হাদিস নং: ৩১১০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، عن بريد بن عبد الله، عن ابي بردة، عن ابي موسى، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان الله تبارك وتعالى يملي وربما قال يمهل للظالم حتى اذا اخذه لم يفلته " . ثم قرا : (كذلك اخذ ربك اذا اخذ القرى) الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب وقد رواه ابو اسامة عن بريد نحوه وقال يملي .
حدثنا ابراهيم بن سعيد الجوهري، عن ابي اسامة، عن بريد بن عبد الله بن ابي بردة، عن جده ابي بردة، عن ابي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وقال يملي ولم يشك فيه .
حدثنا ابراهيم بن سعيد الجوهري، عن ابي اسامة، عن بريد بن عبد الله بن ابي بردة، عن جده ابي بردة، عن ابي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وقال يملي ولم يشك فيه .
৩১১০. আবূ কুরায়ব (রহঃ) .... আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা জালিমকে রাবী কখনো বলেছেনيُمْلِي আর অনেক সময় বলেছেনيُمْهِلُ অর্থাৎ অবকাশ দেন। কিন্তু যখন পাকড়াও করেন তখন তাকে ছাড়েন না। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ
كَذَلِكَ أَخْذُ رَبِّكَ إِذَا أَخَذَ الْقُرَى
এরূপই তোমার প্রতিপালকের শাস্তি! তিনি শাস্তি দেন জনপদসমূহ যখন ওরা জুলুম করে (১১ঃ ১০২)।
সহীহ, বুখারি ৪৬৮৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। আবূ উসামা (রহঃ) বুরায়দ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এবংيُمْهِلُ এর স্থলেيُمْلِي বলেছেন। ইবরাহীম ইবন সাঈদ জাওহারী (রহঃ) ...... আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনিيُمْلِي সন্দেহ ছাড়া উল্লেখ করেছেন।
كَذَلِكَ أَخْذُ رَبِّكَ إِذَا أَخَذَ الْقُرَى
এরূপই তোমার প্রতিপালকের শাস্তি! তিনি শাস্তি দেন জনপদসমূহ যখন ওরা জুলুম করে (১১ঃ ১০২)।
সহীহ, বুখারি ৪৬৮৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। আবূ উসামা (রহঃ) বুরায়দ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এবংيُمْهِلُ এর স্থলেيُمْلِي বলেছেন। ইবরাহীম ইবন সাঈদ জাওহারী (রহঃ) ...... আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনিيُمْلِي সন্দেহ ছাড়া উল্লেখ করেছেন।
হাদিস নং: ৩১১১
সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، محمد بن بشار حدثنا ابو عامر العقدي، هو عبد الملك بن عمرو حدثنا سليمان بن سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، عن عمر بن الخطاب، قال لما نزلت هذه الاية : ( منهم شقي وسعيد ) سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا نبي الله فعلى ما نعمل على شيء قد فرغ منه او على شيء لم يفرغ منه قال " بل على شيء قد فرغ منه وجرت به الاقلام يا عمر ولكن كل ميسر لما خلق له " . هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه لا نعرفه الا من حديث عبد الملك بن عمرو .
৩১১১. বুনদার (রহঃ) ..... উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ (فمِِنْهُمْ شَقِيٌّ وَسَعِيدٌ) আয়াতটি নাযিল হওয়ার পর আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞসা করলাম, বললামঃ ইয়া নবীয়াল্লাহ্! আমরা কিসের উপর আমল করব? এমন বিষয়ের উপর যা চুড়ান্ত করা হয়েছে কিংবা এমন বিষয়ের উপর যা চুড়ান্ত করা হয়নি। তিনি বললেনঃ হে উমর! না। বরংএমন বিষয়ের উপর যা চুড়ান্ত করা হয়েছে এবং যা যা কলম লিপিবদ্ধ করেছে। তবে যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে প্রত্যেকের জন্য তাই সহজ করে দেওয়া হয়।
সহীহ, আয যিলাল ১৬১, ১৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ সূত্রে হাদীসটি হাসান-গারীব। আবদূল মালিক ইবন আমর (রহঃ) এর বর্ণনা ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই।
সহীহ, আয যিলাল ১৬১, ১৬৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ সূত্রে হাদীসটি হাসান-গারীব। আবদূল মালিক ইবন আমর (রহঃ) এর বর্ণনা ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই।
হাদিস নং: ৩১১২
হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن ابراهيم، عن علقمة، والاسود، عن عبد الله، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال اني عالجت امراة في اقصى المدينة واني اصبت منها ما دون ان امسها وانا هذا فاقض في ما شىت . فقال له عمر لقد سترك الله لو سترت على نفسك . فلم يرد عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم شيىا فانطلق الرجل فاتبعه رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا فدعاه فتلا عليهم : ( اقم الصلاة طرفي النهار وزلفا من الليل ان الحسنات يذهبن السيىات ذلك ذكرى للذاكرين ) الى اخر الاية فقال رجل من القوم هذا له خاصة قال " لا بل للناس كافة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وهكذا روى اسراىيل عن سماك عن ابراهيم عن علقمة والاسود عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وروى سفيان الثوري عن سماك عن ابراهيم عن عبد الرحمن بن يزيد عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ورواية هولاء اصح من رواية الثوري وروى شعبة عن سماك بن حرب عن ابراهيم عن الاسود عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الاعمش، وسماك، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن سفيان، عن سماك، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ولم يذكر فيه الاعمش وقد روى سليمان التيمي هذا الحديث عن ابي عثمان النهدي عن ابن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم .
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الاعمش، وسماك، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه .
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن سفيان، عن سماك، عن ابراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ولم يذكر فيه الاعمش وقد روى سليمان التيمي هذا الحديث عن ابي عثمان النهدي عن ابن مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৩১১২. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, মদীনার শেষ প্রান্তে আমি এক মহিলার সাথে রঙ্গ-রসে লিপ্ত হই এবং সঙ্গম ব্যতীত আমি সব কিছু তার সাথে করেছি। আমি এখন হাযির। আপনার যা ইচ্ছা আমার ব্যাপারে ফয়সালা দিন।
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আল্লাহ্ তোমার বিষয়টি গোপন করেছিলাম। তুমিও যদি বিষয়টি গোপন করতে! কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন উত্তর দিলেন না। লোকটি চলে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পেছনে একজন লোক পাঠালেন। সে তাকে ডেকে আনল। তখন তিনি তার কাছে এই আয়াতটি তিলাওয়ায়ত করলেনঃ
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ
সালাত (নামায) কায়েম করবে দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে, সৎকাজ অবশ্যই অসৎ কাজ মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এ তাদের জন্য এক উপদেশ (১১ঃ ১২৪)। উপস্থিত এক লোক বললঃ এ বিষয়টি কি এর জন্যই খাছ? তিনি বললেনঃ না, এ সকলের জন্য।
হাসান সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৩৯৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইসরাঈল এটিকে সিমাক-ইবরাহীম-আলকামা ... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ছাওরী (রহঃ) এর এই রিওয়ায়াত থেকে ওঁদের রিওয়ায়ত অধিক সহীহ। শু’বা (রহঃ) এটি সিমাক-ইবরাহীম-আসওয়াদ ... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে আ’মাশ (রহঃ) এর উল্লেখ নেই। সুলায়মান তায়মী (রহঃ) এ হাদীসটি আবূ উছমান নাহদী ... ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ আল্লাহ্ তোমার বিষয়টি গোপন করেছিলাম। তুমিও যদি বিষয়টি গোপন করতে! কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন উত্তর দিলেন না। লোকটি চলে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পেছনে একজন লোক পাঠালেন। সে তাকে ডেকে আনল। তখন তিনি তার কাছে এই আয়াতটি তিলাওয়ায়ত করলেনঃ
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ
সালাত (নামায) কায়েম করবে দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে, সৎকাজ অবশ্যই অসৎ কাজ মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এ তাদের জন্য এক উপদেশ (১১ঃ ১২৪)। উপস্থিত এক লোক বললঃ এ বিষয়টি কি এর জন্যই খাছ? তিনি বললেনঃ না, এ সকলের জন্য।
হাসান সহীহ, ইবনু মাজাহ ১৩৯৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইসরাঈল এটিকে সিমাক-ইবরাহীম-আলকামা ... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ছাওরী (রহঃ) এর এই রিওয়ায়াত থেকে ওঁদের রিওয়ায়ত অধিক সহীহ। শু’বা (রহঃ) এটি সিমাক-ইবরাহীম-আসওয়াদ ... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এতে আ’মাশ (রহঃ) এর উল্লেখ নেই। সুলায়মান তায়মী (রহঃ) এ হাদীসটি আবূ উছমান নাহদী ... ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩১১৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين الجعفي، عن زاىدة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن معاذ بن جبل، قال اتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل فقال يا رسول الله ارايت رجلا لقي امراة وليس بينهما معرفة فليس ياتي الرجل شيىا الى امراته الا قد اتى هو اليها الا انه لم يجامعها . قال فانزل الله : ( اقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل ان الحسنات يذهبن السيىات ذلك ذكرى للذاكرين ) فامره ان يتوضا ويصلي . قال معاذ فقلت يا رسول الله اهي له خاصة ام للمومنين عامة قال " بل للمومنين عامة " . قال ابو عيسى هذا حديث ليس اسناده بمتصل عبد الرحمن بن ابي ليلى لم يسمع من معاذ ومعاذ بن جبل مات في خلافة عمر وقتل عمر وعبد الرحمن بن ابي ليلى غلام صغير ابن ست سنين وقد روى عن عمر وراه . وروى شعبة هذا الحديث عن عبد الملك بن عمير عن عبد الرحمن بن ابي ليلى عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل .
৩১১৩. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এক ব্যক্তি অপরিচিতা মহিলার সাথে সাক্ষাৎ করল, আর মানুষ তার স্ত্রীর সঙ্গে যা কিছু করে সে সবই করল, শুধমাত্র তার সাথে সঙ্গম করেনি। এ ব্যক্তি সম্পর্কে আপনি কি বলেন? তখন আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করলেনঃ
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ
সালাত (নামায) কায়েম কর দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে, সৎকাজ অবশ্যই অসৎ কাজ মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এ তাদের জন্য এক উপদেশ (১১ : ১১৪)।
লোকটিকে তিনি উযূ করে নামায পড়তে নির্দেশ দিলেন। মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কি কেবল এ ব্যক্তির জন্যই না অন্যান্য মুমিনদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য? তিনি বললেনঃ না বরং সব মুমিনের জন্যই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটির সনদ মুত্তাসিল নয়। আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা (রহঃ) সরাসরি মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস শুনেন নি। মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু ইনতিকাল করেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফত কালে। আর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন নিহত হন তখন আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা ছিলেন ছয় বছর বয়সের বালক মাত্র। তিনি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়ত করেছেন এবং তাকে দেখেছেন। শু’বা এ হাদীসটি আবদুল মালিক ইবন উমায়র-আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে রিওয়ায়ত করেছেন।
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ
সালাত (নামায) কায়েম কর দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে, সৎকাজ অবশ্যই অসৎ কাজ মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এ তাদের জন্য এক উপদেশ (১১ : ১১৪)।
লোকটিকে তিনি উযূ করে নামায পড়তে নির্দেশ দিলেন। মুআয রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কি কেবল এ ব্যক্তির জন্যই না অন্যান্য মুমিনদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য? তিনি বললেনঃ না বরং সব মুমিনের জন্যই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটির সনদ মুত্তাসিল নয়। আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা (রহঃ) সরাসরি মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস শুনেন নি। মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু ইনতিকাল করেন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর খিলাফত কালে। আর উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন নিহত হন তখন আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা ছিলেন ছয় বছর বয়সের বালক মাত্র। তিনি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে রিওয়ায়ত করেছেন এবং তাকে দেখেছেন। শু’বা এ হাদীসটি আবদুল মালিক ইবন উমায়র-আবদুর রহমান ইবন আবূ লায়লা ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে রিওয়ায়ত করেছেন।
