হাদিস নং: ২০৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو زبيد، - وهو عبثر بن القاسم عن اشعث، عن الحسن، عن عثمان بن ابي العاص، قال ان من اخر ما عهد الى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اتخذ موذنا لا ياخذ على اذانه اجرا . قال ابو عيسى حديث عثمان حديث حسن . والعمل على هذا عند اهل العلم كرهوا ان ياخذ الموذن على الاذان اجرا واستحبوا للموذن ان يحتسب في اذانه .
২০৯. হান্নাদ (রহঃ) ...... উছমান ইবনু আবিল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছ থেকে শেষ যে, ওয়াদা নিয়েছিলেন তা হল, এমন মুয়াজ্জ্বীন নিয়োগ করবে যে আযানের বিনিময়ে কোন পারিশ্রমিক নিবে না। - ইবনু মাজাহ ৭১৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উছমান বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান। আলিমগন এই হাদিস অনুসারে বলেন যে, আযানের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ মাকরুহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ উছমান বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান। আলিমগন এই হাদিস অনুসারে বলেন যে, আযানের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ মাকরুহ।
হাদিস নং: ২১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن الحكيم بن عبد الله بن قيس، عن عامر بن سعد، عن سعد بن ابي وقاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يسمع الموذن وانا اشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له وان محمدا عبده ورسوله رضيت بالله ربا وبمحمد رسولا وبالاسلام دينا غفر له ذنبه " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه الا من حديث الليث بن سعد عن حكيم بن عبد الله بن قيس .
২১০. কুতায়বা (রহঃ) .... সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন মু’আযযিনের আযান শুনে যে ব্যাক্তি নিম্নের দু’আটি পড়বে আল্লাহ তাআলা তাঁর গুনাহ সমূহ মাফ করে দিবেন। দুআটি হলঃ
وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لَا نَعْرِفُهُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ حُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ
- ইবনু মাজাহ ৭২১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ গরীব। লায়ছ ইবনু সা’দ হুকায়ম ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু কায়স সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই।
وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لَا نَعْرِفُهُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ حُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ
- ইবনু মাজাহ ৭২১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ গরীব। লায়ছ ইবনু সা’দ হুকায়ম ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু কায়স সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত আছে বলে আমাদের জানা নেই।
হাদিস নং: ২১১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن سهل بن عسكر البغدادي، وابراهيم بن يعقوب، قالا حدثنا علي بن عياش الحمصي، حدثنا شعيب بن ابي حمزة، حدثنا محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال حين يسمع النداء اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القاىمة ات محمدا الوسيلة والفضيلة وابعثه مقاما محمودا الذي وعدته الا حلت له الشفاعة يوم القيامة " . قال ابو عيسى حديث جابر حديث صحيح حسن غريب من حديث محمد بن المنكدر لا نعلم احدا رواه غير شعيب بن ابي حمزة عن محمد بن المنكدر . وابو حمزة اسمه دينار .
২১১. মুহাম্মদ ইবনু সাহল ইবনু আসকার আল বাগদাদী ও ইবরাহীম ইবনু ইয়াকুব ....... জাবির ইবনু আবদিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ননা করেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আযান শুনে নিম্নের দুআটি পড়বে কিয়ামতের দিন তাঁর জন্য আমার শাফাআত করা ওয়াজিব হয়ে যাবে। দু আটি এইঃ
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
- ইবনু মাজাহ ৭২২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান এবং মুাহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদিরের রিওয়ায়াত হিসাবে গরীব। শু’আযব ইবনু আবী হামযা ছাড়া ইবনুল মুনকাদিরক থেকে আর কেউ এ হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমরা জানি না।
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
- ইবনু মাজাহ ৭২২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান এবং মুাহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদিরের রিওয়ায়াত হিসাবে গরীব। শু’আযব ইবনু আবী হামযা ছাড়া ইবনুল মুনকাদিরক থেকে আর কেউ এ হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন বলে আমরা জানি না।
হাদিস নং: ২১২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، وعبد الرزاق، وابو احمد وابو نعيم قالوا حدثنا سفيان، عن زيد العمي، عن ابي اياس، معاوية بن قرة عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الدعاء لا يرد بين الاذان والاقامة " . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن . وقد رواه ابو اسحاق الهمداني عن بريد بن ابي مريم عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل هذا .
