হাদিস নং: ৩৩৫০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، حدثنا القاسم بن الفضل الحداني، عن يوسف بن سعد، قال قام رجل الى الحسن بن علي بعد ما بايع معاوية فقال سودت وجوه المومنين . او يا مسود وجوه المومنين . فقال لا تونبني رحمك الله فان النبي صلى الله عليه وسلم اري بني امية على منبره فساءه ذلك فنزلت : ( انا اعطيناك الكوثر ) يا محمد يعني نهرا في الجنة ونزلت : ( انا انزلناه في ليلة القدر * وما ادراك ما ليلة القدر * ليلة القدر خير من الف شهر ) يملكها بعدك بنو امية يا محمد . قال القاسم فعددناها فاذا هي الف شهر لا يزيد يوم ولا ينقص . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه من حديث القاسم بن الفضل . وقد قيل عن القاسم بن الفضل عن يوسف بن مازن . والقاسم بن الفضل الحداني هو ثقة وثقه يحيى بن سعيد وعبد الرحمن بن مهدي ويوسف بن سعد رجل مجهول ولا نعرف هذا الحديث على هذا اللفظ الا من هذا الوجه .
৩৩৫০. মাহমুদ ইবন গায়লান (রহঃ) .... ইউসূফ ইবন সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ মু’আবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাতে বায়’আত গ্রহণের পর হাসান ইবন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লক্ষ করে এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়াল এবং বললঃ তুমি মু’মিনদের মুখে কালি মেখে দিয়েছ (বর্ণনান্তরে সে বলল) হে মু’মিনদের মুখে কালি লেপণকারী! তিনি বললেনঃ আল্লাহ তোমার উপর রহম করুন এমন ভাবে তুমি আমাকে ভৎর্না করবে না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে স্বপ্নে দেখান হল যে, বনু উমাইয়ার লোকেরা তাঁর মিম্বরে চড়ে বসেছে। তার কাছে খারাফ লাগে। তখন নাযিল হয় (إنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ) - হে মুহাম্মদ! আপনাকে তো আমি জান্নাতের নহর কাওছার দান করেছি। আরো নাযিল হলঃ
إنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ * وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ * لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ
আমি তো (আল-কুরআন) নাযিল করেছি মহিমাম্বিত রজনীতে। মহিমাম্বিত রজনী সম্বন্ধে তুমি কি জান? মহিমাম্বিত রজনী হাজার মাস অপক্ষা শ্রেষ্ঠ। হে মুহাম্মদ! আপনার ইনতিকালের পর বনূ উমাইয়ারা এই পরিমানকাল সিংহাসনের আধিকারী থাকবে।
কাসিম (রহঃ) বলেনঃ আমরা গুনে দেখেছি বনূ উমাইয়ার শাসনকাল ছিল এক হাজার মাস। এর একদিন কম বা বেশী নয়।
সনদ দুর্বল, মতন মুনকার, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কাসিম ইবন ফযর (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। কাসিম ইবন ফযল ইফসুফ ইবন মাযিন (রহঃ) হিসাবেও কথিত আছেন। কাসিম ইবন ফযল হাদ্দানী (রহঃ) ছিকাহ ও নির্ভওযোগ্য। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) তাকে ছিকাহ বলে মত ব্যাক্ত করেছেন। ইফসুফ ইবন সা’দ (রহঃ) একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। উল্লেখিত শব্দে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
إنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ * وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ * لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ
আমি তো (আল-কুরআন) নাযিল করেছি মহিমাম্বিত রজনীতে। মহিমাম্বিত রজনী সম্বন্ধে তুমি কি জান? মহিমাম্বিত রজনী হাজার মাস অপক্ষা শ্রেষ্ঠ। হে মুহাম্মদ! আপনার ইনতিকালের পর বনূ উমাইয়ারা এই পরিমানকাল সিংহাসনের আধিকারী থাকবে।
কাসিম (রহঃ) বলেনঃ আমরা গুনে দেখেছি বনূ উমাইয়ার শাসনকাল ছিল এক হাজার মাস। এর একদিন কম বা বেশী নয়।
সনদ দুর্বল, মতন মুনকার, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কাসিম ইবন ফযর (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। কাসিম ইবন ফযল ইফসুফ ইবন মাযিন (রহঃ) হিসাবেও কথিত আছেন। কাসিম ইবন ফযল হাদ্দানী (রহঃ) ছিকাহ ও নির্ভওযোগ্য। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) তাকে ছিকাহ বলে মত ব্যাক্ত করেছেন। ইফসুফ ইবন সা’দ (রহঃ) একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। উল্লেখিত শব্দে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩৩৫১
হাসান (Hasan)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عبدة بن ابي لبابة، وعاصم، هو ابن بهدلة سمعا زر بن حبيش، وزر بن حبيش يكنى ابا مريم يقول قلت لابى بن كعب ان اخاك عبد الله بن مسعود يقول من يقم الحول يصب ليلة القدر فقال يغفر الله لابي عبد الرحمن لقد علم انها في العشرة الاواخر من رمضان وانها ليلة سبع وعشرين ولكنه اراد ان لا يتكل الناس ثم حلف لا يستثني انها ليلة سبع وعشرين . قلت له باى شيء تقول ذلك يا ابا المنذر قال بالاية التي اخبرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم او بالعلامة ان الشمس تطلع يومىذ لا شعاع لها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৫১. ইবন আবু উমার (রহঃ) ..... যির ইবন হুবায়শ (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমি উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললামঃ আপনার ভাই আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলে থাকেন যে, সারা বছর যে ব্যক্তি রাত জেগে ইবাদত করবে সে লায়লাতুল কদর পাবে।
