হাদিস নং: ১৩৫০
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اعتق نصيبا - او قال شقصا او قال شركا له في عبد فكان له من المال ما يبلغ ثمنه بقيمة العدل فهو عتيق والا فقد عتق منه ما عتق " . قال ايوب وربما قال نافع في هذا الحديث يعني فقد عتق منه ما عتق . قال ابو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح وقد رواه سالم عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه .
১৩৫০. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, কেউ যদি গোলামের স্বীয় হিস্যা আযাদ করে দেয়। আর তার যদি সে গোলামের ন্যায়ত মূল্যের সমপরিমাণ মাল থাকে তবে গোলামটি আযাদ হয়ে যাবে। আর তা না হলে যতটুকু হিস্যা আযাদ করেছে ততটুকুই আযাদ হবে। - ইবনু মাজাহ ২৫২৮, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। সালিম (রহঃ)ও এটিকে তৎপিতা ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। সালিম (রহঃ)ও এটিকে তৎপিতা ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস নং: ১৩৫১
সহিহ (Sahih)
حدثنا بذلك الحسن بن علي الخلال الحلواني، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اعتق نصيبا له في عبد فكان له من المال ما يبلغ ثمنه فهو عتيق من ماله " . قال ابو عيسى هذا حديث صحيح .
১৩৫১. হাসান ইবনু আলী আল-খাললাল (রহঃ) ...... সালিম তৎপিতা ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন গোলামের স্বীয় হিস্যা যদি কেউ আযাদ করে দেয় আর যদি তার কাছে গোলামটির মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকে তবে গোলামটি তার সম্পদ থেকে আযাদ হয়ে যাবে। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৫২
সহিহ (Sahih)
حدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عيسى بن يونس، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن النضر بن انس، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اعتق نصيبا - او قال شقصا في مملوك فخلاصه في ماله ان كان له مال فان لم يكن له مال قوم قيمة عدل ثم يستسعى في نصيب الذي لم يعتق غير مشقوق عليه " . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سعيد بن ابي عروبة، نحوه وقال " شقيصا " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح . وهكذا روى ابان بن يزيد، عن قتادة، مثل رواية سعيد بن ابي عروبة . وروى شعبة، هذا الحديث عن قتادة، ولم يذكر فيه امر السعاية . واختلف اهل العلم في السعاية فراى بعض اهل العلم السعاية في هذا . وهو قول سفيان الثوري واهل الكوفة وبه يقول اسحاق . وقد قال بعض اهل العلم اذا كان العبد بين الرجلين فاعتق احدهما نصيبه فان كان له مال غرم نصيب صاحبه وعتق العبد من ماله وان لم يكن له مال عتق من العبد ما عتق ولا يستسعى . وقالوا بما روي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا قول اهل المدينة وبه يقول مالك بن انس والشافعي واحمد .
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سعيد بن ابي عروبة، نحوه وقال " شقيصا " . قال ابو عيسى وهذا حديث حسن صحيح . وهكذا روى ابان بن يزيد، عن قتادة، مثل رواية سعيد بن ابي عروبة . وروى شعبة، هذا الحديث عن قتادة، ولم يذكر فيه امر السعاية . واختلف اهل العلم في السعاية فراى بعض اهل العلم السعاية في هذا . وهو قول سفيان الثوري واهل الكوفة وبه يقول اسحاق . وقد قال بعض اهل العلم اذا كان العبد بين الرجلين فاعتق احدهما نصيبه فان كان له مال غرم نصيب صاحبه وعتق العبد من ماله وان لم يكن له مال عتق من العبد ما عتق ولا يستسعى . وقالوا بما روي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا قول اهل المدينة وبه يقول مالك بن انس والشافعي واحمد .
১৩৫২. আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যদি কোন গোলামের স্বীয় হিস্যা আযাদ করে দেয় তবে তার সম্পদ থাকলে তার মাল থেকে ই গোলামটি মুক্ত হবে। আর যদি তার মাল না থাকে তবে ন্যায় ভিত্তিতে গোলামটির মূল্য নিরূপণ করা হবে পরে যতটুকু হিস্যাতে সে আযাদ হয়নি ততটুকু পরিমাণের মূল্য সহজভাবে পরিশোধের সে প্রয়াস চালাবে। - ইবনু মাজাহ ২৫২৭, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) সায়ীদ ইবনু আবী আরূবা (রহঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ। আববান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)ও হাদীসটিকে কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় সি আয়া বা আযদ কর্তার মাল না থাকা অবস্থায় গোলাম কর্তৃক স্বীয় মূল্য পরিশোধের প্রয়াস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেননি। সি’আয়া বা গোলাম কর্তৃক স্বীয় মূল্য পরিশোধের প্রয়াস পাওয়া এর বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোদ রয়েছে। কতক আলিম এই ক্ষেত্রে ’’সি’আয়া’’ এর বিধান দেন। এ হল ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ও কূফাবাসী আলিমগণের অভিমত। ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্যও এ-ই বলা হয়।
এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) সায়ীদ ইবনু আবী আরূবা (রহঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ। আববান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)ও হাদীসটিকে কাতাদা (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় সি আয়া বা আযদ কর্তার মাল না থাকা অবস্থায় গোলাম কর্তৃক স্বীয় মূল্য পরিশোধের প্রয়াস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেননি। সি’আয়া বা গোলাম কর্তৃক স্বীয় মূল্য পরিশোধের প্রয়াস পাওয়া এর বিষয়ে আলিমগণের মতবিরোদ রয়েছে। কতক আলিম এই ক্ষেত্রে ’’সি’আয়া’’ এর বিধান দেন। এ হল ইমাম সুফইয়ান ছাওরী ও কূফাবাসী আলিমগণের অভিমত। ইসহাক (রহঃ) এর বক্তব্যও এ-ই বলা হয়।
হাদিস নং: ১৩৫৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " العمرى جاىزة لاهلها او ميراث لاهلها " . قال وفي الباب عن زيد بن ثابت وجابر وابي هريرة وعاىشة وابن الزبير ومعاوية .
