হাদিস নং: ৭২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، والاسود، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل ويباشر وهو صاىم وكان املككم لاربه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو ميسرة اسمه عمرو بن شرحبيل . ومعنى لاربه لنفسه .
৭২৭. হান্নাদ (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সায়িম অবস্থায় চুম্বন করতেন এবং আলিঙ্গন করতেন। আর তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রনে তোমাদের চেয়ে বেশী সক্ষম ছিলেন। - ইবনু মাজাহ ১৬৭৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ। রাবী আবূ মায়সারা (রহঃ) এর নাম হলো আমর ইবনু শুরাহবীল। হাদীছোক্ত لإِرْبِهِ শব্দ অর্থ হল ’তার নিজের উপর’।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ। রাবী আবূ মায়সারা (রহঃ) এর নাম হলো আমর ইবনু শুরাহবীল। হাদীছোক্ত لإِرْبِهِ শব্দ অর্থ হল ’তার নিজের উপর’।
হাদিস নং: ৭২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا ابن ابي مريم، اخبرنا يحيى بن ايوب، عن عبد الله بن ابي بكر، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن ابيه، عن حفصة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من لم يجمع الصيام قبل الفجر فلا صيام له " . قال ابو عيسى حديث حفصة حديث لا نعرفه مرفوعا الا من هذا الوجه . وقد روي عن نافع عن ابن عمر قوله وهو اصح وهكذا ايضا روي هذا الحديث عن الزهري موقوفا ولا نعلم احدا رفعه الا يحيى بن ايوب . وانما معنى هذا عند اهل العلم لا صيام لمن لم يجمع الصيام قبل طلوع الفجر في رمضان او في قضاء رمضان او في صيام نذر اذا لم ينوه من الليل لم يجزه واما صيام التطوع فمباح له ان ينويه بعد ما اصبح وهو قول الشافعي واحمد واسحاق .
৭২৮. ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ...... হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের পূর্বেই যে ব্যক্তি সিয়ামের সিদ্ধান্ত না নেয় তার সিয়ামই নেই। - ইবনু মাজাহ ১৭০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই সূত্র ছাড়া হাফসা (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটির মারফু হওয়া সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। নাফি’ থেকে ইবনু উমার (রাঃ) এর উক্তি হিসাবে এই হাদিসটি বর্ণিত আছে। আর এটই অধিকতর সহীহ। কোন কোন আলিমের মতে এই হাদিসটির অর্থ হল, রামাযানের সিয়াম বা কাযা বা মানতের সিয়াম হলে রাত থেকে অর্থাৎ ফজর উদিত হওয়ার পূর্বেই যদি কেউ নিয়াত না করে তবে তার সিয়াম হবে না। কিন্তু নফল সিয়ামের ক্ষেত্রে ভোর হওয়ার পর নিয়াত করা তার জন্য মুবাহ ও জায়েয। এ হল ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই সূত্র ছাড়া হাফসা (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটির মারফু হওয়া সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। নাফি’ থেকে ইবনু উমার (রাঃ) এর উক্তি হিসাবে এই হাদিসটি বর্ণিত আছে। আর এটই অধিকতর সহীহ। কোন কোন আলিমের মতে এই হাদিসটির অর্থ হল, রামাযানের সিয়াম বা কাযা বা মানতের সিয়াম হলে রাত থেকে অর্থাৎ ফজর উদিত হওয়ার পূর্বেই যদি কেউ নিয়াত না করে তবে তার সিয়াম হবে না। কিন্তু নফল সিয়ামের ক্ষেত্রে ভোর হওয়ার পর নিয়াত করা তার জন্য মুবাহ ও জায়েয। এ হল ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ৭২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن ابن ام هانى، عن ام هانى، قالت كنت قاعدة عند النبي صلى الله عليه وسلم فاتي بشراب فشرب منه ثم ناولني فشربت منه فقلت اني اذنبت فاستغفر لي . فقال " وما ذاك " . قالت كنت صاىمة فافطرت . فقال " امن قضاء كنت تقضينه " . قالت لا . قال " فلا يضرك " . قال وفي الباب عن ابي سعيد وعاىشة .
