হাদিস নং: ৩০৭০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا محمد بن فضيل، عن داود الاودي، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله، قال من سره ان ينظر الى الصحيفة التي عليها خاتم محمد صلى الله عليه وسلم فليقرا هذه الايات : ( قل تعالوا اتل ما حرم ربكم عليكم ) الاية الى قوله : ( لعلكم تتقون ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب .
৩০৭০. ফাযল ইবনুল সাব্বাহ বাগদাদী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে সাহীফা (ক্ষুদ্র পুস্তিকা)-এর উপর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মোহরাঙ্কিত হয়েছে সেই সাহীফা দর্শন যাকে আনন্দ দেয় সে যেন এই আয়াতগুলো পাঠ করেঃ
قُلْ تَعَالَوْا أَتْلُ مَا حَرَّمَ رَبُّكُمْ عَلَيْكُمْ الآيَةَ إِلَى قَوْلِهِ ... لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
قُلْ تَعَالَوْا أَتْلُ مَا حَرَّمَ رَبُّكُمْ عَلَيْكُمْ الآيَةَ إِلَى قَوْلِهِ ... لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৭১
সহিহ (Sahih)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابي، عن ابن ابي ليلى، عن عطية، عن ابي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله عز وجل : (او ياتي بعض ايات ربك ) قال طلوع الشمس من مغربها . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ورواه بعضهم ولم يرفعه .
৩০৭১. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী’ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, (أَوْ يَأْتِيَ بَعْضُ آيَاتِ رَبِّكَ) আয়াত প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ নিদর্শন হল পশ্চিম থেকে সূর্যোদয়। সহীহ, মুসলিম ১/৯৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি গারীব। কোন কোন রাবী এটিকে মারফূ’ হিসাবে রিওয়ায়ত করেননি।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি গারীব। কোন কোন রাবী এটিকে মারফূ’ হিসাবে রিওয়ায়ত করেননি।
হাদিস নং: ৩০৭২
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، عن فضيل بن غزوان، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ثلاث اذا خرجن : (لم ينفع نفسا ايمانها لم تكن امنت من قبل ) الاية الدجال والدابة وطلوع الشمس من المغرب او من مغربها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০৭২. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিনটি বিষয় যখন প্রকাশিত হবে, ইতিপূর্বে যে ঈমান আনে নি (বা ঈমান অনুযায়ী নেক আমল করে নি) সে সময় ঈমান আনায় তার কোন উপকার হবে নাঃ
لَمْ يَنْفَعْ نَفْسًا إِيمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ
দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরদ, পশ্চিমাকাশে সূর্যোদয়।
সহীহ, মুসলিম ১/৯৫-৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
لَمْ يَنْفَعْ نَفْسًا إِيمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ
দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরদ, পশ্চিমাকাশে সূর্যোদয়।
সহীহ, মুসলিম ১/৯৫-৯৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قال الله عز وجل وقوله الحق اذا هم عبدي بحسنة فاكتبوها له حسنة فان عملها فاكتبوها له بعشر امثالها واذا هم بسيىة فلا تكتبوها فان عملها فاكتبوها بمثلها فان تركها وربما قال لم يعمل بها فاكتبوها له حسنة ثم قرا : ( من جاء بالحسنة فله عشر امثالها ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০৭৩. ইবন আবী উমর (রহঃ) ....... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বলেন- আর তাঁর কথা হক - আমার বান্দা যখন কোন নেক কাজের ইচ্ছা করে তখনই তার একটা নেকী লিখবে। আর যখন সেই নেক সে সম্পাদন করবে তখন একটার জন্য দশগুণ করে নেকী লিখবে। আর যখন কোন বদকাজ করার ইচ্ছা করে তখন সে যদি তা সম্পাদন করে তবে এর সমপরিমাণ বদী লিখবে আর যদি তা না করে তবে তার জন্য একটা নেকী লিখবে। এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেনঃ (مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا)।
সহীহ, রাওযুন নাযীর ২/৭৪২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, রাওযুন নাযীর ২/৭৪২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩০৭৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم قرا هذه الاية : ( فلما تجلى ربه للجبل جعله دكا ) قال حماد هكذا وامسك سليمان بطرف ابهامه على انملة اصبعه اليمنى قال فساخ الجبل ( وخر موسى صعقا ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه الا من حديث حماد بن سلمة .
حدثنا عبد الوهاب الوراق البغدادي، حدثنا معاذ بن معاذ، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . هذا حديث حسن .
حدثنا عبد الوهاب الوراق البغدادي، حدثنا معاذ بن معاذ، عن حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . هذا حديث حسن .
৩০৭৪. আবদুল্লাহ্ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ....... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন এই আয়াতটি পাঠ করলেনঃ (فَلََمَّا تَجَلَّى رَبُّهُ لِلْجَبَلِ جَعَلَهُ دَكًّا) রাবী হাম্মাদ (রহঃ) তাজাল্লীর রূপ দেখাতে যেয়ে বলেছেনঃ এইরূপে। আর সুলায়মান (রহঃ) এর ব্যাখ্যায় তার বৃদ্ধাঙ্গুলির কিনারা দিয়ে ডান হাতের অঙ্গুলিগুলোর মাথা স্পর্শ করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ অনন্তর এই তাজাল্লীতে পাহাড়টি ধ্বসে যায় আর মূসা (আঃ) বেহুঁশ হয়ে পড়েন।
সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৪৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ গারীব। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) -এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবদুল ওয়াহাব ওয়াররক বাগদাদী (রহঃ) আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
সহীহ, যিলালুল জান্নাত ৪৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ গারীব। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) -এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবদুল ওয়াহাব ওয়াররক বাগদাদী (রহঃ) আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
(আবু ঈসা বলেন)এই হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ৩০৭৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن انس، عن زيد بن ابي انيسة، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن مسلم بن يسار الجهني، ان عمر بن الخطاب، سىل عن هذه الاية ( واذ اخذ ربك من بني ادم من ظهورهم ذريتهم واشهدهم على انفسهم الست بربكم قالوا بلى شهدنا ان تقولوا يوم القيامة انا كنا عن هذا غافلين ) قال عمر بن الخطاب سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم سىل عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله خلق ادم ثم مسح ظهره بيمينه فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هولاء للجنة وبعمل اهل الجنة يعملون ثم مسح ظهره فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هولاء للنار وبعمل اهل النار يعملون " . فقال رجل يا رسول الله ففيم العمل قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله اذا خلق العبد للجنة استعمله بعمل اهل الجنة حتى يموت على عمل من اعمال اهل الجنة فيدخله الله الجنة واذا خلق العبد للنار استعمله بعمل اهل النار حتى يموت على عمل من اعمال اهل النار فيدخله الله النار " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . ومسلم بن يسار لم يسمع من عمر وقد ذكر بعضهم في هذا الاسناد بين مسلم بن يسار وبين عمر رجلا مجهولا .