১৩৫৩. মুহাম্মদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) ..... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উমরা বা আজীবনের জন্য কিছু দান যাকে দেওয়া হয় তার জন্য জায়েয। বা তিনি বলেছেন, তা তার অধিকারীর মিরাছ বলে গণ্য। - মুসলিম, ৫/৬৯,৭০, জাবির ও আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে যায়দ ইবনু ছাবিত, জাবির, আবূ হুরায়রা, আয়িশা, ইবনুয যুবায়র ও মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে যায়দ ইবনু ছাবিত, জাবির, আবূ হুরায়রা, আয়িশা, ইবনুয যুবায়র ও মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১৩৫৪
সহিহ (Sahih)
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن ابي سلمة، عن جابر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ايما رجل اعمر عمرى له ولعقبه فانها للذي يعطاها لا ترجع الى الذي اعطاها لانه اعطى عطاء وقعت فيه المواريث " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وهكذا روى معمر وغير واحد عن الزهري مثل رواية مالك . وروى بعضهم عن الزهري ولم يذكر فيه " ولعقبه " . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم قالوا اذا قال هي لك حياتك ولعقبك . فانها لمن اعمرها لا ترجع الى الاول . واذا لم يقل لعقبك فهي راجعة الى الاول اذا مات المعمر . وهو قول مالك بن انس والشافعي . وروي من غير وجه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " العمرى جاىزة لاهلها " . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم قالوا اذا مات المعمر فهي لورثته وان لم تجعل لعقبه . وهو قول سفيان الثوري واحمد واسحاق .
১৩৫৪. আল আনসারী (রহঃ) .... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কাউকে ’’উমরা’’ হিসাবে কোন বস্তু দেওয়া হলে তা তার এবং তার উত্তরাধিকারীদের জন্য। তা তার জন্যই হবে যাকে তা দেয়া হয়েছে, যে দান করেছে তা আর তার কাছে প্রাত্যার্পিত হবে না। কেননা সে এমন দান করেছে যাতে গ্রহিতার উত্তরাধিকার স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। - ইবনু মাজাহ ২৩৮০, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। মা’মার (রহঃ) প্রমুখ এটিকে যুহরী (রহঃ) থেকে মালিক (রহঃ) এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর কেউ কেউ এটিকে যুহরী থেকে রিওয়ায়েতে করেছেন। তবে এতেوَلِعَقِبِهِ (তার উত্তরাধিকারীদের জন্য) শব্দটির উল্লেখ করেননি। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, যদি বলে, ’’এই বস্তুটি তোমরা জীবদ্দশায় তোমার জন্য এবং তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্য তবে তা যাকে প্রদত্ত হয়েছে তার জন্যই হবে, প্রথম জন অর্থাৎ দাতার কাছে আর প্রত্যার্পিত হবে না। আর যদিلِعَقِبِكَ ’’তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্য’’ কথাটি না বলে তবে ’’উমরা’’ হিসাবে যাকে দেওয়া হয়েছে তার মৃত্যুর পর বস্ত্তটি প্রথম জন অর্থাৎ দাতার কাছে প্রত্যার্পিত হবে। এ হল মালিক ইবনু আনাস ও শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। একাধিক সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেন, উমরা তার অধিকারীর জন্য জায়েয। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, যাকে উমরা হিসাবে দান করা হয় সে মারা গেলে তা তার ওয়অরিছের জন্য, যদিও সে ’’তার ওয়ারিছের জন্য’’ না বলে থাকে। এ হল ইমাম সুফিয়ান ছাওরী, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। মা’মার (রহঃ) প্রমুখ এটিকে যুহরী (রহঃ) থেকে মালিক (রহঃ) এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর কেউ কেউ এটিকে যুহরী থেকে রিওয়ায়েতে করেছেন। তবে এতেوَلِعَقِبِهِ (তার উত্তরাধিকারীদের জন্য) শব্দটির উল্লেখ করেননি। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, যদি বলে, ’’এই বস্তুটি তোমরা জীবদ্দশায় তোমার জন্য এবং তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্য তবে তা যাকে প্রদত্ত হয়েছে তার জন্যই হবে, প্রথম জন অর্থাৎ দাতার কাছে আর প্রত্যার্পিত হবে না। আর যদিلِعَقِبِكَ ’’তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্য’’ কথাটি না বলে তবে ’’উমরা’’ হিসাবে যাকে দেওয়া হয়েছে তার মৃত্যুর পর বস্ত্তটি প্রথম জন অর্থাৎ দাতার কাছে প্রত্যার্পিত হবে। এ হল মালিক ইবনু আনাস ও শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। একাধিক সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেন, উমরা তার অধিকারীর জন্য জায়েয। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, যাকে উমরা হিসাবে দান করা হয় সে মারা গেলে তা তার ওয়অরিছের জন্য, যদিও সে ’’তার ওয়ারিছের জন্য’’ না বলে থাকে। এ হল ইমাম সুফিয়ান ছাওরী, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত।
হাদিস নং: ১৩৫৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا هشيم، عن داود بن ابي هند، عن ابي الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " العمرى جاىزة لاهلها والرقبى جاىزة لاهلها " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد رواه بعضهم عن ابي الزبير بهذا الاسناد عن جابر موقوفا ولم يرفعه . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ان الرقبى جاىزة مثل العمرى . وهو قول احمد واسحاق . وفرق بعض اهل العلم من اهل الكوفة وغيرهم بين العمرى والرقبى فاجازوا العمرى ولم يجيزوا الرقبى . قال ابو عيسى وتفسير الرقبى ان يقول هذا الشىء لك ما عشت فان مت قبلي فهي راجعة الى . وقال احمد واسحاق الرقبى مثل العمرى وهي لمن اعطيها ولا ترجع الى الاول .
