হাদিস নং: ১৪৬৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن ابي فديك، عن ابراهيم بن اسماعيل بن ابي حبيبة، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا قال الرجل للرجل يا يهودي فاضربوه عشرين واذا قال يا مخنث فاضربوه عشرين ومن وقع على ذات محرم فاقتلوه " . قال ابو عيسى هذا حديث لا نعرفه الا من هذا الوجه . وابراهيم بن اسماعيل يضعف في الحديث . والعمل على هذا عند اصحابنا قالوا من اتى ذات محرم وهو يعلم فعليه القتل . وقال احمد من تزوج امه قتل . وقال اسحاق من وقع على ذات محرم قتل . - وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم من غير وجه رواه البراء بن عازب وقرة بن اياس المزني ان رجلا تزوج امراة ابيه فامر النبي صلى الله عليه وسلم بقتله .
১৪৬৮। মুহাম্মদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি অন্য কাউকে বলে, হে ইয়াহূদী, তবে তাকে বিশ ঘা বেত্রদন্ড দিবে। যদি বলে হে মুখাননাছ, তবে তাকেও বিশ ঘা বেত্রদন্ড দিবে। আর কেউ যদি মাহরাম মহিলার সাথে উপগত হয় তবে তাকে কতল করবে।
যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৬৩২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি এই সূত্র ছাড়া আমরা অহিত নই। রাবী ইবরাহীম ইবনু ইসমাঈলকে হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ বলা হয়। আমাদের উলামাদের আমল এ হাদীস অনুসারে রয়েছে। তারা বলেন, জেনে শুনে যে ব্যক্তি ’মাহরাম’ মহিলার সাথে উপগত হয় তার শাস্তি হল কতল। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তার মাকে বিবাহ করে তাকে কতল করা হবে। ইমাম ইসহাক (রহঃ) বলেন, কেউ যদি কোন মাহরামের সাথে উপগত হয় তবে তাকে হত্যা করা হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অন্যান্য সূত্রেও এ বিষয় বর্ণিত আছে। বারা ইবনু আযিব ও কুররা ইবনু ইয়াস মুযানীও এ বিষয়ে রিওয়ায়াত করেছেন যে, এক ব্যক্তি তার সৎমাকে বিয়ে করেছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কতলের নির্দেশ দেন।
যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৬৩২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি এই সূত্র ছাড়া আমরা অহিত নই। রাবী ইবরাহীম ইবনু ইসমাঈলকে হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ বলা হয়। আমাদের উলামাদের আমল এ হাদীস অনুসারে রয়েছে। তারা বলেন, জেনে শুনে যে ব্যক্তি ’মাহরাম’ মহিলার সাথে উপগত হয় তার শাস্তি হল কতল। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তার মাকে বিবাহ করে তাকে কতল করা হবে। ইমাম ইসহাক (রহঃ) বলেন, কেউ যদি কোন মাহরামের সাথে উপগত হয় তবে তাকে হত্যা করা হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অন্যান্য সূত্রেও এ বিষয় বর্ণিত আছে। বারা ইবনু আযিব ও কুররা ইবনু ইয়াস মুযানীও এ বিষয়ে রিওয়ায়াত করেছেন যে, এক ব্যক্তি তার সৎমাকে বিয়ে করেছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কতলের নির্দেশ দেন।
নোট: [জন্মগত ভাবেই যে পুরুষও নয় নারীও নয় কিংবা যে পুরুষ চালচলনে ও আচার আচরণে নারী প্রকৃতির অনুকরণ করে সেই ধরনের পুরুষকে 'মুখাননাছ' বলা হয়]
হাদিস নং: ১৪৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن بكير بن عبد الله بن الاشج، عن سليمان بن يسار، عن عبد الرحمن بن جابر بن عبد الله، عن ابي بردة بن نيار، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يجلد فوق عشر جلدات الا في حد من حدود الله " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث بكير بن الاشج . وقد اختلف اهل العلم في التعزير واحسن شيء روي في التعزير هذا الحديث . قال وقد روى هذا الحديث ابن لهيعة عن بكير فاخطا فيه وقال عن عبد الرحمن بن جابر بن عبد الله عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم وهو خطا والصحيح حديث الليث بن سعد انما هو عبد الرحمن بن جابر بن عبد الله عن ابي بردة بن نيار عن النبي صلى الله عليه وسلم .
১৪৬৯। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ বুরদা ইবনু নিয়ার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নির্ধারিত কোন হদ ছাড়া কাউকে দশ ঘা এর ঊর্ধ্বে বেত্রদন্ড প্রদান করা যাবে না। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৬০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবনু লাহীআ এই হাদীসটিকে বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে তিনি ভুল করেছেন। তিনি তার রিওয়ায়াতে আবদুর রহমান ইবনু জাবির ইবনু আবদুল্লাহ তার পিতা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তা ভুল। লাইছ ইবনু সা’দ (রহঃ) এর সনদটি শুদ্ধ। সেটি হল আবদুর রহমান ইবনু জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আবূ বুরদা ইবনু নিয়ার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। এই হাদীসটি হারীব। বুকায়র ইবনু আশাজ্জ (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। তা’যীর সম্পর্কে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। তা’যীর বিষয়ে বর্ণিত রিওয়ায়াত সমূহের মধ্যে এ হাদীসটি উত্তম।
ইবনু লাহীআ এই হাদীসটিকে বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে তিনি ভুল করেছেন। তিনি তার রিওয়ায়াতে আবদুর রহমান ইবনু জাবির ইবনু আবদুল্লাহ তার পিতা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তা ভুল। লাইছ ইবনু সা’দ (রহঃ) এর সনদটি শুদ্ধ। সেটি হল আবদুর রহমান ইবনু জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আবূ বুরদা ইবনু নিয়ার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। এই হাদীসটি হারীব। বুকায়র ইবনু আশাজ্জ (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। তা’যীর সম্পর্কে আলিমগণের মতবিরোধ রয়েছে। তা’যীর বিষয়ে বর্ণিত রিওয়ায়াত সমূহের মধ্যে এ হাদীসটি উত্তম।
নোট: [কুরআন ও হাদীসে যে সমস্ত অপরাধের শাস্তি নির্ধারিত নেই সেই সকল ক্ষেত্রের দন্ডবিধিকে তা'যীর বলা হয়]