হাদিস নং: ২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد الكريم بن ابي المخارق ابي امية، عن حسان بن بلال، قال رايت عمار بن ياسر توضا فخلل لحيته فقيل له او قال فقلت له اتخلل لحيتك قال وما يمنعني ولقد رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يخلل لحيته .
২৯. ইবনু আবী উমর (রহঃ) ..... হাসসান ইবনু বিলাল (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, আম্মার ইবনু ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু আনহু কে দেখলাম তিনি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করছেন। সে সময় তিনি দাড়ি খিলাল করলেন। আমি তাঁকে বললাম (বর্ণনান্তরে তাঁকে বলা হল), আপনি দাড়ি খিলাল করছেন? তিনি বললেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি দাড়ি খিলাল করতে দেখেছি। সূতরাং আমি তা থেকে বিরত থাকব কেন? - ইবনু মাজাহ ৪২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن حسان بن بلال، عن عمار، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال ابو عيسى وفي الباب عن عثمان وعاىشة وام سلمة وانس وابن ابي اوفى وابي ايوب . قال ابو عيسى وسمعت اسحاق بن منصور يقول قال احمد بن حنبل قال ابن عيينة لم يسمع عبد الكريم من حسان بن بلال حديث التخليل . وقال محمد بن اسماعيل اصح شيء في هذا الباب حديث عامر بن شقيق عن ابي واىل عن عثمان . قال ابو عيسى وقال بهذا اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم راوا تخليل اللحية . وبه يقول الشافعي . وقال احمد ان سها عن تخليل اللحية فهو جاىز . وقال اسحاق ان تركه ناسيا او متاولا اجزاه وان تركه عامدا اعاد .
৩০. ইবনু আবী ওমর (রহঃ) ....... সুফইয়ান সাঈদ ইবনু আবী আরুবা কাতাদা হাসসান ইবনু বিলাল (রহঃ) সূত্রেও হাদিসটির অনূরূপ রিওয়াত করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বিষয়ে উছমান, আয়িশা, উম্মু ছালাম, আনাস ইবনু আবী আওফা ও আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ইবনু উয়ায়না থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন হাসসান ইবনু বিলাল থেকে আবদুল করীম (রহঃ) খিলাল সম্পর্কিত হাদিসটি শুনেননি।
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী বলেন, এই বিষয়ে বর্ণিত হাদিস সমূহের মধ্যে আমির ইবনু শাকীক-আবু ওয়াইল উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, সাহাবী ও পরবর্তী যুগের অধিকাংশ আলিম দাড়ি খিলালের বিধান দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈও এই অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম আহমদ বলেন কেউ যদি দাড়ি খিলাল ভুলে যায় তবে তাতে অসুবিধা নেই, তা যায়েয। ইমাম ইসহাক বলেন, কেউ যদি ভুলে বা কোন ব্যাখার প্রেক্ষেিতে তা ছেড়ে দেয় তবে তাতে উযূ হয়ে যাবে। কিন্তু স্বেচ্ছায় যদি তা পরিত্যাগ করে তবে পুনারায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে।
আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বিষয়ে উছমান, আয়িশা, উম্মু ছালাম, আনাস ইবনু আবী আওফা ও আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ইবনু উয়ায়না থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন হাসসান ইবনু বিলাল থেকে আবদুল করীম (রহঃ) খিলাল সম্পর্কিত হাদিসটি শুনেননি।
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী বলেন, এই বিষয়ে বর্ণিত হাদিস সমূহের মধ্যে আমির ইবনু শাকীক-আবু ওয়াইল উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, সাহাবী ও পরবর্তী যুগের অধিকাংশ আলিম দাড়ি খিলালের বিধান দিয়েছেন। ইমাম শাফিঈও এই অভিমত ব্যাক্ত করেছেন। ইমাম আহমদ বলেন কেউ যদি দাড়ি খিলাল ভুলে যায় তবে তাতে অসুবিধা নেই, তা যায়েয। ইমাম ইসহাক বলেন, কেউ যদি ভুলে বা কোন ব্যাখার প্রেক্ষেিতে তা ছেড়ে দেয় তবে তাতে উযূ হয়ে যাবে। কিন্তু স্বেচ্ছায় যদি তা পরিত্যাগ করে তবে পুনারায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে হবে।
হাদিস নং: ৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، عن اسراىيل، عن عامر بن شقيق، عن ابي واىل، عن عثمان بن عفان، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يخلل لحيته . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১. ইয়হইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ..... উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাড়ি খিলাল করতেন। - ইবনু মাজাহ ৪৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن بن عيسى القزاز، حدثنا مالك بن انس، عن عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مسح راسه بيديه فاقبل بهما وادبر بدا بمقدم راسه ثم ذهب بهما الى قفاه ثم ردهما حتى رجع الى المكان الذي بدا منه ثم غسل رجليه . قال ابو عيسى وفي الباب عن معاوية والمقدام بن معديكرب وعاىشة . قال ابو عيسى حديث عبد الله بن زيد اصح شيء في هذا الباب واحسن وبه يقول الشافعي واحمد واسحاق .
