায় পেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে একটি একটি করে খেজুর দিয়েছিলেন। শাজ, ইবনু মাজাহ ৪১৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن هشام بن عروة، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن ثلاثماىة نحمل زادنا على رقابنا ففني زادنا حتى ان كان يكون للرجل منا كل يوم تمرة . فقيل له يا ابا عبد الله واين كانت تقع التمرة من الرجل فقال لقد وجدنا فقدها حين فقدناها واتينا البحر فاذا نحن بحوت قد قذفه البحر فاكلنا منه ثمانية عشر يوما ما احببنا . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح وقد روي من غير وجه عن جابر بن عبد الله . ورواه مالك بن انس عن وهب بن كيسان اتم من هذا واطول .
২৪৭৮. হান্নাদ (রহঃ) ...... জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন। আমরা ছিলাম তিনশত জন। আমাদের পাথেয় আমাদের কাঁধেই ছিল। এক পর্যায়ে আমাদের পাথেয় শেষ হয়ে যায়। এমনকি সারাদিনে আমাদের এক এক জনের জন্য এক একটা করে খেজুর বরাদ্দ হয়। তাঁকে তখন জিজ্ঞাসা করা হল, হে আবূ আবদুল্লাহ! একজনের জন্য একটি করে খেজুর কেমন করে যথেষ্ট হত? তিনি বললেনঃ এ-ও যখন শেষ হয়ে যায় তখন একটি খেজুর না পাওয়ার কি ক্ষতি তা আমরা টের পেয়েছিলাম। সেখানে আমরা হঠাৎ একটা মাছ পেলাম। সাগর তা নিক্ষেপ করছিল। আমরা ইচ্ছা মতো আঠারো দিন পর্যন্ত তা আহার করলাম।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪১৫৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি সহীহ। অন্য সূত্রে জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি বর্ণিত আছে। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে ওয়াহব ইবন কায়সাস (রহঃ) সূত্রে আরো পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘরূপে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪১৫৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি সহীহ। অন্য সূত্রে জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি বর্ণিত আছে। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে ওয়াহব ইবন কায়সাস (রহঃ) সূত্রে আরো পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘরূপে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৪৭৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن اسحاق، حدثني يزيد بن زياد، عن محمد بن كعب القرظي، حدثني من، سمع علي بن ابي طالب، يقول انا لجلوس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد اذ طلع علينا مصعب بن عمير ما عليه الا بردة له مرقوعة بفرو فلما راه رسول الله صلى الله عليه وسلم بكى للذي كان فيه من النعمة والذي هو اليوم فيه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف بكم اذا غدا احدكم في حلة وراح في حلة ووضعت بين يديه صحفة ورفعت اخرى وسترتم بيوتكم كما تستر الكعبة " . قالوا يا رسول الله نحن يومىذ خير منا اليوم نتفرغ للعبادة ونكفى المونة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لانتم اليوم خير منكم يومىذ " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ويزيد بن زياد هو ابن ميسرة وهو مدني وقد روى عنه مالك بن انس وغير واحد من اهل العلم ويزيد بن زياد الدمشقي الذي روى عن الزهري روى عنه وكيع ومروان بن معاوية ويزيد بن ابي زياد كوفي روى عنه سفيان وشعبة وابن عيينة وغير واحد من الاىمة .
