হাদিস নং: ২৪২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو زكريا، يحيى بن درست البصري حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال حماد وهو عندنا مرفوع (يوم يقوم الناس لرب العالمين) قال يقومون في الرشح الى انصاف اذانهم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا هناد، حدثنا عيسى بن يونس، عن ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
حدثنا هناد، حدثنا عيسى بن يونس، عن ابن عون، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
২৪২৫. আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া ইবন দুরুস্ত বাসরী (রহঃ) .... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে,يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ - যেদিন লোকেরা রাব্বুল আলামিনের জন্য দাঁড়াবে (মুতাফফিফীন ৮৩ঃ ৬) প্রসঙ্গে তিনি বলেনঃ কানের অর্ধেক পর্যন্ত ঘামের মধ্যে তারা দাঁড়াবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৭৮, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
রাবী হাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ উক্ত রিওয়ায়াতটি আমাদের মতে মারফু’। হাদীসটি হাসান-সহীহ। হান্নাদ (রহঃ) ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছ।
রাবী হাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ উক্ত রিওয়ায়াতটি আমাদের মতে মারফু’। হাদীসটি হাসান-সহীহ। হান্নাদ (রহঃ) ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছ।
হাদিস নং: ২৪২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يحشر الناس يوم القيامة حفاة عراة غرلا كما خلقوا ثم قرا (كما بدانا اول خلق نعيده وعدا علينا انا كنا فاعلين) واول من يكسى من الخلاىق ابراهيم ويوخذ من اصحابي برجال ذات اليمين وذات الشمال فاقول يا رب اصحابي . فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك انهم لم يزالوا مرتدين على اعقابهم منذ فارقتهم . فاقول كما قال العبد الصالح: (ان تعذبهم فانهم عبادك وان تغفر لهم فانك انت العزيز الحكيم) ".
২৪২৬. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন খালি পা, খালি গা এবং খাতনাহীন অবস্থায় যেভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল তেমনিভাবে মানুষের হাশর হবে। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ
كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ وَعْدًا عَلَيْنَا إِنَّا كُنَّا فَاعِلِينَ
যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করবো; ওয়াদা পালন আমার উপর ন্যস্ত, আমি তা পালন করবই। (আম্বিয়া ২১ঃ ১০৪)
সমস্ত সৃষ্টির মাঝে প্রথম ইবরাহীম (আঃ)-কে কাপড় পরানো হবে। আমার সঙ্গীদের কতক লোককে ধরে ডানে বামে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি বলব, হে আমার রব, এরা তো আমার সঙ্গী। আমাকে তখন বলা হবে, আপনি জানেন না আপনার পর এরা কি যে বেদআত ঘটিয়েছে! যেদিন থেকে আপনি এদের থেকে পৃথক হয়েছেন সেদিন থেকেই এরা মুরতাদ হয়ে পশ্চাতে ফিরে যেতে থেকেছে। অনন্তর আমি আল্লাহর নেক বান্দা [ঈসা (আঃ)] এর মত বলবঃ
إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
আপনি যদি এদেরকে শাস্তি দেন তবে এরা তো আপনারই বান্দা, আর যদি এদের ক্ষমা করে দেন তবে আপনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (মাইদা ৫ঃ ১১৮)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মদ ইবন বাশশার ও মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... মুগীরা ইবন নু’মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ وَعْدًا عَلَيْنَا إِنَّا كُنَّا فَاعِلِينَ
যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করবো; ওয়াদা পালন আমার উপর ন্যস্ত, আমি তা পালন করবই। (আম্বিয়া ২১ঃ ১০৪)
সমস্ত সৃষ্টির মাঝে প্রথম ইবরাহীম (আঃ)-কে কাপড় পরানো হবে। আমার সঙ্গীদের কতক লোককে ধরে ডানে বামে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি বলব, হে আমার রব, এরা তো আমার সঙ্গী। আমাকে তখন বলা হবে, আপনি জানেন না আপনার পর এরা কি যে বেদআত ঘটিয়েছে! যেদিন থেকে আপনি এদের থেকে পৃথক হয়েছেন সেদিন থেকেই এরা মুরতাদ হয়ে পশ্চাতে ফিরে যেতে থেকেছে। অনন্তর আমি আল্লাহর নেক বান্দা [ঈসা (আঃ)] এর মত বলবঃ
إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ
আপনি যদি এদেরকে শাস্তি দেন তবে এরা তো আপনারই বান্দা, আর যদি এদের ক্ষমা করে দেন তবে আপনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (মাইদা ৫ঃ ১১৮)।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মদ ইবন বাশশার ও মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... মুগীরা ইবন নু’মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا بهز بن حكيم، عن ابيه، عن جده، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " انكم محشورون رجالا وركبانا وتجرون على وجوهكم " . وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৪২৭. আহমাদ ইবন মানী’ (রহঃ) .... বাহয ইবন হাকীম তার পিতা তার পিতামহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, পায়ে হেঁঠে, আরোহী অবস্থায় তোমাদের হাশর হবে। তোমাদের অনেককে চেহারার উপর উপুড় করে ছেচড়িয়ে টেনে নিয়ে আসা হবে। ফাযায়েলুশশাম ১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৪২৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن علي بن علي، عن الحسن، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يعرض الناس يوم القيامة ثلاث عرضات فاما عرضتان فجدال ومعاذير واما العرضة الثالثة فعند ذلك تطير الصحف في الايدي فاخذ بيمينه واخذ بشماله " . قال ابو عيسى ولا يصح هذا الحديث من قبل ان الحسن لم يسمع من ابي هريرة . وقد رواه بعضهم عن علي بن علي الرفاعي عن الحسن عن ابي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى ولا يصح هذا الحديث من قبل ان الحسن لم يسمع من ابي موسى .
