হাদিস নং: ৩১৫০
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو حفص، عمرو بن علي حدثنا ابو قتيبة، سلم بن قتيبة حدثنا عبد الجبار بن العباس الهمداني، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن ابى بن كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الغلام الذي قتله الخضر طبع يوم طبع كافرا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩১৫০. আবূ হাফস আমর ইবন আলী (রহঃ) ..... উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাযির (আঃ) যে বালকটিকে হত্যা করেছিলেন সে স্বভাবগতভাবে সৃষ্টির দিন থেকে ই ছিল কাফির।
সহীহ, যিলালুল জান্নাত ১৯৪, ১৯৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
সহীহ, যিলালুল জান্নাত ১৯৪, ১৯৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব।
হাদিস নং: ৩১৫১
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انما سمي الخضر لانه جلس على فروة بيضاء فاهتزت تحته خضراء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
৩১৫১. ইয়াহ্ইয়া ইবন মূসা (রহঃ) .... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাযিরকে খাযির (সবুজ সতেজ শস্য) বলে নামকরনের কারণ হল তিনি একবার বিশুষ্ক বৃক্ষলতাহীন এক সাদা যমীনে বসা ছিলেন, তখন তাঁর নিচ থেকে সবুজ ঘাস প্রকাশ পায়।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩১৫২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا جعفر بن محمد بن فضيل الجزري، وغير، واحد، قالوا حدثنا صفوان بن صالح، حدثنا الوليد بن مسلم، عن يزيد بن يوسف الصنعاني، عن مكحول، عن ام الدرداء، عن ابي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وكان تحته كنز لهما ) قال " ذهب وفضة " .
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا صفوان بن صالح، حدثنا الوليد بن مسلم، عن يزيد بن يوسف الصنعاني، عن يزيد بن يزيد بن جابر، عن مكحول، بهذا الاسناد نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث غريب .
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا صفوان بن صالح، حدثنا الوليد بن مسلم، عن يزيد بن يوسف الصنعاني، عن يزيد بن يزيد بن جابر، عن مكحول، بهذا الاسناد نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث غريب .
৩১৫২. জা’ফর ইবন মুহাম্মদ ইবন ফুযায়ল জাযারী প্রমুখ (রহঃ) ... আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণীঃ (وَكَانَ تَحْتَهُ كَنْزٌ لَهُمَا) - প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তা হল সোনা এবং রূপা।
যঈফ, আর রাওযুন নাযীর ৯৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাসান ইবন আলী (রহঃ) -মাকহূল (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
যঈফ, আর রাওযুন নাযীর ৯৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাসান ইবন আলী (রহঃ) -মাকহূল (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩১৫৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، - المعنى واحد واللفظ لابن بشار قالوا حدثنا هشام بن عبد الملك حدثنا ابو عوانة عن قتادة عن ابي رافع عن حديث ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم في السد قال " يحفرونه كل يوم حتى اذا كادوا يخرقونه قال الذي عليهم ارجعوا فستخرقونه غدا فيعيده الله كامثل ما كان حتى اذا بلغ مدتهم واراد الله ان يبعثهم على الناس قال الذي عليهم ارجعوا فستخرقونه غدا ان شاء الله واستثنى . قال فيرجعون فيجدونه كهيىته حين تركوه فيخرقونه فيخرجون على الناس فيستقون المياه ويفر الناس منهم فيرمون بسهامهم في السماء فترجع مخضبة بالدماء فيقولون قهرنا من في الارض وعلونا من في السماء قسوة وعلوا . فيبعث الله عليهم نغفا في اقفاىهم فيهلكون قال فوالذي نفس محمد بيده ان دواب الارض تسمن وتبطر وتشكر شكرا من لحومهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب انما نعرفه من هذا الوجه مثل هذا .
৩১৫৩. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার প্রমুখ (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। (যুল কারনায়ন নির্মিত) প্রাচীর সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এটিকে এরা (ইয়াজুজ মাজূজেরা) প্রতি দিনেই খোঁড়ে। শেষে যখন বিদীর্ণ করে ফেলার উপক্রম হয় তখন তাদের উপর দায়িত্বশীল ব্যক্তিটি বলেঃ তোমরা ফিরে চল। আগামীকাল এসে আমরা এটা বিদীর্ণ করব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এর মধ্যে এই প্রাচীরটিকে আল্লাহ্ তা’আলা আগে যা ছিল তার চেয়েও উত্তমরূপে পুনর্নির্মিত করে দেন। অবশেষে যখন নির্ধারিত দিন এসে পৌঁছবে এবং আল্লাহ্ তা’আলা এদের মানুষের বিরুদ্ধে পাঠানোর ইচ্ছা করবেন সে সময় তাদের দায়িত্বে নিযুক্ত নেতাটি বলবে, তোমরা ফিরে চল তোমরা আগামীকাল ইনশাআল্লাহ্ এটি বিদীর্ণ করবে। সেই ইনশাআল্লাহর সঙ্গে তারা কথা বলবে। পরে তারা যখন ফিরে আসবে তখন গতদিন যেভাবে ছেড়ে রেখে গিয়েছিল সেই অবস্থায়ই তারা এটি পাবে। তখন তারা এটি বিদীর্ণ করে ফেলবে এবং মানুষের বিরুদ্ধে বেরিয়ে পড়বে। তারা সব পানি পাণ করে ফেলবে। আর লোকজন তাদের থেকে পালিয়ে যাবে। এরপর তারা তাদের তীরগুলো আসমানের দিকে ছুঁড়বে। এগুলো রক্ত রঞ্জিত হয়ে ফিরে আসবে। তারা নিজেরা বর্বরতা ও অহংকারে মদমত্ত হয়ে বলবে, পৃথিবীতে যা আছে তাদের পরাজিত করলাম এবং আকাশবাসীদের উপরও জয়লাভ করলাম। তখন আল্লাহ্ তা’আলা তাদের পিঠে একদল প্রেরণ করবেন। এতে তারা সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, এদের মাংস ভক্ষণ করে পৃথিবীর জীবজন্তুগুলো মোটা সতেজ ও চর্বিময় হয়ে উঠবে।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব। এ সূত্রেই আমরা অনুরূপ হাদীস জানি।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব। এ সূত্রেই আমরা অনুরূপ হাদীস জানি।
হাদিস নং: ৩১৫৪
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن بكر البرساني، عن عبد الحميد بن جعفر، اخبرني ابي، عن ابن ميناء، عن ابي سعد بن ابي فضالة الانصاري، وكان، من الصحابة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا جمع الله الناس ليوم القيامة ليوم لا ريب فيه نادى مناد من كان اشرك في عمل عمله لله احدا فليطلب ثوابه من عند غير الله فان الله اغنى الشركاء عن الشرك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث محمد بن بكر .
