অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান
সুনান আত তিরমিজী
তিনটি কারনের কোন একটি ছাড়া মুসলিম ব্যক্তির খুন হালাল নয়।
মোট ১১২ টি হাদিস
হাদিস নং: ২১৭৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن ابي عمرو، عن عبد الله، وهو ابن عبد الرحمن الانصاري الاشهلي عن حذيفة بن اليمان، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " والذي نفسي بيده لا تقوم الساعة حتى تقتلوا امامكم وتجتلدوا باسيافكم ويرث دنياكم شراركم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن انما نعرفه من حديث عمرو بن ابي عمرو .
২১৭৩. নাসর ইবন আলী (রহঃ) ..... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ বাহিনীর কথা আলোচনা করলেন যারা ভূমিতে (জীবন্ত) ধ্বসে যাবে। তখন উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, তাদের মধ্যে হয়ত এমন লোকও থাকবে যাকে জবরদস্তি করে ঐ বাহিনীতে শামিল করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাদের নিয়্যাত অনুসারে তাদেরকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করা হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৪০৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদীসটি নাফি ইবন জুবায়র আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদীসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদীসটি নাফি ইবন জুবায়র আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا سفيان، عن محمد بن سوقة، عن نافع بن جبير، عن ام سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه ذكر الجيش الذي يخسف بهم فقالت ام سلمة لعل فيهم المكره . قال " انهم يبعثون على نياتهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد روي هذا الحديث عن نافع بن جبير عن عاىشة ايضا عن النبي صلى الله عليه وسلم .
২১৭৪. নাসর ইবন আলী (রহঃ) ... উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ বাহিনীর কথা আলোচনা করলেন যারা ভূমিতে (জীবন্ত) ধ্বসে যাবে। তখন উম্মু সালামা (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে হয়ত এমন লোকও থাকবে যাকে জবরদস্তী করে সেই বাহিনীতে শামিল করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাদের নিয়্যাত অনুসারে তাদেরকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করা হবে। সহীহ, তা’লীক আলা ইবনু মাজাহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদিসটি নাফি’-ইবন জুবায়র-আইশা (রাঃ) সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদিসটি নাফি’-ইবন জুবায়র-আইশা (রাঃ) সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৭৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال اول من قدم الخطبة قبل الصلاة مروان فقام رجل فقال لمروان خالفت السنة . فقال يا فلان ترك ما هنالك . فقال ابو سعيد اما هذا فقد قضى ما عليه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من راى منكرا فلينكره بيده ومن لم يستطع فبلسانه ومن لم يستطع فبقلبه وذلك اضعف الايمان " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৭৫. বুনদার (রহঃ) ...... তারিক ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, (ঈদে) সালাতের পূর্বে খুৎবা প্রদানের প্রথম রেওয়াজ শুরু করে মারওয়ান। তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে মারওয়ানকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন, তুমি সুন্নার বিপরীত আচরণ করছ। মারওয়ান বললঃ হে অমুক, ঐ পদ্ধতি পরিত্যাক্ত হয়ে গেছে। এরপর আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, এই ব্যক্তি (প্রতিবাদকারী ব্যক্তি) তার দায়িত্ব পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অন্যায় কাজ হতে দেখবে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত করে, তাতে যে সামর্থ নয় সে যেন তার যবান দিয়ে তা প্রতিহত করে, তাতেও যে সমর্থ নয় সে যেন মনে মনে তা ঘৃণা করে। আর এ হল দুর্বলতম ঈমান। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১২৭৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل القاىم على حدود الله والمدهن فيها كمثل قوم استهموا على سفينة في البحر فاصاب بعضهم اعلاها واصاب بعضهم اسفلها فكان الذين في اسفلها يصعدون فيستقون الماء فيصبون على الذين في اعلاها فقال الذين في اعلاها لا ندعكم تصعدون فتوذوننا فقال الذين في اسفلها فانا ننقبها من اسفلها فنستقي فان اخذوا على ايديهم فمنعوهم نجوا جميعا وان تركوهم غرقوا جميعا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৭৬. আহমাদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... নু’মান ইবন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর হুদুদের উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি এবং এ বিষয়ে অবহেলা প্রদর্শনকারীর উদাহরণ হল এমন এক সম্প্রদায়ের মত, যারা লটারীর মাধ্যমে সমুদ্রের মাঝে জাহাজে নিজ নিজ আসন নির্ধারণ করল। কতকজন তো পেল উপর তলার আসন আর কতক জন পেল নীচ তলার আসন, যারা নীচ তলার ছিল তারা উপর তলায় চড়ত সেখানে তারা পানি পান করত এবং উপর তলার লোকদের উপরও তা পড়ত। সুতরাং উপর তলার লোকেরা বলল, তোমাদের জন্য আমরা উপরের উঠার সুযোগ ছাড়তে পারি না। কারণ, তোমরা আমাদের কষ্ট দিচ্ছ। নীচের তলার এরা বললঃ তা হলে আমরা জাহাজের নীচ দিয়ে ছিদ্র করে নিব এবং পানি লাভ করব। এমতাবস্থায় উপর তলার লোকেরা যদি তাদের হাত ঝাপটে ধরে এবং এ কাজ থেকে তাদের বিরত রাখে তবে সকলেই মুক্তি পাবে কিন্তু তারা যদি এদেরকে ছেড়ে রাখে তবে সকলেই ডুববে। সহীহ, সহিহাহ ৬৯, তা’লিকুর রাগিব ২/১৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৭৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا القاسم بن دينار الكوفي، حدثنا عبد الرحمن بن مصعب ابو يزيد، حدثنا اسراىيل، عن محمد بن جحادة، عن عطية، عن ابي سعيد الخدري، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان من اعظم الجهاد كلمة عدل عند سلطان جاىر " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي امامة . وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
