অধ্যায় তালিকা
১/ পবিত্রতা ( كتاب الطهارة عن رسول الله ﷺ)
২/ সালাত (নামায) (كتاب الصلاة)
৩/ বিতর (أَبْوَابُ الْوِتْرِ)
৪/ জুমু'আ (كِتَاب الْجُمُعَةِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ)
৫/ ঈদ (أَبْوَابُ الْعِيدَيْنِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ)
৬/ সফর (أَبْوَابُ السَّفَرِ)
৭/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ)
৮/ সাওম (রোজা) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ)
৯/ হাজ্জ (হজ্জ) (كتاب الحج عن رسول الله ﷺ)
১০/ কাফন-দাফন (كتاب الجنائز عن رسول الله ﷺ)
১১/ বিবাহ (كتاب النكاح عن رسول الله ﷺ)
১২/ শিশুদের দুগ্ধপান (كتاب الرضاع)
১৩/ তালাক ও লি’আন (كتاب الطلاق واللعان عن رسول الله ﷺ)
১৪/ ক্রয় বিক্রয় (كتاب البيوع عن رسول الله ﷺ)
১৫/ বিধি-বিধান ও বিচার (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ)
১৬/ রক্তপণ (كتاب الديات عن رسول الله ﷺ)
১৭/ দন্ডবিধি (كتاب الحدود عن رسول الله ﷺ)
১৮/ শিকার (كتاب الصيد والذبائح عن رسول الله ﷺ)
১৯/ যাবাহ (كتاب الأضاحى عن رسول الله ﷺ)
২০/ আহার করা (كتاب الأطعمة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
২১/ বিবিধ বিধান ও তার উপকারিতা (كتاب الأحكام والفوائد)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله)
২৩/ মানত ও কসম (كتاب النذور والأيمان عن رسول الله ﷺ)
২৪/ অভিযান (كتاب السير عن رسول الله صلى الله عليه وسلم)
২৫/ জিহাদের ফযীলত (كتاب فضائل الجهاد عن رسول الله ﷺ)
২৬/ জিহাদ (كتاب الجهاد عن رسول الله ﷺ)
২৭/ পোশাক-পরিচ্ছদ (كتاب اللباس)
২৮/ খাদ্য সম্পর্কিত (كتاب الأطعمة عن رسول الله ﷺ)
২৯/ পানীয় (كتاب الأشربة عن رسول الله ﷺ)
৩০/ সৎ ব্যবহার ও সম্পর্ক রক্ষা (كتاب البر والصلة عن رسول الله ﷺ)
৩১/ চিকিৎসা (كتاب الطب عن رسول اللَّهِ ﷺ)
৩২/ ফারাইয (كتاب الفرائض عن رسول الله ﷺ)
৩৩/ ওয়াসীয়ত (كتاب الوصايا عن رسول الله ﷺ)
৩৪/ ওয়ালা এবং হেবা (كتاب الولاء والهبة عن رسول الله ﷺ)
৩৫/ তাকদীর (كتاب القدر عن رسول الله ﷺ)
৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)
৩৭/ স্বপ্ন (كتاب الرؤيا عن رسول الله ﷺ)
৩৮/ সাক্ষ্য (كتاب الشهادات عن رسول الله ﷺ)
৩৯/ সংসারের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ)
৪০/ কিয়ামত (كتاب صفة القيامة والرقائق والورع عن رسول الله ﷺ)
৪১/ জান্নাতের বিবরণ (كتاب صفة الجنة عن رسول الله ﷺ)
৪২/ জাহান্নামের বিবরণ (كتاب صفة جهنم عن رسول الله ﷺ)
৪৩/ ঈমান (كتاب الإيمان عن رسول الله ﷺ)
৪৪/ ইলম (كتاب العلم عن رسول الله ﷺ)
৪৫/ অনুমতি প্রার্থনা (كتاب الاستئذان والآداب عن رسول الله ﷺ)
৪৬/ কিতাবুল আদব (كتاب الأدب عن رسول الله ﷺ)
৪৭/ উপমা (كتاب الأمثال عن رسول الله ﷺ)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ)
৪৯/ কিরাআত (كتاب القراءات عن رسول الله ﷺ)
৫০/ কুরআন তাফসীর (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ)
৫১/ দু’আ রাসুলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত (كتاب الدعوات عن رسول الله ﷺ)
৫২/ মানাকিব (ফযিলত, মর্যাদা ও গুণাবলীর বিবরণ) (كتاب المناقب عن رسول الله ﷺ)
অধ্যায় তালিকায় ফিরে যান

সুনান আত তিরমিজী

তিনটি কারনের কোন একটি ছাড়া মুসলিম ব্যক্তির খুন হালাল নয়।
মোট ১১২ টি হাদিস
হাদিস নং: ২১৬১ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد، عن ابي امامة بن سهل بن حنيف، ان عثمان بن عفان، اشرف يوم الدار فقال انشدكم الله اتعلمون ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل دم امرى مسلم الا باحدى ثلاث زنا بعد احصان او ارتداد بعد اسلام او قتل نفس بغير حق فقتل به ‏"‏ ‏.‏ فوالله ما زنيت في جاهلية ولا في اسلام ولا ارتددت منذ بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا قتلت النفس التي حرم الله فبم تقتلونني قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن مسعود وعاىشة وابن عباس ‏.‏ وهذا حديث حسن ‏.‏ ورواه حماد بن سلمة عن يحيى بن سعيد فرفعه ‏.‏ وروى يحيى بن سعيد القطان وغير واحد عن يحيى بن سعيد هذا الحديث فاوقفوه ولم يرفعوه وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن عثمان عن النبي صلى الله عليه وسلم مرفوعا ‏.
