হাদিস নং: ২৯৩০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن عبد الرحمن بن زياد بن انعم، عن عتبة بن حميد، عن عبادة بن نسى، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، ان النبي صلى الله عليه وسلم قرا (هل تستطيع ربك ) قال هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث رشدين وليس اسناده بالقوي . ورشدين بن سعد وعبد الرحمن بن زياد بن انعم الافريقي يضعفان في الحديث .
২৯৩০. আবূ কুরায়ব (রহঃ) .... মুআয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেছেনঃ (هَلْ تَسْتَطِيعُ رَبَّكَ)।
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদিসটি শক্তিশালী নয়। রিশদ্বীন ইবন সা’দ এবং আবদুর রহমান ইবন যিয়াদ ইবন আনআম আফরীকী হাদীস রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে যঈফ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ হাদিসটি শক্তিশালী নয়। রিশদ্বীন ইবন সা’দ এবং আবদুর রহমান ইবন যিয়াদ ইবন আনআম আফরীকী হাদীস রিওয়ায়তের ক্ষেত্রে যঈফ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯৩১
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسين بن محمد البصري، حدثنا عبد الله بن حفص، حدثنا ثابت البناني، عن شهر بن حوشب، عن ام سلمة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقروها (انه عمل غير صالح ) . قال ابو عيسى هذا حديث قد رواه غير واحد عن ثابت البناني نحو هذا وهو حديث ثابت البناني وروي هذا الحديث ايضا عن شهر بن حوشب عن اسماء بنت يزيد . قال وسمعت عبد بن حميد يقول اسماء بنت يزيد هي ام سلمة الانصارية . قال ابو عيسى كلا الحديثين عندي واحد وقد روى شهر بن حوشب غير حديث عن ام سلمة الانصارية وهي اسماء بنت يزيد وقد روي عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا .
২৯৩১. হুসায়ন ইবন মুহাম্মাদ আল-বাসরী (রহঃ) ... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেনঃ (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।
সহীহ, সহীহাহ ২৮০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী এই হাদীসটিকে ছাবিত বুনানী (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। শাহর ইবন হাওশাব ... আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন উম্মু সালামা আল-আনসারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা।
উক্ত হাদীস দুটো আমার মতে একই। শাহর ইবন হাওশাব (রহঃ) উম্মু সালামা আনসারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইনিই হলেন আসমা বিনত ইয়াযীদ। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
সহীহ, সহীহাহ ২৮০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী এই হাদীসটিকে ছাবিত বুনানী (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। শাহর ইবন হাওশাব ... আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রেও হাদীসটি বর্ণিত আছে। আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আসমা বিনত ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহা হলেন উম্মু সালামা আল-আনসারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা।
উক্ত হাদীস দুটো আমার মতে একই। শাহর ইবন হাওশাব (রহঃ) উম্মু সালামা আনসারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রে একাধিক হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইনিই হলেন আসমা বিনত ইয়াযীদ। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯৩২
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا وكيع، وحبان بن هلال، قالا حدثنا هارون النحوي، عن ثابت البناني، عن شهر بن حوشب، عن ام سلمة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قرا هذه الاية : (انه عمل غير صالح ).
২৯৩২. ইয়াহ্ইয়া ইবন মুসা (রহঃ) ..... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেছেনঃ (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।
সহীহ, সহীহাহ ২৮০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
সহীহ, সহীহাহ ২৮০৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২৯৩৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا ابو بكر بن نافع، - بصري - حدثنا امية بن خالد، حدثنا ابو الجارية العبدي، عن شعبة، عن ابي اسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن ابى بن كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قرا قد (بلغت من لدني عذرا) مثقلة . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . وامية بن خالد ثقة وابو الجارية العبدي شيخ مجهول لا ادري من هو ولا يعرف اسمه .
২৯৩৩. আবূ বকর ইবন নাফি বাসরী (রহঃ) ..... উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেছেনঃ (قَد بلغت مِنْ لَدُنِّي عُذْرًا) অর্থাৎلَدُنِّي এরن অক্ষরটি তাশদীদ যুক্ত করে।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। উমায়্যা ইবন খালিদ নির্ভরযোগ্য। আবূল জারিয়া আবদী অজ্ঞাত। তাঁর নাম আমাদের জানা নেই।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। উমায়্যা ইবন খালিদ নির্ভরযোগ্য। আবূল জারিয়া আবদী অজ্ঞাত। তাঁর নাম আমাদের জানা নেই।
হাদিস নং: ২৯৩৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا محمد بن دينار، عن سعد بن اوس، عن مصدع ابي يحيى، عن ابن عباس، عن ابى بن كعب، ان النبي صلى الله عليه وسلم قرا (في عين حمىة) . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه والصحيح ما روي عن ابن عباس قراءته . ويروى ان ابن عباس وعمرو بن العاصي اختلفا في قراءة هذه الاية وارتفعا الى كعب الاحبار في ذلك فلو كانت عنده رواية عن النبي صلى الله عليه وسلم لاستغنى بروايته ولم يحتج الى كعب .