১৩৫৫. আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ...... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’ইমরা’’ তার অধিকারীর জন্য জায়েয এবং ’’রুকবা’’ তার অধিকারীর জন্য জায়েয। - ইবনু মাজাহ ২৩৮৩, মুসালিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। কোন কোন রাবী এটিকে আবূ যুবায়র (রহঃ) ... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে মাওকুপরূপে বর্ণণা করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, ’’উমরা’’ এর মত ’’রুকবা’’-ও জাইয। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কুফাবাসী কতক আলিম উমরা ও রুকবা এর মধ্যে পার্থক্য করেন। তারা ’’উমরা’’ জায়েয রেখেছেন কিন্তু রুকবা জায়েয রাখেননি।
রুকবা-এর ব্যাখ্যা হল, কেউ কাউকে বলল, এই বস্তুটি তোমার, যতদিন তুমি জীবিত থাকবে। তুমি যদি আমার পূর্বে মারা যাও তবে তা আমার কাছেই প্রত্যার্পিত হবে। (আর আমি যদি তোমার পূর্বে মারা যাই তবে তা তোমার)। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, ’’রুকবা’’ হল উমরা এর মত। যাকে রুকবা হিসাবে বস্তুটি প্রদান করা হবে সেটি তারই হয়ে যাবে। প্রথম জন অর্থাৎ দাতার কাছে তা প্রত্যার্পিত হবে না।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান। কোন কোন রাবী এটিকে আবূ যুবায়র (রহঃ) ... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে মাওকুপরূপে বর্ণণা করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এই হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, ’’উমরা’’ এর মত ’’রুকবা’’-ও জাইয। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। কুফাবাসী কতক আলিম উমরা ও রুকবা এর মধ্যে পার্থক্য করেন। তারা ’’উমরা’’ জায়েয রেখেছেন কিন্তু রুকবা জায়েয রাখেননি।
রুকবা-এর ব্যাখ্যা হল, কেউ কাউকে বলল, এই বস্তুটি তোমার, যতদিন তুমি জীবিত থাকবে। তুমি যদি আমার পূর্বে মারা যাও তবে তা আমার কাছেই প্রত্যার্পিত হবে। (আর আমি যদি তোমার পূর্বে মারা যাই তবে তা তোমার)। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, ’’রুকবা’’ হল উমরা এর মত। যাকে রুকবা হিসাবে বস্তুটি প্রদান করা হবে সেটি তারই হয়ে যাবে। প্রথম জন অর্থাৎ দাতার কাছে তা প্রত্যার্পিত হবে না।
হাদিস নং: ১৩৫৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني، عن ابيه، عن جده، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الصلح جاىز بين المسلمين الا صلحا حرم حلالا او احل حراما والمسلمون على شروطهم الا شرطا حرم حلالا او احل حراما " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৩৫৬. হাসান ইবনু আলী-খাললাল (রহঃ) ....... আমর ইবনু আউফ আল-যুমানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে সুলহ ও সন্ধি হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল পরিণত করে তা ছাড়া মানুষের মাঝে সন্ধি স্থাপন জায়েয। যে শর্ত হালালকে হারাম বা হারামকে হালালে পরিণত করে সে শর্ত ছাড়া মুসলিমগণ তাদের শর্তের উপরই কায়েম থাকবে। - ইবনু মাজাহ ২৩৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৫৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا سعيد بن عبد الرحمن المخزومي، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال سمعته يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا استاذن احدكم جاره ان يغرز خشبة في جداره فلا يمنعه " . فلما حدث ابو هريرة طاطىوا رءوسهم فقال ما لي اراكم عنها معرضين والله لارمين بها بين اكتافكم . قال وفي الباب عن ابن عباس ومجمع بن جارية . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وبه يقول الشافعي . وروي عن بعض اهل العلم منهم مالك بن انس قالوا له ان يمنع جاره ان يضع خشبه في جداره . والقول الاول اصح .
১৩৫৭. সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) ....... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কারো প্রতিবেশী যদি তার ঘরের কড়িকাঠ তোমাদের দেয়ালে স্থাপন করার অনুমতি চায় তবে সে যেন তাকে নিষেধ না করে। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদীসটি বর্ণণা করার সময় উপস্থি লোকেরা তাদের মাথা নামিয়ে ফেলে। তিনি তখন বললেন, তোমাদের এ থেকে বিমুখ দেখছি কেন? আল্লাহর কসম, তোমাদের কাধের মাঝে আমি অবশ্যই তা ছুড়ে দিব। - ইবনু মাজাহ ২৩৩৫, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও মুজাম্মি ইবনু জারিয়া (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল ইমাম শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) সহ কতক আলিম বলেন, যে কেউ স্বীয় দেওয়ালে কড়িকাঠ স্থাপন করতে তার প্রতিবেশীকে নিষেধ করতে পারবে। প্রথম অভিমতটি অধিকতর সহীহ।
এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস ও মুজাম্মি ইবনু জারিয়া (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল ইমাম শাফিঈ (রহঃ)-এর অভিমত। মালিক ইবনু আনাস (রহঃ) সহ কতক আলিম বলেন, যে কেউ স্বীয় দেওয়ালে কড়িকাঠ স্থাপন করতে তার প্রতিবেশীকে নিষেধ করতে পারবে। প্রথম অভিমতটি অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৫৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، واحمد بن منيع، - المعنى واحد - قالا حدثنا هشيم، عن عبد الله بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اليمين على ما يصدقك به صاحبك " . وقال قتيبة " على ما صدقك عليه صاحبك " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث هشيم عن عبد الله بن ابي صالح . وعبد الله بن ابي صالح هو اخو سهيل بن ابي صالح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم وبه يقول احمد واسحاق . وروي عن ابراهيم النخعي انه قال اذا كان المستحلف ظالما فالنية نية الحالف واذا كان المستحلف مظلوما فالنية نية الذي استحلف .
