হাদিস নং: ৩২৩০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله : ( وجعلنا ذريته هم الباقين ) قال " حام وسام ويافث " . كذا . قال ابو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث . قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث سعيد بن بشير .
৩২৩০. মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ..... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত। (وجَعَلْنَا ذُرِّيَّتَهُ هُمُ الْبَاقِينَ) তার (নূহের) বংশধরদেরই আমি বিদ্যমান রেখেছি বংশ পরস্পরায় (সূরা সাফফাত ৩৭ঃ ৭৭)। আয়াতটি সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এরা ছিল হাম, সাম ও ইয়াফিছ।
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইয়াফিছ (... সহযোগে) এবং ইয়াফিত (... সহযোগে) ও কথিত আছে। ইয়াফাছও বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। সাঈদ ইবন বাশীর (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ ইয়াফিছ (... সহযোগে) এবং ইয়াফিত (... সহযোগে) ও কথিত আছে। ইয়াফাছও বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। সাঈদ ইবন বাশীর (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৩১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سام ابو العرب وحام ابو الحبش ويافث ابو الروم " .
৩২৩১. বিশর ইবন মুআয আকাদী (রহঃ) ...... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ সাম হলেন আরবের পূর্বপুরুষ। হাম হলেন হাবশীদের পূর্বপুরুষ আর ইয়াফিছ হলেন রোমকদের পূর্বপুরুষ।
যঈফ, যঈফা ৩৬৮৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
যঈফ, যঈফা ৩৬৮৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৩২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، وعبد بن حميد، - المعنى واحد قالا حدثنا ابو احمد، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن يحيى، قال عبد هو ابن عباد عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال مرض ابو طالب فجاءته قريش وجاءه النبي صلى الله عليه وسلم وعند ابي طالب مجلس رجل فقام ابو جهل كى يمنعه وشكوه الى ابي طالب فقال يا ابن اخي ما تريد من قومك قال " اني اريد منهم كلمة واحدة تدين لهم بها العرب وتودي اليهم العجم الجزية " . قال كلمة واحدة قال " كلمة واحدة " . قال " يا عم قولوا لا اله الا الله " . فقالوا: الها واحدا؟ ( ما سمعنا بهذا في الملة الاخرة ان هذا الا اختلاق ) قال فنزل فيهم القران : (ص* والقران ذي الذكر * بل الذين كفروا في عزة وشقاق ) الى قوله : (ما سمعنا بهذا في الملة الاخرة ان هذا الا اختلاق ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৩২. মাহমূদ ইবন গায়লান ও আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ তালিব অসুস্থ হয়ে পড়লে কুরায়শরা (দলপতিরা) তাকে দেখতে আসে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তার কাছে আসলেন। আবূ তালিবের কাছে একজন লোক বসতে পারে মাত্র ততটুকু জায়গা ছিল। আবূ জাহল নবীজীকে সেখানে বসতে বাধা দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াল। কুরায়শরা আবূ তালিবের কাছে নবীজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। আবূ তালিব তখন তাঁকে বললঃ হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র, তুমি তোমার কওম থেকে চাচ্ছ কি?
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তো তাদের কাছ থেকে এমন একটা কথার স্বীকৃতি চাই যে এদ্বারা সমস্ত আরব তাদের অনুগত হয়ে পড়বে আর সব অনারব তাদের জিযিয়া দিবে।
আবূ তালিব বললঃ মাত্র একটা কথা। নবীজী বললেনঃ হ্যাঁ, মাত্র একটা কথা। হে চাচা, আপনারা বলুন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। কুরায়শীরা বললঃ একজন মাত্র ইলাহ! আগের মিল্লাত সমূহেও তো এমন কথা আমরা শুনি নি। এতো মনগড়া কথা বৈ কিছূই নয়। রাবী বলেন, এদের বিষয়েই কুরআন মজীদে নাযিল হয়ঃ
ص* وَالْقُرْآنِ ذِي الذِّكْرِ * بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي عِزَّةٍ وَشِقَاقٍ إِلَى قَوْلِهِ : ما سَمِعْنَا بِهَذَا فِي الْمِلَّةِ الآخِرَةِ إِنْ هَذَا إِلاَّ اخْتِلاَقٌ
সা’দ কসম উপদেশ পূর্ণ কুরআনের (আপনি অবশ্যই সত্য নবী) কিন্তু কাফিরগণ ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমি কত জনগোষ্ঠী ধ্বংস করেছি; তখন তারা আর্ত চিৎকার করেছিল। কিন্তু তখন পরিত্রাণের কোন উপায় ছিল না। এরা বিস্ময়বোধ করে যে, তাদের নিকট তাদের মধ্য থেকেই একজন সতর্ককারী এসেছে। কাফিররা বলেঃ এ তো এক যাদুকর, মিথ্যাবাদী। সে কি বহু ইলাহের পরিবর্তে এক ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে? এ তো এক অত্যাশ্চর্য ব্যাপার! তাদের প্রধানরা এই বলে সরে পড়ে, তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের দেবতাদের উপাসনায় তোমরা অবিচলিত থাক। নিশ্চয়ই এই বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক। আমরা তো অন্য ধর্মাদর্শে এরূপ কথা শুনিনি। এ তো মনগড়া উক্তি মাত্র। (সূরা সা’দ ৩৮ঃ ১-৭)।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তো তাদের কাছ থেকে এমন একটা কথার স্বীকৃতি চাই যে এদ্বারা সমস্ত আরব তাদের অনুগত হয়ে পড়বে আর সব অনারব তাদের জিযিয়া দিবে।
আবূ তালিব বললঃ মাত্র একটা কথা। নবীজী বললেনঃ হ্যাঁ, মাত্র একটা কথা। হে চাচা, আপনারা বলুন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। কুরায়শীরা বললঃ একজন মাত্র ইলাহ! আগের মিল্লাত সমূহেও তো এমন কথা আমরা শুনি নি। এতো মনগড়া কথা বৈ কিছূই নয়। রাবী বলেন, এদের বিষয়েই কুরআন মজীদে নাযিল হয়ঃ
ص* وَالْقُرْآنِ ذِي الذِّكْرِ * بَلِ الَّذِينَ كَفَرُوا فِي عِزَّةٍ وَشِقَاقٍ إِلَى قَوْلِهِ : ما سَمِعْنَا بِهَذَا فِي الْمِلَّةِ الآخِرَةِ إِنْ هَذَا إِلاَّ اخْتِلاَقٌ
সা’দ কসম উপদেশ পূর্ণ কুরআনের (আপনি অবশ্যই সত্য নবী) কিন্তু কাফিরগণ ঔদ্ধত্য ও বিরোধিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমি কত জনগোষ্ঠী ধ্বংস করেছি; তখন তারা আর্ত চিৎকার করেছিল। কিন্তু তখন পরিত্রাণের কোন উপায় ছিল না। এরা বিস্ময়বোধ করে যে, তাদের নিকট তাদের মধ্য থেকেই একজন সতর্ককারী এসেছে। কাফিররা বলেঃ এ তো এক যাদুকর, মিথ্যাবাদী। সে কি বহু ইলাহের পরিবর্তে এক ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে? এ তো এক অত্যাশ্চর্য ব্যাপার! তাদের প্রধানরা এই বলে সরে পড়ে, তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের দেবতাদের উপাসনায় তোমরা অবিচলিত থাক। নিশ্চয়ই এই বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক। আমরা তো অন্য ধর্মাদর্শে এরূপ কথা শুনিনি। এ তো মনগড়া উক্তি মাত্র। (সূরা সা’দ ৩৮ঃ ১-৭)।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا سلمة بن شبيب، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتاني الليلة ربي تبارك وتعالى في احسن صورة قال احسبه قال في المنام فقال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملا الاعلى قال قلت لا . قال فوضع يده بين كتفى حتى وجدت بردها بين ثديى او قال في نحري فعلمت ما في السموات وما في الارض قال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملا الاعلى قلت نعم . قال في الكفارات . والكفارات المكث في المساجد بعد الصلوات والمشى على الاقدام الى الجماعات واسباغ الوضوء في المكاره ومن فعل ذلك عاش بخير ومات بخير وكان من خطيىته كيوم ولدته امه وقال يا محمد اذا صليت فقل اللهم اني اسالك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين واذا اردت بعبادك فتنة فاقبضني اليك غير مفتون قال والدرجات افشاء السلام واطعام الطعام والصلاة بالليل والناس نيام " .
