হাদিস নং: ৩৫৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت ابا واىل، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قلت له اانت سمعته من عبد الله، قال نعم . ورفعه انه قال " لا احد اغير من الله ولذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا احد احب اليه المدح من الله ولذلك مدح نفسه " . قال هذا حديث حسن صحيح
৩৫৩০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ’ রূপে বর্ণিত যে, (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ) আল্লাহ অপেক্ষা আত্মগরিমাসম্পন্ন আর কেউ নেই। আর তাই তিনি গোপন ও প্রকাশ্য সব অশ্লীল কর্ম হারাম করেছেন। আল্লাহ অপেক্ষা অধিক প্রশংসাপ্রিয় আর কেউ নেই। আর তাই তিনি নিজেই নিজের প্রশংসা করেছেন।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি এই সূত্রে হাসান –সহীহ।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি এই সূত্রে হাসান –সহীহ।
হাদিস নং: ৩৫৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي الخير، عن عبد الله بن عمرو، عن ابي بكر الصديق، انه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم علمني دعاء ادعو به في صلاتي قال " قل اللهم اني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب الا انت فاغفر لي مغفرة من عندك وارحمني انك انت الغفور الرحيم " . قال هذا حديث حسن صحيح غريب وهو حديث ليث بن سعد وابو الخير اسمه مرثد بن عبد الله اليزني .
৩৫৩১. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি (একদিন নবীজীকে) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন একটা দু’আ শিখিয়ে দিন যা দ্বারা আমি সালাতে দু’আ করি। তিনি বললেনঃ তুমি বলবেঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
হে আল্লাহ! আমি তো যুলম করেছি আমার নিজের উপর, অনেক যুলম, তুমি ছাড়া গুনাহ মাফ করার নেই কেউ, তাই মাফ করে দাও আমাকে তোমার পক্ষ থেকে, রহম কর আমার উপর, তুমি তো অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গরিব। এ হল লায়ছ ইবন সা’দ (রহঃ) এর রিওয়ায়াত। আবুল খায়র (রহঃ) এর নাম হল মারছাদ ইবন আবদুল্লাহ ইয়াযানী।
اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
হে আল্লাহ! আমি তো যুলম করেছি আমার নিজের উপর, অনেক যুলম, তুমি ছাড়া গুনাহ মাফ করার নেই কেউ, তাই মাফ করে দাও আমাকে তোমার পক্ষ থেকে, রহম কর আমার উপর, তুমি তো অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৩৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গরিব। এ হল লায়ছ ইবন সা’দ (রহঃ) এর রিওয়ায়াত। আবুল খায়র (রহঃ) এর নাম হল মারছাদ ইবন আবদুল্লাহ ইয়াযানী।
হাদিস নং: ৩৫৩২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان حدثنا ابو احمد حدثنا سفيان عن يزيد بن ابي زياد عن عبد الله بن الحارث عن المطلب بن ابي وداعة قال جاء العباس الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكانه سمع شيىا فقام النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال من انا فقالوا انت رسول الله عليك السلام قال انا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب ان الله خلق الخلق فجعلني في خيرهم فرقة ثم جعلهم فرقتين فجعلني في خيرهم فرقة ثم جعلهم قباىل فجعلني في خيرهم قبيلة ثم جعلهم بيوتا فجعلني في خيرهم بيتا وخيرهم نسبا قال ابو عيسى هذا حديث حسن
৩৫৩২. মাহমূদ ইবন গয়লান (রহঃ) ...... মুত্তালিব ইবন ওয়াদা’আ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। (তাকে দেখে মনে হচ্ছে) তিনি যেন (অনভিপ্রেত) কিছু শুনে এসেছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে উঠে দাঁড়ালেন। বললেনঃ আমি কে? সাহাবীগন বললেনঃ আপনি তো আল্লাহর রাসূল। সালাম আপনার উপর। তিনি বললেনঃ আমি হলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আবদুল মুত্তালিব। আল্লাহ তা’আলা সব মাখলূক পয়দা করে আমাকে পয়দা করেছেন তাদের সর্বোত্তমের মাঝে। এরপর তাদের দুই ভাগ করে আমাকে সৃষ্টি করেছেন সর্বোত্তম অংশে। এরপর তিনি বিভিন্ন গোত্র সৃষ্টি করে আমাকে পয়দা করেছেন সর্বোত্তম গোত্রে। এরপর বানালেন বিভিন্ন গৃহ পরিবেশ আর আমাকে পয়দা করেছেন তাদের সর্বোত্তম গৃহ পরিবেশে এবং করেছেন আমাকে সর্বোত্তম ব্যাক্তি।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
যঈফ, যঈফা ৩০৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
যঈফ, যঈফা ৩০৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৫৩৩
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا الفضل بن موسى، عن الاعمش، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بشجرة يابسة الورق فضربها بعصاه فتناثر الورق فقال " ان الحمد لله وسبحان الله ولا اله الا الله والله اكبر لتساقط من ذنوب العبد كما تساقط ورق هذه الشجرة " . قال هذا حديث غريب .