৩২. ইসহাক ইবনু মূসা আল-আনসারী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাতে মাথা মাসেহ করেছেন। উভয় হাতকে সামনে ও পিছনে নিয়েছেন। মাথার সম্মুখ ভাগ থেকে শুরু করে হাত দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে গেছেন। এরপর হাত দুটি আবার যে স্থান থেকে শুরু করেছিলেন সেস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তারপর তাঁর দুই পা ধুয়েছেন। - ইবনু মাজাহ ৪৩৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে মু’আবিয়া, মিকদাম ইবনু মা’দীকারিব ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বলেন এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ ও উত্তম। ইমাম শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে মু’আবিয়া, মিকদাম ইবনু মা’দীকারিব ও আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই বলেন এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি সবচেয়ে সহীহ ও উত্তম। ইমাম শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৩
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بشر بن المفضل، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الربيع بنت معوذ بن عفراء، ان النبي صلى الله عليه وسلم مسح براسه مرتين بدا بموخر راسه ثم بمقدمه وباذنيه كلتيهما ظهورهما وبطونهما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن وحديث عبد الله بن زيد اصح من هذا واجود اسنادا . وقد ذهب بعض اهل الكوفة الى هذا الحديث منهم وكيع بن الجراح .
৩৩. কুতায়বা (রহঃ) ..... রুবায়্যি বিনত মু’আববিয ইবনু ’আফরা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা দুইবার মাসেহ করেন। তিনি মাথার পিছন থেকে শুরু করেন পরে সম্মুখ ভাগে তা শেষ করেন এবং কানের সম্মুখ ও পিছন উভয় ভাগও মাসেহ করেন। - ইবনু মাজাহ ৩৯০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান। এর তুলনায় আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি অধিক সহীহ ও উত্তম। ওয়াকী’ ইবনুল জাররাহ এর মত কূফাবাসী আলেমদের কেউ কেউ এই হাদিস অনুসারে অভিমত ব্যাক্ত করে থাকেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান। এর তুলনায় আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদিসটি অধিক সহীহ ও উত্তম। ওয়াকী’ ইবনুল জাররাহ এর মত কূফাবাসী আলেমদের কেউ কেউ এই হাদিস অনুসারে অভিমত ব্যাক্ত করে থাকেন।
হাদিস নং: ৩৪
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا بكر بن مضر، عن ابن عجلان، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الربيع بنت معوذ بن عفراء، انها رات النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا قالت مسح راسه ومسح ما اقبل منه وما ادبر وصدغيه واذنيه مرة واحدة " . قال وفي الباب عن علي وجد طلحة بن مصرف بن عمرو . قال ابو عيسى وحديث الربيع حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن النبي صلى الله عليه وسلم انه مسح براسه مرة . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم . وبه يقول جعفر بن محمد وسفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق راوا مسح الراس مرة واحدة . حدثنا محمد بن منصور المكي قال سمعت سفيان بن عيينة يقول سالت جعفر بن محمد عن مسح الراس ايجزى مرة فقال اي والله .