১৩৫৮. কুতায়বা ও আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কসম হবে তোমার সঙ্গী (প্রতিপক্ষ) যে বিষয়ে তোমাকে সমর্থন করে। - ইবনু মাজাহ ২১২১, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। হুশায়ম - আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সালিহ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের পরিচিতি নেই। এই আব্দুল্লাহ হলেন, সুহাইল ইবন আবু সালিহ এর ভাই। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ)-এরও এই অভিমত। ইবরাহীম আন-নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, বিবাদমান বিষয়ে কসম দাতা যদি (প্রকৃতপক্ষে) যালিম হয়ে থাকে তবে কসম কর্তার নিয়্যাতগৃহীতব্য আর কসম দাতা যদি (প্রকৃতপক্ষে) মজলুম হয়ে থাকে তবে সে কসম দিতে বলে তার নিয়্যাতই হবে গৃহিতব্য।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-গারীব। হুশায়ম - আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সালিহ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের পরিচিতি নেই। এই আব্দুল্লাহ হলেন, সুহাইল ইবন আবু সালিহ এর ভাই। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমদ ও ইসহাক (রহঃ)-এরও এই অভিমত। ইবরাহীম আন-নাখঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, বিবাদমান বিষয়ে কসম দাতা যদি (প্রকৃতপক্ষে) যালিম হয়ে থাকে তবে কসম কর্তার নিয়্যাতগৃহীতব্য আর কসম দাতা যদি (প্রকৃতপক্ষে) মজলুম হয়ে থাকে তবে সে কসম দিতে বলে তার নিয়্যাতই হবে গৃহিতব্য।
হাদিস নং: ১৩৫৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو كريب، حدثنا وكيع، عن المثنى بن سعيد الضبعي، عن قتادة، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اجعلوا الطريق سبعة اذرع " .
১৩৫৯. আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রাস্তা (ন্যূনতমপক্ষে প্রস্থে) সাত হাত বানাবে। - ইবনু মাজাহ ২৩৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
হাদিস নং: ১৩৬০
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا المثنى بن سعيد، عن قتادة، عن بشير بن كعب العدوي، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا تشاجرتم في الطريق فاجعلوه سبعة اذرع " . قال ابو عيسى وهذا اصح من حديث وكيع . قال وفي الباب عن ابن عباس . قال ابو عيسى حديث بشير بن كعب العدوي عن ابي هريرة حديث حسن صحيح . وروى بعضهم هذا عن قتادة عن بشير بن نهيك عن ابي هريرة . وهو غير محفوظ .
১৩৬০. মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের যদি রাস্তার ব্যাপারে মতবিরাধ হয় তবে তা (ন্যূনপক্ষে) সাত হাত নির্ধারণ করবে। - বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই রিওয়াতটি ওয়াকী (রহঃ)-এর হাদীস (১৩৫৯ নং) থেকে অধিকতর সহীহ। এই বিষয়ে ইমাম আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। বুশায়র ইবনু কা’ব আদাবী - আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (১৩৫৯ নং) হাসান-সহীহ। কেউ কেউ এটিকে কাতাদা বাশীর ইবনু নাহীক - আবূ হুরায়লা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই রিওয়াতটি ওয়াকী (রহঃ)-এর হাদীস (১৩৫৯ নং) থেকে অধিকতর সহীহ। এই বিষয়ে ইমাম আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। বুশায়র ইবনু কা’ব আদাবী - আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (১৩৫৯ নং) হাসান-সহীহ। কেউ কেউ এটিকে কাতাদা বাশীর ইবনু নাহীক - আবূ হুরায়লা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়।
হাদিস নং: ১৩৬১
সহিহ (Sahih)
حدثنا نصر بن علي، حدثنا سفيان، عن زياد بن سعد، عن هلال بن ابي ميمونة الثعلبي، عن ابي ميمونة، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم خير غلاما بين ابيه وامه . قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وجد عبد الحميد بن جعفر . قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح . وابو ميمونة اسمه سليم . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم قالوا يخير الغلام بين ابويه اذا وقعت بينهما المنازعة في الولد . وهو قول احمد واسحاق وقالا ما كان الولد صغيرا فالام احق فاذا بلغ الغلام سبع سنين خير بين ابويه . هلال بن ابي ميمونة هو هلال بن علي بن اسامة وهو مدني وقد روى عنه يحيى بن ابي كثير ومالك بن انس وفليح بن سليمان .
১৩৬১. নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক সন্তানকে পিতা ও মাতার মাঝে কোন একজনের সঙ্গে থাকার ইখতিয়ার দিয়েছিলেন। - ইবনু মাজাহ ২৩৫১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবদুল হামীদ ইবনু জা’ফারের পিতামহ রাফি ইবনু সিনান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ মায়মুনা-এর নাম হল সুলায়ম। কতক সাহাবী অপরাপর ও এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, সন্তানের ব্যাপারে যদি পিতা-মাতার মাঝে বিবাদ দেখা দেয় তবে সন্তানকে পিতা-মাতার মাঝে একজনের সঙ্গে থাকার ইখতিয়ার প্রদান করা হবে। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তারা উভয়ে বলেন, সন্তান যতদিন শিশু থাকবে ততদিন তার ব্যাপারে মার হক বেশী। আর সাত বছর বয়সের হলে তাকে পিতা-মাতা যে কোন একজনের সঙ্গে অবস্থানের ইখতিয়ার প্রদান করা হবে। হিলাল ইবনু আবূ মায়মুনা হলেন হিলাল ইবনু আলী উসামা। ইনি ছিলেন মাদানী বা মদীনাবাসী। তার বরাতে ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর, মালিক ইবন আনাস ও ফুলায়হ ইবনু সুলায়মান (রহঃ)ও হাদীস রিওয়ায়েত করেছেন।
এই বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আবদুল হামীদ ইবনু জা’ফারের পিতামহ রাফি ইবনু সিনান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ মায়মুনা-এর নাম হল সুলায়ম। কতক সাহাবী অপরাপর ও এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, সন্তানের ব্যাপারে যদি পিতা-মাতার মাঝে বিবাদ দেখা দেয় তবে সন্তানকে পিতা-মাতার মাঝে একজনের সঙ্গে থাকার ইখতিয়ার প্রদান করা হবে। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তারা উভয়ে বলেন, সন্তান যতদিন শিশু থাকবে ততদিন তার ব্যাপারে মার হক বেশী। আর সাত বছর বয়সের হলে তাকে পিতা-মাতা যে কোন একজনের সঙ্গে অবস্থানের ইখতিয়ার প্রদান করা হবে। হিলাল ইবনু আবূ মায়মুনা হলেন হিলাল ইবনু আলী উসামা। ইনি ছিলেন মাদানী বা মদীনাবাসী। তার বরাতে ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর, মালিক ইবন আনাস ও ফুলায়হ ইবনু সুলায়মান (রহঃ)ও হাদীস রিওয়ায়েত করেছেন।
হাদিস নং: ১৩৬২
সহিহ (Sahih)
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يحيى بن زكريا بن ابي زاىدة، حدثنا الاعمش، عن عمارة بن عمير، عن عمته، عن عاىشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اطيب ما اكلتم من كسبكم وان اولادكم من كسبكم " . قال وفي الباب عن جابر وعبد الله بن عمرو . قال ابو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى بعضهم هذا عن عمارة بن عمير عن امه عن عاىشة . واكثرهم قالوا عن عمته عن عاىشة . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم قالوا ان يد الوالد مبسوطة في مال ولده ياخذ ما شاء . وقال بعضهم لا ياخذ من ماله الا عند الحاجة اليه .