২১২. মাহদূদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন আযান ও ইকামতের মাঝে দু’আ রদ হয় না। - মিশকাত ৬৭১, ইরওয়া ২৪৪, সহিহ আবু দাউদ ৫৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদিসটি হাসান। ইসন ইসহাক আল হামদানী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত হাদিসটি হাসান। ইসন ইসহাক আল হামদানী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২১৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن انس بن مالك، قال فرضت على النبي صلى الله عليه وسلم ليلة اسري به الصلوات خمسين ثم نقصت حتى جعلت خمسا ثم نودي يا محمد انه لا يبدل القول لدى وان لك بهذه الخمس خمسين . قال وفي الباب عن عبادة بن الصامت وطلحة بن عبيد الله وابي ذر وابي قتادة ومالك بن صعصعة وابي سعيد الخدري . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن صحيح .
২১৩. মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া আন নিসাপুরী (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, মিরাজ রজনীতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরয হয়েছিল পরে তা কমিয়ে শেষ পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত করা হয়। এপর বলা হল, হে মুহাম্মাদ আমার কথার কোন রদ বদল হয় না। আপনার জন্য এই পাঁচ ওয়াক্তের ছওয়াব পঞ্চাশ ওয়াক্তেরই সমান। - বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উবাদা ইবনুুস সামিত, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ আবূ কাতদা, আবূ যার মালীক ইবনু সা’সা’আ, আবূ সাঈদ আল খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান, সহীহ।
এই বিষয়ে উবাদা ইবনুুস সামিত, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ আবূ কাতদা, আবূ যার মালীক ইবনু সা’সা’আ, আবূ সাঈদ আল খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান, সহীহ।
হাদিস নং: ২১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا اسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الصلوات الخمس والجمعة الى الجمعة كفارات لما بينهن ما لم تغش الكباىر " . قال وفي الباب عن جابر وانس وحنظلة الاسيدي . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح .
২১৪. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং জুমু’আ মধ্যবর্তী সময়ে যে গুনাহ হয় তাঁর জন্য কাফফারা স্বরূপ যতক্ষণ না সেই ব্যক্তি কবীরা গুনাহে লিপ্ত হয়। - তা’লীকুর রাগীব ১/১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে, জাবির আনাস ও হানযালা আল উসায়দী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
এই বিষয়ে, জাবির আনাস ও হানযালা আল উসায়দী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
হাদিস নং: ২১৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة الجماعة تفضل على صلاة الرجل وحده بسبع وعشرين درجة " . قال وفي الباب عن عبد الله بن مسعود وابى بن كعب ومعاذ بن جبل وابي سعيد وابي هريرة وانس بن مالك . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . وهكذا روى نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " تفضل صلاة الجميع على صلاة الرجل وحده بسبع وعشرين درجة " . قال ابو عيسى وعامة من روى عن النبي صلى الله عليه وسلم انما قالوا " خمس وعشرين " . الا ابن عمر فانه قال " بسبع وعشرين " .