২১৬১. আহমাদ ইবন আবদা যাববী (রহঃ) ..... আবূ উমামা ইবন সাহল ইবন হুনায়ফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, উসমান ইবন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন (বিদ্রোহীদের দ্বারা) ঘরে অবরুদ্ধ ছিলেন তখন একদিন উকি মেরে বলেছিলেনঃ তোমাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তোমরা কি জান না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ এই তিন কারণে একটি ছাড়া মুসলিম ব্যক্তির খুন হালাল নয়- বিবাহিত হয়েও যদি যিনা করে বা ইসলাম গ্রহণের পর যদি মুরতাদ হয়ে যায় বা অন্যায়ভাবে যদি কাউকে হত্যা করে আর সেজন্য তাকে হত্যা করা হয়। আল্লাহর কসম জাযেলী যুগে এবং ইসলামের পরও কখনো আমি যিনায় লিপ্ত হইনি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বায়আতের পর থেকে কখনো মুরতাদ হইনি আর আল্লাহ তাআলা যে প্রাণ-বধ হারাম করেছেন তা-ও আমি হত্যা করেনি। সুতরাং কি কারণে তোমরা আমাকে হত্যা করতে চাও? সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৫৩৩, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবন মাসউদ, আয়িশা ও ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান। হাম্মাদ ইবন সালামা (রহঃ) এ হাদীসটিকে ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান প্রমুখ (রহঃ)-ও এ হাদীসটি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তারা মারফু’ করেননি, মাওকুফ রূপে রিওয়ায়াত করেছেন। ’উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৬২ সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا ابو الاحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الاحوص، عن ابيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في حجة الوداع للناس ‏"‏ اى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا يوم الحج الاكبر ‏.‏ قال ‏"‏ فان دماءكم واموالكم واعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا الا لا يجني جان الا على نفسه الا لا يجني جان على ولده ولا مولود على والده الا وان الشيطان قد ايس من ان يعبد في بلادكم هذه ابدا ولكن ستكون له طاعة فيما تحتقرون من اعمالكم فسيرضى به ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي بكرة وابن عباس وجابر وحذيم بن عمرو السعدي ‏.‏ وهذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وروى زاىدة عن شبيب بن غرقدة نحوه ولا نعرفه الا من حديث شبيب بن غرقدة ‏.‏
২১৬২. হান্নাদ (রহঃ) ...... সুলায়মান ইবন আমর ইবন আহওয়াস তার পিতা ’আমর ইবন আহওয়াস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিদায় হজ্জের সময় লোকদের সম্বোধন করে বলতে শুনেছিঃ এটা কোন দিন? লোকেরা বললঃ আজ হজ্জে আকবারের দিন। তিনি বললেনঃ নিশ্চয় তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের সম্ভ্রম পরস্পরের জন্য হারাম যেমন আজকের এ দিন ও এ শহর হারাম। শুনে রাখ, অপরাধী তার নাফসের উপরই অপরাধ করে থাকে; শুনে রাখ, অপরাধী তার সন্তানের উপর আর সন্তান তার জনকের উপর অপরাধ বর্তায় না। শুনে রাখ, তোমাদের এ শহরে আর কখনো শয়তানের ইবাদত করা হবে সে সম্পর্কে শয়তান অবশ্যই নিরাশ হয়ে গেছে। তবে যে সমস্ত কাজকে তোমরা খুবই ছোট বলে মনে করে থাক সে ধরণের কাজ অচিরেই তার আনুগত্য করা হবে। আর তাতেই সে সন্তুষ্ট হবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩০৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ বকরা, ইবন আব্বাস, জাবির এবং হুযায়ম ইবন আমর সা’দী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীস হাসান-সহীহ। যাইদা (রহঃ)-ও এটিকে শাবীব ইবন গারকাদা (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। শাবীব ইবন গারকাদা (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদিস নং: ২১৬৩ সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا ابن ابي ذىب، حدثنا عبد الله بن الساىب بن يزيد، عن ابيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا ياخذ احدكم عصا اخيه لاعبا او جادا فمن اخذ عصا اخيه فليردها اليه ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ابن عمر وسليمان بن صرد وجعدة وابي هريرة ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث ابن ابي ذىب ‏.‏ والساىب بن يزيد له صحبة قد سمع من النبي صلى الله عليه وسلم احاديث وهو غلام وقبض النبي صلى الله عليه وسلم وهو ابن سبع سنين ووالده يزيد بن الساىب له احاديث هو من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلم والساىب بن يزيد هو ابن اخت نمر