তিনি বললেন আবু আবদুর রহমানকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। তিনি অবশ্যই জানেন এ রাত হল রমযানের শেষ দশ দিনের মাঝে এবং তা হল সাতাশ তারিখের রাত। কিন্তু তিনি চান যে মানুষ যেন ভরসা করে বসে না থাকে। এরপর তিনি দ্ব্যর্থহীন হলফ করে বললেনঃ এই রাত অবশ্যই সাতাশের রাত।
আমি বললাম হে আবু মানযির! আপনি কি করে এ কথা বলছেন? তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্পর্কে যে আলামত আমাদের বলছেন সে অনুসারে আমি তা বলছি। সূর্য এ দিন এমন ভাবে উদিত হয় যে এর কোন কিরণোজ্জৌল্য থাকে না।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
তিনি বললেন আবু আবদুর রহমানকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। তিনি অবশ্যই জানেন এ রাত হল রমযানের শেষ দশ দিনের মাঝে এবং তা হল সাতাশ তারিখের রাত। কিন্তু তিনি চান যে মানুষ যেন ভরসা করে বসে না থাকে। এরপর তিনি দ্ব্যর্থহীন হলফ করে বললেনঃ এই রাত অবশ্যই সাতাশের রাত।
আমি বললাম হে আবু মানযির! আপনি কি করে এ কথা বলছেন? তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্পর্কে যে আলামত আমাদের বলছেন সে অনুসারে আমি তা বলছি। সূর্য এ দিন এমন ভাবে উদিত হয় যে এর কোন কিরণোজ্জৌল্য থাকে না।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৫২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن المختار بن فلفل، قال سمعت انس بن مالك، يقول قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يا خير البرية . قال " ذلك ابراهيم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৫২. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে লক্ষ্য করে বললঃ হে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ! তিনি বললেনঃ এত হল ইবরাহীম (আঃ)।
সহীহ, মুসলিম ৭/৯৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, মুসলিম ৭/৯৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৫৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا سعيد بن ابي ايوب، عن يحيى بن ابي سليمان، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، رضي الله عنه قال قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه الاية : ( يومىذ تحدث اخبارها ) قال " اتدرون ما اخبارها " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فان اخبارها ان تشهد على كل عبد او امة بما عمل على ظهرها تقول عمل يوم كذا كذا وكذا فهذه اخبارها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৫৩. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন এ আয়াতটি তেলাওয়াত করলেনঃ (يوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا) - ’’সেদিন পৃথিবী তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে।’’ (সূরা যিলযালঃ ৯৯ঃ ৪) তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান পৃথিবীর বৃত্তান্ত কি? সাহাবীগণ বললেনঃ আল্লাহ ও তার রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এর বৃত্তান্ত হল প্রত্যেক বান্দা নারী ও পুরুষ তার উপর যে কাজ করবে, তারই সে সাক্ষ দিবে। বলবেঃ অমুক দিন সে অমুক কাজ করেছে, তমুক কাজ করেছে। এ হল পৃথিবীর বৃত্তান্ত বর্ণনা।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ-গারীব।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن ابيه، انه انتهى الى النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقرا ( الهاكم التكاثر ) قال " يقول ابن ادم مالي مالي وهل لك من مالك الا ما تصدقت فامضيت او اكلت فافنيت او لبست فابليت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৫৪. মাহমুদ ইবন গায়লান .... মুতাররিফ ইবন আবদুল্লাহ ইবন শিখখীর তাঁর পিতা আবদুল্লাাহ ইবন শিখখীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলেন, তিনি তখন পাঠ করছিলেনঃ (أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُرُ) প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহাচ্ছন্ন করে রাখে (সূরা তাকাছুর ১০২ঃ ১)।
তিনি বললেনঃ আদম সন্তান বলে আমার মাল আমার সম্পদ। অথচ তুমি সদকা করে যা ব্যায় করলে খেয়ে যা শেষ করলে কাপড় পরে যা পুরাতন করলে তা ছাড়া তোমার সম্পদ বলতে কিছু নেই।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
তিনি বললেনঃ আদম সন্তান বলে আমার মাল আমার সম্পদ। অথচ তুমি সদকা করে যা ব্যায় করলে খেয়ে যা শেষ করলে কাপড় পরে যা পুরাতন করলে তা ছাড়া তোমার সম্পদ বলতে কিছু নেই।
সহীহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৫৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا حكام بن سلم الرازي، عن عمرو بن ابي قيس، عن الحجاج، عن المنهال بن عمرو، عن زر بن حبيش، عن علي، رضى الله عنه قال ما زلنا نشك في عذاب القبر حتى نزلت : (الهاكم التكاثر ) قال ابو كريب مرة عن عمرو بن ابي قيس هو رازي وعمرو بن قيس الملاىي كوفي عن ابن ابي ليلى عن المنهال بن عمرو . قال ابو عيسى هذا حديث غريب .