৩০৭৫. আনসারী (রহঃ) ..... মুসলিম ইবন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উমর ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে এই আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলঃ
وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُولُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَذَا غَافِلِينَ
উমর ইবন খাত্তাবরাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কেও এই বিষয়ে প্রশ্ন হতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা আদমকে সৃষ্টি করে তাঁর ডান হাত তার ডান দিক থেকে পিঠে বুলালেন, ফলে তা থেকে তার একদল সন্তান-সন্ততি সৃষ্টি হল। আল্লাহ্ বললেনঃ আমি এদের জান্নাতের জন্য এবং জান্নাতবাসীদের আমলে আমল করার জন্য বানিয়েছি।
এরপর তিনি আদমের পিঠে হাত বুলালেন, এতে তার একদল সন্তান-সন্ততি সৃষ্টি হল। আল্লাহ্ তা’আলা বললেনঃ এদের জাহান্নামের জন্য এবং জাহান্নামবাসীদের আমলে আমল করার জন্য বানিয়েছি। এক ব্যক্তি বললঃ তাহলে আর আমরা কিসের জন্য আমল করব, ইয়া রাসূলাল্লাহ্?
রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন জান্নাতের জন্য তার কোন বান্দাকে সৃষ্টি করেন তাকে দিয়ে জান্নাতবাসীদের আমল করান। মৃত্যু পর্যন্ত সে জান্নাতবাসী হওয়ার কোন না কোন আমলে আমল করে যায়। অনন্তর আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে দাখিল করে দেন। আর যদি কোন বান্দাকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেন তবে তাকে দিয়ে তিনি জাহান্নাবাসীদের আমল করান। মৃত্যু পর্যন্ত সে জাহান্নামীদের কোন না কোন আমল করে যায়। পরিণামে তিনি তাকে জাহান্নামে দাখিল করেন।
যঈফ, আয যিলাল ১৯৬, যঈফা ৩০৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। রাবী মুসলিম ইবন ইয়াসার সরাসরি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস শুনেন নি। কেউ কেউ এই সনদে মুসলিম ইবন ইয়াসার এবং উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মাঝে আর একজনের উল্লেখ করেছেন।
وَإِذْ أَخَذَ رَبُّكَ مِنْ بَنِي آدَمَ مِنْ ظُهُورِهِمْ ذُرِّيَّتَهُمْ وَأَشْهَدَهُمْ عَلَى أَنْفُسِهِمْ أَلَسْتُ بِرَبِّكُمْ قَالُوا بَلَى شَهِدْنَا أَنْ تَقُولُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّا كُنَّا عَنْ هَذَا غَافِلِينَ
উমর ইবন খাত্তাবরাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কেও এই বিষয়ে প্রশ্ন হতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাআলা আদমকে সৃষ্টি করে তাঁর ডান হাত তার ডান দিক থেকে পিঠে বুলালেন, ফলে তা থেকে তার একদল সন্তান-সন্ততি সৃষ্টি হল। আল্লাহ্ বললেনঃ আমি এদের জান্নাতের জন্য এবং জান্নাতবাসীদের আমলে আমল করার জন্য বানিয়েছি।
এরপর তিনি আদমের পিঠে হাত বুলালেন, এতে তার একদল সন্তান-সন্ততি সৃষ্টি হল। আল্লাহ্ তা’আলা বললেনঃ এদের জাহান্নামের জন্য এবং জাহান্নামবাসীদের আমলে আমল করার জন্য বানিয়েছি। এক ব্যক্তি বললঃ তাহলে আর আমরা কিসের জন্য আমল করব, ইয়া রাসূলাল্লাহ্?
রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন জান্নাতের জন্য তার কোন বান্দাকে সৃষ্টি করেন তাকে দিয়ে জান্নাতবাসীদের আমল করান। মৃত্যু পর্যন্ত সে জান্নাতবাসী হওয়ার কোন না কোন আমলে আমল করে যায়। অনন্তর আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে দাখিল করে দেন। আর যদি কোন বান্দাকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেন তবে তাকে দিয়ে তিনি জাহান্নাবাসীদের আমল করান। মৃত্যু পর্যন্ত সে জাহান্নামীদের কোন না কোন আমল করে যায়। পরিণামে তিনি তাকে জাহান্নামে দাখিল করেন।
যঈফ, আয যিলাল ১৯৬, যঈফা ৩০৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। রাবী মুসলিম ইবন ইয়াসার সরাসরি উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীস শুনেন নি। কেউ কেউ এই সনদে মুসলিম ইবন ইয়াসার এবং উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মাঝে আর একজনের উল্লেখ করেছেন।
হাদিস নং: ৩০৭৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا ابو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن اسلم، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما خلق الله ادم مسح ظهره فسقط من ظهره كل نسمة هو خالقها من ذريته الى يوم القيامة وجعل بين عينى كل انسان منهم وبيصا من نور ثم عرضهم على ادم فقال اى رب من هولاء قال هولاء ذريتك فراى رجلا منهم فاعجبه وبيص ما بين عينيه فقال اى رب من هذا فقال هذا رجل من اخر الامم من ذريتك يقال له داود . فقال رب كم جعلت عمره قال ستين سنة قال اى رب زده من عمري اربعين سنة . فلما انقضى عمر ادم جاءه ملك الموت فقال اولم يبق من عمري اربعون سنة قال اولم تعطها ابنك داود قال فجحد ادم فجحدت ذريته ونسي ادم فنسيت ذريته وخطى ادم فخطىت ذريته " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৩০৭৬. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন আদম সৃষ্টি করলেন তখন তাঁর পিঠে হাত বুলালেন। এতে তাঁর যে সব সন্তান-সন্ততি কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহ্ তা’আলা সৃষ্টি করবেন সব প্রাণই তাঁর পিঠ থেকে বের হয়ে এল। প্রত্যেকটি মানুষের দু’চোখের মাঝে জ্যোতির ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করলেন। এরপর তাদের আদম (আঃ)-এর সামনে পেশ করলন। তিনি বললেনঃ হে পরওয়ারদিগার এরা কারা? আল্লাহ্ বললেনঃ এরা তোমার বংশধর।
আদম (আঃ) এদের আরো একজনকে দেখলেন। তার দু’চোখের মাঝের উজ্জ্বলতায় তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেনঃ হে আমার রব! এইটি কে? আল্লাহ্ বললেনঃ এ হলো তোমার সন্তানদের শেষের দিকের উম্মতদের একজন। তার নাম দাঊদ। আদম (আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! তার বয়স কত নির্ধারণ করেছেন?
