হাদিস নং: ৬৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، وابي، سلمة عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " العجماء جرحها جبار والمعدن جبار والبىر جبار وفي الركاز الخمس " . قال وفي الباب عن انس بن مالك وعبد الله بن عمرو وعبادة بن الصامت وعمرو بن عوف المزني وجابر . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৬৩৯. কুতায়বা (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বোবা জন্তুর আঘাতের কোন দায়-দায়িত্ব নেই, খনির উপরও কোন দায়-দায়িত্ব নেই, কূপেরও কোন দায়-দায়িত্ব নেই। আর কোন গুপ্ত সম্পদের উপর এক পঞ্চমাংশ। - ইবনু মাজাহ ২৬৭৩, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আনাস ইবনু মালিক, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, উবায়দা ইবনু সামিত, আমর ইবনু আওফ আল্ মুয়ানী ও জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ্।
এই বিষয়ে আনাস ইবনু মালিক, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, উবায়দা ইবনু সামিত, আমর ইবনু আওফ আল্ মুয়ানী ও জাবির (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহীহ্।
হাদিস নং: ৬৪০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، اخبرنا شعبة، اخبرني خبيب بن عبد الرحمن، قال سمعت عبد الرحمن بن مسعود بن نيار، يقول جاء سهل بن ابي حثمة الى مجلسنا فحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " اذا خرصتم فخذوا ودعوا الثلث فان لم تدعوا الثلث فدعوا الربع " . قال وفي الباب عن عاىشة وعتاب بن اسيد وابن عباس . قال ابو عيسى والعمل على حديث سهل بن ابي حثمة عند اكثر اهل العلم في الخرص وبحديث سهل بن ابي حثمة يقول احمد واسحاق . والخرص اذا ادركت الثمار من الرطب والعنب مما فيه الزكاة بعث السلطان خارصا يخرص عليهم . والخرص ان ينظر من يبصر ذلك فيقول يخرج من هذا من الزبيب كذا وكذا ومن التمر كذا وكذا فيحصى عليهم وينظر مبلغ العشر من ذلك فيثبت عليهم ثم يخلي بينهم وبين الثمار فيصنعون ما احبوا فاذا ادركت الثمار اخذ منهم العشر . هكذا فسره بعض اهل العلم وبهذا يقول مالك والشافعي واحمد واسحاق .
৬৪০. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনু মাসউদ ইবনু নিয়ার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) একবার আমাদের বৈঠকে আসেন এবং হাদিস বর্ণনা করলেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ তোমরা (যাকাত আদায়কারী) যদি ফসলাদির অনুমান কর তবে সে মতে (যাকাত) গ্রহণ করবে এবং (যাকাত পরিমাণ থেকেও) এক তৃতীয়াংশ পরিমাণ (যাকাত দাতার জন্য) ছেড়ে দিবে। যদি এক তৃতীয়াংশ না ছাড় তবে এক চতুর্থাংশ ছেড়ে দিবে। - যইফ আবু দাউদ ২৮১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, আততাব ইবনু আসীদ এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ফসলাদির অনুমানের ব্যাপারে সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ)-এর হাদিস অনুসারে অধিকাংশ ইমাম আমল করা অভিমত দিয়েছেন। ইমাম ইসহাক ও আহমাদ (রহঃ)-এর বক্তব্যও এ-ই। খারস বা অনুমান হয়, কাঁচা খেজুর ও আঙ্গুর ইত্যাদি যে সমস্ত ফলে যাকাত ধার্য হয়, তা যখন পরিপক্ক হয়ে উঠে, তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন অনুমানকারী প্রেরণ করা হবে এবং তিনি কৃষকের ফসলাদির অনুমান করবেন। একজন বিশেষজ্ঞ বাগানের প্রতি বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন এবং বললেন, এ থেকে এত পরিমাণ কিসমিস বা এত পরিমাণ খেজুর উৎপাদিত হতে পারে। তখন একটা পরিমাণ ধার্য করা হবে তারপর এর মধ্যে উশর এর পরিমাণ কি হতে পারে তৎপ্রতি লক্ষ্য করে মালিকদের উপর নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তারপর ফল ও বাগানের মালিকদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং তারা এতে যা ইচ্ছা করবে তা করতে পারবে। পরে ফল যখন পেকে যাবে তখন তা থেকে ঐ হিসাব উশর সংগ্রহ করা হবে। এ ভাবেই কোন কোন আলিম ’’খারস’-এর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্য এ-ই
এই বিষয়ে আয়িশা, আততাব ইবনু আসীদ এবং ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ফসলাদির অনুমানের ব্যাপারে সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ)-এর হাদিস অনুসারে অধিকাংশ ইমাম আমল করা অভিমত দিয়েছেন। ইমাম ইসহাক ও আহমাদ (রহঃ)-এর বক্তব্যও এ-ই। খারস বা অনুমান হয়, কাঁচা খেজুর ও আঙ্গুর ইত্যাদি যে সমস্ত ফলে যাকাত ধার্য হয়, তা যখন পরিপক্ক হয়ে উঠে, তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে একজন অনুমানকারী প্রেরণ করা হবে এবং তিনি কৃষকের ফসলাদির অনুমান করবেন। একজন বিশেষজ্ঞ বাগানের প্রতি বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন এবং বললেন, এ থেকে এত পরিমাণ কিসমিস বা এত পরিমাণ খেজুর উৎপাদিত হতে পারে। তখন একটা পরিমাণ ধার্য করা হবে তারপর এর মধ্যে উশর এর পরিমাণ কি হতে পারে তৎপ্রতি লক্ষ্য করে মালিকদের উপর নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তারপর ফল ও বাগানের মালিকদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং তারা এতে যা ইচ্ছা করবে তা করতে পারবে। পরে ফল যখন পেকে যাবে তখন তা থেকে ঐ হিসাব উশর সংগ্রহ করা হবে। এ ভাবেই কোন কোন আলিম ’’খারস’-এর ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্য এ-ই
হাদিস নং: ৬৪১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو عمرو، مسلم بن عمرو الحذاء المدني حدثنا عبد الله بن نافع الصاىغ، عن محمد بن صالح التمار، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن عتاب بن اسيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يبعث على الناس من يخرص عليهم كرومهم وثمارهم .