৭২৯. কুতারায় (রহঃ) ..... উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসা ছিলাম। তখন তাঁর নিকট কিছু শরবত এল। তিনি এ থেকে পান করলেন। এরপর আমাকে তা দিলেন। আমিও তা থেকে কিছু পান করলাম। তারপর আমি বললাম, আমি তো অপরাধ করে ফেলেছি। আপনি আমার ক্ষমার জন্য দোয়া করুন। তিনি বললেনঃ তা কী? বললাম, আমি তো সায়িম ছিলাম, তা ভেঙ্গে ফেলেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কোনা কাযা আদায় করছিলে? তিনি বললেন, না তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে এতে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। - তাখরীজুল মিশকাত ২০৭৯, সহিহ আবু দাউদ ২১২০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৭৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، قال كنت اسمع سماك بن حرب يقول احد ابنى ام هانى حدثني فلقيت، انا افضلهما، وكان، اسمه جعدة وكانت ام هانى جدته فحدثني عن جدته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها فدعى بشراب فشرب ثم ناولها فشربت فقالت يا رسول الله اما اني كنت صاىمة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الصاىم المتطوع امين نفسه ان شاء صام وان شاء افطر " . قال شعبة فقلت له اانت سمعت هذا من ام هانى قال لا اخبرني ابو صالح واهلنا عن ام هانى . وروى حماد بن سلمة هذا الحديث عن سماك بن حرب فقال عن هارون ابن بنت ام هانى عن ام هانى . ورواية شعبة احسن . هكذا حدثنا محمود بن غيلان عن ابي داود فقال " امين نفسه " . وحدثنا غير محمود عن ابي داود فقال " امير نفسه او امين نفسه " . على الشك وهكذا روي من غير وجه عن شعبة " امين او امير نفسه " على الشك . قال وحديث ام هانى في اسناده مقال . والعمل عليه عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ان الصاىم المتطوع اذا افطر فلا قضاء عليه الا ان يحب ان يقضيه . وهو قول سفيان الثوري واحمد واسحاق والشافعي .
৭৩০. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রাঃ) ..... উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একবার রাসূল্লুাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে আসেন এবং পানি নিয়ে আনতে ডাকলেন। তিনি তা থেকে পান করলেন, তারপর উম্মে হানীকে দিলেন; তিনিও পান করলেন। পরে উম্মে হানী (রাঃ) বললেন- ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি তো সাওম পালনকারী ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নফল সিয়াম পালনকারী নিজের আমানতদার; ইচ্ছা করলে সিয়াম পালন করতে পারে আর ইচ্ছা করলে তা ভঙ্গও করতে পারে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(রাবী) শুবা বলেন যে, আমি জা’দাকে বললাম, আপনি নিজে উম্মু হানী (রাঃ) থেকে এই হাদিসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, না। আবূ সালীহ ও আমাদের পরিবারের লোকজন উম্মু হানী (রাঃ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবনু সালামা এই হাদিসটিকে সিমাক- উম্মু হানী দৌহিত্র হারুন উম্মুহানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। শু’বা-এর রিওয়াতটি অধিক হাসান। মাহমুদ ইবনু গায়লান এটিকে আবূ দাউদ সূত্রে রিওয়াত করেছেন। তিনি এতে বলেছেন امين نفسه ’’সিয়াম পালনকারী নিজেই নিজের আমানতদার’ মাহমুদ ছাড়া অন্যান্য রাবীগণ আবূ দাউদ সূত্রে সন্দেহ পোষণ করেন রিওয়ায়াত করেছেন او امين نفسه، أمير نفسه ’’সিয়াম পালনকারী নিজেই নিজের উপর ক্ষমতাবান অথবা নিজেই নিজেদের আমানতদার’। শুবা (রহঃ) থেকে ও তদ্রুপ দ্বিধার সঙ্গে একাধিক সূত্রে أمير او امين نفسه রূপে বর্ণিত আছে। উম্মু হানী (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটির সনদ সম্পর্কে বিরূপ বক্তব্য রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আহলে ইলম কোন কোন সাহাবী ও অন্যান্য আলিমদের এ হাদিস অনুসারে আমল রয়েছে যে, নফল সিয়াম পালনকারী যদি তা ভঙ্গ করে ফেলে তবে তার উপর কাযা নেই। তবে ইচ্ছা করলে (মুস্তাহাব হিসাবে) কাযা আদায় করতে পারে। এ হলো সুফিয়ানী সাওরী, আহমাদ, ইসহাক ও শাফিঈ (রাঃ) এর অভিমত।
(রাবী) শুবা বলেন যে, আমি জা’দাকে বললাম, আপনি নিজে উম্মু হানী (রাঃ) থেকে এই হাদিসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, না। আবূ সালীহ ও আমাদের পরিবারের লোকজন উম্মু হানী (রাঃ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবনু সালামা এই হাদিসটিকে সিমাক- উম্মু হানী দৌহিত্র হারুন উম্মুহানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। শু’বা-এর রিওয়াতটি অধিক হাসান। মাহমুদ ইবনু গায়লান এটিকে আবূ দাউদ সূত্রে রিওয়াত করেছেন। তিনি এতে বলেছেন امين نفسه ’’সিয়াম পালনকারী নিজেই নিজের আমানতদার’ মাহমুদ ছাড়া অন্যান্য রাবীগণ আবূ দাউদ সূত্রে সন্দেহ পোষণ করেন রিওয়ায়াত করেছেন او امين نفسه، أمير نفسه ’’সিয়াম পালনকারী নিজেই নিজের উপর ক্ষমতাবান অথবা নিজেই নিজেদের আমানতদার’। শুবা (রহঃ) থেকে ও তদ্রুপ দ্বিধার সঙ্গে একাধিক সূত্রে أمير او امين نفسه রূপে বর্ণিত আছে। উম্মু হানী (রাঃ) বর্ণিত এই হাদীসটির সনদ সম্পর্কে বিরূপ বক্তব্য রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আহলে ইলম কোন কোন সাহাবী ও অন্যান্য আলিমদের এ হাদিস অনুসারে আমল রয়েছে যে, নফল সিয়াম পালনকারী যদি তা ভঙ্গ করে ফেলে তবে তার উপর কাযা নেই। তবে ইচ্ছা করলে (মুস্তাহাব হিসাবে) কাযা আদায় করতে পারে। এ হলো সুফিয়ানী সাওরী, আহমাদ, ইসহাক ও শাফিঈ (রাঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৭৩১
হাসান (Hasan)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن طلحة بن يحيى، عن عمته، عاىشة بنت طلحة عن عاىشة ام المومنين، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فقال " هل عندكم شيء " . قالت قلت لا . قال " فاني صاىم " .