২১৬৩. বুন্দার (রহঃ) .... আবদুল্লাহ ইবন সাইব ইবন ইয়াযীদ তার পিতা তার পিতামহ ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কৌতুক ভাবেই হোক বা সত্যিকার অর্থেই হোক কোন অবস্থাতেই তোমাদের কেউ তার ভায়ের লাঠিতে হাত দিবে না। কেউ যদি তার ভাইয়ের লাঠি নেয় তবে সে যেন তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দেয়। -সহিহ লিগাইরিহি, সহিহা ৯২১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবন উমার, সুলায়মান ইবন সুরাদ, জা’দা এবং আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবন আবূ যি’ব (রহঃ)-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমারা জানি না। সাইব ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সংসর্গ পেয়েছেন। শৈশবস্থায় তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা শুনেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যখন ইন্তিকাল হয় তখন সাইব এর বয়স ছিল সাত বছর। তাঁর পিতা ইয়াযীদ ইবন সাইব রাদিয়াল্লাহু আনহুও সাহাবী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তিনি কিছু হাদীসও বর্ণনা করেছেন। সাইব ইবন ইয়াযীদ নামির-এর বোনের ছেলে।
হাদিস নং: ২১৬৪ হাসান (Hasan)
حدثنا قتيبة حدثنا حاتم بن اسماعيل عن محمد بن يوسف عن الساىب بن يزيد قال حج يزيد مع النبي صلى الله عليه وسلم حجة الوداع وانا ابن سبع سنين ‏.‏ فقال علي بن المديني عن يحيى بن سعيد القطان كان محمد بن يوسف ثبتا صاحب حديث وكان الساىب بن يزيد جده وكان محمد بن يوسف يقول حدثني الساىب بن يزيد وهو جدي من قبل امي
২১৬৪. কুতায়বা (রহঃ) ...... সাইব ইবন ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, (আমার পিতা) ইয়াযীদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বিদায় হজ্জে অংশ গ্রহণ করেন তখন আমি ছিলাম সাত বছরের বালক।

আলী ইবনুল মাদানী ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ কাত্তান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, বারী মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ নির্ভরযোগ্য, সাইব ইবন ইয়াযীদ ছিলেন তাঁর মাতামহ। মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ বলতেন, সাইব ইবন ইয়াযীদ আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমার মাতামহ। হাসান, মাওকূফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ২১৬৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن الصباح العطار الهاشمي، حدثنا محبوب بن الحسن، حدثنا خالد الحذاء، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من اشار على اخيه بحديدة لعنته الملاىكة ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي بكرة وعاىشة وجابر ‏.‏ وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه يستغرب من حديث خالد الحذاء ‏.‏
ورواه ايوب عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، نحوه ولم يرفعه وزاد فيه ‏"‏ وان كان اخاه لابيه وامه ‏"‏ ‏.‏ قال واخبرنا بذلك قتيبة حدثنا حماد بن زيد عن ايوب بهذا ‏.‏
২১৬৫. আবদুল্লাহ ইবন সাব্বাহ হাশিমী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রতি ধারালো কিছু দিয়ে ইশারা করে ফিরিশতাগণ তার উপর লানত করেন। সহীহ, গায়াতুল মারাম ৪৪৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ বকরা, আয়িশা ও জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ সূত্রে গারীব। খালিদ আল-হাজ্জা (রহঃ) এর রিওয়ায়াত হিসাবে এটিকে গারীব বলে মনে করা হয়। আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু এটিকে মুহাম্মদ ইবন সীরীন (রহঃ)- আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি মারফূ করেননি। এতে আরো আছে ’’যদিও সে তার সহোদর ভাই হয়।’’ কুতায়বা (রহঃ) ... আয়্যূব (রহঃ) থেকে তা বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস নং: ২১৬৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي البصري، حدثنا حماد بن سلمة، عن ابي الزبير، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يتعاطى السيف مسلولا ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي بكرة ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من حديث حماد بن سلمة ‏.‏ وروى ابن لهيعة هذا الحديث عن ابي الزبير عن جابر عن بنة الجهني عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وحديث حماد بن سلمة عندي اصح ‏.‏