৩৪. কুতায়বা (রহঃ) ..... রুবায়্যি’ বিনত মুআববিয ইবনু ’আফরা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখেছেন। রুবায়্য’ বলেন, তিনি তাঁর মাথার সম্মুখ ভাগ ও পশ্চাৎ,কানপট্টি এবং তাঁর দুইকান একবার মাসেহ করলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ’আলী এবং তালহা ইবনু মূসাররিফ ইবনু আমরের পিতামহ থেকেও হাদিস বার্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন রুবায়্যি’ বর্ণিত হাদিসটি হাসান এবং সহীহ। একধিক ভাবে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা একবার মাসেহ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও পরবর্তী আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে মত ব্যক্ত করেছন। ইমাম জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদ, সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক ও মাথা মাসহ(মাসেহ) একবার করার মত পোষণ করেন। মুহাম্মদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মাসসূর (রহঃ) বলেন যে, আমি শুনেছি সুফইয়ান ইবনু উয়ায়না বলেন, আমি জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, একবার মাথা মাসেহ করলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম।
এই বিষয়ে ’আলী এবং তালহা ইবনু মূসাররিফ ইবনু আমরের পিতামহ থেকেও হাদিস বার্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন রুবায়্যি’ বর্ণিত হাদিসটি হাসান এবং সহীহ। একধিক ভাবে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা একবার মাসেহ করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী ও পরবর্তী আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে মত ব্যক্ত করেছন। ইমাম জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদ, সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারাক, শাফিঈ, আহমদ এবং ইসহাক ও মাথা মাসহ(মাসেহ) একবার করার মত পোষণ করেন। মুহাম্মদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মাসসূর (রহঃ) বলেন যে, আমি শুনেছি সুফইয়ান ইবনু উয়ায়না বলেন, আমি জা’ফর ইবনু মুহাম্মাদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, একবার মাথা মাসেহ করলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম।
হাদিস নং: ৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، عن حبان بن واسع، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم توضا وانه مسح راسه بماء غير فضل يديه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروى ابن لهيعة هذا الحديث عن حبان بن واسع عن ابيه عن عبد الله بن زيد ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا وانه مسح راسه بماء غبر من فضل يديه " . ورواية عمرو بن الحارث عن حبان اصح لانه قد روي من غير وجه هذا الحديث عن عبد الله بن زيد وغيره ان النبي صلى الله عليه وسلم اخذ لراسه ماء جديدا . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم راوا ان ياخذ لراسه ماء جديدا .
৩৫. ’আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে লেগে থাকা পানি ছাড়াও অন্য পানি নিয়ে সে সময় তাঁর মাথা মাসেহ করলেন। - সহিহ আবু দাউদ ১১১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান ও সহিহ। ইবনু লাহী’আ ও হাববান এর সনদে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে থাকা পানি দিয়ে মাসেহ করে উযূ করেছেন। হাব্বানের সূত্রে ’আমর ইবনু হারিছ বর্ণিত হাদিসটি (যা এই অনুচ্ছেদের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে) অধিকতর সহীহ। কেননা, একধিক সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ প্রমুখ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি নিয়েছেন। অধিকাংশ আলিম এই হাদিস অনুসারে মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি গ্রহণের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান ও সহিহ। ইবনু লাহী’আ ও হাববান এর সনদে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়াত করেছেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতে থাকা পানি দিয়ে মাসেহ করে উযূ করেছেন। হাব্বানের সূত্রে ’আমর ইবনু হারিছ বর্ণিত হাদিসটি (যা এই অনুচ্ছেদের শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে) অধিকতর সহীহ। কেননা, একধিক সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ প্রমুখ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি নিয়েছেন। অধিকাংশ আলিম এই হাদিস অনুসারে মাথা মাসেহ -এর জন্য নতুন পানি গ্রহণের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৬
হাসান (Hasan)
حدثنا هناد، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم مسح براسه واذنيه ظاهرهما وباطنهما . قال ابو عيسى وفي الباب عن الربيع . قال ابو عيسى وحديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم يرون مسح الاذنين ظهورهما وبطونهما .
