হাদিস নং: ৩০১০
হাসান (Hasan)
حدثنا يحيى بن حبيب بن عربي، حدثنا موسى بن ابراهيم بن كثير الانصاري، قال سمعت طلحة بن خراش، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول لقيني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لي " يا جابر ما لي اراك منكسرا " . قلت يا رسول الله استشهد ابي قتل يوم احد وترك عيالا ودينا . قال " افلا ابشرك بما لقي الله به اباك " . قال قلت بلى يا رسول الله . قال " ما كلم الله احدا قط الا من وراء حجاب واحيا اباك فكلمه كفاحا فقال يا عبدي تمن على اعطك . قال يا رب تحييني فاقتل فيك ثانية . قال الرب عز وجل انه قد سبق مني انهم اليها لا يرجعون " . قال وانزلت هذه الاية : (ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله امواتا ) الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ولا نعرفه الا من حديث موسى بن ابراهيم ورواه علي بن عبد الله بن المديني وغير واحد من كبار اهل الحديث هكذا عن موسى بن ابراهيم .
৩০১০. ইয়াহ্ইয়া ইবন হাবীব ইবন আরাবী (রহঃ) ..... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সামনে পড়লেন। তিনি বললেনঃ হে জাবির! কি ব্যপার, আমি তোমাকে মন-ভাঙ্গা দেখছি? আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার পিতা শহীদ হয়ে গেছেন। তিনি এক পরিবার ও ঋণ রেখে গেছেন। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তোমার পিতার সঙ্গে কী ব্যবহার করেছেন সে সুসংবাদ তোমাকে দিব কি? আমি বললামঃ অবশ্যই ইয়া রাসূলাল্লাহ্! তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা হিজাবের অন্তরাল ছাড়া কারো সঙ্গে কখনও কথা বলেন নি। কিন্তু তিনি তোমার পিতাকে যিন্দা করেন এবং সামনা-সামনি তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি তাকে বললেনঃ হে আমার বান্দা! তুমি তোমার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ কর আমি তোমাকে দান করব। তিনি বললেনঃ হে আমার রব! আপনি আমাকে যিন্দা করে দেন, যাতে আমি দ্বিতীয়বারে আপনার নামে শহীদ হই। রাব্বুল আলামীন বলেছেনঃ আমার পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে যে, এদের কেউ আর ফিরে যারে না। তিনি বলেন আর এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
وَلَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا
যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়েছে তাদের কখনও মৃত ভেবো না ...... শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৬৯)।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৯০, ২৮০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই সূত্রে হাদীসটি হাসান-গারীব। মূসা ইবন ইবরাহীম-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আলী ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন মাদীনী প্রমুখ বড় বড় হাদীসবিদগণ মূসা ইবন ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে এরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। আবদুল্লাহ্ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আকীল (রহঃ)-ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এই হাদীসটি আংশিক বর্ণনা করেছেন।
وَلَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا
যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়েছে তাদের কখনও মৃত ভেবো না ...... শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৬৯)।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৯০, ২৮০০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই সূত্রে হাদীসটি হাসান-গারীব। মূসা ইবন ইবরাহীম-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আলী ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন মাদীনী প্রমুখ বড় বড় হাদীসবিদগণ মূসা ইবন ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে এরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। আবদুল্লাহ্ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আকীল (রহঃ)-ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে এই হাদীসটি আংশিক বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩০১১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله بن مسعود، انه سىل عن قوله : (ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله امواتا بل احياء عند ربهم يرزقون ) فقال اما انا قد سالنا عن ذلك فاخبرنا ان ارواحهم في طير خضر تسرح في الجنة حيث شاءت وتاوي الى قناديل معلقة بالعرش فاطلع اليهم ربك اطلاعة فقال هل تستزيدون شيىا فازيدكم قالوا ربنا وما نستزيد ونحن في الجنة نسرح حيث شىنا ثم اطلع اليهم الثانية فقال هل تستزيدون شيىا فازيدكم فلما راوا انهم لم يتركوا قالوا تعيد ارواحنا في اجسادنا حتى نرجع الى الدنيا فنقتل في سبيلك مرة اخرى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عطاء بن الساىب، عن ابي عبيدة، عن ابن مسعود، مثله وزاد فيه وتقرى نبينا السلام وتخبره عنا انا قد رضينا ورضي عنا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عطاء بن الساىب، عن ابي عبيدة، عن ابن مسعود، مثله وزاد فيه وتقرى نبينا السلام وتخبره عنا انا قد رضينا ورضي عنا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৩০১১. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত।
(لَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ)
(৩ : ১৬৯) আয়াতটি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ শোন, আমরাও এই সম্পর্কে জিজ্ঞাস করেছিলাম। আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, তাঁদের (শহীদদের) রূহগুলি সবুজ পাখির ভিতর থাকে। সে পাখি জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা উড়ে বেড়ায় এবং তারা আরশের সঙ্গে লটকানো ঝাড়ে থাকে। তোমার রব একবার তাদের সম্মুখে আবির্ভূত হবেন। বলবেন, আরো কোন জিনিস তোমরা চাও কি? তা হলে আমি তা তোমাদের জন্য বাড়িয়ে দিব।
