হাদিস নং: ১৫৫৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن عطاء بن الساىب، عن ابي البختري، ان جيشا، من جيوش المسلمين كان اميرهم سلمان الفارسي حاصروا قصرا من قصور فارس فقالوا يا ابا عبد الله الا ننهد اليهم قال دعوني ادعهم كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعوهم . فاتاهم سلمان فقال لهم انما انا رجل منكم فارسي ترون العرب يطيعونني فان اسلمتم فلكم مثل الذي لنا وعليكم مثل الذي علينا وان ابيتم الا دينكم تركناكم عليه واعطونا الجزية عن يد وانتم صاغرون . قال ورطن اليهم بالفارسية وانتم غير محمودين . وان ابيتم نابذناكم على سواء . قالوا ما نحن بالذي نعطي الجزية ولكنا نقاتلكم . فقالوا يا ابا عبد الله الا ننهد اليهم قال لا . فدعاهم ثلاثة ايام الى مثل هذا ثم قال انهدوا اليهم . قال فنهدنا اليهم ففتحنا ذلك القصر . قال وفي الباب عن بريدة والنعمان بن مقرن وابن عمر وابن عباس . وحديث سلمان حديث حسن لا نعرفه الا من حديث عطاء بن الساىب . وسمعت محمدا يقول ابو البختري لم يدرك سلمان لانه لم يدرك عليا وسلمان مات قبل علي . وقد ذهب بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم الى هذا وراوا ان يدعوا قبل القتال وهو قول اسحاق بن ابراهيم قال ان تقدم اليهم في الدعوة فحسن يكون ذلك اهيب . وقال بعض اهل العلم لا دعوة اليوم . وقال احمد لا اعرف اليوم احدا يدعى . وقال الشافعي لا يقاتل العدو حتى يدعوا الا ان يعجلوا عن ذلك فان لم يفعل فقد بلغتهم الدعوة .
১৫৫৪। কুতায়বা (রহঃ) ... আবদুল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালমান ফারসী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নেতৃত্বে একটি মুসলিম বাহিনী পারস্যের একটি কিল্লা অবরোধ করেছিল। মুসলিম বাহিনীর সদস্যরা বলল, হে আবূ আবদুল্লাহ, আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে হামলা চালাব না? তিনি বললেন, আমাকে ছেড়ে দাও, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যেমন দাওয়াত দিতে শুনেছি তেমনিভাবে আমি এদেরকে (ইসলামের) দাওয়াত দিব। এরপর সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু এদর (শত্রুদের) কাছে এলেন এবং বললেন, আমি তোমাদের মতই এক ফারসী বংশ উদ্ভুত লোক। তোমরা দেখছ আরবরা আমার আনুগত্য করছে।
তোমরা যদি ইসলাম গ্রহণ কর তবে আমাদের যা (হক) আছে তোমাদেরও তা-ই হবে। আর আমাদের উপর যা প্রযোজ্য হয় তোমাদের উপরও তা প্রযোজ্য হবে। তোমরা যদি তোমাদের দ্বীন ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাও তবে আমরা তোমাদের ধর্মের উপরই তোমাদের থাকতে দেব। তোমরা আমাদের আনুগত্য স্বীকার করে আমাদেরকে সহস্তে জিযইয়া দিবে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি এদের সাথে ফারসীতেও আলাপ করলেন। তিনি বললেন, এমতাবস্থায় তোমরা প্রশংসিত হবে না। তা-ও যদি তোমরা অস্বীকার কর তবে সমানভাবে আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা দিচ্ছি। তারা বলল, আমরা তোমাদের জিযইয়া প্রদান করব না বরং তোমাদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করব।
মুসলিম বাহিনীর লোকেরা বলল, হে আবূ আবদুল্লাহ, আমরা কি এদের বিরুদ্ধে হামলা করব না? তিনি বললেন, না। বর্ণনাকারী বলেন, এই ভাবে তিনি তাদেরকে তিন দিন পর্যন্ত দাওয়াত দিলেন। এরপর বললেন, এবার তোমরা এদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা কর। সেমতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে হামলা করলাম এবং ঐ কিল্লাটি জয় করে নিলাম।
যঈফ, ইরওয়া ৫/৮৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে বুরায়দা, নু’মান ইবনু মুকাররিন, ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আতা ইবনু সাইব (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আবূল বাখতারী (রহঃ) সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তো আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পূর্বে ইন্তিকাল করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদীসানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের মত প্রকাশ করেছেন। তারা যুদ্ধের পূর্বে ইসলামের প্রতি দাওয়াত প্রদান করতে হবে বলে মনে করেন। এ হল ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) এর অভিমত। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে যদি অগ্রবর্তী হওয়া যায় তবে তা ভাল এবং তা তাদের মধ্যে অধিকতর ভীতি সঞ্চারক হবে। কতক আলিম বলেন, বর্তমান যুগে আর দাওয়াতের প্রয়োজন নেই। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, ইসলামের দাওয়াত প্রদান না করা পর্যন্ত শত্রুদের সঙ্গে যুদ্ধ করা যাবে না। কিন্তু যদি তা না করে তাতেও কোন দোষ নেই। কেননা দাওয়াত তো ইতোমধ্যে তাদের কাছে পৌছে গেছেই।
তোমরা যদি ইসলাম গ্রহণ কর তবে আমাদের যা (হক) আছে তোমাদেরও তা-ই হবে। আর আমাদের উপর যা প্রযোজ্য হয় তোমাদের উপরও তা প্রযোজ্য হবে। তোমরা যদি তোমাদের দ্বীন ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাও তবে আমরা তোমাদের ধর্মের উপরই তোমাদের থাকতে দেব। তোমরা আমাদের আনুগত্য স্বীকার করে আমাদেরকে সহস্তে জিযইয়া দিবে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি এদের সাথে ফারসীতেও আলাপ করলেন। তিনি বললেন, এমতাবস্থায় তোমরা প্রশংসিত হবে না। তা-ও যদি তোমরা অস্বীকার কর তবে সমানভাবে আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা দিচ্ছি। তারা বলল, আমরা তোমাদের জিযইয়া প্রদান করব না বরং তোমাদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করব।
মুসলিম বাহিনীর লোকেরা বলল, হে আবূ আবদুল্লাহ, আমরা কি এদের বিরুদ্ধে হামলা করব না? তিনি বললেন, না। বর্ণনাকারী বলেন, এই ভাবে তিনি তাদেরকে তিন দিন পর্যন্ত দাওয়াত দিলেন। এরপর বললেন, এবার তোমরা এদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা কর। সেমতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে হামলা করলাম এবং ঐ কিল্লাটি জয় করে নিলাম।
যঈফ, ইরওয়া ৫/৮৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে বুরায়দা, নু’মান ইবনু মুকাররিন, ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। আতা ইবনু সাইব (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। মুহাম্মদ বুখারী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আবূল বাখতারী (রহঃ) সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু তো আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর পূর্বে ইন্তিকাল করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদীসানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের মত প্রকাশ করেছেন। তারা যুদ্ধের পূর্বে ইসলামের প্রতি দাওয়াত প্রদান করতে হবে বলে মনে করেন। এ হল ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) এর অভিমত। তিনি বলেন, দাওয়াতের ক্ষেত্রে যদি অগ্রবর্তী হওয়া যায় তবে তা ভাল এবং তা তাদের মধ্যে অধিকতর ভীতি সঞ্চারক হবে। কতক আলিম বলেন, বর্তমান যুগে আর দাওয়াতের প্রয়োজন নেই। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, ইসলামের দাওয়াত প্রদান না করা পর্যন্ত শত্রুদের সঙ্গে যুদ্ধ করা যাবে না। কিন্তু যদি তা না করে তাতেও কোন দোষ নেই। কেননা দাওয়াত তো ইতোমধ্যে তাদের কাছে পৌছে গেছেই।
হাদিস নং: ১৫৫৫
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن يحيى العدني المكي، - ويكنى بابي عبد الله الرجل الصالح هو ابن ابي عمر حدثنا سفيان بن عيينة عن عبد الملك بن نوفل بن مساحق عن ابن عصام المزني عن ابيه وكانت له صحبة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا بعث جيشا او سرية يقول لهم " اذا رايتم مسجدا او سمعتم موذنا فلا تقتلوا احدا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب وهو حديث ابن عيينة .