وبهذا الاسناد ان النبي صلى الله عليه وسلم قال في زكاة الكروم " انها تخرص كما يخرص النخل ثم تودى زكاته زبيبا كما تودى زكاة النخل تمرا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقد روى ابن جريج هذا الحديث عن ابن شهاب عن عروة عن عاىشة . وسالت محمدا عن هذا الحديث فقال حديث ابن جريج غير محفوظ وحديث ابن المسيب عن عتاب بن اسيد اثبت واصح .
وبهذا الاسناد ان النبي صلى الله عليه وسلم قال في زكاة الكروم " انها تخرص كما يخرص النخل ثم تودى زكاته زبيبا كما تودى زكاة النخل تمرا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وقد روى ابن جريج هذا الحديث عن ابن شهاب عن عروة عن عاىشة . وسالت محمدا عن هذا الحديث فقال حديث ابن جريج غير محفوظ وحديث ابن المسيب عن عتاب بن اسيد اثبت واصح .
৬৪১. আবূ আমর মুসলিম ইবনু আমর হায্যা মাদানী (রহঃ) ...... আততাব ইবনু আসীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের কাছে এমন সব ব্যক্তি প্রেরণ করতেন যারা তাদের আঙ্গুর ও উৎপাদিত ফলের পরিমাণ নির্ণয় করতেন। এই সনদে আরো বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুরের যাকাত প্রসঙ্গে বলেছেনঃ খেজুর ফল যেমন নির্ণয় করা হয় তেমনি আঙ্গুর নির্ণয় করা হবে। এরপর খেজুর থেকে যেমন শুকনো খেজুর যাকাত হিসাব প্রদান করা হয়, তেমনি এ থেকেও যাকাত হিসাব কিসমিস আদায় করা হবে। - ইরওয়া ৮০৭, যইফ আবু দাউদ ২৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু জুরায়জ এই রিওয়ায়াতটি ইবনু শিহাব, উরওয়া ও আয়িশা (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আমি ইমাম মুহাম্মাদ (বুখারী) (রহঃ)-কে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ইবনু জুবায়জ-এর রিওয়ায়াতটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। সাঈদ ইবনু মূসায়্যাব (রহঃ) আততাব ইবনু আসীদ (রাঃ) সনদে বর্ণিত হাদিসটি অধিকতর সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-গরীব। ইবনু জুরায়জ এই রিওয়ায়াতটি ইবনু শিহাব, উরওয়া ও আয়িশা (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আমি ইমাম মুহাম্মাদ (বুখারী) (রহঃ)-কে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ইবনু জুবায়জ-এর রিওয়ায়াতটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। সাঈদ ইবনু মূসায়্যাব (রহঃ) আততাব ইবনু আসীদ (রাঃ) সনদে বর্ণিত হাদিসটি অধিকতর সহীহ্।
হাদিস নং: ৬৪২
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا يزيد بن عياض، عن عاصم بن عمر بن قتادة، ح وحدثنا محمد بن اسماعيل، قال حدثنا احمد بن خالد، عن محمد بن اسحاق، عن عاصم بن عمر بن قتادة، عن محمود بن لبيد، عن رافع بن خديج، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " العامل على الصدقة بالحق كالغازي في سبيل الله حتى يرجع الى بيته " . قال ابو عيسى حديث رافع بن خديج حديث حسن صحيح . ويزيد بن عياض ضعيف عند اهل الحديث . وحديث محمد بن اسحاق اصح .