৭৩১. হান্নাদ (রহঃ) ...... উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এলেন এবং বললেনঃ তোমার কাছে খাওয়ার মত কিছু আছে কি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তা হলে আমি সিয়াম পালন করছি। - ইরওয়া ৯৬৫, সহিহ আবু দাউদ ২১১৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৭৩২
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا بشر بن السري، عن سفيان، عن طلحة بن يحيى، عن عاىشة بنت طلحة، عن عاىشة ام المومنين، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم ياتيني فيقول " اعندك غداء " . فاقول لا . فيقول " اني صاىم " . قالت فاتاني يوما فقلت يا رسول الله انه قد اهديت لنا هدية . قال " وما هي " . قالت قلت حيس . قال " اما اني قد اصبحت صاىما " . قالت ثم اكل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৭৩২. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো তোমার কাছে আসতেন এবং বলতেনঃ তোমার কাছে (সকালের) খাবার কিছু আছে কি? আমি বলতাম, না। তখন তিনি বলতেন, তাহলে আমি সাওম পালন করছি। আয়িশা (রাঃ) বলেন, এমনিভাবে তিনি একদিন এলেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাদের কাছে কিছু হাদিয়া এসেছে। তিনি বললেন, তা কি? আমি বললাম, হায়স (ঘি, পনির ও খেজুর মিশ্রিত এক প্রকার খাদ্য)। তিনি বললেন, সকাল থেকে তো সিয়াম পালন করছিলাম। আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি তা আহার করলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান।
হাদিস নং: ৭৩৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا جعفر بن برقان، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، قالت كنت انا وحفصة، صاىمتين فعرض لنا طعام اشتهيناه فاكلنا منه فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فبدرتني اليه حفصة وكانت ابنة ابيها فقالت يا رسول الله انا كنا صاىمتين فعرض لنا طعام اشتهيناه فاكلنا منه . قال " اقضيا يوما اخر مكانه " . قال ابو عيسى وروى صالح بن ابي الاخضر ومحمد بن ابي حفصة هذا الحديث عن الزهري عن عروة عن عاىشة مثل هذا . ورواه مالك بن انس ومعمر وعبيد الله بن عمر وزياد بن سعد وغير واحد من الحفاظ عن الزهري عن عاىشة مرسلا . ولم يذكروا فيه عن عروة وهذا اصح .
لانه روي عن ابن جريج، قال سالت الزهري قلت له احدثك عروة عن عاىشة قال لم اسمع من عروة في هذا شيىا ولكني سمعت في خلافة سليمان بن عبد الملك من ناس عن بعض من سال عاىشة عن هذا الحديث . حدثنا بذلك علي بن عيسى بن يزيد البغدادي حدثنا روح بن عبادة عن ابن جريج فذكر الحديث . وقد ذهب قوم من اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم الى هذا الحديث فراوا عليه القضاء اذا افطر وهو قول مالك بن انس .
لانه روي عن ابن جريج، قال سالت الزهري قلت له احدثك عروة عن عاىشة قال لم اسمع من عروة في هذا شيىا ولكني سمعت في خلافة سليمان بن عبد الملك من ناس عن بعض من سال عاىشة عن هذا الحديث . حدثنا بذلك علي بن عيسى بن يزيد البغدادي حدثنا روح بن عبادة عن ابن جريج فذكر الحديث . وقد ذهب قوم من اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم الى هذا الحديث فراوا عليه القضاء اذا افطر وهو قول مالك بن انس .