৩৫৩৩. মুহাম্মাদ ইবন হুমায়দ রাযী (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি গাছের পাশ দিয়ে পথ অতিক্রম করছিলেন, এর পাতা ছিল শুষ্ক। তিনি তাঁর লাঠি দিয়ে এতে আঘাত করলেন, ফলে পাতা ঝরে পড়তে লাগল। এরপর তিনি বললেনঃ এই গাছটির পাতা যেভাবে ঝরে পড়ছে, তেমনিভাবে ’আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ (পাঠের) দ্বারাও বান্দার গুনাহসমূহ ঝরে পড়ে।
হাসান, তা’লীকুর রাগীব ২/২৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গারিব।
হাসান, তা’লীকুর রাগীব ২/২৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি গারিব।
হাদিস নং: ৩৫৩৪
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن الجلاح ابي كثير، عن ابي عبد الرحمن الحبلي، عن عمارة بن شبيب السبىي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت وهو على كل شيء قدير . عشر مرات على اثر المغرب بعث الله له مسلحة يحفظونه من الشيطان حتى يصبح وكتب الله له بها عشر حسنات موجبات ومحا عنه عشر سيىات موبقات وكانت له بعدل عشر رقاب مومنات " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ليث بن سعد . ولا نعرف لعمارة بن شبيب سماعا عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৩৫৩৪. কুতায়বা (রহঃ) ..... উমারা ইবন শাবীব আস-সাবাঈ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি মাগরিবের পর দশবার (নিম্নের) এই দু’আটি পাঠ করে তবে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য সশস্ত্র প্রহরী ফিরিশতা দল পাঠাবেন যারা তাকে ভোর পর্যন্ত শয়তান থেকে রক্ষা করবে। এতে তার জন্য তিনি লিখবেন দশটি অবশ্য প্রাপ্য নেকী, মাফ করে দিবেন তার জন্য ধ্বংসকর দশটি গুনাহ এবং তাতে তার দশজন মু’মিন দাস আযাদ করার সমতুল্য ছাওয়াব হবে।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
হাসান, সহীহ আত তারগীব ওয়াত তারহীব ১/১৬০, ৪৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। লায়ছ ইবন স’দ (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। উমারা ইবন শাবীব রাদিয়াল্লাহু আনহু সরাসরি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু শুনেছেন বলেও আমরা জানি না।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
হাসান, সহীহ আত তারগীব ওয়াত তারহীব ১/১৬০, ৪৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। লায়ছ ইবন স’দ (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। উমারা ইবন শাবীব রাদিয়াল্লাহু আনহু সরাসরি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু শুনেছেন বলেও আমরা জানি না।
হাদিস নং: ৩৫৩৫
হাসান (Hasan)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عاصم بن ابي النجود، عن زر بن حبيش، قال اتيت صفوان بن عسال المرادي اساله عن المسح، على الخفين فقال ما جاء بك يا زر فقلت ابتغاء العلم فقال ان الملاىكة تضع اجنحتها لطالب العلم رضا بما يطلب . قلت انه حك في صدري المسح على الخفين بعد الغاىط والبول وكنت امرا من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجىت اسالك هل سمعته يذكر في ذلك شيىا قال نعم كان يامرنا اذا كنا سفرا او مسافرين ان لا ننزع خفافنا ثلاثة ايام ولياليهن الا من جنابة لكن من غاىط وبول ونوم . فقلت هل سمعته يذكر في الهوى شيىا قال نعم كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فبينا نحن عنده اذ ناداه اعرابي بصوت له جهوري يا محمد . فاجابه رسول الله صلى الله عليه وسلم على نحو من صوته هاوم وقلنا له ويحك اغضض من صوتك فانك عند النبي صلى الله عليه وسلم وقد نهيت عن هذا . فقال والله لا اغضض . قال الاعرابي المرء يحب القوم ولما يلحق بهم . قال النبي صلى الله عليه وسلم " المرء مع من احب يوم القيامة " . فمازال يحدثنا حتى ذكر بابا من قبل المغرب مسيرة عرضه او يسير الراكب في عرضه اربعين او سبعين عاما قال سفيان قبل الشام خلقه الله يوم خلق السموات والارض مفتوحا يعني للتوبة لا يغلق حتى تطلع الشمس منه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৫৩৫. ইবন আবূ উমার (রহঃ) ..... যির ইবন হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি সাফওয়ান ইবন আসসাল মুরাদী (রাঃ) এর কাছে চামরার মোজার উপর মাসেহ করার বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য এলাম। তিনি বললেনঃ হে যির! কি উদ্দেশ্যে তোমার আগমন? আমি বললামঃ ইলমের অন্বেষণে। তিনি বললেনঃ তালেবুল ইলমের জন্য ফিরিশতারা তাদের পাখনা বিছিয়ে দেন তার ইলম সন্ধানের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশে। আমি বললামঃ প্রসাব-পায়খানার পর (উযূর ক্ষেত্রে) চামড়ার মোজায় মাসেহ করার বিষয়টি আমার মনে সন্দেহের উদ্রেক হচ্ছে। আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের একজন। তাই আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে এলাম যে, এই বিষয়ে আপনি তাকে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যে, আমরা যখন মুসাফির থাকি তখন যেন গোসল ফরযজনিত কারন ব্যতীত (উযূ করার) তিন দিন তিন রাত আমাদের চামড়ার মোজা না খুলি, প্রস্রাব-পায়খানা ও নিদ্রা ইত্যাদি কারণের বেলায়ও নয়।