১৫৫৫। মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া আদানী মাক্কী তার উপনাম আবূ আবদুল্লাহ, তিনি ছিলেন একজন সৎ লোক। তিনি হলেন, ইবনু আবী উমার (রহঃ) ... ইসাম মুযানী তিনি ছিলেন সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন বাহিনীকে অভিযানে প্রেরণ করতেন তখন তাদের বলতেন, তোমরা যদি কোথাও মসজিদ দেখতে পাও বা কোন মুয়াযযিনের আযান শুনতে পাও তবে সেখানকার কাউকে হত্যা করবে না। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ ৪৫৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। এটি হল ইবনু উয়ায়না (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত।
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। এটি হল ইবনু উয়ায়না (রহঃ)-এর রিওয়ায়াত।
হাদিস নং: ১৫৫৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثني مالك بن انس، عن حميد، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم حين خرج الى خيبر اتاها ليلا وكان اذا جاء قوما بليل لم يغر عليهم حتى يصبح فلما اصبح خرجت يهود بمساحيهم ومكاتلهم فلما راوه قالوا محمد وافق والله محمد الخميس . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الله اكبر خربت خيبر انا اذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " .
১৫৫৬। আনসারী (রহঃ) ... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের অভিযানে বের হলে রাতে এসে সেখানে পৌছেন। তিনি কোথাও রাতে এলে সকাল না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অতর্কিত আক্রমণ করতেন না। যা হোক, সকালে খায়বারের ইয়াহূদীরা তাদের কোদাল ঝুড়িসহ (কাজের উদ্দেশ্যে) বের হল। যখন তারা তাঁকে দেখল তখন বলতে লাগল, মুহাম্মদ, আল্লাহর কসম মুহাম্মদ তার বিরাট পূর্ণাঙ্গ বাহিনী নিয়ে এসে গেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ আকবর, খায়বার বিনষ্ট হয়ে গেল, আমরা যখন কোন শত্রু সম্প্রদায়ের অঙ্গনে অবতরণ করি তখন যাদের সতর্ক করা হয়েছিল কতই না মন্দ হয় তাদের সেই ভোর। সহীহ, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৫৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا معاذ بن معاذ، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن انس، عن ابي طلحة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا ظهر على قوم اقام بعرصتهم ثلاثا . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وحديث حميد عن انس حديث حسن صحيح . وقد رخص قوم من اهل العلم في الغارة بالليل وان يبيتوا وكرهه بعضهم . وقال احمد واسحاق لا باس ان يبيت العدو ليلا . ومعنى قوله وافق محمد الخميس يعني به الجيش .
১৫৫৭। কুতায়বা ও মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সম্প্রদায়ের উপর বিজয় লাভ করতেন তখন তাদের অঞ্চলে তিন দিন অবস্থান করতেন। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৪১৪, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। হুমায়স-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীসটিও (১৫৫৬ নং) হাসান-সহীহ। কতক আলিম রাতে অতর্কিত আক্রমণের অবকাশ রেখেছেন। আর কতক আলিম এটিকে মাকরূহ বা নিন্দনীয় বলে মনে করেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, রাত্রে শত্রুর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় কোন অসুবিধা নেই।
وَافَقَ مُحَمَّدٌ الْخَمِيسَ অর্থ হলঃ মুহাম্মাদ তার পূর্ণ বাহিনী সহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। হুমায়স-আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত হাদীসটিও (১৫৫৬ নং) হাসান-সহীহ। কতক আলিম রাতে অতর্কিত আক্রমণের অবকাশ রেখেছেন। আর কতক আলিম এটিকে মাকরূহ বা নিন্দনীয় বলে মনে করেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, রাত্রে শত্রুর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় কোন অসুবিধা নেই।
وَافَقَ مُحَمَّدٌ الْخَمِيسَ অর্থ হলঃ মুহাম্মাদ তার পূর্ণ বাহিনী সহ।
হাদিস নং: ১৫৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم حرق نخل بني النضير وقطع وهي البويرة فانزل الله : (ما قطعتم من لينة او تركتموها قاىمة على اصولها فباذن الله وليخزي الفاسقين) . قال وفي الباب عن ابن عباس . وهذا حديث حسن صحيح . وقد ذهب قوم من اهل العلم الى هذا ولم يروا باسا بقطع الاشجار وتخريب الحصون . وكره بعضهم ذلك وهو قول الاوزاعي . قال الاوزاعي ونهى ابو بكر الصديق يزيد ان يقطع شجرا مثمرا او يخرب عامرا وعمل بذلك المسلمون بعده . وقال الشافعي لا باس بالتحريق في ارض العدو وقطع الاشجار والثمار . وقال احمد وقد تكون في مواضع لا يجدون منه بدا فاما بالعبث فلا تحرق . وقال اسحاق التحريق سنة اذا كان انكى فيهم .
১৫৫৮। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানূ নাযির গোত্রের বুওয়ায়রার খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন এবং গাছগুলি কেটে ফেলেছিলেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেনঃ
مَا قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللَّهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ
তোমরা যে গাছগুলি কেটেছ বা যেগুলি কান্ডের উপর ছেড়ে রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; আর এ জন্য যে, আল্লাহ ফাসিকদেরকে লাঞ্চিত করবেন। [৫৯ঃ ৫]
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৪৪, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণের এক সম্প্রদায় এ মত অবলম্বন করেছেন। যুদ্ধে বৃক্ষকর্তণ এবং কেল্লা ধ্বংস করায় কোন দোষ আছে বলে তারা মনে করেন না। কতক আলিম তা অপছন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। এ হল ইমাম আওযাঈ-এর অভিমত। তিনি বলেন, ফলন্ত বৃক্ষ কর্তণ করতে বা আবাদী ধ্বংস করতে আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু নিষেধ করেছেন। শাফিঈ (রহঃ) বলেন, শত্রুর সম্পত্তি জ্বালানো এবং তাদের বৃক্ষ ও ফল কর্তন করায় কোন দোষ নেই। আহমাদ (রহঃ) বলেন, এ ছাড়া যদি কোন উপায় না থাকে এমন স্থানে তা করা যাবে। প্রয়োজন ছাড়া জ্বালাও-পোড়াও করা যাবে না। ইসহাক (রহঃ) বলেন, শত্রু প্রতি যদি আঘাত বেশী হয় তবে আগুন লাগান সুন্নাত বলে বিবেচিত হবে।
مَا قَطَعْتُمْ مِنْ لِينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَى أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللَّهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ
তোমরা যে গাছগুলি কেটেছ বা যেগুলি কান্ডের উপর ছেড়ে রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহরই অনুমতিক্রমে; আর এ জন্য যে, আল্লাহ ফাসিকদেরকে লাঞ্চিত করবেন। [৫৯ঃ ৫]
সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৪৪, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণের এক সম্প্রদায় এ মত অবলম্বন করেছেন। যুদ্ধে বৃক্ষকর্তণ এবং কেল্লা ধ্বংস করায় কোন দোষ আছে বলে তারা মনে করেন না। কতক আলিম তা অপছন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন। এ হল ইমাম আওযাঈ-এর অভিমত। তিনি বলেন, ফলন্ত বৃক্ষ কর্তণ করতে বা আবাদী ধ্বংস করতে আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু নিষেধ করেছেন। শাফিঈ (রহঃ) বলেন, শত্রুর সম্পত্তি জ্বালানো এবং তাদের বৃক্ষ ও ফল কর্তন করায় কোন দোষ নেই। আহমাদ (রহঃ) বলেন, এ ছাড়া যদি কোন উপায় না থাকে এমন স্থানে তা করা যাবে। প্রয়োজন ছাড়া জ্বালাও-পোড়াও করা যাবে না। ইসহাক (রহঃ) বলেন, শত্রু প্রতি যদি আঘাত বেশী হয় তবে আগুন লাগান সুন্নাত বলে বিবেচিত হবে।
হাদিস নং: ১৫৫৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن عبيد المحاربي الكوفي، حدثنا اسباط بن محمد، عن سليمان التيمي، عن سيار، عن ابي امامة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الله فضلني على الانبياء او قال امتي على الامم واحل لنا الغناىم " . وفي الباب عن علي وابي ذر وعبد الله بن عمرو وابي موسى وابن عباس . قال ابو عيسى حديث ابي امامة حديث حسن صحيح . وسيار هذا يقال له سيار مولى بني معاوية . وروى عنه سليمان التيمي وعبد الله بن بحير وغير واحد .