৩৬. হান্নাদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা এবং পশ্চাৎ ও সম্মুখ ভাগসহ কান মাসেহ করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৪৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে রুবায়্যি’ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে ওহাদিস বার্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে কানের সম্মুখ ও পিছন ভাগ মাসেহ করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এই বিষয়ে রুবায়্যি’ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে ওহাদিস বার্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। আলিমদের অধিকাংশ এই হাদিস অনুসারে কানের সম্মুখ ও পিছন ভাগ মাসেহ করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن سنان بن ربيعة، عن شهر بن حوشب، عن ابي امامة، قال توضا النبي صلى الله عليه وسلم فغسل وجهه ثلاثا ويديه ثلاثا ومسح براسه وقال " الاذنان من الراس " . قال ابو عيسى قال قتيبة قال حماد لا ادري هذا من قول النبي صلى الله عليه وسلم او من قول ابي امامة . قال وفي الباب عن انس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن ليس اسناده بذاك القاىم . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم ان الاذنين من الراس . وبه يقول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق . وقال بعض اهل العلم ما اقبل من الاذنين فمن الوجه وما ادبر فمن الراس . قال اسحاق واختار ان يمسح مقدمهما مع الوجه وموخرهما مع راسه . وقال الشافعي هما سنة على حيالهما يمسحهما بماء جديد .
৩৭. কুতায়াবা (রহঃ) ..... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার সময় তাঁর চেহারা ও হাত তিনবার ধৌত করলেন মাথা মাসেহ করলেন। পরে বললেন, কানের সম্পর্ক মাথার সাথে। - ইবনু মাজাহ ৪৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, কুতায়বা রিওয়ায়াত করেন যে, হাম্মাদ বলেনছেন, ’’কানের সম্পর্ক মাথার সাথে’’ এই কথাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি না আবূ উমামার উক্তি তা আমি জানি না। এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসের সনদটি তেমন প্রতিষ্ঠিত নয়। সাহাবী ও পরবর্তীদের অধিকাংশই এই হাদিসটির অনুসরণে অভিমত দিয়েছেন যে, কানের সম্পর্ক মাথার সাথে। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকারে বক্তব্যও এ-ই। আলিমদের কেউ কেউ বলেছেন, কানের সামনের অংশের হল চেহারার সাথে আর পিছনের অংশের সম্বন্ধ হল মাথার সাথে। ইসাহাক বলেন, কানের সামনের অংশ চেহারার সথে এবং পিছনের অংশ মাথার সাথে মাসহ(মাসেহ) করা আমার নিকট পছন্দনীয়। ইমাম শাফি’ঈ (রহঃ) বলেন এ হল তাদের অবস্থান অনুসারে স্বতন্ত্র সুন্নত। নতুন করে পানি নিয়ে এ দুটোর মাসেহ করা হবে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন, কুতায়বা রিওয়ায়াত করেন যে, হাম্মাদ বলেনছেন, ’’কানের সম্পর্ক মাথার সাথে’’ এই কথাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি না আবূ উমামার উক্তি তা আমি জানি না। এই বিষয়ে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসের সনদটি তেমন প্রতিষ্ঠিত নয়। সাহাবী ও পরবর্তীদের অধিকাংশই এই হাদিসটির অনুসরণে অভিমত দিয়েছেন যে, কানের সম্পর্ক মাথার সাথে। সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকারে বক্তব্যও এ-ই। আলিমদের কেউ কেউ বলেছেন, কানের সামনের অংশের হল চেহারার সাথে আর পিছনের অংশের সম্বন্ধ হল মাথার সাথে। ইসাহাক বলেন, কানের সামনের অংশ চেহারার সথে এবং পিছনের অংশ মাথার সাথে মাসহ(মাসেহ) করা আমার নিকট পছন্দনীয়। ইমাম শাফি’ঈ (রহঃ) বলেন এ হল তাদের অবস্থান অনুসারে স্বতন্ত্র সুন্নত। নতুন করে পানি নিয়ে এ দুটোর মাসেহ করা হবে।
হাদিস নং: ৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، وهناد، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ابي هاشم، عن عاصم بن لقيط بن صبرة، عن ابيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا توضات فخلل الاصابع " . قال وفي الباب عن ابن عباس والمستورد وهو ابن شداد الفهري وابي ايوب الانصاري . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم انه يخلل اصابع رجليه في الوضوء . وبه يقول احمد واسحاق . وقال اسحاق يخلل اصابع يديه ورجليه في الوضوء . وابو هاشم اسمه اسماعيل بن كثير المكي .