২১৬৬. আবদুল্লাহ ইবন মুআবিয়া জুমাহী বাসরী (রহঃ) ..... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খাপ থেকে খোলা অবস্থায় পরস্পর তলোয়ার আদান-প্রদান করা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ৩৫২৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাম্মাদ ইবন সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর রিওয়ায়াত হিসাবে হাদীসটি গারীব। ইবন লাহীয়া (রহঃ) এ হাদীসটি আবুয-যুবায়র, জাবির ও বাননা জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ ইবন সালামা-এর রিওয়ায়াতটি আমার কাছে অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ২১৬৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا معدي بن سليمان، حدثنا ابن عجلان، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يتبعنكم الله بشيء من ذمته ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن جندب وابن عمر ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏
২১৬৭. বুনদার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ফজরের সালাত (নামায) আদায় করল সে আল্লাহর যিম্মায় চলে এলো। আল্লাহ যেন তার যিম্মার বিষয়ে তোমাদেরকে কোনরূপ অভিযুক্ত না করেন। সহীহ, সহীহুত তারগিব ৪৬১, তা’লিকুর রাগিব ১/১৪১, ১৫৫, ১৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে জুনদুব ও ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান এ সূত্রে গারীব।
হাদিস নং: ২১৬৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا النضر بن اسماعيل ابو المغيرة، عن محمد بن سوقة، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال خطبنا عمر بالجابية فقال يا ايها الناس اني قمت فيكم كمقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا فقال ‏ "‏ اوصيكم باصحابي ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم ثم يفشو الكذب حتى يحلف الرجل ولا يستحلف ويشهد الشاهد ولا يستشهد الا لا يخلون رجل بامراة الا كان ثالثهما الشيطان عليكم بالجماعة واياكم والفرقة فان الشيطان مع الواحد وهو من الاثنين ابعد من اراد بحبوحة الجنة فليلزم الجماعة من سرته حسنته وساءته سيىته فذلك المومن ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه وقد رواه ابن المبارك عن محمد بن سوقة وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏
২১৬৮. আহমাদ ইবন মানী (রহঃ) ....... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে জাবিয়া নামক স্থানে ভাষণ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হে লোকেরা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন আমাদের মাঝে দাঁড়াতেন তেমনি আমি আজ তোমাদের মাঝে দাঁড়িয়েছি। তিনি বলেছেন, আমি তোমাদেরকে আমার সাহাবীগণ সম্পর্কে ওয়াসীয়ত করে যাচ্ছি। এরপর যারা তাদের পরে আসবে, এরপর হল তারা যারা তাদেরও পরে আসবে। এরপর মিথ্যার বিস্তৃতি ঘটবে। এমনকি একজন কসম করে বসবে অথচ তাকে কসম করতে বলা হয়নি। কোন সাক্ষী দিয়ে বসবে অথচ তাকে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়নি। শুনে রাখ, কোন পুরুষ যেন কোন মহিলার সঙ্গে নিভৃতে একত্রিত না হয় অন্যথায় শয়তান অবশ্যই তৃতীয় জন হিসাবে হাযির থাকে। তোমরা অবশ্যই মুসলিম জামাআতকে আকড়ে ধরে থাকবে। বিচ্ছিন্নতা থেকে বেঁচে থাকবে। শয়তান একাকী জনের সাথে থাকে। আর দুই জন থেকে সে আরো দূরে থাকে। যে ব্যক্তি জান্নাতের সর্বোত্তম স্থান কামনা করে সে যেন জামাআতকে আকড়ে ধরে থাকে। নেক আমল যাকে আনন্দিত করে এবং মন্দ আমল যাকে দুঃখিত করে সেই হল মু’মিন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৩৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান-সহীহ এ সূত্রে গারীব। ইবন মুবারক (রহঃ) এটি মুহাম্মদ ইবন সূকা (রহঃ) এর বরাতে রিওয়ায়াত করেছেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৬৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابراهيم بن ميمون، عن ابن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يد الله مع الجماعة ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث ابن عباس الا من هذا الوجه ‏.‏