حدثنا علي بن حجر، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " فضلت على الانبياء بست اعطيت جوامع الكلم ونصرت بالرعب واحلت لي الغناىم وجعلت لي الارض مسجدا وطهورا وارسلت الى الخلق كافة وختم بي النبيون " . هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا علي بن حجر، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " فضلت على الانبياء بست اعطيت جوامع الكلم ونصرت بالرعب واحلت لي الغناىم وجعلت لي الارض مسجدا وطهورا وارسلت الى الخلق كافة وختم بي النبيون " . هذا حديث حسن صحيح .
১৫৫৯। মুহাম্মদ ইবনু উবায়দ মুহারিবী (রহঃ) ... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা আমাকে নবীগণের উপর মর্যাদা দিয়েছেন। অথবা তিনি বলেছেন, আমার উম্মাতকে অপরাপর উম্মাতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং তিনি আমাদের জন্য গানীমত হালাল করেছেন।
সহীহ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৪০০১, ইরওয়া ১৫২, ২৮৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আলী, আবূ যার, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবূ মূসা ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। শুধু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। বর্ণনাকারী এ সায়্যার হলেন বানূ মুআবিয়া-এর আযাতকৃত দাস সায়্যার। তার বরাতে সুলায়মান তায়মী আবদুল্লাহ ইবনু বাহীর (রহঃ) প্রমুখ বর্ণনা করেছেন।
আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অন্যান্য নবীগণের উপর ছয়টি ক্ষেত্রে আমাকে অধিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আমাকে ব্যাপক ভাবকে অল্প কথায় প্রকাশ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, শত্রুর মনে আযাব প্রভাব সৃষ্টি করে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গনীমত সম্পদ হালাল করা হয়েছে। যমীনকে আমার জন্য মসজিদ ও তাহারাতের (পবিত্রতার) উপায় (তায়ম্মুম) হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সমগ্র সৃষ্টির প্রতি আমি প্রেরিত হয়েছি, আমার মাধ্যমে নবীগণের আগমন শেষ করা হয়েছে।
সহীহ, ইরওয়া ২৮৫, মুসলিম।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৪০০১, ইরওয়া ১৫২, ২৮৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আলী, আবূ যার, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবূ মূসা ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। শুধু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। বর্ণনাকারী এ সায়্যার হলেন বানূ মুআবিয়া-এর আযাতকৃত দাস সায়্যার। তার বরাতে সুলায়মান তায়মী আবদুল্লাহ ইবনু বাহীর (রহঃ) প্রমুখ বর্ণনা করেছেন।
আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অন্যান্য নবীগণের উপর ছয়টি ক্ষেত্রে আমাকে অধিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আমাকে ব্যাপক ভাবকে অল্প কথায় প্রকাশ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, শত্রুর মনে আযাব প্রভাব সৃষ্টি করে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গনীমত সম্পদ হালাল করা হয়েছে। যমীনকে আমার জন্য মসজিদ ও তাহারাতের (পবিত্রতার) উপায় (তায়ম্মুম) হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সমগ্র সৃষ্টির প্রতি আমি প্রেরিত হয়েছি, আমার মাধ্যমে নবীগণের আগমন শেষ করা হয়েছে।
সহীহ, ইরওয়া ২৮৫, মুসলিম।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৫৬০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن عبدة الضبي، وحميد بن مسعدة، قالا حدثنا سليم بن اخضر، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قسم في النفل للفرس بسهمين وللرجل بسهم .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سليم بن اخضر، نحوه . وفي الباب عن مجمع بن جارية، وابن، عباس وابن ابي عمرة عن ابيه، . وهذا حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول سفيان الثوري والاوزاعي ومالك بن انس وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق قالوا للفارس ثلاثة اسهم سهم له وسهمان لفرسه وللراجل سهم .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سليم بن اخضر، نحوه . وفي الباب عن مجمع بن جارية، وابن، عباس وابن ابي عمرة عن ابيه، . وهذا حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول سفيان الثوري والاوزاعي ومالك بن انس وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق قالوا للفارس ثلاثة اسهم سهم له وسهمان لفرسه وللراجل سهم .
১৫৬০। আহমাদ ইবনু আবদা যাববী ও হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমত বা যুদ্ধ সম্পদের অশ্বের জন্য দুই হিস্যা এবং অশ্ব মালিকের জন্য এক হিস্যা করে বণ্টন করেছেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৫৪, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনু আখযার (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে মুজাম্মা’ ইবনু জারিয়া, ইবনু আব্বাস, ইবনু আবূ আমরা তৎপিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও হাদীস বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল সুফইয়ান ছাওরী, আওযাঈ, মালিক ইবনু আনাস, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তারা বলেন, অশ্বারোহী সৈন্যের হল তিন হিস্যা তার নিজের আর অশ্বের খাতিরে হল দুই হিস্যা। পদাতিক সৈন্যের হল এক হিস্যা।
মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনু আখযার (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে মুজাম্মা’ ইবনু জারিয়া, ইবনু আব্বাস, ইবনু আবূ আমরা তৎপিতা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও হাদীস বর্ণিত আছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল সুফইয়ান ছাওরী, আওযাঈ, মালিক ইবনু আনাস, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তারা বলেন, অশ্বারোহী সৈন্যের হল তিন হিস্যা তার নিজের আর অশ্বের খাতিরে হল দুই হিস্যা। পদাতিক সৈন্যের হল এক হিস্যা।
হাদিস নং: ১৫৬১
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن يحيى الازدي البصري، وابو عمار وغير واحد قالوا حدثنا وهب بن جرير، عن ابيه، عن يونس بن يزيد، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير الصحابة اربعة وخير السرايا اربعماىة وخير الجيوش اربعة الاف ولا يغلب اثنا عشر الفا من قلة " . هذا حديث حسن غريب لا يسنده كبير احد غير جرير بن حازم وانما روي هذا الحديث عن الزهري عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا . وقد رواه حبان بن علي العنزي عن عقيل عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . ورواه الليث بن سعد عن عقيل عن الزهري عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا .
১৫৬১। মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া আযদী, বাসরী, আবূ আম্মার প্রমুখ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সর্বোত্তম সঙ্গী সংখ্যা হল চার। সর্বোত্তম খন্ড বাহিনী হল চার শতের। সর্বোত্তম পূর্ণ বাহিনী হল চার হাজারের আর বার হাজার সদস্যের বাহিনী কখনো সংখ্যাল্পতার কারণে পরাজিত হতে পারে না।
যইফ, সহীহাহ নতুন সংস্করণ ৯৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। জারীর ইবনু হাজিম ছাড়া বড় কেউ এটিকে মুসনাদ হিসাবে রিওয়ায়াত করেননি। যুহরী (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি মুরসাল রূপে বর্ণিত আছে। হাব্বান ইবনু আলী আনাযী (রহঃ) এটিকে উকায়ল-যুহরী-উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদিল্লাহ-ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। লায়ছ ইবনু সা’দ (রহঃ) এটিকে উকায়ল-যুহরী সূত্রে-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।
যইফ, সহীহাহ নতুন সংস্করণ ৯৮৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান-গারীব। জারীর ইবনু হাজিম ছাড়া বড় কেউ এটিকে মুসনাদ হিসাবে রিওয়ায়াত করেননি। যুহরী (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি মুরসাল রূপে বর্ণিত আছে। হাব্বান ইবনু আলী আনাযী (রহঃ) এটিকে উকায়ল-যুহরী-উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদিল্লাহ-ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। লায়ছ ইবনু সা’দ (রহঃ) এটিকে উকায়ল-যুহরী সূত্রে-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ১৫৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن يزيد بن هرمز، ان نجدة الحروري، كتب الى ابن عباس يساله هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وهل كان يضرب لهن بسهم فكتب اليه ابن عباس كتبت الى تسالني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وكان يغزو بهن فيداوين المرضى ويحذين من الغنيمة واما يسهم فلم يضرب لهن بسهم . وفي الباب عن انس وام عطية . وهذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم وهو قول سفيان الثوري والشافعي . وقال بعضهم يسهم للمراة والصبي . وهو قول الاوزاعي قال الاوزاعي واسهم النبي صلى الله عليه وسلم للصبيان بخيبر واسهمت اىمة المسلمين لكل مولود ولد في ارض الحرب .
قال الاوزاعي واسهم النبي صلى الله عليه وسلم للنساء بخيبر واخذ بذلك المسلمون بعده . حدثنا بذلك علي بن خشرم حدثنا عيسى بن يونس عن الاوزاعي بهذا . ومعنى قوله ويحذين من الغنيمة يقول يرضخ لهن بشيء من الغنيمة يعطين شيىا .
قال الاوزاعي واسهم النبي صلى الله عليه وسلم للنساء بخيبر واخذ بذلك المسلمون بعده . حدثنا بذلك علي بن خشرم حدثنا عيسى بن يونس عن الاوزاعي بهذا . ومعنى قوله ويحذين من الغنيمة يقول يرضخ لهن بشيء من الغنيمة يعطين شيىا .
১৫৬২। কুতায়বা (রহঃ) ... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট নাজদা হারূরী এই মর্মে জানতে চেয়ে পত্র দিয়েছিল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মেয়েদের নিয়ে গাযওয়ায় (যুদ্ধে) যেতেন এবং তাদের জন্য কি গনীমতের অংশ নির্ধারণ করতেন? উত্তরে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু লিখলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেয়েদের নিয়ে গাযওয়া করেছেন কিনা জানতে চেয়ে তুমি আমার কাছে পত্র লিখেছিলে। তিনি তাদের নিয়ে গাযওয়া গিয়েছেন। তারা অসুস্থদের শুশ্রূষা করত। তাদেরকে গনীমত সম্পদ থেকে কিছু দান করা হত। তবে তাদের কোন নির্ধারিত হিস্যা ছিল না। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৪৩৮, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আনাস ও উম্মু আতিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল সুফইয়ান ছাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, মেয়ে ও শিশুদেরকেও হিস্যা দেওয়া হবে। এ হল ইমাম আওযাঈ (রহঃ)-এর অভিমত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারে শিশুদের হিস্যা দিয়েছিলেন। সমর ফ্রন্টে যে শিশুর জন্ম হয় তাদেরও মুসলিমদের ইমাম বা রাষ্ট্র প্রধানগণ হিস্যা দিয়েছেন। আওযাঈ (রহঃ) আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারে মহিলাদেরও হিস্যা দিয়েছেন। পরবর্তীতে মুসলিমগণও এই পন্থা অনসরণ করেছেন।
আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ... আওযাঈ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।يُحْذَيْنَ مِنَ الْغَنِيمَةِ অর্থ হল গানীমত থেকে মহিলাদের সামান্য দান করা যাবে।
এ বিষয়ে আনাস ও উম্মু আতিয়্যা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অধিকাংশ আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল সুফইয়ান ছাওরী ও শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, মেয়ে ও শিশুদেরকেও হিস্যা দেওয়া হবে। এ হল ইমাম আওযাঈ (রহঃ)-এর অভিমত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারে শিশুদের হিস্যা দিয়েছিলেন। সমর ফ্রন্টে যে শিশুর জন্ম হয় তাদেরও মুসলিমদের ইমাম বা রাষ্ট্র প্রধানগণ হিস্যা দিয়েছেন। আওযাঈ (রহঃ) আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারে মহিলাদেরও হিস্যা দিয়েছেন। পরবর্তীতে মুসলিমগণও এই পন্থা অনসরণ করেছেন।
আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ... আওযাঈ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।يُحْذَيْنَ مِنَ الْغَنِيمَةِ অর্থ হল গানীমত থেকে মহিলাদের সামান্য দান করা যাবে।
হাদিস নং: ১৫৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا بشر بن المفضل، عن محمد بن زيد، عن عمير، مولى ابي اللحم قال شهدت خيبر مع سادتي فكلموا في رسول الله صلى الله عليه وسلم واعلموه اني مملوك . قال فامر بي فقلدت السيف فاذا انا اجره فامر لي بشيء من خرثي المتاع وعرضت عليه رقية كنت ارقي بها المجانين فامرني بطرح بعضها وحبس بعضها . وفي الباب عن ابن عباس . وهذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم ان لا يسهم للمملوك ولكن يرضخ له بشيء . وهو قول الثوري والشافعي واحمد واسحاق .
১৫৬৩। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূল লাহমের মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম উমায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার মালিকদের সঙ্গে খায়বার যুদ্ধে হাযির ছিলাম। তারা আমার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আলোচনা করল। তারা তাকে বলেছিলেন যে আমি একজন মালিকানা ভুক্ত গোলাম। উমায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার নির্দেশে আমার গলায় তলওয়ার লটকে দেওয়া হল। আমি তা হেঁচড়ে হেঁচড়ে চলছিলাম। অনন্তর তিনি আমার জন্য গনীমত সম্পদের থেকে সামান্য তৈজশপত্রের কিছু দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমি তার নিকট কিছু মন্ত্র পেশ করেছিলাম। এগুলোর সাহায্যে আমি পাগলদের ঝাড় ফুঁক করতাম। তিনি আমাকে এর কতক বাদ দিতে এবং কতক রাখতে নির্দেশ দিলেন।
সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৪৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন যে, গনীমত সম্পদ গোলামদের কোন নির্ধারতি হিস্যা নেই। তবে সামান্য কিছু তাদের দান করা যাবে। এ হল ছাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৪৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন যে, গনীমত সম্পদ গোলামদের কোন নির্ধারতি হিস্যা নেই। তবে সামান্য কিছু তাদের দান করা যাবে। এ হল ছাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ১৫৬৪
সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن انس، عن الفضيل بن ابي عبد الله، عن عبد الله بن نيار الاسلمي، عن عروة، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج الى بدر حتى اذا كان بحرة الوبر لحقه رجل من المشركين يذكر منه جراة ونجدة فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " الست تومن بالله ورسوله " . قال لا . قال " ارجع فلن استعين بمشرك " . وفي الحديث كلام اكثر من هذا . هذا حديث حسن غريب . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم قالوا لا يسهم لاهل الذمة وان قاتلوا مع المسلمين العدو . وراى بعض اهل العلم ان يسهم لهم اذا شهدوا القتال مع المسلمين .
