হাদিস নং: ১৫১০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن سعيد، عن قتادة، عن جرى بن كليب النهدي، عن علي، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يضحى باعضب القرن والاذن . قال قتادة فذكرت ذلك لسعيد بن المسيب فقال العضب ما بلغ النصف فما فوق ذلك . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৫১০। হান্নাদ (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, (পূর্ণ) শিং ভাংগা ও কান কাটা পশু কুরবানী দিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। কাতাদা (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) এর নিকট এ সম্পর্কে আলোচনা করলে তিনি বলেন, শিং ভাঙ্গা-এর মর্ম হল অর্ধৈক বা তার চাইতে বেশী অংশ যদি ভাঙ্গা থাকে তবে তা কুরবানী করা যায়না। যঈফ ইবনু মাজাহ ৩১৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৫১১
সহিহ (Sahih)
حدثني يحيى بن موسى، حدثنا ابو بكر الحنفي، حدثنا الضحاك بن عثمان، حدثني عمارة بن عبد الله، قال سمعت عطاء بن يسار، يقول سالت ابا ايوب الانصاري كيف كانت الضحايا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان الرجل يضحي بالشاة عنه وعن اهل بيته فياكلون ويطعمون حتى تباهى الناس فصارت كما ترى . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وعمارة بن عبد الله هو مدني وقد روى عنه مالك بن انس . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وهو قول احمد واسحاق واحتجا بحديث النبي صلى الله عليه وسلم انه ضحى بكبش فقال " هذا عمن لم يضح من امتي " . وقال بعض اهل العلم لا تجزى الشاة الا عن نفس واحدة وهو قول عبد الله بن المبارك وغيره من اهل العلم .
১৫১১। ইয়াহইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ... ’আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ আইয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে কুরবানী কেমন হতো? তিনি বললেন, একজন নিজের এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানী করতো, নিজেরাও খেত অন্যদেরকেও খাওয়াতো। শেষে লোকেরা এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করে বাহাদুরী প্রদর্শন শুরু করল। ফলে তা-ই হয়েছে তুমি যা দেখেছ। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী উমার ইবনু আবদুল্লাহ হলেন, মদীনী। তার বরাতে মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-ও রিওয়ায়াত করেছেন। কতক আলিমের এতদনুসারে আমল রয়েছে। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। তাঁরা দলীল হিসাবে পেশ করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি মেষ কুরবানী দিলেন এবং বললেন, এটি হল আমার উম্মাতের সে সব লোকদের পক্ষ থেকে যারা কুরবানী করতে সক্ষম নয়। কোন কোন আলিম বলেন, একটি বকরী মাত্র একজনের পক্ষ থেকেই যথেষ্ট হতে পারে। এ হল ইমাম আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক প্রমুখ (রহঃ) আলিমগণের অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী উমার ইবনু আবদুল্লাহ হলেন, মদীনী। তার বরাতে মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-ও রিওয়ায়াত করেছেন। কতক আলিমের এতদনুসারে আমল রয়েছে। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। তাঁরা দলীল হিসাবে পেশ করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি মেষ কুরবানী দিলেন এবং বললেন, এটি হল আমার উম্মাতের সে সব লোকদের পক্ষ থেকে যারা কুরবানী করতে সক্ষম নয়। কোন কোন আলিম বলেন, একটি বকরী মাত্র একজনের পক্ষ থেকেই যথেষ্ট হতে পারে। এ হল ইমাম আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক প্রমুখ (রহঃ) আলিমগণের অভিমত।
হাদিস নং: ১৫১২
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، اخبرنا حجاج بن ارطاة، عن جبلة بن سحيم، ان رجلا، سال ابن عمر عن الاضحية، اواجبة هي فقال ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم والمسلمون . فاعادها عليه فقال اتعقل ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم والمسلمون . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم ان الاضحية ليست بواجبة ولكنها سنة من سنن رسول الله صلى الله عليه وسلم يستحب ان يعمل بها وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك .
১৫১২। আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ... জাবালা ইবনু সুহায়ম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে কুরবানী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল এটা কি অবশ্য করনীয়? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে কুরবানী করেছেন এবং মুসলিমগণও তা করেছেন। লোকটি আবার প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও কুরবানী করেছেন এবং মুসলিমগণ তা করেছেন, বুঝেছ? যঈফ, মিশকাত তাহকীক ছানী ১৪৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন যে, কুরবানী অবশ্য করনীয় নয়। এ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্যতম সুন্নাত। তা করা একটি পছন্দনীয় আমল। এ হল সুফইয়ান ছাওরী ও ইবনুল মুবারক (রহঃ) এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন যে, কুরবানী অবশ্য করনীয় নয়। এ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্যতম সুন্নাত। তা করা একটি পছন্দনীয় আমল। এ হল সুফইয়ান ছাওরী ও ইবনুল মুবারক (রহঃ) এর অভিমত।
হাদিস নং: ১৫১৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا احمد بن منيع، وهناد، قالا حدثنا ابن ابي زاىدة، عن حجاج بن ارطاة، عن نافع، عن ابن عمر، قال اقام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة عشر سنين يضحي . قال ابو عيسى هذا حديث حسن .
১৫১৩। আহমাদ ইবনু মানী’ ও হান্নাদ (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় দশ বছর অবস্থান করেছেন এবং তিনি (প্রতিবছর) কুরবানীও করেছেন। যঈফ,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী], দেখুন পূর্বের হাদিস।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৫১৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا اسماعيل بن ابراهيم، عن داود بن ابي هند، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم نحر فقال " لا يذبحن احدكم حتى يصلي " . قال فقام خالي فقال يا رسول الله هذا يوم اللحم فيه مكروه واني عجلت نسكي لاطعم اهلي واهل داري او جيراني . قال " فاعد ذبحا اخر " . فقال يا رسول الله عندي عناق لبن وهي خير من شاتى لحم افاذبحها قال " نعم وهي خير نسيكتيك ولا تجزى جذعة لاحد بعدك " . قال وفي الباب عن جابر وجندب وانس وعويمر بن اشقر وابن عمر وابي زيد الانصاري . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم ان لا يضحى بالمصر حتى يصلي الامام وقد رخص قوم من اهل العلم لاهل القرى في الذبح اذا طلع الفجر وهو قول ابن المبارك . قال ابو عيسى وقد اجمع اهل العلم ان لا يجزى الجذع من المعز وقالوا انما يجزى الجذع من الضان .
১৫১৪। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন (ইয়াওমুন নাহার) আমাদের ভাষণ দিলেন। বললেন, সালাত (নামায/নামাজ) আদায় না করা পর্যন্ত তোমাদের কেউ কুরবানী করবে না। বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তখন আমার আমার মামা উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আজকের দিনটি তো এমন যে পরে গিয়ে আর লোকেরা মাংস পছন্দ করে না। তাই আমি আমার কুরবানী তাড়াতাড়ি দিয়ে দিয়েছে। যাতে আমার পরিবার, বাড়ীর লোকজন এবং প্রতিবেশীদের তা খাওয়াতে পারি। তিনি বললেন, পুনরায় আরও একটি যবাহ কর। বারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার কাছে একটি বকরীর বাচ্চা আছে যা এখনো দুধ খায়। তবে (মোটা তাজা হওয়ায়) দুটো বকরীর মাংস থেকেও এতে বেশী মাংস হবে। এটি কি আমি কুরবানী করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এটি উত্তম। এটি তোমার জন্য যথেষ্ট। তবে তোমার পরে কারো যদি এ ধরণের বাচ্চা (জায’আ) কুরবানী করা যথেষ্ট বলে গণ্য হবে না।
সহীহ, ইরওয়া ২৪৯৫, সহীহ আবু দাউদ ২৪৯৫-২৪৯৬, মুসলিম, বুখারী অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে জাবর, জুনদুব, আনাস, ওয়ায়মির ইবনু আশআর, ইবনু উমার, আবূ যায়দ আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তারা বললেন, ইমাম সালাত আদায় না করা পর্যন্ত শহরে কুরবানী করা যাবে না। কতক আলিম ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামাঞ্চলে (যেখানে ঈদের জামাআত হয় না) কুরবানী করার অনুমতি দিয়েছেন। এ হল ইমাম ইবনুল মুবারক (রহঃ) এর অভিমত। এ বিষয়ে আলিমগণ এক মত যে, ছয়মাস বয়সের ছাগলের বাচ্চা (জায’আ) কুরবানী করা যথেষ্ট হবে না। তবে এ ধরণের ভেড়ার বাচ্চা কুরবানী করা যাবে।