২৯৩৪. ইয়াহ্ইয়া ইবন মূসা (রহঃ) ... উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেছেনঃ (فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ)।
মতন সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তাঁর পাঠ সম্পর্কে যে রিওয়ায়তটি আছে তা সহীহ। বর্ণিত আছে যে, এই আয়াতের কিরআতে ইবন আব্বাস এবং আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এর মাঝে মতপার্থক্য হয়। তখন উভয়ই এই বিষয়টি কা’ব আহবার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট উত্থাপন করেন। এই বিষয়ে যদি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত কোন রিওয়ায়ত থাকত তবে তিনি সেটিকেই যথেষ্ট মনে করতেন। কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মুখাপেক্ষী হতেন না।
মতন সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে তাঁর পাঠ সম্পর্কে যে রিওয়ায়তটি আছে তা সহীহ। বর্ণিত আছে যে, এই আয়াতের কিরআতে ইবন আব্বাস এবং আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এর মাঝে মতপার্থক্য হয়। তখন উভয়ই এই বিষয়টি কা’ব আহবার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট উত্থাপন করেন। এই বিষয়ে যদি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত কোন রিওয়ায়ত থাকত তবে তিনি সেটিকেই যথেষ্ট মনে করতেন। কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর মুখাপেক্ষী হতেন না।
হাদিস নং: ২৯৩৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا المعتمر بن سليمان، عن ابيه، عن سليمان الاعمش، عن عطية، عن ابي سعيد، قال لما كان يوم بدر ظهرت الروم على فارس فاعجب ذلك المومنين فنزلت ( الم * غلبت الروم ) الى قوله (يفرح المومنون ) قال يفرح المومنون بظهور الروم على فارس . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . ويقرا غلبت وغلبت يقول كانت غلبت ثم غلبت هكذا قرا نصر بن علي غلبت .
২৯৩৫. নাসর ইবন আলী আল-জাহযমী (রহঃ) .... আবূ সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বদর যুদ্ধের দিন রোমকরা পারস্যের উপর বিজয় লাভ করে। মু’মিনদের তাতে আনন্দ হয়। এই প্রসঙ্গে (পূর্বে) নাযিল হয়েছিলঃ (يَفْرَحُ الْمُؤْمِنُونَ)।
আলীফ-লাম-মীম রোমকরা পরজিত হয়েছে। নিকটবর্তী অঞ্চলেও কিন্তু তারা এই পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হবে। কয়েক বছরের মধ্যেই। পূর্বেই ও পরের সব সিদ্ধান্ত আল্লাহরই। আর সেই দিন মু’মিনগণও হর্ষোৎফুল্লাহ্ হবে (সূরা রূম ৩০ঃ ১-৫)। পারস্যের উপর রোমকদের বিজয়ে মু’মিনরা আনন্দিরা হয়।
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান গারীব।غَلَبَتْ ওغُلِبَتْ উভয় রূপেই পঠিত আছে। তিনি বলেনঃ এরাغَلَبَتْ (পরাজিত) ছিল পরেغُلِبَتْ (বিজয়ী) হয়। নাসর ইবন আলী (রহঃ)-ও এইরূপ ভাবেغَلَبَتْ পাঠ করেছেন।
আলীফ-লাম-মীম রোমকরা পরজিত হয়েছে। নিকটবর্তী অঞ্চলেও কিন্তু তারা এই পরাজয়ের পর শীঘ্রই বিজয়ী হবে। কয়েক বছরের মধ্যেই। পূর্বেই ও পরের সব সিদ্ধান্ত আল্লাহরই। আর সেই দিন মু’মিনগণও হর্ষোৎফুল্লাহ্ হবে (সূরা রূম ৩০ঃ ১-৫)। পারস্যের উপর রোমকদের বিজয়ে মু’মিনরা আনন্দিরা হয়।
হাদীসটি এই সূত্রে হাসান গারীব।غَلَبَتْ ওغُلِبَتْ উভয় রূপেই পঠিত আছে। তিনি বলেনঃ এরাغَلَبَتْ (পরাজিত) ছিল পরেغُلِبَتْ (বিজয়ী) হয়। নাসর ইবন আলী (রহঃ)-ও এইরূপ ভাবেغَلَبَتْ পাঠ করেছেন।
হাদিস নং: ২৯৩৬
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا نعيم بن ميسرة النحوي، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية العوفي، عن ابن عمر، انه قرا على النبي صلى الله عليه وسلم (خلقكم من ضعف ) فقال من ضعف .
