হাদিস নং: ৮৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا سفيان الثوري، عن ابي اسحاق، عن عبد الله بن مالك، ان ابن عمر، صلى بجمع فجمع بين الصلاتين باقامة وقال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل مثل هذا في هذا المكان .
৮৮৮. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু উমার (রাঃ) মুযদালিফায় সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। তিনি সেখানে এক ইকামতে দুই সালাত (নামায/নামাজ) (মাগরিব ও এশা) একত্রে আদায় করলেন এবং বললেন, আমি রাসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এই জায়গায় এই আমল করতে দেখেছি। - সহিহ আবু দাউদ ১৬৮২, ১৬৯০, নাসাঈ, মুসলিমের শব্দ ইকামাতুন ওয়াহিদাতুন ঐ বর্ণনাটি শাজ, বুখারির শব্দ প্রত্যেক নামাযের জন্যই ইকামাত, এ বর্ণনাটি সংরক্ষিত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله . قال محمد بن بشار قال يحيى والصواب حديث سفيان . قال وفي الباب عن علي وابي ايوب وعبد الله بن مسعود وجابر واسامة بن زيد . قال ابو عيسى حديث ابن عمر في رواية سفيان اصح من رواية اسماعيل بن ابي خالد وحديث سفيان حديث صحيح حسن . قال ابو عيسى وروى اسراىيل هذا الحديث عن ابي اسحاق عن عبد الله وخالد ابنى مالك عن ابن عمر . وحديث سعيد بن جبير عن ابن عمر هو حديث حسن صحيح ايضا رواه سلمة بن كهيل عن سعيد بن جبير . واما ابو اسحاق فرواه عن عبد الله وخالد ابنى مالك عن ابن عمر . والعمل على هذا عند اهل العلم لانه لا تصلى صلاة المغرب دون جمع فاذا اتى جمعا وهو المزدلفة جمع بين الصلاتين باقامة واحدة ولم يتطوع فيما بينهما وهو الذي اختاره بعض اهل العلم وذهب اليه . وهو قول سفيان الثوري . قال سفيان وان شاء صلى المغرب ثم تعشى ووضع ثيابه ثم اقام فصلى العشاء . وقال بعض اهل العلم يجمع بين المغرب والعشاء بالمزدلفة باذان واقامتين يوذن لصلاة المغرب ويقيم ويصلي المغرب ثم يقيم ويصلي العشاء . وهو قول الشافعي .
قال ابو عيسى وروى اسراىيل هذا الحديث عن ابي اسحق عن عبد الله وخالد ابني مالك عن ابن عمر وحديث سعيد بن جبير عن ابن عمر هو حديث حسن صحيح ايضا رواه سلمة بن كهيل عن سعيد بن جبير واما ابو اسحق فرواه عن عبد الله وخالد ابني مالك عن ابن عمر.
قال ابو عيسى وروى اسراىيل هذا الحديث عن ابي اسحق عن عبد الله وخالد ابني مالك عن ابن عمر وحديث سعيد بن جبير عن ابن عمر هو حديث حسن صحيح ايضا رواه سلمة بن كهيل عن سعيد بن جبير واما ابو اسحق فرواه عن عبد الله وخالد ابني مالك عن ابن عمر.