আল্লাহ্ বললেনঃ ষাট বছর।
আদম (আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! আমার বয়স থেকে চল্লিশ বছর একে দিয়ে দিন।
পরে আদমের বয়স শেষ হলে মৃত্যুর ফিরিশতা তাঁর জান কবয করতে এলেন। আদম (আঃ) বললেনঃ আমার বয়স থেকে তো এখনও চল্লিশ বছর বাকী।
মৃত্যুর ফিরিশতা বললেনঃ আপনি তো তা আপনারবংশধরর দাউদকে দিয়েছিলেন।
আদম (আঃ) অস্বীকার করলেন ফলে তার বংশধররাও অস্বীকার করে; আদম ভূলে যান তাঁর সন্তানরাও ভূলে যায়; আদম ভূল করেন তাঁর সন্তানরাও ভূল করে।
সহীহ, আয যিলাল ২০৬, তাখরিজুত তাহাবীয়া ২২০, ২২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে।
আদম (আঃ) এদের আরো একজনকে দেখলেন। তার দু’চোখের মাঝের উজ্জ্বলতায় তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেনঃ হে আমার রব! এইটি কে? আল্লাহ্ বললেনঃ এ হলো তোমার সন্তানদের শেষের দিকের উম্মতদের একজন। তার নাম দাঊদ। আদম (আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! তার বয়স কত নির্ধারণ করেছেন?
আল্লাহ্ বললেনঃ ষাট বছর।
আদম (আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! আমার বয়স থেকে চল্লিশ বছর একে দিয়ে দিন।
পরে আদমের বয়স শেষ হলে মৃত্যুর ফিরিশতা তাঁর জান কবয করতে এলেন। আদম (আঃ) বললেনঃ আমার বয়স থেকে তো এখনও চল্লিশ বছর বাকী।
মৃত্যুর ফিরিশতা বললেনঃ আপনি তো তা আপনারবংশধরর দাউদকে দিয়েছিলেন।
আদম (আঃ) অস্বীকার করলেন ফলে তার বংশধররাও অস্বীকার করে; আদম ভূলে যান তাঁর সন্তানরাও ভূলে যায়; আদম ভূল করেন তাঁর সন্তানরাও ভূল করে।
সহীহ, আয যিলাল ২০৬, তাখরিজুত তাহাবীয়া ২২০, ২২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবূ হুরায়রা ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩০৭৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عمر بن ابراهيم، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لما حملت حواء طاف بها ابليس وكان لا يعيش لها ولد فقال سميه عبد الحارث . فسمته عبد الحارث فعاش وكان ذلك من وحى الشيطان وامره " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه مرفوعا الا من حديث عمر بن ابراهيم عن قتادة . ورواه بعضهم عن عبد الصمد ولم يرفعه
৩০৭৭. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না ..... সামুরা ইবন জুন্দব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হাওয়া (আঃ) গর্ভবর্তী হলে ইবলীস তাঁর কাছে এল, হাওয়া (আঃ)-এর সন্তান বাঁচত না। ইবলীস তাঁকে বলেনঃ এবার এর নাম রাখবেন আবদুল হারিছ। যা হোক, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তিনি এর নাম আবদুল হারিছ রাখলেন। অনন্তর এটি জীবিত থাকে। এ ছিল শয়তানের প্ররোচণা ও মন্ত্রণা।
যঈফ, যঈফা ৩৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। উমার ইবন ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই। কেউ কেউ এটিকে আবদুস সামাদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সেটি মারফূ’ করেননি।
যঈফ, যঈফা ৩৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। উমার ইবন ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই। কেউ কেউ এটিকে আবদুস সামাদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সেটি মারফূ’ করেননি।
হাদিস নং: ৩০৭৮
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن ابيه، قال لما كان يوم بدر جىت بسيف فقلت يا رسول الله ان الله قد شفى صدري من المشركين او نحو هذا هب لي هذا السيف . فقال " هذا ليس لي ولا لك " . فقلت عسى ان يعطى هذا من لا يبلي بلاىي فجاءني الرسول فقال " انك سالتني وليس لي وقد صار لي وهو لك " . قال فنزلت : ( يسالونك عن الانفال ) الاية . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد ايضا . وفي الباب عن عبادة بن الصامت .