২৪২৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে মানুষকে তিনবার পেশ করা হবে। প্রথম দুইবারের উপস্থাপন তো হবে বিবাদ ও উযর সংক্রান্ত। আর তৃতীয়বারের উপস্থাপনের সময়েই হাতে হাতে আমলনামা উড়তে থাকবে। কেউতো ডান হাতে তা ধরবে আর কেউ ধরবে বাম হাতে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৪২৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি সহীহ নয়। কারণ হাসান (রহঃ) সরাসরি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কিছু শোনেন নি। কেউ কেউ এটিকে আলী ইবন আলী রিফাঈ-হাসান-আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদীসটি সহীহ নয়। কারণ হাসান (রহঃ) সরাসরি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কিছু শোনেন নি। কেউ কেউ এটিকে আলী ইবন আলী রিফাঈ-হাসান-আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ২৪২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا ابن المبارك، عن عثمان بن الاسود، عن ابن ابي مليكة، عن عاىشة، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من نوقش الحساب هلك " . قلت يا رسول الله ان الله تعالى يقول: (فاما من اوتي كتابه بيمينه * فسوف يحاسب حسابا يسيرا) قال " ذلك العرض " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح حسن ورواه ايوب ايضا عن ابن ابي مليكة .
২৪২৯. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যার চুল-চেরা হিসাব নেওয়া হবে সে তো ধ্বংস হয়ে যাবে। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আল্লাহ তো ইরশাদ করেছেনঃ
فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ * فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا
আর যার আমল নামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে তার হিসাব-নিকাশ তো সহজেই হবে। (সূরা ইনশিকাক ৮৪ঃ ৭,৮)।
তিনি বললেনঃ এতো হল সামনে পেশ করা মাত্র। সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৮৮৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়্যূব (রহঃ)-ও এটিকে আবূ মূলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ * فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا
আর যার আমল নামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে তার হিসাব-নিকাশ তো সহজেই হবে। (সূরা ইনশিকাক ৮৪ঃ ৭,৮)।
তিনি বললেনঃ এতো হল সামনে পেশ করা মাত্র। সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৮৮৫, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়্যূব (রহঃ)-ও এটিকে আবূ মূলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২৪৩০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا ابن المبارك، اخبرنا اسماعيل بن مسلم، عن الحسن، وقتادة، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يجاء بابن ادم يوم القيامة كانه بذج فيوقف بين يدى الله فيقول الله له اعطيتك وخولتك وانعمت عليك فماذا صنعت . فيقول يا رب جمعته وثمرته فتركته اكثر ما كان فارجعني اتك به . فيقول له ارني ما قدمت . فيقول يا رب جمعته وثمرته فتركته اكثر ما كان فارجعني اتك به . فاذا عبد لم يقدم خيرا فيمضى به الى النار " . قال ابو عيسى وقد روى هذا الحديث غير واحد عن الحسن قوله ولم يسندوه . واسماعيل بن مسلم يضعف في الحديث من قبل حفظه . وفي الباب عن ابي هريرة وابي سعيد الخدري .
২৪৩০. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আদম সন্তানকে ভেড়ার বাচ্চার মত অসহায় অবস্থায় আনা হবে। তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হবে। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ তোমাকে তো (জীবন স্বাস্থ্য ও সুখ) দিয়েছিলাম। তোমাকে চাকর-নফর, ধন-দৌলত দিয়েছিলাম। আরো বহু নিয়ামত দিয়েছিলাম কি আমল করে এসেছ তুমি?
সে বলবেঃ তা সব সঞ্চয় করেছি, তা বৃদ্ধি করেছি এবং যা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশী রেখে এসেছি। আমাকে (দুনিয়ায়) ফিরত যেতে দিন সেই সব কিছুই আপনার কাছে নিয়ে আসছি। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ আগে কি নিয়ে এসেছ তা আমাকে দেখাও, সে বলবেঃ হে রব, আমি তো সব সঞ্চয় করেছি, তা বাড়িয়েছি এবং যা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশী রেখে এসেছি, আমাকে ফেরত যেতে দিন, সবকিছুই আপনার কাছে নিয়ে আসছি। অনন্তর বান্দার অবস্থা যখন এই হবে যে সে কোন নেক আমল আগে পাঠায়নি তখন জাহান্নামেই তাকে নিয়ে যাওয়া হবে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৩/১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ একাধিক রাবী হাদীসটি হাসান (রহঃ) থেকে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তরা এটিকে মুসনাদ করেননি। ইসমাঈল ইবন মুসলিম হাদীসরে ক্ষেত্রে যঈফ। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
সে বলবেঃ তা সব সঞ্চয় করেছি, তা বৃদ্ধি করেছি এবং যা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশী রেখে এসেছি। আমাকে (দুনিয়ায়) ফিরত যেতে দিন সেই সব কিছুই আপনার কাছে নিয়ে আসছি। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ আগে কি নিয়ে এসেছ তা আমাকে দেখাও, সে বলবেঃ হে রব, আমি তো সব সঞ্চয় করেছি, তা বাড়িয়েছি এবং যা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশী রেখে এসেছি, আমাকে ফেরত যেতে দিন, সবকিছুই আপনার কাছে নিয়ে আসছি। অনন্তর বান্দার অবস্থা যখন এই হবে যে সে কোন নেক আমল আগে পাঠায়নি তখন জাহান্নামেই তাকে নিয়ে যাওয়া হবে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৩/১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ একাধিক রাবী হাদীসটি হাসান (রহঃ) থেকে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তরা এটিকে মুসনাদ করেননি। ইসমাঈল ইবন মুসলিম হাদীসরে ক্ষেত্রে যঈফ। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن محمد الزهري البصري، حدثنا مالك بن سعير ابو محمد التميمي الكوفي، حدثنا الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، وعن ابي سعيد، قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوتى بالعبد يوم القيامة فيقول الله له الم اجعل لك سمعا وبصرا ومالا وولدا وسخرت لك الانعام والحرث وتركتك تراس وتربع فكنت تظن انك ملاقي يومك هذا قال فيقول لا . فيقول له اليوم انساك كما نسيتني " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح غريب . ومعنى قوله " اليوم انساك " . يقول اليوم اتركك في العذاب . هكذا فسروه . قال ابو عيسى وقد فسر بعض اهل العلم هذه الاية: ( اليوم ننساهم ) قالوا انما معناه اليوم نتركهم في العذاب .
