হাদিস নং: ১২৮৮
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، وابو عامر العقدي عن ابن ابي ذىب، عن مخلد بن خفاف، عن عروة، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى ان الخراج بالضمان . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه . والعمل على هذا عند اهل العلم .
১২৮৮. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রহঃ) ...... আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিয়েছেন, ক্ষতির দায়িত্ব হিসাবে ফায়দা ভোগের অধিকার হয়। - ইবনু মাজাহ ২২৪২, ২২৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে। আলিমগণের এ হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে। আলিমগণের এ হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে।
হাদিস নং: ১২৮৯
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف اخبرنا عمر بن علي المقدمي، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قضى ان الخراج بالضمان . قال هذا حديث حسن صحيح غريب من حديث هشام بن عروة . قال ابو عيسى استغرب محمد بن اسماعيل هذا الحديث من حديث عمر بن علي . قلت تراه تدليسا قال لا . قال ابو عيسى وقد روى مسلم بن خالد الزنجي هذا الحديث عن هشام بن عروة ورواه جرير عن هشام ايضا . وحديث جرير يقال تدليس دلس فيه جرير . لم يسمعه من هشام بن عروة . وتفسير الخراج بالضمان هو الرجل يشتري العبد فيستغله ثم يجد به عيبا فيرده على الباىع فالغلة للمشتري لان العبد لو هلك هلك من مال المشتري . ونحو هذا من المساىل يكون فيه الخراج بالضمان .
قال ابو عيسى استغرب محمد بن اسمعيل هذا الحديث من حديث عمر بن علي قلت تراه تدليسا قال لا
قال ابو عيسى استغرب محمد بن اسمعيل هذا الحديث من حديث عمر بن علي قلت تراه تدليسا قال لا
১২৮৯. আবূ সালামা ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিয়েছে, ক্ষতির দায়িত্ব হিসাবে ফায়দা ভোগের অধিকার হয়। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। হিশাম ইবনু উরওয়া-এর সনদ হিসাবে গারীব। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু আলী (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসাবে মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল এটিকে গারীব বলে মনে করেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনি কি এটিকে তাদলীস মনে করেন? তিনি বললেন, না। মুসলিম ইবনু খালিদ আয্-যানজী (রহঃ) এ হাদীসটিকে হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। জারীরও এটিকে হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন। বলা হয় জারীরের রিওয়ায়াতটিতে ’তাদলীস’ বিদ্যমান। এতে জারীরই তাদলীস করেছেন। তিনি এটিকে সরাসরি হিশাম থেকে শুনেন নি।
’’ক্ষতির দায়িত্ব হিসাবে ফায়দা ভোগের অধিকার হয়’’-কথাটির ভাষ্য হলো যেমন, কেউ যদি গোলাম ক্রয় করে তাকে দৈনিক দেয় মজুরির ভিত্তিতে কাজে নিয়োগ করে, এরপর তাতে দোষ পরিলক্ষিত হয়, তবে বিক্রেতার নিকট তা ফেরত দিতে পারবে। কিন্তু (তৎসময়ে) গোলামের মাধ্যমে লব্ধ আয় হবে ক্রেতার। কারণ, (ক্ষতির ঝুকি ছিল ক্রেতার) তৎসময়ে গোলামটি যদি (কোন কারণে) ধ্বংস হত তবে ক্রেতার সম্পদ হিসাবে তা হত। এ ধরনের আরো মাসআলা-মাসায়েলের ক্ষেত্রে কথাটি প্রযোজ্য।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। হিশাম ইবনু উরওয়া-এর সনদ হিসাবে গারীব। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু আলী (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসাবে মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল এটিকে গারীব বলে মনে করেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনি কি এটিকে তাদলীস মনে করেন? তিনি বললেন, না। মুসলিম ইবনু খালিদ আয্-যানজী (রহঃ) এ হাদীসটিকে হিশাম ইবনু উরওয়া থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। জারীরও এটিকে হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন। বলা হয় জারীরের রিওয়ায়াতটিতে ’তাদলীস’ বিদ্যমান। এতে জারীরই তাদলীস করেছেন। তিনি এটিকে সরাসরি হিশাম থেকে শুনেন নি।
’’ক্ষতির দায়িত্ব হিসাবে ফায়দা ভোগের অধিকার হয়’’-কথাটির ভাষ্য হলো যেমন, কেউ যদি গোলাম ক্রয় করে তাকে দৈনিক দেয় মজুরির ভিত্তিতে কাজে নিয়োগ করে, এরপর তাতে দোষ পরিলক্ষিত হয়, তবে বিক্রেতার নিকট তা ফেরত দিতে পারবে। কিন্তু (তৎসময়ে) গোলামের মাধ্যমে লব্ধ আয় হবে ক্রেতার। কারণ, (ক্ষতির ঝুকি ছিল ক্রেতার) তৎসময়ে গোলামটি যদি (কোন কারণে) ধ্বংস হত তবে ক্রেতার সম্পদ হিসাবে তা হত। এ ধরনের আরো মাসআলা-মাসায়েলের ক্ষেত্রে কথাটি প্রযোজ্য।
হাদিস নং: ১২৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا يحيى بن سليم، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من دخل حاىطا فلياكل ولا يتخذ خبنة " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وعباد بن شرحبيل ورافع بن عمرو وعمير مولى ابي اللحم وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث غريب لا نعرفه من هذا الوجه الا من حديث يحيى بن سليم . وقد رخص فيه بعض اهل العلم لابن السبيل في اكل الثمار وكرهه بعضهم الا بالثمن .