সহীহ, ইরওয়া ২৪৯৫, সহীহ আবু দাউদ ২৪৯৫-২৪৯৬, মুসলিম, বুখারী অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে জাবর, জুনদুব, আনাস, ওয়ায়মির ইবনু আশআর, ইবনু উমার, আবূ যায়দ আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তারা বললেন, ইমাম সালাত আদায় না করা পর্যন্ত শহরে কুরবানী করা যাবে না। কতক আলিম ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামাঞ্চলে (যেখানে ঈদের জামাআত হয় না) কুরবানী করার অনুমতি দিয়েছেন। এ হল ইমাম ইবনুল মুবারক (রহঃ) এর অভিমত। এ বিষয়ে আলিমগণ এক মত যে, ছয়মাস বয়সের ছাগলের বাচ্চা (জায’আ) কুরবানী করা যথেষ্ট হবে না। তবে এ ধরণের ভেড়ার বাচ্চা কুরবানী করা যাবে।
হাদিস নং: ১৫১৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا ياكل احدكم من لحم اضحيته فوق ثلاثة ايام " . قال وفي الباب عن عاىشة وانس . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح . - وانما كان النهى من النبي صلى الله عليه وسلم متقدما ثم رخص بعد ذلك .
১৫১৫। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তিন দিনের ঊর্ধ্বে কুরবানীর মাংস না খায়।
সহীহ, ইরওয়া ১১৫৫, বুখারী, মুসলিম অনুরূপ এই বিধান পরবর্তী হাদীসের দ্বারা বাতিল হয়ে গেছে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আয়িশা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ নিষেধাজ্ঞা ছিল পূর্বের, পরবর্তীতে তিনি এর অনুমতি প্রদান করেছেন।
সহীহ, ইরওয়া ১১৫৫, বুখারী, মুসলিম অনুরূপ এই বিধান পরবর্তী হাদীসের দ্বারা বাতিল হয়ে গেছে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আয়িশা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ নিষেধাজ্ঞা ছিল পূর্বের, পরবর্তীতে তিনি এর অনুমতি প্রদান করেছেন।
হাদিস নং: ১৫১৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، ومحمود بن غيلان، والحسن بن علي الخلال، وغير، واحد، قالوا اخبرنا ابو عاصم النبيل، حدثنا سفيان الثوري، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كنت نهيتكم عن لحوم الاضاحي فوق ثلاث ليتسع ذو الطول على من لا طول له فكلوا ما بدا لكم واطعموا وادخروا " . قال وفي الباب عن ابن مسعود وعاىشة ونبيشة وابي سعيد وقتادة بن النعمان وانس وام سلمة . قال ابو عيسى حديث بريدة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم .
১৫১৬। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার, মাহমূদ ইবনু গায়লান, হাসান ইবনু আলী আল-খাললাল (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনু বুরায়দা তার পিতা বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদেরকে তিন দিনের পরও কুরবানীর মাংস খেতে নিষেধ করেছিলাম যেন স্বচ্ছল ব্যক্তিরা অসামর্থ ব্যক্তিদের উদারভাবে তা দিতে পারে। এখন তোমরা যা ইচ্ছা খাও। অন্যকেও খাওয়াও এবং সঞ্চয়ও করে রাখতে পার। সহীহ, ইরওয়া ৪/৩৬৮-৩৬৯, মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আয়িশা নুবায়শা, আবূ সাঈদ, কাতাদা ইবনুন নু’মান, আনাস, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। ফকীহ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের এতদনুসারে আমল রয়েছে।
এ বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আয়িশা নুবায়শা, আবূ সাঈদ, কাতাদা ইবনুন নু’মান, আনাস, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। ফকীহ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের এতদনুসারে আমল রয়েছে।
হাদিস নং: ১৫১৭
যঈফ (Dai'f)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن عابس بن ربيعة، قال قلت لام المومنين اكان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن لحوم الاضاحي قالت لا ولكن قل من كان يضحي من الناس فاحب ان يطعم من لم يكن يضحي ولقد كنا نرفع الكراع فناكله بعد عشرة ايام . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وام المومنين هي عاىشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وقد روي عنها هذا الحديث من غير وجه .