৩২৩৩. সালামা ইবন শাবীব্ ও আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একদা রাতে সুমহান ও বরকতময় আমার রব আমার কাছে সুন্দরতম রূপে এসেছিলেন। (রাবী বলেন, যতদূর মনে পড়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’স্বপ্নে’ কথাটি বলেছিলেন।) তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি কি জানেন, কি নিয়ে মালা-এ-আলা (সর্বোচ্চ ফেরেশতা পরিষদ)-এ বিতর্ক হচ্ছে? আমি বললামঃ না।
নবীজী বলেনঃ তখন তিনি আমার কাঁধের মাঝে তার হাত রাখলেন। এমনকি এর স্নিগ্ধতা আমি আমার বুকেও অনুভব করলাম। এতে আসমান ও যমীনের যা কিছু আছে সব আমি জানতে পারলাম।
তিনি বললঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি কি জানেন, কি নিয়ে মালা-এ আলায় আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ হ্যাঁ, গুনাহের কাফফারা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। সালাতের পর মসজিদে অবস্থান করাও কাফফারা, জামাআতে পায়ে হেঁটে যাওয়া, কষ্টের সময় পরিপূর্ণভাবে উযূ করাও কাফফারা। যে ব্যক্তি এই কাজ করবে তার জীবন হবে কল্যাণময়, আর মৃত্যুও হবে কল্যাণময়। যেই দিন তাঁর মা তাকে ভূমিষ্ঠ করলেন গুনাহর ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থা হবে সেই দিনের মত। আমার রব বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! সালাত (নামায) শেষে বলবেনঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ وَإِذَا أَرَدْتَ بِعِبَادِكَ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ غَيْرَ مَفْتُونٍ
হে আল্লাহ্! আপনার কাছে আমি যাঞ্ছা করি ভাল কাজ করা এবং মন্দ কাজ পরিত্যাগের, দরিদ্রদের প্রতি ভালবাসা পোষণের তওফীক। আপনি যখন বান্দাদের বিষয়ে ফেতনা মুসীবতের ইরাদা করবেন তখন আমাকে যেন ফেতনা মুক্ত অবস্থায় উঠায়ে নেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (মালা-এ-আ’লায় আরো আলোচনা হচ্ছে) উচ্চ মর্যদা লাভের বিষয়ে। তা হল, সালামের প্রসার সাধন, আহার প্রদান এবং লোকেরা যখন নিদ্রাভিভূত তখন রাতের নফল সালাতে (তাহাজ্জুদে) নিমগ্ন হওয়া।
সহীহ, আয-যিলাল ৩৮৮, তা’লীকুর রাগীব ১/৯৮, ১২৬/১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
রাবীগণ এই হাদীসটির সনদে আবূ কিলাবা ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মাঝে আরেক ব্যক্তির উল্লেখ করেছেন। কাতাদা (রহঃ) এটিকে আবূ কিলাবা-খালিদ ইবন লাজলাজ-ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সনদে রিওয়ায়ত করেছেন।
নবীজী বলেনঃ তখন তিনি আমার কাঁধের মাঝে তার হাত রাখলেন। এমনকি এর স্নিগ্ধতা আমি আমার বুকেও অনুভব করলাম। এতে আসমান ও যমীনের যা কিছু আছে সব আমি জানতে পারলাম।
তিনি বললঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি কি জানেন, কি নিয়ে মালা-এ আলায় আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ হ্যাঁ, গুনাহের কাফফারা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। সালাতের পর মসজিদে অবস্থান করাও কাফফারা, জামাআতে পায়ে হেঁটে যাওয়া, কষ্টের সময় পরিপূর্ণভাবে উযূ করাও কাফফারা। যে ব্যক্তি এই কাজ করবে তার জীবন হবে কল্যাণময়, আর মৃত্যুও হবে কল্যাণময়। যেই দিন তাঁর মা তাকে ভূমিষ্ঠ করলেন গুনাহর ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থা হবে সেই দিনের মত। আমার রব বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! সালাত (নামায) শেষে বলবেনঃ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ وَإِذَا أَرَدْتَ بِعِبَادِكَ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ غَيْرَ مَفْتُونٍ
হে আল্লাহ্! আপনার কাছে আমি যাঞ্ছা করি ভাল কাজ করা এবং মন্দ কাজ পরিত্যাগের, দরিদ্রদের প্রতি ভালবাসা পোষণের তওফীক। আপনি যখন বান্দাদের বিষয়ে ফেতনা মুসীবতের ইরাদা করবেন তখন আমাকে যেন ফেতনা মুক্ত অবস্থায় উঠায়ে নেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (মালা-এ-আ’লায় আরো আলোচনা হচ্ছে) উচ্চ মর্যদা লাভের বিষয়ে। তা হল, সালামের প্রসার সাধন, আহার প্রদান এবং লোকেরা যখন নিদ্রাভিভূত তখন রাতের নফল সালাতে (তাহাজ্জুদে) নিমগ্ন হওয়া।
সহীহ, আয-যিলাল ৩৮৮, তা’লীকুর রাগীব ১/৯৮, ১২৬/১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
রাবীগণ এই হাদীসটির সনদে আবূ কিলাবা ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মাঝে আরেক ব্যক্তির উল্লেখ করেছেন। কাতাদা (রহঃ) এটিকে আবূ কিলাবা-খালিদ ইবন লাজলাজ-ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সনদে রিওয়ায়ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩২৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن ابي قلابة، عن خالد بن اللجلاج، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اتاني ربي في احسن صورة فقال يا محمد قلت لبيك ربي وسعديك قال فيم يختصم الملا الاعلى قلت ربي لا ادري فوضع يده بين كتفى فوجدت بردها بين ثديى فعلمت ما بين المشرق والمغرب قال يا محمد . فقلت لبيك رب وسعديك قال فيم يختصم الملا الاعلى قلت في الدرجات والكفارات وفي نقل الاقدام الى الجماعات واسباغ الوضوء في المكروهات وانتظار الصلاة بعد الصلاة ومن يحافظ عليهن عاش بخير ومات بخير وكان من ذنوبه كيوم ولدته امه " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . قال وفي الباب عن معاذ بن جبل وعبد الرحمن بن عاىش عن النبي صلى الله عليه وسلم .