তারা বলবেঃ হে আমাদের রব! আর কি অতিরিক্ত চাইব? আমরা জান্নাতে অবস্থান করছি। যেখানে ইচ্ছা উড়ে বেড়াই। তারপর আবার তিনি আবির্ভূত হয়ে বলবেন, তোমরা আরো কিছু অতিরিক্ত চাও কি? তোমাদের জন্য তা বাড়িয়ে দিব।
এরা যখন দেখবে যে, তাদের কিছু না দিয়ে ছাড়া হচ্ছে না, তখন তারা বলবেঃ আপনি আমাদের শরীরে আমাদের রূহ ফিরিয়ে দিন, যাতে আমরা দুনিয়ায় ফিরে যাই এবং আবার আপনার পথে শহীদ হই।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮০১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইবন আবূ উমর (রহঃ) ... ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে আরো আছেঃ আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমাদের সালাম পৌঁছে দিবেন এবং তাঁকে এই সংবাদ দিবেন যে, আমরা সন্তুষ্ট এবং আমাদের উপর (আমাদের রব) সন্তুষ্ট।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
(لَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ)
(৩ : ১৬৯) আয়াতটি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ শোন, আমরাও এই সম্পর্কে জিজ্ঞাস করেছিলাম। আমাদের অবহিত করা হয়েছে যে, তাঁদের (শহীদদের) রূহগুলি সবুজ পাখির ভিতর থাকে। সে পাখি জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা উড়ে বেড়ায় এবং তারা আরশের সঙ্গে লটকানো ঝাড়ে থাকে। তোমার রব একবার তাদের সম্মুখে আবির্ভূত হবেন। বলবেন, আরো কোন জিনিস তোমরা চাও কি? তা হলে আমি তা তোমাদের জন্য বাড়িয়ে দিব।
তারা বলবেঃ হে আমাদের রব! আর কি অতিরিক্ত চাইব? আমরা জান্নাতে অবস্থান করছি। যেখানে ইচ্ছা উড়ে বেড়াই। তারপর আবার তিনি আবির্ভূত হয়ে বলবেন, তোমরা আরো কিছু অতিরিক্ত চাও কি? তোমাদের জন্য তা বাড়িয়ে দিব।
এরা যখন দেখবে যে, তাদের কিছু না দিয়ে ছাড়া হচ্ছে না, তখন তারা বলবেঃ আপনি আমাদের শরীরে আমাদের রূহ ফিরিয়ে দিন, যাতে আমরা দুনিয়ায় ফিরে যাই এবং আবার আপনার পথে শহীদ হই।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮০১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইবন আবূ উমর (রহঃ) ... ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে আরো আছেঃ আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমাদের সালাম পৌঁছে দিবেন এবং তাঁকে এই সংবাদ দিবেন যে, আমরা সন্তুষ্ট এবং আমাদের উপর (আমাদের রব) সন্তুষ্ট।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩০১২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن جامع، وهو ابن ابي راشد وعبد الملك بن اعين عن ابي واىل، عن عبد الله بن مسعود، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما من رجل لا يودي زكاة ماله الا جعل الله يوم القيامة في عنقه شجاعا " . ثم قرا علينا مصداقه من كتاب الله عز وجل : (ولا تحسبن الذين يبخلون بما اتاهم الله من فضله ) الاية . وقال مرة قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم مصداقه : (سيطوقون ما بخلوا به يوم القيامة ) " ومن اقتطع مال اخيه المسلم بيمين لقي الله وهو عليه غضبان " . ثم قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم مصداقه من كتاب الله : (ان الذين يشترون بعهد الله ) الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০১২. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফূ’রূপে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার সম্পদের যাকাত দেয় না আল্লাহ্ ত’আলা কিয়ামতের দিন তার গলায় একটা আযদাহা পেঁচিয়ে দিবেন। এরপর তিনি এই দিকে ইঙ্গিত বহু কুরআনের আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ
لَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ
আল্লাহ্ নিজ অনুগ্রহে যা তোমাদের দিয়েছেন তাতে যারা কৃপণতা করে তা তাদের জন্য মঙ্গলজনক বলে মনে করব না ...... (৩ঃ ১৮০)
কখনও কখনও তিনি বলতেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই বিষয়ে ইঙ্গিতবহ এই আয়াতটি পাঠ করতেনঃ (سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ) - যে বিষয়ে তারা কৃপনতা করবে কিয়ামতের দিন তাই তাদের গলার বেড়ী হবে ....... (৩ঃ ১৮০)
কেউ যদি (মিথ্যা) কসম করে তার মুসলিম ভাইয়ের সম্পদ আত্মসাৎ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ হবে যে, তিনি তাদের উপর ক্রোধান্বিত থাকবেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ইঙ্গিতবহ এই আয়াত পাঠ করলেনঃ (إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ) (৩ঃ ৭৭)।
সহীহ, মুশকিলাতুল ফাকর ৬০, তা’লীকুর রাগীব ১/৬৮, হাদিসের ২য় অংশ বুখারি ৭৪৪৫, মুসলিম ১/৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি সহীহ।
شجاعاً আযদাহা সাপ।
لَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ
আল্লাহ্ নিজ অনুগ্রহে যা তোমাদের দিয়েছেন তাতে যারা কৃপণতা করে তা তাদের জন্য মঙ্গলজনক বলে মনে করব না ...... (৩ঃ ১৮০)
কখনও কখনও তিনি বলতেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই বিষয়ে ইঙ্গিতবহ এই আয়াতটি পাঠ করতেনঃ (سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ) - যে বিষয়ে তারা কৃপনতা করবে কিয়ামতের দিন তাই তাদের গলার বেড়ী হবে ....... (৩ঃ ১৮০)
কেউ যদি (মিথ্যা) কসম করে তার মুসলিম ভাইয়ের সম্পদ আত্মসাৎ করে তবে আল্লাহর সঙ্গে তার এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ হবে যে, তিনি তাদের উপর ক্রোধান্বিত থাকবেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি ইঙ্গিতবহ এই আয়াত পাঠ করলেনঃ (إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ) (৩ঃ ৭৭)।
সহীহ, মুশকিলাতুল ফাকর ৬০, তা’লীকুর রাগীব ১/৬৮, হাদিসের ২য় অংশ বুখারি ৭৪৪৫, মুসলিম ১/৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি সহীহ।
شجاعاً আযদাহা সাপ।
হাদিস নং: ৩০১৩
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، وسعيد بن عامر، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان موضع سوط في الجنة لخير من الدنيا وما فيها اقرءوا ان شىتم : (فمن زحزح عن النار وادخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا الا متاع الغرور ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০১৩. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতের একটি বেত রাখার মত জায়গা দুনিয়া ও এর মধ্যে যা আছে সবকিছু থেকে উত্তম। ইচ্ছা করলে তোমরা পাঠ করতে পারঃ
فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ
যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে দাখিল করা হবে সেই তো সফলকাম। আর দুনিয়ার জীবন তো ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। (৩ঃ১৮৫)
হাসান, সহীহাহ ১৯৮৭, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ
যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে দাখিল করা হবে সেই তো সফলকাম। আর দুনিয়ার জীবন তো ছলনাময় ভোগ ব্যতীত কিছুই নয়। (৩ঃ১৮৫)
হাসান, সহীহাহ ১৯৮৭, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا الحجاج بن محمد، قال قال ابن جريج اخبرني ابن ابي مليكة، ان حميد بن عبد الرحمن بن عوف، اخبره ان مروان بن الحكم قال اذهب يا رافع لبوابه الى ابن عباس فقل له لىن كان كل امرى فرح بما اوتي واحب ان يحمد بما لم يفعل معذبا لنعذبن اجمعون . قال ابن عباس ما لكم ولهذه الاية انما انزلت هذه في اهل الكتاب ثم تلا ابن عباس : ( واذ اخذ الله ميثاق الذين اوتوا الكتاب لتبيننه للناس ولا تكتمونه ) وتلا : (لا تحسبن الذين يفرحون بما اتوا ويحبون ان يحمدوا بما لم يفعلوا ) قال ابن عباس سالهم النبي صلى الله عليه وسلم عن شيء فكتموه واخبروه بغيره فخرجوا وقد اروه ان قد اخبروه بما قد سالهم عنه واستحمدوا بذلك اليه وفرحوا بما اوتوا من كتمانهم وما سالهم عنه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩০১৪. হাসান ইবন মুহাম্মাদ যা’আফরানী (রহঃ) ..... মারওয়ান ইবনুল হাকাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর দারওয়ান রাফি’কে বললেনঃ হে রাফি! ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে যাও এবং তাঁকে বল, নিজেদের কার্যকলাপের প্রতি যারা খুশী এবং যা করেনি সে কাজের জন্য যারা প্রশংশিত হতে ভালবাসে (৩ঃ ১৮৮ নং আয়াত অনুসারে) এমন প্রত্যেকেই যদি আযাব-নিপতিত হয়, তবে আমাদের সবাইকেই তো আযাবে নিপতিত হতে হবে।
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তোমাদের সাথে এই আয়াতের কি সম্পর্ক? এই আয়াত তো কিতাবীদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। এরপর ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু তিলাওয়াত করলেনঃ
وَإِذْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلاَ تَكْتُمُونَهُ
স্মরণ কর, যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল আল্লাহ্ তাদের প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন’’ তোমরা (আল্লাহর বিধান) মানুষের নিকট স্পষ্টভাবে প্রকাশ করবে এবং তা গোপন করবে না ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৮৭)। তিনি আরও তিলাওয়াত করলেনঃ
لَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَفْرَحُونَ بِمَا أَتَوْا وَيُحِبُّونَ أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا
যারা নিজেদের কার্যকলাপের উপর আনন্দ প্রকাশ করে এবং যা করেনি সে বিষয়ে প্রশংসিত হতে ভালবাসে ... আয়াতের শষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৮৮)।
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এদেরকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কিন্তু তারা তা গোপন করে এবং এর বিপরীতে তথ্য দেয়। পরে তারা বের হয়ে গেল এবং তাঁর প্রতি এমন ভাব দেখাল যে, যে বিষয়ে তিনি তাদের প্রশ্ন করেছিলেন, সে বিষয়ে যথার্থ তথ্য তারা তাঁকে অবহিত করেছে এবং এর জন্য তারা প্রশংসার দাবীদার হয়েছে। মোটকথা, এরা ছিল যারা তাদের কিতাবে যা পেয়েছে এবং তাদের তিনি যে প্রশ্ন করেছিলেন তাতে আনন্দ প্রকাশ করেছিল।
সহীহ, বুখারি ৪৫৬৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ।
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তোমাদের সাথে এই আয়াতের কি সম্পর্ক? এই আয়াত তো কিতাবীদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। এরপর ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু তিলাওয়াত করলেনঃ
وَإِذْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلاَ تَكْتُمُونَهُ
স্মরণ কর, যাদের কিতাব দেওয়া হয়েছিল আল্লাহ্ তাদের প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন’’ তোমরা (আল্লাহর বিধান) মানুষের নিকট স্পষ্টভাবে প্রকাশ করবে এবং তা গোপন করবে না ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৮৭)। তিনি আরও তিলাওয়াত করলেনঃ
لَاَ تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَفْرَحُونَ بِمَا أَتَوْا وَيُحِبُّونَ أَنْ يُحْمَدُوا بِمَا لَمْ يَفْعَلُوا
যারা নিজেদের কার্যকলাপের উপর আনন্দ প্রকাশ করে এবং যা করেনি সে বিষয়ে প্রশংসিত হতে ভালবাসে ... আয়াতের শষ পর্যন্ত (৩ঃ ১৮৮)।
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এদেরকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কিন্তু তারা তা গোপন করে এবং এর বিপরীতে তথ্য দেয়। পরে তারা বের হয়ে গেল এবং তাঁর প্রতি এমন ভাব দেখাল যে, যে বিষয়ে তিনি তাদের প্রশ্ন করেছিলেন, সে বিষয়ে যথার্থ তথ্য তারা তাঁকে অবহিত করেছে এবং এর জন্য তারা প্রশংসার দাবীদার হয়েছে। মোটকথা, এরা ছিল যারা তাদের কিতাবে যা পেয়েছে এবং তাদের তিনি যে প্রশ্ন করেছিলেন তাতে আনন্দ প্রকাশ করেছিল।
সহীহ, বুখারি ৪৫৬৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০১৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا ابن عيينة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول مرضت فاتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني وقد اغمي على فلما افقت قلت كيف اقضي في مالي فسكت عني حتى نزلت : ( يوصيكم الله في اولادكم للذكر مثل حظ الانثيين ) قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روى غير واحد عن محمد بن المنكدر .
حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا سفيان، عن ابن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وفي حديث الفضل بن الصباح كلام اكثر من هذا .
حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا سفيان، عن ابن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وفي حديث الفضل بن الصباح كلام اكثر من هذا .
৩০১৫. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি অসুস্থ ছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এলেন। আমি তখন বেহুঁশ হয়ে পড়েছিলাম। হুঁশ এলে বললামঃ আমি আমার সম্পদে কি ফায়সালা করব? তিনি চুপ করে রইলেন। তখন এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلاَدِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الأُنْثَيَيْنِ
আল্লাহ্ তোমাদের সন্তানদের বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছেন। এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান। (৪ : ১১)।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৭২৮, বুখারি ৪৫৭৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক রাবী এটি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফাযল ইবন সাব্বাহ বাগদাদী (রহঃ) জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ফাযল ইবন সাব্বাহ (রহঃ)-এর রিওয়ায়তে আরো বেশী বক্তব্য রয়েছে।
يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلاَدِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الأُنْثَيَيْنِ
আল্লাহ্ তোমাদের সন্তানদের বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছেন। এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান। (৪ : ১১)।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৭২৮, বুখারি ৪৫৭৭, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক রাবী এটি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফাযল ইবন সাব্বাহ বাগদাদী (রহঃ) জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ফাযল ইবন সাব্বাহ (রহঃ)-এর রিওয়ায়তে আরো বেশী বক্তব্য রয়েছে।
হাদিস নং: ৩০১৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا حبان بن هلال، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن ابي الخليل، عن ابي علقمة الهاشمي، عن ابي سعيد الخدري، قال لما كان يوم اوطاس اصبنا نساء لهن ازواج في المشركين فكرههن رجال منهم فانزل الله : (والمحصنات من النساء الا ما ملكت ايمانكم ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৩০১৬. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আওতাস যুদ্ধের সময় আমাদের হাতে অনেক নারী বন্দী আসে। তাদের মুশরিক স্বামী ছিল। সাহাবীদের অনেকেই তাদের অপছন্দ করেন। আল্লাহ্ তা’আলা তখন এই আয়াতে নাযিল করেনঃ
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ
নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ। (৪ : ২৪ )।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৮৭১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ
নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ। (৪ : ২৪ )।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৮৭১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩০১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا عثمان البتي، عن ابي الخليل، عن ابي سعيد الخدري، قال اصبنا سبايا يوم اوطاس لهن ازواج في قومهن فذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلت : (والمحصنات من النساء الا ما ملكت ايمانكم ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وهكذا روى الثوري عن عثمان البتي عن ابي الخليل عن ابي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وليس في هذا الحديث عن ابي علقمة ولا اعلم ان احدا ذكر ابا علقمة في هذا الحديث الا ما ذكر همام عن قتادة وابو الخليل اسمه صالح بن ابي مريم .
৩০১৭. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আওতাস যুদ্ধে আমাদের হাতে নবী বন্দী হয়ে আসে। নিজেদের কওমে স্বামীও ছিল। সাহাবীগণ এদের বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উত্থাপন করলে এই আয়াত নাযিল হলঃ
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ
হাদীসটি হাসান। ছাওরী (রহঃ) এই হাদীসটিকে উছমান আল-বাত্তি ... আবুল খালীল ... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই সনদে আবূ আলকামা (রহঃ) এর উল্লেখ নেই। আবুল খালীল (রহঃ) এর নাম হল সালিহ ইবন আবূ মারইয়াম।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ
হাদীসটি হাসান। ছাওরী (রহঃ) এই হাদীসটিকে উছমান আল-বাত্তি ... আবুল খালীল ... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই সনদে আবূ আলকামা (রহঃ) এর উল্লেখ নেই। আবুল খালীল (রহঃ) এর নাম হল সালিহ ইবন আবূ মারইয়াম।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى الصنعاني، حدثنا خالد بن الحارث، عن شعبة، حدثنا عبيد الله بن ابي بكر بن انس، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الكباىر قال " الشرك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس وقول الزور " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . ورواه روح بن عبادة عن شعبة وقال عن عبد الله بن ابي بكر ولا يصح .