১৫১৭। কুতায়বা (রহঃ) ... আবিস ইবনু রাবীআ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মূল মু’মিনীন (আয়িশা)-কে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কুরবানীর মাংস খেতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, না, তবে কম সংখ্যক লোকই কুরবানী করার সামর্থ রাখতেন। তাই তিনি পছন্দ করতেন তারা যেন যারা কুরবানী দিতে পারে নি তাদের খাওয়ায়, (পরবর্তীতে) আমরা তো কুরবানীর পশুর ঠ্যাং রেখে দিতাম এবং দশ দিন পরেও তা খেতাম।
এই বর্ণনাটি দুর্বল, এর মূল বক্তব্য সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, ইরওয়া ৪/৩৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীস হাসান-সহীহ। এখানে উম্মূল মু’মেনীন বলতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে বুঝানো হয়েছে। তাঁর থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
এই বর্ণনাটি দুর্বল, এর মূল বক্তব্য সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, ইরওয়া ৪/৩৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীস হাসান-সহীহ। এখানে উম্মূল মু’মেনীন বলতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে বুঝানো হয়েছে। তাঁর থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১৫১৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا فرع ولا عتيرة " . والفرع اول النتاج كان ينتج لهم فيذبحونه . قال وفي الباب عن نبيشة ومخنف بن سليم وابي العشراء عن ابيه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعتيرة ذبيحة كانوا يذبحونها في رجب يعظمون شهر رجب لانه اول شهر من اشهر الحرم واشهر الحرم رجب وذو القعدة وذو الحجة والمحرم واشهر الحج شوال وذو القعدة وعشر من ذي الحجة كذلك روي عن بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في اشهر الحج.
১৫১৮। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফারা’ এবং ’আতীরাহ বলতে কিছু নাই। ফারা’ হল, প্রথম যে বাচ্চাটি জন্ম নিত সেটিকে আরবরা (মূর্তির উদ্দেশ্যে) যবাহ করত। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৬৮, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে নুবায়শা ও মিহনাফ ইবনু সুলায়ম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ’আতীরাহ, তৎকালীন আরবরা রজব মাসে একটি কুরবানী করত সে অনুষ্ঠানকে ’আতীরাহ বলা হয়। তারা রজব মাসকে খুবই সম্মান করত। কারণ এটি হল আশহুরে হুরম বা সম্মানিত মাস সমূহের প্রথম মাস। সম্মানিত মাসসমূহ হল, রজব, যুলকা’দা, যুলহিজ্জা ও মুহাররাম। আর হজ্জ-এর মাস হল শাওওয়াল, যুলকা’দা এবং যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত সময়। হজ্জের মাসসমূহের ব্যাপারে কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম থেকে এরূপই বর্ণিত আছে।
এ বিষয়ে নুবায়শা ও মিহনাফ ইবনু সুলায়ম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ’আতীরাহ, তৎকালীন আরবরা রজব মাসে একটি কুরবানী করত সে অনুষ্ঠানকে ’আতীরাহ বলা হয়। তারা রজব মাসকে খুবই সম্মান করত। কারণ এটি হল আশহুরে হুরম বা সম্মানিত মাস সমূহের প্রথম মাস। সম্মানিত মাসসমূহ হল, রজব, যুলকা’দা, যুলহিজ্জা ও মুহাররাম। আর হজ্জ-এর মাস হল শাওওয়াল, যুলকা’দা এবং যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত সময়। হজ্জের মাসসমূহের ব্যাপারে কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম থেকে এরূপই বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১৫১৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف البصري حدثنا بشر بن المفضل، اخبرنا عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن يوسف بن ماهك، انهم دخلوا على حفصة بنت عبد الرحمن فسالوها عن العقيقة، فاخبرتهم ان عاىشة اخبرتها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم امرهم عن الغلام شاتان مكافىتان وعن الجارية شاة . قال وفي الباب عن علي وام كرز وبريدة وسمرة وابي هريرة وعبد الله بن عمرو وانس وسلمان بن عامر وابن عباس . قال ابو عيسى حديث عاىشة حديث حسن صحيح . وحفصة هي بنت عبد الرحمن بن ابي بكر الصديق .