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث فضيل بن مرزوق .
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث فضيل بن مرزوق .
২৯৩৬. মুহাম্মাদ ইবন হুমায়দ আর-রাযী (রহঃ) ...... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে পাঠ করেছিলেনঃ (خَلَقَكُمْ مِنْ ضعْفٍ) নবীজী বললেনঃ (مِنْ ضُعْفٍ)।
হাসান, রওযুন নাযীর ৫৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ... ফুযায়ল ইবন মারযূফ (রহঃ) থেকে অনূরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। ফুযায়ল ইবন মারযূক ... আতিয়্যা ... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সনদ ছাড়া এটি সম্পর্কে আমদের কিছু জানা নেই।
হাসান, রওযুন নাযীর ৫৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ... ফুযায়ল ইবন মারযূফ (রহঃ) থেকে অনূরূপ বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। ফুযায়ল ইবন মারযূক ... আতিয়্যা ... ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সনদ ছাড়া এটি সম্পর্কে আমদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৯৩৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن الاسود بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرا (فهل من مدكر) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৯৩৭. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেনঃ (فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ)।
সহীহ, বুখারি, ৪৮৬৯, ৪৮৭৪, মুসলিম ২/২০৫, ২০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, বুখারি, ৪৮৬৯, ৪৮৭৪, মুসলিম ২/২০৫, ২০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯৩৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا جعفر بن سليمان الضبعي، عن هارون الاعور، عن بديل بن ميسرة، عن عبد الله بن شقيق، عن عاىشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرا (فروح وريحان وجنت نعيم ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث هارون الاعور .
২৯৩৮. বিশর ইবন হিলাল আস-সাওওয়াফ বাসরী (রহঃ) ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেনঃ (فَرَوْحٌ وَرَيْحَانٌ وَجَنَّتُ نَعِيمٍ)।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব। হারূন আল-আওয়ার (রহঃ)-এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-গারীব। হারূন আল-আওয়ার (রহঃ)-এর রিওয়ায়ত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২৯৩৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، قال قدمنا الشام فاتانا ابو الدرداء فقال افيكم احد يقرا على قراءة عبد الله قال فاشاروا الى فقلت نعم انا . قال كيف سمعت عبد الله يقرا هذه الاية (والليل اذا يغشى ) قال قلت سمعته يقروها (والليل اذا يغشى ) (الذكر والانثى ) فقال ابو الدرداء وانا والله هكذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقروها وهولاء يريدونني ان اقراها( اخلق ) فلا اتابعهم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وهكذا قراءة عبد الله بن مسعود ( والليل اذا يغشى * والنهار اذا تجلى * والذكر والانثى ).
২৯৩৯. হান্নাদ (রহঃ) .... আলকামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমরা শামে গিয়েছিলাম। তখন আবুদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ আবদুল্লাহ্ (ইবন মাসঊদ)-এর কিরাআত অনুসারে পাঠ করতে পারে তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি? লোক আমার দিকে ইঙ্গিত করল। আমি বললামঃ হ্যাঁ।
তিনি বললেনঃ আবদুল্লাহকে (وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى) আয়াতটি কিভাবে পাঠ করতে শুনেছ?
আমি বললামঃ তাঁকে পাঠ করতে শুনেছি যে, (واللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى)
আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনুহ বললেনঃ আল্লাহর কসম, আমিও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এইভাবেই পাঠ করতে শুনেছি। এরা (এখানকার ক্বারীরা) চায় আমিও পড়িوما خلق। কিন্তু এদের অনুসরণ করব না।
সহীহ, বুখারি ৪৯৪৩, ৪৯৪৪, মুসলিম ২/২০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পাঠও এই ছিল যেঃ
وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى * وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى * وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى
তিনি বললেনঃ আবদুল্লাহকে (وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى) আয়াতটি কিভাবে পাঠ করতে শুনেছ?