ويروى عن الزهري، ان النبي صلى الله عليه وسلم اسهم لقوم من اليهود قاتلوا معه . حدثنا بذلك قتيبة بن سعيد اخبرنا عبد الوارث بن سعيد عن عزرة بن ثابت عن الزهري بهذا . هذا حديث حسن غريب .
ويروى عن الزهري، ان النبي صلى الله عليه وسلم اسهم لقوم من اليهود قاتلوا معه . حدثنا بذلك قتيبة بن سعيد اخبرنا عبد الوارث بن سعيد عن عزرة بن ثابت عن الزهري بهذا . هذا حديث حسن غريب .
১৫৬৪। আনসারী (রহঃ) ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদর যাত্রাকলে যখন ’’হাররাতুল ওয়াবর’’ নামক স্থানে পৌছলেন তখন জনৈক মুশরিক এসে তাঁর সঙ্গে শামিল হল। সাহসিকতা ও বাহাদুরীতে তার খুব খ্যাতি ছিল। তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান রাখ? সে বলল, না, তিনি বললেন, তা হলে ফিরে যাও! আমি কখনো মুশরিকদের সাহায্য নিব না। সহীহ, ইবনু মাজাহ ২৮৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটিতে আরো আলোচনা রয়েছে। ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। কোন যিম্মি বা মুসলিম দেশের অমুসলিম নাগরিক মুসলিমদের সাথে থেকে শত্রু বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ করে তবু তাদেরকে গনীমত সম্পদ থেকে নির্দিষ্ট হারে হিস্যা প্রদান করা যাবে না। কতক আলিম বলেন, মুসলিমদের সাথে যদি তারা যুদ্ধে হাযির হয় তবে তাদের হিস্যা প্রদান করা হবে।
যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াহূদীদের একদলকে গনীমতের হিস্যা দিয়েছিলেন যারা তাঁর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়েছিল।
কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত রিওয়ায়াত করেছেন। যঈফ।
হাদীসটিতে আরো আলোচনা রয়েছে। ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। কোন যিম্মি বা মুসলিম দেশের অমুসলিম নাগরিক মুসলিমদের সাথে থেকে শত্রু বিরুদ্ধে যদি যুদ্ধ করে তবু তাদেরকে গনীমত সম্পদ থেকে নির্দিষ্ট হারে হিস্যা প্রদান করা যাবে না। কতক আলিম বলেন, মুসলিমদের সাথে যদি তারা যুদ্ধে হাযির হয় তবে তাদের হিস্যা প্রদান করা হবে।
যুহরী (রহঃ)-এর বরাতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়াহূদীদের একদলকে গনীমতের হিস্যা দিয়েছিলেন যারা তাঁর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়েছিল।
কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... যুহরী (রহঃ) থেকে উক্ত রিওয়ায়াত করেছেন। যঈফ।
হাদিস নং: ১৫৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا بريد بن عبد الله بن ابي بردة، عن جده ابي بردة، عن ابي موسى، قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم في نفر من الاشعريين خيبر فاسهم لنا مع الذين افتتحوها . هذا حديث حسن غريب . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم قال الاوزاعي من لحق بالمسلمين قبل ان يسهم للخيل اسهم له . وبريد يكنى ابا بريدة وهو ثقة وروى عنه سفيان الثوري وابن عيينة وغيرهما .
১৫৬৫। আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ... আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশআরী গোত্রের একদল লোকসহ আমি খায়বারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলাম। যারা এ এলাকাটি জয় করেছিলেন তাদের সঙ্গে আমাদেরকেও তিনি গনীমতের হিস্যা দিয়েছিলেন। সহীহ, সহীহ আবূ দাউদ ২৪৩৬, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। আওযাঈ (রহঃ) বলেন, মুসলিম বাহিনীর মাঝে গনীমত সম্পদ বণ্টন করার পূর্বে যদি কোন মুসলিম এসে তাদের সঙ্গে শামিল হয় তবে তাকেও তা থেকে হিস্যা প্রদান করা হবে।
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। আওযাঈ (রহঃ) বলেন, মুসলিম বাহিনীর মাঝে গনীমত সম্পদ বণ্টন করার পূর্বে যদি কোন মুসলিম এসে তাদের সঙ্গে শামিল হয় তবে তাকেও তা থেকে হিস্যা প্রদান করা হবে।
হাদিস নং: ১৫৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا زيد بن اخزم الطاىي، حدثنا ابو قتيبة، سلم بن قتيبة حدثنا شعبة، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن ابي ثعلبة الخشني، قال سىل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قدور المجوس فقال " انقوها غسلا واطبخوا فيها " . ونهى عن كل سبع وذي ناب . وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابي ثعلبة رواه ابو ادريس الخولاني عن ابي ثعلبة . وابو قلابة لم يسمع من ابي ثعلبة انما رواه عن ابي اسماء عن ابي ثعلبة .