৩৩৫৫. আবু কুরায়ব (রহঃ) .... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ যতদিন না আল-হাকুমুত-তাকাছুর নাযিল হয়েছে কবরের আযাব বিষয়ে আমরা সন্দেহে ছিলাম।
আবু কুবায়ের (রহঃ) এক সময় আমর ইবন আবু কায়স ইবন আবু লায়লা নিহাল (রহঃ) সূত্রেরও উল্লেখ করেছেন। হাদীসটি গারীব।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবু কুবায়ের (রহঃ) এক সময় আমর ইবন আবু কায়স ইবন আবু লায়লা নিহাল (রহঃ) সূত্রেরও উল্লেখ করেছেন। হাদীসটি গারীব।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৫৬
হাসান (Hasan)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن محمد بن عمرو بن علقمة، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الله بن الزبير بن العوام، عن ابيه، قال لما نزلت : (ثم لتسالن يومىذ عن النعيم، ) قال الزبير يا رسول الله فاى النعيم نسال عنه وانما هما الاسودان التمر والماء . قال " اما انه سيكون " . قال هذا حديث حسن .
৩৩৫৬. ইবন আবু উমার (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র ইবন আওওয়াম তার পিতা যুবায়র ইবন আওওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত যেঃ (ثم لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ) সেদিন তোমাদেরকে নিয়ামত সম্পর্কে অবশ্যই প্রশ্ন করা হবে। (সূরা তাকাছুর ১০২ঃ ৮) আয়াতটি নাযিল হলে যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কি নিয়ামত সম্পর্কে আমাদের প্রশ্ন করা হবে? নিয়ামত তো মাত্র দুটো কাল বস্তু - খেজুর আর পানি। তিনি বললেনঃ শোন, অচিরেই তোমাদের তা হবে।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৫৭
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا احمد بن يونس، عن ابي بكر بن عياش، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال لما نزلت هذه الاية : (ثم لتسالن يومىذ عن النعيم ) قال الناس يا رسول الله عن اى النعيم نسال وانما هما الاسودان والعدو حاضر وسيوفنا على عواتقنا . قال " ان ذلك سيكون " . قال ابو عيسى وحديث ابن عيينة عن محمد بن عمرو عندي اصح من هذا . سفيان بن عيينة احفظ واصح حديثا من ابي بكر بن عياش .
৩৩৫৭. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে (ثمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ) তারপর তোমাদের নিয়ামত সম্পর্কে অবশ্যই প্রশ্ন করা হবে। আয়াতটি নাযিল হলে লোকেরা বললঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! কি নিয়ামত সম্পর্কে আমাদের প্রশ্ন করা হবে? নিয়ামত তো মাত্র দুটো কাল বস্ত - খেজুর আর পানি। আর এদিকে শত্রু সব সময় মাথার উপর। আর তলোয়ার হল ঘাড়ে। তিনি বললেনঃ আচিরেই তা হবে।
ইবন উমায়না মুহাম্মদ ইবন অমর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়াতটি আমার কাছে এটি থেকে অধিককতর সহীহ। আবু বকর ইবন আয়্যশ (রহঃ) এর তুলনায় সুফয়ান ইবন উয়ায়না হাদীছের ক্ষেত্রে অধিক স্মরণশক্তি সম্পন্ন ও বিশুদ্ধ হাদীস বর্ণনাকারী।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবন উমায়না মুহাম্মদ ইবন অমর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়াতটি আমার কাছে এটি থেকে অধিককতর সহীহ। আবু বকর ইবন আয়্যশ (রহঃ) এর তুলনায় সুফয়ান ইবন উয়ায়না হাদীছের ক্ষেত্রে অধিক স্মরণশক্তি সম্পন্ন ও বিশুদ্ধ হাদীস বর্ণনাকারী।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا شبابة، عن عبد الله بن العلاء، عن الضحاك بن عبد الرحمن بن عرزم الاشعري، قال سمعت ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اول ما يسال عنه يوم القيامة يعني العبد من النعيم ان يقال له الم نصح لك جسمك ونرويك من الماء البارد " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . والضحاك هو ابن عبد الرحمن بن عرزب ويقال ابن عرزم وابن عرزم اصح .