২১৭৭. কাসিম ইবন দীনার কুফী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সব চেয়ে বড় জিহাদ হল অত্যাচারী কর্তৃপক্ষের সামনে ন্যায় কথা বলা। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি এ সূত্রে হাসান-গারীব।
এ বিষয়ে আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি এ সূত্রে হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২১৭৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، عن عبد الله بن الحارث، عن عبد الله بن خباب بن الارت، عن ابيه، قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فاطالها قالوا يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها قال " اجل انها صلاة رغبة ورهبة اني سالت الله فيها ثلاثا فاعطاني اثنتين ومنعني واحدة سالته ان لا يهلك امتي بسنة فاعطانيها وسالته ان لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فاعطانيها وسالته ان لا يذيق بعضهم باس بعض فمنعنيها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . وفي الباب عن سعد وابن عمر .
২১৭৮. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবন খাব্বাব ইবন আরত তার পিতা খাব্বাব ইবন আরাত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায) আদায় করেন এবং তা দীর্ঘ করেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এমন সালাত (নামায) আজ আদায় করলেন যা আর কখনো করেননি। তিনি বললেন, হ্যাঁ, ঠিকই। এ হল আশা ও ভয়ের সালাত (নামায)। এতে আমি আল্লাহর নিকট তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেছিলাম। আমাকে দুটি বিষয় দিয়ে দিয়েছেন আর একটি বিষয় মানা করে দিয়েছেন। আমি তাঁর কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে না দেন। আমার এই প্রার্থনা কবুল করেন। আমি প্রার্থনা করেছিলাম, তাদের বিজাতীয় শত্রুকে তাদের উপর যেন ব্যাপক ভাবে চাপিয়ে না দেন। আমার এ প্রার্থনাও কবুল করেন। প্রার্থনা করেছিলাম তারা পরস্পরে যেন যুদ্ধবিগ্রহের আস্বাদ না নেয়, আমার প্রার্থনা মানা করে দেন। সহীহ, সিফাতুস সালাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে সা’দ এবং ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে সা’দ এবং ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৭৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن ابي اسماء الرحبي، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله زوى لي الارض فرايت مشارقها ومغاربها وان امتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها واعطيت الكنزين الاحمر والاصفر واني سالت ربي لامتي ان لا يهلكها بسنة عامة وان لا يسلط عليهم عدوا من سوى انفسهم فيستبيح بيضتهم وان ربي قال يا محمد اني اذا قضيت قضاء فانه لا يرد واني اعطيتك لامتك ان لا اهلكهم بسنة عامة وان لا اسلط عليهم عدوا من سوى انفسهم فيستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من باقطارها او قال من بين اقطارها حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৭৯. কুতায়বা (রহঃ) ...... ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা আমার জন্য যমীন সংকুচিত করে দেন। এতে আমি এর পূর্ব-পশ্চিম সব দিক প্রত্যক্ষ করি। পৃথিবীর যতটুকু আমার জন্য সংকোচিত করে দেওয়া হয় আমার উম্মাতের সাম্রাজ্য অচিরেই ততদুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) উভয় খাজানায়ই প্রদান করা হয়। আমি আমার প্রভুর নিকট আমার উম্মাতের জন্য দুআ করেছিলাম তিনি যেন তাদেরকে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে না দেন, তিনি যেন এমন কোন বিজাতি শত্রু তাদের উপর কর্তৃত্বাধিকারী করে না দেন যারা তাদের সমূলে উৎপাটিত করে দিবে।
আমার রব বললেনঃ হে মুহাম্মসদ, আমি যখন কোন ফায়সালা করি তখন তা রদ হওয়ার নয়। আমি আপনার উম্মাতের বিষয়ে আপনাকে দিয়ে দিলাম যে, তাদেরকে আমি ব্যাপক দূর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে দিব না, বিজাতি শত্রুকে তাদের উপর এমন কর্তৃত্বাধিকারী করব না যে তাদের সমূলে উৎখাত করে দিতে পারবে যদিও সব দিক থেকে সকলেই তারা একত্রিত হয়ে আসে। তবে তাদের কতক কতককে ধবংশ করবে এবং কতক কতকককে বন্দী করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৫২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আমার রব বললেনঃ হে মুহাম্মসদ, আমি যখন কোন ফায়সালা করি তখন তা রদ হওয়ার নয়। আমি আপনার উম্মাতের বিষয়ে আপনাকে দিয়ে দিলাম যে, তাদেরকে আমি ব্যাপক দূর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে দিব না, বিজাতি শত্রুকে তাদের উপর এমন কর্তৃত্বাধিকারী করব না যে তাদের সমূলে উৎখাত করে দিতে পারবে যদিও সব দিক থেকে সকলেই তারা একত্রিত হয়ে আসে। তবে তাদের কতক কতককে ধবংশ করবে এবং কতক কতকককে বন্দী করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৫২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৮০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عمران بن موسى القزاز البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا محمد بن جحادة، عن رجل، عن طاوس، عن ام مالك البهزية، قالت ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فتنة فقربها قالت قلت يا رسول الله من خير الناس فيها قال " رجل في ماشيته يودي حقها ويعبد ربه ورجل اخذ براس فرسه يخيف العدو ويخيفونه " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ام مبشر وابي سعيد الخدري وابن عباس . وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد رواه الليث بن ابي سليم عن طاوس عن ام مالك البهزية عن النبي صلى الله عليه وسلم .