১৩৬২. আহমাদ ইবনু মানী (রহঃ) ...... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সবচে পবিত্র জীবিকা হল যা তোমরা তোমাদের উপার্জন থেকে ভোগ কর। তোমাদের সন্তানরাও অবশ্যই তোমাদের উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত। - ইবনু মাজাহ ২১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে জাবির ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। কেউ কেউ হাদীসটিকে উমারা ইবনু উমায়র-তৎমাতা - আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর সূত্রে বর্ণণা করেছেন। অধিকাংশ রাবী তৎমাতার স্থলে তৎফুফু আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রের উল্লেখ করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, পিতার হাত সন্তানদের অর্থ-সম্পদের উপর সম্প্রসারিত। তিনি তা থেকে যা ইচ্ছা গ্রহণ করতে পারে। কতক আলিম বলেন, প্রয়োজন ছাড়া পিতা সন্তানের সম্পদ থেকে কিছু নিতে পারবেন না।
এই বিষয়ে জাবির ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। কেউ কেউ হাদীসটিকে উমারা ইবনু উমায়র-তৎমাতা - আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর সূত্রে বর্ণণা করেছেন। অধিকাংশ রাবী তৎমাতার স্থলে তৎফুফু আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সূত্রের উল্লেখ করেছেন। কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। তারা বলেন, পিতার হাত সন্তানদের অর্থ-সম্পদের উপর সম্প্রসারিত। তিনি তা থেকে যা ইচ্ছা গ্রহণ করতে পারে। কতক আলিম বলেন, প্রয়োজন ছাড়া পিতা সন্তানের সম্পদ থেকে কিছু নিতে পারবেন না।
হাদিস নং: ১৩৬৩
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود الحفري، عن سفيان الثوري، عن حميد، عن انس، قال اهدت بعض ازواج النبي صلى الله عليه وسلم الى النبي صلى الله عليه وسلم طعاما في قصعة فضربت عاىشة القصعة بيدها فالقت ما فيها فقال النبي صلى الله عليه وسلم " طعام بطعام واناء باناء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
১৩৬৩. মাহমূদ ইবনু গয়লান (রহঃ) ..... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জনৈকা সহধীর্মনী একটি পেয়ালায় করে কিছু খাবার তাঁর নিকট প্রেরণ করেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তখন পেয়ালাটিতে তার হাত দিয়ে আঘাত করে তাতে যা আছে তা ফেলে দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, খাদ্যের বদলে খাদ্য এবং পেয়ালার বদলে একটি পেয়ালা দিতে হবে। - ইবনু মাজাহ ২৩৩৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৫৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৬৪
যঈফ (Dai'f)
حدثنا علي بن حجر، اخبرنا سويد بن عبد العزيز، عن حميد، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم استعار قصعة فضاعت فضمنها لهم . قال ابو عيسى وهذا حديث غير محفوظ . وانما اراد عندي سويد الحديث الذي رواه الثوري وحديث الثوري اصح . اسم ابي داود عمر بن سعد .
১৩৬৪. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পেয়ালা ব্যবহারের জন্য ধার হিসসাবে নিয়েছিলেন। পরে সেটি হারিয়ে যায়। তখন তিনি এটির ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন। - তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬০ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। আমার মনে হয় সুয়ায়দ (রহঃ) ছাওরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসটির বর্ণনা করতে চয়েছিলেন। ছাওরী (রহঃ) বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (১৩৩৬ নং) অধিকতর সহীহ।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি মাহফুজ বা সংরক্ষিত নয়। আমার মনে হয় সুয়ায়দ (রহঃ) ছাওরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসটির বর্ণনা করতে চয়েছিলেন। ছাওরী (রহঃ) বর্ণিত রিওয়ায়াতটি (১৩৩৬ নং) অধিকতর সহীহ।
হাদিস নং: ১৩৬৫
সহিহ (Sahih)
حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا اسحاق بن يوسف الازرق، عن سفيان، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال عرضت على رسول الله صلى الله عليه وسلم في جيش وانا ابن اربع عشرة فلم يقبلني فعرضت عليه من قابل في جيش وانا ابن خمس عشرة فقبلني . قال نافع وحدثت بهذا الحديث عمر بن عبد العزيز فقال هذا حد ما بين الصغير والكبير . ثم كتب ان يفرض لمن يبلغ الخمس عشرة .