وقد روي هذا الحديث، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم بطوله وقال " اني نعست فاستثقلت نوما فرايت ربي في احسن صورة فقال فيم يختصم الملا الاعلى " .
وقد روي هذا الحديث، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم بطوله وقال " اني نعست فاستثقلت نوما فرايت ربي في احسن صورة فقال فيم يختصم الملا الاعلى " .
৩২৩৪. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার রব আমার কাছে আবির্ভূত হলেন সুন্দরতম সূরতে। বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আমি বললামঃ প্রভূ আমি হাজির, হে কল্যাণের প্রতিভূ, আমি হাজির।
তিনি বললেনঃ মালা-এ-আ’লায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? আমি বললামঃ হে আমার রব, আমি তো জানি না।
তিনি আমার কাঁধের দুই হাড্ডির মাঝে তাঁর হাত রাখলেন। এমনকি এর স্নিগ্ধতা আমি আমার বুকে অনুভব করলাম। পূর্ব-পশ্চিমের যা কিছু আছে এতে আমি তা জানতে পারলাম।
তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ!
আমি বললামঃ বান্দা হাজির, হে কল্যাণের প্রতিভূ, আমি হাজির।
তিনি বললেনঃ কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে মালা-এ-আ’লায়?
আমি বললামঃ উচ্চ মর্যাদা লাভ ও গুনাহে্র কাফফারাসমূহের বিষয়ে। আর জামাআতের দিকে পায়ে হেঁটে যাওয়া, কষ্টের সময়েও পরিপূর্ণভাবে উযূ করা, এক সালাতের পর আরেক সালাতের জন্য অপেক্ষা করার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যে ব্যক্তি এগুলোর হিফাজত করবে, তাতে অবিচল থাকবে জীবন হবে তার কল্যাণময় আর মৃত্যুও হবে তার কল্যাণময়। আর মাতৃ উদয় থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিনের মত গুনাহ্ থেকে সে পবিত্র হয়ে যাবে।
এই সূত্রে হাদীসটি হাসান-গারীব। মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি আরো বিস্তৃতভাবে বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি তন্দ্রালু ছিলাম। অনন্তর গভীর নিদ্রাভিভূত হয়ে গেলাম আমার রবকে দেখলাম সুন্দরতম সূরতে। তিনি বললেনঃ মালা-এ- আলায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
তিনি বললেনঃ মালা-এ-আ’লায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? আমি বললামঃ হে আমার রব, আমি তো জানি না।
তিনি আমার কাঁধের দুই হাড্ডির মাঝে তাঁর হাত রাখলেন। এমনকি এর স্নিগ্ধতা আমি আমার বুকে অনুভব করলাম। পূর্ব-পশ্চিমের যা কিছু আছে এতে আমি তা জানতে পারলাম।
তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ!
আমি বললামঃ বান্দা হাজির, হে কল্যাণের প্রতিভূ, আমি হাজির।
তিনি বললেনঃ কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে মালা-এ-আ’লায়?
আমি বললামঃ উচ্চ মর্যাদা লাভ ও গুনাহে্র কাফফারাসমূহের বিষয়ে। আর জামাআতের দিকে পায়ে হেঁটে যাওয়া, কষ্টের সময়েও পরিপূর্ণভাবে উযূ করা, এক সালাতের পর আরেক সালাতের জন্য অপেক্ষা করার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যে ব্যক্তি এগুলোর হিফাজত করবে, তাতে অবিচল থাকবে জীবন হবে তার কল্যাণময় আর মৃত্যুও হবে তার কল্যাণময়। আর মাতৃ উদয় থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিনের মত গুনাহ্ থেকে সে পবিত্র হয়ে যাবে।
এই সূত্রে হাদীসটি হাসান-গারীব। মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি আরো বিস্তৃতভাবে বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি তন্দ্রালু ছিলাম। অনন্তর গভীর নিদ্রাভিভূত হয়ে গেলাম আমার রবকে দেখলাম সুন্দরতম সূরতে। তিনি বললেনঃ মালা-এ- আলায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار حدثنا معاذ بن هانى ابو هانى اليشكري حدثنا جهضم بن عبد الله عن يحيى بن ابي كثير عن زيد بن سلام عن ابي سلام عن عبد الرحمن بن عاىش الحضرمي انه حدثه عن مالك بن يخامر السكسكي عن معاذ بن جبل رضى الله عنه قال احتبس عنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات غداة عن صلاة الصبح حتى كدنا نتراءى عين الشمس فخرج سريعا فثوب بالصلاة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وتجوز في صلاته فلما سلم دعا بصوته قال لنا " على مصافكم كما انتم " . ثم انفتل الينا ثم قال " اما اني ساحدثكم ما حبسني عنكم الغداة اني قمت من الليل فتوضات وصليت ما قدر لي فنعست في صلاتي حتى استثقلت فاذا انا بربي تبارك وتعالى في احسن صورة فقال يا محمد . قلت لبيك رب . قال فيم يختصم الملا الاعلى قلت لا ادري . قالها ثلاثا قال فرايته وضع كفه بين كتفى حتى وجدت برد انامله بين ثديى فتجلى لي كل شيء وعرفت فقال يا محمد . قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملا الاعلى قلت في الكفارات قال ما هن قلت مشى الاقدام الى الجماعات والجلوس في المساجد بعد الصلوات واسباغ الوضوء في المكروهات . قال فيم قلت اطعام الطعام ولين الكلام والصلاة بالليل والناس نيام . قال سل . قلت اللهم اني اسالك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وان تغفر لي وترحمني واذا اردت فتنة قوم فتوفني غير مفتون اسالك حبك وحب من يحبك وحب عمل يقرب الى حبك " . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انها حق فادرسوها ثم تعلموها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . سالت محمد بن اسماعيل عن هذا الحديث فقال هذا حديث حسن صحيح . وقال هذا اصح من حديث الوليد بن مسلم عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر . قال حدثنا خالد بن اللجلاج حدثني عبد الرحمن بن عاىش الحضرمي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وهذا غير محفوظ . هكذا ذكر الوليد في حديثه عن عبد الرحمن بن عاىش قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . وروى بشر بن بكر عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر هذا الحديث بهذا الاسناد عن عبد الرحمن بن عاىش عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا اصح . وعبد الرحمن بن عاىش لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم .
৩২৩৫. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন ভোরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে আসতে দেরী করলেন। এমনকি আমরা প্রায় সূর্য উঠে যাচ্ছে বলে প্রত্যক্ষ করছিলাম। এমন সময় তিনি দ্রুত বেরিয়ে আসলেন। সালাতের ইকামত দেওয়া হল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সংক্ষিপ্তভাবে সালাত (নামায) আদায় করলেন। সালাম শেষে তিনি উচ্চস্বরে ডাকলেন। আমাদের বললেনঃ যেভাবে তোমরা আছ সেভাবেই তোমাদের কাতারে বসে থাক। এরপর তিনি আমাদের দিকে ফিরলেন। বললেনঃ আজ ভোরে তোমাদের কাছে (যথাসময়ে বের হয়ে) আসতে আমাকে কিসে বিরত রেখেছিল সে বিষয়ে আমি তোমাদের বলছি। আমি রাতেই উঠেছিলাম। উযূ করে যা আমার তাকদীরে ছিল সে পরিমাণ (তাহাজ্জুদের সালাত (নামায) আদায় করলাম। আমি সালাতে তন্দ্রাভিভূত হয়ে পড়লাম। ঘুম ভারী হয়ে এল। হঠাৎ দেখি, মহান আল্লাহ্ তা’আলা সুন্দরতম রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ!
আমি বললামঃ প্রভু আমার, বান্দা হাযির।
তিনি বললেনঃ মালা-এ-আলায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ হে আমার রব, আমি তো জানি না।
আল্লাহ্ তা’আলা তিন বার উল্লেখিত উক্তি করলেন।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি দেখলাম তিনি আমার কাঁধের দুই হাড্ডির মাঝে তাঁর হাত রাখলেন। আমার বুকে তাঁর অঙ্গুলীসমূহের শীতল ছোয়া আমি অনুভব করলাম। এতে প্রতিটি বস্ত আমার সামনে প্রতিবাত হয়ে উঠল। সব আমি চিনে নিলাম। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ!
আমি বললামঃ প্রভু আমার, বান্দা হাযির
তিনি বললেনঃ মালা-এ-আলায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ গুনাহের কাফফারা নিয়ে।
তিনি বললেনঃ সেগুলো কি?
আমি বললামঃ জামাআতের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে যাওয়া, সালাতের পরও মসজিদে অবস্থান করা, কষ্টের সময়ও পরিপূর্ণভাবে উযূ করা।
তিনি বললেনঃ এরপর কি বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ খাদ্য দান, নরম কথা, মানুষ যখন নিদ্রামগ্ন তখন রাতে সালাত (নামায) (তাহাজ্জুদ) আদায় করা।
তিনি বললেনঃ আমার কাছে চাও।
আমি বললামঃ হে আল্লাহ্! আমি যাঞ্ছা করি কল্যাণকর কাজের। মন্দ কাজ পরিত্যাগ করার। মিসকীনদের প্রতি ভালবাসা; মাফ করে দিন আমাকে, রহম করুন আমার উপর। কোন সম্প্রদায়ের উপর যখন ফিতনা-মুসীবতের ইরাদা করেন তখন আমাকে আপনি ফিতনামুক্ত মৃত্যু দিন। আমি চাই আপনার প্রতি ভালবাসা। আপনাকে যারা ভালবাসেন তাদের ভালবাসা এবং যে সব আমল আমাকে আপনার নিকট করবে সেসব আমলের ভালবাসা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ এ বিষয়টি সত্য তোমরা এটি পড় এবং তা শিখে নাও।
সহীহ, মুখতাসার আল উলুব্বি ১১৯/৮০, আয যিলাল ৩৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেছেন, এটি সহীহ। এটি ওয়ালীদ ইবন মুসলিম-আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ ইবন জাবির-খালিদ ইবন লাজলাজ-আবদুর রহমান ইবন আয়শ হাযরামী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি থেকে অধিকতর সহীহ। শেষোক্ত সনদটি মাহফূজ বা সংরক্ষিত নয়। ওয়ালীদ (রহঃ) তার রিওয়ায়াত আবদুর রহমান ইবন আয়শ (রহঃ) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি।
বিশর ইবন বকর (রহঃ)-ও এই হাদীসটি আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ ইবন জাবির (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আছে আবদুর রহমান ইবন আয়শ-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। (এতে ’আমি শুনেছি’ কথার উল্লেখ নেই।) এটি তুলনামূলকভাবে সহীহ। আবদুর রহমান ইবন আয়শ (রহঃ) সরাসরি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু শোনেন নি।
আমি বললামঃ প্রভু আমার, বান্দা হাযির।
তিনি বললেনঃ মালা-এ-আলায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ হে আমার রব, আমি তো জানি না।
আল্লাহ্ তা’আলা তিন বার উল্লেখিত উক্তি করলেন।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি দেখলাম তিনি আমার কাঁধের দুই হাড্ডির মাঝে তাঁর হাত রাখলেন। আমার বুকে তাঁর অঙ্গুলীসমূহের শীতল ছোয়া আমি অনুভব করলাম। এতে প্রতিটি বস্ত আমার সামনে প্রতিবাত হয়ে উঠল। সব আমি চিনে নিলাম। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ!