২৪৩১. আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ যুহরী বাসরী (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তাঁরা বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন এক বান্দাকে আনা হবে। আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেনঃ তোমাকে আমি কি চোখ-কান দেইনি, ধন-দৌলত, সন্তান-সন্তুতি দেইনি, পশু-সম্পদ ও শস্য-সামগ্রী তোমার করতলগত করিনি; তোমাকে তো সরদারী করতে লোকদের সম্পদের এক চতুর্থাংশ ভোগ করতে ছেড়ে রেখেছিলাম। তুমি কি ধারণা করতে যে, আজকের এই দিনে আমার সঙ্গে তোমার মূলাকাত করতে করতে হবে? সে বলবেঃ না। আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ আজ তোমাকে আমি ভুলে গেলাম যেভাবে আমাকে তুমি ভুলে গিয়েছিলে। সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৬৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব।
’’তোমাকে আমি ভুলে গেলাম’’-কথাটির মর্ম হল তোমাকে আজ আযাবে ছেড়ে দিলাম। কোন কোন আলিমالْيَوْمَ نَنْسَاهُمْ (আজ তাদের ভুলে গেছি-আল আ’রাফ ৭ঃ ৫১) আয়াতটির উক্তরূপ তাফসীর করেছেন। তারা বলেনঃ তাদেরকে আমি আযাবে ছেড়ে রেখেছি।
হাদীসটি হাসান-গারীব।
’’তোমাকে আমি ভুলে গেলাম’’-কথাটির মর্ম হল তোমাকে আজ আযাবে ছেড়ে দিলাম। কোন কোন আলিমالْيَوْمَ نَنْسَاهُمْ (আজ তাদের ভুলে গেছি-আল আ’রাফ ৭ঃ ৫১) আয়াতটির উক্তরূপ তাফসীর করেছেন। তারা বলেনঃ তাদেরকে আমি আযাবে ছেড়ে রেখেছি।
হাদিস নং: ২৪৩২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا سعيد بن ابي ايوب، حدثنا يحيى بن ابي سليمان، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم (يومىذ تحدث اخبارها ) قال " اتدرون ما اخبارها " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " فان اخبارها ان تشهد على كل عبد او امة بما عمل على ظهرها ان تقول عمل كذا وكذا يوم كذا وكذا قال فهذه اخبارها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৪৩২. সওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করলেনঃيَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا (সেদিন পৃথিবী তার খবর বিবৃতি করবে - যিলযাল ৯৯ঃ ৪)। বললেনঃ পৃথিবীর বৃত্তান্ত কি তা জান? সাহাবীগণ বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এর বৃত্তান্ত হল, প্রত্যেক বান্দা ও বান্দীর সে এই কথার সাক্ষ্য দিবে যে তারা তার উপর কি আমল করেছে? বলবে, অমুক অমুক দিনে সে অমুখ অমুক আমল করেছে। এই হল তার বৃত্তান্ত প্রদান, এই হল তার প্রতি আল্লাহর নির্দেশ এর এগুলিই হল তার বৃত্তান্তসমুহ। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গরীব।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গরীব।
হাদিস নং: ২৪৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا سليمان التيمي، عن اسلم العجلي، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو بن العاصي، قال جاء اعرابي الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ما الصور قال " قرن ينفخ فيه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى غير واحد عن سليمان التيمي ولا نعرفه الا من حديثه .
২৪৩৩. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক মরুবাসী আরব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললঃ শিঙ্গা কি? তিনি বললেনঃ একটি শিঙ্গা যাতে ফুৎকার দেওয়া হবে। সহীহ, সহিহাহ ১০৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক রাবী এটিকে সুলায়মান তায়মী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদীসটি হাসান-সহীহ। একাধিক রাবী এটিকে সুলায়মান তায়মী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৪৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سويد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا خالد ابو العلاء، عن عطية، عن ابي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كيف انعم وصاحب القرن قد التقم القرن واستمع الاذن متى يومر بالنفخ فينفخ " . فكان ذلك ثقل على اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال لهم " قولوا حسبنا الله ونعم الوكيل على الله توكلنا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روي من غير وجه هذا الحديث عن عطية عن ابي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
২৪৩৪. সুওয়ায়াদ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি করে আনন্দ উপভোগ করতে পারি অথচ শিঙ্গাওয়ালা ফিরিশতা মুখে শিঙ্গা লাগিয়ে রেখেছেন এবং কখন তাকে শিঙ্গা ফুৎকারের নির্দেশ দেওয়া হবে আর তখনই তিনি তাতে ফুৎকার দিবেন সে জন্য কান পেতে আছেন! সাহাবীদের বিষয়টি কঠিন ভীতিপ্রদ অনুভুত হল। তখন তিনি তাদেরকে বললেনঃ তোমরা বল,حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ عَلَى اللَّهِ تَوَكَّلْنَا আল্লাহ্ই আমাদের জন্য যথেষ্ট, কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক তিনি। আল্লাহর উপর আমরা ভরসা করছি।
সহীহ, সহিহাহ ২০৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। এ হাদীসটি একাধিকভাবে আতিয়্যা-আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
সহীহ, সহিহাহ ২০৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান। এ হাদীসটি একাধিকভাবে আতিয়্যা-আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪৩৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا علي بن مسهر، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن النعمان بن سعد، عن المغيرة بن شعبة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شعار المومن على الصراط رب سلم سلم " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث المغيرة بن شعبة لا نعرفه الا من حديث عبد الرحمن بن اسحاق . وفي الباب عن ابي هريرة .