৩০১৮. মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আ’লা সানআনী (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কবীর গুনাহ্ সম্পর্কে রিওয়ায়ত আছে। তিনি বলেছেনঃ তা হল, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফরমানী করা, প্রাণ সংহার করা, মিথ্যা বলা।
সহীহ, গায়াতুল মারাম ২৭৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। রাওহ ইবন উবাদা এটিকে শু’বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি সনদে (উবায়দুল্লাহ্-এর স্থলে) আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ বকর বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তা সহীহ নয়।
সহীহ, গায়াতুল মারাম ২৭৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। রাওহ ইবন উবাদা এটিকে শু’বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি সনদে (উবায়দুল্লাহ্-এর স্থলে) আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ বকর বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তা সহীহ নয়।
হাদিস নং: ৩০১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا حميد بن مسعدة، - بصري - حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا احدثكم باكبر الكباىر " . قالوا بلى يا رسول الله . قال " الاشراك بالله وعقوق الوالدين " . قال وجلس وكان متكىا قال " وشهادة الزور او قول الزور " . قال فما زال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولها حتى قلنا ليته سكت . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح .
৩০১৯. হুমায়দ ইবন মাসআদা (রহঃ) ...... আবূ বকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের সবচেয়ে গুরুতর কবীর গুনাহসমূহের কথা বলব?
সাহাবীগণ আরয করলেনঃ অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার সঙ্গে নাফরমানী করা।
আবূ বকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তিনি কাত হয়ে ছিলেন। সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ মিথ্যা সাক্ষী দেয়া বা মিথ্যা কথা বলা। আবূ বকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাটি বারবার এমনভাবে বলতে লাগলেন যে, আমরা মনে মনে বলতে লাগলাম, তিনি যদি চুপ করতেন (তবে ভাল হতো)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সাহাবীগণ আরয করলেনঃ অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার সঙ্গে নাফরমানী করা।
আবূ বকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ তিনি কাত হয়ে ছিলেন। সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ মিথ্যা সাক্ষী দেয়া বা মিথ্যা কথা বলা। আবূ বকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাটি বারবার এমনভাবে বলতে লাগলেন যে, আমরা মনে মনে বলতে লাগলাম, তিনি যদি চুপ করতেন (তবে ভাল হতো)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩০২০
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا الليث بن سعد، عن هشام بن سعد، عن محمد بن زيد بن مهاجر بن قنفذ التيمي، عن ابي امامة الانصاري، عن عبد الله بن انيس الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان من اكبر الكباىر الشرك بالله وعقوق الوالدين واليمين الغموس وما حلف حالف بالله يمين صبر فادخل فيها مثل جناح بعوضة الا جعلت نكتة في قلبه الى يوم القيامة " . قال ابو عيسى وابو امامة الانصاري هو ابن ثعلبة ولا نعرف اسمه وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلم احاديث . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৩০২০. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন উনায়স জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বর বড় কবীরা গুনাহসমূহ হলঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা মাতার নাফরমানী করা, মিথ্যা কসম করা, কেউ যদি অপরিবর্তনীয় এবং অবশ্যাম্ভাবী ভাবে যা প্রয়োগ হয় এমন হলফ করে আর তাতে মশার পাখার মত সামান্য মাত্র মিথ্যা ঢুকিয়ে দেয় তবুও তা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তার মনে দাগ হয়ে থাকবে।
হাসান, মিশকাত তাহকীক ছানী ৩৭৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটি হাসান গারীব। আবূ উমামা আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন ইবন সা’লাবা। তার নাম আমাদের জানা নেই। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাসান, মিশকাত তাহকীক ছানী ৩৭৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটি হাসান গারীব। আবূ উমামা আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু হলেন ইবন সা’লাবা। তার নাম আমাদের জানা নেই। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩০২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فراس، عن الشعبي، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الكباىر الاشراك بالله وعقوق الوالدين او قال اليمين الغموس " . شك شعبة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০২১. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কবীরা গুনাহসমূহ হল, আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফরমানী করা, অথবা তিনি বলেছেনঃ মিথ্যা কসম করা। এখানে শু’বা (রহঃ)-এর সন্দেহ হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিতা-মাতার প্রতি নাফরমানী না মিথ্যা কসমের কথা বলেছিলেন।
সহীহ, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ام سلمة، انها قالت يغزو الرجال ولا يغزو النساء وانما لنا نصف الميراث . فانزل الله : (ولا تتمنوا ما فضل الله به بعضكم على بعض ) . قال مجاهد فانزل فيها : ( ان المسلمين والمسلمات ) وكانت ام سلمة اول ظعينة قدمت المدينة مهاجرة . قال ابو عيسى هذا حديث مرسل . ورواه بعضهم عن ابن ابي نجيح عن مجاهد مرسل ان ام سلمة قالت كذا وكذا .