৩৮. কুতায়বা ও হান্নাদ (রহঃ) ..... লাকীত ইবনু সবিরা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করবে অঙ্গুলী খিলাল করবে। - ইবনু মাজাহ ৪৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, মুস্তাওরিদ (তিনি হলেন, ইবনু শাদ্দাদ আল-ফিহরী) এবং আবূ আয়্যূব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে উযূর সময় পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করার বিধান দিয়েছেন। আহমদ, ইসহাকও এই অভিমত পোষণ করেন। ইসহাক বলেন, উযূর সময় হাত ও পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করা হবে। রাবী আবূ হাশিমের নাম ইসমাঈল ইবনু কাছীর আল-মাক্কী।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, মুস্তাওরিদ (তিনি হলেন, ইবনু শাদ্দাদ আল-ফিহরী) এবং আবূ আয়্যূব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে উযূর সময় পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করার বিধান দিয়েছেন। আহমদ, ইসহাকও এই অভিমত পোষণ করেন। ইসহাক বলেন, উযূর সময় হাত ও পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করা হবে। রাবী আবূ হাশিমের নাম ইসমাঈল ইবনু কাছীর আল-মাক্কী।
হাদিস নং: ৩৯
হাসান (Hasan)
حدثنا ابراهيم بن سعيد، هو الجوهري حدثنا سعد بن عبد الحميد بن جعفر، حدثنا عبد الرحمن بن ابي الزناد، عن موسى بن عقبة، عن صالح، مولى التوامة عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا توضات فخلل بين اصابع يديك ورجليك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৩৯. ইবরাহীম ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার সময় তোমার হাত ও পায়ের অঙ্গুলী খিলাল করবে। - ইবনু মাজাহ ৪৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইামাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান ও গরীব।
ইামাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান ও গরীব।
হাদিস নং: ৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابن لهيعة، عن يزيد بن عمرو، عن ابي عبد الرحمن الحبلي، عن المستورد بن شداد الفهري، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم اذا توضا دلك اصابع رجليه بخنصره . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ابن لهيعة .
৪০. কুতায়বা (রহঃ) ..... মুসতাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ ফিহরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার সময় কনিষ্ঠ অঙ্গুলী দিয়ে পায়ের অঙ্গুলী মলতে দেখেছি। - ইবনু মাজাহ ৪৪৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু লাহী’আ ছাড়া আর কারো সনদে হাদিসটি পরিচিত নয়।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু লাহী’আ ছাড়া আর কারো সনদে হাদিসটি পরিচিত নয়।
হাদিস নং: ৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، قال حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ويل للاعقاب من النار " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وعاىشة وجابر وعبد الله بن الحارث هو ابن جزء الزبيدي ومعيقيب وخالد بن الوليد وشرحبيل بن حسنة وعمرو بن العاص ويزيد بن ابي سفيان . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " ويل للاعقاب وبطون الاقدام من النار " . قال وفقه هذا الحديث انه لا يجوز المسح على القدمين اذا لم يكن عليهما خفان او جوربان .
৪১. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, অযূতে যাদের গোড়ালী ভিজেনি তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। - বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ’আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আয়িশা, জাবির ইবনু আবদিল্লাহ, আবদুল্লাহ ইবনুল হারিছ, (ইনি হলেন ইবনু জায আয্-যুবায়দী), মু’আয়কীব, খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ, শুরাহবীল ইবনু হাসান, আমর ইবনুল আস, ইয়াযিদ ইবনু আবী সুফইয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন গোড়ালি এবং পায়ের পাতা যাদের ভিজেনি তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। হাদিসটির মর্ম হল পায়ে চামড়ার মোযা কাপড়ের মোটা শক্ত মোযা না থাকলে পায়ে মাসেহ করা জায়েয নয়।
এই বিষয়ে ’আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আয়িশা, জাবির ইবনু আবদিল্লাহ, আবদুল্লাহ ইবনুল হারিছ, (ইনি হলেন ইবনু জায আয্-যুবায়দী), মু’আয়কীব, খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ, শুরাহবীল ইবনু হাসান, আমর ইবনুল আস, ইয়াযিদ ইবনু আবী সুফইয়ান রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন গোড়ালি এবং পায়ের পাতা যাদের ভিজেনি তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। হাদিসটির মর্ম হল পায়ে চামড়ার মোযা কাপড়ের মোটা শক্ত মোযা না থাকলে পায়ে মাসেহ করা জায়েয নয়।