৬৪২. আহমাদ ইবনু মানী এবং মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ...... রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, বাড়িতে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথে যুদ্ধরত ব্যক্তির যে মর্যাদা, ন্যায়ভাবে যাকাত সংগ্রহকারী ব্যক্তিরও সেই মর্যদা রয়েছে। - ইবনু মাজাহ ১৮০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। রাবী ইয়াজিদ ইবনু ইয়াদ হাদিস বিশাদগণের দৃষ্টিতে যঈফ। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, রাফি ইবনু খাদীজ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্। রাবী ইয়াজিদ ইবনু ইয়াদ হাদিস বিশাদগণের দৃষ্টিতে যঈফ। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতটি অধিকতর সহীহ্।
হাদিস নং: ৬৪৩
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن سعد بن سنان، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المعتدي في الصدقة كمانعها " . قال وفي الباب عن ابن عمر وام سلمة وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث انس حديث غريب من هذا الوجه . وقد تكلم احمد بن حنبل في سعد بن سنان . وهكذا يقول الليث بن سعد عن يزيد بن ابي حبيب عن سعد بن سنان عن انس بن مالك . ويقول عمرو بن الحارث وابن لهيعة عن يزيد بن ابي حبيب عن سنان بن سعد عن انس . قال وسمعت محمدا يقول والصحيح سنان بن سعد . وقوله " المعتدي في الصدقة كمانعها " يقول على المعتدي من الاثم كما على المانع اذا منع .
৬৪৩. কুতায়বা (রহঃ) .... আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকাত সংগ্রহে সীমালংঘনকারী হল যাকাত প্রদানে বাধাদানকারীর মত। - ইবনু মাজাহ ১৮০৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমার, উম্মু সালাম ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি গরীব। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) সা’দ ইবনু সিনানের সামালোচনা করেছেন। লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) এইরূপ বর্ণনা করেন, ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব, সা’দ ইবনু সিনান সূত্রে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মদ (বুখারী) (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, (সা’দ ইবনু সিনান নয়) সঠিক হল সিনান ইবনু সা’দ। আর এই হাদিস ’’যাকাত সংগ্রহতে সীমালংঘনকারী হল যাকাত প্রদানে বাধাদানকারীর মত’’ এর অর্থ হল বাধাদান করার কারণে বাধাদানকারীর যে গুনাহ হয়, তেমনি এ ক্ষেত্রে সীমালংঘনকারীও তদ্রুপ গুনাহ্গার হয়।
এই বিষয়ে উমার, উম্মু সালাম ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি গরীব। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) সা’দ ইবনু সিনানের সামালোচনা করেছেন। লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) এইরূপ বর্ণনা করেন, ইয়াযীদ ইবনু আবূ হাবীব, সা’দ ইবনু সিনান সূত্রে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মদ (বুখারী) (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, (সা’দ ইবনু সিনান নয়) সঠিক হল সিনান ইবনু সা’দ। আর এই হাদিস ’’যাকাত সংগ্রহতে সীমালংঘনকারী হল যাকাত প্রদানে বাধাদানকারীর মত’’ এর অর্থ হল বাধাদান করার কারণে বাধাদানকারীর যে গুনাহ হয়, তেমনি এ ক্ষেত্রে সীমালংঘনকারীও তদ্রুপ গুনাহ্গার হয়।
হাদিস নং: ৬৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا محمد بن يزيد، عن مجالد، عن الشعبي، عن جرير، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا اتاكم المصدق فلا يفارقنكم الا عن رضا " .
৬৪৪. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকাত আদায়কারী কর্মচারী তোমাদের নিকট যদি আসে তবে তারা তোমাদের নিকট থেকে যেন সন্তুষ্ট হয়ে যায়। - ইবনু মাজাহ ১৮০২, মুসলিম সংক্ষিপ্তভাবে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৬৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث، حدثنا سفيان بن عيينة، عن داود، عن الشعبي، عن جرير، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه . قال ابو عيسى حديث داود عن الشعبي، اصح من حديث مجالد . وقد ضعف مجالدا بعض اهل العلم وهو كثير الغلط .
৬৪৫. আবূ আম্মার হুসাইন ইবনু হুরাইস (রহঃ) ..... জারীর (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, দাউদ শা’বী সনদে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি মুজালিদ সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে অধিকতর সহীহ্। কোন কোন আলিম মুজালিদকে যঈফ (দুর্বল) বলেছেন। তিনি বেশীরভাগ ভুল করে থাকেন। -
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, দাউদ শা’বী সনদে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি মুজালিদ সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত থেকে অধিকতর সহীহ্। কোন কোন আলিম মুজালিদকে যঈফ (দুর্বল) বলেছেন। তিনি বেশীরভাগ ভুল করে থাকেন। -
হাদিস নং: ৬৪৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن سعيد الكندي الكوفي، حدثنا حفص بن غياث، عن اشعث، عن عون بن ابي جحيفة، عن ابيه، قال قدم علينا مصدق النبي صلى الله عليه وسلم فاخذ الصدقة من اغنياىنا فجعلها في فقراىنا وكنت غلاما يتيما فاعطاني منها قلوصا . قال وفي الباب عن ابن عباس . قال ابو عيسى حديث ابي جحيفة حديث حسن .