২১৫. হান্নাদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন জামা’আতে সালাত আদায় করা একা আদায় করা অপেক্ষা সাতাশগুণ বেশি মর্যাদা রাখে। - ইবনু মাজাহ ৭৮৯, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, উবায়্য ইবন কাব, মুআয ইবন জাবাল, আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা ও আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর (রা বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। নাফি (রহঃ) ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বারাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এইরূপ রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনি ইরশাদ করেছেন জামা’আতের সালাত একা সালাতের তুলনায় সাতাশগুন অধিক মর্যাদ রাখে। তবে সাধারাণভাবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে যা বর্ণিত আছে তাতে পঁচিশগুন অধিক মর্যাদার কথা উল্লেখিত হয়েছে। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-ই সাতাশগুন অধিক হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, উবায়্য ইবন কাব, মুআয ইবন জাবাল, আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা ও আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উমর (রা বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। নাফি (রহঃ) ও ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বারাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এইরূপ রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনি ইরশাদ করেছেন জামা’আতের সালাত একা সালাতের তুলনায় সাতাশগুন অধিক মর্যাদ রাখে। তবে সাধারাণভাবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বিষয়ে যা বর্ণিত আছে তাতে পঁচিশগুন অধিক মর্যাদার কথা উল্লেখিত হয়েছে। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-ই সাতাশগুন অধিক হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
হাদিস নং: ২১৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان صلاة الرجل في الجماعة تزيد على صلاته وحده بخمسة وعشرين جزءا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৬. ইসহাক ইবনু মূসা আল আনসারী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন জামা’আতের সালাত একা সালাতের তুলনায় পঁচিশগুণ অধিক মর্যাদা রাখে। - ইবনু মাজাহ ৭৮৬,৭৮৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
হাদিস নং: ২১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن جعفر بن برقان، عن يزيد بن الاصم، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لقد هممت ان امر فتيتي ان يجمعوا حزم الحطب ثم امر بالصلاة فتقام ثم احرق على اقوام لا يشهدون الصلاة " . قال ابو عيسى وفي الباب عن عبد الله بن مسعود وابي الدرداء وابن عباس ومعاذ بن انس وجابر . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وقد روي عن غير واحد من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم انهم قالوا من سمع النداء فلم يجب فلا صلاة له . وقال بعض اهل العلم هذا على التغليظ والتشديد ولا رخصة لاحد في ترك الجماعة الا من عذر .
২১৭. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন আমার ইচ্ছা হয়, যুবকদের বলি তাঁরা যেন জ্বালানী কাঠ জমা করে আর আমি সালাতের নির্দেশ দেই এবং তা দাঁড়িয়ে যায় পরে যারা সালাতে হাযীর হয় না সেই লোকদের আগুনে জ্বালিয়ে দেই। - ইবনু মাজাহ ৭৯১, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আবূল দারদা, ইবনু আব্বাস, মুআয ইবনু আনাস ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ। একাধিক সাহাবী থেকে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা বলেছেন আযান শোনার পরও যদি কেউ সাড়া না দেয় তবে সালাত হবে না। কতক আলিম বলেন এই কথা হুমকী ও গুরুত্ত প্রদান হিসাবে প্রযোজ্য। তবে উযর ছাড়া জামা’আত পরিত্যাগের কোন অনুমতি নেই।
এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আবূল দারদা, ইবনু আব্বাস, মুআয ইবনু আনাস ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ। একাধিক সাহাবী থেকে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা বলেছেন আযান শোনার পরও যদি কেউ সাড়া না দেয় তবে সালাত হবে না। কতক আলিম বলেন এই কথা হুমকী ও গুরুত্ত প্রদান হিসাবে প্রযোজ্য। তবে উযর ছাড়া জামা’আত পরিত্যাগের কোন অনুমতি নেই।
হাদিস নং: ২১৮
যঈফ (Dai'f)
قال مجاهد وسىل ابن عباس عن رجل، يصوم النهار ويقوم الليل لا يشهد جمعة ولا جماعة قال هو في النار . قال حدثنا بذلك هناد حدثنا المحاربي عن ليث عن مجاهد . قال ومعنى الحديث ان لا يشهد الجماعة والجمعة رغبة عنها واستخفافا بحقها وتهاونا بها .