আমি বললামঃ তাঁকে পাঠ করতে শুনেছি যে, (واللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى)
আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনুহ বললেনঃ আল্লাহর কসম, আমিও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এইভাবেই পাঠ করতে শুনেছি। এরা (এখানকার ক্বারীরা) চায় আমিও পড়িوما خلق। কিন্তু এদের অনুসরণ করব না।
সহীহ, বুখারি ৪৯৪৩, ৪৯৪৪, মুসলিম ২/২০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৩৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-সহীহ।
আবদুল্লাহ্ ইবন মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পাঠও এই ছিল যেঃ
وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى * وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى * وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى
হাদিস নং: ২৯৪০
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن اسراىيل، عن ابي اسحاق، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال اقراني رسول الله صلى الله عليه وسلم:( اني انا الرزاق ذو القوة المتين ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৯৪০. আবদ ইবন হুমায়দ (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে পড়িয়েছেনঃ
(إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ)।
মতন সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
(إِنِّي أَنَا الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ)।
মতন সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯৪১
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو زرعة، والفضل بن ابي طالب، وغير، واحد، قالوا حدثنا الحسن بن بشر، عن الحكم بن عبد الملك، عن قتادة، عن عمران بن حصين، ان النبي صلى الله عليه وسلم قرا: (وترى الناس سكارى وما هم بسكارى ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن وهكذا روى الحكم بن عبد الملك عن قتادة . ولا نعرف لقتادة سماعا من احد من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم الا من انس وابو الطفيل . وهو عندي حديث مختصر انما يروى عن قتادة عن الحسن عن عمران بن حصين قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في السفر فقرا : (يا ايها الناس اتقوا ربكم ) الحديث بطوله وحديث الحكم بن عبد الملك عندي مختصر من هذا الحديث .
২৯৪১. আবূ যুরআ, ফাযল ইবন আবী তালিব প্রমুখ (রহঃ) ...... ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করেছেনঃ
(وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى)
সহীহ, বুখারি ৪৭৪১, মুসলিম ১/১৩৯, ১৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। আনাস এবং আবুত তুফায়ল রাদিয়াল্লাহু আনহুমা ব্যতীত আর কোন সাহাবী থেকে কাতাদা সরাসরি হাদীস শুনেছেন বলে আমরা জানি না। আমার মতে এই রিওয়ায়তটি সংক্ষিপ্ত। কাতাদা-ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিরাম। তিনি পাঠ করলেনঃ (يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ)।
এরপর তিনি দীর্ঘ হাদীসটির উল্লেখ করেন। আমার মতে হাকাম ইবন আবদিল মালিক (রহঃ) এর রিওয়ায়তটি (২৯৪১ নং) এই হাদীসটির তুলনায় সংক্ষিপ্ত।
(وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى)
সহীহ, বুখারি ৪৭৪১, মুসলিম ১/১৩৯, ১৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান। আনাস এবং আবুত তুফায়ল রাদিয়াল্লাহু আনহুমা ব্যতীত আর কোন সাহাবী থেকে কাতাদা সরাসরি হাদীস শুনেছেন বলে আমরা জানি না। আমার মতে এই রিওয়ায়তটি সংক্ষিপ্ত। কাতাদা-ইমরান ইবন হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিরাম। তিনি পাঠ করলেনঃ (يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمْ)।
এরপর তিনি দীর্ঘ হাদীসটির উল্লেখ করেন। আমার মতে হাকাম ইবন আবদিল মালিক (রহঃ) এর রিওয়ায়তটি (২৯৪১ নং) এই হাদীসটির তুলনায় সংক্ষিপ্ত।
হাদিস নং: ২৯৪২
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، عن منصور، قال سمعت ابا واىل، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بىسما لاحدهم او لاحدكم ان يقول نسيت اية كيت وكيت بل هو نسي فاستذكروا القران فوالذي نفسي بيده لهو اشد تفصيا من صدور الرجال من النعم من عقله " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
২৯৪২. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কতই না মন্দ তোমাদের জন্য কথা বলাঃ অমুক আয়াতটি আমি ভূলে গিয়ে বরং তোমাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কুরআন স্মরণ রাখতে নিয়মিত প্রয়াস চালিয়ে যাও। কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ। পশু যেমন বন্ধন থেকে পালায় মানুষের হৃদয় থেকে কুরআন করীম তদপেক্ষা অধিক হারিয়ে যায়।
সহীহ, আযযিলাল ৪২২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীস হাসান-সহীহ।
সহীহ, আযযিলাল ৪২২, বুখারি ও মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীস হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২৯৪৩
হাসান (Hasan)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا شيبان، عن عاصم، عن زر بن حبيش، عن ابى بن كعب، قال لقي رسول الله صلى الله عليه وسلم جبريل فقال " يا جبريل اني بعثت الى امة اميين منهم العجوز والشيخ الكبير والغلام والجارية والرجل الذي لم يقرا كتابا قط " . قال يا محمد ان القران انزل على سبعة احرف . وفي الباب عن عمر وحذيفة بن اليمان وام ايوب وهي امراة ابي ايوب وسمرة وابن عباس وابي هريرة وابي جهيم بن الحارث بن الصمة وعمرو بن العاص وابي بكرة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن ابى بن كعب .