৩১৫৪. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার প্রমুখ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ ইবন আবূ ফাযালা আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন একজন সাহাবী, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন যেদিন সম্পর্কে কোন সন্দেহ নাই, যখন আল্লাহ্ তা’আলা সব মানুষ একত্রিত করবেন তখন জনৈক ঘোষণাকারী ঘোষণা দিবেন, যে আমল সে আল্লাহর জন্য করেছে তাতে কেউ যদি কাউকে শরীক করে থাকে তবে সে তার ঐ আমলের প্রতিদান আল্লাহ্ ছাড়া আর কারো কাছে তালাশ করুক। কারণ, আল্লাহ্ তা’আলা শিরক থেকে সবার চেয়ে বেশি মুক্ত।
হাসান, ইবনু মাজাহ ৪২০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। মুহা্ম্মাদ ইবন বকর (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাসান, ইবনু মাজাহ ৪২০৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। মুহা্ম্মাদ ইবন বকর (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩১৫৫
হাসান (Hasan)
حدثنا ابو سعيد الاشج، وابو موسى محمد بن المثنى قالا حدثنا ابن ادريس، عن ابيه، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن واىل، عن المغيرة بن شعبة، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم الى نجران فقالوا لي الستم تقرءون : ( يا اخت هارون ) وقد كان بين عيسى وموسى ما كان فلم ادر ما اجيبهم . فرجعت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبرته فقال " الا اخبرتهم انهم كانوا يسمون بانبياىهم والصالحين قبلهم " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه الا من حديث ابن ادريس .
৩১৫৫. আবূ সাঈদ আশাজ্জ এবং আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ...... মুগীরা ইবন শু’বা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নাজরানের দিকে পাঠান। তারা আমাকে বলল, তোমরা কি কুরআনে এ বাক্য পড় না? (يَا أُخْتَ هَارُونَ) - অথচ মূসা ও ঈসার মাঝে কত কালের ব্যবধান? আমি তাদের এ প্রশ্নের কি উত্তর দিব জানতাম না। তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে এসে তাঁকে এ কথা জানালাম। তিনি বললেন, তাদের তুমি এ কথা বলতে পারলে না যে, তারা পূর্ববর্তী নবী ও নেককার লোকদের নামে তাদের নাম রাখত।
হাসান, মুখতাসার তুহফাতুল ওয়াদুদ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। ইবন ইদরীস (রহঃ)-এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাসান, মুখতাসার তুহফাতুল ওয়াদুদ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। ইবন ইদরীস (রহঃ)-এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ৩১৫৬
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا النضر بن اسماعيل ابو المغيرة، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي سعيد الخدري، رضى الله عنه قال قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم : ( وانذرهم يوم الحسرة ) قال " يوتى بالموت كانه كبش املح حتى يوقف على السور بين الجنة والنار فيقال يا اهل الجنة . فيشرىبون . ويقال يا اهل النار . فيشرىبون . فيقال هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت . فيضجع فيذبح فلولا ان الله قضى لاهل الجنة الحياة فيها والبقاء لماتوا فرحا ولولا ان الله قضى لاهل النار الحياة فيها والبقاء لماتوا ترحا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১৫৬. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেনঃ (وَأَنْذِرْهُمْ يَوْمَ الْحَسْرَةِ) এরপর বললেনঃ সাদা-কাল মিশ্রিত রক্তের এক মেঘরূপে মৃত্যুকে আনা হবে এবং তাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝের প্রাচীরের উপর দাঁড় করান হবে। এরপর ডাকা হবে। হে জান্নাতবাসীগণ! তারা মাথা তুলে তাকাবে। আরো ডাকা হবে, হে জাহান্নামবাসীগণ! তারাও মাথা তুলে তাকাবে। বলা হবে, তোমরা কি চিন এটি কে? তারা বলবেঃ হ্যাঁ, এটি হল মৃত্যু।
অনন্তর এটিকে শুইয়ে যবেহ করা হবে। জান্নাতীদের জন্য যদি জীবন ও স্থায়িত্বের ফয়সালা আল্লাহর পক্ষ থেকে না থাকত তবে তারা আনন্দে মারা যেত। এমনি ভাবে জাহান্নামীদের জন্য যদি জীবনের ও তথায় স্থায়িত্বের পূর্ব ফয়সালা আল্লাহর পক্ষ থেকে না থাকত তবে তারা দুঃখে মারা যেত।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
জান্নাতীদের জন্য যদি জীবন ও স্থায়িত্বের ফয়সালা আল্লাহর পক্ষ থেকে না থাকত ... অংশ ব্যতীত হাদিসটি সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
অনন্তর এটিকে শুইয়ে যবেহ করা হবে। জান্নাতীদের জন্য যদি জীবন ও স্থায়িত্বের ফয়সালা আল্লাহর পক্ষ থেকে না থাকত তবে তারা আনন্দে মারা যেত। এমনি ভাবে জাহান্নামীদের জন্য যদি জীবনের ও তথায় স্থায়িত্বের পূর্ব ফয়সালা আল্লাহর পক্ষ থেকে না থাকত তবে তারা দুঃখে মারা যেত।
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
জান্নাতীদের জন্য যদি জীবন ও স্থায়িত্বের ফয়সালা আল্লাহর পক্ষ থেকে না থাকত ... অংশ ব্যতীত হাদিসটি সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ৩১৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، في قوله : (ورفعناه مكانا عليا ) قال حدثنا انس بن مالك، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لما عرج بي رايت ادريس في السماء الرابعة " . قال وفي الباب عن ابي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال وهذا حديث حسن صحيح وقد رواه سعيد بن ابي عروبة وهمام وغير واحد عن قتادة عن انس عن مالك بن صعصعة عن النبي صلى الله عليه وسلم حديث المعراج بطوله وهذا عندنا مختصر من ذاك .