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ولم يذكر فيه ان عمر بن عبد العزيز كتب ان هذا حد ما بين الصغير والكبير . وذكر ابن عيينة في حديثه . قال نافع فحدثنا به عمر بن عبد العزيز فقال هذا حد ما بين الذرية والمقاتلة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وبه يقول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق يرون ان الغلام اذا استكمل خمس عشرة سنة فحكمه حكم الرجال وان احتلم قبل خمس عشرة فحكمه حكم الرجال . وقال احمد واسحاق البلوغ ثلاثة منازل بلوغ خمس عشرة او الاحتلام فان لم يعرف سنه ولا احتلامه فالانبات يعني العانة .
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ولم يذكر فيه ان عمر بن عبد العزيز كتب ان هذا حد ما بين الصغير والكبير . وذكر ابن عيينة في حديثه . قال نافع فحدثنا به عمر بن عبد العزيز فقال هذا حد ما بين الذرية والمقاتلة . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند اهل العلم وبه يقول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي واحمد واسحاق يرون ان الغلام اذا استكمل خمس عشرة سنة فحكمه حكم الرجال وان احتلم قبل خمس عشرة فحكمه حكم الرجال . وقال احمد واسحاق البلوغ ثلاثة منازل بلوغ خمس عشرة او الاحتلام فان لم يعرف سنه ولا احتلامه فالانبات يعني العانة .
১৩৬৫. মুহম্মদ ইবনু ওয়াযীর আল-ওয়াসিতী (রহঃ) ..... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সমর অভিযানকালে আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পেশ করা হয়। তখন আমার বয়স ছিল চৌদ্দ। কিন্তু তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন না। সামনের বছর আরেক অভিযানকালে আমাকে তাঁর সামনে পেশ করা হয়। তখন আমার বয়স পনের। এই বার তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন। নাফি (রহঃ) বলেন, আমি এই হাদীসটি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করি। তিনি বললেন, এই বয়সটই হল বালেগ ও নাবালেগের বয়সসীমা। এরপর তিনি পনের বছর বয়সের লোকদের ভাতা নিরূপণের জন্য ফরমান লিখে জারি করে দিলেন। ইবনু আবী উমার (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে এরূপভাবে উমার ইবনু আবদুল আযীযের বক্তব্যের উল্লেখ নাই। ইবনু উয়াইনা (রহঃ)-তার রিওয়ায়াতে উল্লেখ করেছেন যে, নাফি’ (রহঃ) বলেন, আমি এই হাদীস উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এই হল শিশু ও যোদ্ধা হওয়ার মাঝে য়সসীমা। - বুখারি ২৬৬৪, ৬/৩০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। এতদনুসারে আলিমগণ আমল করেছেন। এ হল সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তাদের রায় হল, কোন বালকের বয়স পনের বছর পূর্ণ হলে তাকে পুরুষ বলে গণ্য করা হবে। আর পনের বছরের পূর্বে যদি স্বপ্নদোষ হয় তবেও তাকে পুরুষ বলে গণ্য করা হবে। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, সাবালকত্বের বিষয় তিনটিঃ পনের বছর বয়স হওয়া অথবা স্বপ্নদোষ হওয়া, যদি বয়স চেনা না যায় বা স্বপ্নদোষও না হয় তবে এর পরিচয় হল নাভির নীচে চুল উঠা।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। এতদনুসারে আলিমগণ আমল করেছেন। এ হল সুফইয়ান ছাওরী, ইবনু মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। তাদের রায় হল, কোন বালকের বয়স পনের বছর পূর্ণ হলে তাকে পুরুষ বলে গণ্য করা হবে। আর পনের বছরের পূর্বে যদি স্বপ্নদোষ হয় তবেও তাকে পুরুষ বলে গণ্য করা হবে। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) বলেন, সাবালকত্বের বিষয় তিনটিঃ পনের বছর বয়স হওয়া অথবা স্বপ্নদোষ হওয়া, যদি বয়স চেনা না যায় বা স্বপ্নদোষও না হয় তবে এর পরিচয় হল নাভির নীচে চুল উঠা।
হাদিস নং: ১৩৬৬
সহিহ (Sahih)
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا حفص بن غياث، عن اشعث، عن عدي بن ثابت، عن البراء، قال مر بي خالي ابو بردة بن نيار ومعه لواء فقلت اين تريد قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم الى رجل تزوج امراة ابيه ان اتيه براسه . قال وفي الباب عن قرة المزني . قال ابو عيسى حديث البراء حديث حسن غريب . وقد روى محمد بن اسحاق هذا الحديث عن عدي بن ثابت عن عبد الله بن يزيد عن البراء وقد روي هذا الحديث عن اشعث عن عدي عن يزيد بن البراء عن ابيه وروي عن اشعث عن عدي عن يزيد بن البراء عن خاله عن النبي صلى الله عليه وسلم .
১৩৬৬. আবূ সাঈদ আল-আশাজ্জাজৎ (রহঃ) ..... বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার মামা আবূ বুরদা ইবনু নিয়ার একবার আমার পাশ দিয়ে পথ অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন। তাঁর হাতে ছিল একটা পতাকা। আমি বললাম, কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করেছেন? তিনি বললেন, এক ব্যক্তি তার সৎমাকে বিয়ে করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাথা কেটে নিয়ে আসতে আমাকে পাঠিয়েছেন। - ইবনু মাজাহ ২৬০৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬২ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে কুররা আল-মুযানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) হাদীসটি আলী ইবনু ছাবিত - আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ - বারা সুত্রে বর্ণণা করেছেন। হাদীসটি আশআছ - আদী - বারা - তৎপিতাসূত্রে এবং আশআছ আদী ইয়াযীদ ইবনু বারা - তৎমামা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রেও বর্ণিত আছে।
এই বিষয়ে কুররা আল-মুযানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) হাদীসটি আলী ইবনু ছাবিত - আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ - বারা সুত্রে বর্ণণা করেছেন। হাদীসটি আশআছ - আদী - বারা - তৎপিতাসূত্রে এবং আশআছ আদী ইয়াযীদ ইবনু বারা - তৎমামা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রেও বর্ণিত আছে।
হাদিস নং: ১৩৬৭
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، انه حدثه ان عبد الله بن الزبير حدثه ان رجلا من الانصار خاصم الزبير عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في شراج الحرة التي يسقون بها النخل فقال الانصاري سرح الماء يمر . فابى عليه فاختصموا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير " اسق يا زبير ثم ارسل الماء الى جارك " . فغضب الانصاري فقال يا رسول الله ان كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " يا زبير اسق ثم احبس الماء حتى يرجع الى الجدر " . فقال الزبير والله اني لاحسب نزلت هذه الاية في ذلك : (فلا وربك لا يومنون حتى يحكموك فيما شجر بينهم ) . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروى شعيب بن ابي حمزة عن الزهري عن عروة بن الزبير عن الزبير ولم يذكر فيه عن عبد الله بن الزبير . ورواه عبد الله بن وهب عن الليث ويونس عن الزهري عن عروة عن عبد الله بن الزبير نحو الحديث الاول .