১২৯০. মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক ইবনু আবূশ-মাওয়ারিব (রহঃ) ...... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন বাগানে প্রবেশ করে তবে সে তা থেকে (কিছু) আহার করতে পারে কিন্তু কোঁচড় ভর্তি যেন না করে। - ইবনু মাজাহ ২৩০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর, আববাদ ইবনু শুরাহবীল, রাফী, ইবনু আমর, আবূল লাহমের মাওলা উমায়র ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সুলায়মের সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। কতক আলিম মুসাফিরের জন্য বাগানের ফলাহারের অনুমতি দিয়েছেন। অপর কতক আলিম মূল্য পরিশোধ ব্যাতিরেকে এ ফল খাওয়া জায়েয নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ্ ইবনু আমর, আববাদ ইবনু শুরাহবীল, রাফী, ইবনু আমর, আবূল লাহমের মাওলা উমায়র ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সুলায়মের সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। কতক আলিম মুসাফিরের জন্য বাগানের ফলাহারের অনুমতি দিয়েছেন। অপর কতক আলিম মূল্য পরিশোধ ব্যাতিরেকে এ ফল খাওয়া জায়েয নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।
হাদিস নং: ১২৯১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث الخزاعي، حدثنا الفضل بن موسى، عن صالح بن ابي جبير، عن ابيه، عن رافع بن عمرو، قال كنت ارمي نخل الانصار فاخذوني فذهبوا بي الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " يا رافع لم ترمي نخلهم " . قال قلت يا رسول الله الجوع . قال " لا ترم وكل ما وقع اشبعك الله وارواك " . هذا حديث حسن صحيح غريب .
১২৯১. আবূ আম্মার হুসায়ন ইবনু হুরায়ছ আল-খুযাঈ (রহঃ) .... রাফি’ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি আনসারীদের খেজুর গাছে ঢিল ছূঁড়ে বেড়াতাম। তাঁরা আমাকে ধরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি বললেন, হে রাফি, তুমি তাঁদের খেজুর গাছে ঢিল ছুঁড় কেন? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্, ক্ষুধা। তিনি বললেন, তুমি ঢিল ছুঁড়বে না, নীচে যা পড়বে তা-ই খেয়ে নিবে। আল্লাহ্ তোমার পেট ভরে দিন ও তোমাকে পরিতৃপ্ত করে দিন। - ইবনু মাজাহ ২২৯৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
এ হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ১২৯২
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، ان النبي صلى الله عليه وسلم سىل عن الثمر المعلق فقال " من اصاب منه من ذي حاجة غير متخذ خبنة فلا شىء عليه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
১২৯২. কুতায়বা (রহঃ) ..... আমর ইবনু শুআয়ব তাঁর পিতা, তাঁর পিতামহ আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, গাছে ঝুলন্ত ফল সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, কোঁচড় ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার জন্য নয় বরং কোন অভাবী যদি এ থেকে কিছু গ্রহণ করে তবে তাতে কোন দোষ নাই। - ইরওয়া ২৪১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ১২৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا زياد بن ايوب البغدادي، اخبرنا عباد بن العوام، قال اخبرني سفيان بن حسين، عن يونس بن عبيد، عن عطاء، عن جابر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المحاقلة والمزابنة والمخابرة والثنيا الا ان تعلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث يونس بن عبيد عن عطاء عن جابر .