হাদিস নং: ৩১১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سليمان التيمي، عن ابي عثمان، عن ابن مسعود، ان رجلا، اصاب من امراة قبلة حرام فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فساله عن كفارتها فنزلت : ( اقم الصلاة طرفي النهار وزلفا من الليل ان الحسنات يذهبن السيىات ) فقال الرجل الي هذه يا رسول الله فقال " لك ولمن عمل بها من امتي " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১১৪. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একবার জনৈক ব্যক্তি এক মহিলাকে অবৈধ চুম্বন করে। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে এর কাফফারা সম্পর্কে প্রশ্ন করল। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ
সালাত (নামায) কায়েম করবে দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে। (১১ : ১১৪) লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! একি কেবল আমার জন্যই? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য এবং আমার উম্মতের যে কেউ এ কাজ করে।
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ
সালাত (নামায) কায়েম করবে দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে। (১১ : ১১৪) লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! একি কেবল আমার জন্যই? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য এবং আমার উম্মতের যে কেউ এ কাজ করে।
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩১১৫
হাসান (Hasan)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا يزيد بن هارون، اخبرنا قيس بن الربيع، عن عثمان بن عبد الله بن موهب، عن موسى بن طلحة، عن ابي اليسر، قال اتتني امراة تبتاع تمرا فقلت ان في البيت تمرا اطيب منه . فدخلت معي في البيت فاهويت اليها فقبلتها فاتيت ابا بكر فذكرت ذلك له قال استر على نفسك وتب ولا تخبر احدا . فلم اصبر فاتيت عمر فذكرت ذلك له فقال استر على نفسك وتب ولا تخبر احدا . فلم اصبر فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له . فقال له " اخلفت غازيا في سبيل الله في اهله بمثل هذا " . حتى تمنى انه لم يكن اسلم الا تلك الساعة حتى ظن انه من اهل النار . قال واطرق رسول الله صلى الله عليه وسلم طويلا حتى اوحى الله اليه : (اقم الصلاة طرفى النهار وزلفا من الليل ) الى قوله : (ذكرى للذاكرين ) . قال ابو اليسر فاتيته فقراها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اصحابه يا رسول الله الهذا خاصة ام للناس عامة قال " بل للناس عامة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب . وقيس بن الربيع ضعفه وكيع وغيره وابو اليسر هو كعب بن عمرو . قال وروى شريك عن عثمان بن عبد الله هذا الحديث مثل رواية قيس بن الربيع . قال وفي الباب عن ابي امامة وواثلة بن الاسقع وانس بن مالك .
৩১১৫. আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ... আবুল ইউসর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক মহিলা একবার আমার কাছে খেজুর কিনতে আসল। আমি বললামঃ ঘরে আরো ভাল খেজুর আছে, সে তখন আমার সাথে ঘরে প্রবেশ করল। আমি তার দিকে ঝুঁকে তাকে চুমু দেই। পরে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে তার বিষয়টি বললাম। তিনি বললেনঃ নিজের মধ্যে তা গোপন রাখ, আর তওবা কর। এ বিষয়ে কাউকে জানাবে না। কিন্তু (অনুশোচনায়) আমি স্থির থাকতে পারলাম না। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে বিষয়টি বললাম, তিনিও বললেনঃ নিজের মধ্যেই তা গোপন রাখ, আর তওবা কর। এ বিষয়ে কাউকে জানাবে না। কিন্তু (অনুশোচনায়) আমি স্থির তাকতে পারলাম না।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বিষয়টি বললাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহর পথে জেহদরত একজন যোদ্ধার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর বিষয়ে তুমি কি এ ধরনের আচরণ করলে? ফলে সে কামনা করতে লাগল সে যদি পূর্বে ইসলাম গ্রহণ না করে এ মুহূর্তে ইসলাম গ্রহণ করত এবং ধারণা করতে লাগল যে, সে জাহান্নামী হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেকক্ষণ মাথা নীচু করে রইলেন অবশেষে তাঁর কাছে ওহী এলঃ
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ
সালাত (নামায)কায়েম কর দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে। সৎকাজ অবশ্যই অসৎ কাজ মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এ তাদের জন্য এক উপদেশ (১১ : ১১৪)।
আবুল ইউসর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি তাঁর কাছে হাযির হলাম। রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই আয়াত তিলাওয়াত করে শোনালেন। সাহাবীগণ বললেনঃ এটি কি বিশেষ করে এরই জন্য না সব মানুষের জন্য। তিনি বললেনঃ না বরং এ সব মানুষের জন্যই।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। রাবী কায়স ইবন রবী কে ওয়াকী’ (রহঃ) প্রমুখ হাদীসবিদগণ যঈফ বলেছেন। শরীক (রহঃ)-ও এটি উছমান ইবন আবদুল্লাহ্ সূত্রে কায়স ইবন রবী’ (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে আবূ উসামা, ওয়াছিলা ইবন আসকা’ ও আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবুল ইউসর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম কা’ব ইবন আমর।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বিষয়টি বললাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহর পথে জেহদরত একজন যোদ্ধার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর বিষয়ে তুমি কি এ ধরনের আচরণ করলে? ফলে সে কামনা করতে লাগল সে যদি পূর্বে ইসলাম গ্রহণ না করে এ মুহূর্তে ইসলাম গ্রহণ করত এবং ধারণা করতে লাগল যে, সে জাহান্নামী হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেকক্ষণ মাথা নীচু করে রইলেন অবশেষে তাঁর কাছে ওহী এলঃ
أَقِمِ الصَّلاَةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنَ اللَّيْلِ
সালাত (নামায)কায়েম কর দিনের দু’প্রান্ত ভাগে ও রাতের প্রথমাংশে। সৎকাজ অবশ্যই অসৎ কাজ মিটিয়ে দেয়। যারা উপদেশ গ্রহণ করে এ তাদের জন্য এক উপদেশ (১১ : ১১৪)।
আবুল ইউসর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি তাঁর কাছে হাযির হলাম। রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই আয়াত তিলাওয়াত করে শোনালেন। সাহাবীগণ বললেনঃ এটি কি বিশেষ করে এরই জন্য না সব মানুষের জন্য। তিনি বললেনঃ না বরং এ সব মানুষের জন্যই।
এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। রাবী কায়স ইবন রবী কে ওয়াকী’ (রহঃ) প্রমুখ হাদীসবিদগণ যঈফ বলেছেন। শরীক (রহঃ)-ও এটি উছমান ইবন আবদুল্লাহ্ সূত্রে কায়স ইবন রবী’ (রহঃ) এর রিওয়ায়াতের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে আবূ উসামা, ওয়াছিলা ইবন আসকা’ ও আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবুল ইউসর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নাম কা’ব ইবন আমর।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩১১৬
হাসান (Hasan)
حدثنا الحسين بن حريث الخزاعي المروزي، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الكريم بن الكريم بن الكريم بن الكريم يوسف بن يعقوب بن اسحاق بن ابراهيم قال ولو لبثت في السجن ما لبث ثم جاءني الرسول اجبت . ثم قرا : ( فلما جاءه الرسول قال ارجع الى ربك فاساله ما بال النسوة اللاتي قطعن ايديهن ) قال : ورحمة الله على لوط ان كان لياوي الى ركن شديد اذ قال : ( لو ان لي بكم قوة او اوي الى ركن شديد ) فما بعث الله من بعده نبيا الا في ذروة من قومه " .