৩১৫৭. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর বাণীঃ (ورَفَعْنَاهُ مَكَانًا عَلِيًّا) প্রসঙ্গে বলেছেন যে, আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে যখন মি’রাজে নিয়ে যাওয়া হয় তখন চতুর্থ আকাশে ইদরীস (আঃ)-কে আমি দেখেছি।
সহীহ, মুসলিম ১/১০০ দীর্ঘ বর্ণনা, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। সাঈদ ইবন আবূ আরূরা, হাম্মাম প্রমুখ (রহঃ) কাতাদা-আনাস ইবন মালিক-মালিক ইবন সা’সাআ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মি’রাজের সুদীর্ঘ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটি আমার কাছে ঐটির সংক্ষিপ্ত অংশ।
সহীহ, মুসলিম ১/১০০ দীর্ঘ বর্ণনা, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। সাঈদ ইবন আবূ আরূরা, হাম্মাম প্রমুখ (রহঃ) কাতাদা-আনাস ইবন মালিক-মালিক ইবন সা’সাআ রাদিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মি’রাজের সুদীর্ঘ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটি আমার কাছে ঐটির সংক্ষিপ্ত অংশ।
হাদিস নং: ৩১৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، حدثنا عمر بن ذر، عن ابيه، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل " ما يمنعك ان تزورنا اكثر مما تزورنا " . قال فنزلت هذه الاية : (وما نتنزل الا بامر ربك ) الى اخر الاية . قال هذا حديث حسن غريب .
৩১৫৮. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরীলকে বললেনঃ আপনি আমাদের কাছে যেভাবে সাক্ষাৎ করেন, তার চেয়ে বেশী সাক্ষাৎ করতে আপনাকে কিসে বাধা দিচ্ছে? রাবী বলেন, তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ
ومَا نَتَنَزَّلُ إِلاَّ بِأَمْرِ رَبِّكَ
সহীহ, বুখারি ৪৭৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
ومَا نَتَنَزَّلُ إِلاَّ بِأَمْرِ رَبِّكَ
সহীহ, বুখারি ৪৭৩১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ৩১৫৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبيد الله بن موسى، عن اسراىيل، عن السدي، قال سالت مرة الهمداني عن قول الله، عز وجل : ( وان منكم الا واردها ) فحدثني ان عبد الله بن مسعود حدثهم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يرد الناس النار ثم يصدرون منها باعمالهم فاولهم كلمح البرق ثم كالريح ثم كحضر الفرس ثم كالراكب في رحله ثم كشد الرجل ثم كمشيه " . قال هذا حديث حسن . ورواه شعبة عن السدي فلم يرفعه .
৩১৫৯. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুররা হামদানী (রহঃ)-কে আল্লাহর বাণীঃ (وإِنْ مِنْكُمْ إِلاَّ وَارِدُهَا) জিজ্ঞেস করলাম করলম। তখন তিনি আমাকে বললেন, আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁদের এ হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল লোকই জাহান্নামের কাছে উপস্থিত হবে। তাঁদের প্রথম দল বিদুৎ চমকানোর ন্যায় পরের দল বাতাসের ন্যায়, পরের দল ঘোড়ার গতিতে, পরের দল উষ্ট্রারোহীর ন্যায় এর পরের দল মানুষের দৌড়ের ন্যায়, এর পরের দল পায়ে হাঁটার মত প্রস্থান করবে।
সহীহ, সহীহাহ ৩১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। শু’বা (রহঃ) এটি সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফূরূপে বর্ণনা করেননি।
সহীহ, সহীহাহ ৩১১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। শু’বা (রহঃ) এটি সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফূরূপে বর্ণনা করেননি।
হাদিস নং: ৩১৬০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا شعبة، عن السدي، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود : (وان منكم الا واردها ) قال يردونها ثم يصدرون باعمالهم .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، عن السدي، بمثله . قال عبد الرحمن قلت لشعبة ان اسراىيل حدثني عن السدي عن مرة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال شعبة وقد سمعته من السدي مرفوعا ولكني عمدا ادعه .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، عن السدي، بمثله . قال عبد الرحمن قلت لشعبة ان اسراىيل حدثني عن السدي عن مرة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال شعبة وقد سمعته من السدي مرفوعا ولكني عمدا ادعه .
৩১৬০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু (وإنْ مِنْكُمْ إِلاَّ وَارِدُهَا) - আয়াতটি প্রসঙ্গে বলেন, তারা তাতে উপস্থিত হবে এরপর তাদের আমল হিসাবে তারা প্রস্থান করবে।
সহীহ, মাওকুফ তবে মারফু এর মতই তার হুকুম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... সুদ্দী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি শু’বা (রহঃ)-কে বললাম যে, ইসরাঈল (রহঃ) বলেন, আমি শু’বা (রহঃ)-কে বললাম যে, ইসরাঈল (রহঃ) আমাকে সুদ্দী-মুররা-আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। শু’বা (রহঃ) বললেনঃ আমি তো সুদ্দী থেকে এটি মারফূরূপে শুনেছি। তবে ইচ্ছা করেই তা সেরূপ বর্ণনা করা ছেড়ে দিয়েছি।
সহীহ, মাওকুফ তবে মারফু এর মতই তার হুকুম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... সুদ্দী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি শু’বা (রহঃ)-কে বললাম যে, ইসরাঈল (রহঃ) বলেন, আমি শু’বা (রহঃ)-কে বললাম যে, ইসরাঈল (রহঃ) আমাকে সুদ্দী-মুররা-আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। শু’বা (রহঃ) বললেনঃ আমি তো সুদ্দী থেকে এটি মারফূরূপে শুনেছি। তবে ইচ্ছা করেই তা সেরূপ বর্ণনা করা ছেড়ে দিয়েছি।
হাদিস নং: ৩১৬১
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا احب الله عبدا نادى جبريل اني قد احببت فلانا فاحبه قال فينادي في السماء ثم تنزل له المحبة في اهل الارض فذلك قول الله : ( ان الذين امنوا وعملوا الصالحات سيجعل لهم الرحمن ودا ) واذا ابغض الله عبدا نادى جبريل اني قد ابغضت فلانا فينادي في السماء ثم تنزل له البغضاء في الارض " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روى عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن ابيه عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا .
৩১৬১. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেন, আমি অমুককে ভালবাসি। সুতরাং তুমিও তাকে ভালবাসবে। তারপর আসমানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর পৃথিবীবাসীদের মধ্যে তাঁর প্রতি মুহাববত নাযিল করা হয় এ বিষয়ই হল আল্লাহর বাণীঃ
إنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَيَجْعَلُ لَهُمُ الرَّحْمَنُ وُدًّا
আর তিনি যখন কোন বান্দাকে অপছন্দ করেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেন, আমি অমুককে ঘৃণা করি। তারপর আসমানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর পৃথিবীতে তার প্রতি ঘৃণার ফায়সালা নাযিল করে দেওয়া হয়।
সহীহ, যইফা ২২০৭ নং হাদিসের অধীনে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুর রহমান ইবন আব্দুল্লাহ্ ইবন দীনার তার পিতা আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার আবূ সালিহ্-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
إنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ سَيَجْعَلُ لَهُمُ الرَّحْمَنُ وُدًّا
আর তিনি যখন কোন বান্দাকে অপছন্দ করেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেন, আমি অমুককে ঘৃণা করি। তারপর আসমানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর পৃথিবীতে তার প্রতি ঘৃণার ফায়সালা নাযিল করে দেওয়া হয়।
সহীহ, যইফা ২২০৭ নং হাদিসের অধীনে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। আবদুর রহমান ইবন আব্দুল্লাহ্ ইবন দীনার তার পিতা আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার আবূ সালিহ্-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩১৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن ابي الضحى، عن مسروق، قال سمعت خباب بن الارت، يقول جىت العاصي بن واىل السهمي اتقاضاه حقا لي عنده فقال لا اعطيك حتى تكفر بمحمد . فقلت لا حتى تموت ثم تبعث . قال واني لميت ثم مبعوث فقلت نعم . فقال ان لي هناك مالا وولدا فاقضيك . فنزلت : (افرايت الذي كفر باياتنا وقال لاوتين مالا وولدا) الاية .
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، نحوه . قال هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، نحوه . قال هذا حديث حسن صحيح .
৩১৬২. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... খাব্বাব ইবন আরাত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার একটি পাওনার ব্যপারে তাগাদা করার জন্য আস ইবন ওয়াইল সাহমীরের কাছে এলাম। সে বললঃ মুহাম্মদকে অস্বীকার না করা পর্যন্ত তোমাকে আমি তোমার পাওনা দিব না। আমি বললামঃ তুমি মরে গিয়ে আবার ওঠ, তবু আমি তা করব না। সে বললঃ আচ্ছা, তবে কি আমি মারা যাব এবং আবার যিন্দা হব? আমি বললামঃ হ্যাঁ। সে বললঃ অবশ্য সেখানেও আমার ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততি থাকবে তখন তোমাকে তোমার পাওনা পরিশোধ করব। তখন নাযিল হয়ঃ
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي كَفَرَ بِآيَاتِنَا وَقَالَ لَأُوتَيَنَّ مَالًا وَوَلَدًا
সহীহ, বুখারি ৪৭৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হান্নাদ (রহঃ) ... আ’মাশ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
أَفَرَأَيْتَ الَّذِي كَفَرَ بِآيَاتِنَا وَقَالَ لَأُوتَيَنَّ مَالًا وَوَلَدًا
সহীহ, বুখারি ৪৭৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হান্নাদ (রহঃ) ... আ’মাশ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩১৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا النضر بن شميل، اخبرنا صالح بن ابي الاخضر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، قال لما قفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر اسرى ليلة حتى ادركه الكرى اناخ فعرس ثم قال " يا بلال اكلا لنا الليلة " . قال فصلى بلال ثم تساند الى راحلته مستقبل الفجر فغلبته عيناه فنام فلم يستيقظ احد منهم وكان اولهم استيقاظا النبي صلى الله عليه وسلم . فقال " اى بلال " . فقال بلال بابي انت يا رسول الله اخذ بنفسي الذي اخذ بنفسك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقتادوا " . ثم اناخ فتوضا فاقام الصلاة ثم صلى مثل صلاته للوقت في تمكث ثم قال : (واقم الصلاة لذكري ) . قال هذا حديث غير محفوظ رواه غير واحد من الحفاظ عن الزهري عن سعيد بن المسيب ان النبي صلى الله عليه وسلم ولم يذكروا فيه عن ابي هريرة . وصالح بن ابي الاخضر يضعف في الحديث ضعفه يحيى بن سعيد القطان وغيره من قبل حفظه .