২৪৭৯. হান্নাদ (রহঃ) ..... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে একদিন মসজিদে বসা ছিলাম। এমন সময় মুসআব ইবন উমায়র এলেন। তাঁর গাঁয়ে চামড়ার তালি লাগানো একটি চাদর ছাড়া কিছুই ছিল না। তিনি একদিন যে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জীবনে ছিলেন আর বর্তমানে যে অবস্থায় তিনি রয়েছেন সে জন্য তাকে দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেঁদে দিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ সেদিন কেমন হবে যেদিন তোমাদের একজন সকালে এক জোড়া কাপড় পরবে এবং বিকালে পরবে আরেক জোড়া, তার সামনে (খাদ্যের) একটা পেয়ালা রাখা হবে আরেকটি তোলা হবে। কা’বা ঘরকে যেভাবে গিলাফ দিয়ে আবৃত রাখা হয় সে ভাবে তোমরা তোমাদের ঘর আবৃত করবে।
সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আজকের তুলনায় সে দিন আমরা ভাল থাকব। কারণ আমরা ইবাদতের জন্য অবসর পাব এবং জীবিকার চিন্তা থেকে মুক্ত থাকব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, সে দিনের তুলনায় তোমরা আজ অনেক ভাল আছ। যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৫৩৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান। এ ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ হলেন ইবন মায়সারা, মাদীনী। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) সহ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ তার বরাতে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন, আর যিনি যুহরী থেকে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তার থেকে ওয়াকী’ ও মারওয়ান ইবন মুআবিয়া (রহঃ) হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তিনি হলেন ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ দিমাশকী। অপর পক্ষে সুফইয়ান, শু’বা, ইবন উয়ায়না প্রমুখ হাদীস বিশেষজ্ঞ ইমামগণ যার থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ইনি হলেন ইয়াযীদ ইবন আবূ যিয়াদ কুফী।
সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আজকের তুলনায় সে দিন আমরা ভাল থাকব। কারণ আমরা ইবাদতের জন্য অবসর পাব এবং জীবিকার চিন্তা থেকে মুক্ত থাকব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, সে দিনের তুলনায় তোমরা আজ অনেক ভাল আছ। যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৫৩৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান। এ ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ হলেন ইবন মায়সারা, মাদীনী। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) সহ বিশেষজ্ঞ আলিমগণ তার বরাতে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন, আর যিনি যুহরী থেকে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তার থেকে ওয়াকী’ ও মারওয়ান ইবন মুআবিয়া (রহঃ) হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন তিনি হলেন ইয়াযীদ ইবন যিয়াদ দিমাশকী। অপর পক্ষে সুফইয়ান, শু’বা, ইবন উয়ায়না প্রমুখ হাদীস বিশেষজ্ঞ ইমামগণ যার থেকে রিওয়ায়াত করেছেন ইনি হলেন ইয়াযীদ ইবন আবূ যিয়াদ কুফী।
হাদিস নং: ২৪৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا يونس بن بكير، حدثني عمر بن ذر، حدثنا مجاهد، عن ابي هريرة، قال كان اهل الصفة اضياف اهل الاسلام لا ياوون على اهل ولا مال والله الذي لا اله الا هو ان كنت لاعتمد بكبدي على الارض من الجوع واشد الحجر على بطني من الجوع ولقد قعدت يوما على طريقهم الذي يخرجون فيه فمر بي ابو بكر فسالته عن اية من كتاب الله ما سالته الا ليستتبعني فمر ولم يفعل ثم مر بي عمر فسالته عن اية من كتاب الله ما اساله الا ليستتبعني فمر ولم يفعل ثم مر بي ابو القاسم صلى الله عليه وسلم فتبسم حين راني وقال " ابا هريرة " . قلت لبيك يا رسول الله . قال " الحق " . ومضى فاتبعته ودخل منزله فاستاذنت فاذن لي فوجد قدحا من لبن فقال " من اين هذا اللبن لكم " . قيل اهداه لنا فلان . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابا هريرة " . قلت لبيك . فقال " الحق الى اهل الصفة فادعهم " . وهم اضياف اهل الاسلام لا ياوون على اهل ولا مال اذا اتته صدقة بعث بها اليهم ولم يتناول منها شيىا واذا اتته هدية ارسل اليهم فاصاب منها واشركهم فيها فساءني ذلك وقلت ما هذا القدح بين اهل الصفة وانا رسوله اليهم فسيامرني ان اديره عليهم فما عسى ان يصيبني منه وقد كنت ارجو ان اصيب منه ما يغنيني ولم يكن بد من طاعة الله وطاعة رسوله فاتيتهم فدعوتهم فلما دخلوا عليه فاخذوا مجالسهم فقال " ابا هريرة خذ القدح واعطهم " . فاخذت القدح فجعلت اناوله الرجل فيشرب حتى يروى ثم يرده فاناوله الاخر حتى انتهيت به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد روي القوم كلهم فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم القدح فوضعه على يديه ثم رفع راسه فتبسم فقال " ابا هريرة اشرب " . فشربت ثم قال " اشرب " . فلم ازل اشرب ويقول " اشرب " . حتى قلت والذي بعثك بالحق ما اجد له مسلكا فاخذ القدح فحمد الله وسمى ثم شرب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৪৮০. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুফফাবাসী সাহাবীগণ ছিলেন মুসলিমদের মেহমান। তাদের কোন ঘর-সংসার বা ধন-সম্পদ ছিল না। আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই, ক্ষুধার জ্বালায় আমি আমার পেট মাটিতে চেপে ধরতাম; এমনিভাবে ক্ষুধার তাড়নায় আমার পেটে পাথর বাঁধতাম। সাহাবীরা যে পথ দিয়ে (মসজিদের উদ্দেশ্যে) বের হতেন তাদের সে পথে একদিন আমি বসে গেলাম। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার পাশ দিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি তাঁর সঙ্গে (তার ঘরে) আমাকে নিয়ে যাবেন এই আশা নিয়েই কেবল আমি এই আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কিন্তু তিনি চলে গেলেন। আমাকে সাথে নিয়ে গেলেন না। এরপর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এই পথ দিয়ে গেলেন। তাঁকেও আমি আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি যেন আমাকে (তাঁর ঘরে) সঙ্গে নিয়ে যান এই আশা নিয়েই আমি প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি চলে গেলেন কিন্তু আমাকে সাথে নিলেন না। পরে আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমাকে দেখেই মুচকি হাসলেন। বললেনঃ আবূ হুরায়রা!
আমি বললামঃ লাব্বাইকা, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ সঙ্গে চল। এরপর তিনি চলতে লাগলেন। আমিও তাঁর পেছনে পেছনে যেতে লাগলাম। তিনি তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও প্রবেশ অনুমতি চাইলাম। আমাকেও প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হল। তিনি ঘরে একটি দুধের পেয়ালা পেলেন। বললেনঃ তোমাদের জন্য এই দুধ কোথা থেকে এসেছে? বলা হল অমুক ব্যক্তি আমাদের জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ আবূ হুরায়রা! আমি বললামঃ লাব্বায়কা। তিনি বললেনঃ সুফফাবাসীদের কাছে যাও এবং তাদের ডেকে নিয়ে এস।
এরা ছিলেন মুসলিমদের মেহমান। এদের কোন ঘর-সংসার বা ধন-সম্পদ ছিল না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কিছু সাদাকা আসলে তিনি তা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন, এর থেকে নিজে কিছু গ্রহণ করতেন না। আর যদি তাঁর কাছে কিছু হাদিয়া আসত তবে তিনি তাদের কাছে পাঠাতেন এবং নিজেও তা থেকে কিছু গ্রহণ করতেন এবং এতে তাদেরকেও শরীক করতেন।
এতে আমি মনক্ষুন্ন হলাম। মনে মনে বললাম সুফফাবাসীদের মাঝে এই এক পেয়ালায় কি হবে? আর আমি তাদের মাঝে সংবাদ বাহক হচ্ছি। সুতরাং নবীজীতো আমাকেই তাদের সামনে তা পরিবেশন করতে হুকুম দিবেন। হয়ত আমার ভাগ্যে কিছু নাও জুটতে পাপরে।
অথচ আমি আশা করেছিলাম যে ক্ষুধা নিবারণের মত অংশ পাব। কিন্তু আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূলের আনুগত্য ছাড়া কোন উপায় নেই, তাই আমি তাদের কাছে গেলাম এবং তাদেরকে ডেকে নিয়ে এলাম। তারা এসে নিজ নিজ স্থানে বসে গেল তিনি বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পেয়ালাটি নাও এবং তাদের পরিবেশন কর।