আমি বললামঃ প্রভু আমার, বান্দা হাযির
তিনি বললেনঃ মালা-এ-আলায় কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ গুনাহের কাফফারা নিয়ে।
তিনি বললেনঃ সেগুলো কি?
আমি বললামঃ জামাআতের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে যাওয়া, সালাতের পরও মসজিদে অবস্থান করা, কষ্টের সময়ও পরিপূর্ণভাবে উযূ করা।
তিনি বললেনঃ এরপর কি বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে?
আমি বললামঃ খাদ্য দান, নরম কথা, মানুষ যখন নিদ্রামগ্ন তখন রাতে সালাত (নামায) (তাহাজ্জুদ) আদায় করা।
তিনি বললেনঃ আমার কাছে চাও।
আমি বললামঃ হে আল্লাহ্! আমি যাঞ্ছা করি কল্যাণকর কাজের। মন্দ কাজ পরিত্যাগ করার। মিসকীনদের প্রতি ভালবাসা; মাফ করে দিন আমাকে, রহম করুন আমার উপর। কোন সম্প্রদায়ের উপর যখন ফিতনা-মুসীবতের ইরাদা করেন তখন আমাকে আপনি ফিতনামুক্ত মৃত্যু দিন। আমি চাই আপনার প্রতি ভালবাসা। আপনাকে যারা ভালবাসেন তাদের ভালবাসা এবং যে সব আমল আমাকে আপনার নিকট করবে সেসব আমলের ভালবাসা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ এ বিষয়টি সত্য তোমরা এটি পড় এবং তা শিখে নাও।
সহীহ, মুখতাসার আল উলুব্বি ১১৯/৮০, আয যিলাল ৩৮৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল আল-বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি সম্পর্কে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেছেন, এটি সহীহ। এটি ওয়ালীদ ইবন মুসলিম-আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ ইবন জাবির-খালিদ ইবন লাজলাজ-আবদুর রহমান ইবন আয়শ হাযরামী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি থেকে অধিকতর সহীহ। শেষোক্ত সনদটি মাহফূজ বা সংরক্ষিত নয়। ওয়ালীদ (রহঃ) তার রিওয়ায়াত আবদুর রহমান ইবন আয়শ (রহঃ) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি।
বিশর ইবন বকর (রহঃ)-ও এই হাদীসটি আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ ইবন জাবির (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে আছে আবদুর রহমান ইবন আয়শ-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। (এতে ’আমি শুনেছি’ কথার উল্লেখ নেই।) এটি তুলনামূলকভাবে সহীহ। আবদুর রহমান ইবন আয়শ (রহঃ) সরাসরি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু শোনেন নি।
হাদিস নং: ৩২৩৬
হাসান (Hasan)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن محمد بن عمرو بن علقمة، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الله بن الزبير، عن ابيه، قال لما نزلت : (ثم انكم يوم القيامة عند ربكم تختصمون ) قال الزبير يا رسول الله اتكرر علينا الخصومة بعد الذي كان بيننا في الدنيا قال " نعم " . فقال ان الامر اذا لشديد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৩৬. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ ইবন যুবায়র-এর পিতা যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যেঃ (ثمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ) - এরপর কিয়ামত দিবসে তোমরা পরস্পর তোমাদের প্রতিপালকের সম্মখে বাক-বিতন্ডা করবে। (যুমার ৩৯ঃ ৩১) আয়াতটি নাযিল হলে যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! দুনিয়াতে আমাদের পরস্পর বাক-বিতন্ডা হওয়ার পরও (আল্লাহর সমক্ষে আখিরাতেও) এর পুনরাবৃত্তি হবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তা হলে তখন তো বিষয়টি খুবই কঠিন হবে।
হাসান, সহীহাহ ৩৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাসান, সহীহাহ ৩৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৩৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حبان بن هلال، وسليمان بن حرب، وحجاج بن منهال، قالوا حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن شهر بن حوشب، عن اسماء بنت يزيد، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا : (يا عبادي الذين اسرفوا على انفسهم لا تقنطوا من رحمة الله ان الله يغفر الذنوب جميعا ) ولا يبالي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ثابت عن شهر بن حوشب .
৩২৩৭. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই আয়াতটি পাঠ করতে শুনেছিঃ
يا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لاَ تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا
জানিয়ে দিন, হে আমার বান্দাগণ, তোমরা যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ। আল্লাহর রহমত থেকে তোমরা নিরাশ হয়ো না; আল্লাহ্ তে সমুদয় পাপ মাফ করে দিবেন (যুমার ৩৯ঃ ৫৩) আর তিনি তো কারো পরওয়া করেন না।
হাদীসটি হাসান-গারীব। ছাবিত-শাহর ইবন হাওশাব (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
يا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لاَ تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا
জানিয়ে দিন, হে আমার বান্দাগণ, তোমরা যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছ। আল্লাহর রহমত থেকে তোমরা নিরাশ হয়ো না; আল্লাহ্ তে সমুদয় পাপ মাফ করে দিবেন (যুমার ৩৯ঃ ৫৩) আর তিনি তো কারো পরওয়া করেন না।
হাদীসটি হাসান-গারীব। ছাবিত-শাহর ইবন হাওশাব (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني منصور، وسليمان الاعمش، عن ابراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال جاء يهودي الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد ان الله يمسك السموات على اصبع والارضين على اصبع والجبال على اصبع والخلاىق على اصبع ثم يقول انا الملك . قال فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه قال : (وما قدروا الله حق قدره ) . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩২৩৮. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। একবার জনৈক ইয়াহূদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললঃ হে মুহাম্মাদ! আল্লাহ্ তা’আলা তো এক অঙ্গুলীতে সব আসমান, এক অঙ্গুলীতে সব পাহাড়, এক অঙ্গুলীতে সব যমীন এবং এক অঙ্গুলীতে সব সৃষ্টি ধারণ করে বলছেন, আমিই অধিপতি। আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা শুনে হাসলেন এমন কি তাঁর পার্শ্ব দাঁতগুলো পর্যন্ত প্রকাশিত হয়ে গেল। পরে তিনি বললেনঃ (ومَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ) এরা আল্লাহর যথোচিত মর্যাদা প্রদর্শন করে না (যুমার ৩৯ঃ ৫৭)।
সহীহ, আয-যিলাল ৫৪১,৫৪৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, আয-যিলাল ৫৪১,৫৪৪, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، عن ابراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال فضحك النبي صلى الله عليه وسلم تعجبا وتصديقا . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩২৩৯. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (ইয়াহূদীটির কথা শুনে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিস্মিত হয়ে এর সমর্থনে হাসলেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৪০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا ابو كدينة، عن عطاء بن الساىب، عن ابي الضحى، عن ابن عباس، قال مر يهودي بالنبي صلى الله عليه وسلم فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " يا يهودي حدثنا " . فقال كيف تقول يا ابا القاسم اذا وضع الله السموات على ذه والارضين على ذه والماء على ذه والجبال على ذه وساىر الخلق على ذه . واشار ابو جعفر محمد بن الصلت بخنصره اولا ثم تابع حتى بلغ الابهام فانزل الله : (وما قدروا الله حق قدره ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه من حديث ابن عباس الا من هذا الوجه . وابو كدينة اسمه يحيى بن المهلب قال رايت محمد بن اسماعيل روى هذا الحديث عن الحسن بن شجاع عن محمد بن الصلت .