২১৮০. ইমরান ইবন মূসা কাযযায বাসরী (রহঃ) ...... উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং তা অত্যন্ত নিকটবর্তী বলে বর্ণনা দেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এতদপ্রেক্ষিতে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে হবেন? তিনি বললেন, এক ব্যক্তি হল যে তার পশুপালের মাঝে অবস্থান করবে এবং এগুলোর হক আদায় করবে আর তার রবের ইবাদত করবে। আরেক জন হল সেই ব্যক্তি যে তার ঘোড়ার মাথা ধরে থাকবে এবং শত্রুদের ভয় দেখাবে আর তারাও তাকে ভয় দেখাবে। সহীহ, সহিহাহ ৬৯৮, তা’লিকুর রাগীব ২/১৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে উম্মু মুবাশশির, আবূ সাঈদ খুদরী এবং ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম এটিকে তাউস উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
এ বিষয়ে উম্মু মুবাশশির, আবূ সাঈদ খুদরী এবং ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম এটিকে তাউস উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ২১৮১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي، حدثنا حماد بن سلمة، عن ليث، عن طاوس، عن زياد بن سيمين، كوش عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تكون فتنة تستنظف العرب قتلاها في النار اللسان فيها اشد من السيف " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . سمعت محمد بن اسماعيل يقول لا يعرف لزياد بن سيمين كوش غير هذا الحديث رواه حماد بن سلمة عن ليث فرفعه ورواه حماد بن زيد عن ليث فوقفه .
২১৮১. আবদুল্লাহ ইবন মুআবিয়া জুমাহী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এমন ফিৎনা হবে যে আরবদেরকে ধ্বংস গ্রাস করে নিবে। এ সময়ে যারা নিহত হবে তারা হবে জাহান্নামী। সে সময় তরবারী অপেক্ষাও মারাত্মক হবে কথা। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩৯৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল (বুখারী) (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, যীয়াদ ইবন সীমীন গুশ-এর এ রিওয়ায়াতটি ছাড়া আর কোন রিওয়ায়াত সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এটিকে লায়ছ (রহঃ)-এর বরাতে মারফু’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন আর হাম্মাদ ইবন যায়দ (রহঃ) এটিকে লায়ছ (রহঃ) থেকে মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন।
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি গারীব। মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল (বুখারী) (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, যীয়াদ ইবন সীমীন গুশ-এর এ রিওয়ায়াতটি ছাড়া আর কোন রিওয়ায়াত সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এটিকে লায়ছ (রহঃ)-এর বরাতে মারফু’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন আর হাম্মাদ ইবন যায়দ (রহঃ) এটিকে লায়ছ (রহঃ) থেকে মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২১৮২
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن زيد بن وهب، عن حذيفة بن اليمان، حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثين قد رايت احدهما وانا انتظر الاخر حدثنا " ان الامانة نزلت في جذر قلوب الرجال ثم نزل القران فعلموا من القران وعلموا من السنة " . ثم حدثنا عن رفع الامانة فقال " ينام الرجل النومة فتقبض الامانة من قلبه فيظل اثرها مثل الوكت ثم ينام نومة فتقبض الامانة من قلبه فيظل اثرها مثل المجل كجمر دحرجته على رجلك فنفطت فتراه منتبرا وليس فيه شيء " . ثم اخذ حصاة فدحرجها على رجله قال " فيصبح الناس يتبايعون لا يكاد احدهم يودي الامانة حتى يقال ان في بني فلان رجلا امينا وحتى يقال للرجل ما اجلده واظرفه واعقله وما في قلبه مثقال حبة من خردل من ايمان " . قال ولقد اتى على زمان وما ابالي ايكم بايعت فيه لىن كان مسلما ليردنه على دينه ولىن كان يهوديا او نصرانيا ليردنه على ساعيه فاما اليوم فما كنت لابايع منكم الا فلانا وفلانا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৮২. হান্নাদ (রহঃ) ...... হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে দু’টো হাদীস বলেছিলেন। একটি তো দেখেছি আরেকটির জন্য আমি অপেক্ষা করছি। তিনি আমাদের বলেছিলেন, আমানত মানুষের অন্তরমূলে নাযিল হয়। এরপর কুরআন নাযিল হয় আর তারা কুরআন সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে আবার সুন্নাহ সম্পর্কেও জ্ঞান লাভ করে।