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبدة، وعبد الرحيم، عن محمد بن عمرو، نحو حديث الفضل بن موسى الا انه قال " ما بعث الله بعده نبيا الا في ثروة من قومه " . قال محمد بن عمرو الثروة الكثرة والمنعة . قال ابو عيسى وهذا اصح من رواية الفضل بن موسى وهذا حديث حسن .
حدثنا ابو كريب، حدثنا عبدة، وعبد الرحيم، عن محمد بن عمرو، نحو حديث الفضل بن موسى الا انه قال " ما بعث الله بعده نبيا الا في ثروة من قومه " . قال محمد بن عمرو الثروة الكثرة والمنعة . قال ابو عيسى وهذا اصح من رواية الفضل بن موسى وهذا حديث حسن .
৩১১৬. হুসায়ন ইবন হুরায়ছ খুযাঈ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ করীম (সম্মানিত) ইবন করীম ইবন করীম হলেন - ইউসূফ ইবন ইয়াকূব ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহীম (আঃ)। রাসূলু্ল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইউসূফ (আঃ) যতদিন বন্ধীখানায় ছিলেন ততদিন যদি আমি থাকতাম আর আমার কাছে (মুক্তির ফরমান নিয়ে) দূত আসত তবে প্রশ্ন না তুলে) সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দিতাম। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ
فَلَمَّا جَاءَهُ الرَّسُولُ قَالَ ارْجِعْ إِلَى رَبِّكَ فَاسْأَلْهُ مَا بَالُ النِّسْوَةِ اللاَّتِي قَطَّعْنَ أَيْدِيَهُنَّ
যখন দূত তার কাছে উপস্থিত হল তখন সে বলল তুমি তোমার প্রভুর কাছে ফিরে যাও এবং তাকে জিজ্ঞাসা কর, যে নারীরা হাত কেটে ফেলেছিল তাদের অবস্থা কি? (১২ঃ ৫০)।
তিনি আরো বলেন, লূত (আঃ)-এর উপর আল্লাহ্ রহম করুন। তিনি মজবুত খুঁটির (গোত্রের) আশ্রয় আশা করেছিলেন। তাঁরপর আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কওমের সর্বোচ্চ বংশ থেকে ই সকল নবী পাঠিয়েছেন।
ذروة শব্দের পরিবর্তেثروة শব্দে হাদিসটি হাসান, সহীহাহ ১৬১৭, ১৮৬৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবন আমর (রহঃ) সূত্রে ফাযল ইবন মূসা (রহঃ) এর রিওয়ায়াত (৩১১৬ নং)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেন তবে এতেذروةٍ এর স্থলে ثَّرْوة শব্দ আছে।
মুহাম্মাদ ইবন আমর (রহঃ) বলেনঃالثَّرْوَةُ অর্থ ধনে জনে বলীয়ান। এটি ফাযল ইবন মূসা (রহঃ) এর রিওয়ায়ত থেকে অধিক সহীহ। এ হাদীসটি হাসান।
فَلَمَّا جَاءَهُ الرَّسُولُ قَالَ ارْجِعْ إِلَى رَبِّكَ فَاسْأَلْهُ مَا بَالُ النِّسْوَةِ اللاَّتِي قَطَّعْنَ أَيْدِيَهُنَّ
যখন দূত তার কাছে উপস্থিত হল তখন সে বলল তুমি তোমার প্রভুর কাছে ফিরে যাও এবং তাকে জিজ্ঞাসা কর, যে নারীরা হাত কেটে ফেলেছিল তাদের অবস্থা কি? (১২ঃ ৫০)।
তিনি আরো বলেন, লূত (আঃ)-এর উপর আল্লাহ্ রহম করুন। তিনি মজবুত খুঁটির (গোত্রের) আশ্রয় আশা করেছিলেন। তাঁরপর আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কওমের সর্বোচ্চ বংশ থেকে ই সকল নবী পাঠিয়েছেন।
ذروة শব্দের পরিবর্তেثروة শব্দে হাদিসটি হাসান, সহীহাহ ১৬১৭, ১৮৬৭, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবন আমর (রহঃ) সূত্রে ফাযল ইবন মূসা (রহঃ) এর রিওয়ায়াত (৩১১৬ নং)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেন তবে এতেذروةٍ এর স্থলে ثَّرْوة শব্দ আছে।
মুহাম্মাদ ইবন আমর (রহঃ) বলেনঃالثَّرْوَةُ অর্থ ধনে জনে বলীয়ান। এটি ফাযল ইবন মূসা (রহঃ) এর রিওয়ায়ত থেকে অধিক সহীহ। এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩১১৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا ابو نعيم، عن عبد الله بن الوليد، وكان، يكون في بني عجل عن بكير بن شهاب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال اقبلت يهود الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا ابا القاسم اخبرنا عن الرعد ما هو قال " ملك من الملاىكة موكل بالسحاب معه مخاريق من نار يسوق بها السحاب حيث شاء الله " . فقالوا فما هذا الصوت الذي نسمع قال " زجره بالسحاب اذا زجره حتى ينتهي الى حيث امر " . قالوا صدقت فاخبرنا عما حرم اسراىيل على نفسه قال " اشتكى عرق النسا فلم يجد شيىا يلاىمه الا لحوم الابل والبانها فلذلك حرمها " . قالوا صدقت . قال هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩১১৭. আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, এক বার কতিপয় ইয়াহূদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এগিয়ে এসে বললঃ হে আবুল কাসিম! আপনি আমাদের বলুন, রা’দ (বজ্র) কি?