৩২৪০. আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি ইয়াহূদীটিকে বললেনঃ হে ইয়াহূদী, তোমাদের কথা বল।
সে বললঃ হে আবুল কাসিম, যেদিন আল্লাহ্ তা’আলা আসমানসমূহ রাখবেন এতে, যমীনসমূহ রাখবেন এতে, পানি এতে, পাহাড় এতে, আর সব সৃষ্টি রাখবেন এতে সে বিষয়ে আপনি কি বলেন?
রাবী আবূ জা’ফর মুহাম্মাদ ইবনুস সালত ’এতে’ বলে প্রথমবার কনিষ্ঠা অঙ্গুলীর দিকে ইশারা করেন এবং ক্রমে বৃদ্ধাঙ্গুলী পর্যন্ত যেয়ে পৌঁছান। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ (وما قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ) এরা আল্লাহর যথোচিত মর্যাদা প্রদর্শন করে না (যুমার ৩৯ঃ ৬৭)।
হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবূ কুদায়না (রহঃ) এর নাম ইয়াহ্ইয়া ইবন মুহাল্লাব। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি হাসান ইবন শুজা’ ... মুহাম্মাদ ইবনুস সালত (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করতে দেখেছি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সে বললঃ হে আবুল কাসিম, যেদিন আল্লাহ্ তা’আলা আসমানসমূহ রাখবেন এতে, যমীনসমূহ রাখবেন এতে, পানি এতে, পাহাড় এতে, আর সব সৃষ্টি রাখবেন এতে সে বিষয়ে আপনি কি বলেন?
রাবী আবূ জা’ফর মুহাম্মাদ ইবনুস সালত ’এতে’ বলে প্রথমবার কনিষ্ঠা অঙ্গুলীর দিকে ইশারা করেন এবং ক্রমে বৃদ্ধাঙ্গুলী পর্যন্ত যেয়ে পৌঁছান। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ (وما قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ) এরা আল্লাহর যথোচিত মর্যাদা প্রদর্শন করে না (যুমার ৩৯ঃ ৬৭)।
হাদীসটি হাসান-গারীব-সহীহ। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবূ কুদায়না (রহঃ) এর নাম ইয়াহ্ইয়া ইবন মুহাল্লাব। মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল বুখারী (রহঃ)-কে এই হাদীসটি হাসান ইবন শুজা’ ... মুহাম্মাদ ইবনুস সালত (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করতে দেখেছি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن عنبسة بن سعيد، عن حبيب بن ابي عمرة، عن مجاهد، قال قال ابن عباس اتدري ما سعة جهنم قلت لا . قال اجل والله ما تدري . حدثتني عاىشة انها سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قوله : (والارض جميعا قبضته يوم القيامة والسموات مطويات بيمينه ) قالت قلت فاين الناس يومىذ يا رسول الله قال " على جسر جهنم " . وفي الحديث قصة . قال هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه .
৩২৪১. সুওয়ায়দ ইবন নাসর (রহঃ)...... মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ তুমি কি জানো, জাহান্নামের প্রশস্ততা কতটুকু? আমি বললামঃ না।
তিনি বললেনঃ হ্যাঁ ঠিকই, আল্লাহর কসম, তা তুমি জানবে না। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (والأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ ) কিয়ামতের দিন সমস্থ পৃথিবী থাকবে তাঁর (আল্লাহর) হাতের মঠিতে আর আকাশমন্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে লেপটানো (যুমার ৩৯ঃ ৬৭) আয়াতটি প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, ঐদিন মানুষ কোথায় অবস্থান করবে? তিনি বললেনঃ জাহান্নামের উপর স্থাপিত পুলে।
হাদীসটিতে আরো কাহিনী আছে। এই সূত্রে হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
তিনি বললেনঃ হ্যাঁ ঠিকই, আল্লাহর কসম, তা তুমি জানবে না। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (والأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ ) কিয়ামতের দিন সমস্থ পৃথিবী থাকবে তাঁর (আল্লাহর) হাতের মঠিতে আর আকাশমন্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে লেপটানো (যুমার ৩৯ঃ ৬৭) আয়াতটি প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, ঐদিন মানুষ কোথায় অবস্থান করবে? তিনি বললেনঃ জাহান্নামের উপর স্থাপিত পুলে।
হাদীসটিতে আরো কাহিনী আছে। এই সূত্রে হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩২৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن مطرف، عن عطية العوفي، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف انعم وقد التقم صاحب القرن القرن وحنى جبهته واصغى سمعه ينتظر ان يومر ان ينفخ فينفخ " . قال المسلمون فكيف نقول يا رسول الله قال " قولوا حسبنا الله ونعم الوكيل توكلنا على الله ربنا " . وربما قال سفيان على الله توكلنا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد رواه الاعمش ايضا عن عطية عن ابي سعيد .
৩২৪২. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেমন করে আমি স্ফুর্তি করতে পারি অথচ শিঙ্গা ফুৎকারী (ইসরাফীল) শিঙ্গা মুখে নিয়ে কপাল ঝুঁকিয়ে উৎকর্ণ হয়ে ফুৎকার প্রদানের নির্দেশের অপেক্ষা করছেন; নির্দেশ পাওয়া মাত্রই যেন ফুৎকার দিয়ে দিতে পারেন। মুসলিমরা বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা এমতাবস্থায় কি বলব? তিনি বললেনঃ তোমরা বল, আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট। তিনি কত উত্তম কর্মবিধায়ক! আল্লাহর উপরই আমরা ভরসা করছি।
সহীহ, সহীহাহ ১০৭৮, ১০৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
সহীহ, সহীহাহ ১০৭৮, ১০৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩২৪৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، اخبرنا سليمان التيمي، عن اسلم العجلي، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، رضي الله عنهما قال قال اعرابي يا رسول الله ما الصور قال " قرن ينفخ فيه " . قال هذا حديث حسن انما نعرفه من حديث سليمان التيمي .