১৫১৯। ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) ... ইউসুফ ইবনু মাহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তারা কয়েকজন হাফসা বিনত আবদুর রহমান (রহঃ) এর কাছে গেলেন এবং তাকে আকীকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি তাদের অবহিত করলেন যে, ’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন, ছেলের জন্য দু’টি সমবয়সী ছাগল এবং মেয়ের জন্য একটি ছাগল আকীকা দিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৩৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে ’আলী, উম্মু কুরয, বুরায়দা, সামুরা, আবূ হুরায়রা, আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর, আনাস, সালমান ইবনু আমির, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ হাফসা হলেন আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কন্যা।
এ বিষয়ে ’আলী, উম্মু কুরয, বুরায়দা, সামুরা, আবূ হুরায়রা, আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর, আনাস, সালমান ইবনু আমির, ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ হাফসা হলেন আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কন্যা।
হাদিস নং: ১৫২০
যঈফ (Dai'f)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا اخبرنا سفيان، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبيد الله بن ابي رافع، عن ابيه، قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم اذن في اذن الحسن بن علي حين ولدته فاطمة بالصلاة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل عند اهل العلم في العقيقة على ما روي عن النبي صلى الله عليه وسلم من غير وجه عن الغلام شاتان مكافىتان وعن الجارية شاة . - وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم ايضا انه عق عن الحسن بشاة وقد ذهب بعض اهل العلم الى هذا الحديث .
১৫২০। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) .... আবূ রাফি’ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন হাসান ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে প্রসব করলেন, তখন হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কানে সালাতের আযানের মত আযান দিতে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি।
যঈফ, যঈফা নতুন সংস্করণ ১/৪৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এর উপর আমল রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আকীকার বিষয়ে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে যে, ছেলের জন্য দু’টো সমবয়সের ছাগল আর মেয়ের জন্য একটি ছাগল আকীকা দিতে হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি হাসান ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর জন্য একটি ছাগল আকীকা দিয়েছিলেন। কতক আলিম এ হাদীসের মর্মানুসারে মত পোষণ করেছেন।
যঈফ, যঈফা নতুন সংস্করণ ১/৪৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। এর উপর আমল রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আকীকার বিষয়ে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে যে, ছেলের জন্য দু’টো সমবয়সের ছাগল আর মেয়ের জন্য একটি ছাগল আকীকা দিতে হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে, তিনি হাসান ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর জন্য একটি ছাগল আকীকা দিয়েছিলেন। কতক আলিম এ হাদীসের মর্মানুসারে মত পোষণ করেছেন।
হাদিস নং: ১৫২১
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا هشام بن حسان، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن سلمان بن عامر الضبي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مع الغلام عقيقة فاهريقوا عنه دما واميطوا عنه الاذى " .