৩৩৫৮. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন বান্দাকে সবার আগে যে নিয়ামত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে তা হল তাকে বলা হবে, আমি কি তোমাকে শরীর সুস্থ রাখিনি? আমি কি ঠান্ডা পানি দিয়ে তোমার তৃষ্ণা নিবারণ করিনি?
সহীহ, সহীহাহ ৫৩৯, মিশকাত ৫১৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। যাহহাক (রহঃ) হলেন, ইবন আবদুর রহমান ইবন আরযাব এবং তিনি ইবন আরযাম বলেও কথিত। ইবন আরযামই অধিক সহীহ।
সহীহ, সহীহাহ ৫৩৯, মিশকাত ৫১৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। যাহহাক (রহঃ) হলেন, ইবন আবদুর রহমান ইবন আরযাব এবং তিনি ইবন আরযাম বলেও কথিত। ইবন আরযামই অধিক সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৫৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن انس : ( انا، اعطيناك الكوثر ) ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " هو نهر في الجنة " . قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " رايت نهرا في الجنة حافتاه قباب اللولو قلت ما هذا يا جبريل قال هذا الكوثر الذي قد اعطاكه الله " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৫৯. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে, (إناَّ أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ) আমি আপনাকে কাওছার দান করেছি। আয়াতটি সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাওছার হল জান্নাতের একটি নহর। রাবী বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ জান্নাতে একটি নহর দেখেছি এর উভয় তীরে মতির গম্বুজ বিশিষ্ট ঘরসমূহ স্থাপিত। আমি বললামঃ হে জিবরীল, এটি কি? তিনি বললেনঃ এটি কাওছার, আল্লাহ তা’আলা এটি আপনাকে দান করেছেন।
সহীহ, বুখারি ৪৯৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৪৯৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৬০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا سريج بن النعمان، حدثنا الحكم بن عبد الملك، عن قتادة، عن انس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بينا انا اسير في الجنة اذ عرض لي نهر حافتاه قباب اللولو . قلت للملك ما هذا قال هذا الكوثر الذي اعطاكه الله قال ثم ضرب بيده الى طينة فاستخرج مسكا ثم رفعت لي سدرة المنتهى فرايت عندها نورا عظيما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن انس .
৩৩৬০. আহমদ ইবন মানী (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি জান্নাতে পায়চারি করছিলাম। এমন সময় হঠাং একটি নহর আমার সামনে পড়ল এর উভয় তীরে মতির গম্বুজ। ফিরিশতাকে বললামঃ এটি কি? তিনি বললেনঃ এটি কাওছার। আল্লাহ তা’আলা আপনাকে যা দান করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এরপর তিনি এর মাটিতে হাত মেরে মিশক আম্বর বের করে নিয়ে এলেন। তারপর আমার সামনে সিদরাতুল-মুন্তাহা উপস্থাপিত হল। সেখানে আমি মহাজ্যোতি প্রত্যক্ষ করেছি।
সহীহ, বুখারি ৬৫৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে।
সহীহ, বুখারি ৬৫৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৩৬১
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا محمد بن فضيل، عن عطاء بن الساىب، عن محارب بن دثار، عن عبد الله بن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الكوثر نهر في الجنة حافتاه من ذهب ومجراه على الدر والياقوت تربته اطيب من المسك وماوه احلى من العسل وابيض من الثلج " . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৬১. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাওছার হল জান্নাতের একটা নহর। এর দুই তীর হল স্বর্ণের, মতি ও ইয়াকুতের উপর দিয়ে তা প্রবাহিত হয়। এর মাটি মিশক-আম্বার থেকে সুগন্ধময়। এর পানি মধু থেকে মিষ্টি এবং তুষার থেকে শুভ্র।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪৩৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪৩৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا سليمان بن داود، عن شعبة، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال كان عمر يسالني مع اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال له عبد الرحمن بن عوف اتساله ولنا بنون مثله فقال له عمر انه من حيث تعلم فساله عن هذه الاية : ( اذا جاء نصر الله والفتح ) فقلت انما هو اجل رسول الله صلى الله عليه وسلم اعلمه اياه وقرا السورة الى اخرها فقال له عمر والله ما اعلم منها الا ما تعلم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي بشر، بهذا الاسناد نحوه الا انه قال فقال له عبد الرحمن بن عوف اتساله ولنا ابن مثله . هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي بشر، بهذا الاسناد نحوه الا انه قال فقال له عبد الرحمن بن عوف اتساله ولنا ابن مثله . هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৬২. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সাহাবীদের সঙ্গে আমাকেও জিজ্ঞাস করতেন। একদিন আবদুর রহমান ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেনঃ আপন একেও জিজ্ঞাসা করেন অথচ এর মত আমাদেরর সন্তান রয়েছে।
উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন তাকে বললেনঃ সে কে আপনি তা ভাল করে জানেন। তারপর তিনি তাকে (إذا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ) আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন।
শেষে আমি বললাম এতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের ঈঙ্গিত রয়েছে। যা তাকে জানানো হয়েছে। এরপর তিনি সূরাটি শেষে পর্যন্ত তেলওয়াত করলেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আল্লাহর কসম! তুমি যা জান এ বিষয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না।
সহীহ, বুখারি ৪৯৬৯, ৪৯৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) থেকে একই সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এতে আছে, আবদুর রহমান ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেনঃ একেও আপনি জিজ্ঞাসা করেন অথচ এর মত আমাদের সন্তান রয়েছে?
উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন তাকে বললেনঃ সে কে আপনি তা ভাল করে জানেন। তারপর তিনি তাকে (إذا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ) আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন।
শেষে আমি বললাম এতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের ঈঙ্গিত রয়েছে। যা তাকে জানানো হয়েছে। এরপর তিনি সূরাটি শেষে পর্যন্ত তেলওয়াত করলেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আল্লাহর কসম! তুমি যা জান এ বিষয়ে আমি এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না।
সহীহ, বুখারি ৪৯৬৯, ৪৯৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) থেকে একই সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এতে আছে, আবদুর রহমান ইবন আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেনঃ একেও আপনি জিজ্ঞাসা করেন অথচ এর মত আমাদের সন্তান রয়েছে?
হাদিস নং: ৩৩৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، واحمد بن منيع، حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم على الصفا فنادى " يا صباحاه " . فاجتمعت اليه قريش فقال " اني نذير لكم بين يدى عذاب شديد ارايتم لو اني اخبرتكم ان العدو ممسيكم او مصبحكم اكنتم تصدقوني " . فقال ابو لهب الهذا جمعتنا تبا لك . فانزل الله : ( تبت يدا ابي لهب وتب ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৬৩. হান্নাদ ও আহমাদ ইবন মানী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা পাহাড়ে আরোহণ করলেন এবং ডাক দিলেনঃ ইয়া সাবাহ, ওহে বিপজ্জনক ভোর! এতে (প্রথানুসারে) কুরায়শরা তার কাছে এসে জমায়েত হয়। তিনি তাদের বললেন আমি তোমাদের সতর্ককারী আগত কঠিন আযাব থেকে। যদি আমি তোমাদের অবহিত করি যে শত্রুবাহিনী সন্ধ্যায় বা সকালে তোমাদের উপর চড়াও হচ্ছে, তোমরা কি মনে কর, তোমরা কি আমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে? আবু লাহাব তখন বলেছিলঃ তোমার জন্য ধবংস এর জন্যই কি তুমি আমাদের একত্রিত করেছ? এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেন (تبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ) আবু লাহাবের দু হাত ধ্বংস হয়েছে আর সে নিজেও হল ধ্বংস।
সহীহ, বুখারি ৪৯৭১, ৪৯৭২, মুসলিম ১/১৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
সহীহ, বুখারি ৪৯৭১, ৪৯৭২, মুসলিম ১/১৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৬৪
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو سعد، هو الصغاني عن ابي جعفر الرازي، عن الربيع بن انس، عن ابي العالية، عن ابى بن كعب، ان المشركين، قالوا لرسول الله صلى الله عليه وسلم انسب لنا ربك . فانزل الله : ( قل هو الله احد * الله الصمد ) فالصمد الذي لم يلد ولم يولد لانه ليس شيء يولد الا سيموت وليس شيء يموت الا سيورث وان الله عز وجل لا يموت ولا يورث : ( لم يكن له كفوا احد ) قال " لم يكن له شبيه ولا عدل وليس كمثله شيء " .