হাদিস নং: ৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، وهناد، وقتيبة، قالوا حدثنا وكيع، عن سفيان، ح قال وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، قال حدثنا سفيان، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا مرة مرة . قال ابو عيسى وفي الباب عن عمر وجابر وبريدة وابي رافع وابن الفاكه . قال ابو عيسى وحديث ابن عباس احسن شيء في هذا الباب واصح . وروى رشدين بن سعد وغيره هذا الحديث عن الضحاك بن شرحبيل عن زيد بن اسلم عن ابيه عن عمر بن الخطاب ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا مرة مرة . قال وليس هذا بشيء والصحيح ما روى ابن عجلان وهشام بن سعد وسفيان الثوري وعبد العزيز بن محمد عن زيد بن اسلم عن عطاء بن يسار عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৪২. আবূ কুরায়ব, হান্নাদ, কুবায়বা ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি অঙ্গ একবার একবার করে ধুয়ে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৪১১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমর, জাবির, বুরায়দা, আবূ রাফি, ইবনুল ফকিহ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। যাহহাক ইবনু শুরাহবীলের সূত্রে রিশদ্বীন ইবনু সা’দ ইবনু সা’দ প্রমুখ উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি অঙ্গ এক একবার ধুয়ে উযূ করেছেন। তবে এই রিওয়ায়াতটি তেমন শুদ্ধ নয়। সহীহ হল সেটি, যেটি ইবনু আজনাল, হিশাম ইবনু সা,দ সুফইয়ান ছাওরী, আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে উমর, জাবির, বুরায়দা, আবূ রাফি, ইবনুল ফকিহ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। যাহহাক ইবনু শুরাহবীলের সূত্রে রিশদ্বীন ইবনু সা’দ ইবনু সা’দ প্রমুখ উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি অঙ্গ এক একবার ধুয়ে উযূ করেছেন। তবে এই রিওয়ায়াতটি তেমন শুদ্ধ নয়। সহীহ হল সেটি, যেটি ইবনু আজনাল, হিশাম ইবনু সা,দ সুফইয়ান ছাওরী, আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৪৩
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، ومحمد بن رافع، قالا حدثنا زيد بن حباب، عن عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، قال حدثني عبد الله بن الفضل، عن عبد الرحمن بن هرمز، هو الاعرج عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا مرتين مرتين . قال ابو عيسى وفي الباب عن جابر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ابن ثوبان عن عبد الله بن الفضل وهو اسناد حسن صحيح . قال ابو عيسى وقد روى همام عن عامر الاحول عن عطاء عن ابي هريرة ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا ثلاثا ثلاثا " .
৪৩. আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, প্রতিটি অঙ্গ দুইবার করে ধুয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেছেন। - সহিহ আবু দাউদ ১২৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিজি (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু ছাওবান (রহঃ) আবূদল্লাহ ইবনু ফাযল (রহঃ) এর সনদ ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এটি বর্ণিত আছে কি না আমাদের জানা নেই। এই সনদটি হাসান ও সহীহ। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করে উযূ করেছেন বলেও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়াত রয়েছে।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিজি (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু ছাওবান (রহঃ) আবূদল্লাহ ইবনু ফাযল (রহঃ) এর সনদ ছাড়া অন্য কোন সূত্রে এটি বর্ণিত আছে কি না আমাদের জানা নেই। এই সনদটি হাসান ও সহীহ। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করে উযূ করেছেন বলেও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়াত রয়েছে।
হাদিস নং: ৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن ابي اسحاق، عن ابي حية، عن علي، ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا ثلاثا ثلاثا . قال ابو عيسى وفي الباب عن عثمان وعاىشة والربيع وابن عمر وابي امامة وابي رافع وعبد الله بن عمرو ومعاوية وابي هريرة وجابر وعبد الله بن زيد وابى بن كعب . قال ابو عيسى حديث علي احسن شيء في هذا الباب واصح لانه قد روي من غير وجه عن علي رضوان الله عليه . والعمل على هذا عند عامة اهل العلم ان الوضوء يجزى مرة مرة ومرتين افضل وافضله ثلاث وليس بعده شيء . وقال ابن المبارك لا امن اذا زاد في الوضوء على الثلاث ان ياثم . وقال احمد واسحاق لا يزيد على الثلاث الا رجل مبتلى .