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن عيينة، عن عاصم بن سليمان الاحول، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن سلمان بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن عيينة، عن عاصم بن سليمان الاحول، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن سلمان بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৫২১। হাসান ইবনু আলী (রহঃ) ... সালমান ইবনু আমির যাব্বী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতি শিশুর সঙ্গেই রয়েছে আকীকার বিধান। সুতরাং তার পক্ষ থেকে তোমরা রক্ত প্রবাহিত কর (যবাহ কর) এবং তার থেকে ময়লা (জন্ম সময়ের চুল ইত্যাদি) বিদূরতি কর।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাসান (রহঃ) সালমান ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাসান (রহঃ) সালমান ইবন আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৫২২
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا عبد الرزاق، عن ابن جريج، اخبرنا عبيد الله بن ابي يزيد، عن سباع بن ثابت، ان محمد بن ثابت بن سباع، اخبره ان ام كرز اخبرته انها، سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العقيقة فقال " عن الغلام شاتان وعن الجارية واحدة ولا يضركم ذكرانا كن ام اناثا " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৫২২। হাসান ইবনু আলী আল-খাল্লাল (রহঃ) ... উম্মু কুরয রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আকীকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বললেন, ছেলের জন্য দুটো ছাগল আর মেয়ের জন্য একটি ছাগল আকীকা দিতে হবে। আকীকার পশু নর হোক বা মাদী হোক তোমাদের কোন ক্ষতি হবে না।
সহীহ, ইরওয়া ৪/৩৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
সহীহ, ইরওয়া ৪/৩৯১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৫২৩
যঈফ (Dai'f)
حدثنا سلمة بن شبيب، حدثنا ابو المغيرة، عن عفير بن معدان، عن سليم بن عامر، عن ابي امامة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير الاضحية الكبش وخير الكفن الحلة " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب . وعفير بن معدان يضعف في الحديث .
১৫২৩। সালামা ইবনু শাবীব (রহঃ) ... আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সর্বোত্তম কুরবানী হল মেষ আর সর্বোত্তম কাফন হল হুল্লা*। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩১৬৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি গারীব। উফায়র ইবনু মা’দান হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ বলে বিবেচিত।
এই হাদীসটি গারীব। উফায়র ইবনু মা’দান হাদীসের ক্ষেত্রে যঈফ বলে বিবেচিত।
নোট: * হুল্লা বলা হয় একই বর্ণের চাদর ও লুঙ্গিকে।
হাদিস নং: ১৫২৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن عون، حدثنا ابو رملة، عن مخنف بن سليم، قال كنا وقوفا مع النبي صلى الله عليه وسلم بعرفات فسمعته يقول " يا ايها الناس على كل اهل بيت في كل عام اضحية وعتيرة هل تدرون ما العتيرة هي التي تسمونها الرجبية " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ولا نعرف هذا الحديث الا من هذا الوجه من حديث ابن عون .
১৫২৪। আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ... মিহনাফ ইবনু সুলায়ম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আরাফাতে অবস্থানরত ছিলাম। তখন তাঁকে বলতে শুনেছি যে, হে লোক সকল, প্রত্যেক বছরেই প্রতি পরিবারের জন্য রয়েছে কুরবানী এবং ’আতীরাহ। তোমরা কি জান, ’আতীরাহ কি? তা হল যেটিকে তোমরা রাজবিয়্যা বলে থাক। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১২৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ হাদীসটি গারীব। ইবনু আওন (রহঃ) এর রিওয়ায়ত হিসাবে এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই।
এ হাদীসটি গারীব। ইবনু আওন (রহঃ) এর রিওয়ায়ত হিসাবে এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই।
হাদিস নং: ১৫২৫
হাসান (Hasan)
حدثنا محمد بن يحيى القطعي، حدثنا عبد الاعلى بن عبد الاعلى، عن محمد بن اسحاق، عن عبد الله بن ابي بكر، عن محمد بن علي بن الحسين، عن علي بن ابي طالب، قال عق رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحسن بشاة وقال " يا فاطمة احلقي راسه وتصدقي بزنة شعره فضة " . قال فوزنته فكان وزنه درهما او بعض درهم . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب واسناده ليس بمتصل . وابو جعفر محمد بن علي بن الحسين لم يدرك علي بن ابي طالب .