৮৮৯. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার বলেন যে, ইয়াহ্ইয়া বলেন, সুফিয়ান (রহঃ)- এর বর্ণনাঢি হল সঠিক। এই বিষয়ে আলী, আবূ আয়্যূব, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ, জাবির ও উসামা ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলৈন, ইবনু উমার (রাঃ)-এর হাদিসটি ইসমাঈল ইবনু আবূ খলিদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত আপেক্ষা সুফিয়ান (রহঃ) এর সুত্রে রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ্। সুফিয়ান (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি হাসান- সহীহ্। ইসরাঈল এই হাদিসটিকে আবূ ইসহাক- মালিক পুত্রদ্বয় আবদুল্লাহ ও খালিদ সূত্রে- ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। সালামা ইবনু কুহায়লও এটিকে সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ননা করেছেন। আবূ ইসহাক (রহঃ) এটিকে মালিক পুত্রদ্বয় আবদুল্লাহ ও খালিদ উমার (রাঃ) সনদে বর্ণনা করেছেন।
এতদনুসারে আলিমগণ আমল করেছেন। তারা বলেন, মুযদালিফা ছাড়া মাগরিবের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা যাবে না। মুযদালিফায় যখন আসবে তখন এক ইকামতে দুই সালাত একত্রে আদায় করবে। এর মাঝে নফল আদায় করবে না। কোন কোন আলিম এই মতটি গ্রহণ করেছেন। এ হলো ইমাম সুফিয়ান ছাওরী (রহঃ) এর অভিমত। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ইচ্ছা করলে মাগরিব আদায় করে রাতের খাবার খেয়ে, কাপড়- চোপড় ছেড়ে পরে ইকামত দিয়ে ইশার সালাত আদায় করবে। আবার কতিপয় আলিমগণ বলেন, মুযদালিফায় এক আযান ও দুই ইকামতে মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করবে। মাগরিবের আযান দিয়ে ইকামত দিবে এবং মাগরিবের সালাত আদায় করবে। পরে পুনরায় ইকামত দিবে এবং ইশার সালাত আদায় করবে। এ হলো ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত।
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার বলেন যে, ইয়াহ্ইয়া বলেন, সুফিয়ান (রহঃ)- এর বর্ণনাঢি হল সঠিক। এই বিষয়ে আলী, আবূ আয়্যূব, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ, জাবির ও উসামা ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলৈন, ইবনু উমার (রাঃ)-এর হাদিসটি ইসমাঈল ইবনু আবূ খলিদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত আপেক্ষা সুফিয়ান (রহঃ) এর সুত্রে রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ্। সুফিয়ান (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি হাসান- সহীহ্। ইসরাঈল এই হাদিসটিকে আবূ ইসহাক- মালিক পুত্রদ্বয় আবদুল্লাহ ও খালিদ সূত্রে- ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। সালামা ইবনু কুহায়লও এটিকে সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ননা করেছেন। আবূ ইসহাক (রহঃ) এটিকে মালিক পুত্রদ্বয় আবদুল্লাহ ও খালিদ উমার (রাঃ) সনদে বর্ণনা করেছেন।
এতদনুসারে আলিমগণ আমল করেছেন। তারা বলেন, মুযদালিফা ছাড়া মাগরিবের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা যাবে না। মুযদালিফায় যখন আসবে তখন এক ইকামতে দুই সালাত একত্রে আদায় করবে। এর মাঝে নফল আদায় করবে না। কোন কোন আলিম এই মতটি গ্রহণ করেছেন। এ হলো ইমাম সুফিয়ান ছাওরী (রহঃ) এর অভিমত। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ইচ্ছা করলে মাগরিব আদায় করে রাতের খাবার খেয়ে, কাপড়- চোপড় ছেড়ে পরে ইকামত দিয়ে ইশার সালাত আদায় করবে। আবার কতিপয় আলিমগণ বলেন, মুযদালিফায় এক আযান ও দুই ইকামতে মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করবে। মাগরিবের আযান দিয়ে ইকামত দিবে এবং মাগরিবের সালাত আদায় করবে। পরে পুনরায় ইকামত দিবে এবং ইশার সালাত আদায় করবে। এ হলো ইমাম শাফিঈ (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ৮৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا سفيان، عن بكير بن عطاء، عن عبد الرحمن بن يعمر، ان ناسا، من اهل نجد اتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بعرفة فسالوه فامر مناديا فنادى " الحج عرفة من جاء ليلة جمع قبل طلوع الفجر فقد ادرك الحج ايام منى ثلاثة فمن تعجل في يومين فلا اثم عليه ومن تاخر فلا اثم عليه " . قال محمد وزاد يحيى واردف رجلا فنادى.