২১৬৯. ইয়াহইয়া ইবন মূসা (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর হাত হল জামাআতের উপর। সহীহ, তাখরিজু ইসলাহিল মাসাজিদ ৬১, যিলালুল জান্নাত ১-৮, মিশকাত ১৭৩, বিদায়াতুস সূল ৭০/১৩৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর রিওয়ায়াত হিসাবে এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
হাদিস নং: ২১৭০ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا ابو بكر بن نافع البصري، حدثني المعتمر بن سليمان، حدثنا سليمان المدني، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ان الله لا يجمع امتي - او قال امة محمد صلى الله عليه وسلم - على ضلالة ويد الله مع الجماعة ومن شذ شذ الى النار ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه ‏.‏ وسليمان المدني هو عندي سليمان بن سفيان وقد روى عنه ابو داود الطيالسي وابو عامر العقدي وغير واحد من اهل العلم
২১৭০. আবূ বকর ইবন নাফি’ বাসরী (রহঃ) ..... ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা আমার উম্মাতকে (বর্ণনান্তরে উম্মতে মুহাম্মদীকে) কখনো গুমরাহীর উপর অবশ্যই একত্রিত করবেন না। আল্লাহর হাত হল জামাআতের উপর। যে ব্যক্তি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে সে একাকী জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। হাদিসে বর্ণিত "মান শাযযা শাযযা ফিননারি" অংশটুকু ব্যাতিত হাদিসটি সহিহ। মিশকাত ১৭৩, আয যিলাল ৮০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। আমার মতে সুলায়মান মাদীনী (রহঃ) হলেন, সুলায়মান ইবন সুফইয়ান। তার নিকট থেকে আবূ দাউদ তায়ালিসী, আবূ আমির উকদী প্রমুখ আলিম হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ২১৭১ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا اسماعيل بن ابي خالد، عن قيس بن ابي حازم، عن ابي بكر الصديق، انه قال ايها الناس انكم تقرءون هذه الاية ‏:‏ ‏(‏يا ايها الذين امنوا عليكم انفسكم لا يضركم من ضل اذا اهتديتم)‏ واني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ ان الناس اذا راوا الظالم فلم ياخذوا على يديه اوشك ان يعمهم الله بعقاب منه ‏"‏ ‏.‏
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يزيد بن هارون، عن اسماعيل بن ابي خالد، نحوه ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن عاىشة، وام سلمة والنعمان بن بشير وعبد الله بن عمر وحذيفة ‏.‏ وهذا حديث صحيح ‏.‏ وهكذا روى غير، واحد، عن اسماعيل، نحو حديث يزيد ورفعه بعضهم عن اسماعيل، واوقفه، بعضهم ‏.‏
২১৭১. আহমাদ ইবন মানী’ (রহঃ) ..... আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হে লোকেরা তোমরা এ আয়াতটি পড়ে থাক-

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لاَ يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ

হে মুমিনগণ, তোমাদের নিজেদের সংশোধনই তোমাদের কর্তব্য। তোমরা যতি হিদায়েতের পথে চল তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। (সূরা মায়িদা ৫ঃ ১০৫)

অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মানুষ যখন যালিমকে যুলুম করতে দেখে তখন তারা যদি তার হাত ধরে প্রতিহত না করে তবে আল্লাহ তাআলা অচিরেই তাদের সবাইকে তার ব্যাপাক আযাবে নিপতিত করবেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০০৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... ইসমাঈল ইবন খালিদ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ বিষয়ে আয়িশা, উম্মূল সালামা, নুমান ইবন বাশীর, আবদুল্লাহ ইবন উমার এবং হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

একাধিক রাবী এ হাদীসটিকে ইসমাঈল (রহঃ) এর বরাতে ইয়াযীদ (রহঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ ইসমাঈল (রহঃ) থেকে মারফু রূপে আর কেউ কেউ মাওকুফ রূপে এটির রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ২১৭২ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن ابي عمرو، عن عبد الله الانصاري، عن حذيفة بن اليمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده لتامرن بالمعروف ولتنهون عن المنكر او ليوشكن الله ان يبعث عليكم عقابا منه ثم تدعونه فلا يستجاب لكم ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا اسماعيل بن جعفر، عن عمرو بن ابي عمرو، بهذا الاسناد نحوه ‏.‏