২৯৪৩. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... উবাই কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে জিবরীল (আঃ)-এর সাক্ষাৎ হয়। তিনি তাঁকে বললেন, হে জিবরীল, আমি তো এক উম্মী-উম্মতের প্রতি প্রেরিত হয়েছি। এদের মধ্যে বৃদ্ধ-দৃদ্ধা, বালক-বালিকা এবং এমন অনেক ব্যক্তি যারা কখনও কোন কিতাব পাঠ করেনি। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ, কুরআন সাত হরফে নাযিল হয়েছে।
হাসান সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমর, হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান, আবূ হুরায়রা, আবূ আয়্যূব আনসারী-এর স্ত্রী উম্মু আয়্যূব, সামুরা, ইবন আব্বাস, আবূ জুহায়ম ইবনিল হারিছ ইবন সিম্মা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অন্যভাবেও বর্ণিত আছে।
হাসান সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে উমর, হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান, আবূ হুরায়রা, আবূ আয়্যূব আনসারী-এর স্ত্রী উম্মু আয়্যূব, সামুরা, ইবন আব্বাস, আবূ জুহায়ম ইবনিল হারিছ ইবন সিম্মা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অন্যভাবেও বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২৯৪৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن المسور بن مخرمة، وعبد الرحمن بن عبد القاري، اخبراه انهما، سمعا عمر بن الخطاب، يقول مررت بهشام بن حكيم بن حزام وهو يقرا سورة الفرقان في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستمعت قراءته فاذا هو يقرا على حروف كثيرة لم يقرىنيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فكدت اساوره في الصلاة فنظرته حتى سلم فلما سلم لببته برداىه فقلت من اقراك هذه السورة التي سمعتك تقروها فقال اقرانيها رسول الله صلى الله عليه وسلم قال . قلت له كذبت والله ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لهو اقراني هذه السورة التي تقروها . فانطلقت اقوده الى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله اني سمعت هذا يقرا سورة الفرقان على حروف لم تقرىنيها وانت اقراتني سورة الفرقان . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ارسله يا عمر اقرا يا هشام " . فقرا القراءة التي سمعته فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هكذا انزلت " . ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم " اقرا يا عمر " . فقرات القراءة التي اقراني النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هكذا انزلت " . ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان هذا القران انزل على سبعة احرف فاقرءوا ما تيسر " . قال هذا حديث حسن صحيح . وقد روى مالك بن انس عن الزهري بهذا الاسناد نحوه الا انه لم يذكر فيه المسور بن مخرمة .
২৯৪৪. হাসান ইবন আলী খাল্লাল প্রমূখ (রহঃ) ...... উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলু্ল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় আমি একবার হিশাম ইবন হাকীম ইবন হিযাম-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি তখন (সালাতে) সূরা আল-ফুরকান পড়ছিলেন। আমি তাঁর কিরাআত শুনলাম। কিন্তু তিনি এমন অনেক হরফ তাতে উচ্চারণ করছিলেন যা আমাকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়াননি।
আমি সালাতর মাঝেই তাঁকে প্রায় হামলা করে বসছিলাম। যা হক, আমি অপেক্ষা করলাম যে পর্যন্ত না তিনি সালাম ফিরালেন। তিনি যখন সালাম ফিরালেন আমি তাঁর ঘাড়ে আমার চাদর পেঁচিয়ে ধরলাম। বললামঃ তোমাকে এখন যে সূরা পড়তে শুনলাম তা কে তোমাকে শিখিয়েছে? তিনি বললেনঃ আমাকে তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ই পড়িয়েছেন।