৭৩৩. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আর হাফসা (রাঃ) উভয়েই একবার সিয়াম পালন করছিলাম। আমাদের সামনে খুবই লোভনীয় খাবার এলো, আমরা তা থেকে খেয়ে নিলাম। তারপরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলে হাফসা (রাঃ) আমার আগেই তাঁর সামনে উপস্থিত হলেন। আর তিনি ছিলেন তার বাপের বেটি (পিতা, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর মত সাহসী) কাজেই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা দুজন সায়িম ছিলাম। এমন সময় আমাদের সামনে লোভনীয় খাবার এলে; আমরা তা খেয়ে ফেললাম। তিনি বললেন, তোমরা উভয়ে এর স্থলে আরেক দিন সিয়াম পালন করবে। - যইফ আবু দাউদ ৪২৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সালিহ্ ইবনু আবূল আখদার ও মুহাম্মদ ইবনু আবূ হাফস (রহঃ) এই হাদীসটিকে যুহরী (রহঃ), উরওয়া, আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মালিক ইবনু আনাস, মা’মার, উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার, যিয়াদ ইবনু সা’দ (রহঃ) প্রমূখ হাফিযুল হাদীস যুহরী (রহঃ) সূত্রে আয়িশা (রাঃ) থেকে মুরসাল হিসেবে এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন। এতে তাঁরা উরওয়ার নাম উল্লেখ করেননি। আর এটিই অধিকতর সহীহ। কেননা, ইবনু জুরাউজ থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি যুহরীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনার নিকট আয়িশা (রাঃ) এর বরাতে উরওয়া কিছু রিওয়ায়াত করেছেন কি? তিনি বললেন, এই বিষয়ে আমি উরওয়া থেকে কিছু শুনিনি। তবে সুলায়মান ইবনু আবদুল মালিকের খিলাফতকালে এ হাদীস সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ) এর কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তাদের কারোর কাছ থেকে কিছু লোকের মাধ্যমে আয়িশা (রাঃ) সূত্রে এটি আমি শুনেছি। এই হাদীসটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেন, আলী ইবনু ঈসা ইবনু ইয়াযীদ বাগদাদী রাওহ ইবনু উবায়দা ইবনু জুরায়জ (রহঃ) শেষ পর্যন্ত। কতক সাহাবী ও অপরাপর একদল আলিম এই হাদীস অনুসারে আমলের মত গ্রহণ করেছেন। নফল সিয়াম ভঙ্গ করলে কাযা করতে হবে বলে তাঁরা মনে করেন। এ হল ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রাঃ) এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সালিহ্ ইবনু আবূল আখদার ও মুহাম্মদ ইবনু আবূ হাফস (রহঃ) এই হাদীসটিকে যুহরী (রহঃ), উরওয়া, আয়িশা (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মালিক ইবনু আনাস, মা’মার, উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার, যিয়াদ ইবনু সা’দ (রহঃ) প্রমূখ হাফিযুল হাদীস যুহরী (রহঃ) সূত্রে আয়িশা (রাঃ) থেকে মুরসাল হিসেবে এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন। এতে তাঁরা উরওয়ার নাম উল্লেখ করেননি। আর এটিই অধিকতর সহীহ। কেননা, ইবনু জুরাউজ থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি যুহরীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, আপনার নিকট আয়িশা (রাঃ) এর বরাতে উরওয়া কিছু রিওয়ায়াত করেছেন কি? তিনি বললেন, এই বিষয়ে আমি উরওয়া থেকে কিছু শুনিনি। তবে সুলায়মান ইবনু আবদুল মালিকের খিলাফতকালে এ হাদীস সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ) এর কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তাদের কারোর কাছ থেকে কিছু লোকের মাধ্যমে আয়িশা (রাঃ) সূত্রে এটি আমি শুনেছি। এই হাদীসটি আমাদের কাছে বর্ণনা করেন, আলী ইবনু ঈসা ইবনু ইয়াযীদ বাগদাদী রাওহ ইবনু উবায়দা ইবনু জুরায়জ (রহঃ) শেষ পর্যন্ত। কতক সাহাবী ও অপরাপর একদল আলিম এই হাদীস অনুসারে আমলের মত গ্রহণ করেছেন। নফল সিয়াম ভঙ্গ করলে কাযা করতে হবে বলে তাঁরা মনে করেন। এ হল ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রাঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৭৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن منصور، عن سالم بن ابي الجعد، عن ابي سلمة، عن ام سلمة، قالت ما رايت النبي صلى الله عليه وسلم يصوم شهرين متتابعين الا شعبان ورمضان . وفي الباب عن عاىشة . قال ابو عيسى حديث ام سلمة حديث حسن .
وقد روي هذا الحديث، ايضا عن ابي سلمة، عن عاىشة، انها قالت ما رايت النبي صلى الله عليه وسلم في شهر اكثر صياما منه في شعبان كان يصومه الا قليلا بل كان يصومه كله .
وقد روي هذا الحديث، ايضا عن ابي سلمة، عن عاىشة، انها قالت ما رايت النبي صلى الله عليه وسلم في شهر اكثر صياما منه في شعبان كان يصومه الا قليلا بل كان يصومه كله .