১৩৬৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক আনসারী ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হাররা-এর পানি প্রবাহ নিয়ে যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু -এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এই পানি প্রবাহ থেকেও তারা খর্জুর উদ্যানে পানি সিঞ্চন করত। আনসারী বলত, পানি ছেড়ে দিন যেন তা প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু তা করতে অস্বীকার করেন। তখন তারা বিবাদ মীমাংসার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলে তিনি যুবায়রকে বললেন, যুবায়র, তোমার বাগানে পানি সেচের পর তোমার প্রতিবেশীর জন্য পানি ছেড়ে দবে। আনসারী এতে রাগান্বিত হয়ে পড়ে। সে বলল, আপনার ফুফাতো ভাই বলেই তো (এমন রায় দিলেন)।
এ শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা রক্তবর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেন, হে যুবায়র, তোমার বাগানে পানি সেচন করবে। এরপর আইলগুলো ভরাট না হওয়া পর্যন্ত পানি আটকিয়ে রাখবে। যুবায়র (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, আমার মনে হয় নিম্নের আয়াতটি এই প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছিলঃ
فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ
কিন্তু না, তোমার রবের কসম, তারা মু’মিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসম্বাদের বিচার ভার তোমার উপর অপর্ন না করে অতঃপর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তকরণে তা মেনে না নেয়। (৪: ৬৫) - নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। শুআয়ব ইবনু আবূ হামযা এটিকে যুহরী - উরওয়া ইবনু যুবায়র -যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। এতে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের উল্লেখ নেই। আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব এটি লাযছ ও ইউনুস - যুহরী - উরওয়া - আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে প্রথমোক্ত হদীসটি অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
এ শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা রক্তবর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেন, হে যুবায়র, তোমার বাগানে পানি সেচন করবে। এরপর আইলগুলো ভরাট না হওয়া পর্যন্ত পানি আটকিয়ে রাখবে। যুবায়র (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, আমার মনে হয় নিম্নের আয়াতটি এই প্রসঙ্গে নাযিল হয়েছিলঃ
فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ
কিন্তু না, তোমার রবের কসম, তারা মু’মিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ বিসম্বাদের বিচার ভার তোমার উপর অপর্ন না করে অতঃপর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং সর্বান্তকরণে তা মেনে না নেয়। (৪: ৬৫) - নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। শুআয়ব ইবনু আবূ হামযা এটিকে যুহরী - উরওয়া ইবনু যুবায়র -যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রেও বর্ণনা করেছেন। এতে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রের উল্লেখ নেই। আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব এটি লাযছ ও ইউনুস - যুহরী - উরওয়া - আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে প্রথমোক্ত হদীসটি অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস নং: ১৩৬৮
সহিহ (Sahih)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن ابي المهلب، عن عمران بن حصين، ان رجلا، من الانصار اعتق ستة اعبد له عند موته ولم يكن له مال غيرهم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال له قولا شديدا ثم دعاهم فجزاهم ثم اقرع بينهم فاعتق اثنين وارق اربعة . وقد روي من غير وجه عن عمران بن حصين . قال وفي الباب عن ابي هريرة . قال ابو عيسى حديث عمران بن حصين حديث حسن صحيح . والعمل على هذا عند بعض اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول مالك والشافعي واحمد واسحاق يرون استعمال القرعة في هذا وفي غيره . واما بعض اهل العلم من اهل الكوفة وغيرهم فلم يروا القرعة وقالوا يعتق من كل عبد الثلث ويستسعى في ثلثى قيمته . وابو المهلب اسمه عبد الرحمن بن عمرو الجرمي وهو غير ابي قلابة ويقال معاوية بن عمرو . وابو قلابة الجرمي اسمه عبد الله بن زيد .