৩০৭৮. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... মুসআব ইবন সা’দ তার পিতা সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বদর যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে এলাম। বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আল্লাহ্ আ’আলা মুশরিকের ব্যাপারে (তাদের পরাজিত করে) আমার হৃদয়কে শান্তি দান করেছেন। অথবা এরূপ কিছু বললেন। আপনি আমাকে এই তলোয়ারটি দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয় তোমারও নয়। আমি বললামঃ আমার আশংকা হয় এটি এমন কাউকে দেওয়া হবে, যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হতে পারবে না। পরে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এসে বললেনঃ তুমি এটি আমার কাছে চেয়েছিলে। তখন তো এটি আমার অধিকার ভূক্ত ছিল না। এখন এটি আমার হয়ে গেছে। সুতরাং এটি তোমাকে দিলাম। তখন এই আয়াত নাযিল হয়ঃ (يَسْأَلُونَكَ عَنِ الأَنْفَالِ)।
হাসান সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৭৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। সিমাক (রহঃ)-ও এটি মুসআব ইবন সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে উবাদা সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাসান সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ২৭৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। সিমাক (রহঃ)-ও এটি মুসআব ইবন সা’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে উবাদা সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩০৭৯
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن اسراىيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من بدر قيل له عليك العير ليس دونها شيء قال فناداه العباس وهو في وثاقه لا يصلح وقال لان الله وعدك احدى الطاىفتين وقد اعطاك ما وعدك قال " صدقت " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩০৭৯. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) .... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বদর যুদ্ধ থেকে অবসর হলেন তখন তাঁকে বলা হল, কাফেলাটির উপর আপনি আক্রমণ করুন। কারণ, তাদের রক্ষাকারী কেউ নেই। তখন আব্বাস- যিনি তখন যুদ্ধবন্দী ছিলেন- তাঁকে ডাক দিয়ে বললেন, কাফেলার উপর আক্রমণ করা ঠিক হবে না। কারণ, আল্লাহ্ তা’আলা তো আপনার সঙ্গে দু’টো দলের একটির ওয়াদা করেছিলেন। আর তিনি যা ওয়াদা করেছিলেন, তিনি তা আপনাকে প্রদান করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আপনি সত্যি বলেছেন।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৮০
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا ابو زميل، حدثنا عبد الله بن عباس، حدثنا عمر بن الخطاب، قال نظر نبي الله صلى الله عليه وسلم الى المشركين وهم الف واصحابه ثلاثماىة وبضعة عشر رجلا فاستقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم القبلة ثم مد يديه وجعل يهتف بربه " اللهم انجز لي ما وعدتني اللهم اتني ما وعدتني اللهم ان تهلك هذه العصابة من اهل الاسلام لا تعبد في الارض " . فما زال يهتف بربه مادا يديه مستقبل القبلة حتى سقط رداوه من منكبيه فاتاه ابو بكر فاخذ رداءه فالقاه على منكبيه ثم التزمه من وراىه فقال يا نبي الله كفاك مناشدتك ربك فانه سينجز لك ما وعدك فانزل الله : (اذ تستغيثون ربكم فاستجاب لكم اني ممدكم بالف من الملاىكة مردفين ) فامدهم الله بالملاىكة . قال هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه من حديث عمر الا من حديث عكرمة بن عمار عن ابي زميل وابو زميل اسمه سماك الحنفي وانما كان هذا يوم بدر .
৩০৮০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... উমর ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ (বদরের দিন) আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুশরিকদের দিকে তাকালেন। এরা ছিল এক হাজার। আর তাঁর সঙ্গীরা ছিলেন তিনশ দশের কিছু অধিক। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলার দিকে ফিরে হাত তুলে তাঁর রবকে ডাকতে লাগলেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি যে ওয়াদা আমার সঙ্গে করেছ তা পূরণ কর। হে আল্লাহ্! এই মুসলিমদের এই ক্ষুদ্র দলটিকে যদি আজ তুমি ধ্বংশ করে দাও তবে তো পৃথিবীতে আর তোমার ইবাদত করা হবে না।
কিবলার দিকে ফিরে হাত তুলে তিনি তাঁর রবকে ডাকতেই থাকলেন এমনকি তাঁর গায়েব বাদর কাঁধ থেকে গড়িয়ে পড়ে। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর কাছে এসে চাদরটি তাঁর কাঁধে তুলে দিলেন এবং পেছন দিক থেকে তাঁকে চেপে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহর নবী! আপনার কাছে আপনার এই আহবান যথেষ্ট হয়েছে। তিনি অবশ্যই আপনার সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার আজ পূর্ণ করবেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ
إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّي مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ مُرْدِفِينَ
যখন তুমি তোমার প্রভুর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছিলে তখন তিনি তা কবুল করলেন। অতএব আল্লাহ্ তা’আলা মুসলিমদের ফিরিশতা পাঠিয়ে সাহায্য করলেন। [আনফালঃ ৯]
হাসান, মুসলিম ৫/১৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। ইকরিমা ইবন আম্মার-আবূ যুমায়ল (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর এ হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবূ যুমায়ল (রহঃ) এর নাম সিমাক হানাফী। রাবী বলেনঃ হাদীসোক্ত ঘটনাটি ছিল বদর যুদ্ধের।
কিবলার দিকে ফিরে হাত তুলে তিনি তাঁর রবকে ডাকতেই থাকলেন এমনকি তাঁর গায়েব বাদর কাঁধ থেকে গড়িয়ে পড়ে। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর কাছে এসে চাদরটি তাঁর কাঁধে তুলে দিলেন এবং পেছন দিক থেকে তাঁকে চেপে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহর নবী! আপনার কাছে আপনার এই আহবান যথেষ্ট হয়েছে। তিনি অবশ্যই আপনার সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার আজ পূর্ণ করবেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা নাযিল করেনঃ
إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّي مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ مُرْدِفِينَ
যখন তুমি তোমার প্রভুর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছিলে তখন তিনি তা কবুল করলেন। অতএব আল্লাহ্ তা’আলা মুসলিমদের ফিরিশতা পাঠিয়ে সাহায্য করলেন। [আনফালঃ ৯]
হাসান, মুসলিম ৫/১৫৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। ইকরিমা ইবন আম্মার-আবূ যুমায়ল (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর এ হাদীসটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আবূ যুমায়ল (রহঃ) এর নাম সিমাক হানাফী। রাবী বলেনঃ হাদীসোক্ত ঘটনাটি ছিল বদর যুদ্ধের।
হাদিস নং: ৩০৮১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابن نمير، عن اسماعيل بن ابراهيم بن مهاجر، عن عباد بن يوسف، عن ابي بردة بن ابي موسى، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انزل الله على امانين لامتي : ( وما كان الله ليعذبهم وانت فيهم ) ( وما كان الله معذبهم وهم يستغفرون ) اذا مضيت تركت فيهم الاستغفار الى يوم القيامة " . هذا حديث غريب . واسماعيل بن ابراهيم بن مهاجر يضعف في الحديث .