حدثنا هناد، حدثنا ابن المبارك، عن حيوة بن شريح، قال سمعت ربيعة بن يزيد الدمشقي، يقول اخبرني ابو ادريس الخولاني، عاىذ الله بن عبيد الله قال سمعت ابا ثعلبة الخشني، يقول اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله انا بارض قوم اهل كتاب ناكل في انيتهم قال " ان وجدتم غير انيتهم فلا تاكلوا فيها فان لم تجدوا فاغسلوها وكلوا فيها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا هناد، حدثنا ابن المبارك، عن حيوة بن شريح، قال سمعت ربيعة بن يزيد الدمشقي، يقول اخبرني ابو ادريس الخولاني، عاىذ الله بن عبيد الله قال سمعت ابا ثعلبة الخشني، يقول اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله انا بارض قوم اهل كتاب ناكل في انيتهم قال " ان وجدتم غير انيتهم فلا تاكلوا فيها فان لم تجدوا فاغسلوها وكلوا فيها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৫৬৬। যায়দ ইবনু আখযাম তাঈ (রহঃ) ... আবূ ছা’লাবা খুশানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অগ্নি পূজকদের পাত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন, এগুলো মেজে ধুয়ে পবিত্র করে নিবে এরপর তাতে পাক করবে। তিনি দাঁতাল হিংস্র প্রাণী নিষিদ্ধ করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩২০৭, ৩২৩২, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি আবূ ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ)-ও এটিকে আবূ ছা’লাবারাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। আবূ ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে আবূ কিলাবা (রহঃ) সরাসরি কিছু শুনেন নি। তিনি এটিকে আসলে আবূ আসমা সূত্রে আবূ ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।
হান্নাদ (রহঃ) ... আবূ ইদরীস আল-খাওলানী আইযুল্লাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ ছা’লাবা খুশানী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা এমন এক অঞ্চলে থাকি যেখানে কিতাবীদের বাস। আমরা তাদের পাত্রাদিতেও আহার করি। তিনি বললেন, এ ছাড়া অন্য পাত্র যদি পাও তবে আর এগুলোতে আহার করবে না। আর তা যদি না পাও তবে সেগুলো ধুয়ে নিবে এবং তাতে আহার করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩২০৭, নাসাঈ।
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩২০৭, ৩২৩২, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটি আবূ ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ)-ও এটিকে আবূ ছা’লাবারাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। আবূ ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে আবূ কিলাবা (রহঃ) সরাসরি কিছু শুনেন নি। তিনি এটিকে আসলে আবূ আসমা সূত্রে আবূ ছা’লাবা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।
হান্নাদ (রহঃ) ... আবূ ইদরীস আল-খাওলানী আইযুল্লাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ ছা’লাবা খুশানী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা এমন এক অঞ্চলে থাকি যেখানে কিতাবীদের বাস। আমরা তাদের পাত্রাদিতেও আহার করি। তিনি বললেন, এ ছাড়া অন্য পাত্র যদি পাও তবে আর এগুলোতে আহার করবে না। আর তা যদি না পাও তবে সেগুলো ধুয়ে নিবে এবং তাতে আহার করবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩২০৭, নাসাঈ।
ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৫৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن الحارث، عن سليمان بن موسى، عن مكحول، عن ابي سلام، عن ابي امامة، عن عبادة بن الصامت، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان ينفل في البداة الربع وفي القفول الثلث . وفي الباب عن سعد وابن عباس وحبيب بن مسلمة ومعن بن يزيد وابن عمر وسلمة بن الاكوع . وحديث عبادة حديث حسن . وقد روي هذا الحديث عن ابي سلام عن رجل من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم
حدثنا هناد، حدثنا ابن ابي الزناد، عن ابيه، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم تنفل سيفه ذا الفقار يوم بدر وهو الذي راى فيه الرويا يوم احد . هذا حديث حسن غريب انما نعرفه من هذا الوجه من حديث ابن ابي الزناد . وقد اختلف اهل العلم في النفل من الخمس فقال مالك بن انس لم يبلغني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نفل في مغازيه كلها وقد بلغني انه نفل في بعضها وانما ذلك على وجه الاجتهاد من الامام في اول المغنم واخره . قال ابن منصور قلت لاحمد ان النبي صلى الله عليه وسلم نفل اذا فصل بالربع بعد الخمس واذا قفل بالثلث بعد الخمس فقال يخرج الخمس ثم ينفل مما بقي ولا يجاوز هذا . قال ابو عيسى وهذا الحديث على ما قال ابن المسيب النفل من الخمس . قال اسحاق كما قال .
حدثنا هناد، حدثنا ابن ابي الزناد، عن ابيه، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم تنفل سيفه ذا الفقار يوم بدر وهو الذي راى فيه الرويا يوم احد . هذا حديث حسن غريب انما نعرفه من هذا الوجه من حديث ابن ابي الزناد . وقد اختلف اهل العلم في النفل من الخمس فقال مالك بن انس لم يبلغني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نفل في مغازيه كلها وقد بلغني انه نفل في بعضها وانما ذلك على وجه الاجتهاد من الامام في اول المغنم واخره . قال ابن منصور قلت لاحمد ان النبي صلى الله عليه وسلم نفل اذا فصل بالربع بعد الخمس واذا قفل بالثلث بعد الخمس فقال يخرج الخمس ثم ينفل مما بقي ولا يجاوز هذا . قال ابو عيسى وهذا الحديث على ما قال ابن المسيب النفل من الخمس . قال اسحاق كما قال .
১৫৬৭। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... উবাদা ইবনু সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আক্রমণের প্রথম ভাগে এক-চতুর্থাংশ এবং ফিরতী হামলা ক্ষেত্রে এক তৃতীয়াংশ নাফল বা অতিরিক্ত প্রদান করতেন।
সহীহ, হাদিসটির সনদ দুর্বল, কিন্তু সহীহ আবূ দাউদে এর শাহিদ আছে, হাদীস নং ২৪৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, হাবীব ইবনু মাসলামা, মা’ন ইবনু ইয়াযীদ, ইবনু উমার, সালামা ইবনু আকওয়া’ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসটি হাসান। হাদীসটি আবূ সাল্লাম-জনৈক সাহাবী সূত্রেও বর্ণিত আছে।
হান্নাদ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যুল ফাকার নামক তলওয়ারটি বদর যুদ্ধে নাফল হিসাবে পেয়েছিলেন। উহুদ যুদ্ধের দিন এটিকে জড়িয়ে তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন। সনদ হাসান।
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবনু আবূ যিনাদ (রহঃ) এর হাদীস হিসাবে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নাই। খুমুস বা গনীমত সম্পদের একপঞ্চমাংশ থেকে নাফল বা অতিরিক্ত পুরস্কার প্রদানের বিষয়ে আলিমগণের মত বিরোধ রয়েছে। মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সবকটি গাযওয়াতে ’’নাফল’’ প্রদান করেছেন বলে কোন রিওয়াত আমাদের কাছে পৌছেনি। আমার কাছে যে রিওয়ায়াত পৌছেছে তা হল, তিনি কতক গাযওয়ায় তা দিয়েছেন।
এই বিষয়টি হল শুরু বা শেষ গনীমত হিসাবে ইমাম বা মুসলিম সরকার প্রদানের বিবেচনার উপর নির্ভরশীল। ইবনু মানসুর (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদকে বললাম, এতে তো কোন বিতর্ক নেই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দল থেকে পৃথক হয়ে যুদ্ধে যাত্রার ক্ষেত্রে এক পঞ্চমাংশের পর একচতুর্থাংশ এবং ফিরতীর সময় একপঞ্চমাংশের পর একতৃতীয়াংশ নাফল হিসাবে প্রদান করেছেন। তখন তিনি বললেন, প্রথমে সমস্ত গনীমতের এক পঞ্চমাংশ আলাদা করে নেওয়া হবে। তার অবশিষ্টাংশ হতে নাফল প্রদান করা হবে এবং তা এই পরিমাণ অতিক্রম করে যেন না যায়। এই হাদীসটি ইবনুল মুসায়্যোবের কথার উপর প্রযোজ্য য়ে, ’’নাফল’’ দেওয়া হবে খুমুস বা একপঞ্চমাংশ থেকে। ইসহাক (রহঃ)-ও তদ্রুপ কথা বলেছেন।
সহীহ, হাদিসটির সনদ দুর্বল, কিন্তু সহীহ আবূ দাউদে এর শাহিদ আছে, হাদীস নং ২৪৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, হাবীব ইবনু মাসলামা, মা’ন ইবনু ইয়াযীদ, ইবনু উমার, সালামা ইবনু আকওয়া’ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উবাদা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসটি হাসান। হাদীসটি আবূ সাল্লাম-জনৈক সাহাবী সূত্রেও বর্ণিত আছে।
হান্নাদ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যুল ফাকার নামক তলওয়ারটি বদর যুদ্ধে নাফল হিসাবে পেয়েছিলেন। উহুদ যুদ্ধের দিন এটিকে জড়িয়ে তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন। সনদ হাসান।
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবনু আবূ যিনাদ (রহঃ) এর হাদীস হিসাবে এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নাই। খুমুস বা গনীমত সম্পদের একপঞ্চমাংশ থেকে নাফল বা অতিরিক্ত পুরস্কার প্রদানের বিষয়ে আলিমগণের মত বিরোধ রয়েছে। মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সবকটি গাযওয়াতে ’’নাফল’’ প্রদান করেছেন বলে কোন রিওয়াত আমাদের কাছে পৌছেনি। আমার কাছে যে রিওয়ায়াত পৌছেছে তা হল, তিনি কতক গাযওয়ায় তা দিয়েছেন।
এই বিষয়টি হল শুরু বা শেষ গনীমত হিসাবে ইমাম বা মুসলিম সরকার প্রদানের বিবেচনার উপর নির্ভরশীল। ইবনু মানসুর (রহঃ) বলেন, আমি আহমাদকে বললাম, এতে তো কোন বিতর্ক নেই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দল থেকে পৃথক হয়ে যুদ্ধে যাত্রার ক্ষেত্রে এক পঞ্চমাংশের পর একচতুর্থাংশ এবং ফিরতীর সময় একপঞ্চমাংশের পর একতৃতীয়াংশ নাফল হিসাবে প্রদান করেছেন। তখন তিনি বললেন, প্রথমে সমস্ত গনীমতের এক পঞ্চমাংশ আলাদা করে নেওয়া হবে। তার অবশিষ্টাংশ হতে নাফল প্রদান করা হবে এবং তা এই পরিমাণ অতিক্রম করে যেন না যায়। এই হাদীসটি ইবনুল মুসায়্যোবের কথার উপর প্রযোজ্য য়ে, ’’নাফল’’ দেওয়া হবে খুমুস বা একপঞ্চমাংশ থেকে। ইসহাক (রহঃ)-ও তদ্রুপ কথা বলেছেন।
হাদিস নং: ১৫৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن انس، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير بن افلح، عن ابي محمد، مولى ابي قتادة عن ابي قتادة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " . قال ابو عيسى وفي الحديث قصة .