তারপর তিনি আমারনত উঠিয়ে নেওয়া সম্পর্কেও বলেছিলেন। তিনি বলেছেনঃ এক ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়বে আর তার অন্তর থেকে আমানত কবয করে নেওয়া হবে। এতে এর চিহ্ন থেকে যাবে ফোটার মত। তারপর সে আবার নিদ্রা যাবে আর তার অন্তর থেকে আমানত কবয করে নেওয়া হবে। এতে এর আছর থেকে যাবে একটা ফোসকার মত। যেমন কোন পাথরের টুকরা যদি তোমার পায়ে ঘসাও আর যখন এতে ফোসকা পড়ে যায় তখন তুমি এটিকে ফোলা দেখতে পাও। অথচ এর ভেতর কিছুই নেই।
তারপর তিনি একটি কংকর নিয়ে এটি তাঁর পায়ে ঘসে দেখালেন, তিনি আরো বললেনঃ লোকেরা বিকি-কিনি করবে কিন্তু হয়ত একজনও এমন হবে না যে আমানতদারী করছে, এমনকি বলা হবে অমুক গোত্রে একজন আমানতদার ব্যক্তি আছে। এমন অবস্থা হবে যে, কোন ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হবে সে কত সাহসী, কত হুশয়ার কত বুদ্ধিমান অথচ তার অন্তরে রাইয়ের দানা পরিমাণও ঈমান নাই।
(হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এমন এক সময় আমার উপর অতিবাহিত হয়েছে যে, কার সঙ্গে আমি ক্রয়-বিক্রয় করছি সে বিষয়ে কোন পরওয়া করতাম না। কারণ, সে যদি মুসলিম হত তবে তার দীনী দায়িত্ব বোধই তা আমাকে ফিরিয়ে দিত। আর যদি ইয়াহুদী বা খৃষ্টান হত তবে তার প্রশাসকই আমাকে তা ফিরিয়ে দিত। কিন্তু আজ অমুক অমুক ব্যক্তি ছাড়া তোমাদের কারো সাথে আমি ক্রয়-বিক্রয় করার মত নই। সহীহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
তারপর তিনি আমারনত উঠিয়ে নেওয়া সম্পর্কেও বলেছিলেন। তিনি বলেছেনঃ এক ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়বে আর তার অন্তর থেকে আমানত কবয করে নেওয়া হবে। এতে এর চিহ্ন থেকে যাবে ফোটার মত। তারপর সে আবার নিদ্রা যাবে আর তার অন্তর থেকে আমানত কবয করে নেওয়া হবে। এতে এর আছর থেকে যাবে একটা ফোসকার মত। যেমন কোন পাথরের টুকরা যদি তোমার পায়ে ঘসাও আর যখন এতে ফোসকা পড়ে যায় তখন তুমি এটিকে ফোলা দেখতে পাও। অথচ এর ভেতর কিছুই নেই।
তারপর তিনি একটি কংকর নিয়ে এটি তাঁর পায়ে ঘসে দেখালেন, তিনি আরো বললেনঃ লোকেরা বিকি-কিনি করবে কিন্তু হয়ত একজনও এমন হবে না যে আমানতদারী করছে, এমনকি বলা হবে অমুক গোত্রে একজন আমানতদার ব্যক্তি আছে। এমন অবস্থা হবে যে, কোন ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হবে সে কত সাহসী, কত হুশয়ার কত বুদ্ধিমান অথচ তার অন্তরে রাইয়ের দানা পরিমাণও ঈমান নাই।
(হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এমন এক সময় আমার উপর অতিবাহিত হয়েছে যে, কার সঙ্গে আমি ক্রয়-বিক্রয় করছি সে বিষয়ে কোন পরওয়া করতাম না। কারণ, সে যদি মুসলিম হত তবে তার দীনী দায়িত্ব বোধই তা আমাকে ফিরিয়ে দিত। আর যদি ইয়াহুদী বা খৃষ্টান হত তবে তার প্রশাসকই আমাকে তা ফিরিয়ে দিত। কিন্তু আজ অমুক অমুক ব্যক্তি ছাড়া তোমাদের কারো সাথে আমি ক্রয়-বিক্রয় করার মত নই। সহীহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৮৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سنان بن ابي سنان، عن ابي واقد الليثي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما خرج الى خيبر مر بشجرة للمشركين يقال لها ذات انواط يعلقون عليها اسلحتهم فقالوا يا رسول الله اجعل لنا ذات انواط كما لهم ذات انواط . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " سبحان الله هذا كما قال قوم موسى : (اجعل لنا الها كما لهم الهة ) والذي نفسي بيده لتركبن سنة من كان قبلكم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو واقد الليثي اسمه الحارث بن عوف . وفي الباب عن ابي سعيد وابي هريرة .