আমি বললামঃ মুহাব্বাতের বিষয়ে তাঁকে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম।আমরা তাঁর কাছে ছিলাম এমন সময় বেদুঈন উচ্চৈস্বরে তাকে ডাক দিয়ে বললঃ হে মুহাম্মাদ! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মত আওয়াজে উত্তর দিলেনঃ এস। আমরা তাকে বললামঃ ওহে! তোমার আওয়াজ একটু নীচু কর। কেননা তুমি তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসেছ। আর তাঁর কাছে এরূপ করতে তোমাকে নিষেধ করা হয়েছে। সে বললঃ আল্লাহর কসম! আমি আমার আওয়াজ নীচু করতে পারব না। পরে ঐ বেদুঈন বললঃ কোন ব্যক্তি এক সম্প্রদায়কে ভালবাসে বটে কিন্তু তাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারে নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে যাকে ভালবাসবে, কিয়ামতের দিন সে তার সঙ্গেই থাকবে।
যির (রহঃ) বলেনঃ সাফওয়ান (রাঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করতে করতে পশ্চিম প্রান্তের (সুফয়ানের বর্ণনায় সিরিয়ার প্রান্তে) একটি দরজার কথা উল্লেখ করলেন। এই ফটকটির প্রশস্তাতা হল চল্লিশ বা (অপর বর্ণনায়) সত্তর বছরের সওয়ারী অতিক্রম করার পথ। আল্লাহ তা’আলা যেদিন থেকে আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকে ঐটিও সৃষ্টি করেছেন। তওবার জন্য এটি সদা উন্মুক্ত। পশ্চিম থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত তা বন্ধ করা হবে না।
হাসান, তা’লীকুর রাগীব ৪/৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আমি বললামঃ মুহাব্বাতের বিষয়ে তাঁকে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম।আমরা তাঁর কাছে ছিলাম এমন সময় বেদুঈন উচ্চৈস্বরে তাকে ডাক দিয়ে বললঃ হে মুহাম্মাদ! তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মত আওয়াজে উত্তর দিলেনঃ এস। আমরা তাকে বললামঃ ওহে! তোমার আওয়াজ একটু নীচু কর। কেননা তুমি তো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসেছ। আর তাঁর কাছে এরূপ করতে তোমাকে নিষেধ করা হয়েছে। সে বললঃ আল্লাহর কসম! আমি আমার আওয়াজ নীচু করতে পারব না। পরে ঐ বেদুঈন বললঃ কোন ব্যক্তি এক সম্প্রদায়কে ভালবাসে বটে কিন্তু তাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারে নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে যাকে ভালবাসবে, কিয়ামতের দিন সে তার সঙ্গেই থাকবে।
যির (রহঃ) বলেনঃ সাফওয়ান (রাঃ) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করতে করতে পশ্চিম প্রান্তের (সুফয়ানের বর্ণনায় সিরিয়ার প্রান্তে) একটি দরজার কথা উল্লেখ করলেন। এই ফটকটির প্রশস্তাতা হল চল্লিশ বা (অপর বর্ণনায়) সত্তর বছরের সওয়ারী অতিক্রম করার পথ। আল্লাহ তা’আলা যেদিন থেকে আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকে ঐটিও সৃষ্টি করেছেন। তওবার জন্য এটি সদা উন্মুক্ত। পশ্চিম থেকে সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত তা বন্ধ করা হবে না।
হাসান, তা’লীকুর রাগীব ৪/৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৫৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن عاصم، عن زر بن حبيش، قال اتيت صفوان بن عسال المرادي فقال لي ما جاء بك قلت ابتغاء العلم . قال بلغني ان الملاىكة تضع اجنحتها لطالب العلم رضا بما يفعل . قال قلت انه حاك او قال حك في نفسي شيء من المسح على الخفين فهل حفظت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه شيىا قال نعم كنا اذا كنا سفرا او مسافرين امرنا ان لا نخلع خفافنا ثلاثا الا من جنابة ولكن من غاىط وبول ونوم . قال فقلت فهل حفظت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الهوى شيىا قال نعم كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض اسفاره فناداه رجل كان في اخر القوم بصوت جهوري اعرابي جلف جاف فقال يا محمد يا محمد . فقال له القوم مه انك قد نهيت عن هذا . فاجابه رسول الله صلى الله عليه وسلم نحوا من صوته هاوم فقال الرجل يحب القوم ولما يلحق بهم . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المرء مع من احب " . قال زر فما برح يحدثني حتى حدثني ان الله جعل بالمغرب بابا عرضه مسيرة سبعين عاما للتوبة لا يغلق حتى تطلع الشمس من قبله وذلك قول الله عز وجل : ( يوم ياتي بعض ايات ربك لا ينفع نفسا ايمانها ) الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৫৩৬. আহমাদ ইবন আবদা দাব্বী (রহঃ) ...... যির ইবন হুবায়শ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি সাফওয়ান ইবন আসসাল মুরাদী (রাঃ) এর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ কেন এসেছ? আমি বললামঃ ইলমের তালাশে। তিনি বললেনঃ আমার কাছে এই হাদীস পৌছেছে যে, ইলম তালাশকারী যা করে, তাতে সন্তুষ্ট হয়ে ফিরিশতারা তাঁর জন্য তাঁদের পাখা বিছিয়ে দেন। তিনি বলেছেনঃ আমি বললামঃ চামড়ার মোজায় মাসেহ করার বিষয়ে আমার মনে প্রশ্নের উদয় হয়েছে। এই বিষয়ে কি আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে কিছু সংরক্ষণ করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, গোসল ফরযজনিত কারণ ব্যতীত, পায়খানা-প্রস্রাব ও নিদ্রাজনিত কারণে উযূর ব্যাপারে না ধোয়ার জন্য মুসাফির অবস্থায় তিন দিন চামড়ার মোজা না খুলতে আমাদের নর্দেশ দিয়েছেন।