২১৭২. কুতায়বা (রহঃ) ...... হুযায়ফা ইবন ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাঁর হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজের নিষেধ করতে থাক। নতুবা অচিরেই আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর তাঁর আযাব নিপতিত করবেন। তখন তোমরা তাঁর নিকট দুআ করবে কিন্তু তিনি তোমাদের দুআ কবুল করবেন না। সহীহ, সহিহাহ ২৮৬৮, বুখারি, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৬৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আলী ইবন হজর (রহঃ) ... আমর ইবন আবূ ’আমর (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস নং: ২১৭৩ যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن ابي عمرو، عن عبد الله، وهو ابن عبد الرحمن الانصاري الاشهلي عن حذيفة بن اليمان، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ والذي نفسي بيده لا تقوم الساعة حتى تقتلوا امامكم وتجتلدوا باسيافكم ويرث دنياكم شراركم ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن انما نعرفه من حديث عمرو بن ابي عمرو ‏.‏
২১৭৩. নাসর ইবন আলী (রহঃ) ..... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ বাহিনীর কথা আলোচনা করলেন যারা ভূমিতে (জীবন্ত) ধ্বসে যাবে। তখন উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, তাদের মধ্যে হয়ত এমন লোকও থাকবে যাকে জবরদস্তি করে ঐ বাহিনীতে শামিল করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাদের নিয়্যাত অনুসারে তাদেরকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করা হবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৪০৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদীসটি নাফি ইবন জুবায়র আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৭৪ সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا سفيان، عن محمد بن سوقة، عن نافع بن جبير، عن ام سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه ذكر الجيش الذي يخسف بهم فقالت ام سلمة لعل فيهم المكره ‏.‏ قال ‏ "‏ انهم يبعثون على نياتهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد روي هذا الحديث عن نافع بن جبير عن عاىشة ايضا عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏
২১৭৪. নাসর ইবন আলী (রহঃ) ... উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ বাহিনীর কথা আলোচনা করলেন যারা ভূমিতে (জীবন্ত) ধ্বসে যাবে। তখন উম্মু সালামা (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে হয়ত এমন লোকও থাকবে যাকে জবরদস্তী করে সেই বাহিনীতে শামিল করা হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাদের নিয়্যাত অনুসারে তাদেরকে কিয়ামতের দিন উত্থিত করা হবে। সহীহ, তা’লীক আলা ইবনু মাজাহ, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদিসটি হাসান এ সূত্রে গারীব। এ হাদিসটি নাফি’-ইবন জুবায়র-আইশা (রাঃ) সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৭৫ সহিহ (Sahih)
حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال اول من قدم الخطبة قبل الصلاة مروان فقام رجل فقال لمروان خالفت السنة ‏.‏ فقال يا فلان ترك ما هنالك ‏.‏ فقال ابو سعيد اما هذا فقد قضى ما عليه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من راى منكرا فلينكره بيده ومن لم يستطع فبلسانه ومن لم يستطع فبقلبه وذلك اضعف الايمان ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏
২১৭৫. বুনদার (রহঃ) ...... তারিক ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, (ঈদে) সালাতের পূর্বে খুৎবা প্রদানের প্রথম রেওয়াজ শুরু করে মারওয়ান। তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে মারওয়ানকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন, তুমি সুন্নার বিপরীত আচরণ করছ। মারওয়ান বললঃ হে অমুক, ঐ পদ্ধতি পরিত্যাক্ত হয়ে গেছে। এরপর আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, এই ব্যক্তি (প্রতিবাদকারী ব্যক্তি) তার দায়িত্ব পালন করেছে। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অন্যায় কাজ হতে দেখবে সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিহত করে, তাতে যে সামর্থ নয় সে যেন তার যবান দিয়ে তা প্রতিহত করে, তাতেও যে সমর্থ নয় সে যেন মনে মনে তা ঘৃণা করে। আর এ হল দুর্বলতম ঈমান। সহীহ, ইবনু মাজাহ ১২৭৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৭৬ সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مثل القاىم على حدود الله والمدهن فيها كمثل قوم استهموا على سفينة في البحر فاصاب بعضهم اعلاها واصاب بعضهم اسفلها فكان الذين في اسفلها يصعدون فيستقون الماء فيصبون على الذين في اعلاها فقال الذين في اعلاها لا ندعكم تصعدون فتوذوننا فقال الذين في اسفلها فانا ننقبها من اسفلها فنستقي فان اخذوا على ايديهم فمنعوهم نجوا جميعا وان تركوهم غرقوا جميعا ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏
২১৭৬. আহমাদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... নু’মান ইবন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর হুদুদের উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি এবং এ বিষয়ে অবহেলা প্রদর্শনকারীর উদাহরণ হল এমন এক সম্প্রদায়ের মত, যারা লটারীর মাধ্যমে সমুদ্রের মাঝে জাহাজে নিজ নিজ আসন নির্ধারণ করল। কতকজন তো পেল উপর তলার আসন আর কতক জন পেল নীচ তলার আসন, যারা নীচ তলার ছিল তারা উপর তলায় চড়ত সেখানে তারা পানি পান করত এবং উপর তলার লোকদের উপরও তা পড়ত। সুতরাং উপর তলার লোকেরা বলল, তোমাদের জন্য আমরা উপরের উঠার সুযোগ ছাড়তে পারি না। কারণ, তোমরা আমাদের কষ্ট দিচ্ছ। নীচের তলার এরা বললঃ তা হলে আমরা জাহাজের নীচ দিয়ে ছিদ্র করে নিব এবং পানি লাভ করব। এমতাবস্থায় উপর তলার লোকেরা যদি তাদের হাত ঝাপটে ধরে এবং এ কাজ থেকে তাদের বিরত রাখে তবে সকলেই মুক্তি পাবে কিন্তু তারা যদি এদেরকে ছেড়ে রাখে তবে সকলেই ডুববে। সহীহ, সহিহাহ ৬৯, তা’লিকুর রাগিব ২/১৬৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৭৭ সহিহ (Sahih)
حدثنا القاسم بن دينار الكوفي، حدثنا عبد الرحمن بن مصعب ابو يزيد، حدثنا اسراىيل، عن محمد بن جحادة، عن عطية، عن ابي سعيد الخدري، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ان من اعظم الجهاد كلمة عدل عند سلطان جاىر ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي امامة ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏
২১৭৭. কাসিম ইবন দীনার কুফী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সব চেয়ে বড় জিহাদ হল অত্যাচারী কর্তৃপক্ষের সামনে ন্যায় কথা বলা। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৪০১০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি এ সূত্রে হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ২১৭৮ সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، عن عبد الله بن الحارث، عن عبد الله بن خباب بن الارت، عن ابيه، قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فاطالها قالوا يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها قال ‏ "‏ اجل انها صلاة رغبة ورهبة اني سالت الله فيها ثلاثا فاعطاني اثنتين ومنعني واحدة سالته ان لا يهلك امتي بسنة فاعطانيها وسالته ان لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فاعطانيها وسالته ان لا يذيق بعضهم باس بعض فمنعنيها ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏ وفي الباب عن سعد وابن عمر ‏.‏
২১৭৮. মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবন খাব্বাব ইবন আরত তার পিতা খাব্বাব ইবন আরাত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত (নামায) আদায় করেন এবং তা দীর্ঘ করেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এমন সালাত (নামায) আজ আদায় করলেন যা আর কখনো করেননি। তিনি বললেন, হ্যাঁ, ঠিকই। এ হল আশা ও ভয়ের সালাত (নামায)। এতে আমি আল্লাহর নিকট তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেছিলাম। আমাকে দুটি বিষয় দিয়ে দিয়েছেন আর একটি বিষয় মানা করে দিয়েছেন। আমি তাঁর কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, তিনি যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে না দেন। আমার এই প্রার্থনা