৬৪৬. আলি ইবনু সাঈদ আল-কিন্দী কুফী (রহঃ) ...... আবূ জুহায়ফা তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কাছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক নিযুক্ত যাকাত আদায়কারী এলেন। তিনি আমাদের ধনীদের নিকট থেকে সাদাকা (যাকাত) আদায় করে আমাদের দরিদ্রদের মাঝেই তা বন্টন করে দিলেন। আমি ছিলাম এক ইয়াতীম বালক। আমাকেও তিনি একটি তাজা উটনী দিলেন। এ বিষয়ে ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, আবূ জুহায়ফা (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হাসান গরীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, আবূ জুহায়ফা (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হাসান গরীব।
হাদিস নং: ৬৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، وعلي بن حجر، - قال قتيبة حدثنا شريك، وقال، علي اخبرنا شريك، والمعنى، واحد، عن حكيم بن جبير، عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد، عن ابيه، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سال الناس وله ما يغنيه جاء يوم القيامة ومسالته في وجهه خموش او خدوش او كدوح " . قيل يا رسول الله وما يغنيه قال " خمسون درهما او قيمتها من الذهب " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى حديث ابن مسعود حديث حسن . وقد تكلم شعبة في حكيم بن جبير من اجل هذا الحديث .
৬৪৭. কুতায়বা ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো কাছে যদি প্রয়োজন মিটাবার মত কিছু থাকে এতদসত্ত্বেও যে লোকের কাছে ভিক্ষা চায় তবে কিয়ামতের দিন সে এভাবে উপস্থিত হবে যে যাঞ্ছার কারণে তার চেহারায় খামচানোর বা মারের বা আঘাতের ক্ষত চিহ্ন থাকবে। বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী পরিমাণ সম্পদের কারণে একজন অমুখাপেক্ষী হবে? তিনি বললেনঃ পঞ্চাশ দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা) বা সে পরিমাণ মূল্যের স্বর্ণ। - সহিহ আবু দাউদ ১৪৩৮, মিশকাত ১৮৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদীছ্ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। এ রিওয়ায়াতটির কারণে শু’বা (রাঃ) রাবী হাকীম ইবনু জুবায়র-এর সমালোচনা করছেন।
এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকেও হাদীছ্ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান। এ রিওয়ায়াতটির কারণে শু’বা (রাঃ) রাবী হাকীম ইবনু জুবায়র-এর সমালোচনা করছেন।
হাদিস নং: ৬৪৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا سفيان، عن حكيم بن جبير، بهذا الحديث . فقال له عبد الله بن عثمان صاحب شعبة لو غير حكيم حدث بهذا الحديث . فقال له سفيان وما لحكيم لا يحدث عنه شعبة قال نعم . قال سفيان سمعت زبيدا يحدث بهذا عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد . والعمل على هذا عند بعض اصحابنا وبه يقول الثوري وعبد الله بن المبارك واحمد واسحاق . قالوا اذا كان عند الرجل خمسون درهما لم تحل له الصدقة . قال ولم يذهب بعض اهل العلم الى حديث حكيم بن جبير ووسعوا في هذا وقالوا اذا كان عنده خمسون درهما او اكثر وهو محتاج فله ان ياخذ من الزكاة وهو قول الشافعي وغيره من اهل الفقه والعلم .
৬৪৮. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ...... এই হাদিসটি ইয়াহইয়া ইবনু আদম (রহঃ) সুফিয়ান (রহঃ) সূত্রে হাকীম, ইবনু জুবায়র থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। শু’বা (রহঃ)-এর অন্যতম ছাত্র আবদুল্লাহ্ ইবনু উসমান (রহঃ) সুফিয়ান (রহঃ)-কে বললেন, হাকীম ছাড়া অন্য কেউ হাদিসটি রিওয়ায়াত করত? তখন সুফিয়ান (রহঃ) বললেন, হাকীমের কী হয়েছে, শু’বা কি তাঁর বরাতে হাদিস বর্ণনা করেন না? আবদুল্লাহ ইবনু উসমান (রহঃ) বললেন, হ্যাঁ। সুফিয়ান (রহঃ) বললেন, আমি যুবায়দ (রহঃ)-কে এ হাদিসটি মুহাম্মদ ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)-এর বরাতে রিওয়ায়াত করতে শুনেছি। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আমাদের কোন কোন আলিমদের এই হাদিস অনুসারে আমল রয়েছে। সুফিয়ান সাওরী, আবদুল্লাহ্ ইবনু মুবারক, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)ও এ মত পোষণ করেন। তাঁরা বলেন, যদি কারো কাছে পঞ্চাশ দিরহাম পরিমাণ অর্থ থাকে তবে তার জন্য আমল করেননি। এ বিষয তাঁরা আরো সুযোগ রেখেছেন। তাঁরা বলেন, কারো নিকট পঞ্চাশ বা ততোধিক পরিমাণ দিরহাম থাকা সত্ত্বেও সে যদি অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তার জন্য যাকাত গ্রহণ হালাল। এ হল ইমাম শাফিঈ প্রমুখ ফিকহবিদ আলিমের অভিমত।
আমাদের কোন কোন আলিমদের এই হাদিস অনুসারে আমল রয়েছে। সুফিয়ান সাওরী, আবদুল্লাহ্ ইবনু মুবারক, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)ও এ মত পোষণ করেন। তাঁরা বলেন, যদি কারো কাছে পঞ্চাশ দিরহাম পরিমাণ অর্থ থাকে তবে তার জন্য আমল করেননি। এ বিষয তাঁরা আরো সুযোগ রেখেছেন। তাঁরা বলেন, কারো নিকট পঞ্চাশ বা ততোধিক পরিমাণ দিরহাম থাকা সত্ত্বেও সে যদি অভাবগ্রস্থ হয়, তবে তার জন্য যাকাত গ্রহণ হালাল। এ হল ইমাম শাফিঈ প্রমুখ ফিকহবিদ আলিমের অভিমত।
হাদিস নং: ৬৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو بكر، محمد بن بشار حدثنا ابو داود الطيالسي، حدثنا سفيان بن سعيد، ح وحدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا سفيان، عن سعد بن ابراهيم، عن ريحان بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تحل الصدقة لغني ولا لذي مرة سوي " . قال وفي الباب عن ابي هريرة وحبشي بن جنادة وقبيصة بن مخارق . قال ابو عيسى حديث عبد الله بن عمرو حديث حسن . وقد روى شعبة عن سعد بن ابراهيم هذا الحديث بهذا الاسناد ولم يرفعه . وقد روي في غير هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم " لا تحل المسالة لغني ولا لذي مرة سوي " . واذا كان الرجل قويا محتاجا ولم يكن عنده شيء فتصدق عليه اجزا عن المتصدق عند اهل العلم ووجه هذا الحديث عند بعض اهل العلم على المسالة .