আমি বললামঃ মুহাব্বাতের বিষয়ে কিছু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সংরক্ষণ করেছেন কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমরা এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। মজলিসের শেষদিকে অবস্থানরত এক বেদুঈন তখন চিৎকার করে তাঁকে বললঃ হে মুহাম্মাদ! হে মুহাম্মাদ! উপস্থিত লোকেরা তাকে বললঃ চুপ কর, এভাবে ডাকা নিষেধ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মত আওয়াজে জওয়াব দিলেনঃ আস। লোকটি বললঃ কোন ব্যক্তি এক সম্প্রদায়কে ভালবাসে কিন্তু সে তাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারে নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে যাকে ভালবাসে সে তার সঙ্গে অবস্থান করবে।
যিরর (রহঃ) বলেন, সাফওয়ান (রাঃ) আমাদের হাদীস বর্ণনা করতে থাকলেন। শেষে তিনি বর্ণনা করলেন যে, আল্লাহ তা’আলা পশ্চিমে একটি তওবার দ্বার তৈরী করেছেন। এর প্রশস্ততা সত্তর বছরের পথ। পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না ঘটা পর্যন্ত তা কখনও রুদ্ধ হবে না। আল্লাহর এই কালামে এইদিকে ইঙ্গিত রয়েছেঃ
يومَ يَأْتِي بَعْضُ آيَاتِ رَبِّكَ لاَ يَنْفَعُ نَفْسًا إِيمَانُهَا
যে দিন তোমার রব্বের কিছু নিদর্শনের আবির্ভাব ঘটবে, সেদিন তার ঈমান কোন কাজে আসবে না যে ব্যাক্তি পূর্বে ঈমান আনেনি। (সূরা আনআম ৬ঃ ১৫৮)
আমি বললামঃ মুহাব্বাতের বিষয়ে কিছু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সংরক্ষণ করেছেন কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমরা এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। মজলিসের শেষদিকে অবস্থানরত এক বেদুঈন তখন চিৎকার করে তাঁকে বললঃ হে মুহাম্মাদ! হে মুহাম্মাদ! উপস্থিত লোকেরা তাকে বললঃ চুপ কর, এভাবে ডাকা নিষেধ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মত আওয়াজে জওয়াব দিলেনঃ আস। লোকটি বললঃ কোন ব্যক্তি এক সম্প্রদায়কে ভালবাসে কিন্তু সে তাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারে নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে যাকে ভালবাসে সে তার সঙ্গে অবস্থান করবে।
যিরর (রহঃ) বলেন, সাফওয়ান (রাঃ) আমাদের হাদীস বর্ণনা করতে থাকলেন। শেষে তিনি বর্ণনা করলেন যে, আল্লাহ তা’আলা পশ্চিমে একটি তওবার দ্বার তৈরী করেছেন। এর প্রশস্ততা সত্তর বছরের পথ। পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না ঘটা পর্যন্ত তা কখনও রুদ্ধ হবে না। আল্লাহর এই কালামে এইদিকে ইঙ্গিত রয়েছেঃ
يومَ يَأْتِي بَعْضُ آيَاتِ رَبِّكَ لاَ يَنْفَعُ نَفْسًا إِيمَانُهَا
যে দিন তোমার রব্বের কিছু নিদর্শনের আবির্ভাব ঘটবে, সেদিন তার ঈমান কোন কাজে আসবে না যে ব্যাক্তি পূর্বে ঈমান আনেনি। (সূরা আনআম ৬ঃ ১৫৮)
নোট: হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৫৩৭
হাসান (Hasan)
حدثنا ابراهيم بن يعقوب، حدثنا علي بن عياش، حدثنا عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن ابيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الله يقبل توبة العبد ما لم يغرغر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عامر العقدي، عن عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن ابيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عامر العقدي، عن عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن ابيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه .
৩৫৩৭. ইবরাহীম ইবন ইয়াকূব (রহঃ) .... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রুহ কন্ঠায় না পৌছা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা বান্দার তওবা অবশ্যই কবূল করবেন।
হাসান, ইবনু মাজাহ ৪২৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারিব। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাসান, ইবনু মাজাহ ৪২৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারিব। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩৫৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لله افرح بتوبة احدكم من احدكم بضالته اذا وجدها " . قال وفي الباب عن ابن مسعود والنعمان بن بشير وانس . قال وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث ابي الزناد . وقد روي هذا الحديث عن مكحول باسناد له عن ابي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا .
৩৫৩৮. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ হারিয়ে যাওয়া কোন ব্যক্তি পেলে যতখানি খুশি হয়, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের একজনের তওবায় এর চেয়ে বেশী আনন্দিত হন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৪৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবন মাসউদ, নু’মান ইবন বাশীর ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ এই সূত্রে গারীব। মাকহুল ... আবূ যর-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৪৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবন মাসউদ, নু’মান ইবন বাশীর ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ এই সূত্রে গারীব। মাকহুল ... আবূ যর-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস নং: ৩৫৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن محمد بن قيس، قاص عمر بن عبد العزيز عن ابي صرمة، عن ابي ايوب، انه قال حين حضرته الوفاة قد كتمت عنكم شيىا سمعته من رسول الله سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لولا انكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون ويغفر لهم " . قال هذا حديث حسن غريب .