৮৯০. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ....... আবদুর রহমান ইবনু ইয়া’মুর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নজদবাসী কতিপয় লোক রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল তখন তিনি আরাফায় ছিলিন। তার হজ্জ সর্ম্পকে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে। তিনি তখন এক ঘোষণাকরীকে এই মর্মে ঘোষনা দিতে নির্দেশ দিলেন যে, হজ্জ হল আরাফাতে অবস্থানের নাম। কেউ যদি মুযাদালিফার রাতে ফজর উদয়ের পূর্বেই এখানে আসে তবে সে হজ্জ পেল। মিনায় অবস্থানের দিন হল তিন দিন। কেউ দুই দিন অবস্থান করে শীঘ্র ফিরে যেতে চাইলে তাতে কোন দোষ নাই। আর তিন দিন অবস্থান বিলম্বিত করতে চাইলেও তাতে কোন দোষ নাই। মুহাম্মদ আল বুখারী বলেন যে, ইয়হ্ইয়া আরো অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে তাঁর পিছনে আরোহণ করালেন অনন্তর এই ব্যক্তি এ ব্যাপারে ঘোষণা প্রদান করলেন। - ইবনু মাজাহ ৩০১৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سفيان الثوري، عن بكير بن عطاء، عن عبد الرحمن بن يعمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه . وقال ابن ابي عمر قال سفيان بن عيينة وهذا اجود حديث رواه سفيان الثوري . قال ابو عيسى والعمل على حديث عبد الرحمن بن يعمر عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم انه من لم يقف بعرفات قبل طلوع الفجر فقد فاته الحج ولا يجزى عنه ان جاء بعد طلوع الفجر ويجعلها عمرة وعليه الحج من قابل . وهو قول الثوري والشافعي واحمد واسحاق . قال ابو عيسى وقد روى شعبة عن بكير بن عطاء نحو حديث الثوري . قال وسمعت الجارود يقول سمعت وكيعا انه ذكر هذا الحديث فقال هذا الحديث ام المناسك .
৮৯১. ইবনু আবী উমার (রহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনু ইয়া’মুর (রাঃ) সূত্রে নবী থেকে এই মর্মে অনূরুপ বর্ণিত আছে। ইবনু আবী উমার (রহঃ) বলেছেন যে, সুফিয়ান ইবনু উআয়না বলেন, এটি একটি উত্তম রিওয়ায়াত যা সুফিয়ান ছাওরী (রহঃ) রিওয়ায়াত করেছেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সাহাবী ও অন্যান্য আলিম আব্দুর রহমান ইবনু ইয়া’মুর (রাঃ)-এর হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেন ফজর উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত যদি কেউ উকূফে আরাফা করতে না পারে তার হজ্জ ফওত হয়ে যাবে। ফজরের উদয়ের পর যদি আসে তবে তা ধর্তব্য হবে না। বরং তা উমরা হয়ে যাবে এবং আগামী বছর তাকে হজ্জ সম্পাদন করতে হবে। এহলো ছাওরী, শফিঈ, আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) - এর অভিমত। শু’বা (রহঃ) ও বুকায়র ইবনু আতা (রহঃ) কে বলতে শুনেছি যে, ওয়াকী’ এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করে বলেছেন, এই হাদিসটি হলো হজ্জ সম্পর্কিত হাদিসসমূহের মূল। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৮৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن داود بن ابي هند، واسماعيل بن ابي خالد، وزكريا بن ابي زاىدة، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس بن اوس بن حارثة بن لام الطاىي، قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمزدلفة حين خرج الى الصلاة فقلت يا رسول الله اني جىت من جبلى طيى اكللت راحلتي واتعبت نفسي والله ما تركت من حبل الا وقفت عليه فهل لي من حج فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من شهد صلاتنا هذه ووقف معنا حتى ندفع وقد وقف بعرفة قبل ذلك ليلا او نهارا فقد اتم حجه وقضى تفثه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال قوله " تفثه " . يعني نسكه . قوله " ما تركت من حبل الا وقفت عليه " . اذا كان من رمل يقال له حبل واذا كان من حجارة يقال له جبل .
৮৯২. ইবনু উমার (রহঃ) ...... উরওয়া মুদাররিস ইবনু আওস ইবনু হারিসা ইবনু লামতাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে মুযদালিফায় আসলাম, তিনি তখন সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়েছিলেন। আমি বললাম, ’ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমি তায়- এর দুই পাহাড় (অঞ্চল) থেকে এসেছি। আমার বাহকেও ক্লান্ত করে ফেলেছি আর নিজেকেও খুবই পরিশ্রান্ত করেছি। এখানে এমন কোন পাহাড় কে ছাড়িনি যেখানে আমি উকূফ করিনি। আমার হজ্জ হবে কি? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমাদের এই সালাতে যে হাযির হয়েছে এবং রওয়ানা হওয়া পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে উকূফ করেছে আর এর পূর্বে রাতে হোক বা দিনে উকূফে আরাফা করেছে। তার হজ্জ সমাধা হয়েছে এবং সে তার হজ্জের বিধানসমূহ সম্পাদন করে নিতে পেরেছে। - ইবনু মাজাহ ৩০২৬, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
হাদিস নং: ৮৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثقل من جمع بليل . قال وفي الباب عن عاىشة وام حبيبة واسماء بنت ابي بكر والفضل بن عباس.