আমি বললামঃ আল্লাহর কসম, তুমি মিথ্যা বলছ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো আমাকেও এই সূরা পড়িয়েছেন, যে সূরাটি তুমি পড়েছ। আমি তাকে টানতে টানতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে গেলাম। বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একে এমন কিছু শব্দে সূরা আল-ফুরকান পড়তে শুনেছি যেভাবে আপনি আমাকে পড়াননি। আপনিই তো আমাকে সূরা আল-ফুরকান শিখিয়েছেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উমর, একে ছেড়ে দাও। হে হিশাম, তুমি পড়।
তিনি সেভাবেই তা পড়লেন, যেভাবে আমি তাকে পড়তে শুনেছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এভাবেই তা নাযিল হয়েছে। এরপর তিনি আমাকে বললেনঃ উমর, তুমি পড়। আমি সেভাবেই তা পড়লাম যেভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তা শিখিয়েছিলেন। তিনি বললেনঃ এভাবেই তা নাযিল হয়েছে।
এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই কুরআন তো সাত হরফে নাযিল হয়েছে। সূতরাং যেভাবে তোমাদের জন্য সহজ হয় সেভাবে তোমরা তা থেকে পাঠ করো।
সহিহ আবু দাউদ ১৩৫২, বুখারি ৪৯৯২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। তবে তিনি এর সনদে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। তবে তিনি এর সনদে মিসওয়ার ইবন মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
আমি সালাতর মাঝেই তাঁকে প্রায় হামলা করে বসছিলাম। যা হক, আমি অপেক্ষা করলাম যে পর্যন্ত না তিনি সালাম ফিরালেন। তিনি যখন সালাম ফিরালেন আমি তাঁর ঘাড়ে আমার চাদর পেঁচিয়ে ধরলাম। বললামঃ তোমাকে এখন যে সূরা পড়তে শুনলাম তা কে তোমাকে শিখিয়েছে? তিনি বললেনঃ আমাকে তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ই পড়িয়েছেন।
আমি বললামঃ আল্লাহর কসম, তুমি মিথ্যা বলছ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো আমাকেও এই সূরা পড়িয়েছেন, যে সূরাটি তুমি পড়েছ। আমি তাকে টানতে টানতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে গেলাম। বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একে এমন কিছু শব্দে সূরা আল-ফুরকান পড়তে শুনেছি যেভাবে আপনি আমাকে পড়াননি। আপনিই তো আমাকে সূরা আল-ফুরকান শিখিয়েছেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ উমর, একে ছেড়ে দাও। হে হিশাম, তুমি পড়।
তিনি সেভাবেই তা পড়লেন, যেভাবে আমি তাকে পড়তে শুনেছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এভাবেই তা নাযিল হয়েছে। এরপর তিনি আমাকে বললেনঃ উমর, তুমি পড়। আমি সেভাবেই তা পড়লাম যেভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তা শিখিয়েছিলেন। তিনি বললেনঃ এভাবেই তা নাযিল হয়েছে।
এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই কুরআন তো সাত হরফে নাযিল হয়েছে। সূতরাং যেভাবে তোমাদের জন্য সহজ হয় সেভাবে তোমরা তা থেকে পাঠ করো।
সহিহ আবু দাউদ ১৩৫২, বুখারি ৪৯৯২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবন আনাস (রহঃ) এটিকে যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। তবে তিনি এর সনদে অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। তবে তিনি এর সনদে মিসওয়ার ইবন মাখরামা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ করেননি।
হাদিস নং: ২৯৪৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو اسامة، حدثنا الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نفس عن اخيه كربة من كرب الدنيا نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله في الدنيا والاخرة ومن يسر على معسر يسر الله عليه في الدنيا والاخرة والله في عون العبد ما كان العبد في عون اخيه ومن سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له طريقا الى الجنة وما قعد قوم في مسجد يتلون كتاب الله ويتدارسونه بينهم الا نزلت عليهم السكينة وغشيتهم الرحمة وحفتهم الملاىكة ومن ابطا به عمله لم يسرع به نسبه " . قال ابو عيسى هكذا روى غير واحد عن الاعمش عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل هذا الحديث وروى اسباط بن محمد عن الاعمش قال حدثت عن ابي صالح عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم . فذكر بعض هذا الحديث .