১২৯৩. যিয়াদ ইবনু আয়্যূব বাগদাদী (রহঃ) ..... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুহাকালা অর্থাৎ ঘরে সংগৃহীত শস্যের বিনিময়ে ক্ষেত্রস্থ শস্য বিক্রি করা, মুযাবানা অর্থাৎ কর্তিত ফলের বিনিময়ে বৃক্ষে বিদ্যমান ফল বিক্রি করা, মুখাবারা অর্থাৎ ভাগ-চাষ করা এবং ’ছুনইয়া’ অর্থাৎ বিক্রি চুক্তি থেকে অনির্দ্ধারিত অংশ বাদ দেওয়া। কিন্তু পরিমাণ নির্দ্ধারিত থাকলে তাতে দোষ নাই। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইউনুস ইবনু উবায়দ-আতা-জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে হাদিসটি গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইউনুস ইবনু উবায়দ-আতা-জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে হাদিসটি গারীব।
হাদিস নং: ১২৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ابتاع طعاما فلا يبعه حتى يستوفيه " . قال ابن عباس واحسب كل شيء مثله . قال وفي الباب عن جابر وابن عمر وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم كرهوا بيع الطعام حتى يقبضه المشتري . وقد رخص بعض اهل العلم فيمن ابتاع شيىا مما لا يكال ولا يوزن مما لا يوكل ولا يشرب ان يبيعه قبل ان يستوفيه . وانما التشديد عند اهل العلم في الطعام وهو قول احمد واسحاق .
১২৯৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি খাদ্য ক্রয় করে তবে হস্থগত করার পূর্বে যেন তা বিক্রি না করে। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমার ধারণা অন্যান্য সব জিনিসের বিধানই এরূপ। - ইবনু মাজাহ ১৮৬৮, ২১৭১, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে জাবির ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ক্রেতা কর্তৃক হস্থগত না করা পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করা জায়েয নয় বলে তাঁরা মনে করেন। কেউ যদি এমন দ্রব্য ক্রয় করে যা ওজন বা মাপপাত্র দ্বারা পরিমাপ করা হয়না কিংবা আহার বা পান করা হয়না তবে সে সব জিনিসের ক্ষেত্রে হস্তগত করার পূর্বেই বিক্রি করা সম্পর্কে কতক, আলিম অনুমতি দিয়েছেন। আলিমগণের মতে এ বিষয়ে কঠোরতা হল খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
এ বিষয়ে জাবির ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ক্রেতা কর্তৃক হস্থগত না করা পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করা জায়েয নয় বলে তাঁরা মনে করেন। কেউ যদি এমন দ্রব্য ক্রয় করে যা ওজন বা মাপপাত্র দ্বারা পরিমাপ করা হয়না কিংবা আহার বা পান করা হয়না তবে সে সব জিনিসের ক্ষেত্রে হস্তগত করার পূর্বেই বিক্রি করা সম্পর্কে কতক, আলিম অনুমতি দিয়েছেন। আলিমগণের মতে এ বিষয়ে কঠোরতা হল খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ১২৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يبيع بعضكم على بيع بعض ولا يخطب بعضكم على خطبة بعض " . قال وفي الباب عن ابي هريرة وسمرة . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لا يسوم الرجل على سوم اخيه " . ومعنى البيع في هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم عند بعض اهل العلم هو السوم .
১২৯৫. কুতায়বা (রহঃ) .... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা একজন অপরজনের বিক্রির উপর বিক্রয় প্রস্তাব দিবে না এবং একজন অপরজনের বিবাহ প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দিবে না। - ইবনু মাজাহ ১৮৬৮, ২১৭১, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, একজন অপরজনের বিক্রয় প্রস্তাবের উপর বিক্রয় প্রস্তাব দিবে না। কোন কোন আলিম বলেন, এই (১২৯৫ নং) হাদীসটিبيع বা বিক্রয় শব্দ দ্বারা سوم বা প্রস্তাবকে বুঝান হয়েছে।
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, একজন অপরজনের বিক্রয় প্রস্তাবের উপর বিক্রয় প্রস্তাব দিবে না। কোন কোন আলিম বলেন, এই (১২৯৫ নং) হাদীসটিبيع বা বিক্রয় শব্দ দ্বারা سوم বা প্রস্তাবকে বুঝান হয়েছে।
হাদিস নং: ১২৯৬
হাসান (Hasan)
حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت ليثا، يحدث عن يحيى بن عباد، عن انس، عن ابي طلحة، انه قال يا نبي الله اني اشتريت خمرا لايتام في حجري . قال " اهرق الخمر واكسر الدنان " . قال وفي الباب عن جابر وعاىشة وابي سعيد وابن مسعود وابن عمر وانس . قال ابو عيسى حديث ابي طلحة روى الثوري هذا الحديث عن السدي عن يحيى بن عباد عن انس ان ابا طلحة كان عنده . وهذا اصح من حديث الليث .