৭৩৪. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে শা’বান ও রামাযান ব্যতীত দুই মাস লাগাতার সিয়াম করতে দেখিনি। - ইবনু মাজাহ ১৩৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্ম সালামা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান। এই হাদীসটি আবূ সালামা, আয়িশা (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত আছে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, শা’বান মাসের মত আর কোন মাসে এত অধিক (নফল) সিয়াম পালন করতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখিনি। এ মাসের কিছু অংশ ব্যতীত পুরো মাসটাই বলতে কি সারা মাসটাই তিনি (নফল) সিয়াম পালন করতেন।
এই বিষয়ে আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উম্ম সালামা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান। এই হাদীসটি আবূ সালামা, আয়িশা (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত আছে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, শা’বান মাসের মত আর কোন মাসে এত অধিক (নফল) সিয়াম পালন করতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখিনি। এ মাসের কিছু অংশ ব্যতীত পুরো মাসটাই বলতে কি সারা মাসটাই তিনি (নফল) সিয়াম পালন করতেন।
হাদিস নং: ৭৩৫
হাসান (Hasan)
حدثنا هناد حدثنا عبدة عن محمد بن عمرو حدثنا ابو سلمة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم بذلك . وروي عن ابن المبارك انه قال في هذا الحديث هو جاىز في كلام العرب اذا صام اكثر الشهر ان يقال صام الشهر كله ويقال قام فلان ليله اجمع . ولعله تعشى واشتغل ببعض امره . كان ابن المبارك قد راى كلا الحديثين متفقين يقول انما معنى هذا الحديث انه كان يصوم اكثر الشهر . قال ابو عيسى وقد روى سالم ابو النضر وغير واحد هذا الحديث عن ابي سلمة عن عاىشة نحو رواية محمد بن عمرو .
৭৩৫. হান্নাদ (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি এই হাদীস প্রসঙ্গে বলেন, কেউ যদি মাসের অধিকাংশ দিন সিয়াম পালন করে তবে আরবী বাগধারা অনুসারে সারা মাসই সিয়াম পালন করেছে বলা বৈধ। বলা হয় অমুক ব্যক্তি সারারাত দাড়িয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছে। অথচ হতে পারে সে রাতের আহারে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজেও তার কিছু সময় ব্যয় করেছে। এ প্রেক্ষিতে ইবনু মুবারক (রহঃ) মনে করেন, হাদীস দু’টি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, এ হাদীসের অর্থ হলো এই যে, তিনি (শাবান) মাসের অধিকাংশ দিন সিয়াম পালন করতেন। সালিম আবূন নাযর (রহঃ) প্রমখ এই হাদীসটিকে আবূ সালামা-আয়িশা (রাঃ) সূত্রে মুহাম্মদ ইবনু আমর (রহঃ) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইবনু মুবারক (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি এই হাদীস প্রসঙ্গে বলেন, কেউ যদি মাসের অধিকাংশ দিন সিয়াম পালন করে তবে আরবী বাগধারা অনুসারে সারা মাসই সিয়াম পালন করেছে বলা বৈধ। বলা হয় অমুক ব্যক্তি সারারাত দাড়িয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছে। অথচ হতে পারে সে রাতের আহারে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজেও তার কিছু সময় ব্যয় করেছে। এ প্রেক্ষিতে ইবনু মুবারক (রহঃ) মনে করেন, হাদীস দু’টি সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি বলেন, এ হাদীসের অর্থ হলো এই যে, তিনি (শাবান) মাসের অধিকাংশ দিন সিয়াম পালন করতেন। সালিম আবূন নাযর (রহঃ) প্রমখ এই হাদীসটিকে আবূ সালামা-আয়িশা (রাঃ) সূত্রে মুহাম্মদ ইবনু আমর (রহঃ) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৭৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا بقي نصف من شعبان فلا تصوموا " . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح لا نعرفه الا من هذا الوجه على هذا اللفظ . ومعنى هذا الحديث عند بعض اهل العلم ان يكون الرجل مفطرا فاذا بقي من شعبان شيء اخذ في الصوم لحال شهر رمضان . وقد روي عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ما يشبه قولهم حيث قال صلى الله عليه وسلم " لا تقدموا شهر رمضان بصيام الا ان يوافق ذلك صوما كان يصومه احدكم " . وقد دل في هذا الحديث انما الكراهية على من يتعمد الصيام لحال رمضان .