২৯৪৫. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার কোন ভাইয়ের দুনিয়ার কোন পেরেশানী দূর করবে আল্লাহ্ তা’আলা কিয়ামতের দিনে তার কোন পেরেশানী দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের কোন দোষ গোপন করবে আল্লাহ্ তা’আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। যে ব্যক্তি কোন দরিদ্র জনের কষ্ট লাঘব করবে আল্লাহ্ তা’আলা দুনিয়া ও আখেরাতে তা কষ্ট লাঘব করবেন। আল্লাহ্ তা’আলা ততক্ষণ তাঁর বান্দার সাহায্যে থাকেন যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে। যে ব্যক্তি ইলম-তালাশে পথ চলবে আল্লাহ্ তা’আলা তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দিবেন। যখন কোন সম্প্রদায় সমজিদে বসে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পর পাঠ করে তখন তাদের উপর সাকীনা (প্রশান্তি) নাযিল হয়, রহমত তাদেরকে আচ্ছাদিত করে দেয় এবং ফিরিশতারা তাদের বেষ্টন করে রাখেন। আমল যাকে পিছিয়ে নেয় বংশ (মর্যদা) তাঁকে এগিয়ে নিতে পারবে না।
ইবনু মাজাহ ২২৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী আমাশ-আবূ সালেহ-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসের অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। আসবাত ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) থেকে রিওয়ায়ত করেন যে, আ’মাশ বলেনঃ আমাকে আবূ সালিহ ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করা হয়েছে যে, এরপর তিনি ঐ হাদীসটির কতকাংশ রিওয়ায়ত করেন।
ইবনু মাজাহ ২২৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
একাধিক রাবী আমাশ-আবূ সালেহ-আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই হাদীসের অনুরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। আসবাত ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) আ’মাশ (রহঃ) থেকে রিওয়ায়ত করেন যে, আ’মাশ বলেনঃ আমাকে আবূ সালিহ ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করা হয়েছে যে, এরপর তিনি ঐ হাদীসটির কতকাংশ রিওয়ায়ত করেন।
হাদিস নং: ২৯৪৬
যঈফ (Dai'f)
حدثنا عبيد بن اسباط بن محمد القرشي، حدثنا ابي، عن مطرف، عن ابي اسحاق، عن ابي بردة، عن عبد الله بن عمرو، قال قلت يا رسول الله في كم اقرا القران قال " اختمه في شهر " . قلت اني اطيق افضل من ذلك . قال " اختمه في عشرين " . قلت اني اطيق افضل من ذلك . قال " اختمه في خمسة عشر " . قلت اني اطيق افضل من ذلك . قال " اختمه في عشر " . قلت اني اطيق افضل من ذلك . قال " اختمه في خمس " . قلت اني اطيق افضل من ذلك . قال فما رخص لي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه يستغرب من حديث ابي بردة عن عبد الله بن عمرو . وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن عبد الله بن عمرو وروي عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لم يفقه من قرا القران في اقل من ثلاث " . وروي عن عبد الله بن عمرو ان النبي صلى الله عليه وسلم قال له " اقرا القران في اربعين " . قال اسحاق بن ابراهيم ولا نحب للرجل ان ياتي عليه اكثر من اربعين يوما ولم يقرا القران لهذا الحديث . وقال بعض اهل العلم لا يقرا القران في اقل من ثلاث للحديث الذي روي عن النبي صلى الله عليه وسلم ورخص فيه بعض اهل العلم وروي عن عثمان بن عفان انه كان يقرا القران في ركعة يوتر بها وروي عن سعيد بن جبير انه قرا القران في ركعة في الكعبة والترتيل في القراءة احب الى اهل العلم .
২৯৪৬. উবায়েদ ইবন আসবাত ইবন মুহাম্মাদ কুরাশী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! কতদিনে আমি কুরআন পাঠ করব? তিনি বললেনঃ মাসে একবার খতম করবে। আমি বললামঃ আমি তো এর চেয়েও বেশী পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ বিশদিনে একবার খতম করবে।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ পনের দিনে একবার খতম করবে।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ দশদিনে একবার খতম দিবে।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ তবে পাঁচ দিনে একবার খতম দাও।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
কিন্তু তিনি আমাকে আর অবকাশ দিলেন না।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। আবু বুরদা ... আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত অনুসারে একে গারীব বলে গণ্য করা হয়। এই হাদীসটি আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এও বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেনঃ কুরআন চল্লিশ দিনে এক খতম করবে। ইসহাক ইবন ইব্রাহীম (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটির কারণে আমরা পছন্দ করি না যে, চল্লিশ দিন অতিবাহিত হবে অথচ সে কুরআন শরীফ এক খতম করবে না।
কোন কোন আলিম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীসের উপর ভিত্তি করে বলেন যে, তিন দিনের কমে কুরআন খতম করবে না। আর কোন কোন আলিম এর অনুমতি দিয়েছেন। উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, বিতরের শেষ রাকআতে পুরো কুরআন খতম করতেন। সাঈদ ইবন জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, কা’বা শরীফে এক রাকআতে তিনি কুরআন করীমের এক খতম দিয়েছিলেন। আলিমগণের নিকট তারতীল অর্থাৎ ধীরে ধীরে স্পষ্ট করে কুরআন পাঠ করা অধিক পছন্দনীয়।
তিনি বললেনঃ বিশদিনে একবার খতম করবে।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ পনের দিনে একবার খতম করবে।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ দশদিনে একবার খতম দিবে।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
তিনি বললেনঃ তবে পাঁচ দিনে একবার খতম দাও।
আমি বললামঃ আমি এর চেয়েও বেশি পড়তে সক্ষম।