৪৪. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ..... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি অঙ্গ তিনবার করে ধুয়ে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেছেন। - সহিহ আবু দাউদ ১০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ’উছমান, আয়িশা, রুবায়্যি, ইবনু উমর, আবূ উমামা, আবূ রাফি’, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, মু’আবিয়া, আবূ হুরায়বা, জাবির, আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ, উবাই ইবনু কা’ব (আবূ যাবরা) (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে। সাধারণভাবে আলিম ও ফকীহগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেন। প্রতিটি অঙ্গ একবার করে ধোয়া যথেষ্ট, দুইবার করে ধোয়া উত্তম আর সর্বোত্তম হল তিনবার করে ধোয়া। এই বিষয়ে এরপর আর কিছু করণীয় নেই। ইবনু মুবারাক বলেন, তিনবার থেকেও বেশী যদি কেউ ধোয় সে গোনাহগার হবে না বলে আমার মনে হয় না। ইমাম আহমদ ও ইসাহাক (রহঃ) বলেন সন্দেহ প্রবণ লোক ছাড়া তিনবারের অতিরিক্ত কেউ ধোয় না।
এই বিষয়ে ’উছমান, আয়িশা, রুবায়্যি, ইবনু উমর, আবূ উমামা, আবূ রাফি’, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, মু’আবিয়া, আবূ হুরায়বা, জাবির, আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ, উবাই ইবনু কা’ব (আবূ যাবরা) (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে। সাধারণভাবে আলিম ও ফকীহগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেন। প্রতিটি অঙ্গ একবার করে ধোয়া যথেষ্ট, দুইবার করে ধোয়া উত্তম আর সর্বোত্তম হল তিনবার করে ধোয়া। এই বিষয়ে এরপর আর কিছু করণীয় নেই। ইবনু মুবারাক বলেন, তিনবার থেকেও বেশী যদি কেউ ধোয় সে গোনাহগার হবে না বলে আমার মনে হয় না। ইমাম আহমদ ও ইসাহাক (রহঃ) বলেন সন্দেহ প্রবণ লোক ছাড়া তিনবারের অতিরিক্ত কেউ ধোয় না।
হাদিস নং: ৪৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا اسماعيل بن موسى الفزاري، حدثنا شريك، عن ثابت بن ابي صفية، قال قلت لابي جعفر حدثك جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا مرة مرة ومرتين مرتين وثلاثا ثلاثا قال نعم .
৪৫. ইসমাঈল ইবনু মূসা আল-ফাযারী (রহঃ) ..... ছাবিত ইবন সাফিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি আবূ জা’ফারকে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার করে ধুয়ে, দুইবার করে ধুয়ে এবং তিনবার করে ধুয়েও উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেছেন বলে জাবার রাদিয়াল্লাহু আনহু কি আপনাকে হাদিস শুনিয়েছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ। - ইবনু মাজাহ ৪১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৪৬
সহিহ (Sahih)
قال ابو عيسى وروى وكيع، هذا الحديث عن ثابت بن ابي صفية، قال قلت لابي جعفر حدثك جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا مرة مرة قال نعم . حدثنا بذلك هناد وقتيبة قالا حدثنا وكيع عن ثابت بن ابي صفية . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث شريك لانه قد روي من غير وجه هذا عن ثابت نحو رواية وكيع . وشريك كثير الغلط وثابت بن ابي صفية
৪৬. ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, ছাবিত ইবনু আবী সাফিয়্যার সূত্রে ওয়াকী’ও এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। ছবিত বলেন আমি আবূ জফর’ কে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার করে অঙ্গ সমূহ ধুয়ে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করেছেন বলে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু কি আপনাকে হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন শারীকের সূত্রে ছাবিত ইবনু আবী সাফিয়্যা বর্ণিত হাদিসটির তুলনায় এটি অধিকতর শুদ্ধ। কেননা ওয়াতকী’-এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ আরো অনেকেই ছাবিত থেকে এই হাদিস বর্ণনা করেছেন। আর শারীক বহু ভুল করেন। ছাবিত ইবনু আবী সাফিয়্যা হলেন আবূ হামযা ছুমালী।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন শারীকের সূত্রে ছাবিত ইবনু আবী সাফিয়্যা বর্ণিত হাদিসটির তুলনায় এটি অধিকতর শুদ্ধ। কেননা ওয়াতকী’-এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ আরো অনেকেই ছাবিত থেকে এই হাদিস বর্ণনা করেছেন। আর শারীক বহু ভুল করেন। ছাবিত ইবনু আবী সাফিয়্যা হলেন আবূ হামযা ছুমালী।
হাদিস নং: ৪৭
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا محمد بن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا فغسل وجهه ثلاثا وغسل يديه مرتين مرتين ومسح براسه وغسل رجليه مرتين . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح . وقد ذكر في غير حديث ان النبي صلى الله عليه وسلم توضا بعض وضوىه مرة وبعضه ثلاثا . وقد رخص بعض اهل العلم في ذلك لم يروا باسا ان يتوضا الرجل بعض وضوىه ثلاثا وبعضه مرتين او مرة .