৩৩৬৪. আহমদ ইবন মানী (রহঃ) ...... উবাহ ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, মুশরিকরা একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললঃ আপনি আপনার প্রভুর নসব বয়ান করুন। আল্লাহ তা’আলা তখন এ প্রসঙ্গে নাযিল করেনঃ (قلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ * اللَّهُ الصَّمَدُ) - "বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি সন্তান জম্ম দেন নি এবং তাকে কেউ সন্তান রূপে জম্ম দেয় নি"।
কেননা যার জন্ম আছে, তার অবশ্যই মূত্যু আছে। আর যে মরে, সে তার উত্তরাধিকারী রেখে যায়। আর আল্লাহ তা’আলার মূত্যু নেই, তার উত্তরাধিকারীও নেই।
(وَ لَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ) তার সমতুল্য কেউ নেই, তার অনুরূপ, তার সমান এবং তার মত কিছুই নেই।
... الصَّمَدُ الَّذِي অংশ বাদে হাদিসটি হাসান, যিলালুল জান্নাহ, তাহকিক ছানী হাঃ ৬৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কেননা যার জন্ম আছে, তার অবশ্যই মূত্যু আছে। আর যে মরে, সে তার উত্তরাধিকারী রেখে যায়। আর আল্লাহ তা’আলার মূত্যু নেই, তার উত্তরাধিকারীও নেই।
(وَ لَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ) তার সমতুল্য কেউ নেই, তার অনুরূপ, তার সমান এবং তার মত কিছুই নেই।
... الصَّمَدُ الَّذِي অংশ বাদে হাদিসটি হাসান, যিলালুল জান্নাহ, তাহকিক ছানী হাঃ ৬৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৬৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن ابي جعفر الرازي، عن الربيع، عن ابي العالية، ان النبي صلى الله عليه وسلم ذكر الهتهم فقالوا انسب لنا ربك . قال فاتاه جبريل بهذه السورة : ( قل هو الله احد ) . فذكر نحوه ولم يذكر فيه عن ابى بن كعب وهذا اصح من حديث ابي سعد وابو سعد اسمه محمد بن ميسر
৩৩৬৫. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আবুল আলিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার তাদের (কাফিরদের) ইলাহগুলি সম্পর্কে আলোচনা করেন। তারা বললঃ আপনার প্রভুর নসব বর্ণনা করুন। তখন জিরবীল (আঃ) এই সূরাটি নিয়ে আগমন করেনঃ (قلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ) এরপর বর্ণনাকারী আগের রিওয়ায়াতটির অনুরূপ বর্ণনা করেন। এতে উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উল্লেখ নাই। এটি আবূ সা’দ (রহঃ) এর রিওয়ায়াত (নং ৩৩৬৪) থেকে অধিক সহীহ। সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর নাম হল মুহাম্মদ ইবন মুইয়াসসার।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৬৬
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الملك بن عمرو العقدي، عن ابن ابي ذىب، عن الحارث بن عبد الرحمن، عن ابي سلمة، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم نظر الى القمر فقال " يا عاىشة استعيذي بالله من شر هذا فان هذا الغاسق اذا وقب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৬৬. মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার চাঁদের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন। পরে বললেনঃ হে আয়িশা! এর অকল্যাণ থেকে আল্লাহর পানাহ্ চাও। কেননা এটি হল গাসিক (আঁধারের বস্ত যা আধাঁরে নিমজ্জিত হয়)।
হাসান, সহিহ হাদিস সিরিজ হাঃ ৩৭২, মিশকাত হাঃ ২৪৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাসান, সহিহ হাদিস সিরিজ হাঃ ৩৭২, মিশকাত হাঃ ২৪৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩৩৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن اسماعيل بن ابي خالد، حدثني قيس، وهو ابن ابي حازم عن عقبة بن عامر الجهني، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قد انزل الله على ايات لم ير مثلهن : ( قل اعوذ برب الناس ) الى اخر السورة و : (قل اعوذ برب الفلق ) الى اخر السورة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩৩৬৭. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... উকবা ইবন আমির জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উপর আল্লাহ্ তা’আলা এমন কিছু আয়াত নাযিল করেছেন যার কোন উদাহরণ দেখা যায় না। (قلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ) সূরাটির শেষ পর্যন্ত এবং (قلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ) সূরাটির শেষ পর্যন্ত।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩৩৬৮
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا صفوان بن عيسى، حدثنا الحارث بن عبد الرحمن بن ابي ذباب، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما خلق الله ادم ونفخ فيه الروح عطس فقال الحمد لله فحمد الله باذنه فقال له ربه يرحمك الله يا ادم اذهب الى اولىك الملاىكة الى ملا منهم جلوس فقل السلام عليكم . قالوا وعليك السلام ورحمة الله . ثم رجع الى ربه فقال ان هذه تحيتك وتحية بنيك بينهم . فقال الله له ويداه مقبوضتان اختر ايهما شىت قال اخترت يمين ربي وكلتا يدى ربي يمين مباركة . ثم بسطها فاذا فيها ادم وذريته فقال اى رب ما هولاء فقال هولاء ذريتك فاذا كل انسان مكتوب عمره بين عينيه فاذا فيهم رجل اضووهم او من اضوىهم . قال يا رب من هذا قال هذا ابنك داود قد كتبت له عمر اربعين سنة . قال يا رب زده في عمره . قال ذاك الذي كتبت له . قال اى رب فاني قد جعلت له من عمري ستين سنة قال انت وذاك . قال ثم اسكن الجنة ما شاء الله ثم اهبط منها فكان ادم يعد لنفسه . قال فاتاه ملك الموت فقال له ادم قد عجلت قد كتب لي الف سنة . قال بلى ولكنك جعلت لابنك داود ستين سنة فجحد فجحدت ذريته ونسي فنسيت ذريته . قال فمن يومىذ امر بالكتاب والشهود " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . وقد روي من غير وجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم من رواية زيد بن اسلم عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৩৩৬৮. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করে তার মাঝে রূহ ফুঁকলেন। তখন তিনি হাঁচি দিলেন এবং বললেনঃ আলহামদুলিল্লাহ। যাবতীয় হামদ আল্লাহ তা’আলার জন্য।
তিনি আল্লাহর অনুমতিতে তার তারিফ করলেন। পরওয়ারদিগার আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ হে আদম আল্লাহ তা’আলা তোমার উপর রহম করুন। সেখানে বসা একদল ফিরিশতার দিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ ঐ ফিরিশ্তাদের কাছে যাও এবং তাদের বল আসসালামু আলাইকুম।
যাহোক ফিরিশতারা বললেনঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
পরে আদম (আঃ) তার প্রতিপালকের কাছে ফিরে এলেন তার প্রতিপালক বললেনঃ এ হল তোমার এবং তোমার সন্তানদের পরস্পরের অভিবাদন।
এরপর আল্লাহ তা’আলা তার দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় তাকে বললেনঃ যে কোনটি ইচ্ছা তুমি নাও।
আদম (আঃ) বললেনঃ আমার প্রতিপালকের ডান হাতটি আমি গ্রহণ করলাম। আর আমার প্রতিপলকের উভয় হাতই ডান হাত বরকতময়।
এরপর তিনি সেটি প্রসারিত করলেন তাতে ছিল আদম ও তার সন্তান-সন্তুতিদের প্রতিকৃতি। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রতিপালক এসব কি?