তিনি বললেনঃ মেঘ-বিষয়ে দায়িত্বশীল এক ফেরেশত। যার সঙ্গে আগুনের একটি বেত রয়েছে। এর দ্বারা আল্লাহ্ যেখানে চান সেখানেই এই ফেরেশতা মেঘ হাঁকিয়ে নিয়ে যান।
এরা বললঃ আমরা যে শব্দ শুনতে পাই তা কি? তিনি বললেনঃ এ হল মেঘ তাড়ানো হাঁক যখন তিনি মেঘ তাড়িয়ে নিয়ে যান পরিশেষে তা নির্দেশিত স্থানে গিয়ে পৌঁছে। এরা বললঃ ঠিক বলেছেন। এরপর তারা বললঃ ইসরাঈল [ইয়াকূব (আঃ)] তাঁর নিজের জন্য কি বস্ত হারাম করেছিলেন সে সম্পর্কে আমাদের বলুন।
তিনি বললেনঃ ইসরাঈল ইরকুন নাসা (সাইটিকা জাতীয়) রোগে আক্রান্ত হন। উটের মাংস ও দুধ ব্যতীত অন্য কোন জিনিস এর জন্য উপযুক্ত পান নি। তাই সে দুটো জিনিস নিজের জন্য হারাম করে ফেলেছিলেন। এরা বললঃ আপনি ঠিক বলেছেন।
সহীহ, সহীহাহ ১৮৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
তিনি বললেনঃ মেঘ-বিষয়ে দায়িত্বশীল এক ফেরেশত। যার সঙ্গে আগুনের একটি বেত রয়েছে। এর দ্বারা আল্লাহ্ যেখানে চান সেখানেই এই ফেরেশতা মেঘ হাঁকিয়ে নিয়ে যান।
এরা বললঃ আমরা যে শব্দ শুনতে পাই তা কি? তিনি বললেনঃ এ হল মেঘ তাড়ানো হাঁক যখন তিনি মেঘ তাড়িয়ে নিয়ে যান পরিশেষে তা নির্দেশিত স্থানে গিয়ে পৌঁছে। এরা বললঃ ঠিক বলেছেন। এরপর তারা বললঃ ইসরাঈল [ইয়াকূব (আঃ)] তাঁর নিজের জন্য কি বস্ত হারাম করেছিলেন সে সম্পর্কে আমাদের বলুন।
তিনি বললেনঃ ইসরাঈল ইরকুন নাসা (সাইটিকা জাতীয়) রোগে আক্রান্ত হন। উটের মাংস ও দুধ ব্যতীত অন্য কোন জিনিস এর জন্য উপযুক্ত পান নি। তাই সে দুটো জিনিস নিজের জন্য হারাম করে ফেলেছিলেন। এরা বললঃ আপনি ঠিক বলেছেন।
সহীহ, সহীহাহ ১৮৭২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩১১৮
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن خداش البغدادي، حدثنا سيف بن محمد الثوري، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( ونفضل بعضها على بعض في الاكل ) قال " الدقل والفارسي والحلو والحامض " . قال هذا حديث حسن غريب وقد رواه زيد بن ابي انيسة عن الاعمش نحو هذا . وسيف بن محمد هو اخو عمار بن محمد وعمار اثبت منه وهو ابن اخت سفيان الثوري .
৩১১৮. মাহমূদ ইবন খিদাশ বাগদাদী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর বাণীঃ (وَنُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلَى بَعْضٍ فِي الأُكُلِ) এবং ফল হিসাবে ওদের কতককে কতকের উপর আমি শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে থাকি (১৩ : ৪)। এ প্রসঙ্গে বর্ণিত তিনি বলেন, এ হল রাদ্দী, ফারসী (এক প্রকার খেজুর), মিষ্টি আর টক।
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। যায়দ ইবন আবূ উনায়সা (রহঃ) এটি আ’মাশ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সায়ফ ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) হলেন আম্মার ইবন মুহাম্মাদের ভাই। আম্মার (রহঃ) তার চাইতে অধিক নির্ভরযোগ্য। ইনি হলেন সুফইয়ান ছাওরীর ভাগনে।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। যায়দ ইবন আবূ উনায়সা (রহঃ) এটি আ’মাশ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সায়ফ ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) হলেন আম্মার ইবন মুহাম্মাদের ভাই। আম্মার (রহঃ) তার চাইতে অধিক নির্ভরযোগ্য। ইনি হলেন সুফইয়ান ছাওরীর ভাগনে।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩১১৯
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا ابو الوليد، حدثنا حماد بن سلمة، عن شعيب بن الحبحاب، عن انس بن مالك، قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بقناع عليه رطب فقال " مثل كلمة طيبة كشجرة طيبة اصلها ثابت وفرعها في السماء توتي اكلها كل حين باذن ربها قال هي النخلة : ( مثل كلمة خبيثة كشجرة خبيثة اجتثت من فوق الارض ما لها من قرار ) قال هي الحنظل " . قال فاخبرت بذلك ابا العالية فقال صدق واحسن .
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو بكر بن شعيب بن الحبحاب، عن ابيه، عن انس بن مالك، نحوه بمعناه ولم يرفعه ولم يذكر قول ابي العالية وهذا اصح من حديث حماد بن سلمة وروى غير واحد مثل هذا موقوفا ولا نعلم احدا رفعه غير حماد بن سلمة ورواه معمر وحماد بن زيد وغير واحد ولم يرفعوه .
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن شعيب بن الحبحاب، عن انس بن مالك، نحو حديث قتيبة ولم يرفعه .
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو بكر بن شعيب بن الحبحاب، عن ابيه، عن انس بن مالك، نحوه بمعناه ولم يرفعه ولم يذكر قول ابي العالية وهذا اصح من حديث حماد بن سلمة وروى غير واحد مثل هذا موقوفا ولا نعلم احدا رفعه غير حماد بن سلمة ورواه معمر وحماد بن زيد وغير واحد ولم يرفعوه .
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن شعيب بن الحبحاب، عن انس بن مالك، نحو حديث قتيبة ولم يرفعه .