১৩৬৮. কুতায়বা (রহঃ) ...... ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, জনৈক আনসারী মৃত্যুর সময় তার ছয়জন ক্রীতদাস আযাদ করে দেয়। তা ছাড়া তার আর কোন সম্পদ ছিল না। বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌছলে তিনি তার সম্বন্ধে খুবই কঠোর ভাষা প্রয়োগ করেন। এরপর তিনি গোলামদের ডাকলেন এবং এদের তিন ভাগ করে তাদের মাঝে লটারী দিলেন। অনন্তর এতদনুসারে দুইজনকে আযাদ করে দিলেন এবং চারজনকে গোলাম হিসাবে বাকী রাখলেন। - ইবনু মাজাহ ২৩৪৫, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটি ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। কতক আলিম, এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল মালিক ইবন আনাস, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। এই ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য বিষয়ে ও তারা লটারী দিয়ে বস্তু নির্বাচন জায়েয বলে মনে করেন।
কতক কুফাবাসী ও অপরাপর আলিম এই ক্ষেত্রে লটারী পদ্ধতিকে জায়েয মনে করেন না। তারা বলেন, এই ক্ষেত্রে প্রতিজন গোলামেরই এক তৃতীয়াংশ আযাদ হয়ে যাবে। অপর দুই তৃতীয়াংশের মূল্য পরিশোধের জন্য প্রয়াস পাবে। রাবী আবূল মুহাল্লাব (রহঃ) এর নাম হল আবদুর রহমান ইবনু আমর। বর্ণনান্তরে তাকে মুআবিয়া ইবনু আমরও বলা হয়।
এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটি ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে। কতক আলিম, এতদনুসারে আমল করেছেন। এ হল মালিক ইবন আনাস, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। এই ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য বিষয়ে ও তারা লটারী দিয়ে বস্তু নির্বাচন জায়েয বলে মনে করেন।
কতক কুফাবাসী ও অপরাপর আলিম এই ক্ষেত্রে লটারী পদ্ধতিকে জায়েয মনে করেন না। তারা বলেন, এই ক্ষেত্রে প্রতিজন গোলামেরই এক তৃতীয়াংশ আযাদ হয়ে যাবে। অপর দুই তৃতীয়াংশের মূল্য পরিশোধের জন্য প্রয়াস পাবে। রাবী আবূল মুহাল্লাব (রহঃ) এর নাম হল আবদুর রহমান ইবনু আমর। বর্ণনান্তরে তাকে মুআবিয়া ইবনু আমরও বলা হয়।
হাদিস নং: ১৩৬৯
সহিহ (Sahih)
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي البصري، حدثنا حماد بن سلمة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ملك ذا رحم محرم فهو حر " . قال ابو عيسى هذا حديث لا نعرفه مسندا الا من حديث حماد بن سلمة . وقد روى بعضهم هذا الحديث عن قتادة عن الحسن عن عمر شيىا من هذا .
حدثنا عقبة بن مكرم العمي البصري، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن بكر البرساني، عن حماد بن سلمة، عن قتادة، وعاصم الاحول، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ملك ذا رحم محرم فهو حر " . قال ابو عيسى ولا نعلم احدا ذكر في هذا الحديث عاصما الاحول عن حماد بن سلمة غير محمد بن بكر . والعمل على هذا الحديث عند بعض اهل العلم . - وقد روي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ملك ذا رحم محرم فهو حر " . رواه ضمرة بن ربيعة عن الثوري عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . ولم يتابع ضمرة على هذا الحديث وهو حديث خطا عند اهل الحديث .
حدثنا عقبة بن مكرم العمي البصري، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن بكر البرساني، عن حماد بن سلمة، عن قتادة، وعاصم الاحول، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ملك ذا رحم محرم فهو حر " . قال ابو عيسى ولا نعلم احدا ذكر في هذا الحديث عاصما الاحول عن حماد بن سلمة غير محمد بن بكر . والعمل على هذا الحديث عند بعض اهل العلم . - وقد روي عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ملك ذا رحم محرم فهو حر " . رواه ضمرة بن ربيعة عن الثوري عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم . ولم يتابع ضمرة على هذا الحديث وهو حديث خطا عند اهل الحديث .
১৩৬৯. আবদুল্লাহ ইবনু মুআবিয়া আল জুমাহী (রহঃ) ...... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাদের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম এমন কোন আত্মীয়ের মালিক যদি কেউ হয় তবে সে আযাদ হয়ে যাবে। - ইবনু মাজাহ ২৫২৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৩৬৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা ছাড়া অন্য কোন সূত্রে হাদীসটি সম্পর্কে মুসনাদরূপে রিওয়ায়াতের কোন পরিচয় আমাদের নাই। কেউ কেউ এই হাদীসটি কাতাদা - হাসান- উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে কিছুটা অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। উকবা ইবনু মুকরাম আম্মী বাসরী প্রমুখ (রহঃ) সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম এমন কোন আত্মীয়ের মালিক যদি কেউ হয় তবে সে আযাদ হয়ে যাবে।
মুহাম্মদ ইবনু বাকর ছাড়া এই সনদে কেউ আসিম আল-আহওয়াল-হাম্মাদ ইবনু সালামা-এর উল্লেখ করেছেন বলে আমরা জানি না। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম এমন কোন আত্মীয়ের মালিক যদি কেউ হয় তবে সে আযাদ হয়ে যাবে। দামরা ইবনু রাবীআ (রহঃ) এটিকে সুফইয়ান ছাওরী-আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার-ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এই রিওয়ায়াতের ক্ষেত্রে দামরা ইবনু রাবীআর কোন সহগামী নেই। হাদীস বিশারদগণের মতে সনদটিতে ভুল রয়েছে।
ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামা ছাড়া অন্য কোন সূত্রে হাদীসটি সম্পর্কে মুসনাদরূপে রিওয়ায়াতের কোন পরিচয় আমাদের নাই। কেউ কেউ এই হাদীসটি কাতাদা - হাসান- উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে কিছুটা অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। উকবা ইবনু মুকরাম আম্মী বাসরী প্রমুখ (রহঃ) সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম এমন কোন আত্মীয়ের মালিক যদি কেউ হয় তবে সে আযাদ হয়ে যাবে।
মুহাম্মদ ইবনু বাকর ছাড়া এই সনদে কেউ আসিম আল-আহওয়াল-হাম্মাদ ইবনু সালামা-এর উল্লেখ করেছেন বলে আমরা জানি না। কতক আলিম এতদনুসারে আমল করেছেন। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম এমন কোন আত্মীয়ের মালিক যদি কেউ হয় তবে সে আযাদ হয়ে যাবে। দামরা ইবনু রাবীআ (রহঃ) এটিকে সুফইয়ান ছাওরী-আবদুল্লাহ ইবনু দ্বীনার-ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এই রিওয়ায়াতের ক্ষেত্রে দামরা ইবনু রাবীআর কোন সহগামী নেই। হাদীস বিশারদগণের মতে সনদটিতে ভুল রয়েছে।