৮৯৩. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মাল-সামানবাহী দলের সাথে রাত্রেই মুযদালিফা থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিললেন। - ইবনু মাজাহ ৩০২৬, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, উম্মু হাবীবা,আসমা ও ফযল (রাঃ) থেকে হাদিস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে আয়িশা, উম্মু হাবীবা,আসমা ও ফযল (রাঃ) থেকে হাদিস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৮৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن المسعودي، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قدم ضعفة اهله وقال " لا ترموا الجمرة حتى تطلع الشمس " . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا الحديث عند اهل العلم لم يروا باسا ان يتقدم الضعفة من المزدلفة بليل يصيرون الى منى . وقال اكثر اهل العلم بحديث النبي صلى الله عليه وسلم انهم لا يرمون حتى تطلع الشمس . ورخص بعض اهل العلم في ان يرموا بليل . والعمل على حديث النبي صلى الله عليه وسلم انهم لا يرمون . وهو قول الثوري والشافعي .
. قال ابو عيسى حديث ابن عباس بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثقل حديث صحيح روي عنه من غير وجه . وروى شعبة هذا الحديث عن مشاش عن عطاء عن ابن عباس عن الفضل بن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم قدم ضعفة اهله من جمع بليل . وهذا حديث خطا اخطا فيه مشاش وزاد فيه عن الفضل بن عباس . وروى ابن جريج وغيره هذا الحديث عن عطاء عن ابن عباس . ولم يذكروا فيه عن الفضل بن عباس . ومشاش بصري روى عنه شعبة .
. قال ابو عيسى حديث ابن عباس بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثقل حديث صحيح روي عنه من غير وجه . وروى شعبة هذا الحديث عن مشاش عن عطاء عن ابن عباس عن الفضل بن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم قدم ضعفة اهله من جمع بليل . وهذا حديث خطا اخطا فيه مشاش وزاد فيه عن الفضل بن عباس . وروى ابن جريج وغيره هذا الحديث عن عطاء عن ابن عباس . ولم يذكروا فيه عن الفضل بن عباس . ومشاش بصري روى عنه شعبة .
৮৯৪. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের দুর্বলদের আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। বলেছিলেনঃ সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত তোমরা রমী (কংকর নিক্ষেপ) করবে না। - ইবনু মাজাহ ৩০২৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল গহণের অভিমত দিয়েছেন। দুর্বলদেরকে আগেই মুযদালিফা থেকে মিনায় রাত্রে রওয়ানা করাতে কোন দোষ আছে বলে তাঁর মনে করেন না। অধিকাংশ আলিম এই হাদিসটির উপর ভিত্তি করে বলেন, সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত রমী করবে না। তবে কতিপয় আলিম রাত্রেও রমী করার অবকাশ দিয়েছেন। এ হলো ইমাম ছাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)- এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেছেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রাত্রেই মাল-সামানবাহীদের সাথেমুদালিফা থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন" মর্মের ইবন আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি সহিহ। তাঁর বরাতে এটি একাধিক সুত্রে বর্ণিত আছে। শুবা (রহঃ) এই হাদিসটিকে মুশাশ-আতা-- ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের দুর্বলদেরকে আগেই মুযদালিফা থেকে রাত্রে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এটির সনদ ভুল। এতে রাবী মুশাশ ভূল করেছেন। তিনি সনদে ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাম অতিরিক্ত করেছেন। ইবনু জুরায়য প্রমুখ এই হাদিসটি কে আতা - ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে তাঁরা ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর উল্লেখ করেননি।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল গহণের অভিমত দিয়েছেন। দুর্বলদেরকে আগেই মুযদালিফা থেকে মিনায় রাত্রে রওয়ানা করাতে কোন দোষ আছে বলে তাঁর মনে করেন না। অধিকাংশ আলিম এই হাদিসটির উপর ভিত্তি করে বলেন, সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত রমী করবে না। তবে কতিপয় আলিম রাত্রেও রমী করার অবকাশ দিয়েছেন। এ হলো ইমাম ছাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)- এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেছেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রাত্রেই মাল-সামানবাহীদের সাথেমুদালিফা থেকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন" মর্মের ইবন আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি সহিহ। তাঁর বরাতে এটি একাধিক সুত্রে বর্ণিত আছে। শুবা (রহঃ) এই হাদিসটিকে মুশাশ-আতা-- ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের দুর্বলদেরকে আগেই মুযদালিফা থেকে রাত্রে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এটির সনদ ভুল। এতে রাবী মুশাশ ভূল করেছেন। তিনি সনদে ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাম অতিরিক্ত করেছেন। ইবনু জুরায়য প্রমুখ এই হাদিসটি কে আতা - ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে তাঁরা ফযল ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ৮৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن خشرم، حدثنا عيسى بن يونس، عن ابن جريج، عن ابي الزبير، عن جابر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يرمي يوم النحر ضحى واما بعد ذلك فبعد زوال الشمس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا الحديث عند اكثر اهل العلم انه لا يرمي بعد يوم النحر الا بعد الزوال .