৩০৮১. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী’ (রহঃ) ..... আবূ বুরদা ইবন আবূ মূসা তার পিতা আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আমার উম্মতের দু’টো নিরাপত্তার উপায় নাযিল করেছেনঃ
وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ ** وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ
আল্লাহ্ এমন নন যে, আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন অথচ তিনি তাদের শাস্তি দিবেন; এবং আল্লাহ্ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে অথচ তিনি তাদের শাস্তি দিবেন। (আনফাল ৮ঃ ৩৩)
আমি যখন চলে যাব তখন কিয়ামত পর্যন্ত তাদের জন্য ’ইস্তিগফার’-এর উপায়টি রেখে যাব।
হাদীসটি গারীব। ইসমাঈল ইবন ইবরাহীমকে হাদীস রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে দুর্বল বলা হয়।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ ** وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ
আল্লাহ্ এমন নন যে, আপনি তাদের মধ্যে থাকবেন অথচ তিনি তাদের শাস্তি দিবেন; এবং আল্লাহ্ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে অথচ তিনি তাদের শাস্তি দিবেন। (আনফাল ৮ঃ ৩৩)
আমি যখন চলে যাব তখন কিয়ামত পর্যন্ত তাদের জন্য ’ইস্তিগফার’-এর উপায়টি রেখে যাব।
হাদীসটি গারীব। ইসমাঈল ইবন ইবরাহীমকে হাদীস রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে দুর্বল বলা হয়।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৮২
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن اسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قرا هذه الاية على المنبر : ( واعدوا لهم ما استطعتم من قوة ) قال " الا ان القوة الرمى ثلاث مرات الا ان الله سيفتح لكم الارض وستكفون المونة فلا يعجزن احدكم ان يلهو باسهمه " . قال ابو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن اسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه ابو اسامة وغير واحد وحديث وكيع اصح . وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد ادرك ابن عمر .
৩০৮২. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেনঃ (وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ) পরে তিনবার বললেনঃ জেনে রাখ, শক্তি হল, তীর নিক্ষেপ। জেনে রাখ, অচিরেই তোমাদের হাতে পৃথিবী বিজীত হবে এবং তোমাদের নিজে ব্যয়-ভারের চিন্তা থেকে মুক্ত করে দেওয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজীর অনুশীলনী থেকে কেউ যেন কখনো তোমাদের বিরত না রাখে।
হাসান সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮১৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে উসামা ইবন যায়দ-সালিহ ইবন কায়সান-উকবা ইবন আমির সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ওয়াকী’-এর রিওয়ায়তটি অধিক সহীহ। সালিহ ইবন কায়সার উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পান নি। তবে তিনি ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পেয়েছেন।
হাসান সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮১৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
কোন কোন রাবী এই হাদীসটিকে উসামা ইবন যায়দ-সালিহ ইবন কায়সান-উকবা ইবন আমির সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ওয়াকী’-এর রিওয়ায়তটি অধিক সহীহ। সালিহ ইবন কায়সার উকবা ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পান নি। তবে তিনি ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পেয়েছেন।
হাদিস নং: ৩০৮৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن عمرو بن مرة، عن ابي عبيدة بن عبد الله، عن عبد الله بن مسعود، قال لما كان يوم بدر وجيء بالاسارى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تقولون في هولاء الاسارى " . فذكر في الحديث قصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا ينفلتن منهم احد الا بفداء او ضرب عنق " . قال عبد الله بن مسعود فقلت يا رسول الله الا سهيل بن بيضاء فاني قد سمعته يذكر الاسلام . قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فما رايتني في يوم اخوف ان تقع على حجارة من السماء مني في ذلك اليوم قال حتى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا سهيل ابن بيضاء " . قال ونزل القران بقول عمر : ( وما كان لنبي ان يكون له اسرى حتى يثخن في الارض ) الى اخر الايات . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وابو عبيدة بن عبد الله لم يسمع من ابيه .
৩০৮৩. হান্নাদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, বদরের সময় যখন বন্দীদের নিয়ে আসা হয় তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই বন্দীদের সম্বন্ধে তোমাদের মতামত কি? এরপর রাবী এ হাদীস একটি ঘটনা বর্ণনা করেনঃ
وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَكُونَ لَهُ أَسْرَى حَتَّى يُثْخِنَ فِي الأَرْضِ
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুক্তিপণ প্রদান বা শিরোচ্ছেদ ব্যতিরেকে এরা কেউ ছুটতে পারবে না। আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ্! তবে সুহায়ল ইবন বায়যা ছাড়া। কেননা, আমি তাঁকে ইসলামের আলোচনা করতে শুনেছি।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা শুনে নীরব রইলেন। আমার মাথার উপর আসমান থেকে পাথর ভেঙ্গে পড়বে এই আশংকার চেয়েও আজকের দিন আমি বেশী শঙ্কিত ছিলাম। অবশেষে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সুহায়ল ইবন বায়যা ছাড়া। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেনঃ এই সময় উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বক্তব্যের সমর্থনে কুরআনের এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