কবুল করেন। আমি প্রার্থনা করেছিলাম, তাদের বিজাতীয় শত্রুকে তাদের উপর যেন ব্যাপক ভাবে চাপিয়ে না দেন। আমার এ প্রার্থনাও কবুল করেন। প্রার্থনা করেছিলাম তারা পরস্পরে যেন যুদ্ধবিগ্রহের আস্বাদ না নেয়, আমার প্রার্থনা মানা করে দেন। সহীহ, সিফাতুস সালাত, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে সা’দ এবং ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ২১৭৯ সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن ابي اسماء الرحبي، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ان الله زوى لي الارض فرايت مشارقها ومغاربها وان امتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها واعطيت الكنزين الاحمر والاصفر واني سالت ربي لامتي ان لا يهلكها بسنة عامة وان لا يسلط عليهم عدوا من سوى انفسهم فيستبيح بيضتهم وان ربي قال يا محمد اني اذا قضيت قضاء فانه لا يرد واني اعطيتك لامتك ان لا اهلكهم بسنة عامة وان لا اسلط عليهم عدوا من سوى انفسهم فيستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من باقطارها او قال من بين اقطارها حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏
২১৭৯. কুতায়বা (রহঃ) ...... ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তাআলা আমার জন্য যমীন সংকুচিত করে দেন। এতে আমি এর পূর্ব-পশ্চিম সব দিক প্রত্যক্ষ করি। পৃথিবীর যতটুকু আমার জন্য সংকোচিত করে দেওয়া হয় আমার উম্মাতের সাম্রাজ্য অচিরেই ততদুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। আমাকে লাল (স্বর্ণ) ও সাদা (রৌপ্য) উভয় খাজানায়ই প্রদান করা হয়। আমি আমার প্রভুর নিকট আমার উম্মাতের জন্য দুআ করেছিলাম তিনি যেন তাদেরকে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে না দেন, তিনি যেন এমন কোন বিজাতি শত্রু তাদের উপর কর্তৃত্বাধিকারী করে না দেন যারা তাদের সমূলে উৎপাটিত করে দিবে।

আমার রব বললেনঃ হে মুহাম্মসদ, আমি যখন কোন ফায়সালা করি তখন তা রদ হওয়ার নয়। আমি আপনার উম্মাতের বিষয়ে আপনাকে দিয়ে দিলাম যে, তাদেরকে আমি ব্যাপক দূর্ভিক্ষ দিয়ে হালাক করে দিব না, বিজাতি শত্রুকে তাদের উপর এমন কর্তৃত্বাধিকারী করব না যে তাদের সমূলে উৎখাত করে দিতে পারবে যদিও সব দিক থেকে সকলেই তারা একত্রিত হয়ে আসে। তবে তাদের কতক কতককে ধবংশ করবে এবং কতক কতকককে বন্দী করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৯৫২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ২১৮০ সহিহ (Sahih)
حدثنا عمران بن موسى القزاز البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا محمد بن جحادة، عن رجل، عن طاوس، عن ام مالك البهزية، قالت ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فتنة فقربها قالت قلت يا رسول الله من خير الناس فيها قال ‏ "‏ رجل في ماشيته يودي حقها ويعبد ربه ورجل اخذ براس فرسه يخيف العدو ويخيفونه ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ام مبشر وابي سعيد الخدري وابن عباس ‏.‏ وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد رواه الليث بن ابي سليم عن طاوس عن ام مالك البهزية عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏
২১৮০. ইমরান ইবন মূসা কাযযায বাসরী (রহঃ) ...... উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং তা অত্যন্ত নিকটবর্তী বলে বর্ণনা দেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, এতদপ্রেক্ষিতে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে হবেন? তিনি বললেন, এক ব্যক্তি হল যে তার পশুপালের মাঝে অবস্থান করবে এবং এগুলোর হক আদায় করবে আর তার রবের ইবাদত করবে। আরেক জন হল সেই ব্যক্তি যে তার ঘোড়ার মাথা ধরে থাকবে এবং শত্রুদের ভয় দেখাবে আর তারাও তাকে ভয় দেখাবে। সহীহ, সহিহাহ ৬৯৮, তা’লিকুর রাগীব ২/১৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২১৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে উম্মু মুবাশশির, আবূ সাঈদ খুদরী এবং ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি এ সূত্রে গারীব। লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম এটিকে তাউস উম্মু মালিক বাহযিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহ-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন।
অধ্যায় তালিকা