২১৮৩. সাঈদ ইবন আবদুর রহমান মাখযূমী (রহঃ) ... আবূ ওয়াকীদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হুনায়ন অভিযানে বের হন তখন মুশরিকদের একটি বৃক্ষের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। একে ’’যাত আনওয়াত’’ বলা হত। তারা এতে তাদের অস্ত্র-সস্ত্র ঝুলিয়ে রাখত। সাহাবীগণ আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এদের যেমন ’’যাত আনওয়াত’’ আছে আমাদের জন্যও একটা ’যাত আনওয়াত’ নির্ধারণ করে দিন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সুবহানাল্লাহ! এতো মূসা (আঃ)-এর কওমের কথার মত হলো যে, এদের (কাফিরদের) যেমন অনেক ইলাহ আছে আমাদের জন্যও ইলাহ বানিয়ে দাও। যার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম, তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীদের রীতি-নীতি অবলম্বন করবে। সহীহ, যিযালুল জান্নাহ ৭৬, মিশকাত ৫৩৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। সাহাবী আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল হারিছ ইবন আওফ। এ বিষয়ে আবূ সাঈদ ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। সাহাবী আবূ ওয়াকিদ লায়ছী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম হল হারিছ ইবন আওফ। এ বিষয়ে আবূ সাঈদ ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابي، عن القاسم بن الفضل، حدثنا ابو نضرة العبدي، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لا تقوم الساعة حتى تكلم السباع الانس وحتى تكلم الرجل عذبة سوطه وشراك نعله وتخبره فخذه بما احدث اهله من بعده " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي هريرة . وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث القاسم بن الفضل . والقاسم بن الفضل ثقة مامون عند اهل الحديث وثقه يحيى بن سعيد القطان وعبد الرحمن بن مهدي .
২১৮৪. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী’ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম, যতদিন না হিংস্র প্রাণীরাও মানুষের সাথে কথোপকথন করেছে ততদিন কিয়ামত সংঘঠিত হবে না। এমনকি তখন একজনের লাঠির মাথা, জুতার ফিতাও তার সাথে কথা বলবে এবং স্বীয় উরু দেশ বলে দিবে তার পরিবার তার অনুপস্থিতিতে কি করছে। সহীহ, সহিহাহ ১২২, মিশকাত ৫৪৫৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। কাসিম ইবন ফাযল (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানিনা, কাসিম ইবনুল পাযল হাদীস বিশেষজ্ঞগণের মতে নির্ভর যোগ্য ও নির্দোষ। ইয়হইয়া ইবন সাঈদ এবং আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) ও তাকে ছিকা বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। কাসিম ইবন ফাযল (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানিনা, কাসিম ইবনুল পাযল হাদীস বিশেষজ্ঞগণের মতে নির্ভর যোগ্য ও নির্দোষ। ইয়হইয়া ইবন সাঈদ এবং আবদুর রহমান ইবন মাহদী (রহঃ) ও তাকে ছিকা বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
হাদিস নং: ২১৮৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، عن شعبة، عن الاعمش، عن مجاهد، عن ابن عمر، قال انفلق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن مسعود وانس وجبير بن مطعم . وهذا حديث حسن صحيح .
২১৮৫. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক। সহীহ, মুসলিম ৮/১৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবন মাসউদ, আনাস এবং জুবায়র ইবন মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এ বিষয়ে ইবন মাসউদ, আনাস এবং জুবায়র ইবন মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৮৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن فرات القزاز، عن ابي الطفيل، عن حذيفة بن اسيد، قال اشرف علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم من غرفة ونحن نتذاكر الساعة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى تروا عشر ايات طلوع الشمس من مغربها وياجوج وماجوج والدابة وثلاثة خسوف خسف بالمشرق وخسف بالمغرب وخسف بجزيرة العرب ونار تخرج من قعر عدن تسوق الناس او تحشر الناس فتبيت معهم حيث باتوا وتقيل معهم حيث قالوا " .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن فرات، نحوه وزاد فيه " الدخان " .
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن فرات القزاز، نحو حديث وكيع عن سفيان، .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، عن شعبة، والمسعودي، سمعا من، فرات القزاز نحو حديث عبد الرحمن عن سفيان عن فرات وزاد فيه " الدجال او الدخان " .
حدثنا ابو موسى، محمد بن المثنى حدثنا ابو النعمان الحكم بن عبد الله العجلي، عن شعبة، عن فرات، نحو حديث ابي داود عن شعبة، وزاد، فيه قال " والعاشرة اما ريح تطرحهم في البحر واما نزول عيسى ابن مريم " . قال ابو عيسى وفي الباب عن علي وابي هريرة وام سلمة وصفية بنت حيى . وهذا حديث حسن صحيح
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن فرات، نحوه وزاد فيه " الدخان " .
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن فرات القزاز، نحو حديث وكيع عن سفيان، .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، عن شعبة، والمسعودي، سمعا من، فرات القزاز نحو حديث عبد الرحمن عن سفيان عن فرات وزاد فيه " الدجال او الدخان " .