২৪৩৫. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... মুগীরা ইবন শু’বা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সিরাতের উপর মু’মিনদের বিশেষ সংকেত হবে,رَبِّ سَلِّمْ سَلِّمْ (হে রব রক্ষা কর, রক্ষা কর)। যঈফ, যইফা ১৯৭৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই। এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن الصباح الهاشمي، حدثنا بدل بن المحبر، حدثنا حرب بن ميمون الانصاري ابو الخطاب، حدثنا النضر بن انس بن مالك، عن ابيه، قال سالت النبي صلى الله عليه وسلم ان يشفع لي يوم القيامة فقال " انا فاعل " . قال قلت يا رسول الله فاين اطلبك قال " اطلبني اول ما تطلبني على الصراط " . قال قلت فان لم القك على الصراط قال " فاطلبني عند الميزان " . قلت فان لم القك عند الميزان قال " فاطلبني عند الحوض فاني لا اخطى هذه الثلاث المواطن " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه .
২৪৩৬. আবদুল্লাহ ইবন সাব্বাহ হাশিমী (রহঃ) ... নাযর ইবন আনাস ইবন মালিক তার পিতা আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিয়ামতের দিন আমার জন্য সাফা’আত করার প্রার্থনা জানিয়েছিলাম। তিনি বললেন আমি তা করব।
বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, কোথায় আমি আপনাকে তালাশ করব? তিনি বললেনঃ প্রথম তুমি তালাশ করবে সিরাতে। বললামঃ যদি সিরাতে আপনার সাক্ষাৎ না পাই? তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে মীযানে তালাশ করবে। বললামঃ যদি মীযানে আপনার তালাশ না পাই? তিনি বললেনঃ আমাকে হাওযে কাউছারে তালাশ করবে। এই তিনটি স্থানে আমি হারাব না।
সহীহ, মিশকাত ৫৫৯৫, তা’লিকুর রাগীব ৪/২২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, কোথায় আমি আপনাকে তালাশ করব? তিনি বললেনঃ প্রথম তুমি তালাশ করবে সিরাতে। বললামঃ যদি সিরাতে আপনার সাক্ষাৎ না পাই? তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে মীযানে তালাশ করবে। বললামঃ যদি মীযানে আপনার তালাশ না পাই? তিনি বললেনঃ আমাকে হাওযে কাউছারে তালাশ করবে। এই তিনটি স্থানে আমি হারাব না।
সহীহ, মিশকাত ৫৫৯৫, তা’লিকুর রাগীব ৪/২২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৪৩৭
সহিহ (Sahih)
اخبرنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، اخبرنا ابو حيان التيمي، عن ابي زرعة بن عمرو بن جرير، عن ابي هريرة، قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بلحم فرفع اليه الذراع فاكله وكانت تعجبه فنهس منها نهسة ثم قال " انا سيد الناس يوم القيامة هل تدرون لم ذاك يجمع الله الناس الاولين والاخرين في صعيد واحد فيسمعهم الداعي وينفذهم البصر وتدنو الشمس منهم فيبلغ الناس من الغم والكرب ما لا يطيقون ولا يحتملون فيقول الناس بعضهم لبعض الا ترون ما قد بلغكم الا تنظرون من يشفع لكم الى ربكم فيقول الناس بعضهم لبعض عليكم بادم . فياتون ادم فيقولون انت ابو البشر خلقك الله بيده ونفخ فيك من روحه وامر الملاىكة فسجدوا لك اشفع لنا الى ربك الا ترى ما نحن فيه الا ترى ما قد بلغنا فيقول لهم ادم ان ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله وانه قد نهاني عن الشجرة فعصيت نفسي نفسي نفسي اذهبوا الى غيري اذهبوا الى نوح . فياتون نوحا فيقولون يا نوح انت اول الرسل الى اهل الارض وقد سماك الله عبدا شكورا اشفع لنا الى ربك الا ترى ما نحن فيه الا ترى ما قد بلغنا فيقول لهم نوح ان ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله وانه قد كان لي دعوة دعوتها على قومي نفسي نفسي نفسي اذهبوا الى غيري اذهبوا الى ابراهيم . فياتون ابراهيم فيقولون يا ابراهيم انت نبي الله وخليله من اهل الارض اشفع لنا الى ربك الا ترى ما نحن فيه فيقول ان ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله واني قد كذبت ثلاث كذبات فذكرهن ابو حيان في الحديث نفسي نفسي نفسي اذهبوا الى غيري اذهبوا الى موسى . فياتون موسى فيقولون يا موسى انت رسول الله فضلك الله برسالته وبكلامه على البشر اشفع لنا الى ربك الا ترى ما نحن فيه فيقول ان ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله واني قد قتلت نفسا لم اومر بقتلها نفسي نفسي نفسي اذهبوا الى غيري اذهبوا الى عيسى . فياتون عيسى فيقولون يا عيسى انت رسول الله وكلمته القاها الى مريم وروح منه وكلمت الناس في المهد اشفع لنا الى ربك الا ترى ما نحن فيه فيقول عيسى ان ربي قد غضب اليوم غضبا لم يغضب قبله مثله ولن يغضب بعده مثله ولم يذكر ذنبا نفسي نفسي نفسي اذهبوا الى غيري اذهبوا الى محمد . قال فياتون محمدا فيقولون يا محمد انت رسول الله وخاتم الانبياء وقد غفر لك ما تقدم من ذنبك وما تاخر اشفع لنا الى ربك الا ترى ما نحن فيه فانطلق فاتي تحت العرش فاخر ساجدا لربي ثم يفتح الله على من محامده وحسن الثناء عليه شيىا لم يفتحه على احد قبلي ثم يقال يا محمد ارفع راسك سل تعطه واشفع تشفع . فارفع راسي فاقول يا رب امتي يا رب امتي يا رب امتي . فيقول يا محمد ادخل من امتك من لا حساب عليه من الباب الايمن من ابواب الجنة وهم شركاء الناس فيما سوى ذلك من الابواب ثم قال والذي نفسي بيده ان ما بين المصراعين من مصاريع الجنة كما بين مكة وهجر وكما بين مكة وبصرى " . وفي الباب عن ابي بكر الصديق وانس وعقبة بن عامر وابي سعيد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو حيان التيمي اسمه يحيى بن سعيد بن حيان كوفي وهو ثقة وابو زرعة بن عمرو بن جرير اسمه هرم .