১২৯৬. হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ..... আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি একদিন বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমার তত্ত্বাবধানে লালিত কিছু ইয়াতীমের জন্য মদ কিনেছিলাম। তিনি বললেন, মদ ঢেলে ফেলে দাও এবং এর মটকাগুলো ভেঙ্গে দাও। - মিশকাত- তাহকিক ছানী ৩৬৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির, আয়েশা, আবূ সাঈদ, ইবনু মাসঊদ, ইবনু উমার ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ছাওরী এ হাদীসটি সুদ্দী- ইয়াহ্ ইয়া ইবনু আব্বাস-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি লায়ছ বর্ণিত হাদীস (১২৯৬ নং) থেকে অধিকতর সহীহ।
এই বিষয়ে জাবির, আয়েশা, আবূ সাঈদ, ইবনু মাসঊদ, ইবনু উমার ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ছাওরী এ হাদীসটি সুদ্দী- ইয়াহ্ ইয়া ইবনু আব্বাস-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি লায়ছ বর্ণিত হাদীস (১২৯৬ নং) থেকে অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ১২৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، عن السدي، عن يحيى بن عباد، عن انس بن مالك، قال سىل النبي صلى الله عليه وسلم ايتخذ الخمر خلا قال " لا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১২৯৭. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল মদ কি সিরকায় রূপান্তরিত করা যাবে? তিনি বললেন, না। - মিশকাত, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১২৯৮
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد الله بن منير، قال سمعت ابا عاصم، عن شبيب بن بشر، عن انس بن مالك، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الخمر عشرة عاصرها ومعتصرها وشاربها وحاملها والمحمولة اليه وساقيها وباىعها واكل ثمنها والمشتري لها والمشتراة له . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث انس . وقد روي نحو هذا عن ابن عباس وابن مسعود وابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم .
১২৯৮. আবদুল্লাহ্ ইবনু মুনীর (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মদ সম্পর্কে দশ শ্রেণীর লোককে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেছেন-মদ প্রস্তুতকারী, যে মদ প্রস্তুত করতে বলে, তা পানকারী, তা বহনকারী, যার জন্য বহন করা হয়, যে তা পান করায়, বিক্রয়কারী, এর মূল্য গ্রহণকারী, যে মদ ক্রয় করে এবং যার জন্য ক্রয় করা হয়। - ইবনু মাজাহ ৩৩৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর রিওয়ায়াত অনুযায়ী এ হাদীসটি গারীব। ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসঊদ ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুম এর বরাতেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর রিওয়ায়াত অনুযায়ী এ হাদীসটি গারীব। ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসঊদ ও ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুম এর বরাতেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১২৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا اتى احدكم على ماشية فان كان فيها صاحبها فليستاذنه فان اذن له فليحتلب وليشرب ولا يحمل وان لم يكن فيها احد فليصوت ثلاثا فان اجابه احد فليستاذنه فان لم يجبه احد فليحتلب وليشرب ولا يحمل " . قال وفي الباب عن عمر وابي سعيد . قال ابو عيسى حديث سمرة حديث حسن غريب . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وبه يقول احمد واسحاق . قال ابو عيسى وقال علي بن المديني سماع الحسن من سمرة صحيح . وقد تكلم بعض اهل الحديث في رواية الحسن عن سمرة وقالوا انما يحدث عن صحيفة سمرة .
১২৯৯. আবূ সালামা ইয়াহইয়া ইবনু খারাফ (রহঃ) ...... সামুরা ইবনু জুন্দুব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা যখন কোন পশুদলের কাছে আসবে সেখানে যদি এর মালিককে পাও তবে তার অনুমতি নিয়ে নিবে। সে অনুমতি দিলে তোমরা তা দোহন করতে পারবে, দুধ পান করতে পারবে। সেখানে যদি কেউ না থাকে তবে তিনবার আওয়াজ দিবে। কেউ যদি সাড়া দেয় তবে তার অনুমতি নিয়ে নিবে। আর কেউ যদি সাড়া না দেয় তবে তা দোহন করে দুধ পান করে নিবে। কিন্তু সঙ্গে নিবে না। - ইবনু মাজাহ ২৩০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে উমার ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাসান (রহঃ) এর রিওয়ায়াত শ্রবণ সহীহ। কোন কোন হাদীস বিশারদ সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাসান (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের সমালোচনা মূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, তিনি মূলতঃ সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পান্ডুলিপি থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
এ বিষয়ে উমার ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাসান (রহঃ) এর রিওয়ায়াত শ্রবণ সহীহ। কোন কোন হাদীস বিশারদ সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাসান (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের সমালোচনা মূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, তিনি মূলতঃ সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পান্ডুলিপি থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ১৩০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن عطاء بن ابي رباح، عن جابر بن عبد الله، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح وهو بمكة يقول " ان الله ورسوله حرم بيع الخمر والميتة والخنزير والاصنام " . فقيل يا رسول الله ارايت شحوم الميتة فانه يطلى بها السفن ويدهن بها الجلود ويستصبح بها الناس قال " لا هو حرام " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك " قاتل الله اليهود ان الله حرم عليهم الشحوم فاجملوه ثم باعوه فاكلوا ثمنه " . قال وفي الباب عن عمر وابن عباس . قال ابو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم .
১৩০০. কুতায়বা (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি মক্কা বিজয়ের সময় তথায় অবস্থান কালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল মদ, মূর্দা, শুকর ও মূর্তি হারাম করেছেন। বলা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্, মুর্দার চর্বি কি আপনি বৈধ মনে করেন? এ দিয়ে তো জলযানে লেপ দেওয়া হয়, চামড়ায় তৈলাক্ত করা হয় এবং লোকেরা বাতি জ্বালায়। তিনি বললেন, না (আমি তা বৈধ মনে করিনা, বরং) তা হারাম। অত:পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ প্রসঙ্গে বললেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইয়াহুদীদের ধ্বংস করুন। আল্লাহ্ তা’আলা তাদের জন্য চর্বি হারাম করেছিলেন। কিন্তু তারা তা গালিয়ে বিক্রি করেছে এবং এর মূল্য ভোগ করেছে। - ইবনু মাজাহ ২১৬৭, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে উমার, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান- সহীহ। আলিমগণের এতনুসারে আমল রয়েছে।
এ বিষয়ে উমার, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান- সহীহ। আলিমগণের এতনুসারে আমল রয়েছে।
হাদিস নং: ১৩০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، حدثنا ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليس لنا مثل السوء العاىد في هبته كالكلب يعود في قيىه " . قال وفي الباب عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لا يحل لاحد ان يعطي عطية فيرجع فيها الا الوالد فيما يعطي ولده " .
১৩০১. আহমাদ ইবনু আবদা যাববী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের মন্দ উদাহরন স্থাপন করা সমীচীন নয়। যে হেবা করে তা প্রত্যাহার করে সে কুকুরের মত, যে কুকুর বমি করে তা পুনরায় খায়। - ইবনু মাজাহ ২৩৮৫, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু -এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, পিতা তার সন্তানকে যা দেয়, সে ক্ষেত্রে ব্যতীত কাউকে কিছু দান করে তা ফিরিয়ে নেওয়া হালাল নয়।
এ বিষয়ে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু -এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, পিতা তার সন্তানকে যা দেয়, সে ক্ষেত্রে ব্যতীত কাউকে কিছু দান করে তা ফিরিয়ে নেওয়া হালাল নয়।
হাদিস নং: ১৩০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا ابن ابي عدي عن حسين المعلم عن عمرو بن شعيب انه سمع طاوسا يحدث عن ابن عمر وابن عباس يرفعان الحديث الى النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث . قال ابو عيسى حديث ابن عباس رضى الله عنهما حديث حسن صحيح . والعمل على هذا الحديث عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم قالوا من وهب هبة لذي رحم محرم فليس له ان يرجع فيها ومن وهب هبة لغير ذي رحم محرم فله ان يرجع فيها ما لم يثب منها . وهو قول الثوري . وقال الشافعي لا يحل لاحد ان يعطي عطية فيرجع فيها الا الوالد فيما يعطي ولده . واحتج الشافعي بحديث عبد الله بن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لاحد ان يعطي عطية فيرجع فيها الا الوالد فيما يعطي ولده " .