৬৪৯. মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার এবং মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ধনী ও সুস্থ-সবল ব্যক্তির জন্য সাদাকা গ্রহণ হালাল নয়। - মিশকাত ১৪৪৪, ইরওয়া ৮৭৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা, হুবশী ইবনু জুনাদা এবং কাসীদা ইবনু মুখারিক (রাঃ) থেকেও বর্ণিত হাদিস আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান শু’বা (রহঃ) এ হাদিসটি উক্ত সনেদ সা’দ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটিকে ’মারফূ’ হিসাবে উল্লেখ করেননি। এ হাদিসটি ছাড়া অন্যান্য সূত্রেও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আযযে, ধনী এবং সুস্থ -সবল ব্যক্তির জন্য সাওয়াল করা হালাল নয়। সুস্থ -সবল কোন ব্যক্তি যদি অভাবগ্রস্ত হয় এবং তার কাছে কিছুই না থাকে, তবে যাকাত-সাদাকা প্রদান করা হলে আলিমগণের মতে আদায়কারী পক্ষে যথেষ্ট বিবেচিত হবে। কোন কোন আলিমগণের অভিমত হল, হাদিসটি কেবল ভিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
এ বিষয়ে আবূ হুরায়রা, হুবশী ইবনু জুনাদা এবং কাসীদা ইবনু মুখারিক (রাঃ) থেকেও বর্ণিত হাদিস আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান শু’বা (রহঃ) এ হাদিসটি উক্ত সনেদ সা’দ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটিকে ’মারফূ’ হিসাবে উল্লেখ করেননি। এ হাদিসটি ছাড়া অন্যান্য সূত্রেও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আযযে, ধনী এবং সুস্থ -সবল ব্যক্তির জন্য সাওয়াল করা হালাল নয়। সুস্থ -সবল কোন ব্যক্তি যদি অভাবগ্রস্ত হয় এবং তার কাছে কিছুই না থাকে, তবে যাকাত-সাদাকা প্রদান করা হলে আলিমগণের মতে আদায়কারী পক্ষে যথেষ্ট বিবেচিত হবে। কোন কোন আলিমগণের অভিমত হল, হাদিসটি কেবল ভিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
হাদিস নং: ৬৫০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن سعيد الكندي، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن مجالد، عن عامر الشعبي، عن حبشي بن جنادة السلولي، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع وهو واقف بعرفة اتاه اعرابي فاخذ بطرف رداىه فساله اياه فاعطاه وذهب فعند ذلك حرمت المسالة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان المسالة لا تحل لغني ولا لذي مرة سوي الا لذي فقر مدقع او غرم مفظع ومن سال الناس ليثري به ماله كان خموشا في وجهه يوم القيامة ورضفا ياكله من جهنم فمن شاء فليقل ومن شاء فليكثر " .
৬৫০. আলী ইবনু সাঈদ আল-কিন্দী (রহঃ) ..... হুবশী ইবনু জুনাদা সালূলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বিদায় হজ্জের সময় বলতে শুনেছি। তিনি তখন আরাফায় উকূফ অবস্থায় ছিলেন। এক বেদুঈন তাঁর কাছে এল এবং চাঁদরের এক কোণ ধরে তাঁর নিকট কিছু যাঞ্ছা করল। তিনি তাকে কিছু দিলেন, লোকটি চলে গেল। আর তখনই ভিক্ষাবৃত্তি হারাম করে দেওয়া হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন ধনী এবং সুস্থবান ব্যক্তির জন্য ভিক্ষাবৃত্তি হালাল নয়। তবে চরম দরিদ্র কিংবা দায়ভারে অতিষ্ট ব্যক্তির জন্য জায়েয আছে। অর্থ সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে যদি কেউ ভিক্ষা করে তবে কিয়ামতে দিন সে তার চেহারা খামচানো অবস্থায় ও সে খাবে জাহান্নামের উত্তপ্ত পাথর। এখন যার ইচ্ছা তা কম করুক কিংবা যার ইচ্ছা বেশী করুক। - ইরওয়া ৩/৩৮৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৬৫১
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا يحيى بن ادم، عن عبد الرحيم بن سليمان، نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه .
৬৫১. মাহমুদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ..... আবদুর রহীম ইবনু সুলায়মান (রহঃ) থেকে অনূরূপ হাদিস বর্ণিত আছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ সূত্রের এ হাদিসটি গারীব।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ সূত্রের এ হাদিসটি গারীব।
হাদিস নং: ৬৫২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن بكير بن عبد الله بن الاشج، عن عياض بن عبد الله، عن ابي سعيد الخدري، قال اصيب رجل في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثمار ابتاعها فكثر دينه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تصدقوا عليه " . فتصدق الناس عليه فلم يبلغ ذلك وفاء دينه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لغرماىه " خذوا ما وجدتم وليس لكم الا ذلك " . قال وفي الباب عن عاىشة وجويرية وانس . قال ابو عيسى حديث ابي سعيد حديث حسن صحيح .
৬৫২. কুতায়বা (রহঃ) .... আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে জনৈক ব্যক্তি কিছু ফল (খেরুর) কিনে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তার অনেক ঋণ হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাহাবীদের) বললেনঃ তোমরা তাকে সাদাকা দাও। লোকেরা তাকে সাদাকা দিল। কিন্তু তা তার ঋণ আদায়ের পরিমাণ হল না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পাওনাদারদের বললেনঃ যা পেয়েছ নিয়ে নাও। এ ছাড়া তোমাদের (বর্তমানে) আর কিছু নেই। - ইবনু মাজাহ ২৩৫৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আয়েশ, জুওয়ায়রিয়া ও আনাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদের এ হাদিসটি হাসান সহীহ্।
এ বিষয়ে আয়েশ, জুওয়ায়রিয়া ও আনাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদের এ হাদিসটি হাসান সহীহ্।
হাদিস নং: ৬৫৩
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا مكي بن ابراهيم، ويوسف بن يعقوب الضبعي السدوسي، قالا حدثنا بهز بن حكيم، عن ابيه، عن جده، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اتي بشيء سال " اصدقة هي ام هدية " . فان قالوا صدقة لم ياكل وان قالوا هدية اكل . قال وفي الباب عن سلمان وابي هريرة وانس والحسن بن علي وابي عميرة جد معرف بن واصل واسمه رشيد بن مالك وميمون بن مهران وابن عباس وعبد الله بن عمرو وابي رافع وعبد الرحمن بن علقمة . وقد روي هذا الحديث ايضا عن عبد الرحمن بن علقمة عن عبد الرحمن بن ابي عقيل عن النبي صلى الله عليه وسلم . وجد بهز بن حكيم اسمه معاوية بن حيدة القشيري . قال ابو عيسى وحديث بهز بن حكيم حديث حسن غريب .
৬৫৩. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... বাহয্ ইবনু হাকীম তাঁর পিতা-পিতাসহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তাঁরা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কোন কিছু আনা হলে তিনি জিজ্ঞাসা করতেন এ কি সাদাকা না হাদীয়া? যদি লোকেরা বলত সাদাকা তবে তিনি তা নিজে খেতেন না। আর যদি বলত হাদীয়া, তবে তিনি খেতেন। - আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে সালমান, আবূ হুরায়রা, আনাস, হাসান ইবনু আলী, আবূ উমায়র (ইনি হলেন মুআররাফ ইবনু ওয়াসিল, তাঁর নাম হল রুশায়দ ইবনুু মালিক), মায়মূন ইবনু মিহরান, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবূ রাফিও আবদুর রহমান ইবনু আলকামা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। এই হাদিসটি আবদুর রহমান ইবনু আলকামা আবদুর রহমান ইবনু আবূ আকীল সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। বাহয্ ইবনু হাকীম (রহঃ) এর পিতামহের নাম হল মুআবিয়া ইবনু হায়দা আল-কুশায়রী (রহঃ) ইমামআবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বাহয্ হাকীম বর্ণিত হাদিসটি হাসান-গরীব।
এই বিষয়ে সালমান, আবূ হুরায়রা, আনাস, হাসান ইবনু আলী, আবূ উমায়র (ইনি হলেন মুআররাফ ইবনু ওয়াসিল, তাঁর নাম হল রুশায়দ ইবনুু মালিক), মায়মূন ইবনু মিহরান, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবূ রাফিও আবদুর রহমান ইবনু আলকামা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। এই হাদিসটি আবদুর রহমান ইবনু আলকামা আবদুর রহমান ইবনু আবূ আকীল সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে। বাহয্ ইবনু হাকীম (রহঃ) এর পিতামহের নাম হল মুআবিয়া ইবনু হায়দা আল-কুশায়রী (রহঃ) ইমামআবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বাহয্ হাকীম বর্ণিত হাদিসটি হাসান-গরীব।
হাদিস নং: ৬৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابن ابي رافع، عن ابي رافع، رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم بعث رجلا من بني مخزوم على الصدقة فقال لابي رافع اصحبني كيما تصيب منها . فقال لا . حتى اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فاساله . فانطلق الى النبي صلى الله عليه وسلم فساله فقال " ان الصدقة لا تحل لنا وان موالي القوم من انفسهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وابو رافع مولى النبي صلى الله عليه وسلم اسمه اسلم وابن ابي رافع هو عبيد الله بن ابي رافع كاتب علي بن ابي طالب رضى الله عنه .