২৪৩৭. সুওয়ায়াদ ইবন নাসর (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লা্হ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একবার কিছু মাংস আনা হল। তাঁর কাছে একটি সামনের রান তুলে ধরা হল। তিনি তা খেতে লাগলেন। সামনের মাংস তাঁর পছন্দনীয় ছিল। তিনি তা থেকে এক কামড় খেলেন। পরে বললেনঃ কিয়ামতের দিন আমিই হলাম সকল মানুষের সর্দার। তোমরা কি জান তা কেন? শুরুর এবং শেষের সব মানুষকে আল্লাহ তাআলা একই মাঠে একত্রিত করবেন। একজনের ডাকই সকলের শ্রুত হবে এবং একজনের দৃষ্টিতেই সকলের পরিলক্ষিত হবে। সূর্য তাদের নিকটবর্তী হয়ে যাবে। এমন উদ্বেগ-পেরেশানী ও কষ্ট লোকদের হবে যা তাদের সহ্য হবে না এবং যা তারা বইতেও পারবে না। লোকদের একজন আরেকজনকে বলবে তোমাদের কি যাতনা পৌছছে লক্ষ্য করছ না? এমন কাউকে দেখছ না যিনি তোমাদের প্রভুর কাছে তোমাদের জন্য সুপারিশ করবেন।
লোকেরা পরস্পর পরস্পরকে বলবেঃ চল, আদম (আঃ)-কে গিয়ে ধর। তারা আদম (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবে, আপনি মানবকুলের আদি পিতা। আল্লাহ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন, আপনার মাঝে রূহ ফুঁকেছেন, ফিরিশতাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাই তারা আপনার সিজদা করেছিল। আপনি আমাদের জন্য আপনার প্রভুর দরবারে সুপারিশ করুন। আপনি কি লক্ষ্য করছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আপনি কি দেখছেন না কষ্টের কোন সীমায় আমরা পৌছেছি?
আদম (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার তো আজ এমন ক্রোধান্বিত যে পূর্বেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হয়নি ভবিষ্যতেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। তিনি তো আমাকে একটি বৃক্ষ সম্পর্কে নিষেধ করেছিলেন কিন্তু আমি তা লংঘন করে ফেলেছি, নাফসী, নাফসী, নাফসী-আজ আমার চিন্তাই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা নূহের কাছে যাও।
তারা নূহ (আঃ) এর নিকট আসবে। বলবেঃ হে নূহ, আপনি পৃথিবীর প্রথম রাসূল। আল্লাহ আপনাকে ’’আবদান শাকুরা’’ চিরকৃতজ্ঞ বান্দা বলে উপাধি দিয়েছেন। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
নূহ (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার তো আজ এমন ক্রোধান্বিত যে পূর্বেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হয়নি ভবিষ্যতেও এমন ক্রোধান্বিত আর কখনো হবেন না। তিনি আমাকে একটি দুআ কবূলের প্রতিশ্রুত দিয়েছিলেন। তা আমি আমার কওমের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করে ফেলেছি। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে যাও।
তারা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে ইবরাহীম, আপনি আল্লাহর নবী, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে আপনি আল্লাহর খলীল ও অন্তরঙ্গ বন্ধু। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
ইবরাহীম (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার আজ এত ক্রোধান্বিত অবস্থায় আছেন যে আগেও এমন ক্রোধান্বিত কখনও হন নাই আর পরেও কখনও এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। আমার পক্ষ থেকে তিনটি (বাহ্যিক) অসত্য কথন হয়ে গিয়েছিলেন। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা মূসার কাছে যাও।
তারা মূসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে মূসা, আপনি আল্লাহর রাসূল, তিনি আপনাকে তাঁর রিসালাত ও কালাম প্রদান করে মানুষের উপর মর্যাদা দিয়েছেন। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
মূসা (আঃ) বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার আজ এত ক্রেধান্বিত অবস্থায় আছেন যে আগেও এমন ক্রোধান্বিত কখনও হন নাই আর পরেও কখনও এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। আমি তাঁর হুকুম ছাড়াই এক ব্যক্তিকে কতল করে ফেলেছিলাম; নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা ঈসার নিকট যাও।
এরপর তারা ঈসা (আঃ)-এর নিকট আসবে; বলবেঃ হে ঈসা, আপনি আল্লাহর রাসূল, আপনি আল্লাহর দেওয়া বাণী যা তিনি মারইয়াম (আঃ)-এর গর্ভে ফেলেছেন; আপনি তাঁর দেওয়া আত্মা, দোলনায় অবস্থানকালেই আপনি মানুষের সাথে বাক্যলাপ করেছেন। আপনি আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
ঈসা (আঃ) বলবেনঃ আজ আমার পরওয়ারদিগার এত ক্রেধান্বিত অবস্থায় আছেন যে, এরূপ ক্রোধান্বিত পূর্বে কখনও ছিলেন না এমন ক্রোধান্বিত কখনও হবেন না। উল্লেখ্য যে, ঈসা (আঃ) এখানে নিজের কোন অপরাধের কথা উল্লেখ করবেন না। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায় আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো কাছে যাও, তোমরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাও।
তখন তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে মুহাম্মদ, আপনি আল্লাহর রাসূল, শেষ নবী, মাফ করে দেওয়া হয়েছে আপনার পূর্বেকার সব ত্রুটি। আপনি আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য শাফা’আত করুন। আপনি কি দেখছেন না আমরা কোন অবস্থায় আছি?