১৩০২. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। - ইবনু মাজাহ ২৩৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১২৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কোন কোন সাহাবী ও অপরাপর কোন কোন আলিমের এ অনুসারে আমল রয়েছে। তার বলেন, কেউ যদি তার রেহেম সম্পর্কিত আত্মীয় ছাড়া অন্য কাউকে যদি কিছু হেবা করে তবে সে এর বদলায় কিছু না পেয়ে থাকলে তার হেবা প্রত্যাহার করতে পারবে। এ হলো ইমাম ছাওরী (রহঃ)-এর অভিমত। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, পিতা তার সন্তানকে যা দেয় সে ক্ষেত্র ছাড়া অন্য কারো জন্য হালাল নয় কাউকে কিছু দান করে তা ফিরিয়ে আনা। তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পিতা তার সন্তানকে যা দেয় সে ক্ষেত্রে ছাড়া কাউকে কিছু দান করে তা ফিরিয়ে নেওয়া হালাল নয়।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। কোন কোন সাহাবী ও অপরাপর কোন কোন আলিমের এ অনুসারে আমল রয়েছে। তার বলেন, কেউ যদি তার রেহেম সম্পর্কিত আত্মীয় ছাড়া অন্য কাউকে যদি কিছু হেবা করে তবে সে এর বদলায় কিছু না পেয়ে থাকলে তার হেবা প্রত্যাহার করতে পারবে। এ হলো ইমাম ছাওরী (রহঃ)-এর অভিমত। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, পিতা তার সন্তানকে যা দেয় সে ক্ষেত্র ছাড়া অন্য কারো জন্য হালাল নয় কাউকে কিছু দান করে তা ফিরিয়ে আনা। তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি প্রমাণ হিসাবে পেশ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পিতা তার সন্তানকে যা দেয় সে ক্ষেত্রে ছাড়া কাউকে কিছু দান করে তা ফিরিয়ে নেওয়া হালাল নয়।
হাদিস নং: ১৩০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن محمد بن اسحاق، عن نافع، عن ابن عمر، عن زيد بن ثابت، ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن المحاقلة والمزابنة الا انه قد اذن لاهل العرايا ان يبيعوها بمثل خرصها . قال وفي الباب عن ابي هريرة وجابر . قال ابو عيسى حديث زيد بن ثابت هكذا روى محمد بن اسحاق هذا الحديث . وروى ايوب وعبيد الله بن عمر ومالك بن انس عن نافع عن ابن عمر ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن المحاقلة والمزابنة . وبهذا الاسناد عن ابن عمر عن زيد بن ثابت عن النبي صلى الله عليه وسلم انه رخص في العرايا . وهذا اصح من حديث محمد بن اسحاق .
১৩০৩. হান্নাদ (রহঃ) ...... যায়দ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালা (অর্থাৎ কর্তিত শস্যের বিনিময়ে ক্ষেতের বর্তমান শস্য অনুমানে পরিমান নির্দ্ধারণ করে বিক্রি করা) মুযাবানা (অর্থাৎ কর্তিত ফলের বিনিময়ে বৃক্ষে থাকা বিদ্যমান ফল অনুমানে পরিমাণ নির্দ্ধারণ করে বিক্রি করা) নিষেধ করেছেন। তবে তিনি আরায়া [১] এর অধিকারীকে অনুমানে পরিমাণ নির্দ্ধারণ করে বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছেন। - ইবনু মাজাহ ২২৬৮, ২২৬৯, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। রাবী মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) এ হাদীসটিকে যায়দ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এ ভাবেই বর্ণনা করেছেন। আয়্যূব, উবায়দুল্লাহ্ ইবনু উমার এবং মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াসাক পরিমানের (প্রায় সাতাশ মণ) কমে ’আরায়া’-এর অনুমতি দিয়েছেন। এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি থেকে অধিকতর সহীহ।
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। রাবী মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) এ হাদীসটিকে যায়দ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এ ভাবেই বর্ণনা করেছেন। আয়্যূব, উবায়দুল্লাহ্ ইবনু উমার এবং মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াসাক পরিমানের (প্রায় সাতাশ মণ) কমে ’আরায়া’-এর অনুমতি দিয়েছেন। এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি থেকে অধিকতর সহীহ।
নোট: ১. ‘আরায়া’ হল, খেজুর বা অন্য কিছুর বাগানের অধিকারী কোন ব্যক্তি তার বাগানের একটা দুটা গাছের ফল কোন গরীব ব্যক্তিকে ভোগ করার জন্য দান করল। কিন্তু এ গরীব লোকটির বারবার বাগানে আসা তার অপছন্দনীয়। তাই সে বলল, উক্ত গাছসমূহের সম পরিমান ফল সে তাকে দিয়ে দিবে। এখানে যদিও অনুমানের ভিত্তিতে গাছের ফলের পরিমাণ নির্দ্ধারণ করা হচ্ছে তবুও তা জায়েয। কেননা এটা আসলে ক্রয়-বিক্রয়ের আওতায় পরে না। কেননা মুলত: দানকারীই হচ্ছে এ খেজুরের মালিক। সে ইচ্ছা কররে গাছ থেকে ফল তুলেও দিতে পারে। ইচ্ছে করলে নিজের কাছ থেকেও সে তা দিতে পারে।
হাদিস নং: ১৩০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا زيد بن حباب، عن مالك بن انس، عن داود بن حصين، عن ابي سفيان، مولى ابن ابي احمد عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص في بيع العرايا فيما دون خمسة اوسق او كذا .