وقد روي هذا، عن محمد بن كعب، عن ابي ايوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . حدثنا بذلك، قتيبة حدثنا عبد الرحمن بن ابي الرجال، عن عمر، مولى غفرة عن محمد بن كعب، عن ابي ايوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
وقد روي هذا، عن محمد بن كعب، عن ابي ايوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . حدثنا بذلك، قتيبة حدثنا عبد الرحمن بن ابي الرجال، عن عمر، مولى غفرة عن محمد بن كعب، عن ابي ايوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
৩৫৩৯. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ আইয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, যখন তার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল তখন বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শোনা একটি বিষয় তোমাদের কাছে থেকে এতোদিন গোপন করে রেখেছিলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের যদি পাপ সংঘটিত না হত তবে আল্লাহ এমন এক সৃষ্টি পয়দা করতেন যাদের পাপ হত আর তিনি তাদের মাফ করতেন।
সহীহ, সহীহাহ ৯৬৭-৯৭০, ১৯৬৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। মুহাম্মাদ ইবন কা’ব-আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
সহীহ, সহীহাহ ৯৬৭-৯৭০, ১৯৬৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। মুহাম্মাদ ইবন কা’ব-আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৫৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن اسحاق الجوهري البصري، حدثنا ابو عاصم، حدثنا كثير بن فاىد، حدثنا سعيد بن عبيد، قال سمعت بكر بن عبد الله المزني، يقول حدثنا انس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " قال الله يا ابن ادم انك ما دعوتني ورجوتني غفرت لك على ما كان فيك ولا ابالي يا ابن ادم لو بلغت ذنوبك عنان السماء ثم استغفرتني غفرت لك ولا ابالي يا ابن ادم انك لو اتيتني بقراب الارض خطايا ثم لقيتني لا تشرك بي شيىا لاتيتك بقرابها مغفرة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه .
৩৫৪০. আবদুল্লাহ ইবন ইসহাক জাওহারী বাসরী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ হে আদম সন্তান! তুমি যতদিন আমাকে ডাকতে থাকবে এবং আমার কাছে আশা করতে থাকবে তোমার পাপ যাই হোক না কেন আমি তা ক্ষমা করে দিব, এতে আমার কোন পরওয়া নেই। হে আদম সন্তান! তোমার পাপরাশি যদি আকাশের মেঘমালায়ও উপনীত হয়, এরপর তুমি যদি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তবুও আমি সব ক্ষমা করে দিব, এতে আমার কোন পরওয়া নেই। হে আদম সন্তান! তুমি যদি যমীন পরিমান পাপরাশি নিয়েও আমার কাছে এসে উপস্থিত হও, আর আমার সঙ্গে যদি কিছুর শরীক না করে থাক, তবে আমি সেই পরিমান ক্ষমা ও মাগফিরাত তোমাকে দান করব।
সহীহ, সহীহাহ ১২৭, ১২৮, রাওযুন নাযীর ৪৩২, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৩৩৬, তা’লীকুর রাগীব ২/২৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
সহীহ, সহীহাহ ১২৭, ১২৮, রাওযুন নাযীর ৪৩২, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২৩৩৬, তা’লীকুর রাগীব ২/২৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
হাদিস নং: ৩৫৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " خلق الله ماىة رحمة فوضع رحمة واحدة بين خلقه يتراحمون بها وعند الله تسعة وتسعون رحمة " . قال ابو عيسى وفي الباب عن سلمان وجندب بن عبد الله بن سفيان البجلي وهذا حديث حسن صحيح .
৩৫৪১. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা একশ’ রহমত সৃষ্টি করেছেন। তিনি তাঁর সৃষ্টির মাঝে একটি রহমত রেখেছেন যদ্বারা তারা একে অন্যের প্রতি রহম করে থাকে। আর আল্লাহর কাছে রয়েছে নিরানব্বইটি রহমত।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৯৩, ৪২৯৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সালমান এবং জুন্দুব ইবন আবদুল্লাহ ইবন সুফয়ান আল-বাজালীরাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৯৩, ৪২৯৪, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সালমান এবং জুন্দুব ইবন আবদুল্লাহ ইবন সুফয়ান আল-বাজালীরাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৫৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو يعلم المومن ما عند الله من العقوبة ما طمع في الجنة احد ولو يعلم الكافر ما عند الله من الرحمة ما قنط من الجنة احد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن لا نعرفه الا من حديث العلاء بن عبد الرحمن عن ابيه عن ابي هريرة .
