হাদিস নং: ১০৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابن ابي زاىدة، قال حدثني عاصم بن سليمان، هو الاحول عن بكر بن عبد الله المزني، عن المغيرة بن شعبة، انه خطب امراة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " انظر اليها فانه احرى ان يودم بينكما " . وفي الباب عن محمد بن مسلمة وجابر وانس وابي حميد وابي هريرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد ذهب بعض اهل العلم الى هذا الحديث وقالوا لا باس ان ينظر اليها ما لم ير منها محرما . وهو قول احمد واسحاق . ومعنى قوله " احرى ان يودم بينكما " قال احرى ان تدوم المودة بينكما .
১০৮৭. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... মৃগীরা ইবনু শু’বা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি জনৈকা স্ত্রীলোককে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তাকে দেখে নাও। তা তোমাদের উভয়ের প্রণয়ে সহায়ক হবে। - ইবনু মাজাহ ১৮৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে মুহম্মদ ইবনু মাসলামা, জাবির, আনাস, আবূ হুমাইদ ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদীসটি হাসান। কোন কোন আলিম হাদীস অনুযায়ী অভিমত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, যা দেখা নিষিদ্ধ তার প্রতি না তাকিয়ে তাকে দেখা দেখে নেয়ায় কোন দোষ নেই। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا এ অর্থ হলো তা তোমাদের পরস্পরে ভালবাসা স্থায়ী হওয়ার অধিকতর অনুকুল হবে।
এই বিষয়ে মুহম্মদ ইবনু মাসলামা, জাবির, আনাস, আবূ হুমাইদ ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন এই হাদীসটি হাসান। কোন কোন আলিম হাদীস অনুযায়ী অভিমত গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বলেন, যা দেখা নিষিদ্ধ তার প্রতি না তাকিয়ে তাকে দেখা দেখে নেয়ায় কোন দোষ নেই। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।أَحْرَى أَنْ يُؤْدَمَ بَيْنَكُمَا এ অর্থ হলো তা তোমাদের পরস্পরে ভালবাসা স্থায়ী হওয়ার অধিকতর অনুকুল হবে।
হাদিস নং: ১০৮৮
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا ابو بلج، عن محمد بن حاطب الجمحي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فصل ما بين الحرام والحلال الدف والصوت " . قال وفي الباب عن عاىشة وجابر والربيع بنت معوذ . قال ابو عيسى حديث محمد بن حاطب حديث حسن . وابو بلج اسمه يحيى بن ابي سليم ويقال ابن سليم ايضا . ومحمد بن حاطب قد راى النبي صلى الله عليه وسلم وهو غلام صغير .
১০৮৮. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু জুমাহী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন হারাম (ব্যভিচার) ও হালাল (বিবাহ) এর মধ্যে পার্থক্য হলো ঘোষণা ও দফ ব্যবহার। - ইবনু মাজাহ ১৮৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, জাবির, রুবায়্যি’ বিনত মুআওবিয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমীযী (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। রাবী আবূ বালজ-এর নাম হলো ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ সুলায়ম, এবং তাকে ইবনু সুলায়ম ও বলা হয়ে থাকে মুহাম্মাদ ইবনু হাতিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছেন। তখন তিনি ছোট ছেলে ছিলেন।
এই বিষয়ে আয়িশা, জাবির, রুবায়্যি’ বিনত মুআওবিয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমীযী (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। রাবী আবূ বালজ-এর নাম হলো ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ সুলায়ম, এবং তাকে ইবনু সুলায়ম ও বলা হয়ে থাকে মুহাম্মাদ ইবনু হাতিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছেন। তখন তিনি ছোট ছেলে ছিলেন।
হাদিস নং: ১০৮৯
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا عيسى بن ميمون الانصاري، عن القاسم بن محمد، عن عاىشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعلنوا هذا النكاح واجعلوه في المساجد واضربوا عليه بالدفوف " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب حسن في هذا الباب . وعيسى بن ميمون الانصاري يضعف في الحديث . وعيسى بن ميمون الذي يروي عن ابن ابي نجيح التفسير هو ثقة .
১০৮৯. আহমদ ইবনু মানী (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিবাহের ঘোষণা দিবে এবং তা মসজিদে সম্পন্ন করবে। আর এ উপলক্ষ্যে দফ বাজাবে। -বিবাহের ঘোষণা দিবে এ অংশ ব্যাতিত হাদিসটি যইফ। ইবনু মাজাহ ১৮৯৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে এই হাদীসটি হাসান গারীব। রাবী ঈসা ইবনু মায়মূন আনসারী হাদীস বর্ণনায় যঈফ। আর যে ঈসা ইবনু মায়মূন তাফসীর বিষয়ে ইবনু আবূ নাজীহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে এই হাদীসটি হাসান গারীব। রাবী ঈসা ইবনু মায়মূন আনসারী হাদীস বর্ণনায় যঈফ। আর যে ঈসা ইবনু মায়মূন তাফসীর বিষয়ে ইবনু আবূ নাজীহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য।
হাদিস নং: ১০৯০
সহিহ (Sahih)
حدثنا حميد بن مسعدة البصري، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا خالد بن ذكوان، عن الربيع بنت معوذ، قالت جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل على غداة بني بي فجلس على فراشي كمجلسك مني وجويريات لنا يضربن بدفوفهن ويندبن من قتل من اباىي يوم بدر الى ان قالت احداهن وفينا نبي يعلم ما في غد . فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسكتي عن هذه وقولي الذي كنت تقولين قبلها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১০৯০. হুমায়দ ইবনু মাসআদা বাসরী (রহঃ) .... রুবাইয়ি বিনত মুআওবিয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বাসর রাতের পরদিন ভোরে আমার ঘরে এলেন, এবং তুমি (খালিদ ইবনু যাকওয়ান) আমার যতটুকু কাছে তিনি ততটুকু কাছে বিছানায় বসলেন। বালিকারা তখন তাদের দফ বাজাচ্ছিল এবং আমাদের বাপ দাদা যারা বদর যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, তাদের প্রশংসা গাঁথা গাইছিল। প্রসঙ্গক্রমে তাদের একজন গাইলঃوَفِينَا نَبِيٌّ يَعْلَمُ مَا فِي غَدٍ আমাদের মাঝে এমন একজন নবী আছেন যিনি আগামী কাল কি হবে তাও জানেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেয়েটিকে বললেন, এই ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাক। এর আগে যা বলছিলে তা-ই বল। - আল আদাব ৯৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৯১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا رفا الانسان اذا تزوج قال " بارك الله لك وبارك عليك وجمع بينكما في خير " . قال وفي الباب عن عقيل بن ابي طالب . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح .
১০৯১. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কেউ বিয়ে করত তখন তিনি এ বলে মুবারকবাদ দিতেন,بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ আল্লাহ্ তাআলা বরকতময় করুন এবং তোমার উপরও বরকত বর্ষণ করুন। আর তোমাদের উভয়কে কল্যানে একত্রিত করুণ। - ইবনু মাজাহ ২৯০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী ইবনু আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত, হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
এই বিষয়ে আলী ইবনু আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত, হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৯২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن منصور، عن سالم بن ابي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو ان احدكم اذا اتى اهله قال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فان قضى الله بينهما ولدا لم يضره الشيطان " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১০৯২. ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর সহিত মিলিত হয়, তখন বলবে,
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ্ আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখ, এবং আমাদের যা দান করবে তা থেকেও শয়তানকে বিদুরিত করে দাও’’ (এ মিলনে) যদি আল্লাহ্ তাদের মধ্যে কোন সন্তানের ফয়সালা করেন তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। - ইবনু মাজাহ ১৯১৯, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ্ আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখ, এবং আমাদের যা দান করবে তা থেকেও শয়তানকে বিদুরিত করে দাও’’ (এ মিলনে) যদি আল্লাহ্ তাদের মধ্যে কোন সন্তানের ফয়সালা করেন তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। - ইবনু মাজাহ ১৯১৯, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৯৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، عن اسماعيل بن امية، عن عبد الله بن عروة، عن عروة، عن عاىشة، قالت تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم في شوال وبنى بي في شوال . وكانت عاىشة تستحب ان يبنى بنساىها في شوال . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه الا من حديث الثوري عن اسماعيل بن امية .
১০৯৩. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে শাওয়ালে বিবাহ করেন এবং শাওয়াল মাসেই তাঁর সঙ্গে আমার বাসর হয়। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর পরিবারের মেয়েদের জন্য শাওয়াল মাসে বাসর হওয়া পছন্দ করতেন। - ইবনু মাজাহ ১৯৯০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এ হাদীস ইসমাঈল থেকে ছাওরীর বর্ণনা ছাড়া আমাদের জানা নেই।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এ হাদীস ইসমাঈল থেকে ছাওরীর বর্ণনা ছাড়া আমাদের জানা নেই।
হাদিস নং: ১০৯৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى على عبد الرحمن بن عوف اثر صفرة فقال " ما هذا " . فقال اني تزوجت امراة على وزن نواة من ذهب . فقال " بارك الله لك اولم ولو بشاة " . قال وفي الباب عن ابن مسعود وعاىشة وجابر وزهير بن عثمان . قال ابو عيسى حديث انس حديث حسن صحيح . وقال احمد بن حنبل وزن نواة من ذهب وزن ثلاثة دراهم وثلث . وقال اسحاق هو وزن خمسة دراهم وثلث .
১০৯৪. কুতায়বা (রহঃ) .... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবনু আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর গায়ে হলদে চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, কি ব্যাপার? তিনি বললেন, খেজুর বিচির পরিমাণ সোনার মাহরের বিনিময়ে আমি এক মহিলাকে বিয়ে করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ তোমাকে বরকত দান করুন। ওয়ালিমা কর, একটি বকরী দ্বারা হলেও। - ইবনু মাজাহ ১৯০৭, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আয়িশা জাবির, যুহায়র ইবনু উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) বলেন, খেজুর বিচির সমান সোনার পরিমাণ হলো তিন দিরহাম ও এক দিরহামের এক তৃতীয়াংশ। ইসহাক (রহঃ) বলেন, এর পরিমাণ হলো পাঁচ দিরহাম ও এক দিরহামের এক তৃতীয়াংশ।
এই বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আয়িশা জাবির, যুহায়র ইবনু উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) বলেন, খেজুর বিচির সমান সোনার পরিমাণ হলো তিন দিরহাম ও এক দিরহামের এক তৃতীয়াংশ। ইসহাক (রহঃ) বলেন, এর পরিমাণ হলো পাঁচ দিরহাম ও এক দিরহামের এক তৃতীয়াংশ।
হাদিস নং: ১০৯৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن واىل بن داود، عن ابنه، عن الزهري، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم اولم على صفية بنت حيى بسويق وتمر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
১০৯৫. ইবনু আবী উমার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উম্মুল মুমিনীন) সাফিয়্যা বিনত হুয়াই রাদিয়াল্লাহু আনহা এর (বিবাহে) ওয়ালিমা করেছিলেন শুকনা খেজুর ও ছাতু সহযোগে। - ইবনু মাজাহ ১৯০৯, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবু ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবু ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ১০৯৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا الحميدي، عن سفيان، نحو هذا . وقد روى غير، واحد، هذا الحديث عن ابن عيينة، عن الزهري، عن انس، ولم يذكروا فيه عن واىل، عن ابنه، . قال ابو عيسى وكان سفيان بن عيينة يدلس في هذا الحديث فربما لم يذكر فيه عن واىل عن ابنه وربما ذكره .
১০৯৬. মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। একাধিক রাবী এই হাদীসটিকে ইবনু উয়ায়না ... যুহরী ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে তারা ওয়াইল তৎপুত্র বা পিতা’’-এর কথা উল্লেখ করেননি। সুফইয়ান ইবনু উয়ায়ান এই হাদীস বর্ণনায় তদলীস করেছেন। কখনও তিনি ওয়াইল তৎপুত্র’’ কথাটির উল্লেখ করেননি, আবার কখনও করেছেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১০৯৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن موسى البصري، حدثنا زياد بن عبد الله، حدثنا عطاء بن الساىب، عن ابي عبد الرحمن، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " طعام اول يوم حق وطعام يوم الثاني سنة وطعام يوم الثالث سمعة ومن سمع سمع الله به " . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود لا نعرفه مرفوعا الا من حديث زياد بن عبد الله . وزياد بن عبد الله كثير الغراىب والمناكير . قال وسمعت محمد بن اسماعيل يذكر عن محمد بن عقبة قال قال وكيع زياد بن عبد الله مع شرفه لا يكذب في الحديث .
১০৯৭. মুহাম্মাদ ইবনু মূসা বাসরী (রহঃ) ...... ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম দিনের খানা হলো যথার্থ: দ্বিতীয় দিনের খানা হলো সুন্নত; আর তৃতীয় দিনের খানা হলো লোক শোনান। যে ব্যক্তি লোক শুনানোর জন্য করে, আল্লাহ তা’আলাও তার এ মনোবৃত্তি শুনিয়ে দিবেন। - ইবনু মাজাহ ১৯১৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, যিয়াদ ইবনু আবদুল্লাহর সুত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়াতটি মারফূ’রূপে বর্ণিত আছে বলে আমরা জানি না। এবং যিয়াদ ইবনু আবদুল্লাহ বহু মুনকার ও আজগুবি বিষয়ের রিওয়ায়াতকারী। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনু উকবা সুত্রে বর্ণনা করেন যে, ওয়াকী’ (রহঃ) বলেছেন, যিয়াদ ইবনু আবদুল্লাহ তার মর্যাদা সত্ত্বেও তিনি হাদীছে অনেক অসত্য বর্ণনা করে থাকেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, যিয়াদ ইবনু আবদুল্লাহর সুত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়াতটি মারফূ’রূপে বর্ণিত আছে বলে আমরা জানি না। এবং যিয়াদ ইবনু আবদুল্লাহ বহু মুনকার ও আজগুবি বিষয়ের রিওয়ায়াতকারী। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনু উকবা সুত্রে বর্ণনা করেন যে, ওয়াকী’ (রহঃ) বলেছেন, যিয়াদ ইবনু আবদুল্লাহ তার মর্যাদা সত্ত্বেও তিনি হাদীছে অনেক অসত্য বর্ণনা করে থাকেন।
হাদিস নং: ১০৯৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا بشر بن المفضل، عن اسماعيل بن امية، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اىتوا الدعوة اذا دعيتم " . قال وفي الباب عن علي وابي هريرة والبراء وانس وابي ايوب . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح .
১০৯৮. আবূ সালামা ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) ...... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের যদি দাওয়াত করা হয় তবে তাতে আসবে। - ইবনু মাজাহ ১৯১৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী, আবূ হুরায়রা, বারা, আনাস ও আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
এই বিষয়ে আলী, আবূ হুরায়রা, বারা, আনাস ও আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১০৯৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن شقيق، عن ابي مسعود، قال جاء رجل يقال له ابو شعيب الى غلام له لحام فقال اصنع لي طعاما يكفي خمسة فاني رايت في وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم الجوع . قال فصنع طعاما ثم ارسل الى النبي صلى الله عليه وسلم فدعاه وجلساءه الذين معه فلما قام النبي صلى الله عليه وسلم اتبعهم رجل لم يكن معهم حين دعوا فلما انتهى رسول الله صلى الله عليه وسلم الى الباب قال لصاحب المنزل " انه اتبعنا رجل لم يكن معنا حين دعوتنا فان اذنت له دخل " . قال فقد اذنا له فليدخل . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال وفي الباب عن ابن عمر .
১০৯৯. হান্নাদ (রহঃ) ...... আবূ মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ শুআয়ব নামে এক ব্যক্তি তার মাংস ওয়ালা গোলামকে গিয়ে বলল, পাঁচ জনের জন্য যথেষ্ট হয় সে পরিমাণ খাবার তৈরী কর। কারণ, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (দাওয়াতে যাওয়ার জন্য) উঠলেন তখন এক ব্যক্তি যে দাওয়াত করার সময় তাদের সঙ্গে ছিল না, তাদের পিছনে পিছনে চলল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তার দরজায় এসে পৌঁছেলেন, তখন বাড়ীওয়ালাকে বললেন, একজন লোক আমাদের অনুসরণ করেছে, যে দাওয়াতের সময় আমাদের সঙ্গে ছিলনা। এখন যদি অনুমতি দাও তবে সে প্রবেশ করতে পারে। আবূ শুআয়ব বললেন, আমি তাকে অনুমতি দিলাম, সে প্রবেশ করুক। - বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই বিষয়ে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ। এই বিষয়ে ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১১০০
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، قال تزوجت امراة فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اتزوجت يا جابر " . فقلت نعم . فقال " بكرا ام ثيبا " . فقلت لا بل ثيبا . فقال " هلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . فقلت يا رسول الله ان عبد الله مات وترك سبع بنات او تسعا فجىت بمن يقوم عليهن . قال فدعا لي . قال وفي الباب عن ابى بن كعب وكعب بن عجرة . قال ابو عيسى حديث جابر بن عبد الله حديث حسن صحيح .
১১০০. কুতায়বা (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি এক মহিলাকে বিয়ে করলাম। এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, হে জাবির তুমি কি বিয়ে করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী, না অকুমারী? আমি বললাম, না; বরং অকুমারী। তিনি বললেন, কুমারী বিয়ে করলে না কেন? তাহলে তুমিও তার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতে আর সেও তোমার সাথে ক্রীড়া- কৌতুক করত। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! (আমার পিতা) আবদুল্লাহ মারা গিয়েছেন। তিনি সাতটি অথবা (রাবীর সন্দেহ) নয়টি কন্যা রেখে গিয়েছেন। সুতরাং আমি এমন এক মহিলা বরণ করেছি, যে তাদের তত্ত্বাবধান করতে পারে। তখন তিনি আমার জন্য দু’আ করলেন। - ইরওয়া ১৭৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উবাই ইবনু কা’ব, কা’ব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
এই বিষয়ে উবাই ইবনু কা’ব, কা’ব ইবনু উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ।
হাদিস নং: ১১০১
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا شريك بن عبد الله، عن ابي اسحاق، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن ابي اسحاق، ح وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، ح وحدثنا عبد الله بن ابي زياد، حدثنا زيد بن حباب، عن يونس بن ابي اسحاق، عن ابي اسحاق، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . قال وفي الباب عن عاىشة وابن عباس وابي هريرة وعمران بن حصين وانس .
১১০১. আলী ইবনু হুজর, কুতায়বা, মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার, আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যিয়াদ (রহঃ) ..... আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ওলী ছাড়া বিয়ে হয় না। - ইবনু মাজাহ ১৮৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, ইবনু আব্বাস, আবূ হুরায়রা, ইমরান ইবনু হুসায়ন ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে আয়িশা, ইবনু আব্বাস, আবূ হুরায়রা, ইমরান ইবনু হুসায়ন ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১১০২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن جريج، عن سليمان بن موسى، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ايما امراة نكحت بغير اذن وليها فنكاحها باطل فنكاحها باطل فنكاحها باطل فان دخل بها فلها المهر بما استحل من فرجها فان اشتجروا فالسلطان ولي من لا ولي له " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى يحيى بن سعيد الانصاري ويحيى بن ايوب وسفيان الثوري وغير واحد من الحفاظ عن ابن جريج نحو هذا . قال ابو عيسى وحديث ابي موسى حديث فيه اختلاف رواه اسراىيل وشريك بن عبد الله وابو عوانة وزهير بن معاوية وقيس بن الربيع عن ابي اسحاق عن ابي بردة عن ابي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروى اسباط بن محمد وزيد بن حباب عن يونس بن ابي اسحاق عن ابي اسحاق عن ابي بردة عن ابي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروى ابو عبيدة الحداد عن يونس بن ابي اسحاق عن ابي بردة عن ابي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ولم يذكر فيه عن ابي اسحاق . وقد روي عن يونس بن ابي اسحاق عن ابي بردة عن النبي صلى الله عليه وسلم ايضا . وروى شعبة والثوري عن ابي اسحاق عن ابي بردة عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . وقد ذكر بعض اصحاب سفيان عن سفيان عن ابي اسحاق عن ابي بردة عن ابي موسى . ولا يصح . ورواية هولاء الذين رووا عن ابي اسحاق عن ابي بردة عن ابي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . عندي اصح لان سماعهم من ابي اسحاق في اوقات مختلفة وان كان شعبة والثوري احفظ واثبت من جميع هولاء الذين رووا عن ابي اسحاق هذا الحديث فان رواية هولاء عندي اشبه لان شعبة والثوري سمعا هذا الحديث من ابي اسحاق في مجلس واحد .
ومما يدل على ذلك ما حدثنا محمود بن غيلان، قال حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، قال سمعت سفيان الثوري، يسال ابا اسحاق اسمعت ابا بردة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . فقال نعم . فدل هذا الحديث على ان سماع شعبة والثوري هذا الحديث في وقت واحد . واسراىيل هو ثقة ثبت في ابي اسحاق . سمعت محمد بن المثنى يقول سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول ما فاتني من حديث الثوري عن ابي اسحاق الذي فاتني الا لما اتكلت به على اسراىيل لانه كان ياتي به اتم . - وحديث عاىشة في هذا الباب عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " حديث عندي حسن . رواه ابن جريج عن سليمان بن موسى عن الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . ورواه الحجاج بن ارطاة وجعفر بن ربيعة عن الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروي عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . وقد تكلم بعض اصحاب الحديث في حديث الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابن جريج ثم لقيت الزهري فسالته فانكره . فضعفوا هذا الحديث من اجل هذا . وذكر عن يحيى بن معين انه قال لم يذكر هذا الحرف عن ابن جريج الا اسماعيل بن ابراهيم . قال يحيى بن معين وسماع اسماعيل بن ابراهيم عن ابن جريج ليس بذاك انما صحح كتبه على كتب عبد المجيد بن عبد العزيز بن ابي رواد ما سمع من ابن جريج وضعف يحيى رواية اسماعيل بن ابراهيم عن ابن جريج . - والعمل في هذا الباب على حديث النبي صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم عمر بن الخطاب وعلي بن ابي طالب وعبد الله بن عباس وابو هريرة وغيرهم . وهكذا روي عن بعض فقهاء التابعين انهم قالوا لا نكاح الا بولي . منهم سعيد بن المسيب والحسن البصري وشريح وابراهيم النخعي وعمر بن عبد العزيز وغيرهم وبهذا يقول سفيان الثوري والاوزاعي وعبد الله بن المبارك ومالك والشافعي واحمد واسحاق .
ومما يدل على ذلك ما حدثنا محمود بن غيلان، قال حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، قال سمعت سفيان الثوري، يسال ابا اسحاق اسمعت ابا بردة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . فقال نعم . فدل هذا الحديث على ان سماع شعبة والثوري هذا الحديث في وقت واحد . واسراىيل هو ثقة ثبت في ابي اسحاق . سمعت محمد بن المثنى يقول سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول ما فاتني من حديث الثوري عن ابي اسحاق الذي فاتني الا لما اتكلت به على اسراىيل لانه كان ياتي به اتم . - وحديث عاىشة في هذا الباب عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " حديث عندي حسن . رواه ابن جريج عن سليمان بن موسى عن الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . ورواه الحجاج بن ارطاة وجعفر بن ربيعة عن الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروي عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . وقد تكلم بعض اصحاب الحديث في حديث الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابن جريج ثم لقيت الزهري فسالته فانكره . فضعفوا هذا الحديث من اجل هذا . وذكر عن يحيى بن معين انه قال لم يذكر هذا الحرف عن ابن جريج الا اسماعيل بن ابراهيم . قال يحيى بن معين وسماع اسماعيل بن ابراهيم عن ابن جريج ليس بذاك انما صحح كتبه على كتب عبد المجيد بن عبد العزيز بن ابي رواد ما سمع من ابن جريج وضعف يحيى رواية اسماعيل بن ابراهيم عن ابن جريج . - والعمل في هذا الباب على حديث النبي صلى الله عليه وسلم " لا نكاح الا بولي " . عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم عمر بن الخطاب وعلي بن ابي طالب وعبد الله بن عباس وابو هريرة وغيرهم . وهكذا روي عن بعض فقهاء التابعين انهم قالوا لا نكاح الا بولي . منهم سعيد بن المسيب والحسن البصري وشريح وابراهيم النخعي وعمر بن عبد العزيز وغيرهم وبهذا يقول سفيان الثوري والاوزاعي وعبد الله بن المبارك ومالك والشافعي واحمد واسحاق .
১১০২. ইবনু আবী উমার (রহঃ) .... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ বলেছেন, যে কোন মহিলা তার ওলীর অনুমতি ব্যতিরেকে বিয়ে করবে তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল। যদি এরপর স্বামী-তার সাথে সঙ্গত হয় তবে স্ত্রী মহরানার হকদার হবে। যেহেতু তার স্বামী তার লজ্জাস্থানকে হালাল মনে করে ভোগ করেছে। ওলীরা দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলে, শাসকই ওলী হবে, যার ওলী নেই। - ইরওয়া ১৮৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ আনসারী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু আয়্যূব ও সুফইয়ান ছাওরী প্রমুখ হাফিজিুল হাদীস ইবনু জুরায়জ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ মূসা বর্ণিত হাদীসটির (১১০২ নং) সনদে বর্ণনা বিরোধ রয়েছে। ইসরাঈল শরীক ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ আওয়ানা, যুহায়র ইবনু মুআবিয়া, কায়স ইবনু রাবী (রহঃ) এটিকে আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আসবাত ইবনু মুহাম্মাদ ও যায়দ ইবনু হুবাব (রহঃ) এটিকে ইঊনুস ইবনু আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
আবূ উবায়দা হাদ্দাদ (রহঃ) এটিকে ইঊনুস ইবনু আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে আবূ ইসহাক (রহঃ)-এর উল্লেখ করেননি। ইঊনুস ইবনু আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা আছে। শু’বা, ছাওরী (রহঃ) আবূ ইসহাক আবূ বুরদা (রহঃ) সুত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, ওলী ছাড়া বিবাহ হয় না। সুফইয়ান (রহঃ)-এর কতক শাগরীদ এটিকে সুফইয়ান- আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তা সহীহ্ নয়।
আমার মতে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে যারা আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন যে, ওলী ছাড়া বিবাহ হয় না।’ তাদের রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ। কেননা, তাঁরা আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে এটিকে বিভিন্ন সময়ে শূনেছেন। যদিও শু’বা ও ছাওরী অধিকতর স্মরণশক্তি সম্পন্ন এবং অধিকতর নির্ভরযোগ্য যারা এ হাদীসটি আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে রিওয়ায়ত করেছেন তাদের তুলনায়, তবে তাঁদের সকলের রিওয়ায়াতই আমার মতে অধিকতর সহীহ ও পরস্পর সমঞ্জস্যপূর্ণ। শুবা এবং ছাওরী (রহঃ) উভয়েই এই হাদীসটি আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে এক মজলিসে শুনেছেন। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ)-এর রিওয়াতে এর প্রমাণ রয়েছে। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) বলেন, আবূ দাউদ বলেছেন যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেন, আমি সুফইয়ান ছাওরী কর্তৃক আবূ ইসহাক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, আপনি কি আবূ বুরদা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ওলী ছাড়া বিবাহ হয় না? তিনি তখন বললেন, হ্যাঁ। সুতরাং এই রিওয়ায়াতটি প্রমাণ করে যে, শু’বা ও ছাওরী (রহঃ) এই হাদীসটি একই সময়ে শুনেছেন।
রাবী ইসরাঈল (রহঃ) আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে রিওয়াতের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। মুহাম্মাদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) বলেন যে, আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, ইসরাঈল (রহঃ)-এর উপর যখন থেকে নির্ভর করেছি তখন থেকেই আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত ছাওরীর রিওয়ায়াত সমূহ আমার ছুটে গেছে। কারণ, ইসরাঈল (রহঃ) আবূ ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াত পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা করতেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ’’ওলী ব্যতীরেকে বিবাহ হয় না।’’ এই হাদীসটি হাসান। ইবনু জুরায়জ এটিকে সুলায়মান ইবনু মূসা- যুহরী- উরওয়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাজ্জাজ ইবনু আরতাত ও জা’ফার ইবনু রাবীআ (রহঃ) এটিকে যুহরী-উরওয়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। কোন কোন মুহাদ্দিছ যুহরী, উরওয়া, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসটির সনদের সমালোচনা করেছেন। ইবনু জুরায়জ বলেন, ’’পরবর্তীতে আমি যুহরী (রহঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি তখন এটি অস্বীকার করেন।’’ এই কারণে মুহাদ্দীসগণ এই রিওয়ায়াতটিকে যঈফ বলেছেন।
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন (রহঃ) থেকে উল্লেখিত আছে যে, তিনি বলেন একমাত্র ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)-ই ইবনু জুরায়জ (রহঃ) বরাতে উক্ত বক্তব্যটির উল্লেখ করেছেন। আর ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীমের কিছু শ্রবণ তেমন প্রমাণিত নয়। আবদুল মাজীদ ইবনু আবদুল আযীয ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ)-এর কিতাব থেকে নিজের কিতাব সংশোধন করেছেন। তিনি (ইসমাঈল) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে কিছুই শোনেন নি। ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এর বরাতে বর্ণিত ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীমের রিওয়ায়াত সমূহকে ইয়াহইয়া (রহঃ) যঈফ বলেছেন। উমর ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনু আবী তালিব, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম প্রমূখ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহলে ইলম সাহাবীগণ ’’ওলী ব্যতীরেকে বিবাহ হয় না’’ শীর্ষক হাদীসটির উপর আমল করেছেন। কোন কোন তাবিঈ থেকেও অনুরূপ মত বর্ণিত আছে। তাঁরা বলেছেন, ওলী ব্যতিরেকে বিবাহ হয় না। এদের মধ্যে রয়েছেন, সাঈদ ইবনু মূসায়্যাব, হাসান বসরী, শুরায়হ, ইবরাহীম নাখঈ, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) প্রমূখ। সুফইয়ান ছাওরী, আওযাঈ, মালিক, আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এরও এই অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ আনসারী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু আয়্যূব ও সুফইয়ান ছাওরী প্রমুখ হাফিজিুল হাদীস ইবনু জুরায়জ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ মূসা বর্ণিত হাদীসটির (১১০২ নং) সনদে বর্ণনা বিরোধ রয়েছে। ইসরাঈল শরীক ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ আওয়ানা, যুহায়র ইবনু মুআবিয়া, কায়স ইবনু রাবী (রহঃ) এটিকে আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আসবাত ইবনু মুহাম্মাদ ও যায়দ ইবনু হুবাব (রহঃ) এটিকে ইঊনুস ইবনু আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
আবূ উবায়দা হাদ্দাদ (রহঃ) এটিকে ইঊনুস ইবনু আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে আবূ ইসহাক (রহঃ)-এর উল্লেখ করেননি। ইঊনুস ইবনু আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা আছে। শু’বা, ছাওরী (রহঃ) আবূ ইসহাক আবূ বুরদা (রহঃ) সুত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, ওলী ছাড়া বিবাহ হয় না। সুফইয়ান (রহঃ)-এর কতক শাগরীদ এটিকে সুফইয়ান- আবূ ইসহাক- আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তা সহীহ্ নয়।
আমার মতে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে যারা আবূ বুরদা- আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন যে, ওলী ছাড়া বিবাহ হয় না।’ তাদের রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ। কেননা, তাঁরা আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে এটিকে বিভিন্ন সময়ে শূনেছেন। যদিও শু’বা ও ছাওরী অধিকতর স্মরণশক্তি সম্পন্ন এবং অধিকতর নির্ভরযোগ্য যারা এ হাদীসটি আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে রিওয়ায়ত করেছেন তাদের তুলনায়, তবে তাঁদের সকলের রিওয়ায়াতই আমার মতে অধিকতর সহীহ ও পরস্পর সমঞ্জস্যপূর্ণ। শুবা এবং ছাওরী (রহঃ) উভয়েই এই হাদীসটি আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে এক মজলিসে শুনেছেন। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ)-এর রিওয়াতে এর প্রমাণ রয়েছে। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) বলেন, আবূ দাউদ বলেছেন যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেন, আমি সুফইয়ান ছাওরী কর্তৃক আবূ ইসহাক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করতে শুনেছি, আপনি কি আবূ বুরদা রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ওলী ছাড়া বিবাহ হয় না? তিনি তখন বললেন, হ্যাঁ। সুতরাং এই রিওয়ায়াতটি প্রমাণ করে যে, শু’বা ও ছাওরী (রহঃ) এই হাদীসটি একই সময়ে শুনেছেন।
রাবী ইসরাঈল (রহঃ) আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে রিওয়াতের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। মুহাম্মাদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) বলেন যে, আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, ইসরাঈল (রহঃ)-এর উপর যখন থেকে নির্ভর করেছি তখন থেকেই আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত ছাওরীর রিওয়ায়াত সমূহ আমার ছুটে গেছে। কারণ, ইসরাঈল (রহঃ) আবূ ইসহাক (রহঃ) এর রিওয়ায়াত পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা করতেন। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ’’ওলী ব্যতীরেকে বিবাহ হয় না।’’ এই হাদীসটি হাসান। ইবনু জুরায়জ এটিকে সুলায়মান ইবনু মূসা- যুহরী- উরওয়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাজ্জাজ ইবনু আরতাত ও জা’ফার ইবনু রাবীআ (রহঃ) এটিকে যুহরী-উরওয়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। কোন কোন মুহাদ্দিছ যুহরী, উরওয়া, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসটির সনদের সমালোচনা করেছেন। ইবনু জুরায়জ বলেন, ’’পরবর্তীতে আমি যুহরী (রহঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং এই হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি তখন এটি অস্বীকার করেন।’’ এই কারণে মুহাদ্দীসগণ এই রিওয়ায়াতটিকে যঈফ বলেছেন।
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন (রহঃ) থেকে উল্লেখিত আছে যে, তিনি বলেন একমাত্র ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)-ই ইবনু জুরায়জ (রহঃ) বরাতে উক্ত বক্তব্যটির উল্লেখ করেছেন। আর ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীমের কিছু শ্রবণ তেমন প্রমাণিত নয়। আবদুল মাজীদ ইবনু আবদুল আযীয ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ)-এর কিতাব থেকে নিজের কিতাব সংশোধন করেছেন। তিনি (ইসমাঈল) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে কিছুই শোনেন নি। ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এর বরাতে বর্ণিত ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীমের রিওয়ায়াত সমূহকে ইয়াহইয়া (রহঃ) যঈফ বলেছেন। উমর ইবনুল খাত্তাব, আলী ইবনু আবী তালিব, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম প্রমূখ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহলে ইলম সাহাবীগণ ’’ওলী ব্যতীরেকে বিবাহ হয় না’’ শীর্ষক হাদীসটির উপর আমল করেছেন। কোন কোন তাবিঈ থেকেও অনুরূপ মত বর্ণিত আছে। তাঁরা বলেছেন, ওলী ব্যতিরেকে বিবাহ হয় না। এদের মধ্যে রয়েছেন, সাঈদ ইবনু মূসায়্যাব, হাসান বসরী, শুরায়হ, ইবরাহীম নাখঈ, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) প্রমূখ। সুফইয়ান ছাওরী, আওযাঈ, মালিক, আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এরও এই অভিমত।
হাদিস নং: ১১০৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا يوسف بن حماد المعني البصري، حدثنا عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " البغايا اللاتي ينكحن انفسهن بغير بينة " . قال يوسف بن حماد رفع عبد الاعلى هذا الحديث في التفسير واوقفه في كتاب الطلاق ولم يرفعه .
১১০৩. ইউসুফ ইবনু হাম্মাদ আল-বাসরী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তারা হলো ব্যভিচারিনী যারা সাক্ষী ছাড়া নিজেরাই নিজেদের বিবাহ করে নেয়। - ইরওয়া ১৮৬২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইউসুফ ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, তাফসীর অধ্যায় প্রসঙ্গে আবদুল আ’লা এই রিওয়ায়াতটিকে মারফূরূপে এবং কিতাবুত তালাকে মারফূ’ না করে মাওকূফরূপে রিওয়ায়াত করেছেন।
ইউসুফ ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, তাফসীর অধ্যায় প্রসঙ্গে আবদুল আ’লা এই রিওয়ায়াতটিকে মারফূরূপে এবং কিতাবুত তালাকে মারফূ’ না করে মাওকূফরূপে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ১১০৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا غندر، محمد بن جعفر عن سعيد بن ابي عروبة، نحوه ولم يرفعه . وهذا اصح . قال ابو عيسى هذا حديث غير محفوظ لا نعلم احدا رفعه الا ما روي عن عبد الاعلى عن سعيد عن قتادة مرفوعا . وروي عن عبد الاعلى عن سعيد هذا الحديث موقوفا والصحيح ما روي عن ابن عباس قوله لا نكاح الا ببينة هكذا روى اصحاب قتادة عن قتادة عن جابر بن زيد عن ابن عباس لا نكاح الا ببينة . وهكذا روى غير واحد عن سعيد بن ابي عروبة نحو هذا موقوفا . وفي هذا الباب عن عمران بن حصين وانس وابي هريرة . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم من التابعين وغيرهم قالوا لا نكاح الا بشهود . لم يختلفوا في ذلك من مضى منهم الا قوما من المتاخرين من اهل العلم . وانما اختلف اهل العلم في هذا اذا شهد واحد بعد واحد فقال اكثر اهل العلم من اهل الكوفة وغيرهم لا يجوز النكاح حتى يشهد الشاهدان معا عند عقدة النكاح . وقد راى بعض اهل المدينة اذا اشهد واحد بعد واحد فانه جاىز اذا اعلنوا ذلك . وهو قول مالك بن انس وغيره . هكذا قال اسحاق فيما حكى عن اهل المدينة . وقال بعض اهل العلم يجوز شهادة رجل وامراتين في النكاح . وهو قول احمد واسحاق .
১১০৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... সাঈদ (রহঃ) থেকে অনূরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটিকে মারফুরূপে বর্ণনা করেননি। আর তা-ই অধিকতর সাহীহ। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। আবদুল আলা-সাঈদ-কাতাদা (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি মারফূরূপে কেউ রিওয়ায়ত করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবদুল আলা-সাঈদ (রহঃ) সূত্রে এটি মাওকূফরূপেও বর্ণিত হয়েছে। আর সহীহ হলো ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও মাওকূপরূপে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে ইমরান ইবনু হুসায়ন, আনাস, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। সাহাবী এবং তাঁদের পরবর্তী যুগের তাবিঈ ও অন্যান্য আলিমগণের আমল এই হাদীস অনুসারে রয়েছে। তাঁরা বলেন, সাক্ষী ছাড়া বিবাহ হয় না।
আমাদের জানা মতে পূর্ববর্তী আলিমগণের মাঝে এই বিষয়ে কোন মতবিরোধ নেই। তবে পরবর্তী যুগের কিছু সংখ্যক আলিম মতবিরোধ করেছেন। এই আলিমগণের মতবিরোধ হলো এক জনের পর আরেক জন সাক্ষী হওয়ার ব্যপারে। অধিকাংশ কূফাবাসী ও অপরাপর আলিম বলেন বিবাহের আকদের সময় একসঙ্গে দুই জন সাক্ষী না হলে বিবাহ জায়েজ হবে না। মদীনাবাসী কতক আলিমের মতে এক সঙ্গে না হয়, একজনের পর একজন সাক্ষী হলেও তা জায়েজ হবে। যদি তারা এর ঘোষণা করে। এ হলো ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-এর অভিমত। মদীনাবাসীদের বর্ণনানুসারে ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)-এর বক্তব্যও অনুরূপ। কতক আলিম বলেন, একজন পুরূষ ও দুইজন মহিলার সাক্ষেও বিবাহ জায়েজ আছে। এ হলো ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। আবদুল আলা-সাঈদ-কাতাদা (রহঃ) সূত্র ছাড়া এটি মারফূরূপে কেউ রিওয়ায়ত করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবদুল আলা-সাঈদ (রহঃ) সূত্রে এটি মাওকূফরূপেও বর্ণিত হয়েছে। আর সহীহ হলো ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও মাওকূপরূপে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে ইমরান ইবনু হুসায়ন, আনাস, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। সাহাবী এবং তাঁদের পরবর্তী যুগের তাবিঈ ও অন্যান্য আলিমগণের আমল এই হাদীস অনুসারে রয়েছে। তাঁরা বলেন, সাক্ষী ছাড়া বিবাহ হয় না।
আমাদের জানা মতে পূর্ববর্তী আলিমগণের মাঝে এই বিষয়ে কোন মতবিরোধ নেই। তবে পরবর্তী যুগের কিছু সংখ্যক আলিম মতবিরোধ করেছেন। এই আলিমগণের মতবিরোধ হলো এক জনের পর আরেক জন সাক্ষী হওয়ার ব্যপারে। অধিকাংশ কূফাবাসী ও অপরাপর আলিম বলেন বিবাহের আকদের সময় একসঙ্গে দুই জন সাক্ষী না হলে বিবাহ জায়েজ হবে না। মদীনাবাসী কতক আলিমের মতে এক সঙ্গে না হয়, একজনের পর একজন সাক্ষী হলেও তা জায়েজ হবে। যদি তারা এর ঘোষণা করে। এ হলো ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-এর অভিমত। মদীনাবাসীদের বর্ণনানুসারে ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)-এর বক্তব্যও অনুরূপ। কতক আলিম বলেন, একজন পুরূষ ও দুইজন মহিলার সাক্ষেও বিবাহ জায়েজ আছে। এ হলো ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ১১০৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبثر بن القاسم، عن الاعمش، عن ابي اسحاق، عن ابي الاحوص، عن عبد الله، قال علمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم التشهد في الصلاة والتشهد في الحاجة قال " التشهد في الصلاة التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك ايها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين اشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله " . والتشهد في الحاجة " ان الحمد لله نستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور انفسنا وسيىات اعمالنا فمن يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له واشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله " . ويقرا ثلاث ايات . قال عبثر ففسره لنا سفيان الثوري : (اتقوا الله حق تقاته ولا تموتن الا وانتم مسلمون). (اتقوا الله الذي تساءلون به والارحام ان الله كان عليكم رقيبا). (اتقوا الله وقولوا قولا سديدا). قال وفي الباب عن عدي بن حاتم . قال ابو عيسى حديث عبد الله حديث حسن رواه الاعمش عن ابي اسحاق عن ابي الاحوص عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم . ورواه شعبة عن ابي اسحاق عن ابي عبيدة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم . وكلا الحديثين صحيح لان اسراىيل جمعهما فقال عن ابي اسحاق عن ابي الاحوص وابي عبيدة عن عبد الله بن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد قال بعض اهل العلم ان النكاح جاىز بغير خطبة . وهو قول سفيان الثوري وغيره من اهل العلم .
১১০৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সালাতের তাশাহুদ শিখিয়েছেন এবং প্রয়োজন ক্ষেত্রের তাশাহহুদও শিখিয়েছেন। সালাতের তাশাহুদ হলোঃ
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ "
অর্থাৎ, যাবতীয় মৌলিক ইবাদত, দৈহিক ইবাতাদ ও আর্থিক ইবাদাত আল্লাহরই জন্য। হে নবী, তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। এবং তাঁর রহমত ও বরকত। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া মাবূদ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহুর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
এরপর তিনি তিনটি আয়াত তিলাওয়াত করেন। বর্ণনাকারী, আবছার (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান ছাওরী এই তিনটি আয়াতের বিবরণ দিয়েছেন। প্রয়োজনের ক্ষেত্রের তাশাহ্হুদঃ
إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا فَمَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِيَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর কাছেই সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা চাই। আর আল্লাহর আশ্রয় নেই আমাদের নিজেদের নিজেদের কুপ্রবৃত্তি থেকে এবং আমাদের মন্দ আমল থেকে। আল্লাহ যাকে সৎপথে পরিচালনা করেন, তাকে কেউ পথ ভ্রষ্ট করতে পারেনা। আর আল্লাহ্ যাকে বিপথগামী করেন তাকে কেউ সৎপথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত মাবুদ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।’
(يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ)
(ا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ --- وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا)
(يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا)
১. তোমরা আল্লাহকে যথার্থ ভাবে ভয় কর। এবং তোমরা আত্ম সমর্পনকারী না হয়ে মরো না।’’ সূরা আল- ইমরান (৩ :১০২)।
২. এবং আল্লাহ ভয় কর, যার নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাঞ্ছা কর এবং সতর্ক থাক জ্ঞাতি-বন্ধক সম্পর্কে। আল্লাহ্ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। সূরা নিসা (৪:১)
৩. আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। (আহযাব ৩৩: ৭০)। - ইবনু মাজাহ ১৮৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আদী ইবনু হাতিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আ’মাশ এটিকে আবূ ইসহাক, আবূল অহওয়াস- আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। শু’বা (রহঃ) এটিকে আবূ ইসহাক আবূ উবায়দা আবদূল্লাহ্ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। উভয় সনদই সাহীহ। কেননা ইসরাঈল (রহঃ) উভয় রিওয়াতকেই একত্রিত করে আবূ ইসহাক আবূল আহওয়াস ও আবূ উবায়দা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। কোন কোন আলিম বলেন, খুতবা প্রদান ছাড়াও বিবাহ জাইজ। এ হলো সুফইয়ান ছাওরী ও অন্যান্য আলিমগনের অভিমত।
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ "
অর্থাৎ, যাবতীয় মৌলিক ইবাদত, দৈহিক ইবাতাদ ও আর্থিক ইবাদাত আল্লাহরই জন্য। হে নবী, তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। এবং তাঁর রহমত ও বরকত। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া মাবূদ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহুর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
এরপর তিনি তিনটি আয়াত তিলাওয়াত করেন। বর্ণনাকারী, আবছার (রহঃ) বলেন, সুফইয়ান ছাওরী এই তিনটি আয়াতের বিবরণ দিয়েছেন। প্রয়োজনের ক্ষেত্রের তাশাহ্হুদঃ
إِنَّ الْحَمْدَ لِلَّهِ نَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا فَمَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِيَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর কাছেই সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা চাই। আর আল্লাহর আশ্রয় নেই আমাদের নিজেদের নিজেদের কুপ্রবৃত্তি থেকে এবং আমাদের মন্দ আমল থেকে। আল্লাহ যাকে সৎপথে পরিচালনা করেন, তাকে কেউ পথ ভ্রষ্ট করতে পারেনা। আর আল্লাহ্ যাকে বিপথগামী করেন তাকে কেউ সৎপথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত মাবুদ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।’
(يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ)
(ا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ --- وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا)
(يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا)
১. তোমরা আল্লাহকে যথার্থ ভাবে ভয় কর। এবং তোমরা আত্ম সমর্পনকারী না হয়ে মরো না।’’ সূরা আল- ইমরান (৩ :১০২)।
২. এবং আল্লাহ ভয় কর, যার নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাঞ্ছা কর এবং সতর্ক থাক জ্ঞাতি-বন্ধক সম্পর্কে। আল্লাহ্ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। সূরা নিসা (৪:১)
৩. আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। (আহযাব ৩৩: ৭০)। - ইবনু মাজাহ ১৮৯২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আদী ইবনু হাতিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আ’মাশ এটিকে আবূ ইসহাক, আবূল অহওয়াস- আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। শু’বা (রহঃ) এটিকে আবূ ইসহাক আবূ উবায়দা আবদূল্লাহ্ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। উভয় সনদই সাহীহ। কেননা ইসরাঈল (রহঃ) উভয় রিওয়াতকেই একত্রিত করে আবূ ইসহাক আবূল আহওয়াস ও আবূ উবায়দা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। কোন কোন আলিম বলেন, খুতবা প্রদান ছাড়াও বিবাহ জাইজ। এ হলো সুফইয়ান ছাওরী ও অন্যান্য আলিমগনের অভিমত।
হাদিস নং: ১১০৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو هشام الرفاعي، حدثنا محمد بن فضيل، عن عاصم بن كليب، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كل خطبة ليس فيها تشهد فهي كاليد الجذماء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن [صحيح] غريب .
১১০৬. আবূ হিশাম রিফাই (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে সব ভাষনের সঙ্গে তাশাহহুদ (খুতবা) নেই সে সব হলো কাটা হাতের মত। - আল আজবিতুন নাফিয়াহ ৪৮, তামামুল মিন্নাহ, তাহকিক ছানী, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সাহীহ-গারীব।