حدثنا ابو موسى، محمد بن المثنى حدثنا ابو النعمان الحكم بن عبد الله العجلي، عن شعبة، عن فرات، نحو حديث ابي داود عن شعبة، وزاد، فيه قال " والعاشرة اما ريح تطرحهم في البحر واما نزول عيسى ابن مريم " . قال ابو عيسى وفي الباب عن علي وابي هريرة وام سلمة وصفية بنت حيى . وهذا حديث حسن صحيح
২১৮৬. বুন্দার (রহঃ) ..... হুযায়ফা ইবন উসায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর হুজরা থেকে উকি দিয়ে আমাদের দিকে তাকালেন। আমরা কিয়ামত সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম। এরপর তিনি বললেন, দশটি আলামত না দেখা পর্যন্ত কিয়ামত ঘটবে না-পশ্চিম থেকে সূর্যোদয় হওয়া, ইয়াজুজ-মাজুজ, দাব্বাতুল আরদ, তিনটি ভূমি ধ্বস একটা পূর্বে, একটা পশ্চিমে, আরেকটা আরব উপদ্বীপে। একটা মহাআগুন (ইয়ামানের) আদনের মধ্যে থেকে বের হবে যা মানুষকে হাকিয়ে নিয়ে যাবে (বা তাদের একত্রিত করবে) সুতরাং তারা যেখানে রাত কাটাবে সেখানে তাদের সাথে এ-ও রাত্রি কাটাবে তারা যেখানে দুপুরের বিশ্রাম নিবে সেখানে তাদের সাথে এ-ও দুপুরে বিশ্রাম নিবে। সহীহ, মুসলিম ৮/১৭৮-১৭৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... সুফইয়ান (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে ধোয়া সম্পর্কেও উল্লেখ আছে। হান্নাদ (রহঃ) ... ফুরাত কাযযায (রহঃ) থেকেও ওয়াকী-সুফইয়ান (রহঃ) সূত্রের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... ফুরাত কাযযায (রহঃ) থেকে আবদুর রহমান-সুফইয়ান-ফুরাত (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে দাজ্জাল অথবা ধোয়া কথাটি অতিরিক্ত আছে।
আবূ মূসা ইবন মুহাম্মদ মুছান্না (রহঃ)-ফুরাত (রহঃ) থেকে আবূ দাউদ-শু’বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে আছে দশম হল প্রচন্ড বাতাস যা তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে কিংবা ঈসা ইবন মারয়াম (আঃ)-এর অবতরণ।
এ বিষয়ে আলী, আবূ হুরায়রা, উম্মু সালামা ও সাফিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... সুফইয়ান (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে ধোয়া সম্পর্কেও উল্লেখ আছে। হান্নাদ (রহঃ) ... ফুরাত কাযযায (রহঃ) থেকেও ওয়াকী-সুফইয়ান (রহঃ) সূত্রের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... ফুরাত কাযযায (রহঃ) থেকে আবদুর রহমান-সুফইয়ান-ফুরাত (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে দাজ্জাল অথবা ধোয়া কথাটি অতিরিক্ত আছে।
আবূ মূসা ইবন মুহাম্মদ মুছান্না (রহঃ)-ফুরাত (রহঃ) থেকে আবূ দাউদ-শু’বা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে আছে দশম হল প্রচন্ড বাতাস যা তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে কিংবা ঈসা ইবন মারয়াম (আঃ)-এর অবতরণ।
এ বিষয়ে আলী, আবূ হুরায়রা, উম্মু সালামা ও সাফিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن ابي ادريس المرهبي، عن مسلم بن صفوان، عن صفية، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا ينتهي الناس عن غزو هذا البيت حتى يغزو جيش حتى اذا كانوا بالبيداء او ببيداء من الارض خسف باولهم واخرهم ولم ينج اوسطهم " . قلت يا رسول الله فمن كره منهم قال " يبعثهم الله على ما في انفسهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২১৮৭. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... সাফিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, লোকেরা এই আল্লাহর ঘর নিয়েও লড়াই থেকে বিরত হবে না। শেষ পর্যন্ত এক বাহিনী যখন লড়াইয়ে আসবে আর তারা যখন খোলা ময়দানে উপস্থিত হবে তখন তাদের প্রথম ও শেষ সকলকে নিয়ে যমীন ধ্বসে যাবে। যারা মাঝে ছিলেন তারাও এ থেকে বাঁচতে পারবে না। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, যে ব্যক্তি তাদের মাঝে বাধ্য হয়ে শামিল হয়েছে তার কি হবে? তিনি বললেনঃ তাদের অন্তরের অবস্থা অনুসারে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে উত্থিত করবেন। সহীহ, তা’লীক আলা ইবনু মাজাহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا صيفي بن ربعي، عن عبد الله بن عمر، عن عبيد الله بن عمر، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يكون في اخر هذه الامة خسف ومسخ وقذف " . قالت قلت يا رسول الله انهلك وفينا الصالحون قال " نعم اذا ظهر الخبث " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من حديث عاىشة لا نعرفه الا من هذا الوجه . وعبد الله بن عمر تكلم فيه يحيى بن سعيد من قبل حفظه .
২১৮৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ উম্মতের শেষ যুগে ভূমি ধ্বস, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষনের আযাব হবে।
’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের মাঝে সালিহীন ও সৎ লোক বিদ্যমান থাকা সত্বেও কি আমাদের ধ্বংস করা হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, যখন অন্যায়ের প্রাবল্য ঘটবে। সহীহ, সহিহাহ ৯৮৭, রওযুন নাযীর ২/৩৯৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর রিওয়ায়াত হিসাবে হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) স্মরণ শক্তির বিষয়ে বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবন উমার (রহঃ)-এর সমালোচনা করেছেন।
’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের মাঝে সালিহীন ও সৎ লোক বিদ্যমান থাকা সত্বেও কি আমাদের ধ্বংস করা হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, যখন অন্যায়ের প্রাবল্য ঘটবে। সহীহ, সহিহাহ ৯৮৭, রওযুন নাযীর ২/৩৯৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর রিওয়ায়াত হিসাবে হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) স্মরণ শক্তির বিষয়ে বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবন উমার (রহঃ)-এর সমালোচনা করেছেন।
হাদিস নং: ২১৮৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابراهيم التيمي، عن ابيه، عن ابي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال " يا ابا ذر اتدري اين تذهب هذه " . قال قلت الله ورسوله اعلم . قال " فانها تذهب تستاذن في السجود فيوذن لها وكانها قد قيل لها اطلعي من حيث جىت فتطلع من مغربها " . قال ثم قرا " وذلك مستقر لها " . قال وذلك قراءة عبد الله بن مسعود . قال ابو عيسى وفي الباب عن صفوان بن عسال وحذيفة بن اسيد وانس وابي موسى . وهذا حديث حسن صحيح .
২১৮৯. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূর্য ডুবে যওয়ার সময় আমি মসজিদে এসে ঢুকলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার, তুমি কি জানো কোথায় যায় এই সূর্য? আমি বললামঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ আল্লাহর হুকুমে সিজদার অনুমতি প্রার্থনার উদ্দেশ্যে এটি যায়। এরপর তাকে অনুমতি প্রদান করা হয় এবং তাকে যেন বলা হয়, যেদিক থেকে তুমি এসেছ সেদিক থেকেই তুমি উদিত হও। তারপর এটি পশ্চিম দিক থেকে উদিত হবে।
আবূ যারর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেনঃوَذَلِكَ مُسْتَقَرٌ لَهَا আর এ হচ্ছে তার অবস্থান স্থল। বর্ণনাকারী বলেন, এ হল ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কিরাআত। সহীহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে সাফওয়ান ইবন আসসাল, হুযায়ফা ইবন আসীদ, আনাস ও আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আবূ যারর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেনঃوَذَلِكَ مُسْتَقَرٌ لَهَا আর এ হচ্ছে তার অবস্থান স্থল। বর্ণনাকারী বলেন, এ হল ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কিরাআত। সহীহ, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে সাফওয়ান ইবন আসসাল, হুযায়ফা ইবন আসীদ, আনাস ও আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، وابو بكر بن نافع وغير واحد قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن زينب بنت ابي سلمة، عن حبيبة، عن ام حبيبة، عن زينب بنت جحش، قالت استيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم من نوم محمرا وجهه وهو يقول " لا اله الا الله يرددها ثلاث مرات ويل للعرب من شر قد اقترب فتح اليوم من ردم ياجوج وماجوج مثل هذه " وعقد عشرا . قالت زينب قلت يا رسول الله افنهلك وفينا الصالحون قال " نعم اذا كثر الخبث " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد جود سفيان هذا الحديث . هكذا روى الحميدي وعلي بن المديني وغير واحد من الحفاظ عن سفيان بن عيينة نحو هذا . وقال الحميدي قال سفيان بن عيينة حفظت من الزهري في هذا الحديث اربع نسوة زينب بنت ابي سلمة عن حبيبة وهما ربيبتا النبي صلى الله عليه وسلم عن ام حبيبة عن زينب بنت جحش زوجى النبي صلى الله عليه وسلم . وروى معمر وغيره هذا الحديث عن الزهري ولم يذكروا فيه عن حبيبة وقد روى بعض اصحاب ابن عيينة هذا الحديث عن ابن عيينة ولم يذكروا فيه عن ام حبيبة .