৩৫৪২. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর কাছে কি শাস্তি আছে তা যদি মু’মিনরা জানত তবে কেউ জান্নাতের ব্যাপারে আশা করত না, আর আল্লাহর কাছে কি রহমত আছে তা যদি কাফিররা জানত তবে কেউ জান্নাত থেকে নিরাশ হত না।
সহীহ, সহীহাহ ১৬৩৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। আলা ইবন আবদুর রহমান—তাঁর পিতা আবদুর রহমান-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
সহীহ, সহীহাহ ১৬৩৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। আলা ইবন আবদুর রহমান—তাঁর পিতা আবদুর রহমান-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
হাদিস নং: ৩৫৪৩
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الله حين خلق الخلق كتب بيده على نفسه ان رحمتي تغلب غضبي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩৫৪৩. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ যখন তাঁর সৃষ্টিসমূহ পয়দা করেন তখনই তাঁর হাতে লিখে রাখেনঃ আমার রহমত আমার ক্রোধের উপর প্রবল থাকবে।
হাসান সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৮৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাসান সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৮৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৫৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الله بن ابي الثلج، - رجل من اهل بغداد ابو عبد الله صاحب احمد بن حنبل حدثنا يونس بن محمد، حدثنا سعيد بن زربي، عن عاصم الاحول، وثابت، عن انس، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم المسجد ورجل قد صلى وهو يدعو ويقول في دعاىه اللهم لا اله الا انت المنان بديع السموات والارض ذا الجلال والاكرام . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " تدرون بم دعا الله دعا الله باسمه الاعظم الذي اذا دعي به اجاب واذا سىل به اعطى " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث ثابت عن انس . وقد روي من غير هذا الوجه عن انس .
৩৫৪৪. মুহাম্মাদ ইবন আবূ ছালজ (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে এসে প্রবেশ করলেন। তখন সেখানে এক ব্যক্তি সালাত শেষ করে দু’আ করছিল। সে তার দু’আয় বলছিলঃ
اللَّهُمَّ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ
"হে আল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই। তুমিই তো অনুগ্রহদাতা। আকাশমন্ডলির ও পৃথিবীর উপমাহীন সৃষ্টিকর্তা, প্রতাপশালী ও মর্যাদাবান।"
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি জান, সে কিসের ওসীলায় দু’আ করেছে? এতো আল্লাহ তা’আলার ইসমে আযমের মাধ্যমে দু’আ করেছে। এর ওয়াসীলায় দু’আ করলে অবশ্যই তা কবুল করা হয়, যাঞ্চা করা হলে অবশ্যই প্রদান করা হয়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৫৮
হাদীসটি এই সূত্রে গারীব। এই হাদীসটি অন্য সূত্রও আনাসরাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে।
اللَّهُمَّ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ
"হে আল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই। তুমিই তো অনুগ্রহদাতা। আকাশমন্ডলির ও পৃথিবীর উপমাহীন সৃষ্টিকর্তা, প্রতাপশালী ও মর্যাদাবান।"
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি জান, সে কিসের ওসীলায় দু’আ করেছে? এতো আল্লাহ তা’আলার ইসমে আযমের মাধ্যমে দু’আ করেছে। এর ওয়াসীলায় দু’আ করলে অবশ্যই তা কবুল করা হয়, যাঞ্চা করা হলে অবশ্যই প্রদান করা হয়।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৫৮
হাদীসটি এই সূত্রে গারীব। এই হাদীসটি অন্য সূত্রও আনাসরাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৫৪৫
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن ابراهيم الدورقي، حدثنا ربعي بن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رغم انف رجل ذكرت عنده فلم يصل على ورغم انف رجل دخل عليه رمضان ثم انسلخ قبل ان يغفر له ورغم انف رجل ادرك عنده ابواه الكبر فلم يدخلاه الجنة " . قال عبد الرحمن واظنه قال او احدهما . قال وفي الباب عن جابر وانس وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . وربعي بن ابراهيم هو اخو اسماعيل بن ابراهيم وهو ثقة وهو ابن علية . ويروى عن بعض اهل العلم قال اذا صلى الرجل على النبي صلى الله عليه وسلم مرة في المجلس اجزا عنه ما كان في ذلك المجلس .
৩৫৪৫. আহামাদ ইবন ইবরাহীম দাওরাকী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, যার কাছে আমার উল্লেখ করা হল অথচ আমার উপর দরুদ পাঠ করল না। ওই ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, যার জীবনে রমযান মাস এল কিন্তু তাকে ক্ষমাপ্রাপ্ত না করেই তা অতিবাহিত হয়ে গেল। ওই ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, যে তার পিতামাতাকে (বা তাদের একজনকে) বৃদ্ধাবস্থায় পেল কিন্তু তাদের খেদমত করার মাধ্যমে সে জান্নাতী হতে পারলনা। আবদুর রহমান বলেনঃ আমি মনে করি তিনি বলেছেন তাদের (পিতামাতার) একজনকে পেল।