৮৯৫. আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ...... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াওমুন নাহরে (১০ ই যিল হজ্জ)চাশ্তের সময় রমী করেছেন। এর পরবর্তী দিনগুলোতে মধ্যাহ্ণের পর রমী করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৩০৫৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) হাদিসটি হাসান- সহীহ্। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা ইয়াওমূন নাহরের পরবর্তী দিনসমূহে মধ্যাহ্নের পর ছাড়া রমী করেন না।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) হাদিসটি হাসান- সহীহ্। আলিমগণ এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা ইয়াওমূন নাহরের পরবর্তী দিনসমূহে মধ্যাহ্নের পর ছাড়া রমী করেন না।
হাদিস নং: ৮৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو خالد الاحمر، عن الاعمش، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم افاض قبل طلوع الشمس . قال وفي الباب عن عمر . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . وانما كان اهل الجاهلية ينتظرون حتى تطلع الشمس ثم يفيضون .
৮৯৬. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যোদয়ের পূর্বেই (মুযদালিফা থেকে) যাত্রা করেছিলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। জাহিলী -যুগের লোকেরা সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকত। এরপর তারা রওয়ানা করত।
এই বিষয়ে উমার (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। জাহিলী -যুগের লোকেরা সূর্যোদয় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে থাকত। এরপর তারা রওয়ানা করত।
হাদিস নং: ৮৯৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت عمرو بن ميمون، يحدث يقول كنا وقوفا بجمع فقال عمر بن الخطاب ان المشركين كانوا لا يفيضون حتى تطلع الشمس وكانوا يقولون اشرق ثبير . وان رسول الله صلى الله عليه وسلم خالفهم . فافاض عمر قبل طلوع الشمس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৮৯৭. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আমর ইবনু মায়মূন (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা মুযদালিফায় উকূফরত ছিলাম। তখন উমার ইবনু’ল খাত্তাব (রাঃ) বললেনঃ মুশরিকরা সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে রওয়ানা করত না। তারা বলতঃ হে ছাবির তুমি আলোকিত হও। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ তাদের বিপরীত করেন। অনন্তর উমার (রাঃ) সূর্য উঠার পূর্বেই রওয়ানা হয়ে পড়েন। - ইবনু মাজাহ ৩০২২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
.ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
.ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
হাদিস নং: ৮৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا ابن جريج، عن ابي الزبير، عن جابر، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يرمي الجمار بمثل حصى الخذف . قال وفي الباب عن سليمان بن عمرو بن الاحوص عن امه وهي ام جندب الازدية وابن عباس والفضل بن عباس وعبد الرحمن بن عثمان التيمي وعبد الرحمن بن معاذ . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وهو الذي اختاره اهل العلم ان تكون الجمار التي يرمى بها مثل حصى الخذف .