৩১১৯. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে একটি খাঞ্চা আনা হল। এতে ছিল কিছু তাজা খেজুর। তিনি তখন পাঠ করলেনঃ
مَثَلُ كَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ كَشَجَرَةٍ طَيِّبَةٍ أَصْلُهَا ثَابِتٌ وَفَرْعُهَا فِي السَّمَاءِ تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا
উত্তম কথার তুলনা হল এমন গাছ যার মূল সুদৃঢ় ও যার শাখা প্রশাখা উর্ধে বিস্তৃত যা প্রত্যেক মাওসুমে তার ফল ডান করে। তার প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে ....... (১৪ঃ ২৪)। তিনি বললেন এ হল খেজুর গাছ।
مَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ اجْتُثَّتْ مِنْ فَوْقِ الأَرْضِ مَا لَهَا مِنْ قَرَارٍ
কুবাক্যের তুলনা এক মন্দ গাছ, যার মূল ভূপৃষ্ট হতে বিচ্ছিন্ন। যার কোন স্থায়িত্ব নেই (১৪ : ২৬)। তিনি বললেনঃ এ হল মাকাল গাছ।
রাবী শুআয়ব ইবন হাবহাব (রহঃ) বলেন, আমি আবুল আলিয়া (রহঃ)-কে এটি সম্পর্কে অবহিত করলে তিনি বললেনঃ সত্য ও সুন্দর বলেছেন।
মারফু বর্ণনাটি দুর্বল।
কুতায়বা (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তিনি এটি মারফু’ করেননি এবং আবুল আলিয়ার বক্তব্যটিও উল্লেখ করেননি। এটি হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এর রিওয়ায়ত থেকে অধিক সহীহ। একাধিক রাবী এটি মাওকূফরূপে রিওয়ায়ত করেছেন। হাম্মাদ ইবন সালামা ছাড়া আর কেউ মারফূ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। মা’মার, হাম্মাদ ইবন যায়দ প্রমুখ (রহঃ) এটি রিওয়ায়ত করেছেন। কিন্তু তারা এটি মারফু’ করেননি।
মাওকুফ বর্ণনার সনদ সহিহ।
আহমদ ইবন আবদা যাববী (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কুতায়বা-এর রিওয়ায়তের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটি মারফূ’ রূপে বর্ণনা করেননি।
মাওকুফ বর্ণনাটি সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
مَثَلُ كَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ كَشَجَرَةٍ طَيِّبَةٍ أَصْلُهَا ثَابِتٌ وَفَرْعُهَا فِي السَّمَاءِ تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا
উত্তম কথার তুলনা হল এমন গাছ যার মূল সুদৃঢ় ও যার শাখা প্রশাখা উর্ধে বিস্তৃত যা প্রত্যেক মাওসুমে তার ফল ডান করে। তার প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে ....... (১৪ঃ ২৪)। তিনি বললেন এ হল খেজুর গাছ।
مَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ اجْتُثَّتْ مِنْ فَوْقِ الأَرْضِ مَا لَهَا مِنْ قَرَارٍ
কুবাক্যের তুলনা এক মন্দ গাছ, যার মূল ভূপৃষ্ট হতে বিচ্ছিন্ন। যার কোন স্থায়িত্ব নেই (১৪ : ২৬)। তিনি বললেনঃ এ হল মাকাল গাছ।
রাবী শুআয়ব ইবন হাবহাব (রহঃ) বলেন, আমি আবুল আলিয়া (রহঃ)-কে এটি সম্পর্কে অবহিত করলে তিনি বললেনঃ সত্য ও সুন্দর বলেছেন।
মারফু বর্ণনাটি দুর্বল।
কুতায়বা (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তিনি এটি মারফু’ করেননি এবং আবুল আলিয়ার বক্তব্যটিও উল্লেখ করেননি। এটি হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এর রিওয়ায়ত থেকে অধিক সহীহ। একাধিক রাবী এটি মাওকূফরূপে রিওয়ায়ত করেছেন। হাম্মাদ ইবন সালামা ছাড়া আর কেউ মারফূ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। মা’মার, হাম্মাদ ইবন যায়দ প্রমুখ (রহঃ) এটি রিওয়ায়ত করেছেন। কিন্তু তারা এটি মারফু’ করেননি।
মাওকুফ বর্ণনার সনদ সহিহ।
আহমদ ইবন আবদা যাববী (রহঃ) ... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কুতায়বা-এর রিওয়ায়তের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এটি মারফূ’ রূপে বর্ণনা করেননি।
মাওকুফ বর্ণনাটি সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩১২০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، اخبرني علقمة بن مرثد، قال سمعت سعد بن عبيدة، يحدث عن البراء، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله : ( يثبت الله الذين امنوا بالقول الثابت في الحياة الدنيا وفي الاخرة ) قال " في القبر اذا قيل له من ربك وما دينك ومن نبيك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১২০. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আল্লাহর এ বাণীঃ
يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الآخِرَةِ
যারা শাশ্বত বাণীতে বিশ্বাসী ইহজীবনে ও পরজীবনে আল্লাহ্ তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন (১৪ : ২৭)। ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বর্ণিত, তিনি বলেন, কবরে যখন জিজ্ঞাসা করা হবে তোমার রব কে, তোমার দ্বীন কি, তোমার নবী কে?
সহীহ, বুখারি ৪৬৯৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الآخِرَةِ
যারা শাশ্বত বাণীতে বিশ্বাসী ইহজীবনে ও পরজীবনে আল্লাহ্ তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন (১৪ : ২৭)। ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বর্ণিত, তিনি বলেন, কবরে যখন জিজ্ঞাসা করা হবে তোমার রব কে, তোমার দ্বীন কি, তোমার নবী কে?
সহীহ, বুখারি ৪৬৯৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩১২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن داود بن ابي هند، عن الشعبي، عن مسروق، قال تلت عاىشة هذه الاية : ( يوم تبدل الارض غير الارض ) قالت يا رسول الله فاين يكون الناس قال " على الصراط " . قال هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير هذا الوجه عن عاىشة .