২১৮. মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছল এক ব্যক্তি দিনভর রোযা রাখে আর রাতভর সালাত আদায় করে কিন্তু জুমু’আ বা জামা’আতে হাযির হয় না তাঁর কি হবে? উত্তরে তিনি বললেন সে জাহান্নামী। হান্নাদ (রহঃ) মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এর মর্ম হল, কেউ যদি জুমু’আ ও জামাআতকে উপেক্ষা করে, এর গুরুত্বকে খাট করে ও অবহেলার দৃষ্টিতে দেখে তাঁর বেলায় এই কথা প্রযোজ্য। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا يعلى بن عطاء، حدثنا جابر بن يزيد بن الاسود العامري، عن ابيه، قال شهدت مع النبي صلى الله عليه وسلم حجته فصليت معه صلاة الصبح في مسجد الخيف . قال فلما قضى صلاته وانحرف اذا هو برجلين في اخرى القوم لم يصليا معه فقال " على بهما " . فجيء بهما ترعد فراىصهما فقال " ما منعكما ان تصليا معنا " . فقالا يا رسول الله انا كنا قد صلينا في رحالنا . قال فلا تفعلا اذا صليتما في رحالكما ثم اتيتما مسجد جماعة فصليا معهم فانها لكما نافلة " . قال وفي الباب عن محجن الديلي ويزيد بن عامر . قال ابو عيسى حديث يزيد بن الاسود حديث حسن صحيح . وهو قول غير واحد من اهل العلم وبه يقول سفيان الثوري والشافعي واحمد واسحاق قالوا اذا صلى الرجل وحده ثم ادرك الجماعة فانه يعيد الصلوات كلها في الجماعة واذا صلى الرجل المغرب وحده ثم ادرك الجماعة قالوا فانه يصليها معهم ويشفع بركعة . والتي صلى وحده هي المكتوبة عندهم .
২১৯. আহমদ ইবনুুা মানী (রহঃ) ..... ইযাযীদ ইবনুুূল আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আমি হজ্জে হাযির ছিলাম। তাঁর সঙ্গে মসজিদে খায়ফে ফজরের সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি যখন ফিরলেন তখন শেষ প্রান্তে দুই ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন। এরা তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করেনি। তিনি বললেন এদেরকে আমার কাছে নিয়ে এস। তাদের নিায়ে আসা হল। তখন ভয়ে তাঁদের ঘাড়ের রগ পর্যন্ত কাঁপছিল। তিনি তাদের বললেন আমাদের সঙ্গে সালাত আদায় করতে তোমাদের কিসে বাধা দিল? তাঁরা বলল হে আল্লাহর রাসূল আমরা আমাদের অবস্থান স্থলে সালাত পড়ে নিয়েছিলাম। তিনি বললেন এরূপ করবে না। যদি তোমাদের অবস্থান স্থলে সালাত পড়ে মসজিদে জামা’আতে আস তবে তাদের সঙ্গে জামাআতে শরীক হয়ে যেও। তোমদের জন্য তা নফল হিসেবে গণ্য হবে। - মিশকাত ১১৫২, সহিহ আবু দাউদ ৫৯০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে মিহজান আদ-দীলী ও ইয়াযীদ ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান -সহীহ। একাধিক আলিম এই অভিমত দিয়েছেন। সূফইয়ান ছাওরী, শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) ও এই অভিমত ব্যক্তি করেছেন। তাঁরা বলেন কেউ যদি এক সালাত আদায় করে পরে জামাআত পায় তবে সকল সালাতই জামা’আতের সাথে পূর্নবার আদায় করবে। কেউ যদি এক মাগরিবের সালাত আদায় করার পর আমা’আত পায় তাঁর সম্পর্কে তাঁরা বলেন তা-ও জামা’আতের সঙ্গে আদায় করবে এবং শেষে এক রাকআত মিলিয়ে তা জোড় বানিয়ে নিবে। যে সালাত সে একা পড়েছে তাদের তবে তা ফরয বলে গন্য হবে।
এই বিষয়ে মিহজান আদ-দীলী ও ইয়াযীদ ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান -সহীহ। একাধিক আলিম এই অভিমত দিয়েছেন। সূফইয়ান ছাওরী, শাফিঈ, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) ও এই অভিমত ব্যক্তি করেছেন। তাঁরা বলেন কেউ যদি এক সালাত আদায় করে পরে জামাআত পায় তবে সকল সালাতই জামা’আতের সাথে পূর্নবার আদায় করবে। কেউ যদি এক মাগরিবের সালাত আদায় করার পর আমা’আত পায় তাঁর সম্পর্কে তাঁরা বলেন তা-ও জামা’আতের সঙ্গে আদায় করবে এবং শেষে এক রাকআত মিলিয়ে তা জোড় বানিয়ে নিবে। যে সালাত সে একা পড়েছে তাদের তবে তা ফরয বলে গন্য হবে।