আমি পিয়ালাটি নিলাম এবং এক একজনকে তা পরিবেশন করতে লাগলাম, তিনি তা থেকে পরিতৃপ্তির সাথে পান করছিলেন এবং আমাকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছেলেন। আমি তখন তা অপর জনকে দিচ্ছিলাম শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা নিয়ে পৌঁছলাম। ইতি মধ্যে উপস্থিত পুরা সম্প্রদায় পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালাটি নিয়ে হাতে রাখলেন এবং এরপর মাথা তুলে মুচকি হাসলেন। বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পান কর। আমি তা পান করলাম। তিনি পুনরায় বললেনঃ আরো পান কর। আমি পান করতে থাকলাম তিনি বলতে থাকলেন ’’তুমি পান কর’’। শেষে আমি বললাম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন সেই সত্তার কসম, আমি আর এ জন্য কোন পথ পাচ্ছি না। তিনি তখন পেয়ালাটি নিলেন, আল্লাহর হামদ করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে তা পান করে নিলেন। সহীহ, বুখারি ৬৪৫২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আমি বললামঃ লাব্বাইকা, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ সঙ্গে চল। এরপর তিনি চলতে লাগলেন। আমিও তাঁর পেছনে পেছনে যেতে লাগলাম। তিনি তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও প্রবেশ অনুমতি চাইলাম। আমাকেও প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হল। তিনি ঘরে একটি দুধের পেয়ালা পেলেন। বললেনঃ তোমাদের জন্য এই দুধ কোথা থেকে এসেছে? বলা হল অমুক ব্যক্তি আমাদের জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ আবূ হুরায়রা! আমি বললামঃ লাব্বায়কা। তিনি বললেনঃ সুফফাবাসীদের কাছে যাও এবং তাদের ডেকে নিয়ে এস।
এরা ছিলেন মুসলিমদের মেহমান। এদের কোন ঘর-সংসার বা ধন-সম্পদ ছিল না। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কিছু সাদাকা আসলে তিনি তা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন, এর থেকে নিজে কিছু গ্রহণ করতেন না। আর যদি তাঁর কাছে কিছু হাদিয়া আসত তবে তিনি তাদের কাছে পাঠাতেন এবং নিজেও তা থেকে কিছু গ্রহণ করতেন এবং এতে তাদেরকেও শরীক করতেন।
এতে আমি মনক্ষুন্ন হলাম। মনে মনে বললাম সুফফাবাসীদের মাঝে এই এক পেয়ালায় কি হবে? আর আমি তাদের মাঝে সংবাদ বাহক হচ্ছি। সুতরাং নবীজীতো আমাকেই তাদের সামনে তা পরিবেশন করতে হুকুম দিবেন। হয়ত আমার ভাগ্যে কিছু নাও জুটতে পাপরে।
অথচ আমি আশা করেছিলাম যে ক্ষুধা নিবারণের মত অংশ পাব। কিন্তু আল্লাহর আনুগত্য ও রাসূলের আনুগত্য ছাড়া কোন উপায় নেই, তাই আমি তাদের কাছে গেলাম এবং তাদেরকে ডেকে নিয়ে এলাম। তারা এসে নিজ নিজ স্থানে বসে গেল তিনি বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পেয়ালাটি নাও এবং তাদের পরিবেশন কর।
আমি পিয়ালাটি নিলাম এবং এক একজনকে তা পরিবেশন করতে লাগলাম, তিনি তা থেকে পরিতৃপ্তির সাথে পান করছিলেন এবং আমাকে তা ফিরিয়ে দিচ্ছেলেন। আমি তখন তা অপর জনকে দিচ্ছিলাম শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তা নিয়ে পৌঁছলাম। ইতি মধ্যে উপস্থিত পুরা সম্প্রদায় পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেয়ালাটি নিয়ে হাতে রাখলেন এবং এরপর মাথা তুলে মুচকি হাসলেন। বললেনঃ আবূ হুরায়রা, পান কর। আমি তা পান করলাম। তিনি পুনরায় বললেনঃ আরো পান কর। আমি পান করতে থাকলাম তিনি বলতে থাকলেন ’’তুমি পান কর’’। শেষে আমি বললাম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন সেই সত্তার কসম, আমি আর এ জন্য কোন পথ পাচ্ছি না। তিনি তখন পেয়ালাটি নিলেন, আল্লাহর হামদ করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে তা পান করে নিলেন। সহীহ, বুখারি ৬৪৫২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪৮১
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا عبد العزيز بن عبد الله القرشي، حدثنا يحيى البكاء، عن ابن عمر، قال تجشا رجل عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " كف عنا جشاءك فان اكثرهم شبعا في الدنيا اطولهم جوعا يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . وفي الباب عن ابي جحيفة .