৩১৬৩. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার থেকে ফেরার পথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার রাতে সফর করছিলেন। শেষে তাঁর ঘুম পেয়ে বসল। তিনি উট থামিয়ে বিশ্রামের জন্য অবতরণ করলেন। এরপর বললেনঃ হে বিলাল, আজকের রাতে তুমি আমাদের পাহরাদারী করবে।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু (নফল) সালাত (নামায) আদায় করে পূর্ব আকাশমূখী হয়ে তার হাওদায় হেলান দিয়ে বসে রইলেন। এ সময় তাঁর দু’চোখে ঘুম প্রবল হয়ে আসে, এতে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। তাদের কেউ আর জাগলেন না। সর্বপ্রথম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগলেন। এবং তিনি বললেনঃ হে বিলাল! বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার পিতা আপনার উপর কুরবান। আপনাকে যা পেয়েছিল আমাকেও তা পেয়েছিল।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা উটগুলোকে হাঁকিয়ে নিয়ে চল। এরপর তিনি উট থামিয়ে নেমে উযূ করলেন এবং সালাতের ইকামত দিতে বললেন। পরে ধীর স্থিরভাবে ওয়াক্তের ভেতর যেমন সালাত (নামায) আদায় করেন তেমনিভাবে সালাত (নামায) আদায় করলেন। তারপর বললেনঃ
أقِمِ الصَّلاَةَ لِذِكْرِي
তুমি সালাত (নামায) কায়েম করবে আমার স্মরণে। [ত-হাঃ ১৪]
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ৪৬১,৪৬৩, ইরওয়া ২৬৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি মাহফূজ নয় একাধিক হাফিযুল হাদীস রাবী এটি যুহরী-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এতে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি। সালিহ ইবন আবুল আখযারকে হাদীস বর্ণনায় যঈফ বলা হয়, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ কাত্তান প্রমুখ হাদীসবিদ স্মরণ শক্তির দিক থেকে তাকে যঈফ বলেছেন।
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু (নফল) সালাত (নামায) আদায় করে পূর্ব আকাশমূখী হয়ে তার হাওদায় হেলান দিয়ে বসে রইলেন। এ সময় তাঁর দু’চোখে ঘুম প্রবল হয়ে আসে, এতে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। তাদের কেউ আর জাগলেন না। সর্বপ্রথম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগলেন। এবং তিনি বললেনঃ হে বিলাল! বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার পিতা আপনার উপর কুরবান। আপনাকে যা পেয়েছিল আমাকেও তা পেয়েছিল।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা উটগুলোকে হাঁকিয়ে নিয়ে চল। এরপর তিনি উট থামিয়ে নেমে উযূ করলেন এবং সালাতের ইকামত দিতে বললেন। পরে ধীর স্থিরভাবে ওয়াক্তের ভেতর যেমন সালাত (নামায) আদায় করেন তেমনিভাবে সালাত (নামায) আদায় করলেন। তারপর বললেনঃ
أقِمِ الصَّلاَةَ لِذِكْرِي
তুমি সালাত (নামায) কায়েম করবে আমার স্মরণে। [ত-হাঃ ১৪]
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ৪৬১,৪৬৩, ইরওয়া ২৬৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি মাহফূজ নয় একাধিক হাফিযুল হাদীস রাবী এটি যুহরী-সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা এতে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি। সালিহ ইবন আবুল আখযারকে হাদীস বর্ণনায় যঈফ বলা হয়, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ কাত্তান প্রমুখ হাদীসবিদ স্মরণ শক্তির দিক থেকে তাকে যঈফ বলেছেন।
হাদিস নং: ৩১৬৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا مجاهد بن موسى، - بغدادي - والفضل بن سهل الاعرج بغدادي وغير واحد قالوا حدثنا عبد الرحمن بن غزوان ابو نوح، حدثنا ليث بن سعد، عن مالك بن انس، عن الزهري، عن عروة، عن عاىشة، ان رجلا، قعد بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ان لي مملوكين يكذبونني ويخونونني ويعصونني واشتمهم واضربهم فكيف انا منهم قال " يحسب ما خانوك وعصوك وكذبوك وعقابك اياهم فان كان عقابك اياهم بقدر ذنوبهم كان كفافا لا لك ولا عليك وان كان عقابك اياهم دون ذنوبهم كان فضلا لك وان كان عقابك اياهم فوق ذنوبهم اقتص لهم منك الفضل " . قال فتنحى الرجل فجعل يبكي ويهتف فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اما تقرا كتاب الله : ( ونضع الموازين القسط ليوم القيامة فلا تظلم نفس شيىا وان كان مثقال ) الاية . فقال الرجل والله يا رسول الله ما اجد لي ولهولاء شيىا خيرا من مفارقتهم اشهدكم انهم احرار كلهم " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث عبد الرحمن بن غزوان وقد روى احمد بن حنبل عن عبد الرحمن بن غزوان هذا الحديث .
৩১৬৪. মুজাহিদ ইবন মূসা বাগদাদী এবং ফাযল ইবন সাহল আ’রাজ প্রমুখ (রহঃ) ..... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে এসে বসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার গোলাম আছে। তারা আমার সাথে মিথ্যা বলে, আমার সাথে খেয়ানত করে। আমার নাফরমানী করে। আমি এদের গাল-মন্দ করি মারধর করি। সুতরাং তাদের বিষয়ে আমি কেমন?
তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে তারা যে খেয়ানত করেছে, নাফরমানী করেছে ও মিথ্যা বলেছে আর তুমি এ সবের জন্য তাদের যে শাস্তি দিয়েছ তা হিসাব করা হবে। তোমার শাস্তি প্রদান যদি তাদের অপরাধের সম পরিমাণ হয়ে থাকে তবে তা বরাবর হয়ে গেল, তুমিও কিছু পাবে না এবং তোমার কিছু ক্ষতিও হবে না। আর তোমার শাস্তি যদি এদের অপরাধের চেয়ে কম পরিমাণের হয় তবে অতিরিক্ত তোমার পাওনা থাকবে। আর তোমার শাস্তি যদি তাদের অপরাধের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে তবে যা অতিরিক্ত হয়েছে, তোমার নিকট থেকে তার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
রাবীগণ বলেনঃ লোকটি একপাশে সরে গিয়ে চীৎকার করে কাঁদতে লাগল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি আল্লাহর কিতাব পাঠ কর নাঃ
ونَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلاَ تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا وَإِنْ كَانَ مِثْقَالَ
এবং কিয়ামত দিবসে আমি স্থাপন করব মানদন্ড, সুতরাং কারো প্রতি কোন অবিচার হবে না (২১ঃ ৪৭)।
লোকটি বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আল্লাহুর কসম, এদের পৃথক করে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আমার ও তাদের জন্য অন্য কিছু পাচ্ছি না। আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি। এরা সব আযাদ।
হাদীসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন গাযওয়ান (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) এ হাদীসটি আবদুর রহমান ইবন গাযওয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে তারা যে খেয়ানত করেছে, নাফরমানী করেছে ও মিথ্যা বলেছে আর তুমি এ সবের জন্য তাদের যে শাস্তি দিয়েছ তা হিসাব করা হবে। তোমার শাস্তি প্রদান যদি তাদের অপরাধের সম পরিমাণ হয়ে থাকে তবে তা বরাবর হয়ে গেল, তুমিও কিছু পাবে না এবং তোমার কিছু ক্ষতিও হবে না। আর তোমার শাস্তি যদি এদের অপরাধের চেয়ে কম পরিমাণের হয় তবে অতিরিক্ত তোমার পাওনা থাকবে। আর তোমার শাস্তি যদি তাদের অপরাধের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে তবে যা অতিরিক্ত হয়েছে, তোমার নিকট থেকে তার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
রাবীগণ বলেনঃ লোকটি একপাশে সরে গিয়ে চীৎকার করে কাঁদতে লাগল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি আল্লাহর কিতাব পাঠ কর নাঃ
ونَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلاَ تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا وَإِنْ كَانَ مِثْقَالَ
এবং কিয়ামত দিবসে আমি স্থাপন করব মানদন্ড, সুতরাং কারো প্রতি কোন অবিচার হবে না (২১ঃ ৪৭)।
লোকটি বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আল্লাহুর কসম, এদের পৃথক করে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আমার ও তাদের জন্য অন্য কিছু পাচ্ছি না। আপনাকে সাক্ষী রেখে বলছি। এরা সব আযাদ।
হাদীসটি গারীব। আবদুর রহমান ইবন গাযওয়ান (রহঃ) এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আহমদ ইবন হাম্বল (রহঃ) এ হাদীসটি আবদুর রহমান ইবন গাযওয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
নোট: উক্ত হাদিসটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূরা ত্বহার অধীনে এনেছে কিন্তু এটি হবে সূরা আম্বিয়ার।
হাদিস নং: ৩১৬৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى الاشيب، بغدادي حدثنا ابن لهيعة، عن دراج، عن ابي الهيثم، عن ابي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الويل واد في جهنم يهوي فيه الكافر اربعين خريفا قبل ان يبلغ قعره " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا الا من حديث ابن لهيعة .