৩২৪৩. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক আরব বেদুঈন বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সূর কি? তিনি বললেনঃ শিঙ্গা, এতে ফুৎকার প্রদান করা হবে।
সহীহ, সহীহাহ ১০৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। সুলায়মান তায়মী (রহঃ) এর রিওয়ায়ত হিসাবেই কেবল এটি সম্পর্কে আমরা জানি।
সহীহ, সহীহাহ ১০৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। সুলায়মান তায়মী (রহঃ) এর রিওয়ায়ত হিসাবেই কেবল এটি সম্পর্কে আমরা জানি।
হাদিস নং: ৩২৪৪
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا ابو سلمة، عن ابي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر . قال فرفع رجل من الانصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ( ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الارض الا من شاء الله ثم نفخ فيه اخرى فاذا هم قيام ينظرون ) فاكون اول من رفع راسه فاذا موسى اخذ بقاىمة من قواىم العرش فلا ادري ارفع راسه قبلي او كان ممن استثنى الله ومن قال انا خير من يونس بن متى فقد كذب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৪৪. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত। মদীনার বাজারে (কোন এক প্রসঙ্গে) জনৈক ইয়াহূদী বললঃ না, ঐ সত্তার কসম, যিনি মূসা (আঃ) কে সব মানুষের মাঝে নির্বাচিত করেছেন তখন জনৈক আনসারী মুসলিম হাত তুলে তার মুখে এক থাপ্পড় মেরে বললেনঃ আমাদের মাঝে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রয়েছেন আর তুই এ কথা বলছিস? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এই কথা শুনে) বললেনঃ
ونُفِخَ فِي الصُّورِ فَصَعِقَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِي الأَرْضِ إِلاَّ مَنْ شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ
আর শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে ফলে যাদেরকে আল্লাহ্ ইচ্ছা করেন তারা ত্যতীত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সবই মূর্ছিত হয়ে পড়বে। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে। তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে। (সূরা যুমার ৩৯ঃ ৬৮)। আমিই প্রথম আমার মাথা তুলব। মূসাকে দেখব আরশের পায়াগুলোর একটি ধরে আছেন। জানি না, তিনি কি আমার পূর্বে তাঁর মাথা তুলেছেন না যাদেরকে আল্লাহ্ তা’আলা ব্যত্যয়ী করেছেন তিনিও তাদের অন্তর্ভূক্ত। যে ব্যক্তি বলল, আমি ইউনুস ইবন মাত্তা থেকেও উত্তম সেও তো ঠিক বলল না।
হাসান সহীহ, তাখরীজুত তাহাবিয়া ১৬২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ونُفِخَ فِي الصُّورِ فَصَعِقَ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِي الأَرْضِ إِلاَّ مَنْ شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ
আর শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে ফলে যাদেরকে আল্লাহ্ ইচ্ছা করেন তারা ত্যতীত আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সবই মূর্ছিত হয়ে পড়বে। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে। তৎক্ষণাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে। (সূরা যুমার ৩৯ঃ ৬৮)। আমিই প্রথম আমার মাথা তুলব। মূসাকে দেখব আরশের পায়াগুলোর একটি ধরে আছেন। জানি না, তিনি কি আমার পূর্বে তাঁর মাথা তুলেছেন না যাদেরকে আল্লাহ্ তা’আলা ব্যত্যয়ী করেছেন তিনিও তাদের অন্তর্ভূক্ত। যে ব্যক্তি বলল, আমি ইউনুস ইবন মাত্তা থেকেও উত্তম সেও তো ঠিক বলল না।
হাসান সহীহ, তাখরীজুত তাহাবিয়া ১৬২, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا الثوري، اخبرني ابو اسحاق، ان الاغر ابا مسلم، حدثه عن ابي سعيد، وابي، هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ينادي مناد ان لكم ان تحيوا فلا تموتوا ابدا وان لكم ان تصحوا فلا تسقموا ابدا وان لكم ان تشبوا فلا تهرموا ابدا وان لكم ان تنعموا فلا تباسوا ابدا " . فذلك قوله تعالى : (تلك الجنة التي اورثتموها بما كنتم تعملون ) . قال ابو عيسى وروى ابن المبارك وغيره هذا الحديث عن الثوري ولم يرفعوه .
৩২৪৫. মাহমূদ ইবন গায়লান প্রমুখ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক আহবানকারী (জান্নাতে) আহবান করে বলবে, তোমরা সদা জীবিত থাকবে, মরবে না কখনও। তোমরা সদাসুস্থ থাকবে, অসুস্থ হবে না কখনও। তোমরা সদা তরুণ থাকবে, বৃদ্ধ হবে না কখনও। তোমরা সদা স্বাচ্ছন্দে থাকবে, অভাবগ্রস্ত হবে না কখনও। এদিকেই রয়েছে আল্লাহর এই বাণীতে ইঙ্গিতঃ (تِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِي أُورِثْتُمُوهَا بِمَا كُنْتُمْ تَعْمَلُونَ) - এই তে জান্নাত তোমাদের যার অধিকারী করা হয়েছে তোমাদের কর্মফলস্বরূপ (যুখরুফ ৪৩ঃ ৭২ )।
সহীহ, মুসলিম ৮/১৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবন মুবারক (রহঃ) প্রমুখ এই হাদীসটিকে ছাওরী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এটি মারুফু’ করেননি।
সহীহ, মুসলিম ৮/১৪৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইবন মুবারক (রহঃ) প্রমুখ এই হাদীসটিকে ছাওরী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এটি মারুফু’ করেননি।
হাদিস নং: ৩২৪৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن منصور، والاعمش، عن ذر، عن يسيع الحضرمي، عن النعمان بن بشير، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " الدعاء هو العبادة " . ثم قرا : ( وقال ربكم ادعوني استجب لكم ان الذين يستكبرون عن عبادتي سيدخلون جهنم داخرين ) قال ابو عيسى . هذا حديث حسن صحيح .