হাদিস নং: ২২০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن سعيد بن ابي عروبة، عن سليمان الناجي البصري، عن ابي المتوكل، عن ابي سعيد، قال جاء رجل وقد صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ايكم يتجر على هذا " . فقام رجل فصلى معه . قال وفي الباب عن ابي امامة وابي موسى والحكم بن عمير . قال ابو عيسى وحديث ابي سعيد حديث حسن . وهو قول غير واحد من اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم من التابعين قالوا لا باس ان يصلي القوم جماعة في مسجد قد صلي فيه جماعة . وبه يقول احمد واسحاق . وقال اخرون من اهل العلم يصلون فرادى . وبه يقول سفيان وابن المبارك ومالك والشافعي يختارون الصلاة فرادى . وسليمان الناجي بصري ويقال سليمان بن الاسود . وابو المتوكل اسمه علي بن داود .
২২০. হান্নাদ ..... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত আদায়ের পর জনৈক ব্যক্তি মসজিদে নবীতে এল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন তোমাদের মধ্যে কে এই ব্যক্তির সাথে ছওয়াব লাভের ব্যবসা করতে চাও? তখন এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়াল এবং তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। - মিশকাত ১১৪৬, ইরওয়া ৫৩৫, রাওযুন নাযীর ৯৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ উমামা, আবূ মূসা, হাকাম ইবনু উমায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদাীছটি মসজিদে একবার জামাআত হওয়ার সত্তেও পুনরায় সে মসজিদে জামাআত করায় কোন দোষ নেই। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত এ-ই। অন্য এক দল ফকীহ বলেন এমতাস্থায় জামা’আত না করে একা সালাত আদায় করবে। সুফইয়ান, ইবনুল মুবারাক, মালিক, শাফিঈ (রহঃ) এই অভিতত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা সকলেই এই অবস্থায় একা একা সালাত আদায় করার মত গ্রহণ করেছেন।
এই বিষয়ে আবূ উমামা, আবূ মূসা, হাকাম ইবনু উমায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদাীছটি মসজিদে একবার জামাআত হওয়ার সত্তেও পুনরায় সে মসজিদে জামাআত করায় কোন দোষ নেই। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত এ-ই। অন্য এক দল ফকীহ বলেন এমতাস্থায় জামা’আত না করে একা সালাত আদায় করবে। সুফইয়ান, ইবনুল মুবারাক, মালিক, শাফিঈ (রহঃ) এই অভিতত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা সকলেই এই অবস্থায় একা একা সালাত আদায় করার মত গ্রহণ করেছেন।
হাদিস নং: ২২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا بشر بن السري، حدثنا سفيان، عن عثمان بن حكيم، عن عبد الرحمن بن ابي عمرة، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من شهد العشاء في جماعة كان له قيام نصف ليلة ومن صلى العشاء والفجر في جماعة كان له كقيام ليلة " . قال وفي الباب عن ابن عمر وابي هريرة وانس وعمارة بن رويبة وجندب بن عبد الله بن سفيان البجلي وابى بن كعب وابي موسى وبريدة . قال ابو عيسى حديث عثمان حديث حسن . وقد روي هذا الحديث عن عبد الرحمن بن ابي عمرة عن عثمان موقوفا وروي من غير وجه عن عثمان مرفوعا .