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد نحوه . وفي الباب عن عوف بن مالك، وخالد بن الوليد، وانس، وسمرة بن جندب، . وهذا حديث حسن صحيح . وابو محمد هو نافع مولى ابي قتادة . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول الاوزاعي والشافعي واحمد . وقال بعض اهل العلم للامام ان يخرج من السلب الخمس . وقال الثوري النفل ان يقول الامام من اصاب شيىا فهو له ومن قتل قتيلا فله سلبه فهو جاىز وليس فيه الخمس . وقال اسحاق السلب للقاتل الا ان يكون شيىا كثيرا فراى الامام ان يخرج منه الخمس كما فعل عمر بن الخطاب .
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد نحوه . وفي الباب عن عوف بن مالك، وخالد بن الوليد، وانس، وسمرة بن جندب، . وهذا حديث حسن صحيح . وابو محمد هو نافع مولى ابي قتادة . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول الاوزاعي والشافعي واحمد . وقال بعض اهل العلم للامام ان يخرج من السلب الخمس . وقال الثوري النفل ان يقول الامام من اصاب شيىا فهو له ومن قتل قتيلا فله سلبه فهو جاىز وليس فيه الخمس . وقال اسحاق السلب للقاتل الا ان يكون شيىا كثيرا فراى الامام ان يخرج منه الخمس كما فعل عمر بن الخطاب .
১৫৬৮। আনসারী (রহঃ) ... আবূ কাদাতা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি (শত্রু) কাউকে হত্যা করবে আর এ বিষয়ে যদি তার প্রমাণ থাকে তবে তার জন্য হবে নিহত ব্যক্তির অস্ত্র-সস্ত্র ও মাল-সামান। সহীহ, ইরওয়া ৫/৫২-৫৩, সহীহ আবূ দাউদ ২৪৩, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদীসটিতে আরো কাহিনী রয়েছে। ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে আওফ ইবনু মালিক, খালিদ ইবনু ওয়ালীদ, আনাস ও সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ মুহাম্মদ (রহঃ) হলেন আবূ কাতাদা (রহঃ)-এর আযদকৃত গোলাম নাফি। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল আওযাঈ, শাফিঈ ও আহমাদ (রহঃ)-এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, ইমাম বা খালীফা সালাব বা নিহত শত্রুর মাল-সামান থেকেও খুমুস বা একপঞ্চমাংশ রাখার ক্ষমতা রাখেন।
ছাওরী (রহঃ) বলেন, নাফল হল, ইমামের এই মর্মে ঘোষণা প্রদান যে, যুদ্ধে যে যা হস্তগত করবে তা তার এবং যে ব্যক্তি কোন শত্রুকে নিহত করবে তার জন্য নিহত ব্যক্তির মাল-সামান ও অস্ত্র-সস্ত্র। তা জায়েয এবং এতে খুমুস নেই। ইসহাক (রহঃ) বলেন, সালাব বা নিহত ব্যক্তির মাল-সামান ও অস্ত্রসস্ত্র হবে হত্যাকারীর। কিন্তু সম্পদের পরিমাণ যদি অনেক হয় আর ইমাম যদি মনে করেন তা থেকে খুমুস নিবেন তবে তা পারেন। উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এইরূপ করেছিলেন।
হাদীসটিতে আরো কাহিনী রয়েছে। ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে আওফ ইবনু মালিক, খালিদ ইবনু ওয়ালীদ, আনাস ও সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী আবূ মুহাম্মদ (রহঃ) হলেন আবূ কাতাদা (রহঃ)-এর আযদকৃত গোলাম নাফি। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল আওযাঈ, শাফিঈ ও আহমাদ (রহঃ)-এর অভিমত। কতক আলিম বলেন, ইমাম বা খালীফা সালাব বা নিহত শত্রুর মাল-সামান থেকেও খুমুস বা একপঞ্চমাংশ রাখার ক্ষমতা রাখেন।
ছাওরী (রহঃ) বলেন, নাফল হল, ইমামের এই মর্মে ঘোষণা প্রদান যে, যুদ্ধে যে যা হস্তগত করবে তা তার এবং যে ব্যক্তি কোন শত্রুকে নিহত করবে তার জন্য নিহত ব্যক্তির মাল-সামান ও অস্ত্র-সস্ত্র। তা জায়েয এবং এতে খুমুস নেই। ইসহাক (রহঃ) বলেন, সালাব বা নিহত ব্যক্তির মাল-সামান ও অস্ত্রসস্ত্র হবে হত্যাকারীর। কিন্তু সম্পদের পরিমাণ যদি অনেক হয় আর ইমাম যদি মনে করেন তা থেকে খুমুস নিবেন তবে তা পারেন। উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু এইরূপ করেছিলেন।
হাদিস নং: ১৫৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا هناد، حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن جهضم بن عبد الله، عن محمد بن ابراهيم، عن محمد بن زيد، عن شهر بن حوشب، عن ابي سعيد الخدري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن شراء المغانم حتى تقسم . وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى وهذا حديث غريب .
১৫৬৯। হান্নাদ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বন্টন না হওয়া পর্যন্ত গনীমত সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। সহীহ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৪১০৫-৪১০৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব।
হাদিস নং: ১৫৭০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا ابو عاصم النبيل، عن وهب ابي خالد، قال حدثتني ام حبيبة بنت عرباض بن سارية، ان اباها، اخبرها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان توطا السبايا حتى يضعن ما في بطونهن . قال ابو عيسى وفي الباب عن رويفع بن ثابت . وحديث عرباض حديث غريب . والعمل على هذا عند اهل العلم وقال الاوزاعي اذا اشترى الرجل الجارية من السبى وهي حامل فقد روي عن عمر بن الخطاب انه قال لا توطا حامل حتى تضع . قال الاوزاعي واما الحراىر فقد مضت السنة فيهن بان امرن بالعدة . قال حدثني بذلك علي بن خشرم قال حدثنا عيسى بن يونس عن الاوزاعي .