১৫২৫। মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া আল কুতাঈ (রহঃ) ... আলী ইবনু আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসানের পক্ষ থেকে একটি ছাগল আকীকা করেছিলেন এবং বলেছিলেন, হে ফাতিমা, এর মাথা মুন্ডন কর এবং তার চুলের ওজন পরিমাণ রূপা সাদকা করে দাও। অনন্তর আমি তা ওজন করলাম। এক দিরহাম বা এক দিরহামের কিছু অংশ পরিমাণ হল তা। হাসান, ইরওয়া ১১৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এর সনদ মুত্তাসিল নয়। আলী ইবনু আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে বর্ণনাকারী আবূ জা’ফর মুহাম্মদ ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ ঘটেনি।
এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এর সনদ মুত্তাসিল নয়। আলী ইবনু আবূ তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে বর্ণনাকারী আবূ জা’ফর মুহাম্মদ ইবনু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ ঘটেনি।
হাদিস নং: ১৫২৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا ازهر بن سعد السمان، عن ابن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم خطب ثم نزل فدعا بكبشين فذبحهما . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৫২৬। হাসান ইবনু আলী আল-খাললাল (রহঃ) ... আব্দুর রহমান ইবনু আবূ বকরা তাঁর পিতা আবূ বকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিন খুতবা দিলেন এবং এরপর নিচে নেমে আসলেন এবং দুটো মেষ আনতে বললেন। এরপর সে দুটো যবাহ করলেন। সহীহ, মুসলিম ৫/১০৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহিহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহিহ।
হাদিস নং: ১৫২৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن عمرو بن ابي عمرو، عن المطلب، عن جابر بن عبد الله، قال شهدت مع النبي صلى الله عليه وسلم الاضحى بالمصلى فلما قضى خطبته نزل عن منبره فاتي بكبش فذبحه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده وقال " بسم الله والله اكبر هذا عني وعمن لم يضح من امتي " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . والعمل على هذا عند اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ان يقول الرجل اذا ذبح بسم الله والله اكبر وهو قول ابن المبارك . والمطلب بن عبد الله بن حنطب يقال انه لم يسمع من جابر .
১৫২৭। কুতায়বা (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কুরবানীর ঈদে প্রত্যক্ষ করেছি। তিনি খুতবা প্রদান শেষ করে মিম্বর থেকে নেমে এলেন। একটি মেষ আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে সেটিকে যবাহ করলেন। বললেন, "বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবর"। এটি হল আমার পক্ষ থেকে এবং আমার উম্মাতের মধ্যে যারা কুরবানী দিতে পারেনি তাদের পক্ষ থেকে।’’
সহীহ, ইরওয়া ১১৩৮, সহীহ আবূ দাউদ ২৫০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই সূত্রে হাদীসটি গারীব। ফকীহ সাহাবী এবং আলিমদের এ হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। যবাহর সময় বলবে, বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবর। এ হল ইমাম ইবনু মুবারক (রহঃ)-এর অভিমত। রাবী মুত্তালিব ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হানতাব সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কিছু শোনেন নি।
সহীহ, ইরওয়া ১১৩৮, সহীহ আবূ দাউদ ২৫০১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই সূত্রে হাদীসটি গারীব। ফকীহ সাহাবী এবং আলিমদের এ হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। যবাহর সময় বলবে, বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবর। এ হল ইমাম ইবনু মুবারক (রহঃ)-এর অভিমত। রাবী মুত্তালিব ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হানতাব সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কিছু শোনেন নি।
হাদিস নং: ১৫২৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا علي بن مسهر، عن اسماعيل بن مسلم، عن الحسن، عن سمرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الغلام مرتهن بعقيقته يذبح عنه يوم السابع ويسمى ويحلق راسه " .
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم يستحبون ان يذبح عن الغلام العقيقة يوم السابع فان لم يتهيا يوم السابع فيوم الرابع عشر فان لم يتهيا عق عنه يوم حاد وعشرين وقالوا لا يجزى في العقيقة من الشاة الا ما يجزى في الاضحية .
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم يستحبون ان يذبح عن الغلام العقيقة يوم السابع فان لم يتهيا يوم السابع فيوم الرابع عشر فان لم يتهيا عق عنه يوم حاد وعشرين وقالوا لا يجزى في العقيقة من الشاة الا ما يجزى في الاضحية .