২২১. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) .... উছমান ইবনু আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে ব্যক্তি ইশার জামা’আতে হাজির হতে পারবে সে অর্ধ রত্রির সালাত আদায়ের ছওয়াব পাবে। আর যে ব্যক্তি ইশা ও ফজরের সালাত জামা’আতে আদায় করব সে পূর্ণ রত্রি সালাত আদায়ের ছওয়াব পাবে। - সহিহ আবু দাউদ ৫৫৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু উমর, আবূ হুরায়রা, আনাস, উমারা ইবনু আবী রুওয়ায়বা, জুনদাব, উবাই ইবনু কাব, আবূ মূসা ও বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এ হাদিসটি হাসান ও সহীহ। আবদুর রহমান ইবনু আবী আমরা (রহঃ) এর বরাতে উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ রুপেও এই হাদিসটি বর্ণিত আছে। একধিক সূত্রে এটি মারফূ রুপেও বর্ণিত হয়েছে।
এই বিষয়ে ইবনু উমর, আবূ হুরায়রা, আনাস, উমারা ইবনু আবী রুওয়ায়বা, জুনদাব, উবাই ইবনু কাব, আবূ মূসা ও বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এ হাদিসটি হাসান ও সহীহ। আবদুর রহমান ইবনু আবী আমরা (রহঃ) এর বরাতে উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ রুপেও এই হাদিসটি বর্ণিত আছে। একধিক সূত্রে এটি মারফূ রুপেও বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস নং: ২২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا داود بن ابي هند، عن الحسن، عن جندب بن سفيان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا تخفروا الله في ذمته " . قال ابو عيسى حديث حسن صحيح .
২২২. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) .... জুনদুব ইবনু সুফইান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ননা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন যে, ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে সে আল্লাহর দায়িত্বে থাকবে। সুতরাং তোমরা কেউ আল্লাহর দায়িত্বের বিষয়ে বিশ্বাস ভঙ্গ করো না। - তা’লীকুর রাগীব ১/১৪১,১৬৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এ হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন এ হাদিসটি হাসান ও সহীহ।
হাদিস নং: ২২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا عباس العنبري، حدثنا يحيى بن كثير ابو غسان العنبري، عن اسماعيل الكحال، عن عبد الله بن اوس الخزاعي، عن بريدة الاسلمي، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بشر المشاىين في الظلم الى المساجد بالنور التام يوم القيامة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه مرفوع هو صحيح مسند وموقوف الى اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ولم يسند الى النبي صلى الله عليه وسلم .
২২৩. আব্বাস আল আনবারী .... বুরায়দা আল আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন যারা রাতের আধারে মসজিদে বেশি বেশি যাতায়াত করে তাদেরকে কিয়ামত দিবসের পরিপূর্ণ নূরের খোশ খবরী দিয়ে দাও। - ইবনু মাজাহ ৭৭৯-৭৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদিসটি গরীব। তবে এ হাদীছের মওকূফ হিসাবে বর্ণিত সনদটি সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদিসটি গরীব। তবে এ হাদীছের মওকূফ হিসাবে বর্ণিত সনদটি সহীহ।
হাদিস নং: ২২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير صفوف الرجال اولها وشرها اخرها وخير صفوف النساء اخرها وشرها اولها " . قال وفي الباب عن جابر وابن عباس وابن عمر وابي سعيد وابى وعاىشة والعرباض بن سارية وانس . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يستغفر للصف الاول ثلاثا وللثاني مرة .