৮৯৮. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ছোট কঙ্কর দিয়ে রমী করতে দেখেছি। - ইবনু মাজাহ ৩০২৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সুলায়মান ইবনু আমর ইবনু আহওয়াস তার মাতা উম্মু জুন্দুব আল- আযদিয়া থেকে এবং ইবনু আব্বাস, ফযল ইবনু আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু উছমান তায়মী ও আবদুর রহমান ইবনু মুআয (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্। আলিমগণ এতদনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, রমী করার পর পাথর হবে ক্ষুদ্র আকৃতির।
এই বিষয়ে সুলায়মান ইবনু আমর ইবনু আহওয়াস তার মাতা উম্মু জুন্দুব আল- আযদিয়া থেকে এবং ইবনু আব্বাস, ফযল ইবনু আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু উছমান তায়মী ও আবদুর রহমান ইবনু মুআয (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্। আলিমগণ এতদনুসারে আমল গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, রমী করার পর পাথর হবে ক্ষুদ্র আকৃতির।
হাদিস নং: ৮৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي البصري، حدثنا زياد بن عبد الله، عن الحجاج، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرمي الجمار اذا زالت الشمس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৮৯৯. আহমাদ ইবনু আব্বাস আয্-যাব্বী আল-বাসরী (রহঃ) .... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মধ্যাহ্নের পর রমী জিমার (কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ইসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান।
ইমাম আবূ ইসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান।
হাদিস নং: ৯০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يحيى بن زكريا بن ابي زاىدة، اخبرنا الحجاج، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم رمى الجمرة يوم النحر راكبا . قال وفي الباب عن جابر وقدامة بن عبد الله وام سليمان بن عمرو بن الاحوص . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم واختار بعضهم ان يمشي الى الجمار . وقد روي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يمشي الى الجمار . ووجه هذا الحديث عندنا انه ركب في بعض الايام ليقتدى به في فعله وكلا الحديثين مستعمل عند اهل العلم .
৯০০. আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াওমুন নাহরে আরোহী অবস্থায় রমী জামরা করেছেন। - ইবনু মাজাহ ৩০৩৪, মুসলিম - জাবীর (রাঃ) হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৮৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির, কুদামা ইবনু আবদুল্লাহ, উম্মু সুলায়মান ইবনু আমর ইবনু আল- আহওয়াস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবন আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। কতক আলিম হেঁটে রমী করা পছন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমী জামরা করতে হেঁটে গিয়েছেন। আমাদের কাছে এই হাদিসটির তাৎপর্য হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলসমুহ অনুসরনের সুযোগ প্রদানের নিমিত্তে তিনি কোন কোন সময় আরোহী অবস্থায় আমল করেছেন। উভয় ধরনের হাদিসই আলিমগনের নিকট গ্রহনীয়।
এই বিষয়ে জাবির, কুদামা ইবনু আবদুল্লাহ, উম্মু সুলায়মান ইবনু আমর ইবনু আল- আহওয়াস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবন আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। কতক আলিম হেঁটে রমী করা পছন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমী জামরা করতে হেঁটে গিয়েছেন। আমাদের কাছে এই হাদিসটির তাৎপর্য হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলসমুহ অনুসরনের সুযোগ প্রদানের নিমিত্তে তিনি কোন কোন সময় আরোহী অবস্থায় আমল করেছেন। উভয় ধরনের হাদিসই আলিমগনের নিকট গ্রহনীয়।
হাদিস নং: ৯০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا ابن نمير، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا رمى الجمار مشى اليها ذاهبا وراجعا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد رواه بعضهم عن عبيد الله ولم يرفعه . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم وقال بعضهم يركب يوم النحر ويمشي في الايام التي بعد يوم النحر . قال ابو عيسى وكان من قال هذا انما اراد اتباع النبي صلى الله عليه وسلم في فعله لانه انما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم انه ركب يوم النحر حيث ذهب يرمي الجمار ولا يرمي يوم النحر الا جمرة العقبة .