৩২৪৬. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... নু’মান ইবন বশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, দু’আ হল ইবাদত। এরপর তিনি বললেনঃ
وقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ
তোমাদের রব বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। যারা অহংকারে আমার ইবাদত বিমুখ তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (মু’মিন ৪০ঃ ৬০)।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
وقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ
তোমাদের রব বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। যারা অহংকারে আমার ইবাদত বিমুখ তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (মু’মিন ৪০ঃ ৬০)।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن منصور، عن مجاهد، عن ابي معمر، عن ابن مسعود، قال اختصم عند البيت ثلاثة نفر قرشيان وثقفي او ثقفيان وقرشي قليلا فقه قلوبهم كثيرا شحم بطونهم فقال احدهم اترون ان الله يسمع ما نقول فقال الاخر يسمع اذا جهرنا ولا يسمع اذا اخفينا . وقال الاخر ان كان يسمع اذا جهرنا فانه يسمع اذا اخفينا . فانزل الله : ( وما كنتم تستترون ان يشهد عليكم سمعكم ولا ابصاركم ولا جلودكم ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩২৪৭. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ...... ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহর কাছে তিন ব্যক্তি বিতর্কে লিপ্ত হয়। এদের দু’জন কুরায়শ গোত্রের আর একজন ছাকীফী। বর্ণনান্তরে দু’জন ছাকাফী একজন কুরায়শী এদের হৃদয়ের অনুধাবন শক্তি ছিল খুবই কম আর পেটের চর্বি ছিল খুবই বেশি। তাদের একজন বললঃ আল্লাহ্ সম্পর্কে তুমি কি মনে কর, আমরা যা বলি তিনি কি তা শুনে না? অপরজন বললঃ আমরা যখন প্রকাশ্যে কথা বলি তখন তিনি তা শুনেন। আর যখন গোপনে বলি তখন তিনি তা শুনতে পান না। আরেক জন বললঃ প্রকাশ্যে বললে যদি শুনতে পান তবে তিনি গোপনে বললেও তা শুনতে পাবেন এই প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেনঃ
ومَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلاَ أَبْصَارُكُمْ وَلاَ جُلُودُكُمْ
তোমাদের কর্ণ, চক্ষু এবং ত্বক তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না এই বিশ্বাসে তোমরা কিছুই গোপন করতে না (সূরা আস-সাজদা ৪১ঃ ২২)।
সহীহ, বুখারি ৪৮১৬, ৪৮১৭, ৭৫২১ মুসলিম ৮/১২০-২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ومَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلاَ أَبْصَارُكُمْ وَلاَ جُلُودُكُمْ
তোমাদের কর্ণ, চক্ষু এবং ত্বক তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না এই বিশ্বাসে তোমরা কিছুই গোপন করতে না (সূরা আস-সাজদা ৪১ঃ ২২)।
সহীহ, বুখারি ৪৮১৬, ৪৮১৭, ৭৫২১ মুসলিম ৮/১২০-২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩২৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن عمارة بن عمير، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال قال عبد الله كنت مستترا باستار الكعبة فجاء ثلاثة نفر كثير شحم بطونهم قليل فقه قلوبهم قرشي وختناه ثقفيان او ثقفي وختناه قرشيان فتكلموا بكلام لم افهمه فقال احدهم اترون ان الله يسمع كلامنا هذا فقال الاخر انا اذا رفعنا اصواتنا سمعه واذا لم نرفع اصواتنا لم يسمعه فقال الاخر ان سمع منه شيىا سمعه كله فقال عبد الله فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فانزل الله : ( وما كنتم تستترون ان يشهد عليكم سمعكم ولا ابصاركم ولا جلودكم ) الى قوله : (اصبحتم من الخاسرين ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
৩২৪৮. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা’বা শরীফের পর্দায় লুক্কায়িত ছিলাম। এমন সময় তিনজন লোক এল। এদের পেট ছিল খুবই মেদবহুল কিন্তু হৃদয়ের অনুধাবন শক্তি ছিল খূবই কম। এর একজন ছিল কুরায়শী অপর দুই জন ছিল ছাকাফী গোত্রীয় এবং তার জামাতা। কিংবা এক জন ছিল ছাকাফী, দুই জন ছিল কুরায়শী গোত্রীয় এবং তার জামাতা। তারা এমন সক কথা আলোচনা করল যা আমি বুঝতে পারিনি। এরপর তাদের এক জন বললঃ তোমরা আল্লাহ্ সম্পর্কে কি মনে কর, তিনি কি আমাদের এই কথাবার্তা শুনতে পান? অপর জন বললঃ আমরা যখন সশব্দে বলি তখন তিনি তা শুনতে পান, আর যখন আমাদের আওয়াজ উচ্চ না করি তখন তিনি তা শুনতে পান না। আরেক জন বললঃ তিনি যদি কিছু শুনতেই পান তা হলে তো পুরোপুরিই শুনতে পান।
আবদুল্লহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি এই বিষয়েটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আলোচনা করি। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ
ومَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلاَ أَبْصَارُكُمْ وَلاَ جُلُودُكُمْ إِلَى قَوْلِهِ : أَصْبَحْتُمْ مِنَ الْخَاسِرِينَ
তোমাদের কর্ণ, চক্ষু এবং ত্বক তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না এই বিশ্বাসে তোমরা কিছু গোপন করতে না। উপরন্তু তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা করতে তার অনেক কিছুই আল্লাহ্ জানেন না। তোমাদের রব সম্পর্কে তোমাদের এই ধারণাই তোমাদের ধ্বংস এনেছে। ফলে তোমরা হয়েছ ক্ষতিগ্রস্থ (সূরা আস-সাজদা ৪১ঃ ২২-২৩)।
সহীহ, মুসলিম ৮/১২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
আবদুল্লহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি এই বিষয়েটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আলোচনা করি। তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ
ومَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُونَ أَنْ يَشْهَدَ عَلَيْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلاَ أَبْصَارُكُمْ وَلاَ جُلُودُكُمْ إِلَى قَوْلِهِ : أَصْبَحْتُمْ مِنَ الْخَاسِرِينَ
তোমাদের কর্ণ, চক্ষু এবং ত্বক তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না এই বিশ্বাসে তোমরা কিছু গোপন করতে না। উপরন্তু তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা করতে তার অনেক কিছুই আল্লাহ্ জানেন না। তোমাদের রব সম্পর্কে তোমাদের এই ধারণাই তোমাদের ধ্বংস এনেছে। ফলে তোমরা হয়েছ ক্ষতিগ্রস্থ (সূরা আস-সাজদা ৪১ঃ ২২-২৩)।
সহীহ, মুসলিম ৮/১২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩২৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن عمارة بن عمير، عن وهب بن ربيعة، عن عبد الله، نحوه .
৩২৪৯. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৯ এর শেষাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩২৪৯ এর শেষাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]