২২৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন পূরুষদের জন্য সর্বোত্তম কাতার হল প্রথম কাতার। আর নিকৃষ্ট কাতার হল শেষ কাতার। পক্ষান্তরে মাহিলদের জন্য সর্বোত্তম কাতার হল শেষ কাতার। আর নিকৃষ্ট কাতার হল প্রথম কাতার। - ইবনু মাজাহ ১০০০-১০০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জবির, ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার, আবূ সাঈদ, উবাই, আয়িশা, ইরবায ইবনু সারিয়া এবং আনাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিন প্রথম কাতরের জন্য তিনবার এবং দ্বিতীয় কাতারের জন্য একবার মাকগফিরাতের দুআ করেছেন।
এই বিষয়ে জবির, ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার, আবূ সাঈদ, উবাই, আয়িশা, ইরবায ইবনু সারিয়া এবং আনাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান ও সহীহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিন প্রথম কাতরের জন্য তিনবার এবং দ্বিতীয় কাতারের জন্য একবার মাকগফিরাতের দুআ করেছেন।
হাদিস নং: ২২৫
সহিহ (Sahih)
وقال النبي صلى الله عليه وسلم " لو ان الناس يعلمون ما في النداء والصف الاول ثم لم يجدوا الا ان يستهموا عليه لاستهموا عليه " . قال حدثنا بذلك اسحاق بن موسى الانصاري حدثنا معن حدثنا مالك عن سمى عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
২২৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন আযান এবং প্রথম কাতরে কি ছওয়াব নিহিত আছে তা যদি মানুষ জানত আর তা লাভ করার জন্য লটারি ছাড়া অন্য কোন উপায় না থাকত তবে তারা লটারি করে হলেও তা লাভ করত। - ইবনু মাজাহ ৯৯৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২২৬
সহিহ (Sahih)
وحدثنا قتيبة، عن مالك، نحوه .
২২৬. ইসহাক ইবন আবু মূসা আনরাসী ও কাতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে উপরোক্ত হাদিসটি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن سماك بن حرب، عن النعمان بن بشير، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسوي صفوفنا فخرج يوما فراى رجلا خارجا صدره عن القوم فقال " لتسون صفوفكم او ليخالفن الله بين وجوهكم " . قال وفي الباب عن جابر بن سمرة والبراء وجابر بن عبد الله وانس وابي هريرة وعاىشة . قال ابو عيسى حديث النعمان بن بشير حديث حسن صحيح . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " من تمام الصلاة اقامة الصف " . وروي عن عمر انه كان يوكل رجالا باقامة الصفوف فلا يكبر حتى يخبر ان الصفوف قد استوت . وروي عن علي وعثمان انهما كانا يتعاهدان ذلك ويقولان استووا . وكان علي يقول تقدم يا فلان تاخر يا فلان .
২২৭. কুতায়বা (রহঃ) .... নুমান ইবনু বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাতার সোজা করে নিতেন। একদিন তিনি বেরিয়ে দেখলেন জনৈক ব্যক্তি জামাআতের কাতার থেকে বুক বের করে দাড়িয়ে আছে। তখন বললেন তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতার সোজা রাখবে নইলে আল্লাহ তোমাদের চেহারা পাল্টে দিবেন। - ইবনু মাজাহ ৯৯৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির ইবনু সামুরা, বারা, জাবির ইনব আবদিল্লাহ, আনাস, আবূ হুরায়রা এবং আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ নুমান ইবনু বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি ইরশাদ করেন কাতার সোজা করা সালাতের পূর্ণতার শামিল। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি কাতার সোজা করার জন্য লোক নিযুক্ত করেছিল। কাতার সোজা হওয়ার বিষয়ে তাঁকে অবহিত না করা পর্যন্ত তিনি সালাতের তাকবীর বলতেন না। বর্ণিত আছে যে, উছমান ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুম বিষয়টির প্রতি খুবই লক্ষ্য রাখতেন। তাঁরা সকলেই কাতার সোজা করতে নির্দেশ দিতেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কাতার সোজা করতে গিয়ে বলতেন, হে অমুক সামনে এগিয়ে আস; হে অমুক একটু পিছনে সরে যাও।