হাসান সহীহ, মিশকাত ৯২৭, তা’লীকুর রাগীব ২/২৮৩, নবীর উপর দুরুদ পাঠের ফাযিলাত ১৬, মুসলিম হাদিসের শেষ অংশ বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে জাবির ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান এই সূত্রে গারীব। রিবই ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ইসমাইল ইবন ইবরাহীম ইবন উলাইয়্যা-এর ভাই। ইনি নির্ভরযোগ্য। কোন কোন আলিম থেকে বর্ণিত আছে যে, কোন ব্যক্তি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মজলিসে একবার দ্রুদ পাঠ করে, তবে ঐ বৈঠকের জন্য তা-ই যথেষ্ট।
হাসান সহীহ, মিশকাত ৯২৭, তা’লীকুর রাগীব ২/২৮৩, নবীর উপর দুরুদ পাঠের ফাযিলাত ১৬, মুসলিম হাদিসের শেষ অংশ বর্ণনা করেছেন।
এই বিষয়ে জাবির ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান এই সূত্রে গারীব। রিবই ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ইসমাইল ইবন ইবরাহীম ইবন উলাইয়্যা-এর ভাই। ইনি নির্ভরযোগ্য। কোন কোন আলিম থেকে বর্ণিত আছে যে, কোন ব্যক্তি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মজলিসে একবার দ্রুদ পাঠ করে, তবে ঐ বৈঠকের জন্য তা-ই যথেষ্ট।
হাদিস নং: ৩৫৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، وزياد بن ايوب، قالا حدثنا ابو عامر العقدي، عن سليمان بن بلال، عن عمارة بن غزية، عن عبد الله بن علي بن حسين بن علي بن ابي طالب، عن ابيه، عن حسين بن علي بن ابي طالب، عن علي بن ابي طالب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " البخيل الذي من ذكرت عنده فلم يصل على " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩৫৪৬. ইয়াহইয়া ইবন মূসা ও যিয়াদ ইবন আয়্যূব (রহঃ) ..... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কৃপন সেই ব্যক্তি, যার নিকট আমার উল্লেখ করা হল কিন্তু সে আমার উপর দরুদ পাঠ করল না।
সহীহ, মিশকাত ৯৩৩, সালাতের ফাযিলাত ১৪/৩১-৩৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সহীহ, মিশকাত ৯৩৩, সালাতের ফাযিলাত ১৪/৩১-৩৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩৫৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن ابراهيم الدورقي، حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا ابي، عن الحسن بن عبيد الله، عن عطاء بن الساىب، عن عبد الله بن ابي اوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم برد قلبي بالثلج والبرد والماء البارد اللهم نق قلبي من الخطايا كما نقيت الثوب الابيض من الدنس " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩৫৪৭. আহমাদ ইবন ইবরাহীম দাওরাকী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন আবূ আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেনঃ
اللَّهُمَّ بَرِّدْ قَلْبِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ اللَّهُمَّ نَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ
হে আল্লাহ! আমার অন্তর শীতল করে দাও বরফ ঠান্ডা ও শীতল পানি দিয়ে। হে আল্লাহ! সাদা কাপড়কে যেমন ময়লা থেকে পরিস্কার করা হয় তেমনি আমার অন্তর কে পাপরাশি থেকে নির্মল করে দাও।
সহীহ, মুসলিম ২/৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
اللَّهُمَّ بَرِّدْ قَلْبِي بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ اللَّهُمَّ نَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ
হে আল্লাহ! আমার অন্তর শীতল করে দাও বরফ ঠান্ডা ও শীতল পানি দিয়ে। হে আল্লাহ! সাদা কাপড়কে যেমন ময়লা থেকে পরিস্কার করা হয় তেমনি আমার অন্তর কে পাপরাশি থেকে নির্মল করে দাও।
সহীহ, মুসলিম ২/৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩৫৪৮
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا يزيد بن هارون، عن عبد الرحمن بن ابي بكر القرشي المليكي، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من فتح له منكم باب الدعاء فتحت له ابواب الرحمة وما سىل الله شيىا يعني احب اليه من ان يسال العافية " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الدعاء ينفع مما نزل ومما لم ينزل فعليكم عباد الله بالدعاء " . قال هذا حديث غريب . لا نعرفه الا من حديث عبد الرحمن بن ابي بكر القرشي وهو المكي المليكي وهو ضعيف في الحديث ضعفه بعض اهل العلم من قبل حفظه .
وقد روى اسراىيل، هذا الحديث عن عبد الرحمن بن ابي بكر، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما سىل الله شيىا احب اليه من العافية "
حدثنا بذلك القاسم بن دينار الكوفي حدثنا اسحاق بن منصور الكوفي عن اسراىيل بهذا .
وقد روى اسراىيل، هذا الحديث عن عبد الرحمن بن ابي بكر، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما سىل الله شيىا احب اليه من العافية "
حدثنا بذلك القاسم بن دينار الكوفي حدثنا اسحاق بن منصور الكوفي عن اسراىيل بهذا .