৪৭. ইবনু আবী উমর (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে গিয়ে মুখ তিনবার ধৌত করলেন, দুই হাত দুইবার ধৌত করলেন আর মাথা মাসেহ করলেন ও দুই পা দুইবার করে ধৌত করলেন। - "দুই পা দুইবার করে ধৌত করলেন" অংশটি শাজ। আবু দাউদ ১০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসনা ও সহীহ। একাধিক হাদীছে এই কথার উল্লেখ আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু)-তে কিছু অঙ্গ একবার করে এবং কিছু অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করেছেন। আলিমদের কেউ কেউ এই কথার অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা উযূতে কিছু অঙ্গ তিনবার, কিছু অঙ্গ দুইবার বা একবার করে ধৌত করায় কোন অসুবিধা আছে বলে মনে করেন না।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসনা ও সহীহ। একাধিক হাদীছে এই কথার উল্লেখ আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ (ওজু/অজু/অযু)-তে কিছু অঙ্গ একবার করে এবং কিছু অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করেছেন। আলিমদের কেউ কেউ এই কথার অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা উযূতে কিছু অঙ্গ তিনবার, কিছু অঙ্গ দুইবার বা একবার করে ধৌত করায় কোন অসুবিধা আছে বলে মনে করেন না।
হাদিস নং: ৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، وقتيبة، قالا حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن ابي حية، قال رايت عليا توضا فغسل كفيه حتى انقاهما ثم مضمض ثلاثا واستنشق ثلاثا وغسل وجهه ثلاثا وذراعيه ثلاثا ومسح براسه مرة ثم غسل قدميه الى الكعبين ثم قام فاخذ فضل طهوره فشربه وهو قاىم ثم قال احببت ان اريكم كيف كان طهور رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى وفي الباب عن عثمان وعبد الله بن زيد وابن عباس وعبد الله بن عمرو والربيع وعبد الله بن انيس وعاىشة رضوان الله عليهم .
৪৮. হান্নাদ ও কুতায়বা ..... আবূ হায়্যা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে একদিন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখলাম। তিনি প্রথমে কবজি পর্যন্ত দুই হাত খুব পরিস্কার করে ধুইলেন। পরে তিনবার কুলী করলেন, তিনবার নাকে পানি দিলেন, তিনবার চেহারা ধুইলেন, দুই হাত তিনবার ধুইলেন, একবার মাথা মাসেহ করলেন এবং গোড়ালির হাড্ডি পর্যন্ত দু্ পা ধুইলেন, তারপর তিনি দাঁড়ালেন এবং উযূর অবশিষ্ট পানি নিয়ে তা দাঁড়িয়েই পান করলেন এবং বললেন আমার মনে ইচ্ছা জাগল যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্রতা অর্জনের পদ্ধতি কি ছিল তা তোমাদের দেখাই। - সহিহ আবু দাউদ ১০১-১০৫, বুখারি সংক্ষেপিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উছমান, আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আয়িশা, রুবায়্যি’ এবং আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদিস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে উছমান, আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আয়িশা, রুবায়্যি’ এবং আবদুল্লাহ ইবনু উনায়স রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদিস বর্ণিত আছে।