৩১৬৫. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ওয়ায়ল হল জাহান্নামের একটি উপত্যকা। এর তলদেশে পৌঁছার আগ পর্যন্ত কাফির চল্লিশ বছর নীচের দিকে যেতে থাকবে।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৪/২২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ইবনে লাহীআ (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া মারফূরূপে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৪/২২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। ইবনে লাহীআ (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া মারফূরূপে এটি সম্পর্কে আমাদের কিছূ জানা নেই।
হাদিস নং: ৩১৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الاموي، حدثني ابي، حدثنا محمد بن اسحاق، عن ابي الزناد، عن عبد الرحمن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لم يكذب ابراهيم عليه السلام في شيء قط الا في ثلاث قوله : (اني سقيم ) ولم يكن سقيما وقوله لسارة اختي وقوله : ( بل فعله كبيرهم هذا ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১৬৬. সাঈদ ইবন ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ উমাবী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) তিনটি বিষয় ব্যতীত কোন সময়ই অসত্য বলেন নি। একটি কথা হল (إنِّي سَقِيمٌ) আমি অসূস্থ। অথচ তিনি সেদিন অসুস্থ ছিলেন না। তাঁর স্ত্রী সিারাকে ভগ্নি বলে পরিচয় প্রদান এবং (তাঁর সম্প্রদায়ের লোকদের প্রশ্নের জওয়াবে) এ উক্তি (بلْ فَعَلَهُ كَبِيرُهُمْ هَذَا) এ কান্ড এদের বড়টিই করেছে।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৯১৬, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৯১৬, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ৩১৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، ووهب بن جرير، وابو داود قالوا حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالموعظة فقال " يا ايها الناس انكم محشورون الى الله عراة غرلا " . ثم قرا : ( كما بدانا اول خلق نعيده وعدا علينا ) الى اخر الاية قال " اول من يكسى يوم القيامة ابراهيم وانه سيوتى برجال من امتي فيوخذ بهم ذات الشمال فاقول رب اصحابي . فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك . فاقول كما قال العبد الصالح ( وكنت عليهم شهيدا ما دمت فيهم فلما توفيتني كنت انت الرقيب عليهم وانت على كل شيء شهيد * ان تعذبهم فانهم عبادك وان تغفر لهم فانك انت العزيز الحكيم ) فيقال هولاء لم يزالوا مرتدين على اعقابهم منذ فارقتهم " .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، نحوه . قال هذا حديث حسن صحيح . ورواه سفيان الثوري عن المغيرة بن النعمان نحوه . قال ابو عيسى كانه تاوله على اهل الردة .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، نحوه . قال هذا حديث حسن صحيح . ورواه سفيان الثوري عن المغيرة بن النعمان نحوه . قال ابو عيسى كانه تاوله على اهل الردة .
৩১৬৭. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নসীহত করতে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল, তোমরা উলঙ্গ ও খাতনাহীন অবস্থায় আল্লাহর কাছে সমবেত হবে। এরপর তিনি পাঠ করলেনঃ
كما بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ وَعْدًا عَلَيْنَا
শেষ পর্যন্ত আমি প্রথমে যেভাবে সৃষ্টি করেছি, সেরূপ তাকে প্রত্যাবর্তন করাব।
এরপর তিনি বলেন, ইবরাহীম (আঃ)-কে সর্বপ্রথম কাপড় পরানো হবে। আমার উম্মতের কিছু লোককে উপস্থিত করা হবে। তাদেরকে বাম দিকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, আয় রব, এরা আমার সাথী। বলা হবেঃ আপনি জানেন না আপনার পরে এরা কি উদ্ভাবন করেছে। তখন আমি বলব, যে কথা আল্লাহর নেক বান্দা (ঈসা) বলেছিলেনঃ
وَكُنْتُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا مَا دُمْتُ فِيهِمْ فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِي كُنْتَ أَنْتَ الرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ * إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ
আর যতদিন আমি তাঁদের মধ্যে ছিলাম ততদিন আমি ছিলাম তাদের (কার্যকলাপের) সাক্ষী। কিন্তু যখন তুমি আমাকে তুলে নিলে, তখন তুমিই তো ছিলে তাদের কার্যকলাপের তত্ত্বাবধায়ক এবং তুমি সকল বিষয়ের সাক্ষী। তুমি যদি তাঁদের শাস্তি দাও, তবে তারাতো তোমারই বান্দা। আর যদি তাদের ক্ষমা কর (তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়)। অর্থাৎ বলা হবেঃ আপনি এদের ছেড়ে আসার পর থেকেই তারা ছিল তাঁদের পশ্চাতের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) মুগীরা ইবন নু’মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান ছাওরী (রহঃ)-ও মুগীরা ইবন নু’মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كما بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُعِيدُهُ وَعْدًا عَلَيْنَا
শেষ পর্যন্ত আমি প্রথমে যেভাবে সৃষ্টি করেছি, সেরূপ তাকে প্রত্যাবর্তন করাব।