৯০১. ইউসুফ ইবনু ঈসা (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমী জামরা এর সময় হেঁটে যেতেন এবং হেঁটে ফিরতেন। - সহিহা ২০৭২, সহিহ আবু দাউদ ১৭১৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কেউ কেউ এই হাদিসটি মারফূ না করে উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। অধিকাংশ আলিম এই হাদিস অনূসারে আমল করেছেন। কেউ কেউ বলেন, ইয়াওমুন নাহরে সওয়ার হয়ে এবং তৎপরর্তী বাকী দিনগুলোতে হেঁটে রমী করবে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, যারা এই কথা বলেছেন তারা মূলতঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আমলের অনুসরণার্থে তা বলেছেন। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি ইয়াওমুন নাহরে রমী জামরা করতে যাওয়ার সময় সওয়ারী অবস্থায় গিয়েছেন। আর ইয়াওমুন নাহরে জামরা আকাবাতেই রমি করা হয়ে থাকে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কেউ কেউ এই হাদিসটি মারফূ না করে উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। অধিকাংশ আলিম এই হাদিস অনূসারে আমল করেছেন। কেউ কেউ বলেন, ইয়াওমুন নাহরে সওয়ার হয়ে এবং তৎপরর্তী বাকী দিনগুলোতে হেঁটে রমী করবে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, যারা এই কথা বলেছেন তারা মূলতঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আমলের অনুসরণার্থে তা বলেছেন। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি ইয়াওমুন নাহরে রমী জামরা করতে যাওয়ার সময় সওয়ারী অবস্থায় গিয়েছেন। আর ইয়াওমুন নাহরে জামরা আকাবাতেই রমি করা হয়ে থাকে।
হাদিস নং: ৯০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا وكيع، حدثنا المسعودي، عن جامع بن شداد ابي صخرة، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال لما اتى عبد الله جمرة العقبة استبطن الوادي واستقبل القبلة وجعل يرمي الجمرة على حاجبه الايمن ثم رمى بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة ثم قال والله الذي لا اله الا هو من ها هنا رمى الذي انزلت عليه سورة البقرة .
৯০২. ইউসুফ ইবনু ঈসা (রহঃ) ...... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) যখন জামরা আকাবায় এলেন তখন উপত্যকার মাঝে এসে দাঁড়ালেন, কিবলা মুখ হলেন এবং ডান ভ্রুর বরাবর উচুঁ করে রমী জামরা শুরু করলেন। সাতটি কঙ্কর মারলেন এবং প্রতি কঙ্কর মারার সময় আল্লাহ্ আকবার বললেন, এরপর তিনি বললেন, সেই আল্লাহর কসম যিনি ছাড়া আর কোন ইল্লাহ্ নেই, যার উপর সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনি এখান থেকেই রমী করেছিলেন। - ইবনু মাজাহ ৩০৩০, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০১ এর প্রথমাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৯০৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن المسعودي، بهذا الاسناد نحوه . قال وفي الباب عن الفضل بن عباس وابن عباس وابن عمر وجابر . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم يختارون ان يرمي الرجل من بطن الوادي بسبع حصيات يكبر مع كل حصاة . وقد رخص بعض اهل العلم ان لم يمكنه ان يرمي من بطن الوادي رمى من حيث قدر عليه وان لم يكن في بطن الوادي .
৯০৩. হান্নাদ (রহঃ) ...... আল- মাসউদী (রহঃ) থেকে এই সনদে অনুরুপ বর্ননা করেছেন। এই বিষয়ে ফযল ইবনু আব্বাস ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। এতদনুসারে আলিমগণ আমল করেছেন। উপত্যকার মাঝ থেকে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করা এবং প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় তাকবীর বলা পছন্দনীয় বলে তাঁরা মত প্রকাশ করেছেন। কতক আলিম এই অবকাশ রেখেছেন যে, উপত্যকার মাঝ থেকে যদি রমী করা সম্ভব না হয় তবে যেখান থেকে সম্ভব হয় সেখান থেকেই রমী করা যাবে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০১ এর শেষাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৯০৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، وعلي بن خشرم، قالا حدثنا عيسى بن يونس، عن عبيد الله بن ابي زياد، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انما جعل رمى الجمار والسعى بين الصفا والمروة لاقامة ذكر الله " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح .
৯০৪. নাসর ইবনু আলী আল- জাহ্যামী ও আলী ইবনু খাশরাশ (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর যিকর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রমী জামরা ও সাফা মারওয়ার সাঈ এর বিধান রাখা হয়েছে। - মিশকাত ২৬২৪, যইফ আবু দাউদ ৩২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান- সহীহ্।
হাদিস নং: ৯০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا مروان بن معاوية، عن ايمن بن نابل، عن قدامة بن عبد الله، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يرمي الجمار على ناقة ليس ضرب ولا طرد ولا اليك اليك . قال وفي الباب عن عبد الله بن حنظلة . قال ابو عيسى حديث قدامة بن عبد الله حديث حسن صحيح . وانما يعرف هذا الحديث من هذا الوجه وهو حديث ايمن بن نابل وهو ثقة عند اهل الحديث .