لَوْلاَ كِتَابٌ مِنَ اللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمْ فِيمَا أَخَذْتُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কোন নবীর জন্য সঙ্গত নয় শত্রুকে ব্যাপকভাবে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। আবূ উবায়দা ইবন আবদুল্লাহ সরাসরি তাঁর পিতা আবদুল্লাহ্ থেকে হাদীস শ্রবণ করেননি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
وَمَا كَانَ لِنَبِيٍّ أَنْ يَكُونَ لَهُ أَسْرَى حَتَّى يُثْخِنَ فِي الأَرْضِ
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুক্তিপণ প্রদান বা শিরোচ্ছেদ ব্যতিরেকে এরা কেউ ছুটতে পারবে না। আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ্! তবে সুহায়ল ইবন বায়যা ছাড়া। কেননা, আমি তাঁকে ইসলামের আলোচনা করতে শুনেছি।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা শুনে নীরব রইলেন। আমার মাথার উপর আসমান থেকে পাথর ভেঙ্গে পড়বে এই আশংকার চেয়েও আজকের দিন আমি বেশী শঙ্কিত ছিলাম। অবশেষে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সুহায়ল ইবন বায়যা ছাড়া। ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেনঃ এই সময় উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বক্তব্যের সমর্থনে কুরআনের এই আয়াত নাযিল হয়ঃ
لَوْلاَ كِتَابٌ مِنَ اللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمْ فِيمَا أَخَذْتُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কোন নবীর জন্য সঙ্গত নয় শত্রুকে ব্যাপকভাবে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা ...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। আবূ উবায়দা ইবন আবদুল্লাহ সরাসরি তাঁর পিতা আবদুল্লাহ্ থেকে হাদীস শ্রবণ করেননি।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৮৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرني معاوية بن عمرو، عن زاىدة، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لم تحل الغناىم لاحد سود الرءوس من قبلكم كانت تنزل نار من السماء فتاكلها " . قال سليمان الاعمش فمن يقول هذا الا ابو هريرة الان فلما كان يوم بدر وقعوا في الغناىم قبل ان تحل لهم فانزل الله تعالى : (لولا كتاب من الله سبق لمسكم فيما اخذتم عذاب عظيم ) قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب
৩০৮৪. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববির্তী বনি আদমের কারো জন্য গনীমত লব্ধ মাল হালাল ছিল না। আকাশ থেকে আগুন নেমে আসত এবং তা গ্রাস করে ফেলত।
সুলায়মান আল-আ’মাশ বললেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া আজকের দিনে এ হাদীস আর কে বলতে পারে? বদরের সময় সাহাবীরা হালাল বলে ঘোষিত হওয়ার পূর্বই গনীমত ব্যবহারে লিপ্ত হয়ে পড়েন। তখন আল্লাহ্ তাআলা এই আয়াত নাযিল করেনঃ
لَوْلاَ كِتَابٌ مِنَ اللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمْ فِيمَا أَخَذْتُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
আল্লাহর পূর্বে বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ তার জন্য তোমাদের উপর মহাশাস্তি আপতিত হতো। [আনফালঃ ৬৮]
সহীহ, সহীহাহ ২১৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সুলায়মান আল-আ’মাশ বললেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া আজকের দিনে এ হাদীস আর কে বলতে পারে? বদরের সময় সাহাবীরা হালাল বলে ঘোষিত হওয়ার পূর্বই গনীমত ব্যবহারে লিপ্ত হয়ে পড়েন। তখন আল্লাহ্ তাআলা এই আয়াত নাযিল করেনঃ
لَوْلاَ كِتَابٌ مِنَ اللَّهِ سَبَقَ لَمَسَّكُمْ فِيمَا أَخَذْتُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
আল্লাহর পূর্বে বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ তার জন্য তোমাদের উপর মহাশাস্তি আপতিত হতো। [আনফালঃ ৬৮]
সহীহ, সহীহাহ ২১৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩০৮৫
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، ومحمد بن جعفر، وابن ابي عدي، وسهل بن يوسف، قالوا حدثنا عوف بن ابي جميلة، حدثنا يزيد الفارسي، حدثنا ابن عباس، قال قلت لعثمان بن عفان ما حملكم ان عمدتم، الى الانفال وهي من المثاني والى براءة وهي من المىين فقرنتم بينهما ولم تكتبوا بينهما سطر بسم الله الرحمن الرحيم ووضعتموهما في السبع الطول ما حملكم على ذلك فقال عثمان كان رسول الله صلى الله عليه وسلم مما ياتي عليه الزمان وهو تنزل عليه السور ذوات العدد فكان اذا نزل عليه الشىء دعا بعض من كان يكتب فيقول ضعوا هولاء الايات في السورة التي يذكر فيها كذا وكذا واذا نزلت عليه الاية فيقول ضعوا هذه الاية في السورة التي يذكر فيها كذا وكذا وكانت الانفال من اواىل ما انزلت بالمدينة وكانت براءة من اخر القران وكانت قصتها شبيهة بقصتها فظننت انها منها فقبض رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يبين لنا انها منها فمن اجل ذلك قرنت بينهما ولم اكتب بينهما سطر بسم الله الرحمن الرحيم فوضعتها في السبع الطول . قال ابو عيسى هذا حديث حسن لا نعرفه الا من حديث عوف عن يزيد الفارسي عن ابن عباس . ويزيد الفارسي قد روى عن ابن عباس غير حديث ويقال هو يزيد بن هرمز ويزيد الرقاشي هو يزيد بن ابان الرقاشي ولم يدرك ابن عباس انما روى عن انس بن مالك وكلاهما من التابعين من اهل البصرة ويزيد الفارسي اقدم من يزيد الرقاشي .
৩০৮৫. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম আপনারা মাছানীর (যে সূরার আয়াত সংখ্যা একশ’র কম) অন্তর্ভক্ত সূরা আনফাল আর মিঈন এর (একশ’ বা ততোধিক আয়াত বিশিষ্ট সূরা) অন্তর্ভূক্ত বারাআতকে মিলিত করেছেন আরও দুটোর মাঝে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লাইনটি লিখেন নি সাথে সাথে সূরা আনফালকে সাবা’য়ে তুওয়াল (সাতটি দীর্ঘ সূরা)-এর অন্তর্ভূক্ত করেছেন- এরূপ করতে কিসে উদ্বুদ্ধ করল?
উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উপর এমন এক যামানাও এসেছে যখন তাঁর উপর বহুসংখ্যক সূরা এক সঙ্গে নাযিল হয়েছে। ঐ যুগে তাঁর উপর কোন বিষয় নাযিল হলে ওয়াহী লেখকগণের কাউকে ডেকে তিনি বলতেন এ আয়াতগুলো যে সূরায় অমুক অমুক বিষয়ের উল্লেখ আছে, সে সূরায় অন্তর্ভূক্ত কর। কোন আয়াত নাযিল হলে বলতেন, এই আয়াতটি যে সূরায় অমুক অমুক বিষয়ের উল্লেখ আছে সে সূরায় অন্তর্ভূক্ত কর।
মদীনায় প্রথম দিকে যে সব সূরা নাযিল হয় সূরা আনফাল ছিল সেগুলোর অন্যতম আর বারাআত ছিল কুরআনের শেষের দিকে নাযিলকৃত সূরাসমূহের অন্যতম। কিন্তু এর বিষয়বস্ত হল সূরা আনফালের বিষয় বস্তর অনুরূপ। ফলে এটি আনফালের অন্তর্গত বলে আমি মনে করলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইনতিকাল হয়ে যায় কিন্তু তিনি এ কথা স্পষ্ট করে বর্ণনা করে যান নি যে, এটি আনফালের অংশ। এ কারণে আমি দু’টোকে মিলিত করেছি কিন্তু এতদুভয়ের মাঝে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লিখিনি। আর এটিকে সাতটি দীর্ঘ সূরার অন্তর্ভূক্ত করেছি।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান। আওফ-ইয়াযীদ ফারসী ... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিন্তু জানা নেই।
ইয়াযীদ ফারসী (রহঃ) ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাকে ইয়াযীদ ইবন হুরমুযও বলা হয়। ইয়াযীদ রাকাশী (রহঃ) হলেন ইয়াযীদ ইবন আবান রাকাশী। তিনি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পাননি। আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন। উভয়ই বসরাবাসী। ইয়াযীদ ফারসী (রহঃ) ইয়াযীদ রাকাশী (রহঃ) থেকে বয়সে বড়।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উপর এমন এক যামানাও এসেছে যখন তাঁর উপর বহুসংখ্যক সূরা এক সঙ্গে নাযিল হয়েছে। ঐ যুগে তাঁর উপর কোন বিষয় নাযিল হলে ওয়াহী লেখকগণের কাউকে ডেকে তিনি বলতেন এ আয়াতগুলো যে সূরায় অমুক অমুক বিষয়ের উল্লেখ আছে, সে সূরায় অন্তর্ভূক্ত কর। কোন আয়াত নাযিল হলে বলতেন, এই আয়াতটি যে সূরায় অমুক অমুক বিষয়ের উল্লেখ আছে সে সূরায় অন্তর্ভূক্ত কর।
মদীনায় প্রথম দিকে যে সব সূরা নাযিল হয় সূরা আনফাল ছিল সেগুলোর অন্যতম আর বারাআত ছিল কুরআনের শেষের দিকে নাযিলকৃত সূরাসমূহের অন্যতম। কিন্তু এর বিষয়বস্ত হল সূরা আনফালের বিষয় বস্তর অনুরূপ। ফলে এটি আনফালের অন্তর্গত বলে আমি মনে করলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইনতিকাল হয়ে যায় কিন্তু তিনি এ কথা স্পষ্ট করে বর্ণনা করে যান নি যে, এটি আনফালের অংশ। এ কারণে আমি দু’টোকে মিলিত করেছি কিন্তু এতদুভয়ের মাঝে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লিখিনি। আর এটিকে সাতটি দীর্ঘ সূরার অন্তর্ভূক্ত করেছি।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান। আওফ-ইয়াযীদ ফারসী ... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিন্তু জানা নেই।
ইয়াযীদ ফারসী (রহঃ) ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাকে ইয়াযীদ ইবন হুরমুযও বলা হয়। ইয়াযীদ রাকাশী (রহঃ) হলেন ইয়াযীদ ইবন আবান রাকাশী। তিনি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পাননি। আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তিনি হাদীস বর্ণনা করেছেন। উভয়ই বসরাবাসী। ইয়াযীদ ফারসী (রহঃ) ইয়াযীদ রাকাশী (রহঃ) থেকে বয়সে বড়।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৮৬
হাসান (Hasan)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا حسين بن علي الجعفي، عن زاىدة، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الاحوص، حدثنا ابي انه، شهد حجة الوداع مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فحمد الله واثنى عليه وذكر ووعظ ثم قال " اى يوم احرم اى يوم احرم اى يوم احرم " . قال فقال الناس يوم الحج الاكبر يا رسول الله . قال " فان دماءكم واموالكم واعراضكم عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا في شهركم هذا الا لا يجني جان الا على نفسه ولا يجني والد على ولده ولا ولد على والده الا ان المسلم اخو المسلم فليس يحل لمسلم من اخيه شيء الا ما احل من نفسه الا وان كل ربا في الجاهلية موضوع لكم رءوس اموالكم لا تظلمون ولا تظلمون غير ربا العباس بن عبد المطلب فانه موضوع كله الا وان كل دم كان في الجاهلية موضوع واول دم اضع من دماء الجاهلية دم الحارث بن عبد المطلب كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل الا واستوصوا بالنساء خيرا فانما هن عوان عندكم ليس تملكون منهن شيىا غير ذلك الا ان ياتين بفاحشة مبينة فان فعلن فاهجروهن في المضاجع واضربوهن ضربا غير مبرح فان اطعنكم فلا تبغوا عليهن سبيلا الا ان لكم على نساىكم حقا ولنساىكم عليكم حقا فاما حقكم على نساىكم فلا يوطىن فرشكم من تكرهون ولا ياذن في بيوتكم من تكرهون الا وان حقهن عليكم ان تحسنوا اليهن في كسوتهن وطعامهن " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد رواه ابو الاحوص عن شبيب بن غرقدة .