৩০২২. ইবন আবূ উমর (রহঃ) .... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ পুরুষরা জিহাদ করে অথচ মহিলারা জিহাদ করতে পারে না। আর আমাদের জন্য (পুরুষের তুলনায়) মীরাছের অর্ধেক হিস্যা মাত্র। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ
وَلاَ تَتَمَنَّوْا مَا فَضَّلَ اللَّهُ بِهِ بَعْضَكُمْ عَلَى بَعْضٍ
যা দিয়ে আল্লাহ তোমাদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লোভ করবে না। (৪ঃ ৩২)।
মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে নাযিল হয়েছিলঃ إِنَّ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ (সূরা আহযাব ৩৩ঃ ৩৫)।
উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন মদীনায় হিজরতকারী প্রথম মহিলা। (আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি মুরসাল। কেউ কেউ এটিকে ইবন আবূ নাজীহ ... মুজাহিদ (রহঃ) সূত্রে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা অমুক অমুক কথা বলেছিলেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
وَلاَ تَتَمَنَّوْا مَا فَضَّلَ اللَّهُ بِهِ بَعْضَكُمْ عَلَى بَعْضٍ
যা দিয়ে আল্লাহ তোমাদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লোভ করবে না। (৪ঃ ৩২)।
মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ এই বিষয়ে নাযিল হয়েছিলঃ إِنَّ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ (সূরা আহযাব ৩৩ঃ ৩৫)।
উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন মদীনায় হিজরতকারী প্রথম মহিলা। (আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি মুরসাল। কেউ কেউ এটিকে ইবন আবূ নাজীহ ... মুজাহিদ (রহঃ) সূত্রে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা অমুক অমুক কথা বলেছিলেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن رجل، من ولد ام سلمة عن ام سلمة، قالت يا رسول الله لا اسمع الله ذكر النساء في الهجرة . فانزل الله تعالى : ( اني لا اضيع عمل عامل منكم من ذكر او انثى بعضكم من بعض ) .
৩০২৩. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ...... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আল্লাহ্ তা’আলাকে হিজরতের বিষয়ে মেয়েদের নিয়ে কিছু বলতে শুনলাম না। আল্লাহ্ তা’আলা তখন নাযিল করেনঃ
إِنِّي لاَ أُضِيعُ عَمَلَ عَامِلٍ مِنْكُمْ مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى بَعْضُكُمْ مِنْ بَعْضٍ
আমি তোমাদের মধ্যে কোন কর্মনিষ্ঠা পুরুষ অথবা নারীর কর্ম বিফল করি না। তোমরা একে অপরের অংশ ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (সূরা আল-ই-ইমরান ৩ঃ ১৯৫)।
পূর্বের হাদিসের সহায়তায় সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
إِنِّي لاَ أُضِيعُ عَمَلَ عَامِلٍ مِنْكُمْ مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى بَعْضُكُمْ مِنْ بَعْضٍ
আমি তোমাদের মধ্যে কোন কর্মনিষ্ঠা পুরুষ অথবা নারীর কর্ম বিফল করি না। তোমরা একে অপরের অংশ ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (সূরা আল-ই-ইমরান ৩ঃ ১৯৫)।
পূর্বের হাদিসের সহায়তায় সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، قال قال عبد الله امرني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اقرا عليه وهو على المنبر . فقرات عليه من سورة النساء حتى اذا بلغت: ( فكيف اذا جىنا من كل امة بشهيد وجىنا بك على هولاء شهيدا ) غمزني رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده فنظرت اليه وعيناه تدمعان . قال ابو عيسى هكذا روى ابو الاحوص عن الاعمش عن ابراهيم عن علقمة عن عبد الله وانما هو ابراهيم عن عبيدة عن عبد الله .
৩০২৪. হান্নাদ (রহঃ) ....... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সামনে কুরআন তিলাওয়াত করতে নির্দেশ দিলেন, তিনি তখন মিম্বরে উপবিষ্ট ছিলেন। আমি সূরা নিসা থেকে তিলাওয়াত করলাম। যখন এই আয়াত পৌঁছলামঃ (فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاَءِ شَهِيدًا) সে দিন কী অবস্থা হবে যে দিন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং আপনাকে উপস্থিত করব তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসাবে (৪ঃ ৪১)। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তাঁর হাত দিয়ে চাপ দেন। আমি তাঁর দিকে তাকালাম। তাঁর দু’চোখ বেয়ে অশ্রু পড়ছিল।
আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি আ’মাশ ... ইবরাহীম ... আলকামা ... আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আসলে তা হবে ইবরাহীম ... উবায়দা-আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি আ’মাশ ... ইবরাহীম ... আলকামা ... আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আসলে তা হবে ইবরাহীম ... উবায়দা-আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا معاوية بن هشام، حدثنا سفيان الثوري، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقرا على " . فقلت يا رسول الله اقرا عليك وعليك انزل قال " اني احب ان اسمعه من غيري " . فقرات سورة النساء حتى اذا بلغت : (جىنا بك على هولاء شهيدا ) قال فرايت عينى النبي صلى الله عليه وسلم تهملان . قال ابو عيسى هذا اصح من حديث ابي الاحوص .
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا ابن المبارك، عن سفيان، عن الاعمش، نحو حديث معاوية بن هشام .
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا ابن المبارك، عن سفيان، عن الاعمش، نحو حديث معاوية بن هشام .