এই বিষয়ে জাবির ইবনু সামুরা, বারা, জাবির ইনব আবদিল্লাহ, আনাস, আবূ হুরায়রা এবং আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ নুমান ইবনু বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান ও সহীহ। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি ইরশাদ করেন কাতার সোজা করা সালাতের পূর্ণতার শামিল। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি কাতার সোজা করার জন্য লোক নিযুক্ত করেছিল। কাতার সোজা হওয়ার বিষয়ে তাঁকে অবহিত না করা পর্যন্ত তিনি সালাতের তাকবীর বলতেন না। বর্ণিত আছে যে, উছমান ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুম বিষয়টির প্রতি খুবই লক্ষ্য রাখতেন। তাঁরা সকলেই কাতার সোজা করতে নির্দেশ দিতেন। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কাতার সোজা করতে গিয়ে বলতেন, হে অমুক সামনে এগিয়ে আস; হে অমুক একটু পিছনে সরে যাও।
হাদিস নং: ২২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد الحذاء، عن ابي معشر، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليليني منكم اولو الاحلام والنهى ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ولا تختلفوا فتختلف قلوبكم واياكم وهيشات الاسواق " . قال وفي الباب عن ابى بن كعب وابي مسعود وابي سعيد والبراء وانس . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود حديث حسن غريب . وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يعجبه ان يليه المهاجرون والانصار ليحفظوا عنه . قال وخالد الحذاء هو خالد بن مهران يكنى ابا المنازل . قال وسمعت محمد بن اسماعيل يقول يقال ان خالدا الحذاء ما حذا نعلا قط انما كان يجلس الى حذاء فنسب اليه . قال وابو معشر اسمه زياد بن كليب .
২২৮. নাসর ইবন আলী জাহযামী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন তোমাদের মধ্যে যারা অধিক জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান তাঁরা আমার কাছে দাঁড়াবে। এরপর তাদের অনুরূপ যে ক্রম অনুসারে দাঁড়াবে। কাতার করতে আঁকা বাঁকা করবে না এতে তোমাদের হৃদয়ে হৃদয়ে অনৈক্যের সৃষ্টি হয়ে পড়বে। সাবধান, বাজরের মত শোরগোল করা থেকে বেঁচে থাকবে। - সহিহ আবু দাউদ ৬৭৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উবাই ইবনু কা’ব, আবূ মাসউদ, আবূ সাঈদ, বারা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান, সহীহ ও গরীব। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, রাসূল তাঁর কাছে মুহাজির ও আনসারদের দাঁড়ানো পছন্দ করতেন। যাতে তাঁরা প্রতিটি বিষয় নবী করীম (রহঃ) থেকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারেন। বর্ণনাকারী খালিদ আল হাযযা হলেন খালিদ ইবনু মিহরান। তাঁর উপনাম বা কুনিয়াত হল আবূল মানযিল। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) বলেন খালিদ কখনও জুতা সেলাইয়ের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন না। তবে তিনি জুতা ব্যবসায়ীদের কাছে গিয়ে বসতেন। এই কারণে তাঁদের দিকে সম্পর্কিত হয়ে তিনি আল হাযযা বা জুতা প্রস্তুতকারী নামে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেন। অপর রাবী মাশারের পূর্ণ নাম হল যিয়াদ ইবনু কুলায়ব।
এই বিষয়ে উবাই ইবনু কা’ব, আবূ মাসউদ, আবূ সাঈদ, বারা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইবনু উসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসটি হাসান, সহীহ ও গরীব। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, রাসূল তাঁর কাছে মুহাজির ও আনসারদের দাঁড়ানো পছন্দ করতেন। যাতে তাঁরা প্রতিটি বিষয় নবী করীম (রহঃ) থেকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারেন। বর্ণনাকারী খালিদ আল হাযযা হলেন খালিদ ইবনু মিহরান। তাঁর উপনাম বা কুনিয়াত হল আবূল মানযিল। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) বলেন খালিদ কখনও জুতা সেলাইয়ের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন না। তবে তিনি জুতা ব্যবসায়ীদের কাছে গিয়ে বসতেন। এই কারণে তাঁদের দিকে সম্পর্কিত হয়ে তিনি আল হাযযা বা জুতা প্রস্তুতকারী নামে প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেন। অপর রাবী মাশারের পূর্ণ নাম হল যিয়াদ ইবনু কুলায়ব।