১৫২৮। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’আকীকার সাথে শিশুর বন্ধক। তার পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে পশু যবাহ করা হবে। তার নাম রাখা হবে। তার মাথা মুন্ডন করা হবে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৬৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাসান ইবনু আলী খাললা্ল (রহঃ) সামুরা ইবনু জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমদের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তার শিশুর পক্ষ থেকে সপ্তম দিন আকীকা করা মুস্তাহাব বলে মত প্রকাশ করেছেন। সপ্তম দিন যদি প্রস্তুত না হয় তবে চতুর্দশ দিনে, সে দিনে প্রস্তুত না হতে পারলে একবিংশতম দিনে আকীকা দিবে। কুরবানীতে যে ধরণের ছাগল যবাই করা জাইয আকীকাতেও সে ধরণের ছাগল না হলে তা যবাহ করা যথেষ্ট বলে গণ্য হবে না।
হাসান ইবনু আলী খাললা্ল (রহঃ) সামুরা ইবনু জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমদের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তার শিশুর পক্ষ থেকে সপ্তম দিন আকীকা করা মুস্তাহাব বলে মত প্রকাশ করেছেন। সপ্তম দিন যদি প্রস্তুত না হয় তবে চতুর্দশ দিনে, সে দিনে প্রস্তুত না হতে পারলে একবিংশতম দিনে আকীকা দিবে। কুরবানীতে যে ধরণের ছাগল যবাই করা জাইয আকীকাতেও সে ধরণের ছাগল না হলে তা যবাহ করা যথেষ্ট বলে গণ্য হবে না।
হাদিস নং: ১৫২৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن الحكم البصري، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن مالك بن انس، عن عمرو، او عمر بن مسلم عن سعيد بن المسيب، عن ام سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من راى هلال ذي الحجة واراد ان يضحي فلا ياخذن من شعره ولا من اظفاره " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والصحيح هو عمرو بن مسلم قد روى عنه محمد بن عمرو بن علقمة وغير واحد . وقد روي هذا الحديث عن سعيد بن المسيب عن ام سلمة عن النبي صلى الله عليه وسلم من غير هذا الوجه نحو هذا . وهو قول بعض اهل العلم وبه كان يقول سعيد بن المسيب والى هذا الحديث ذهب احمد واسحاق . ورخص بعض اهل العلم في ذلك فقالوا لا باس ان ياخذ من شعره واظفاره . وهو قول الشافعي واحتج بحديث عاىشة ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يبعث بالهدى من المدينة فلا يجتنب شيىا مما يجتنب منه المحرم .
১৫২৯। আহমাদ ইবনুল হাকাম আল-বাসরী (রহঃ) ... উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরবানী করার ইচ্ছা রাখে যুল-হাজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৪৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫২৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীর নাম (উমার নয়) বরং আমর ইবনু মুসলিম। মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু আলকামা প্রমুখ তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব আবূ সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে এ হাদীসটি একাধিক ভাবে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ হল কতক আলিমের অভিমত। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ)-ও এ মত ব্যক্ত করেছেন।
আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-ও এ পথ অবলম্বন করেছেন। অপর কতক আলিম এ বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, নখ, চুল কাটায় কোন দোষ নেই। এ হল শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত এ হাদীসটিকে দলীল হিসাবে পেশ করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনা থেকে হাদী (হজ্জের সময় কুরবানী করার জন্য পশু) পাঠাতেন। কিন্তু মুহরিম ব্যক্তি যে সমস্ত বিষয় পরিহার করে থাকে তা তিনিও পরিহার করতেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদিসটি হাসান-সহীহ। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীর নাম (উমার নয়) বরং আমর ইবনু মুসলিম। মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু আলকামা প্রমুখ তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব আবূ সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে এ হাদীসটি একাধিক ভাবে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ হল কতক আলিমের অভিমত। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ)-ও এ মত ব্যক্ত করেছেন।
আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-ও এ পথ অবলম্বন করেছেন। অপর কতক আলিম এ বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেন, নখ, চুল কাটায় কোন দোষ নেই। এ হল শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত এ হাদীসটিকে দলীল হিসাবে পেশ করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনা থেকে হাদী (হজ্জের সময় কুরবানী করার জন্য পশু) পাঠাতেন। কিন্তু মুহরিম ব্যক্তি যে সমস্ত বিষয় পরিহার করে থাকে তা তিনিও পরিহার করতেন।