৭৩৬. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, শা’বানের অর্ধাংশ যখন বাকী থাকে তখন আর তোমরা সিয়াম পালন করবেনা। - ইবনু মাজাহ ১৬৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্নিত হাদীসটি হাসান সহীহ। এই সূত্র ছাড়া এই শব্দে অন্য রিওয়ায়াতে আছে কি না আমাদের জানা নেই। কোন কোন আলিম বলেন, এই হাদীস সে ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য সে সাধারণত সাওম পালন করছেনা; কিন্তু শাবানের কিছু দিন অবশিষ্ঠ থাকতেই মাহে রামাযানের সম্মানার্থে সাওম পালন করা শুরু করে দেয়। আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সিয়াম পালন করে তোমরা রমযানকে এগিয়ে নিবেনা। তবে তোমাদের কারো নির্ধারিত সিয়াম পালনের দিনগুলো কোন সাওমের সঙ্গে এই দিনের সিয়ামের মিল পড়ে গেলে ভিন্ন কথা। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কেউ রামাযানের সম্মানার্থে ইচ্ছা করে সিয়াম পালন করা মাকরূহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্নিত হাদীসটি হাসান সহীহ। এই সূত্র ছাড়া এই শব্দে অন্য রিওয়ায়াতে আছে কি না আমাদের জানা নেই। কোন কোন আলিম বলেন, এই হাদীস সে ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য সে সাধারণত সাওম পালন করছেনা; কিন্তু শাবানের কিছু দিন অবশিষ্ঠ থাকতেই মাহে রামাযানের সম্মানার্থে সাওম পালন করা শুরু করে দেয়। আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সিয়াম পালন করে তোমরা রমযানকে এগিয়ে নিবেনা। তবে তোমাদের কারো নির্ধারিত সিয়াম পালনের দিনগুলো কোন সাওমের সঙ্গে এই দিনের সিয়ামের মিল পড়ে গেলে ভিন্ন কথা। এই হাদীসটির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কেউ রামাযানের সম্মানার্থে ইচ্ছা করে সিয়াম পালন করা মাকরূহ।
হাদিস নং: ৭৩৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا الحجاج بن ارطاة، عن يحيى بن ابي كثير، عن عروة، عن عاىشة، قالت فقدت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فخرجت فاذا هو بالبقيع فقال " اكنت تخافين ان يحيف الله عليك ورسوله " . قلت يا رسول الله اني ظننت انك اتيت بعض نساىك . فقال " ان الله عز وجل ينزل ليلة النصف من شعبان الى السماء الدنيا فيغفر لاكثر من عدد شعر غنم كلب " . وفي الباب عن ابي بكر الصديق . قال ابو عيسى حديث عاىشة لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث الحجاج . وسمعت محمدا يضعف هذا الحديث وقال يحيى بن ابي كثير لم يسمع من عروة والحجاج بن ارطاة لم يسمع من يحيى بن ابي كثير .
৭৩৭. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে না পেয়ে ঘর থেকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়লাম। হঠাৎ তাকে বাকী গোরস্তানে যেয়ে পেলাম। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি আশংকা করো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তোমার উপর কোন অন্যায় করবেন? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আপনার অন্য কোন স্ত্রী কাছে চলে গিয়েছেন বলে আমার ধারণা হয়েছিল। তিনি বলেন, শোন, আল্লাহ তা’আলার মধ্য শাবানের রাত্রিতে দুনিয়ার নিকটবর্তী আকাশে নেমে আসেন। অনন্তর বানূ কালব গোত্রের বকরী পালের লোমের সংখ্যার চেয়েও অধিক সংখ্যক লোককে তিনি ক্ষমা করে দেন। - ইবনু মাজাহ ১৩৮৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, হাজ্জাতের বরাতে এই সূত্রটি ছাড়া আয়িশা (রাঃ) এর হাদীসটি সম্পর্কে কোন কিছু আমাদের জানা নাই। এই হাদীসটিকে দুর্বল বলতে আমি মুহাম্মদ আল-বুখারীকে শুনেছি। তিনি বলেন, রাবী ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর উরওয়া (রহঃ) থেকে কোন রিওয়ায়াত শোনেননি। মুহাম্মদ আল-বুখারী বলেন, এমনিভাবে হাজ্জাজ ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরের নিকট থেকে কিছুই শোনেননি।
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, হাজ্জাতের বরাতে এই সূত্রটি ছাড়া আয়িশা (রাঃ) এর হাদীসটি সম্পর্কে কোন কিছু আমাদের জানা নাই। এই হাদীসটিকে দুর্বল বলতে আমি মুহাম্মদ আল-বুখারীকে শুনেছি। তিনি বলেন, রাবী ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর উরওয়া (রহঃ) থেকে কোন রিওয়ায়াত শোনেননি। মুহাম্মদ আল-বুখারী বলেন, এমনিভাবে হাজ্জাজ ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরের নিকট থেকে কিছুই শোনেননি।
হাদিস নং: ৭৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن حميد بن عبد الرحمن الحميري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افضل الصيام بعد صيام شهر رمضان شهر الله المحرم " . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن .
৭৩৮. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রামাযান মাসের সিয়ামের পর সবচে ফযিলতের সিয়াম হলো আল্লাহর মাস মুহাররামের সিয়াম। - ইবনু মাজাহ ১৭৪২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৭৩৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، قال اخبرنا علي بن مسهر، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي، قال ساله رجل فقال اى شهر تامرني ان اصوم بعد شهر رمضان قال له ما سمعت احدا يسال عن هذا الا رجلا سمعته يسال رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا قاعد فقال يا رسول الله اى شهر تامرني ان اصوم بعد شهر رمضان قال " ان كنت صاىما بعد شهر رمضان فصم المحرم فانه شهر الله فيه يوم تاب الله فيه على قوم ويتوب فيه على قوم اخرين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৭৩৯. আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) ....... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একবার জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, রামাযান মাসের পর কোন সিয়াম পালন করতে আপনি আমাকে নির্দেশ দেন? তখন তিনি তাকে বললেন, এই বিষয়ে প্রশ্ন করতে এক ব্যক্তি ছাড়া কাউকে আমি শুনিনি। একবার আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপবিষ্ট ছিলাম। এই সময় জনৈক ব্যক্তি এসে তাকে প্রশ্ন করে বলল হে আল্লাহর রাসূল! রামাযান মাসের পর আর কোন মাসের সিয়াম পালন করতে আপনি আমাকে নির্দেশ দেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, রামাযান মাসের পর তুমি যদি আরো কোন রোযা রাখতে চাও তবে মুহাররামের সিয়াম পালন করো। কেননা, এই মাসটি হলো আল্লাহর মাস। এতে এমন একটি দিন আছে যে দিন আল্লাহ তায়ালা এক সম্প্রদায়ের তওবা কবুল করেছিলেন এবং আগামীতেও তিনি আরেক সম্প্রদায়ের তওবা এই দিনে কবুল করবেন। - তা’লীকুর রাগীব ২/৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-গরীব।
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-গরীব।
হাদিস নং: ৭৪০
হাসান (Hasan)
حدثنا القاسم بن دينار، حدثنا عبيد الله بن موسى، وطلق بن غنام، عن شيبان، عن عاصم، عن زر، عن عبد الله، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم من غرة كل شهر ثلاثة ايام وقلما كان يفطر يوم الجمعة . قال وفي الباب عن ابن عمر وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث عبد الله حديث حسن غريب . وقد استحب قوم من اهل العلم صيام يوم الجمعة وانما يكره ان يصوم يوم الجمعة لا يصوم قبله ولا بعده . قال وروى شعبة عن عاصم هذا الحديث ولم يرفعه .
৭৪০. কাসিম ইবনু দ্বীনার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক মাসের শুরুতে তিন দিন সিয়াম পালন করতেন। আর জুমুআর দিন খুব কমই তিনি সিয়াম ছাড়া অতিবাহিত করতেন। - তাখরীজুল মিশকাত ২০৫৮, তা’লীক আলা ইবনু খুজাইমা ২১৪৯, সহিহ আবু দাউদ ২১১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমার ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গরীব। আলিমগণের এক দল জুমুআ বারের সিয়াম পালন মুস্তাহাব বলে অভিহিত দিয়েছেন। তবে জুমুআর আগের বা পর দিনের সিয়াম পালন না করে কেবল জুমুআর দিনের সিয়াম মাকরূহ। শু’বা (রহঃ)ও এই হাদীসটি আসিম (রহঃ) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন। তবে এটিকে মারফু’ হিসাবে উল্লেখ করেননি।
এই বিষয়ে ইবনু উমার ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গরীব। আলিমগণের এক দল জুমুআ বারের সিয়াম পালন মুস্তাহাব বলে অভিহিত দিয়েছেন। তবে জুমুআর আগের বা পর দিনের সিয়াম পালন না করে কেবল জুমুআর দিনের সিয়াম মাকরূহ। শু’বা (রহঃ)ও এই হাদীসটি আসিম (রহঃ) এর বরাতে বর্ণনা করেছেন। তবে এটিকে মারফু’ হিসাবে উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ৭৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يصوم احدكم يوم الجمعة الا ان يصوم قبله او يصوم بعده " . قال وفي الباب عن علي وجابر وجنادة الازدي وجويرية وانس وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم يكرهون للرجل ان يختص يوم الجمعة بصيام لا يصوم قبله ولا بعده . وبه يقول احمد واسحاق .
৭৪১. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, আগের দিন বা পরের দিন রোযা না রেখে তোমাদের কেউ যেন কেবল জুমুআর দিনের সিয়াম পালন না করে। - ইবনু মাজাহ ১৭২৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, জাবির, জুনাদা আল-আযদী, জুওয়ায়রা, আনাস এবং আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান সহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তাঁরা আগের দিনে বা পরের দিনের সিয়াম শামিল না করে কেবল জুম’আ বারের সিয়াম পালন মাকরূহ বলে মনে করেন। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্য।
এই বিষয়ে আলী, জাবির, জুনাদা আল-আযদী, জুওয়ায়রা, আনাস এবং আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান সহীহ। এই হাদীস অনুসারে আলিমগণের আমল রয়েছে। তাঁরা আগের দিনে বা পরের দিনের সিয়াম শামিল না করে কেবল জুম’আ বারের সিয়াম পালন মাকরূহ বলে মনে করেন। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্য।
হাদিস নং: ৭৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا سفيان بن حبيب، عن ثور بن يزيد، عن خالد بن معدان، عن عبد الله بن بسر، عن اخته، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تصوموا يوم السبت الا فيما افترض الله عليكم فان لم يجد احدكم الا لحاء عنبة او عود شجرة فليمضغه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ومعنى كراهته في هذا ان يخص الرجل يوم السبت بصيام لان اليهود تعظم يوم السبت .