৯০৫. আহমদ ইবনু মানী’ (রহঃ) .... কুদামা ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- কে আমি তার উটনীটিতে সওয়ার হয়ে রমী করতে দেখেছি। সেখানে কোন মারপিট, কোনরুপ ধাক্কা-ধাক্কি এবং ’সরে যাও ’সরে যাও ইত্যাদি কিছু ছিল না। - ইবনু মাজাহ ৩০৩৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, কুদামা ইবনু আবদুল্লাহ বর্ণিত হাদিসটি হাসন - সহীহ। এই সূএেই হাদিসটি পরিচিত এবং এটি হাসান - সহীহ। রাবী আয়মান ইবনু হাদিস বিশেষজ্ঞগণের মতে ছিকাহ্ ও নির্ভরযোগ্য।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, কুদামা ইবনু আবদুল্লাহ বর্ণিত হাদিসটি হাসন - সহীহ। এই সূএেই হাদিসটি পরিচিত এবং এটি হাসান - সহীহ। রাবী আয়মান ইবনু হাদিস বিশেষজ্ঞগণের মতে ছিকাহ্ ও নির্ভরযোগ্য।
হাদিস নং: ৯০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا مالك بن انس، عن ابي الزبير، عن جابر، قال نحرنا مع النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية البقرة عن سبعة والبدنة عن سبعة . قال وفي الباب عن ابن عمر وابي هريرة وعاىشة وابن عباس . قال ابو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم يرون الجزور عن سبعة والبقرة عن سبعة . وهو قول سفيان الثوري والشافعي واحمد . وروي عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ان البقرة عن سبعة والجزور عن عشرة . وهو قول اسحاق واحتج بهذا الحديث . وحديث ابن عباس انما نعرفه من وجه واحد .
৯০৬. কুতায়বা (রহঃ) ...... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা হুদায়বিয়ার বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর সঙ্গে থেকে একটি গরু সাতজনের পক্ষ থেকে এবং একটি উটও সাতজনের পক্ষ থেকে কুরবানী করেছি। - ইবনু মাজাহ ৩১৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনুু, আবূ হুরায়রা, আয়িশা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। সাহবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা উট সাতজনের পক্ষ থেকে এবং গরু সাতজনের পক্ষ থেকে কুরবানী প্রাদান জায়েজ মনে করেন। এ হলো ইমাম, সুফিয়ান ছাওরী শাফিঈ ও আহমদ (রহঃ) অভিমত। ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, গরু সাতজনের পক্ষে এবং উট দশ জনের পক্ষ থেকে কুরবানী করা যায়। এ হলো ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি কেবল এক সূত্রেই আমরা জানি।
এই বিষয়ে ইবনুু, আবূ হুরায়রা, আয়িশা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান- সহীহ্। সাহবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা উট সাতজনের পক্ষ থেকে এবং গরু সাতজনের পক্ষ থেকে কুরবানী প্রাদান জায়েজ মনে করেন। এ হলো ইমাম, সুফিয়ান ছাওরী শাফিঈ ও আহমদ (রহঃ) অভিমত। ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, গরু সাতজনের পক্ষে এবং উট দশ জনের পক্ষ থেকে কুরবানী করা যায়। এ হলো ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি কেবল এক সূত্রেই আমরা জানি।
হাদিস নং: ৯০৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسين بن حريث، وغير، واحد، قالوا حدثنا الفضل بن موسى، عن حسين بن واقد، عن علباء بن احمر، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر . فحضر الاضحى فاشتركنا في البقرة سبعة وفي الجزور عشرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب وهو حديث حسين بن واقد .
৯০৭. হুসাইন ইবনু হুরায়ছ প্রমুখ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি যে, তিনি বলেন, আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। তখন কুরবানীর ঈদ সমুপস্থিত হলে আমরা গরুতে সাত জন এবং উটে দশ জন করে শরীক হয়েছিলাম। - ইবনু মাজাহ ৩১৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান- গারীব। এটি হলো হুসাইন ইবনু ওয়াকিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদিস।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদিসটি হাসান- গারীব। এটি হলো হুসাইন ইবনু ওয়াকিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদিস।