হাদিস নং: ১০২০
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا صفوان بن عيسى، عن بشر بن رافع، عن عبد الله بن سليمان بن جنادة بن ابي امية، عن ابيه، عن جده، عن عبادة بن الصامت، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اتبع الجنازة لم يقعد حتى توضع في اللحد فعرض له حبر فقال هكذا نصنع يا محمد . قال فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " خالفوهم " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وبشر بن رافع ليس بالقوي في الحديث .
১০২০. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন জানাযার অনুসরণ করে যেতেন তখন কবরে জানাযা না রাখা পর্যন্ত বসতেন না। পরে এক ইয়াহুদী পন্ডিত তাকে বলল, হে মুহাম্মদ, আমরাও তো এরূপ করে থাকি। এরপর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযা স্থাপনের আগেই বসতে লাগলেন। বললেন, তোমরা এদের বিপরীত করবে। - ইবনু মাজাহ ১৫৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি গারীব। রাবী বিশর ইবনু রাফি হাদীছের ক্ষেত্রে শক্তিশালী নন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি গারীব। রাবী বিশর ইবনু রাফি হাদীছের ক্ষেত্রে শক্তিশালী নন।
হাদিস নং: ১০২১
হাসান (Hasan)
حدثنا سويد بن نصر، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن حماد بن سلمة، عن ابي سنان، قال دفنت ابني سنانا وابو طلحة الخولاني جالس على شفير القبر فلما اردت الخروج اخذ بيدي فقال الا ابشرك يا ابا سنان . قلت بلى . فقال حدثني الضحاك بن عبد الرحمن بن عرزب عن ابي موسى الاشعري ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا مات ولد العبد قال الله لملاىكته قبضتم ولد عبدي . فيقولون نعم . فيقول قبضتم ثمرة فواده . فيقولون نعم . فيقول ماذا قال عبدي فيقولون حمدك واسترجع . فيقول الله ابنوا لعبدي بيتا في الجنة وسموه بيت الحمد " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
১০২১. সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ...... আবূ সিনান (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমার ছেলে সিনানকে দাফন করছিলাম। সে সময় আবূ তালহা আল-খাওলানী কবরের কিনারায় বসা ছিলেন। পরে আমি যখন কবর থেকে বের হতে ইচ্ছা করলাম তখন তিনি আমার হাত ধরলেন এবং বললেন, হে আবূ সিনান, আমি কি তোমাকে সুসংবাদ দিব? আমি বললাম, অবশ্যই দিন। তিনি বললেন, যাহ্হাক ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আরযাব (রহঃ) আমাকে আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কোন বান্দার সন্তান মারা যায় তখন আল্লাহ তা’আলা ফিরিশতাদের বলেন, তোমরা আমার বান্দার সন্তান কবয করে নিয়ে এলে? তার বলে, হ্যাঁ। আল্লাহ্ তাআলা বলেন, তোমরা তার হৃদয়ের ফল কবয করে নিয়ে এলে? তার বলে হ্যাঁ। আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার বান্দা কি বলেছে? তারা বলে, আপনার হামদ করেছে এবং ইন্ন লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন পড়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, আমার এই বান্দার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ কর এবং তার নামকরণ কর ’’বায়তুল হামদ’ বা প্রশংসালয়। - সহিহাহ ১৪০৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ১০২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، حدثنا معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى على النجاشي فكبر اربعا . قال وفي الباب عن ابن عباس وابن ابي اوفى وجابر ويزيد بن ثابت وانس . قال ابو عيسى ويزيد بن ثابت هو اخو زيد بن ثابت وهو اكبر منه شهد بدرا وزيد لم يشهد بدرا . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم يرون التكبير على الجنازة اربع تكبيرات . وهو قول سفيان الثوري ومالك بن انس وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق .
১০২২. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশী-এর জন্য জানাযার সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেন এবং এতে তিনি চারবার তাকবীর পাঠ করেন। - ইবনু মাজাহ ১৫৩৪, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ইবনু আবী আতফা, জাবির, আনাস ও ইয়াযীদ ইবনু ছাবিত (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু ছাবিত (রাঃ) হলেন যায়দ ইবনু ছাবিত (রাঃ)-এর ভাই। তিনি ছিলেন, বড়। তিনি বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। কিন্তু যায়দ বদরে শরীক ছিলেন না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) আরও বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিমের এই হাদিসের উপর আমল রয়েছে। তারা সালাতুল জানাযায় চার তাকবীর পাঠ করার মত গ্রহন করেছেন। এ হল সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবন আনাস, ইবন মুবারাক, শাফঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ইবনু আবী আতফা, জাবির, আনাস ও ইয়াযীদ ইবনু ছাবিত (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইয়াযীদ ইবনু ছাবিত (রাঃ) হলেন যায়দ ইবনু ছাবিত (রাঃ)-এর ভাই। তিনি ছিলেন, বড়। তিনি বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। কিন্তু যায়দ বদরে শরীক ছিলেন না। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) আরও বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিমের এই হাদিসের উপর আমল রয়েছে। তারা সালাতুল জানাযায় চার তাকবীর পাঠ করার মত গ্রহন করেছেন। এ হল সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবন আনাস, ইবন মুবারাক, শাফঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ১০২৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، اخبرنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، قال كان زيد بن ارقم يكبر على جناىزنا اربعا وانه كبر على جنازة خمسا فسالناه عن ذلك فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكبرها . قال ابو عيسى حديث زيد بن ارقم حديث حسن صحيح . وقد ذهب بعض اهل العلم الى هذا من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم راوا التكبير على الجنازة خمسا . وقال احمد واسحاق اذا كبر الامام على الجنازة خمسا فانه يتبع الامام .
১০২৩. মুহাম্মদ ইবনুল মুছান্না (রহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনু আবী লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) জানাযায় চার তাকবীর পাঠ করতেন। কিন্তু তিনিই এক জানাযায় পাঁচবার তাকবীর দেন। এই বিষয়ে আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ তাকবীর দিতেন। - ইবনু মাজাহ ১৫০৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সাহীহ্। কোন কোন সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই মত গ্রহণ করেছেন। তারা জানাযায় পাঁচ তাকবীর দিতে হবে বলে মনে করেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, যদি কোন ইমাম সালাতুল জানাযায় পাঁচ তাকবীর দেন তবে অবশ্য ইমামের অনুসরণ করতে হবে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সাহীহ্। কোন কোন সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই মত গ্রহণ করেছেন। তারা জানাযায় পাঁচ তাকবীর দিতে হবে বলে মনে করেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, যদি কোন ইমাম সালাতুল জানাযায় পাঁচ তাকবীর দেন তবে অবশ্য ইমামের অনুসরণ করতে হবে।
হাদিস নং: ১০২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا هقل بن زياد، حدثنا الاوزاعي، عن يحيى بن ابي كثير، حدثني ابو ابراهيم الاشهلي، عن ابيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا صلى على الجنازة قال " اللهم اغفر لحينا وميتنا وشاهدنا وغاىبنا وصغيرنا وكبيرنا وذكرنا وانثانا " .
قال يحيى وحدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل ذلك وزاد فيه " اللهم من احييته منا فاحيه على الاسلام ومن توفيته منا فتوفه على الايمان " . قال وفي الباب عن عبد الرحمن بن عوف وعاىشة وابي قتادة وعوف بن مالك وجابر . قال ابو عيسى حديث والد ابي ابراهيم حديث حسن صحيح . وروى هشام الدستواىي وعلي بن المبارك هذا الحديث عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا . وروى عكرمة بن عمار عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . وحديث عكرمة بن عمار غير محفوظ وعكرمة ربما يهم في حديث يحيى . وروي عن يحيى بن ابي كثير عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى وسمعت محمدا يقول اصح الروايات في هذا حديث يحيى بن ابي كثير عن ابي ابراهيم الاشهلي عن ابيه . وسالته عن اسم ابي ابراهيم فلم يعرفه .
قال يحيى وحدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل ذلك وزاد فيه " اللهم من احييته منا فاحيه على الاسلام ومن توفيته منا فتوفه على الايمان " . قال وفي الباب عن عبد الرحمن بن عوف وعاىشة وابي قتادة وعوف بن مالك وجابر . قال ابو عيسى حديث والد ابي ابراهيم حديث حسن صحيح . وروى هشام الدستواىي وعلي بن المبارك هذا الحديث عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا . وروى عكرمة بن عمار عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم . وحديث عكرمة بن عمار غير محفوظ وعكرمة ربما يهم في حديث يحيى . وروي عن يحيى بن ابي كثير عن عبد الله بن ابي قتادة عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى وسمعت محمدا يقول اصح الروايات في هذا حديث يحيى بن ابي كثير عن ابي ابراهيم الاشهلي عن ابيه . وسالته عن اسم ابي ابراهيم فلم يعرفه .
১০২৪. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ ইবরাহীম আল-আশহালী তার পিতা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুল জানাযায় এই দু’আ পড়তেনঃ
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا
হে আল্লাহ আপনি ক্ষমা করুন আমাদের যারা জীবিত, যারা মৃত, যারা উপস্থিত, যারা অনুপস্থিত, যারা ছোট, যারা বড় এবং পুরুষ ও মহিলা সকলকে।
ইয়াহইয়াহ বলেন আমাকে আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান হাদিসটি অনুরূপ আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এতে আরো বাড়িয়ে বলেছেনঃ
اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الإِسْلاَمِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الإِيمَانِ
হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে যাদের জীবিত রেখেছেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন। আর যাদেরকে মৃত্যু দিয়েছেন তাদেরকে ঈমানের উপর মৃত্যু দান করুন। - ইবনু মাজাহ ১৪৯৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আব্দুর রহমান ইবনু আওফ, আয়িশা, আবূ কাতাদা জাবির ও আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ ইবরাহীম (রহঃ) এর পিতা বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈ ও আলী ইবনুল মুবারক (রহঃ) এই হাদিসটিকে ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর-আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরাসালরূপে বর্ণনা করেছেন। ইকরিমা ইবনু আম্মার এটিকে ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসির -- আবু সালামা -- আয়শা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইকরিমা ইবন আম্মার (রহঃ) এর রেওয়ায়াতটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। ইকরিমা অনেক সময় ইয়াহইয়া এর হাদিস সম্পর্কে বিভ্রান্তিতে পতিত হন। ইয়াহইয়া ইবন আবী কাছীর আব্দুল্লাহ ইবন আবী কাতাদা তাঁর পিতা কাতাদা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি বর্ণিত আছে।
ইমাম আবু ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদ আল বুখারী কে বলতে শুনেছি যে, হাদিসসমূহের মধ্যে সবচে সহিহ রিওইয়াত হল ইয়াহইয়া ইবন আবী কাছীর - আবু ইব্রাহীব আল আশহালী (রহঃ) তাঁর পিতা সুত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি। তিরমিযী রহঃ আরো বলেন, আমি তাকে আবু ইব্রাহীম আল আশহালী রহঃ এর পিতার নাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। কিন্তু তিনি তা জানেন না বলে উল্লেখ করেছেন।
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا
হে আল্লাহ আপনি ক্ষমা করুন আমাদের যারা জীবিত, যারা মৃত, যারা উপস্থিত, যারা অনুপস্থিত, যারা ছোট, যারা বড় এবং পুরুষ ও মহিলা সকলকে।
ইয়াহইয়াহ বলেন আমাকে আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান হাদিসটি অনুরূপ আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এতে আরো বাড়িয়ে বলেছেনঃ
اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الإِسْلاَمِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الإِيمَانِ
হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে যাদের জীবিত রেখেছেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন। আর যাদেরকে মৃত্যু দিয়েছেন তাদেরকে ঈমানের উপর মৃত্যু দান করুন। - ইবনু মাজাহ ১৪৯৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আব্দুর রহমান ইবনু আওফ, আয়িশা, আবূ কাতাদা জাবির ও আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ ইবরাহীম (রহঃ) এর পিতা বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। হিশাম আদ-দাসতাওয়াঈ ও আলী ইবনুল মুবারক (রহঃ) এই হাদিসটিকে ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর-আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরাসালরূপে বর্ণনা করেছেন। ইকরিমা ইবনু আম্মার এটিকে ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসির -- আবু সালামা -- আয়শা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইকরিমা ইবন আম্মার (রহঃ) এর রেওয়ায়াতটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। ইকরিমা অনেক সময় ইয়াহইয়া এর হাদিস সম্পর্কে বিভ্রান্তিতে পতিত হন। ইয়াহইয়া ইবন আবী কাছীর আব্দুল্লাহ ইবন আবী কাতাদা তাঁর পিতা কাতাদা (রাঃ) সুত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি বর্ণিত আছে।
ইমাম আবু ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদ আল বুখারী কে বলতে শুনেছি যে, হাদিসসমূহের মধ্যে সবচে সহিহ রিওইয়াত হল ইয়াহইয়া ইবন আবী কাছীর - আবু ইব্রাহীব আল আশহালী (রহঃ) তাঁর পিতা সুত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি। তিরমিযী রহঃ আরো বলেন, আমি তাকে আবু ইব্রাহীম আল আশহালী রহঃ এর পিতার নাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। কিন্তু তিনি তা জানেন না বলে উল্লেখ করেছেন।
হাদিস নং: ১০২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن ابيه، عن عوف بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على ميت ففهمت من صلاته عليه " اللهم اغفر له وارحمه واغسله بالبرد واغسله كما يغسل الثوب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . قال محمد بن اسماعيل اصح شيء في هذا الباب هذا الحديث .
১০২৫. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) .... আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাতুল জানাযায় দু’আ পড়তে শুনেছি। তাঁর দু’আর এই বাক্যগুলি আমি বুঝতে পারিঃ
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَاغْسِلْهُ بِالْبَرَدِ وَاغْسِلْهُ كَمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ
অর্থাৎ “হে আল্লাহ, তাকে মাফ করুন, তার উপর রহম করুন এবং তাকে শিশিরের পানি দিয়ে এমনভাবে ধৌত করে দিন যেভাবে কাপড় ধৌত করা হয়।“ - ইবনু মাজাহ ১৫০০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে এই হাদিসটি সর্বাপেক্ষা সহীহ।
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَاغْسِلْهُ بِالْبَرَدِ وَاغْسِلْهُ كَمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ
অর্থাৎ “হে আল্লাহ, তাকে মাফ করুন, তার উপর রহম করুন এবং তাকে শিশিরের পানি দিয়ে এমনভাবে ধৌত করে দিন যেভাবে কাপড় ধৌত করা হয়।“ - ইবনু মাজাহ ১৫০০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল বুখারী (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে এই হাদিসটি সর্বাপেক্ষা সহীহ।
হাদিস নং: ১০২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا زيد بن حباب، حدثنا ابراهيم بن عثمان، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قرا على الجنازة بفاتحة الكتاب . قال وفي الباب عن ام شريك . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث ليس اسناده بذلك القوي . ابراهيم بن عثمان هو ابو شيبة الواسطي منكر الحديث . والصحيح عن ابن عباس قوله من السنة القراءة على الجنازة بفاتحة الكتاب .
১০২৬. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুল জানাযায় সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। - ইবনু মাজাহ ১৪৯৫, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উম্মু শারীক (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটির সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। রাবী ইবরাহীম ইবনু উছমান হলেন আবূ শায়রা আল- ওয়াসিতী। তিনি মুনাকারুল হাদিস- তাই প্রত্যাখ্যাত, সহীহ হলো ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি, তিনি বলেন সালাতুল জানায়ায় সূর ফাতিহা পাঠ করা সুন্নতের অন্তর্ভূক্ত।
এই বিষয়ে উম্মু শারীক (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটির সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। রাবী ইবরাহীম ইবনু উছমান হলেন আবূ শায়রা আল- ওয়াসিতী। তিনি মুনাকারুল হাদিস- তাই প্রত্যাখ্যাত, সহীহ হলো ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি, তিনি বলেন সালাতুল জানায়ায় সূর ফাতিহা পাঠ করা সুন্নতের অন্তর্ভূক্ত।
হাদিস নং: ১০২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن سعد بن ابراهيم، عن طلحة بن عوف، ان ابن عباس، صلى على جنازة فقرا بفاتحة الكتاب فقلت له فقال انه من السنة او من تمام السنة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم يختارون ان يقرا بفاتحة الكتاب بعد التكبيرة الاولى . وهو قول الشافعي واحمد واسحاق . وقال بعض اهل العلم لا يقرا في الصلاة على الجنازة انما هو ثناء على الله والصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم والدعاء للميت . وهو قول الثوري وغيره من اهل الكوفة . وطلحة بن عبد الله بن عوف هو ابن اخي عبد الرحمن بن عوف روى عنه الزهري .
১০২৭. মুহাম্মদ ইবনু বশ্শার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আওফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু আব্বাস (রাঃ) একবার সালাতুল জানাযা পড়েন এবং এতে সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। এই বিষয়ে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, এ হলো সুন্নাত অথবা বলেন, এ হলো সুন্নাতের পরিপূর্ণতা বিধানের অন্তর্ভূক্ত। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। প্রথম তাকবীরের পর সূরা ফাতিতা পাঠের বিধান তাঁরা গ্রহণ করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, সালাতুল জানাযায় (সূরা ফাতিহা) পাঠ করা হবে না। এতো কেবল আল্লাহর হামদ ও ছানা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পাঠ ও মৃত ব্যক্তির জন্য দু’আ করা। এ হলো ইমাম ছাওরী ও অন্যান্য কুফাবাসী আমিলগণের অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। প্রথম তাকবীরের পর সূরা ফাতিতা পাঠের বিধান তাঁরা গ্রহণ করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, সালাতুল জানাযায় (সূরা ফাতিহা) পাঠ করা হবে না। এতো কেবল আল্লাহর হামদ ও ছানা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পাঠ ও মৃত ব্যক্তির জন্য দু’আ করা। এ হলো ইমাম ছাওরী ও অন্যান্য কুফাবাসী আমিলগণের অভিমত।
হাদিস নং: ১০২৮
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبد الله بن المبارك، ويونس بن بكير، عن محمد بن اسحاق، عن يزيد بن ابي حبيب، عن مرثد بن عبد الله اليزني، قال كان مالك بن هبيرة اذا صلى على جنازة فتقال الناس عليها جزاهم ثلاثة اجزاء ثم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى عليه ثلاثة صفوف فقد اوجب " . قال وفي الباب عن عاىشة وام حبيبة وابي هريرة وميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم . قال ابو عيسى حديث مالك بن هبيرة حديث حسن هكذا رواه غير واحد عن محمد بن اسحاق . وروى ابراهيم بن سعد عن محمد بن اسحاق هذا الحديث وادخل بين مرثد ومالك بن هبيرة رجلا . ورواية هولاء اصح عندنا .
১০২৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... মারছাদ ইবনু আবদুল্লাহ আল ইয়াযানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, মালিক ইবনু হুবায়রা (রাঃ) যখন সালাতুল জানাযায় যেতেন তখন লোক সংখ্যা কম হলে তাদেরকে তিন ভাগে বিভক্ত করতেন। বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিন কাতার লোক যার সালাতুল জানাযা আদায় করেছেন তার জন্য (জান্নাত) ওয়াজিব করে নিয়েছে। - আহকামুল জানাইয ১২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, উম্মু হাবীবা, আবূ হুরায়রা উন্মুল মু’মিনীন মায়মূনা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবু ঈসা রহঃ বলেন, মালিক ইবনু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। এইভাবেই একাধিক রাবী এটিকে মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক রহঃ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইব্রাহীম ইবন সা’দ হাদিসটিকে মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক রহঃ থেকে রিওয়য়াত করেছেন। কিন্তু এতে মারছাদ ও মালিক ইবন হুরায়রা (রাঃ) এর মাঝে আরেক ব্যাক্তির উল্লেখ করেছেন। আমার কাছে এদের রিওয়য়াতটিই অধিকতর সহিহ।
এই বিষয়ে আয়িশা, উম্মু হাবীবা, আবূ হুরায়রা উন্মুল মু’মিনীন মায়মূনা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবু ঈসা রহঃ বলেন, মালিক ইবনু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। এইভাবেই একাধিক রাবী এটিকে মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক রহঃ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইব্রাহীম ইবন সা’দ হাদিসটিকে মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক রহঃ থেকে রিওয়য়াত করেছেন। কিন্তু এতে মারছাদ ও মালিক ইবন হুরায়রা (রাঃ) এর মাঝে আরেক ব্যাক্তির উল্লেখ করেছেন। আমার কাছে এদের রিওয়য়াতটিই অধিকতর সহিহ।
হাদিস নং: ১০২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن ايوب، . وحدثنا احمد بن منيع، وعلي بن حجر، قالا حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، رضيع كان لعاىشة - عن عاىشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يموت احد من المسلمين فتصلي عليه امة من المسلمين يبلغون ان يكونوا ماىة فيشفعوا له الا شفعوا فيه " . وقال علي بن حجر في حديثه " ماىة فما فوقها " . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح وقد اوقفه بعضهم ولم يرفعه .
১০২৯. ইবনু আবী উমার, আহমাদ ইবনু মানী ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলিম যদি মারা যায় এবং একশতের মত মুসলিমের একটি দল তার সালাতুল জানাযা আদায় করে এবং তার জন্য শাফাআত করে তবে তার জন্য অবশ্যই তাদের শাফাআত কবূল করা হবে। আলী (রহঃ) তার বর্ণনায় একশত বা ততোধিক কথাটির উল্লেখ করেছেন। - আল আহকাম ৯৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। কেউ কেউ এটিকে মওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন, মারফুরূপে বর্ণনা করেননি।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। কেউ কেউ এটিকে মওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন, মারফুরূপে বর্ণনা করেননি।
হাদিস নং: ১০৩০
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن موسى بن على بن رباح، عن ابيه، عن عقبة بن عامر الجهني، قال ثلاث ساعات كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهانا ان نصلي فيهن او نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قاىم الظهيرة حتى تميل وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم يكرهون الصلاة على الجنازة في هذه الساعات . وقال ابن المبارك معنى هذا الحديث ان نقبر فيهن موتانا . يعني الصلاة على الجنازة . وكره الصلاة على الجنازة عند طلوع الشمس وعند غروبها واذا انتصف النهار حتى تزول الشمس . وهو قول احمد واسحاق . قال الشافعي لا باس بالصلاة على الجنازة في الساعات التي تكره فيهن الصلاة .
১০৩০. হান্নাদ (রহঃ) ...... উকবা ইবনু আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, তিনটি সময় এমন যেগুলোতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে বা মৃতদের কবরে রাখতে নিষেধ করতেন, সূর্য যখন পরিস্কার হয়ে উঠত পূর্ণভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত, ঠিক মধ্যাহ্নর সময় পশ্চিম দিকে সূর্য না হেলা পর্যন্ত, অস্তমিত হওয়ার দিকে ঝুকে যাওয়ার সময় পূর্ণভাবে অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত। - ইবনু মাজাহ ১৫১৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কোন কোন সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তারা এই সময়গুলোতে সালাতুল জানাযা আদায় করা মাকরূহ মনে করেন। ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন, ’’নিষেধ করেছেন এই সময়গুলোতে মৃতদেরকে কবরে রাখতে’’-এই বাক্যটির মর্ম হলো সালাতুল জানাযা আদায় করতে নিষেধ করেছেন। সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত, ঠিক মধ্যহ্ন সূর্য পশ্চিমে না হেলা পর্যন্ত সালাত (নামায/নামাজ) মাকরূহ। এ হলো ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, যে সময়সমূহে সালাত আদায় করা মাকরূহ সে সময়সমূহে সালাতুল জানাযা আদায়ে কোন দোষ নেই।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। কোন কোন সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তারা এই সময়গুলোতে সালাতুল জানাযা আদায় করা মাকরূহ মনে করেন। ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন, ’’নিষেধ করেছেন এই সময়গুলোতে মৃতদেরকে কবরে রাখতে’’-এই বাক্যটির মর্ম হলো সালাতুল জানাযা আদায় করতে নিষেধ করেছেন। সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত, ঠিক মধ্যহ্ন সূর্য পশ্চিমে না হেলা পর্যন্ত সালাত (নামায/নামাজ) মাকরূহ। এ হলো ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, যে সময়সমূহে সালাত আদায় করা মাকরূহ সে সময়সমূহে সালাতুল জানাযা আদায়ে কোন দোষ নেই।
হাদিস নং: ১০৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن ادم ابن بنت ازهر السمان البصري، حدثنا اسماعيل بن سعيد بن عبيد الله، حدثنا ابي، عن زياد بن جبير بن حية، عن ابيه، عن المغيرة بن شعبة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " الراكب خلف الجنازة والماشي حيث شاء منها والطفل يصلى عليه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح رواه اسراىيل وغير واحد عن سعيد بن عبيد الله . والعمل عليه عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم قالوا يصلى على الطفل وان لم يستهل بعد ان يعلم انه خلق . وهو قول احمد واسحاق .
১০৩১. বিশর ইবনু আদম ইবনু বিনত আযহার আস-সাম্মান (রহঃ) ...... মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আরোহীরা থাকবে জানাযার পিছনে, পদব্রজে গমনকারী যে দিক দিয়ে ইচ্ছা চলতে পারে আর শিশুদের জন্যও সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। - ইবনু মাজাহ ১৫০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। ইসরাঈল (রহঃ) প্রমুখ এটিকে সাঈদ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। কোন কোন সাহাবী ও অন্যান্য আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেন, শিশুর জন্মের পরে প্রাণের লক্ষণ দেখা গেলে, কান্নাকাটি না করলেও তার জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সহীহ্। ইসরাঈল (রহঃ) প্রমুখ এটিকে সাঈদ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। কোন কোন সাহাবী ও অন্যান্য আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। তাঁরা বলেন, শিশুর জন্মের পরে প্রাণের লক্ষণ দেখা গেলে, কান্নাকাটি না করলেও তার জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ১০৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث، حدثنا محمد بن يزيد الواسطي، عن اسماعيل بن مسلم المكي، عن ابي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الطفل لا يصلى عليه ولا يرث ولا يورث حتى يستهل " . قال ابو عيسى هذا حديث قد اضطرب الناس فيه فرواه بعضهم عن ابي الزبير عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم مرفوعا . وروى اشعث بن سوار وغير واحد عن ابي الزبير عن جابر موقوفا . وروى محمد بن اسحاق عن عطاء بن ابي رباح عن جابر موقوفا . وكان هذا اصح من الحديث المرفوع . وقد ذهب بعض اهل العلم الى هذا قالوا لا يصلى على الطفل حتى يستهل . وهو قول سفيان الثوري والشافعي .
১০৩২. আবূ আম্মার হুসায়ন ইবনু হুরায়ছ (রহঃ) ...... জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জন্মের পর কান্নাকাটি না করা পর্যন্ত শিশুর জন্য সালাতুল জানাযা নেই এবং সে কারো ওয়ারিছও হবে না ও তার থেকেও কেউ ওয়ারিছ হবে না। - ইবনু মাজাহ ১৫০৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটিতে রাবীগণের ইযতিরাব বিদ্যমান। কেউ কেউ এটিকে আবূ যুবায়র-জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন। আশআছ ইবনু সওয়ার (রহঃ) প্রমুখ আবূ যুবায়র- জাবির (রাঃ) সূত্রে মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন। এটি মারফু রূপে বর্ণিত রিওয়ায়াতটির তুলনায় অধিকতর সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটিতে রাবীগণের ইযতিরাব বিদ্যমান। কেউ কেউ এটিকে আবূ যুবায়র-জাবির (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন। আশআছ ইবনু সওয়ার (রহঃ) প্রমুখ আবূ যুবায়র- জাবির (রাঃ) সূত্রে মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন। এটি মারফু রূপে বর্ণিত রিওয়ায়াতটির তুলনায় অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ১০৩৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا عبد العزيز بن محمد، عن عبد الواحد بن حمزة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن عاىشة، قالت صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل ابن بيضاء في المسجد . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم . قال الشافعي قال مالك لا يصلى على الميت في المسجد . وقال الشافعي يصلى على الميت في المسجد . واحتج بهذا الحديث .
১০৩৩. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনুল বায়যা-এর সালাতুল জানাযা মসজিদে আদায় করেছেন। - ইবনু মাজাহ ১৫১৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান। কোন কোন আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেছেন, ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন, মসজিদে সালাতুল জানাযা আদায় করা যাবে না। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, মসজিদে সালাতুল জানাযা আদায় করা যায়। তিনি এই হাদিসকে দলীল হিসাবে পেশ করেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান। কোন কোন আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেছেন, ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন, মসজিদে সালাতুল জানাযা আদায় করা যাবে না। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, মসজিদে সালাতুল জানাযা আদায় করা যায়। তিনি এই হাদিসকে দলীল হিসাবে পেশ করেন।
হাদিস নং: ১০৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن منير، عن سعيد بن عامر، عن همام، عن ابي غالب، قال صليت مع انس بن مالك على جنازة رجل فقام حيال راسه ثم جاءوا بجنازة امراة من قريش فقالوا يا ابا حمزة صل عليها . فقام حيال وسط السرير . فقال له العلاء بن زياد هكذا رايت النبي صلى الله عليه وسلم قام على الجنازة مقامك منها ومن الرجل مقامك منه قال نعم . فلما فرغ قال احفظوا . وفي الباب عن سمرة . قال ابو عيسى حديث انس هذا حديث حسن وقد روى غير واحد عن همام مثل هذا . وروى وكيع هذا الحديث عن همام فوهم فيه فقال عن غالب عن انس . والصحيح عن ابي غالب . وقد روى هذا الحديث عبد الوارث بن سعيد وغير واحد عن ابي غالب مثل رواية همام . واختلفوا في اسم ابي غالب هذا فقال بعضهم يقال اسمه نافع ويقال رافع . وقد ذهب بعض اهل العلم الى هذا وهو قول احمد واسحاق .
১০৩৪. আবদুল্লাহ ইবনু মুনীর (রহঃ) ...... আবূ গালিব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর সঙ্গে জনৈক পুরুষের সালাতুল জানাযা আদায় করেছি। তিনি তখন লাশের মাথা বরাবর দাঁড়িয়েছেন। এরপর লোকেরা জনৈকা কুরায়শী মহিলার জানাযা নিয়ে এল। তারা তাঁকে বলল, হে আবূ হামযা, এর সালাতুল জানাযা- ও পড়িয়ে দিন। তখন তিনি খাটিয়ার মাঝামাঝি দাঁড়ালেন। এতে আলা-ইবনু যিয়াদ তাঁকে বললেন, যেভাবে আপনি মহিলার জানাযায় দাঁড়িয়েছেন আর যেভাবে পুরুষের জানাযায় দাঁড়িয়েছেন। আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেও এরূপ করতে দেখেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ। জানাযা সম্পদনের পর তিনি সকলকে লক্ষ্য করে বললেন, এই বিষয়টির তোমরা সংরক্ষণ করো। - ইবনু মাজাহ ১৪৯৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সামুরা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। একাধিক রাবী হাম্মাম (রহঃ) এর বরাতে এইরূপই বর্ণনা করেছেন। ওয়াকী (রহঃ) ও হাম্মাম (রহঃ) থেকে এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন কিন্তু সনদের ক্ষেত্রে তাঁর বিভ্রান্তি হয়ে গেছে। তিনি গালিব (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। অথচ সাহীহ হলো আবূ গালিব আনাস (রাঃ)। আব্দুল ওয়ারিছ ইবনু সাঈদ প্রমুখও এটিকে আবূ গালিব (রহঃ) থেকে হাম্মাম (রহঃ) এর অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। এই আবূ গালিব এর নামের ব্যাপারে হাদিসবিদদের মতবিরোধ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, তাঁর নাম হলো নাফি। কেউ কেউ বলেন, রাফি। কোন কোন আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
এই বিষয়ে সামুরা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। একাধিক রাবী হাম্মাম (রহঃ) এর বরাতে এইরূপই বর্ণনা করেছেন। ওয়াকী (রহঃ) ও হাম্মাম (রহঃ) থেকে এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন কিন্তু সনদের ক্ষেত্রে তাঁর বিভ্রান্তি হয়ে গেছে। তিনি গালিব (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। অথচ সাহীহ হলো আবূ গালিব আনাস (রাঃ)। আব্দুল ওয়ারিছ ইবনু সাঈদ প্রমুখও এটিকে আবূ গালিব (রহঃ) থেকে হাম্মাম (রহঃ) এর অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। এই আবূ গালিব এর নামের ব্যাপারে হাদিসবিদদের মতবিরোধ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, তাঁর নাম হলো নাফি। কেউ কেউ বলেন, রাফি। কোন কোন আলিম এই হাদিস অনুসারে আমল করেছেন। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ১০৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، والفضل بن موسى، عن حسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن سمرة بن جندب، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى على امراة فقام وسطها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد رواه شعبة عن حسين المعلم .
১০৩৫. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... সামুরা ইবনু জুনদুর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈকা মহিলার সালাতুল জানাযা পড়ালেন। তখন তিনি তার মাঝামাঝি দাঁড়িয়েছিলেন। - ইবনু মাজাহ ১৪৯৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সাহীহ। শু’বা (রহঃ)ও এটিকে হুসায়ন আল- মুআল্লিশ (রহঃ) এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদিসটি হাসান-সাহীহ। শু’বা (রহঃ)ও এটিকে হুসায়ন আল- মুআল্লিশ (রহঃ) এর বরাতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ১০৩৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، ان جابر بن عبد الله، اخبره ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى احد في الثوب الواحد ثم يقول " ايهما اكثر اخذا للقران " . فاذا اشير له الى احدهما قدمه في اللحد وقال " انا شهيد على هولاء يوم القيامة " . وامر بدفنهم في دماىهم ولم يصل عليهم ولم يغسلوا . قال وفي الباب عن انس بن مالك . قال ابو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح . وقد روي هذا الحديث عن الزهري عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وروي عن الزهري عن عبد الله بن ثعلبة بن ابي صعير عن النبي صلى الله عليه وسلم . ومنهم من ذكره عن جابر . وقد اختلف اهل العلم في الصلاة على الشهيد فقال بعضهم لا يصلى على الشهيد . وهو قول اهل المدينة وبه يقول الشافعي واحمد . وقال بعضهم يصلى على الشهيد . واحتجوا بحديث النبي صلى الله عليه وسلم انه صلى على حمزة . وهو قول الثوري واهل الكوفة وبه يقول اسحاق .
১০৩৬. কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ যুদ্ধে নিহতদের দুইজন দুইজন করে একই কাপড়ে কাফন দিয়েছিলেন। পরে বললেন, এদের দুজনের মধ্যে কে কুরআন অধিক হিফজ করেছে? তখন তাদের যার দিকে ইশারা করা হচ্ছিল তাকে তিনি লাহদে আগে রাখছিলেন। এরপর তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আমি এদের জন্য সাক্ষী হব। এরপর তিনি তাদের রক্ত সহই দাফন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাদের জন্য সালাতুল জানাযাও আদায় করা হয় নাই এবং তাদেরকে গোসলও দেওয়া হয় নাই। - ইবনু মাজাহ ১৫১৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ইসা (রাঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। হাদিসটি যুহরী- আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণিত আছে। আবার যুহরী - আবদুল্লাহ ইবনু ছা’লাবা ইবনু আবূ সুআয়র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণিত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ জাবির (রাঃ) এর সুত্রেরও উল্লেখ করেছেন। শহীদের সালাতুল জানাযা সম্পর্কে আলিমদের মতবিরোধ রয়েছে। কতক আলিম বলেন, শহীদের জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করতে হয় না। এ হলো মদীনাবাসী ফকীহগণের অভিমত। ইমাম শফিঈ ও আহমাদ (রহঃ)-এর বক্তব্যও এ-ই। কোন কোন আলিম বলেন, শহীদের জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযা (রাঃ) এর সালাতুল জানাযা আদায় করেছিলেন বলে যে হাদিসটি আছে সেটিকে তারা দলীল হিসাবে পেশ করেন। এ হলো ইমাম ছাওরী ও কূফাবাসী ফকীহগণের অভিমত। ইমাম ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্য এ-ই।
এই বিষয়ে আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ইসা (রাঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। হাদিসটি যুহরী- আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণিত আছে। আবার যুহরী - আবদুল্লাহ ইবনু ছা’লাবা ইবনু আবূ সুআয়র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেও বর্ণিত হয়েছে। তাদের কেউ কেউ জাবির (রাঃ) এর সুত্রেরও উল্লেখ করেছেন। শহীদের সালাতুল জানাযা সম্পর্কে আলিমদের মতবিরোধ রয়েছে। কতক আলিম বলেন, শহীদের জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করতে হয় না। এ হলো মদীনাবাসী ফকীহগণের অভিমত। ইমাম শফিঈ ও আহমাদ (রহঃ)-এর বক্তব্যও এ-ই। কোন কোন আলিম বলেন, শহীদের জন্য সালাতুল জানাযা আদায় করা হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযা (রাঃ) এর সালাতুল জানাযা আদায় করেছিলেন বলে যে হাদিসটি আছে সেটিকে তারা দলীল হিসাবে পেশ করেন। এ হলো ইমাম ছাওরী ও কূফাবাসী ফকীহগণের অভিমত। ইমাম ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্য এ-ই।
হাদিস নং: ১০৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا الشيباني، حدثنا الشعبي، اخبرني من، راى النبي صلى الله عليه وسلم وراى قبرا منتبذا فصف اصحابه خلفه فصلى عليه فقيل له من اخبركه فقال ابن عباس . قال وفي الباب عن انس وبريدة ويزيد بن ثابت وابي هريرة وعامر بن ربيعة وابي قتادة وسهل بن حنيف . قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول الشافعي واحمد واسحاق . وقال بعض اهل العلم لا يصلى على القبر . وهو قول مالك بن انس . وقال عبد الله بن المبارك اذا دفن الميت ولم يصل عليه صلي على القبر . وراى ابن المبارك الصلاة على القبر . وقال احمد واسحاق يصلى على القبر الى شهر . وقالا اكثر ما سمعنا عن ابن المسيب ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى على قبر ام سعد بن عبادة بعد شهر .
১০৩৭. আহমদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ..... শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছেন এমন এক ব্যক্তি আমাকে বলেছেন যে, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাধারণ কররস্থান থেকে) দূরে বিচ্ছিন্ন একটি কবর দেখতে পেলেন। তখন সঙ্গী সাহাবীদের কাতার করে এতে সালাতুল জানাযা আদায় করলেন। শা’বী (রহঃ) কে বলা হয়, কে আপনাকে এই রিওয়ায়াত করেছেন? তিনি বললেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু। - ইবনু মাজাহ ১৫৩০, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস, বুরায়দা, ইয়াযীদ ইবনু ছাবিত, আবূ হুরায়রা, আমির ইবনু রাবীয়া, আবূ কাতাদা ও সাহল ইবনু হুনায়ফ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কোন কোন আলিম বলেন, কবরে সালাতুল জানাযা আদায় করা যাবে না। এ হলো ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর অভিমত। ইবনু মুবারক বলেন, যদি মৃত ব্যক্তিকে সালাতুল জানাযা ছাড়াই দাফন করা হয় তবে তার কবরে সালাতুল জানাযা আদায় করা যাবে। এতে বুঝা যায় ইবনু মুবারক কবরে সালাতুল জানাযা আদায়ের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, দাফনের এক মাস পর্যন্ত কবরে সালাতুল জানাযা আদায় করা যায়। তারা বলেন, এই বিষয়ে সর্বাধিক যে সময়সীমা আমরা শুনেছি তা হলোঃ ইবনুল মূসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা’দ ইবনু উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাতার কবরে একমাস পর সালাতুল জানাযা আদায় করেছিলেন।
এই বিষয়ে আনাস, বুরায়দা, ইয়াযীদ ইবনু ছাবিত, আবূ হুরায়রা, আমির ইবনু রাবীয়া, আবূ কাতাদা ও সাহল ইবনু হুনায়ফ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। এ হলো ইমাম শাফিঈ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কোন কোন আলিম বলেন, কবরে সালাতুল জানাযা আদায় করা যাবে না। এ হলো ইমাম মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) এর অভিমত। ইবনু মুবারক বলেন, যদি মৃত ব্যক্তিকে সালাতুল জানাযা ছাড়াই দাফন করা হয় তবে তার কবরে সালাতুল জানাযা আদায় করা যাবে। এতে বুঝা যায় ইবনু মুবারক কবরে সালাতুল জানাযা আদায়ের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, দাফনের এক মাস পর্যন্ত কবরে সালাতুল জানাযা আদায় করা যায়। তারা বলেন, এই বিষয়ে সর্বাধিক যে সময়সীমা আমরা শুনেছি তা হলোঃ ইবনুল মূসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা’দ ইবনু উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মাতার কবরে একমাস পর সালাতুল জানাযা আদায় করেছিলেন।
হাদিস নং: ১০৩৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، ان ام سعد، ماتت والنبي صلى الله عليه وسلم غاىب فلما قدم صلى عليها وقد مضى لذلك شهر .
১০৩৮. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... সাঈদ ইবনুল মূসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর মা যখন মারা যান তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম(মদ্বীনায়) উপস্থিত ছিলেন না। পরে যখন আসেন তখন তার সালাতুল জানাযা আদায় করেন। এর মধ্যে একমাস অতিবাহিত হয়ে গিয়েছিল। - ইরওয়া ৩/১৮৩,১৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১০৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف وحميد بن مسعدة قالا حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا يونس بن عبيد، عن محمد بن سيرين، عن ابي المهلب، عن عمران بن حصين، قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اخاكم النجاشي قد مات فقوموا فصلوا عليه " . قال فقمنا فصففنا كما يصف على الميت وصلينا عليه كما يصلى على الميت . وفي الباب عن ابي هريرة وجابر بن عبد الله وابي سعيد وحذيفة بن اسيد وجرير بن عبد الله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وقد رواه ابو قلابة عن عمه ابي المهلب عن عمران بن حصين . وابو المهلب اسمه عبد الرحمن بن عمرو ويقال معاوية بن عمرو .
১০৩৯. আবূ সালামা ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ ও হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ...... ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বললেন, তোমাদের ভাই নাজাশী* মারা গেছেন। তোমরা দাঁড়াও এবং তার জন্য সালাতুল জানাযা আদায় কর। ইমরান ইবনু হুসায়ন বলেন, আমরা দাঁড়িয়ে মৃত ব্যক্তির জানাযার জন্য যেভাবে কাতার করা হয় সেরূপ কাতার বাঁধলাম এবং মৃত ব্যক্তির জন্য যেভাবে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা হয় সেভাবে তাঁর জন্য সালাত আদায় করলাম। - ইবনু মাজাহ ১৫৩৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১০৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ সাঈদ, হুযায়ফা ইবনু আসীদ ও জারীর ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-সাহীহ্-গারীব। আবূ কিলাবা (রহঃ)ও এটিকে তাঁর চাচা আবূল মুহাল্লাব-ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবূল মুহাল্লাব (রহঃ)-এর নাম হলো আবদুর রহমান ইবনু আমর। বলা হয় মুআবিয়া ইবনু আমর।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ সাঈদ, হুযায়ফা ইবনু আসীদ ও জারীর ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-সাহীহ্-গারীব। আবূ কিলাবা (রহঃ)ও এটিকে তাঁর চাচা আবূল মুহাল্লাব-ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবূল মুহাল্লাব (রহঃ)-এর নাম হলো আবদুর রহমান ইবনু আমর। বলা হয় মুআবিয়া ইবনু আমর।
নোট: * আবিসিনিয়ার প্রাচীন সম্রাটদের নাম। ইনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আসহামা।