২১৯০. সাঈদ ইবন আবদুর রহমান মাখযূমী প্রমুখ (রহঃ) ...... যায়নাব বিনত জাহাশ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিদ্রা থেকে জেগে উঠলেন, তখন তাঁর চেহারা লাল টকটকে হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। তিন বার তিনি এটি পাঠ করলেন এবং বললেনঃ যে বিপথ ঘনিয়ে এসেছে তজ্জন্য দুর্ভাগ্য আরবের। দশ সংখ্যা দেখিয়ে অর্থাৎ তর্জ্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুলের সাথে লাগিয়ে একটি বৃত্ত করে ইশারা করে বললেনঃ ইয়া’জূয মা’জূজের প্রচীরের এতটুকু ফাঁকা হয়ে গেছে আজ। যায়নাব রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের মাঝে সালিহীনের (নেক ব্যাক্তি) অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও কি আমাদের ধ্বংস করে দেওয়া হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি পাপকর্মের বিস্তার ঘটে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৫৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান (রহঃ) এ হাদীসটি উত্তম বলে মন্তব্য করেছেন। হুমায়দী বর্ণনা করেন, সুফইয়ান ইবন উয়ায়না (রহঃ) বলেছেন, আমি যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে এ সনদটিকে চারজন মহিলার কথা সংরক্ষণ করেছিঃ যায়নাব বিনত আবূ সালামা-হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এরা উভয়ই ছিলেন রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাবীবা বা স্ত্রীর পূর্ব স্বামীর ঔরসে তাদের গর্ভজাত কন্যা, -উম্মু হাবীবা-যায়নাব বিনত জাহাশ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এরা ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী।
মা’মার প্রমুখ (রহঃ) এ হাদীসটিকে যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এর সনদে হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর উল্লেখ করেননি। ইবন উয়ায়নার কিছু শাগরিদ হাদীসটিকে ইবন উয়ায়না (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা সনদে উম্মু হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর উল্লেখ করেননি।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান (রহঃ) এ হাদীসটি উত্তম বলে মন্তব্য করেছেন। হুমায়দী বর্ণনা করেন, সুফইয়ান ইবন উয়ায়না (রহঃ) বলেছেন, আমি যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে এ সনদটিকে চারজন মহিলার কথা সংরক্ষণ করেছিঃ যায়নাব বিনত আবূ সালামা-হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এরা উভয়ই ছিলেন রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাবীবা বা স্ত্রীর পূর্ব স্বামীর ঔরসে তাদের গর্ভজাত কন্যা, -উম্মু হাবীবা-যায়নাব বিনত জাহাশ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এরা ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী।
মা’মার প্রমুখ (রহঃ) এ হাদীসটিকে যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এর সনদে হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর উল্লেখ করেননি। ইবন উয়ায়নার কিছু শাগরিদ হাদীসটিকে ইবন উয়ায়না (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা সনদে উম্মু হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা-এর উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ২১৯১
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابو بكر بن عياش، عن عاصم، عن زر، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يخرج في اخر الزمان قوم احداث الاسنان سفهاء الاحلام يقرءون القران لا يجاوز تراقيهم يقولون من قول خير البرية يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية " . قال ابو عيسى وفي الباب عن علي وابي سعيد وابي ذر . وهذا حديث حسن صحيح . وقد روي في غير هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم حيث وصف هولاء القوم الذين يقرءون القران لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية انما هم الخوارج والحرورية وغيرهم من الخوارج .
২১৯১. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, শেষ যামানায় এক সম্প্রদায় বের হবে যারা বয়সে হবে নবীন, জ্ঞান-বুদ্ধিতে হবে কাঁচা ও নির্বোধ তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠও অতিক্রম করবে না, তারা সৃষ্টির সেরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা বলবে কিন্তু দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমনভাবে তীর শিকারকে ছেদ করে বের হয়ে যায়। হাসান, ইবনু মাজাহ ১৬৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আলী, আবূ সাঈদ এবং আবূ যারর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্নিত আছে।
তাদের পরিচয় বর্ণনা করতে যেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠও অতিক্রম করবে না, দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমনভাবে তীর শিকারকে ছেদ করে বের হয়ে যায়-এদের সম্পর্কে অন্য রিওয়ায়াতে আছে যে এরা হল হারূরী প্রমুখ খারিজী সম্প্রদায়।
এ বিষয়ে আলী, আবূ সাঈদ এবং আবূ যারর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্নিত আছে।
তাদের পরিচয় বর্ণনা করতে যেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠও অতিক্রম করবে না, দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমনভাবে তীর শিকারকে ছেদ করে বের হয়ে যায়-এদের সম্পর্কে অন্য রিওয়ায়াতে আছে যে এরা হল হারূরী প্রমুখ খারিজী সম্প্রদায়।
হাদিস নং: ২১৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة، حدثنا انس بن مالك، عن اسيد بن حضير، ان رجلا، من الانصار قال يا رسول الله استعملت فلانا ولم تستعملني . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انكم سترون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح .
২১৯২. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... উসায়দ ইবন হুযায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক আনসারী ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি অমুককে কর্মকর্তা নিয়োগ করেছন কিন্তু আমাকে কর্মকর্তা বানালেন না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমার পরে অচিরেই তোমাদের উপর অন্যদের প্রাধান্য দিতে দেখতে পাবে, তখন তোমরা ধৈর্য্যধারণ কর যে পর্যন্ত না আমার সঙ্গে হাওযে কাওছারের পার্শ্বে তোমাদের সাক্ষাৎ হয়। সহীহ, আযযিলাল ৭৫২, ৭৫৩. বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।