কিন্তু তিনি আমাকে আর অবকাশ দিলেন না।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। আবু বুরদা ... আবদুল্লাহ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত অনুসারে একে গারীব বলে গণ্য করা হয়। এই হাদীসটি আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এও বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছিলেনঃ কুরআন চল্লিশ দিনে এক খতম করবে। ইসহাক ইবন ইব্রাহীম (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটির কারণে আমরা পছন্দ করি না যে, চল্লিশ দিন অতিবাহিত হবে অথচ সে কুরআন শরীফ এক খতম করবে না।
কোন কোন আলিম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীসের উপর ভিত্তি করে বলেন যে, তিন দিনের কমে কুরআন খতম করবে না। আর কোন কোন আলিম এর অনুমতি দিয়েছেন। উছমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, বিতরের শেষ রাকআতে পুরো কুরআন খতম করতেন। সাঈদ ইবন জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, কা’বা শরীফে এক রাকআতে তিনি কুরআন করীমের এক খতম দিয়েছিলেন। আলিমগণের নিকট তারতীল অর্থাৎ ধীরে ধীরে স্পষ্ট করে কুরআন পাঠ করা অধিক পছন্দনীয়।
হাদিস নং: ২৯৪৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو بكر بن ابي النضر البغدادي، حدثنا علي بن الحسن، هو ابن شقيق عن عبد الله بن المبارك، عن معمر، عن سماك بن الفضل، عن وهب بن منبه، عن عبد الله بن عمرو، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال له " اقرا القران في اربعين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وروى بعضهم عن معمر عن سماك بن الفضل عن وهب بن منبه ان النبي صلى الله عليه وسلم امر عبد الله بن عمرو ان يقرا القران في اربعين .
২৯৪৭. আবূ বকর ইবন আবূ নাযর বাগদাদী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছেনঃ চল্লিশ দিনে কুরআন খতম করবে।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১২৬১, সহীহাহ ১৫১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী মা’মার-সিমাক ইবন ফাযল ... ওয়াহব ইবন মুনাবিবহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে চল্লিশ দিনে কুরআন খতম করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১২৬১, সহীহাহ ১৫১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-গারীব। কোন কোন রাবী মা’মার-সিমাক ইবন ফাযল ... ওয়াহব ইবন মুনাবিবহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে চল্লিশ দিনে কুরআন খতম করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
হাদিস নং: ২৯৪৮
যঈফ (Dai'f)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا الهيثم بن الربيع، حدثنا صالح المري، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن ابن عباس، قال قال رجل يا رسول الله اى العمل احب الى الله قال " الحال المرتحل " . قال وما الحال المرتحل قال " الذي يضرب من اول القران الى اخره كلما حل ارتحل " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث ابن عباس الا من هذا الوجه واسناده ليس بالقوي .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا صالح المري، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ولم يذكر فيه عن ابن عباس . قال ابو عيسى وهذا عندي اصح من حديث نصر بن علي عن الهيثم بن الربيع .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا صالح المري، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ولم يذكر فيه عن ابن عباس . قال ابو عيسى وهذا عندي اصح من حديث نصر بن علي عن الهيثم بن الربيع .
২৯৪৮ নাসর ইবন আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল কি? তিনি বললেনঃ কুরআন শুরু থেকে পড়ে খতম করার পর আবার শুরু থেকে পাঠ আরম্ভ করা।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... যুরারা ইবন আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনূরূপ বর্ণিত আছে। এই সনদে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই। নাসর ইবন আলী (রহঃ)-হায়সাম ইবনে রাবী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়তটি থেকে (২৯৪৮) এটি আমার মতে অধিক সহীহ।
যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়ত সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... যুরারা ইবন আওফা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত মর্মে অনূরূপ বর্ণিত আছে। এই সনদে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই। নাসর ইবন আলী (রহঃ)-হায়সাম ইবনে রাবী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়তটি থেকে (২৯৪৮) এটি আমার মতে অধিক সহীহ।
হাদিস নং: ২৯৪৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا النضر بن شميل، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن يزيد بن عبد الله بن الشخير، عن عبد الله بن عمرو، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لم يفقه من قرا القران في اقل من ثلاث " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، بهذا الاسناد نحوه .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، بهذا الاسناد نحوه .
২৯৪৯. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) .... আবদুল্লাহ্ ইবন আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করে সে তা বুঝবে না।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১২৬০, মিশকাত ২২০১, সহীহাহ ১৫১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) শু’বা (রহঃ) থেকে এই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১২৬০, মিশকাত ২২০১, সহীহাহ ১৫১৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৯৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি হাসান-সহীহ। মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) শু’বা (রহঃ) থেকে এই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।