২৪৮১. মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ রাযী (রহঃ) ...... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ঢেকুর তুলল। তিনি বললেনঃ আমাদের থেকে তোমার ঢেকুর ফিরিয়ে রাখ। কেননা যারা দুনিয়াতে অধিক পরিতৃপ্ত হবে তারা কিয়ামতের দিন অধিক ক্ষুধার্ত হবে। হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৩৫০-৩৩৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান; এ সূত্রে গারীব। এ বিষয়ে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান; এ সূত্রে গারীব। এ বিষয়ে আবূ জুহায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن ابي بردة بن ابي موسى، عن ابيه، قال يا بنى لو رايتنا ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم واصابتنا السماء لحسبت ان ريحنا ريح الضان . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح . ومعنى هذا الحديث انه كان ثيابهم الصوف فكان اذا اصابهم المطر يجيء من ثيابهم ريح الضان .
২৪৮২. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ বুরদা ইবন আবূ মূসা তার পিতা আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি তার পুত্রকে বলেছিলেনঃ হে বৎস, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বৃষ্টি ভেজা অবস্থায় যদি তুমি আমাদের দেখতে তবে অবশ্যই তুমি আমাদের শরীরের গন্ধকে ভেড়ার গন্ধ বলে মনে করতে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৫৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ। হাদীসটির মর্ম হল, তাঁদের কাপড়-চোপড় ছিল পশমের। বৃষ্টিতে ভিজলে তা থেকে ভেড়ার গন্ধ আসত।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি সহীহ। হাদীসটির মর্ম হল, তাঁদের কাপড়-চোপড় ছিল পশমের। বৃষ্টিতে ভিজলে তা থেকে ভেড়ার গন্ধ আসত।
হাদিস নং: ২৪৮৩
হাসান (Hasan)
حدثنا عباس بن محمد الدوري، حدثنا عبد الله بن يزيد المقرى، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، عن ابي مرحوم عبد الرحيم بن ميمون، عن سهل بن معاذ بن انس الجهني، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ترك اللباس تواضعا لله وهو يقدر عليه دعاه الله يوم القيامة على رءوس الخلاىق حتى يخيره من اى حلل الايمان شاء يلبسها " . هذا حديث حسن . ومعنى قوله " حلل الايمان " . يعني ما يعطى اهل الايمان من حلل الجنة .
২৪৮৩. আব্বাস ইবন মুহাম্মদ দূরী (রহঃ) ...... সাহল ইবন মুআয ইবন আনাস যুহানী তার পিতা মুআয ইবন আনাস যুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সামর্থ থাকা সত্বেও যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিনয়ে মূল্যবান পোষাক পরা পরিত্যাগ করবে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন সকল সৃষ্টির সমক্ষে তাকে ডাকবেন এবং ঈমানদারদের যে কোন লেবাস তিনি পরিধান করতে চান তাকে পরিধান করার ইখতিয়ার দেওয়া হবে। হাসান, সহীহাহ ৭১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৪৮৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا زافر بن سليمان، عن اسراىيل، عن شبيب بن بشير، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " النفقة كلها في سبيل الله الا البناء فلا خير فيه " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . هكذا قال محمد بن حميد شبيب بن بشير وانما هو شبيب بن بشر .
২৪৮৪. মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ রাযী (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমারতের নির্মাণের ব্যয় ছাড়া বাকী সব ব্যয় আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় বলে গণ্য। ইমারত নির্মাণে কোন কল্যাণ নেই। যঈফ, যঈফা ১০৬১, তা’লিকুর রাগীব ২/১৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) তাঁর সনদে রাবীর নাম শাবীব ইবন বাশীর বলে উল্লেখৈ করেছেন। অথচ ইনি হলেন, শাবীব ইবন বিশর (রহঃ)।
এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) তাঁর সনদে রাবীর নাম শাবীব ইবন বাশীর বলে উল্লেখৈ করেছেন। অথচ ইনি হলেন, শাবীব ইবন বিশর (রহঃ)।