৩০২৫. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একদিন বললেনঃ তুমি আমার সামনে তিলাওয়াত কর।
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি আপনার কাছে তিলাওয়াত করব? অথচ আপনারই উপর নাযিল হয়েছে তা! তিনি বললেনঃ অন্যের কাছ থেকে শুনতেও আমি ভালবাসি। আমি সূরা নিসা থেকে তিলাওয়াত করতে লাগলাম। অবশেষে যখন (وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاَءِ شَهِيدًا) (৪ঃ ৪১) আয়াত পর্যন্ত পৌঁছলাম তিনি বলেনঃ তখন দেখলাম রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে।
সহীহ, বুখারি ৪৫৮২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই রিওয়ায়তটি আবুল আহওয়াস-এর রিওয়ায়ত (৩০২৪ নং) অপেক্ষা অধিক সহীহ। সওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ... আ’মাশ (রহঃ) থেকে মুআবিয়া ইবন হিশাম (রহঃ) এর রিওয়ায়তের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি আপনার কাছে তিলাওয়াত করব? অথচ আপনারই উপর নাযিল হয়েছে তা! তিনি বললেনঃ অন্যের কাছ থেকে শুনতেও আমি ভালবাসি। আমি সূরা নিসা থেকে তিলাওয়াত করতে লাগলাম। অবশেষে যখন (وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلاَءِ شَهِيدًا) (৪ঃ ৪১) আয়াত পর্যন্ত পৌঁছলাম তিনি বলেনঃ তখন দেখলাম রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দু’চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে।
সহীহ, বুখারি ৪৫৮২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই রিওয়ায়তটি আবুল আহওয়াস-এর রিওয়ায়ত (৩০২৪ নং) অপেক্ষা অধিক সহীহ। সওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ... আ’মাশ (রহঃ) থেকে মুআবিয়া ইবন হিশাম (রহঃ) এর রিওয়ায়তের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩০২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرحمن بن سعد، عن ابي جعفر الرازي، عن عطاء بن الساىب، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن علي بن ابي طالب، قال صنع لنا عبد الرحمن بن عوف طعاما فدعانا وسقانا من الخمر فاخذت الخمر منا وحضرت الصلاة فقدموني فقرات : ( قل يا ايها الكافرون ) لا اعبد ما تعبدون ونحن نعبد ما تعبدون . قال فانزل الله تعالى : ( يا ايها الذين امنوا لا تقربوا الصلاة وانتم سكارى حتى تعلموا ما تقولون ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩০২৬. আবদ হুমায়দ (রহঃ) ....... আলী ইবন আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবদুর রহমান ইবন আওফ একবার আমাদের জন্য আহারের আয়োজন করেন এবং আমাদের দাওয়াত করলেন। সেখানে আমাদেন মদ পান করান (তখনও মদ হারাম হয়নি)। আমাদেরকে মদের নেশায় ধরে। ইতোমধ্যে সালাতের ওয়াক্ত এসে পড়ে। এমতাবস্থায় লোকেরা আমাকেই ইমামত করতে এগিয়ে দেন। আমি (সালাতে) কিরআত করলামঃ (قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ لاَ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ وَنَحْنُ نَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ) এবং (وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ) এর স্থলে পড়ে পড়লাম (وَنَحْنُ نَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ) তোমরা যাদের ইবাদত কর আমরাও তাদের ইবাদত করি। তখন আল্লাহ্ তা’আলা এই আয়াত নাযিল করেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَقْرَبُوا الصَّلاَةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى حَتَّى تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ
হে মুমিনগণ! মদ্যপানোম্মত্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হবে না যতক্ষণ না তোমরা বল তা বুঝতে পার। (৪ঃ ৪৩)। (আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَقْرَبُوا الصَّلاَةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى حَتَّى تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ
হে মুমিনগণ! মদ্যপানোম্মত্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হবে না যতক্ষণ না তোমরা বল তা বুঝতে পার। (৪ঃ ৪৩)। (আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، انه حدثه ان عبد الله بن الزبير حدثه ان رجلا من الانصار خاصم الزبير في شراج الحرة التي يسقون بها النخل . فقال الانصاري سرح الماء يمر فابى عليه فاختصموا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير " اسق يا زبير وارسل الماء الى جارك " . فغضب الانصاري وقال يا رسول الله ان كان ابن عمتك . فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " يا زبير اسق واحبس الماء حتى يرجع الى الجدر " . فقال الزبير والله اني لاحسب هذه الاية نزلت في ذلك : (فلا وربك لا يومنون حتى يحكموك ) الاية . قال ابو عيسى سمعت محمدا يقول قد روى ابن وهب هذا الحديث عن الليث بن سعد ويونس عن الزهري عن عروة عن عبد الله بن الزبير نحو هذا الحديث . وروى شعيب بن ابي حمزة عن الزهري عن عروة عن الزبير ولم يذكر عن عبد الله بن الزبير .
৩০২৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবনুয-যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জনৈক আনসারী হাররা অঞ্চলের একটি নালা নিয়ে যুরায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত হন। এই নালার মাধ্যমেই তাঁরা তাদের খেজুর বাগানগুলোতে পানি-সেচ করতেন। আনসারী বললেনঃ আপনি পানি আনতে নালা পথটি ছেড়ে দিন। যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু তা করতে অস্বীকার করলেন। উভয়েই বিষয়েটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উল্লেখ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বললেনঃ হে যুবায়র! তোমার বাগানে পানি সেচ করে তোমার প্রতিবেশীর জন্য পানি ছেড়ে দিও।
আনসারী ব্যক্তিটি এতে রাগান্বিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! (যুবায়র) আপনার ফুফাত ভাই বলেই (এই ফায়সালা দিলেন)। এতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা পরিবর্তিত হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি তোমার বাগানে পানি সেচ কর। এরপর আলগুলো পর্যন্ত পানি ভরাট না হওয়া পর্যন্ত তা ফিরিয়ে রাখবে।
যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমার মনে হয় উক্ত বিষয়েই এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ
কিন্তু না, তোমার রবের কসম, তারা ততক্ষণ মু’মিন হতে পারবে না যতক্ষণ তারা তাদের নিজেদের বিবাদ-বিসম্বাদের বিচার ভার আপনার উপর অর্পন না করে ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৪ঃ ৬৫)।
সহীহ, বুখারি ৪৫৮৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ ইবন ওয়াহব (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবনুয যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। শুআয়ব ইবন আবূ হামযা (রহঃ) এটি যুহরী ... উরওয়া ইবনুয যুবায়র (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আবদুল্লাহ্ ইবনুয যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই।
আনসারী ব্যক্তিটি এতে রাগান্বিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! (যুবায়র) আপনার ফুফাত ভাই বলেই (এই ফায়সালা দিলেন)। এতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা পরিবর্তিত হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ হে যুবায়র! তুমি তোমার বাগানে পানি সেচ কর। এরপর আলগুলো পর্যন্ত পানি ভরাট না হওয়া পর্যন্ত তা ফিরিয়ে রাখবে।
যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমার মনে হয় উক্ত বিষয়েই এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ
কিন্তু না, তোমার রবের কসম, তারা ততক্ষণ মু’মিন হতে পারবে না যতক্ষণ তারা তাদের নিজেদের বিবাদ-বিসম্বাদের বিচার ভার আপনার উপর অর্পন না করে ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (৪ঃ ৬৫)।
সহীহ, বুখারি ৪৫৮৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ ইবন ওয়াহব (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবনুয যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। শুআয়ব ইবন আবূ হামযা (রহঃ) এটি যুহরী ... উরওয়া ইবনুয যুবায়র (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আবদুল্লাহ্ ইবনুয যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই।
হাদিস নং: ৩০২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال سمعت عبد الله بن يزيد، يحدث عن زيد بن ثابت، انه قال في هذه الاية : ( فما لكم في المنافقين فىتين ) قال رجع ناس من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم احد . فكان الناس فيهم فريقين فريق يقول اقتلهم . وفريق يقول لا . فنزلت هذه الاية : ( فما لكم في المنافقين فىتين ) وقال " انها طيبة وقال انها تنفي الخبيث كما تنفي النار خبث الحديد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وعبد الله بن يزيد هو الانصاري الخطمي وله صحبة .
৩০২৮. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... যায়দ ইবন ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি (فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ) কি হল তোমাদের যে মুনাফিকদের ব্যাপারে দুই দল হয়ে গেল? (৪ঃ ৮৮) আয়াতটি সম্পর্কে বলেছেনঃ উহুদ যুদ্ধের সময় মুসলিম বাহিনীর একদল লোক (মুনাফিক) যুদ্ধ ছেড়ে ফিরে এসেছিল। তাদের ব্যাপরে সাহাবীগণ দুই দলে বিভক্ত হয়ে পড়েন। একদল বলছিলেনঃ এদের হত্যা করা হোক। আরেকদল বলছিলেনঃ না, হত্যার দরকার নেই। তখন এই আয়াত নাযিল হয়ঃ (فَمَا لَكُمْ فِي الْمُنَافِقِينَ فِئَتَيْنِ) (৪ঃ ৮৮)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মদীনা হল তায়বা-পবিত্র নগরী। আগুন যেমন লোহার ময়লা-মরিচা বিদূরিত করে দেয় মদীনাও তেমনি মন্দ বিদুরীত করে।
সহীহ, বুখারি ৪৫৮৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবদুল্লাহ্ ইবন ইয়াযীদ হলেন আনসারী খাতমী। তিনি সাহাবী ছিলেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মদীনা হল তায়বা-পবিত্র নগরী। আগুন যেমন লোহার ময়লা-মরিচা বিদূরিত করে দেয় মদীনাও তেমনি মন্দ বিদুরীত করে।
সহীহ, বুখারি ৪৫৮৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবদুল্লাহ্ ইবন ইয়াযীদ হলেন আনসারী খাতমী। তিনি সাহাবী ছিলেন।
হাদিস নং: ৩০২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء بن عمر، عن عمرو بن دينار، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يجيء المقتول بالقاتل يوم القيامة ناصيته وراسه بيده واوداجه تشخب دما يقول يا رب هذا قتلني حتى يدنيه من العرش " . قال فذكروا لابن عباس التوبة فتلا هذه الاية: (ومن يقتل مومنا متعمدا ) قال وما نسخت هذه الاية ولا بدلت وانى له التوبة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روى بعضهم هذا الحديث عن عمرو بن دينار عن ابن عباس نحوه ولم يرفعه .
৩০২৯. হাসান ইবন মুহাম্মাদ যাআফরানী (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন নিহত ব্যক্তি তার হত্যাকারীকে কপালের চুল ও মাথায় ধরে নিয়ে আসবে। তার গলার কাটা রগসমূহ থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে। সে বলবে, হে আমার রব! এ আমাকে হত্যা করেছে। এমনকি সে তাকে আল্লাহ্ আল্লাহর আরশের কাছে নিয়ে যাবে।
রাবী বলেনঃ ইবন আব্বাসের নিকট হত্যাকারীর তওবা প্রসঙ্গে আলোচনা করলে তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ
وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا
কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম ...... (৪ঃ ৯৩ )।
এই আয়াতটি মানসূখও হয়নি বা তার বিধনও পরিবর্তিত হয়নি। সুতরাং তার আর তাওবা কোথায়?
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৪৬৫, তা’লীকুর রাগিব ৩/২০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। কেউ কেউ এই হাদীসটি আমর ইবন দীনারইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁরা এটি মারফু করেননি।
রাবী বলেনঃ ইবন আব্বাসের নিকট হত্যাকারীর তওবা প্রসঙ্গে আলোচনা করলে তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ
وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا
কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম ...... (৪ঃ ৯৩ )।
এই আয়াতটি মানসূখও হয়নি বা তার বিধনও পরিবর্তিত হয়নি। সুতরাং তার আর তাওবা কোথায়?
সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৪৬৫, তা’লীকুর রাগিব ৩/২০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। কেউ কেউ এই হাদীসটি আমর ইবন দীনারইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাঁরা এটি মারফু করেননি।