এরপর (আমি সুপারিশ করার জন্য) যাব এবং আরশের নীচে এসে আমার পরওয়ারদিগারের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হব। আল্লাহ তাআলা আমার জন্য তাঁর হামদ ও সর্বোত্তম প্রশংসার এমন কিছু উদ্ভাসিত করে দিবেন যা আমার পূর্বে আর কারো জন্য উদ্ভাসিত করা হয়নি। অতঃপর বলা হবেঃ হে মুহাম্মদ, আপনার মাথা উত্তোলন করুন। প্রার্থনা করুন আপনার প্রার্থনা কবূর করা হবে, শাফা’আত করুন, আপনার শাফা’আত গ্রহণ করা হবে।
অনন্তর আমি মাথা তুলব। বলবঃ হে পরওয়ারদিগার, আমার উম্মতকে রক্ষা করুন।
আল্লাহ বলবেনঃ হে মুহাম্মদ, আপনার উম্মতের মধ্যে যাদের কোন হিসাব নাই তাদেরকে জান্নাতের দরওয়াজা ডানদিকের দরওয়াজা দিয়ে জান্নাতে দাখিল করে দিন। অবশ্য অন্যান্য দরওয়াজার ক্ষেত্রেও তারা অপরাপর লোকদের সঙ্গেও জান্নাতে দাখিল করতে পারবে। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবেনঃ কসম সেই যাতের যাঁর হাতে আমার প্রাণ, জান্নাতের দুই চৌকাঠের মধ্যকার দুরত্ব মক্কা ও হাজারের দুরত্বের মত এবং মক্কা ও বুসরার দুরত্বের মত। সহীহ, তাখরিজ তাহাভিয়া ১৯৮, যিলালুল জান্নাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ বকর সিদ্দীক, আনাস, উকবা ইবন আমির এবং আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উক্ত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ হাইয়ান তায়মীর নাম হল ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ইবন হাইয়ান কুফী। তিনি বিশ্বস্ত। আর আবূ যুরআ ইবন আমর ইবন জারীরের নাম হল হারিম।
লোকেরা পরস্পর পরস্পরকে বলবেঃ চল, আদম (আঃ)-কে গিয়ে ধর। তারা আদম (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবে, আপনি মানবকুলের আদি পিতা। আল্লাহ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন, আপনার মাঝে রূহ ফুঁকেছেন, ফিরিশতাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাই তারা আপনার সিজদা করেছিল। আপনি আমাদের জন্য আপনার প্রভুর দরবারে সুপারিশ করুন। আপনি কি লক্ষ্য করছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আপনি কি দেখছেন না কষ্টের কোন সীমায় আমরা পৌছেছি?
আদম (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার তো আজ এমন ক্রোধান্বিত যে পূর্বেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হয়নি ভবিষ্যতেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। তিনি তো আমাকে একটি বৃক্ষ সম্পর্কে নিষেধ করেছিলেন কিন্তু আমি তা লংঘন করে ফেলেছি, নাফসী, নাফসী, নাফসী-আজ আমার চিন্তাই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা নূহের কাছে যাও।
তারা নূহ (আঃ) এর নিকট আসবে। বলবেঃ হে নূহ, আপনি পৃথিবীর প্রথম রাসূল। আল্লাহ আপনাকে ’’আবদান শাকুরা’’ চিরকৃতজ্ঞ বান্দা বলে উপাধি দিয়েছেন। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
নূহ (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার তো আজ এমন ক্রোধান্বিত যে পূর্বেও কখনো এমন ক্রোধান্বিত হয়নি ভবিষ্যতেও এমন ক্রোধান্বিত আর কখনো হবেন না। তিনি আমাকে একটি দুআ কবূলের প্রতিশ্রুত দিয়েছিলেন। তা আমি আমার কওমের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করে ফেলেছি। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে যাও।
তারা ইবরাহীম (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে ইবরাহীম, আপনি আল্লাহর নবী, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে আপনি আল্লাহর খলীল ও অন্তরঙ্গ বন্ধু। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
ইবরাহীম (আঃ) তাদের বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার আজ এত ক্রোধান্বিত অবস্থায় আছেন যে আগেও এমন ক্রোধান্বিত কখনও হন নাই আর পরেও কখনও এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। আমার পক্ষ থেকে তিনটি (বাহ্যিক) অসত্য কথন হয়ে গিয়েছিলেন। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা মূসার কাছে যাও।
তারা মূসা (আঃ)-এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে মূসা, আপনি আল্লাহর রাসূল, তিনি আপনাকে তাঁর রিসালাত ও কালাম প্রদান করে মানুষের উপর মর্যাদা দিয়েছেন। আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
মূসা (আঃ) বলবেনঃ আমার পরওয়ারদিগার আজ এত ক্রেধান্বিত অবস্থায় আছেন যে আগেও এমন ক্রোধান্বিত কখনও হন নাই আর পরেও কখনও এমন ক্রোধান্বিত হবেন না। আমি তাঁর হুকুম ছাড়াই এক ব্যক্তিকে কতল করে ফেলেছিলাম; নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায়ই আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো নিকট যাও, তোমরা ঈসার নিকট যাও।
এরপর তারা ঈসা (আঃ)-এর নিকট আসবে; বলবেঃ হে ঈসা, আপনি আল্লাহর রাসূল, আপনি আল্লাহর দেওয়া বাণী যা তিনি মারইয়াম (আঃ)-এর গর্ভে ফেলেছেন; আপনি তাঁর দেওয়া আত্মা, দোলনায় অবস্থানকালেই আপনি মানুষের সাথে বাক্যলাপ করেছেন। আপনি আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য সুপারিশ করুন। দেখছেন না আমরা কি অবস্থায় আছি? আমরা কষ্টের কোন সীমায় পৌছেছি?