৩০৮৬. হাসান ইবন আলী কাললাল (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবন আমার ইবনুল আহওয়াস (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ আমার পিতা বিদায় হজ্জে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে হাযির ছিলেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে আল্লাহর হামদ ও ছানা বর্ণনা করলেন এরপর ওয়ায নসীহত করলেন এবং বললেনঃ কোন দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? কোন দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? কোন দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? লোকেরা বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! হাজ্জে আকবারের এ দিনটি। তিনি বললেনঃ তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের সম্মান তোমাদের উপর হারাম যেমন হারাম তোমাদের উপর আজকের দিনটি তোমাদের এই নগরে, তোমাদের এই মাসে। শোন, অপরাধী কেবল নিজের উপরই অপরাধ করে থাকে। পিতার অপরাধ তার পুত্রের উপর এবং পুত্রের অপরাধ তার পিতার উপর বর্তাবে না। শোন, এক মুসলিম আরেক মুসলিমের ভাই। কোন মুসলিমের জন্য মুসলিম ভাইয়ের কিছূ হালাল হবে না যা সে নিজে তার জন্য হালাল করে দেয় তা ছাড়া।
শোন, জাহিলী যুগের সব সুদ বিলুপ্ত করা হল। তোমাদের জন্য তোমাদের মূলধন থাকবে। তোমরা নিজেরাও জুলুম করবে না এবং তোমাদের উপরও কোন জুলুম করা হবে না। তবে আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবী। সে বানু লায়ছ গোত্রে দুগ্ধ পোষ্য ছিল। হুযায়ল গোত্র তাকে হত্যা করল। শোন, তোমরা নারীদের ব্যপারে সদ্ব্যবহারের ওসীয়ত গ্রহণ কর। তারা তোমাদের কাছে আবদ্ধ। এ ছাড়া তোমরা তাদের মালিক নও। কিন্তু তারা যদি সুস্পষ্ট অন্যায় কর্মে লিপ্ত হয়। তবে তাদের বিছানা পৃথক করে দিবে এবং হালকা ভাবে প্রহার করবে। এতে যদি তারা তোমাদের বাধ্য হয়ে যায় তবে আর তাদের বিরুদ্ধে পথ তালাশ করবে না। শোন, তোমাদের স্ত্রীদের উপরও তোমাদের হক হল যাদের তোমরা অপছন্দ কর তাদের তোমার বিছানায় বসাবে না। যাদের তোমরা অপছন্দ কর তাদের তোমার ঘরে প্রবেশের অনুমতি দিবে না। শোন, তোমাদের উপর তাদের হক হল, তাদের খোরপোষের বিষয়ে তাদের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শণ করবে।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৮৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি শাবীব ইবন গারকাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।
শোন, জাহিলী যুগের সব সুদ বিলুপ্ত করা হল। তোমাদের জন্য তোমাদের মূলধন থাকবে। তোমরা নিজেরাও জুলুম করবে না এবং তোমাদের উপরও কোন জুলুম করা হবে না। তবে আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবী। সে বানু লায়ছ গোত্রে দুগ্ধ পোষ্য ছিল। হুযায়ল গোত্র তাকে হত্যা করল। শোন, তোমরা নারীদের ব্যপারে সদ্ব্যবহারের ওসীয়ত গ্রহণ কর। তারা তোমাদের কাছে আবদ্ধ। এ ছাড়া তোমরা তাদের মালিক নও। কিন্তু তারা যদি সুস্পষ্ট অন্যায় কর্মে লিপ্ত হয়। তবে তাদের বিছানা পৃথক করে দিবে এবং হালকা ভাবে প্রহার করবে। এতে যদি তারা তোমাদের বাধ্য হয়ে যায় তবে আর তাদের বিরুদ্ধে পথ তালাশ করবে না। শোন, তোমাদের স্ত্রীদের উপরও তোমাদের হক হল যাদের তোমরা অপছন্দ কর তাদের তোমার বিছানায় বসাবে না। যাদের তোমরা অপছন্দ কর তাদের তোমার ঘরে প্রবেশের অনুমতি দিবে না। শোন, তোমাদের উপর তাদের হক হল, তাদের খোরপোষের বিষয়ে তাদের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শণ করবে।
হাসান, ইবনু মাজাহ ১৮৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবুল আহওয়াস (রহঃ) এটি শাবীব ইবন গারকাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩০৮৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا ابي، عن ابيه، عن محمد بن اسحاق، عن ابي اسحاق، عن الحارث، عن علي، قال سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن يوم الحج الاكبر فقال " يوم النحر " .
৩০৮৭. আবদুল ওয়ারিছ ইবন আবদুস সামাদ ইবন আবদুল ওয়ারিছ (রহঃ) ...... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাজ্জে আকবরের দিন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেনঃ তা হল ইয়ামুন নাহর - কুরবানীর দিন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩০৮৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن الحارث، عن علي، قال يوم الحج الاكبر يوم النحر . قال هذا الحديث اصح من حديث محمد بن اسحاق لانه روي من غير وجه هذا الحديث عن ابي اسحاق عن الحارث عن علي موقوفا ولا نعلم احدا رفعه الا ما روي عن محمد بن اسحاق وقد روى شعبة هذا الحديث عن ابي اسحاق عن عبد الله بن مرة عن الحارث عن علي موقوفا .
৩০৮৮. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ হজ্জে আকবরের দিন হল ইয়ামুন নাহর - কুরবানীর দিন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক (রহঃ) -এর রিওয়ায়ত (৩০৮৭) অপেক্ষা এটি অধিক সহীহ। কেনন, এ হাদিসটি আবূ ইসহাক-হারীছ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে মাওকূফ রূপে বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক (রহঃ)-এর বর্ণনা ছাড়া অন্য কেউ মারফু’রূপে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক (রহঃ) -এর রিওয়ায়ত (৩০৮৭) অপেক্ষা এটি অধিক সহীহ। কেনন, এ হাদিসটি আবূ ইসহাক-হারীছ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে মাওকূফ রূপে বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক (রহঃ)-এর বর্ণনা ছাড়া অন্য কেউ মারফু’রূপে বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই।
হাদিস নং: ৩০৮৯
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عفان بن مسلم، وعبد الصمد بن عبد الوارث، قالا حدثنا حماد بن سلمة، عن سماك بن حرب، عن انس بن مالك، قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم ببراءة مع ابي بكر ثم دعاه فقال " لا ينبغي لاحد ان يبلغ هذا الا رجل من اهلي " . فدعا عليا فاعطاه اياها . قال هذا حديث حسن غريب من حديث انس بن مالك .
৩০৮৯. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারাআতের ঘোষণার জন্য আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে (মক্কায়) প্রেরণ করেছিলেন। পরে তাঁকে ডেকে বললেনঃ পরিবারের কারো পক্ষ থেকেই এ ঘোষণা হওয়া উচিত। এরপর তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে ডেকে তাঁকে এ দায়িত্ব দিলেন।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত হাসান-গারীব।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত হাসান-গারীব।
হাসান, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩০৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]