এরপর তিনি বলেন, ইবরাহীম (আঃ)-কে সর্বপ্রথম কাপড় পরানো হবে। আমার উম্মতের কিছু লোককে উপস্থিত করা হবে। তাদেরকে বাম দিকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, আয় রব, এরা আমার সাথী। বলা হবেঃ আপনি জানেন না আপনার পরে এরা কি উদ্ভাবন করেছে। তখন আমি বলব, যে কথা আল্লাহর নেক বান্দা (ঈসা) বলেছিলেনঃ
وَكُنْتُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا مَا دُمْتُ فِيهِمْ فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِي كُنْتَ أَنْتَ الرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ * إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ
আর যতদিন আমি তাঁদের মধ্যে ছিলাম ততদিন আমি ছিলাম তাদের (কার্যকলাপের) সাক্ষী। কিন্তু যখন তুমি আমাকে তুলে নিলে, তখন তুমিই তো ছিলে তাদের কার্যকলাপের তত্ত্বাবধায়ক এবং তুমি সকল বিষয়ের সাক্ষী। তুমি যদি তাঁদের শাস্তি দাও, তবে তারাতো তোমারই বান্দা। আর যদি তাদের ক্ষমা কর (তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়)। অর্থাৎ বলা হবেঃ আপনি এদের ছেড়ে আসার পর থেকেই তারা ছিল তাঁদের পশ্চাতের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।
সহীহ, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) মুগীরা ইবন নু’মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান ছাওরী (রহঃ)-ও মুগীরা ইবন নু’মান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ৩১৬৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن جدعان، عن الحسن، عن عمران بن حصين، ان النبي صلى الله عليه وسلم لما نزلت : ( يا ايها الناس اتقوا ربكم ان زلزلة الساعة شيء عظيم ) الى قوله : (ولكن عذاب الله شديد ) قال انزلت عليه هذه وهو في سفر فقال " اتدرون اى يوم ذلك " . فقالوا الله ورسوله اعلم . قال " ذلك يوم يقول الله لادم ابعث بعث النار فقال يا رب وما بعث النار قال تسعماىة وتسعة وتسعون الى النار وواحد الى الجنة " . قال فانشا المسلمون يبكون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قاربوا وسددوا فانها لم تكن نبوة قط الا كان بين يديها جاهلية قال فيوخذ العدد من الجاهلية فان تمت والا كملت من المنافقين وما مثلكم والامم الا كمثل الرقمة في ذراع الدابة او كالشامة في جنب البعير ثم قال اني لارجو ان تكونوا ربع اهل الجنة " . فكبروا ثم قال " اني لارجو ان تكونوا ثلث اهل الجنة " . فكبروا ثم قال " اني لارجو ان تكونوا نصف اهل الجنة " . فكبروا قال ولا ادري قال الثلثين ام لا . قال هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن عمران بن حصين عن النبي صلى الله عليه وسلم .
৩১৬৮. ইবন আবূ উমর (রহঃ) ..... ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সফর অবস্থায় যখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ
يا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ إِنَّ زَلْزَلَةَ السَّاعَةِ شَيْءٌ عَظِيمٌ
তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান এ দিন কোনটি?
সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম বললেনঃ আল্লাহ্ এবং রাসূলই ভাল জানেন।
তিনি বললেনঃ এটি হবে সে দিন যে দিন আল্লাহ্ তা’আলা আদমকে বলবেন, জাহান্নামের দলটি পাঠাও। তিনি বলবেনঃ হে আমার রব, জাহান্নামের দলের সংখ্যা কি?
আল্লাহ্ বলবেনঃ (প্রতি হাজারে) নয়শত নিরানব্বই জন হল জাহান্নামের আর একজন হল জান্নাতের। তখন মুসলিমরা কাঁদতে শুরু করলেন।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা নিকটবর্তী হয়ে চলতে থাক এবং সঠিক পথে চল। প্রত্যেক নবুওয়াত-এর পূর্বেই এক একটি জাহিলী যুগ অতিক্রান্ত হয়েছে। জাহান্নামীদের এ সংখ্যা জাহেলীয়াতের যুগ থেকে নেওয়া হবে। যদি তাদের থেকে এ সংখ্যা পূরণ না হয়ে তবে তা মুনাফিকদের থেকে নিয়ে পূরণ করা হবে। তোমরা এবং অন্যান্য উম্মতের দৃষ্টান্ত হল, কোন পশুর হাঁটুর দাগের মত বা উটের পার্শ্বের তিলের মত।
এরপর তিনি বললেনঃ আমি আশা করি তোমরা হবে জান্নাতীদের চার ভাগের এক ভাগ।
সাহাবীরা (খুশীতে) বললেনঃ আল্লাহু আকবার! এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি আশা করি তোমরা হবে জান্নাতীদের তিন ভাগের একভাগ। তখন সাহাবীরা ’আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, জানি না তিনি দুই-তৃতীয়াংশের কথা বলেছিলেন কি না।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৪/২২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
يا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ إِنَّ زَلْزَلَةَ السَّاعَةِ شَيْءٌ عَظِيمٌ
তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান এ দিন কোনটি?
সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম বললেনঃ আল্লাহ্ এবং রাসূলই ভাল জানেন।
তিনি বললেনঃ এটি হবে সে দিন যে দিন আল্লাহ্ তা’আলা আদমকে বলবেন, জাহান্নামের দলটি পাঠাও। তিনি বলবেনঃ হে আমার রব, জাহান্নামের দলের সংখ্যা কি?