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن داود بن حصين، نحوه . وروي هذا الحديث، عن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم ارخص في بيع العرايا في خمسة اوسق او فيما دون خمسة اوسق .
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن داود بن حصين، نحوه . وروي هذا الحديث، عن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم ارخص في بيع العرايا في خمسة اوسق او فيما دون خمسة اوسق .
১৩০৪. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, ওয়াসাকের কম পরিমাণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ আরায়া’ জাতীয় বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কুতায়বা- মালিক-দাউদ ইবনু হুসায়ন (রহঃ) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি মালিক (রহঃ) থেকে এরূপভাবে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াসাক (বা বর্ণনাকারী বলেছেন, পাঁচ ওয়াসাকের কমে) আরায়া বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন।
কুতায়বা- মালিক-দাউদ ইবনু হুসায়ন (রহঃ) সূত্রেও অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি মালিক (রহঃ) থেকে এরূপভাবে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াসাক (বা বর্ণনাকারী বলেছেন, পাঁচ ওয়াসাকের কমে) আরায়া বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন।
হাদিস নং: ১৩০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، عن زيد بن ثابت، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ارخص في بيع العرايا بخرصها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وحديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل عليه عند بعض اهل العلم منهم الشافعي واحمد واسحاق وقالوا ان العرايا مستثناة من جملة نهى النبي صلى الله عليه وسلم اذ نهى عن المحاقلة والمزابنة واحتجوا بحديث زيد بن ثابت وحديث ابي هريرة وقالوا له ان يشتري ما دون خمسة اوسق . ومعنى هذا عند بعض اهل العلم ان النبي صلى الله عليه وسلم اراد التوسعة عليهم في هذا لانهم شكوا اليه وقالوا لا نجد ما نشتري من الثمر الا بالتمر فرخص لهم فيما دون خمسة اوسق ان يشتروها فياكلوها رطبا .
১৩০৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আরায়া’ ক্ষেত্রে তদনুমানে (অর্থাৎ গাছের খেজুরের পরিমাণ অনুমানের ভিত্তিতে নির্ধারণ করে) বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটিও (১৩০৪ নং) হাসান-সহীহ। শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) সহ কতক আলিম এতদনুসারে আমল করার অভিমত দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাকালা ও মুযাবানা জাতীয় বিক্রি নিষিদ্ধ করা সম্বলিত নির্দেশ থেকে ’আরায়া’ বিষয়টি ব্যতিক্রম। তারা এ বিষয়ে যায়দ ইবনু ছাবিত ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণিত হাদীসটি দলীলরূপে পেশ করেন। তাঁরা আরো বলেন, পাঁচ ওয়াসাকের কম পরিমাণ ক্ষেত্রে তা ক্রয় করতে হবে।
কতক আলিমের মতে এই বিধানটির তাৎপর্য হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে গরীব সাহাবীদেরকে অবকাশ দিতে চেয়েছেন। কারণ, তারা তাঁর কাছে আবেদন করে বলেছিল, শুকনা খেজুর ছাড়া তাজা খেজুর কিনার বিনিময়ে দেওয়ার মত আমাদের কিছু নাই (অথচ তাজা খেজুর খেতেও আমাদের মন চায়)। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াসাকের কমে এ ভাবে (আরায়া ভিত্তিতে) তা ক্রয় করার অনুমতি দেন, তারা যাতে তাজা খেজুর আহার করতে পারে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটিও (১৩০৪ নং) হাসান-সহীহ। শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) সহ কতক আলিম এতদনুসারে আমল করার অভিমত দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাকালা ও মুযাবানা জাতীয় বিক্রি নিষিদ্ধ করা সম্বলিত নির্দেশ থেকে ’আরায়া’ বিষয়টি ব্যতিক্রম। তারা এ বিষয়ে যায়দ ইবনু ছাবিত ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণিত হাদীসটি দলীলরূপে পেশ করেন। তাঁরা আরো বলেন, পাঁচ ওয়াসাকের কম পরিমাণ ক্ষেত্রে তা ক্রয় করতে হবে।
কতক আলিমের মতে এই বিধানটির তাৎপর্য হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে গরীব সাহাবীদেরকে অবকাশ দিতে চেয়েছেন। কারণ, তারা তাঁর কাছে আবেদন করে বলেছিল, শুকনা খেজুর ছাড়া তাজা খেজুর কিনার বিনিময়ে দেওয়ার মত আমাদের কিছু নাই (অথচ তাজা খেজুর খেতেও আমাদের মন চায়)। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওয়াসাকের কমে এ ভাবে (আরায়া ভিত্তিতে) তা ক্রয় করার অনুমতি দেন, তারা যাতে তাজা খেজুর আহার করতে পারে।
হাদিস নং: ১৩০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الحلواني الخلال، حدثنا ابو اسامة، عن الوليد بن كثير، حدثنا بشير بن يسار، مولى بني حارثة ان رافع بن خديج، وسهل بن ابي حثمة، حدثاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع المزابنة الثمر بالتمر الا لاصحاب العرايا فانه قد اذن لهم وعن بيع العنب بالزبيب وعن كل ثمر بخرصه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه .
১৩০৬. হাসান ইবনু আলী আল-খাললাল (রহঃ) ..... রাফি’ ইবনু খাদীজ ও সাহল ইবনু আবূ হাছমা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’আরায়া’ এর বিনিময়কারী-রা ব্যতীত মুযাবানা- শুকনা খেজুরের বদলে বৃক্ষে বিদ্যমাণ তাজা খেজুর বিক্রি করা নিষেধ করেছেন, তিনি ’’আরায়া’’ বিষয়টির অবশ্য তাদের জন্য অনুমতি দিয়েছেন। এমনিভাবে তিনি কিশমিশ (শুকনা আঙ্গুর)-এর বিনিময়ে তাজা আঙ্গুর বিক্রি করা এবং সব জাতীয় ফল তদনুমানে বিক্রি করা নিষেধ করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ সূত্রে গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ সূত্রে গারীব।
হাদিস নং: ১৩০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، واحمد بن منيع، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال قتيبة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تناجشوا " . قال وفي الباب عن ابن عمر وانس . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم . كرهوا النجش . قال ابو عيسى والنجش ان ياتي الرجل الذي يفصل السلعة الى صاحب السلعة فيستام باكثر مما تسوى وذلك عندما يحضره المشتري يريد ان يغتر المشتري به وليس من رايه الشراء انما يريد ان يخدع المشتري بما يستام وهذا ضرب من الخديعة . قال الشافعي وان نجش رجل فالناجش اثم فيما يصنع والبيع جاىز لان الباىع غير الناجش .
১৩০৭. কুতায়বা ও আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা ’’নাজশ’’ (ক্রেতাকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে দর) করবে না। - ইবনু মাজাহ ২১৭৪, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু উমার ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তাঁরা ’’নাজশ’’ জায়েয নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, নাজশ হলো এক ব্যক্তি এসে ক্রেতার সম্মুখে পন্য-মালিককে পন্য দেখিয়ে তা সমমূল্যের অতিরিক্ত মূল্যের প্রস্তাব দেয়। তার উদ্দেশ্য হলো, এতে ক্রেতা যেন প্রতারিত হয়। অথচ এই দর করার বেলায় তার নিজের ইচ্ছা নেই তা কিনার বরং তার উদ্দেশ্য হলো, তার মূল্য-প্রস্তাব শুনে ক্রেতা যেন ধোঁকায় পড়ে। এ বিষয়টিও হলো এক প্রকার প্রতারণা। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, নাজশ অবলম্বনকারী ব্যক্তি তার ক্রিয়া-কলাপের জন্য পাপী বলে গণ্য হবে তবে এ বিক্রি বৈধ হবে। কেননা, মূল বিক্রেতা তো নাজশকারী নয়।
এ বিষয়ে ইবনু উমার ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তাঁরা ’’নাজশ’’ জায়েয নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, নাজশ হলো এক ব্যক্তি এসে ক্রেতার সম্মুখে পন্য-মালিককে পন্য দেখিয়ে তা সমমূল্যের অতিরিক্ত মূল্যের প্রস্তাব দেয়। তার উদ্দেশ্য হলো, এতে ক্রেতা যেন প্রতারিত হয়। অথচ এই দর করার বেলায় তার নিজের ইচ্ছা নেই তা কিনার বরং তার উদ্দেশ্য হলো, তার মূল্য-প্রস্তাব শুনে ক্রেতা যেন ধোঁকায় পড়ে। এ বিষয়টিও হলো এক প্রকার প্রতারণা। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, নাজশ অবলম্বনকারী ব্যক্তি তার ক্রিয়া-কলাপের জন্য পাপী বলে গণ্য হবে তবে এ বিক্রি বৈধ হবে। কেননা, মূল বিক্রেতা তো নাজশকারী নয়।