৩১২১. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ (يَوْمَ تُبَدَّلُ الأَرْضُ غَيْرَ الأَرْضِ) যে দিন এ পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে অন্য পৃথিবী হবে (১৪ : ৪৮)। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকেরা তখন কোথায় অবস্থান করবে? তিনি বললেনঃ সিরাতের উপর।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৭৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে একাধিক সূত্রে এটি বার্ণিত আছে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪২৭৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে একাধিক সূত্রে এটি বার্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩১২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا نوح بن قيس الحداني، عن عمرو بن مالك، عن ابي الجوزاء، عن ابن عباس، قال كانت امراة تصلي خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم - حسناء من احسن الناس فكان بعض القوم يتقدم حتى يكون في الصف الاول لىلا يراها ويستاخر بعضهم حتى يكون في الصف الموخر فاذا ركع نظر من تحت ابطيه فانزل الله : ( ولقد علمنا المستقدمين منكم ولقد علمنا المستاخرين ) . قال ابو عيسى وروى جعفر بن سليمان هذا الحديث عن عمرو بن مالك عن ابي الجوزاء نحوه ولم يذكر فيه عن ابن عباس وهذا اشبه ان يكون اصح من حديث نوح .
৩১২২. কুতায়বা (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মানুষের মাঝে সবচেয়ে সুন্দরী এক মহীলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পেছনে সালাত (নামায) আদায় করত। মুসল্লীদের কেউ সামনে অগ্রসর হয়ে প্রথম কাতারে থাকত যাতে এই মহিলার প্রতি দৃষ্টি না পড়ে আর কেউ পেছনে (পুরুষদের) শেষ কাতারে থাকত যখন রুকু করত তখন বগলের ফাঁক দিয়ে ঐ মহিলাকে দেখত। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ (وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنْكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَأْخِرِينَ) তোমাদের পূর্বে যারা গত হয়েছে আমি তাদের জানি এবং পরে যারা আসবে তাদেরও জানি (১৫ঃ ২৪)।
সহীহ, সহীহাহ ২৪৭২, আস সামার আল মুসতাত্বা-ব, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
জা’ফর ইবন সুলায়মান (রহঃ) -এ হাদীসটি’আমর ইবন মালিক-আবুল জাওযা (রহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই। এটি নূহ (রহঃ) এর রিওয়ায়ত (৩১২২ নং) অপেক্ষা অধিক সহীহ হওয়ার মত।
সহীহ, সহীহাহ ২৪৭২, আস সামার আল মুসতাত্বা-ব, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
জা’ফর ইবন সুলায়মান (রহঃ) -এ হাদীসটি’আমর ইবন মালিক-আবুল জাওযা (রহঃ) এর সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এতে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই। এটি নূহ (রহঃ) এর রিওয়ায়ত (৩১২২ নং) অপেক্ষা অধিক সহীহ হওয়ার মত।
হাদিস নং: ৩১২৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن مالك بن مغول، عن جنيد، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لجهنم سبعة ابواب باب منها لمن سل السيف على امتي او قال على امة محمد صلى الله عليه وسلم - " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث مالك بن مغول .
৩১২৩. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নামের দরজা হল সাতটি। একটি দরজা যে ব্যক্তি আমার উম্মতের বিরুদ্ধে তলোয়ার উন্মক্ত করে।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৫৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। মালিক ইবন মিগওয়াল (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই।
যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৫৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। মালিক ইবন মিগওয়াল (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই।
হাদিস নং: ৩১২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا ابو علي الحنفي، عن ابن ابي ذىب، عن المقبري، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الحمد لله ام القران وام الكتاب والسبع المثاني " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১২৪. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল হামদুলিল্লাহ্ হল, উম্মুল কুরআন, উম্মুল কিতাব ও সাবউল মাছানী (বারংবার পঠিত সাতটি আয়াত বিশিষ্ট)।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩১, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩১২৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عبد الحميد بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن ابى بن كعب، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ما انزل الله في التوراة ولا في الانجيل مثل ام القران وهي السبع المثاني وهي مقسومة بيني وبين عبدي ولعبدي ما سال " .
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج على ابى وهو يصلي فذكر نحوه بمعناه . قال ابو عيسى حديث عبد العزيز بن محمد اطول واتم وهذا اصح من حديث عبد الحميد بن جعفر هكذا روى غير واحد عن العلاء بن عبد الرحمن .
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج على ابى وهو يصلي فذكر نحوه بمعناه . قال ابو عيسى حديث عبد العزيز بن محمد اطول واتم وهذا اصح من حديث عبد الحميد بن جعفر هكذا روى غير واحد عن العلاء بن عبد الرحمن .
৩১২৫. হুসায়ন ইবন হুরায়ছ (রহঃ) ...... উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তাওরাত ও ইনজীনে উম্মুল কুরআন-এর মত যা হল সাবউল মাছানী কিছু নাযিল করেননি। এটি আমার এবং আমার বান্দার মাঝে ভাগাভাগী। আমার বান্দা যা চাইবে তা-ই তার।
সহীহ, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬, সিফাতুস সালাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উদ্দেশ্যে বের হলেন। তখন তিনি সালাত (নামায) রত ছিলেন। এরপর রাবী এ মর্মে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুল আযীয ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়তটি পরিপূর্ণ এবং দীর্ঘতর। আবদুল হামীদ ইবন জা’ফর (রহঃ) এর হাদীসের তুলনায় এটি অধিক সহীহ। একাধিক রাবী আলা ইবন আবদুর রহমান থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তা’লীকুর রাগীব ২/২১৬, সিফাতুস সালাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উদ্দেশ্যে বের হলেন। তখন তিনি সালাত (নামায) রত ছিলেন। এরপর রাবী এ মর্মে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুল আযীয ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়তটি পরিপূর্ণ এবং দীর্ঘতর। আবদুল হামীদ ইবন জা’ফর (রহঃ) এর হাদীসের তুলনায় এটি অধিক সহীহ। একাধিক রাবী আলা ইবন আবদুর রহমান থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩১২৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، عن ليث بن ابي سليم، عن بشر، عن انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : (ولنسالنهم اجمعين * عما كانوا يعملون ) قال " عن قول لا اله الا الله " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب انما نعرفه من حديث ليث بن ابي سليم . وقد روى عبد الله بن ادريس عن ليث بن ابي سليم عن بشر عن انس بن مالك نحوه ولم يرفعه .