৩৫৪৮. হাসান ইবন আরাফা (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যার জন্য দু’আর দ্বার উন্মোচিত হয়, তার জন্য জান্নাতের দ্বারসমূহও উন্মোচিত হয়। আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় যাঞ্চা হল সুস্থতা প্রার্থনা করা।
যঈফ, মিশকাত ২২৩৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৭২
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ যে বিপদ আপতিত হয়েছে এবং যা এখনও আপতিত হয় নাই সবক্ষেত্রেই দু’আয় উপকার হয়। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দাগন! তোমাদের দু’আ করা উচিত।
হাসান, মিশকাত ২৫৩৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন আবূ বকর কুরাশী (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমারা কিছুই জানি না। হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে ইনি যইফ। কোন কোন হাদীসবিদ তাঁর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন। ইসরাঈল (রহঃ) এই হাদীসটি আবদুর রহমান ইবন আবূ বকর-মূসা ইবন উকবা-নাফি’-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ আল্লাহর কাছে যে সব প্রার্থনা করা হয়, সে সবের মাঝে সুস্থতা ও নিরাপত্তা প্রার্থনার চেয়ে প্রিয় জিনিস তাঁর কাছে আর কিছু নেই।
কাসিম ইবন দীনার কূফী (রহঃ) — ইসরাঈল (রহঃ) সূত্রে উক্তরূপ বর্ণিত হয়েছে।
যঈফ, মিশকাত ২২৩৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৭২
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ যে বিপদ আপতিত হয়েছে এবং যা এখনও আপতিত হয় নাই সবক্ষেত্রেই দু’আয় উপকার হয়। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দাগন! তোমাদের দু’আ করা উচিত।
হাসান, মিশকাত ২৫৩৯, তা’লীকুর রাগীব ২/২৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন আবূ বকর কুরাশী (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমারা কিছুই জানি না। হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে ইনি যইফ। কোন কোন হাদীসবিদ তাঁর স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন। ইসরাঈল (রহঃ) এই হাদীসটি আবদুর রহমান ইবন আবূ বকর-মূসা ইবন উকবা-নাফি’-ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ আল্লাহর কাছে যে সব প্রার্থনা করা হয়, সে সবের মাঝে সুস্থতা ও নিরাপত্তা প্রার্থনার চেয়ে প্রিয় জিনিস তাঁর কাছে আর কিছু নেই।
কাসিম ইবন দীনার কূফী (রহঃ) — ইসরাঈল (রহঃ) সূত্রে উক্তরূপ বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস নং: ৩৫৪৯
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو النضر، حدثنا بكر بن خنيس، عن محمد القرشي، عن ربيعة بن يزيد، عن ابي ادريس الخولاني، عن بلال، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " عليكم بقيام الليل فانه داب الصالحين قبلكم وان قيام الليل قربة الى الله ومنهاة عن الاثم وتكفير للسيىات ومطردة للداء عن الجسد " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث بلال الا من هذا الوجه ولا يصح من قبل اسناده . قال سمعت محمد بن اسماعيل يقول محمد القرشي هو محمد بن سعيد الشامي وهو ابن ابي قيس وهو محمد بن حسان وقد ترك حديثه . وقد روى هذا الحديث معاوية بن صالح عن ربيعة بن يزيد عن ابي ادريس الخولاني عن ابي امامة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " عليكم بقيام الليل فانه داب الصالحين قبلكم وهو قربة الى ربكم ومكفرة للسيىات ومنهاة للاثم " . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث ابي ادريس عن بلال .
৩৫৪৯. ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) ...... বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ) প্রতিষ্ঠা করা উচিত। কেননা, এ হল তোমাদের পূর্ববর্তী নেককারদের অবলম্বিত রীতি। রাতের সালাত আল্লাহর নৈকট্যলাভ ও গুনাহ থেকে বাঁচার উপায়; মন্দ কাজের কাফফারা এবং শারীরিক রোগের প্রতিরোধক।
যইফ, ইরওয়া ৪৫২, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬, মিশকাত ১২২৭
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু এর রিওয়ায়াত হিসেবে এটি সম্পর্কে আমারা কিছু জানি না। সনদের দিক থেকে এটি সহীহ নয়। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ মুহাম্মাদ কুরাশী হলেন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ শামী। ইনি ইবন আবূ কায়েস; আর ইনি মুহাহাম্মাদ ইবন হাসসান। তাঁর বর্ণিত হাদীস পরিত্যাজ্য। মুআবিয়া ইবন সালিহ (রহঃ) এই হাদীসটি রাবিআ ইবন ইয়াযীদ-আবূ ইদরীস খাওলানী-আবূ উমামা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে। অনুরূপভাবে মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ... আবূ উমামারাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ) প্রতিষ্ঠা করা উচিত। কেননা, এ হল তোমাদের পূর্ববর্তী নেককারদের রীতি। এ হল তোমাদের রব্বের নৈকট্য লাভের উপায়, মন্দ কাজ সমুহের কাফফারা ও পাপসমূহের জন্য প্রতিরোধক। আবূ ইদরীস-বিলালরাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে এই রিওয়ায়াতটি অধিক সাহীহ।
হাসান, ইরওয়া ৪৫২, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬, মিশকাত ১২২৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
যইফ, ইরওয়া ৪৫২, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬, মিশকাত ১২২৭
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু এর রিওয়ায়াত হিসেবে এটি সম্পর্কে আমারা কিছু জানি না। সনদের দিক থেকে এটি সহীহ নয়। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ মুহাম্মাদ কুরাশী হলেন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ শামী। ইনি ইবন আবূ কায়েস; আর ইনি মুহাহাম্মাদ ইবন হাসসান। তাঁর বর্ণিত হাদীস পরিত্যাজ্য। মুআবিয়া ইবন সালিহ (রহঃ) এই হাদীসটি রাবিআ ইবন ইয়াযীদ-আবূ ইদরীস খাওলানী-আবূ উমামা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে। অনুরূপভাবে মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ... আবূ উমামারাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের রাতের সালাত (তাহাজ্জুদ) প্রতিষ্ঠা করা উচিত। কেননা, এ হল তোমাদের পূর্ববর্তী নেককারদের রীতি। এ হল তোমাদের রব্বের নৈকট্য লাভের উপায়, মন্দ কাজ সমুহের কাফফারা ও পাপসমূহের জন্য প্রতিরোধক। আবূ ইদরীস-বিলালরাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে এই রিওয়ায়াতটি অধিক সাহীহ।
হাসান, ইরওয়া ৪৫২, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬, মিশকাত ১২২৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]