ঈসা (আঃ) বলবেনঃ আজ আমার পরওয়ারদিগার এত ক্রেধান্বিত অবস্থায় আছেন যে, এরূপ ক্রোধান্বিত পূর্বে কখনও ছিলেন না এমন ক্রোধান্বিত কখনও হবেন না। উল্লেখ্য যে, ঈসা (আঃ) এখানে নিজের কোন অপরাধের কথা উল্লেখ করবেন না। নাফসী, নাফসী, নাফসী আজ আমার চিন্তায় আমি পেরেশান। তোমরা অন্য কারো কাছে যাও, তোমরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাও।
তখন তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসবে। বলবেঃ হে মুহাম্মদ, আপনি আল্লাহর রাসূল, শেষ নবী, মাফ করে দেওয়া হয়েছে আপনার পূর্বেকার সব ত্রুটি। আপনি আপনার পরওয়ারদিগারের নিকট আমাদের জন্য শাফা’আত করুন। আপনি কি দেখছেন না আমরা কোন অবস্থায় আছি?
এরপর (আমি সুপারিশ করার জন্য) যাব এবং আরশের নীচে এসে আমার পরওয়ারদিগারের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হব। আল্লাহ তাআলা আমার জন্য তাঁর হামদ ও সর্বোত্তম প্রশংসার এমন কিছু উদ্ভাসিত করে দিবেন যা আমার পূর্বে আর কারো জন্য উদ্ভাসিত করা হয়নি। অতঃপর বলা হবেঃ হে মুহাম্মদ, আপনার মাথা উত্তোলন করুন। প্রার্থনা করুন আপনার প্রার্থনা কবূর করা হবে, শাফা’আত করুন, আপনার শাফা’আত গ্রহণ করা হবে।
অনন্তর আমি মাথা তুলব। বলবঃ হে পরওয়ারদিগার, আমার উম্মতকে রক্ষা করুন।
আল্লাহ বলবেনঃ হে মুহাম্মদ, আপনার উম্মতের মধ্যে যাদের কোন হিসাব নাই তাদেরকে জান্নাতের দরওয়াজা ডানদিকের দরওয়াজা দিয়ে জান্নাতে দাখিল করে দিন। অবশ্য অন্যান্য দরওয়াজার ক্ষেত্রেও তারা অপরাপর লোকদের সঙ্গেও জান্নাতে দাখিল করতে পারবে। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবেনঃ কসম সেই যাতের যাঁর হাতে আমার প্রাণ, জান্নাতের দুই চৌকাঠের মধ্যকার দুরত্ব মক্কা ও হাজারের দুরত্বের মত এবং মক্কা ও বুসরার দুরত্বের মত। সহীহ, তাখরিজ তাহাভিয়া ১৯৮, যিলালুল জান্নাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ বকর সিদ্দীক, আনাস, উকবা ইবন আমির এবং আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উক্ত হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ হাইয়ান তায়মীর নাম হল ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ ইবন হাইয়ান কুফী। তিনি বিশ্বস্ত। আর আবূ যুরআ ইবন আমর ইবন জারীরের নাম হল হারিম।
হাদিস নং: ২৪৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا العباس العنبري، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن ثابت، عن انس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شفاعتي لاهل الكباىر من امتي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وفي الباب عن جابر .
২৪৩৮. আব্বাস আম্বারী (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের কবীরাগুনাহকারীদের জন্য আমার শাফা’আত রয়েছে। সহীহ, মিশকাত ৫৫৯৯, আযযিলাল ৮৩১-৮৩২, রওযুন নাযীর ৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। তবে এই সূত্রে গারীব। এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। তবে এই সূত্রে গারীব। এই বিষয়ে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৪৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو داود الطيالسي، عن محمد بن ثابت البناني، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " شفاعتي لاهل الكباىر من امتي " . قال محمد بن علي فقال لي جابر يا محمد من لم يكن من اهل الكباىر فما له وللشفاعة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه يستغرب من حديث جعفر بن محمد .