৬৫৪. মুহাম্মাদ ইবনু মুসন্না (রহঃ) ..... আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক বার , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানূ মাখযূম গোত্রের এক ব্যক্তিকে সাদাকা উসূলের দায়িত্ব দিয়ে প্রেরন করেন। ঐ ব্যক্তি আবূ রাফিকে বললেন, আপনিও আমার সঙ্গে চলুন। এ থেকে আপনিও কিছু অংশ পেতে পারেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে দিয়ে এই বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাস না করা পর্যন্ত আমি তোমার সঙ্গ হতে পারি না। তারপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কছে গেলেন এবং এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন এই সাদাকা আমাদের জন্য হালাল নয়। কোন সম্প্রদায়ের মাওলাগণ (আযাদকৃতগণ) সেই সম্প্রদায়ের লোক বলেই গন্য। - মিশকাত ১৮২৯, ইরওয়া ৩/৩৬৫, ও ৮৮০, সহিহাহ ১৬১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। আবূ রাফি (রাঃ) হলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাওলা (আযাদকৃত), তাঁর নাম আসলাম। তাঁর পুত্র হলেন, উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি। ইনি ছিলেন আলী (রাঃ) এর কাতিব (লেখক)।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। আবূ রাফি (রাঃ) হলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাওলা (আযাদকৃত), তাঁর নাম আসলাম। তাঁর পুত্র হলেন, উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি। ইনি ছিলেন আলী (রাঃ) এর কাতিব (লেখক)।
হাদিস নং: ৬৫৫
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا قتيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عاصم الاحول، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن عمها، سلمان بن عامر يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا افطر احدكم فليفطر على تمر فانه بركة فان لم يجد تمرا فالماء فانه طهور " . وقال " الصدقة على المسكين صدقة وهي على ذي الرحم ثنتان صدقة وصلة " . قال وفي الباب عن زينب امراة عبد الله بن مسعود وجابر وابي هريرة . قال ابو عيسى حديث سلمان بن عامر حديث حسن . والرباب هي ام الراىح بنت صليع . وهكذا روى سفيان الثوري عن عاصم عن حفصة بنت سيرين عن الرباب عن سلمان بن عامر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث . وروى شعبة عن عاصم عن حفصة بنت سيرين عن سلمان بن عامر . ولم يذكر فيه عن الرباب . وحديث سفيان الثوري وابن عيينة اصح . وهكذا روى ابن عون وهشام بن حسان عن حفصة بنت سيرين عن الرباب عن سلمان بن عامر .
৬৫৫. কুতায়বা (রহঃ) ...... সালমান ইবনু আমির (রাঃ) থেকেও বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন ইফতার করে তখন সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে, কারণ এতে রয়েছে বরকত। খেজুর না পেলে পানি দিয়ে যেন ইফতার করো। কারণ তা পবিত্র। - যইফ, সঠিক হল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কর্ম (নির্দেশ নয়), ইবনু মাজাহ ১৬৯৯
তিনি আরা বলেনঃ মিসকীনকে সাদাকা দিলে তা কেবল সাদাকাই, আর আত্নীয়কে দিলে তাতে রয়েছে দু’টি সাওয়াব। একটি সাদাকা এবং আরেকটি আত্নীয়তা রক্ষা। - সহিহ, ইবনু মাজাহ ১৮৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর স্ত্রী যায়নাব, জাবির এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সালমান ইবনু আমির (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান। রাবী রাবাব (রহঃ) হলেন, সুলাইর কন্যা উম্মুর রায়েহ। এমনিভাবে সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) ও সালমান ইবনু আমির (রাঃ) সূত্রে ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর শু’বা (রহঃ) সালমান ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সনদে তিনি রাবী রাবাব-এর নাম উল্লেখ করেননি। সুফিয়ান সাওরী এবং ইবনু উআয়না (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি অধিকত সহীহ। ইবনু আওন এবং হিসাম ইবনু হাসসান (রহঃ) ও অনুরূপভাবে হাফসা বিনত সীরীন, রাবাব (রহঃ) সালমান ইবনু আমির (রাঃ) সূত্রে এটির বর্ণনা করেছেন।
তিনি আরা বলেনঃ মিসকীনকে সাদাকা দিলে তা কেবল সাদাকাই, আর আত্নীয়কে দিলে তাতে রয়েছে দু’টি সাওয়াব। একটি সাদাকা এবং আরেকটি আত্নীয়তা রক্ষা। - সহিহ, ইবনু মাজাহ ১৮৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর স্ত্রী যায়নাব, জাবির এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত রয়েছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, সালমান ইবনু আমির (রাঃ) বর্ণিত এই হাদিসটি হাসান। রাবী রাবাব (রহঃ) হলেন, সুলাইর কন্যা উম্মুর রায়েহ। এমনিভাবে সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) ও সালমান ইবনু আমির (রাঃ) সূত্রে ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত হাদীছের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর শু’বা (রহঃ) সালমান ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সনদে তিনি রাবী রাবাব-এর নাম উল্লেখ করেননি। সুফিয়ান সাওরী এবং ইবনু উআয়না (রহঃ) এর রিওয়ায়াতটি অধিকত সহীহ। ইবনু আওন এবং হিসাম ইবনু হাসসান (রহঃ) ও অনুরূপভাবে হাফসা বিনত সীরীন, রাবাব (রহঃ) সালমান ইবনু আমির (রাঃ) সূত্রে এটির বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৬৫৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن احمد بن مدويه، حدثنا الاسود بن عامر، عن شريك، عن ابي حمزة، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت سالت او سىل النبي صلى الله عليه وسلم عن الزكاة فقال " ان في المال لحقا سوى الزكاة " . ثم تلا هذه الاية التي في البقرة ( ليس البر ان تولوا وجوهكم ) الاية .