তিনি বললেনঃ এ হল তোমার সন্তান-সন্তুতি।
প্রতিটি মানুষের দুই চোখের মাঝে তার বয়স লিপিবদ্ধ ছিল। তাদের মাঝে একজন ছিল সবচেয়ে জ্যোতিময়। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রতিপালক ইনি কে?
তিনি বললেনঃ তিনি হলেন আপনার সন্তান দাউদ। তার বয়স লিখেছি চল্লিশ বছর।
তিনি বললেনঃ হে প্রতিপালক! এর বয়স বৃদ্ধি করে দিন।
আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ তাই থাকবে - যা লেখা হয়েছে।
তিনি বললেনঃ আমি আমার বয়স থেকে একে ষাট বছর দিয়ে দিলাম।
আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ তুমি আর তোমার অঙ্গীকার যা তা-ই ঘটবে।
এরপরে আদম (আঃ) যতদিন ইচ্ছা জান্নাতে বসবাস করলেন। পরে তাকে সেখান থেকে নিচে নামিয়ে দেওয়া হল। তিনি তার নিজের বয়স গণনা করে রাখছিলেন। শেষে একদিন মৃত্যুর ফিরিশতা তার কাছে এলেন। তিনি বললেনঃ বড় তাড়াতাড়ি এসে গেলেন। আমার বয়সতো এক হাজার বছর লেখা হয়েছিল। ফিরিশতা বললেনঃ হ্যাঁ ঠিকই কিন্তু আপনিতো আপনার সন্তান দাউদকে ষাট বছর দিয়ে দিয়েছিলেন।
আদম (আঃ) তা মানতে অস্বীকার করলেন। তাই তার সন্তানরাও আজ অস্বীকার করে। আদম ভুলে গেলেন তাই তার সন্তানরাও আজ ভুলে যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে দিন থেকে চুক্তি পত্র লিখে রাখার এবং সাক্ষী রাখার বিধান দেওয়া হয়।
হাসান সহীহ, মিশকাত হাঃ ৪৬৬২, যিলালুল জান্নাহ হাঃ ২০৪-২০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এ সূত্রে হাসান- গারীব। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বারাতে একাধিক সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণিত আছে।
তিনি আল্লাহর অনুমতিতে তার তারিফ করলেন। পরওয়ারদিগার আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ হে আদম আল্লাহ তা’আলা তোমার উপর রহম করুন। সেখানে বসা একদল ফিরিশতার দিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ ঐ ফিরিশ্তাদের কাছে যাও এবং তাদের বল আসসালামু আলাইকুম।
যাহোক ফিরিশতারা বললেনঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
পরে আদম (আঃ) তার প্রতিপালকের কাছে ফিরে এলেন তার প্রতিপালক বললেনঃ এ হল তোমার এবং তোমার সন্তানদের পরস্পরের অভিবাদন।
এরপর আল্লাহ তা’আলা তার দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় তাকে বললেনঃ যে কোনটি ইচ্ছা তুমি নাও।
আদম (আঃ) বললেনঃ আমার প্রতিপালকের ডান হাতটি আমি গ্রহণ করলাম। আর আমার প্রতিপলকের উভয় হাতই ডান হাত বরকতময়।
এরপর তিনি সেটি প্রসারিত করলেন তাতে ছিল আদম ও তার সন্তান-সন্তুতিদের প্রতিকৃতি। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রতিপালক এসব কি?
তিনি বললেনঃ এ হল তোমার সন্তান-সন্তুতি।
প্রতিটি মানুষের দুই চোখের মাঝে তার বয়স লিপিবদ্ধ ছিল। তাদের মাঝে একজন ছিল সবচেয়ে জ্যোতিময়। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রতিপালক ইনি কে?