২৪৩৯. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার শাফা’আত হল আমার উম্মতের কবীরা গুনাহকারীদের জন্য। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবন আলী (রহঃ) বলেনঃ আমাকে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেনঃ হে মুহাম্মদ, যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহকারী নয় তার (গুনাহ ক্ষমা করার জন্য) শাফা’আতের কি প্রয়োজন? হাদীসটি হাসান। এই সূত্রে গারীব।
বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবন আলী (রহঃ) বলেনঃ আমাকে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেনঃ হে মুহাম্মদ, যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহকারী নয় তার (গুনাহ ক্ষমা করার জন্য) শাফা’আতের কি প্রয়োজন? হাদীসটি হাসান। এই সূত্রে গারীব।
হাদিস নং: ২৪৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا اسماعيل بن عياش، عن محمد بن زياد الالهاني، قال سمعت ابا امامة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " وعدني ربي ان يدخل الجنة من امتي سبعين الفا لا حساب عليهم ولا عذاب مع كل الف سبعون الفا وثلاث حثيات من حثياته " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
২৪৪০. হাসান ইবন আরাফা (রহঃ) ..... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার রব আমার সঙ্গে ওয়াদা করেছেন যে, তিনি আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোককে বিনা হিসাবে এবং বিনা আযাবে জান্নাতে দাখেল করবেন। প্রত্যেক হাজারের সঙ্গে হবে আরো সত্তর হাজার করে এবং তৎসহ আরো হবে আমার পরওয়ারদিগারের তিন অঞ্জলী পরিমাণ লোক। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৪৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن خالد الحذاء، عن عبد الله بن شقيق، قال كنت مع رهط بايلياء فقال رجل منهم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يدخل الجنة بشفاعة رجل من امتي اكثر من بني تميم " . قيل يا رسول الله سواك قال " سواى " . فلما قام قلت من هذا قالوا هذا ابن ابي الجذعاء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب . وابن ابي الجذعاء هو عبد الله وانما يعرف له هذا الحديث الواحد .
২৪৪১. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবন শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ঈলিয়ায় (বায়তুল মুকাদ্দাস) একটি দলের সঙ্গে আমি অবস্থান করছিলাম। তাঁদের একজন বলেছিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমার উম্মতের জনৈক ব্যক্তির সুপারিশ বানূ আমীরের লোক সংখ্যার চেয়েও বেশী লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে।
জিজ্ঞাসা করা হল; হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ছাড়া অন্য কারো সুপারিশে?
তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমি ছাড়া।
রাবী আবদুল্লাহ ইবন শাকীক (রহঃ) বলেনঃ তিনি যখন উঠে দাঁড়ালেন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইনি কে?
তাঁরা বললঃ ইনি হলেন, ইবন আবুল জায’আ রাদিয়াল্লাহু আনহু। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪৩১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। ইবন আবুল জায’আ হলেন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু। তাঁর থেকে এই একটি হাদীসই জানা যায়।
জিজ্ঞাসা করা হল; হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ছাড়া অন্য কারো সুপারিশে?
তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমি ছাড়া।
রাবী আবদুল্লাহ ইবন শাকীক (রহঃ) বলেনঃ তিনি যখন উঠে দাঁড়ালেন আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইনি কে?
তাঁরা বললঃ ইনি হলেন, ইবন আবুল জায’আ রাদিয়াল্লাহু আনহু। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪৩১৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। ইবন আবুল জায’আ হলেন আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু। তাঁর থেকে এই একটি হাদীসই জানা যায়।
হাদিস নং: ২৪৪২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو هشام الرفاعي، محمد بن يزيد الكوفي حدثنا يحيى بن اليمان، عن جسر ابي جعفر، عن الحسن البصري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يشفع عثمان بن عفان يوم القيامة في مثل ربيعة ومضر " .
২৪৪২. আবূ হিশাম ইবন মুহাম্মদ ইবন ইয়াযীদ রিফাঈ কুফী (রহঃ) ... হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উছমান ইবন আফফান কিয়ামতের দিন রাবিআ ও মুদার গোত্রের সমপরিমাণ লোকদের জন্য সুপারিশ করবেন। যঈফ, মুরসাল, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৪৪৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث، اخبرنا الفضل بن موسى، عن زكريا بن ابي زاىدة، عن عطية، عن ابي سعيد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان من امتي من يشفع للفىام ومنهم من يشفع للقبيلة ومنهم من يشفع للعصبة ومنهم من يشفع للرجل حتى يدخلوا الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
২৪৪৩. আবূ আম্মার ইবন হুসায়ন ইবন হুরায়ছ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের এমনও ব্যক্তি আছে যে বহু লোকের জন্য সুপারিশ করবে, এমনও ব্যক্তি আছে যে, কোন কবীলার জন্য সুপারিশ করবে। এমনও ব্যক্তি আছে যে কিছু সংখ্যক লোকের জন্য সুপারিশ করবে, এমনও ব্যক্তি আছে যে এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে শেষ পর্যন্ত এই সুপারিশে তারা জান্নাতে দাখেল হবে। যঈফ, মিশকাত ৫৬০২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২৪৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن سعيد، عن قتادة، عن ابي المليح، عن عوف بن مالك الاشجعي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتاني ات من عند ربي فخيرني بين ان يدخل نصف امتي الجنة وبين الشفاعة فاخترت الشفاعة وهي لمن مات لا يشرك بالله شيىا " . وقد روي عن ابي المليح عن رجل اخر من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم ولم يذكر عن عوف بن مالك وفي الحديث قصة طويلة .
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن ابي المليح، عن عوف بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن ابي المليح، عن عوف بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
২৪৪৪. হান্নাদ (রহঃ) ..... আওফ ইবন মালিক আশজাঈ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার প্রভুর থেকে আগন্তুক আমার কাছে এলেন এবং আমার অর্ধেক উম্মতকে জান্নাতে প্রবেশ করানো এবং শাফা’আত করার অধিকার এ দুইটির একটির গ্রহণের আমাকে ইখতিয়ার দিলেন। আমি শাফা’আত করার অধিকারকেই আমি ইখতিয়ার করলাম। এ শাফা’আত হল তার জন্য যে আল্লাহর সঙ্গে সে কোন কিছু শরীক না করা অবস্থায় মারা গেছে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪৩১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৪৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি আবুল মালীহ (রহঃ) থেকে অপর এক সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। এ সনদে আওফ ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নাই। হাদীসটিতে আরো দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে।
এ হাদীসটি আবুল মালীহ (রহঃ) থেকে অপর এক সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। এ সনদে আওফ ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নাই। হাদীসটিতে আরো দীর্ঘ বর্ণনা রয়েছে।