১৫৭০। মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া আন-নায়সাবূরী (রহঃ) ... ইরবায ইবনু সারিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রসব না হওয়া পর্যন্ত বন্দীনীদের উপর উপগত হওয়া নিষিদ্ধ করেছেন। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে রুওয়ায়ফি’ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইরবায রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। আওযাঈ (রহঃ) বলেন, কেউ যদি কোনি গর্ভবতী বন্দীনী দাসী ক্রয় করে সে বিষয়ে উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, সন্তান প্রসব না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে উপগত হওয়া যাবে না। আওযাঈ (রহঃ) আরো বলেছেন, স্বাধীন মহিলাদের ক্ষেত্রে অনুসৃত সুন্নত হল যে তাদেরকে নির্ধারিত ইদ্দত পালনের নির্দেশ প্রদান করা হবে।
এই বিষয়ে রুওয়ায়ফি’ ইবনু ছাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইরবায রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। আওযাঈ (রহঃ) বলেন, কেউ যদি কোনি গর্ভবতী বন্দীনী দাসী ক্রয় করে সে বিষয়ে উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, সন্তান প্রসব না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে উপগত হওয়া যাবে না। আওযাঈ (রহঃ) আরো বলেছেন, স্বাধীন মহিলাদের ক্ষেত্রে অনুসৃত সুন্নত হল যে তাদেরকে নির্ধারিত ইদ্দত পালনের নির্দেশ প্রদান করা হবে।
হাদিস নং: ১৫৭১
হাসান (Hasan)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الطيالسي، عن شعبة، اخبرني سماك بن حرب، قال سمعت قبيصة بن هلب، يحدث عن ابيه، قال سالت النبي صلى الله عليه وسلم عن طعام النصارى فقال " لا يتخلجن في صدرك طعام ضارعت فيه النصرانية " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
قال ابو عيسى سمعت محمودا، وقال، عبيد الله بن موسى عن اسراىيل، عن سماك بن حرب، عن قبيصة بن هلب، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
قال محمود وقال وهب بن جرير عن شعبة، عن سماك، عن مري بن قطري، عن عدي بن حاتم، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . والعمل على هذا عند اهل العلم من الرخصة في طعام اهل الكتاب .
قال ابو عيسى سمعت محمودا، وقال، عبيد الله بن موسى عن اسراىيل، عن سماك بن حرب، عن قبيصة بن هلب، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
قال محمود وقال وهب بن جرير عن شعبة، عن سماك، عن مري بن قطري، عن عدي بن حاتم، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . والعمل على هذا عند اهل العلم من الرخصة في طعام اهل الكتاب .
১৫৭১। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... কাবীসা ইবনু হুলব তৎপিতা হুলব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাসারাদের খাদ্য সম্পর্কে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, খাদ্যের বিষয়ে (বিনা কারণে) কোন রূপ দ্বিধার শিকার হবে না। এমন করলে তো তুমি খৃস্টানদের অনুরূপ হয়ে গেলে। (কারণ, খৃস্টানরাই বেশী ছুতছাতের পিছনে পড়ে)।
হাসান, ইবনু মাজাহ ২৮৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান। মাহমূদ (রহঃ) বলেন, উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা-ইসরাঈল-সিমাক-কাবীসা-তৎপিতা (হুলব) রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। কিতাবীদের খাদ্য জায়েয হওয়া সম্পর্কে আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
হাসান, ইবনু মাজাহ ২৮৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি হাসান। মাহমূদ (রহঃ) বলেন, উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা-ইসরাঈল-সিমাক-কাবীসা-তৎপিতা (হুলব) রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। কিতাবীদের খাদ্য জায়েয হওয়া সম্পর্কে আলিমগণ এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন।
হাদিস নং: ১৫৭২
হাসান (Hasan)
حدثنا عمر بن حفص الشيباني، اخبرنا عبد الله بن وهب، اخبرني حيى، عن ابي عبد الرحمن الحبلي، عن ابي ايوب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من فرق بين والدة وولدها فرق الله بينه وبين احبته يوم القيامة " . قال ابو عيسى وفي الباب عن علي . وهذا حديث حسن غريب . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم كرهوا التفريق بين السبى بين الوالدة وولدها وبين الولد والوالد وبين الاخوة . قال ابو عيسى وسمعت البخاري يقول سمع ابو عبد الرحمن الحبلي من ابي ايوب .
১৫৭২। উমার ইবনু হাবস শায়বানী (রহঃ) ... আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি মা ও সন্তানের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটায় আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার ও তার প্রিয়জনদের মাঝে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে দিবেন। হাসান, মিশকাত ৩৩৬১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বন্দীদের মা ও সন্তানদের মাঝে, সন্তান ও পিতার মাঝে এবং ভাইদের পরস্পর আলাদা করা নিন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।
এই বিষয়ে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান-গারীব। সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বন্দীদের মা ও সন্তানদের মাঝে, সন্তান ও পিতার মাঝে এবং ভাইদের পরস্পর আলাদা করা নিন্দনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।
হাদিস নং: ১৫৭৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو عبيدة بن ابي السفر، - واسمه احمد بن عبد الله الهمداني ومحمود بن غيلان قالا حدثنا ابو داود الحفري، حدثنا يحيى بن زكريا بن ابي زاىدة، عن سفيان بن سعيد، عن هشام، عن ابن سيرين، عن عبيدة، عن علي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان جبراىيل هبط عليه فقال له خيرهم يعني اصحابك في اسارى بدر القتل او الفداء على ان يقتل منهم قابلا مثلهم . قالوا الفداء ويقتل منا " . قال وفي الباب عن ابن مسعود وانس وابي برزة وجبير بن مطعم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري لا نعرفه الا من حديث ابن ابي زاىدة . وروى ابو اسامة عن هشام عن ابن سيرين عن عبيدة عن علي عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . وروى ابن عون عن ابن سيرين عن عبيدة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا . وابو داود الحفري اسمه عمر بن سعد .
১৫৭৩। আবূ উবায়দা ইবনু আবূ সাফার, তাঁর নাম হল আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ হামদানী ও মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, জিবরীল (আঃ) তাঁর কাছে নেমে এসেছেন এবং বলেছেন, বদরের বন্দীদের বিষয়ে হত্যা বা মুক্তিপণের ক্ষেত্রে শর্ত হল যে, আগামীতে এদের থেকেও উক্ত পরিমাণ লোক নিহত হবে। সাহাবীরা বললেন, আমরা মুক্তিপণই গ্রহণ করলাম, আমাদের থেকে সমসংখ্যক লোক নিহত হলে হবে।
সহীহ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৯৭৩, ইরওয়া ৫/৪৮-৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু মাসউদ, আনাস, আবূ বারযা ও জুবায়র ইবনু মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ছাওরীর হাদীস হিসাবে এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবনু আবূ যাইদা (রহঃ) এর বর্ণনা ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নাই। আবূ উসামা (রহঃ)-ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু আওন (রহঃ) এটিকে ইবনু সীরীন-উবায়দা-আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। রাবী আবূ দাউদ হাফরী (রহঃ) এর নাম হল উমার ইবনু সা’দ।
সহীহ, মিশকাত, তাহকীক ছানী ৩৯৭৩, ইরওয়া ৫/৪৮-৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫৬৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু মাসউদ, আনাস, আবূ বারযা ও জুবায়র ইবনু মুতইম রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ছাওরীর হাদীস হিসাবে এই হাদীসটি হাসান-গারীব। ইবনু আবূ যাইদা (রহঃ) এর বর্ণনা ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের জানা নাই। আবূ উসামা (রহঃ)-ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু আওন (রহঃ) এটিকে ইবনু সীরীন-উবায়দা-আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন। রাবী আবূ দাউদ হাফরী (রহঃ) এর নাম হল উমার ইবনু সা’দ।