তিনি বললেনঃ তিনি হলেন আপনার সন্তান দাউদ। তার বয়স লিখেছি চল্লিশ বছর।
তিনি বললেনঃ হে প্রতিপালক! এর বয়স বৃদ্ধি করে দিন।
আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ তাই থাকবে - যা লেখা হয়েছে।
তিনি বললেনঃ আমি আমার বয়স থেকে একে ষাট বছর দিয়ে দিলাম।
আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ তুমি আর তোমার অঙ্গীকার যা তা-ই ঘটবে।
এরপরে আদম (আঃ) যতদিন ইচ্ছা জান্নাতে বসবাস করলেন। পরে তাকে সেখান থেকে নিচে নামিয়ে দেওয়া হল। তিনি তার নিজের বয়স গণনা করে রাখছিলেন। শেষে একদিন মৃত্যুর ফিরিশতা তার কাছে এলেন। তিনি বললেনঃ বড় তাড়াতাড়ি এসে গেলেন। আমার বয়সতো এক হাজার বছর লেখা হয়েছিল। ফিরিশতা বললেনঃ হ্যাঁ ঠিকই কিন্তু আপনিতো আপনার সন্তান দাউদকে ষাট বছর দিয়ে দিয়েছিলেন।
আদম (আঃ) তা মানতে অস্বীকার করলেন। তাই তার সন্তানরাও আজ অস্বীকার করে। আদম ভুলে গেলেন তাই তার সন্তানরাও আজ ভুলে যায়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে দিন থেকে চুক্তি পত্র লিখে রাখার এবং সাক্ষী রাখার বিধান দেওয়া হয়।
হাসান সহীহ, মিশকাত হাঃ ৪৬৬২, যিলালুল জান্নাহ হাঃ ২০৪-২০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি এ সূত্রে হাসান- গারীব। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বারাতে একাধিক সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩৩৬৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا العوام بن حوشب، عن سليمان بن ابي سليمان، عن انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما خلق الله الارض جعلت تميد فخلق الجبال فعاد بها عليها فاستقرت فعجبت الملاىكة من شدة الجبال قالوا يا رب هل من خلقك شيء اشد من الجبال قال نعم الحديد . قالوا يا رب فهل من خلقك شيء اشد من الحديد قال نعم النار . فقالوا يا رب فهل من خلقك شيء اشد من النار قال نعم الماء . قالوا يا رب فهل من خلقك شيء اشد من الماء قال نعم الريح قالوا يا رب فهل من خلقك شيء اشد من الريح قال نعم ابن ادم تصدق بصدقة بيمينه يخفيها من شماله " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا الا من هذا الوجه .
৩৩৬৯. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা যমীন সৃষ্টির পর যখন সেটি কাঁপতে থাকে। তখন তিনি পাহাড় সৃষ্টি করেন এবং সেগুলিকে এর উপর স্থাপন করিয়ে দিলেন। ফলে তা স্থির হয়ে যায়। ফিরিশতারা পাহাড়ের কাঠিন্য দেখে আশ্চার্যান্বিত হলেন। তারা বললেনঃ হে রব! পাহাড় থেকে কঠিন কোন সৃষ্টি আপনার আছে কি?
তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তা হল লোহা। তারা বললেনঃ হে রব! লোহা অপেক্ষায় কঠিন কোন সৃষ্টি আপনার আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তা হল অগ্নি। তারা বললেনঃ হে রব! আগুন থেকেও শক্ত কোন সৃষ্টি আপনার আছে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। তা হল পানি।
তারা বললেনঃ হে রব! পানি থেকেও কোন শক্তিশালী সৃষ্টি আপনার আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তা হল বায়ু। তারা বললেনঃ বায়ু অপেক্ষা শক্তিশালী আপনার কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সে হল আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে সদকা দেয়, বাম হাত থেকেও তা সে গোপন রাখে।
যঈফ, মিশকাত ১৯২৩, তা’লীকুর রাগীব ২/৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া এটি মারফূ’ রূপে বর্ণিত আছে বলের আমাদের জানা নেই।
তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তা হল লোহা। তারা বললেনঃ হে রব! লোহা অপেক্ষায় কঠিন কোন সৃষ্টি আপনার আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তা হল অগ্নি। তারা বললেনঃ হে রব! আগুন থেকেও শক্ত কোন সৃষ্টি আপনার আছে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। তা হল পানি।
তারা বললেনঃ হে রব! পানি থেকেও কোন শক্তিশালী সৃষ্টি আপনার আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তা হল বায়ু। তারা বললেনঃ বায়ু অপেক্ষা শক্তিশালী আপনার কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সে হল আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে সদকা দেয়, বাম হাত থেকেও তা সে গোপন রাখে।
যঈফ, মিশকাত ১৯২৩, তা’লীকুর রাগীব ২/৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া এটি মারফূ’ রূপে বর্ণিত আছে বলের আমাদের জানা নেই।