৭৪২. হুমায়দা ইবনু মাসআদা (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু বুসরের বোন থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফরয সিয়াম ব্যতীত শনিবার তোমরা কোন সিয়াম পালন করবেনা। যদি তোমাদের কেউ আঙ্গুরের খোশা বা গাছের ডাল ছাড়া আর কিছু না পায় তবে তাই যেন সে চিবিয়ে নেয়। - ইবনু মাজাহ ১৭২৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। নিষিদ্ধ হওয়ার হেতু কেবল শনিবারের দিনকে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট করা। কেননা ইহূদীদের নিকট শনিবারের দিন বিশেষ মর্যাদার।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। নিষিদ্ধ হওয়ার হেতু কেবল শনিবারের দিনকে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট করা। কেননা ইহূদীদের নিকট শনিবারের দিন বিশেষ মর্যাদার।
হাদিস নং: ৭৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو حفص، عمرو بن علي الفلاس حدثنا عبد الله بن داود، عن ثور بن يزيد، عن خالد بن معدان، عن ربيعة الجرشي، عن عاىشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يتحرى صوم الاثنين والخميس . قال وفي الباب عن حفصة وابي قتادة وابي هريرة واسامة بن زيد . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن غريب من هذا الوجه .
৭৪৩. আবূ হাফসা আমর ইবনু আলী আল- ফাল্লাস (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোম ও বৃহস্পতিবারের সিয়ামের প্রতি খুবই খেয়াল রাখতেন। - ইবনু মাজাহ ১৭৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে হাফসা আবূ কাতাদা, আবূ হুরায়রা ও উসামা ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব।
এই বিষয়ে হাফসা আবূ কাতাদা, আবূ হুরায়রা ও উসামা ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৭৪৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد، ومعاوية بن هشام، قالا حدثنا سفيان، عن منصور، عن خيثمة، عن عاىشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم من الشهر السبت والاحد والاثنين ومن الشهر الاخر الثلاثاء والاربعاء والخميس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وروى عبد الرحمن بن مهدي هذا الحديث عن سفيان ولم يرفعه .
৭৪৪. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) .... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাসের শনি, রবি ও সোমবার সাওম পালন করতেন। আর অপর মাসের মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার সাওম পালন করতেন। - তাখরীজুল মিশকাত, তাহকিক ছানী ২০৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী এই হাদীসটি সুফিয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটিকে মারফ’ করেননি।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী এই হাদীসটি সুফিয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটিকে মারফ’ করেননি।
হাদিস নং: ৭৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا ابو عاصم، عن محمد بن رفاعة، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تعرض الاعمال يوم الاثنين والخميس فاحب ان يعرض عملي وانا صاىم " . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة في هذا الباب حديث حسن غريب .
৭৪৫. মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমি ভালবাসি সায়িম অবস্থায় আমার আমলসমূহ পেশ করা হয়। - তাখ্রীজুল মিশকাত ২০৫৬, তালীকুর রাগীব ৮৪/২, ইরওয়া ৯৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৭৪৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا الحسين بن محمد الحريري، ومحمد بن مدويه، قالا حدثنا عبيد الله بن موسى، اخبرنا هارون بن سلمان، عن عبيد الله بن مسلم القرشي، عن ابيه، قال سالت او سىل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيام الدهر فقال " ان لاهلك عليك حقا صم رمضان والذي يليه وكل اربعاء وخميس فاذا انت قد صمت الدهر وافطرت " . وفي الباب عن عاىشة . قال ابو عيسى حديث مسلم القرشي حديث غريب . وروى بعضهم عن هارون بن سلمان عن مسلم بن عبيد الله عن ابيه .
৭৪৬. হুসায়ন ইবনু মুহাম্মদ আল-জারীরী ও মুহাম্মদ ইবনু মাদদুওয়া (রহঃ) ...... ওবায়দুল্লাহ আল-মুসলিম আল-করাশী তৎ পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম বা তাকে কেউ সিয়ামুদ-দাহর অর্থ্যাৎ সারা বছর সিয়াম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল। তিনি বললেন, তোমার উপর অবশ্যই তোমার পরিবারের হক রয়েছে। এরপর তিনি বললেন, রামাযান এবং পরবর্তী মাস ও প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করতে থাক। এতে তোমার সিয়ামুদ-দাহরও হবে এবং ইফতার বা বিনা সিয়ামে দিন কাটানোর অবকাশও হবে। - যইফ আবু দাউদ ৪২০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৭৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল-কুরাশী বর্ণিত এই হাদীসটি গারীব। কেউ কেউ এটিকে হারূন ইবনু সালমান মুসলিম ইবনু উবায়দুল্লাহ তৎপিতা উবায়দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে আয়িশা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল-কুরাশী বর্ণিত এই হাদীসটি গারীব। কেউ কেউ এটিকে হারূন ইবনু সালমান মুসলিম ইবনু উবায়দুল্লাহ তৎপিতা উবায়দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।