৩১২৬. আহমদ ইবন আবদা যাব্বী (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, (ولَنَسْأَلَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ عَمَّا كَانُوا يَعْمَلُونَ) আমি তাদের সকলকে প্রশ্ন করবই, সে বিষয়ে যা তারা করে (১৫ঃ ৯২) সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই- এ বিশ্বাস প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হবে।
এ হাদীসটি গারীব। লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম (রহঃ) সূত্রেই কেবল এটি সম্পর্কে আমরা জানি। আবদুল্লাহ্ ইবন ইদারীস (রহঃ) এটি লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম ... বিশর-আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এটি মারফূ’ রূপে বর্ণনা করেননি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম (রহঃ) সূত্রেই কেবল এটি সম্পর্কে আমরা জানি। আবদুল্লাহ্ ইবন ইদারীস (রহঃ) এটি লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম ... বিশর-আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এটি মারফূ’ রূপে বর্ণনা করেননি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩১২৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا احمد بن ابي الطيب، حدثنا مصعب بن سلام، عن عمرو بن قيس، عن عطية، عن ابي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتقوا فراسة المومن فانه ينظر بنور الله " . ثم قرا : ( ان في ذلك لايات للمتوسمين ) . قال ابو عيسى هذا حديث غريب انما نعرفه من هذا الوجه وقد روي عن بعض اهل العلم في تفسير هذه الاية : ( ان في ذلك لايات للمتوسمين ) قال للمتفرسين .
৩১২৭. মুাহাম্মদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) .... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুমিনের অন্তর্দৃষ্টি সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। কেননা সে আল্লাহর নূর দেখে। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ (إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَاتٍ لِلْمُتَوَسِّمِينَ) অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে পর্যবেক্ষণ শক্তি সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য (১৫ঃ ৭৫)।
যঈফ যঈফা ১৮২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। কোন কোন আলিম থেকে এ আয়াতটির তাফসীর প্রসঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে যেঃ (إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَاتٍ لِلْمُتَوَسِّمِينَ) অর্থ অর্ন্তদৃষ্টি সম্পন্ন।
যঈফ যঈফা ১৮২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। কোন কোন আলিম থেকে এ আয়াতটির তাফসীর প্রসঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে যেঃ (إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَاتٍ لِلْمُتَوَسِّمِينَ) অর্থ অর্ন্তদৃষ্টি সম্পন্ন।
হাদিস নং: ৩১২৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا علي بن عاصم، عن يحيى البكاء، حدثني عبد الله بن عمر، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اربع قبل الظهر بعد الزوال تحسب بمثلهن في صلاة السحر " . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وليس من شيء الا وهو يسبح الله تلك الساعة " . ثم قرا : ( يتفيا ظلاله عن اليمين والشماىل سجدا لله ) الاية كلها . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث علي بن عاصم .
৩১২৮. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সূর্য পশ্চিম দিকে হেলার পর এবং যুহরের পূর্বে চার রাকআত সালাত (নামায) আদায় সাহারীর সময় সে পরিমাণ সালাত (নামায) আদায়ের সমতুল্য। রাসুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেনঃ এমন কোন জিনিস নেই যা এ সময় আল্লাহর তাসবীহ করে না। এরপর তিনি পাঠ করেনঃ (يَتَفَيَّأُ ظِلاَلُهُ عَنِ الْيَمِينِ وَالشَّمَائِلِ سُجَّدًا لِلَّهِ) যার ছায়া দক্ষিণে ও বামে ঢলে পড়ে আল্লাহর প্রতি সিজদবনত হয় (১৬ঃ ৪৮)।
যঈফ, সহীহাহ ১৪৩১ নং হাদিস এর অধীনে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব আলী ইবন আসিম (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই।
যঈফ, সহীহাহ ১৪৩১ নং হাদিস এর অধীনে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব আলী ইবন আসিম (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই।
হাদিস নং: ৩১২৯
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن انس، عن ابي العالية، قال حدثني ابى بن كعب، قال لما كان يوم احد اصيب من الانصار اربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الانصار لىن اصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فانزل الله ( وان عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولىن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم الا اربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث ابى بن كعب .
৩১২৯. আবু আম্মার হুসায়ন ইবন হুরায়ছ (রহঃ) ..... উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উহুদ যুদ্ধে আনসারীদের চৌষট্রি জন এবং মুহাজিরদের ছয় জন শহীদ হন। এই ছয় জনের মধ্যে হামযা অন্যতম। কাফিররা তাঁর লাশ বিকৃত করে। আনসারীরা বললেনঃ আমরাও যদি এই দিনের মত একটা দিন পাই তবে তাদের চাইতে বহুগুণ বেশী তাদের লাশ বিকৃত করব। পরে মক্কা বিজয়ের সময় আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত নাযিল করেনঃ
وَإِنْ عَاقَبْتُمْ فَعَاقِبُوا بِمِثْلِ مَا عُوقِبْتُمْ بِهِ وَلَئِنْ صَبَرْتُمْ لَهُوَ خَيْرٌ لِلصَّابِرِينَ
যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঠিক ততখনি করবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। তোমরা ধৈর্যধারণ করলে তাই তো উত্তম ধৈর্যশীলদের জন্য (১৬ঃ ১২৬)।
এক ব্যক্তি বললঃ আজকের দিনের পর আর কুরায়শ কেউ থাকবে না। রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ চার জন ছাড়া কুরায়শদের হত্যা করা থেকে বিরত থাকবে।
উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
وَإِنْ عَاقَبْتُمْ فَعَاقِبُوا بِمِثْلِ مَا عُوقِبْتُمْ بِهِ وَلَئِنْ صَبَرْتُمْ لَهُوَ خَيْرٌ لِلصَّابِرِينَ
যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঠিক ততখনি করবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। তোমরা ধৈর্যধারণ করলে তাই তো উত্তম ধৈর্যশীলদের জন্য (১৬ঃ ১২৬)।
এক ব্যক্তি বললঃ আজকের দিনের পর আর কুরায়শ কেউ থাকবে না। রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ চার জন ছাড়া কুরায়শদের হত্যা করা থেকে বিরত থাকবে।
উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত হিসাবে হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১২৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]