আল্লাহ্ বলবেনঃ (প্রতি হাজারে) নয়শত নিরানব্বই জন হল জাহান্নামের আর একজন হল জান্নাতের। তখন মুসলিমরা কাঁদতে শুরু করলেন।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা নিকটবর্তী হয়ে চলতে থাক এবং সঠিক পথে চল। প্রত্যেক নবুওয়াত-এর পূর্বেই এক একটি জাহিলী যুগ অতিক্রান্ত হয়েছে। জাহান্নামীদের এ সংখ্যা জাহেলীয়াতের যুগ থেকে নেওয়া হবে। যদি তাদের থেকে এ সংখ্যা পূরণ না হয়ে তবে তা মুনাফিকদের থেকে নিয়ে পূরণ করা হবে। তোমরা এবং অন্যান্য উম্মতের দৃষ্টান্ত হল, কোন পশুর হাঁটুর দাগের মত বা উটের পার্শ্বের তিলের মত।
এরপর তিনি বললেনঃ আমি আশা করি তোমরা হবে জান্নাতীদের চার ভাগের এক ভাগ।
সাহাবীরা (খুশীতে) বললেনঃ আল্লাহু আকবার! এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি আশা করি তোমরা হবে জান্নাতীদের তিন ভাগের একভাগ। তখন সাহাবীরা ’আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, জানি না তিনি দুই-তৃতীয়াংশের কথা বলেছিলেন কি না।
যঈফ, তা’লীকুর রাগীব ৪/২২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ। ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ৩১৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام بن ابي عبد الله، عن قتادة، عن الحسن، عن عمران بن حصين، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فتفاوت بين اصحابه في السير فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته بهاتين الايتين ايها الناس اتقوا ربكم ان زلزلة الساعة شيء عظيم ) الى قوله : ( ان عذاب الله شديد ) فلما سمع ذلك اصحابه حثوا المطي وعرفوا انه عند قول يقوله فقال " هل تدرون اى يوم ذلك " . قالوا الله ورسوله اعلم . قال " ذاك يوم ينادي الله فيه ادم فيناديه ربه فيقول يا ادم ابعث بعث النار . فيقول يا رب وما بعث النار فيقول من كل الف تسعماىة وتسعة وتسعون الى النار وواحد في الجنة " . فيىس القوم حتى ما ابدوا بضاحكة فلما راى رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي باصحابه قال " اعملوا وابشروا فوالذي نفس محمد بيده انكم لمع خليقتين ما كانتا مع شيء الا كثرتاه ياجوج وماجوج ومن مات من بني ادم وبني ابليس " . قال فسري عن القوم بعض الذي يجدون . فقال " اعملوا وابشروا فوالذي نفس محمد بيده ما انتم في الناس الا كالشامة في جنب البعير او كالرقمة في ذراع الدابة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
৩১৬৯. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) .... ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। চলতে চলতে সাহাবীরা একে অন্য থেকে দূরে পড়ে গেলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চঃস্বরে এই আয়াত দু’টি তিলাওয়াত করলেন।
সাহাবীগণ এ আওয়াজ শুনে বাহনের গতি দ্রুত করে (তাঁর কাছে) এলেন। তাঁরা বুঝতে পারলেন যে, তিনি তাঁদের কোন কথা বলার সমীপরবর্তী। তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান সেটি কোন দিন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন।
তিনি বললেনঃ এ হল সেই দিন যেদিন আল্লাহ্ তা’আলা আদমকে ডাকবেন। আর তাঁর প্রভূ তাঁকে ডেকে বলবেনঃ হে আদম, জাহান্নামীদের পাঠাও।
আদম বলবেনঃ হে আমার রব, জাহান্নামীর সংখ্যা কি?
আল্লাহ্ বলবেনঃ প্রতি হাজারে নয়শত নিরানব্বই জন জাহান্নামের আর একজন হল জান্নাতের।
সবাই নিরাশ হয়ে গেলেন। এমনকি তাঁদের স্মিত হাসিও প্রকাশ পাচ্ছিল না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের এ অবস্থা দেখে বললেনঃ তোমরা আমল করে যাও আর সুসংবাদ লাভ কর। যে সত্তার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ সেই সত্তার কসম, তোমরা তো দুই ধরনের মাখলুকের মাঝে রয়েছ। এই দুই সৃষ্টি যার সাথেই থাকে তাকেই বাড়িয়ে দেয়। এরা হল ইয়াজুজ-মাজুজ এবং বানূ আদম ও বানূ ইবলীসের যারা মারা গিয়েছে। অনন্তর সাহাবীরা যে দুশ্চিন্তায় ছিলেন এর কতকটা তাতে বিদূরিত হয়।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমল কর আর সুসংবাদ লাভ কর। কসম সেই সত্তার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! মানুষের মাঝে তোমরা হলে উটের পার্শ্বের তিলের মত বা কোন জন্তুর হাঁটুর দাগের মত।
সহীহ, বুখারি ৪৭৪১, মুসলিম ১/১৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সাহাবীগণ এ আওয়াজ শুনে বাহনের গতি দ্রুত করে (তাঁর কাছে) এলেন। তাঁরা বুঝতে পারলেন যে, তিনি তাঁদের কোন কথা বলার সমীপরবর্তী। তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান সেটি কোন দিন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন।
তিনি বললেনঃ এ হল সেই দিন যেদিন আল্লাহ্ তা’আলা আদমকে ডাকবেন। আর তাঁর প্রভূ তাঁকে ডেকে বলবেনঃ হে আদম, জাহান্নামীদের পাঠাও।
আদম বলবেনঃ হে আমার রব, জাহান্নামীর সংখ্যা কি?
আল্লাহ্ বলবেনঃ প্রতি হাজারে নয়শত নিরানব্বই জন জাহান্নামের আর একজন হল জান্নাতের।
সবাই নিরাশ হয়ে গেলেন। এমনকি তাঁদের স্মিত হাসিও প্রকাশ পাচ্ছিল না। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের এ অবস্থা দেখে বললেনঃ তোমরা আমল করে যাও আর সুসংবাদ লাভ কর। যে সত্তার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ সেই সত্তার কসম, তোমরা তো দুই ধরনের মাখলুকের মাঝে রয়েছ। এই দুই সৃষ্টি যার সাথেই থাকে তাকেই বাড়িয়ে দেয়। এরা হল ইয়াজুজ-মাজুজ এবং বানূ আদম ও বানূ ইবলীসের যারা মারা গিয়েছে। অনন্তর সাহাবীরা যে দুশ্চিন্তায় ছিলেন এর কতকটা তাতে বিদূরিত হয়।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমল কর আর সুসংবাদ লাভ কর। কসম সেই সত্তার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! মানুষের মাঝে তোমরা হলে উটের পার্শ্বের তিলের মত বা কোন জন্তুর হাঁটুর দাগের মত।
সহীহ, বুখারি ৪৭৪১, মুসলিম ১/১৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩১৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।