৬৫৬. মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু মাদ্দুবিয়া (রহঃ) ...... ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নিজেই অথবা অন্য কেউ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যাকাত সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল। তিনি বললেনঃ যাকাত ছাড়াও ধন-সম্পদে অবশ্যই আরো হক রয়েছে। তারপর তিনি সূরা বাকারার এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন। (অর্থ)- কোন পূণ্য নেই তোমাদের মুখ ফিরানোতে ......... শেষ পর্যন্ত (২:১৭৭) - ইবনু মাজাহ ১৭৮৯,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৬৫৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا محمد بن الطفيل، عن شريك، عن ابي حمزة، عن عامر الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان في المال حقا سوى الزكاة " . قال ابو عيسى هذا حديث اسناده ليس بذاك . وابو حمزة ميمون الاعور يضعف . وروى بيان واسماعيل بن سالم عن الشعبي هذا الحديث قوله وهذا اصح .
৬৫৭. আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ) ..... ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী বলেছেনঃ ধন-সম্পদের যাকাত ছাড়া আরো হক রয়েছে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটির সনদ তেমন (শক্তিশালী) নয়। রাবী আবূ হামযা মায়মুন আওআরকে যঈফ বলা হয়। বায়ান ও ইসমাঈল ইবনু সালিম (রহঃ) এ হাদিস শা’বী (রহঃ) থেকে তাঁর বক্তব্যরূপে বর্ণনা করেছেন। আর এটি অধিকতর সহীহ্।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটির সনদ তেমন (শক্তিশালী) নয়। রাবী আবূ হামযা মায়মুন আওআরকে যঈফ বলা হয়। বায়ান ও ইসমাঈল ইবনু সালিম (রহঃ) এ হাদিস শা’বী (রহঃ) থেকে তাঁর বক্তব্যরূপে বর্ণনা করেছেন। আর এটি অধিকতর সহীহ্।
হাদিস নং: ৬৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن سعيد بن يسار، انه سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تصدق احد بصدقة من طيب ولا يقبل الله الا الطيب الا اخذها الرحمن بيمينه وان كانت تمرة تربو في كف الرحمن حتى تكون اعظم من الجبل كما يربي احدكم فلوه او فصيله " . قال وفي الباب عن عاىشة وعدي بن حاتم وانس وعبد الله بن ابي اوفى وحارثة بن وهب وعبد الرحمن بن عوف وبريدة . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح .
৬৫৮. কুতায়বা (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন হালাল ও পবিত্র মাল থেকে সাদাকা দেয় আর আল্লাহ্ তো পবিত্র ও হালাল ছাড়া কিছুই গ্রহণ করেন না। তখন দয়াময় তাঁর ডান হাতে তা গ্রহণ করেন। একটি খেজুর দান হলেও তা দয়াময়ের হাতের তালুতে বৃদ্ধি পেতে থাকে, এমনকি তা পাহাড় থেকে বিরাট হয়, যেমন তোমাদের তত্ত্বাবধানে তোমাদের ঘোড়া বা গাভীর বাচ্চা বৃদ্ধি পেতে থাকে। - জিলালুল জুন্নাহ ৬২৩, তা’লীকুর রাগিব, ইরওয়া ৮৮৬, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আয়িশা, আদী ইবনু হাতিম, আনাস, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা, হারিসা ইবনু ওয়াহাব, আব্দুর রহমান ইবনু আওফ এবং বুয়ায়দা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্।
এই বিষয়ে আয়িশা, আদী ইবনু হাতিম, আনাস, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা, হারিসা ইবনু ওয়াহাব, আব্দুর রহমান ইবনু আওফ এবং বুয়ায়দা (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ্।